বিষয়ভিত্তিক কুরআন > মুহাম্মাদ (সাঃ) এর নবুওয়াতের সত্যতার প্রমাণ

পূর্ববর্তী জাতিসমূহের ইতিহাস বর্ণনা করা:

আল-আ'রাফ, ৭:১০১
تِلْكَ الْقُرَى نَقُصُّ عَلَيْكَ مِنْ أَنْبَائِهَا وَلَقَدْ جَاءَتْهُمْ رُسُلُهُمْ بِالْبَيِّنَاتِ فَمَا كَانُوا لِيُؤْمِنُوا بِمَا كَذَّبُوا مِنْ قَبْلُ كَذَلِكَ يَطْبَعُ اللَّهُ عَلَى قُلُوبِ الْكَافِرِينَ ﴿١٠١﴾
এসব জনপদের কিছু বিবরণ তোমাকে জানালাম। তাদের কাছে তো তাদের রসূলগণ স্পষ্ট প্রমাণ নিয়ে এসেছিল, কিন্তু যেহেতু তারা আগেভাগেই প্রত্যাখ্যান করে দিয়েছিল এজন্য আর ঈমান আনতে প্রস্তুত ছিল না। এভাবে আল্লাহ কাফিরদের অন্তরে সীল লাগিয়ে দেন। [তাইসিরুল কুরআন]

রাসূলদের কাহিনী বর্ণনা করা:

হূদ, ১১:১২০
وَكُلًّا نَقُصُّ عَلَيْكَ مِنْ أَنْبَاءِ الرُّسُلِ مَا نُثَبِّتُ بِهِ فُؤَادَكَ وَجَاءَكَ فِي هَذِهِ الْحَقُّ وَمَوْعِظَةٌ وَذِكْرَى لِلْمُؤْمِنِينَ ﴿١٢٠﴾
রসূলদের যে সব সংবাদসমূহ আমি তোমার কাছে বর্ণনা করলাম, এর দ্বারা আমি তোমার দিলকে মযবুত করছি, এতে তুমি প্রকৃত সত্যের জ্ঞান লাভ করবে আর মু’মিনদের জন্য এটা উপদেশ ও স্মারক। [তাইসিরুল কুরআন]

নিরক্ষর নবীর কুরআন পাঠ:

আল-আনকাবূত, ২৯:৪৮
وَمَا كُنْتَ تَتْلُو مِنْ قَبْلِهِ مِنْ كِتَابٍ وَلَا تَخُطُّهُ بِيَمِينِكَ إِذًا لَارْتَابَ الْمُبْطِلُونَ ﴿٤٨﴾
তুমি তো এর পূর্বে কোন কিতাব পাঠ করনি, আর তুমি নিজ হাতে কোন কিতাব লেখনি, এমন হলে মিথ্যাবাদীরা সন্দেহ পোষণ করত। [তাইসিরুল কুরআন]

শপথের মাধ্যমে আল্লাহর ঘোষণা:

ইয়াসীন, ৩৬:১
يس ﴿١﴾
ইয়াসীন। [তাইসিরুল কুরআন]
ইয়াসীন, ৩৬:২
وَالْقُرْآنِ الْحَكِيمِ ﴿٢﴾
শপথ হিকমতপূর্ণ কুরআনের। [তাইসিরুল কুরআন]
ইয়াসীন, ৩৬:৩
إِنَّكَ لَمِنَ الْمُرْسَلِينَ ﴿٣﴾
তুমি অবশ্যই রসূলগণের অন্তর্ভুক্ত। [তাইসিরুল কুরআন]
ইয়াসীন, ৩৬:৪
عَلَى صِرَاطٍ مُسْتَقِيمٍ ﴿٤﴾
তুমি সরল সঠিক পথে প্রতিষ্ঠিত। [তাইসিরুল কুরআন]

হে মানবজাতি, রাসূল (ﷺ) তোমাদের প্রতিপালকের পক্ষ থেকে সত্যসহ আগমন করেছেন।

আন-নিসা, ৪:১৭০
يَا أَيُّهَا النَّاسُ قَدْ جَاءَكُمُ الرَّسُولُ بِالْحَقِّ مِنْ رَبِّكُمْ فَآمِنُوا خَيْرًا لَكُمْ وَإِنْ تَكْفُرُوا فَإِنَّ لِلَّهِ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ وَكَانَ اللَّهُ عَلِيمًا حَكِيمًا ﴿١٧٠﴾
হে মানুষ! রসূল তোমাদের কাছে তোমাদের প্রতিপালকের নিকট হতে সত্য বিধান নিয়ে এসেছে, কাজেই তোমরা ঈমান আন, এটা তোমাদের জন্য কল্যাণকর হবে, আর যদি কুফরী কর (তাহলে জেনে রেখ) আকাশসমূহে আর যমীনে যা কিছু আছে সবই আল্লাহর আর আল্লাহ হলেন সর্বজ্ঞ, মহা কুশলী। [তাইসিরুল কুরআন]

বস্তুত, কাফিররা নবী মুহাম্মাদকে (ﷺ) মিথ্যাবাদী বলে না।

আল-আন'আম, ৬:৩৩
قَدْ نَعْلَمُ إِنَّهُ لَيَحْزُنُكَ الَّذِي يَقُولُونَ فَإِنَّهُمْ لَا يُكَذِّبُونَكَ وَلَكِنَّ الظَّالِمِينَ بِآيَاتِ اللَّهِ يَجْحَدُونَ ﴿٣٣﴾
তারা যা বলে তা তোমাকে কষ্ট দেয় এটা আমি অবশ্যই ভালভাবে অবগত, কেননা তারা তো তোমাকে মিথ্যে মনে করে না, প্রকৃতপক্ষে যালিমরা আল্লাহর আয়াতকেই প্রত্যাখ্যান করে। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ তাঁর নবীর প্রতি অবতীর্ণ অহী সম্পর্কে সন্দেহ হলে, পূর্ববর্তী কিতাব পাঠকারীদের জিজ্ঞেস করার নির্দেশ দিয়েছেন।

ইউনুস, ১০:৯৪
فَإِنْ كُنْتَ فِي شَكٍّ مِمَّا أَنْزَلْنَا إِلَيْكَ فَاسْأَلِ الَّذِينَ يَقْرَءُونَ الْكِتَابَ مِنْ قَبْلِكَ لَقَدْ جَاءَكَ الْحَقُّ مِنْ رَبِّكَ فَلَا تَكُونَنَّ مِنَ الْمُمْتَرِينَ ﴿٩٤﴾
আমি তোমার প্রতি যা অবতীর্ণ করেছি তাতে যদি তুমি সন্দেহ পোষণ কর তাহলে তোমার পূর্বে থেকে যারা কিতাব পাঠ করে আসছে তাদেরকে জিজ্ঞেস কর। তোমার কাছে তোমার প্রতিপালকের নিকট থেকে প্রকৃত সত্য এসেছে। কাজেই তুমি কক্ষনো সন্দেহ পোষণকারীদের মধ্যে শামিল হয়ো না। [তাইসিরুল কুরআন]

নিশ্চয়ই আপনি সুস্পষ্ট সত্যের উপর প্রতিষ্ঠিত আছেন।

আন-নামাল, ২৭:৭৯
فَتَوَكَّلْ عَلَى اللَّهِ إِنَّكَ عَلَى الْحَقِّ الْمُبِينِ ﴿٧٩﴾
কাজেই তুমি আল্লাহর উপর নির্ভর কর, তুমি তো সুস্পষ্ট সত্যের উপর আছ। [তাইসিরুল কুরআন]

আপনি (মুহাম্মদ ﷺ) মূসা (আঃ)-কে নির্দেশ প্রদানের সেই ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীদের অন্তর্ভুক্তও ছিলেন না।

আল-কাসাস, ২৮:৪৪
وَمَا كُنْتَ بِجَانِبِ الْغَرْبِيِّ إِذْ قَضَيْنَا إِلَى مُوسَى الْأَمْرَ وَمَا كُنْتَ مِنَ الشَّاهِدِينَ ﴿٤٤﴾
মূসাকে যখন আমি নির্দেশনামা দিয়েছিলাম তখন তুমি (তূওয়া উপত্যকার) পশ্চিম প্রান্তে ছিলে না, আর ছিলে না তুমি প্রত্যক্ষদর্শী। [তাইসিরুল কুরআন]

হে নবী, আপনি মাদইয়ানবাসীদের মধ্যে বসবাসকারী ছিলেন না যে তাদের কাছে আল্লাহর আয়াতসমূহ পাঠ করবেন।

আল-কাসাস, ২৮:৪৫
وَلَكِنَّا أَنْشَأْنَا قُرُونًا فَتَطَاوَلَ عَلَيْهِمُ الْعُمُرُ وَمَا كُنْتَ ثَاوِيًا فِي أَهْلِ مَدْيَنَ تَتْلُو عَلَيْهِمْ آيَاتِنَا وَلَكِنَّا كُنَّا مُرْسِلِينَ ﴿٤٥﴾
কিন্তু আমি অনেক মানবগোষ্ঠী সৃষ্টি করেছিলাম, অতঃপর তাদের অনেক যুগ গত হয়ে গেছে। তুমি মাদইয়ানবাসীদের মধ্যে বিদ্যমান ছিলে না তাদের কাছে আমার আয়াত আবৃত্তি করার জন্য, কিন্তু (তাদের মাঝে) রসূল প্রেরণকারী আমিই ছিলাম। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ নবী মুহাম্মাদ (ﷺ)-কে জিজ্ঞাসা করেন, তাঁর কাছে মূসা (আঃ)-এর বৃত্তান্ত পৌঁছেছে কি না।

ত্ব-হা, ২০:৯
وَهَلْ أَتَاكَ حَدِيثُ مُوسَى ﴿٩﴾
মূসার কাহিনী তোমার কাছে পৌঁছেছে কি? [তাইসিরুল কুরআন]

বরং রাসূল (ﷺ) তাদের কাছে সত্য নিয়ে এসেছেন।

আল-মুমিনুন, ২৩:৭০
أَمْ يَقُولُونَ بِهِ جِنَّةٌ بَلْ جَاءَهُمْ بِالْحَقِّ وَأَكْثَرُهُمْ لِلْحَقِّ كَارِهُونَ ﴿٧٠﴾
অথবা তারা কি বলে যে, সে উন্মাদ? না, প্রকৃতপক্ষে সে তাদের কাছে সত্য নিয়ে এসেছে, কিন্তু তাদের অধিকাংশই সত্যকে অপছন্দ করে। [তাইসিরুল কুরআন]

বরং নবী মুহাম্মাদ (ﷺ) সত্যসহ আগমন করেছেন।

আস-সাফফাত, ৩৭:৩৭
بَلْ جَاءَ بِالْحَقِّ وَصَدَّقَ الْمُرْسَلِينَ ﴿٣٧﴾
বরং সে [অর্থাৎ মুহাম্মাদ (সা.)] সত্য নিয়ে এসেছে এবং (পূর্বে আগমনকারী) রসূলদেরকে সত্যায়িত করেছে। [তাইসিরুল কুরআন]

নবী মুহাম্মাদ (ﷺ) পূর্ববর্তী রাসূলগণকে সত্যায়ন করেছেন।

আস-সাফফাত, ৩৭:৩৭
بَلْ جَاءَ بِالْحَقِّ وَصَدَّقَ الْمُرْسَلِينَ ﴿٣٧﴾
বরং সে [অর্থাৎ মুহাম্মাদ (সা.)] সত্য নিয়ে এসেছে এবং (পূর্বে আগমনকারী) রসূলদেরকে সত্যায়িত করেছে। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ মক্কার কাফিরদেরকে অধ্যয়ন করার মতো কোনো কিতাব প্রদান করেননি।

সাবা, ৩৪:৪৪
وَمَا آتَيْنَاهُمْ مِنْ كُتُبٍ يَدْرُسُونَهَا وَمَا أَرْسَلْنَا إِلَيْهِمْ قَبْلَكَ مِنْ نَذِيرٍ ﴿٤٤﴾
আমি তাদেরকে (অর্থাৎ মক্কার কুরায়শদের) কোন কিতাব দেইনি যা তারা পাঠ করত আর আমি তোমার পূর্বে তাদের কাছে কোন সতর্ককারীও পাঠাইনি। [তাইসিরুল কুরআন]
ফন্ট সাইজ
15px
17px