বিষয়ভিত্তিক কুরআন > শরীকদের প্রকৃত অবস্থা

শরীকরা শাফাআতের ক্ষমতা রাখে না:

আর-রুম, ৩০:১৩
وَلَمْ يَكُنْ لَهُمْ مِنْ شُرَكَائِهِمْ شُفَعَاءُ وَكَانُوا بِشُرَكَائِهِمْ كَافِرِينَ ﴿١٣﴾
তারা যাদেরকে শরীক গণ্য করত তাদের মধ্যে কেউ তাদের জন্য সুপারিশকারী সাজবে না এবং তারা তাদের শরীকদেরকে অস্বীকার করবে। [তাইসিরুল কুরআন]
আয-যুখরুফ, ৪৩:৮৬
وَلَا يَمْلِكُ الَّذِينَ يَدْعُونَ مِنْ دُونِهِ الشَّفَاعَةَ إِلَّا مَنْ شَهِدَ بِالْحَقِّ وَهُمْ يَعْلَمُونَ ﴿٨٦﴾
আল্লাহর পরিবর্তে যাদেরকে তারা ডাকে তারা সুপারিশের অধিকারী নয়, তবে যে জ্ঞানের ভিত্তিতে সত্যের সাক্ষ্য দেয় সে ছাড়া। [তাইসিরুল কুরআন]

তাদের উপকারের চেয়ে অপকার বেশি:

আল-হজ্জ, ২২:১২
يَدْعُو مِنْ دُونِ اللَّهِ مَا لَا يَضُرُّهُ وَمَا لَا يَنْفَعُهُ ذَلِكَ هُوَ الضَّلَالُ الْبَعِيدُ ﴿١٢﴾
আল্লাহকে বাদ দিয়ে সে এমন কিছুকে ডাকে যা না পারে তার কোন ক্ষতি করতে আর না পারে কোন উপকার করতে, এটাই হল চরম আকারের গুমরাহী। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-হজ্জ, ২২:১৩
يَدْعُو لَمَنْ ضَرُّهُ أَقْرَبُ مِنْ نَفْعِهِ لَبِئْسَ الْمَوْلَى وَلَبِئْسَ الْعَشِيرُ ﴿١٣﴾
সে এমন কিছুকে ডাকে যার লাভের চেয়ে ক্ষতিই নিকটবর্তী, কত মন্দই না এই অভিভাবক, আর কত মন্দই না এই সঙ্গী! [তাইসিরুল কুরআন]

তাদের সকল অঙ্গই অকেজো:

আল-আ'রাফ, ৭:১৯৪
إِنَّ الَّذِينَ تَدْعُونَ مِنْ دُونِ اللَّهِ عِبَادٌ أَمْثَالُكُمْ فَادْعُوهُمْ فَلْيَسْتَجِيبُوا لَكُمْ إِنْ كُنْتُمْ صَادِقِينَ ﴿١٩٤﴾
আল্লাহ ছাড়া যাদেরকে তোমরা ডাক তারা তোমাদের মতই বান্দাহ্। (ঠিক আছে) তাদেরকে ডাকতে থাক, তোমরা যদি সত্যবাদী হয়ে থাক তাহলে তারা তোমাদের ডাকে সাড়া দিক। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-আ'রাফ, ৭:১৯৫
أَلَهُمْ أَرْجُلٌ يَمْشُونَ بِهَا أَمْ لَهُمْ أَيْدٍ يَبْطِشُونَ بِهَا أَمْ لَهُمْ أَعْيُنٌ يُبْصِرُونَ بِهَا أَمْ لَهُمْ آذَانٌ يَسْمَعُونَ بِهَا قُلِ ادْعُوا شُرَكَاءَكُمْ ثُمَّ كِيدُونِ فَلَا تُنْظِرُونِ ﴿١٩٥﴾
তাদের কি পা আছে যা দিয়ে তারা চলাফেরা করে? তাদের কি হাত আছে যা দিয়ে তারা ধরে? তাদের কি চোখ আছে যা দিয়ে তারা দেখে? তাদের কি কান আছে যা দিয়ে তারা শোনে? বল, তোমরা যাদেরকে আল্লাহর শরীক করছ তাদেরকে আহবান কর, আর আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র কর এবং আমাকে অবকাশ দিও না। [তাইসিরুল কুরআন]

তারা কোনকিছু সৃষ্টি করতে পারে না:

আন-নাহাল, ১৬:২০
وَالَّذِينَ يَدْعُونَ مِنْ دُونِ اللَّهِ لَا يَخْلُقُونَ شَيْئًا وَهُمْ يُخْلَقُونَ ﴿٢٠﴾
তারা আল্লাহ ছাড়া অন্য যাদেরকে ডাকে তারা কিছুই সৃষ্টি করে না, তারা (নিজেরাই) সৃষ্ট। [তাইসিরুল কুরআন]

তারা মৃত:

আন-নাহাল, ১৬:২১
أَمْوَاتٌ غَيْرُ أَحْيَاءٍ وَمَا يَشْعُرُونَ أَيَّانَ يُبْعَثُونَ ﴿٢١﴾
তারা প্রাণহীন, জীবিত নয়, তাদের কোনই চেতনা নেই কবে তাদেরকে (পুনর্জীবিত করে) উঠানো হবে। [তাইসিরুল কুরআন]

তারা কারো জীবন বা মরণ দিতে পারে না:

আল-ফুরকান, ২৫:৩
وَاتَّخَذُوا مِنْ دُونِهِ آلِهَةً لَا يَخْلُقُونَ شَيْئًا وَهُمْ يُخْلَقُونَ وَلَا يَمْلِكُونَ لِأَنْفُسِهِمْ ضَرًّا وَلَا نَفْعًا وَلَا يَمْلِكُونَ مَوْتًا وَلَا حَيَاةً وَلَا نُشُورًا ﴿٣﴾
আর তারা তাঁকে বাদ দিয়ে ইলাহরূপে গ্রহণ করেছে অন্য কিছুকে যারা কিছুই সৃষ্টি করে না, বরং তারা নিজেরাই সৃষ্টি হয়েছে। তারা ক্ষমতা রাখে না নিজেদের ক্ষতি বা উপকার করার আর ক্ষমতা রাখে না মৃত্যু, জীবন ও পুনরুত্থানের উপর। [তাইসিরুল কুরআন]

তারা দুনিয়াতেও কোন উপকার করতে পারে না:

আল-আহকাফ, ৪৬:২৭
وَلَقَدْ أَهْلَكْنَا مَا حَوْلَكُمْ مِنَ الْقُرَى وَصَرَّفْنَا الْآيَاتِ لَعَلَّهُمْ يَرْجِعُونَ ﴿٢٧﴾
আমি ধ্বংস করেছিলাম তোমাদের চারপাশের জনপদ। আমি নানাভাবে নিদর্শন দেখিয়েছিলাম যাতে তারা (সঠিক পথে) ফিরে আসে। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-আহকাফ, ৪৬:২৮
فَلَوْلَا نَصَرَهُمُ الَّذِينَ اتَّخَذُوا مِنْ دُونِ اللَّهِ قُرْبَانًا آلِهَةً بَلْ ضَلُّوا عَنْهُمْ وَذَلِكَ إِفْكُهُمْ وَمَا كَانُوا يَفْتَرُونَ ﴿٢٨﴾
আল্লাহর নৈকট্য লাভের উদ্দেশে আল্লাহ ব্যতিরেকে যাদেরকে তারা ইলাহরূপে গ্রহণ করেছে তারা তাদেরকে সাহায্য করল না কেন? বরং তারা (অর্থাৎ কল্পিত ইলাহ) তাদের থেকে হারিয়ে গেল। আসলে তা ছিল তাদের মিথ্যাচার আর মনগড়া উদ্ভাবণ। [তাইসিরুল কুরআন]
হূদ, ১১:১০১
وَمَا ظَلَمْنَاهُمْ وَلَكِنْ ظَلَمُوا أَنْفُسَهُمْ فَمَا أَغْنَتْ عَنْهُمْ آلِهَتُهُمُ الَّتِي يَدْعُونَ مِنْ دُونِ اللَّهِ مِنْ شَيْءٍ لَمَّا جَاءَ أَمْرُ رَبِّكَ وَمَا زَادُوهُمْ غَيْرَ تَتْبِيبٍ ﴿١٠١﴾
আমি তাদের উপর যুলম করিনি বরং তারাই নিজেদের উপর যুলম করেছিল, কিন্তু তোমার প্রতিপালকের হুকুম যখন এসে গেল, তখন আল্লাহকে বাদ দিয়ে তারা যেসব ইলাহকে ডাকত ওগুলো তাদের কোনই কাজে আসল না, তারা ধ্বংস ছাড়া কিছুই বৃদ্ধি করতে পারল না। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ ছাড়া অন্য উপাস্যরা তাদের উপাসকদের কোনো ক্ষতি বা উপকার করার ক্ষমতা রাখে না।

আল-মায়েদা, ৫:৭৬
قُلْ أَتَعْبُدُونَ مِنْ دُونِ اللَّهِ مَا لَا يَمْلِكُ لَكُمْ ضَرًّا وَلَا نَفْعًا وَاللَّهُ هُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ ﴿٧٦﴾
বল, তোমরা আল্লাহকে বাদ দিয়ে কি এমন কিছুর ‘ইবাদাত করছ যাদের না আছে কোন ক্ষতি করার ক্ষমতা, আর না আছে উপকার করার। আর আল্লাহ তিনি হলেন সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ। [তাইসিরুল কুরআন]

মুশরিকরা এমন সত্তাকে আল্লাহর শরীক করে যারা কোনো কিছুই সৃষ্টি করতে পারে না।

আল-আ'রাফ, ৭:১৯১
أَيُشْرِكُونَ مَا لَا يَخْلُقُ شَيْئًا وَهُمْ يُخْلَقُونَ ﴿١٩١﴾
তারা কি এমন কিছুকে শরীক করে যারা কিছুই সৃষ্টি করে না? বরং তাদেরকেই সৃষ্টি করা হয়েছে। [তাইসিরুল কুরআন]

বস্তুত, মুশরিকদের শরীককৃত উপাস্যরা নিজেরাই সৃষ্ট।

আল-আ'রাফ, ৭:১৯১
أَيُشْرِكُونَ مَا لَا يَخْلُقُ شَيْئًا وَهُمْ يُخْلَقُونَ ﴿١٩١﴾
তারা কি এমন কিছুকে শরীক করে যারা কিছুই সৃষ্টি করে না? বরং তাদেরকেই সৃষ্টি করা হয়েছে। [তাইসিরুল কুরআন]

মুশরিকদের শরীককৃত উপাস্যরা তাদের উপাসকদের কোনো সাহায্য করতে পারে না।

আল-আ'রাফ, ৭:১৯২
وَلَا يَسْتَطِيعُونَ لَهُمْ نَصْرًا وَلَا أَنْفُسَهُمْ يَنْصُرُونَ ﴿١٩٢﴾
তারা না পারে তাদেরকে (অর্থাৎ তাদের ‘ইবাদাতকারীদেরকে) সাহায্য করতে, না পারে নিজেদেরকে সাহায্য করতে। [তাইসিরুল কুরআন]

এবং সেই উপাস্যরা নিজেদেরকেও সাহায্য করতে পারে না।

আল-আ'রাফ, ৭:১৯২
وَلَا يَسْتَطِيعُونَ لَهُمْ نَصْرًا وَلَا أَنْفُسَهُمْ يَنْصُرُونَ ﴿١٩٢﴾
তারা না পারে তাদেরকে (অর্থাৎ তাদের ‘ইবাদাতকারীদেরকে) সাহায্য করতে, না পারে নিজেদেরকে সাহায্য করতে। [তাইসিরুল কুরআন]

তোমরা (মুশরিকরা) যদি তোমাদের উপাস্যদেরকে সৎপথের দিকে আহ্বান করো, তারা তোমাদের অনুসরণ করবে না।

আল-আ'রাফ, ৭:১৯৩
وَإِنْ تَدْعُوهُمْ إِلَى الْهُدَى لَا يَتَّبِعُوكُمْ سَوَاءٌ عَلَيْكُمْ أَدَعَوْتُمُوهُمْ أَمْ أَنْتُمْ صَامِتُونَ ﴿١٩٣﴾
তোমরা তাদেরকে যদি সত্যপথে চলার জন্য ডাক, তারা তোমাদের অনুসরণ করবে না। তাদেরকে ডাক কিংবা চুপচাপ থাক, তোমাদের জন্য উভয়ই সমান। [তাইসিরুল কুরআন]

তোমরা (মুশরিকরা) তোমাদের উপাস্যদেরকে আহ্বান করো বা নীরব থাকো, উভয়ই তোমাদের জন্য সমান।

আল-আ'রাফ, ৭:১৯৩
وَإِنْ تَدْعُوهُمْ إِلَى الْهُدَى لَا يَتَّبِعُوكُمْ سَوَاءٌ عَلَيْكُمْ أَدَعَوْتُمُوهُمْ أَمْ أَنْتُمْ صَامِتُونَ ﴿١٩٣﴾
তোমরা তাদেরকে যদি সত্যপথে চলার জন্য ডাক, তারা তোমাদের অনুসরণ করবে না। তাদেরকে ডাক কিংবা চুপচাপ থাক, তোমাদের জন্য উভয়ই সমান। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহকে বাদ দিয়ে তোমরা যাদেরকে ডাকো, তারা তোমাদেরকে সাহায্য করতে সক্ষম নয়।

আল-আ'রাফ, ৭:১৯৭
وَالَّذِينَ تَدْعُونَ مِنْ دُونِهِ لَا يَسْتَطِيعُونَ نَصْرَكُمْ وَلَا أَنْفُسَهُمْ يَنْصُرُونَ ﴿١٩٧﴾
কে (অর্থাৎ আল্লাহকে) ছাড়া যাদেরকে তোমরা ডাক, তারা তোমাদেরকে সাহায্য করার কোন ক্ষমতা রাখে না, পারে না নিজেদেরকেও সাহায্য করতে। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহর পরিবর্তে যাদেরকে ডাকা হয়, তারা নিজেদেরকেও সাহায্য করতে পারে না।

আল-আ'রাফ, ৭:১৯৭
وَالَّذِينَ تَدْعُونَ مِنْ دُونِهِ لَا يَسْتَطِيعُونَ نَصْرَكُمْ وَلَا أَنْفُسَهُمْ يَنْصُرُونَ ﴿١٩٧﴾
কে (অর্থাৎ আল্লাহকে) ছাড়া যাদেরকে তোমরা ডাক, তারা তোমাদেরকে সাহায্য করার কোন ক্ষমতা রাখে না, পারে না নিজেদেরকেও সাহায্য করতে। [তাইসিরুল কুরআন]

তোমরা যদি ঐ (মিথ্যা) উপাস্যদেরকে হিদায়াতের দিকে আহ্বান করো, তারা তা শুনতে পায় না।

আল-আ'রাফ, ৭:১৯৮
وَإِنْ تَدْعُوهُمْ إِلَى الْهُدَى لَا يَسْمَعُوا وَتَرَاهُمْ يَنْظُرُونَ إِلَيْكَ وَهُمْ لَا يُبْصِرُونَ ﴿١٩٨﴾
তাদেরকে যদি সঠিক পথের দিকে ডাক, তারা শোনে না, তুমি দেখ যে তারা তোমার দিকে তাকিয়ে আছে কিন্তু আসলে তারা কিছুই দেখতে পায় না। [তাইসিরুল কুরআন]

তুমি ঐ উপাস্যদেরকে তোমার দিকে তাকিয়ে থাকতে দেখবে।

আল-আ'রাফ, ৭:১৯৮
وَإِنْ تَدْعُوهُمْ إِلَى الْهُدَى لَا يَسْمَعُوا وَتَرَاهُمْ يَنْظُرُونَ إِلَيْكَ وَهُمْ لَا يُبْصِرُونَ ﴿١٩٨﴾
তাদেরকে যদি সঠিক পথের দিকে ডাক, তারা শোনে না, তুমি দেখ যে তারা তোমার দিকে তাকিয়ে আছে কিন্তু আসলে তারা কিছুই দেখতে পায় না। [তাইসিরুল কুরআন]

অথচ ঐ উপাস্যগুলো প্রকৃতপক্ষে কিছুই দেখতে পায় না।

আল-আ'রাফ, ৭:১৯৮
وَإِنْ تَدْعُوهُمْ إِلَى الْهُدَى لَا يَسْمَعُوا وَتَرَاهُمْ يَنْظُرُونَ إِلَيْكَ وَهُمْ لَا يُبْصِرُونَ ﴿١٩٨﴾
তাদেরকে যদি সঠিক পথের দিকে ডাক, তারা শোনে না, তুমি দেখ যে তারা তোমার দিকে তাকিয়ে আছে কিন্তু আসলে তারা কিছুই দেখতে পায় না। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ ব্যতীত গৃহীত অভিভাবকেরা নিজেদের উপকার বা ক্ষতি করারও ক্ষমতা রাখে না।

আর-রাদ, ১৩:১৬
قُلْ مَنْ رَبُّ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ قُلِ اللَّهُ قُلْ أَفَاتَّخَذْتُمْ مِنْ دُونِهِ أَوْلِيَاءَ لَا يَمْلِكُونَ لِأَنْفُسِهِمْ نَفْعًا وَلَا ضَرًّا قُلْ هَلْ يَسْتَوِي الْأَعْمَى وَالْبَصِيرُ أَمْ هَلْ تَسْتَوِي الظُّلُمَاتُ وَالنُّورُ أَمْ جَعَلُوا لِلَّهِ شُرَكَاءَ خَلَقُوا كَخَلْقِهِ فَتَشَابَهَ الْخَلْقُ عَلَيْهِمْ قُلِ اللَّهُ خَالِقُ كُلِّ شَيْءٍ وَهُوَ الْوَاحِدُ الْقَهَّارُ ﴿١٦﴾
বল, আকাশ ও যমীনের প্রতিপালক কে? বল, আল্লাহ। বল, তোমরা কি তাঁকে বাদ দিয়ে এমন অভিভাবক গ্রহণ করেছ যাদের নিজেদের কোন লাভ-লোকসান করার ক্ষমতা নেই। বল, অন্ধ ও চক্ষুষ্মান কি সমান? কিংবা অন্ধকার আর আলো কি সমান? কিংবা তারা কি আল্লাহর অংশীদার বানিয়েছে তাদেরকে যারা তাঁর সৃষ্টির মত সৃষ্টি করেছে, যে কারণে সৃষ্টি তাদের কাছে সমান মনে হয়েছে? বল, আল্লাহ সবকিছুর সৃষ্টিকর্তা, তিনি এক, মহা প্রতাপশালী। [তাইসিরুল কুরআন]

মুশরিকদের শরীকরা আল্লাহর সৃষ্টির মতো কোনো কিছু সৃষ্টি করেনি, যা তাদের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে।

আর-রাদ, ১৩:১৬
قُلْ مَنْ رَبُّ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ قُلِ اللَّهُ قُلْ أَفَاتَّخَذْتُمْ مِنْ دُونِهِ أَوْلِيَاءَ لَا يَمْلِكُونَ لِأَنْفُسِهِمْ نَفْعًا وَلَا ضَرًّا قُلْ هَلْ يَسْتَوِي الْأَعْمَى وَالْبَصِيرُ أَمْ هَلْ تَسْتَوِي الظُّلُمَاتُ وَالنُّورُ أَمْ جَعَلُوا لِلَّهِ شُرَكَاءَ خَلَقُوا كَخَلْقِهِ فَتَشَابَهَ الْخَلْقُ عَلَيْهِمْ قُلِ اللَّهُ خَالِقُ كُلِّ شَيْءٍ وَهُوَ الْوَاحِدُ الْقَهَّارُ ﴿١٦﴾
বল, আকাশ ও যমীনের প্রতিপালক কে? বল, আল্লাহ। বল, তোমরা কি তাঁকে বাদ দিয়ে এমন অভিভাবক গ্রহণ করেছ যাদের নিজেদের কোন লাভ-লোকসান করার ক্ষমতা নেই। বল, অন্ধ ও চক্ষুষ্মান কি সমান? কিংবা অন্ধকার আর আলো কি সমান? কিংবা তারা কি আল্লাহর অংশীদার বানিয়েছে তাদেরকে যারা তাঁর সৃষ্টির মত সৃষ্টি করেছে, যে কারণে সৃষ্টি তাদের কাছে সমান মনে হয়েছে? বল, আল্লাহ সবকিছুর সৃষ্টিকর্তা, তিনি এক, মহা প্রতাপশালী। [তাইসিরুল কুরআন]

ইবরাহিম (আঃ) তাঁর প্রতিপালককে জানালেন যে মূর্তিগুলো বহু মানুষকে পথভ্রষ্ট করেছে।

ইবরাহীম, ১৪:৩৬
رَبِّ إِنَّهُنَّ أَضْلَلْنَ كَثِيرًا مِنَ النَّاسِ فَمَنْ تَبِعَنِي فَإِنَّهُ مِنِّي وَمَنْ عَصَانِي فَإِنَّكَ غَفُورٌ رَحِيمٌ ﴿٣٦﴾
হে আমার প্রতিপালক! এ (প্রতিমা)-গুলো বহু সংখ্যক মানুষকে পথভ্রষ্ট করেছে। কাজেই (প্রতিমাগুলোকে বাদ দিয়ে) যারা আমাকে অনুসরণ করবে তারা আমার দলভুক্ত। আর যে আমার অবাধ্য হবে সেক্ষেত্রে তুমি তো বড়ই ক্ষমাশীল, বড়ই দয়ালু। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ ব্যতীত অন্য উপাস্যরা কোনো কিছু করতে সম্পূর্ণরূপে অক্ষম।

আন-নাহাল, ১৬:৭৩
وَيَعْبُدُونَ مِنْ دُونِ اللَّهِ مَا لَا يَمْلِكُ لَهُمْ رِزْقًا مِنَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ شَيْئًا وَلَا يَسْتَطِيعُونَ ﴿٧٣﴾
আর আল্লাহকে বাদ দিয়ে ‘ইবাদাত করবে অন্যের যারা আকাশ ও যমীন থেকে তাদের জন্য রিযক দেয়ার মালিক নয়, আর তারা এ কাজে সক্ষমও নয়। [তাইসিরুল কুরআন]

মুশরিকদেরকে বলা হবে, 'তোমরা যাদের উপাসনা করতে, তারা কোথায়?'

আশ-শুআ'রা, ২৬:৯২
وَقِيلَ لَهُمْ أَيْنَ مَا كُنْتُمْ تَعْبُدُونَ ﴿٩٢﴾
আর তাদেরকে বলা হবে, তোমরা যার ‘ইবাদাত করতে তারা কোথায় [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহর পরিবর্তে উপাসিত বাতিল উপাস্যরা তাদের উপাসকদের কোনো সাহায্য করতে পারে না।

আশ-শুআ'রা, ২৬:৯৩
مِنْ دُونِ اللَّهِ هَلْ يَنْصُرُونَكُمْ أَوْ يَنْتَصِرُونَ ﴿٩٣﴾
আল্লাহকে বাদ দিয়ে? তারা কি তোমাদের সাহায্য করতে পারে কিংবা তাদের নিজেদেরকে সাহায্য করতে পারে? [তাইসিরুল কুরআন]

এমনকি আল্লাহর পরিবর্তে উপাসিত বাতিল উপাস্যরা নিজেদেরকেও রক্ষা করতে পারে না।

আশ-শুআ'রা, ২৬:৯৩
مِنْ دُونِ اللَّهِ هَلْ يَنْصُرُونَكُمْ أَوْ يَنْتَصِرُونَ ﴿٩٣﴾
আল্লাহকে বাদ দিয়ে? তারা কি তোমাদের সাহায্য করতে পারে কিংবা তাদের নিজেদেরকে সাহায্য করতে পারে? [তাইসিরুল কুরআন]

অতঃপর মিথ্যা উপাস্যদেরকে জাহান্নামে অধোমুখে নিক্ষেপ করা হবে।

আশ-শুআ'রা, ২৬:৯৪
فَكُبْكِبُوا فِيهَا هُمْ وَالْغَاوُونَ ﴿٩٤﴾
অতঃপর তাদেরকে ও পথভ্রষ্টদেরকে জাহান্নামে মুখের ভরে নিক্ষেপ করা হবে। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ ব্যতীত সেই বাগানওয়ালাকে সাহায্য করার মতো কোনো দল ছিল না।

আল-কাহফ, ১৮:৪৩
وَلَمْ تَكُنْ لَهُ فِئَةٌ يَنْصُرُونَهُ مِنْ دُونِ اللَّهِ وَمَا كَانَ مُنْتَصِرًا ﴿٤٣﴾
আর আল্লাহ ছাড়া তাকে সাহায্য করার কোন দলবলও ছিল না, আর সে নিজেও এর মোকাবিলা করতে পারল না। [তাইসিরুল কুরআন]

কিয়ামতের দিন আল্লাহ মুশরিকদেরকে তাদের দাবিকৃত শরীকদের ডাকতে বলবেন।

আল-কাহফ, ১৮:৫২
وَيَوْمَ يَقُولُ نَادُوا شُرَكَائِيَ الَّذِينَ زَعَمْتُمْ فَدَعَوْهُمْ فَلَمْ يَسْتَجِيبُوا لَهُمْ وَجَعَلْنَا بَيْنَهُمْ مَوْبِقًا ﴿٥٢﴾
সেদিন তিনি বলবেন, ‘তোমরা যাদেরকে আমার শরীক মনে করতে তাদেরকে ডাক।’ তখন তারা তাদেরকে ডাকবে, কিন্তু তারা তাদের ডাকে সাড়া দেবে না। আর আমি উভয় দলের মাঝে রেখে দেব এক ধ্বংস-গহ্বর। [তাইসিরুল কুরআন]

কিন্তু সেই শরীকরা মুশরিকদের ডাকে সাড়া দেবে না।

আল-কাহফ, ১৮:৫২
وَيَوْمَ يَقُولُ نَادُوا شُرَكَائِيَ الَّذِينَ زَعَمْتُمْ فَدَعَوْهُمْ فَلَمْ يَسْتَجِيبُوا لَهُمْ وَجَعَلْنَا بَيْنَهُمْ مَوْبِقًا ﴿٥٢﴾
সেদিন তিনি বলবেন, ‘তোমরা যাদেরকে আমার শরীক মনে করতে তাদেরকে ডাক।’ তখন তারা তাদেরকে ডাকবে, কিন্তু তারা তাদের ডাকে সাড়া দেবে না। আর আমি উভয় দলের মাঝে রেখে দেব এক ধ্বংস-গহ্বর। [তাইসিরুল কুরআন]

নাকি মুশরিকরা পৃথিবী থেকে কোনো উপাস্য গ্রহণ করেছে?

আল-আম্বিয়া, ২১:২১
أَمِ اتَّخَذُوا آلِهَةً مِنَ الْأَرْضِ هُمْ يُنْشِرُونَ ﴿٢١﴾
তারা (অর্থাৎ মুশরিকরা) মাটি থেকে (তৈরী) যে সব দেবতা গ্রহণ করেছে তারা কি (মৃতদেরকে) জীবিত করতে সক্ষম? [তাইসিরুল কুরআন]

মুশরিকদের গৃহীত উপাস্যরা কি মৃতকে পুনরুজ্জীবিত করতে পারে?

আল-আম্বিয়া, ২১:২১
أَمِ اتَّخَذُوا آلِهَةً مِنَ الْأَرْضِ هُمْ يُنْشِرُونَ ﴿٢١﴾
তারা (অর্থাৎ মুশরিকরা) মাটি থেকে (তৈরী) যে সব দেবতা গ্রহণ করেছে তারা কি (মৃতদেরকে) জীবিত করতে সক্ষম? [তাইসিরুল কুরআন]

তোমরা আল্লাহর পরিবর্তে যাদেরকে ডাকো, তারা সকলে একত্রিত হলেও কখনো একটি মাছিও সৃষ্টি করতে পারবে না।

আল-হজ্জ, ২২:৭৩
يَا أَيُّهَا النَّاسُ ضُرِبَ مَثَلٌ فَاسْتَمِعُوا لَهُ إِنَّ الَّذِينَ تَدْعُونَ مِنْ دُونِ اللَّهِ لَنْ يَخْلُقُوا ذُبَابًا وَلَوِ اجْتَمَعُوا لَهُ وَإِنْ يَسْلُبْهُمُ الذُّبَابُ شَيْئًا لَا يَسْتَنْقِذُوهُ مِنْهُ ضَعُفَ الطَّالِبُ وَالْمَطْلُوبُ ﴿٧٣﴾
হে মানুষ! একটা দৃষ্টান্ত পেশ করা হচ্ছে, সেটা মনোযোগ দিয়ে শোন। আল্লাহর পরিবর্তে তোমরা যাদেরকে ডাক তারা কক্ষনো একটা মাছিও সৃষ্টি করতে পারে না, এজন্য তারা সবাই একত্রিত হলেও। আর মাছি যদি তাদের কাছ থেকে কিছু ছিনিয়ে নিয়ে যায়, তারা তার থেকে তা উদ্ধারও করতে পারে না, প্রার্থনাকারী আর যার কাছে প্রার্থনা করা হয় উভয়েই দুর্বল। [তাইসিরুল কুরআন]

যদি মাছি সেই উপাস্যদের কাছ থেকে কোনো কিছু ছিনিয়ে নিয়ে যায়, তবে তারা তা উদ্ধার করতে পারে না।

আল-হজ্জ, ২২:৭৩
يَا أَيُّهَا النَّاسُ ضُرِبَ مَثَلٌ فَاسْتَمِعُوا لَهُ إِنَّ الَّذِينَ تَدْعُونَ مِنْ دُونِ اللَّهِ لَنْ يَخْلُقُوا ذُبَابًا وَلَوِ اجْتَمَعُوا لَهُ وَإِنْ يَسْلُبْهُمُ الذُّبَابُ شَيْئًا لَا يَسْتَنْقِذُوهُ مِنْهُ ضَعُفَ الطَّالِبُ وَالْمَطْلُوبُ ﴿٧٣﴾
হে মানুষ! একটা দৃষ্টান্ত পেশ করা হচ্ছে, সেটা মনোযোগ দিয়ে শোন। আল্লাহর পরিবর্তে তোমরা যাদেরকে ডাক তারা কক্ষনো একটা মাছিও সৃষ্টি করতে পারে না, এজন্য তারা সবাই একত্রিত হলেও। আর মাছি যদি তাদের কাছ থেকে কিছু ছিনিয়ে নিয়ে যায়, তারা তার থেকে তা উদ্ধারও করতে পারে না, প্রার্থনাকারী আর যার কাছে প্রার্থনা করা হয় উভয়েই দুর্বল। [তাইসিরুল কুরআন]

প্রার্থনাকারী (উপাসক) এবং প্রার্থিত (উপাস্য) উভয়ই দুর্বল।

আল-হজ্জ, ২২:৭৩
يَا أَيُّهَا النَّاسُ ضُرِبَ مَثَلٌ فَاسْتَمِعُوا لَهُ إِنَّ الَّذِينَ تَدْعُونَ مِنْ دُونِ اللَّهِ لَنْ يَخْلُقُوا ذُبَابًا وَلَوِ اجْتَمَعُوا لَهُ وَإِنْ يَسْلُبْهُمُ الذُّبَابُ شَيْئًا لَا يَسْتَنْقِذُوهُ مِنْهُ ضَعُفَ الطَّالِبُ وَالْمَطْلُوبُ ﴿٧٣﴾
হে মানুষ! একটা দৃষ্টান্ত পেশ করা হচ্ছে, সেটা মনোযোগ দিয়ে শোন। আল্লাহর পরিবর্তে তোমরা যাদেরকে ডাক তারা কক্ষনো একটা মাছিও সৃষ্টি করতে পারে না, এজন্য তারা সবাই একত্রিত হলেও। আর মাছি যদি তাদের কাছ থেকে কিছু ছিনিয়ে নিয়ে যায়, তারা তার থেকে তা উদ্ধারও করতে পারে না, প্রার্থনাকারী আর যার কাছে প্রার্থনা করা হয় উভয়েই দুর্বল। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ ছাড়া কল্পিত উপাস্যরা আসমানসমূহ ও যমিনের অণু পরিমাণ কিছুরও মালিক নয়।

সাবা, ৩৪:২২
قُلِ ادْعُوا الَّذِينَ زَعَمْتُمْ مِنْ دُونِ اللَّهِ لَا يَمْلِكُونَ مِثْقَالَ ذَرَّةٍ فِي السَّمَاوَاتِ وَلَا فِي الْأَرْضِ وَمَا لَهُمْ فِيهِمَا مِنْ شِرْكٍ وَمَا لَهُ مِنْهُمْ مِنْ ظَهِيرٍ ﴿٢٢﴾
বল, আল্লাহর পরিবর্তে তোমরা যাদেরকে (ইলাহ) মনে করতে তাদেরকে ডাক। তারা আসমান ও যমীনে অণু পরিমাণও কোন কিছুর মালিক নয়। এ দু’য়ে তাদের এতটুকু অংশ নেই, আর তাদের কেউ আল্লাহর সাহায্যকারীও নয়। [তাইসিরুল কুরআন]

ঐ কল্পিত উপাস্যদের কেউই আল্লাহর সাহায্যকারী নয়।

সাবা, ৩৪:২২
قُلِ ادْعُوا الَّذِينَ زَعَمْتُمْ مِنْ دُونِ اللَّهِ لَا يَمْلِكُونَ مِثْقَالَ ذَرَّةٍ فِي السَّمَاوَاتِ وَلَا فِي الْأَرْضِ وَمَا لَهُمْ فِيهِمَا مِنْ شِرْكٍ وَمَا لَهُ مِنْهُمْ مِنْ ظَهِيرٍ ﴿٢٢﴾
বল, আল্লাহর পরিবর্তে তোমরা যাদেরকে (ইলাহ) মনে করতে তাদেরকে ডাক। তারা আসমান ও যমীনে অণু পরিমাণও কোন কিছুর মালিক নয়। এ দু’য়ে তাদের এতটুকু অংশ নেই, আর তাদের কেউ আল্লাহর সাহায্যকারীও নয়। [তাইসিরুল কুরআন]

হে মুশরিকরা, নিশ্চয়ই তোমরা এবং তোমাদের উপাস্যরা একই পক্ষভুক্ত।

আস-সাফফাত, ৩৭:১৬১
فَإِنَّكُمْ وَمَا تَعْبُدُونَ ﴿١٦١﴾
তোমরা আর তোমরা যাদের ‘ইবাদাত কর তারা [তাইসিরুল কুরআন]

মুশরিকদের গৃহীত সুপারিশকারীরা কোনো কিছুরই মালিক নয়।

আয-যুমার, ৩৯:৪৩
أَمِ اتَّخَذُوا مِنْ دُونِ اللَّهِ شُفَعَاءَ قُلْ أَوَلَوْ كَانُوا لَا يَمْلِكُونَ شَيْئًا وَلَا يَعْقِلُونَ ﴿٤٣﴾
তারা কি আল্লাহকে ছাড়া (অন্যদেরকে নিজেদের মুক্তির জন্য) সুপারিশকারী বানিয়ে নিয়েছে? বল- তারা কোন কিছুর মালিক না হওয়া সত্ত্বেও, আর তারা না বুঝলেও? [তাইসিরুল কুরআন]

মুশরিকদের গৃহীত সুপারিশকারীদের কোনো বোধশক্তি বা জ্ঞান নেই।

আয-যুমার, ৩৯:৪৩
أَمِ اتَّخَذُوا مِنْ دُونِ اللَّهِ شُفَعَاءَ قُلْ أَوَلَوْ كَانُوا لَا يَمْلِكُونَ شَيْئًا وَلَا يَعْقِلُونَ ﴿٤٣﴾
তারা কি আল্লাহকে ছাড়া (অন্যদেরকে নিজেদের মুক্তির জন্য) সুপারিশকারী বানিয়ে নিয়েছে? বল- তারা কোন কিছুর মালিক না হওয়া সত্ত্বেও, আর তারা না বুঝলেও? [তাইসিরুল কুরআন]

মুশরিকদের উপাস্য মূর্তিগুলো কেবল তাদের ও তাদের পূর্বপুরুষদের দেওয়া কিছু নাম মাত্র।

আন-নাজম, ৫৩:২৩
إِنْ هِيَ إِلَّا أَسْمَاءٌ سَمَّيْتُمُوهَا أَنْتُمْ وَآبَاؤُكُمْ مَا أَنْزَلَ اللَّهُ بِهَا مِنْ سُلْطَانٍ إِنْ يَتَّبِعُونَ إِلَّا الظَّنَّ وَمَا تَهْوَى الْأَنْفُسُ وَلَقَدْ جَاءَهُمْ مِنْ رَبِّهِمُ الْهُدَى ﴿٢٣﴾
এগুলো তো কেবল কতকগুলো নাম যে নাম তোমরা আর তোমাদের পিতৃ পৃরুষরা রেখেছ, এর পক্ষে আল্লাহ কোন প্রমাণ অবতীর্ণ করেননি। তারা তো শুধু অনুমান আর প্রবৃত্তিরই অনুসরণ করে, যদিও তাদের কাছে তাদের প্রতিপালকের পক্ষ থেকে পথ নির্দেশ এসেছে। [তাইসিরুল কুরআন]

মুশরিকদের আরোপিত সেই সত্তা তর্ক-বিতর্কের সময় সুস্পষ্টভাবে কথা বলতে পারে না।

আয-যুখরুফ, ৪৩:১৮
أَوَمَنْ يُنَشَّأُ فِي الْحِلْيَةِ وَهُوَ فِي الْخِصَامِ غَيْرُ مُبِينٍ ﴿١٨﴾
তারা কি আল্লাহর জন্য নির্ধারিত করে এমন সন্তান যে অলংকারে লালিত পালিত হয়, আর বিতর্ককালে বক্তব্যকে স্পষ্ট করতে অসমর্থ? [তাইসিরুল কুরআন]

মুশরিকরা ও তাদের উপাস্যরা কেবল সেই ব্যক্তিকে পথভ্রষ্ট করতে পারে, যে জাহান্নামে দগ্ধ হবে।

আস-সাফফাত, ৩৭:১৬৩
إِلَّا مَنْ هُوَ صَالِ الْجَحِيمِ ﴿١٦٣﴾
পারবে কেবল তাকে, যে জ্বলন্ত আগুনে প্রবেশকারী। [তাইসিরুল কুরআন]
ফন্ট সাইজ
15px
17px