বিষয়ভিত্তিক কুরআন > জান্নাতীদের সকল বাসনা পূর্ণ হবে
জান্নাতীরা আল্লাহর সকল নিয়ামত গ্রহণ করবে:
আয-যারিয়াত, ৫১:১৫ ⋮
إِنَّ الْمُتَّقِينَ فِي جَنَّاتٍ وَعُيُونٍ ﴿١٥﴾
মুত্তাকীরা থাকবে জান্নাত আর ঝর্ণাধারার মাঝে। [তাইসিরুল কুরআন]
আয-যারিয়াত, ৫১:১৬ ⋮
آخِذِينَ مَا آتَاهُمْ رَبُّهُمْ إِنَّهُمْ كَانُوا قَبْلَ ذَلِكَ مُحْسِنِينَ ﴿١٦﴾
তাদের প্রতিপালক যা তাদেরকে দিবেন তা তারা ভোগ করবে, কারণ তারা পূর্বে (দুনিয়ার জীবনে) ছিল সৎকর্মশীল, [তাইসিরুল কুরআন]
মন যা চাইবে সবই জান্নাতে পাওয়া যাবে:
হা-মীম আস-সাজদা, ৪১:৩১ ⋮
نَحْنُ أَوْلِيَاؤُكُمْ فِي الْحَيَاةِ الدُّنْيَا وَفِي الْآخِرَةِ وَلَكُمْ فِيهَا مَا تَشْتَهِي أَنْفُسُكُمْ وَلَكُمْ فِيهَا مَا تَدَّعُونَ ﴿٣١﴾
পার্থিব জীবনে আর আখিরাতে আমরাই তোমাদের সঙ্গী-সাথী। আর সেখানে (অর্থাৎ জান্নাতে) তোমাদের জন্য তোমাদের মন যা চায় তা-ই আছে; তোমরা যে জিনিসের আকাঙ্ক্ষা কর, তোমাদের জন্য সেখানে তা-ই আছে [তাইসিরুল কুরআন]
আয-যুখরুফ, ৪৩:৭১ ⋮
يُطَافُ عَلَيْهِمْ بِصِحَافٍ مِنْ ذَهَبٍ وَأَكْوَابٍ وَفِيهَا مَا تَشْتَهِيهِ الْأَنْفُسُ وَتَلَذُّ الْأَعْيُنُ وَأَنْتُمْ فِيهَا خَالِدُونَ ﴿٧١﴾
তাদের কাছে চক্রাকারে পরিবেশন করা হবে স্বর্ণের থালা ও পান পাত্র। সেখানে তা-ই আছে মন যা চাইবে, আর চোখ যাতে তৃপ্ত হবে। তোমরা তাতে চিরকাল থাকবে। [তাইসিরুল কুরআন]
আয-যুমার, ৩৯:৩৪ ⋮
لَهُمْ مَا يَشَاءُونَ عِنْدَ رَبِّهِمْ ذَلِكَ جَزَاءُ الْمُحْسِنِينَ ﴿٣٤﴾
তাদের জন্য তাদের প্রতিপালকের নিকট আছে যা তারা ইচ্ছে করবে। তা-ই হল সৎকর্মশীলদের প্রতিদান। [তাইসিরুল কুরআন]
জান্নাতের রিযিক কখনো শেষ হবে না:
সোয়াদ, ৩৮:৫৪ ⋮
إِنَّ هَذَا لَرِزْقُنَا مَا لَهُ مِنْ نَفَادٍ ﴿٥٤﴾
এ হল আমার দেয়া রিযক- যা কক্ষনো ফুরাবে না। [তাইসিরুল কুরআন]
জান্নাত থেকে কেউ বের হতে চাইবে না।
আল-কাহফ, ১৮:১০৭ ⋮
إِنَّ الَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ كَانَتْ لَهُمْ جَنَّاتُ الْفِرْدَوْسِ نُزُلًا ﴿١٠٧﴾
যারা ঈমান আনে আর সৎকাজ করে তাদের আপ্যায়নের জন্য আছে ফিরদাউসের বাগান। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-কাহফ, ১৮:১০৮ ⋮
خَالِدِينَ فِيهَا لَا يَبْغُونَ عَنْهَا حِوَلًا ﴿١٠٨﴾
সেখানে তারা স্থায়ী হয়ে থাকবে, সেখান থেকে বের হয়ে আর অন্যত্র যেতে চাইবে না। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-হিজর, ১৫:৪৮ ⋮
لَا يَمَسُّهُمْ فِيهَا نَصَبٌ وَمَا هُمْ مِنْهَا بِمُخْرَجِينَ ﴿٤٨﴾
কোন ক্লান্তি তাদেরকে স্পর্শ করবে না, আর সেখান থেকে তারা কখনও বহিষ্কৃতও হবে না। [তাইসিরুল কুরআন]
জান্নাতে দুঃখ-কষ্টের কিছুই থাকবে না:
ফাতির, ৩৫:৩৫ ⋮
الَّذِي أَحَلَّنَا دَارَ الْمُقَامَةِ مِنْ فَضْلِهِ لَا يَمَسُّنَا فِيهَا نَصَبٌ وَلَا يَمَسُّنَا فِيهَا لُغُوبٌ ﴿٣٥﴾
যিনি স্বীয় অনুগ্রহে আমাদেরকে স্থায়ী আবাস দান করেছেন। সেখানে ক্লেশ আমাদেরকে স্পর্শ করে না, ক্লান্তিও আমাদেরকে স্পর্শ করে না। [তাইসিরুল কুরআন]
গরম ও ঠাণ্ডা কোনটাই থাকবে না:
আল-ইনসান, ৭৬:১৩ ⋮
مُتَّكِئِينَ فِيهَا عَلَى الْأَرَائِكِ لَا يَرَوْنَ فِيهَا شَمْسًا وَلَا زَمْهَرِيرًا ﴿١٣﴾
সেখানে তারা উচ্চ আসনগুলোতে হেলান দিয়ে বসবে, সেখানে তারা দেখবে না অতি গরম, আর অতি শীত। [তাইসিরুল কুরআন]
জান্নাতে অনর্থক বা পাপাচারমূলক কথা শোনা যাবে না:
আল-গাশিয়া, ৮৮:১১ ⋮
لَا تَسْمَعُ فِيهَا لَاغِيَةً ﴿١١﴾
সেখানে শুনবে না কোন অনর্থক কথাবার্তা, [তাইসিরুল কুরআন]
আল-ওয়াকিয়া, ৫৬:২৫ ⋮
لَا يَسْمَعُونَ فِيهَا لَغْوًا وَلَا تَأْثِيمًا ﴿٢٥﴾
সেখানে তারা শুনবে না কোন অনর্থক কথাবার্তা, আর পাপের বুলি, [তাইসিরুল কুরআন]
আল-ওয়াকিয়া, ৫৬:২৬ ⋮
إِلَّا قِيلًا سَلَامًا سَلَامًا ﴿٢٦﴾
এমন কথা ছাড়া যা হবে শান্তিময়, নিরাপদ, [তাইসিরুল কুরআন]
সালা জান্নাতে মিথ্যা কথা শোনা যাবে না:
আন-নাবা, ৭৮:৩৫ ⋮
لَا يَسْمَعُونَ فِيهَا لَغْوًا وَلَا كِذَّابًا ﴿٣٥﴾
সেখানে তারা শুনবে না অসার অর্থহীন আর মিথ্যে কথা, [তাইসিরুল কুরআন]
জান্নাতীরা জাহান্নামের গর্জন শুনতে পাবে না:
আল-আম্বিয়া, ২১:১০২ ⋮
لَا يَسْمَعُونَ حَسِيسَهَا وَهُمْ فِي مَا اشْتَهَتْ أَنْفُسُهُمْ خَالِدُونَ ﴿١٠٢﴾
তারা জাহান্নামের ক্ষীণতম শব্দও শুনবে না, আর তারা তাদের মনের বাসনা অনুযায়ী চিরকাল বসবাস করবে। [তাইসিরুল কুরআন]
মুত্তাকিগণ সেই জান্নাতে যা ইচ্ছা করবে, তাই পাবে।
আন-নাহাল, ১৬:৩১ ⋮
جَنَّاتُ عَدْنٍ يَدْخُلُونَهَا تَجْرِي مِنْ تَحْتِهَا الْأَنْهَارُ لَهُمْ فِيهَا مَا يَشَاءُونَ كَذَلِكَ يَجْزِي اللَّهُ الْمُتَّقِينَ ﴿٣١﴾
(তা হল) স্থায়ী জান্নাত যাতে তারা প্রবেশ করবে, তার নিম্নদেশ দিয়ে ঝর্ণাধারা প্রবাহিত, তারা যা ইচ্ছে করবে সেখানে তাদের জন্য তা-ই আছে- আল্লাহ মুত্তাকীদেরকে এভাবেই পুরস্কৃত করেন। [তাইসিরুল কুরআন]
জান্নাতে মুত্তাকিদের জন্য তাদের আকাঙ্ক্ষিত সবকিছুই থাকবে।
আল-ফুরকান, ২৫:১৬ ⋮
لَهُمْ فِيهَا مَا يَشَاءُونَ خَالِدِينَ كَانَ عَلَى رَبِّكَ وَعْدًا مَسْئُولًا ﴿١٦﴾
সেখানে তাদের জন্য তা-ই থাকবে যা তারা ইচ্ছে করবে। সেখানে তারা চিরকাল থাকবে। এটা একটা ওয়াদা যা পূরণ করা তোমার প্রতিপালকের দায়িত্ব। [তাইসিরুল কুরআন]