বিষয়ভিত্তিক কুরআন > মুহাম্মাদ (সাঃ) কে পাঠানোর উদ্দেশ্য

মানুষের অভিযোগ খণ্ডন করা:

ত্ব-হা, ২০:১৩৪
وَلَوْ أَنَّا أَهْلَكْنَاهُمْ بِعَذَابٍ مِنْ قَبْلِهِ لَقَالُوا رَبَّنَا لَوْلَا أَرْسَلْتَ إِلَيْنَا رَسُولًا فَنَتَّبِعَ آيَاتِكَ مِنْ قَبْلِ أَنْ نَذِلَّ وَنَخْزَى ﴿١٣٤﴾
এর (অর্থাৎ কোন নিদর্শন আসার) আগেই আমি যদি তাদেরকে ‘আযাব দিয়ে ধ্বংস করে দিতাম তাহলে তারা বলত, ‘হে আমাদের প্রতিপালক! তুমি আমাদের কাছে কেন একজন রসূল পাঠালে না? তাহলে আমরা অবশ্যই তোমার নিদর্শন মেনে চলতাম আমরা অপমানিত ও হেয় হবার আগেই। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-মায়েদা, ৫:১৯
يَا أَهْلَ الْكِتَابِ قَدْ جَاءَكُمْ رَسُولُنَا يُبَيِّنُ لَكُمْ عَلَى فَتْرَةٍ مِنَ الرُّسُلِ أَنْ تَقُولُوا مَا جَاءَنَا مِنْ بَشِيرٍ وَلَا نَذِيرٍ فَقَدْ جَاءَكُمْ بَشِيرٌ وَنَذِيرٌ وَاللَّهُ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ ﴿١٩﴾
ওহে আহলে কিতাব! রসূল প্রেরণে বিরতির পর তোমাদের কাছে আমার রসূল এসে স্পষ্টভাবে তোমাদের নিকট বর্ণনা করে দিচ্ছে যাতে তোমরা বলতে না পার যে, আমাদের কাছে কোন সুসংবাদদাতা ও সাবধানকারী আগমন করেনি। এখন তাই সুসংবাদদাতা ও সাবধানকারী এসে গেছে। আর আল্লাহ হচ্ছেন সকল বিষয়ে সর্বশক্তিমান। [তাইসিরুল কুরআন]

সুসংবাদ দেয়া ও ভয় দেখানো।

ফাতির, ৩৫:২৪
إِنَّا أَرْسَلْنَاكَ بِالْحَقِّ بَشِيرًا وَنَذِيرًا وَإِنْ مِنْ أُمَّةٍ إِلَّا خَلَا فِيهَا نَذِيرٌ ﴿٢٤﴾
আমি তোমাকে সত্যসহ পাঠিয়েছি সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারীরূপে। এমন কোন সম্প্রদায় নেই যাতে সতর্ককারী আসেনি। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-আহযাব, ৩৩:৪৫
يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ إِنَّا أَرْسَلْنَاكَ شَاهِدًا وَمُبَشِّرًا وَنَذِيرًا ﴿٤٥﴾
হে নবী (সা.)! আমি তোমাকে পাঠিয়েছি (যুগে যুগে প্রেরিত নবী রসূলগণ যে তাঁদের উম্মাতের কাছে আল্লাহর বাণী পৌঁছে দিয়েছেন- এ কথার) সাক্ষীস্বরূপ এবং সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারীরূপে, [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহর কিতাব পাঠ করে শুনানো:

আর-রাদ, ১৩:৩০
كَذَلِكَ أَرْسَلْنَاكَ فِي أُمَّةٍ قَدْ خَلَتْ مِنْ قَبْلِهَا أُمَمٌ لِتَتْلُوَ عَلَيْهِمُ الَّذِي أَوْحَيْنَا إِلَيْكَ وَهُمْ يَكْفُرُونَ بِالرَّحْمَنِ قُلْ هُوَ رَبِّي لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ عَلَيْهِ تَوَكَّلْتُ وَإِلَيْهِ مَتَابِ ﴿٣٠﴾
(পূর্বে যেমন পাঠিয়েছিলাম) এভাবেই আমি তোমাকে এমন এক সম্প্রদায়ের কাছে পাঠিয়েছি যার পূর্বে অনেক সম্প্রদায় গত হয়ে গেছে, যাতে তুমি তাদের কাছে তেলাওয়াত কর যা আমি তোমার প্রতি ওয়াহী করি, তবুও তারা দয়াময় আল্লাহকে অস্বীকার করে। বল, ‘তিনি আমার প্রতিপালক, তিনি ছাড়া সত্যিকারের কোন ইলাহ নেই, আমি তাঁর উপরই নির্ভর করি আর তিনিই প্রত্যাবর্তনস্থল।’ [তাইসিরুল কুরআন]

জাতিকে অন্ধকার থেকে আলোর দিকে আনা:

আত-ত্বলাক্ব, ৬৫:১১
رَسُولًا يَتْلُو عَلَيْكُمْ آيَاتِ اللَّهِ مُبَيِّنَاتٍ لِيُخْرِجَ الَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ مِنَ الظُّلُمَاتِ إِلَى النُّورِ وَمَنْ يُؤْمِنْ بِاللَّهِ وَيَعْمَلْ صَالِحًا يُدْخِلْهُ جَنَّاتٍ تَجْرِي مِنْ تَحْتِهَا الْأَنْهَارُ خَالِدِينَ فِيهَا أَبَدًا قَدْ أَحْسَنَ اللَّهُ لَهُ رِزْقًا ﴿١١﴾
(তদুপরি তিনি পাঠিয়েছেন) একজন রসূল যে তোমাদের কাছে আল্লাহর স্পষ্ট আয়াত পাঠ করে, যারা ঈমান আনে আর সৎ কাজ করে তাদেরকে গাঢ় অন্ধকার থেকে আলোতে আনার জন্য। আর যে ব্যক্তি আল্লাহর প্রতি ঈমান আনবে আর সৎ কাজ করবে, তিনি তাকে দাখিল করবেন জান্নাতে যার নীচ দিয়ে বয়ে চলেছে নির্ঝরিণী। তাতে তারা চিরকাল সর্বকাল থাকবে। আল্লাহ তার জন্য অতি উত্তম রিযকের ব্যবস্থা করে রেখেছেন। [তাইসিরুল কুরআন]

অজানা বিষয়ের জ্ঞান দান করা:

আল-বাকারা, ২:১৫১
كَمَا أَرْسَلْنَا فِيكُمْ رَسُولًا مِنْكُمْ يَتْلُو عَلَيْكُمْ آيَاتِنَا وَيُزَكِّيكُمْ وَيُعَلِّمُكُمُ الْكِتَابَ وَالْحِكْمَةَ وَيُعَلِّمُكُمْ مَا لَمْ تَكُونُوا تَعْلَمُونَ ﴿١٥١﴾
যেমন (তোমরা আমার একটি অনুগ্রহ লাভ করেছ যে) আমি তোমাদেরই মধ্য হতে তোমাদের কাছে একজন রসূল পাঠিয়েছি, যে আমার আয়াতগুলো তোমাদেরকে পড়ে শুনায়, তোমাদেরকে শুদ্ধ করে, তোমাদেরকে কিতাব ও জ্ঞান-বিজ্ঞান (সুন্নাত) শিক্ষা দেয় এবং তোমাদেরকে এমন সব বিষয় শিক্ষা দেয় যা তোমরা জানতে না। [তাইসিরুল কুরআন]

পথভ্রষ্ট জাতিকে দ্বীনের প্রশিক্ষণ দেয়া:

আল-জুমু'আ, ৬২:২
هُوَ الَّذِي بَعَثَ فِي الْأُمِّيِّينَ رَسُولًا مِنْهُمْ يَتْلُو عَلَيْهِمْ آيَاتِهِ وَيُزَكِّيهِمْ وَيُعَلِّمُهُمُ الْكِتَابَ وَالْحِكْمَةَ وَإِنْ كَانُوا مِنْ قَبْلُ لَفِي ضَلَالٍ مُبِينٍ ﴿٢﴾
তিনিই নিরক্ষরদের মাঝে পাঠিয়েছেন তাঁর রসূলকে তাদেরই মধ্য হতে, যে তাদের কাছে আল্লাহর আয়াত পাঠ করে, তাদেরকে পবিত্র করে, আর তাদেরকে কিতাব ও হিকমত শিক্ষা দেয় অথচ ইতোপূর্বে তারা ছিল স্পষ্ট গুমরাহীতে নিমজ্জিত। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-জুমু'আ, ৬২:৩
وَآخَرِينَ مِنْهُمْ لَمَّا يَلْحَقُوا بِهِمْ وَهُوَ الْعَزِيزُ الْحَكِيمُ ﴿٣﴾
আর (এই রসূলকে পাঠানো হয়েছে) তাদের অন্যান্যদের জন্যও যারা এখনও তাদের সাথে মিলিত হয়নি (কিন্তু তারা ভবিষ্যতে আসবে)। আল্লাহ মহাপরাক্রান্ত, মহাবিজ্ঞানী। [তাইসিরুল কুরআন]

মানুষের জীবন পরিশুদ্ধ করা:

আল-বাকারা, ২:১৫১
كَمَا أَرْسَلْنَا فِيكُمْ رَسُولًا مِنْكُمْ يَتْلُو عَلَيْكُمْ آيَاتِنَا وَيُزَكِّيكُمْ وَيُعَلِّمُكُمُ الْكِتَابَ وَالْحِكْمَةَ وَيُعَلِّمُكُمْ مَا لَمْ تَكُونُوا تَعْلَمُونَ ﴿١٥١﴾
যেমন (তোমরা আমার একটি অনুগ্রহ লাভ করেছ যে) আমি তোমাদেরই মধ্য হতে তোমাদের কাছে একজন রসূল পাঠিয়েছি, যে আমার আয়াতগুলো তোমাদেরকে পড়ে শুনায়, তোমাদেরকে শুদ্ধ করে, তোমাদেরকে কিতাব ও জ্ঞান-বিজ্ঞান (সুন্নাত) শিক্ষা দেয় এবং তোমাদেরকে এমন সব বিষয় শিক্ষা দেয় যা তোমরা জানতে না। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহর দ্বীনকে বিজয়ী করা:

আত-তাওবা, ৯:৩৩
هُوَ الَّذِي أَرْسَلَ رَسُولَهُ بِالْهُدَى وَدِينِ الْحَقِّ لِيُظْهِرَهُ عَلَى الدِّينِ كُلِّهِ وَلَوْ كَرِهَ الْمُشْرِكُونَ ﴿٣٣﴾
তিনি তাঁর রসূলকে হিদায়াত আর সঠিক দ্বীনসহ পাঠিয়েছেন যাবতীয় দ্বীনের উপর একে বিজয়ী করার জন্য যদিও মুশরিকগণ অপছন্দ করে। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-ফাতহ, ৪৮:২৮
هُوَ الَّذِي أَرْسَلَ رَسُولَهُ بِالْهُدَى وَدِينِ الْحَقِّ لِيُظْهِرَهُ عَلَى الدِّينِ كُلِّهِ وَكَفَى بِاللَّهِ شَهِيدًا ﴿٢٨﴾
তিনিই তাঁর রসূলকে পাঠিয়েছেন হিদায়াত ও সত্য দ্বীন সহকারে সকল দ্বীনের উপর সেটিকে বিজয়ী করার জন্য। (এ ব্যাপারে) সাক্ষী হিসেবে আল্লাহই যথেষ্ট। [তাইসিরুল কুরআন]

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মানবজাতির জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে একজন সুস্পষ্ট সতর্ককারী।

আয-যারিয়াত, ৫১:৫০
فَفِرُّوا إِلَى اللَّهِ إِنِّي لَكُمْ مِنْهُ نَذِيرٌ مُبِينٌ ﴿٥٠﴾
অতএব দৌড়াও আল্লাহর দিকে, আমি তোমাদের জন্য তাঁর পক্ষ হতে স্পষ্ট সতর্ককারী। [তাইসিরুল কুরআন]

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আল্লাহর পক্ষ থেকে মানবজাতির জন্য একজন সুস্পষ্ট সতর্ককারী।

আয-যারিয়াত, ৫১:৫১
وَلَا تَجْعَلُوا مَعَ اللَّهِ إِلَهًا آخَرَ إِنِّي لَكُمْ مِنْهُ نَذِيرٌ مُبِينٌ ﴿٥١﴾
তোমরা আল্লাহর সঙ্গে কোন ইলাহ স্থির করো না, আমি তাঁর পক্ষ থেকে তোমাদের জন্য স্পষ্ট সতর্ককারী। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ নবী মুহাম্মাদকে (ﷺ) সত্যসহ সুসংবাদদাতারূপে প্রেরণ করেছেন।

আল-বাকারা, ২:১১৯
إِنَّا أَرْسَلْنَاكَ بِالْحَقِّ بَشِيرًا وَنَذِيرًا وَلَا تُسْأَلُ عَنْ أَصْحَابِ الْجَحِيمِ ﴿١١٩﴾
আমি তোমাকে সত্যদ্বীনসহ সুসংবাদদাতা এবং ভয় প্রদর্শনকারী হিসেবে প্রেরণ করেছি, জাহান্নামীদের সম্বন্ধে তোমাকে কোন প্রশ্ন করা হবে না। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ নবী মুহাম্মাদকে (ﷺ) সত্যসহ সতর্ককারীরূপে প্রেরণ করেছেন।

আল-বাকারা, ২:১১৯
إِنَّا أَرْسَلْنَاكَ بِالْحَقِّ بَشِيرًا وَنَذِيرًا وَلَا تُسْأَلُ عَنْ أَصْحَابِ الْجَحِيمِ ﴿١١٩﴾
আমি তোমাকে সত্যদ্বীনসহ সুসংবাদদাতা এবং ভয় প্রদর্শনকারী হিসেবে প্রেরণ করেছি, জাহান্নামীদের সম্বন্ধে তোমাকে কোন প্রশ্ন করা হবে না। [তাইসিরুল কুরআন]

হে নবী, আপনি মুমিনদেরকে সুসংবাদ দিন।

আল-বাকারা, ২:২২৩
نِسَاؤُكُمْ حَرْثٌ لَكُمْ فَأْتُوا حَرْثَكُمْ أَنَّى شِئْتُمْ وَقَدِّمُوا لِأَنْفُسِكُمْ وَاتَّقُوا اللَّهَ وَاعْلَمُوا أَنَّكُمْ مُلَاقُوهُ وَبَشِّرِ الْمُؤْمِنِينَ ﴿٢٢٣﴾
তোমাদের স্ত্রীগণ তোমাদের শস্যক্ষেত্র। সুতরাং তোমরা তোমাদের শস্যক্ষেত্রে যে প্রকারে ইচ্ছে গমন কর এবং নিজেদের জন্য ভবিষ্যতের বন্দোবস্ত কর এবং আল্লাহকে ভয় কর এবং জেনে রেখ যে, তোমাদেরকে তাঁর কাছে হাজির হতে হবে। আর বিশ্বাসীদেরকে সুসংবাদ শুনিয়ে দাও। [তাইসিরুল কুরআন]

লোকেরা নবী ﷺ-কে জিজ্ঞাসা করে যে, তাদের জন্য কোন বস্তুসমূহ হালাল করা হয়েছে।

আল-মায়েদা, ৫:৪
يَسْأَلُونَكَ مَاذَا أُحِلَّ لَهُمْ قُلْ أُحِلَّ لَكُمُ الطَّيِّبَاتُ وَمَا عَلَّمْتُمْ مِنَ الْجَوَارِحِ مُكَلِّبِينَ تُعَلِّمُونَهُنَّ مِمَّا عَلَّمَكُمُ اللَّهُ فَكُلُوا مِمَّا أَمْسَكْنَ عَلَيْكُمْ وَاذْكُرُوا اسْمَ اللَّهِ عَلَيْهِ وَاتَّقُوا اللَّهَ إِنَّ اللَّهَ سَرِيعُ الْحِسَابِ ﴿٤﴾
লোকেরা তোমাকে জিজ্ঞেস করছে তাদের জন্য কী কী হালাল করা হয়েছে। বল, যাবতীয় ভাল ও পবিত্র বস্তু তোমাদের জন্য হালাল করা হয়েছে, আর শিকারী পশু-পক্ষী- যাদেরকে তোমরা শিক্ষা দিয়েছ যেভাবে আল্লাহ তোমাদেরকে শিক্ষা দিয়েছেন- সুতরাং তারা যা তোমাদের জন্য ধরে রাখে তা তোমরা ভক্ষণ করবে আর তাতে আল্লাহর নাম উচ্চারণ করবে, আর আল্লাহকে ভয় করবে, আল্লাহ হিসাব গ্রহণে ত্বরিৎগতি। [তাইসিরুল কুরআন]

আপনি (মুহাম্মাদ ﷺ) কুরআনের বাণী পৌঁছে দেওয়ার জন্য মানুষের কাছে কোনো পারিশ্রমিক চান না।

ইউসুফ, ১২:১০৪
وَمَا تَسْأَلُهُمْ عَلَيْهِ مِنْ أَجْرٍ إِنْ هُوَ إِلَّا ذِكْرٌ لِلْعَالَمِينَ ﴿١٠٤﴾
তুমি তার জন্য তাদের কাছে কোন পারিশ্রমিক চাচ্ছ না, এটা তো বিশ্বজগতের সকলের জন্য উপদেশ মাত্র। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ তাঁর নবীকে (ﷺ) এই ঘোষণা দিতে নির্দেশ দিয়েছেন যে, তিনি হলেন সুস্পষ্ট সতর্ককারী।

আল-হিজর, ১৫:৮৯
وَقُلْ إِنِّي أَنَا النَّذِيرُ الْمُبِينُ ﴿٨٩﴾
আর বলে দাও, ‘আমি তো স্পষ্ট ভাষায় সতর্ককারী মাত্র।’ [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ আপনাকে (মুহাম্মাদ ﷺ) সুসংবাদদাতা হিসেবে প্রেরণ করেছেন।

আল-ইসরা, ১৭:১০৫
وَبِالْحَقِّ أَنْزَلْنَاهُ وَبِالْحَقِّ نَزَلَ وَمَا أَرْسَلْنَاكَ إِلَّا مُبَشِّرًا وَنَذِيرًا ﴿١٠٥﴾
এ কুরআনকে আমি সত্যতা সহকারে নাযিল করেছি আর সত্যতা সহকারেই তা নাযিল হয়েছে। আমি তোমাকে শুধু সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারী হিসেবে পাঠিয়েছি। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ আপনাকে (মুহাম্মাদ ﷺ) সতর্ককারী হিসেবে প্রেরণ করেছেন।

আল-ইসরা, ১৭:১০৫
وَبِالْحَقِّ أَنْزَلْنَاهُ وَبِالْحَقِّ نَزَلَ وَمَا أَرْسَلْنَاكَ إِلَّا مُبَشِّرًا وَنَذِيرًا ﴿١٠٥﴾
এ কুরআনকে আমি সত্যতা সহকারে নাযিল করেছি আর সত্যতা সহকারেই তা নাযিল হয়েছে। আমি তোমাকে শুধু সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারী হিসেবে পাঠিয়েছি। [তাইসিরুল কুরআন]

আপনাকে পাঠানোর উদ্দেশ্য হলো এমন এক জাতিকে সতর্ক করা, যাদের কাছে আপনার পূর্বে কোনো সতর্ককারী আসেনি।

আল-কাসাস, ২৮:৪৬
وَمَا كُنْتَ بِجَانِبِ الطُّورِ إِذْ نَادَيْنَا وَلَكِنْ رَحْمَةً مِنْ رَبِّكَ لِتُنْذِرَ قَوْمًا مَا أَتَاهُمْ مِنْ نَذِيرٍ مِنْ قَبْلِكَ لَعَلَّهُمْ يَتَذَكَّرُونَ ﴿٤٦﴾
আমি যখন (মূসাকে) ডাক দিয়েছিলাম তখন তুমি তূর পর্বতের পাশে ছিলে না। কিন্তু (তোমাকে পাঠানো হয়েছে) তোমার প্রতিপালকের রহমতস্বরূপ যাতে তুমি এমন একটি সম্প্রদায়কে সতর্ক করতে পার যাদের কাছে তোমার পূর্বে সতর্ককারী পাঠানো হয়নি, যাতে তারা উপদেশ গ্রহণ করে। [তাইসিরুল কুরআন]

নবী মুহাম্মাদ (ﷺ) কেবল একজন সুস্পষ্ট সতর্ককারী।

আল-আনকাবূত, ২৯:৫০
وَقَالُوا لَوْلَا أُنْزِلَ عَلَيْهِ آيَاتٌ مِنْ رَبِّهِ قُلْ إِنَّمَا الْآيَاتُ عِنْدَ اللَّهِ وَإِنَّمَا أَنَا نَذِيرٌ مُبِينٌ ﴿٥٠﴾
তারা বলে- তার কাছে তার প্রতিপালকের নিকট হতে কোন নিদর্শন অবতীর্ণ হয় না কেন? বল, নিদর্শন তো আছে আল্লাহর কাছে, আমি কেবল একজন সুস্পষ্ট সতর্ককারী। [তাইসিরুল কুরআন]

নবী মুহাম্মদ (ﷺ) আল্লাহর নির্দেশে মানবজাতিকে জানাচ্ছেন যে, তিনি কেবলই একজন সুস্পষ্ট সতর্ককারী।

আল-হজ্জ, ২২:৪৯
قُلْ يَا أَيُّهَا النَّاسُ إِنَّمَا أَنَا لَكُمْ نَذِيرٌ مُبِينٌ ﴿٤٩﴾
বল, ‘হে মানুষ! আমি (প্রেরিত হয়েছি) তোমাদের জন্য এক সুস্পষ্ট সতর্ককারীরূপে।’ [তাইসিরুল কুরআন]

নিশ্চয়ই আপনি (হে নবী) মানবজাতিকে একটি সরল পথের দিকেই আহ্বান করেন।

আল-মুমিনুন, ২৩:৭৩
وَإِنَّكَ لَتَدْعُوهُمْ إِلَى صِرَاطٍ مُسْتَقِيمٍ ﴿٧٣﴾
তুমি তো নিশ্চিতই তাদেরকে সরল সুদৃঢ় পথের দিকে ডাকছ। [তাইসিরুল কুরআন]

এবং নবী (ﷺ) হলেন এক উজ্জ্বল প্রদীপসরূপ।

আল-আহযাব, ৩৩:৪৬
وَدَاعِيًا إِلَى اللَّهِ بِإِذْنِهِ وَسِرَاجًا مُنِيرًا ﴿٤٦﴾
আর আল্লাহর অনুমতিক্রমে তাঁর পথে আহবানকারী ও আলোকপ্রদ প্রদীপরূপে। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ মুহাম্মাদ (ﷺ)-এর পূর্বে মক্কার কাফিরদের নিকট কোনো সতর্ককারী প্রেরণ করেননি।

সাবা, ৩৪:৪৪
وَمَا آتَيْنَاهُمْ مِنْ كُتُبٍ يَدْرُسُونَهَا وَمَا أَرْسَلْنَا إِلَيْهِمْ قَبْلَكَ مِنْ نَذِيرٍ ﴿٤٤﴾
আমি তাদেরকে (অর্থাৎ মক্কার কুরায়শদের) কোন কিতাব দেইনি যা তারা পাঠ করত আর আমি তোমার পূর্বে তাদের কাছে কোন সতর্ককারীও পাঠাইনি। [তাইসিরুল কুরআন]

নবী মুহাম্মাদ (ﷺ) এক কঠিন শাস্তির আগমনের পূর্বে তোমাদের জন্য কেবলই একজন সতর্ককারী।

সাবা, ৩৪:৪৬
قُلْ إِنَّمَا أَعِظُكُمْ بِوَاحِدَةٍ أَنْ تَقُومُوا لِلَّهِ مَثْنَى وَفُرَادَى ثُمَّ تَتَفَكَّرُوا مَا بِصَاحِبِكُمْ مِنْ جِنَّةٍ إِنْ هُوَ إِلَّا نَذِيرٌ لَكُمْ بَيْنَ يَدَيْ عَذَابٍ شَدِيدٍ ﴿٤٦﴾
বল- আমি তোমাদেরকে একটি বিষয়ে নসীহত করছিঃ তোমরা আল্লাহর উদ্দেশে দু’ দু’জন বা এক একজন করে দাঁড়াও, অতঃপর চিন্তা করে দেখ, তোমাদের সঙ্গী উন্মাদ নয়। সে তো সামনের কঠিন শাস্তি সম্পর্কে একজন সতর্ককারী মাত্র। [তাইসিরুল কুরআন]

নবী মুহাম্মাদ (ﷺ) তো কেবল একজন সতর্ককারী।

ফাতির, ৩৫:২৩
إِنْ أَنْتَ إِلَّا نَذِيرٌ ﴿٢٣﴾
তুমি তো কেবল একজন সতর্ককারী। [তাইসিরুল কুরআন]

হে নবী, আপনি ঘোষণা করুন যে, আপনি কেবলই একজন সতর্ককারী।

সোয়াদ, ৩৮:৬৫
قُلْ إِنَّمَا أَنَا مُنْذِرٌ وَمَا مِنْ إِلَهٍ إِلَّا اللَّهُ الْوَاحِدُ الْقَهَّارُ ﴿٦٥﴾
বল- আমি তো কেবল একজন সতর্ককারী, সার্বভৌম অপ্রতিরোধ্য এক ও একক আল্লাহ ছাড়া সত্য কোন ইলাহ নেই। [তাইসিরুল কুরআন]

আমার কাছে কেবল এই ওহীই আসে যে, আমি একজন সুস্পষ্ট সতর্ককারী।

সোয়াদ, ৩৮:৭০
إِنْ يُوحَى إِلَيَّ إِلَّا أَنَّمَا أَنَا نَذِيرٌ مُبِينٌ ﴿٧٠﴾
আমার কাছে ওয়াহী করা হয়েছে যে, আমি কেবল একজন স্পষ্ট সতর্ককারী। [তাইসিরুল কুরআন]

নবী মুহাম্মদ (ﷺ) আল্লাহর বাণী পৌঁছে দেওয়ার জন্য মানুষের কাছে কোনো পারিশ্রমিক দাবি করেন না।

সোয়াদ, ৩৮:৮৬
قُلْ مَا أَسْأَلُكُمْ عَلَيْهِ مِنْ أَجْرٍ وَمَا أَنَا مِنَ الْمُتَكَلِّفِينَ ﴿٨٦﴾
বল- আমি এর (অর্থাৎ সত্য-সঠিক পথের দিকে ডাকার) জন্য তোমাদের কাছে পারিশ্রমিক চাই না, আর আমি কোন ধোঁকাবাজ নই। [তাইসিরুল কুরআন]

নিশ্চয়ই আল্লাহ নবী মুহাম্মাদ (ﷺ)-কে সাক্ষীরূপে প্রেরণ করেছেন।

আল-ফাতহ, ৪৮:৮
إِنَّا أَرْسَلْنَاكَ شَاهِدًا وَمُبَشِّرًا وَنَذِيرًا ﴿٨﴾
(হে রাসূল) আমি তোমাকে (সত্যের) সাক্ষ্যদাতা. (বিশ্বাসীদের জন্য) সুসংবাদদাতা ও (অবিশ্বাসীদের জন্য) সতর্ককারী হিসেবে পাঠিয়েছি। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ নবী মুহাম্মাদ (ﷺ)-কে সুসংবাদদাতারূপে প্রেরণ করেছেন।

আল-ফাতহ, ৪৮:৮
إِنَّا أَرْسَلْنَاكَ شَاهِدًا وَمُبَشِّرًا وَنَذِيرًا ﴿٨﴾
(হে রাসূল) আমি তোমাকে (সত্যের) সাক্ষ্যদাতা. (বিশ্বাসীদের জন্য) সুসংবাদদাতা ও (অবিশ্বাসীদের জন্য) সতর্ককারী হিসেবে পাঠিয়েছি। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ নবী মুহাম্মাদ (ﷺ)-কে সতর্ককারীরূপে প্রেরণ করেছেন।

আল-ফাতহ, ৪৮:৮
إِنَّا أَرْسَلْنَاكَ شَاهِدًا وَمُبَشِّرًا وَنَذِيرًا ﴿٨﴾
(হে রাসূল) আমি তোমাকে (সত্যের) সাক্ষ্যদাতা. (বিশ্বাসীদের জন্য) সুসংবাদদাতা ও (অবিশ্বাসীদের জন্য) সতর্ককারী হিসেবে পাঠিয়েছি। [তাইসিরুল কুরআন]

নবী মুহাম্মাদ (ﷺ) অদৃশ্যের জ্ঞান প্রকাশ করার বিষয়ে কৃপণ নন।

আত-তাকবীর, ৮১:২৪
وَمَا هُوَ عَلَى الْغَيْبِ بِضَنِينٍ ﴿٢٤﴾
সে গায়বের (জ্ঞান মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়ার) ব্যাপারে কৃপণতা করে না। [তাইসিরুল কুরআন]

নিশ্চয়ই আপনি কেবলই একজন উপদেশদাতা।

আল-গাশিয়া, ৮৮:২১
فَذَكِّرْ إِنَّمَا أَنْتَ مُذَكِّرٌ ﴿٢١﴾
কাজেই তুমি তাদেরকে উপদেশ দাও, তুমি একজন উপদেশদাতা মাত্র। [তাইসিরুল কুরআন]

হে নবী, আপনি কি কাফিরদের কাছে কোনো পারিশ্রমিক দাবি করেন?

আল-ক্বলাম, ৬৮:৪৬
أَمْ تَسْأَلُهُمْ أَجْرًا فَهُمْ مِنْ مَغْرَمٍ مُثْقَلُونَ ﴿٤٦﴾
তুমি কি তাদের কাছে কোন পারিশ্রমিক চাচ্ছ যে, দেনার দায়ভার বহন করা তাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে? [তাইসিরুল কুরআন]

সেই রাসূল পবিত্র ও পরিশুদ্ধ গ্রন্থসমূহ তিলাওয়াত করেন।

আল-বায়্যিনাহ, ৯৮:২
رَسُولٌ مِنَ اللَّهِ يَتْلُو صُحُفًا مُطَهَّرَةً ﴿٢﴾
(অর্থাৎ) আল্লাহর নিকট হতে একজন রসূল, যে পাঠ করে পবিত্র গ্রন্থ। [তাইসিরুল কুরআন]

নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের কাছে একজন রাসূল প্রেরণ করেছেন, যিনি তোমাদের উপর সাক্ষীস্বরূপ।

আল-মুযযাম্মিল, ৭৩:১৫
إِنَّا أَرْسَلْنَا إِلَيْكُمْ رَسُولًا شَاهِدًا عَلَيْكُمْ كَمَا أَرْسَلْنَا إِلَى فِرْعَوْنَ رَسُولًا ﴿١٥﴾
আমি তোমাদের কাছে তেমনিভাবে একজন রসূলকে তোমাদের প্রতি সাক্ষ্যদাতা হিসেবে পাঠিয়েছি (যিনি ক্বিয়ামতে সাক্ষ্য দিবেন যে, দ্বীনের দাওয়াত তিনি যথাযথভাবে মানুষের কাছে পৌঁছে দিয়েছেন) যেমনভাবে আমি ফেরাউনের কাছে পাঠিয়েছিলাম একজন রসূলকে। [তাইসিরুল কুরআন]
ফন্ট সাইজ
15px
17px