বিষয়ভিত্তিক কুরআন > কিয়ামত অবশ্যই আসবে
কিয়ামত অবশ্যই আসবে, এতে কোন সন্দেহ নেই:
গাফির, ৪০:৫৯ ⋮
إِنَّ السَّاعَةَ لَآتِيَةٌ لَا رَيْبَ فِيهَا وَلَكِنَّ أَكْثَرَ النَّاسِ لَا يُؤْمِنُونَ ﴿٥٩﴾
ক্বিয়ামত অবশ্যই আসবে, এতে কোন সন্দেহ নেই, কিন্তু অধিকাংশ লোক (তা) বিশ্বাস করে না। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-হজ্জ, ২২:৭ ⋮
وَأَنَّ السَّاعَةَ آتِيَةٌ لَا رَيْبَ فِيهَا وَأَنَّ اللَّهَ يَبْعَثُ مَنْ فِي الْقُبُورِ ﴿٧﴾
আর কিয়ামাত অবশ্যই আসবে, এ ব্যাপারে কোন সন্দেহ নেই এবং যারা কবরে আছে আল্লাহ তাদেরকে অবশ্যই পুনরুত্থিত করবেন। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ শপথ করে বলেছেন যে, কিয়ামত আসবেই:
আল-মুরসালাত, ৭৭:১ ⋮
وَالْمُرْسَلَاتِ عُرْفًا ﴿١﴾
পর পর পাঠানো বাতাসের শপথ যা উপকার সাধন করে, [তাইসিরুল কুরআন]
আল-মুরসালাত, ৭৭:২ ⋮
فَالْعَاصِفَاتِ عَصْفًا ﴿٢﴾
অতঃপর তা প্রচন্ড ঝড়ের বেগে বইতে থাকে, [তাইসিরুল কুরআন]
আল-মুরসালাত, ৭৭:৩ ⋮
وَالنَّاشِرَاتِ نَشْرًا ﴿٣﴾
শপথ সেই বায়ুর যা (মেঘমালাকে) ছড়িয়ে দেয় দূর দূরান্তে, [তাইসিরুল কুরআন]
আল-মুরসালাত, ৭৭:৪ ⋮
فَالْفَارِقَاتِ فَرْقًا ﴿٤﴾
আর বিচ্ছিন্নকারী বাতাসের শপথ যা (মেঘমালাকে) বিচ্ছিন্ন করে, [তাইসিরুল কুরআন]
আল-মুরসালাত, ৭৭:৫ ⋮
فَالْمُلْقِيَاتِ ذِكْرًا ﴿٥﴾
অতঃপর (মানুষের অন্তরে) পৌঁছে দেয় (আল্লাহর) স্মরণ, [তাইসিরুল কুরআন]
আল-মুরসালাত, ৭৭:৬ ⋮
عُذْرًا أَوْ نُذْرًا ﴿٦﴾
(বিশ্বাসী লোকদেরকে) ক্ষমা চাওয়ার সুযোগ দেয়ার জন্য আর (কাফিরদেরকে) সতর্ক করার জন্য। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-মুরসালাত, ৭৭:৭ ⋮
إِنَّمَا تُوعَدُونَ لَوَاقِعٌ ﴿٧﴾
তোমাদেরকে যার ও‘য়াদা দেয়া হয়েছে তা অবশ্যই সংঘটিত হবে। [তাইসিরুল কুরআন]
কিয়ামতকে প্রতিহত করার শক্তি কারো থাকবে না:
আল-আম্বিয়া, ২১:৪০ ⋮
بَلْ تَأْتِيهِمْ بَغْتَةً فَتَبْهَتُهُمْ فَلَا يَسْتَطِيعُونَ رَدَّهَا وَلَا هُمْ يُنْظَرُونَ ﴿٤٠﴾
বরং তা তাদের উপর হঠাৎ এসে যাবে আর তা তাদেরকে হতবুদ্ধি করে দেবে। অতঃপর তারা তা রোধ করতে পারবে না, আর তাদেরকে অবকাশও দেয়া হবে না। [তাইসিরুল কুরআন]
আন-নাজম, ৫৩:৫৭ ⋮
أَزِفَتِ الْآزِفَةُ ﴿٥٧﴾
আগমনকারী মুহূর্ত (ক্বিয়ামত) নিকটবর্তী। [তাইসিরুল কুরআন]
আন-নাজম, ৫৩:৫৮ ⋮
لَيْسَ لَهَا مِنْ دُونِ اللَّهِ كَاشِفَةٌ ﴿٥٨﴾
আল্লাহ ছাড়া কেউ তা সরাতে পারে না (বা প্রকাশ করতে পারে না)। [তাইসিরুল কুরআন]
কাফিররা কিয়ামত দিবসকে অস্বীকার করে:
সাবা, ৩৪:৩ ⋮
وَقَالَ الَّذِينَ كَفَرُوا لَا تَأْتِينَا السَّاعَةُ قُلْ بَلَى وَرَبِّي لَتَأْتِيَنَّكُمْ عَالِمِ الْغَيْبِ لَا يَعْزُبُ عَنْهُ مِثْقَالُ ذَرَّةٍ فِي السَّمَاوَاتِ وَلَا فِي الْأَرْضِ وَلَا أَصْغَرُ مِنْ ذَلِكَ وَلَا أَكْبَرُ إِلَّا فِي كِتَابٍ مُبِينٍ ﴿٣﴾
কাফিরগণ বলে- ক্বিয়ামত আমাদের নিকট আসবে না। বল, না, আমার প্রতিপালকের শপথ! তোমাদের নিকট তা অবশ্য অবশ্যই আসবে। তিনি যাবতীয় অদৃশ্যের জ্ঞানী। তাঁর থেকে লুক্কায়িত নেই আকাশ ও পৃথিবীতে ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র অনুকণা, না তার থেকে ছোট আর না তার থেকে বড় (কোনটাই নেই লুক্কায়িত)। সবই আছে (লাওহে মাহফুয নামক) এক সুস্পষ্ট কিতাবে। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-ফুরকান, ২৫:১১ ⋮
بَلْ كَذَّبُوا بِالسَّاعَةِ وَأَعْتَدْنَا لِمَنْ كَذَّبَ بِالسَّاعَةِ سَعِيرًا ﴿١١﴾
আসলে তারা কিয়ামাতকে অস্বীকার করে, আর যারা কিয়ামাতকে অস্বীকার করে, তাদের জন্য আমি প্রস্তুত করে রেখেছি জ্বলন্ত আগুন। [তাইসিরুল কুরআন]
তারা কিয়ামতের সময় জানতে চায়:
আন-নাযি'আত, ৭৯:৪২ ⋮
يَسْأَلُونَكَ عَنِ السَّاعَةِ أَيْانَ مُرْسَاهَا ﴿٤٢﴾
এরা তোমাকে জিজ্ঞেস করে ক্বিয়ামত সম্পর্কে- ‘কখন তা ঘটবে?’ [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহর পক্ষ থেকে এর জবাব:
আন-নাযি'আত, ৭৯:৪৩ ⋮
فِيمَ أَنْتَ مِنْ ذِكْرَاهَا ﴿٤٣﴾
এর আলোচনার সাথে তোমার কী সম্পর্ক? [তাইসিরুল কুরআন]
আন-নাযি'আত, ৭৯:৪৪ ⋮
إِلَى رَبِّكَ مُنْتَهَاهَا ﴿٤٤﴾
এ সংক্রান্ত জ্ঞান তোমার প্রতিপালক পর্যন্তই শেষ। [তাইসিরুল কুরআন]
আন-নাযি'আত, ৭৯:৪৫ ⋮
إِنَّمَا أَنْتَ مُنْذِرُ مَنْ يَخْشَاهَا ﴿٤٥﴾
যারা একে ভয় করে তুমি কেবল তাদের সতর্ককারী। [তাইসিরুল কুরআন]
আন-নাযি'আত, ৭৯:৪৬ ⋮
كَأَنَّهُمْ يَوْمَ يَرَوْنَهَا لَمْ يَلْبَثُوا إِلَّا عَشِيَّةً أَوْ ضُحَاهَا ﴿٤٦﴾
যেদিন তারা তা দেখবে সেদিন তাদের মনে হবে, যেন তারা (পৃথিবীতে) এক সন্ধ্যা বা এক সকালের বেশি অবস্থান করেনি। [তাইসিরুল কুরআন]
কিয়ামত ঘটে গেলে একে অস্বীকার করার কেউ থাকবে না:
আল-ওয়াকিয়া, ৫৬:১ ⋮
إِذَا وَقَعَتِ الْوَاقِعَةُ ﴿١﴾
যখন সেই অবশ্যম্ভাবী ঘটনাটি ঘটবে, [তাইসিরুল কুরআন]
আল-ওয়াকিয়া, ৫৬:২ ⋮
لَيْسَ لِوَقْعَتِهَا كَاذِبَةٌ ﴿٢﴾
তখন তার সংঘটন অস্বীকার করার কেউ থাকবে না, [তাইসিরুল কুরআন]
আল-ওয়াকিয়া, ৫৬:৩ ⋮
خَافِضَةٌ رَافِعَةٌ ﴿٣﴾
(অনেককে করা হবে) নীচু, (অনেককে করা হবে) উঁচু, [তাইসিরুল কুরআন]
কিয়ামত সংঘটিত হওয়ার সময় সম্পর্কে একমাত্র আল্লাহই জানেন:
আয-যুখরুফ, ৪৩:৮৫ ⋮
وَتَبَارَكَ الَّذِي لَهُ مُلْكُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ وَمَا بَيْنَهُمَا وَعِنْدَهُ عِلْمُ السَّاعَةِ وَإِلَيْهِ تُرْجَعُونَ ﴿٨٥﴾
অতি মহান ও পবিত্র তিনি, আকাশ, পৃথিবী ও এ দু’য়ের মাঝে যা আছে তার একচ্ছত্র কর্তৃত্ব যাঁর হাতে, ক্বিয়ামতের জ্ঞান তাঁর কাছেই আছে (যে তা কখন ঘটবে), আর তোমাদেরকে তাঁর কাছেই ফিরে যেতে হবে। [তাইসিরুল কুরআন]
লুকমান, ৩১:৩৪ ⋮
إِنَّ اللَّهَ عِنْدَهُ عِلْمُ السَّاعَةِ وَيُنَزِّلُ الْغَيْثَ وَيَعْلَمُ مَا فِي الْأَرْحَامِ وَمَا تَدْرِي نَفْسٌ مَاذَا تَكْسِبُ غَدًا وَمَا تَدْرِي نَفْسٌ بِأَيِ أَرْضٍ تَمُوتُ إِنَّ اللَّهَ عَلِيمٌ خَبِيرٌ ﴿٣٤﴾
কিয়ামতের জ্ঞান কেবল আল্লাহর নিকটই আছে, তিনিই বৃষ্টি বর্ষণ করেন, জরায়ুতে কী আছে তা তিনিই জানেন। কেউ জানে না আগামীকাল সে কী অর্জন করবে, কেউ জানে না কোন্ জায়গায় সে মরবে। আল্লাহ সর্বজ্ঞ, সর্বাধিক অবহিত। [তাইসিরুল কুরআন]
কিয়ামত কখন হবে - নবীরাও তা জানতেন না:
আল-আ'রাফ, ৭:১৮৭ ⋮
يَسْأَلُونَكَ عَنِ السَّاعَةِ أَيَّانَ مُرْسَاهَا قُلْ إِنَّمَا عِلْمُهَا عِنْدَ رَبِّي لَا يُجَلِّيهَا لِوَقْتِهَا إِلَّا هُوَ ثَقُلَتْ فِي السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ لَا تَأْتِيكُمْ إِلَّا بَغْتَةً يَسْأَلُونَكَ كَأَنَّكَ حَفِيٌّ عَنْهَا قُلْ إِنَّمَا عِلْمُهَا عِنْدَ اللَّهِ وَلَكِنَّ أَكْثَرَ النَّاسِ لَا يَعْلَمُونَ ﴿١٨٧﴾
তারা তোমাকে ক্বিয়ামাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে কখন তা সংঘটিত হবে। বল, ‘এ বিষয়ে জ্ঞান রয়েছে আমার প্রতিপালকের নিকট। তিনি ছাড়া কেউ প্রকাশ করতে পারে না কখন তা ঘটবে। আসমান ও যমীনে তা হবে বড় এক কঠিন দিন। আকস্মিকভাবে তা তোমাদের উপর এসে পড়বে।’ লোকেরা তোমাকে এ সম্পর্কে এমনভাবে জিজ্ঞেস করছে যেন তুমি আগ্রহ সহকারে এটার খোঁজে ব্যস্ত আছ। বল, ‘এ বিষয়ের জ্ঞান তো শুধু আল্লাহরই নিকট আছে। কিন্তু (এ সত্যটা) অধিকাংশ লোকই জানে না।’ [তাইসিরুল কুরআন]
কিয়ামত বেশি দূরে নয়:
আল-ইসরা, ১৭:৫১ ⋮
أَوْ خَلْقًا مِمَّا يَكْبُرُ فِي صُدُورِكُمْ فَسَيَقُولُونَ مَنْ يُعِيدُنَا قُلِ الَّذِي فَطَرَكُمْ أَوَّلَ مَرَّةٍ فَسَيُنْغِضُونَ إِلَيْكَ رُءُوسَهُمْ وَيَقُولُونَ مَتَى هُوَ قُلْ عَسَى أَنْ يَكُونَ قَرِيبًا ﴿٥١﴾
অথবা এমন কিছু যা তোমাদের ধারণায় (জীবিত হওয়া) খুবই কঠিন (তবুও তোমাদেরকে উঠানো হবে)।’ তারা বলবে, ‘কে আছে এমন যে আমাদেরকে পুনরায় জীবনে ফিরিয়ে আনবে?’ বল, ‘তিনিই যিনি তোমাদেরকে প্রথমবার সৃষ্টি করেছেন।’ তখন তারা (ঠাট্টার ছলে) তোমার সামনে মাথা নাড়বে আর বলবে, ‘সেটা কখন ঘটবে?’ বল, ‘হতে পারে সেটা শীঘ্রই ঘটবে।’ [তাইসিরুল কুরআন]
আল-মা'আরিজ, ৭০:৬ ⋮
إِنَّهُمْ يَرَوْنَهُ بَعِيدًا ﴿٦﴾
তারা ঐ দিনটিকে সুদূর মনে করছে, [তাইসিরুল কুরআন]
আল-মা'আরিজ, ৭০:৭ ⋮
وَنَرَاهُ قَرِيبًا ﴿٧﴾
কিন্তু আমি তা নিকটে দেখতে পাচ্ছি। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-আম্বিয়া, ২১:১ ⋮
اقْتَرَبَ لِلنَّاسِ حِسَابُهُمْ وَهُمْ فِي غَفْلَةٍ مُعْرِضُونَ ﴿١﴾
মানুষের হিসাব গ্রহণের কাল ক্রমশঃ ঘনিয়ে আসছে কিন্তু তারা গাফলতিতে মুখ ফিরিয়ে রেখেছে। [তাইসিরুল কুরআন]
মাত্র অল্প কয়েকটি দিনের জন্য অবকাশ দেয়া হচ্ছে:
ত্ব-হা, ২০:১৫ ⋮
إِنَّ السَّاعَةَ آتِيَةٌ أَكَادُ أُخْفِيهَا لِتُجْزَى كُلُّ نَفْسٍ بِمَا تَسْعَى ﴿١٥﴾
কিয়ামাত আসবেই, আমি তা গোপন রাখতে চাই, যাতে প্রত্যেক ব্যক্তি স্বীয় চেষ্টা-সাধনা অনুপাতে ফল লাভ করতে পারে। [তাইসিরুল কুরআন]
কিয়ামতের লক্ষণ প্রকাশ পেয়ে যাচ্ছে:
মুহাম্মাদ, ৪৭:১৮ ⋮
فَهَلْ يَنْظُرُونَ إِلَّا السَّاعَةَ أَنْ تَأْتِيَهُمْ بَغْتَةً فَقَدْ جَاءَ أَشْرَاطُهَا فَأَنَّى لَهُمْ إِذَا جَاءَتْهُمْ ذِكْرَاهُمْ ﴿١٨﴾
তারা কি শুধু এ অপেক্ষায় আছে যে, ক্বিয়ামত তাদের কাছে অকস্মাৎ এসে পড়ুক? ক্বিয়ামতের লক্ষণগুলো তো এসেই গেছে। কাজেই তা এসে পড়লে তারা উপদেশ গ্রহণ করবে কেমন করে? [তাইসিরুল কুরআন]
ভূগর্ভের প্রাণী বেরিয়ে আসবে:
আন-নামাল, ২৭:৮২ ⋮
وَإِذَا وَقَعَ الْقَوْلُ عَلَيْهِمْ أَخْرَجْنَا لَهُمْ دَابَّةً مِنَ الْأَرْضِ تُكَلِّمُهُمْ أَنَّ النَّاسَ كَانُوا بِآيَاتِنَا لَا يُوقِنُونَ ﴿٨٢﴾
তাদেরকে দেয়া প্রতিশ্রুতি যখন বাস্তবে পরিণত হবে, আমি তখন (কিয়ামাত আগমণের নির্দশন হিসেবে) ভূমি থেকে তাদের জন্য একটি জন্তু বের করব যা তাদের সঙ্গে এ কথা বলবে যে, মানুষ আমার নিদর্শনসমূহে বিশ্বাস করত না। [তাইসিরুল কুরআন]
কিয়ামত হঠাৎ করে আসবে:
ইউসুফ, ১২:১০৭ ⋮
أَفَأَمِنُوا أَنْ تَأْتِيَهُمْ غَاشِيَةٌ مِنْ عَذَابِ اللَّهِ أَوْ تَأْتِيَهُمُ السَّاعَةُ بَغْتَةً وَهُمْ لَا يَشْعُرُونَ ﴿١٠٧﴾
তারা কি নিশ্চিন্ত যে, আল্লাহর সর্বগ্রাসী ‘আযাব তাদের উপর এসে পড়বে না? কিংবা হঠাৎ ক্বিয়ামাত তাদের উপর এসে পড়বে না যা তারা টেরও পাবে না? [তাইসিরুল কুরআন]
আল-হজ্জ, ২২:৫৫ ⋮
وَلَا يَزَالُ الَّذِينَ كَفَرُوا فِي مِرْيَةٍ مِنْهُ حَتَّى تَأْتِيَهُمُ السَّاعَةُ بَغْتَةً أَوْ يَأْتِيَهُمْ عَذَابُ يَوْمٍ عَقِيمٍ ﴿٥٥﴾
অবিশ্বাসীরা তাতে (অর্থাৎ ওয়াহীতে) সন্দেহ পোষণ করা থেকে বিরত হবে না যতক্ষণ না কিয়ামাত আসবে হঠাৎ ক’রে অথবা তাদের উপর শাস্তি এসে যাবে এক বন্ধ্যা দিনে (যা কাফিরদেরকে কোন সুফল দিবে না)। [তাইসিরুল কুরআন]
মানুষের অজান্তেই কিয়ামত এসে পড়বে:
আশ-শুআ'রা, ২৬:২০২ ⋮
فَيَأْتِيَهُمْ بَغْتَةً وَهُمْ لَا يَشْعُرُونَ ﴿٢٠٢﴾
কাজেই তা তাদের কাছে হঠাৎ এসে পড়বে, তারা কিছুই বুঝতে পারবে না। [তাইসিরুল কুরআন]
আয-যুখরুফ, ৪৩:৬৬ ⋮
هَلْ يَنْظُرُونَ إِلَّا السَّاعَةَ أَنْ تَأْتِيَهُمْ بَغْتَةً وَهُمْ لَا يَشْعُرُونَ ﴿٦٦﴾
তারা কি তাদের উপর ক্বিয়ামত অকস্মাৎ এসে পড়ার অপেক্ষা করছে যা তারা টেরও পাবে না। [তাইসিরুল কুরআন]
চোখের পলকেই তা ঘটে যাবে:
আন-নাহাল, ১৬:৭৭ ⋮
وَلِلَّهِ غَيْبُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ وَمَا أَمْرُ السَّاعَةِ إِلَّا كَلَمْحِ الْبَصَرِ أَوْ هُوَ أَقْرَبُ إِنَّ اللَّهَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ ﴿٧٧﴾
আকাশসমূহ ও যমীনের অদৃশ্যের জ্ঞান কেবল আল্লাহরই আছে। ক্বিয়ামাতের ব্যাপার তো চোখের পলকের মত বরং তাত্থেকেও দ্রুত। আল্লাহ সব কিছু করতেই সক্ষম। [তাইসিরুল কুরআন]
আর (আধ্যাত্মিকভাবে) মৃতদেরকে আল্লাহ (কিয়ামতের দিন) পুনরুত্থিত করবেন।
আল-আন'আম, ৬:৩৬ ⋮
إِنَّمَا يَسْتَجِيبُ الَّذِينَ يَسْمَعُونَ وَالْمَوْتَى يَبْعَثُهُمُ اللَّهُ ثُمَّ إِلَيْهِ يُرْجَعُونَ ﴿٣٦﴾
যারা শোনে শুধু তারাই ডাকে সাড়া দেয়। আর মৃতকে আল্লাহ আবার জীবিত করবেন; অতঃপর তাঁর দিকেই তাদেরকে ফিরিয়ে নেয়া হবে। [তাইসিরুল কুরআন]
নিশ্চয়ই মানুষকে (কিয়ামত ও প্রতিদান সম্পর্কে) যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, তা অবশ্যই আসবে।
আল-আন'আম, ৬:১৩৪ ⋮
إِنَّ مَا تُوعَدُونَ لَآتٍ وَمَا أَنْتُمْ بِمُعْجِزِينَ ﴿١٣٤﴾
যা ঘটবে বলে তোমাদেরকে ওয়াদা দেয়া হয়েছে তা ঘটবেই, তা ব্যর্থ করে দেয়ার ক্ষমতা তোমাদের নেই। [তাইসিরুল কুরআন]
যখন কিয়ামতের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হবে, তখন আল্লাহ বনী ইসরাঈলকে সংমিশ্রিত দলে উপস্থিত করবেন।
আল-ইসরা, ১৭:১০৪ ⋮
وَقُلْنَا مِنْ بَعْدِهِ لِبَنِي إِسْرَائِيلَ اسْكُنُوا الْأَرْضَ فَإِذَا جَاءَ وَعْدُ الْآخِرَةِ جِئْنَا بِكُمْ لَفِيفًا ﴿١٠٤﴾
এরপর আমি বানী ইসরাঈলকে বললাম, ‘তোমরা যমীনের উপর বসবাস কর, অতঃপর যখন প্রতিশ্রুত ক্বিয়ামাত আসবে তখন আমি তোমাদেরকে সংমিশ্রিত দলবলে হাজির করব।’ [তাইসিরুল কুরআন]
সবাই আল্লাহর কাছে চূড়ান্তভাবে বিনীত হয়ে উপস্থিত হবে।
আন-নামাল, ২৭:৮৭ ⋮
وَيَوْمَ يُنْفَخُ فِي الصُّورِ فَفَزِعَ مَنْ فِي السَّمَاوَاتِ وَمَنْ فِي الْأَرْضِ إِلَّا مَنْ شَاءَ اللَّهُ وَكُلٌّ أَتَوْهُ دَاخِرِينَ ﴿٨٧﴾
আর যে দিন শিঙ্গায় ফুঁ দেয়া হবে সেদিন যারা আকাশে আছে আর যারা যমীনে আছে তারা ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে পড়বে, তবে আল্লাহ যাদের জন্য ইচ্ছে করবেন তারা বাদে। সবাই তাঁর কাছে আসবে বিনয়ে অবনত হয়ে। [তাইসিরুল কুরআন]
অবশেষে ইয়াজুজ ও মাজুজের প্রাচীর খুলে দেওয়া হবে।
আল-আম্বিয়া, ২১:৯৬ ⋮
حَتَّى إِذَا فُتِحَتْ يَأْجُوجُ وَمَأْجُوجُ وَهُمْ مِنْ كُلِّ حَدَبٍ يَنْسِلُونَ ﴿٩٦﴾
এমনকি (তখনও তারা ফিরে আসবে না) যখন ইয়া’জূজ ও মা’জূজের জন্য (প্রাচীর) খুলে দেয়া হবে আর তারা প্রতিটি পাহাড় কেটে ছুটে আসবে। [তাইসিরুল কুরআন]
এবং ইয়াজুজ ও মাজুজ প্রতিটি উঁচু ভূমি থেকে দ্রুতবেগে ছুটে আসবে।
আল-আম্বিয়া, ২১:৯৬ ⋮
حَتَّى إِذَا فُتِحَتْ يَأْجُوجُ وَمَأْجُوجُ وَهُمْ مِنْ كُلِّ حَدَبٍ يَنْسِلُونَ ﴿٩٦﴾
এমনকি (তখনও তারা ফিরে আসবে না) যখন ইয়া’জূজ ও মা’জূজের জন্য (প্রাচীর) খুলে দেয়া হবে আর তারা প্রতিটি পাহাড় কেটে ছুটে আসবে। [তাইসিরুল কুরআন]
পুনরায় আল্লাহই তোমাদেরকে জীবন দান করবেন।
আল-হজ্জ, ২২:৬৬ ⋮
وَهُوَ الَّذِي أَحْيَاكُمْ ثُمَّ يُمِيتُكُمْ ثُمَّ يُحْيِيكُمْ إِنَّ الْإِنْسَانَ لَكَفُورٌ ﴿٦٦﴾
তিনিই তোমাদেরকে জীবন দিয়েছেন, অতঃপর তিনিই তোমাদের মৃত্যু ঘটাবেন, অতঃপর আবার তোমাদেরকে জীবন দিবেন। মানুষ সত্যিই বড়ই অকৃতজ্ঞ। [তাইসিরুল কুরআন]
অতঃপর কিয়ামতের দিন নিশ্চয়ই তোমাদেরকে পুনরুত্থিত করা হবে।
আল-মুমিনুন, ২৩:১৬ ⋮
ثُمَّ إِنَّكُمْ يَوْمَ الْقِيَامَةِ تُبْعَثُونَ ﴿١٦﴾
তারপর কিয়ামাতের দিন তোমাদেরকে পুনরুত্থিত করা হবে। [তাইসিরুল কুরআন]
এবং পরিশেষে আল্লাহর কাছেই তোমাদেরকে সমবেত করা হবে।
আল-মুমিনুন, ২৩:৭৯ ⋮
وَهُوَ الَّذِي ذَرَأَكُمْ فِي الْأَرْضِ وَإِلَيْهِ تُحْشَرُونَ ﴿٧٩﴾
তিনিই তোমাদেরকে পৃথিবীতে ছড়িয়ে দিয়েছেন আর তাঁর কাছেই তোমাদেরকে একত্রিত করা হবে। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহর পক্ষ থেকে এমন একটি দিবস আসবে যা অপ্রতিরোধ্য।
আর-রুম, ৩০:৪৩ ⋮
فَأَقِمْ وَجْهَكَ لِلدِّينِ الْقَيِّمِ مِنْ قَبْلِ أَنْ يَأْتِيَ يَوْمٌ لَا مَرَدَّ لَهُ مِنَ اللَّهِ يَوْمَئِذٍ يَصَّدَّعُونَ ﴿٤٣﴾
কাজেই তুমি নিজেকে সত্য দ্বীনে প্রতিষ্ঠিত রাখ, আল্লাহর পক্ষ থেকে এমন দিন (ক্বিয়ামত দিবস) আসার পূর্বে যা কক্ষনো প্রত্যাহার করা হবে না। সেদিন মানুষ বিভক্ত হয়ে যাবে (দু’ভাগে)। [তাইসিরুল কুরআন]
পুনরুত্থান হবে কেবল একটি মহানাদ মাত্র।
ইয়াসীন, ৩৬:৫৩ ⋮
إِنْ كَانَتْ إِلَّا صَيْحَةً وَاحِدَةً فَإِذَا هُمْ جَمِيعٌ لَدَيْنَا مُحْضَرُونَ ﴿٥٣﴾
মাত্র একটা প্রচন্ড শব্দ হবে, তক্ষুণি তাদের সব্বাইকে আমার সামনে হাজির করা হবে। [তাইসিরুল কুরআন]
অতঃপর তৎক্ষণাৎ সকল মানুষকে আল্লাহর সামনে উপস্থিত করা হবে।
ইয়াসীন, ৩৬:৫৩ ⋮
إِنْ كَانَتْ إِلَّا صَيْحَةً وَاحِدَةً فَإِذَا هُمْ جَمِيعٌ لَدَيْنَا مُحْضَرُونَ ﴿٥٣﴾
মাত্র একটা প্রচন্ড শব্দ হবে, তক্ষুণি তাদের সব্বাইকে আমার সামনে হাজির করা হবে। [তাইসিরুল কুরআন]
পুনরুত্থান সংঘটিত হবে শুধুমাত্র একটি বিকট শব্দের মাধ্যমে।
আস-সাফফাত, ৩৭:১৯ ⋮
فَإِنَّمَا هِيَ زَجْرَةٌ وَاحِدَةٌ فَإِذَا هُمْ يَنْظُرُونَ ﴿١٩﴾
ওটা (হবে) মাত্র একটা প্রচন্ড শব্দ, আর তখনই তারা স্বচক্ষে (সব কিছু) দেখতে পাবে। [তাইসিরুল কুরআন]
সম্ভবত কিয়ামত নিকটবর্তী।
আল-আহযাব, ৩৩:৬৩ ⋮
يَسْأَلُكَ النَّاسُ عَنِ السَّاعَةِ قُلْ إِنَّمَا عِلْمُهَا عِنْدَ اللَّهِ وَمَا يُدْرِيكَ لَعَلَّ السَّاعَةَ تَكُونُ قَرِيبًا ﴿٦٣﴾
লোকে তোমাকে ক্বিয়ামত সম্পর্কে প্রশ্ন করে। বল, তার জ্ঞান কেবল আল্লাহর নিকটই আছে। কিসে তোমাকে জানাবে- সম্ভবতঃ ক্বিয়ামত নিকটেই। [তাইসিরুল কুরআন]
আমাদের প্রতিপালক আল্লাহ আমাদের সকলকে একত্রিত করবেন।
সাবা, ৩৪:২৬ ⋮
قُلْ يَجْمَعُ بَيْنَنَا رَبُّنَا ثُمَّ يَفْتَحُ بَيْنَنَا بِالْحَقِّ وَهُوَ الْفَتَّاحُ الْعَلِيمُ ﴿٢٦﴾
বল- আমাদের পালনকর্তা আমাদেরকে একত্রিত করবেন অবশেষে তিনি আমাদের মাঝে সত্য ও ন্যায়সঙ্গতভাবে ফয়সালা করবেন। তিনি সর্বশ্রেষ্ঠ ফয়সালাকারী, সর্বজ্ঞাতা। [তাইসিরুল কুরআন]
কাফিররা সেই প্রতিশ্রুত দিবস থেকে এক মুহূর্তও বিলম্ব করতে পারবে না।
সাবা, ৩৪:৩০ ⋮
قُلْ لَكُمْ مِيعَادُ يَوْمٍ لَا تَسْتَأْخِرُونَ عَنْهُ سَاعَةً وَلَا تَسْتَقْدِمُونَ ﴿٣٠﴾
বল- তোমাদের জন্য আছে এক নির্ধারিত দিন যা তোমরা এক মুহূর্তকালের জন্য বিলম্বিত করতে পারবে না, আর ত্বরান্বিত করতেও পারবে না। [তাইসিরুল কুরআন]
কাফিররা সেই প্রতিশ্রুত দিবসের পূর্বেও উপস্থিত হতে পারবে না।
সাবা, ৩৪:৩০ ⋮
قُلْ لَكُمْ مِيعَادُ يَوْمٍ لَا تَسْتَأْخِرُونَ عَنْهُ سَاعَةً وَلَا تَسْتَقْدِمُونَ ﴿٣٠﴾
বল- তোমাদের জন্য আছে এক নির্ধারিত দিন যা তোমরা এক মুহূর্তকালের জন্য বিলম্বিত করতে পারবে না, আর ত্বরান্বিত করতেও পারবে না। [তাইসিরুল কুরআন]
অতঃপর যখন মানুষের জন্য নির্ধারিত সেই সময়কাল উপস্থিত হবে, তখন তাদের বিষয়ে ফয়সালা করা হবে।
ফাতির, ৩৫:৪৫ ⋮
وَلَوْ يُؤَاخِذُ اللَّهُ النَّاسَ بِمَا كَسَبُوا مَا تَرَكَ عَلَى ظَهْرِهَا مِنْ دَابَّةٍ وَلَكِنْ يُؤَخِّرُهُمْ إِلَى أَجَلٍ مُسَمًّى فَإِذَا جَاءَ أَجَلُهُمْ فَإِنَّ اللَّهَ كَانَ بِعِبَادِهِ بَصِيرًا ﴿٤٥﴾
আল্লাহ মানুষকে তার কৃতকর্মের জন্য পাকড়াও করতে চাইলে ভূপৃষ্ঠের একটি প্রাণীকেও রেহাই দিতেন না। কিন্তু তিনি তাদের জন্য একটা নির্ধারিত কাল পর্যন্ত সময় বিলম্বিত করেন। অতঃপর তাদের সে নির্ধারিত সময় যখন এসে যায়, (তখন আল্লাহর ফয়সালা কার্যকরী হতে এক মুহূর্তও বিলম্ব ঘটে না), কারণ আল্লাহ (প্রতিটি মুহূর্তে) তাঁর বান্দাহদের পর্যবেক্ষণকারী। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ তাঁর নবীকে (ﷺ) সুস্পষ্ট ধোঁয়ার দিনটির জন্য অপেক্ষা করতে বলেছেন।
আদ-দুখান, ৪৪:১০ ⋮
فَارْتَقِبْ يَوْمَ تَأْتِي السَّمَاءُ بِدُخَانٍ مُبِينٍ ﴿١٠﴾
অতএব তুমি অপেক্ষা কর সে দিনের যেদিন আকাশ ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হবে যা সুস্পষ্ট (ভাবে দেখা যাবে)। [তাইসিরুল কুরআন]
সেই সুস্পষ্ট ধোঁয়াটি মানবজাতিকে আচ্ছন্ন করে ফেলবে।
আদ-দুখান, ৪৪:১১ ⋮
يَغْشَى النَّاسَ هَذَا عَذَابٌ أَلِيمٌ ﴿١١﴾
(যা) মানুষকে ঢেকে নেবে, তা হবে ভয়াবহ শাস্তি। [তাইসিরুল কুরআন]
শিঙ্গায় ফুঁক দেওয়া হবে।
কাফ, ৫০:২০ ⋮
وَنُفِخَ فِي الصُّورِ ذَلِكَ يَوْمُ الْوَعِيدِ ﴿٢٠﴾
অতঃপর সিঙ্গায় ফুঁক দেয়া হবে। সেটাই হল শাস্তির দিন (যে সম্পর্কে মানুষকে সতর্ক করা হয়েছিল)। [তাইসিরুল কুরআন]
কিয়ামত আসন্ন।
আল-কামার, ৫৪:১ ⋮
اقْتَرَبَتِ السَّاعَةُ وَانْشَقَّ الْقَمَرُ ﴿١﴾
ক্বিয়ামত নিকটবর্তী হয়েছে এবং চন্দ্র খন্ডিত হয়েছে, [তাইসিরুল কুরআন]
কিয়ামতের জ্ঞান শুধুমাত্র আল্লাহরই নিকট রয়েছে।
আল-মুলক, ৬৭:২৬ ⋮
قُلْ إِنَّمَا الْعِلْمُ عِنْدَ اللَّهِ وَإِنَّمَا أَنَا نَذِيرٌ مُبِينٌ ﴿٢٦﴾
বল, ‘সে জ্ঞান তো কেবল আল্লাহর কাছেই আছে, আমি শুধু একজন স্পষ্ট সতর্ককারী। [তাইসিরুল কুরআন]
বিচার দিবসের ঘটনাসমূহ কোন দিনের জন্য স্থগিত রাখা হয়েছে?
আল-মুরসালাত, ৭৭:১২ ⋮
لِأَيِّ يَوْمٍ أُجِّلَتْ ﴿١٢﴾
(এ সব বিষয়) কোন দিনের জন্য স্থগিত রাখা হয়েছে? [তাইসিরুল কুরআন]
মহাপ্রলয় কী?
আল-কারি'আ, ১০১:২ ⋮
مَا الْقَارِعَةُ ﴿٢﴾
কী সেই মহা বিপদ? [তাইসিরুল কুরআন]
নিশ্চয়ই ফয়সালার দিনটি একটি নির্ধারিত সময়।
আন-নাবা, ৭৮:১৭ ⋮
إِنَّ يَوْمَ الْفَصْلِ كَانَ مِيقَاتًا ﴿١٧﴾
নিশ্চয়ই নির্ধারিত আছে মীমাংসার দিন, [তাইসিরুল কুরআন]
বস্তুত, পুনরুত্থান হবে কেবল একটিমাত্র প্রচণ্ড আওয়াজ।
আন-নাযি'আত, ৭৯:১৩ ⋮
فَإِنَّمَا هِيَ زَجْرَةٌ وَاحِدَةٌ ﴿١٣﴾
ওটা তো কেবল একটা বিকট আওয়াজ, [তাইসিরুল কুরআন]
অতঃপর অকস্মাৎ সকল মানুষ এক উন্মুক্ত ময়দানে উপস্থিত হবে।
আন-নাযি'আত, ৭৯:১৪ ⋮
فَإِذَا هُمْ بِالسَّاهِرَةِ ﴿١٤﴾
সহসাই তারা খোলা ময়দানে আবির্ভূত হবে। [তাইসিরুল কুরআন]
অতঃপর যখন সেই মহাবিপর্যয় (কিয়ামত) এসে পড়বে।
আন-নাযি'আত, ৭৯:৩৪ ⋮
فَإِذَا جَاءَتِ الطَّامَّةُ الْكُبْرَى ﴿٣٤﴾
অতঃপর যখন মহাসংকট এসে যাবে। [তাইসিরুল কুরআন]