বিষয়ভিত্তিক কুরআন > মিথ্যা বলা
মানুষের মধ্যে অনেকেই মিথ্যুক:
আল-হাক্কাহ, ৬৯:৪৯ ⋮
وَإِنَّا لَنَعْلَمُ أَنَّ مِنْكُمْ مُكَذِّبِينَ ﴿٤٩﴾
আমি অবশ্যই জানি যে, তোমাদের মধ্যে কতক লোক (কুরআনকে) অস্বীকার করবে। [তাইসিরুল কুরআন]
মুনাফিকরা মিথ্যাবাদী:
আল-মুনাফিকূন, ৬৩:১ ⋮
إِذَا جَاءَكَ الْمُنَافِقُونَ قَالُوا نَشْهَدُ إِنَّكَ لَرَسُولُ اللَّهِ وَاللَّهُ يَعْلَمُ إِنَّكَ لَرَسُولُهُ وَاللَّهُ يَشْهَدُ إِنَّ الْمُنَافِقِينَ لَكَاذِبُونَ ﴿١﴾
মুনাফিকরা যখন তোমার কাছে আসে তখন তারা বলে- ‘আমরা সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আপনি অবশ্যই আল্লাহর রসূল।’ আল্লাহ জানেন, অবশ্যই তুমি তাঁর রসূল আর আল্লাহ সাক্ষ্য দিচ্ছেন যে, মুনাফিকরা অবশ্যই মিথ্যেবাদী। [তাইসিরুল কুরআন]
কাফিররাও মিথ্যাবাদী:
আল-ইনশিকাক, ৮৪:২২ ⋮
بَلِ الَّذِينَ كَفَرُوا يُكَذِّبُونَ ﴿٢٢﴾
(কুরআন শুনে সেজদা করা তো দূরের কথা) বরং কাফিররা ওটাকে অস্বীকারই করে। [তাইসিরুল কুরআন]
মুশরিকরাও মিথ্যাবাদী:
আস-সাফফাত, ৩৭:১৫১ ⋮
أَلَا إِنَّهُمْ مِنْ إِفْكِهِمْ لَيَقُولُونَ ﴿١٥١﴾
দেখ, তারা অবশ্যই তাদের মন-গড়া কথা বলে যে, [তাইসিরুল কুরআন]
আস-সাফফাত, ৩৭:১৫২ ⋮
وَلَدَ اللَّهُ وَإِنَّهُمْ لَكَاذِبُونَ ﴿١٥٢﴾
আল্লাহ সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। তারা অবশ্যই মিথ্যেবাদী। [তাইসিরুল কুরআন]
মিথ্যাবাদীদের পরিণাম খারাপ হয়েছে:
আলে-ইমরান, ৩:১৩৭ ⋮
قَدْ خَلَتْ مِنْ قَبْلِكُمْ سُنَنٌ فَسِيرُوا فِي الْأَرْضِ فَانْظُروا كَيْفَ كَانَ عَاقِبَةُ الْمُكَذِّبِينَ ﴿١٣٧﴾
তোমাদের পূর্বেও অনেক সম্প্রদায় গত হয়েছে, তোমরা দুনিয়া পর্যটন কর, তারপর দেখ, যারা মিথ্যা ব’লে অমান্য করেছিল তাদের পরিণাম কী দাঁড়িয়েছে। [তাইসিরুল কুরআন]
মিথ্যারোপকারীরা শাস্তি ভোগ করবে:
আল-লাইল, ৯২:১৪ ⋮
فَأَنْذَرْتُكُمْ نَارًا تَلَظَّى ﴿١٤﴾
কাজেই আমি তোমাদেরকে দাউ দাউ ক’রে জ্বলা আগুন সম্পর্কে সতর্ক করে দিচ্ছি। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-লাইল, ৯২:১৫ ⋮
لَا يَصْلَاهَا إِلَّا الْأَشْقَى ﴿١٥﴾
চরম হতভাগা ছাড়া কেউ তাতে প্রবেশ করবে না। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-লাইল, ৯২:১৬ ⋮
الَّذِي كَذَّبَ وَتَوَلَّى ﴿١٦﴾
যে অস্বীকার করে ও মুখ ফিরিয়ে নেয় [তাইসিরুল কুরআন]
ত্ব-হা, ২০:৪৮ ⋮
إِنَّا قَدْ أُوحِيَ إِلَيْنَا أَنَّ الْعَذَابَ عَلَى مَنْ كَذَّبَ وَتَوَلَّى ﴿٤٨﴾
আমাদের কাছে ওয়াহী করা হয়েছে যে শাস্তি (অপেক্ষা করছে) তার জন্য যে (সত্য) প্রত্যাখ্যান করে আর মুখ ফিরিয়ে নেয়।’ [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ মিথ্যা বলতে নিষেধ করেছেন:
আল-হজ্জ, ২২:৩০ ⋮
ذَلِكَ وَمَنْ يُعَظِّمْ حُرُمَاتِ اللَّهِ فَهُوَ خَيْرٌ لَهُ عِنْدَ رَبِّهِ وَأُحِلَّتْ لَكُمُ الْأَنْعَامُ إِلَّا مَا يُتْلَى عَلَيْكُمْ فَاجْتَنِبُوا الرِّجْسَ مِنَ الْأَوْثَانِ وَاجْتَنِبُوا قَوْلَ الزُّورِ ﴿٣٠﴾
এটাই (হাজ্জ), যে কেউ আল্লাহর নির্ধারিত অনুষ্ঠানগুলোর সম্মান করবে, সেটা তার প্রতিপালকের নিকট তার জন্য উত্তম। চতুষ্পদ জন্তুগুলো তোমাদের জন্য হালাল করা হয়েছে সেগুলো ছাড়া যেগুলোর ব্যাপারে তোমাদেরকে পড়ে শুনানো হয়েছে। কাজেই তোমরা মূর্তিদের অপবিত্রতা বর্জন কর আর মিথ্যে কথা পরিহার কর [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ মিথ্যা ফতওয়া দিতে নিষেধ করেছেন:
আন-নাহাল, ১৬:১১৬ ⋮
وَلَا تَقُولُوا لِمَا تَصِفُ أَلْسِنَتُكُمُ الْكَذِبَ هَذَا حَلَالٌ وَهَذَا حَرَامٌ لِتَفْتَرُوا عَلَى اللَّهِ الْكَذِبَ إِنَّ الَّذِينَ يَفْتَرُونَ عَلَى اللَّهِ الْكَذِبَ لَا يُفْلِحُونَ ﴿١١٦﴾
তোমাদের জিহবা থেকে মিথ্যে কথা বেরোয় বলেই তোমরা আল্লাহর প্রতি মিথ্যারোপ করার জন্য এমন কথা বলো না যে, এটা হালাল, আর এটা হারাম। যারা আল্লাহ সম্পর্কে মিথ্যে উদ্ভাবন করে, তারা কক্ষনো কল্যাণ লাভ করতে পারে না। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ মিথ্যাবাদীদেরকে হেদায়াত দান করেন না:
গাফির, ৪০:২৮ ⋮
وَقَالَ رَجُلٌ مُؤْمِنٌ مِنْ آلِ فِرْعَوْنَ يَكْتُمُ إِيمَانَهُ أَتَقْتُلُونَ رَجُلًا أَنْ يَقُولَ رَبِّيَ اللَّهُ وَقَدْ جَاءَكُمْ بِالْبَيِّنَاتِ مِنْ رَبِّكُمْ وَإِنْ يَكُ كَاذِبًا فَعَلَيْهِ كَذِبُهُ وَإِنْ يَكُ صَادِقًا يُصِبْكُمْ بَعْضُ الَّذِي يَعِدُكُمْ إِنَّ اللَّهَ لَا يَهْدِي مَنْ هُوَ مُسْرِفٌ كَذَّابٌ ﴿٢٨﴾
ফেরাউনের দলের এক মু’মিন ব্যক্তি- যে তার ঈমানকে গোপন রেখেছিল- বলল, তোমরা একজন লোককে শুধু কি এজন্য মেরে ফেলবে যে, সে বলে, আল্লাহ আমার প্রতিপালক। অথচ সে তোমাদের কাছে তোমাদের প্রতিপালকের পক্ষ হতে সুস্পষ্ট প্রমাণ নিয়ে এসেছে। সে যদি মিথ্যাবাদী হয় তাহলে তার মিথ্যা বলার পরিণাম সে নিজেই ভুগবে। আর সে যদি সত্যবাদী হয়, তাহলে সে তোমাদেরকে যে শাস্তির ভয় দেখাচ্ছে তার কিছু না কিছু তোমাদের উপর পড়বেই। যে সীমালঙ্ঘন করে আর মিথ্যে বলে আল্লাহ তাকে সঠিক পথ দেখান না। [তাইসিরুল কুরআন]
আয-যুমার, ৩৯:৩ ⋮
أَلَا لِلَّهِ الدِّينُ الْخَالِصُ وَالَّذِينَ اتَّخَذُوا مِنْ دُونِهِ أَوْلِيَاءَ مَا نَعْبُدُهُمْ إِلَّا لِيُقَرِّبُونَا إِلَى اللَّهِ زُلْفَى إِنَّ اللَّهَ يَحْكُمُ بَيْنَهُمْ فِي مَا هُمْ فِيهِ يَخْتَلِفُونَ إِنَّ اللَّهَ لَا يَهْدِي مَنْ هُوَ كَاذِبٌ كَفَّارٌ ﴿٣﴾
জেনে রেখ, খালেস দ্বীন কেবল আল্লাহরই জন্য। যারা তাঁকে বাদ দিয়ে অন্যদেরকে অভিভাবক বানিয়ে নিয়েছে তারা বলে- আমরা তাদের ‘ইবাদাত একমাত্র এ উদ্দেশেই করি যে, তারা আমাদেরকে আল্লাহর নৈকট্যে পৌঁছে দেবে। (সত্য পথ থেকে সরে গিয়ে মিথ্যে পথ ও মতের জন্ম দিয়ে) তারা যে মতভেদ করছে, আল্লাহ তার চূড়ান্ত ফয়সালা করে দেবেন। যে মিথ্যেবাদী ও কাফির আল্লাহ তাকে সঠিক পথ দেখান না। [তাইসিরুল কুরআন]
মিথ্যুকদেরকে শয়তান আয়ত্তে নিয়ে নেয়:
আশ-শুআ'রা, ২৬:২২১ ⋮
هَلْ أُنَبِّئُكُمْ عَلَى مَنْ تَنَزَّلُ الشَّيَاطِينُ ﴿٢٢١﴾
আমি কি তোমাদেরকে জানাব কাদের নিকট শয়ত্বানরা অবতীর্ণ হয়। [তাইসিরুল কুরআন]
আশ-শুআ'রা, ২৬:২২২ ⋮
تَنَزَّلُ عَلَى كُلِّ أَفَّاكٍ أَثِيمٍ ﴿٢٢٢﴾
তারা অবতীর্ণ হয় প্রত্যেকটি চরম মিথ্যুক ও পাপীর নিকট। [তাইসিরুল কুরআন]
মিথ্যুকদের জন্য রয়েছে ধ্বংস:
আল-মুরসালাত, ৭৭:১৫ ⋮
وَيْلٌ يَوْمَئِذٍ لِلْمُكَذِّبِينَ ﴿١٥﴾
সে দিন দুর্ভোগ সত্য প্রত্যাখ্যানকারীদের জন্য। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-ওয়াকিয়া, ৫৬:৯২ ⋮
وَأَمَّا إِنْ كَانَ مِنَ الْمُكَذِّبِينَ الضَّالِّينَ ﴿٩٢﴾
আর সে যদি সত্য অস্বীকারকারী গুমরাহদের অন্তর্গত হয়, [তাইসিরুল কুরআন]
আল-ওয়াকিয়া, ৫৬:৯৩ ⋮
فَنُزُلٌ مِنْ حَمِيمٍ ﴿٩٣﴾
তবে তার আপ্যায়ন হবে ফুটন্ত পানি দিয়ে। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-ওয়াকিয়া, ৫৬:৯৪ ⋮
وَتَصْلِيَةُ جَحِيمٍ ﴿٩٤﴾
আর (তার জন্য আছে) জাহান্নামের আগুনের দহন, [তাইসিরুল কুরআন]
মিথ্যুকদের অনুসরণ করা যাবে না:
আল-ক্বলাম, ৬৮:৮ ⋮
فَلَا تُطِعِ الْمُكَذِّبِينَ ﴿٨﴾
কাজেই তুমি মিথ্যাবাদীদের কথা মান্য কর না। [তাইসিরুল কুরআন]
অথচ তাদের সেই বানোয়াট কথাটি আল্লাহর কিতাবের অংশ নয়।
আলে-ইমরান, ৩:৭৮ ⋮
وَإِنَّ مِنْهُمْ لَفَرِيقًا يَلْوُونَ أَلْسِنَتَهُمْ بِالْكِتَابِ لِتَحْسَبُوهُ مِنَ الْكِتَابِ وَمَا هُوَ مِنَ الْكِتَابِ وَيَقُولُونَ هُوَ مِنْ عِنْدِ اللَّهِ وَمَا هُوَ مِنْ عِنْدِ اللَّهِ وَيَقُولُونَ عَلَى اللَّهِ الْكَذِبَ وَهُمْ يَعْلَمُونَ ﴿٧٨﴾
এদের মধ্যে একদল আছে যারা কিতাবকে জিহবা দ্বারা বিকৃত করে যাতে তোমরা তাকে কিতাবের অংশ বলে মনে কর, মূলতঃ তা কিতাবের অংশ নয় এবং তারা বলে, ‘এটা আল্লাহর নিকট হতে অবতীর্ণ, বস্তুতঃ তা আল্লাহর নিকট হতে অবতীর্ণ নয়, তারা জেনে শুনে আল্লাহর প্রতি মিথ্যারোপ করে। [তাইসিরুল কুরআন]
অথচ তাদের সেই কথা প্রকৃতপক্ষে আল্লাহর পক্ষ থেকে আসেনি।
আলে-ইমরান, ৩:৭৮ ⋮
وَإِنَّ مِنْهُمْ لَفَرِيقًا يَلْوُونَ أَلْسِنَتَهُمْ بِالْكِتَابِ لِتَحْسَبُوهُ مِنَ الْكِتَابِ وَمَا هُوَ مِنَ الْكِتَابِ وَيَقُولُونَ هُوَ مِنْ عِنْدِ اللَّهِ وَمَا هُوَ مِنْ عِنْدِ اللَّهِ وَيَقُولُونَ عَلَى اللَّهِ الْكَذِبَ وَهُمْ يَعْلَمُونَ ﴿٧٨﴾
এদের মধ্যে একদল আছে যারা কিতাবকে জিহবা দ্বারা বিকৃত করে যাতে তোমরা তাকে কিতাবের অংশ বলে মনে কর, মূলতঃ তা কিতাবের অংশ নয় এবং তারা বলে, ‘এটা আল্লাহর নিকট হতে অবতীর্ণ, বস্তুতঃ তা আল্লাহর নিকট হতে অবতীর্ণ নয়, তারা জেনে শুনে আল্লাহর প্রতি মিথ্যারোপ করে। [তাইসিরুল কুরআন]
যে ব্যক্তি নিজে কোনো ভুল বা পাপ করে তা একজন নিরপরাধের উপর চাপিয়ে দেয়, সে এক গুরুতর অপবাদের বোঝা বহন করে।
আন-নিসা, ৪:১১২ ⋮
وَمَنْ يَكْسِبْ خَطِيئَةً أَوْ إِثْمًا ثُمَّ يَرْمِ بِهِ بَرِيئًا فَقَدِ احْتَمَلَ بُهْتَانًا وَإِثْمًا مُبِينًا ﴿١١٢﴾
যে ব্যক্তি কোন ত্রুটি কিংবা পাপ ক’রে তা কোন নির্দোষ ব্যক্তির উপর চাপিয়ে দেয়, সে তো জ্বলন্ত অপবাদ এবং সুস্পষ্ট গুনাহ নিজের উপর চাপিয়ে নেয়। [তাইসিরুল কুরআন]
যে ব্যক্তি নিজে কোনো ভুল বা পাপ করে তা একজন নিরপরাধের উপর চাপিয়ে দেয়, সে এক সুস্পষ্ট পাপের বোঝাও বহন করে।
আন-নিসা, ৪:১১২ ⋮
وَمَنْ يَكْسِبْ خَطِيئَةً أَوْ إِثْمًا ثُمَّ يَرْمِ بِهِ بَرِيئًا فَقَدِ احْتَمَلَ بُهْتَانًا وَإِثْمًا مُبِينًا ﴿١١٢﴾
যে ব্যক্তি কোন ত্রুটি কিংবা পাপ ক’রে তা কোন নির্দোষ ব্যক্তির উপর চাপিয়ে দেয়, সে তো জ্বলন্ত অপবাদ এবং সুস্পষ্ট গুনাহ নিজের উপর চাপিয়ে নেয়। [তাইসিরুল কুরআন]
বনী ইসরাইল মারিয়াম (আঃ)-এর উপর এক গুরুতর অপবাদ আরোপ করেছিল।
আন-নিসা, ৪:১৫৬ ⋮
وَبِكُفْرِهِمْ وَقَوْلِهِمْ عَلَى مَرْيَمَ بُهْتَانًا عَظِيمًا ﴿١٥٦﴾
(তাদের প্রতি আল্লাহর অসন্তোষ নেমে এসেছে) তাদের কুফরীর জন্য আর মারইয়ামের প্রতি তাদের গুরুতর অপবাদপূর্ণ কথা উচ্চারণের জন্য। [তাইসিরুল কুরআন]
অবিশ্বাসীরা এও জানতে পারবে যে, কে ছিল প্রকৃত মিথ্যাবাদী।
হূদ, ১১:৯৩ ⋮
وَيَا قَوْمِ اعْمَلُوا عَلَى مَكَانَتِكُمْ إِنِّي عَامِلٌ سَوْفَ تَعْلَمُونَ مَنْ يَأْتِيهِ عَذَابٌ يُخْزِيهِ وَمَنْ هُوَ كَاذِبٌ وَارْتَقِبُوا إِنِّي مَعَكُمْ رَقِيبٌ ﴿٩٣﴾
হে আমার সম্প্রদায়! ‘তোমরা নিজ নিজ অবস্থানে থেকে কাজ করতে থাক, আমিও আমার কাজ করতে থাকি, তোমরা অচিরেই জানতে পারবে কার উপর আসবে লাঞ্ছনাদায়ক শাস্তি আর কে মিথ্যেবাদী। কাজেই তোমরা অপেক্ষায় থাক, আমিও তোমাদের সাথে অপেক্ষায় থাকলাম।’ [তাইসিরুল কুরআন]
আপনি (মুহাম্মাদ ﷺ) মুনাফিকদেরকে তাদের উপহাস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তারা অবশ্যই বলবে যে, তারা কেবল হাসি-ঠাট্টা ও খেলাধুলা করছিল।
আত-তাওবা, ৯:৬৫ ⋮
وَلَئِنْ سَأَلْتَهُمْ لَيَقُولُنَّ إِنَّمَا كُنَّا نَخُوضُ وَنَلْعَبُ قُلْ أَبِاللَّهِ وَآيَاتِهِ وَرَسُولِهِ كُنْتُمْ تَسْتَهْزِئُونَ ﴿٦٥﴾
তাদেরকে জিজ্ঞেস করলে তারা জোর দিয়েই বলবে, ‘আমরা হাস্য রস আর খেল-তামাশা করছিলাম।’ বল, ‘আল্লাহ, তাঁর আয়াত ও তাঁর রসূলকে নিয়ে তোমরা বিদ্রূপ করছিলে?’ [তাইসিরুল কুরআন]
যারা আল্লাহর উপর মিথ্যা আরোপ করে, কিয়ামত দিবস সম্পর্কে তাদের ধারণা কী?
ইউনুস, ১০:৬০ ⋮
وَمَا ظَنُّ الَّذِينَ يَفْتَرُونَ عَلَى اللَّهِ الْكَذِبَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ إِنَّ اللَّهَ لَذُو فَضْلٍ عَلَى النَّاسِ وَلَكِنَّ أَكْثَرَهُمْ لَا يَشْكُرُونَ ﴿٦٠﴾
যারা আল্লাহর প্রতি মিথ্যোরোপ করে, কিয়ামাতের দিন (আল্লাহ তাদের সঙ্গে যে ব্যবহার করবেন সে) সম্পর্কে তাদের কী ধারণা? আল্লাহ তো মানুষদের উপর বড়ই অনুগ্রহশীল, কিন্তু তাদের অধিকাংশই আল্লাহর শোকর করে না। [তাইসিরুল কুরআন]
যারা আল্লাহর আয়াতসমূহে ঈমান আনে না, কেবল তারাই মিথ্যা রচনা করে।
আন-নাহাল, ১৬:১০৫ ⋮
إِنَّمَا يَفْتَرِي الْكَذِبَ الَّذِينَ لَا يُؤْمِنُونَ بِآيَاتِ اللَّهِ وَأُولَئِكَ هُمُ الْكَاذِبُونَ ﴿١٠٥﴾
যারা আল্লাহর নিদর্শনসমূহে বিশ্বাস করে না, তারাই মিথ্যে রচনা করে আর তারাই মিথ্যাবাদী। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহর বিষয়ে মিথ্যারোপকারীদের পার্থিব ভোগ-উপকরণ অতি সামান্য।
আন-নাহাল, ১৬:১১৭ ⋮
مَتَاعٌ قَلِيلٌ وَلَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌ ﴿١١٧﴾
(এসব মিথ্যাচারে লাভ হয়) সামান্য ভোগের বস্তু, অতঃপর তাদের জন্য আছে ভয়াবহ শাস্তি। [তাইসিরুল কুরআন]
এবং আল্লাহর বিষয়ে মিথ্যারোপকারীদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক আযাব।
আন-নাহাল, ১৬:১১৭ ⋮
مَتَاعٌ قَلِيلٌ وَلَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌ ﴿١١٧﴾
(এসব মিথ্যাচারে লাভ হয়) সামান্য ভোগের বস্তু, অতঃপর তাদের জন্য আছে ভয়াবহ শাস্তি। [তাইসিরুল কুরআন]
তারা (আল্লাহর সন্তান থাকার বিষয়ে) যা বলে, তা মিথ্যা ছাড়া আর কিছুই নয়।
আল-কাহফ, ১৮:৫ ⋮
مَا لَهُمْ بِهِ مِنْ عِلْمٍ وَلَا لِآبَائِهِمْ كَبُرَتْ كَلِمَةً تَخْرُجُ مِنْ أَفْوَاهِهِمْ إِنْ يَقُولُونَ إِلَّا كَذِبًا ﴿٥﴾
এ সম্পর্কে তাদের কোন জ্ঞান নেই, আর তাদের পিতৃ-পুরুষদেরও ছিল না। তাদের মুখ থেকে বের হয় বড়ই সাংঘাতিক কথা। তারা যা বলে তা মিথ্যে ছাড়া কিছুই নয়। [তাইসিরুল কুরআন]
মন্দকর্মকারীরা আল্লাহর আয়াতসমূহকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছিল।
আর-রুম, ৩০:১০ ⋮
ثُمَّ كَانَ عَاقِبَةَ الَّذِينَ أَسَاءُوا السُّوأَى أَنْ كَذَّبُوا بِآيَاتِ اللَّهِ وَكَانُوا بِهَا يَسْتَهْزِئُونَ ﴿١٠﴾
অতঃপর যারা মন্দ কাজ করত, তাদের পরিণাম হয়েছিল মন্দ; কারণ তারা আল্লাহর নিদর্শনাবলীকে অস্বীকার করেছিল আর সেগুলো নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্রূপ করত। [তাইসিরুল কুরআন]
এই কপালটি একটি মিথ্যাবাদী কপাল।
আল-আলাক, ৯৬:১৬ ⋮
نَاصِيَةٍ كَاذِبَةٍ خَاطِئَةٍ ﴿١٦﴾
মিথ্যাচারী পাপাচারী চুলগুচ্ছ [তাইসিরুল কুরআন]