বিষয়ভিত্তিক কুরআন > দুনিয়াতে পাপের পরিণাম

মানুষের পাপের কারণে পৃথিবীতে বিপদ আসে:

আর-রুম, ৩০:৪১
ظَهَرَ الْفَسَادُ فِي الْبَرِّ وَالْبَحْرِ بِمَا كَسَبَتْ أَيْدِي النَّاسِ لِيُذِيقَهُمْ بَعْضَ الَّذِي عَمِلُوا لَعَلَّهُمْ يَرْجِعُونَ ﴿٤١﴾
মানুষের কৃতকর্মের কারণে জলে স্থলে বিপর্যয় দেখা দিয়েছে যাতে তিনি তাদেরকে তাদের কোন কোন কাজের শাস্তি আস্বাদন করান, যাতে তারা (অসৎ পথ হতে) ফিরে আসে। [তাইসিরুল কুরআন]
আশ-শূরা, ৪২:৩০
وَمَا أَصَابَكُمْ مِنْ مُصِيبَةٍ فَبِمَا كَسَبَتْ أَيْدِيكُمْ وَيَعْفُو عَنْ كَثِيرٍ ﴿٣٠﴾
তোমাদের উপর যে বিপদই উপনীত হয় তা তোমাদের হাতের উপার্জনের কারণেই, তিনি অনেক অপরাধই ক্ষমা করে দেন। [তাইসিরুল কুরআন]

যখন আযাব আসবে তখন কেউই বাঁচতে পারবে না:

আল-আনফাল, ৮:২৫
وَاتَّقُوا فِتْنَةً لَا تُصِيبَنَّ الَّذِينَ ظَلَمُوا مِنْكُمْ خَاصَّةً وَاعْلَمُوا أَنَّ اللَّهَ شَدِيدُ الْعِقَابِ ﴿٢٥﴾
সতর্ক থাক সেই শাস্তি হতে যা বিশেষভাবে তোমাদের যালিম লোকেদেরকেই আক্রমন করবে না। আর জেনে রেখ যে আল্লাহ শাস্তিদানে খুবই কঠোর। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ প্রত্যেক অপরাধী জাতিকেই পাকড়াও করেছেন:

গাফির, ৪০:২১
أَوَلَمْ يَسِيرُوا فِي الْأَرْضِ فَيَنْظُرُوا كَيْفَ كَانَ عَاقِبَةُ الَّذِينَ كَانُوا مِنْ قَبْلِهِمْ كَانُوا هُمْ أَشَدَّ مِنْهُمْ قُوَّةً وَآثَارًا فِي الْأَرْضِ فَأَخَذَهُمُ اللَّهُ بِذُنُوبِهِمْ وَمَا كَانَ لَهُمْ مِنَ اللَّهِ مِنْ وَاقٍ ﴿٢١﴾
তারা কি পৃথিবীতে ভ্রমণ করে না, তাহলে দেখতে পেত তাদের পূর্বে যারা ছিল তাদের পরিণাম কী হয়েছিল। তারা শক্তিতে আর স্মৃতি চিহ্নে ছিল এদের চেয়ে প্রবল। অতঃপর তাদের পাপের কারণে আল্লাহ তাদেরকে পাকড়াও করেছিলেন, আল্লাহর শাস্তি থেকে তাদেরকে বাঁচানোর কেউ ছিল না। [তাইসিরুল কুরআন]

মানুষকে সতর্ক করার জন্যই আল্লাহ এ ব্যবস্থা করেন:

আস-সাজদাহ, ৩২:২১
وَلَنُذِيقَنَّهُمْ مِنَ الْعَذَابِ الْأَدْنَى دُونَ الْعَذَابِ الْأَكْبَرِ لَعَلَّهُمْ يَرْجِعُونَ ﴿٢١﴾
গুরুতর শাস্তির আগে আমি তাদেরকে অবশ্য অবশ্যই লঘু শাস্তি আস্বাদন করাবো যাতে তারা (অনুশোচনা নিয়ে) ফিরে আসে। [তাইসিরুল কুরআন]

তারপরও মানুষ সতর্ক হয় না:

আত-তাওবা, ৯:১২৬
أَوَلَا يَرَوْنَ أَنَّهُمْ يُفْتَنُونَ فِي كُلِّ عَامٍ مَرَّةً أَوْ مَرَّتَيْنِ ثُمَّ لَا يَتُوبُونَ وَلَا هُمْ يَذَّكَّرُونَ ﴿١٢٦﴾
তারা কি দেখে না যে, প্রতি বছরই তাদেরকে একবার বা দু’বার পরীক্ষায় ফেলা হয়; তারপরেও তারা তাওবাও করে না, আর শিক্ষাও গ্রহণ করে না। [তাইসিরুল কুরআন]

খুব কম লোকই বিপদ থেকে শিক্ষা লাভ করে:

আল-আন'আম, ৬:৪২
وَلَقَدْ أَرْسَلْنَا إِلَى أُمَمٍ مِنْ قَبْلِكَ فَأَخَذْنَاهُمْ بِالْبَأْسَاءِ وَالضَّرَّاءِ لَعَلَّهُمْ يَتَضَرَّعُونَ ﴿٤٢﴾
তোমার পূর্বে আমি অনেক জাতির কাছে রসূল পাঠিয়েছি, কিন্তু তাদের অবাধ্যতার কারণে) অভাব অনটন আর দুঃখ-ক্লেশ দিয়ে তাদেরকে পাকড়াও করেছিলাম যাতে তারা বিনীত হয়। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-আন'আম, ৬:৪৩
فَلَوْلَا إِذْ جَاءَهُمْ بَأْسُنَا تَضَرَّعُوا وَلَكِنْ قَسَتْ قُلُوبُهُمْ وَزَيَّنَ لَهُمُ الشَّيْطَانُ مَا كَانُوا يَعْمَلُونَ ﴿٤٣﴾
আমার শাস্তি যখন তাদের উপর পড়ল তখন তারা বিনয় নম্রতা অবলম্বন করল না কেন? বরং তাদের অন্তর আরো শক্ত হয়ে গেল, আর তারা যা করছিল শয়তান সেগুলোকে তাদের জন্য (খুব ভাল কাজ হিসেবে) সুশোভিত করে দিয়েছিল। [তাইসিরুল কুরআন]

বিপদ সরে গেলে মানুষ আবার নাফরমানি শুরু করে দেয়:

আদ-দুখান, ৪৪:১৫
إِنَّا كَاشِفُوا الْعَذَابِ قَلِيلًا إِنَّكُمْ عَائِدُونَ ﴿١٥﴾
আমি কিছুকালের জন্য ‘আযাব সরিয়ে নেব, তখন তোমরা আগে যা করছিলে তাই আবার করবে। [তাইসিরুল কুরআন]

মানুষের উপর একের পর এক বিপদ আসতেই থাকে:

আর-রাদ, ১৩:৩১
وَلَوْ أَنَّ قُرْآنًا سُيِّرَتْ بِهِ الْجِبَالُ أَوْ قُطِّعَتْ بِهِ الْأَرْضُ أَوْ كُلِّمَ بِهِ الْمَوْتَى بَلْ لِلَّهِ الْأَمْرُ جَمِيعًا أَفَلَمْ يَيْأَسِ الَّذِينَ آمَنُوا أَنْ لَوْ يَشَاءُ اللَّهُ لَهَدَى النَّاسَ جَمِيعًا وَلَا يَزَالُ الَّذِينَ كَفَرُوا تُصِيبُهُمْ بِمَا صَنَعُوا قَارِعَةٌ أَوْ تَحُلُّ قَرِيبًا مِنْ دَارِهِمْ حَتَّى يَأْتِيَ وَعْدُ اللَّهِ إِنَّ اللَّهَ لَا يُخْلِفُ الْمِيعَادَ ﴿٣١﴾
কুরআন দিয়ে পর্বতকে যদি গতিশীল করা যেত, কিংবা যমীনকে দীর্ণ করা যেত কিংবা তা দিয়ে মৃত মানুষকে কথা বলানো যেত (তবুও তারা তাতে বিশ্বাস করত না)। (আলৌকিক কিছু করা মানুষের সাধ্যাতীত) বরং সমস্ত কিছুই আল্লাহর ক্ষমতাভুক্ত। যারা ঈমান এনেছে তারা কি জানে না যে, আল্লাহ ইচ্ছে করলে সকল মানুষকে সৎ পথে পরিচালিত করতে পারতেন। যারা কুফুরী করে তাদের কার্যকলাপের কারণে তাদের উপর কোন না কোন বিপদ আসতেই থাকে কিংবা তাদের ঘরের আশেপাশেই নাযিল হতে থাকে, যতক্ষণ না আল্লাহর ও‘য়াদা পূর্ণ হয়। নিশ্চয়ই আল্লাহ ওয়াদার ব্যতিক্রম করেন না। [তাইসিরুল কুরআন]

আযাব থেকে বাঁচার উপায় হলো কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা:

আন-নিসা, ৪:১৪৭
مَا يَفْعَلُ اللَّهُ بِعَذَابِكُمْ إِنْ شَكَرْتُمْ وَآمَنْتُمْ وَكَانَ اللَّهُ شَاكِرًا عَلِيمًا ﴿١٤٧﴾
তোমরা যদি শোকরগুজারি কর আর ঈমান আন তাহলে তোমাদেরকে শাস্তি দিয়ে আল্লাহ কী করবেন? আল্লাহ (সৎকাজের বড়ই) পুরস্কারদাতা, সর্ববিষয়ে জ্ঞাত। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া:

আল-আনফাল, ৮:৩৩
وَمَا كَانَ اللَّهُ لِيُعَذِّبَهُمْ وَأَنْتَ فِيهِمْ وَمَا كَانَ اللَّهُ مُعَذِّبَهُمْ وَهُمْ يَسْتَغْفِرُونَ ﴿٣٣﴾
তুমি তাদের মাঝে থাকা অবস্থায় আল্লাহ তাদেরকে শাস্তি দিবেন না এবং যখন তারা ক্ষমা প্রার্থনা করতে থাকবে এরূপ অবস্থায়ও আল্লাহ তাদেরকে শাস্তি দিবেন না। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ ইচ্ছা করলে (কোনো জাতিকে) তাদের পাপের কারণে পাকড়াও করতে পারেন।

আল-আ'রাফ, ৭:১০০
أَوَلَمْ يَهْدِ لِلَّذِينَ يَرِثُونَ الْأَرْضَ مِنْ بَعْدِ أَهْلِهَا أَنْ لَوْ نَشَاءُ أَصَبْنَاهُمْ بِذُنُوبِهِمْ وَنَطْبَعُ عَلَى قُلُوبِهِمْ فَهُمْ لَا يَسْمَعُونَ ﴿١٠٠﴾
যারা কোন দেশের উত্তরাধিকার লাভ করেছে সেখানকার (আগের) অধিবাসীদের পর, তারা কি এ শিক্ষা লাভ করে না যে, আমি তাদেরকে তাদের পাপের কারণে পাকড়াও করতে পারি আর তদের অন্তরে সীল লাগিয়ে দিতে পারি যাতে তারা কিছুই শুনবে না? [তাইসিরুল কুরআন]

কাফিরদের জন্য পার্থিব জীবনে শাস্তি রয়েছে।

আর-রাদ, ১৩:৩৪
لَهُمْ عَذَابٌ فِي الْحَيَاةِ الدُّنْيَا وَلَعَذَابُ الْآخِرَةِ أَشَقُّ وَمَا لَهُمْ مِنَ اللَّهِ مِنْ وَاقٍ ﴿٣٤﴾
দুনিয়ার জীবনে তাদের জন্য আছে শাস্তি, আর আখেরাতের শাস্তি অবশ্যই আরো বেশি কঠিন। আল্লাহর শাস্তি থেকে বাঁচানোর তাদের কেউ নেই। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ কাফিরদেরকে প্রতিশ্রুত শাস্তির কিছু অংশ নবী (ﷺ)-কে তাঁর জীবদ্দশায় দেখাতে পারেন।

ইউনুস, ১০:৪৬
وَإِمَّا نُرِيَنَّكَ بَعْضَ الَّذِي نَعِدُهُمْ أَوْ نَتَوَفَّيَنَّكَ فَإِلَيْنَا مَرْجِعُهُمْ ثُمَّ اللَّهُ شَهِيدٌ عَلَى مَا يَفْعَلُونَ ﴿٤٦﴾
আমি তাদেরকে যে পরিণতির ভয় দেখিয়েছি তার কিছু অংশ আমি যদি তোমাকে দেখিয়ে দেই, কিংবা (তার পূর্বেই) তোমাকে যদি উঠিয়ে দেই, (অবস্থা যেটাই হোক না কেন) তাদের প্রত্যাবর্তন তো আমার কাছেই, (সর্বোপরি) তারা যা কিছু করছে আল্লাহ হচ্ছেন তার সাক্ষী। [তাইসিরুল কুরআন]

হুদ (আঃ) তাঁর কওমের জন্য এক মহাদিবসের আযাবের আশঙ্কা ব্যক্ত করেছেন।

আশ-শুআ'রা, ২৬:১৩৫
إِنِّي أَخَافُ عَلَيْكُمْ عَذَابَ يَوْمٍ عَظِيمٍ ﴿١٣٥﴾
আমি তোমাদের জন্য মহা দিবসের শাস্তির ভয় করছি।’ [তাইসিরুল কুরআন]

হে নবী, আপনি বলুন, কাফিররা যে আযাব দ্রুত কামনা করছে, তার একাংশ হয়তো তাদের সন্নিকটে এসে পড়েছে।

আন-নামাল, ২৭:৭২
قُلْ عَسَى أَنْ يَكُونَ رَدِفَ لَكُمْ بَعْضُ الَّذِي تَسْتَعْجِلُونَ ﴿٧٢﴾
বল, তোমরা যা পাওয়ার জন্য তাড়াহুড়া করছ সম্ভবতঃ তার কিছু তোমাদের পিঠের পেছনে এসে গেছে। [তাইসিরুল কুরআন]

সুতরাং, আল্লাহর শাস্তি কতই না ভয়াবহ ছিল!

ফাতির, ৩৫:২৬
ثُمَّ أَخَذْتُ الَّذِينَ كَفَرُوا فَكَيْفَ كَانَ نَكِيرِ ﴿٢٦﴾
যারা কুফরী করেছিল, অতঃপর আমি তাদেরকে পাকড়াও করেছিলাম। কী (ভয়ংকর) ছিল আমার শাস্তি! [তাইসিরুল কুরআন]

তখন তাদের জন্য সেই সকালটি হবে অত্যন্ত মন্দ।

আস-সাফফাত, ৩৭:১৭৭
فَإِذَا نَزَلَ بِسَاحَتِهِمْ فَسَاءَ صَبَاحُ الْمُنْذَرِينَ ﴿١٧٧﴾
শাস্তি যখন তাদের উঠানে নেমে আসবে, তখন কতই না মন্দ হবে ঐ লোকেদের সকালটি যাদেরকে সতর্ক করা হয়েছিল! [তাইসিরুল কুরআন]

মানবজাতিকে ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন করার এই ঘটনাটি এক যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।

আদ-দুখান, ৪৪:১১
يَغْشَى النَّاسَ هَذَا عَذَابٌ أَلِيمٌ ﴿١١﴾
(যা) মানুষকে ঢেকে নেবে, তা হবে ভয়াবহ শাস্তি। [তাইসিরুল কুরআন]

ফলে আল্লাহ সেই অস্বীকারকারী জাতিগুলোকে পাকড়াও করলেন।

গাফির, ৪০:২২
ذَلِكَ بِأَنَّهُمْ كَانَتْ تَأْتِيهِمْ رُسُلُهُمْ بِالْبَيِّنَاتِ فَكَفَرُوا فَأَخَذَهُمُ اللَّهُ إِنَّهُ قَوِيٌّ شَدِيدُ الْعِقَابِ ﴿٢٢﴾
এটা এজন্য যে, রসূলগণ তাদের কাছে স্পষ্ট (নিদর্শন) নিয়ে এসেছিল। কিন্তু তারা তাদেরকে প্রত্যাখ্যান করেছিল। তখন আল্লাহ তাদেরকে পাকড়াও করেছিলেন। তিনি প্রবল শক্তিধর, শাস্তিদানে কঠোর। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ মানুষের কৃতকর্মের কারণে নৌযানসমূহকে ধ্বংস করে দিতে পারেন।

আশ-শূরা, ৪২:৩৪
أَوْ يُوبِقْهُنَّ بِمَا كَسَبُوا وَيَعْفُ عَنْ كَثِيرٍ ﴿٣٤﴾
কিংবা তিনি ওগুলোকে ধ্বংস করে দিতে পারেন তাদের উপার্জিত পাপের কারণে, আর প্রকৃতপক্ষে তিনি তো (তাদের) অনেক দোষ-ত্রুটিই ক্ষমা করে দেন। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ এভাবেই অপরাধী সম্প্রদায়কে প্রতিফল দিয়ে থাকেন।

ইউনুস, ১০:১৩
وَلَقَدْ أَهْلَكْنَا الْقُرُونَ مِنْ قَبْلِكُمْ لَمَّا ظَلَمُوا وَجَاءَتْهُمْ رُسُلُهُمْ بِالْبَيِّنَاتِ وَمَا كَانُوا لِيُؤْمِنُوا كَذَلِكَ نَجْزِي الْقَوْمَ الْمُجْرِمِينَ ﴿١٣﴾
তোমাদের পূর্বেকার বহু জনগোষ্ঠীকে আমি ধ্বংস করে দিয়েছি যখন তারা বাড়াবাড়িতে লিপ্ত হয়েছিল, তাদের কাছে রসূলগণ সুস্পষ্ট নিদর্শনসমূহ নিয়ে এসেছিল, কিন্তু তারা আদৌ ঈমান আনেনি। এভাবেই আমি অপরাধীদেরকে (পাপের) প্রতিদান দিয়ে থাকি। [তাইসিরুল কুরআন]

কাফিরদের কৃতকর্মের জন্য তাদের উপর বিপদ আসলে তারা বলত, 'হে আমাদের রব, আপনি আমাদের কাছে কোনো রাসূল কেন প্রেরণ করেননি?'

আল-কাসাস, ২৮:৪৭
وَلَوْلَا أَنْ تُصِيبَهُمْ مُصِيبَةٌ بِمَا قَدَّمَتْ أَيْدِيهُمْ فَيَقُولُوا رَبَّنَا لَوْلَا أَرْسَلْتَ إِلَيْنَا رَسُولًا فَنَتَّبِعَ آيَاتِكَ وَنَكُونَ مِنَ الْمُؤْمِنِينَ ﴿٤٧﴾
রসূল না পাঠালে তাদের কৃতকর্মের কারণে কোন বিপদ হলে তারা বলত- ‘হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের কাছে রসূল পাঠালে না কেন, পাঠালে তোমার আয়াতসমূহের অনুসরণ করতাম আর আমরা মু’মিন হয়ে যেতাম।’ [তাইসিরুল কুরআন]
ফন্ট সাইজ
15px
17px