বিষয়ভিত্তিক কুরআন > কিয়ামতের দিন পাপীদের অবস্থা
কিয়ামতের দিনটি তাদের জন্য বড়ই কঠিন হবে:
আল-কামার, ৫৪:৮ ⋮
مُهْطِعِينَ إِلَى الدَّاعِي يَقُولُ الْكَافِرُونَ هَذَا يَوْمٌ عَسِرٌ ﴿٨﴾
ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে তারা আহবানকারীর দিকে ছুটে আসবে। কাফিররা বলবে- ‘‘কঠিন এ দিন’’। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-মুদ্দাসসির, ৭৪:৯ ⋮
فَذَلِكَ يَوْمَئِذٍ يَوْمٌ عَسِيرٌ ﴿٩﴾
সেদিনটি হবে বড়ই কঠিন দিন, [তাইসিরুল কুরআন]
আল-মুদ্দাসসির, ৭৪:১০ ⋮
عَلَى الْكَافِرِينَ غَيْرُ يَسِيرٍ ﴿١٠﴾
(যা) কাফিরদের জন্য মোটেই সহজ নয়। [তাইসিরুল কুরআন]
তাদের পাপের ফলাফল প্রকাশ পেয়ে যাবে:
আয-যুমার, ৩৯:৪৮ ⋮
وَبَدَا لَهُمْ سَيِّئَاتُ مَا كَسَبُوا وَحَاقَ بِهِمْ مَا كَانُوا بِهِ يَسْتَهْزِئُونَ ﴿٤٨﴾
তাদের কৃতকর্মের মন্দ রূপ সেদিন প্রকাশ হয়ে পড়বে, আর তারা যা নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্রূপ করত তাই তাদেরকে ঘিরে ফেলবে। [তাইসিরুল কুরআন]
পাপের চিহ্ন তাদের চেহারায় ফুটে উঠবে:
আর-রাহমান, ৫৫:৪১ ⋮
يُعْرَفُ الْمُجْرِمُونَ بِسِيمَاهُمْ فَيُؤْخَذُ بِالنَّوَاصِي وَالْأَقْدَامِ ﴿٤١﴾
অপরাধীদেরকে চিনতে পারা যাবে তাদের চেহারা থেকেই, আর মাথার ঝুঁটি ও পা ধরে তাদেরকে পাকড়াও করা হবে। [তাইসিরুল কুরআন]
আর রহমান- কিয়ামতের দিন তাদের চেহারা মলিন হয়ে যাবে:
আবাসা, ৮০:৪০ ⋮
وَوُجُوهٌ يَوْمَئِذٍ عَلَيْهَا غَبَرَةٌ ﴿٤٠﴾
সেদিন কতক মুখ হবে ধূলিমলিন। [তাইসিরুল কুরআন]
আবাসা, ৮০:৪১ ⋮
تَرْهَقُهَا قَتَرَةٌ ﴿٤١﴾
কালিমা ওগুলোকে আচ্ছন্ন করবে। [তাইসিরুল কুরআন]
আবাসা, ৮০:৪২ ⋮
أُولَئِكَ هُمُ الْكَفَرَةُ الْفَجَرَةُ ﴿٤٢﴾
তারাই আল্লাহকে প্রত্যাখ্যানকারী, পাপাচারী। [তাইসিরুল কুরআন]
আয-যুমার, ৩৯:৬০ ⋮
وَيَوْمَ الْقِيَامَةِ تَرَى الَّذِينَ كَذَبُوا عَلَى اللَّهِ وُجُوهُهُمْ مُسْوَدَّةٌ أَلَيْسَ فِي جَهَنَّمَ مَثْوًى لِلْمُتَكَبِّرِينَ ﴿٦٠﴾
যারা আল্লাহর প্রতি মিথ্যারোপ করে ক্বিয়ামতের দিনে তুমি তাদের মুখগুলো কালো দেখতে পাবে. অহংকারীদের আবাসস্থল কি জাহান্নামে নয়? [তাইসিরুল কুরআন]
আলে-ইমরান, ৩:১০৬ ⋮
يَوْمَ تَبْيَضُّ وُجُوهٌ وَتَسْوَدُّ وُجُوهٌ فَأَمَّا الَّذِينَ اسْوَدَّتْ وُجُوهُهُمْ أَكَفَرْتُمْ بَعْدَ إِيمَانِكُمْ فَذُوقُوا الْعَذَابَ بِمَا كُنْتُمْ تَكْفُرُونَ ﴿١٠٦﴾
সে দিন কতক মুখ উজ্জ্বল হবে আর কতক মুখ কালো হবে, যাদের মুখ কালো হবে, (তাদেরকে বলা হবে), তোমরা কি ঈমান আনার পরও কুফরী করেছিলে? কাজেই নিজেদের কুফরীর জন্য শাস্তি ভোগ করতে থাক। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-ক্বিয়ামাহ, ৭৫:২৪ ⋮
وَوُجُوهٌ يَوْمَئِذٍ بَاسِرَةٌ ﴿٢٤﴾
কতক মুখ সেদিন বিবর্ণ হবে। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-ক্বিয়ামাহ, ৭৫:২৫ ⋮
تَظُنُّ أَنْ يُفْعَلَ بِهَا فَاقِرَةٌ ﴿٢٥﴾
তারা ধারণা করবে যে, তাদের সঙ্গে কোমর-ভাঙ্গা আচরণ করা হবে। [তাইসিরুল কুরআন]
তারা ভীত ও ক্লান্ত হয়ে পড়বে:
আল-গাশিয়া, ৮৮:১ ⋮
هَلْ أَتَاكَ حَدِيثُ الْغَاشِيَةِ ﴿١﴾
(সব কিছুকে) আচ্ছন্নকারী কিয়ামাতের খবর তোমার কাছে পৌঁছেছে কি? [তাইসিরুল কুরআন]
আল-গাশিয়া, ৮৮:২ ⋮
وُجُوهٌ يَوْمَئِذٍ خَاشِعَةٌ ﴿٢﴾
কতক মুখ সেদিন নীচু হবে [তাইসিরুল কুরআন]
আল-গাশিয়া, ৮৮:৩ ⋮
عَامِلَةٌ نَاصِبَةٌ ﴿٣﴾
হবে কর্মক্লান্ত, শ্রান্ত। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-গাশিয়া, ৮৮:৪ ⋮
تَصْلَى نَارًا حَامِيَةً ﴿٤﴾
তারা জ্বলন্ত আগুনে প্রবেশ করবে। [তাইসিরুল কুরআন]
অপমান তাদেরকে ছেয়ে ফেলবে:
আল-মা'আরিজ, ৭০:৪৪ ⋮
خَاشِعَةً أَبْصَارُهُمْ تَرْهَقُهُمْ ذِلَّةٌ ذَلِكَ الْيَوْمُ الَّذِي كَانُوا يُوعَدُونَ ﴿٤٤﴾
তাদের দৃষ্টি হবে অবনমিত, লাঞ্ছনা তাদেরকে আচ্ছন্ন করবে। এটাই হল সেই দিন যার ও‘য়াদা তাদেরকে দেয়া হচ্ছিল। [তাইসিরুল কুরআন]
কিয়ামতের দিন তারা আল্লাহকে সিজদা করতে পারবে না:
আল-ক্বলাম, ৬৮:৪২ ⋮
يَوْمَ يُكْشَفُ عَنْ سَاقٍ وَيُدْعَوْنَ إِلَى السُّجُودِ فَلَا يَسْتَطِيعُونَ ﴿٤٢﴾
যেদিন (ক্বিয়ামতে) পায়ের গোছা (হাঁটুর নিম্নভাগ) উন্মোচিত হবে আর তাদেরকে ডাকা হবে সেজদা করার জন্য, কিন্তু তারা সেজদা করতে সক্ষম হবে না। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-ক্বলাম, ৬৮:৪৩ ⋮
خَاشِعَةً أَبْصَارُهُمْ تَرْهَقُهُمْ ذِلَّةٌ وَقَدْ كَانُوا يُدْعَوْنَ إِلَى السُّجُودِ وَهُمْ سَالِمُونَ ﴿٤٣﴾
তাদের দৃষ্টি হবে অবনত, অপমান লাঞ্ছনা তাদের উপর চেপে বসবে। (দুনিয়াতে) তারা যখন সুস্থ ও নিরাপদ ছিল তখনও তাদেরকে সেজদা করার জন্য ডাকা হত (কিন্তু তারা সেজদা করত না) [তাইসিরুল কুরআন]
তারা পালাতে পারবে না, মুহূর্তের মধ্যেই পাকড়াও হবে:
সাবা, ৩৪:৫১ ⋮
وَلَوْ تَرَى إِذْ فَزِعُوا فَلَا فَوْتَ وَأُخِذُوا مِنْ مَكَانٍ قَرِيبٍ ﴿٥١﴾
তুমি যদি দেখতে! যখন তারা ভয়ে কম্পমান হয়ে পড়বে, কিন্তু তারা কোন অব্যাহতি পাবে না। এক্কেবারে কাছের জায়গা থেকেই তাদেরকে ধরে ফেলা হবে। [তাইসিরুল কুরআন]
তখন ঈমান আনতে চাইবে, কিন্তু কাজ হবে না:
সাবা, ৩৪:৫২ ⋮
وَقَالُوا آمَنَّا بِهِ وَأَنَّى لَهُمُ التَّنَاوُشُ مِنْ مَكَانٍ بَعِيدٍ ﴿٥٢﴾
আর তারা বলবে- (এখন) আমরা ঈমান আনলাম। কিন্তু (ঈমান যেখানে আনতে হত সে স্থান থেকে তারা তো বহু দূরে এসে পড়েছে) এত দূরের জায়গা থেকে তারা ঈমানের নাগাল পাবে কীভাবে? [তাইসিরুল কুরআন]
সাবা, ৩৪:৫৩ ⋮
وَقَدْ كَفَرُوا بِهِ مِنْ قَبْلُ وَيَقْذِفُونَ بِالْغَيْبِ مِنْ مَكَانٍ بَعِيدٍ ﴿٥٣﴾
তারা তো আগেই তা প্রত্যাখ্যান করেছিল। তারা অদৃশ্য বিষয় সম্পর্কে বহু দূর থেকে (আন্দাজ অনুমানে) কথা ছুঁড়ে দিত। [তাইসিরুল কুরআন]
সাবা, ৩৪:৫৪ ⋮
وَحِيَلَ بَيْنَهُمْ وَبَيْنَ مَا يَشْتَهُونَ كَمَا فُعِلَ بِأَشْيَاعِهِمْ مِنْ قَبْلُ إِنَّهُمْ كَانُوا فِي شَكٍّ مُرِيبٍ ﴿٥٤﴾
তাদের এবং তাদের কামনা-বাসনার মাঝে রেখে দেয়া হয়েছে এক প্রাচীর। তাদের মতের ও পথের লোকেদের ক্ষেত্রে পূর্বেও এমনটিই করা হয়েছিল। তারা ছিল সংশয়পূর্ণ সন্দেহে পতিত। [তাইসিরুল কুরআন]
সেদিন তাদের কোন আমল কাজে লাগবে না:
আল-ফুরকান, ২৫:২৩ ⋮
وَقَدِمْنَا إِلَى مَا عَمِلُوا مِنْ عَمَلٍ فَجَعَلْنَاهُ هَبَاءً مَنْثُورًا ﴿٢٣﴾
তারা (দুনিয়ায়) যে ‘আমাল করেছিল আমি সেদিকে অগ্রসর হব, অতঃপর তাকে বানিয়ে দেব ছড়ানো ছিটানো ধূলিকণা (সদৃশ)। [তাইসিরুল কুরআন]
কোন সুপারিশকারী পাবে না:
গাফির, ৪০:১৮ ⋮
وَأَنْذِرْهُمْ يَوْمَ الْآزِفَةِ إِذِ الْقُلُوبُ لَدَى الْحَنَاجِرِ كَاظِمِينَ مَا لِلظَّالِمِينَ مِنْ حَمِيمٍ وَلَا شَفِيعٍ يُطَاعُ ﴿١٨﴾
তাদেরকে সতর্ক কর সেই ঘনিয়ে আসা দিন সম্পর্কে যখন ওষ্ঠাগত প্রাণ নিয়ে তারা দুঃখ-কষ্ট সংবরণ করবে। যালিমদের জন্য কোন অন্তরঙ্গ বন্ধু থাকবে না, এমন কোন সুপারিশকারীও থাকবে না যার কথা গ্রহণ করা হবে। [তাইসিরুল কুরআন]
কোন অজুহাত কাজে আসবে না:
গাফির, ৪০:৫২ ⋮
يَوْمَ لَا يَنْفَعُ الظَّالِمِينَ مَعْذِرَتُهُمْ وَلَهُمُ اللَّعْنَةُ وَلَهُمْ سُوءُ الدَّارِ ﴿٥٢﴾
যেদিন যালিমদের ওজর-আপত্তি কোন উপকারে আসবে না। তাদের জন্য আছে লা‘নত, তাদের জন্য আছে নিকৃষ্ট বাসস্থান। [তাইসিরুল কুরআন]
আর-রুম, ৩০:৫৭ ⋮
فَيَوْمَئِذٍ لَا يَنْفَعُ الَّذِينَ ظَلَمُوا مَعْذِرَتُهُمْ وَلَا هُمْ يُسْتَعْتَبُونَ ﴿٥٧﴾
অন্যায়কারীদের ওযর আপত্তি সেদিন কোন কাজে আসবে না এবং তাদেরকে সংশোধনেরও সুযোগ দেয়া হবে না। [তাইসিরুল কুরআন]
কেউ কথা বলার সাহস পাবে না:
আল-মুরসালাত, ৭৭:৩৫ ⋮
هَذَا يَوْمٌ لَا يَنْطِقُونَ ﴿٣٥﴾
এদিন এমন যে, কেউ কথা বলতে পারবে না, [তাইসিরুল কুরআন]
আল-মুরসালাত, ৭৭:৩৬ ⋮
وَلَا يُؤْذَنُ لَهُمْ فَيَعْتَذِرُونَ ﴿٣٦﴾
তাদেরকে কোন ওজর পেশ করারও সুযোগ দেয়া হবে না। [তাইসিরুল কুরআন]
আন-নামাল, ২৭:৮৩ ⋮
وَيَوْمَ نَحْشُرُ مِنْ كُلِّ أُمَّةٍ فَوْجًا مِمَّنْ يُكَذِّبُ بِآيَاتِنَا فَهُمْ يُوزَعُونَ ﴿٨٣﴾
যেদিন আমি প্রত্যেকটি সম্প্রদায় হতে একটি দলকে সমবেত করব যারা আমার নিদর্শনাবলীকে অস্বীকার করেছিল, অতঃপর তাদেরকে সারিবদ্ধ করা হবে। [তাইসিরুল কুরআন]
আন-নামাল, ২৭:৮৪ ⋮
حَتَّى إِذَا جَاءُوا قَالَ أَكَذَّبْتُمْ بِآيَاتِي وَلَمْ تُحِيطُوا بِهَا عِلْمًا أَمْ مَاذَا كُنْتُمْ تَعْمَلُونَ ﴿٨٤﴾
যখন তারা এসে যাবে তখন আল্লাহ বলবেন- তোমরা কি আমার নিদর্শনকে মিথ্যে বলে প্রত্যাখ্যান করেছিলে যদিও তা তোমরা জ্ঞানায়ত্ত করতে পারনি; নাকি তোমরা অন্য কিছু করছিলে? [তাইসিরুল কুরআন]
আন-নামাল, ২৭:৮৫ ⋮
وَوَقَعَ الْقَوْلُ عَلَيْهِمْ بِمَا ظَلَمُوا فَهُمْ لَا يَنْطِقُونَ ﴿٨٥﴾
তাদেরকে দেয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবে ঘটে যাবে তাদের অন্যায় কার্যকলাপের কারণে আর তারা (তাদের পক্ষে) কোন কথা বলতে পারবে না। [তাইসিরুল কুরআন]
সেদিন পাপীরা আল্লাহর সাক্ষাৎ লাভ করা থেকে বঞ্চিত হবে:
আল-মুতাফফিফীন, ৮৩:১৫ ⋮
كَلَّا إِنَّهُمْ عَنْ رَبِّهِمْ يَوْمَئِذٍ لَمَحْجُوبُونَ ﴿١٥﴾
কক্ষনো না, তারা সেদিন তাদের প্রতিপালক থেকে পর্দার আড়ালে থাকবে। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-মুতাফফিফীন, ৮৩:১৬ ⋮
ثُمَّ إِنَّهُمْ لَصَالُو الْجَحِيمِ ﴿١٦﴾
অতঃপর তারা অবশ্যই জাহান্নামে প্রবেশ করবে। [তাইসিরুল কুরআন]
তারা শাস্তি দেখে ভয় পাবে:
আশ-শূরা, ৪২:২২ ⋮
تَرَى الظَّالِمِينَ مُشْفِقِينَ مِمَّا كَسَبُوا وَهُوَ وَاقِعٌ بِهِمْ وَالَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ فِي رَوْضَاتِ الْجَنَّاتِ لَهُمْ مَا يَشَاءُونَ عِنْدَ رَبِّهِمْ ذَلِكَ هُوَ الْفَضْلُ الْكَبِيرُ ﴿٢٢﴾
যালিমদেরকে তুমি তাদের কৃতকর্মের কারণে ভীত-সন্ত্রস্ত দেখতে পাবে। তাদের কর্মের শাস্তি অবশ্যই তাদের উপর পতিত হবে। আর যারা ঈমান এনেছে আর সৎকর্ম করেছে তারা জান্নাতের বাগিচায় অবস্থান করবে। তারা যা ইচ্ছে করবে, তাদের জন্য তাদের প্রতিপালকের নিকট তা-ই আছে। ওটাই অতি বড় অনুগ্রহ। [তাইসিরুল কুরআন]
পাপীরা সেদিন বাঁচাও-বাঁচাও বলতে থাকবে:
আল-ফুরকান, ২৫:২২ ⋮
يَوْمَ يَرَوْنَ الْمَلَائِكَةَ لَا بُشْرَى يَوْمَئِذٍ لِلْمُجْرِمِينَ وَيَقُولُونَ حِجْرًا مَحْجُورًا ﴿٢٢﴾
যেদিন তারা ফেরেশতাদেরকে দেখতে পাবে, অপরাধীদের জন্য সেদিন কোন সুখবর থাকবে না, আর (ফেরেশতাগণ বলবে তোমাদের সুখ-শান্তির পথে আছে) দুর্লঙ্ঘ বাধা। [তাইসিরুল কুরআন]
কিন্তু তাদেরকে রক্ষা করার কেউ থাকবে না:
ইউনুস, ১০:২৭ ⋮
وَالَّذِينَ كَسَبُوا السَّيِّئَاتِ جَزَاءُ سَيِّئَةٍ بِمِثْلِهَا وَتَرْهَقُهُمْ ذِلَّةٌ مَا لَهُمْ مِنَ اللَّهِ مِنْ عَاصِمٍ كَأَنَّمَا أُغْشِيَتْ وُجُوهُهُمْ قِطَعًا مِنَ اللَّيْلِ مُظْلِمًا أُولَئِكَ أَصْحَابُ النَّارِ هُمْ فِيهَا خَالِدُونَ ﴿٢٧﴾
পক্ষান্তরে যারা মন্দ কাজ করে, তারা তাদের মন্দ কাজের শাস্তি পাবে কাজের অনুপাতে এবং অপমান তাদেরকে আচ্ছাদিত করবে, আল্লাহর (শাস্তি) হতে কেউই তাদেরকে রক্ষা করতে পারবে না- যেন তাদের মুখমন্ডলকে আচ্ছাদিত করে দেয়া হয়েছে গাঢ় অন্ধকার রাত্রির টুকরো দিয়ে; তারা জাহান্নামের অধিবাসী, তারা তার মধ্যে চিরকাল থাকবে। [তাইসিরুল কুরআন]
উপর ও নিচ উভয় দিক থেকে আযাব আসবে:
আল-আনকাবূত, ২৯:৫৫ ⋮
يَوْمَ يَغْشَاهُمُ الْعَذَابُ مِنْ فَوْقِهِمْ وَمِنْ تَحْتِ أَرْجُلِهِمْ وَيَقُولُ ذُوقُوا مَا كُنْتُمْ تَعْمَلُونَ ﴿٥٥﴾
সেদিন ‘আযাব তাদেরকে ঢেকে নেবে তাদের উপর থেকে আর তাদের পায়ের নীচে হতে। আল্লাহ বলবেন- তোমরা যা করতে তার স্বাদ ভোগ কর। [তাইসিরুল কুরআন]
পাপীরা সেদিন উপুড় হয়ে জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত হবে:
আন-নামাল, ২৭:৯০ ⋮
وَمَنْ جَاءَ بِالسَّيِّئَةِ فَكُبَّتْ وُجُوهُهُمْ فِي النَّارِ هَلْ تُجْزَوْنَ إِلَّا مَا كُنْتُمْ تَعْمَلُونَ ﴿٩٠﴾
যারা অসৎকর্ম নিয়ে হাজির হবে, তাদেরকে মুখের ভরে আগুনে নিক্ষেপ করা হবে, (আর তাদেরকে বলা হবে) তোমরা যা করতে কেবল তারই প্রতিদান তোমাদেরকে দেয়া হচ্ছে। [তাইসিরুল কুরআন]
তাদের হিসাব কঠোর হবে:
আর-রাদ, ১৩:১৮ ⋮
لِلَّذِينَ اسْتَجَابُوا لِرَبِّهِمُ الْحُسْنَى وَالَّذِينَ لَمْ يَسْتَجِيبُوا لَهُ لَوْ أَنَّ لَهُمْ مَا فِي الْأَرْضِ جَمِيعًا وَمِثْلَهُ مَعَهُ لَافْتَدَوْا بِهِ أُولَئِكَ لَهُمْ سُوءُ الْحِسَابِ وَمَأْوَاهُمْ جَهَنَّمُ وَبِئْسَ الْمِهَادُ ﴿١٨﴾
যারা তাদের প্রতিপালকের ডাকে সাড়া দেয় তাদের জন্য আছে (যাবতীয়) কল্যাণ। যারা তাঁর ডাকে সাড়া দেয় না, তারা যদি দুনিয়াতে যা কিছু আছে যে সবের মালিক হয় এবং আরো অত পরিমাণও তাদের হয়, নিজেদের মুক্তির বিনিময়ে তা সবই তারা দিতে চাইবে, তাদের হিসাব হবে বড়ই কঠিন, তাদের আবাসস্থল জাহান্নাম, আর তা কতই না নিকৃষ্ট ঠিকানা! [তাইসিরুল কুরআন]
সেদিন পাপীরা মাটির সাথে মিশে যেতে চাইবে:
আন-নিসা, ৪:৪২ ⋮
يَوْمَئِذٍ يَوَدُّ الَّذِينَ كَفَرُوا وَعَصَوُا الرَّسُولَ لَوْ تُسَوَّى بِهِمُ الْأَرْضُ وَلَا يَكْتُمُونَ اللَّهَ حَدِيثًا ﴿٤٢﴾
যারা অস্বীকার করেছে এবং রসূল-এর নাফরমানী করেছে, তারা সে দিন কামনা করবে, হায়! তারা যদি মাটির সাথে মিশে যেত এবং তারা আল্লাহ হতে কোন কথাই লুকিয়ে রাখতে পারবে না। [তাইসিরুল কুরআন]
তারা ভীত হয়ে পড়বে ।
ইবরাহীম, ১৪:৪৩ ⋮
مُهْطِعِينَ مُقْنِعِي رُءُوسِهِمْ لَا يَرْتَدُّ إِلَيْهِمْ طَرْفُهُمْ وَأَفْئِدَتُهُمْ هَوَاءٌ ﴿٤٣﴾
আতঙ্কিত হয়ে মাথা তুলে পালাতে থাকবে, দৃষ্টি তাদের নিজেদের পানে ফিরে আসবে না, আর তাদের দিল উড়ে যাবে। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-আম্বিয়া, ২১:৯৭ ⋮
وَاقْتَرَبَ الْوَعْدُ الْحَقُّ فَإِذَا هِيَ شَاخِصَةٌ أَبْصَارُ الَّذِينَ كَفَرُوا يَا وَيْلَنَا قَدْ كُنَّا فِي غَفْلَةٍ مِنْ هَذَا بَلْ كُنَّا ظَالِمِينَ ﴿٩٧﴾
সত্য ওয়া‘দার (পূর্ণতার) সময় ঘনিয়ে আসবে, তখন আতঙ্কে কাফিরদের চক্ষু স্থির হয়ে যাবে। (তখন তারা বলবে) হায়! আমরা তো এ ব্যাপারে উদাসীন ছিলাম, না, আমরা ছিলাম অন্যায়কারী। [তাইসিরুল কুরআন]
আর-রুম, ৩০:১২ ⋮
وَيَوْمَ تَقُومُ السَّاعَةُ يُبْلِسُ الْمُجْرِمُونَ ﴿١٢﴾
যেদিন ক্বিয়ামত সংঘটিত হবে সেদিন অপরাধীরা হতাশ হয়ে পড়বে। [তাইসিরুল কুরআন]
যেদিন কাফিরদেরকে জাহান্নামের আগুনের সামনে উপস্থিত করা হবে।
আল-আহকাফ, ৪৬:৩৪ ⋮
وَيَوْمَ يُعْرَضُ الَّذِينَ كَفَرُوا عَلَى النَّارِ أَلَيْسَ هَذَا بِالْحَقِّ قَالُوا بَلَى وَرَبِّنَا قَالَ فَذُوقُوا الْعَذَابَ بِمَا كُنْتُمْ تَكْفُرُونَ ﴿٣٤﴾
কাফিরদেরকে যেদিন জাহান্নামের সামনে হাজির করা হবে (তখন তাদেরকে বলা হবে) এটা কি সত্য নয়? তারা বলবে, ‘কসম আমাদের প্রতিপালকের! এটা সত্য।’ তাদেরকে বলা হবে, ‘তাহলে ‘আযাব আস্বাদন কর, যেহেতু তোমরা সত্যকে অমান্য করেছিলে। [তাইসিরুল কুরআন]
যালিমদের জন্য কোনো সাহায্যকারী নেই।
আলে-ইমরান, ৩:১৯২ ⋮
رَبَّنَا إِنَّكَ مَنْ تُدْخِلِ النَّارَ فَقَدْ أَخْزَيْتَهُ وَمَا لِلظَّالِمِينَ مِنْ أَنْصَارٍ ﴿١٩٢﴾
হে আমাদের প্রতিপালক! তুমি যাকে আগুনে নিক্ষেপ করবে, তাকে অবশ্যই তুমি অপমান করবে আর যালিমদের কোন সাহায্যকারী নেই। [তাইসিরুল কুরআন]
অতঃপর কাফিরদেরকে কোনো অজুহাত পেশ করার অনুমতি দেওয়া হবে না।
আন-নাহাল, ১৬:৮৪ ⋮
وَيَوْمَ نَبْعَثُ مِنْ كُلِّ أُمَّةٍ شَهِيدًا ثُمَّ لَا يُؤْذَنُ لِلَّذِينَ كَفَرُوا وَلَا هُمْ يُسْتَعْتَبُونَ ﴿٨٤﴾
(সেদিন কী অবস্থা হবে) যেদিন আমি প্রত্যেক সম্প্রদায় থেকে একজন সাক্ষী দাঁড় করাব আর কাফিরদেরকে (কোন অযুহাত পেশ করার) অনুমতি দেয়া হবে না, আর ক্ষমা প্রার্থনা করারও সুযোগ দেয়া হবে না। [তাইসিরুল কুরআন]
যেদিন যালিমরা আল্লাহর নিকট উপস্থিত হবে, সেদিন তারা অত্যন্ত স্পষ্ট শুনতে পাবে।
মারইয়াম, ১৯:৩৮ ⋮
أَسْمِعْ بِهِمْ وَأَبْصِرْ يَوْمَ يَأْتُونَنَا لَكِنِ الظَّالِمُونَ الْيَوْمَ فِي ضَلَالٍ مُبِينٍ ﴿٣٨﴾
যেদিন তারা আমার কাছে আসবে সেদিন কতই না স্পষ্টভাবে তারা শুনতে পাবে আর দেখতে পাবে। কিন্তু যালিমরা আজ স্পষ্ট গুমরাহীর মধ্যে পড়ে আছে। [তাইসিরুল কুরআন]
যেদিন যালিমরা আল্লাহর নিকট উপস্থিত হবে, সেদিন তারা অত্যন্ত স্পষ্ট দেখতে পাবে।
মারইয়াম, ১৯:৩৮ ⋮
أَسْمِعْ بِهِمْ وَأَبْصِرْ يَوْمَ يَأْتُونَنَا لَكِنِ الظَّالِمُونَ الْيَوْمَ فِي ضَلَالٍ مُبِينٍ ﴿٣٨﴾
যেদিন তারা আমার কাছে আসবে সেদিন কতই না স্পষ্টভাবে তারা শুনতে পাবে আর দেখতে পাবে। কিন্তু যালিমরা আজ স্পষ্ট গুমরাহীর মধ্যে পড়ে আছে। [তাইসিরুল কুরআন]
অতঃপর আল্লাহ প্রত্যেক দল থেকে তাদেরকে অবশ্যই টেনে বের করবেন, যারা দয়াময়ের বিরুদ্ধে সর্বাধিক অবাধ্য ছিল।
মারইয়াম, ১৯:৬৯ ⋮
ثُمَّ لَنَنْزِعَنَّ مِنْ كُلِّ شِيعَةٍ أَيُّهُمْ أَشَدُّ عَلَى الرَّحْمَنِ عِتِيًّا ﴿٦٩﴾
অতঃপর প্রত্যেক দল হতে দয়াময়ের প্রতি সবচেয়ে অবাধ্যকে অবশ্য অবশ্যই টেনে বের করব। [তাইসিরুল কুরআন]
অবশেষে প্রতিশ্রুত আযাব বা কিয়ামত প্রত্যক্ষ করার পর পথভ্রষ্টরা জানতে পারবে কে মর্যাদায় অধিক নিকৃষ্ট।
মারইয়াম, ১৯:৭৫ ⋮
قُلْ مَنْ كَانَ فِي الضَّلَالَةِ فَلْيَمْدُدْ لَهُ الرَّحْمَنُ مَدًّا حَتَّى إِذَا رَأَوْا مَا يُوعَدُونَ إِمَّا الْعَذَابَ وَإِمَّا السَّاعَةَ فَسَيَعْلَمُونَ مَنْ هُوَ شَرٌّ مَكَانًا وَأَضْعَفُ جُنْدًا ﴿٧٥﴾
বল, যারা গুমরাহীতে পড়ে আছে, দয়াময় তাদের জন্য (রশি) ঢিল দিয়ে দেন, যে পর্যন্ত না তারা দেখতে পাবে যার ওয়া‘দা তাদেরকে দেয়া হচ্ছে- তা শাস্তিই হোক কিংবা ক্বিয়ামতই হোক।’ তখন তারা জানতে পারবে মর্যাদায় কে নিকৃষ্ট আর জনবলে দুর্বল। [তাইসিরুল কুরআন]
অবশেষে প্রতিশ্রুত আযাব বা কিয়ামত প্রত্যক্ষ করার পর পথভ্রষ্টরা জানতে পারবে কে দলবলের দিক থেকে অধিক দুর্বল।
মারইয়াম, ১৯:৭৫ ⋮
قُلْ مَنْ كَانَ فِي الضَّلَالَةِ فَلْيَمْدُدْ لَهُ الرَّحْمَنُ مَدًّا حَتَّى إِذَا رَأَوْا مَا يُوعَدُونَ إِمَّا الْعَذَابَ وَإِمَّا السَّاعَةَ فَسَيَعْلَمُونَ مَنْ هُوَ شَرٌّ مَكَانًا وَأَضْعَفُ جُنْدًا ﴿٧٥﴾
বল, যারা গুমরাহীতে পড়ে আছে, দয়াময় তাদের জন্য (রশি) ঢিল দিয়ে দেন, যে পর্যন্ত না তারা দেখতে পাবে যার ওয়া‘দা তাদেরকে দেয়া হচ্ছে- তা শাস্তিই হোক কিংবা ক্বিয়ামতই হোক।’ তখন তারা জানতে পারবে মর্যাদায় কে নিকৃষ্ট আর জনবলে দুর্বল। [তাইসিরুল কুরআন]
অতঃপর কিয়ামতের দিন কাফিরদের কাছে আত্মপক্ষ সমর্থনের সকল যুক্তি ও খবর অস্পষ্ট হয়ে যাবে।
আল-কাসাস, ২৮:৬৬ ⋮
فَعَمِيَتْ عَلَيْهِمُ الْأَنْبَاءُ يَوْمَئِذٍ فَهُمْ لَا يَتَسَاءَلُونَ ﴿٦٦﴾
সে দিন তাদের কথা বন্ধ হয়ে যাবে, অতঃপর পরস্পরকে জিজ্ঞাসাবাদও করতে পারবে না। [তাইসিরুল কুরআন]
কাফিরদেরকে মুখের উপর ভর দিয়ে জাহান্নামের দিকে একত্রিত করা হবে।
আল-ফুরকান, ২৫:৩৪ ⋮
الَّذِينَ يُحْشَرُونَ عَلَى وُجُوهِهِمْ إِلَى جَهَنَّمَ أُولَئِكَ شَرٌّ مَكَانًا وَأَضَلُّ سَبِيلًا ﴿٣٤﴾
যাদেরকে মুখের ভরে জাহান্নামের পানে একত্রিত করা হবে, তারা মর্যাদার ক্ষেত্রে সবচেয়ে নিকৃষ্ট আর পথের দিক থেকে সবচেয়ে গুমরাহ্। [তাইসিরুল কুরআন]
কাফিররা (বাস্তবতা স্বীকার করে) বলবে, 'হ্যাঁ'।
আস-সাফফাত, ৩৭:১৮ ⋮
قُلْ نَعَمْ وَأَنْتُمْ دَاخِرُونَ ﴿١٨﴾
তাদেরকে বল, ‘হাঁ, এবং তোমরা হবে লাঞ্ছিত।’ [তাইসিরুল কুরআন]
পুনরুত্থিত হওয়ার সাথে সাথেই কাফিররা সবকিছু প্রত্যক্ষ করতে থাকবে।
আস-সাফফাত, ৩৭:১৯ ⋮
فَإِنَّمَا هِيَ زَجْرَةٌ وَاحِدَةٌ فَإِذَا هُمْ يَنْظُرُونَ ﴿١٩﴾
ওটা (হবে) মাত্র একটা প্রচন্ড শব্দ, আর তখনই তারা স্বচক্ষে (সব কিছু) দেখতে পাবে। [তাইসিরুল কুরআন]
হাশরের ময়দানে কাফিরদেরকে তিরস্কার করে প্রশ্ন করা হবে, 'তোমাদের কী হলো যে তোমরা একে অপরকে সাহায্য করছো না?'
আস-সাফফাত, ৩৭:২৫ ⋮
مَا لَكُمْ لَا تَنَاصَرُونَ ﴿٢٥﴾
‘তোমাদের হয়েছে কী, তোমরা পরস্পরকে সাহায্য করছ না কেন?’ [তাইসিরুল কুরআন]
বরং কিয়ামতের দিন কাফিরগণ আত্মসমর্পণকারী হবে।
আস-সাফফাত, ৩৭:২৬ ⋮
بَلْ هُمُ الْيَوْمَ مُسْتَسْلِمُونَ ﴿٢٦﴾
বরং আজ তারা (বিচারের সামনে) আত্মসমপর্ণ করবে। [তাইসিরুল কুরআন]
কাফিরদেরকে তিরস্কারস্বরূপ জিজ্ঞাসা করা হবে, 'এই শাস্তি কি জাদু?'
আত-তূর, ৫২:১৫ ⋮
أَفَسِحْرٌ هَذَا أَمْ أَنْتُمْ لَا تُبْصِرُونَ ﴿١٥﴾
এটা কি যাদু, নাকি তোমরা দেখতে পাচ্ছ না? [তাইসিরুল কুরআন]
কাফিরদেরকে আরও জিজ্ঞাসা করা হবে, 'তোমরা কি এই শাস্তি দেখতে পাচ্ছ না?'
আত-তূর, ৫২:১৫ ⋮
أَفَسِحْرٌ هَذَا أَمْ أَنْتُمْ لَا تُبْصِرُونَ ﴿١٥﴾
এটা কি যাদু, নাকি তোমরা দেখতে পাচ্ছ না? [তাইসিরুল কুরআন]
কিয়ামতের দিন কোনো মানুষ বা জিনকে তাদের পাপ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে না।
আর-রাহমান, ৫৫:৩৯ ⋮
فَيَوْمَئِذٍ لَا يُسْأَلُ عَنْ ذَنْبِهِ إِنْسٌ وَلَا جَانٌّ ﴿٣٩﴾
সে দিন না মানুষকে, না জ্বিনকে তার গুনাহ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হবে। [তাইসিরুল কুরআন]
কিয়ামতের দিন কোনো মানুষ বা জিনকে তাদের পাপ সম্পর্কে প্রশ্ন করা হবে না।
আর-রাহমান, ৫৫:৪০ ⋮
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٤٠﴾
অতএব (হে জ্বিন ও মানুষ!) তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ কোন্ নি‘মাতকে অস্বীকার করবে? [তাইসিরুল কুরআন]
কিয়ামতের দিন কোনো মানুষ বা জ্বিনকে তার পাপ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে না।
আর-রাহমান, ৫৫:৪২ ⋮
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٤٢﴾
অতএব (হে জ্বিন ও মানুষ!) তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ কোন্ নি‘মাতকে অস্বীকার করবে? [তাইসিরুল কুরআন]
কিয়ামতের দিন কাফিরদেরকে কোনো অজুহাত পেশ করতে নিষেধ করা হবে।
আত-তাহরীম, ৬৬:৭ ⋮
يَاأَيُّهَا الَّذِينَ كَفَرُوا لَا تَعْتَذِرُوا الْيَوْمَ إِنَّمَا تُجْزَوْنَ مَا كُنْتُمْ تَعْمَلُونَ ﴿٧﴾
(সেখানে বলা হবে) ওহে যারা কুফুরী করেছ! আজ ওযর পেশ করো না, তোমরা যা করতে তোমাদেরকে তারই প্রতিফল দেয়া হবে। [তাইসিরুল কুরআন]
প্রতিশ্রুত আযাবকে নিকটবর্তী দেখে কাফিরদের চেহারা বিষণ্ণ ও মলিন হয়ে যাবে।
আল-মুলক, ৬৭:২৭ ⋮
فَلَمَّا رَأَوْهُ زُلْفَةً سِيئَتْ وُجُوهُ الَّذِينَ كَفَرُوا وَقِيلَ هَذَا الَّذِي كُنْتُمْ بِهِ تَدَّعُونَ ﴿٢٧﴾
অতঃপর যখন তারা তাকে (অর্থাৎ ক্বিয়ামতকে) নিকটে উপস্থিত দেখতে পাবে, তখন কাফিরদের মুখ মলিন হয়ে যাবে, আর (তাদেরকে) বলা হবে, ‘এই তো (ও‘য়াদা বাস্তবায়িত হয়েছে) যা তোমরা চাচ্ছিলে।’ [তাইসিরুল কুরআন]
সেদিন অস্বীকারকারীদের দৃষ্টি ভয়ে ও অপমানে অবনত থাকবে।
আন-নাযি'আত, ৭৯:৯ ⋮
أَبْصَارُهَا خَاشِعَةٌ ﴿٩﴾
তাদের দৃষ্টি নত হবে, [তাইসিরুল কুরআন]