বিষয়ভিত্তিক কুরআন > মুহাম্মাদ (সাঃ) এর সীমাবদ্ধতা
যালিমদের ব্যাপারে তার কিছু করার অধিকার ছিল না:
আলে-ইমরান, ৩:১২৮ ⋮
لَيْسَ لَكَ مِنَ الْأَمْرِ شَيْءٌ أَوْ يَتُوبَ عَلَيْهِمْ أَوْ يُعَذِّبَهُمْ فَإِنَّهُمْ ظَالِمُونَ ﴿١٢٨﴾
আল্লাহ তাদের প্রতি ক্ষমাশীল হবেন অথবা তাদেরকে শাস্তি প্রদান করবেন- এ ব্যাপারে তোমার কিছু করার নেই। কেননা তারা হচ্ছে যালিম। [তাইসিরুল কুরআন]
কারো লাভ-লোকসান করার ক্ষমতা তাঁর নেই:
আল-জিন, ৭২:২১ ⋮
قُلْ إِنِّي لَا أَمْلِكُ لَكُمْ ضَرًّا وَلَا رَشَدًا ﴿٢١﴾
বল- ‘আমি তোমাদের কোন ক্ষতি বা কল্যাণ করার ক্ষমতা রাখি না। [তাইসিরুল কুরআন]
নিজের লাভ-ক্ষতির মালিকও তিনি নন:
আল-আ'রাফ, ৭:১৮৮ ⋮
قُلْ لَا أَمْلِكُ لِنَفْسِي نَفْعًا وَلَا ضَرًّا إِلَّا مَا شَاءَ اللَّهُ وَلَوْ كُنْتُ أَعْلَمُ الْغَيْبَ لَاسْتَكْثَرْتُ مِنَ الْخَيْرِ وَمَا مَسَّنِيَ السُّوءُ إِنْ أَنَا إِلَّا نَذِيرٌ وَبَشِيرٌ لِقَوْمٍ يُؤْمِنُونَ ﴿١٨٨﴾
বল, আল্লাহ যা ইচ্ছে করেন তা ছাড়া আমার নিজের ভাল বা মন্দ করার কোন ক্ষমতা আমার নেই। আমি যদি অদৃশ্যের খবর জানতাম তাহলে নিজের জন্য অনেক বেশি ফায়দা হাসিল করে নিতাম, আর কোন প্রকার অকল্যাণই আমাকে স্পর্শ করত না। যারা ঈমান আনবে আমি সেই সম্প্রদায়ের প্রতি সতর্ককারী ও সুসংবাদদাতা ছাড়া অন্য কিছু নই। [তাইসিরুল কুরআন]
শিরক করলে তাঁর আমলও বরবাদ হয়ে যেত:
আয-যুমার, ৩৯:৬৫ ⋮
وَلَقَدْ أُوحِيَ إِلَيْكَ وَإِلَى الَّذِينَ مِنْ قَبْلِكَ لَئِنْ أَشْرَكْتَ لَيَحْبَطَنَّ عَمَلُكَ وَلَتَكُونَنَّ مِنَ الْخَاسِرِينَ ﴿٦٥﴾
কিন্তু তোমার কাছে আর তোমাদের পূর্ববর্তীদের কাছে ওয়াহী করা হয়েছে যে, তুমি যদি (আল্লাহর) শরীক স্থির কর, তাহলে তোমার কর্ম অবশ্য অবশ্যই নিস্ফল হয়ে যাবে, আর তুমি অবশ্য অবশ্যই ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হবে। [তাইসিরুল কুরআন]
তিনি হেদায়াতের মালিক নন:
আল-কাসাস, ২৮:৫৬ ⋮
إِنَّكَ لَا تَهْدِي مَنْ أَحْبَبْتَ وَلَكِنَّ اللَّهَ يَهْدِي مَنْ يَشَاءُ وَهُوَ أَعْلَمُ بِالْمُهْتَدِينَ ﴿٥٦﴾
তুমি যাকে ভালবাস তাকে সৎপথ দেখাতে পারবে না, বরং আল্লাহ্ই যাকে চান সৎ পথে পরিচালিত করেন, সৎপথপ্রাপ্তদের তিনি ভাল করেই জানেন। [তাইসিরুল কুরআন]
তিনি বধিরকে শুনাতে পারেন না:
আন-নামাল, ২৭:৮০ ⋮
إِنَّكَ لَا تُسْمِعُ الْمَوْتَى وَلَا تُسْمِعُ الصُّمَّ الدُّعَاءَ إِذَا وَلَّوْا مُدْبِرِينَ ﴿٨٠﴾
তুমি মৃতদেরকে শুনাতে পারবে না, আর বধিরকেও আহবান শুনাতে পারবে না (বিশেষতঃ) যখন তারা পিঠ ফিরিয়ে চলে যায়। [তাইসিরুল কুরআন]
ইউনুস, ১০:৪২ ⋮
وَمِنْهُمْ مَنْ يَسْتَمِعُونَ إِلَيْكَ أَفَأَنْتَ تُسْمِعُ الصُّمَّ وَلَوْ كَانُوا لَا يَعْقِلُونَ ﴿٤٢﴾
এদের মধ্যে কেউ কেউ তোমার কথা শুনার ভান করে। তাহলে তুমি কি বধিরকে শুনাবে, তারা না বুঝলেও? [তাইসিরুল কুরআন]
তিনি অন্ধকে পথ দেখাতে পারেন না:
ইউনুস, ১০:৪৩ ⋮
وَمِنْهُمْ مَنْ يَنْظُرُ إِلَيْكَ أَفَأَنْتَ تَهْدِي الْعُمْيَ وَلَوْ كَانُوا لَا يُبْصِرُونَ ﴿٤٣﴾
তাদের মধ্যে কেউ কেউ তোমার দিকে তাকায়, তুমি কি অন্ধকে পথ দেখাবে, তারা না দেখলেও? [তাইসিরুল কুরআন]
তিনি বল প্রয়োগকারী নন:
কাফ, ৫০:৪৫ ⋮
نَحْنُ أَعْلَمُ بِمَا يَقُولُونَ وَمَا أَنْتَ عَلَيْهِمْ بِجَبَّارٍ فَذَكِّرْ بِالْقُرْآنِ مَنْ يَخَافُ وَعِيدِ ﴿٤٥﴾
তারা (তোমার বিরুদ্ধে) যা বলে তা আমি ভাল করেই জানি, তুমি তাদের উপর জবরদস্তিকারী নও। কাজেই যে আমার শাস্তির ভয়প্রদর্শনকে ভয় করে, তাকে তুমি কুরআনের সাহায্যে উপদেশ দাও। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-গাশিয়া, ৮৮:২২ ⋮
لَسْتَ عَلَيْهِمْ بِمُسَيْطِرٍ ﴿٢٢﴾
তুমি তাদের ওপর জবরদস্তিকারী নও। [তাইসিরুল কুরআন]
আশ-শূরা, ৪২:৪৮ ⋮
فَإِنْ أَعْرَضُوا فَمَا أَرْسَلْنَاكَ عَلَيْهِمْ حَفِيظًا إِنْ عَلَيْكَ إِلَّا الْبَلَاغُ وَإِنَّا إِذَا أَذَقْنَا الْإِنْسَانَ مِنَّا رَحْمَةً فَرِحَ بِهَا وَإِنْ تُصِبْهُمْ سَيِّئَةٌ بِمَا قَدَّمَتْ أَيْدِيهِمْ فَإِنَّ الْإِنْسَانَ كَفُورٌ ﴿٤٨﴾
এতদসত্ত্বেও তারা যদি মুখ ফিরিয়েই নেয় (তাহলে ফিরিয়ে নিক, কারণ) আমি তোমাকে তাদের হিফাযাতকারী বানিয়ে পাঠাইনি। কথা পৌঁছে দেয়াই তোমার দায়িত্ব। আমি যখন মানুষকে আমার রহমত আস্বাদন করাই, তখন সে উৎফুল্ল হয়। আর যখন তাদের কৃতকর্মের কারণে তাদের কোন অনিষ্ট হয়, তখন মানুষ অকৃতজ্ঞ হয়ে যায়। [তাইসিরুল কুরআন]
রাসূলের দায়িত্ব কেবল আল্লাহর বাণী পৌঁছে দেওয়া।
আল-মায়েদা, ৫:৯৯ ⋮
مَا عَلَى الرَّسُولِ إِلَّا الْبَلَاغُ وَاللَّهُ يَعْلَمُ مَا تُبْدُونَ وَمَا تَكْتُمُونَ ﴿٩٩﴾
(আল্লাহর বাণী) পৌঁছে দেয়া ছাড়া রসূলের উপর দায়িত্ব নেই। তোমরা যা প্রকাশ কর আর গোপন কর, আল্লাহ তা জানেন। [তাইসিরুল কুরআন]
রসূলগণ জবাবে বলবেন, '(এ বিষয়ে) আমাদের কোনো জ্ঞান নেই।'
আল-মায়েদা, ৫:১০৯ ⋮
يَوْمَ يَجْمَعُ اللَّهُ الرُّسُلَ فَيَقُولُ مَاذَا أُجِبْتُمْ قَالُوا لَا عِلْمَ لَنَا إِنَّكَ أَنْتَ عَلَّامُ الْغُيُوبِ ﴿١٠٩﴾
আল্লাহ যে দিন রসূলগণকে একত্রিত করবেন; অতঃপর বলবেন, তোমাদেরকে কী জবাব দেয়া হয়েছিল। তারা বলবে, আমরা কিছুই জানি না, তুমিই সকল গোপন তত্ত্ব জান। [তাইসিরুল কুরআন]
হে নবী, আপনি বলুন, 'আমি তোমাদের উপর কর্মবিধায়ক বা দায়িত্বশীল নই'।
আল-আন'আম, ৬:৬৬ ⋮
وَكَذَّبَ بِهِ قَوْمُكَ وَهُوَ الْحَقُّ قُلْ لَسْتُ عَلَيْكُمْ بِوَكِيلٍ ﴿٦٦﴾
তোমার কওম তা (অর্থাৎ ‘আযাবকে) মিথ্যে মনে করছে কিন্তু তা প্রকৃত সত্য। বল, আমি তোমাদের কর্মবিধায়ক নই। [তাইসিরুল কুরআন]
নবী (ﷺ) মানুষের উপর তত্ত্বাবধায়ক বা সংরক্ষক নন।
আল-আন'আম, ৬:১০৪ ⋮
قَدْ جَاءَكُمْ بَصَائِرُ مِنْ رَبِّكُمْ فَمَنْ أَبْصَرَ فَلِنَفْسِهِ وَمَنْ عَمِيَ فَعَلَيْهَا وَمَا أَنَا عَلَيْكُمْ بِحَفِيظٍ ﴿١٠٤﴾
তোমাদের কাছে তোমাদের প্রতিপালকের নিকট থেকে (অন্তরের) আলো এসে পৌঁছেছে, যে লোক (এই আলো দিয়ে) দেখবে তাতে তার নিজেরই কল্যাণ হবে, আর যে অন্ধ থাকবে, তার অকল্যাণ তার ঘাড়েই পড়বে। (বাণী পৌঁছে দেয়ার দায়িত্ব দিয়ে আমাকে পাঠানো হয়েছে) আমি তোমাদেরকে পাহারা দেয়ার জন্য দায়িত্বপাপ্ত হইনি। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ তাঁর নবীকে (মুহাম্মাদ ﷺ) কাফিরদের উপর তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্ত করেননি।
আল-আন'আম, ৬:১০৭ ⋮
وَلَوْ شَاءَ اللَّهُ مَا أَشْرَكُوا وَمَا جَعَلْنَاكَ عَلَيْهِمْ حَفِيظًا وَمَا أَنْتَ عَلَيْهِمْ بِوَكِيلٍ ﴿١٠٧﴾
আল্লাহ ইচ্ছে করলে তারা আল্লাহর অংশী স্থির করত না, (আসল শিক্ষা তাদেরকে জানিয়ে দেয়া হয়েছে, এখন তারা মানুক বা না মানুক) আমি তোমাকে তাদের উপর পাহারাদার পাঠায়নি (জোর করে আল্লাহর ‘ইবাদাত করিয়ে নেয়ার জন্য), আর তুমি তাদের পক্ষ থেকে কর্মসম্পাদনকারীও নও। [তাইসিরুল কুরআন]
নবী (মুহাম্মাদ ﷺ) কাফিরদের কর্মের ব্যবস্থাপক বা দায়িত্বশীল নন।
আল-আন'আম, ৬:১০৭ ⋮
وَلَوْ شَاءَ اللَّهُ مَا أَشْرَكُوا وَمَا جَعَلْنَاكَ عَلَيْهِمْ حَفِيظًا وَمَا أَنْتَ عَلَيْهِمْ بِوَكِيلٍ ﴿١٠٧﴾
আল্লাহ ইচ্ছে করলে তারা আল্লাহর অংশী স্থির করত না, (আসল শিক্ষা তাদেরকে জানিয়ে দেয়া হয়েছে, এখন তারা মানুক বা না মানুক) আমি তোমাকে তাদের উপর পাহারাদার পাঠায়নি (জোর করে আল্লাহর ‘ইবাদাত করিয়ে নেয়ার জন্য), আর তুমি তাদের পক্ষ থেকে কর্মসম্পাদনকারীও নও। [তাইসিরুল কুরআন]
শু'আইব (আঃ) তাঁর জাতিকে বলেন যে তিনি তাদের উপর তত্ত্বাবধায়ক বা সংরক্ষক নন।
হূদ, ১১:৮৬ ⋮
بَقِيَّةُ اللَّهِ خَيْرٌ لَكُمْ إِنْ كُنْتُمْ مُؤْمِنِينَ وَمَا أَنَا عَلَيْكُمْ بِحَفِيظٍ ﴿٨٦﴾
আল্লাহর অনুমোদিত উদ্বৃত্ত (অর্থাৎ লাভ) তোমাদের জন্য উত্তম, যদি তোমরা মু’মিন হও, আমি তোমাদের পর্যবেক্ষক নই।’ [তাইসিরুল কুরআন]
নবী মুহাম্মাদ (ﷺ) কেবল একজন সুস্পষ্ট সতর্ককারী।
আল-আ'রাফ, ৭:১৮৪ ⋮
أَوَلَمْ يَتَفَكَّرُوا مَا بِصَاحِبِهِمْ مِنْ جِنَّةٍ إِنْ هُوَ إِلَّا نَذِيرٌ مُبِينٌ ﴿١٨٤﴾
তারা কি চিন্তা-ভাবনা করে না সে তাদের সঙ্গী (আমার রসূল) তো উম্মাদ নয়, সে তো প্রকাশ্য এক সতর্ককারী। [তাইসিরুল কুরআন]
(হে নবী,) আপনি পৃথিবীর সকল সম্পদ ব্যয় করলেও মুমিনদের অন্তরসমূহে সম্প্রীতি স্থাপন করতে পারতেন না।
আল-আনফাল, ৮:৬৩ ⋮
وَأَلَّفَ بَيْنَ قُلُوبِهِمْ لَوْ أَنْفَقْتَ مَا فِي الْأَرْضِ جَمِيعًا مَا أَلَّفْتَ بَيْنَ قُلُوبِهِمْ وَلَكِنَّ اللَّهَ أَلَّفَ بَيْنَهُمْ إِنَّهُ عَزِيزٌ حَكِيمٌ ﴿٦٣﴾
তিনি তাদের হৃদয়গুলোকে প্রীতির বন্ধনে জুড়ে দিয়েছেন। দুনিয়ায় যা কিছু আছে তার সবটুকু খরচ করলেও তুমি তাদের অন্তরগুলোকে প্রীতির ডোরে বাঁধতে পারতে না, কিন্তু আল্লাহ তাদের মধ্যে বন্ধন সৃষ্টি করে দিয়েছেন, তিনি তো প্রবল পরাক্রান্ত, মহাবিজ্ঞানী। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহর ইচ্ছা ব্যতীত রাসূল (ﷺ) নিজের জন্য কোনো ক্ষতি বা উপকার করার ক্ষমতা রাখেন না।
ইউনুস, ১০:৪৯ ⋮
قُلْ لَا أَمْلِكُ لِنَفْسِي ضَرًّا وَلَا نَفْعًا إِلَّا مَا شَاءَ اللَّهُ لِكُلِّ أُمَّةٍ أَجَلٌ إِذَا جَاءَ أَجَلُهُمْ فَلَا يَسْتَأْخِرُونَ سَاعَةً وَلَا يَسْتَقْدِمُونَ ﴿٤٩﴾
বল, ‘আল্লাহর ইচ্ছে ব্যতীত আমার নিজেরও কোন ক্ষতি বা লাভ করার ক্ষমতা নেই।’ প্রত্যেক সম্প্রদায়ের জন্য একটা নির্দিষ্ট সময় নির্ধারিত আছে। তাদের সেই নির্দিষ্ট সময় চলে আসলে তারা এক মুহূর্তও আগ-পাছ করতে পারবে না। [তাইসিরুল কুরআন]
নবী মুহাম্মাদ (ﷺ) মানুষের উপর জিম্মাদার বা কর্মবিধায়ক নন।
ইউনুস, ১০:১০৮ ⋮
قُلْ يَا أَيُّهَا النَّاسُ قَدْ جَاءَكُمُ الْحَقُّ مِنْ رَبِّكُمْ فَمَنِ اهْتَدَى فَإِنَّمَا يَهْتَدِي لِنَفْسِهِ وَمَنْ ضَلَّ فَإِنَّمَا يَضِلُّ عَلَيْهَا وَمَا أَنَا عَلَيْكُمْ بِوَكِيلٍ ﴿١٠٨﴾
বল, ‘‘হে মানুষ! তোমাদের প্রতিপালকের নিকট হতে তোমাদের কাছে প্রকৃত সত্য এসে পৌঁছেছে। অতঃপর যে সঠিক পথ অবলম্বন করবে, সে নিজের কল্যাণের জন্যই সঠিক পথ ধরবে। আর যারা পথভ্রষ্ট হবে তারা পথভ্রষ্ট হবে নিজেদেরই ক্ষতি করার জন্য, আমি তোমাদের হয়ে কাজ উদ্ধার করে দেয়ার কেউ নেই। [তাইসিরুল কুরআন]
অবিশ্বাসীরা মুখ ফিরিয়ে নিলেও রাসূলুল্লাহর (ﷺ) একমাত্র দায়িত্ব হলো সুস্পষ্টভাবে আল্লাহর বাণী পৌঁছে দেওয়া।
আন-নাহাল, ১৬:৮২ ⋮
فَإِنْ تَوَلَّوْا فَإِنَّمَا عَلَيْكَ الْبَلَاغُ الْمُبِينُ ﴿٨٢﴾
এরপরও যদি তারা মুখ ফিরিয়ে নেয় তবে (জোরপূর্বক তাদেরকে সঠিক পথে আনা তোমার দায়িত্ব নয়) তোমার দায়িত্ব কেবল স্পষ্টভাবে বাণী পৌঁছে দেয়া। [তাইসিরুল কুরআন]
রাসূলের দায়িত্ব কেবল সুস্পষ্টভাবে আল্লাহর বাণী পৌঁছে দেওয়া।
আল-আনকাবূত, ২৯:১৮ ⋮
وَإِنْ تُكَذِّبُوا فَقَدْ كَذَّبَ أُمَمٌ مِنْ قَبْلِكُمْ وَمَا عَلَى الرَّسُولِ إِلَّا الْبَلَاغُ الْمُبِينُ ﴿١٨﴾
তোমরা যদি (রাসূলকে) মিথ্যে বলে অস্বীকার কর তবে তোমাদের পূর্বের বংশাবলীও অস্বীকার করেছিল, সুস্পষ্টভাবে প্রচার করা ব্যতীত রসূলের উপর কোন দায়িত্ব নেই। [তাইসিরুল কুরআন]
কাফিরদেরকে প্রতিশ্রুত শাস্তি নিকটবর্তী না দূরবর্তী, এই জ্ঞান রাসূলের (ﷺ) নেই।
আল-আম্বিয়া, ২১:১০৯ ⋮
فَإِنْ تَوَلَّوْا فَقُلْ آذَنْتُكُمْ عَلَى سَوَاءٍ وَإِنْ أَدْرِي أَقَرِيبٌ أَمْ بَعِيدٌ مَا تُوعَدُونَ ﴿١٠٩﴾
তবে তারা মুখ ফিরিয়ে নিলে বল : আমি তোমাদের কাছে যথাযথভাবে বাণী পৌঁছে দিয়েছি। আর আমি জানি না তোমাদেরকে যার ওয়া‘দা দেয়া হয়েছে তা নিকটবর্তী, নাকি দূরবর্তী। [তাইসিরুল কুরআন]
আপনি (হে নবী) কবরবাসীদেরকে শোনাতে সক্ষম নন।
ফাতির, ৩৫:২২ ⋮
وَمَا يَسْتَوِي الْأَحْيَاءُ وَلَا الْأَمْوَاتُ إِنَّ اللَّهَ يُسْمِعُ مَنْ يَشَاءُ وَمَا أَنْتَ بِمُسْمِعٍ مَنْ فِي الْقُبُورِ ﴿٢٢﴾
আর জীবিত ও মৃতও সমান নয়। আল্লাহ যাকে ইচ্ছে করেন শোনান; যারা ক্ববরে আছে তুমি তাদেরকে শোনাতে পার না। [তাইসিরুল কুরআন]
আমার (নবী ﷺ) ঊর্ধ্বজগতের ফেরেশতাদের বাদানুবাদের বিষয়ে কোনো জ্ঞান ছিল না।
সোয়াদ, ৩৮:৬৯ ⋮
مَا كَانَ لِيَ مِنْ عِلْمٍ بِالْمَلَإِ الْأَعْلَى إِذْ يَخْتَصِمُونَ ﴿٦٩﴾
(বল) আমি ঊর্ধ্ব জগতের কোন জ্ঞান রাখি না যখন তারা (অর্থাৎ ফেরেশতারা) বাদানুবাদ করছিল। [তাইসিরুল কুরআন]
হে নবী, যে ব্যক্তি জাহান্নামে পতিত হবে, আপনি তাকে উদ্ধার করতে পারবেন না।
আয-যুমার, ৩৯:১৯ ⋮
أَفَمَنْ حَقَّ عَلَيْهِ كَلِمَةُ الْعَذَابِ أَفَأَنْتَ تُنْقِذُ مَنْ فِي النَّارِ ﴿١٩﴾
শাস্তির ফয়সালা যার উপর অবধারিত হয়ে গেছে, যে আছে জাহান্নামের আগুনে তুমি কি তাকে রক্ষা করতে পার? [তাইসিরুল কুরআন]
নবী (ﷺ) কি কাফিরদের কাছে পারিশ্রমিক চাওয়ায় তারা ঋণের বোঝায় ভারাক্রান্ত হয়ে পড়েছে?
আত-তূর, ৫২:৪০ ⋮
أَمْ تَسْأَلُهُمْ أَجْرًا فَهُمْ مِنْ مَغْرَمٍ مُثْقَلُونَ ﴿٤٠﴾
নাকি তুমি তাদের কাছে পারিশ্রমিক চাচ্ছ, যার ফলে তারা ঋণে ভারাক্রান্ত হয়ে পড়ছে? [তাইসিরুল কুরআন]
হে নবী, আপনি বধিরকে শোনাতে সক্ষম নন।
আয-যুখরুফ, ৪৩:৪০ ⋮
أَفَأَنْتَ تُسْمِعُ الصُّمَّ أَوْ تَهْدِي الْعُمْيَ وَمَنْ كَانَ فِي ضَلَالٍ مُبِينٍ ﴿٤٠﴾
তুমি কি বধিরকে শুনাতে পারবে অথবা যে অন্ধ আর যে আছে সুস্পষ্ট পথভ্রষ্টের মধ্যে তাকে সৎপথ দেখাতে পারবে? [তাইসিরুল কুরআন]
হে নবী, আপনি অন্ধকে পথ দেখাতে সক্ষম নন।
আয-যুখরুফ, ৪৩:৪০ ⋮
أَفَأَنْتَ تُسْمِعُ الصُّمَّ أَوْ تَهْدِي الْعُمْيَ وَمَنْ كَانَ فِي ضَلَالٍ مُبِينٍ ﴿٤٠﴾
তুমি কি বধিরকে শুনাতে পারবে অথবা যে অন্ধ আর যে আছে সুস্পষ্ট পথভ্রষ্টের মধ্যে তাকে সৎপথ দেখাতে পারবে? [তাইসিরুল কুরআন]
হে নবী, আপনি সুস্পষ্ট পথভ্রষ্ট ব্যক্তিকে হিদায়াত দিতে সক্ষম নন।
আয-যুখরুফ, ৪৩:৪০ ⋮
أَفَأَنْتَ تُسْمِعُ الصُّمَّ أَوْ تَهْدِي الْعُمْيَ وَمَنْ كَانَ فِي ضَلَالٍ مُبِينٍ ﴿٤٠﴾
তুমি কি বধিরকে শুনাতে পারবে অথবা যে অন্ধ আর যে আছে সুস্পষ্ট পথভ্রষ্টের মধ্যে তাকে সৎপথ দেখাতে পারবে? [তাইসিরুল কুরআন]
আমি (মুহাম্মাদ ﷺ) কেবল একজন সুস্পষ্ট সতর্ককারী।
আল-মুলক, ৬৭:২৬ ⋮
قُلْ إِنَّمَا الْعِلْمُ عِنْدَ اللَّهِ وَإِنَّمَا أَنَا نَذِيرٌ مُبِينٌ ﴿٢٦﴾
বল, ‘সে জ্ঞান তো কেবল আল্লাহর কাছেই আছে, আমি শুধু একজন স্পষ্ট সতর্ককারী। [তাইসিরুল কুরআন]
নবী (সাঃ) জানেন না যে কাফিরদের প্রতিশ্রুত আযাব নিকটবর্তী কিনা।
আল-জিন, ৭২:২৫ ⋮
قُلْ إِنْ أَدْرِي أَقَرِيبٌ مَا تُوعَدُونَ أَمْ يَجْعَلُ لَهُ رَبِّي أَمَدًا ﴿٢٥﴾
বল- ‘আমি জানি না তোমাদেরকে যার প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে তা কি নিকটবর্তী, না তার জন্য আমার প্রতিপালক কোন দীর্ঘ মেয়াদ নির্দিষ্ট করবেন।’ [তাইসিরুল কুরআন]
নবী (সাঃ) এও জানেন না যে, তাঁর প্রতিপালক সেই আযাবের জন্য কোনো দীর্ঘ মেয়াদ স্থির করবেন কিনা।
আল-জিন, ৭২:২৫ ⋮
قُلْ إِنْ أَدْرِي أَقَرِيبٌ مَا تُوعَدُونَ أَمْ يَجْعَلُ لَهُ رَبِّي أَمَدًا ﴿٢٥﴾
বল- ‘আমি জানি না তোমাদেরকে যার প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে তা কি নিকটবর্তী, না তার জন্য আমার প্রতিপালক কোন দীর্ঘ মেয়াদ নির্দিষ্ট করবেন।’ [তাইসিরুল কুরআন]