বিষয়ভিত্তিক কুরআন > আখিরাতে পাপের পরিণাম
যারা পাপের মধ্যে ডুবে থাকে তারা জাহান্নামে যাবে:
আল-বাকারা, ২:৮১ ⋮
بَلَى مَنْ كَسَبَ سَيِّئَةً وَأَحَاطْتُ بِهِ خَطِيئَتُهُ فَأُولَئِكَ أَصْحَابُ النَّارِ هُمْ فِيهَا خَالِدُونَ ﴿٨١﴾
তবে হাঁ, যারা পাপ কাজ করে এবং যাদের পাপরাশি তাদেরকে ঘিরে ফেলে তারাই জাহান্নামী, সেখানে তারা চিরকাল থাকবে। [তাইসিরুল কুরআন]
পাপীরা নিজেদের পিঠে পাপের বোঝা বহন করবে:
আল-আন'আম, ৬:৩১ ⋮
قَدْ خَسِرَ الَّذِينَ كَذَّبُوا بِلِقَاءِ اللَّهِ حَتَّى إِذَا جَاءَتْهُمُ السَّاعَةُ بَغْتَةً قَالُوا يَا حَسْرَتَنَا عَلَى مَا فَرَّطْنَا فِيهَا وَهُمْ يَحْمِلُونَ أَوْزَارَهُمْ عَلَى ظُهُورِهِمْ أَلَا سَاءَ مَا يَزِرُونَ ﴿٣١﴾
যারা আল্লাহর সাক্ষাতকে মিথ্যে জেনেছিল তারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে গেছে। এমনকি যখন কিয়ামাত হঠাৎ তাদের কাছে হাজির হবে তখন তারা বলবে, হায় আক্ষেপ! আমরা এ ব্যাপারে অবহেলা করেছিলাম। তারা তাদের পিঠে তাদের পাপের বোঝা বহন করবে। দেখ, তারা যা বহন করবে তা কতই না নিকৃষ্ট! [তাইসিরুল কুরআন]
পাপের প্রবর্তকরা পরবর্তীদের পাপের বোঝাও বহন করবে:
আন-নাহাল, ১৬:২৫ ⋮
لِيَحْمِلُوا أَوْزَارَهُمْ كَامِلَةً يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَمِنْ أَوْزَارِ الَّذِينَ يُضِلُّونَهُمْ بِغَيْرِ عِلْمٍ أَلَا سَاءَ مَا يَزِرُونَ ﴿٢٥﴾
যার ফলে ক্বিয়ামাত দিবসে তারা বহন করবে নিজেদের পাপের বোঝা পূর্ণ মাত্রায়, আর (আংশিক) তাদেরও পাপের বোঝা যাদেরকে তারা গুমরাহ করেছে নিজেদের অজ্ঞতার কারণে। হায়, তারা যা বহন করবে তা কতই না নিকৃষ্ট! [তাইসিরুল কুরআন]
কিয়ামতের দিন তাদের চোখ আলোহীন হয়ে যাবে:
ত্ব-হা, ২০:১০২ ⋮
يَوْمَ يُنْفَخُ فِي الصُّورِ وَنَحْشُرُ الْمُجْرِمِينَ يَوْمَئِذٍ زُرْقًا ﴿١٠٢﴾
যেদিন সিঙ্গায় ফুঁ দেয়া হবে আর আমি অপরাধীদেরকে একত্রিত করব (ভয়ে ভীত-সন্ত্রস্ত) দৃষ্টিহীন অবস্থায়। [তাইসিরুল কুরআন]
কিয়ামতের দিন পাপীদের জন্য কোন সুসংবাদ থাকবে না:
আল-ফুরকান, ২৫:২২ ⋮
يَوْمَ يَرَوْنَ الْمَلَائِكَةَ لَا بُشْرَى يَوْمَئِذٍ لِلْمُجْرِمِينَ وَيَقُولُونَ حِجْرًا مَحْجُورًا ﴿٢٢﴾
যেদিন তারা ফেরেশতাদেরকে দেখতে পাবে, অপরাধীদের জন্য সেদিন কোন সুখবর থাকবে না, আর (ফেরেশতাগণ বলবে তোমাদের সুখ-শান্তির পথে আছে) দুর্লঙ্ঘ বাধা। [তাইসিরুল কুরআন]
সেদিন পাপীরা হতাশ হয়ে পড়বে:
আর-রুম, ৩০:১২ ⋮
وَيَوْمَ تَقُومُ السَّاعَةُ يُبْلِسُ الْمُجْرِمُونَ ﴿١٢﴾
যেদিন ক্বিয়ামত সংঘটিত হবে সেদিন অপরাধীরা হতাশ হয়ে পড়বে। [তাইসিরুল কুরআন]
তাদেরকে পাপের চিহ্ন দ্বারা চেনা যাবে:
আর-রাহমান, ৫৫:৪১ ⋮
يُعْرَفُ الْمُجْرِمُونَ بِسِيمَاهُمْ فَيُؤْخَذُ بِالنَّوَاصِي وَالْأَقْدَامِ ﴿٤١﴾
অপরাধীদেরকে চিনতে পারা যাবে তাদের চেহারা থেকেই, আর মাথার ঝুঁটি ও পা ধরে তাদেরকে পাকড়াও করা হবে। [তাইসিরুল কুরআন]
তারা মাথা নত করে থাকবে:
আস-সাজদাহ, ৩২:১২ ⋮
وَلَوْ تَرَى إِذِ الْمُجْرِمُونَ نَاكِسُو رُءُوسِهِمْ عِنْدَ رَبِّهِمْ رَبَّنَا أَبْصَرْنَا وَسَمِعْنَا فَارْجِعْنَا نَعْمَلْ صَالِحًا إِنَّا مُوقِنُونَ ﴿١٢﴾
তুমি যদি দেখতে যখন অপরাধীরা তাদের প্রতিপালকের সামনে মাথা নীচু করে দাঁড়িয়ে থাকবে (আর বলবে), হে আমাদের প্রতিপালক! আমরা দেখলাম ও শুনলাম; কাজেই আমাদেরকে আবার পাঠিয়ে দিন, আমরা ভাল কাজ করব, আমরা (এখন) দৃঢ় বিশ্বাসী। [তাইসিরুল কুরআন]
তারা শিকলে বাঁধা থাকবে:
ইবরাহীম, ১৪:৪৯ ⋮
وَتَرَى الْمُجْرِمِينَ يَوْمَئِذٍ مُقَرَّنِينَ فِي الْأَصْفَادِ ﴿٤٩﴾
সেদিন তুমি অপরাধীদেরকে দেখবে শৃঙ্খলে তাদের হাত পা শক্ত করে বাঁধা। [তাইসিরুল কুরআন]
পাপীরা আমলনামা দেখে ভয় পাবে:
আল-কাহফ, ১৮:৪৯ ⋮
وَوُضِعَ الْكِتَابُ فَتَرَى الْمُجْرِمِينَ مُشْفِقِينَ مِمَّا فِيهِ وَيَقُولُونَ يَا وَيْلَتَنَا مَالِ هَذَا الْكِتَابِ لَا يُغَادِرُ صَغِيرَةً وَلَا كَبِيرَةً إِلَّا أَحْصَاهَا وَوَجَدُوا مَا عَمِلُوا حَاضِرًا وَلَا يَظْلِمُ رَبُّكَ أَحَدًا ﴿٤٩﴾
আর ‘আমালনামা হাজির করা হবে, আর তাতে যা (লেখে রাখা আছে) তার কারণে তুমি অপরাধী লোকদেরকে দেখতে পাবে ভীত আতঙ্কিত। আর তারা বলবে, ‘হায় কপাল! এটা কেমন কিতাব যে ছোট বড় কোন কাজই ছেড়ে দেয়নি বরং সব কিছুর হিসাব রেখেছে।’ তারা যা করেছে তা সামনে উপস্থিত পাবে, আর তোমার প্রতিপালক কারো প্রতি যুলম করবেন না। [তাইসিরুল কুরআন]
সেদিন অপরাধীরা অপরাধ স্বীকার করে নেবে:
আল-মুলক, ৬৭:১০ ⋮
وَقَالُوا لَوْ كُنَّا نَسْمَعُ أَوْ نَعْقِلُ مَا كُنَّا فِي أَصْحَابِ السَّعِيرِ ﴿١٠﴾
তারা আরো বলবে, ‘আমরা যদি শুনতাম অথবা বুঝতাম তাহলে আমরা জ্বলন্ত আগুনের বাসিন্দাদের মধ্যে শামিল হতাম না। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-মুলক, ৬৭:১১ ⋮
فَاعْتَرَفُوا بِذَنْبِهِمْ فَسُحْقًا لِأَصْحَابِ السَّعِيرِ ﴿١١﴾
তারা তাদের অপরাধ স্বীকার করবে, অতএব দূর হোক জাহান্নামের অধিবাসীরা! [তাইসিরুল কুরআন]
গাফির, ৪০:১১ ⋮
قَالُوا رَبَّنَا أَمَتَّنَا اثْنَتَيْنِ وَأَحْيَيْتَنَا اثْنَتَيْنِ فَاعْتَرَفْنَا بِذُنُوبِنَا فَهَلْ إِلَى خُرُوجٍ مِنْ سَبِيلٍ ﴿١١﴾
তারা বলবে, হে আমাদের প্রতিপালক! তুমি দু’বার আমাদের মৃত্যু দিয়েছ (জন্মের আগের মৃত অবস্থা আর জীবন শেষের মৃত্যু) আর আমাদেরকে দু’বার জীবন দিয়েছ। আমরা আমাদের পাপ স্বীকার করছি, (এখান থেকে) বের হওয়ার কোন পথ আছে কি? [তাইসিরুল কুরআন]
তাদের থেকে বিনিময় গ্রহণ করা হবে না:
আল-মা'আরিজ, ৭০:১১ ⋮
يُبَصَّرُونَهُمْ يَوَدُّ الْمُجْرِمُ لَوْ يَفْتَدِي مِنْ عَذَابِ يَوْمِئِذٍ بِبَنِيهِ ﴿١١﴾
যদিও তাদেরকে রাখা হবে পরস্পরের দৃষ্টির সামনে, অপরাধী সেদিনের ‘আযাব থেকে বাঁচার জন্য বিনিময়ে দিতে চাইবে তার সন্তানাদিকে, [তাইসিরুল কুরআন]
আল-মা'আরিজ, ৭০:১২ ⋮
وَصَاحِبَتِهِ وَأَخِيهِ ﴿١٢﴾
তার স্ত্রী ও ভাইকে, [তাইসিরুল কুরআন]
আল-মা'আরিজ, ৭০:১৩ ⋮
وَفَصِيلَتِهِ الَّتِي تُؤْوِيهِ ﴿١٣﴾
আর তার আত্মীয় গোষ্ঠীকে যারা তাকে আশ্রয় দিত, [তাইসিরুল কুরআন]
আল-মা'আরিজ, ৭০:১৪ ⋮
وَمَنْ فِي الْأَرْضِ جَمِيعًا ثُمَّ يُنْجِيهِ ﴿١٤﴾
আর দুনিয়ার সব্বাইকে, যাতে তা তাকে রক্ষা করতে পারে। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-মা'আরিজ, ৭০:১৫ ⋮
كَلَّا إِنَّهَا لَظَى ﴿١٥﴾
না, কক্ষনো নয়, ওটা জ্বলন্ত অগ্নিশিখা, [তাইসিরুল কুরআন]
তাদেরকে জাহান্নামের দিকে হাঁকিয়ে নেয়া হবে:
মারইয়াম, ১৯:৮৬ ⋮
وَنَسُوقُ الْمُجْرِمِينَ إِلَى جَهَنَّمَ وِرْدًا ﴿٨٦﴾
আর আমি অপরাধীদেরকে জাহান্নামের দিকে তাড়িয়ে নিয়ে যাব (যেভাবে পিপাসার্ত গরু বাছুরকে পানির দিকে তাড়িয়ে নেয়া হয়)। [তাইসিরুল কুরআন]
অপরাধীদের কৃতকর্মের মন্দ ফল তাদের কাছে প্রকাশ হয়ে পড়বে।
আল-জাসিয়া, ৪৫:৩৩ ⋮
وَبَدَا لَهُمْ سَيِّئَاتُ مَا عَمِلُوا وَحَاقَ بِهِمْ مَا كَانُوا بِهِ يَسْتَهْزِئُونَ ﴿٣٣﴾
তারা যে সব মন্দ কাজ করত সেগুলো তাদের কাছে প্রকাশ হয়ে পড়বে আর তারা যা নিয়ে ঠাট্টা বিদ্রূপ করত তা তাদেরকে ঘিরে ফেলবে। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ বলবেন: 'তাহলে তোমরা যে কুফরি করতে, তার বিনিময়ে এখন আযাব আস্বাদন করো।'
আল-আহকাফ, ৪৬:৩৪ ⋮
وَيَوْمَ يُعْرَضُ الَّذِينَ كَفَرُوا عَلَى النَّارِ أَلَيْسَ هَذَا بِالْحَقِّ قَالُوا بَلَى وَرَبِّنَا قَالَ فَذُوقُوا الْعَذَابَ بِمَا كُنْتُمْ تَكْفُرُونَ ﴿٣٤﴾
কাফিরদেরকে যেদিন জাহান্নামের সামনে হাজির করা হবে (তখন তাদেরকে বলা হবে) এটা কি সত্য নয়? তারা বলবে, ‘কসম আমাদের প্রতিপালকের! এটা সত্য।’ তাদেরকে বলা হবে, ‘তাহলে ‘আযাব আস্বাদন কর, যেহেতু তোমরা সত্যকে অমান্য করেছিলে। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহর ক্রোধে পতিত ব্যক্তির আশ্রয়স্থল হলো জাহান্নাম।
আলে-ইমরান, ৩:১৬২ ⋮
أَفَمَنِ اتَّبَعَ رِضْوَانَ اللَّهِ كَمَنْ بَاءَ بِسَخَطٍ مِنَ اللَّهِ وَمَأْوَاهُ جَهَنَّمُ وَبِئْسَ الْمَصِيرُ ﴿١٦٢﴾
যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টি অনুসরণ করে, সে কি আল্লাহর আক্রোশে পতিত লোকের ন্যায় হতে পারে? তার নিবাস হল জাহান্নাম, আর তা কতই না নিকৃষ্ট প্রত্যাবর্তনস্থল! [তাইসিরুল কুরআন]
কিয়ামতের দিনেও ফেরাউন ও তার অনুসারীদেরকে আল্লাহর অভিশাপ দ্বারা অনুসরণ করা হবে।
হূদ, ১১:৯৯ ⋮
وَأُتْبِعُوا فِي هَذِهِ لَعْنَةً وَيَوْمَ الْقِيَامَةِ بِئْسَ الرِّفْدُ الْمَرْفُودُ ﴿٩٩﴾
এ দুনিয়াতেও অভিশাপ তাদের পেছনে ছুটছে আর ক্বিয়ামাতের দিনেও। কত নিকৃষ্টই না সে পুরস্কার যা তাদেরকে দেয়া হবে। [তাইসিরুল কুরআন]
ফেরাউন ও তার অনুসারীদেরকে প্রদত্ত এই পুরস্কার (অভিশাপ) কতই না নিকৃষ্ট!
হূদ, ১১:৯৯ ⋮
وَأُتْبِعُوا فِي هَذِهِ لَعْنَةً وَيَوْمَ الْقِيَامَةِ بِئْسَ الرِّفْدُ الْمَرْفُودُ ﴿٩٩﴾
এ দুনিয়াতেও অভিশাপ তাদের পেছনে ছুটছে আর ক্বিয়ামাতের দিনেও। কত নিকৃষ্টই না সে পুরস্কার যা তাদেরকে দেয়া হবে। [তাইসিরুল কুরআন]
আর পরকালের শাস্তি অবশ্যই অধিকতর কঠিন।
আর-রাদ, ১৩:৩৪ ⋮
لَهُمْ عَذَابٌ فِي الْحَيَاةِ الدُّنْيَا وَلَعَذَابُ الْآخِرَةِ أَشَقُّ وَمَا لَهُمْ مِنَ اللَّهِ مِنْ وَاقٍ ﴿٣٤﴾
দুনিয়ার জীবনে তাদের জন্য আছে শাস্তি, আর আখেরাতের শাস্তি অবশ্যই আরো বেশি কঠিন। আল্লাহর শাস্তি থেকে বাঁচানোর তাদের কেউ নেই। [তাইসিরুল কুরআন]
সুতরাং, সীমালঙ্ঘনকারীরা যেন তাদের এই শাস্তির আস্বাদ গ্রহণ করে।
সোয়াদ, ৩৮:৫৭ ⋮
هَذَا فَلْيَذُوقُوهُ حَمِيمٌ وَغَسَّاقٌ ﴿٥٧﴾
সত্য বটে, এসব (আল্লাহদ্রোহীদের জন্য), কাজেই সেখানে তারা পান করুক ফুটন্ত পানি ও রক্ত পুঁজ। [তাইসিরুল কুরআন]
কাফিরকে বিদ্রূপ করে বলা হবে, 'নিশ্চয়ই তুমিই তো ছিলে মহাপরাক্রমশালী ও অতি সম্মানিত ব্যক্তি'।
আদ-দুখান, ৪৪:৪৯ ⋮
ذُقْ إِنَّكَ أَنْتَ الْعَزِيزُ الْكَرِيمُ ﴿٤٩﴾
(বলা হবে) গ্রহণ কর স্বাদ-তুমি তো ছিলে ক্ষমতাশালী, সম্মানী। [তাইসিরুল কুরআন]
আর নিশ্চয়ই পাপাচারীরা থাকবে প্রজ্বলিত জাহান্নামে।
আল-ইনফিতার, ৮২:১৪ ⋮
وَإِنَّ الْفُجَّارَ لَفِي جَحِيمٍ ﴿١٤﴾
আর পাপীরা থাকবে জাহান্নামে, [তাইসিরুল কুরআন]
পাপাচারীরা প্রতিদান দিবসে জাহান্নামে প্রবেশ করে দগ্ধ হবে।
আল-ইনফিতার, ৮২:১৫ ⋮
يَصْلَوْنَهَا يَوْمَ الدِّينِ ﴿١٥﴾
কর্মফলের দিন তারা তাতে প্রবেশ করবে। [তাইসিরুল কুরআন]
পূর্ববর্তী কাফিরদের জন্য যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি রয়েছে।
আত-তাগাবুন, ৬৪:৫ ⋮
أَلَمْ يَأْتِكُمْ نَبَأُ الَّذِينَ كَفَرُوا مِنْ قَبْلُ فَذَاقُوا وَبَالَ أَمْرِهِمْ وَلَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌ ﴿٥﴾
ইতোপূর্বে যারা কুফরী করেছিল তাদের খবর কি তোমার কাছে পৌঁছেছে? তারা তাদের মন্দ কর্মের ফল আস্বাদন করেছে, আর তাদের জন্য আছে মর্মান্তিক ‘আযাব। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ অবাধ্যদের জন্য কঠিন শাস্তি প্রস্তুত করে রেখেছেন।
আত-ত্বলাক্ব, ৬৫:১০ ⋮
أَعَدَّ اللَّهُ لَهُمْ عَذَابًا شَدِيدًا فَاتَّقُوا اللَّهَ يَاأُولِي الْأَلْبَابِ الَّذِينَ آمَنُوا قَدْ أَنْزَلَ اللَّهُ إِلَيْكُمْ ذِكْرًا ﴿١٠﴾
আল্লাহ তাদের জন্য কঠিন শাস্তি প্রস্তুত করে রেখেছেন। অতএব হে জ্ঞানবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষেরা! যারা ঈমান এনেছ তোমরা আল্লাহকে ভয় কর। আল্লাহ তোমাদের প্রতি অবতীর্ণ করেছেন উপদেশ। [তাইসিরুল কুরআন]