বিষয়ভিত্তিক কুরআন > মুহাম্মাদ (সাঃ) এর নবুওয়াত লাভ
জিবরাঈল (আঃ) কে তিনি আকাশে দেখেছেন:
আত-তাকবীর, ৮১:২৩ ⋮
وَلَقَدْ رَآهُ بِالْأُفُقِ الْمُبِينِ ﴿٢٣﴾
সে সেই বাণী বাহককে সুস্পষ্ট দিগন্তে দেখেছে, [তাইসিরুল কুরআন]
তিনি খুব শক্তিশালী ফেরেশতা:
আন-নাজম, ৫৩:৫ ⋮
عَلَّمَهُ شَدِيدُ الْقُوَى ﴿٥﴾
তাকে শিক্ষা দেয় শক্তিশালী, [তাইসিরুল কুরআন]
আন-নাজম, ৫৩:৬ ⋮
ذُو مِرَّةٍ فَاسْتَوَى ﴿٦﴾
প্রজ্ঞার অধিকারী (জিবরাঈল) সে নিজ আকৃতিতে স্থির হয়ে ছিল, [তাইসিরুল কুরআন]
আন-নাজম, ৫৩:৭ ⋮
وَهُوَ بِالْأُفُقِ الْأَعْلَى ﴿٧﴾
আর সে ছিল ঊর্ধ্ব দিগন্তে, [তাইসিরুল কুরআন]
ফেরেশতা খুব কাছাকাছি হলেন:
আন-নাজম, ৫৩:৮ ⋮
ثُمَّ دَنَا فَتَدَلَّى ﴿٨﴾
অতঃপর সে (নবীর) নিকটবর্তী হল, অতঃপর আসলো আরো নিকটে, [তাইসিরুল কুরআন]
আন-নাজম, ৫৩:৯ ⋮
فَكَانَ قَابَ قَوْسَيْنِ أَوْ أَدْنَى ﴿٩﴾
ফলে [নবী (সাঃ) ও জিবরাঈলের মাঝে] দুই ধনুকের ব্যবধান রইল অথবা আরো কম। [তাইসিরুল কুরআন]
তিনি নবী এর কাছে ওহী পৌঁছে দিলেন:
আন-নাজম, ৫৩:১০ ⋮
فَأَوْحَى إِلَى عَبْدِهِ مَا أَوْحَى ﴿١٠﴾
তখন (আল্লাহ) তাঁর বান্দাহর প্রতি ওয়াহী করলেন যা ওয়াহী করার ছিল। [তাইসিরুল কুরআন]
এতে নবী এর কোন ভুল ধারণা সৃষ্টি হয়নি:
আন-নাজম, ৫৩:১১ ⋮
مَا كَذَبَ الْفُؤَادُ مَا رَأَى ﴿١١﴾
(নবীর) অন্তঃকরণ মিথ্যে মনে করেনি যা সে দেখে ছিল। [তাইসিরুল কুরআন]
এ ফেরেশতাকে তিনি আরো একবার দেখেছিলেন:
আন-নাজম, ৫৩:১২ ⋮
أَفَتُمَارُونَهُ عَلَى مَا يَرَى ﴿١٢﴾
সে যা দেখেছে সে বিষয়ে তোমরা কি তার সঙ্গে বিতর্ক করবে? [তাইসিরুল কুরআন]
আন-নাজম, ৫৩:১৩ ⋮
وَلَقَدْ رَآهُ نَزْلَةً أُخْرَى ﴿١٣﴾
অবশ্যই সে [অর্থাৎ নবী (সা.)] তাকে [অর্থাৎ জিবরাঈল (আঃ)-কে] আরেকবার দেখেছিল [তাইসিরুল কুরআন]
আন-নাজম, ৫৩:১৪ ⋮
عِنْدَ سِدْرَةِ الْمُنْتَهَى ﴿١٤﴾
শেষসীমার বরই গাছের কাছে, [তাইসিরুল কুরআন]
আন-নাজম, ৫৩:১৫ ⋮
عِنْدَهَا جَنَّةُ الْمَأْوَى ﴿١٥﴾
যার কাছে অবস্থিত বসবাসের জান্নাত। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ এই আয়াতগুলো নবী মুহাম্মাদ (ﷺ)-এর উপর তিলাওয়াত করেন।
আলে-ইমরান, ৩:৫৮ ⋮
ذَلِكَ نَتْلُوهُ عَلَيْكَ مِنَ الْآيَاتِ وَالذِّكْرِ الْحَكِيمِ ﴿٥٨﴾
এসব আমি তোমাকে পড়ে শুনাচ্ছি আয়াতসমষ্টি ও জ্ঞানগর্ভ বাণী হতে। [তাইসিরুল কুরআন]
বরং আপনার প্রতিপালকের পক্ষ থেকে রহমতস্বরূপ আপনাকে এই অদৃশ্য সংবাদ জানানো হয়েছে।
আল-কাসাস, ২৮:৪৬ ⋮
وَمَا كُنْتَ بِجَانِبِ الطُّورِ إِذْ نَادَيْنَا وَلَكِنْ رَحْمَةً مِنْ رَبِّكَ لِتُنْذِرَ قَوْمًا مَا أَتَاهُمْ مِنْ نَذِيرٍ مِنْ قَبْلِكَ لَعَلَّهُمْ يَتَذَكَّرُونَ ﴿٤٦﴾
আমি যখন (মূসাকে) ডাক দিয়েছিলাম তখন তুমি তূর পর্বতের পাশে ছিলে না। কিন্তু (তোমাকে পাঠানো হয়েছে) তোমার প্রতিপালকের রহমতস্বরূপ যাতে তুমি এমন একটি সম্প্রদায়কে সতর্ক করতে পার যাদের কাছে তোমার পূর্বে সতর্ককারী পাঠানো হয়নি, যাতে তারা উপদেশ গ্রহণ করে। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ তাঁর নবী মুহাম্মাদকে (ﷺ) কুরআন পাঠ করাবেন।
আল-আ'লা, ৮৭:৬ ⋮
سَنُقْرِئُكَ فَلَا تَنْسَى ﴿٦﴾
আমি তোমাকে পড়িয়ে দেব, যার ফলে তুমি ভুলে যাবে না। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রেরিত একজন রাসূল (মুহাম্মাদ ﷺ)।
আল-বায়্যিনাহ, ৯৮:২ ⋮
رَسُولٌ مِنَ اللَّهِ يَتْلُو صُحُفًا مُطَهَّرَةً ﴿٢﴾
(অর্থাৎ) আল্লাহর নিকট হতে একজন রসূল, যে পাঠ করে পবিত্র গ্রন্থ। [তাইসিরুল কুরআন]