বিষয়ভিত্তিক কুরআন > আল্লাহর সাথে কারো অংশীদারিত্ব নেই
আল্লাহর কোন সন্তান নেই:
আল-বাকারা, ২:১১৬ ⋮
وَقَالُوا اتَّخَذَ اللَّهُ وَلَدًا سُبْحَانَهُ بَلْ لَهُ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ كُلٌّ لَهُ قَانِتُونَ ﴿١١٦﴾
তারা বলে যে, আল্লাহ সন্তান গ্রহণ করেছেন, তিনি অতি পবিত্র, বরং যা কিছু আকাশসমূহে এবং ভূ-মন্ডলে আছে সমস্তই তাঁর, সকলই তাঁর অনুগত। [তাইসিরুল কুরআন]
মারইয়াম, ১৯:৮৮ ⋮
وَقَالُوا اتَّخَذَ الرَّحْمَنُ وَلَدًا ﴿٨٨﴾
তারা বলে, ‘দয়াময় সন্তান গ্রহণ করেছেন।’ [তাইসিরুল কুরআন]
মারইয়াম, ১৯:৮৯ ⋮
لَقَدْ جِئْتُمْ شَيْئًا إِدًّا ﴿٨٩﴾
(এমন কথা ব’লে) তোমরা তো এক ভয়ানক বিষয়ের অবতারণা করেছ। [তাইসিরুল কুরআন]
মারইয়াম, ১৯:৯০ ⋮
تَكَادُ السَّمَاوَاتُ يَتَفَطَّرْنَ مِنْهُ وَتَنْشَقُّ الْأَرْضُ وَتَخِرُّ الْجِبَالُ هَدًّا ﴿٩٠﴾
যাতে আকাশ বিদীর্ণ হওয়ার, পৃথিবী খন্ড খন্ড হওয়ার আর পর্বতমালা চূর্ণ বিচূর্ণ হয়ে পতিত হওয়ার, উপক্রম হয়েছে। [তাইসিরুল কুরআন]
ইয়াহুদি ও খ্রিস্টানরা আল্লাহর পুত্র সাব্যস্ত করে:
আত-তাওবা, ৯:৩০ ⋮
وَقَالَتِ الْيَهُودُ عُزَيْرٌ ابْنُ اللَّهِ وَقَالَتِ النَّصَارَى الْمَسِيحُ ابْنُ اللَّهِ ذَلِكَ قَوْلُهُمْ بِأَفْوَاهِهِمْ يُضَاهِئُونَ قَوْلَ الَّذِينَ كَفَرُوا مِنْ قَبْلُ قَاتَلَهُمُ اللَّهُ أَنَّى يُؤْفَكُونَ ﴿٣٠﴾
ইয়াহূদীরা বলে, ‘উযায়র আল্লাহর পুত্র। আর নাসারারা বলে, ‘মাসীহ আল্লাহর পুত্র। এসব তাদের মুখের কথা। এতে তারা তাদের পূর্বেকার কাফিরদের কথারই অনুকরণ করে। আল্লাহ তাদেরকে ধ্বংস করুন! কেমনভাবে তারা সত্য পথ থেকে দূরে ছিটকে পড়েছে। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহর সন্তান আছে- এটা তাদের মনগড়া দাবী:
আস-সাফফাত, ৩৭:১৫১ ⋮
أَلَا إِنَّهُمْ مِنْ إِفْكِهِمْ لَيَقُولُونَ ﴿١٥١﴾
দেখ, তারা অবশ্যই তাদের মন-গড়া কথা বলে যে, [তাইসিরুল কুরআন]
আস-সাফফাত, ৩৭:১৫২ ⋮
وَلَدَ اللَّهُ وَإِنَّهُمْ لَكَاذِبُونَ ﴿١٥٢﴾
আল্লাহ সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। তারা অবশ্যই মিথ্যেবাদী। [তাইসিরুল কুরআন]
এর কোন দলীল নেই:
ইউনুস, ১০:৬৮ ⋮
قَالُوا اتَّخَذَ اللَّهُ وَلَدًا سُبْحَانَهُ هُوَ الْغَنِيُّ لَهُ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَمَا فِي الْأَرْضِ إِنْ عِنْدَكُمْ مِنْ سُلْطَانٍ بِهَذَا أَتَقُولُونَ عَلَى اللَّهِ مَا لَا تَعْلَمُونَ ﴿٦٨﴾
ওরা বলে-‘‘আল্লাহ পুত্র গ্রহণ করেছেন’’। মহান পবিত্র তিনি, তিনি কারো মুখাপেক্ষী নন, আসমানসমূহে ও যমীনে যা আছে সবই তাঁর মালিকানাধীন, (আল্লাহ পুত্র গ্রহণ করেছেন) এ ব্যাপারে তোমাদের কাছে কোন প্রমাণ নেই, তাহলে তোমরা কি আল্লাহ সম্পর্কে এমন কথা বলছ যে বিষয়ে তোমাদের কোনই জ্ঞান নেই? [তাইসিরুল কুরআন]
মুশরিকরা ফেরেশত আল্লাহর রেশতাদেরকে অ কন্যা সাব্যস্ত করে:
আল-ইসরা, ১৭:৪০ ⋮
أَفَأَصْفَاكُمْ رَبُّكُمْ بِالْبَنِينَ وَاتَّخَذَ مِنَ الْمَلَائِكَةِ إِنَاثًا إِنَّكُمْ لَتَقُولُونَ قَوْلًا عَظِيمًا ﴿٤٠﴾
তাহলে কি (হে কাফিরগণ!) তোমাদের জন্য তোমাদের প্রতিপালক সন্তান নির্বাচিত করেছেন, আর নিজের জন্য ফেরেশতাদের মধ্য হতে কন্যা গ্রহণ করেছেন? বাস্তবিকই তোমরা বড় ভয়ানক কথা বলছো। [তাইসিরুল কুরআন]
আয-যুখরুফ, ৪৩:১৯ ⋮
وَجَعَلُوا الْمَلَائِكَةَ الَّذِينَ هُمْ عِبَادُ الرَّحْمَنِ إِنَاثًا أَشَهِدُوا خَلْقَهُمْ سَتُكْتَبُ شَهَادَتُهُمْ وَيُسْأَلُونَ ﴿١٩﴾
তারা দয়াময়ের বান্দাহ্ ফেরেশতাদেরকে নারী গণ্য করে। তারা কি ফেরেশতাদেরকে সৃষ্টি সরাসরি দেখেছে? তাদের সাক্ষ্য লিখে রাখা হবে এবং তারা জিজ্ঞাসিত হবে। [তাইসিরুল কুরআন]
এটা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক বণ্টন:
আস-সাফফাত, ৩৭:১৫৩ ⋮
أَصْطَفَى الْبَنَاتِ عَلَى الْبَنِينَ ﴿١٥٣﴾
তিনি কি পুত্রদের চেয়ে কন্যাদেরকেই বেশি পছন্দ করেছেন? [তাইসিরুল কুরআন]
আস-সাফফাত, ৩৭:১৫৪ ⋮
مَا لَكُمْ كَيْفَ تَحْكُمُونَ ﴿١٥٤﴾
তোমাদের কী হয়েছে, তোমরা কেমন ফয়সালা করছ? [তাইসিরুল কুরআন]
আন-নাজম, ৫৩:২১ ⋮
أَلَكُمُ الذَّكَرُ وَلَهُ الْأُنْثَى ﴿٢١﴾
কী! তোমাদের জন্য পুত্র সন্তান আর আল্লাহর জন্য কন্যা সন্তান? [তাইসিরুল কুরআন]
আন-নাজম, ৫৩:২২ ⋮
تِلْكَ إِذًا قِسْمَةٌ ضِيزَى ﴿٢٢﴾
তাহলে এটাতো খুবই অসঙ্গত ভাগ-বাঁটোয়ারা। [তাইসিরুল কুরআন]
তারা নিজেরাই কন্যাসন্তান পছন্দ করে না:
আন-নাহাল, ১৬:৫৮ ⋮
وَإِذَا بُشِّرَ أَحَدُهُمْ بِالْأُنْثَى ظَلَّ وَجْهُهُ مُسْوَدًّا وَهُوَ كَظِيمٌ ﴿٥٨﴾
তাদের কাউকে যখন কন্যা সন্তানের সুসংবাদ দেয়া হয়, তখন তার মুখ কালো হয়ে যায় আর সে অন্তর্জ্বালায় পুড়তে থাকে। [তাইসিরুল কুরআন]
আন-নাহাল, ১৬:৫৯ ⋮
يَتَوَارَى مِنَ الْقَوْمِ مِنْ سُوءِ مَا بُشِّرَ بِهِ أَيُمْسِكُهُ عَلَى هُونٍ أَمْ يَدُسُّهُ فِي التُّرَابِ أَلَا سَاءَ مَا يَحْكُمُونَ ﴿٥٩﴾
লজ্জায় সে মানুষ থেকে মুখ লুকায় খারাপ সংবাদ পাওয়ার কারণে। সে চিন্তা করে যে অপমান মাথায় করে তাকে রেখে দেবে, না তাকে মাটিতে পুঁতে ফেলবে। হায়, তারা যা সিদ্ধান্ত করে তা কতই না জঘন্য! [তাইসিরুল কুরআন]
সন্তান সন্তান গ্রহণ করা আল্লাহর কাজ নয়:
মারইয়াম, ১৯:৩৫ ⋮
مَا كَانَ لِلَّهِ أَنْ يَتَّخِذَ مِنْ وَلَدٍ سُبْحَانَهُ إِذَا قَضَى أَمْرًا فَإِنَّمَا يَقُولُ لَهُ كُنْ فَيَكُونُ ﴿٣٥﴾
সন্তান গ্রহণ করা আল্লাহর কাজ নয়, তিনি পবিত্র, মহান; যখন তিনি কিছু করার সিদ্ধান্ত করেন তখন তার জন্য শুধু বলেন, ‘হয়ে যাও’, আর তা হয়ে যায়। [তাইসিরুল কুরআন]
মারইয়াম, ১৯:৯২ ⋮
وَمَا يَنْبَغِي لِلرَّحْمَنِ أَنْ يَتَّخِذَ وَلَدًا ﴿٩٢﴾
অথচ দয়াময়ের মহান মর্যাদার জন্য এটা শোভনীয় নয় যে, তিনি সন্তান গ্রহণ করবেন। [তাইসিরুল কুরআন]
মুশরিকরা আল্লাহর জন্য কন্যা সন্তান নির্ধারণ করে।
আন-নাহাল, ১৬:৫৭ ⋮
وَيَجْعَلُونَ لِلَّهِ الْبَنَاتِ سُبْحَانَهُ وَلَهُمْ مَا يَشْتَهُونَ ﴿٥٧﴾
আর তারা কন্যা সন্তানগুলোকে আল্লাহর জন্য নির্ধারিত করে, তিনি (তাত্থেকে) পবিত্র মহান, আর তারা নিজেদের জন্য (নির্ধারিত করে) যা তাদের আকাঙ্ক্ষা হয়। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ তাদের এহেন ধারণা থেকে পবিত্র ও মহিমান্বিত।
আন-নাহাল, ১৬:৫৭ ⋮
وَيَجْعَلُونَ لِلَّهِ الْبَنَاتِ سُبْحَانَهُ وَلَهُمْ مَا يَشْتَهُونَ ﴿٥٧﴾
আর তারা কন্যা সন্তানগুলোকে আল্লাহর জন্য নির্ধারিত করে, তিনি (তাত্থেকে) পবিত্র মহান, আর তারা নিজেদের জন্য (নির্ধারিত করে) যা তাদের আকাঙ্ক্ষা হয়। [তাইসিরুল কুরআন]
যারা বলে 'আল্লাহ সন্তান গ্রহণ করেছেন', আল্লাহ তাদের সতর্ক করেন।
আল-কাহফ, ১৮:৪ ⋮
وَيُنْذِرَ الَّذِينَ قَالُوا اتَّخَذَ اللَّهُ وَلَدًا ﴿٤﴾
আর তাদেরকে সতর্ক করার জন্য যারা বলে, ‘আল্লাহ পুত্র গ্রহণ করেছেন।’ [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহর সন্তান থাকার বিষয়ে তাদের (কাফিরদের) কোনো জ্ঞান নেই।
আল-কাহফ, ১৮:৫ ⋮
مَا لَهُمْ بِهِ مِنْ عِلْمٍ وَلَا لِآبَائِهِمْ كَبُرَتْ كَلِمَةً تَخْرُجُ مِنْ أَفْوَاهِهِمْ إِنْ يَقُولُونَ إِلَّا كَذِبًا ﴿٥﴾
এ সম্পর্কে তাদের কোন জ্ঞান নেই, আর তাদের পিতৃ-পুরুষদেরও ছিল না। তাদের মুখ থেকে বের হয় বড়ই সাংঘাতিক কথা। তারা যা বলে তা মিথ্যে ছাড়া কিছুই নয়। [তাইসিরুল কুরআন]
কাফিররা বলে যে, পরম করুণাময় আল্লাহ সন্তান গ্রহণ করেছেন।
আল-আম্বিয়া, ২১:২৬ ⋮
وَقَالُوا اتَّخَذَ الرَّحْمَنُ وَلَدًا سُبْحَانَهُ بَلْ عِبَادٌ مُكْرَمُونَ ﴿٢٦﴾
তারা বলে, ‘দয়াময় সন্তান গ্রহণ করেছেন’, তিনি এসব থেকে মহা পবিত্র। তারা হল তাঁর বান্দাহ যাদেরকে সম্মানে উন্নীত করা হয়েছে। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ সন্তান গ্রহণের (মতো শিরকি) ধারণা থেকে পবিত্র ও মহিমান্বিত।
আল-আম্বিয়া, ২১:২৬ ⋮
وَقَالُوا اتَّخَذَ الرَّحْمَنُ وَلَدًا سُبْحَانَهُ بَلْ عِبَادٌ مُكْرَمُونَ ﴿٢٦﴾
তারা বলে, ‘দয়াময় সন্তান গ্রহণ করেছেন’, তিনি এসব থেকে মহা পবিত্র। তারা হল তাঁর বান্দাহ যাদেরকে সম্মানে উন্নীত করা হয়েছে। [তাইসিরুল কুরআন]
নাকি আল্লাহর জন্য রয়েছে কন্যাসন্তান?
আত-তূর, ৫২:৩৯ ⋮
أَمْ لَهُ الْبَنَاتُ وَلَكُمُ الْبْنُونَ ﴿٣٩﴾
নাকি আল্লাহর জন্য কন্যা সন্তান, আর তোমাদের জন্য পুত্র সন্তান? [তাইসিরুল কুরআন]
আর মুশরিকদের জন্য রয়েছে পুত্রসন্তান?
আত-তূর, ৫২:৩৯ ⋮
أَمْ لَهُ الْبَنَاتُ وَلَكُمُ الْبْنُونَ ﴿٣٩﴾
নাকি আল্লাহর জন্য কন্যা সন্তান, আর তোমাদের জন্য পুত্র সন্তান? [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ কি তাঁর সৃষ্টি থেকে নিজের জন্য কন্যা সন্তান গ্রহণ করেছেন?
আয-যুখরুফ, ৪৩:১৬ ⋮
أَمِ اتَّخَذَ مِمَّا يَخْلُقُ بَنَاتٍ وَأَصْفَاكُمْ بِالْبَنِينَ ﴿١٦﴾
কি! তিনি তাঁরই সৃষ্টি হতে কন্যা সন্তান গ্রহণ করেছেন আর তোমাদের জন্য মনোনীত করেছেন পুত্র সন্তান? [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ কি তোমাদেরকে পুত্র সন্তান দিয়ে বিশেষভাবে নির্বাচিত করেছেন?
আয-যুখরুফ, ৪৩:১৬ ⋮
أَمِ اتَّخَذَ مِمَّا يَخْلُقُ بَنَاتٍ وَأَصْفَاكُمْ بِالْبَنِينَ ﴿١٦﴾
কি! তিনি তাঁরই সৃষ্টি হতে কন্যা সন্তান গ্রহণ করেছেন আর তোমাদের জন্য মনোনীত করেছেন পুত্র সন্তান? [তাইসিরুল কুরআন]