বিষয়ভিত্তিক কুরআন > পাপ ও পুণ্যের ফলাফল সমান নয়

পাপী ও পুণ্যবান সমান নয়:

আল-জাসিয়া, ৪৫:২১
أَمْ حَسِبَ الَّذِينَ اجْتَرَحُوا السَّيِّئَاتِ أَنْ نَجْعَلَهُمْ كَالَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ سَوَاءً مَحْيَاهُمْ وَمَمَاتُهُمْ سَاءَ مَا يَحْكُمُونَ ﴿٢١﴾
যারা অন্যায় কাজ করে তারা কি এ কথা ভেবে নিয়েছে যে, আমি তাদেরকে আর ঈমান গ্রহণকারী সৎকর্মশীলদেরকে সমান গণ্য করব যার ফলে তাদের উভয় দলের জীবন ও মৃত্যু সমান হয়ে যাবে? কতই না মন্দ তাদের ফয়সালা! [তাইসিরুল কুরআন]
সোয়াদ, ৩৮:২৮
أَمْ نَجْعَلُ الَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ كَالْمُفْسِدِينَ فِي الْأَرْضِ أَمْ نَجْعَلُ الْمُتَّقِينَ كَالْفُجَّارِ ﴿٢٨﴾
যারা ঈমান আনে আর সৎ কাজ করে তাদেরকে কি আমি ওদের মত করব যারা দুনিয়াতে বিপর্যয় সৃষ্টি করে? আমি মুত্তাক্বীদের কি অপরাধীদের মত গণ্য করব? [তাইসিরুল কুরআন]
গাফির, ৪০:৫৮
وَمَا يَسْتَوِي الْأَعْمَى وَالْبَصِيرُ وَالَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ وَلَا الْمُسِيءُ قَلِيلًا مَا تَتَذَكَّرُونَ ﴿٥٨﴾
অন্ধ আর চক্ষুষ্মান সমান নয়, (সমান নয়) যারা ঈমান আনে ও সৎ কাজ করে আর যারা অন্যায়কারী। উপদেশ থেকে শিক্ষা তোমরা সামান্যই গ্রহণ কর। [তাইসিরুল কুরআন]

পাপের পরিণাম মন্দ, পুণ্যের পরিণাম ভালো:

আর-রুম, ৩০:৪৪
مَنْ كَفَرَ فَعَلَيْهِ كُفْرُهُ وَمَنْ عَمِلَ صَالِحًا فَلِأَنْفُسِهِمْ يَمْهَدُونَ ﴿٤٤﴾
যে কুফুরী করে সেই তার কুফুরীর শাস্তি ভোগ করবে, আর যারা সৎকর্ম করে তারা নিজেদেরই সুখ সরঞ্জাম সংগ্রহ করছে। [তাইসিরুল কুরআন]

মানুষ যা কিছু করে আল্লাহ তার হিসাব রাখেন:

আল-মুজাদালা, ৫৮:৬
يَوْمَ يَبْعَثُهُمُ اللَّهُ جَمِيعًا فَيُنَبِّئُهُمْ بِمَا عَمِلُوا أَحْصَاهُ اللَّهُ وَنَسُوهُ وَاللَّهُ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ شَهِيدٌ ﴿٦﴾
সেদিন, যেদিন আল্লাহ তাদের সকলকে আবার জীবিত করে উঠাবেন এবং তাদের কৃতকর্মের সংবাদ তাদেরকে জানিয়ে দিবেন, আল্লাহ তা হিসেব করে রেখেছেন যদিও তারা (নিজেরা) ভুলে গেছে। আল্লাহ প্রতিটি বিষয়ের প্রত্যক্ষদর্শী। [তাইসিরুল কুরআন]

সকলেই তার কর্মফল দেখতে পাবে:

আয-যিলযাল, ৯৯:৭
فَمَنْ يَعْمَلْ مِثْقَالَ ذَرَّةٍ خَيْرًا يَرَهُ ﴿٧﴾
অতএব কেউ অণু পরিমাণও সৎ কাজ করলে সে তা দেখবে, [তাইসিরুল কুরআন]
আয-যিলযাল, ৯৯:৮
وَمَنْ يَعْمَلْ مِثْقَالَ ذَرَّةٍ شَرًّا يَرَهُ ﴿٨﴾
আর কেউ অণু পরিমাণও অসৎ কাজ করলে সেও তা দেখবে। [তাইসিরুল কুরআন]
আলে-ইমরান, ৩:৩০
يَوْمَ تَجِدُ كُلُّ نَفْسٍ مَا عَمِلَتْ مِنْ خَيْرٍ مُحْضَرًا وَمَا عَمِلَتْ مِنْ سُوءٍ تَوَدُّ لَوْ أَنَّ بَيْنَهَا وَبَيْنَهُ أَمَدًا بَعِيدًا وَيُحَذِّرُكُمُ اللَّهُ نَفْسَهُ وَاللَّهُ رَءُوفٌ بِالْعِبَادِ ﴿٣٠﴾
যে দিন প্রত্যেক আত্মা যা কিছু নেক ‘আমাল করেছে এবং যা কিছু বদ ‘আমাল করেছে তা বিদ্যমান পাবে; সেই আত্মা কামনা করবে যদি তার এবং ওর (অর্থাৎ তার মন্দ কর্মফলের) মধ্যে দুস্তর ব্যবধান হত। আল্লাহ তাঁর নিজের সম্পর্কে তোমাদেরকে সাবধান করছেন, বস্তুতঃ আল্লাহ বান্দাগণের প্রতি খুবই করুণাশীল। [তাইসিরুল কুরআন]

কিয়ামতের দিন সকলেই নিজ নিজ কর্মফল ভোগ করবে:

আল-আহকাফ, ৪৬:১৯
وَلِكُلٍّ دَرَجَاتٌ مِمَّا عَمِلُوا وَلِيُوَفِّيَهُمْ أَعْمَالَهُمْ وَهُمْ لَا يُظْلَمُونَ ﴿١٩﴾
প্রত্যেকের জন্য মর্যাদা আছে তার কৃতকর্ম অনুসারে, যেন আল্লাহ তাদের কর্মের পুরোপুরি প্রতিফল দেন। তাদের উপর কক্ষনো যুলম করা হবে না। [তাইসিরুল কুরআন]
আলে-ইমরান, ৩:২৫
فَكَيْفَ إِذَا جَمَعْنَاهُمْ لِيَوْمٍ لَا رَيْبَ فِيهِ وَوُفِّيَتْ كُلُّ نَفْسٍ مَا كَسَبَتْ وَهُمْ لَا يُظْلَمُونَ ﴿٢٥﴾
অনন্তর তাদের কী দশা ঘটবে, যখন আমি তাদেরকে সেই দিনে একত্রিত করব, যে দিনটি সংঘটিত হওয়ার ব্যাপারে কোনই সন্দেহ নেই এবং প্রত্যেককে তার অর্জিত প্রতিফল পূর্ণভাবে দেয়া হবে আর তাদের প্রতি কোন যুলম করা হবে না। [তাইসিরুল কুরআন]

সেই অতীত জাতি যা অর্জন করেছে, তার ফল তাদেরই প্রাপ্য।

আল-বাকারা, ২:১৩৪
تِلْكَ أُمَّةٌ قَدْ خَلَتْ لَهَا مَا كَسَبَتْ وَلَكُمْ مَا كَسَبْتُمْ وَلَا تُسْأَلُونَ عَمَّا كَانُوا يَعْمَلُونَ ﴿١٣٤﴾
এ লোকেরা গত হয়ে গেছে, তাদের জন্য তাদের কৃতকর্ম এবং তোমাদের জন্য তোমাদের কৃতকর্ম এবং তাদের কৃতকর্ম সম্বন্ধে তোমাদেরকে জিজ্ঞেস করা হবে না। [তাইসিরুল কুরআন]

তোমরা যা অর্জন করেছ, তার ফল তোমাদেরই প্রাপ্য।

আল-বাকারা, ২:১৩৪
تِلْكَ أُمَّةٌ قَدْ خَلَتْ لَهَا مَا كَسَبَتْ وَلَكُمْ مَا كَسَبْتُمْ وَلَا تُسْأَلُونَ عَمَّا كَانُوا يَعْمَلُونَ ﴿١٣٤﴾
এ লোকেরা গত হয়ে গেছে, তাদের জন্য তাদের কৃতকর্ম এবং তোমাদের জন্য তোমাদের কৃতকর্ম এবং তাদের কৃতকর্ম সম্বন্ধে তোমাদেরকে জিজ্ঞেস করা হবে না। [তাইসিরুল কুরআন]

সেই অতীত জাতি যা করত, সে সম্পর্কে তোমাদেরকে প্রশ্ন করা হবে না।

আল-বাকারা, ২:১৩৪
تِلْكَ أُمَّةٌ قَدْ خَلَتْ لَهَا مَا كَسَبَتْ وَلَكُمْ مَا كَسَبْتُمْ وَلَا تُسْأَلُونَ عَمَّا كَانُوا يَعْمَلُونَ ﴿١٣٤﴾
এ লোকেরা গত হয়ে গেছে, তাদের জন্য তাদের কৃতকর্ম এবং তোমাদের জন্য তোমাদের কৃতকর্ম এবং তাদের কৃতকর্ম সম্বন্ধে তোমাদেরকে জিজ্ঞেস করা হবে না। [তাইসিরুল কুরআন]

আমাদের কর্মফল আমাদের জন্য এবং তোমাদের কর্মফল তোমাদের জন্য।

আল-বাকারা, ২:১৩৯
قُلْ أَتُحَاجُّونَنَا فِي اللَّهِ وَهُوَ رَبُّنَا وَرَبُّكُمْ وَلَنَا أَعْمَالُنَا وَلَكُمْ أَعْمَالُكُمْ وَنَحْنُ لَهُ مُخْلِصُونَ ﴿١٣٩﴾
বল, ‘তোমরা কি আল্লাহর সম্বন্ধে আমাদের সাথে ঝগড়া করছ? অথচ তিনি আমাদেরও প্রতিপালক এবং তোমাদেরও প্রতিপালক এবং আমাদের জন্য আমাদের কৃতকর্ম এবং তোমাদের জন্য তোমাদের কৃতকর্ম এবং আমরা তাঁর প্রতি একনিষ্ঠ।’ [তাইসিরুল কুরআন]

সেই অতীত উম্মত যা অর্জন করেছে, তা তাদেরই প্রাপ্য।

আল-বাকারা, ২:১৪১
تِلْكَ أُمَّةٌ قَدْ خَلَتْ لَهَا مَا كَسَبَتْ وَلَكُمْ مَا كَسَبْتُمْ وَلَا تُسْأَلُونَ عَمَّا كَانُوا يَعْمَلُونَ ﴿١٤١﴾
এ সব লোক যারা ছিল, তারা গত হয়ে গেছে, তাদের জন্য তাদের কামাই আর তোমাদের জন্য তোমাদের কামাই আর তারা যা করত সে সম্পর্কে তোমাদেরকে জিজ্ঞেস করা হবে না। [তাইসিরুল কুরআন]

তোমরা যা অর্জন করেছ, তা তোমাদেরই প্রাপ্য।

আল-বাকারা, ২:১৪১
تِلْكَ أُمَّةٌ قَدْ خَلَتْ لَهَا مَا كَسَبَتْ وَلَكُمْ مَا كَسَبْتُمْ وَلَا تُسْأَلُونَ عَمَّا كَانُوا يَعْمَلُونَ ﴿١٤١﴾
এ সব লোক যারা ছিল, তারা গত হয়ে গেছে, তাদের জন্য তাদের কামাই আর তোমাদের জন্য তোমাদের কামাই আর তারা যা করত সে সম্পর্কে তোমাদেরকে জিজ্ঞেস করা হবে না। [তাইসিরুল কুরআন]

অতীত উম্মতের কৃতকর্ম সম্পর্কে তোমাদেরকে জিজ্ঞাসা করা হবে না।

আল-বাকারা, ২:১৪১
تِلْكَ أُمَّةٌ قَدْ خَلَتْ لَهَا مَا كَسَبَتْ وَلَكُمْ مَا كَسَبْتُمْ وَلَا تُسْأَلُونَ عَمَّا كَانُوا يَعْمَلُونَ ﴿١٤١﴾
এ সব লোক যারা ছিল, তারা গত হয়ে গেছে, তাদের জন্য তাদের কামাই আর তোমাদের জন্য তোমাদের কামাই আর তারা যা করত সে সম্পর্কে তোমাদেরকে জিজ্ঞেস করা হবে না। [তাইসিরুল কুরআন]

যারা দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ প্রার্থনা করে, তাদের জন্য তাদের কৃতকর্মের প্রাপ্য অংশ রয়েছে।

আল-বাকারা, ২:২০২
أُولَئِكَ لَهُمْ نَصِيبٌ مِمَّا كَسَبُوا وَاللَّهُ سَرِيعُ الْحِسَابِ ﴿٢٠٢﴾
এরাই সেই লোক, যাদের কৃতকার্যে তাদের প্রাপ্য অংশ রয়েছে এবং আল্লাহ সত্বর হিসাবগ্রহণকারী। [তাইসিরুল কুরআন]

যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টির অনুসরণ করে, সে আল্লাহর ক্রোধে পতিত ব্যক্তির সমান হতে পারে না।

আলে-ইমরান, ৩:১৬২
أَفَمَنِ اتَّبَعَ رِضْوَانَ اللَّهِ كَمَنْ بَاءَ بِسَخَطٍ مِنَ اللَّهِ وَمَأْوَاهُ جَهَنَّمُ وَبِئْسَ الْمَصِيرُ ﴿١٦٢﴾
যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টি অনুসরণ করে, সে কি আল্লাহর আক্রোশে পতিত লোকের ন্যায় হতে পারে? তার নিবাস হল জাহান্নাম, আর তা কতই না নিকৃষ্ট প্রত্যাবর্তনস্থল! [তাইসিরুল কুরআন]

প্রত্যেকের জন্য তাদের নিজ নিজ কর্ম অনুসারে মর্যাদা নির্ধারিত রয়েছে।

আল-আন'আম, ৬:১৩২
وَلِكُلٍّ دَرَجَاتٌ مِمَّا عَمِلُوا وَمَا رَبُّكَ بِغَافِلٍ عَمَّا يَعْمَلُونَ ﴿١٣٢﴾
প্রত্যেককে তার ‘আমাল অনুযায়ী মর্যাদা দেয়া হবে আর তারা যা করে সে ব্যাপারে তোমার প্রতিপালক বে-খবর নন। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ কোনো জাতিকে দেওয়া অনুগ্রহ ততক্ষণ পর্যন্ত পরিবর্তন করেন না, যতক্ষণ না তারা তাদের নিজেদের ভেতরের অবস্থা পরিবর্তন করে।

আল-আনফাল, ৮:৫৩
ذَلِكَ بِأَنَّ اللَّهَ لَمْ يَكُ مُغَيِّرًا نِعْمَةً أَنْعَمَهَا عَلَى قَوْمٍ حَتَّى يُغَيِّرُوا مَا بِأَنْفُسِهِمْ وَأَنَّ اللَّهَ سَمِيعٌ عَلِيمٌ ﴿٥٣﴾
এটা এজন্য যে, আল্লাহ কোন সম্প্রদায়ের নিকট দেয়া তাঁর অবদানকে পরিবর্তন করেন না যতক্ষণ না তারা নিজেরাই (তাদের কর্মনীতির মাধ্যমে) তা পরিবর্তন করে। নিশ্চয়ই আল্লাহ সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ প্রত্যেক আত্মাকে তার কৃতকর্মের প্রতিদান দেবেন।

ইবরাহীম, ১৪:৫১
لِيَجْزِيَ اللَّهُ كُلَّ نَفْسٍ مَا كَسَبَتْ إِنَّ اللَّهَ سَرِيعُ الْحِسَابِ ﴿٥١﴾
(এটা করা হবে এজন্য) যাতে আল্লাহ প্রত্যেক ব্যক্তিকে তার কৃতকর্মের প্রতিফল দিতে পারেন। আল্লাহ তো হিসাব গ্রহণে খুবই দ্রুতগতি। [তাইসিরুল কুরআন]

অতঃপর আল্লাহ তোমাদেরকে তোমাদের কৃতকর্ম সম্পর্কে পুরোপুরি অবহিত করবেন।

ইউনুস, ১০:২৩
فَلَمَّا أَنْجَاهُمْ إِذَا هُمْ يَبْغُونَ فِي الْأَرْضِ بِغَيْرِ الْحَقِّ يَاأَيُّهَا النَّاسُ إِنَّمَا بَغْيُكُمْ عَلَى أَنْفُسِكُمْ مَتَاعَ الْحَيَاةِ الدُّنْيَا ثُمَّ إِلَيْنَا مَرْجِعُكُمْ فَنُنَبِّئُكُمْ بِمَا كُنْتُمْ تَعْمَلُونَ ﴿٢٣﴾
অতঃপর যেমনই তিনি তাদেরকে বাঁচিয়ে দেন, তখন তারা অন্যায়ভাবে যমীনে বিদ্রোহী আচরণ শুরু করে দেয়। ওহে মানুষ! তোমাদের এ বিদ্রোহ তো (প্রকৃতপক্ষে) তোমাদের নিজেদেরই বিপক্ষে, অস্থায়ী দুনিয়ার আনন্দ সামগ্রী মাত্র। অতঃপর আমার কাছেই তোমাদের প্রত্যাবর্তন হবে, তখন আমি তোমাদেরকে জানিয়ে দেব তোমরা যা কিছু করছিলে। [তাইসিরুল কুরআন]

জালিমদেরকে কেবল তাদের কৃতকর্মেরই প্রতিদান দেওয়া হবে।

ইউনুস, ১০:৫২
ثُمَّ قِيلَ لِلَّذِينَ ظَلَمُوا ذُوقُوا عَذَابَ الْخُلْدِ هَلْ تُجْزَوْنَ إِلَّا بِمَا كُنْتُمْ تَكْسِبُونَ ﴿٥٢﴾
অবশেষে যালিমদেরকে বলা হবে- ‘স্থায়ী শাস্তির স্বাদ গ্রহণ কর, তোমরা যা কিছু উপার্জন করেছিলে তার প্রতিফল ছাড়া তোমাদের আর কী দেয়া যেতে পারে! [তাইসিরুল কুরআন]

আর যে ব্যক্তি পথভ্রষ্ট হয়, তার পথভ্রষ্টতার দায় তার নিজের উপরই বর্তায়।

ইউনুস, ১০:১০৮
قُلْ يَا أَيُّهَا النَّاسُ قَدْ جَاءَكُمُ الْحَقُّ مِنْ رَبِّكُمْ فَمَنِ اهْتَدَى فَإِنَّمَا يَهْتَدِي لِنَفْسِهِ وَمَنْ ضَلَّ فَإِنَّمَا يَضِلُّ عَلَيْهَا وَمَا أَنَا عَلَيْكُمْ بِوَكِيلٍ ﴿١٠٨﴾
বল, ‘‘হে মানুষ! তোমাদের প্রতিপালকের নিকট হতে তোমাদের কাছে প্রকৃত সত্য এসে পৌঁছেছে। অতঃপর যে সঠিক পথ অবলম্বন করবে, সে নিজের কল্যাণের জন্যই সঠিক পথ ধরবে। আর যারা পথভ্রষ্ট হবে তারা পথভ্রষ্ট হবে নিজেদেরই ক্ষতি করার জন্য, আমি তোমাদের হয়ে কাজ উদ্ধার করে দেয়ার কেউ নেই। [তাইসিরুল কুরআন]

কিয়ামতের দিন প্রত্যেক ব্যক্তি আত্মপক্ষ সমর্থনে বাদানুবাদ করতে উপস্থিত হবে।

আন-নাহাল, ১৬:১১১
يَوْمَ تَأْتِي كُلُّ نَفْسٍ تُجَادِلُ عَنْ نَفْسِهَا وَتُوَفَّى كُلُّ نَفْسٍ مَا عَمِلَتْ وَهُمْ لَا يُظْلَمُونَ ﴿١١١﴾
সেদিন প্রত্যেক লোক নিজের পক্ষে যুক্তি পেশ করবে আর প্রত্যেক ব্যক্তিকে তার কৃতকর্মের প্রতিফল পূর্ণমাত্রায় দেয়া হবে, তাদের প্রতি কোন যুলম করা হবে না। [তাইসিরুল কুরআন]

জাহান্নামের এই শাস্তি হবে এক পরিপূর্ণ প্রতিদান।

আল-ইসরা, ১৭:৬৩
قَالَ اذْهَبْ فَمَنْ تَبِعَكَ مِنْهُمْ فَإِنَّ جَهَنَّمَ جَزَاؤُكُمْ جَزَاءً مَوْفُورًا ﴿٦٣﴾
আল্লাহ বললেন, ‘যাও, তাদের মধ্যে যারা তোমাকে মেনে চলবে, জাহান্নামই হবে তোমাদের সকলের প্রতিফল, পূর্ণ প্রতিফল। [তাইসিরুল কুরআন]

যে ব্যক্তি হিদায়াত লাভ করে, সে কেবল নিজের কল্যাণের জন্যই তা করে।

আন-নামাল, ২৭:৯২
وَأَنْ أَتْلُوَ الْقُرْآنَ فَمَنِ اهْتَدَى فَإِنَّمَا يَهْتَدِي لِنَفْسِهِ وَمَنْ ضَلَّ فَقُلْ إِنَّمَا أَنَا مِنَ الْمُنْذِرِينَ ﴿٩٢﴾
আর আমি যেন কুরআন তিলাওয়াত করি। অতঃপর যে সঠিক পথে চলবে, সে নিজের কল্যাণেই সঠিক পথে চলবে। আর কেউ গুমরাহ্ হলে তুমি বল, আমি তো সতর্ককারীদের একজন। [তাইসিরুল কুরআন]

মুমিনগণ জাহিলদেরকে বলেন, 'আমাদের কর্ম আমাদের জন্য এবং তোমাদের কর্ম তোমাদের জন্য'।

আল-কাসাস, ২৮:৫৫
وَإِذَا سَمِعُوا اللَّغْوَ أَعْرَضُوا عَنْهُ وَقَالُوا لَنَا أَعْمَالُنَا وَلَكُمْ أَعْمَالُكُمْ سَلَامٌ عَلَيْكُمْ لَا نَبْتَغِي الْجَاهِلِينَ ﴿٥٥﴾
তারা যখন নিরর্থক কথাবার্তা শুনে তখন তাত্থেকে ফিরে থাকে আর বলে- আমাদের কাজের ফল আমরা পাব, তোমাদের কাজের ফল তোমরা পাবে, তোমাদের প্রতি সালাম, অজ্ঞদের সাথে আমাদের কোন প্রয়োজন নেই। [তাইসিরুল কুরআন]

হে নবী, আপনি বলুন, প্রত্যেকেই (ঈমানদার ও কাফির) চূড়ান্ত ফলাফলের জন্য অপেক্ষমাণ।

ত্ব-হা, ২০:১৩৫
قُلْ كُلٌّ مُتَرَبِّصٌ فَتَرَبَّصُوا فَسَتَعْلَمُونَ مَنْ أَصْحَابُ الصِّرَاطِ السَّوِيِّ وَمَنِ اهْتَدَى ﴿١٣٥﴾
বল, (ইসলামের অনুসারীদের পরিণতি দেখার জন্য চারপাশের) সবাই অপেক্ষা করছে, কাজেই তোমরাও অপেক্ষা কর, তাহলেই তোমরা জানতে পারবে যে, কারা সরল পথের পথিক আর কারা সঠিক পথপ্রাপ্ত। [তাইসিরুল কুরআন]

তোমরা যা করতে, তোমাদেরকে কেবল তারই প্রতিদান দেওয়া হবে।

আস-সাফফাত, ৩৭:৩৯
وَمَا تُجْزَوْنَ إِلَّا مَا كُنْتُمْ تَعْمَلُونَ ﴿٣٩﴾
তোমাদেরকে কেবল তারই প্রতিফল দেয়া হবে যা তোমরা করতে।’ [তাইসিরুল কুরআন]

প্রত্যেক আত্মাকে তার কৃতকর্মের পূর্ণ প্রতিদান দেওয়া হবে।

আয-যুমার, ৩৯:৭০
وَوُفِّيَتْ كُلُّ نَفْسٍ مَا عَمِلَتْ وَهُوَ أَعْلَمُ بِمَا يَفْعَلُونَ ﴿٧٠﴾
প্রত্যেকের কাজের পূর্ণ প্রতিফল দেয়া হবে। লোকেরা যা করে তা তিনি খুব ভালভাবেই জানেন। [তাইসিরুল কুরআন]

প্রত্যেক বিষয়ই তার চূড়ান্ত পরিণতি লাভ করবে।

আল-কামার, ৫৪:৩
وَكَذَّبُوا وَاتَّبَعُوا أَهْوَاءَهُمْ وَكُلُّ أَمْرٍ مُسْتَقِرٌّ ﴿٣﴾
তারা সত্যকে অস্বীকার করে, আর নিজেদের কামনা বাসনার অনুসরণ করে। প্রতিটি বিষয়েরই একটা নির্দিষ্ট সময় আছে (সময় আসলেই বর্তমান অবস্থার পরিবর্তন ঘটবে)। [তাইসিরুল কুরআন]

উত্তম কর্মের একমাত্র প্রতিদান হলো উত্তম পুরস্কার।

আর-রাহমান, ৫৫:৬০
هَلْ جَزَاءُ الْإِحْسَانِ إِلَّا الْإِحْسَانُ ﴿٦٠﴾
উত্তম কাজের প্রতিফল উত্তম পুরস্কার ছাড়া কী হতে পারে? [তাইসিরুল কুরআন]

জান্নাতের পুরস্কার হলো পুণ্যবানদের কৃতকর্মের প্রতিদান।

আল-ওয়াকিয়া, ৫৬:২৪
جَزَاءً بِمَا كَانُوا يَعْمَلُونَ ﴿٢٤﴾
তাদের কর্মের প্রতিদান হিসেবে! [তাইসিরুল কুরআন]

কাফিরদেরকে কেবল তাদের নিজেদের কৃতকর্মের প্রতিদানই দেওয়া হবে।

আত-তাহরীম, ৬৬:৭
يَاأَيُّهَا الَّذِينَ كَفَرُوا لَا تَعْتَذِرُوا الْيَوْمَ إِنَّمَا تُجْزَوْنَ مَا كُنْتُمْ تَعْمَلُونَ ﴿٧﴾
(সেখানে বলা হবে) ওহে যারা কুফুরী করেছ! আজ ওযর পেশ করো না, তোমরা যা করতে তোমাদেরকে তারই প্রতিফল দেয়া হবে। [তাইসিরুল কুরআন]

দুনিয়াতে প্রাপ্য এই প্রতিদান থেকে তাদের কোনো অংশই কমানো হয় না।

হূদ, ১১:১৫
مَنْ كَانَ يُرِيدُ الْحَيَاةَ الدُّنْيَا وَزِينَتَهَا نُوَفِّ إِلَيْهِمْ أَعْمَالَهُمْ فِيهَا وَهُمْ فِيهَا لَا يُبْخَسُونَ ﴿١٥﴾
যারা এ দুনিয়ার জীবন আর তার শোভা সৌন্দর্য কামনা করে, তাদেরকে এখানে তাদের কর্মের পুরোপুরি ফল আমি দিয়ে দেই, আর তাতে তাদের প্রতি কোন কমতি করা হয় না। [তাইসিরুল কুরআন]

এই শাস্তি হলো বান্দার নিজ হাতে প্রেরিত কর্মের ফল।

আল-হজ্জ, ২২:১০
ذَلِكَ بِمَا قَدَّمَتْ يَدَاكَ وَأَنَّ اللَّهَ لَيْسَ بِظَلَّامٍ لِلْعَبِيدِ ﴿١٠﴾
(বলা হবে) তোমার হাত দু’খানা আগেই যা পাঠিয়েছিল এটা তারই ফল, কারণ আল্লাহ তো তাঁর বান্দাহদের প্রতি যালিম নন। [তাইসিরুল কুরআন]

নবী (ﷺ) -এর কর্ম তাঁর নিজের জন্য।

ইউনুস, ১০:৪১
وَإِنْ كَذَّبُوكَ فَقُلْ لِي عَمَلِي وَلَكُمْ عَمَلُكُمْ أَنْتُمْ بَرِيئُونَ مِمَّا أَعْمَلُ وَأَنَا بَرِيءٌ مِمَّا تَعْمَلُونَ ﴿٤١﴾
যদি তারা তোমাকে মিথ্যা জেনে অমান্য ক’রে তাহলে বল, ‘আমার কাজের জন্য আমি দায়ী, আর তোমাদের কাজের জন্য তোমরা দায়ী, আমি যা করি তার দায়-দায়িত্ব থেকে তোমরা মুক্ত, আর তোমরা যা কর তার দায়-দায়িত্ব থেকে আমি মুক্ত।’ [তাইসিরুল কুরআন]

অস্বীকারকারীদের কর্ম তাদের নিজেদের জন্য।

ইউনুস, ১০:৪১
وَإِنْ كَذَّبُوكَ فَقُلْ لِي عَمَلِي وَلَكُمْ عَمَلُكُمْ أَنْتُمْ بَرِيئُونَ مِمَّا أَعْمَلُ وَأَنَا بَرِيءٌ مِمَّا تَعْمَلُونَ ﴿٤١﴾
যদি তারা তোমাকে মিথ্যা জেনে অমান্য ক’রে তাহলে বল, ‘আমার কাজের জন্য আমি দায়ী, আর তোমাদের কাজের জন্য তোমরা দায়ী, আমি যা করি তার দায়-দায়িত্ব থেকে তোমরা মুক্ত, আর তোমরা যা কর তার দায়-দায়িত্ব থেকে আমি মুক্ত।’ [তাইসিরুল কুরআন]
ফন্ট সাইজ
15px
17px