বিষয়ভিত্তিক কুরআন > ১৬. ইউনুস (আঃ)
ইউনুস (আঃ) ছিলেন নবীদের মধ্যে একজন:
আস-সাফফাত, ৩৭:১৩৯ ⋮
وَإِنَّ يُونُسَ لَمِنَ الْمُرْسَلِينَ ﴿١٣٩﴾
ইউনুসও ছিল রসূলদের একজন। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ তাঁকে উচ্চমর্যাদা দান করেছিলেন:
আল-আন'আম, ৬:৮৬ ⋮
وَإِسْمَاعِيلَ وَالْيَسَعَ وَيُونُسَ وَلُوطًا وَكُلًّا فَضَّلْنَا عَلَى الْعَالَمِينَ ﴿٨٦﴾
আর ইসমাঈল, আল ইয়াসা‘আ, ইউনুস ও লূত- এদের প্রত্যেককে আমি বিশ্বজগতে জাতিসমূহের উপর শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছিলাম। [তাইসিরুল কুরআন]
ইউনুস (আঃ) জাতির নিকট থেকে বেরিয়ে যান:
আল-আম্বিয়া, ২১:৮৭ ⋮
وَذَا النُّونِ إِذْ ذَهَبَ مُغَاضِبًا فَظَنَّ أَنْ لَنْ نَقْدِرَ عَلَيْهِ فَنَادَى فِي الظُّلُمَاتِ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ سُبْحَانَكَ إِنِّي كُنْتُ مِنَ الظَّالِمِينَ ﴿٨٧﴾
স্মরণ কর যুন্-নুন এর কথা- যখন সে গোস্বাভরে চলে গিয়েছিল, আর ভেবেছিল যে তার উপর আমার কোন ক্ষমতা খাটবে না। অতঃপর সে (সমুদ্রের) গভীর অন্ধকার থেকে ডেকেছিল যে, তুমি ছাড়া সত্যিকারের কোন ইলাহ নেই, তোমারই পবিত্রতা, মহিমা ঘোষণা করছি; বাড়াবাড়ি আমিই করেছি। [তাইসিরুল কুরআন]
বোঝাই করা একটি নৌকায় আরোহণ করেন:
আস-সাফফাত, ৩৭:১৪০ ⋮
إِذْ أَبَقَ إِلَى الْفُلْكِ الْمَشْحُونِ ﴿١٤٠﴾
স্মরণ কর, যখন সে পালিয়ে বোঝাই নৌকায় পৌঁছেছিল। [তাইসিরুল কুরআন]
আস-সাফফাত, ৩৭:১৪১ ⋮
فَسَاهَمَ فَكَانَ مِنَ الْمُدْحَضِينَ ﴿١٤١﴾
অতঃপর (দোষী খুঁজার জন্য যে লটারী করা হল সেই) লটারীতে সে অংশ নিল আর তাতে হেরে গেল। [তাইসিরুল কুরআন]
ইউনুস (আঃ) অনেক দিন মাছের পেটে ছিলেন:
আস-সাফফাত, ৩৭:১৪২ ⋮
فَالْتَقَمَهُ الْحُوتُ وَهُوَ مُلِيمٌ ﴿١٤٢﴾
পরে একটা বড় মাছে তাকে গিলে ফেলল, সে কাজ করেছিল ধিক্কারযোগ্য। [তাইসিরুল কুরআন]
তিনি এ তাসবীহ পাঠের মাধ্যমে আল্লাহর কাছে তাওবা করেন:
আল-আম্বিয়া, ২১:৮৭ ⋮
وَذَا النُّونِ إِذْ ذَهَبَ مُغَاضِبًا فَظَنَّ أَنْ لَنْ نَقْدِرَ عَلَيْهِ فَنَادَى فِي الظُّلُمَاتِ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ سُبْحَانَكَ إِنِّي كُنْتُ مِنَ الظَّالِمِينَ ﴿٨٧﴾
স্মরণ কর যুন্-নুন এর কথা- যখন সে গোস্বাভরে চলে গিয়েছিল, আর ভেবেছিল যে তার উপর আমার কোন ক্ষমতা খাটবে না। অতঃপর সে (সমুদ্রের) গভীর অন্ধকার থেকে ডেকেছিল যে, তুমি ছাড়া সত্যিকারের কোন ইলাহ নেই, তোমারই পবিত্রতা, মহিমা ঘোষণা করছি; বাড়াবাড়ি আমিই করেছি। [তাইসিরুল কুরআন]
তুমি আল্লাহ তার তাওবা কবুল করেন:
আল-ক্বলাম, ৬৮:৫০ ⋮
فَاجْتَبَاهُ رَبُّهُ فَجَعَلَهُ مِنَ الصَّالِحِينَ ﴿٥٠﴾
এভাবে তার প্রতিপালক তাকে বেছে নিলেন আর তাকে সৎকর্মশীলদের অন্তর্ভুক্ত করলেন। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ ইউনুস (আঃ) কে বিপদ থেকে মুক্তি দিলেন:
আল-আম্বিয়া, ২১:৮৮ ⋮
فَاسْتَجَبْنَا لَهُ وَنَجَّيْنَاهُ مِنَ الْغَمِّ وَكَذَلِكَ نُنْجِي الْمُؤْمِنِينَ ﴿٨٨﴾
আমি তখন তার ডাকে সাড়া দিয়েছিলাম, আর দুঃশ্চিন্তা থেকে তাকে মুক্ত করেছিলাম। মু’মিনদেরকে আমি এভাবেই উদ্ধার করি। [তাইসিরুল কুরআন]
মাছের পেট থেকে আল্লাহ তাকে বের করলেন:
আস-সাফফাত, ৩৭:১৪৫ ⋮
فَنَبَذْنَاهُ بِالْعَرَاءِ وَهُوَ سَقِيمٌ ﴿١٤٥﴾
অতঃপর আমি তাকে তৃণলতাহীন প্রান্তরে নিক্ষেপ করলাম, আর সে ছিল রুগ্ন। [তাইসিরুল কুরআন]
তাওবা না করলে তাকে মাছের পেটেই থাকতে হতো:
আস-সাফফাত, ৩৭:১৪৩ ⋮
فَلَوْلَا أَنَّهُ كَانَ مِنَ الْمُسَبِّحِينَ ﴿١٤٣﴾
সে যদি (অনুতপ্ত হয়ে) আল্লাহর তাসবীহকারী না হত, [তাইসিরুল কুরআন]
আস-সাফফাত, ৩৭:১৪৪ ⋮
لَلَبِثَ فِي بَطْنِهِ إِلَى يَوْمِ يُبْعَثُونَ ﴿١٤٤﴾
তাহলে নিশ্চিতই তাকে পুনরুত্থানের দিন পর্যন্ত মাছের পেটে থাকতে হত। [তাইসিরুল কুরআন]
ইউনুস (আঃ) লোকদেরকে দ্বীনের দাওয়াত দিলেন:
আস-সাফফাত, ৩৭:১৪৭ ⋮
وَأَرْسَلْنَاهُ إِلَى مِائَةِ أَلْفٍ أَوْ يَزِيدُونَ ﴿١٤٧﴾
অতঃপর তাকে এক লাখ বা তার চেয়ে বেশি লোকের কাছে পাঠালাম। [তাইসিরুল কুরআন]
লোকেরা তার দাওয়াত কবুল করল:
আস-সাফফাত, ৩৭:১৪৮ ⋮
فَآمَنُوا فَمَتَّعْنَاهُمْ إِلَى حِينٍ ﴿١٤٨﴾
তারা ঈমান আনল, কাজেই আমি তাদেরকে কিছুকাল পর্যন্ত জীবন উপভোগ করতে দিলাম। [তাইসিরুল কুরআন]
ইউনুস, ১০:৯৮ ⋮
فَلَوْلَا كَانَتْ قَرْيَةٌ آمَنَتْ فَنَفَعَهَا إِيمَانُهَا إِلَّا قَوْمَ يُونُسَ لَمَّا آمَنُوا كَشَفْنَا عَنْهُمْ عَذَابَ الْخِزْيِ فِي الْحَيَاةِ الدُّنْيَا وَمَتَّعْنَاهُمْ إِلَى حِينٍ ﴿٩٨﴾
এমন কোন জনপদের দৃষ্টান্ত আছে কি যে তারা (শাস্তি দেখার পর) ঈমান আনল আর তাদের ঈমান উপকারে আসল- একমাত্র ইউনুসের সম্প্রদায় ছাড়া? তারা যখন ঈমান আনল, তখন আমি দুনিয়ার জীবনে তাদের থেকে হীনতাব্যঞ্জক ‘আযাব সরিয়ে দিলাম, আর একটা নির্দিষ্ট মেয়াদ পর্যন্ত তাদেরকে জীবন উপভোগ করার সুযোগ দিলাম। [তাইসিরুল কুরআন]
ফলে তারা আযাব থেকে রেহাই পেল:
ইউনুস, ১০:৯৮ ⋮
فَلَوْلَا كَانَتْ قَرْيَةٌ آمَنَتْ فَنَفَعَهَا إِيمَانُهَا إِلَّا قَوْمَ يُونُسَ لَمَّا آمَنُوا كَشَفْنَا عَنْهُمْ عَذَابَ الْخِزْيِ فِي الْحَيَاةِ الدُّنْيَا وَمَتَّعْنَاهُمْ إِلَى حِينٍ ﴿٩٨﴾
এমন কোন জনপদের দৃষ্টান্ত আছে কি যে তারা (শাস্তি দেখার পর) ঈমান আনল আর তাদের ঈমান উপকারে আসল- একমাত্র ইউনুসের সম্প্রদায় ছাড়া? তারা যখন ঈমান আনল, তখন আমি দুনিয়ার জীবনে তাদের থেকে হীনতাব্যঞ্জক ‘আযাব সরিয়ে দিলাম, আর একটা নির্দিষ্ট মেয়াদ পর্যন্ত তাদেরকে জীবন উপভোগ করার সুযোগ দিলাম। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ ইউনুস (আঃ)-এর উপর একটি ইয়াকতীন (লাউ জাতীয়) বৃক্ষ উদগত করলেন।
আস-সাফফাত, ৩৭:১৪৬ ⋮
وَأَنْبَتْنَا عَلَيْهِ شَجَرَةً مِنْ يَقْطِينٍ ﴿١٤٦﴾
অতঃপর আমি তার উপর লাউ-কুমড়া জাতীয় লতা-পাতাযুক্ত একটা গাছ বের করে দিলাম। [তাইসিরুল কুরআন]
তাঁর রবের পক্ষ থেকে একটি অনুগ্রহ ইউনুস (আঃ)-কে রক্ষা করেছিল।
আল-ক্বলাম, ৬৮:৪৯ ⋮
لَوْلَا أَنْ تَدَارَكَهُ نِعْمَةٌ مِنْ رَبِّهِ لَنُبِذَ بِالْعَرَاءِ وَهُوَ مَذْمُومٌ ﴿٤٩﴾
তার প্রতিপালকের অনুগ্রহ যদি তার কাছে না পৌঁছত, তাহলে সে লাঞ্ছিত অবস্থায় ধুঁধুঁ বালুকাময় তীরে নিক্ষিপ্ত হত। [তাইসিরুল কুরআন]