বিষয়ভিত্তিক কুরআন > ৫. সালেহ (আঃ)

তারা নিদর্শনসমূহ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিত:

আল-হিজর, ১৫:৮১
وَآتَيْنَاهُمْ آيَاتِنَا فَكَانُوا عَنْهَا مُعْرِضِينَ ﴿٨١﴾
আমি তাদেরকে আমার নিদর্শনাবলী দিয়েছিলাম কিন্তু তাত্থেকে তারা মুখ ফিরিয়েই রেখেছিল। [তাইসিরুল কুরআন]

তারা ছিল বিদ্রোহী সম্প্রদায়:

আশ-শামস, ৯১:১৫
وَلَا يَخَافُ عُقْبَاهَا ﴿١٥﴾
আর তিনি (তাঁর এ কাজের) কোন খারাপ পরিণতির ভয় মোটেই পোষণ করেন না। [তাইসিরুল কুরআন]

তারা কিয়ামতকে অস্বীকার করত:

আল-হাক্কাহ, ৬৯:৪
كَذَّبَتْ ثَمُودُ وَعَادٌ بِالْقَارِعَةِ ﴿٤﴾
‘আদ ও সামূদ জাতি সেই আকস্মিকভাবে সংঘটিতব্য মহাবিপদকে মিথ্যে বলেছিল। [তাইসিরুল কুরআন]

হিজরবাসীরাও তারা পাহাড় কেটে গৃহ নির্মাণ করত:

আল-হিজর, ১৫:৮২
وَكَانُوا يَنْحِتُونَ مِنَ الْجِبَالِ بُيُوتًا آمِنِينَ ﴿٨٢﴾
তারা পাহাড় খোদাই করতঃ ঘর তৈরি করে নিজেদেরকে নিরাপদ ভাবত। [তাইসিরুল কুরআন]
আশ-শুআ'রা, ২৬:১৪৯
وَتَنْحِتُونَ مِنَ الْجِبَالِ بُيُوتًا فَارِهِينَ ﴿١٤٩﴾
এবং তোমরা দক্ষতার সাথে পাহাড় কেটে গৃহ নির্মাণ করছ। [তাইসিরুল কুরআন]

আমি সামূদ জাতির নিকট তারা ছিল হিজর এলাকার অধিবাসী:

আল-হিজর, ১৫:৮০
وَلَقَدْ كَذَّبَ أَصْحَابُ الْحِجْرِ الْمُرْسَلِينَ ﴿٨٠﴾
হিজর-এর লোকেরাও রসূলদেরকে অমান্য করেছিল। [তাইসিরুল কুরআন]

সালেহ (আঃ) সামুদ জাতির নবী ছিলেন:

হূদ, ১১:৬১
وَإِلَى ثَمُودَ أَخَاهُمْ صَالِحًا قَالَ يَا قَوْمِ اعْبُدُوا اللَّهَ مَا لَكُمْ مِنْ إِلَهٍ غَيْرُهُ هُوَ أَنْشَأَكُمْ مِنَ الْأَرْضِ وَاسْتَعْمَرَكُمْ فِيهَا فَاسْتَغْفِرُوهُ ثُمَّ تُوبُوا إِلَيْهِ إِنَّ رَبِّي قَرِيبٌ مُجِيبٌ ﴿٦١﴾
আমি সামূদ জাতির কাছে তাদের ভাই সালিহকে পাঠিয়েছিলাম। সে বলল, ‘হে আমার সম্প্রদায়! তোমরা আল্লাহর ‘ইবাদাত কর, তিনি ছাড়া তোমাদের আর কোন ইলাহ নেই, তিনিই তোমাদেরকে মাটি থেকে পয়দা করেছেন, আর তাতেই তোমাদেরকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন, কাজেই তাঁর কাছে তোমরা ক্ষমা প্রার্থনা কর, আর তাঁর পানেই ফিরে এসো, আমার প্রতিপালক তো অতি নিকটে, আর তিনি আহবানে সাড়াদানকারী।’ [তাইসিরুল কুরআন]

তাদের শহরে নয়জন পাপী নেতা ছিল:

আন-নামাল, ২৭:৪৮
وَكَانَ فِي الْمَدِينَةِ تِسْعَةُ رَهْطٍ يُفْسِدُونَ فِي الْأَرْضِ وَلَا يُصْلِحُونَ ﴿٤٨﴾
আর সেই শহরে ছিল নয় ব্যক্তি যারা দেশে ফাসাদ সৃষ্টি করত আর তারা সংশোধন করত না। [তাইসিরুল কুরআন]

তারা গোমরাহীকে পছন্দ করত:

হা-মীম আস-সাজদা, ৪১:১৭
وَأَمَّا ثَمُودُ فَهَدَيْنَاهُمْ فَاسْتَحَبُّوا الْعَمَى عَلَى الْهُدَى فَأَخَذَتْهُمْ صَاعِقَةُ الْعَذَابِ الْهُونِ بِمَا كَانُوا يَكْسِبُونَ ﴿١٧﴾
আর সামূদের অবস্থা এই যে, আমি তাদেরকে সঠিক পথে চলার নির্দেশ দিয়েছিলাম। কিন্তু তারা সঠিক পথে চলার পরিবর্তে অন্ধ হয়ে থাকাকেই পছন্দ করে ছিল। তখন তাদের কৃতকর্মের কারণে অপমানজনক শাস্তির বজ্রাঘাত তাদেরকে পাকড়াও করল। [তাইসিরুল কুরআন]

নবী তাদেরকে বললেন, আমি তোমাদের রাসুল:

আশ-শুআ'রা, ২৬:১৪৩
إِنِّي لَكُمْ رَسُولٌ أَمِينٌ ﴿١٤٣﴾
আমি তোমাদের জন্য (প্রেরিত) বিশ্বস্ত রসূল। [তাইসিরুল কুরআন]

আমি তোমাদের কাছে কোন প্রতিদান চাই না:

আশ-শুআ'রা, ২৬:১৪৫
وَمَا أَسْأَلُكُمْ عَلَيْهِ مِنْ أَجْرٍ إِنْ أَجْرِيَ إِلَّا عَلَى رَبِّ الْعَالَمِينَ ﴿١٤٥﴾
আর এজন্য আমি তোমাদের কাছে কোন প্রতিদান চাই না, আমার প্রতিদান তো আছে একমাত্র বিশ্বজগতের প্রতিপালকের নিকট। [তাইসিরুল কুরআন]

তোমরা আল্লাহকে ভয় করো:

আশ-শুআ'রা, ২৬:১৫০
فَاتَّقُوا اللَّهَ وَأَطِيعُونِ ﴿١٥٠﴾
কাজেই তোমরা আল্লাহকে ভয় কর ও আমাকে মান্য কর। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহর নিয়ামতের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করো:

হূদ, ১১:৬১
وَإِلَى ثَمُودَ أَخَاهُمْ صَالِحًا قَالَ يَا قَوْمِ اعْبُدُوا اللَّهَ مَا لَكُمْ مِنْ إِلَهٍ غَيْرُهُ هُوَ أَنْشَأَكُمْ مِنَ الْأَرْضِ وَاسْتَعْمَرَكُمْ فِيهَا فَاسْتَغْفِرُوهُ ثُمَّ تُوبُوا إِلَيْهِ إِنَّ رَبِّي قَرِيبٌ مُجِيبٌ ﴿٦١﴾
আমি সামূদ জাতির কাছে তাদের ভাই সালিহকে পাঠিয়েছিলাম। সে বলল, ‘হে আমার সম্প্রদায়! তোমরা আল্লাহর ‘ইবাদাত কর, তিনি ছাড়া তোমাদের আর কোন ইলাহ নেই, তিনিই তোমাদেরকে মাটি থেকে পয়দা করেছেন, আর তাতেই তোমাদেরকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন, কাজেই তাঁর কাছে তোমরা ক্ষমা প্রার্থনা কর, আর তাঁর পানেই ফিরে এসো, আমার প্রতিপালক তো অতি নিকটে, আর তিনি আহবানে সাড়াদানকারী।’ [তাইসিরুল কুরআন]

তার কাছে তাওবা করো:

হূদ, ১১:৬১
وَإِلَى ثَمُودَ أَخَاهُمْ صَالِحًا قَالَ يَا قَوْمِ اعْبُدُوا اللَّهَ مَا لَكُمْ مِنْ إِلَهٍ غَيْرُهُ هُوَ أَنْشَأَكُمْ مِنَ الْأَرْضِ وَاسْتَعْمَرَكُمْ فِيهَا فَاسْتَغْفِرُوهُ ثُمَّ تُوبُوا إِلَيْهِ إِنَّ رَبِّي قَرِيبٌ مُجِيبٌ ﴿٦١﴾
আমি সামূদ জাতির কাছে তাদের ভাই সালিহকে পাঠিয়েছিলাম। সে বলল, ‘হে আমার সম্প্রদায়! তোমরা আল্লাহর ‘ইবাদাত কর, তিনি ছাড়া তোমাদের আর কোন ইলাহ নেই, তিনিই তোমাদেরকে মাটি থেকে পয়দা করেছেন, আর তাতেই তোমাদেরকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন, কাজেই তাঁর কাছে তোমরা ক্ষমা প্রার্থনা কর, আর তাঁর পানেই ফিরে এসো, আমার প্রতিপালক তো অতি নিকটে, আর তিনি আহবানে সাড়াদানকারী।’ [তাইসিরুল কুরআন]

জমিনে ফাসাদ সৃষ্টি করো না:

আল-আ'রাফ, ৭:৭৪
وَاذْكُرُوا إِذْ جَعَلَكُمْ خُلَفَاءَ مِنْ بَعْدِ عَادٍ وَبَوَّأَكُمْ فِي الْأَرْضِ تَتَّخِذُونَ مِنْ سُهُولِهَا قُصُورًا وَتَنْحِتُونَ الْجِبَالَ بُيُوتًا فَاذْكُرُوا آلَاءَ اللَّهِ وَلَا تَعْثَوْا فِي الْأَرْضِ مُفْسِدِينَ ﴿٧٤﴾
স্মরণ কর, ‘আদ জাতির পরে তিনি তোমাদেরকে তাদের স্থলাভিষিক্ত করেছেন আর তোমাদেরকে যমীনে বসতি দান করেছেন, তোমরা তার সমতলে প্রাসাদ নির্মাণ করছ আর পাহাড় কেটে ঘর তৈরি করছ, কাজেই আল্লাহর অনুগ্রহের কথা স্মরণ কর, পৃথিবীতে ফাসাদ সৃষ্টি কর না। [তাইসিরুল কুরআন]

পাপীদের অনুসরণ করো না:

আশ-শুআ'রা, ২৬:১৫১
وَلَا تُطِيعُوا أَمْرَ الْمُسْرِفِينَ ﴿١٥١﴾
এবং সীমালঙ্ঘনকারীদের নির্দেশ মান্য কর না। [তাইসিরুল কুরআন]
আশ-শুআ'রা, ২৬:১৫২
الَّذِينَ يُفْسِدُونَ فِي الْأَرْضِ وَلَا يُصْلِحُونَ ﴿١٥٢﴾
যারা পৃথিবীতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে, সংস্কার করে না।’ [তাইসিরুল কুরআন]

জাতির লোকেরা বলল, তুমি আমাদের আস্থা নষ্ট করেছ:

হূদ, ১১:৬২
قَالُوا يَا صَالِحُ قَدْ كُنْتَ فِينَا مَرْجُوًّا قَبْلَ هَذَا أَتَنْهَانَا أَنْ نَعْبُدَ مَا يَعْبُدُ آبَاؤُنَا وَإِنَّنَا لَفِي شَكٍّ مِمَّا تَدْعُونَا إِلَيْهِ مُرِيبٍ ﴿٦٢﴾
তারা বলল, ‘‘হে সালিহ! এর পূর্বে তুমি তো আমাদের মাঝে ছিলে আশা-আকাঙ্ক্ষার পাত্র, তুমি কি আমাদেরকে সেই মা‘বূদদের ‘ইবাদাত করতে নিষেধ করছ আমাদের পিতৃ পুরুষরা যার ‘ইবাদাত করত? তুমি আমাদেরকে যে দিকে ডাকছ সে সম্পর্কে আমরা বিভ্রান্তিকর সংশয়ে পড়ে আছি। [তাইসিরুল কুরআন]

তারা নবীকে যাদুগ্রস্ত বলল:

আশ-শুআ'রা, ২৬:১৫৩
قَالُوا إِنَّمَا أَنْتَ مِنَ الْمُسَحَّرِينَ ﴿١٥٣﴾
তারা বলল- ‘তুমি তো কেবল যাদুগ্রস্তদের একজন। [তাইসিরুল কুরআন]

নবীকে কুলক্ষণ মনে করল:

আন-নামাল, ২৭:৪৭
قَالُوا اطَّيَّرْنَا بِكَ وَبِمَنْ مَعَكَ قَالَ طَائِرُكُمْ عِنْدَ اللَّهِ بَلْ أَنْتُمْ قَوْمٌ تُفْتَنُونَ ﴿٤٧﴾
তারা বলল- আমরা তোমাকে আর তোমার সঙ্গে যারা আছে তাদেরকে অকল্যাণের কারণ ব’লে মনে করি।’ সে বলল- ‘তোমাদের অকল্যাণ আল্লাহর নিকট, বরং তোমরা এমন এক সম্প্রদায় যাদেরকে পরীক্ষা করা হচ্ছে।’ [তাইসিরুল কুরআন]

নবীকে নিয়ে উপহাস করল:

আল-কামার, ৫৪:২৪
فَقَالُوا أَبَشَرًا مِنَّا وَاحِدًا نَتَّبِعُهُ إِنَّا إِذًا لَفِي ضَلَالٍ وَسُعُرٍ ﴿٢٤﴾
তারা বলেছিল, ‘আমরা কি আমাদেরই মধ্যেকার মাত্র একটা লোকের অনুসরণ করব? তাহলে তো আমরা গুমরাহী আর পাগলামিতে পড়ে যাব। [তাইসিরুল কুরআন]

তারা নবীকে মিথ্যারোপ করল:

আল-কামার, ৫৪:২৫
أَؤُلْقِيَ الذِّكْرُ عَلَيْهِ مِنْ بَيْنِنَا بَلْ هُوَ كَذَّابٌ أَشِرٌ ﴿٢٥﴾
আমাদের (এত মানুষের) মধ্যে শুধু কি তার উপরই বাণী পাঠানো হয়েছে? না, বরং সে বড়ই মিথ্যুক, দাম্ভিক। [তাইসিরুল কুরআন]

আমাদের মধ্যে কি ওর নিদর্শন দেখাতে বলল:

আশ-শুআ'রা, ২৬:১৫৪
مَا أَنْتَ إِلَّا بَشَرٌ مِثْلُنَا فَأْتِ بِآيَةٍ إِنْ كُنْتَ مِنَ الصَّادِقِينَ ﴿١٥٤﴾
তুমি আমাদের মত মানুষ ছাড়া আর কিছুই না। কাজেই তুমি সত্যবাদী হলে একটা নিদর্শন হাজির কর। [তাইসিরুল কুরআন]

তারা আযাব চেয়ে বসল:

আল-আ'রাফ, ৭:৭৭
فَعَقَرُوا النَّاقَةَ وَعَتَوْا عَنْ أَمْرِ رَبِّهِمْ وَقَالُوا يَا صَالِحُ ائْتِنَا بِمَا تَعِدُنَا إِنْ كُنْتَ مِنَ الْمُرْسَلِينَ ﴿٧٧﴾
অতঃপর তারা উষ্ট্রীটিকে মেরে ফেলল এবং তাদের প্রতিপালকের স্পষ্ট বিরোধিতা করে চলল আর বলল, ‘হে সালিহ! তুমি যদি রসূল হয়েই থাক তাহলে তা নিয়ে এসো আমাদেরকে যার ওয়াদা করছ (ভয় দেখাচ্ছ)।’ [তাইসিরুল কুরআন]

নবী জাতিকে غَيْرَ تَخْسِيرٍ ভালোভাবে বুঝালেন:

হূদ, ১১:৬৩
قَالَ يَا قَوْمِ أَرَأَيْتُمْ إِنْ كُنْتُ عَلَى بَيِّنَةٍ مِنْ رَبِّي وَآتَانِي مِنْهُ رَحْمَةً فَمَنْ يَنْصُرُنِي مِنَ اللَّهِ إِنْ عَصَيْتُهُ فَمَا تَزِيدُونَنِي غَيْرَ تَخْسِيرٍ ﴿٦٣﴾
সালিহ বলল, ‘‘হে আমার সম্প্রদায়! তোমরা কি চিন্তা করে দেখেছ, যদি আমি আমার প্রতপালকের সুস্পষ্ট প্রমাণের উপর থাকি আর তাঁর পক্ষ থেকে আমাকে অনুগ্রহ করা হয়, এমতাবস্থায় আমি যদি তার অবাধ্য হই তাহলে আল্লাহর (‘আযাব) থেকে আমাকে কে রক্ষা করবে? তোমরা তো কেবল আমার ক্ষতিই বাড়িয়ে দিতে চাও। [তাইসিরুল কুরআন]

অস্থায়ী দুনিয়ার বাস্তবতা বুঝালেন:

আশ-শুআ'রা, ২৬:১৪৬
أَتُتْرَكُونَ فِي مَا هَاهُنَا آمِنِينَ ﴿١٤٦﴾
তোমাদেরকে কি এখানে যে সব (ভোগ বিলাস) আছে তাতেই নিরাপদে রেখে দেয়া হবে? [তাইসিরুল কুরআন]
আশ-শুআ'রা, ২৬:১৪৭
فِي جَنَّاتٍ وَعُيُونٍ ﴿١٤٧﴾
উদ্যানরাজি আর ঝার্ণাসমূহে। [তাইসিরুল কুরআন]
আশ-শুআ'রা, ২৬:১৪৮
وَزُرُوعٍ وَنَخْلٍ طَلْعُهَا هَضِيمٌ ﴿١٤٨﴾
আর শষ্যক্ষেতে ও ফুলে আচ্ছাদিত (ফলে ভারাক্রান্ত) খেজুর বাগানে? [তাইসিরুল কুরআন]
আশ-শুআ'রা, ২৬:১৪৯
وَتَنْحِتُونَ مِنَ الْجِبَالِ بُيُوتًا فَارِهِينَ ﴿١٤٩﴾
এবং তোমরা দক্ষতার সাথে পাহাড় কেটে গৃহ নির্মাণ করছ। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহর নিকট ক্ষমাপ্রার্থনার আহ্বান জানালেন:

আন-নামাল, ২৭:৪৬
قَالَ يَا قَوْمِ لِمَ تَسْتَعْجِلُونَ بِالسَّيِّئَةِ قَبْلَ الْحَسَنَةِ لَوْلَا تَسْتَغْفِرُونَ اللَّهَ لَعَلَّكُمْ تُرْحَمُونَ ﴿٤٦﴾
সালিহ্ বলল- ‘হে আমার সম্প্রদায়! তোমরা কল্যাণের পূর্বে দ্রুত অকল্যাণ কামনা করছ কেন? তোমরা কেন আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা কর না যাতে তোমরা রহমতপ্রাপ্ত হও?’ [তাইসিরুল কুরআন]

উষ্ট্রীর মু'জিযা দেখালেন:

হূদ, ১১:৬৪
وَيَا قَوْمِ هَذِهِ نَاقَةُ اللَّهِ لَكُمْ آيَةً فَذَرُوهَا تَأْكُلْ فِي أَرْضِ اللَّهِ وَلَا تَمَسُّوهَا بِسُوءٍ فَيَأْخُذَكُمْ عَذَابٌ قَرِيبٌ ﴿٦٤﴾
হে আমার জাতির লোকেরা! এটা আল্লাহর উষ্ট্রী, তোমাদের জন্য একটা নিদর্শন। একে আল্লাহর যমীনে চলে ফিরে খেয়ে বেড়াতে দাও, একে কোন প্রকার কষ্ট দিও না, নচেৎ শীঘ্রই তোমাদেরকে ‘আযাব পাকড়াও করবে।’ [তাইসিরুল কুরআন]

একে কষ্ট দিতে নিষেধ করলেন:

হূদ, ১১:৬৪
وَيَا قَوْمِ هَذِهِ نَاقَةُ اللَّهِ لَكُمْ آيَةً فَذَرُوهَا تَأْكُلْ فِي أَرْضِ اللَّهِ وَلَا تَمَسُّوهَا بِسُوءٍ فَيَأْخُذَكُمْ عَذَابٌ قَرِيبٌ ﴿٦٤﴾
হে আমার জাতির লোকেরা! এটা আল্লাহর উষ্ট্রী, তোমাদের জন্য একটা নিদর্শন। একে আল্লাহর যমীনে চলে ফিরে খেয়ে বেড়াতে দাও, একে কোন প্রকার কষ্ট দিও না, নচেৎ শীঘ্রই তোমাদেরকে ‘আযাব পাকড়াও করবে।’ [তাইসিরুল কুরআন]
আশ-শুআ'রা, ২৬:১৫৬
وَلَا تَمَسُّوهَا بِسُوءٍ فَيَأْخُذَكُمْ عَذَابُ يَوْمٍ عَظِيمٍ ﴿١٥٦﴾
অনিষ্ট সাধনের নিমিত্তে তাকে স্পর্শ কর না, তাহলে তোমাদেরকে মহা দিবসের আযাব পাকড়াও করবে। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-আ'রাফ, ৭:৭৩
وَإِلَى ثَمُودَ أَخَاهُمْ صَالِحًا قَالَ يَاقَوْمِ اعْبُدُوا اللَّهَ مَا لَكُمْ مِنْ إِلَهٍ غَيْرُهُ قَدْ جَاءَتْكُمْ بَيِّنَةٌ مِنْ رَبِّكُمْ هَذِهِ نَاقَةُ اللَّهِ لَكُمْ آيَةً فَذَرُوهَا تَأْكُلْ فِي أَرْضِ اللَّهِ وَلَا تَمَسُّوهَا بِسُوءٍ فَيَأْخُذَكُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌ ﴿٧٣﴾
আমি সামুদ জাতির কাছে তাদের ভাই সালিহকে পাঠিয়েছিলাম। সে বলেছিল, হে আমার সম্প্রদায়! তোমরা আল্লাহর ‘ইবাদাত কর, তিনি ছাড়া তোমাদের কোন ইলাহ নেই। তোমাদের নিকট তোমাদের প্রতিপালকের পক্ষ হতে সুস্পষ্ট প্রমাণ এসেছে। এটি হল আল্লাহর উটনী, তোমাদের জন্য নিদর্শন, তাকে আল্লাহর যমীনে চরে খেতে দাও, মন্দ উদ্দেশে একে স্পর্শ করবে না, করলে পীড়াদায়ক শাস্তি তোমাদেরকে গ্রাস করবে। [তাইসিরুল কুরআন]

পানি পানের পালা নির্ধারণ করে দিলেন:

আশ-শুআ'রা, ২৬:১৫৫
قَالَ هَذِهِ نَاقَةٌ لَهَا شِرْبٌ وَلَكُمْ شِرْبُ يَوْمٍ مَعْلُومٍ ﴿١٥٥﴾
সালিহ বলল- ‘এই একটি উটনি, এর জন্য আছে পানি পানের পালা আর তোমাদের জন্য আছে পানি পানের পালা নির্ধারিত দিনে। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-কামার, ৫৪:২৮
وَنَبِّئْهُمْ أَنَّ الْمَاءَ قِسْمَةٌ بَيْنَهُمْ كُلُّ شِرْبٍ مُحْتَضَرٌ ﴿٢٨﴾
আর তাদেরকে জানিয়ে দাও যে, তাদের মধ্যে (ও উষ্ট্রীর মধ্যে) পানি বণ্টিত হবে, প্রত্যেকের পানি পানের পালা আসবে। [তাইসিরুল কুরআন]

তারা বিতর্কে লিপ্ত হয়ে গেল:

আন-নামাল, ২৭:৪৫
وَلَقَدْ أَرْسَلْنَا إِلَى ثَمُودَ أَخَاهُمْ صَالِحًا أَنِ اعْبُدُوا اللَّهَ فَإِذَا هُمْ فَرِيقَانِ يَخْتَصِمُونَ ﴿٤٥﴾
আমি সামূদ সম্প্রদায়ের নিকট তাদের ভাই সালিহকে পাঠিয়েছিলাম (এই আদেশ দিয়ে যে) তোমরা আল্লাহর ‘ইবাদাত কর। অতঃপর তারা দু’ভাগ হয়ে গিয়ে বিতর্কে জড়িয়ে পড়ল। [তাইসিরুল কুরআন]

কিছু লোক ঈমান আনল:

আল-আ'রাফ, ৭:৭৫
قَالَ الْمَلَأُ الَّذِينَ اسْتَكْبَرُوا مِنْ قَوْمِهِ لِلَّذِينَ اسْتُضْعِفُوا لِمَنْ آمَنَ مِنْهُمْ أَتَعْلَمُونَ أَنَّ صَالِحًا مُرْسَلٌ مِنْ رَبِّهِ قَالُوا إِنَّا بِمَا أُرْسِلَ بِهِ مُؤْمِنُونَ ﴿٧٥﴾
তার জাতির গর্বিত প্রধানগণ ঐসব লোকদেরকে বলেছিল যাদেরকে দুর্বল করে রাখা হয়েছিল, যারা তাদের মধ্যে ঈমান এনেছিল- ‘‘তোমরা কি জান যে সালিহ তার প্রতিপালক কর্তৃক প্রেরিত? তারা বলেছিল, ‘তিনি যে বাণী নিয়ে প্রেরিত হয়েছেন তাতে আমরা বিশ্বাসী’। [তাইসিরুল কুরআন]

সমাজের প্রধানরা সরাসরি অস্বীকার করল:

আল-আ'রাফ, ৭:৭৬
قَالَ الَّذِينَ اسْتَكْبَرُوا إِنَّا بِالَّذِي آمَنْتُمْ بِهِ كَافِرُونَ ﴿٧٦﴾
যারা অহঙ্কার করেছিল তারা বলেছিল, ‘তোমরা যাতে বিশ্বাস করেছ আমরা তা অস্বীকার করছি।’ [তাইসিরুল কুরআন]

তাদের অধিকাংশই ঈমান আনেনি:

আশ-শুআ'রা, ২৬:১৫৮
فَأَخَذَهُمُ الْعَذَابُ إِنَّ فِي ذَلِكَ لَآيَةً وَمَا كَانَ أَكْثَرُهُمْ مُؤْمِنِينَ ﴿١٥٨﴾
অতঃপর আযাব তাদেরকে পাকড়াও করল। এতে অবশ্যই নিদর্শন রয়েছে, কিন্তু তাদের অধিকাংশই বিশ্বাস করে না। [তাইসিরুল কুরআন]

তারা সতর্কবাণী অস্বীকার করল:

আল-কামার, ৫৪:২৩
كَذَّبَتْ ثَمُودُ بِالنُّذُرِ ﴿٢٣﴾
সামূদ জাতিও ভয়প্রদর্শনকারীদেরকে অস্বীকার করেছিল, [তাইসিরুল কুরআন]

নবীকে হত্যা করার জন্য গোপন চক্রান্ত করল:

আন-নামাল, ২৭:৪৯
قَالُوا تَقَاسَمُوا بِاللَّهِ لَنُبَيِّتَنَّهُ وَأَهْلَهُ ثُمَّ لَنَقُولَنَّ لِوَلِيِّهِ مَا شَهِدْنَا مَهْلِكَ أَهْلِهِ وَإِنَّا لَصَادِقُونَ ﴿٤٩﴾
তারা বলল- ‘তোমরা আল্লাহর নামে শপথ কর যে, তোমরা রাত্রিযোগে তাকে আর তার পরিবারবর্গকে অবশ্য অবশ্যই আক্রমণ করবে, অতঃপর আমরা তার অভিভাবককে অবশ্য অবশ্যই বলব, আমরা তার পরিবারবর্গের হত্যাকান্ড প্রত্যক্ষ করিনি। আমরা অবশ্যই সত্যবাদী।’ [তাইসিরুল কুরআন]
আন-নামাল, ২৭:৫০
وَمَكَرُوا مَكْرًا وَمَكَرْنَا مَكْرًا وَهُمْ لَا يَشْعُرُونَ ﴿٥٠﴾
তারা এক চক্রান্ত করেছিল আর আমিও এক কৌশল অবলম্বন করেছিলাম, কিন্তু তারা বুঝতে পারেনি। [তাইসিরুল কুরআন]

নবী উস্ত্রীকে প্রহার করতে নিষেধ করলেন:

আশ-শামস, ৯১:১৩
فَقَالَ لَهُمْ رَسُولُ اللَّهِ نَاقَةَ اللَّهِ وَسُقْيَاهَا ﴿١٣﴾
তখন আল্লাহর রাসূল (সালিহ) তাদেরকে বলল, ‘এটা আল্লাহর উটনি, একে পানি পান করতে বাধা দিও না। [তাইসিরুল কুরআন]

কিন্তু তারা উষ্ট্রীর প্রতি যুলুম করল:

আল-ইসরা, ১৭:৫৯
وَمَا مَنَعَنَا أَنْ نُرْسِلَ بِالْآيَاتِ إِلَّا أَنْ كَذَّبَ بِهَا الْأَوَّلُونَ وَآتَيْنَا ثَمُودَ النَّاقَةَ مُبْصِرَةً فَظَلَمُوا بِهَا وَمَا نُرْسِلُ بِالْآيَاتِ إِلَّا تَخْوِيفًا ﴿٥٩﴾
আমি নিদর্শন প্রেরণ করা হতে এজন্য বিরত থাকি যে, পূর্বের লোকেরা তা মিথ্যা মনে ক’রে প্রত্যাখ্যান করেছিল। আমি সামূদ জাতির নিকট উষ্ট্রী পাঠিয়েছিলাম এক প্রত্যক্ষ নিদর্শন হিসেবে কিন্তু তারা তার প্রতি যুলম করল; ভয় প্রদর্শনের উদ্দেশ্যেই কেবল আমি নিদর্শন পাঠিয়ে থাকি। [তাইসিরুল কুরআন]

একজন উস্ত্রীকে হত্যা করার জন্য দায়িত্ব নিল:

আল-কামার, ৫৪:২৯
فَنَادَوْا صَاحِبَهُمْ فَتَعَاطَى فَعَقَرَ ﴿٢٩﴾
শেষে তারা তাদের এক সঙ্গীকে ডাকল আর সে তাকে (অর্থাৎ উষ্ট্রীটিকে) ধরে হত্যা করল। [তাইসিরুল কুরআন]
আশ-শামস, ৯১:১২
إِذِ انْبَعَثَ أَشْقَاهَا ﴿١٢﴾
যখন তাদের সবচেয়ে হতভাগা লোকটি মাথা চাড়া দিয়ে উঠল। [তাইসিরুল কুরআন]

তারা উষ্ট্রীকে হত্যা করে অনুতপ্ত হলো:

আশ-শুআ'রা, ২৬:১৫৭
فَعَقَرُوهَا فَأَصْبَحُوا نَادِمِينَ ﴿١٥٧﴾
কিন্তু তারা তাকে বধ করল, ফলে তারা অনুতপ্ত হল। [তাইসিরুল কুরআন]

নবীর শেষ কথা:

আল-আ'রাফ, ৭:৭৯
فَتَوَلَّى عَنْهُمْ وَقَالَ يَا قَوْمِ لَقَدْ أَبْلَغْتُكُمْ رِسَالَةَ رَبِّي وَنَصَحْتُ لَكُمْ وَلَكِنْ لَا تُحِبُّونَ النَّاصِحِينَ ﴿٧٩﴾
আর সালিহ এ কথা বলে তাদেরকে পরিত্যাগ করল যে, হে আমার সম্প্রদায়! ‘আমি তোমাদের কাছে আমার প্রতিপালকের বাণী পৌঁছে দিয়েছি, আর তোমাদেরকে সদুপদেশ দিয়েছি কিন্তু সদুপদেশ দানকারীদেরকে তোমরা পছন্দ কর না।’ [তাইসিরুল কুরআন]

তাদেরকে তিন দিন সময় দেয়া হয়েছিল:

হূদ, ১১:৬৫
فَعَقَرُوهَا فَقَالَ تَمَتَّعُوا فِي دَارِكُمْ ثَلَاثَةَ أَيَّامٍ ذَلِكَ وَعْدٌ غَيْرُ مَكْذُوبٍ ﴿٦٥﴾
কিন্তু তারা উষ্ট্রীটির পাগুলো কেটে ফেলল। তখন সে তাদেরকে বলল, ‘তোমরা তোমাদের ঘরে তিনটি দিন জীবন উপভোগ করে নাও, এটা এমন এক ও‘য়াদা যা মিথ্যে হতে পারে না।’ [তাইসিরুল কুরআন]

এরপর তাদের উপর আযাব এসে গেল:

আয-যারিয়াত, ৫১:৪৪
فَعَتَوْا عَنْ أَمْرِ رَبِّهِمْ فَأَخَذَتْهُمُ الصَّاعِقَةُ وَهُمْ يَنْظُرُونَ ﴿٤٤﴾
কিন্তু তারা ধৃষ্টতার সঙ্গে তাদের প্রতিপালকের আদেশ অমান্য করল। ফলে বজ্রাঘাত তাদেরকে পাকড়াও করল যা তারা চেয়ে চেয়ে দেখছিল। [তাইসিরুল কুরআন]

তা ছিল প্রচণ্ড ভূমিকম্প ও প্রচণ্ড বিস্ফোরণ:

আল-আ'রাফ, ৭:৭৮
فَأَخَذَتْهُمُ الرَّجْفَةُ فَأَصْبَحُوا فِي دَارِهِمْ جَاثِمِينَ ﴿٧٨﴾
অতঃপর ভূমিকম্প তাদেরকে হঠাৎ পাকড়াও করল আর তারা তাদের ঘরগুলোতে মুখ থুবড়ে পড়ে রইল। [তাইসিরুল কুরআন]
হূদ, ১১:৬৭
وَأَخَذَ الَّذِينَ ظَلَمُوا الصَّيْحَةُ فَأَصْبَحُوا فِي دِيَارِهِمْ جَاثِمِينَ ﴿٦٧﴾
যারা যুলম করেছিল এক প্রচন্ড শব্দ তাদেরকে আঘাত হানল, আর তারা নিজ নিজ গৃহে নতজানু হয়ে পড়ে রইল- [তাইসিরুল কুরআন]
আল-হাক্কাহ, ৬৯:৫
فَأَمَّا ثَمُودُ فَأُهْلِكُوا بِالطَّاغِيَةِ ﴿٥﴾
অতঃপর সামূদ জাতিকে ধ্বংস করা হয়েছিল এক প্রলয়ংকর বিপর্যয় দিয়ে। [তাইসিরুল কুরআন]

আযাব তাদেরকে সকালে পাকড়াও করল:

আল-হিজর, ১৫:৮৩
فَأَخَذَتْهُمُ الصَّيْحَةُ مُصْبِحِينَ ﴿٨٣﴾
অতঃপর এক সকালে প্রচন্ড ধ্বনি তাদের উপর আঘাত হানল। [তাইসিরুল কুরআন]

তারা আবর্জনায় পরিণত হলো:

আল-কামার, ৫৪:৩১
إِنَّا أَرْسَلْنَا عَلَيْهِمْ صَيْحَةً وَاحِدَةً فَكَانُوا كَهَشِيمِ الْمُحْتَظِرِ ﴿٣١﴾
আমি তাদের উপর পাঠিয়েছিলাম একটি মাত্র প্রচন্ড ধ্বনি। ফলে তারা খোঁয়াড়ওয়ালাদের (নির্মিত) ভেঙ্গে চুরে যাওয়া শুকনা ডালপালার মত গুঁড়িয়ে গেল। [তাইসিরুল কুরআন]

তাদের ঘরবাড়ি খালি হয়ে গেল:

আন-নামাল, ২৭:৫২
فَتِلْكَ بُيُوتُهُمْ خَاوِيَةً بِمَا ظَلَمُوا إِنَّ فِي ذَلِكَ لَآيَةً لِقَوْمٍ يَعْلَمُونَ ﴿٥٢﴾
এই তো তাদের ঘরদোর সম্পূর্ণ উজাড়, কারণ তারা বাড়াবাড়ি করেছিল। এতে জ্ঞানী সম্প্রদায়ের জন্য অবশ্যই নিদর্শন আছে। [তাইসিরুল কুরআন]
আন-নাজম, ৫৩:৫০
وَأَنَّهُ أَهْلَكَ عَادًا الْأُولَى ﴿٥٠﴾
আর এই যে, তিনিই প্রাচীন ‘আদ জাতিকে ধ্বংস করেছিলেন, [তাইসিরুল কুরআন]
আন-নাজম, ৫৩:৫১
وَثَمُودَ فَمَا أَبْقَى ﴿٥١﴾
আর সামূদ জাতিকেও, তাদের একজনকেও বাকী রাখেননি। [তাইসিরুল কুরআন]

তাদেরকে মাটির সাথে মিশিয়ে দেয়া হলো:

আশ-শামস, ৯১:১৪
فَكَذَّبُوهُ فَعَقَرُوهَا فَدَمْدَمَ عَلَيْهِمْ رَبُّهُمْ بِذَنْبِهِمْ فَسَوَّاهَا ﴿١٤﴾
কিন্তু তারা রসূলের কথা অগ্রাহ্য করল এবং উটনির পায়ের রগ কেটে দিল। শেষ পর্যন্ত তাদের পাপের কারণে তাদের প্রতিপালক তাদেরকে ধ্বংস করে মাটিতে মিশিয়ে দিলেন। [তাইসিরুল কুরআন]
আশ-শামস, ৯১:১৫
وَلَا يَخَافُ عُقْبَاهَا ﴿١٥﴾
আর তিনি (তাঁর এ কাজের) কোন খারাপ পরিণতির ভয় মোটেই পোষণ করেন না। [তাইসিরুল কুরআন]

তাদের প্রাসাদ কোন কাজে লাগেনি:

আল-হিজর, ১৫:৮৪
فَمَا أَغْنَى عَنْهُمْ مَا كَانُوا يَكْسِبُونَ ﴿٨٤﴾
তাদের উপার্জন তাদের কোন কাজে আসল না। [তাইসিরুল কুরআন]

কুফরীর কারণে তাদের এ অবস্থা হয়েছে:

হূদ, ১১:৬৮
كَأَنْ لَمْ يَغْنَوْا فِيهَا أَلَا إِنَّ ثَمُودَ كَفَرُوا رَبَّهُمْ أَلَا بُعْدًا لِثَمُودَ ﴿٦٨﴾
যেন তারা সেখানে কোন দিনই বাস করেনি। জেনে রেখ, সামুদজাতি তাদের প্রতিপালককে অমান্য করেছিল। জেনে রেখ, সামূদকে (রহমাত থেকে) দূরে নিক্ষেপ করা হয়েছিল। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ নবী ও মুমিনদেরকে বাঁচালেন:

হূদ, ১১:৬৬
فَلَمَّا جَاءَ أَمْرُنَا نَجَّيْنَا صَالِحًا وَالَّذِينَ آمَنُوا مَعَهُ بِرَحْمَةٍ مِنَّا وَمِنْ خِزْيِ يَوْمِئِذٍ إِنَّ رَبَّكَ هُوَ الْقَوِيُّ الْعَزِيزُ ﴿٦٦﴾
অতঃপর আমার হুকুম যখন আসল তখন আমি সালিহ আর তার সঙ্গে যারা ঈমান এনেছিল তাদেরকে আমার দয়ায় বাঁচিয়ে নিলাম আর সে দিনের লাঞ্ছনা হতে রক্ষা করলাম। তোমার প্রতিপালক তিনিই তো শক্তিশালী, প্রতাপশালী। [তাইসিরুল কুরআন]
আন-নামাল, ২৭:৫৩
وَأَنْجَيْنَا الَّذِينَ آمَنُوا وَكَانُوا يَتَّقُونَ ﴿٥٣﴾
আর যারা ঈমান এনেছিল ও (আল্লাহকে) ভয় করত তাদেরকে রক্ষা করেছিলাম। [তাইসিরুল কুরআন]

সামুদ জাতির ইতিহাস জানতে হবে:

আল-বুরুজ, ৮৫:১৭
هَلْ أَتَاكَ حَدِيثُ الْجُنُودِ ﴿١٧﴾
তোমার কাছে কি সৈন্য বাহিনীর খবর পৌছেছে? [তাইসিরুল কুরআন]
আল-বুরুজ, ৮৫:১৮
فِرْعَوْنَ وَثَمُودَ ﴿١٨﴾
ফেরাউন ও সামূদের? (আল্লাহর ক্ষমতার বিরুদ্ধে তাদের লোক-লস্কর কোন কাজে আসেনি)। [তাইসিরুল কুরআন]

এ ঘটনায় উপদেশ রয়েছে:

আন-নামাল, ২৭:৫২
فَتِلْكَ بُيُوتُهُمْ خَاوِيَةً بِمَا ظَلَمُوا إِنَّ فِي ذَلِكَ لَآيَةً لِقَوْمٍ يَعْلَمُونَ ﴿٥٢﴾
এই তো তাদের ঘরদোর সম্পূর্ণ উজাড়, কারণ তারা বাড়াবাড়ি করেছিল। এতে জ্ঞানী সম্প্রদায়ের জন্য অবশ্যই নিদর্শন আছে। [তাইসিরুল কুরআন]
আশ-শুআ'রা, ২৬:১৫৮
فَأَخَذَهُمُ الْعَذَابُ إِنَّ فِي ذَلِكَ لَآيَةً وَمَا كَانَ أَكْثَرُهُمْ مُؤْمِنِينَ ﴿١٥٨﴾
অতঃপর আযাব তাদেরকে পাকড়াও করল। এতে অবশ্যই নিদর্শন রয়েছে, কিন্তু তাদের অধিকাংশই বিশ্বাস করে না। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ নবীকে সান্তনা দিলেন ।

আল-কামার, ৫৪:২৬
سَيَعْلَمُونَ غَدًا مَنِ الْكَذَّابُ الْأَشِرُ ﴿٢٦﴾
আগামীকালই তারা জানতে পারবে কে বড়ই মিথ্যুক, দাম্ভিক [তাইসিরুল কুরআন]
আল-কামার, ৫৪:২৭
إِنَّا مُرْسِلُو النَّاقَةِ فِتْنَةً لَهُمْ فَارْتَقِبْهُمْ وَاصْطَبِرْ ﴿٢٧﴾
আমি একটা উষ্ট্রী পাঠাচ্ছি, তাদেরকে পরীক্ষা করার জন্য, কাজেই (হে সালিহ!) তুমি তাদের আচরণ লক্ষ্য কর আর ধৈর্য ধর। [তাইসিরুল কুরআন]

তোমরা আল্লাহকে ভয় করো ।

আশ-শুআ'রা, ২৬:১৫০
فَاتَّقُوا اللَّهَ وَأَطِيعُونِ ﴿١٥٠﴾
কাজেই তোমরা আল্লাহকে ভয় কর ও আমাকে মান্য কর। [তাইসিরুল কুরআন]

সামুদ জাতি উপত্যকায় পাথর খোদাই করেছিল।

আল-ফাজর, ৮৯:৯
وَثَمُودَ الَّذِينَ جَابُوا الصَّخْرَ بِالْوَادِ ﴿٩﴾
এবং সামূদের প্রতি যারা উপত্যকায় পাথর কেটে গৃহ নির্মাণ করেছিল? [তাইসিরুল কুরআন]

সামূদ জাতির ঘটনায়ও শিক্ষণীয় নিদর্শন রয়েছে।

আয-যারিয়াত, ৫১:৪৩
وَفِي ثَمُودَ إِذْ قِيلَ لَهُمْ تَمَتَّعُوا حَتَّى حِينٍ ﴿٤٣﴾
আর সামূদের ঘটনাতেও (নিদর্শন আছে) যখন তাদেরকে বলা হয়েছিল, ‘একটা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত ভোগ করে লও।’ [তাইসিরুল কুরআন]
ফন্ট সাইজ
15px
17px