বিষয়ভিত্তিক কুরআন > জান্নাতের নদ-নদী ও ঝর্ণাধারা
জান্নাতে পানি, দু দুধ, শরবত ও মধুর নদী রয়েছে:
মুহাম্মাদ, ৪৭:১৫ ⋮
مَثَلُ الْجَنَّةِ الَّتِي وُعِدَ الْمُتَّقُونَ فِيهَا أَنْهَارٌ مِنْ مَاءٍ غَيْرِ آسِنٍ وَأَنْهَارٌ مِنْ لَبَنٍ لَمْ يَتَغَيَّرْ طَعْمُهُ وَأَنْهَارٌ مِنْ خَمْرٍ لَذَّةٍ لِلشَّارِبِينَ وَأَنْهَارٌ مِنْ عَسَلٍ مُصَفًّى وَلَهُمْ فِيهَا مِنْ كُلِّ الثَّمَرَاتِ وَمَغْفِرَةٌ مِنْ رَبِّهِمْ كَمَنْ هُوَ خَالِدٌ فِي النَّارِ وَسُقُوا مَاءً حَمِيمًا فَقَطَّعَ أَمْعَاءَهُمْ ﴿١٥﴾
মুত্তাক্বীদেরকে যে জান্নাতের ও‘য়াদা দেয়া হয়েছে তার উপমা হলঃ তাতে আছে নির্মল পানির ঝর্ণা, আর আছে দুধের নদী যার স্বাদ অপরিবর্তণীয়, আছে পানকারীদের জন্য সুস্বাদু মদের নদী আর পরিশোধিত মধুর নদী। তাদের জন্য সেখানে আছে সব রকম ফলমূল আর তাদের প্রতিপালকের নিকট হতে ক্ষমা। (এরা কি) তাদের মত যারা চিরকাল থাকবে জাহান্নামে যাদেরকে পান করতে দেয়া হবে গরম পানীয় যা তাদের নাড়িভুঁড়ি ছিন্ন ভিন্ন করে ফেলবে? [তাইসিরুল কুরআন]
কুরআনের মধ্যে জান্নাতের বিভিন্ন ঝর্ণার নাম পাওয়া যায় যেমন:
আল-ইনসান, ৭৬:৫ ⋮
إِنَّ الْأَبْرَارَ يَشْرَبُونَ مِنْ كَأْسٍ كَانَ مِزَاجُهَا كَافُورًا ﴿٥﴾
(অপরদিকে) নেককার লোকেরা এমন পানপাত্র থেকে পান করবে যাতে কর্পুরের সংমিশ্রণ থাকবে। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-ইনসান, ৭৬:৬ ⋮
عَيْنًا يَشْرَبُ بِهَا عِبَادُ اللَّهِ يُفَجِّرُونَهَا تَفْجِيرًا ﴿٦﴾
আল্লাহর বান্দারা একটি ঝর্ণা থেকে পান করবে। তারা এই ঝর্ণাকে (তাদের) ইচ্ছেমত প্রবাহিত করবে। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-ইনসান, ৭৬:১৭ ⋮
وَيُسْقَوْنَ فِيهَا كَأْسًا كَانَ مِزَاجُهَا زَنْجَبِيلًا ﴿١٧﴾
তাদেরকে পান করানোর জন্য এমন পাত্র পরিবেশন করা হবে যাতে আদার মিশ্রণ থাকবে। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-ইনসান, ৭৬:১৮ ⋮
عَيْنًا فِيهَا تُسَمَّى سَلْسَبِيلًا ﴿١٨﴾
সেখানে আছে একটা ঝর্ণা, যার নাম সালসাবীল। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-মুতাফফিফীন, ৮৩:২২ ⋮
إِنَّ الْأَبْرَارَ لَفِي نَعِيمٍ ﴿٢٢﴾
পুণ্যবান লোকেরা থাকবে অফুরন্ত নি‘মাতের মাঝে। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-মুতাফফিফীন, ৮৩:২৩ ⋮
عَلَى الْأَرَائِكِ يَنْظُرُونَ ﴿٢٣﴾
উচ্চ আসনে বসে তারা (চারদিকের সবকিছু) দেখতে থাকবে। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-মুতাফফিফীন, ৮৩:২৪ ⋮
تَعْرِفُ فِي وُجُوهِهِمْ نَضْرَةَ النَّعِيمِ ﴿٢٤﴾
তুমি তাদের মুখে আরাম আয়েশের উজ্জ্বলতা দেখতে পাবে। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-মুতাফফিফীন, ৮৩:২৫ ⋮
يُسْقَوْنَ مِنْ رَحِيقٍ مَخْتُومٍ ﴿٢٥﴾
তাদেরকে পান করানো হবে সীল-আঁটা উৎকৃষ্ট পানীয়। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-মুতাফফিফীন, ৮৩:২৬ ⋮
خِتَامُهُ مِسْكٌ وَفِي ذَلِكَ فَلْيَتَنَافَسِ الْمُتَنَافِسُونَ ﴿٢٦﴾
তার সীল হবে মিশকের, প্রতিযোগীরা এ বিষয়েই প্রতিযোগিতা করুক। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-মুতাফফিফীন, ৮৩:২৭ ⋮
وَمِزَاجُهُ مِنْ تَسْنِيمٍ ﴿٢٧﴾
তাতে মেশানো থাকবে ‘তাসনীম, [তাইসিরুল কুরআন]
আল-মুতাফফিফীন, ৮৩:২৮ ⋮
عَيْنًا يَشْرَبُ بِهَا الْمُقَرَّبُونَ ﴿٢٨﴾
ওটা একটা ঝর্ণা, যাত্থেকে (আল্লাহর) নৈকট্যপ্রাপ্তরা পান করবে। [তাইসিরুল কুরআন]
জান্নাতে রয়েছে ঝর্ণা:
আল-গাশিয়া, ৮৮:১২ ⋮
فِيهَا عَيْنٌ جَارِيَةٌ ﴿١٢﴾
সেখানে থাকবে প্রবহমান ঝর্ণা, [তাইসিরুল কুরআন]
ঝর্ণাসমূহ জান্নাতীদের ইচ্ছে মত প্রবাহিত হবে ।
আল-ইনসান, ৭৬:৬ ⋮
عَيْنًا يَشْرَبُ بِهَا عِبَادُ اللَّهِ يُفَجِّرُونَهَا تَفْجِيرًا ﴿٦﴾
আল্লাহর বান্দারা একটি ঝর্ণা থেকে পান করবে। তারা এই ঝর্ণাকে (তাদের) ইচ্ছেমত প্রবাহিত করবে। [তাইসিরুল কুরআন]
নিয়ামতপূর্ণ জান্নাতে ঈমানদার ও সৎকর্মশীলদের আবাসস্থলের তলদেশ দিয়ে নদীসমূহ প্রবাহিত থাকবে।
ইউনুস, ১০:৯ ⋮
إِنَّ الَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ يَهْدِيهِمْ رَبُّهُمْ بِإِيمَانِهِمْ تَجْرِي مِنْ تَحْتِهِمُ الْأَنْهَارُ فِي جَنَّاتِ النَّعِيمِ ﴿٩﴾
যারা ঈমান আনে আর সৎ ‘আমাল করে, তাদের প্রতিপালক তাদের ঈমানের বদৌলতে তাদেরকে সৎপথে পরিচালিত করবেন। নি‘মাতরাজি দ্বারা পরিপূর্ণ জান্নাতে, তাদের পাদদেশে ঝর্ণাধারা প্রবাহিত হবে। [তাইসিরুল কুরআন]
সেই জান্নাতের তলদেশ দিয়ে নহরসমূহ প্রবাহিত হবে।
আন-নাহাল, ১৬:৩১ ⋮
جَنَّاتُ عَدْنٍ يَدْخُلُونَهَا تَجْرِي مِنْ تَحْتِهَا الْأَنْهَارُ لَهُمْ فِيهَا مَا يَشَاءُونَ كَذَلِكَ يَجْزِي اللَّهُ الْمُتَّقِينَ ﴿٣١﴾
(তা হল) স্থায়ী জান্নাত যাতে তারা প্রবেশ করবে, তার নিম্নদেশ দিয়ে ঝর্ণাধারা প্রবাহিত, তারা যা ইচ্ছে করবে সেখানে তাদের জন্য তা-ই আছে- আল্লাহ মুত্তাকীদেরকে এভাবেই পুরস্কৃত করেন। [তাইসিরুল কুরআন]
এবং (মুত্তাকিগণ) ঝর্ণাধারার মাঝেও থাকবেন।
আদ-দুখান, ৪৪:৫২ ⋮
فِي جَنَّاتٍ وَعُيُونٍ ﴿٥٢﴾
বাগান আর ঝরণার মাঝে [তাইসিরুল কুরআন]
জান্নাতের ঐ দুটি বাগানে দুটি প্রবাহমান ঝর্ণা রয়েছে।
আর-রাহমান, ৫৫:৫০ ⋮
فِيهِمَا عَيْنَانِ تَجْرِيَانِ ﴿٥٠﴾
দু’বাগানেই আছে দু’টো করে প্রবহমান ঝর্ণা। [তাইসিরুল কুরআন]
জান্নাতের নিম্নবর্তী উদ্যান দুটিতে দুটি উচ্ছ্বসিত প্রস্রবণ রয়েছে।
আর-রাহমান, ৫৫:৬৬ ⋮
فِيهِمَا عَيْنَانِ نَضَّاخَتَانِ ﴿٦٦﴾
দু’টো বাগানেই আছে অবিরাম ও প্রচুর পরিমাণে উৎক্ষিপ্তমান দু’টো ঝর্ণাধারা। [তাইসিরুল কুরআন]
জান্নাতে থাকবে সদা প্রবহমান পানি।
আল-ওয়াকিয়া, ৫৬:৩১ ⋮
وَمَاءٍ مَسْكُوبٍ ﴿٣١﴾
অবিরাম প্রবহমান পানির ধারে, [তাইসিরুল কুরআন]