বিষয়ভিত্তিক কুরআন > কিয়ামতের দিন মানুষের অবস্থা হবে করুন
সেদিন সবাই কবর থেকে উঠবে:
আল-ইনফিতার, ৮২:৪ ⋮
وَإِذَا الْقُبُورُ بُعْثِرَتْ ﴿٤﴾
যখন কবরস্থ মানুষদেরকে উঠানো হবে, [তাইসিরুল কুরআন]
কাফ, ৫০:৪২ ⋮
يَوْمَ يَسْمَعُونَ الصَّيْحَةَ بِالْحَقِّ ذَلِكَ يَوْمُ الْخُرُوجِ ﴿٤٢﴾
যেদিন সমস্ত মানুষ প্রকৃতই শুনতে পাবে এক (ভয়ংকর) ধ্বনি। সেদিনটি হবে (ভূগর্ভ থেকে সকল আত্মার) বের হওয়ার দিন। [তাইসিরুল কুরআন]
তখন আল্লাহর দিকে ডাক পড়বে:
কাফ, ৫০:৪১ ⋮
وَاسْتَمِعْ يَوْمَ يُنَادِي الْمُنَادِي مِنْ مَكَانٍ قَرِيبٍ ﴿٤١﴾
আর শোন, যেদিন এক ঘোষণাকারী (প্রত্যেক ব্যক্তির) নিকটবর্তী স্থান থেকে ডাক দিবে, [তাইসিরুল কুরআন]
আল-ক্বিয়ামাহ, ৭৫:৩০ ⋮
إِلَى رَبِّكَ يَوْمَئِذٍ الْمَسَاقُ ﴿٣٠﴾
সেদিন (সব কিছুর) যাত্রা হবে তোমার প্রতিপালকের পানে। [তাইসিরুল কুরআন]
দেহের সাথে প্রাণ মিলিত হবে:
আত-তাকবীর, ৮১:৭ ⋮
وَإِذَا النُّفُوسُ زُوِّجَتْ ﴿٧﴾
যখন দেহের সঙ্গে আত্মাগুলোকে আবার জুড়ে দেয়া হবে, [তাইসিরুল কুরআন]
মানুষ তাদের রবের দিকে ছুটবে:
ইয়াসীন, ৩৬:৫১ ⋮
وَنُفِخَ فِي الصُّورِ فَإِذَا هُمْ مِنَ الْأَجْدَاثِ إِلَى رَبِّهِمْ يَنْسِلُونَ ﴿٥١﴾
আর যখন শিঙ্গায় ফুঁক দেয়া হবে, তখনই তারা ক্ববর থেকে তাদের পালনকর্তার দিকে ছুটে আসবে। [তাইসিরুল কুরআন]
মানুষ দলে দলে আসবে:
আন-নাবা, ৭৮:১৮ ⋮
يَوْمَ يُنْفَخُ فِي الصُّورِ فَتَأْتُونَ أَفْوَاجًا ﴿١٨﴾
সেদিন শিঙ্গায় ফুঁক দেয়া হবে, আর তোমরা দলে দলে আসবে, [তাইসিরুল কুরআন]
আয-যিলযাল, ৯৯:৬ ⋮
يَوْمَئِذٍ يَصْدُرُ النَّاسُ أَشْتَاتًا لِيُرَوْا أَعْمَالَهُمْ ﴿٦﴾
সেদিন মানুষ বের হবে ভিন্ন ভিন্ন দলে যাতে তাদেরকে তাদের কৃতকর্ম দেখানো যায়, [তাইসিরুল কুরআন]
সেদিন মানুষ বিভিন্ন দলে প্রকাশ পাবে, যাতে তাদেরকে তাদের কৃতক সবাই হতভম্ব হয়ে পড়বে:
ইয়াসীন, ৩৬:৫২ ⋮
قَالُوا يَاوَيْلَنَا مَنْ بَعَثَنَا مِنْ مَرْقَدِنَا هَذَا مَا وَعَدَ الرَّحْمَنُ وَصَدَقَ الْمُرْسَلُونَ ﴿٥٢﴾
তারা বলবে, ‘হায় আমাদের দুর্ভোগ! আমাদেরকে আমাদের ঘুমের জায়গা থেকে কে উঠালো? (তাদেরকে জবাব দেয়া হবে) ‘‘এটা হল তাই- দয়াময় আল্লাহ যার ও‘য়াদা দিয়েছিলেন, আর রসূলগণও সত্য কথাই বলেছিলেন।’ [তাইসিরুল কুরআন]
মানুষ দৌড়াতে শুরু করবে:
আল-মা'আরিজ, ৭০:৪৩ ⋮
يَوْمَ يَخْرُجُونَ مِنَ الْأَجْدَاثِ سِرَاعًا كَأَنَّهُمْ إِلَى نُصُبٍ يُوفِضُونَ ﴿٤٣﴾
যেদিন তারা কবর থেকে বের হবে দ্রুততার সাথে- যেন তারা কোন লক্ষ্যস্থলের দিকে ছুটে চলেছে। [তাইসিরুল কুরআন]
ফেরেশতারা মানুষকে আল্লাহর দিকে হাঁকিয়ে নেবে:
কাফ, ৫০:২১ ⋮
وَجَاءَتْ كُلُّ نَفْسٍ مَعَهَا سَائِقٌ وَشَهِيدٌ ﴿٢١﴾
(সেদিন) প্রত্যেক ব্যক্তি আসবে এমন অবস্থায় যে একজন (ফেরেশতা) তাকে হাঁকিয়ে নিয়ে আসবে আর একজন (ফেরেশতা) থাকবে সাক্ষ্যদাতা হিসেবে। [তাইসিরুল কুরআন]
সবাইকে সমবেত করা হবে:
আল-মুরসালাত, ৭৭:৩৮ ⋮
هَذَا يَوْمُ الْفَصْلِ جَمَعْنَاكُمْ وَالْأَوَّلِينَ ﴿٣٨﴾
এটা চূড়ান্ত ফয়সালার দিন, আমি একত্রিত করেছি তোমাদেরকে আর আগের লোকেদেরকে। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-ওয়াকিয়া, ৫৬:৪৯ ⋮
قُلْ إِنَّ الْأَوَّلِينَ وَالْآخِرِينَ ﴿٤٩﴾
বল- ‘পূর্ববর্তী আর পরবর্তী [তাইসিরুল কুরআন]
আল-ওয়াকিয়া, ৫৬:৫০ ⋮
لَمَجْمُوعُونَ إِلَى مِيقَاتِ يَوْمٍ مَعْلُومٍ ﴿٥٠﴾
অবশ্যই সকলকে একত্রিত করা হবে একটা নির্ধারিত দিনে যা (আল্লাহর) জানা আছে। [তাইসিরুল কুরআন]
একে একে সবাই উপস্থিত হবে:
মারইয়াম, ১৯:৯৩ ⋮
إِنْ كُلُّ مَنْ فِي السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ إِلَّا آتِي الرَّحْمَنِ عَبْدًا ﴿٩٣﴾
আকাশ আর যমীনে এমন কেউ নেই যে, দয়াময়ের নিকট বান্দাহ হয়ে হাযির হবে না। [তাইসিরুল কুরআন]
যেখানেই থাকবে আল্লাহর কাছে আসবে:
আল-বাকারা, ২:১৪৮ ⋮
وَلِكُلٍّ وِجْهَةٌ هُوَ مُوَلِّيهَا فَاسْتَبِقُوا الْخَيْرَاتِ أَيْنَمَا تَكُونُوا يَأْتِ بِكُمُ اللَّهُ جَمِيعًا إِنَّ اللَّهَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ ﴿١٤٨﴾
প্রত্যেকের জন্যই একটা নির্দিষ্ট লক্ষ্য আছে, সেদিকেই সে মুখ করে। কাজেই তোমরা সৎ কাজের দিকে ধাবমান হও। যেখানেই তোমরা অবস্থান কর, আল্লাহ তোমাদের সকলকে একত্রিত করবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ সকল বস্তুর উপর ক্ষমতাবান। [তাইসিরুল কুরআন]
রাসূলদেরকেও উপস্থিত করা হবে:
আল-মুরসালাত, ৭৭:১১ ⋮
وَإِذَا الرُّسُلُ أُقِّتَتْ ﴿١١﴾
যখন (হাশরের মাঠে) রসূলগণের একত্রিত হওয়ার সময় এসে পড়বে। [তাইসিরুল কুরআন]
সবাই আল্লাহর প্রশংসা করবে:
আল-ইসরা, ১৭:৫২ ⋮
يَوْمَ يَدْعُوكُمْ فَتَسْتَجِيبُونَ بِحَمْدِهِ وَتَظُنُّونَ إِنْ لَبِثْتُمْ إِلَّا قَلِيلًا ﴿٥٢﴾
যে দিন তিনি তোমাদেরকে ডাকবেন আর তোমরা তাঁর প্রশংসা করতে করতে তাঁর ডাকে সাড়া দিবে আর তোমরা ধারণা করবে যে, তোমরা খুব অল্প সময়ই অবস্থান করেছিলে। [তাইসিরুল কুরআন]
সবাই কাতারবন্দী হয়ে আল্লাহর সামনে দাঁড়াবে:
আল-কাহফ, ১৮:৪৮ ⋮
وَعُرِضُوا عَلَى رَبِّكَ صَفًّا لَقَدْ جِئْتُمُونَا كَمَا خَلَقْنَاكُمْ أَوَّلَ مَرَّةٍ بَلْ زَعَمْتُمْ أَلَّنْ نَجْعَلَ لَكُمْ مَوْعِدًا ﴿٤٨﴾
তাদেরকে তোমার প্রতিপালকের সামনে সারিবদ্ধভাবে হাজির করা হবে (আর তাদেরকে বলা হবে), ‘তোমরা আমার কাছে এসেছ তেমনিভাবে যেভাবে আমি তোমাদেরকে প্রথমবার সৃষ্টি করেছিলাম। কিন্তু তোমরা তো ধারণা করেছিলে যে, আমার কাছে তোমাদের সাক্ষাতের নির্দিষ্টকাল আমি কক্ষনো উপস্থিত করব না।’ [তাইসিরুল কুরআন]
আল-মুতাফফিফীন, ৮৩:৬ ⋮
يَوْمَ يَقُومُ النَّاسُ لِرَبِّ الْعَالَمِينَ ﴿٦﴾
যেদিন মানুষ বিশ্বজগতের প্রতিপালকের সামনে দাঁড়াবে। [তাইসিরুল কুরআন]
সবাই নিরব ও নিস্তব্ধ হয়ে পড়বে:
ত্ব-হা, ২০:১০৮ ⋮
يَوْمَئِذٍ يَتَّبِعُونَ الدَّاعِيَ لَا عِوَجَ لَهُ وَخَشَعَتِ الْأَصْوَاتُ لِلرَّحْمَنِ فَلَا تَسْمَعُ إِلَّا هَمْسًا ﴿١٠٨﴾
সেদিন তারা (সোজাসুজি) আহবানকারীর অনুসরণ করবে যার কথা এদিক ওদিক হবে না। দয়াময়ের সম্মুখে সেদিন যাবতীয় আওয়াজ স্তব্ধ হয়ে যাবে (এমনভাবে) যে মৃদু গুঞ্জন ছাড়া তুমি কিছুই শুনবে না। [তাইসিরুল কুরআন]
ত্ব-হা, ২০:১১১ ⋮
وَعَنَتِ الْوُجُوهُ لِلْحَيِّ الْقَيُّومِ وَقَدْ خَابَ مَنْ حَمَلَ ظُلْمًا ﴿١١١﴾
চিরঞ্জীব চিরস্থায়ীর সম্মুখে সকলেই হবে অধোমুখী, আর সে ব্যর্থ হবে যে যুলমের (পাপের) ভার বহন করবে। [তাইসিরুল কুরআন]
জমিন ভেতরের সবকিছু বের করে দেবে:
আল-ইনশিকাক, ৮৪:৩ ⋮
وَإِذَا الْأَرْضُ مُدَّتْ ﴿٣﴾
এবং যমীনকে যখন প্রসারিত করা হবে, [তাইসিরুল কুরআন]
আল-ইনশিকাক, ৮৪:৪ ⋮
وَأَلْقَتْ مَا فِيهَا وَتَخَلَّتْ ﴿٤﴾
আর তা তার ভেতরে যা আছে তা বাইরে নিক্ষেপ করবে ও খালি হয়ে যাবে। [তাইসিরুল কুরআন]
আয-যিলযাল, ৯৯:২ ⋮
وَأَخْرَجَتِ الْأَرْضُ أَثْقَالَهَا ﴿٢﴾
পৃথিবী তার (ভেতরের যাবতীয়) বোঝা বাইরে নিক্ষেপ করবে, [তাইসিরুল কুরআন]
পৃথিবী সকল সংবাদ বলে দেবে:
আয-যিলযাল, ৯৯:৪ ⋮
يَوْمَئِذٍ تُحَدِّثُ أَخْبَارَهَا ﴿٤﴾
সে দিন পৃথিবী তার (নিজের উপর সংঘটিত) বৃত্তান্ত বর্ণনা করবে, [তাইসিরুল কুরআন]
আয-যিলযাল, ৯৯:৫ ⋮
بِأَنَّ رَبَّكَ أَوْحَى لَهَا ﴿٥﴾
কারণ তোমার প্রতিপালক তাকে আদেশ করবেন, [তাইসিরুল কুরআন]
কোন জিনিস গোপন থাকবে না:
আল-হাক্কাহ, ৬৯:১৮ ⋮
يَوْمَئِذٍ تُعْرَضُونَ لَا تَخْفَى مِنْكُمْ خَافِيَةٌ ﴿١٨﴾
সেদিন তোমাদেরকে (বিচারের জন্য) হাজির করা হবে আর তোমাদের কোন কাজই- যা তোমরা গোপন কর- গোপন থাকবে না। [তাইসিরুল কুরআন]
গাফির, ৪০:১৬ ⋮
يَوْمَ هُمْ بَارِزُونَ لَا يَخْفَى عَلَى اللَّهِ مِنْهُمْ شَيْءٌ لِمَنِ الْمُلْكُ الْيَوْمَ لِلَّهِ الْوَاحِدِ الْقَهَّارِ ﴿١٦﴾
মানুষ যেদিন (ক্ববর থেকে) বের হয়ে আসবে, আল্লাহর কাছে তাদের কোন কিছুই গোপন থাকবে না। (সেদিন ঘোষণা দেয়া হবে) আজ একচ্ছত্র কর্তৃত্ব কার? (উত্তর আসবে) এক ও একক মহাপরাক্রমশালী আল্লাহর। [তাইসিরুল কুরআন]
মানুষের অন্তরের বিষয় প্রকাশ করে দেয়া হবে:
আদিয়াত, ১০০:১০ ⋮
وَحُصِّلَ مَا فِي الصُّدُورِ ﴿١٠﴾
আর অন্তরে যা (কিছু লুকানো) আছে তা প্রকাশ করা হবে, [তাইসিরুল কুরআন]
মানুষ অদৃশ্য বিষয়াবলি দেখতে পাবে:
কাফ, ৫০:২২ ⋮
لَقَدْ كُنْتَ فِي غَفْلَةٍ مِنْ هَذَا فَكَشَفْنَا عَنْكَ غِطَاءَكَ فَبَصَرُكَ الْيَوْمَ حَدِيدٌ ﴿٢٢﴾
(বলা হবে) ‘এ দিন সম্পর্কে তুমি ছিলে উদাসীন। তোমার সামনে যে পর্দা ছিল তা আমি সরিয়ে দিয়েছি। (সে কারণে) তোমার দৃষ্টি আজ খুব তীক্ষ্ম। [তাইসিরুল কুরআন]
প্রত্যেকেই নিজের অবস্থা বুঝে নেবে:
আল-ক্বিয়ামাহ, ৭৫:১৪ ⋮
بَلِ الْإِنْسَانُ عَلَى نَفْسِهِ بَصِيرَةٌ ﴿١٤﴾
আসলে মানুষ নিজেই নিজের সম্পর্কে চাক্ষুসভাবে অবগত। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-ক্বিয়ামাহ, ৭৫:১৫ ⋮
وَلَوْ أَلْقَى مَعَاذِيرَهُ ﴿١٥﴾
যদিও সে নানান অজুহাত পেশ করে। [তাইসিরুল কুরআন]
মানুষ তিন দলে বিভক্ত হবে:
আল-ওয়াকিয়া, ৫৬:৭ ⋮
وَكُنْتُمْ أَزْوَاجًا ثَلَاثَةً ﴿٧﴾
আর তোমরা হবে তিন অংশে বিভক্ত, [তাইসিরুল কুরআন]
আল-ওয়াকিয়া, ৫৬:৮ ⋮
فَأَصْحَابُ الْمَيْمَنَةِ مَا أَصْحَابُ الْمَيْمَنَةِ ﴿٨﴾
তখন (হবে) ডান দিকের একটি দল; কত ভাগ্যবান ডান দিকের দল। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-ওয়াকিয়া, ৫৬:১০ ⋮
وَالسَّابِقُونَ السَّابِقُونَ ﴿١٠﴾
আর (ঈমানে) অগ্রবর্তীরা তো (পরকালেও) অগ্রবর্তী, [তাইসিরুল কুরআন]
আল-ওয়াকিয়া, ৫৬:৪১ ⋮
وَأَصْحَابُ الشِّمَالِ مَا أَصْحَابُ الشِّمَالِ ﴿٤١﴾
আর বাম দিকের দল, কত হতভাগ্য বামদিকের দল! [তাইসিরুল কুরআন]
মানুষ পতঙ্গের মতো ভিড় জমাবে :
আল-কারি'আ, ১০১:৪ ⋮
يَوْمَ يَكُونُ النَّاسُ كَالْفَرَاشِ الْمَبْثُوثِ ﴿٤﴾
সে দিন মানুষ হবে বিক্ষিপ্ত পতঙ্গের মত [তাইসিরুল কুরআন]
আল-কামার, ৫৪:৬ ⋮
فَتَوَلَّ عَنْهُمْ يَوْمَ يَدْعُو الدَّاعِيَ إِلَى شَيْءٍ نُكُرٍ ﴿٦﴾
কাজেই (হে নবী) তুমি তাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নাও (আর অপেক্ষা কর সে দিনের) যেদিন এক আহবানকারী (তাদেরকে) আহবান করবে এক ভয়াবহ বিষয়ের দিকে। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-কামার, ৫৪:৭ ⋮
خُشَّعًا أَبْصَارُهُمْ يَخْرُجُونَ مِنَ الْأَجْدَاثِ كَأَنَّهُمْ جَرَادٌ مُنْتَشِرٌ ﴿٧﴾
ভীত-শংকিত চোখে তারা তাদের কবর থেকে বের হয়ে আসবে- যেন তারা বিক্ষিপ্ত পঙ্গপাল। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-কামার, ৫৪:৮ ⋮
مُهْطِعِينَ إِلَى الدَّاعِي يَقُولُ الْكَافِرُونَ هَذَا يَوْمٌ عَسِرٌ ﴿٨﴾
ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে তারা আহবানকারীর দিকে ছুটে আসবে। কাফিররা বলবে- ‘‘কঠিন এ দিন’’। [তাইসিরুল কুরআন]
মানুষ পালানোর চেষ্টা করবে:
আল-ক্বিয়ামাহ, ৭৫:১০ ⋮
يَقُولُ الْإِنْسَانُ يَوْمَئِذٍ أَيْنَ الْمَفَرُّ ﴿١٠﴾
সেদিন মানুষ বলবে- ‘আজ পালানোর জায়গা কোথায়?’ [তাইসিরুল কুরআন]
আল-ক্বিয়ামাহ, ৭৫:১১ ⋮
كَلَّا لَا وَزَرَ ﴿١١﴾
মোটেই না, আশ্রয়ের কোন জায়গা নেই। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-ক্বিয়ামাহ, ৭৫:১২ ⋮
إِلَى رَبِّكَ يَوْمَئِذٍ الْمُسْتَقَرُّ ﴿١٢﴾
সেদিন ঠাঁই হবে (একমাত্র) তোমার প্রতিপালকেরই নিকট। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-ক্বিয়ামাহ, ৭৫:১৩ ⋮
يُنَبَّأُ الْإِنْسَانُ يَوْمَئِذٍ بِمَا قَدَّمَ وَأَخَّرَ ﴿١٣﴾
সেদিন মানুষকে জানিয়ে দেয়া হবে সে কী (‘আমাল) আগে পাঠিয়েছে আর কী পেছনে ছেড়ে এসেছে। [তাইসিরুল কুরআন]
গাফির, ৪০:৩২ ⋮
وَيَا قَوْمِ إِنِّي أَخَافُ عَلَيْكُمْ يَوْمَ التَّنَادِ ﴿٣٢﴾
হে আমার জাতি! আমি আশঙ্কা করছি তোমাদের আর্ত চিৎকার আর কান্নাকাটি করার একটি দিনের। [তাইসিরুল কুরআন]
গাফির, ৪০:৩৩ ⋮
يَوْمَ تُوَلُّونَ مُدْبِرِينَ مَا لَكُمْ مِنَ اللَّهِ مِنْ عَاصِمٍ وَمَنْ يُضْلِلِ اللَّهُ فَمَا لَهُ مِنْ هَادٍ ﴿٣٣﴾
যেদিন তোমরা পিছন ফিরে পালিয়ে যাবে। কিন্তু আল্লাহ (’র কব্জা) থেকে তোমাদের রক্ষাকারী কেউ হবে না, আর আল্লাহ যাকে বিপথগামী করেন, তার জন্য কোন পথপ্রদর্শনকারী নেই। [তাইসিরুল কুরআন]
সেদিন শিশু বৃদ্ধ হয়ে যাবে:
আল-মুযযাম্মিল, ৭৩:১৭ ⋮
فَكَيْفَ تَتَّقُونَ إِنْ كَفَرْتُمْ يَوْمًا يَجْعَلُ الْوِلْدَانَ شِيبًا ﴿١٧﴾
অতএব তোমরা যদি (এই রসূলকে) অস্বীকার কর, তাহলে তোমরা কীভাবে সেদিন আত্মরক্ষা করবে যেদিনটি (তার ভীষণতা ও ভয়াবহতায়) বালককে ক’রে দেবে বুড়ো। [তাইসিরুল কুরআন]
চক্ষু স্থির হয়ে যাবে:
আল-ক্বিয়ামাহ, ৭৫:৭ ⋮
فَإِذَا بَرِقَ الْبَصَرُ ﴿٧﴾
যখন চোখ ধাঁধিয়ে যাবে, [তাইসিরুল কুরআন]
ইবরাহীম, ১৪:৪২ ⋮
وَلَا تَحْسَبَنَّ اللَّهَ غَافِلًا عَمَّا يَعْمَلُ الظَّالِمُونَ إِنَّمَا يُؤَخِّرُهُمْ لِيَوْمٍ تَشْخَصُ فِيهِ الْأَبْصَارُ ﴿٤٢﴾
যালিমরা যা করছে সে ব্যাপারে তোমরা আল্লাহকে কক্ষনো উদাসীন মনে কর না। তিনি তাদেরকে সেদিন পর্যন্ত ঢিল দিচ্ছেন যেদিন ভয়ে আতঙ্কে চক্ষু স্থির হয়ে যাবে। [তাইসিরুল কুরআন]
যেদিন তাদের চক্ষু প্রাণ বেরিয়ে যাওয়ার উপক্রম হবে:
গাফির, ৪০:১৮ ⋮
وَأَنْذِرْهُمْ يَوْمَ الْآزِفَةِ إِذِ الْقُلُوبُ لَدَى الْحَنَاجِرِ كَاظِمِينَ مَا لِلظَّالِمِينَ مِنْ حَمِيمٍ وَلَا شَفِيعٍ يُطَاعُ ﴿١٨﴾
তাদেরকে সতর্ক কর সেই ঘনিয়ে আসা দিন সম্পর্কে যখন ওষ্ঠাগত প্রাণ নিয়ে তারা দুঃখ-কষ্ট সংবরণ করবে। যালিমদের জন্য কোন অন্তরঙ্গ বন্ধু থাকবে না, এমন কোন সুপারিশকারীও থাকবে না যার কথা গ্রহণ করা হবে। [তাইসিরুল কুরআন]
ইবরাহীম, ১৪:৪৩ ⋮
مُهْطِعِينَ مُقْنِعِي رُءُوسِهِمْ لَا يَرْتَدُّ إِلَيْهِمْ طَرْفُهُمْ وَأَفْئِدَتُهُمْ هَوَاءٌ ﴿٤٣﴾
আতঙ্কিত হয়ে মাথা তুলে পালাতে থাকবে, দৃষ্টি তাদের নিজেদের পানে ফিরে আসবে না, আর তাদের দিল উড়ে যাবে। [তাইসিরুল কুরআন]
অন্তর কাঁপতে থাকবে:
আন-নাযি'আত, ৭৯:৭ ⋮
تَتْبَعُهَا الرَّادِفَةُ ﴿٧﴾
তারপর আসবে আরেকটি ভূকম্পন। [তাইসিরুল কুরআন]
আন-নাযি'আত, ৭৯:৮ ⋮
قُلُوبٌ يَوْمَئِذٍ وَاجِفَةٌ ﴿٨﴾
কত হৃদয় সে দিন ভয়ে ভীত হয়ে পড়বে, [তাইসিরুল কুরআন]
সবাই নতজানু হয়ে পড়ে থাকবে:
আল-জাসিয়া, ৪৫:২৮ ⋮
وَتَرَى كُلَّ أُمَّةٍ جَاثِيَةً كُلُّ أُمَّةٍ تُدْعَى إِلَى كِتَابِهَا الْيَوْمَ تُجْزَوْنَ مَا كُنْتُمْ تَعْمَلُونَ ﴿٢٨﴾
আর প্রত্যেক সম্প্রদায়কে দেখবে নতজানু হয়ে আছে। প্রত্যেক সম্প্রদায়কে তার ‘আমালনামার পানে আহবান করা হবে। (আর বলা হবে) তোমরা যা করতে আজ তার প্রতিফল দেয়া হবে। [তাইসিরুল কুরআন]
মানুষ জেনে নেবে যে, সে কী নিয়ে এসেছে এবং কী রেখে গেছে:
আত-তাকবীর, ৮১:১৪ ⋮
عَلِمَتْ نَفْسٌ مَا أَحْضَرَتْ ﴿١٤﴾
তখন প্রত্যেক ব্যক্তি জানতে পারবে সে কী (সঙ্গে) নিয়ে এসেছে। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-ইনফিতার, ৮২:৫ ⋮
عَلِمَتْ نَفْسٌ مَا قَدَّمَتْ وَأَخَّرَتْ ﴿٥﴾
তখন প্রত্যেকে জেনে নিবে সে কী আগে পাঠিয়েছিল, আর কী পেছনে ছেড়ে এসেছিল। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-ক্বিয়ামাহ, ৭৫:১৩ ⋮
يُنَبَّأُ الْإِنْسَانُ يَوْمَئِذٍ بِمَا قَدَّمَ وَأَخَّرَ ﴿١٣﴾
সেদিন মানুষকে জানিয়ে দেয়া হবে সে কী (‘আমাল) আগে পাঠিয়েছে আর কী পেছনে ছেড়ে এসেছে। [তাইসিরুল কুরআন]
মানুষ তার পাপ-পুণ্য সবই দেখতে পাবে:
আয-যিলযাল, ৯৯:৭ ⋮
فَمَنْ يَعْمَلْ مِثْقَالَ ذَرَّةٍ خَيْرًا يَرَهُ ﴿٧﴾
অতএব কেউ অণু পরিমাণও সৎ কাজ করলে সে তা দেখবে, [তাইসিরুল কুরআন]
আয-যিলযাল, ৯৯:৮ ⋮
وَمَنْ يَعْمَلْ مِثْقَالَ ذَرَّةٍ شَرًّا يَرَهُ ﴿٨﴾
আর কেউ অণু পরিমাণও অসৎ কাজ করলে সেও তা দেখবে। [তাইসিরুল কুরআন]
কিয়ামতের দিন মানুষ কোন প্রভাব খাটাতে পারবে না:
আত-তারিক, ৮৬:১০ ⋮
فَمَا لَهُ مِنْ قُوَّةٍ وَلَا نَاصِرٍ ﴿١٠﴾
সেদিন মানুষের না থাকবে নিজের কোন সামর্থ্য, আর না থাকবে কোন সাহায্যকারী। [তাইসিরুল কুরআন]
কোন কৌশল কাজে লাগবে না:
আত-তূর, ৫২:৪৫ ⋮
فَذَرْهُمْ حَتَّى يُلَاقُوا يَوْمَهُمُ الَّذِي فِيهِ يُصْعَقُونَ ﴿٤٥﴾
কাজেই তাদেরকে উপেক্ষা কর যতক্ষণ না তারা সাক্ষাৎ করে তাদের সেদিনের যেদিন তারা হবে বজ্রাহত। [তাইসিরুল কুরআন]
আত-তূর, ৫২:৪৬ ⋮
يَوْمَ لَا يُغْنِي عَنْهُمْ كَيْدُهُمْ شَيْئًا وَلَا هُمْ يُنْصَرُونَ ﴿٤٦﴾
সেদিন তাদের ষড়যন্ত্র তাদের কোন কাজে আসবে না, আর তারা সাহায্যপ্রাপ্তও হবে না। [তাইসিরুল কুরআন]
কিয়ামতের দিন কেউ কাউকে বাঁচাতে পারবে না:
আল-ইনফিতার, ৮২:১৯ ⋮
يَوْمَ لَا تَمْلِكُ نَفْسٌ لِنَفْسٍ شَيْئًا وَالْأَمْرُ يَوْمَئِذٍ لِلَّهِ ﴿١٩﴾
সেদিন কোন মানুষ অপরের জন্য কিছু করার সামর্থ্য রাখবে না, সেদিন সকল কর্তৃত্ব থাকবে একমাত্র আল্লাহরই (ইখতিয়ারে)। [তাইসিরুল কুরআন]
আদ-দুখান, ৪৪:৪০ ⋮
إِنَّ يَوْمَ الْفَصْلِ مِيقَاتُهُمْ أَجْمَعِينَ ﴿٤٠﴾
ফয়সালার দিনটি তাদের সবারই নির্ধারিত সময় । [তাইসিরুল কুরআন]
আদ-দুখান, ৪৪:৪১ ⋮
يَوْمَ لَا يُغْنِي مَوْلًى عَنْ مَوْلًى شَيْئًا وَلَا هُمْ يُنْصَرُونَ ﴿٤١﴾
যেদিন বন্ধু বন্ধুর কোন উপকারে আসবে না, আর তাদেরকে সাহায্যও করা হবে না। [তাইসিরুল কুরআন]
আদ-দুখান, ৪৪:৪২ ⋮
إِلَّا مَنْ رَحِمَ اللَّهُ إِنَّهُ هُوَ الْعَزِيزُ الرَّحِيمُ ﴿٤٢﴾
তবে আল্লাহ যার প্রতি রহমত করবেন তার কথা আলাদা। তিনি মহাপরাক্রান্ত, বড়ই দয়ালু। [তাইসিরুল কুরআন]
সেদিন সকলেই আত্মীয়স্বজন থেকে পলায়ন করবে:
আল-মুমিনুন, ২৩:১০১ ⋮
فَإِذَا نُفِخَ فِي الصُّورِ فَلَا أَنْسَابَ بَيْنَهُمْ يَوْمَئِذٍ وَلَا يَتَسَاءَلُونَ ﴿١٠١﴾
অতঃপর যখন শিঙ্গায় ফুঁ দেয়া হবে সেদিন তাদের পরস্পরের মাঝে আত্মীয় বন্ধন থাকবে না। একে অপরের কাছে জিজ্ঞেসও করবে না। [তাইসিরুল কুরআন]
আবাসা, ৮০:৩৩ ⋮
فَإِذَا جَاءَتِ الصَّاخَّةُ ﴿٣٣﴾
অবশেষে যখন কান-ফাটানো শব্দ আসবে; [তাইসিরুল কুরআন]
আবাসা, ৮০:৩৪ ⋮
يَوْمَ يَفِرُّ الْمَرْءُ مِنْ أَخِيهِ ﴿٣٤﴾
সেদিন মানুষ পালিয়ে যাবে তার ভাই থেকে, [তাইসিরুল কুরআন]
আবাসা, ৮০:৩৫ ⋮
وَأُمِّهِ وَأَبِيهِ ﴿٣٥﴾
তার মা, তার বাপ, [তাইসিরুল কুরআন]
আবাসা, ৮০:৩৬ ⋮
وَصَاحِبَتِهِ وَبَنِيهِ ﴿٣٦﴾
তার স্ত্রী ও তার সন্তান থেকে, [তাইসিরুল কুরআন]
সবাই আত্মরক্ষার চিন্তায় মগ্ন থাকবে:
আবাসা, ৮০:৩৭ ⋮
لِكُلِّ امْرِئٍ مِنْهُمْ يَوْمَئِذٍ شَأْنٌ يُغْنِيهِ ﴿٣٧﴾
সেদিন তাদের প্রত্যেকেই নিজেকে নিয়ে ব্যতিব্যস্ত থাকবে। [তাইসিরুল কুরআন]
কেউ কারো পাপের বোঝা বহন করবে না:
আল-আন'আম, ৬:১৬৪ ⋮
قُلْ أَغَيْرَ اللَّهِ أَبْغِي رَبًّا وَهُوَ رَبُّ كُلِّ شَيْءٍ وَلَا تَكْسِبُ كُلُّ نَفْسٍ إِلَّا عَلَيْهَا وَلَا تَزِرُ وَازِرَةٌ وِزْرَ أُخْرَى ثُمَّ إِلَى رَبِّكُمْ مَرْجِعُكُمْ فَيُنَبِّئُكُمْ بِمَا كُنْتُمْ فِيهِ تَخْتَلِفُونَ ﴿١٦٤﴾
আমি কি আল্লাহকে ছেড়ে অন্য প্রতিপালক তালাশ করব? (অথচ প্রকৃতপক্ষে) তিনিই সব কিছুর প্রতিপালক। প্রত্যেক ব্যক্তি যা অর্জন করে তার জন্য সে নিজেই দায়ী হবে। কোন ভারবহনকারীই অন্যের গুনাহের ভার বহন করবে না। অবশেষে তোমাদের প্রত্যাবর্তন স্থল তোমাদের প্রতিপালকের নিকটেই, তখন তিনি তোমাদেরকে জানিয়ে দেবেন যে সকল বিষয়ে তোমরা মতভেদে লিপ্ত ছিলে (সে সব বিষয়ে প্রকৃত সত্য কোনটি)। [তাইসিরুল কুরআন]
ফাতির, ৩৫:১৮ ⋮
وَلَا تَزِرُ وَازِرَةٌ وِزْرَ أُخْرَى وَإِنْ تَدْعُ مُثْقَلَةٌ إِلَى حِمْلِهَا لَا يُحْمَلْ مِنْهُ شَيْءٌ وَلَوْ كَانَ ذَا قُرْبَى إِنَّمَا تُنْذِرُ الَّذِينَ يَخْشَوْنَ رَبَّهُمْ بِالْغَيْبِ وَأَقَامُوا الصَّلَاةَ وَمَنْ تَزَكَّى فَإِنَّمَا يَتَزَكَّى لِنَفْسِهِ وَإِلَى اللَّهِ الْمَصِيرُ ﴿١٨﴾
কোন বহনকারী অন্যের (পাপের) বোঝা বইবে না। কেউ যদি তার গুরুভার বয়ে দেয়ার জন্য অন্যকে ডাকে তবে তার কিছুই বয়ে দেয়া হবে না- নিকটাত্মীয় হলেও। তুমি কেবল তাদেরকেই সতর্ক করতে পার, যারা না দেখেই তাদের প্রতিপালককে ভয় করে আর নামায প্রতিষ্ঠা করে। যে কেউ নিজেকে পরিশুদ্ধ করে সে তো পরিশুদ্ধ করে নিজের কল্যাণেই। আল্লাহর দিকেই (সকলের) প্রত্যাবর্তন। [তাইসিরুল কুরআন]
কোন অভিভাবক ও সাহায্যকারী থাকবে না:
আশ-শূরা, ৪২:৪৬ ⋮
وَمَا كَانَ لَهُمْ مِنْ أَوْلِيَاءَ يَنْصُرُونَهُمْ مِنْ دُونِ اللَّهِ وَمَنْ يُضْلِلِ اللَّهُ فَمَا لَهُ مِنْ سَبِيلٍ ﴿٤٦﴾
তাদের কোন অভিভাবক থাকবে না আল্লাহ্ ব্যতীত যারা তাদেরকে সাহায্য করতে পারে। আল্লাহ যাকে পথভ্রষ্ট করেন তার (শাস্তি থেকে বাঁচার) কোন রাস্তা নেই। [তাইসিরুল কুরআন]
সেদিন কোন আশ্রয়স্থলও থাকবে না:
আশ-শূরা, ৪২:৪৭ ⋮
اسْتَجِيبُوا لِرَبِّكُمْ مِنْ قَبْلِ أَنْ يَأْتِيَ يَوْمٌ لَا مَرَدَّ لَهُ مِنَ اللَّهِ مَا لَكُمْ مِنْ مَلْجَإٍ يَوْمَئِذٍ وَمَا لَكُمْ مِنْ نَكِيرٍ ﴿٤٧﴾
তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কথায় সাড়া দাও সেই দিন আসার পূর্বে আল্লাহ (’র হুকুমে যা সংঘটিত হওয়া) থেকে ফিরিয়ে রাখার কেউ নেই। সেদিন তোমাদের জন্য আশ্রয়স্থল থাকবে না, থাকবে না তোমাদের জন্য কোন প্রতিরোধকারী। [তাইসিরুল কুরআন]
কোন বিনিময় ও সুপারিশও কাজে আসবে না:
আল-বাকারা, ২:১২৩ ⋮
وَاتَّقُوا يَوْمًا لَا تَجْزِي نَفْسٌ عَنْ نَفْسٍ شَيْئًا وَلَا يُقْبَلُ مِنْهَا عَدْلٌ وَلَا تَنْفَعُهَا شَفَاعَةٌ وَلَا هُمْ يُنْصَرُونَ ﴿١٢٣﴾
আর তোমরা সেই দিনের ভয় কর, যে দিন কেউ কারো কোন কাজে আসবে না এবং কারো পক্ষ হতে কোন ক্ষতিপূরণ গ্রহণ করা হবে না এবং কারও সুপারিশ ফল দিবে না এবং তারা সাহায্যপ্রাপ্তও হবে না। [তাইসিরুল কুরআন]
কিয়ামতের দিন বন্ধু বন্ধুর খবর নেবে না:
আল-মা'আরিজ, ৭০:১০ ⋮
وَلَا يَسْأَلُ حَمِيمٌ حَمِيمًا ﴿١٠﴾
বন্ধু বন্ধুর খবর নিবে না, [তাইসিরুল কুরআন]
মুত্তাক্বীরা ব্যতীত অন্যান্য বন্ধুরা একে অপরের শত্রু হয়ে যাবে:
আয-যুখরুফ, ৪৩:৬৭ ⋮
الْأَخِلَّاءُ يَوْمَئِذٍ بَعْضُهُمْ لِبَعْضٍ عَدُوٌّ إِلَّا الْمُتَّقِينَ ﴿٦٧﴾
বন্ধুরা সেদিন হয়ে যাবে একজন আরেকজনের দুশমন, তবে মুত্তাকীরা ছাড়া। [তাইসিরুল কুরআন]
সেদিন ক্রয়-বিক্রয় কিছুই থাকবে না:
আল-বাকারা, ২:২৫৪ ⋮
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا أَنْفِقُوا مِمَّا رَزَقْنَاكُمْ مِنْ قَبْلِ أَنْ يَأْتِيَ يَوْمٌ لَا بَيْعٌ فِيهِ وَلَا خُلَّةٌ وَلَا شَفَاعَةٌ وَالْكَافِرُونَ هُمُ الظَّالِمُونَ ﴿٢٥٤﴾
হে ঈমানদারগণ! আমার দেয়া জীবিকা থেকে খরচ কর সেদিন আসার পূর্বে যেদিন কোন বিক্রয়, বন্ধুত্ব এবং সুপারিশ কাজে আসবে না। বস্তুতঃ কাফিরগণই অত্যাচারী। [তাইসিরুল কুরআন]
মাতা-পিতা ও সন্তান-সন্ততি কেউ কারো উপকার করতে পারবে না:
লুকমান, ৩১:৩৩ ⋮
يَا أَيُّهَا النَّاسُ اتَّقُوا رَبَّكُمْ وَاخْشَوْا يَوْمًا لَا يَجْزِي وَالِدٌ عَنْ وَلَدِهِ وَلَا مَوْلُودٌ هُوَ جَازٍ عَنْ وَالِدِهِ شَيْئًا إِنَّ وَعْدَ اللَّهِ حَقٌّ فَلَا تَغُرَّنَّكُمُ الْحَيَاةُ الدُّنْيَا وَلَا يَغُرَّنَّكُمْ بِاللَّهِ الْغَرُورُ ﴿٣٣﴾
হে মানুষ! তোমাদের প্রতিপালককে ভয় কর আর ভয় কর সে দিনের, যেদিন পিতা তার সন্তানের কোন উপকার করতে পারবে না। সন্তানও পিতার কোনই উপকার করতে পারবে না। আল্লাহর ও‘য়াদা সত্য, কাজেই পার্থিব জীবন যেন কিছুতেই তোমাদেরকে ধোঁকায় ফেলতে না পারে আর প্রধান প্রতারক (শয়ত্বান) যেন কিছুতেই তোমাদেরকে আল্লাহ্ সম্পর্কে প্রতারিত না করে। [তাইসিরুল কুরআন]
মানুষ হতভম্ব হয়ে পড়বে ।
আয-যিলযাল, ৯৯:২ ⋮
وَأَخْرَجَتِ الْأَرْضُ أَثْقَالَهَا ﴿٢﴾
পৃথিবী তার (ভেতরের যাবতীয়) বোঝা বাইরে নিক্ষেপ করবে, [তাইসিরুল কুরআন]
আয-যিলযাল, ৯৯:১ ⋮
إِذَا زُلْزِلَتِ الْأَرْضُ زِلْزَالَهَا ﴿١﴾
পৃথিবীকে যখন তার প্রচন্ড কম্পনে কাঁপিয়ে দেয়া হবে, [তাইসিরুল কুরআন]
আয-যিলযাল, ৯৯:৩ ⋮
وَقَالَ الْإِنْسَانُ مَا لَهَا ﴿٣﴾
এবং মানুষ বলবে ‘এর কী হয়েছে?’ [তাইসিরুল কুরআন]
আরাফবাসীরা জাহান্নামের কিছু নেতাকে তাদের চিহ্ন দ্বারা চিনে ডেকে বলবে।
আল-আ'রাফ, ৭:৪৮ ⋮
وَنَادَى أَصْحَابُ الْأَعْرَافِ رِجَالًا يَعْرِفُونَهُمْ بِسِيمَاهُمْ قَالُوا مَا أَغْنَى عَنْكُمْ جَمْعُكُمْ وَمَا كُنْتُمْ تَسْتَكْبِرُونَ ﴿٤٨﴾
আ‘রাফবাসীরা যাদেরকে চিহ্ন দেখে চিনতে পারবে তাদেরকে ডেকে বলবে, ‘তোমাদের দলবল আর গর্ব-অহঙ্কার কোন কাজে আসল না।’ [তাইসিরুল কুরআন]
ফলে কাফিররা একে অপরকে কোনো প্রশ্ন করতে পারবে না।
আল-কাসাস, ২৮:৬৬ ⋮
فَعَمِيَتْ عَلَيْهِمُ الْأَنْبَاءُ يَوْمَئِذٍ فَهُمْ لَا يَتَسَاءَلُونَ ﴿٦٦﴾
সে দিন তাদের কথা বন্ধ হয়ে যাবে, অতঃপর পরস্পরকে জিজ্ঞাসাবাদও করতে পারবে না। [তাইসিরুল কুরআন]
কিয়ামতের দিন প্রত্যেক ব্যক্তিই আল্লাহর সমীপে একাকী অবস্থায় উপস্থিত হবে।
মারইয়াম, ১৯:৯৫ ⋮
وَكُلُّهُمْ آتِيهِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ فَرْدًا ﴿٩٥﴾
কিয়ামাতের দিন তাদের সবাই তাঁর কাছে আসবে একাকী অবস্থায়। [তাইসিরুল কুরআন]
কিয়ামতের দিন আল্লাহর সামনে কথা বলার ক্ষমতা বা অধিকার কারো থাকবে না।
আন-নাবা, ৭৮:৩৭ ⋮
رَبِّ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ وَمَا بَيْنَهُمَا الرَّحْمَنِ لَا يَمْلِكُونَ مِنْهُ خِطَابًا ﴿٣٧﴾
যিনি আকাশ, পৃথিবী আর এগুলোর মাঝে যা কিছু আছে সব কিছুর প্রতিপালক, তিনি অতি দয়াময়, তাঁর সম্মুখে কথা বলার সাহস কারো হবে না। [তাইসিরুল কুরআন]