বিষয়ভিত্তিক কুরআন > জাহান্নাম শান্তির জায়গা

জাহান্নাম হলো নিকৃষ্ট প্রত্যাবর্তনস্থল:

আল-মুলক, ৬৭:৬
وَلِلَّذِينَ كَفَرُوا بِرَبِّهِمْ عَذَابُ جَهَنَّمَ وَبِئْسَ الْمَصِيرُ ﴿٦﴾
যারা তাদের প্রতিপালককে অস্বীকার করে তাদের জন্য আছে জাহান্নামের শাস্তি; কতই না নিকৃষ্ট সে প্রত্যাবর্তনস্থল! [তাইসিরুল কুরআন]

জাহান্নামে প্রাচীর থাকবে:

আল-কাহফ, ১৮:২৯
وَقُلِ الْحَقُّ مِنْ رَبِّكُمْ فَمَنْ شَاءَ فَلْيُؤْمِنْ وَمَنْ شَاءَ فَلْيَكْفُرْ إِنَّا أَعْتَدْنَا لِلظَّالِمِينَ نَارًا أَحَاطَ بِهِمْ سُرَادِقُهَا وَإِنْ يَسْتَغِيثُوا يُغَاثُوا بِمَاءٍ كَالْمُهْلِ يَشْوِي الْوُجُوهَ بِئْسَ الشَّرَابُ وَسَاءَتْ مُرْتَفَقًا ﴿٢٩﴾
আর বলে দাও, ‘সত্য এসেছে তোমাদের রব্বের নিকট হতে, কাজেই যার ইচ্ছে ঈমান আনুক আর যার ইচ্ছে সত্যকে অস্বীকার করুক।’ আমি (অস্বীকারকারী) যালিমদের জন্য আগুন প্রস্তুত করে রেখেছি যার লেলিহান শিখা তাদেরকে ঘিরে ফেলেছে। তারা পানীয় চাইলে তাদেরকে গলিত শিশার ন্যায় পানি দেয়া হবে যা তাদের মুখমন্ডল দগ্ধ করবে, কতই না নিকৃষ্ট পানীয়! আর কতই না নিকৃষ্ট আশ্রয়স্থল! [তাইসিরুল কুরআন]

জাহান্নামে লোহার হাতুড়ি থাকবে:

আল-হজ্জ, ২২:২১
وَلَهُمْ مَقَامِعُ مِنْ حَدِيدٍ ﴿٢١﴾
উপরন্তু তাদের (শাস্তির) জন্য থাকবে লোহার মুগুর। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-হজ্জ, ২২:২২
كُلَّمَا أَرَادُوا أَنْ يَخْرُجُوا مِنْهَا مِنْ غَمٍّ أُعِيدُوا فِيهَا وَذُوقُوا عَذَابَ الْحَرِيقِ ﴿٢٢﴾
যখনই তারা যন্ত্রণার চোটে তাত্থেকে বেরিয়ে আসতে চাইবে (তখনই) তাদেরকে তার ভিতরে ফিরিয়ে দেয়া হবে, (আর বলা হবে, আগুনে) পুড়ার শাস্তি আস্বাদন কর। [তাইসিরুল কুরআন]

আর জাহান্নাম কতই না নিকৃষ্ট এক আবাসস্থল!

আল-বাকারা, ২:২০৬
وَإِذَا قِيلَ لَهُ اتَّقِ اللَّهَ أَخَذَتْهُ الْعِزَّةُ بِالْإِثْمِ فَحَسْبُهُ جَهَنَّمُ وَلَبِئْسَ الْمِهَادُ ﴿٢٠٦﴾
যখন তাকে বলা হয়, আল্লাহকে ভয় কর, তখন অহঙ্কার তাকে গুনাহর দিকে আকর্ষণ করে, জাহান্নামই তার জন্য যথেষ্ট আর তা কতই না জঘন্য আবাসস্থল! [তাইসিরুল কুরআন]

তোমরা জাহান্নামের আগুনকে ভয় কর।

আলে-ইমরান, ৩:১৩১
وَاتَّقُوا النَّارَ الَّتِي أُعِدَّتْ لِلْكَافِرِينَ ﴿١٣١﴾
ভয় কর সেই আগুনকে, যা কাফিরদের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। [তাইসিরুল কুরআন]

যে আগুন কাফিরদের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে।

আলে-ইমরান, ৩:১৩১
وَاتَّقُوا النَّارَ الَّتِي أُعِدَّتْ لِلْكَافِرِينَ ﴿١٣١﴾
ভয় কর সেই আগুনকে, যা কাফিরদের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। [তাইসিরুল কুরআন]

আর জাহান্নাম কতই না নিকৃষ্ট প্রত্যাবর্তনস্থল!

আলে-ইমরান, ৩:১৬২
أَفَمَنِ اتَّبَعَ رِضْوَانَ اللَّهِ كَمَنْ بَاءَ بِسَخَطٍ مِنَ اللَّهِ وَمَأْوَاهُ جَهَنَّمُ وَبِئْسَ الْمَصِيرُ ﴿١٦٢﴾
যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টি অনুসরণ করে, সে কি আল্লাহর আক্রোশে পতিত লোকের ন্যায় হতে পারে? তার নিবাস হল জাহান্নাম, আর তা কতই না নিকৃষ্ট প্রত্যাবর্তনস্থল! [তাইসিরুল কুরআন]

অতঃপর কাফিরদের চূড়ান্ত আশ্রয়স্থল হবে জাহান্নাম।

আলে-ইমরান, ৩:১৯৭
مَتَاعٌ قَلِيلٌ ثُمَّ مَأْوَاهُمْ جَهَنَّمُ وَبِئْسَ الْمِهَادُ ﴿١٩٧﴾
সামান্য ভোগ, তারপর জাহান্নাম তাদের আবাস, আর তা কতই না নিকৃষ্ট বিশ্রামস্থল! [তাইসিরুল কুরআন]

আর জাহান্নাম কতই না নিকৃষ্ট আবাসস্থল!

আলে-ইমরান, ৩:১৯৭
مَتَاعٌ قَلِيلٌ ثُمَّ مَأْوَاهُمْ جَهَنَّمُ وَبِئْسَ الْمِهَادُ ﴿١٩٧﴾
সামান্য ভোগ, তারপর জাহান্নাম তাদের আবাস, আর তা কতই না নিকৃষ্ট বিশ্রামস্থল! [তাইসিরুল কুরআন]

নিশ্চয়ই কাফিরদের জন্য জাহান্নামের আযাব নির্ধারিত রয়েছে।

আল-আনফাল, ৮:১৪
ذَلِكُمْ فَذُوقُوهُ وَأَنَّ لِلْكَافِرِينَ عَذَابَ النَّارِ ﴿١٤﴾
এটাই তোমাদের শাস্তি, অতএব তার স্বাদ গ্রহণ কর, কাফিরদের জন্য আছে আগুনের (জাহান্নামের) শাস্তি। [তাইসিরুল কুরআন]

জাহান্নাম হলো সেই স্থান যেখানে আল্লাহর নিয়ামতের অস্বীকারকারীরা প্রবেশ করবে।

ইবরাহীম, ১৪:২৯
جَهَنَّمَ يَصْلَوْنَهَا وَبِئْسَ الْقَرَارُ ﴿٢٩﴾
(তা হল) জাহান্নাম, তাতে তারা প্রবেশ করবে, বসবাসের এ জায়গা কতই না নিকৃষ্ট! [তাইসিরুল কুরআন]

এবং জাহান্নাম হলো নিকৃষ্টতম আবাসস্থল।

ইবরাহীম, ১৪:২৯
جَهَنَّمَ يَصْلَوْنَهَا وَبِئْسَ الْقَرَارُ ﴿٢٩﴾
(তা হল) জাহান্নাম, তাতে তারা প্রবেশ করবে, বসবাসের এ জায়গা কতই না নিকৃষ্ট! [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ কাফিরদের জন্য জাহান্নামকে কারাগার বানিয়েছেন।

আল-ইসরা, ১৭:৮
عَسَى رَبُّكُمْ أَنْ يَرْحَمَكُمْ وَإِنْ عُدْتُمْ عُدْنَا وَجَعَلْنَا جَهَنَّمَ لِلْكَافِرِينَ حَصِيرًا ﴿٨﴾
(এরপরও) হয়তো তোমাদের প্রতিপালক তোমাদের প্রতি দয়া করবেন, কিন্তু যদি তোমরা (তোমাদের পূর্বকৃত পাপের) পুনরাবৃত্তি কর, তবে আমিও (পূর্বে দেয়া শাস্তির) পুনরাবৃত্তি করব। ঈমান প্রত্যাখ্যানকারীদের জন্য আমি জাহান্নামকে কারাগার বানিয়ে রেখেছি। [তাইসিরুল কুরআন]

পথভ্রষ্টদের জন্য জাহান্নামকে সুস্পষ্টভাবে প্রকাশ করা হবে।

আশ-শুআ'রা, ২৬:৯১
وَبُرِّزَتِ الْجَحِيمُ لِلْغَاوِينَ ﴿٩١﴾
এবং পথভ্রষ্টদের সম্মুখে জাহান্নামকে উন্মোচিত করা হবে। [তাইসিরুল কুরআন]

সেদিন আল্লাহ কাফিরদের সামনে জাহান্নামকে সুস্পষ্টভাবে উপস্থিত করবেন।

আল-কাহফ, ১৮:১০০
وَعَرَضْنَا جَهَنَّمَ يَوْمَئِذٍ لِلْكَافِرِينَ عَرْضًا ﴿١٠٠﴾
আমি সেদিন জাহান্নামকে কাফিরদের জন্য সরাসরি হাযির করব। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ কিয়ামতের দিন এই বিভ্রান্তকারীকে জ্বলন্ত আগুনের শাস্তি আস্বাদন করাবেন।

আল-হজ্জ, ২২:৯
ثَانِيَ عِطْفِهِ لِيُضِلَّ عَنْ سَبِيلِ اللَّهِ لَهُ فِي الدُّنْيَا خِزْيٌ وَنُذِيقُهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ عَذَابَ الْحَرِيقِ ﴿٩﴾
(বিতর্ক করে অবজ্ঞাভরে) ঘাড় বাঁকিয়ে (লোকেদেরকে) আল্লাহর পথ থেকে বিচ্যুত করার উদ্দেশে। তার জন্য আছে লাঞ্ছনা এ দুনিয়াতে, আর কিয়ামাতের দিন তাকে আস্বাদন করাব (অগ্নির) দহন যন্ত্রণা। [তাইসিরুল কুরআন]

কাফিরদের চূড়ান্ত আশ্রয়স্থল হলো জাহান্নামের আগুন।

আন-নূর, ২৪:৫৭
لَا تَحْسَبَنَّ الَّذِينَ كَفَرُوا مُعْجِزِينَ فِي الْأَرْضِ وَمَأْوَاهُمُ النَّارُ وَلَبِئْسَ الْمَصِيرُ ﴿٥٧﴾
তুমি কাফিরদেরকে এমন মনে কর না যে, তারা পৃথিবীতে আল্লাহর ইচ্ছেকে পরাভূত করার ক্ষমতা রাখে, তাদের বাসস্থান হল আগুন; কতই না নিকৃষ্ট আশ্রয়স্থল! [তাইসিরুল কুরআন]

জাহান্নাম হলো একটি অতি নিকৃষ্ট প্রত্যাবর্তনস্থল।

আন-নূর, ২৪:৫৭
لَا تَحْسَبَنَّ الَّذِينَ كَفَرُوا مُعْجِزِينَ فِي الْأَرْضِ وَمَأْوَاهُمُ النَّارُ وَلَبِئْسَ الْمَصِيرُ ﴿٥٧﴾
তুমি কাফিরদেরকে এমন মনে কর না যে, তারা পৃথিবীতে আল্লাহর ইচ্ছেকে পরাভূত করার ক্ষমতা রাখে, তাদের বাসস্থান হল আগুন; কতই না নিকৃষ্ট আশ্রয়স্থল! [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ অবশ্যই জিন ও মানুষ উভয়কে দিয়ে একত্রে জাহান্নাম পরিপূর্ণ করবেন।

আস-সাজদাহ, ৩২:১৩
وَلَوْ شِئْنَا لَآتَيْنَا كُلَّ نَفْسٍ هُدَاهَا وَلَكِنْ حَقَّ الْقَوْلُ مِنِّي لَأَمْلَأَنَّ جَهَنَّمَ مِنَ الْجِنَّةِ وَالنَّاسِ أَجْمَعِينَ ﴿١٣﴾
আমি যদি ইচ্ছে করতাম তাহলে প্রত্যেক ব্যক্তিকে সৎ পথে পরিচালিত করতাম। কিন্তু আমার (এ) কথা অবশ্যই সত্য প্রতিপন্ন হবেঃ আমি নিশ্চয়ই জাহান্নামকে জ্বিন ও মানুষ মিলিয়ে পূর্ণ করব। [তাইসিরুল কুরআন]

অতঃপর জাহান্নামীদের প্রত্যাবর্তনস্থল হবে অবশ্যই প্রজ্বলিত জাহান্নাম।

আস-সাফফাত, ৩৭:৬৮
ثُمَّ إِنَّ مَرْجِعَهُمْ لَإِلَى الْجَحِيمِ ﴿٦٨﴾
অতঃপর তাদের প্রত্যাবর্তন হবে জ্বলন্ত আগুনের দিকে। [তাইসিরুল কুরআন]

এবং নিশ্চয়ই সীমালঙ্ঘনকারীদের জন্য রয়েছে নিকৃষ্ট প্রত্যাবর্তনস্থল।

সোয়াদ, ৩৮:৫৫
هَذَا وَإِنَّ لِلطَّاغِينَ لَشَرَّ مَآبٍ ﴿٥٥﴾
সত্য বটে, এ সব (মুত্তাক্বীদের জন্য); আর আল্লাহদ্রোহীদের জন্য অবশ্যই আছে নিকৃষ্ট প্রত্যাবর্তনস্থল। [তাইসিরুল কুরআন]

জাহান্নাম হলো একটি অতি নিকৃষ্ট বিশ্রামস্থল।

সোয়াদ, ৩৮:৫৬
جَهَنَّمَ يَصْلَوْنَهَا فَبِئْسَ الْمِهَادُ ﴿٥٦﴾
জাহান্নাম, সেখানে তারা জ্বলবে, কতই না নিকৃষ্ট বিশ্রামস্থল! [তাইসিরুল কুরআন]

জিন ও মানুষের প্রতি অগ্নিশিখা এবং ধুম্রপুঞ্জ নিক্ষেপ করা হবে।

আর-রাহমান, ৫৫:৩৫
يُرْسَلُ عَلَيْكُمَا شُوَاظٌ مِنْ نَارٍ وَنُحَاسٌ فَلَا تَنْتَصِرَانِ ﴿٣٥﴾
(অতিক্রম করতে চাইলে) তোমাদের দিকে আগুনের শিখা ও ধোঁয়া ছেড়ে দেয়া হবে, তখন তোমরা তা প্রতিরোধ করতে পারবে না। [তাইসিরুল কুরআন]

অপরাধীরা জাহান্নাম এবং টগবগে ফুটন্ত পানির মধ্যে ছোটাছুটি করবে।

আর-রাহমান, ৫৫:৪৪
يَطُوفُونَ بَيْنَهَا وَبَيْنَ حَمِيمٍ آنٍ ﴿٤٤﴾
সেই জাহান্নাম আর ফুটন্ত পানিতে তারা ঘুরপাক খেতে থাকবে। [তাইসিরুল কুরআন]

জাহান্নাম কতই না নিকৃষ্ট এক প্রত্যাবর্তনস্থল।

আল-মুজাদালা, ৫৮:৮
أَلَمْ تَرَ إِلَى الَّذِينَ نُهُوا عَنِ النَّجْوَى ثُمَّ يَعُودُونَ لِمَا نُهُوا عَنْهُ وَيَتَنَاجَوْنَ بِالْإِثْمِ وَالْعُدْوَانِ وَمَعْصِيَةِ الرَّسُولِ وَإِذَا جَاءُوكَ حَيَّوْكَ بِمَا لَمْ يُحَيِّكَ بِهِ اللَّهُ وَيَقُولُونَ فِي أَنْفُسِهِمْ لَوْلَا يُعَذِّبُنَا اللَّهُ بِمَا نَقُولُ حَسْبُهُمْ جَهَنَّمُ يَصْلَوْنَهَا فَبِئْسَ الْمَصِيرُ ﴿٨﴾
তুমি কি তাদেরকে দেখনি যাদেরকে গোপন পরামর্শ করতে নিষেধ করা হয়েছিল, অতঃপর তারা আবার তাই করল যা করতে তাদেরকে নিষেধ করা হয়েছিল, তারা গোপনে পরামর্শ করল পাপাচার, সীমালঙ্ঘন আর রসূলকে অমান্য করা নিয়ে। তারা যখন তোমার কাছে আসে তখন তারা তোমাকে এমনভাবে সম্ভাষণ করে যেমনভাবে আল্লাহ তোমাকে সম্ভাষণ করেননি। তারা মনে মনে বলে- ‘আমরা যা বলি তার জন্য আল্লাহ আমাদেরকে ‘আযাব দেন না কেন? জাহান্নামই তাদের জন্য যথেষ্ট, তাতে তারা জ্বলবে, কতই না নিকৃষ্ট সেই গন্তব্যস্থল! [তাইসিরুল কুরআন]

জাহান্নাম একটি অতি নিকৃষ্ট প্রত্যাবর্তনস্থল।

আত-তাগাবুন, ৬৪:১০
وَالَّذِينَ كَفَرُوا وَكَذَّبُوا بِآيَاتِنَا أُولَئِكَ أَصْحَابُ النَّارِ خَالِدِينَ فِيهَا وَبِئْسَ الْمَصِيرُ ﴿١٠﴾
আর যারা কুফুরী করে আর আমার নিদর্শনগুলোকে অস্বীকার করে, তারাই জাহান্নামের অধিবাসী, তাতে তারা চিরকাল থাকবে। কতই না নিকৃষ্ট প্রত্যাবর্তনস্থল! [তাইসিরুল কুরআন]

নিশ্চয়ই সাকার (জাহান্নাম) এক অন্যতম মহাবিপর্যয়।

আল-মুদ্দাসসির, ৭৪:৩৫
إِنَّهَا لَإِحْدَى الْكُبَرِ ﴿٣٥﴾
এই জাহান্নাম বড় বড় বিপদগুলোর একটি, [তাইসিরুল কুরআন]

কাফিরদেরকে তিন শাখাবিশিষ্ট ছায়ার দিকে যেতে বলা হবে।

আল-মুরসালাত, ৭৭:৩০
انْطَلِقُوا إِلَى ظِلٍّ ذِي ثَلَاثِ شُعَبٍ ﴿٣٠﴾
‘চলো সেই (ধোঁয়ার) ছায়ার দিকে যার আছে তিনটি শাখা (অর্থাৎ ডানে, বামে, উপরে সব দিক থেকেই ঘিরে ধরবে), [তাইসিরুল কুরআন]

জাহান্নামের ধোঁয়ার ছায়া শীতল বা আরামদায়ক নয়।

আল-মুরসালাত, ৭৭:৩১
لَا ظَلِيلٍ وَلَا يُغْنِي مِنَ اللَّهَبِ ﴿٣١﴾
যা শীতল নয়, আর তা লেলিহান অগ্নিশিখা থেকে বাঁচাতেও পারবে না। [তাইসিরুল কুরআন]

জাহান্নামের ধোঁয়ার ছায়া আগুনের লেলিহান শিখা থেকে রক্ষা করে না।

আল-মুরসালাত, ৭৭:৩১
لَا ظَلِيلٍ وَلَا يُغْنِي مِنَ اللَّهَبِ ﴿٣١﴾
যা শীতল নয়, আর তা লেলিহান অগ্নিশিখা থেকে বাঁচাতেও পারবে না। [তাইসিরুল কুরআন]
ফন্ট সাইজ
15px
17px