বিষয়ভিত্তিক কুরআন > নবী (সাঃ) এর প্রতি আল্লাহর প্রাথমিক অনুগ্রহ ও নির্দেশাবলি

সূরা ইনশিরাহ:

আল-ইনশিরাহ, ৯৪:১
أَلَمْ نَشْرَحْ لَكَ صَدْرَكَ ﴿١﴾
(হে নবী! ওয়াহীর মাধ্যমে প্রকৃত জ্ঞান ও মানসিক শক্তি দিয়ে) আমি কি তোমার বক্ষদেশকে প্রসারিত করে দেইনি? [তাইসিরুল কুরআন]
আল-ইনশিরাহ, ৯৪:৪
وَرَفَعْنَا لَكَ ذِكْرَكَ ﴿٤﴾
এবং আমি (মু’মিনদের যাবতীয় আবশ্যিক ‘ইবাদাত আযান, ইক্বামাত, নামায, খুৎবাহ ইত্যাদির মাধ্যমে) তোমার স্মৃতিকে উচ্চ মর্যাদায় তুলে ধরেছি। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-ইনশিরাহ, ৯৪:৫
فَإِنَّ مَعَ الْعُسْرِ يُسْرًا ﴿٥﴾
কষ্টের সাথেই স্বস্তি আছে, [তাইসিরুল কুরআন]
আল-ইনশিরাহ, ৯৪:৬
إِنَّ مَعَ الْعُسْرِ يُسْرًا ﴿٦﴾
নিঃসন্দেহে কষ্টের সাথেই স্বস্তি আছে। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-ইনশিরাহ, ৯৪:৭
فَإِذَا فَرَغْتَ فَانْصَبْ ﴿٧﴾
কাজেই তুমি যখনই অবসর পাবে, ‘ইবাদাতের কঠোর শ্রমে লেগে যাবে, [তাইসিরুল কুরআন]
আল-ইনশিরাহ, ৯৪:৮
وَإِلَى رَبِّكَ فَارْغَبْ ﴿٧﴾
এবং তোমার রব-এর প্রতি গভীরভাবে মনোযোগ দিবে। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-ইনশিরাহ, ৯৪:২
وَوَضَعْنَا عَنْكَ وِزْرَكَ ﴿٢﴾
আর আমি তোমার হতে সরিয়ে দিয়েছি (সমাজের অনাচার, অশ্লীলতা ও পঙ্কিলতা দেখে তোমার অন্তরে জেগে উঠা দুঃখ, বেদনা, উদ্বেগ ও অস্থিরতার) ভার, [তাইসিরুল কুরআন]
আল-ইনশিরাহ, ৯৪:৩
الَّذِي أَنْقَضَ ظَهْرَكَ ﴿٣﴾
যা তোমার কোমরকে ভেঙ্গে দিচ্ছিল। [তাইসিরুল কুরআন]

সুরা যোহা:

আদ-দুহা, ৯৩:১
وَالضُّحَى ﴿١﴾
সকালের উজ্জ্বল আলোর শপথ, [তাইসিরুল কুরআন]
আদ-দুহা, ৯৩:২
وَاللَّيْلِ إِذَا سَجَى ﴿٢﴾
রাতের শপথ যখন তা হয় শান্ত-নিঝুম, [তাইসিরুল কুরআন]
আদ-দুহা, ৯৩:৩
مَا وَدَّعَكَ رَبُّكَ وَمَا قَلَى ﴿٣﴾
তোমার প্রতিপালক তোমাকে কক্ষনো পরিত্যাগ করেননি, আর তিনি অসন্তুষ্টও নন। [তাইসিরুল কুরআন]
আদ-দুহা, ৯৩:৪
وَلَلْآخِرَةُ خَيْرٌ لَكَ مِنَ الْأُولَى ﴿٤﴾
অবশ্যই পরবর্তী সময় পূর্ববর্তী সময়ের চেয়ে তোমার জন্য হবে অধিক উৎকৃষ্ট। [তাইসিরুল কুরআন]
আদ-দুহা, ৯৩:৫
وَلَسَوْفَ يُعْطِيكَ رَبُّكَ فَتَرْضَى ﴿٥﴾
শীঘ্রই তোমার প্রতিপালক তোমাকে (এত নি‘মাত) দিবেন যার ফলে তুমি সন্তুষ্ট হয়ে যাবে। [তাইসিরুল কুরআন]
আদ-দুহা, ৯৩:৬
أَلَمْ يَجِدْكَ يَتِيمًا فَآوَى ﴿٦﴾
তিনি কি তোমাকে ইয়াতীম অবস্থায় পান নাই? অতঃপর তিনি আশ্রয় দিয়েছেন। [তাইসিরুল কুরআন]
আদ-দুহা, ৯৩:৭
وَوَجَدَكَ ضَالًّا فَهَدَى ﴿٧﴾
তিনি তোমাকে পেয়েছিলেন পথের দিশা-হীন, অতঃপর দেখালেন সঠিক পথ। [তাইসিরুল কুরআন]
আদ-দুহা, ৯৩:৮
وَوَجَدَكَ عَائِلًا فَأَغْنَى ﴿٨﴾
তিনি তোমাকে পেলেন নিঃস্ব, অতঃপর করলেন অভাবমুক্ত। [তাইসিরুল কুরআন]
আদ-দুহা, ৯৩:৯
فَأَمَّا الْيَتِيمَ فَلَا تَقْهَرْ ﴿٩﴾
কাজেই তুমি ইয়াতীমের প্রতি কঠোরতা করবে না। [তাইসিরুল কুরআন]
আদ-দুহা, ৯৩:১০
وَأَمَّا السَّائِلَ فَلَا تَنْهَرْ ﴿١٠﴾
এবং ভিক্ষুককে ধমক দিবে না। [তাইসিরুল কুরআন]
আদ-দুহা, ৯৩:১১
وَأَمَّا بِنِعْمَةِ رَبِّكَ فَحَدِّثْ ﴿١١﴾
আর তুমি তোমার রব-এর নি‘মাতকে (তোমার কথা, কাজকর্ম ও আচরণের মাধ্যমে) প্রকাশ করতে থাক। [তাইসিরুল কুরআন]

সূরা মুয্যাম্মিল:

আল-মুযযাম্মিল, ৭৩:১
يَا أَيُّهَا الْمُزَّمِّلُ ﴿١﴾
ওহে চাদরে আবৃত (ব্যক্তি)! [তাইসিরুল কুরআন]
আল-মুযযাম্মিল, ৭৩:২
قُمِ اللَّيْلَ إِلَّا قَلِيلًا ﴿٢﴾
রাতে নামাযে দাঁড়াও তবে (রাতের) কিছু অংশ বাদে, [তাইসিরুল কুরআন]
আল-মুযযাম্মিল, ৭৩:৩
نِصْفَهُ أَوِ انْقُصْ مِنْهُ قَلِيلًا ﴿٣﴾
রাতের অর্ধেক (সময় দাঁড়াও) কিংবা তার থেকে কিছুটা কম কর, [তাইসিরুল কুরআন]
আল-মুযযাম্মিল, ৭৩:৪
أَوْ زِدْ عَلَيْهِ وَرَتِّلِ الْقُرْآنَ تَرْتِيلًا ﴿٤﴾
অথবা তার চেয়ে বাড়াও, আর ধীরে ধীরে সুস্পষ্টভাবে কুরআন পাঠ কর। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-মুযযাম্মিল, ৭৩:৫
إِنَّا سَنُلْقِي عَلَيْكَ قَوْلًا ثَقِيلًا ﴿٥﴾
আমি তোমার উপর গুরুভার কালাম নাযিল করব (বিশ্বের বুকে যার প্রচার ও প্রতিষ্ঠা করার দায়িত্বভার অতি বড় কঠিন কাজ)। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-মুযযাম্মিল, ৭৩:৬
إِنَّ نَاشِئَةَ اللَّيْلِ هِيَ أَشَدُّ وَطْئًا وَأَقْوَمُ قِيلًا ﴿٦﴾
বাস্তবিকই রাতে বিছানা ছেড়ে উঠা আত্মসংযমের জন্য বেশি কার্যকর এবং (কুরআন) স্পষ্ট উচ্চারণের অনুকূল। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-মুযযাম্মিল, ৭৩:৭
إِنَّ لَكَ فِي النَّهَارِ سَبْحًا طَوِيلًا ﴿٧﴾
দিনের বেলায় তোমার জন্য আছে দীর্ঘ কর্মব্যস্ততা। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-মুযযাম্মিল, ৭৩:৮
وَاذْكُرِ اسْمَ رَبِّكَ وَتَبَتَّلْ إِلَيْهِ تَبْتِيلًا ﴿٨﴾
কাজেই তুমি তোমার প্রতিপালকের নাম স্মরণ কর এবং একাগ্রচিত্তে তাঁর প্রতি মগ্ন হও। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-মুযযাম্মিল, ৭৩:৯
رَبُّ الْمَشْرِقِ وَالْمَغْرِبِ لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ فَاتَّخِذْهُ وَكِيلًا ﴿٩﴾
(তিনি) পূর্ব ও পশ্চিমের সর্বময় কর্তা, তিনি ছাড়া সত্যিকারের কোন ইলাহ নেই, অতএব তাঁকেই তুমি তোমার কার্য সম্পদানকারী বানিয়ে লও। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-মুযযাম্মিল, ৭৩:১০
وَاصْبِرْ عَلَى مَا يَقُولُونَ وَاهْجُرْهُمْ هَجْرًا جَمِيلًا ﴿١٠﴾
তারা যা বলে সে ব্যাপারে ধৈর্য ধারণ কর আর ভদ্রতার সঙ্গে তাদেরকে পরিহার ক’রে চল। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-মুযযাম্মিল, ৭৩:১১
وَذَرْنِي وَالْمُكَذِّبِينَ أُولِي النَّعْمَةِ وَمَهِّلْهُمْ قَلِيلًا ﴿١١﴾
আর ছেড়ে দাও আমাকে আর নানান বিলাস সামগ্রীর মালিক ঐ মিথ্যুকদেরকে এবং তাদেরকে কিছুটা সময় অবকাশ দাও। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-মুযযাম্মিল, ৭৩:১২
إِنَّ لَدَيْنَا أَنْكَالًا وَجَحِيمًا ﴿١٢﴾
আমার কাছে আছে শেকল আর দাউ দাউ করে জ্বলা আগুন, [তাইসিরুল কুরআন]

সূরা মুদ্দাসসির:

আল-মুদ্দাসসির, ৭৪:১
يَا أَيُّهَا الْمُدَّثِّرُ ﴿١﴾
ওহে বস্ত্র আবৃত (ব্যক্তি)! [তাইসিরুল কুরআন]
আল-মুদ্দাসসির, ৭৪:২
قُمْ فَأَنْذِرْ ﴿٢﴾
ওঠ, সতর্ক কর। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-মুদ্দাসসির, ৭৪:৩
وَرَبَّكَ فَكَبِّرْ ﴿٣﴾
আর তোমার প্রতিপালকের শ্রেষ্ঠত্ব ঘোষণা কর। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-মুদ্দাসসির, ৭৪:৪
وَثِيَابَكَ فَطَهِّرْ ﴿٤﴾
তোমার পোশাক পরিচ্ছদ পবিত্র রাখ। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-মুদ্দাসসির, ৭৪:৫
وَالرُّجْزَ فَاهْجُرْ ﴿٥﴾
(যাবতীয়) অপবিত্রতা থেকে দূরে থাক। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-মুদ্দাসসির, ৭৪:৬
وَلَا تَمْنُنْ تَسْتَكْثِرُ ﴿٦﴾
(কারো প্রতি) অনুগ্রহ করো না অধিক পাওয়ার উদ্দেশে। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-মুদ্দাসসির, ৭৪:৭
وَلِرَبِّكَ فَاصْبِرْ ﴿٧﴾
তোমার প্রতিপালকের (সন্তুষ্টির) জন্য ধৈর্য ধর। [তাইসিরুল কুরআন]
ফন্ট সাইজ
15px
17px