বিষয়ভিত্তিক কুরআন > হাশরের ময়দানে শয়তান ও পাপীদের মধ্যে বিতর্ক
মানুষ শয়তানকে দোষারোপ করলে সে অস্বীকার করবে:
কাফ, ৫০:২৭ ⋮
قَالَ قَرِينُهُ رَبَّنَا مَا أَطْغَيْتُهُ وَلَكِنْ كَانَ فِي ضَلَالٍ بَعِيدٍ ﴿٢٧﴾
তার সঙ্গী বলবে, ‘হে আমাদের প্রতিপালক! আমি তাকে বিদ্রোহী বানাইনি বরং সে নিজেই ছিল সুদূর গুমরাহীর মধ্যে।’ [তাইসিরুল কুরআন]
শয়তান পাশ কাটিয়ে জবাব দেবে:
ইবরাহীম, ১৪:২২ ⋮
وَقَالَ الشَّيْطَانُ لَمَّا قُضِيَ الْأَمْرُ إِنَّ اللَّهَ وَعَدَكُمْ وَعْدَ الْحَقِّ وَوَعَدْتُكُمْ فَأَخْلَفْتُكُمْ وَمَا كَانَ لِي عَلَيْكُمْ مِنْ سُلْطَانٍ إِلَّا أَنْ دَعَوْتُكُمْ فَاسْتَجَبْتُمْ لِي فَلَا تَلُومُونِي وَلُومُوا أَنْفُسَكُمْ مَا أَنَا بِمُصْرِخِكُمْ وَمَا أَنْتُمْ بِمُصْرِخِيَّ إِنِّي كَفَرْتُ بِمَا أَشْرَكْتُمُونِي مِنْ قَبْلُ إِنَّ الظَّالِمِينَ لَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌ ﴿٢٢﴾
বিচার-ফায়সালা সম্পন্ন হলে শয়ত্বান বলবে, ‘আল্লাহ তোমাদের জন্য যে ওয়া‘দা করেছিলেন তা ছিল সত্য ওয়া‘দা। আর আমিও তোমাদেরকে ওয়া‘দা দিয়েছিলাম, কিন্তু আমি তার খেলাপ করেছি, তোমাদের উপর আমার কোনই প্রভাব ছিল না, আমি কেবল তোমাদেরকে আহবান জানিয়েছিলাম আর তোমরা আমার আহবানে সাড়া দিয়েছিলে। কাজেই তোমরা আমাকে তিরস্কার করো না, বরং নিজেদেরকেই তিরস্কার কর, এখানে না আমি তোমাদের ফরিয়াদ শুনতে পারি, না তোমরা আমার ফরিয়াদ শুনতে পার। ইতোপূর্বে তোমরা যে আমাকে (আল্লাহর) শরীক করেছিলে আমি তা অস্বীকার করছি। যালিমদের জন্য আছে ভয়াবহ শাস্তি।’ [তাইসিরুল কুরআন]
তখন পাপীরা আক্ষেপ করবে:
আয-যুখরুফ, ৪৩:৩৬ ⋮
وَمَنْ يَعْشُ عَنْ ذِكْرِ الرَّحْمَنِ نُقَيِّضْ لَهُ شَيْطَانًا فَهُوَ لَهُ قَرِينٌ ﴿٣٦﴾
যে ব্যক্তি দয়াময় আল্লাহর স্মরণ থেকে নিজেকে ফিরিয়ে নেয়, আমি তার জন্য শয়ত্বানকে নিয়োজিত করি, অতঃপর সে হয় তার ঘনিষ্ঠ সহচর। [তাইসিরুল কুরআন]
আয-যুখরুফ, ৪৩:৩৭ ⋮
وَإِنَّهُمْ لَيَصُدُّونَهُمْ عَنِ السَّبِيلِ وَيَحْسَبُونَ أَنَّهُمْ مُهْتَدُونَ ﴿٣٧﴾
তারাই মানুষকে সৎপথে চলতে অবশ্যই বাধা দেয়, আর মানুষ মনে করে যে, তারা সঠিক পথে রয়েছে। [তাইসিরুল কুরআন]
আয-যুখরুফ, ৪৩:৩৮ ⋮
حَتَّى إِذَا جَاءَنَا قَالَ يَا لَيْتَ بَيْنِي وَبَيْنَكَ بُعْدَ الْمَشْرِقَيْنِ فَبِئْسَ الْقَرِينُ ﴿٣٨﴾
অবশেষে সে যখন আমার কাছে আসবে, তখন শয়ত্বানকে বলবে, হায়! আমার ও তোমার মাঝে যদি পূর্ব ও পশ্চিমের ব্যবধান থাকত! কতই না নিকৃষ্ট সহচর সে! [তাইসিরুল কুরআন]
আয-যুখরুফ, ৪৩:৩৯ ⋮
وَلَنْ يَنْفَعَكُمُ الْيَوْمَ إِذْ ظَلَمْتُمْ أَنَّكُمْ فِي الْعَذَابِ مُشْتَرِكُونَ ﴿٣٩﴾
তোমাদের হা-হুতাশ আজ তোমাদের কোন কাজে আসবে না যেহেতু তোমরা সীমালঙ্ঘন করেছিলে। তোমরা হবে শাস্তির অংশীদার। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ এ বিতর্ক বন্ধ করে দেবেন:
কাফ, ৫০:২৮ ⋮
قَالَ لَا تَخْتَصِمُوا لَدَيَّ وَقَدْ قَدَّمْتُ إِلَيْكُمْ بِالْوَعِيدِ ﴿٢٨﴾
আল্লাহ বলবেন, ‘আমার সামনে বাদানুবাদ করো না, আমি আগেই তোমাদেরকে সতর্ক করে দিয়েছিলাম। [তাইসিরুল কুরআন]
কাফ, ৫০:২৯ ⋮
مَا يُبَدَّلُ الْقَوْلُ لَدَيَّ وَمَا أَنَا بِظَلَّامٍ لِلْعَبِيدِ ﴿٢٩﴾
আমার কথা কক্ষনো বদলে না, আর আমি আমার বান্দাহদের প্রতি যুলমকারীও নই। [তাইসিরুল কুরআন]
মানুষ বিতর্ক শুরু করবে ।
আয-যুমার, ৩৯:৩০ ⋮
إِنَّكَ مَيِّتٌ وَإِنَّهُمْ مَيِّتُونَ ﴿٣٠﴾
তুমিও মরবে আর তারাও মরবে। [তাইসিরুল কুরআন]
আয-যুমার, ৩৯:৩১ ⋮
ثُمَّ إِنَّكُمْ يَوْمَ الْقِيَامَةِ عِنْدَ رَبِّكُمْ تَخْتَصِمُونَ ﴿٣١﴾
অতঃপর ক্বিয়ামত দিবসে তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের সম্মুখে বাদানুবাদ করবে। [তাইসিরুল কুরআন]
বিচার দিবসে কাফিররা একে অপরের মুখোমুখি হবে।
আস-সাফফাত, ৩৭:২৭ ⋮
وَأَقْبَلَ بَعْضُهُمْ عَلَى بَعْضٍ يَتَسَاءَلُونَ ﴿٢٧﴾
তারা একে অপরের দিকে মুখ করে পরস্পর জিজ্ঞাসাবাদ করবে। [তাইসিরুল কুরআন]
অতঃপর কাফিররা পরস্পরকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে থাকবে।
আস-সাফফাত, ৩৭:২৭ ⋮
وَأَقْبَلَ بَعْضُهُمْ عَلَى بَعْضٍ يَتَسَاءَلُونَ ﴿٢٧﴾
তারা একে অপরের দিকে মুখ করে পরস্পর জিজ্ঞাসাবাদ করবে। [তাইসিরুল কুরআন]