বিষয়ভিত্তিক কুরআন > কিয়ামতের ভয়াবহতা
সিঙ্গায় ফুৎকারের মাধ্যমে কিয়ামত শুরু হবে:
আয-যুমার, ৩৯:৬৮ ⋮
وَنُفِخَ فِي الصُّورِ فَصَعِقَ مَنْ فِي السَّمَاوَاتِ وَمَنْ فِي الْأَرْضِ إِلَّا مَنْ شَاءَ اللَّهُ ثُمَّ نُفِخَ فِيهِ أُخْرَى فَإِذَا هُمْ قِيَامٌ يَنْظُرُونَ ﴿٦٨﴾
আর যখন শিঙ্গায় ফুঁৎকার দেয়া হবে তখন মুর্ছিত হয়ে পড়বে যারা আছে আকাশে আর যারা আছে যমীনে, তবে আল্লাহর ইচ্ছেয় এত্থেকে যে রেহাই পাবে তার কথা ভিন্ন। অতঃপর শিঙ্গায় আবার ফুঁ দেয়া হবে, তখন তারা উঠে দাঁড়িয়ে তাকাতে থাকবে। [তাইসিরুল কুরআন]
হিংস্র প্রাণীরাও সমবেত হতে থাকবে:
আত-তাকবীর, ৮১:৫ ⋮
وَإِذَا الْوُحُوشُ حُشِرَتْ ﴿٥﴾
যখন বনের জন্তু জানোয়ারকে (বন থেকে গুটিয়ে এনে লোকালয়ে) একত্রিত করা হবে, [তাইসিরুল কুরআন]
দুধের বাচ্চাকেও ভুলে যাবে:
আল-হজ্জ, ২২:১ ⋮
يَا أَيُّهَا النَّاسُ اتَّقُوا رَبَّكُمْ إِنَّ زَلْزَلَةَ السَّاعَةِ شَيْءٌ عَظِيمٌ ﴿١﴾
হে মানুষ! তোমরা তোমাদের প্রতিপালককে ভয় কর, কিয়ামাতের কম্পন এক ভয়ানক জিনিস। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-হজ্জ, ২২:২ ⋮
يَوْمَ تَرَوْنَهَا تَذْهَلُ كُلُّ مُرْضِعَةٍ عَمَّا أَرْضَعَتْ وَتَضَعُ كُلُّ ذَاتِ حَمْلٍ حَمْلَهَا وَتَرَى النَّاسَ سُكَارَى وَمَا هُمْ بِسُكَارَى وَلَكِنَّ عَذَابَ اللَّهِ شَدِيدٌ ﴿٢﴾
সেদিন তুমি দেখবে প্রতিটি দুগ্ধদায়িনী ভুলে যাবে তার দুগ্ধপোষ্য শিশুকে, আর প্রত্যেক গর্ভবতী গর্ভপাত করে ফেলবে, আর মানুষকে দেখবে মাতাল, যদিও তারা প্রকৃতপক্ষে মাতাল নয়, কিন্তু আল্লাহর শাস্তি বড়ই কঠিন (যার কারণে তাদের ঐ অবস্থা ঘটবে)। [তাইসিরুল কুরআন]
ভয়ে গর্ভবতীর গর্ভপাত হয়ে যাবে:
আল-হজ্জ, ২২:২ ⋮
يَوْمَ تَرَوْنَهَا تَذْهَلُ كُلُّ مُرْضِعَةٍ عَمَّا أَرْضَعَتْ وَتَضَعُ كُلُّ ذَاتِ حَمْلٍ حَمْلَهَا وَتَرَى النَّاسَ سُكَارَى وَمَا هُمْ بِسُكَارَى وَلَكِنَّ عَذَابَ اللَّهِ شَدِيدٌ ﴿٢﴾
সেদিন তুমি দেখবে প্রতিটি দুগ্ধদায়িনী ভুলে যাবে তার দুগ্ধপোষ্য শিশুকে, আর প্রত্যেক গর্ভবতী গর্ভপাত করে ফেলবে, আর মানুষকে দেখবে মাতাল, যদিও তারা প্রকৃতপক্ষে মাতাল নয়, কিন্তু আল্লাহর শাস্তি বড়ই কঠিন (যার কারণে তাদের ঐ অবস্থা ঘটবে)। [তাইসিরুল কুরআন]
মানুষ মাতাল হয়ে যাবে:
আল-হজ্জ, ২২:২ ⋮
يَوْمَ تَرَوْنَهَا تَذْهَلُ كُلُّ مُرْضِعَةٍ عَمَّا أَرْضَعَتْ وَتَضَعُ كُلُّ ذَاتِ حَمْلٍ حَمْلَهَا وَتَرَى النَّاسَ سُكَارَى وَمَا هُمْ بِسُكَارَى وَلَكِنَّ عَذَابَ اللَّهِ شَدِيدٌ ﴿٢﴾
সেদিন তুমি দেখবে প্রতিটি দুগ্ধদায়িনী ভুলে যাবে তার দুগ্ধপোষ্য শিশুকে, আর প্রত্যেক গর্ভবতী গর্ভপাত করে ফেলবে, আর মানুষকে দেখবে মাতাল, যদিও তারা প্রকৃতপক্ষে মাতাল নয়, কিন্তু আল্লাহর শাস্তি বড়ই কঠিন (যার কারণে তাদের ঐ অবস্থা ঘটবে)। [তাইসিরুল কুরআন]
মূল্যবান জিনিসের দিকেও কোন খেয়াল থাকবে না:
আত-তাকবীর, ৮১:৪ ⋮
وَإِذَا الْعِشَارُ عُطِّلَتْ ﴿٤﴾
যখন দশ মাসের গর্ভবতী উটনিগুলোকে অযত্নে পরিত্যাগ করা হবে, [তাইসিরুল কুরআন]
দ্বিতীয় ফুৎকারের সাথে সাথে সবাই মরে যাবে:
ইয়াসীন, ৩৬:৪৯ ⋮
مَا يَنْظُرُونَ إِلَّا صَيْحَةً وَاحِدَةً تَأْخُذُهُمْ وَهُمْ يَخِصِّمُونَ ﴿٤٩﴾
তারা যে জন্য অপেক্ষা করছে সেটাতো একটা প্রচন্ড শব্দ যা তাদেরকে পাকড়াও করবে যখন তারা নিজেদের মধ্যে বাক-বিতন্ডায় লিপ্ত থাকবে। [তাইসিরুল কুরআন]
ইয়াসীন, ৩৬:৫০ ⋮
فَلَا يَسْتَطِيعُونَ تَوْصِيَةً وَلَا إِلَى أَهْلِهِمْ يَرْجِعُونَ ﴿٥٠﴾
(ক্বিয়ামত এমনই হঠাৎ আক্রমণ করবে যে) তারা না পারবে ওসীয়াত করতে আর না পারবে তাদের পরিবার পরিজনের কাছে ফিরে যেতে। [তাইসিরুল কুরআন]
সারা বিশ্ব লণ্ডভণ্ড হয়ে যাবে:
আল-হাক্কাহ, ৬৯:১৩ ⋮
فَإِذَا نُفِخَ فِي الصُّورِ نَفْخَةٌ وَاحِدَةٌ ﴿١٣﴾
অতঃপর যখন সিঙ্গায় ফুঁৎকার দেয়া হবে- মাত্র একটি ফুঁৎকার। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-হাক্কাহ, ৬৯:১৪ ⋮
وَحُمِلَتِ الْأَرْضُ وَالْجِبَالُ فَدُكَّتَا دَكَّةً وَاحِدَةً ﴿١٤﴾
পৃথিবী আর পর্বতমালা উৎক্ষিপ্ত হবে আর একই আঘাতে তাদেরকে চূর্ণ বিচূর্ণ করা হবে। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-হাক্কাহ, ৬৯:১৫ ⋮
فَيَوْمَئِذٍ وَقَعَتِ الْوَاقِعَةُ ﴿١٥﴾
সেদিন ঘটবে সেই সংঘটিতব্য (মহা) ঘটনা। [তাইসিরুল কুরআন]
দিনটি বড়ই কঠিন হবে:
আল-কামার, ৫৪:৪৬ ⋮
بَلِ السَّاعَةُ مَوْعِدُهُمْ وَالسَّاعَةُ أَدْهَى وَأَمَرُّ ﴿٤٦﴾
বরং ক্বিয়ামত হল (তাদের দুষ্কর্মের প্রতিশোধ নেয়ার জন্য) তাদেরকে দেয়া নির্ধারিত সময়, ক্বিয়ামত অতি কঠিন, অতিশয় তিক্ত। [তাইসিরুল কুরআন]
যেদিন কেউ কারো কোন কাজে আসবে না।
আল-বাকারা, ২:৪৮ ⋮
وَاتَّقُوا يَوْمًا لَا تَجْزِي نَفْسٌ عَنْ نَفْسٍ شَيْئًا وَلَا يُقْبَلُ مِنْهَا شَفَاعَةٌ وَلَا يُؤْخَذُ مِنْهَا عَدْلٌ وَلَا هُمْ يُنْصَرُونَ ﴿٤٨﴾
তোমরা সেদিনকে ভয় কর যেদিন কেউ কারো উপকারে আসবে না এবং কারও সুপারিশ গৃহীত হবে না এবং কারও নিকট থেকে ক্ষতিপূরণ গ্রহণ করা হবে না আর তারা কোন রকম সাহায্যও পাবে না। [তাইসিরুল কুরআন]
কারও কাছ থেকে কোন বিনিময় নেয়া হবে না।
কোনো আয়াত নেই।
তারা সাহায্যপ্রাপ্তও হবে না।
কোনো আয়াত নেই।
একদা শিঙ্গায় ফুঁক দেওয়া হবে।
আন-নামাল, ২৭:৮৭ ⋮
وَيَوْمَ يُنْفَخُ فِي الصُّورِ فَفَزِعَ مَنْ فِي السَّمَاوَاتِ وَمَنْ فِي الْأَرْضِ إِلَّا مَنْ شَاءَ اللَّهُ وَكُلٌّ أَتَوْهُ دَاخِرِينَ ﴿٨٧﴾
আর যে দিন শিঙ্গায় ফুঁ দেয়া হবে সেদিন যারা আকাশে আছে আর যারা যমীনে আছে তারা ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে পড়বে, তবে আল্লাহ যাদের জন্য ইচ্ছে করবেন তারা বাদে। সবাই তাঁর কাছে আসবে বিনয়ে অবনত হয়ে। [তাইসিরুল কুরআন]
শিঙ্গার ফুৎকারে আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে অবস্থানকারী সকলেই আতঙ্কিত হয়ে পড়বে।
আন-নামাল, ২৭:৮৭ ⋮
وَيَوْمَ يُنْفَخُ فِي الصُّورِ فَفَزِعَ مَنْ فِي السَّمَاوَاتِ وَمَنْ فِي الْأَرْضِ إِلَّا مَنْ شَاءَ اللَّهُ وَكُلٌّ أَتَوْهُ دَاخِرِينَ ﴿٨٧﴾
আর যে দিন শিঙ্গায় ফুঁ দেয়া হবে সেদিন যারা আকাশে আছে আর যারা যমীনে আছে তারা ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে পড়বে, তবে আল্লাহ যাদের জন্য ইচ্ছে করবেন তারা বাদে। সবাই তাঁর কাছে আসবে বিনয়ে অবনত হয়ে। [তাইসিরুল কুরআন]
সেই অবশ্যম্ভাবী ঘটনা (আল-হাক্কাহ্) কী—এই প্রশ্নটি তার ভয়াবহতা ও বিশালতার ইঙ্গিত দেয়।
আল-হাক্কাহ, ৬৯:২ ⋮
مَا الْحَاقَّةُ ﴿٢﴾
কী সেই নিশ্চিত সংঘটিতব্য বিষয়? [তাইসিরুল কুরআন]
অতঃপর যখন শিঙ্গায় ফুৎকার দেওয়া হবে।
আল-মুদ্দাসসির, ৭৪:৮ ⋮
فَإِذَا نُقِرَ فِي النَّاقُورِ ﴿٨﴾
যেদিন শিঙ্গায় ফুঁ দেয়া হবে, [তাইসিরুল কুরআন]
হে নবী, বিচার দিবসের প্রকৃত বাস্তবতা আপনার ধারণার বাইরে।
আল-মুরসালাত, ৭৭:১৪ ⋮
وَمَا أَدْرَاكَ مَا يَوْمُ الْفَصْلِ ﴿١٤﴾
সেই চূড়ান্ত ফয়সালার দিনটি কী তা তোমাকে কিসে জানাবে? [তাইসিরুল কুরআন]
এক মহাদিবসে প্রকম্পনকারী সবকিছুকে প্রকম্পিত করবে।
আন-নাযি'আত, ৭৯:৬ ⋮
يَوْمَ تَرْجُفُ الرَّاجِفَةُ ﴿٦﴾
সেদিন ভূকম্পন প্রকম্পিত করবে, [তাইসিরুল কুরআন]