বিষয়ভিত্তিক কুরআন > জান্নাতীদের বিভিন্ন দল এবং কাতার
الْمُقَرَّبِينَ )মুকারাবীন) নৈকট্যপ্রাপ্ত:
আল-ওয়াকিয়া, ৫৬:৮৮ ⋮
فَأَمَّا إِنْ كَانَ مِنَ الْمُقَرَّبِينَ ﴿٨٨﴾
অতএব সে যদি (আল্লাহর) নৈকট্য প্রাপ্তদের একজন হয় [তাইসিরুল কুরআন]
আল-ওয়াকিয়া, ৫৬:৮৯ ⋮
فَرَوْحٌ وَرَيْحَانٌ وَجَنَّةُ نَعِيمٍ ﴿٨٩﴾
তাহলে (তার জন্য আছে) আরাম-শান্তি, উত্তম রিযক আর নি‘মাতে-ভরা জান্নাত। [তাইসিরুল কুরআন]
أَصْحَابِ التمنيا )আসহাবুল ইয়ামীন) ডানপন্থী :
আল-ওয়াকিয়া, ৫৬:৯০ ⋮
وَأَمَّا إِنْ كَانَ مِنْ أَصْحَابِ الْيَمِينِ ﴿٩٠﴾
আর যদি সে ডান দিকের একজন হয় [তাইসিরুল কুরআন]
আল-ওয়াকিয়া, ৫৬:৯১ ⋮
فَسَلَامٌ لَكَ مِنْ أَصْحَابِ الْيَمِينِ ﴿٩١﴾
তাহলে হে ডানের বাসিন্দা! তোমার জন্য আছে শান্তি ও নিরাপত্তা। [তাইসিরুল কুরআন]
জান্নাতীদের তীদের সামনে নূর চমকাতে থাকবে:
আল-হাদীদ, ৫৭:১২ ⋮
يَوْمَ تَرَى الْمُؤْمِنِينَ وَالْمُؤْمِنَاتِ يَسْعَى نُورُهُمْ بَيْنَ أَيْدِيهِمْ وَبِأَيْمَانِهِمْ بُشْرَاكُمُ الْيَوْمَ جَنَّاتٌ تَجْرِي مِنْ تَحْتِهَا الْأَنْهَارُ خَالِدِينَ فِيهَا ذَلِكَ هُوَ الْفَوْزُ الْعَظِيمُ ﴿١٢﴾
সে দিন তুমি মু’মিন ও মু’মিনাদের দেখবে, তাদের সামনে আর তাদের ডানে তাদের জ্যোতি ছুটতে থাকবে। (তাদেরকে বলা হবে) ‘আজ তোমাদের জন্য জান্নাতের সুসংবাদ যার নীচ দিয়ে ঝর্ণাধারা প্রবাহিত, তাতে (তোমরা) চিরকাল থাকবে। এটাই হল বিরাট সফলতা। [তাইসিরুল কুরআন]
জান্নাতকে নিকটবর্তী করা হবে:
কাফ, ৫০:৩১ ⋮
وَأُزْلِفَتِ الْجَنَّةَ لِلْمُتَّقِينَ غَيْرَ بَعِيدٍ ﴿٣١﴾
মুত্তাক্বীদের জন্য জান্নাতকে নিকটে আনা হবে- তা মোটেই দূরে থাকবে না। [তাইসিরুল কুরআন]
কাফ, ৫০:৩২ ⋮
هَذَا مَا تُوعَدُونَ لِكُلِّ أَوَّابٍ حَفِيظٍ ﴿٣٢﴾
(বলা হবে) ‘এ হল তাই যার ও‘য়াদা তোমাদেরকে দেয়া হয়েছিল- প্রত্যেক আল্লাহ অভিমুখী ও (গুনাহ থেকে) খুব বেশি হিফাযাতকারীর জন্য। [তাইসিরুল কুরআন]
তাদের জন্য জান্নাতের দরজা খোলা থাকবে:
সোয়াদ, ৩৮:৪৯ ⋮
هَذَا ذِكْرٌ وَإِنَّ لِلْمُتَّقِينَ لَحُسْنَ مَآبٍ ﴿٤٩﴾
এ হচ্ছে স্মৃতিচারণ, মুত্তাক্বীদের জন্য অবশ্যই আছে উত্তম প্রত্যাবর্তন স্থল। [তাইসিরুল কুরআন]
সোয়াদ, ৩৮:৫০ ⋮
جَنَّاتِ عَدْنٍ مُفَتَّحَةً لَهُمُ الْأَبْوَابُ ﴿٥٠﴾
চিরস্থায়ী জান্নাত, তাদের জন্য উন্মুক্ত দ্বার। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ তাআলা জান্নাতে প্রবেশ করার জন্য আদেশ করবেন:
আল-ফাজর, ৮৯:২৭ ⋮
يَا أَيَّتُهَا النَّفْسُ الْمُطْمَئِنَّةُ ﴿٢٧﴾
(অপর দিকে নেককার লোককে বলা হবে) হে প্রশান্ত আত্মা! [তাইসিরুল কুরআন]
আল-ফাজর, ৮৯:২৮ ⋮
ارْجِعِي إِلَى رَبِّكِ رَاضِيَةً مَرْضِيَّةً ﴿٢٨﴾
তোমার রব-এর দিকে ফিরে এসো সন্তুষ্ট হয়ে এবং (তোমার রব-এর) সন্তুষ্টির পাত্র হয়ে। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-ফাজর, ৮৯:২৯ ⋮
فَادْخُلِي فِي عِبَادِي ﴿٢٩﴾
অতঃপর আমার (নেক) বান্দাহদের মধ্যে শামিল হও [তাইসিরুল কুরআন]
আল-ফাজর, ৮৯:৩০ ⋮
وَادْخُلِي جَنَّتِي ﴿٣٠﴾
আর আমার জান্নাতে প্রবেশ কর। [তাইসিরুল কুরআন]
আয-যুখরুফ, ৪৩:৬৮ ⋮
يَا عِبَادِ لَا خَوْفٌ عَلَيْكُمُ الْيَوْمَ وَلَا أَنْتُمْ تَحْزَنُونَ ﴿٦٨﴾
(মুত্তাকীদেরকে বলা হবে) হে আমার বান্দাগণ! আজ তোমাদের কোন ভয় নেই আর তোমরা দুঃখিতও হবে না- [তাইসিরুল কুরআন]
আয-যুখরুফ, ৪৩:৬৯ ⋮
الَّذِينَ آمَنُوا بِآيَاتِنَا وَكَانُوا مُسْلِمِينَ ﴿٦٩﴾
তোমরা যারা আমার আয়াতসমূহে বিশ্বাস করেছিলে এবং অনুগত ছিলে। [তাইসিরুল কুরআন]
আয-যুখরুফ, ৪৩:৭০ ⋮
ادْخُلُوا الْجَنَّةَ أَنْتُمْ وَأَزْوَاجُكُمْ تُحْبَرُونَ ﴿٧٠﴾
সানন্দে জান্নাতে প্রবেশ কর তোমরা আর তোমাদের স্ত্রীরা। [তাইসিরুল কুরআন]
কল্যাণ ও ঈমানের পথে অগ্রগামীরাই হবেন আল্লাহর নৈকট্যপ্রাপ্ত।
আল-ওয়াকিয়া, ৫৬:১১ ⋮
أُولَئِكَ الْمُقَرَّبُونَ ﴿١١﴾
তারাই (আল্লাহর) নৈকট্যপ্রাপ্ত [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহর নৈকট্যপ্রাপ্ত অগ্রবর্তীগণের একটি বড় দল হবে পূর্ববর্তীদের মধ্য থেকে।
আল-ওয়াকিয়া, ৫৬:১৩ ⋮
ثُلَّةٌ مِنَ الْأَوَّلِينَ ﴿١٣﴾
পূর্ববর্তীদের মধ্য হতে বহু সংখ্যক। [তাইসিরুল কুরআন]
অগ্রবর্তীদের একটি ক্ষুদ্র দল হবে পরবর্তী প্রজন্মের অন্তর্ভুক্ত।
আল-ওয়াকিয়া, ৫৬:১৪ ⋮
وَقَلِيلٌ مِنَ الْآخِرِينَ ﴿١٤﴾
আর পরবর্তীদের মধ্য হতে কম সংখ্যক। [তাইসিরুল কুরআন]
ডানপন্থী বা আসহাবুল ইয়ামিনের একটি বিরাট দল হবে পূর্ববর্তীগণের মধ্য থেকে।
আল-ওয়াকিয়া, ৫৬:৩৯ ⋮
ثُلَّةٌ مِنَ الْأَوَّلِينَ ﴿٣٩﴾
(যারা হবে) পূর্ববর্তীদের মধ্য হতে বহু সংখ্যক [তাইসিরুল কুরআন]
ডানপন্থী জান্নাতীদের একটি বিরাট দল হবে পরবর্তীদের মধ্য থেকে।
আল-ওয়াকিয়া, ৫৬:৪০ ⋮
وَثُلَّةٌ مِنَ الْآخِرِينَ ﴿٤٠﴾
আর পরবর্তীদের মধ্য থেকে বহুসংখ্যক [তাইসিরুল কুরআন]
এবং (কিয়ামতের দিন) জান্নাতকে নিকটবর্তী করা হবে।
আত-তাকবীর, ৮১:১৩ ⋮
وَإِذَا الْجَنَّةُ أُزْلِفَتْ ﴿١٣﴾
আর জান্নাতকে নিকটে আনা হবে, [তাইসিরুল কুরআন]