বিষয়ভিত্তিক কুরআন > জাহান্নামের আযাবের বৈশিষ্ট্য

জাহান্নামের আযাব অপমানজনক:

আল-আহযাব, ৩৩:৫৭
إِنَّ الَّذِينَ يُؤْذُونَ اللَّهَ وَرَسُولَهُ لَعَنَهُمُ اللَّهُ فِي الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ وَأَعَدَّ لَهُمْ عَذَابًا مُهِينًا ﴿٥٧﴾
যারা আল্লাহ ও তাঁর রসূলকে কষ্ট দেয়, আল্লাহ তাদেরকে দুনিয়া ও আখিরাতে অভিশপ্ত করেছেন আর তাদের জন্য প্রস্তুত রেখেছেন অপমানজনক শাস্তি। [তাইসিরুল কুরআন]
হা-মীম আস-সাজদা, ৪১:১৬
فَأَرْسَلْنَا عَلَيْهِمْ رِيحًا صَرْصَرًا فِي أَيَّامٍ نَحِسَاتٍ لِنُذِيقَهُمْ عَذَابَ الْخِزْيِ فِي الْحَيَاةِ الدُّنْيَا وَلَعَذَابُ الْآخِرَةِ أَخْزَى وَهُمْ لَا يُنْصَرُونَ . ﴿١٦﴾
অতঃপর আমি অশুভ দিনগুলোতে তাদের বিরুদ্ধে ঝাঞ্ঝা বায়ু পাঠালাম যাতে তারা দুনিয়ার জীবনে অপমানজনক শাস্তি আস্বাদন করে। আখিরাতের শাস্তি অবশ্যই অধিক লাঞ্ছনাদায়ক আর তারা সাহায্যপ্রাপ্তও হবে না। [তাইসিরুল কুরআন]

সেই আযাব যন্ত্রণাদায়ক:

আল-ইনসান, ৭৬:৩১
يُدْخِلُ مَنْ يَشَاءُ فِي رَحْمَتِهِ وَالظَّالِمِينَ أَعَدَّ لَهُمْ عَذَابًا أَلِيمًا ﴿٣١﴾
তিনি যাকে ইচ্ছে তাঁর রাহমাতে দাখিল করেন। আর যালিমরা- তাদের জন্য তিনি প্রস্তুত করে রেখেছেন বড়ই পীড়াদায়ক শাস্তি। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-জাসিয়া, ৪৫:১১
هَذَا هُدًى وَالَّذِينَ كَفَرُوا بِآيَاتِ رَبِّهِمْ لَهُمْ عَذَابٌ مِنْ رِجْزٍ أَلِيمٌ ﴿١١﴾
এ (কুরআন) সঠিক পথের দিশারী। যারা তাদের পালনকর্তার নিদর্শনগুলোকে প্রত্যাখ্যান করে, তাদের জন্য আছে কঠোর যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি। [তাইসিরুল কুরআন]

সেই আযাব উত্তপ্ত আগুনের:

আল-হাশর, ৫৯:৩
وَلَوْلَا أَنْ كَتَبَ اللَّهُ عَلَيْهِمُ الْجَلَاءَ لَعَذَّبَهُمْ فِي الدُّنْيَا وَلَهُمْ فِي الْآخِرَةِ عَذَابُ النَّارِ ﴿٣﴾
আল্লাহ যদি তাদের জন্য নির্বাসন না লিখে দিতেন, তাহলে তিনি তাদেরকে দুনিয়াতেই অবশ্য অবশ্যই (অন্য) শাস্তি দিতেন, পরকালে তো তাদের জন্য জাহান্নামের শাস্তি আছেই। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-বুরুজ, ৮৫:১০
إِنَّ الَّذِينَ فَتَنُوا الْمُؤْمِنِينَ وَالْمُؤْمِنَاتِ ثُمَّ لَمْ يَتُوبُوا فَلَهُمْ عَذَابُ جَهَنَّمَ وَلَهُمْ عَذَابُ الْحَرِيقِ ﴿١٠﴾
যারা মু’মিন পুরুষ ও নারীদের প্রতি যুলম পীড়ন চালায় অতঃপর তাওবাহ করে না, তাদের জন্য আছে জাহান্নামের শাস্তি, আর আছে আগুনে দগ্ধ হওয়ার যন্ত্রণা। [তাইসিরুল কুরআন]

সে আযাব হবে কঠিন ও সর্বনাশকারী:

হা-মীম আস-সাজদা, ৪১:৫০
وَلَئِنْ أَذَقْنَاهُ رَحْمَةً مِنَّا مِنْ بَعْدِ ضَرَّاءَ مَسَّتْهُ لَيَقُولَنَّ هَذَا لِي وَمَا أَظُنُّ السَّاعَةَ قَائِمَةً وَلَئِنْ رُجِعْتُ إِلَى رَبِّي إِنَّ لِي عِنْدَهُ لَلْحُسْنَى فَلَنُنَبِّئَنَّ الَّذِينَ كَفَرُوا بِمَا عَمِلُوا وَلَنُذِيقَنَّهُمْ مِنْ عَذَابٍ غَلِيظٍ ﴿٥٠﴾
দুঃখ-বিপদ মানুষকে স্পর্শ করার পর আমি যখন তাকে আমার অনুগ্রহ আস্বাদন করাই তখন সে অবশ্য অবশ্যই বলে- এটা আমার ন্যায্য পাওনা। ক্বিয়ামত যে সংঘটিত হবে আমি মোটেই তা মনে করি না। আর যদি আমাকে আমার প্রতিপালকের নিকট ফিরিয়ে নেয়া হয়ই, তবে তাঁর কাছে আমার জন্য অবশ্যই কল্যাণ আছে। অতঃপর আমি কাফিরদেরকে অবশ্য অবশ্যই জানিয়ে দেব তারা (দুনিয়াতে) কী কাজ করেছিল। আর অবশ্য অবশ্যই তাদেরকে আমি কঠিন শাস্তি আস্বাদন করাব। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-ফুরকান, ২৫:৪৫
أَلَمْ تَرَ إِلَى رَبِّكَ كَيْفَ مَدَّ الظِّلَّ وَلَوْ شَاءَ لَجَعَلَهُ سَاكِنًا ثُمَّ جَعَلْنَا الشَّمْسَ عَلَيْهِ دَلِيلًا ﴿٤٥﴾
তুমি কি তোমার প্রতিপালককে দেখ না কীভাবে তিনি ছায়াকে দীর্ঘ করেন (সূর্য উদয়ের সময়ে, অতঃপর তা ক্রমেই ছোট হতে হতে দুপুর বেলা ছায়া ক্ষুদ্র আকৃতি ধারণ করে, দুপুরের পর আবার ছায়া দীর্ঘ হতে থাকে), তিনি চাইলে ছায়াকে অবশ্যই স্থির রাখতে পারতেন। সূর্যকেই আমি করেছি তার (অর্থাৎ ছায়ার) নির্ণায়ক (সূর্যের অবস্থানের কারণেই ছায়া ছোট ও দীর্ঘ হয়)। [তাইসিরুল কুরআন]

সে আযাব বিরাট আকারের:

আল-ফুরকান, ২৫:১৯
فَقَدْ كَذَّبُوكُمْ بِمَا تَقُولُونَ فَمَا تَسْتَطِيعُونَ صَرْفًا وَلَا نَصْرًا وَمَنْ يَظْلِمْ مِنْكُمْ نُذِقْهُ عَذَابًا كَبِيرًا ﴿١٩﴾
(আল্লাহ মুশরিকদেরকে বলবেন) ‘তোমরা যা বলতে সে ব্যাপারে তারা তোমাদেরকে মিথ্যে প্রমাণিত করেছে। কাজেই তোমরা না পারবে (তোমাদের শাস্তি) প্রতিরোধ করতে আর না পাবে সাহায্য। তোমাদের মধ্যে যে অন্যায়কারী আমি তাকে গুরুতর শাস্তি আস্বাদন করাব। [তাইসিরুল কুরআন]
আন-নিসা, ৪:৯৩
وَمَنْ يَقْتُلْ مُؤْمِنًا مُتَعَمِّدًا فَجَزَاؤُهُ جَهَنَّمُ خَالِدًا فِيهَا وَغَضِبَ اللَّهُ عَلَيْهِ وَلَعَنَهُ وَأَعَدَّ لَهُ عَذَابًا عَظِيمًا ﴿٩٣﴾
যে ব্যক্তি কোন মু’মিনকে ইচ্ছাপূর্বক হত্যা করে, তার শাস্তি জাহান্নাম। যাতে স্থায়ীভাবে থাকবে, তার উপর আল্লাহর ক্রোধ ও অভিসম্পাত। আল্লাহ তার জন্য মহাশাস্তি নির্দিষ্ট করে রেখেছেন। [তাইসিরুল কুরআন]

সে আযাব অপেক্ষায় আছে:

আন-নাবা, ৭৮:২১
إِنَّ جَهَنَّمَ كَانَتْ مِرْصَادًا ﴿٢١﴾
জাহান্নাম তো ওঁৎ পেতে আছে, [তাইসিরুল কুরআন]
আন-নাবা, ৭৮:২২
لِلطَّاغِينَ مَآبًا ﴿٢٢﴾
(আর তা হল) সীমালঙ্ঘনকারীদের আশ্রয়স্থল। [তাইসিরুল কুরআন]

সে আযাব অতি নিকটে:

আন-নাবা, ৭৮:৪০
إِنَّا أَنْذَرْنَاكُمْ عَذَابًا قَرِيبًا يَوْمَ يَنْظُرُ الْمَرْءُ مَا قَدَّمَتْ يَدَاهُ وَيَقُولُ الْكَافِرُ يَا لَيْتَنِي كُنْتُ تُرَابًا ﴿٤٠﴾
আমি তোমাদেরকে নিকটবর্তী শাস্তি সম্পর্কে সতর্ক করছি, যেদিন মানুষ দেখতে পাবে তার হাতগুলো আগেই কী (‘আমাল) পাঠিয়েছে আর কাফির বলবে- ‘হায়! আমি যদি মাটি হতাম (তাহলে আমাকে আজকের এ ‘আযাবের সম্মুখীন হতে হত না)। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহর শাস্তি খুবই শক্ত ও কঠিন:

আল-গাশিয়া, ৮৮:২৩
إِلَّا مَنْ تَوَلَّى وَكَفَرَ ﴿٢٣﴾
তবে কেউ কুফুরি করলে এবং মুখ ফিরিয়ে নিলে [তাইসিরুল কুরআন]
আল-গাশিয়া, ৮৮:২৪
فَيُعَذِّبُهُ اللَّهُ الْعَذَابَ الْأَكْبَرَ ﴿٢٤﴾
আল্লাহ তাকে মহাশাস্তিতে শাস্তি দেবেন। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-বুরুজ, ৮৫:১২
إِنَّ بَطْشَ رَبِّكَ لَشَدِيدٌ ﴿١٢﴾
তোমার প্রতিপালকের পাকড়াও অবশ্যই বড় কঠিন। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-হজ্জ, ২২:২
يَوْمَ تَرَوْنَهَا تَذْهَلُ كُلُّ مُرْضِعَةٍ عَمَّا أَرْضَعَتْ وَتَضَعُ كُلُّ ذَاتِ حَمْلٍ حَمْلَهَا وَتَرَى النَّاسَ سُكَارَى وَمَا هُمْ بِسُكَارَى وَلَكِنَّ عَذَابَ اللَّهِ شَدِيدٌ ﴿٢﴾
সেদিন তুমি দেখবে প্রতিটি দুগ্ধদায়িনী ভুলে যাবে তার দুগ্ধপোষ্য শিশুকে, আর প্রত্যেক গর্ভবতী গর্ভপাত করে ফেলবে, আর মানুষকে দেখবে মাতাল, যদিও তারা প্রকৃতপক্ষে মাতাল নয়, কিন্তু আল্লাহর শাস্তি বড়ই কঠিন (যার কারণে তাদের ঐ অবস্থা ঘটবে)। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-ফাজর, ৮৯:২৫
فَيَوْمَئِذٍ لَا يُعَذِّبُ عَذَابَهُ أَحَدٌ ﴿٢٥﴾
অতঃপর সেদিন তাঁর শাস্তির মত শাস্তি কেউ দিতে পারবে না [তাইসিরুল কুরআন]
আল-ফাজর, ৮৯:২৬
وَلَا يُوثِقُ وَثَاقَهُ أَحَدٌ ﴿٢٦﴾
এবং তাঁর বাঁধনের মত কেউ বাঁধতে পারবে না। [তাইসিরুল কুরআন]

জাহান্নামের আযাব হবে চিরস্থায়ী ।

আশ-শূরা, ৪২:৪৫
وَتَرَاهُمْ يُعْرَضُونَ عَلَيْهَا خَاشِعِينَ مِنَ الذُّلِّ يَنْظُرُونَ مِنْ طَرْفٍ خَفِيٍّ وَقَالَ الَّذِينَ آمَنُوا إِنَّ الْخَاسِرِينَ الَّذِينَ خَسِرُوا أَنْفُسَهُمْ وَأَهْلِيهِمْ يَوْمَ الْقِيَامَةِ أَلَا إِنَّ الظَّالِمِينَ فِي عَذَابٍ مُقِيمٍ ﴿٤٥﴾
তুমি (আরো) দেখবে, তাদেরকে জাহান্নামের সম্মুখে উপস্থিত করা হবে, তারা থাকবে অপমানে অবনত, তারা লুকিয়ে তাকাবে। আর যারা ঈমান এনেছে তারা বলবে, সত্যিকার ক্ষতিগ্রস্ত তো তারাই যারা ক্বিয়ামতের দিনে নিজেদেরকে এবং নিজেদের পরিবার-পরিজনকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। সাবধান! যালিমরা থাকবে স্থায়ী ‘আযাবে। [তাইসিরুল কুরআন]
আন-নাবা, ৭৮:২৩
لَابِثِينَ فِيهَا أَحْقَابًا ﴿٢٣﴾
সেখানে তারা যুগ যুগ ধরে থাকবে, [তাইসিরুল কুরআন]
আন-নিসা, ৪:১৪
وَمَنْ يَعْصِ اللَّهَ وَرَسُولَهُ وَيَتَعَدَّ حُدُودَهُ يُدْخِلْهُ نَارًا خَالِدًا فِيهَا وَلَهُ عَذَابٌ مُهِينٌ ﴿١٤﴾
আর যে ব্যক্তি আল্লাহ এবং তাঁর রসূলের নাফরমানী করবে এবং তাঁর নির্ধারিত সীমালঙ্ঘন করবে, আল্লাহ তাকে জাহান্নামে দাখিল করবেন, সে তাতে চিরবাসী হবে এবং সে অবমাননাকর শাস্তি ভোগ করবে। [তাইসিরুল কুরআন]

অস্বীকারকারীদেরকে জাহান্নামের আগুনে তাদের শাস্তি আস্বাদন করতে বলা হবে।

আয-যারিয়াত, ৫১:১৪
ذُوقُوا فِتْنَتَكُمْ هَذَا الَّذِي كُنْتُمْ بِهِ تَسْتَعْجِلُونَ ﴿١٤﴾
(তাদেরকে বলা হবে) তোমরা তোমাদের (কৃতকর্মের) শাস্তি ভোগ কর, এটা হচ্ছে তাই যার জন্য তোমরা তাড়াহুড়া করছিলে। [তাইসিরুল কুরআন]

অভিশপ্ত কাফিরদের উপর থেকে শাস্তি কমানো হবে না।

আলে-ইমরান, ৩:৮৮
خَالِدِينَ فِيهَا لَا يُخَفَّفُ عَنْهُمُ الْعَذَابُ وَلَا هُمْ يُنْظَرُونَ ﴿٨٨﴾
তারা ওতেই চিরকাল থাকবে, তাদের শাস্তি লঘু করা হবে না এবং তাদেরকে বিরামও দেয়া হবে না। [তাইসিরুল কুরআন]

নিশ্চয়ই আল্লাহর শাস্তিই হলো যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।

আল-হিজর, ১৫:৫০
وَأَنَّ عَذَابِي هُوَ الْعَذَابُ الْأَلِيمُ ﴿٥٠﴾
আর আমার শাস্তি- তা বড়ই ভয়াবহ শাস্তি। [তাইসিরুল কুরআন]

জালেমদের থেকে আযাব সামান্যও লাঘব করা হবে না।

আন-নাহাল, ১৬:৮৫
وَإِذَا رَأَى الَّذِينَ ظَلَمُوا الْعَذَابَ فَلَا يُخَفَّفُ عَنْهُمْ وَلَا هُمْ يُنْظَرُونَ ﴿٨٥﴾
সীমালঙ্ঘনকারীরা যখন ‘আযাব প্রত্যক্ষ করবে তাদের থেকে তখন তা কমানো হবে না, আর তাদেরকে সময়-সুযোগও দেয়া হবে না। [তাইসিরুল কুরআন]

জাহান্নামের অধিবাসীদের জন্য সেখানে থাকবে তীব্র আর্তনাদ।

আল-আম্বিয়া, ২১:১০০
لَهُمْ فِيهَا زَفِيرٌ وَهُمْ فِيهَا لَا يَسْمَعُونَ ﴿١٠٠﴾
সেখানে তারা ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদবে, সেখানে কিছুই শুনবে না। [তাইসিরুল কুরআন]

এবং জাহান্নামের অধিবাসীরা সেখানে কিছুই শুনতে পাবে না।

আল-আম্বিয়া, ২১:১০০
لَهُمْ فِيهَا زَفِيرٌ وَهُمْ فِيهَا لَا يَسْمَعُونَ ﴿١٠٠﴾
সেখানে তারা ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদবে, সেখানে কিছুই শুনবে না। [তাইসিরুল কুরআন]

সীমালঙ্ঘনকারীদের জন্য ফুটন্ত পানি ও পূঁজের মতো আরও বিভিন্ন প্রকারের শাস্তি রয়েছে।

সোয়াদ, ৩৮:৫৮
وَآخَرُ مِنْ شَكْلِهِ أَزْوَاجٌ ﴿٥٨﴾
এ ধরনের আরো অন্যান্য (শাস্তি) যা তাদের জন্য যথোপযুক্ত। [তাইসিরুল কুরআন]

অপরাধীদের থেকে জাহান্নামের শাস্তি লাঘব করা হবে না।

আয-যুখরুফ, ৪৩:৭৫
لَا يُفَتَّرُ عَنْهُمْ وَهُمْ فِيهِ مُبْلِسُونَ ﴿٧٥﴾
তাদের শাস্তি কমানো হবে না, আর তাতে তারা হতাশ হয়ে পড়বে। [তাইসিরুল কুরআন]

জাহান্নামীরা থাকবে তীব্র দহনকারী বায়ুর মধ্যে।

আল-ওয়াকিয়া, ৫৬:৪২
فِي سَمُومٍ وَحَمِيمٍ ﴿٤٢﴾
(তারা থাকবে) অত্যধিক গরম হাওয়া, ফুটন্ত পানি [তাইসিরুল কুরআন]

জাহান্নামবাসীদের জন্য থাকবে উত্তপ্ত কালো ধোঁয়ার ছায়া।

আল-ওয়াকিয়া, ৫৬:৪৩
وَظِلٍّ مِنْ يَحْمُومٍ ﴿٤٣﴾
আর কালো ধোঁয়ার ছায়ায়, [তাইসিরুল কুরআন]

জাহান্নামের কালো ধোঁয়ার সেই ছায়া শীতল নয়।

আল-ওয়াকিয়া, ৫৬:৪৪
لَا بَارِدٍ وَلَا كَرِيمٍ ﴿٤٤﴾
যা শীতলও নয়, তৃপ্তিদায়কও নয়। [তাইসিরুল কুরআন]

এবং সেই ছায়া আরামদায়কও নয়।

আল-ওয়াকিয়া, ৫৬:৪৪
لَا بَارِدٍ وَلَا كَرِيمٍ ﴿٤٤﴾
যা শীতলও নয়, তৃপ্তিদায়কও নয়। [তাইসিরুল কুরআন]

অতঃপর জাহান্নামে প্রবেশকারী হতভাগ্য ব্যক্তি সেখানে মৃত্যুবরণ করবে না।

আল-আ'লা, ৮৭:১৩
ثُمَّ لَا يَمُوتُ فِيهَا وَلَا يَحْيَا ﴿١٣﴾
অতঃপর সেখানে সে না (মরার মত) মরবে, আর না (বাঁচার মত) বাঁচবে। [তাইসিরুল কুরআন]

এবং জাহান্নামে সে (প্রকৃত অর্থে) জীবনও যাপন করবে না।

আল-আ'লা, ৮৭:১৩
ثُمَّ لَا يَمُوتُ فِيهَا وَلَا يَحْيَا ﴿١٣﴾
অতঃপর সেখানে সে না (মরার মত) মরবে, আর না (বাঁচার মত) বাঁচবে। [তাইসিরুল কুরআন]
ফন্ট সাইজ
15px
17px