বিষয়ভিত্তিক কুরআন > যে সকল আযাব দুনিয়াতে এসেছিল
লাঞ্ছনা ও দুর্ভিক্ষ:
আল-বাকারা, ২:৬১ ⋮
وَإِذْ قُلْتُمْ يَا مُوسَى لَنْ نَصْبِرَ عَلَى طَعَامٍ وَاحِدٍ فَادْعُ لَنَا رَبَّكَ يُخْرِجْ لَنَا مِمَّا تُنْبِتُ الْأَرْضُ مِنْ بَقْلِهَا وَقِثَّائِهَا وَفُومِهَا وَعَدَسِهَا وَبَصَلِهَا قَالَ أَتَسْتَبْدِلُونَ الَّذِي هُوَ أَدْنَى بِالَّذِي هُوَ خَيْرٌ اهْبِطُوا مِصْرًا فَإِنَّ لَكُمْ مَا سَأَلْتُمْ وَضُرِبَتْ عَلَيْهِمُ الذِّلَّةُ وَالْمَسْكَنَةُ وَبَاءُوا بِغَضَبٍ مِنَ اللَّهِ ذَلِكَ بِأَنَّهُمْ كَانُوا يَكْفُرُونَ بِآيَاتِ اللَّهِ وَيَقْتُلُونَ النَّبِيِّينَ بِغَيْرِ الْحَقِّ ذَلِكَ بِمَا عَصَوْا وَكَانُوا يَعْتَدُونَ ﴿٦١﴾
স্মরণ কর, যখন তোমরা বলেছিলে, ‘হে মূসা! আমরা একই রকম খাদ্যে কক্ষনো ধৈর্য ধারণ করব না, কাজেই তুমি তোমার প্রতিপালকের কাছে আমাদের জন্য দু‘আ কর, তিনি যেন ভূমি হতে উৎপাদিত দ্রব্য শাক-সব্জি, কাঁকড়, গম, মসুর ও পেঁয়াজ আমাদের জন্য উৎপাদন করেন’। মূসা বললঃ ‘তোমরা কি উৎকৃষ্ট বস্তুকে নিকৃষ্ট বস্তুর সঙ্গে বদল করতে চাও, তবে কোন নগরে প্রবেশ কর; তোমরা যা চাও তা সেখানে আছে’ এবং তাদেরকে লাঞ্ছনা ও দারিদ্রের কশাঘাত করা হল ও তারা আল্লাহর কোপে পতিত হল। তা এজন্য যে, তারা আল্লাহর নিদর্শনকে অস্বীকার করত এবং নাবীগণকে অন্যায়ভাবে হত্যা করত। অবাধ্যতা ও সীমালঙ্ঘন করার জন্যই তাদের এ পরিণতি হয়েছিল। [তাইসিরুল কুরআন]
লাঞ্ছনা-অপমান:
আল-বাকারা, ২:১১৪ ⋮
وَمَنْ أَظْلَمُ مِمَّنْ مَنَعَ مَسَاجِدَ اللَّهِ أَنْ يُذْكَرَ فِيهَا اسْمُهُ وَسَعَى فِي خَرَابِهَا أُولَئِكَ مَا كَانَ لَهُمْ أَنْ يَدْخُلُوهَا إِلَّا خَائِفِينَ لَهُمْ فِي الدُّنْيَا خِزْيٌ وَلَهُمْ فِي الْآخِرَةِ عَذَابٌ عَظِيمٌ ﴿١١٤﴾
তার চেয়ে বড় যালেম কে, যে ব্যক্তি আল্লাহর মাসজিদগুলোতে আল্লাহর নাম নিতে বাধা দেয় এবং ওগুলোর ধ্বংস সাধনের চেষ্টা করে? অথচ ভয়ে ভীত না হয়ে তাদের জন্য মাসজিদে প্রবেশ সঙ্গত ছিল না, এদের জন্য দুনিয়াতে আছে লাঞ্ছনা এবং পরকালে তাদের জন্য রয়েছে কঠিন শাস্তি। [তাইসিরুল কুরআন]
বানরে পরিণত করা:
আল-বাকারা, ২:৬৫ ⋮
وَلَقَدْ عَلِمْتُمُ الَّذِينَ اعْتَدَوْا مِنْكُمْ فِي السَّبْتِ فَقُلْنَا لَهُمْ كُونُوا قِرَدَةً خَاسِئِينَ ﴿٦٥﴾
তোমাদের মধ্যে যারা শনিবার সম্পর্কে সীমালঙ্ঘন করেছিল, তাদেরকে তোমরা অবশ্যই জান, আমি তাদেরকে বলেছিলাম, ‘তোমরা ঘৃণিত বানরে পরিণত হও’। [তাইসিরুল কুরআন]
প্রাণী দ্বারা ধ্বংস করা:
কোনো আয়াত নেই।
প্রবল বাতাস, বিকট শব্দ, ভূমি ধস ও পানিতে ডুবানো:
আল-আনকাবূত, ২৯:৪০ ⋮
فَكُلًّا أَخَذْنَا بِذَنْبِهِ فَمِنْهُمْ مَنْ أَرْسَلْنَا عَلَيْهِ حَاصِبًا وَمِنْهُمْ مَنْ أَخَذَتْهُ الصَّيْحَةُ وَمِنْهُمْ مَنْ خَسَفْنَا بِهِ الْأَرْضَ وَمِنْهُمْ مَنْ أَغْرَقْنَا وَمَا كَانَ اللَّهُ لِيَظْلِمَهُمْ وَلَكِنْ كَانُوا أَنْفُسَهُمْ يَظْلِمُونَ ﴿٤٠﴾
ওদের প্রত্যেককেই আমি তার পাপের কারণে পাকড়াও করেছিলাম। তাদের কারো প্রতি আমি পাঠিয়েছিলাম পাথরসহ ঝটিকা, কারো প্রতি আঘাত হেনেছিল বজ্রের প্রচন্ড আওয়াজ, কাউকে আমি প্রোথিত করেছি ভূগর্ভে আর কাউকে দিয়েছিলাম ডুবিয়ে। তাদের প্রতি আল্লাহ কোন যুলম করেননি, তারা নিজেরাই নিজেদের প্রতি যুলম করেছিল। [তাইসিরুল কুরআন]
মানুষের উপর মানুষের নির্যাতন:
আল-আন'আম, ৬:৬৫ ⋮
قُلْ هُوَ الْقَادِرُ عَلَى أَنْ يَبْعَثَ عَلَيْكُمْ عَذَابًا مِنْ فَوْقِكُمْ أَوْ مِنْ تَحْتِ أَرْجُلِكُمْ أَوْ يَلْبِسَكُمْ شِيَعًا وَيُذِيقَ بَعْضَكُمْ بَأْسَ بَعْضٍ انْظُرْ كَيْفَ نُصَرِّفُ الْآيَاتِ لَعَلَّهُمْ يَفْقَهُونَ ﴿٦٥﴾
বল, তিনি তোমাদের উপর থেকে অথবা পদতল থেকে ‘আযাব পাঠাতে (সক্ষম) অথবা তোমাদেরকে দলে দলে বিভক্ত করার মাধ্যমে একদলকে অন্যদলের সংঘাত সংঘর্ষ ও হিংসা হানাহানির আস্বাদ গ্রহণ করাতে সক্ষম। লক্ষ্য কর, আমি নিদর্শনাবলী কেমন বিস্তারিত বর্ণনা করছি যাতে তারা উপলব্ধি করতে পারে। [তাইসিরুল কুরআন]
আ'দ জাতির উপর প্রেরিত বিধ্বংসী বাতাস তার গতিপথের সবকিছুকে পচা হাড়ের ন্যায় চূর্ণবিচূর্ণ করে দেয়।
আয-যারিয়াত, ৫১:৪২ ⋮
مَا تَذَرُ مِنْ شَيْءٍ أَتَتْ عَلَيْهِ إِلَّا جَعَلَتْهُ كَالرَّمِيمِ ﴿٤٢﴾
তা যা কিছুর উপর দিয়ে বয়ে গিয়েছিল তাকে চূর্ণ-বিচূর্ণ ও ধ্বংসস্তুপে পরিণত না করে ছাড়েনি। [তাইসিরুল কুরআন]
অতঃপর তাদের সীমালঙ্ঘনের কারণে বজ্রপাত তাদেরকে পাকড়াও করেছিল।
আন-নিসা, ৪:১৫৩ ⋮
يَسْأَلُكَ أَهْلُ الْكِتَابِ أَنْ تُنَزِّلَ عَلَيْهِمْ كِتَابًا مِنَ السَّمَاءِ فَقَدْ سَأَلُوا مُوسَى أَكْبَرَ مِنْ ذَلِكَ فَقَالُوا أَرِنَا اللَّهَ جَهْرَةً فَأَخَذَتْهُمُ الصَّاعِقَةُ بِظُلْمِهِمْ ثُمَّ اتَّخَذُوا الْعِجْلَ مِنْ بَعْدِ مَا جَاءَتْهُمُ الْبَيِّنَاتُ فَعَفَوْنَا عَنْ ذَلِكَ وَآتَيْنَا مُوسَى سُلْطَانًا مُبِينًا ﴿١٥٣﴾
কিতাবধারীগণ তোমাকে আসমান থেকে তাদের সামনে কিতাব নিয়ে আসতে বলে। তারা তো মূসার কাছে এর চেয়েও বড় দাবী পেশ করেছিল। তারা বলেছিল- আমাদেরকে প্রকাশ্যে আল্লাহকে দেখাও। তখন তাদের অন্যায় ও বাড়াবাড়ির কারণে বিদ্যুৎ তাদের উপর আঘাত হেনেছিল। অতঃপর তাদের কাছে স্পষ্ট প্রমাণ আসার পরেও তারা গো-বৎসকে (উপাস্য) গ্রহণ করেছিল, তাও আমি ক্ষমা করে দিয়েছিলাম, আর মূসাকে সুস্পষ্ট কর্তৃত্ব দান করেছিলাম। [তাইসিরুল কুরআন]
অতঃপর আল্লাহ সেই জাতিসমূহকে তাদের পাপের কারণেই ধ্বংস করে দিয়েছেন।
আল-আন'আম, ৬:৬ ⋮
أَلَمْ يَرَوْا كَمْ أَهْلَكْنَا مِنْ قَبْلِهِمْ مِنْ قَرْنٍ مَكَّنَّاهُمْ فِي الْأَرْضِ مَا لَمْ نُمَكِّنْ لَكُمْ وَأَرْسَلْنَا السَّمَاءَ عَلَيْهِمْ مِدْرَارًا وَجَعَلْنَا الْأَنْهَارَ تَجْرِي مِنْ تَحْتِهِمْ فَأَهْلَكْنَاهُمْ بِذُنُوبِهِمْ وَأَنْشَأْنَا مِنْ بَعْدِهِمْ قَرْنًا آخَرِينَ ﴿٦﴾
তারা কি লক্ষ্য করে না তাদের পূর্বে আমি কত জনগোষ্ঠীকে ধ্বংস করে দিয়েছি, তাদেরকে দুনিয়ায় (এমনভাবে) প্রতিষ্ঠিত করেছিলাম যে শক্তি-প্রতিষ্ঠা তোমাদেরকে দেয়া হয়নি, তাদের জন্য প্রচুর বৃষ্টিপাত ঘটিয়েছিলাম, তৈরি করেছিলাম নদী যা তাদের নিম্নদেশ দিয়ে প্রবাহিত হত, অতঃপর তাদের পাপের কারণে তাদেরকে ধ্বংস করে দিয়েছি আর তাদের পরে নতুন জনগোষ্ঠীর উত্থান ঘটালাম। [তাইসিরুল কুরআন]
নিশ্চয়ই ইবরাহিমের (আঃ) প্রতিপালকের পক্ষ থেকে লূতের সম্প্রদায়কে ধ্বংসের চূড়ান্ত নির্দেশ এসে পড়েছে।
হূদ, ১১:৭৬ ⋮
يَا إِبْرَاهِيمُ أَعْرِضْ عَنْ هَذَا إِنَّهُ قَدْ جَاءَ أَمْرُ رَبِّكَ وَإِنَّهُمْ آتِيهِمْ عَذَابٌ غَيْرُ مَرْدُودٍ ﴿٧٦﴾
‘হে ইবরাহীম! এথেকে তুমি নিবৃত্ত হও, তোমার প্রতিপালকের নির্দেশ এসে গেছে, তাদের প্রতি শাস্তি আসবেই যা রদ হবার নয়। [তাইসিরুল কুরআন]
অতঃপর আল্লাহ সেই জনপদের অধিবাসীদেরকে অতর্কিতে পাকড়াও করলেন।
আল-আ'রাফ, ৭:৯৫ ⋮
ثُمَّ بَدَّلْنَا مَكَانَ السَّيِّئَةِ الْحَسَنَةَ حَتَّى عَفَوْا وَقَالُوا قَدْ مَسَّ آبَاءَنَا الضَّرَّاءُ وَالسَّرَّاءُ فَأَخَذْنَاهُمْ بَغْتَةً وَهُمْ لَا يَشْعُرُونَ ﴿٩٥﴾
অতঃপর আমি দূরাবস্থাকে সচ্ছলতা দিয়ে বদলে দিলাম আর শেষ পর্যন্ত তারা প্রাচুর্যে বেড়ে গেল আর বলল, ‘আমাদের পিতৃপুরুষের উপরও এ রকম সুখ-দুঃখের দিন আসত।’ অতঃপর আমি তাদেরকে হঠাৎ পাকড়াও করলাম অথচ তারা টের করতেও পারল না। [তাইসিরুল কুরআন]
পূর্ববর্তী (অবিশ্বাসী) জাতিদের ক্ষেত্রে (আল্লাহর শাস্তির) বিধান তো গত হয়েই গেছে।
আল-হিজর, ১৫:১৩ ⋮
لَا يُؤْمِنُونَ بِهِ وَقَدْ خَلَتْ سُنَّةُ الْأَوَّلِينَ ﴿١٣﴾
তারা এর প্রতি ঈমান আনবে না, পূর্ববর্তী লোকেদেরও এ নিয়ম-নীতি চলে এসেছে। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহর প্রেরিত সেই বান্দারা বনী ইসরাইলের ঘরে ঘরে প্রবেশ করে ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছিল।
আল-ইসরা, ১৭:৫ ⋮
فَإِذَا جَاءَ وَعْدُ أُولَاهُمَا بَعَثْنَا عَلَيْكُمْ عِبَادًا لَنَا أُولِي بَأْسٍ شَدِيدٍ فَجَاسُوا خِلَالَ الدِّيَارِ وَكَانَ وَعْدًا مَفْعُولًا ﴿٥﴾
অতঃপর যখন দু’টির মধ্যে প্রথমটির সময় এসে উপস্থিত হল, তখন আমি তোমাদের বিরুদ্ধে পাঠিয়ে দিলাম আমার বান্দাদেরকে যারা ছিল যুদ্ধে অতি শক্তিশালী, তারা (তোমাদের) ঘরের কোণায় কোণায় ঢুকে পড়ল, আর সতর্কবাণী পূর্ণ হল। [তাইসিরুল কুরআন]
অতঃপর আল্লাহ অবশিষ্ট অবাধ্যদেরকে ডুবিয়ে দিয়েছিলেন।
আশ-শুআ'রা, ২৬:১২০ ⋮
ثُمَّ أَغْرَقْنَا بَعْدُ الْبَاقِينَ ﴿١٢٠﴾
তারপর অবশিষ্ট সবাইকে ডুবিয়ে দিলাম। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ সতর্ককৃতদের উপর এক (বিশেষ) বৃষ্টি বর্ষণ করেছিলেন।
আশ-শুআ'রা, ২৬:১৭৩ ⋮
وَأَمْطَرْنَا عَلَيْهِمْ مَطَرًا فَسَاءَ مَطَرُ الْمُنْذَرِينَ ﴿١٧٣﴾
তাদের উপর বর্ষণ করলাম (শাস্তির) বৃষ্টি, ভয় প্রদর্শিতদের জন্য এ বৃষ্টি ছিল কতই না মন্দ! [তাইসিরুল কুরআন]
সতর্ককৃতদের উপর বর্ষিত সেই বৃষ্টি ছিল অত্যন্ত নিকৃষ্ট।
আশ-শুআ'রা, ২৬:১৭৩ ⋮
وَأَمْطَرْنَا عَلَيْهِمْ مَطَرًا فَسَاءَ مَطَرُ الْمُنْذَرِينَ ﴿١٧٣﴾
তাদের উপর বর্ষণ করলাম (শাস্তির) বৃষ্টি, ভয় প্রদর্শিতদের জন্য এ বৃষ্টি ছিল কতই না মন্দ! [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহই বিধ্বস্ত জনপদকে (লূতের সম্প্রদায়কে) নিক্ষেপ করে ধ্বংস করেছিলেন।
আন-নাজম, ৫৩:৫৩ ⋮
وَالْمُؤْتَفِكَةَ أَهْوَى ﴿٥٣﴾
তিনি (লূত জাতির) উল্টানো আবাস ভূমিকে উঠিয়ে নিক্ষেপ করেছিলেন, [তাইসিরুল কুরআন]
এর ফলে আল্লাহ সেই সম্প্রদায়ের লোকদের দৃষ্টিশক্তি বিলুপ্ত করে দেন।
আল-কামার, ৫৪:৩৭ ⋮
وَلَقَدْ رَاوَدُوهُ عَنْ ضَيْفِهِ فَطَمَسْنَا أَعْيُنَهُمْ فَذُوقُوا عَذَابِي وَنُذُرِ ﴿٣٧﴾
তারা লূতকে তার মেহমানদের রক্ষণাবেক্ষণ থেকে বিরত রাখতে চেষ্টা করল তখন আমি তাদের চোখগুলোকে অন্ধ করে দিলাম আর বললাম ‘আমার ‘আযাব ও সতর্কবাণীর স্বাদ গ্রহণ কর।’ [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ সেই সম্প্রদায়কে তাঁর শাস্তি আস্বাদন করতে বলেন।
আল-কামার, ৫৪:৩৭ ⋮
وَلَقَدْ رَاوَدُوهُ عَنْ ضَيْفِهِ فَطَمَسْنَا أَعْيُنَهُمْ فَذُوقُوا عَذَابِي وَنُذُرِ ﴿٣٧﴾
তারা লূতকে তার মেহমানদের রক্ষণাবেক্ষণ থেকে বিরত রাখতে চেষ্টা করল তখন আমি তাদের চোখগুলোকে অন্ধ করে দিলাম আর বললাম ‘আমার ‘আযাব ও সতর্কবাণীর স্বাদ গ্রহণ কর।’ [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ সেই সম্প্রদায়কে তাঁর সতর্কবাণীর পরিণামও আস্বাদন করতে বলেন।
আল-কামার, ৫৪:৩৭ ⋮
وَلَقَدْ رَاوَدُوهُ عَنْ ضَيْفِهِ فَطَمَسْنَا أَعْيُنَهُمْ فَذُوقُوا عَذَابِي وَنُذُرِ ﴿٣٧﴾
তারা লূতকে তার মেহমানদের রক্ষণাবেক্ষণ থেকে বিরত রাখতে চেষ্টা করল তখন আমি তাদের চোখগুলোকে অন্ধ করে দিলাম আর বললাম ‘আমার ‘আযাব ও সতর্কবাণীর স্বাদ গ্রহণ কর।’ [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ তাঁর অবাধ্যদেরকে তাঁর সতর্কবাণীর পরিণাম আস্বাদন করারও নির্দেশ দেন।
আল-কামার, ৫৪:৩৯ ⋮
فَذُوقُوا عَذَابِي وَنُذُرِ ﴿٣٩﴾
তখন আমি বললাম- ‘আমার শাস্তি ও সতর্কবাণীর স্বাদ গ্রহণ কর। [তাইসিরুল কুরআন]
পূর্ববর্তী কাফিররা তাদের কৃতকর্মের মন্দ ফল আস্বাদন করেছিল।
আত-তাগাবুন, ৬৪:৫ ⋮
أَلَمْ يَأْتِكُمْ نَبَأُ الَّذِينَ كَفَرُوا مِنْ قَبْلُ فَذَاقُوا وَبَالَ أَمْرِهِمْ وَلَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌ ﴿٥﴾
ইতোপূর্বে যারা কুফরী করেছিল তাদের খবর কি তোমার কাছে পৌঁছেছে? তারা তাদের মন্দ কর্মের ফল আস্বাদন করেছে, আর তাদের জন্য আছে মর্মান্তিক ‘আযাব। [তাইসিরুল কুরআন]
এবং আল্লাহ সেই জনপদগুলোকে ভয়াবহ শাস্তি দিয়েছিলেন।
আত-ত্বলাক্ব, ৬৫:৮ ⋮
وَكَأَيِّنْ مِنْ قَرْيَةٍ عَتَتْ عَنْ أَمْرِ رَبِّهَا وَرُسُلِهِ فَحَاسَبْنَاهَا حِسَابًا شَدِيدًا وَعَذَّبْنَاهَا عَذَابًا نُكْرًا ﴿٨﴾
কত জনপদ তাদের প্রতিপালকের আর তাঁর রসূলদের হুকুম অমান্য করেছে। ফলে আমরা তাদের থেকে কঠিনভাবে প্রতিশোধ নিয়েছি আর তাদেরকে ‘আযাব দিয়েছি কঠিন ‘আযাব। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ পূর্ববর্তী জাতিসমূহকে ধ্বংস করেছেন।
আল-মুরসালাত, ৭৭:১৬ ⋮
أَلَمْ نُهْلِكِ الْأَوَّلِينَ ﴿١٦﴾
আমি কি আগেকার লোকেদেরকে ধ্বংস করে দেইনি? [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ তাদের বললেন, 'তোমরা ধিকৃত বানর হয়ে যাও'।
আল-আ'রাফ, ৭:১৬৬ ⋮
فَلَمَّا عَتَوْا عَنْ مَا نُهُوا عَنْهُ قُلْنَا لَهُمْ كُونُوا قِرَدَةً خَاسِئِينَ ﴿١٦٦﴾
যখন তারা চরম ধৃষ্টতা দেখিয়ে ঐ কাজগুলো করতে থাকল যা করতে তাদেরকে নিষেধ করা হয়েছিল, তখন তাদের উদ্দেশে বললাম, ‘ঘৃণিত অপমানিত, বানরে রূপান্তরিত হয়ে যাও’। [তাইসিরুল কুরআন]