বিষয়ভিত্তিক কুরআন > জাহান্নামের বিভিন্ন স্থান ও স্তর

সাউদ:

আল-মুদ্দাসসির, ৭৪:১৭
سَأُرْهِقُهُ صَعُودًا ﴿١٧﴾
শীঘ্রই আমি তাকে উঠাব শাস্তির পাহাড়ে (অর্থাৎ তাকে দিব বিপদের উপর বিপদ)। [তাইসিরুল কুরআন]

গাই:

মারইয়াম, ১৯:৫৯
فَخَلَفَ مِنْ بَعْدِهِمْ خَلْفٌ أَضَاعُوا الصَّلَاةَ وَاتَّبَعُوا الشَّهَوَاتِ فَسَوْفَ يَلْقَوْنَ غَيًّا ﴿٥٩﴾
অতঃপর তাদের পর এল অপদার্থ পরবর্তীরা, তারা নামায হারালো, আর লালসার বশবর্তী হল। তারা অচিরেই ধ্বংসের সম্মুখীন হবে। [তাইসিরুল কুরআন]

ওয়াইল:

আল-হুমাযা, ১০৪:১
وَيْلٌ لِكُلِّ هُمَزَةٍ لُمَزَةٍ ﴿١﴾
দুর্ভোগ এমন প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য যে (সামনাসামনি) মানুষের নিন্দা করে আর (অসাক্ষাতে) দুর্নাম করে, [তাইসিরুল কুরআন]

জাহান্নামের স্তর সাতটি:

আল-হিজর, ১৫:৪৩
وَإِنَّ جَهَنَّمَ لَمَوْعِدُهُمْ أَجْمَعِينَ ﴿٤٣﴾
আর তাদের সবার জন্য অবশ্যই ওয়া‘দাকৃত স্থান হচ্ছে জাহান্নাম। [তাইসিরুল কুরআন]

মুনাফিকরা জাহান্নামের সবচেয়ে নিম্নস্তরে অবস্থান করবে:

আন-নিসা, ৪:১৪৫
إِنَّ الْمُنَافِقِينَ فِي الدَّرْكِ الْأَسْفَلِ مِنَ النَّارِ وَلَنْ تَجِدَ لَهُمْ نَصِيرًا ﴿١٤٥﴾
মুনাফিকরা থাকবে জাহান্নামের সর্বনিম্ন স্তরে, তুমি তাদের জন্য কক্ষনো কোন সাহায্যকারী পাবে না। [তাইসিরুল কুরআন]

কুরআনে জাহান্নামের সাতটি স্তরের নাম রয়েছে:

কোনো আয়াত নেই।

১। জাহান্নাম :

আন-নাবা, ৭৮:২১
إِنَّ جَهَنَّمَ كَانَتْ مِرْصَادًا ﴿٢١﴾
জাহান্নাম তো ওঁৎ পেতে আছে, [তাইসিরুল কুরআন]
আন-নাবা, ৭৮:২২
لِلطَّاغِينَ مَآبًا ﴿٢٢﴾
(আর তা হল) সীমালঙ্ঘনকারীদের আশ্রয়স্থল। [তাইসিরুল কুরআন]

২। লাযা:

আল-মা'আরিজ, ৭০:১৫
كَلَّا إِنَّهَا لَظَى ﴿١٥﴾
না, কক্ষনো নয়, ওটা জ্বলন্ত অগ্নিশিখা, [তাইসিরুল কুরআন]
আল-মা'আরিজ, ৭০:১৬
نَزَّاعَةً لِلشَّوَى ﴿١٦﴾
যা চামড়া তুলে দিবে, [তাইসিরুল কুরআন]

৩। হুতামাহ:

আল-হুমাযা, ১০৪:৪
كَلَّا لَيُنْبَذَنَّ فِي الْحُطَمَةِ ﴿٤﴾
কক্ষনো না, তাকে অবশ্যই চূর্ণ-বিচূর্ণকারীর মধ্যে নিক্ষেপ করা হবে, [তাইসিরুল কুরআন]
আল-হুমাযা, ১০৪:৫
وَمَا أَدْرَاكَ مَا الْحُطَمَةُ ﴿٥﴾
তুমি কি জান চূর্ণ-বিচূর্ণকারী কী? [তাইসিরুল কুরআন]
আল-হুমাযা, ১০৪:৬
نَارُ اللَّهِ الْمُوقَدَةُ ﴿٦﴾
তা আল্লাহর প্রজ্জ্বলিত আগুন, [তাইসিরুল কুরআন]

৪। জাহীম:

আল-মুযযাম্মিল, ৭৩:১২
إِنَّ لَدَيْنَا أَنْكَالًا وَجَحِيمًا ﴿١٢﴾
আমার কাছে আছে শেকল আর দাউ দাউ করে জ্বলা আগুন, [তাইসিরুল কুরআন]

সাঈর:

আল-ইনসান, ৭৬:৪
إِنَّا أَعْتَدْنَا لِلْكَافِرِينَ سَلَاسِلَا وَأَغْلَالًا وَسَعِيرًا ﴿٤﴾
আমি (অকৃতজ্ঞ) কাফিরদের জন্য প্রস্তুত করে রেখেছি শেকল, বেড়ি আর জ্বলন্ত আগুন। [তাইসিরুল কুরআন]

৬। সাকার:

আল-মুদ্দাসসির, ৭৪:২৬
سَأُصْلِيهِ سَقَرَ ﴿٢٦﴾
শীঘ্রই আমি তাকে জাহান্নামের আগুনে নিক্ষেপ করব। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-মুদ্দাসসির, ৭৪:২৭
وَمَا أَدْرَاكَ مَا سَقَرُ ﴿٢٧﴾
তুমি কি জান জাহান্নামের আগুন কী? [তাইসিরুল কুরআন]
আল-মুদ্দাসসির, ৭৪:২৮
لَا تُبْقِي وَلَا تَذَرُ ﴿٢٨﴾
তা কাউকে জীবিতও রাখবে না, আর মৃত অবস্থায়ও ছেড়ে দেবে না। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-মুদ্দাসসির, ৭৪:২৯
لَوَّاحَةٌ لِلْبَشَرِ ﴿٢٩﴾
চামড়া ঝলসে দেবে। [তাইসিরুল কুরআন]

৭। হাভিয়া:

আল-কারি'আ, ১০১:৮
وَأَمَّا مَنْ خَفَّتْ مَوَازِينُهُ ﴿٨﴾
আর যার (সৎকর্মের) পাল্লা হালকা হবে, [তাইসিরুল কুরআন]
আল-কারি'আ, ১০১:৯
فَأُمُّهُ هَاوِيَةٌ ﴿٩﴾
(জাহান্নামের) অতলস্পর্শী গর্তই হবে তার বাসস্থান। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-কারি'আ, ১০১:১০
وَمَا أَدْرَاكَ مَا هِيَهْ ﴿١٠﴾
তুমি কি জান তা কী? [তাইসিরুল কুরআন]
আল-কারি'আ, ১০১:১১
نَارٌ حَامِيَةٌ ﴿١١﴾
জ্বলন্ত আগুন। [তাইসিরুল কুরআন]

জাহান্নামের সাতটি দরজা রয়েছে।

আল-হিজর, ১৫:৪৪
لَهَا سَبْعَةُ أَبْوَابٍ لِكُلِّ بَابٍ مِنْهُمْ جُزْءٌ مَقْسُومٌ ﴿٤٤﴾
তার সাতটা দরজা আছে। প্রত্যেক দরজার জন্য তাদের মধ্যে শ্রেণী নির্দিষ্ট আছে।’ [তাইসিরুল কুরআন]

জাহান্নামে মুখের উপর ভর দিয়ে একত্রিত ব্যক্তিরাই স্থানের দিক থেকে সর্বনিকৃষ্ট।

আল-ফুরকান, ২৫:৩৪
الَّذِينَ يُحْشَرُونَ عَلَى وُجُوهِهِمْ إِلَى جَهَنَّمَ أُولَئِكَ شَرٌّ مَكَانًا وَأَضَلُّ سَبِيلًا ﴿٣٤﴾
যাদেরকে মুখের ভরে জাহান্নামের পানে একত্রিত করা হবে, তারা মর্যাদার ক্ষেত্রে সবচেয়ে নিকৃষ্ট আর পথের দিক থেকে সবচেয়ে গুমরাহ্। [তাইসিরুল কুরআন]
ফন্ট সাইজ
15px
17px