বিষয়ভিত্তিক কুরআন > বিরোধীদের ষড়যন্ত্র ও অপকৌশল

তারা মানুষের মধ্যে কুধারণা সৃষ্টি করত:

আল-আম্বিয়া, ২১:২
مَا يَأْتِيهِمْ مِنْ ذِكْرٍ مِنْ رَبِّهِمْ مُحْدَثٍ إِلَّا اسْتَمَعُوهُ وَهُمْ يَلْعَبُونَ ﴿٢﴾
তাদের কাছে তাদের প্রতিপালকের পক্ষ হতে যখনই কোন নতুন উপদেশ আসে, তখন তারা তা হাসি-তামাশার বস্তু মনে করেই শোনে। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-আম্বিয়া, ২১:৩
لَاهِيَةً قُلُوبُهُمْ وَأَسَرُّوا النَّجْوَى الَّذِينَ ظَلَمُوا هَلْ هَذَا إِلَّا بَشَرٌ مِثْلُكُمْ أَفَتَأْتُونَ السِّحْرَ وَأَنْتُمْ تُبْصِرُونَ ﴿٣﴾
তাদের অন্তর থাকে খেলায় মগ্ন। যালিমরা গোপনে পরামর্শ করে- এটা তোমাদেরই মত মানুষ ছাড়া কি অন্য কিছু? তোমরা কি দেখে-শুনে যাদুর কবলে পড়বে? [তাইসিরুল কুরআন]

কুরআন প্রচারের সময় গোলমাল সৃষ্টি করত:

আস-সাজদাহ, ৩২:২৬
أَوَلَمْ يَهْدِ لَهُمْ كَمْ أَهْلَكْنَا مِنْ قَبْلِهِمْ مِنَ الْقُرُونِ يَمْشُونَ فِي مَسَاكِنِهِمْ إِنَّ فِي ذَلِكَ لَآيَاتٍ أَفَلَا يَسْمَعُونَ ﴿٢٦﴾
এটাও কি তাদেরকে সত্য পথ দেখায় না যে, আমি তাদের পূর্বে কত মানব বংশ ধ্বংস করেছি যাদের বাসভূমির উপর দিয়ে তারা (এখন) চলাফেরা করে? এতে অবশ্যই (আল্লাহর) নিদর্শন আছে, তবুও কি তারা শুনবে না? [তাইসিরুল কুরআন]

নিজেরা দূরে থাকত এবং অপরকেও দূরে রাখত:

আল-আন'আম, ৬:২৬
وَهُمْ يَنْهَوْنَ عَنْهُ وَيَنْأَوْنَ عَنْهُ وَإِنْ يُهْلِكُونَ إِلَّا أَنْفُسَهُمْ وَمَا يَشْعُرُونَ ﴿٢٦﴾
তারা তা (শোনা) থেকে অন্যদের বিরত করে, আর নিজেরাও তাত্থেকে দূরে সরে থাকে, তারা নিজেরাই নিজেদের ধ্বংস সাধন করে কিন্তু সে বোধ তাদের নেই। [তাইসিরুল কুরআন]

গান-বাজনার আসর বসিয়ে মানুষকে ব্যস্ত রাখত:

লুকমান, ৩১:৬
وَمِنَ النَّاسِ مَنْ يَشْتَرِي لَهْوَ الْحَدِيثِ لِيُضِلَّ عَنْ سَبِيلِ اللَّهِ بِغَيْرِ عِلْمٍ وَيَتَّخِذَهَا هُزُوًا أُولَئِكَ لَهُمْ عَذَابٌ مُهِينٌ ﴿٦﴾
কতক মানুষ আল্লাহর পথ থেকে বিচ্যুত করার উদ্দেশে অজ্ঞতাবশতঃ অবান্তর কথাবার্তা (গান-বাজনা) ক্রয় করে আর আল্লাহর পথকে ঠাট্টা-বিদ্রূপ করে। ওদের জন্যই আছে অবমাননাকর শাস্তি। [তাইসিরুল কুরআন]

গল্প-কাহিনীর আসর বসাত:

আল-মুমিনুন, ২৩:৬৬
قَدْ كَانَتْ آيَاتِي تُتْلَى عَلَيْكُمْ فَكُنْتُمْ عَلَى أَعْقَابِكُمْ تَنْكِصُونَ ﴿٦٦﴾
আমার আয়াত তোমাদের কাছে পড়ে শোনানো হত, কিন্তু তোমরা গোড়ালির ভরে পিছনে ঘুরে দাঁড়াতে। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-মুমিনুন, ২৩:৬৭
مُسْتَكْبِرِينَ بِهِ سَامِرًا تَهْجُرُونَ ﴿٦٧﴾
অহংকারবশতঃ (কুরআন) সম্পর্কে অর্থহীন কথা বলতে যেমন কেউ রাতে গল্প বলে। [তাইসিরুল কুরআন]

পরকালে অন্যের গোনাহের বোঝা নিজে বহন করার প্রতিশ্রুতি দিত:

আল-আনকাবূত, ২৯:১২
وَقَالَ الَّذِينَ كَفَرُوا لِلَّذِينَ آمَنُوا اتَّبِعُوا سَبِيلَنَا وَلْنَحْمِلْ خَطَايَاكُمْ وَمَا هُمْ بِحَامِلِينَ مِنْ خَطَايَاهُمْ مِنْ شَيْءٍ إِنَّهُمْ لَكَاذِبُونَ ﴿١٢﴾
কাফিররা মু’মিনদেরকে বলে, ‘আমাদের পথ অনুসরণ কর, আমরা তোমাদের পাপের বোঝা বহন করব, মূলতঃ তারা তাদের পাপের কিছুই বহন করবে না, অবশ্যই তারা মিথ্যেবাদী। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-আনকাবূত, ২৯:১৩
وَلَيَحْمِلُنَّ أَثْقَالَهُمْ وَأَثْقَالًا مَعَ أَثْقَالِهِمْ وَلَيُسْأَلُنَّ يَوْمَ الْقِيَامَةِ عَمَّا كَانُوا يَفْتَرُونَ ﴿١٣﴾
তারা অবশ্য অবশ্যই তাদের নিজেদের পাপের বোঝা বহন করবে, নিজেদের বোঝার সাথে আরো বোঝা, আর তারা যে সব মিথ্যে উদ্ভাবন করত সে সম্পর্কে ক্বিয়ামত দিবসে তারা অবশ্য অবশ্যই জিজ্ঞাসিত হবে। [তাইসিরুল কুরআন]

নবী এর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাত:

আল-ইসরা, ১৭:৪৭
نَحْنُ أَعْلَمُ بِمَا يَسْتَمِعُونَ بِهِ إِذْ يَسْتَمِعُونَ إِلَيْكَ وَإِذْ هُمْ نَجْوَى إِذْ يَقُولُ الظَّالِمُونَ إِنْ تَتَّبِعُونَ إِلَّا رَجُلًا مَسْحُورًا ﴿٤٧﴾
আমি ভাল করেই জানি তারা কান লাগিয়ে কী শুনে যখন তারা তোমার কথা কান লাগিয়ে শুনে। আর যখন তারা গোপনে পরস্পর আলোচনায় বসে তখন যালিমরা বলে, ‘তোমরা তো কেবল এক যাদুগ্রস্ত লোকের অনুসরণ করে চলেছ।’ [তাইসিরুল কুরআন]

তারা নবী কে বিদ্রূপের পাত্র বানিয়ে নিয়েছিল:

আল-ফুরকান, ২৫:৪১
وَإِذَا رَأَوْكَ إِنْ يَتَّخِذُونَكَ إِلَّا هُزُوًا أَهَذَا الَّذِي بَعَثَ اللَّهُ رَسُولًا ﴿٤١﴾
তারা যখন তোমাকে দেখে, তারা তোমাকে ঠাট্টা-বিদ্রূপের পাত্র ছাড়া অন্য কিছু গণ্য করে না, আর বলে : এটা কি সেই লোক আল্লাহ যাকে রসূল করে পাঠিয়েছেন? [তাইসিরুল কুরআন]

নবী কে নামায পড়তেও বাধা দিত:

আল-আলাক, ৯৬:৯
أَرَأَيْتَ الَّذِي يَنْهَى ﴿٩﴾
তুমি কি তাকে (অর্থাৎ আবূ জাহলকে) দেখেছ যে নিষেধ করে, [তাইসিরুল কুরআন]
আল-আলাক, ৯৬:১০
عَبْدًا إِذَا صَلَّى ﴿١٠﴾
এক বান্দাহকে [অর্থাৎ রসূলুল্লাহ (সা.)-কে] যখন সে নামায আদায় করতে থাকে? [তাইসিরুল কুরআন]
আল-আলাক, ৯৬:১১
أَرَأَيْتَ إِنْ كَانَ عَلَى الْهُدَى ﴿١١﴾
তুমি কি ভেবে দেখেছ (যাকে নিষেধ করা হচ্ছে) সে যদি সৎ পথে থাকে, [তাইসিরুল কুরআন]
আল-আলাক, ৯৬:১২
أَوْ أَمَرَ بِالتَّقْوَى ﴿١٢﴾
আর তাকওয়া অবলম্বনের নির্দেশ দেয় (তাহলে তার এ কাজগুলো কেমন মনে কর?) [তাইসিরুল কুরআন]
আল-জিন, ৭২:১৯
وَأَنَّهُ لَمَّا قَامَ عَبْدُ اللَّهِ يَدْعُوهُ كَادُوا يَكُونُونَ عَلَيْهِ لِبَدًا ﴿١٩﴾
আরো এই যে, যখন আল্লাহর বান্দা [রসূলুল্লাহ (সা.)] যখন তাঁকে আহবান করার জন্য দাঁড়াল তখন তারা (অর্থাৎ কাফিররা) তার চারপাশে ভিড় জমাল। [তাইসিরুল কুরআন]

তারা নবী কে দেশ হতে বিতাড়িত করতে চেয়েছে:

আল-ইসরা, ১৭:৭৬
وَإِنْ كَادُوا لَيَسْتَفِزُّونَكَ مِنَ الْأَرْضِ لِيُخْرِجُوكَ مِنْهَا وَإِذًا لَا يَلْبَثُونَ خِلَافَكَ إِلَّا قَلِيلًا ﴿٧٦﴾
তারা তোমাকে যমীন থেকে উৎখাত করতে চেয়েছিল যাতে তারা তোমাকে তাত্থেকে বের করে দিতে পারে, সেক্ষেত্রে তারা এখানে তোমার পরে খুব অল্পকালই টিকে থাকত। [তাইসিরুল কুরআন]

নবী এর উপর যাদু করা হয়েছে:

আল-ফালাক, ১১৩:১
قُلْ أَعُوَذُ بِرَبِّ الْفَلَقِ ﴿١﴾
বল, ‘আমি আশ্রয় চাচ্ছি সকাল বেলার রব-এর, [তাইসিরুল কুরআন]
আল-ফালাক, ১১৩:২
مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ ﴿٢﴾
তিনি যা সৃষ্টি করেছেন তার অনিষ্ট হতে, [তাইসিরুল কুরআন]
আল-ফালাক, ১১৩:৩
وَمِنْ شَرِ غَاسِقٍ إِذَا وَقَبَ ﴿٣﴾
আর অন্ধকার রাতের অনিষ্ট হতে যখন তা আচ্ছন্ন হয়ে যায়। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-ফালাক, ১১৩:৪
وَمِنْ شَرِّ النَّفَّاثَاتِ فِي الْعُقَدِ ﴿٤﴾
এবং (জাদু করার উদ্দেশে) গিরায় ফুৎকারকারিণীদের অনিষ্ট হতে, [তাইসিরুল কুরআন]
আল-ফালাক, ১১৩:৫
وَمِنْ شَرٍ حَاسِدٍ إِذَا حَسَدَ ﴿٥﴾
এবং হিংসুকের অনিষ্ট হতে, যখন সে হিংসা করে। [তাইসিরুল কুরআন]
আন-নাস, ১১৪:১
قُلْ أَعُوَذُ بِرَبِّ النَّاسِ ﴿١﴾
বল, ‘আমি আশ্রয় চাচ্ছি মানুষের প্রতিপালকের, [তাইসিরুল কুরআন]
আন-নাস, ১১৪:২
مَلِكِ النَّاسِ ﴿٢﴾
মানুষের অধিপতির, [তাইসিরুল কুরআন]
আন-নাস, ১১৪:৩
إِلَهِ النَّاسِ ﴿٣﴾
মানুষের প্রকৃত ইলাহর, [তাইসিরুল কুরআন]
আন-নাস, ১১৪:৪
مِنْ شَرِّ الْوَسْوَاسِ الْخَنَّاسِ ﴿٤﴾
যে নিজেকে লুকিয়ে রেখে বার বার এসে কুমন্ত্রণা দেয় তার অনিষ্ট হতে, [তাইসিরুল কুরআন]
আন-নাস, ১১৪:৫
الَّذِي يُوَسْوِسُ فِي صُدُورِ النَّاسِ ﴿٥﴾
যে কুমন্ত্রণা দেয় মানুষের অন্তরে [তাইসিরুল কুরআন]
আন-নাস, ১১৪:৬
مِنَ الْجِنَّةِ وَالنَّاسِ ﴿٦﴾
(এই কুমন্ত্রণাদাতা হচ্ছে) জিন্নের মধ্য হতে এবং মানুষের মধ্য হতে। [তাইসিরুল কুরআন]

নবীকে দাওয়াত দিয়ে হত্যা করতে চেয়েছে:

আল-মায়েদা, ৫:১১
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اذْكُرُوا نِعْمَةَ اللَّهِ عَلَيْكُمْ إِذْ هَمَّ قَوْمٌ أَنْ يَبْسُطُوا إِلَيْكُمْ أَيْدِيَهُمْ فَكَفَّ أَيْدِيَهُمْ عَنْكُمْ وَاتَّقُوا اللَّهَ وَعَلَى اللَّهِ فَلْيَتَوَكَّلِ الْمُؤْمِنُونَ ﴿١١﴾
হে মু’মিনগণ! তোমরা আল্লাহর নি‘আমাতের কথা স্মরণ কর যখন একটি সম্প্রদায় তোমাদের বিরুদ্ধে তাদের হস্ত উত্তোলন করতে চেয়েছিল, তখন তিনি তোমাদের থেকে তাদের হাত নিবৃত্ত করেছিলেন। আল্লাহকে ভয় কর, আর মুমিনগণ যেন আল্লাহরই উপর ভরসা করে। [তাইসিরুল কুরআন]

নবীকে গ্রেফতার এবং হত্যা করার চেষ্টা করেছে:

আল-আনফাল, ৮:৩০
وَإِذْ يَمْكُرُ بِكَ الَّذِينَ كَفَرُوا لِيُثْبِتُوكَ أَوْ يَقْتُلُوكَ أَوْ يُخْرِجُوكَ وَيَمْكُرُونَ وَيَمْكُرُ اللَّهُ وَاللَّهُ خَيْرُ الْمَاكِرِينَ ﴿٣٠﴾
স্মরণ কর, সেই সময়ের কথা যখন কাফিরগণ তোমাকে বন্দী করার কিংবা হত্যা করার কিংবা দেশ থেকে বের করে দেয়ার জন্য ষড়যন্ত্র করে। তারা চক্রান্ত করে আর আল্লাহও কৌশল করেন। আল্লাহই হচ্ছেন সর্বশ্রেষ্ঠ কৌশলী। [তাইসিরুল কুরআন]

কাফিররা বলল, যদি তারা সত্যিই কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নিতে চায় (তবে এটাই করণীয়)।

আল-আম্বিয়া, ২১:৬৮
قَالُوا حَرِّقُوهُ وَانْصُرُوا آلِهَتَكُمْ إِنْ كُنْتُمْ فَاعِلِينَ ﴿٦٨﴾
তারা বলল, ‘তাকে পুড়িয়ে মার আর তোমাদের উপাস্যদের সাহায্য কর- যদি তোমরা কিছু করতেই চাও। [তাইসিরুল কুরআন]

কাফিররা মুহাম্মদ (ﷺ)-এর জন্য কালের কোনো মারাত্মক দুর্ঘটনার (মৃত্যুর) প্রতীক্ষা করছে।

আত-তূর, ৫২:৩০
أَمْ يَقُولُونَ شَاعِرٌ نَتَرَبَّصُ بِهِ رَيْبَ الْمَنُونِ ﴿٣٠﴾
তারা কি বলে সে একজন কবি, যার জন্য আমরা কালচক্রের (বিপদাপদের) অপেক্ষা করছি। [তাইসিরুল কুরআন]

কাফিররা কি (নবী ও ইসলামের বিরুদ্ধে) কোনো চক্রান্ত করতে চায়?

আত-তূর, ৫২:৪২
أَمْ يُرِيدُونَ كَيْدًا فَالَّذِينَ كَفَرُوا هُمُ الْمَكِيدُونَ ﴿٤٢﴾
নাকি তারা (তোমার বিরুদ্ধে) চক্রান্ত করতে চায়? তাহলে কিন্তু কাফিররাই চক্রান্তের ফাঁদে আটকা পড়বে। [তাইসিরুল কুরআন]

কাফিররা রাসূলের (ﷺ) ডান ও বাম দিক থেকে সমবেত হয়।

আল-মা'আরিজ, ৭০:৩৭
عَنِ الْيَمِينِ وَعَنِ الشِّمَالِ عِزِينَ ﴿٣٧﴾
ডান দিক আর বাম দিক থেকে দলে দলে, [তাইসিরুল কুরআন]

অতঃপর সেই কাফির ব্যক্তিটি একটি পরিকল্পনা স্থির করলো।

আল-মুদ্দাসসির, ৭৪:১৮
إِنَّهُ فَكَّرَ وَقَدَّرَ ﴿١٨﴾
সে চিন্তা ভাবনা করল এবং সিদ্ধান্ত নিল, [তাইসিরুল কুরআন]

কী নিকৃষ্টভাবেই না সেই ব্যক্তি পরিকল্পনা করেছিল!

আল-মুদ্দাসসির, ৭৪:১৯
فَقُتِلَ كَيْفَ قَدَّرَ ﴿١٩﴾
ধ্বংস হোক সে, কীভাবে সে (কুরআনের অলৌকিকতা স্বীকার করার পরও কেবল অহমিকার বশবর্তী হয়ে নবুওয়াতকে অস্বীকার করার) সিদ্ধান্ত নিল! [তাইসিরুল কুরআন]

কুরআন প্রত্যাখ্যানের পরিকল্পনাকারী কীভাবেই না ষড়যন্ত্র করেছিল!

আল-মুদ্দাসসির, ৭৪:২০
ثُمَّ قُتِلَ كَيْفَ قَدَّرَ ﴿٢٠﴾
আবারো ধ্বংস হোক সে, সে সিদ্ধান্ত নিল কীভাবে! [তাইসিরুল কুরআন]

কাফিররা আকাঙ্ক্ষা করে যে, নবী (ﷺ) দ্বীনের বিষয়ে আপোস করুন।

আল-ক্বলাম, ৬৮:৯
وَدُّوا لَوْ تُدْهِنُ فَيُدْهِنُونَ ﴿٩﴾
তারা চায় যে, তুমি যদি নমনীয় হও, তবে তারাও নমনীয় হবে, [তাইসিরুল কুরআন]
ফন্ট সাইজ
15px
17px