বিষয়ভিত্তিক কুরআন > জান্নাতের রমণী এবং তাদের বৈশিষ্ট্য
জান্নাতীরা নিজেদের সঙ্গিনী পাবে:
আন-নিসা, ৪:৫৭ ⋮
وَالَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ سَنُدْخِلُهُمْ جَنَّاتٍ تَجْرِي مِنْ تَحْتِهَا الْأَنْهَارُ خَالِدِينَ فِيهَا أَبَدًا لَهُمْ فِيهَا أَزْوَاجٌ مُطَهَّرَةٌ وَنُدْخِلُهُمْ ظِلًّا ظَلِيلًا ﴿٥٧﴾
যারা ঈমান এনেছে এবং সৎকাজ করেছে নিশ্চয়ই আমি তাদেরকে জান্নাতে দাখিল করব যার নিম্নে ঝর্ণাধারা প্রবাহিত, সেখানে তারা চিরবাসী হবে, তাতে তাদের জন্য থাকবে পবিত্র স্ত্রী এবং আমি তাদেরকে চির স্নিগ্ধ ঘন ছায়ায় দাখিল করব। [তাইসিরুল কুরআন]
হুরদের সাথে জান্নাতীদের বিয়ে হবে:
আদ-দুখান, ৪৪:৫৪ ⋮
كَذَلِكَ وَزَوَّجْنَاهُمْ بِحُورٍ عِينٍ ﴿٥٤﴾
এ রকমই হবে, আর তাদের বিয়ে দিয়ে দেব ডাগর ডাগর সুন্দর উজ্জ্বল চোখওয়ালা কুমারীদের (হুরদের) সাথে। [তাইসিরুল কুরআন]
১। জান্নাতী নারীরা হবে পবিত্র:
আল-বাকারা, ২:২৫ ⋮
وَبَشِّرِ الَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ أَنَّ لَهُمْ جَنَّاتٍ تَجْرِي مِنْ تَحْتِهَا الْأَنْهَارُ كُلَّمَا رُزِقُوا مِنْهَا مِنْ ثَمَرَةٍ رِزْقًا قَالُوا هَذَا الَّذِي رُزِقْنَا مِنْ قَبْلُ وَأُتُوا بِهِ مُتَشَابِهًا وَلَهُمْ فِيهَا أَزْوَاجٌ مُطَهَّرَةٌ وَهُمْ فِيهَا خَالِدُونَ ﴿٢٥﴾
যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে তাদেরকে সুসংবাদ দাও যে, তাদের জন্য আছে জান্নাত, যার নিম্নদেশে নদীসমূহ প্রবাহিত। তাদেরকে যখনই ফলমূল খেতে দেয়া হবে, তখনই তারা বলবে, আমাদেরকে পূর্বে জীবিকা হিসেবে যা দেয়া হতো, এতো তারই মতো। একই রকম ফল তাদেরকে দেয়া হবে এবং সেখানে রয়েছে তাদের জন্য পবিত্র সঙ্গিণী, তারা সেখানে চিরস্থায়ী হবে। [তাইসিরুল কুরআন]
২। জান্নাতী নারীরা হবে কুমারী ও যুবতী:
আল-ওয়াকিয়া, ৫৬:৩৫ ⋮
إِنَّا أَنْشَأْنَاهُنَّ إِنْشَاءً ﴿٣٥﴾
তাদেরকে (অর্থাৎ ঐ হুরদেরকে) আমি সৃষ্টি করেছি এক অভিনব সৃষ্টিতে, [তাইসিরুল কুরআন]
আল-ওয়াকিয়া, ৫৬:৩৬ ⋮
فَجَعَلْنَاهُنَّ أَبْكَارًا ﴿٣٦﴾
আর তাদেরকে করেছি কুমারী, [তাইসিরুল কুরআন]
৩। তারা হবে সমবয়স্কা:
আন-নাবা, ৭৮:৩৩ ⋮
وَكَوَاعِبَ أَتْرَابًا ﴿٣٣﴾
আর সমবয়স্কা নব্য যুবতী [তাইসিরুল কুরআন]
৪। তারা হবে সোহাগিনী:
আল-ওয়াকিয়া, ৫৬:৩৭ ⋮
عُرُبًا أَتْرَابًا ﴿٣٧﴾
স্বামী ভক্তা, অনুরক্তা আর সমবয়স্কা, [তাইসিরুল কুরআন]
৫। তারা হবে দৃষ্টি সংরক্ষণকারিণী:
আস-সাফফাত, ৩৭:৪৮ ⋮
وَعِنْدَهُمْ قَاصِرَاتُ الطَّرْفِ عِينٌ ﴿٤٨﴾
তাদের কাছে থাকবে সংযত নয়না, সতী সাধ্বী, ডাগর ডাগর সুন্দর চক্ষু বিশিষ্টা সুন্দরীরা (হুরগণ)। [তাইসিরুল কুরআন]
৫। তারা হবে চরিত্রবান:
আর-রাহমান, ৫৫:৭০ ⋮
فِيهِنَّ خَيْرَاتٌ حِسَانٌ ﴿٧٠﴾
তাতে আছে উত্তম স্বভাব চরিত্রের সুন্দরী (কুমারী)রা। [তাইসিরুল কুরআন]
৬। তাদেরকে কেউ স্পর্শ করেনি:
আর-রাহমান, ৫৫:৭৪ ⋮
لَمْ يَطْمِثْهُنَّ إِنْسٌ قَبْلَهُمْ وَلَا جَانٌّ ﴿٧٤﴾
পূর্বে যাদেরকে স্পর্শ কোন মানুষেও করেনি, কোন জ্বিনেও করেনি। [তাইসিরুল কুরআন]
৭। তারা তাঁবুতে সংরক্ষিত থাকবে:
আর-রাহমান, ৫৫:৭২ ⋮
حُورٌ مَقْصُورَاتٌ فِي الْخِيَامِ ﴿٧٢﴾
(সুসজ্জিত) প্যাভিলিয়নে সুরক্ষিত থাকবে সুলোচনা সুন্দরীরা। [তাইসিরুল কুরআন]
৮। জান্নাতী নারীদেরকে হিরা, মণিমুক্তা ও ডিমের সাথে তুলনা:
আর-রাহমান, ৫৫:৫৮ ⋮
كَأَنَّهُنَّ الْيَاقُوتُ وَالْمَرْجَانُ ﴿٥٨﴾
তারা যেন পদ্মরাগ ও প্রবাল। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-ওয়াকিয়া, ৫৬:২৩ ⋮
كَأَمْثَالِ اللُّؤْلُؤِ الْمَكْنُونِ ﴿٢٣﴾
সযত্নে লুকিয়ে রাখা মুক্তোর মত, [তাইসিরুল কুরআন]
আস-সাফফাত, ৩৭:৪৯ ⋮
كَأَنَّهُنَّ بَيْضٌ مَكْنُونٌ ﴿٤٩﴾
তারা যেন সযত্নে ঢেকে রাখা ডিম। [তাইসিরুল কুরআন]
জান্নাতীরা পরিবার-পরিজনসহ বসবাস করবে:
আত-তূর, ৫২:২১ ⋮
وَالَّذِينَ آمَنُوا وَاتَّبَعَتْهُمْ ذُرِّيَّتُهُمْ بِإِيمَانٍ أَلْحَقْنَا بِهِمْ ذُرِّيَّتَهُمْ وَمَا أَلَتْنَاهُمْ مِنْ عَمَلِهِمْ مِنْ شَيْءٍ كُلُّ امْرِئٍ بِمَا كَسَبَ رَهِينٌ ﴿٢١﴾
যারা ঈমান আনে আর তাদের সন্তান সন্ততিরা ঈমানের সাথে পিতামাতাকে অনুসরণ করে, আমি তাদের সাথে তাদের সন্তান সন্ততিকে মিলিত করব। তাদের ‘আমালের কোন কিছু থেকেই আমি তাদেরকে বঞ্চিত করব না। প্রত্যেক ব্যক্তিই নিজ কৃতকর্মের জন্য দায়বদ্ধ। [তাইসিরুল কুরআন]
দুনিয়ার স্বামী-স্ত্রীরা জান্নাতেও ঐভাবে থাকবে:
আর-রাদ, ১৩:২৩ ⋮
جَنَّاتُ عَدْنٍ يَدْخُلُونَهَا وَمَنْ صَلَحَ مِنْ آبَائِهِمْ وَأَزْوَاجِهِمْ وَذُرِّيَّاتِهِمْ وَالْمَلَائِكَةُ يَدْخُلُونَ عَلَيْهِمْ مِنْ كُلِّ بَابٍ ﴿٢٣﴾
তা হল স্থায়ী জান্নাত, তাতে তারা প্রবেশ করবে। আর তাদের পিতৃ পুরুষ, স্বামী-স্ত্রী ও সন্তানাদির মধ্যে যারা সৎকর্ম করেছে তারাও। আর ফেরেশতারা সকল দরজা দিয়ে তাদের কাছে হাযির হয়ে সংবর্ধনা জানাবে (এই বলে যে)- [তাইসিরুল কুরআন]
জান্নাতে মুত্তাকিদের জন্য থাকবে সংযত-দৃষ্টির সঙ্গিনীগণ।
সোয়াদ, ৩৮:৫২ ⋮
وَعِنْدَهُمْ قَاصِرَاتُ الطَّرْفِ أَتْرَابٌ ﴿٥٢﴾
আর তাদের পাশে থাকবে সতীসাধ্বী সংযতনয়না সমবয়স্কা রমণীগণ। [তাইসিরুল কুরআন]
জান্নাতের এই সঙ্গিনীগণ হবেন সমবয়স্কা।
সোয়াদ, ৩৮:৫২ ⋮
وَعِنْدَهُمْ قَاصِرَاتُ الطَّرْفِ أَتْرَابٌ ﴿٥٢﴾
আর তাদের পাশে থাকবে সতীসাধ্বী সংযতনয়না সমবয়স্কা রমণীগণ। [তাইসিরুল কুরআন]
জান্নাতের বাগানসমূহে থাকবে আনতনয়না নারীগণ।
আর-রাহমান, ৫৫:৫৬ ⋮
فِيهِنَّ قَاصِرَاتُ الطَّرْفِ لَمْ يَطْمِثْهُنَّ إِنْسٌ قَبْلَهُمْ وَلَا جَانٌّ ﴿٥٦﴾
তার মধ্যে থাকবে সতীসাধ্বী সংযত-নয়না (কুমারী)রা, পূর্বে যাদেরকে স্পর্শ করেনি কোন মানুষ আর কোন জ্বিন। [তাইসিরুল কুরআন]
জান্নাতের সেই নারীদেরকে তাদের স্বামীদের পূর্বে কোনো মানুষ স্পর্শ করেনি।
আর-রাহমান, ৫৫:৫৬ ⋮
فِيهِنَّ قَاصِرَاتُ الطَّرْفِ لَمْ يَطْمِثْهُنَّ إِنْسٌ قَبْلَهُمْ وَلَا جَانٌّ ﴿٥٦﴾
তার মধ্যে থাকবে সতীসাধ্বী সংযত-নয়না (কুমারী)রা, পূর্বে যাদেরকে স্পর্শ করেনি কোন মানুষ আর কোন জ্বিন। [তাইসিরুল কুরআন]
জান্নাতের সেই নারীদেরকে তাদের স্বামীদের পূর্বে কোনো জ্বিনও স্পর্শ করেনি।
আর-রাহমান, ৫৫:৫৬ ⋮
فِيهِنَّ قَاصِرَاتُ الطَّرْفِ لَمْ يَطْمِثْهُنَّ إِنْسٌ قَبْلَهُمْ وَلَا جَانٌّ ﴿٥٦﴾
তার মধ্যে থাকবে সতীসাধ্বী সংযত-নয়না (কুমারী)রা, পূর্বে যাদেরকে স্পর্শ করেনি কোন মানুষ আর কোন জ্বিন। [তাইসিরুল কুরআন]
জান্নাতীদের জন্য পুরস্কার হিসেবে ডাগরচোখা হুরগণ থাকবে।
আল-ওয়াকিয়া, ৫৬:২২ ⋮
وَحُورٌ عِينٌ ﴿٢٢﴾
আর (সেখানে থাকবে) ডাগর ডাগর উজ্জ্বল সুন্দর চোখওয়ালা সুন্দরীরা, [তাইসিরুল কুরআন]