বিষয়ভিত্তিক কুরআন > মানুষের সৃষ্টিগত বৈশিষ্ট্য
মানুষ সৃষ্টিগতভাবে দুর্বল:
আন-নিসা, ৪:২৮ ⋮
يُرِيدُ اللَّهُ أَنْ يُخَفِّفَ عَنْكُمْ وَخُلِقَ الْإِنْسَانُ ضَعِيفًا ﴿٢٨﴾
আল্লাহ তোমাদের ভার লঘু করতে চান, কারণ মানুষকে দুর্বলরূপে সৃষ্টি করা হয়েছে। [তাইসিরুল কুরআন]
আর-রুম, ৩০:৫৪ ⋮
اللَّهُ الَّذِي خَلَقَكُمْ مِنْ ضَعْفٍ ثُمَّ جَعَلَ مِنْ بَعْدِ ضَعْفٍ قُوَّةً ثُمَّ جَعَلَ مِنْ بَعْدِ قُوَّةٍ ضَعْفًا وَشَيْبَةً يَخْلُقُ مَا يَشَاءُ وَهُوَ الْعَلِيمُ الْقَدِيرُ ﴿٥٤﴾
তিনি আল্লাহ যিনি তোমাদেরকে (অসহায়) দুর্বল অবস্থায় সৃষ্টি করেছেন, দুর্বলতার পর দিয়েছেন শক্তি, শক্তির পর আবার দিয়েছেন দুর্বলতা ও বার্ধক্য। তিনি যা ইচ্ছে করেন সৃষ্টি করেন। তিনি সর্বশ্রেষ্ঠ জ্ঞানী, সবচেয়ে শক্তিধর। [তাইসিরুল কুরআন]
ইয়াসীন, ৩৬:৬৬ ⋮
وَلَوْ نَشَاءُ لَطَمَسْنَا عَلَى أَعْيُنِهِمْ فَاسْتَبَقُوا الصِّرَاطَ فَأَنَّى يُبْصِرُونَ ﴿٦٦﴾
আমি ইচ্ছে করলে তাদের দৃষ্টিশক্তি বিলুপ্ত করে দিতাম। তখন তারা পথের দিকে দৌঁড়ে দেখতে চাইলে কীভাবে তারা দেখতে পেত? [তাইসিরুল কুরআন]
মানুষ সৃষ্টিগতভাবে ত্বরাপ্রবণ:
আল-ইসরা, ১৭:১১ ⋮
وَيَدْعُ الْإِنْسَانُ بِالشَّرِّ دُعَاءَهُ بِالْخَيْرِ وَكَانَ الْإِنْسَانُ عَجُولًا ﴿١١﴾
মানুষ (তার নির্বুদ্ধিতার কারণে কল্যাণকর ভেবে) অকল্যাণ প্রার্থনা করে যেমনভাবে কল্যাণ প্রার্থনা করা উচিত। মানুষ বড়ই তাড়াহুড়াকারী। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-আম্বিয়া, ২১:৩৭ ⋮
خُلِقَ الْإِنْسَانُ مِنْ عَجَلٍ سَأُرِيكُمْ آيَاتِي فَلَا تَسْتَعْجِلُونِ ﴿٣٧﴾
মানুষকে তাড়াহুড়াকারী করে সৃষ্টি করা হয়েছে। শীঘ্রই আমি তোমাদেরকে আমার নিদর্শনগুলো দেখাব (যে সব অলৌকিক ব্যাপার বদর ও অন্যান্য যুদ্ধে কাফিরদেরকে দেখানো হয়েছিল), কাজেই তোমরা আমাকে জলদি করতে বল না। [তাইসিরুল কুরআন]
মানুষ ঝগড়াটে:
আল-কাহফ, ১৮:৫৪ ⋮
وَلَقَدْ صَرَّفْنَا فِي هَذَا الْقُرْآنِ لِلنَّاسِ مِنْ كُلِّ مَثَلٍ وَكَانَ الْإِنْسَانُ أَكْثَرَ شَيْءٍ جَدَلًا ﴿٥٤﴾
আমি এ কুরআনে মানুষের (জ্ঞান লাভের) জন্য যাবতীয় দৃষ্টান্ত বিশদভাবে বিবৃত করেছি কিন্তু মানুষ অধিকাংশ বিষয়েই বিতর্ককারী। [তাইসিরুল কুরআন]
ইয়াসীন, ৩৬:৭৭ ⋮
أَوَلَمْ يَرَ الْإِنْسَانُ أَنَّا خَلَقْنَاهُ مِنْ نُطْفَةٍ فَإِذَا هُوَ خَصِيمٌ مُبِينٌ ﴿٧٧﴾
মানুষ কি দেখে না যে আমি তাকে সৃষ্টি করেছি শুক্রবিন্দু হতে? অতঃপর সে হয়ে গেল সুস্পষ্ট ঝগড়াটে। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-বাকারা, ২:২০৪ ⋮
وَمِنَ النَّاسِ مَنْ يُعْجِبُكَ قَوْلُهُ فِي الْحَيَاةِ الدُّنْيَا وَيُشْهِدُ اللَّهَ عَلَى مَا فِي قَلْبِهِ وَهُوَ أَلَدُّ الْخِصَامِ ﴿٢٠٤﴾
মানুষের মধ্যে এমন আছে, পার্থিব জীবন সম্পর্কিত যার কথাবার্তা তোমাকে চমৎকৃত করে, আর সে ব্যক্তি তার অন্তরে যা আছে সে সম্পর্কে আল্লাহকে সাক্ষী রাখে অথচ সে ব্যক্তি খুবই ঝগড়াটে। [তাইসিরুল কুরআন]
মানুষ সাধারণত কৃপণ:
আল-মা'আরিজ, ৭০:১৯ ⋮
إِنَّ الْإِنْسَانَ خُلِقَ هَلُوعًا ﴿١٩﴾
মানুষকে সৃষ্টি করা হয়েছে খুবই অস্থির-মনা করে, [তাইসিরুল কুরআন]
আল-ইসরা, ১৭:১০০ ⋮
قُلْ لَوْ أَنْتُمْ تَمْلِكُونَ خَزَائِنَ رَحْمَةِ رَبِّي إِذًا لَأَمْسَكْتُمْ خَشْيَةَ الْإِنْفَاقِ وَكَانَ الْإِنْسَانُ قَتُورًا ﴿١٠٠﴾
বল, ‘তোমরা যদি আমার প্রতিপালকের রাহমাতের ভান্ডারের মালিক হয়ে যেতে, তবুও খরচ হয়ে যাবার ভয়ে তোমরা তা অবশ্যই ধরে রাখতে।’ বাস্তবিকই মানুষ বড়ই সংকীর্ণ-চিত্ত। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-মা'আরিজ, ৭০:২০ ⋮
إِذَا مَسَّهُ الشَّرُّ جَزُوعًا ﴿٢٠﴾
বিপদ তাকে স্পর্শ করলে সে হয় উৎকণ্ঠিত, [তাইসিরুল কুরআন]
আল-মা'আরিজ, ৭০:২১ ⋮
وَإِذَا مَسَّهُ الْخَيْرُ مَنُوعًا ﴿٢١﴾
কল্যাণ তাকে স্পর্শ করলে সে হয়ে পড়ে অতি কৃপণ, [তাইসিরুল কুরআন]
মানুষ অকৃতজ্ঞ :
আয-যুখরুফ, ৪৩:১৫ ⋮
وَجَعَلُوا لَهُ مِنْ عِبَادِهِ جُزْءًا إِنَّ الْإِنْسَانَ لَكَفُورٌ مُبِينٌ ﴿١٥﴾
আর তারা আল্লাহর বান্দাদের মধ্য হতে কতককে আল্লাহর অংশ মনে করে নিয়েছে (যেমন ‘ঈসা (আঃ)-কে তারা আল্লাহর পুত্র মনে করে)। মানুষ অবশ্যই স্পষ্টতঃ অকৃতজ্ঞ। [তাইসিরুল কুরআন]
আদিয়াত, ১০০:৬ ⋮
إِنَّ الْإِنْسَانَ لِرَبِّهِ لَكَنُودٌ ﴿٦﴾
বস্তুতঃ মানুষ তার রব-এর প্রতি বড়ই অকৃতজ্ঞ। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-ইসরা, ১৭:৬৭ ⋮
وَإِذَا مَسَّكُمُ الضُّرُّ فِي الْبَحْرِ ضَلَّ مَنْ تَدْعُونَ إِلَّا إِيَّاهُ فَلَمَّا نَجَّاكُمْ إِلَى الْبَرِّ أَعْرَضْتُمْ وَكَانَ الْإِنْسَانُ كَفُورًا ﴿٦٧﴾
সমুদ্রে যখন বিপদ তোমাদেরকে পেয়ে বসে, তখন তাঁকে ছাড়া অন্য যাদেরকে তোমরা (উপাস্য ভেবে) আহবান কর তারা (তখন তোমাদের মন থেকে) হারিয়ে যায়। অতঃপর তিনি যখন তোমাদেরকে স্থলে এনে বাঁচিয়ে দেন, তখন তোমরা মুখ ফিরিয়ে নাও। মানুষ হল বড়ই অকৃতজ্ঞ। [তাইসিরুল কুরআন]
মানুষ সাধারণত হিংসুক হয়ে থাকে:
আন-নিসা, ৪:৫৪ ⋮
أَمْ يَحْسُدُونَ النَّاسَ عَلَى مَا آتَاهُمُ اللَّهُ مِنْ فَضْلِهِ فَقَدْ آتَيْنَا آلَ إِبْرَاهِيمَ الْكِتَابَ وَالْحِكْمَةَ وَآتَيْنَاهُمْ مُلْكًا عَظِيمًا ﴿٥٤﴾
কিংবা আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে লোকেদেরকে যেসব নি‘মাত দান করেছেন, সেজন্য কি এরা তাদের হিংসা করে, আমি ইবরাহীমের বংশধরদেরকেও তো কিতাব ও হিকমাত দিয়েছিলাম, তাদেরকে সুবিশাল রাজ্যও প্রদান করেছিলাম। [তাইসিরুল কুরআন]
মানুষ বেশি দিন বাঁচতে চায়, মরতে চায় না:
আল-বাকারা, ২:৯৬ ⋮
وَلَتَجِدَنَّهُمْ أَحْرَصَ النَّاسِ عَلَى حَيَاةٍ وَمِنَ الَّذِينَ أَشْرَكُوا يَوَدُّ أَحَدُهُمْ لَوْ يُعَمَّرُ أَلْفَ سَنَةٍ وَمَا هُوَ بِمُزَحْزِحِهِ مِنَ الْعَذَابِ أَنْ يُعَمَّرَ وَاللَّهُ بَصِيرٌ بِمَا يَعْمَلُونَ ﴿٩٦﴾
অবশ্যই তুমি তাদেরকে বেঁচে থাকার ব্যাপারে সকল মানুষ এমনকি মুশরিক অপেক্ষাও অধিক লোভী দেখতে পাবে, তাদের প্রত্যেকেই আকাঙ্ক্ষা করে যদি হাজার বছর আয়ু দেয়া হত, কিন্তু দীর্ঘায়ু তাদেরকে শাস্তি হতে রেহাই দিতে পারবে না, তারা যা করে, আল্লাহ তার দ্রষ্টা। [তাইসিরুল কুরআন]
মানুষ সীমালঙ্ঘনকারী:
আল-আলাক, ৯৬:৬ ⋮
كَلَّا إِنَّ الْإِنْسَانَ لَيَطْغَى ﴿٦﴾
না (এমন আচরণ করা) মোটেই ঠিক নয়, মানুষ অবশ্যই সীমালঙ্ঘন করে, [তাইসিরুল কুরআন]
মানুষ যা চায় তা পায় না:
আন-নাজম, ৫৩:২৪ ⋮
أَمْ لِلْإِنْسَانِ مَا تَمَنَّى ﴿٢٤﴾
মানুষ কি তাই পায় যা সে চায়? (আল্লাহ যাকে যেভাবে ইচ্ছে সেভাবে দেন ইহকালে আর পরকালে), [তাইসিরুল কুরআন]
মানুষ তা-ই পায় যার জন্য সে পরিশ্রম করে:
আন-নাজম, ৫৩:৩৯ ⋮
وَأَنْ لَيْسَ لِلْإِنْسَانِ إِلَّا مَا سَعَى ﴿٣٩﴾
আর এই যে, মানুষ যা পাওয়ার জন্য চেষ্টা করে তাছাড়া কিছুই পায় না, [তাইসিরুল কুরআন]
মানুষের জ্ঞান সীমিত:
আল-ইসরা, ১৭:৮৫ ⋮
وَيَسْأَلُونَكَ عَنِ الرُّوحِ قُلِ الرُّوحُ مِنْ أَمْرِ رَبِّي وَمَا أُوتِيتُمْ مِنَ الْعِلْمِ إِلَّا قَلِيلًا ﴿٨٥﴾
তোমাকে তারা রূহ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে। বল, ‘রূহ হচ্ছে আমার প্রতিপালকের হুকুমের অন্তর্ভুক্ত (একটি হুকুম)। এ সম্পর্কে তোমাকে অতি সামান্য জ্ঞানই দেয়া হয়েছে।’ [তাইসিরুল কুরআন]
মানুষ বিপদে পড়লে আল্লাহকে ডাকে কিন্তু পরে ভুলে যায়:
ইউনুস, ১০:১২ ⋮
وَإِذَا مَسَّ الْإِنْسَانَ الضُّرُّ دَعَانَا لِجَنْبِهِ أَوْ قَاعِدًا أَوْ قَائِمًا فَلَمَّا كَشَفْنَا عَنْهُ ضُرَّهُ مَرَّ كَأَنْ لَمْ يَدْعُنَا إِلَى ضُرٍّ مَسَّهُ كَذَلِكَ زُيِّنَ لِلْمُسْرِفِينَ مَا كَانُوا يَعْمَلُونَ ﴿١٢﴾
মানুষকে যখন দুঃখ ক্লেশ স্পর্শ করে, তখন তারা শুয়ে, বসে ও দাঁড়িয়ে আমাকে ডাকতে থাকে। অতঃপর যখন আমি তার দুঃখ ক্লেশ দূর করে দেই, তখন সে এমনভাবে চলে যায়, মনে হয় যেন তাকে দুঃখ-ক্লেশ স্পর্শ করার কারণে সে আমাকে কখনই ডাকেনি। এভাবেই যারা সীমালঙ্ঘন করে তাদের জন্য তাদের কাজকর্মগুলোকে চাকচিক্যময় বানিয়ে দেয়া হয়েছে। [তাইসিরুল কুরআন]
আয-যুমার, ৩৯:৮ ⋮
وَإِذَا مَسَّ الْإِنْسَانَ ضُرٌّ دَعَا رَبَّهُ مُنِيبًا إِلَيْهِ ثُمَّ إِذَا خَوَّلَهُ نِعْمَةً مِنْهُ نَسِيَ مَا كَانَ يَدْعُو إِلَيْهِ مِنْ قَبْلُ وَجَعَلَ لِلَّهِ أَنْدَادًا لِيُضِلَّ عَنْ سَبِيلِهِ قُلْ تَمَتَّعْ بِكُفْرِكَ قَلِيلًا إِنَّكَ مِنْ أَصْحَابِ النَّارِ ﴿٨﴾
দুঃখ-মুসিবত যখন মানুষকে স্পর্শ করে তখন সে তার প্রতিপালককে ডাকতে থাকে তাঁর প্রতি বড়ই একনিষ্ঠ হয়ে। অতঃপর তিনি যখন নিজ পক্ষ থেকে অনুগ্রহ দিয়ে তাকে ধন্য করেন, তখন পূর্বে সে যেজন্য তাঁকে ডেকেছিল তা ভুলে যায় এবং অন্যদেরকে আল্লাহর সমকক্ষ দাঁড় করায় তাঁর পথ থেকে পথভ্রষ্ট করার জন্য। বলে দাও, কুফুরীর জীবন কিছুকাল ভোগ করে নাও, (অতঃপর) তুমি তো হবে জাহান্নামের অধিবাসী। (এ ব্যক্তি ভাল, না ঐ ব্যক্তি) [তাইসিরুল কুরআন]
মানুষ অনুগ্রহ পেলে খুশি হয় আর মুসীবত আসলে অকৃতজ্ঞ হয়ে যায়:
আশ-শূরা, ৪২:৪৮ ⋮
فَإِنْ أَعْرَضُوا فَمَا أَرْسَلْنَاكَ عَلَيْهِمْ حَفِيظًا إِنْ عَلَيْكَ إِلَّا الْبَلَاغُ وَإِنَّا إِذَا أَذَقْنَا الْإِنْسَانَ مِنَّا رَحْمَةً فَرِحَ بِهَا وَإِنْ تُصِبْهُمْ سَيِّئَةٌ بِمَا قَدَّمَتْ أَيْدِيهِمْ فَإِنَّ الْإِنْسَانَ كَفُورٌ ﴿٤٨﴾
এতদসত্ত্বেও তারা যদি মুখ ফিরিয়েই নেয় (তাহলে ফিরিয়ে নিক, কারণ) আমি তোমাকে তাদের হিফাযাতকারী বানিয়ে পাঠাইনি। কথা পৌঁছে দেয়াই তোমার দায়িত্ব। আমি যখন মানুষকে আমার রহমত আস্বাদন করাই, তখন সে উৎফুল্ল হয়। আর যখন তাদের কৃতকর্মের কারণে তাদের কোন অনিষ্ট হয়, তখন মানুষ অকৃতজ্ঞ হয়ে যায়। [তাইসিরুল কুরআন]
হা-মীম আস-সাজদা, ৪১:৫১ ⋮
وَإِذَا أَنْعَمْنَا عَلَى الْإِنْسَانِ أَعْرَضَ وَنَأَى بِجَانِبِهِ وَإِذَا مَسَّهُ الشَّرُّ فَذُو دُعَاءٍ عَرِيضٍ ﴿٥١﴾
আমি যখন মানুষকে নি‘মাত দেই তখন সে মুখ ফিরিয়ে নেয়, আর পাশ কেটে (আমার থেকে দূরে) সরে যায়। আর যখন মন্দ তাকে স্পর্শ করে, তখন সে লম্বা-চওড়া দু‘আ করতে থাকে। [তাইসিরুল কুরআন]
অথচ তোমরা (প্রকৃত সত্য) জানো না।
আলে-ইমরান, ৩:৬৬ ⋮
هَا أَنْتُمْ هَؤُلَاءِ حَاجَجْتُمْ فِيمَا لَكُمْ بِهِ عِلْمٌ فَلِمَ تُحَاجُّونَ فِيمَا لَيْسَ لَكُمْ بِهِ عِلْمٌ وَاللَّهُ يَعْلَمُ وَأَنْتُمْ لَا تَعْلَمُونَ ﴿٦٦﴾
বস্তুতঃ তোমরাই এমন লোক যে, যে সম্পর্কে তোমাদের কিছু জ্ঞান আছে, সে বিষয়ে তো বিতর্ক করেছ, তোমরা এমন বিষয়ে কেন বিতর্ক করছ যে বিষয়ে তোমাদের কোনই জ্ঞান নেই? বস্তুতঃ আল্লাহ্ই জ্ঞাত আছেন, তোমরা জ্ঞাত নও। [তাইসিরুল কুরআন]
বার্ধক্যের নিকৃষ্টতম পর্যায়ে পৌঁছানোর ফলে মানুষ তার পূর্বের জ্ঞান হারিয়ে ফেলে।
আন-নাহাল, ১৬:৭০ ⋮
وَاللَّهُ خَلَقَكُمْ ثُمَّ يَتَوَفَّاكُمْ وَمِنْكُمْ مَنْ يُرَدُّ إِلَى أَرْذَلِ الْعُمُرِ لِكَيْ لَا يَعْلَمَ بَعْدَ عِلْمٍ شَيْئًا إِنَّ اللَّهَ عَلِيمٌ قَدِيرٌ ﴿٧٠﴾
আল্লাহ্ই তোমাদেরকে পয়দা করেছেন, অতঃপর তিনি তোমাদের মৃত্যু ঘটাবেন। তোমাদের কাউকে অকর্মণ্য বয়সে ফিরিয়ে দেয়া হয়, যাতে জ্ঞান লাভ করার পরেও আর কোন কিছুর জ্ঞান থাকে না। আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ জ্ঞানী, সর্বাপেক্ষা শক্তিমান। [তাইসিরুল কুরআন]
অথচ মানুষ (প্রকৃত সত্য) জানে না।
আন-নাহাল, ১৬:৭৪ ⋮
فَلَا تَضْرِبُوا لِلَّهِ الْأَمْثَالَ إِنَّ اللَّهَ يَعْلَمُ وَأَنْتُمْ لَا تَعْلَمُونَ ﴿٧٤﴾
কাজেই কারো সাথে আল্লাহর তুলনা দিও না। আল্লাহ জানেন, আর তোমরা জান না। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ তোমাদের জন্য শ্রবণশক্তি, দৃষ্টিশক্তি এবং অন্তঃকরণ সৃষ্টি করেছেন।
আস-সাজদাহ, ৩২:৯ ⋮
ثُمَّ سَوَّاهُ وَنَفَخَ فِيهِ مِنْ رُوحِهِ وَجَعَلَ لَكُمُ السَّمْعَ وَالْأَبْصَارَ وَالْأَفْئِدَةَ قَلِيلًا مَا تَشْكُرُونَ ﴿٩﴾
অতঃপর তিনি তাকে সামঞ্জস্যপূর্ণ করেছেন আর তার ভিতরে স্বীয় রূহ হতে ফুঁক দিয়েছেন, আর তোমাদেরকে দিয়েছেন শ্রবণেন্দ্রীয়, দর্শনেন্দ্রিয় ও অন্তঃকরণ; কৃতজ্ঞতা তোমরা সামান্যই প্রকাশ কর। [তাইসিরুল কুরআন]
এবং মানুষ (তার কর্মের পরিণতি সম্পর্কে) অতিমাত্রায় অজ্ঞ।
আল-আহযাব, ৩৩:৭২ ⋮
إِنَّا عَرَضْنَا الْأَمَانَةَ عَلَى السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ وَالْجِبَالِ فَأَبَيْنَ أَنْ يَحْمِلْنَهَا وَأَشْفَقْنَ مِنْهَا وَحَمَلَهَا الْإِنْسَانُ إِنَّهُ كَانَ ظَلُومًا جَهُولًا ﴿٧٢﴾
আমি আসমান, যমীন ও পর্বতের প্রতি (ইসলামের বোঝা বহন করার) আমানাত পেশ করেছিলাম। কিন্তু তারা তা বহন করতে অস্বীকৃতি জানাল, তারা তাতে আশংকিত হল, কিন্তু মানুষ সে দায়িত্ব নিল। সে বড়ই অন্যায়কারী, বড়ই অজ্ঞ। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ যদি চাপ প্রয়োগ করে তোমাদের নিকট সম্পদ চান, তবে তোমরা কার্পণ্য করবে।
মুহাম্মাদ, ৪৭:৩৭ ⋮
إِنْ يَسْأَلْكُمُوهَا فَيُحْفِكُمْ تَبْخَلُوا وَيُخْرِجْ أَضْغَانَكُمْ ﴿٣٧﴾
তিনি যদি তোমাদের কাছে তা চাইতেন আর সেজন্য চাপ দিতেন তাহলে তোমরা কৃপণতা করতে আর তাতে তিনি তোমাদের বিদ্বেষভাব প্রকাশ করে দিতেন। [তাইসিরুল কুরআন]
নিশ্চয়ই আল্লাহ মানুষকে কষ্ট ও সংগ্রামের মধ্যে সৃষ্টি করেছেন।
আল-বালাদ, ৯০:৪ ⋮
لَقَدْ خَلَقْنَا الْإِنْسَانَ فِي كَبَدٍ ﴿٤﴾
আমি মানুষকে সৃষ্টি করেছি অত্যন্ত কষ্ট ও শ্রমের মাঝে, (দুনিয়ার প্রত্যেকটি মানুষ কোন না কোন কষ্টের মধ্যে পতিত আছে)। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ কি মানুষের জন্য দুটি চোখ সৃষ্টি করেননি?
আল-বালাদ, ৯০:৮ ⋮
أَلَمْ نَجْعَلْ لَهُ عَيْنَيْنِ ﴿٨﴾
আমি কি তাকে দু’টো চোখ দিইনি? [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ মানুষকে একটি জিহ্বা দান করেছেন।
আল-বালাদ, ৯০:৯ ⋮
وَلِسَانًا وَشَفَتَيْنِ ﴿٩﴾
আর একটা জিহবা আর দু’টো ঠোঁট? [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ মানুষকে দুটি ঠোঁট দান করেছেন।
আল-বালাদ, ৯০:৯ ⋮
وَلِسَانًا وَشَفَتَيْنِ ﴿٩﴾
আর একটা জিহবা আর দু’টো ঠোঁট? [তাইসিরুল কুরআন]
কখনোই নয়, মানুষ আল্লাহ কর্তৃক প্রদত্ত দায়িত্ব এখনো পালন করেনি।
আবাসা, ৮০:২৩ ⋮
كَلَّا لَمَّا يَقْضِ مَا أَمَرَهُ ﴿٢٣﴾
না, মোটেই না, আল্লাহ তাকে যে নির্দেশ দিয়ে ছিলেন তা সে এখনও পূর্ণ করেনি। [তাইসিরুল কুরআন]