বিষয়ভিত্তিক কুরআন > কুফরী করার পরিণাম

কাফিররা সবচেয়ে নিকৃষ্ট প্রাণী:

আল-আনফাল, ৮:৫৫
إِنَّ شَرَّ الدَّوَابِّ عِنْدَ اللَّهِ الَّذِينَ كَفَرُوا فَهُمْ لَا يُؤْمِنُونَ ﴿٥٥﴾
যারা কুফরী করে আল্লাহর নিকট তারাই নিকৃষ্টতম জীব, অতঃপর আর তারা ঈমান আনবে না। [তাইসিরুল কুরআন]

তাদেরকে ক্ষমা করা হবে না:

মুহাম্মাদ, ৪৭:৩৪
إِنَّ الَّذِينَ كَفَرُوا وَصَدُّوا عَنْ سَبِيلِ اللَّهِ ثُمَّ مَاتُوا وَهُمْ كُفَّارٌ فَلَنْ يَغْفِرَ اللَّهُ لَهُمْ ﴿٣٤﴾
যারা কুফরী করে আর (মানুষকে) আল্লাহর পথে চলতে বাধা দেয় আর এভাবে কাফির অবস্থাতেই মৃত্যুবরণ করে, আল্লাহ তাদেরকে কক্ষনো ক্ষমা করবেন না। [তাইসিরুল কুরআন]

উপদেশ তাদের কোন কাজে আসে না:

ইয়াসীন, ৩৬:১০
وَسَوَاءٌ عَلَيْهِمْ أَأَنْذَرْتَهُمْ أَمْ لَمْ تُنْذِرْهُمْ لَا يُؤْمِنُونَ ﴿١٠﴾
তুমি তাদেরকে সতর্ক কর আর না কর, তাদের কাছে দু’টোই সমান, তারা ঈমান আনবে না। [তাইসিরুল কুরআন]

তারা ক্ষতিগ্রস্ত হবে:

আল-আনকাবূত, ২৯:৫২
قُلْ كَفَى بِاللَّهِ بَيْنِي وَبَيْنَكُمْ شَهِيدًا يَعْلَمُ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ وَالَّذِينَ آمَنُوا بِالْبَاطِلِ وَكَفَرُوا بِاللَّهِ أُولَئِكَ هُمُ الْخَاسِرُونَ ﴿٥٢﴾
বল, আমার আর তোমাদের মাঝে সাক্ষী হিসেবে আল্লাহ্ই যথেষ্ট, আসমানসমূহ আর যমীনে যা আছে তা তিনি জানেন। আর যারা মিথ্যায় বিশ্বাস করে এবং আল্লাহকে অস্বীকার করে তারাই হল ক্ষতিগ্রস্ত। [তাইসিরুল কুরআন]
আয-যুমার, ৩৯:৬৩
لَهُ مَقَالِيدُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ وَالَّذِينَ كَفَرُوا بِآيَاتِ اللَّهِ أُولَئِكَ هُمُ الْخَاسِرُونَ ﴿٦٣﴾
আসমান আর যমীনের কুঞ্জি তাঁরই হাতে, আর যারা আল্লাহর নিদর্শনগুলোকে অস্বীকার করে, তারাই তো ক্ষতিগ্রস্ত। [তাইসিরুল কুরআন]

যারা আল্লাহর তাদের আমল নষ্ট হয়ে যাবে:

আল-মায়েদা, ৫:৫
الْيَوْمَ أُحِلَّ لَكُمُ الطَّيِّبَاتُ وَطَعَامُ الَّذِينَ أُوتُوا الْكِتَابَ حِلٌّ لَكُمْ وَطَعَامُكُمْ حِلٌّ لَهُمْ وَالْمُحْصَنَاتُ مِنَ الْمُؤْمِنَاتِ وَالْمُحْصَنَاتُ مِنَ الَّذِينَ أُوتُوا الْكِتَابَ مِنْ قَبْلِكُمْ إِذَا آتَيْتُمُوهُنَّ أُجُورَهُنَّ مُحْصِنِينَ غَيْرَ مُسَافِحِينَ وَلَا مُتَّخِذِي أَخْدَانٍ وَمَنْ يَكْفُرْ بِالْإِيمَانِ فَقَدْ حَبِطَ عَمَلُهُ وَهُوَ فِي الْآخِرَةِ مِنَ الْخَاسِرِينَ ﴿٥﴾
আজ তোমাদের জন্য যাবতীয় ভাল ও পবিত্র বস্তু হালাল করা হল আর যাদেরকে কিতাব দেয়া হয়েছে তাদের খাদ্য তোমাদের জন্য হালাল, আর তোমাদের খাদ্য তাদের জন্য হালাল, সচ্চরিত্রা মু’মিন নারী এবং তোমাদের পূর্বে যাদেরকে কিতাব দেয়া হয়েছে তাদের সচ্চরিত্রা নারী তোমাদের জন্য হালাল করা হল যখন তোমরা তাদেরকে মোহরানা প্রদান কর, বিবাহের দূর্গে স্থান দানের উদ্দেশ্যে, ব্যভিচারী হিসেবে নয় এবং গোপন সঙ্গী গ্রহণকারী হিসেবে নয়। কেউ ঈমান অমান্য করলে, তার কার্যাদি নিষ্ফল হবে। আর সে আখেরাতে ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হবে। [তাইসিরুল কুরআন]

কাফিররা সফল হতে পারবে না:

আল-কাসাস, ২৮:৮২
وَأَصْبَحَ الَّذِينَ تَمَنَّوْا مَكَانَهُ بِالْأَمْسِ يَقُولُونَ وَيْكَأَنَّ اللَّهَ يَبْسُطُ الرِّزْقَ لِمَنْ يَشَاءُ مِنْ عِبَادِهِ وَيَقْدِرُ لَوْلَا أَنْ مَنَّ اللَّهُ عَلَيْنَا لَخَسَفَ بِنَا وَيْكَأَنَّهُ لَا يُفْلِحُ الْكَافِرُونَ ﴿٨٢﴾
গতকাল যারা তার মর্যাদার ন্যায় কামনা করেছিল তারা সকলে বলতে লাগল, ‘হায়, আল্লাহ তাঁর বান্দাদের যার জন্য ইচ্ছে রিযক বর্ধিত করেন আর যার জন্য ইচ্ছে হ্রাস করেন। আল্লাহ যদি আমাদের প্রতি অনুগ্রহ না করতেন তবে তিনি আমাদেরকেও ভূগর্ভে প্রোথিত করে দিতেন। হায়! অবিশ্বাসীরা সাফল্যমন্ডিত হয় না। [তাইসিরুল কুরআন]

তাদের কোন সাহায্যকারী নেই:

মুহাম্মাদ, ৪৭:১১
ذَلِكَ بِأَنَّ اللَّهَ مَوْلَى الَّذِينَ آمَنُوا وَأَنَّ الْكَافِرِينَ لَا مَوْلَى لَهُمْ ﴿١١﴾
এর কারণ এই যে, যারা ঈমান আনে আল্লাহ তাদের অভিভাবক আর কাফিরদের কোন অভিভাবক নেই। [তাইসিরুল কুরআন]

মৃত্যুর সময় তাদের অবস্থা হবে ভয়াবহ:

আল-আনফাল, ৮:৫০
وَلَوْ تَرَى إِذْ يَتَوَفَّى الَّذِينَ كَفَرُوا الْمَلَائِكَةُ يَضْرِبُونَ وُجُوهَهُمْ وَأَدْبَارَهُمْ وَذُوقُوا عَذَابَ الْحَرِيقِ ﴿٥٠﴾
তুমি যদি দেখতে যখন ফেরেশতারা কাফিরদের প্রাণবায়ু নির্গত করছে তখন তাদের মুখে আর পিঠে প্রহার করছে আর বলছে অগ্নিতে দগ্ধ হওয়ার যন্ত্রণা ভোগ কর। [তাইসিরুল কুরআন]

কিয়ামতের দিন তাদের চেহারা মলিন হয়ে যাবে:

আলে-ইমরান, ৩:১০৬
يَوْمَ تَبْيَضُّ وُجُوهٌ وَتَسْوَدُّ وُجُوهٌ فَأَمَّا الَّذِينَ اسْوَدَّتْ وُجُوهُهُمْ أَكَفَرْتُمْ بَعْدَ إِيمَانِكُمْ فَذُوقُوا الْعَذَابَ بِمَا كُنْتُمْ تَكْفُرُونَ ﴿١٠٦﴾
সে দিন কতক মুখ উজ্জ্বল হবে আর কতক মুখ কালো হবে, যাদের মুখ কালো হবে, (তাদেরকে বলা হবে), তোমরা কি ঈমান আনার পরও কুফরী করেছিলে? কাজেই নিজেদের কুফরীর জন্য শাস্তি ভোগ করতে থাক। [তাইসিরুল কুরআন]

তাদের উপর আল্লাহর লানত পতিত হবে:

আল-আহযাব, ৩৩:৬৪
إِنَّ اللَّهَ لَعَنَ الْكَافِرِينَ وَأَعَدَّ لَهُمْ سَعِيرًا ﴿٦٤﴾
আল্লাহ কাফিরদেরকে অভিশাপ দিয়েছেন আর তাদের জন্য জ্বলন্ত অগ্নি প্রস্তুত রেখেছেন। [তাইসিরুল কুরআন]

এমনকি সকল সৃষ্টির লানত পড়বে:

আল-বাকারা, ২:১৬১
إِنَّ الَّذِينَ كَفَرُوا وَمَاتُوا وَهُمْ كُفَّارٌ أُولَئِكَ عَلَيْهِمْ لَعْنَةُ اللَّهِ وَالْمَلَائِكَةِ وَالنَّاسِ أَجْمَعِينَ ﴿١٦١﴾
নিশ্চয় যারা কাফির এবং কাফের অবস্থাতেই মারা যায়, এমন লোকেদের প্রতি আল্লাহর, ফেরেশতাদের এবং সকল মানুষের অভিসম্পাত। [তাইসিরুল কুরআন]

তারা হবে জাহান্নামের অধিবাসী:

আল-বাকারা, ২:৩৯
وَالَّذِينَ كَفَرُوا وَكَذَّبُوا بِآيَاتِنَا أُولَئِكَ أَصْحَابُ النَّارِ هُمْ فِيهَا خَالِدُونَ ﴿٣٩﴾
আর যারা কুফরী করবে ও আমার নিদর্শনগুলোকে অস্বীকার করবে, তারাই জাহান্নামী; সেখানে তারা চিরকাল থাকবে। [তাইসিরুল কুরআন]

তাদের হাশর হবে জাহান্নামের দিকে:

আল-আনফাল, ৮:৩৬
إِنَّ الَّذِينَ كَفَرُوا يُنْفِقُونَ أَمْوَالَهُمْ لِيَصُدُّوا عَنْ سَبِيلِ اللَّهِ فَسَيُنْفِقُونَهَا ثُمَّ تَكُونُ عَلَيْهِمْ حَسْرَةً ثُمَّ يُغْلَبُونَ وَالَّذِينَ كَفَرُوا إِلَى جَهَنَّمَ يُحْشَرُونَ ﴿٣٦﴾
যে সব লোক সত্যকে মেনে নিতে অস্বীকার করেছে তারা আল্লাহর পথ হতে (লোকেদেরকে) বাধা দেয়ার জন্য তাদের ধন-সম্পদ ব্যয় করে থাকে, তারা তা ব্যয় করতেই থাকবে, অতঃপর এটাই তাদের দুঃখ ও অনুশোচনার কারণ হবে। পরে তারা পরাজিতও হবে। যারা কুফরী করে তাদেরকে (অবশেষে) জাহান্নামের পানে একত্রিত করা হবে। [তাইসিরুল কুরআন]

তারা জাহান্নামের গরম পানি পান করবে:

ইউনুস, ১০:৪
إِلَيْهِ مَرْجِعُكُمْ جَمِيعًا وَعْدَ اللَّهِ حَقًّا إِنَّهُ يَبْدَأُ الْخَلْقَ ثُمَّ يُعِيدُهُ لِيَجْزِيَ الَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ بِالْقِسْطِ وَالَّذِينَ كَفَرُوا لَهُمْ شَرَابٌ مِنْ حَمِيمٍ وَعَذَابٌ أَلِيمٌ بِمَا كَانُوا يَكْفُرُونَ ﴿٤﴾
তাঁর কাছেই তোমাদের সকলের প্রত্যাবর্তন। আল্লাহর ওয়া‘দা নিশ্চিত সত্য। তিনি সৃষ্টির সূচনা করেন, পরে তিনিই আবার সৃষ্টি করবেন যাতে তিনি- যারা ঈমান এনেছে ও সৎকর্ম করেছে- তাদেরকে পূর্ণ ইনসাফের সাথে প্রতিদান দিতে পারেন। আর যারা কুফুরী করেছে তাদের জন্য আছে অতি উত্তপ্তপানীয় ও বেদনা দায়ক শাস্তি, যেহেতু তারা সত্য প্রত্যাখ্যান করত। [তাইসিরুল কুরআন]

তারা মুখমণ্ডল থেকে আগুন সরাতে পারবে না:

আল-আম্বিয়া, ২১:৩৯
لَوْ يَعْلَمُ الَّذِينَ كَفَرُوا حِينَ لَا يَكُفُّونَ عَنْ وُجُوهِهِمُ النَّارَ وَلَا عَنْ ظُهُورِهِمْ وَلَا هُمْ يُنْصَرُونَ ﴿٣٩﴾
অবিশ্বাসীরা যদি (সে সময়ের কথা) জানত যখন তারা তাদের মুখ হতে অগ্নি প্রতিরোধ করতে পারবে না, আর তাদের পিঠ থেকেও না, আর তারা সাহায্যপ্রাপ্তও হবে না। [তাইসিরুল কুরআন]

তাদের সম্পদ ও সন্তান কোন কাজে আসবে না:

আলে-ইমরান, ৩:১১৬
إِنَّ الَّذِينَ كَفَرُوا لَنْ تُغْنِيَ عَنْهُمْ أَمْوَالُهُمْ وَلَا أَوْلَادُهُمْ مِنَ اللَّهِ شَيْئًا وَأُولَئِكَ أَصْحَابُ النَّارِ هُمْ فِيهَا خَالِدُونَ ﴿١١٦﴾
যারা কুফরী করে, আল্লাহর নিকটে তাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি কক্ষনো কোন কাজে আসবে না এবং তারা হচ্ছে অগ্নির অধিবাসী, তারা তাতে চিরকাল থাকবে। [তাইসিরুল কুরআন]

তাদের থেকে কোন বিনিময় গ্রহণ করা হবে না:

আলে-ইমরান, ৩:৯১
إِنَّ الَّذِينَ كَفَرُوا وَمَاتُوا وَهُمْ كُفَّارٌ فَلَنْ يُقْبَلَ مِنْ أَحَدِهِمْ مِلْءُ الْأَرْضِ ذَهَبًا وَلَوِ افْتَدَى بِهِ أُولَئِكَ لَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌ وَمَا لَهُمْ مِنْ نَاصِرِينَ ﴿٩١﴾
নিশ্চয়ই যারা কুফরী করে এবং সেই কাফির অবস্থায়ই মারা যায়, তাদের কেউ পৃথিবী-ভরা স্বর্ণও বিনিময় স্বরূপ প্রদান করতে চাইলে তা তার কাছ থেকে কক্ষণো গ্রহণ করা হবে না। এরাই তারা যাদের জন্য যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি রয়েছে এবং তাদের কোন সাহায্যকারী নেই। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-মায়েদা, ৫:৩৬
إِنَّ الَّذِينَ كَفَرُوا لَوْ أَنَّ لَهُمْ مَا فِي الْأَرْضِ جَمِيعًا وَمِثْلَهُ مَعَهُ لِيَفْتَدُوا بِهِ مِنْ عَذَابِ يَوْمِ الْقِيَامَةِ مَا تُقُبِّلَ مِنْهُمْ وَلَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌ ﴿٣٦﴾
যারা কুফরী করেছে দুনিয়ায় যা কিছু আছে সব যদি তাদের হয় এবং আরো সমপরিমাণও হয় ক্বিয়ামাত দিবসের শাস্তি থেকে পরিত্রাণের মুক্তিপণ হিসেবে, তবুও তা তাদের থেকে গ্রহণ করা হবে না; তাদের জন্য আছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি। [তাইসিরুল কুরআন]

তাদের জন্য জান্নাতের নিয়ামত হারাম করে দেয়া হয়েছে:

আল-আ'রাফ, ৭:৫০
وَنَادَى أَصْحَابُ النَّارِ أَصْحَابَ الْجَنَّةِ أَنْ أَفِيضُوا عَلَيْنَا مِنَ الْمَاءِ أَوْ مِمَّا رَزَقَكُمُ اللَّهُ قَالُوا إِنَّ اللَّهَ حَرَّمَهُمَا عَلَى الْكَافِرِينَ ﴿٥٠﴾
জাহান্নামীরা জান্নাতীদের ডেকে বলবে, ‘আমাদেরকে কিছু পানি ঢেলে দাও কিংবা আল্লাহ তোমাদেরকে যে রিযক্ দিয়েছেন তাত্থেকে কিছু দাও।’ তারা বলবে, ‘আল্লাহ এ দু’টো কাফিরদের জন্য নিষিদ্ধ করে দিয়েছেন।’ [তাইসিরুল কুরআন]

তারা কেবল আফসোস করতে থাকবে:

আন-নাবা, ৭৮:৪০
إِنَّا أَنْذَرْنَاكُمْ عَذَابًا قَرِيبًا يَوْمَ يَنْظُرُ الْمَرْءُ مَا قَدَّمَتْ يَدَاهُ وَيَقُولُ الْكَافِرُ يَا لَيْتَنِي كُنْتُ تُرَابًا ﴿٤٠﴾
আমি তোমাদেরকে নিকটবর্তী শাস্তি সম্পর্কে সতর্ক করছি, যেদিন মানুষ দেখতে পাবে তার হাতগুলো আগেই কী (‘আমাল) পাঠিয়েছে আর কাফির বলবে- ‘হায়! আমি যদি মাটি হতাম (তাহলে আমাকে আজকের এ ‘আযাবের সম্মুখীন হতে হত না)। [তাইসিরুল কুরআন]

তারা কেবল আফসোস করতে থাকবে:

কোনো আয়াত নেই।

আল্লাহর আয়াত নিয়ে উপহাসকারীদের জন্য অপমানজনক শাস্তি নির্ধারিত রয়েছে।

আল-জাসিয়া, ৪৫:৯
وَإِذَا عَلِمَ مِنْ آيَاتِنَا شَيْئًا اتَّخَذَهَا هُزُوًا أُولَئِكَ لَهُمْ عَذَابٌ مُهِينٌ ﴿٩﴾
আমার আয়াতগুলোর কোন কথা যখন সে অবগত হয় তখন তাকে ঠাট্টা বিদ্রূপের বিষয় বানিয়ে নেয়, তাদের জন্য আছে অপমানজনক শাস্তি। [তাইসিরুল কুরআন]

অবিশ্বাসী ও পিতামাতার অবাধ্য সন্তানদের উপরই শাস্তির রায় অবধারিত হয়ে গেছে।

আল-আহকাফ, ৪৬:১৮
أُولَئِكَ الَّذِينَ حَقَّ عَلَيْهِمُ الْقَوْلُ فِي أُمَمٍ قَدْ خَلَتْ مِنْ قَبْلِهِمْ مِنَ الْجِنِّ وَالْإِنْسِ إِنَّهُمْ كَانُوا خَاسِرِينَ ﴿١٨﴾
এরা হল তারাই যাদের প্রতি আল্লাহর ‘আযাবের সিদ্ধান্ত হয়ে গেছে, তাদের মত জ্বিন ও মানুষের মধ্যে হতে যারা তাদের পূর্বে গত হয়ে গেছে। এরা চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। [তাইসিরুল কুরআন]

অভিশপ্ত কাফিররা চিরকাল সেই অভিশাপের মধ্যে থাকবে।

আল-বাকারা, ২:১৬২
خَالِدِينَ فِيهَا لَا يُخَفَّفُ عَنْهُمُ الْعَذَابُ وَلَا هُمْ يُنْظَرُونَ ﴿١٦٢﴾
তাতে তারা চিরকাল থাকবে, তাদের উপর ‘আযাব হালকা করা হবে না আর তাদেরকে বিরামও দেয়া হবে না। [তাইসিরুল কুরআন]

অভিশপ্ত কাফিরদেরকে কোনো অবকাশ দেওয়া হবে না।

আল-বাকারা, ২:১৬২
خَالِدِينَ فِيهَا لَا يُخَفَّفُ عَنْهُمُ الْعَذَابُ وَلَا هُمْ يُنْظَرُونَ ﴿١٦٢﴾
তাতে তারা চিরকাল থাকবে, তাদের উপর ‘আযাব হালকা করা হবে না আর তাদেরকে বিরামও দেয়া হবে না। [তাইসিরুল কুরআন]

সত্য প্রত্যাখ্যানকারীরা কেবল মেঘের ছায়ায় আল্লাহ ও ফেরেশতাদের আগমনের অপেক্ষা করছে।

আল-বাকারা, ২:২১০
هَلْ يَنْظُرُونَ إِلَّا أَنْ يَأْتِيَهُمُ اللَّهُ فِي ظُلَلٍ مِنَ الْغَمَامِ وَالْمَلَائِكَةُ وَقُضِيَ الْأَمْرُ وَإِلَى اللَّهِ تُرْجَعُ الْأُمُورُ ﴿٢١٠﴾
এরা কি এজন্য অপেক্ষা করছে যে, মেঘমালার ছত্র লাগিয়ে ফেরেশতাদের সঙ্গে নিয়ে আল্লাহ তাদের কাছে আগমন করবেন, অতঃপর সবকিছুর মীমাংসা হয়ে যাবে? বস্তুতঃ সকল কার্য আল্লাহর নিকটেই ফিরে যায় (চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য)। [তাইসিরুল কুরআন]

অভিশপ্ত কাফিররা সেই শাস্তির মধ্যে চিরকাল থাকবে।

আলে-ইমরান, ৩:৮৮
خَالِدِينَ فِيهَا لَا يُخَفَّفُ عَنْهُمُ الْعَذَابُ وَلَا هُمْ يُنْظَرُونَ ﴿٨٨﴾
তারা ওতেই চিরকাল থাকবে, তাদের শাস্তি লঘু করা হবে না এবং তাদেরকে বিরামও দেয়া হবে না। [তাইসিরুল কুরআন]

অভিশপ্ত কাফিরদেরকে কোনো অবকাশ দেওয়া হবে না।

আলে-ইমরান, ৩:৮৮
خَالِدِينَ فِيهَا لَا يُخَفَّفُ عَنْهُمُ الْعَذَابُ وَلَا هُمْ يُنْظَرُونَ ﴿٨٨﴾
তারা ওতেই চিরকাল থাকবে, তাদের শাস্তি লঘু করা হবে না এবং তাদেরকে বিরামও দেয়া হবে না। [তাইসিরুল কুরআন]

যারা কুফরী করে এবং আল্লাহর নিদর্শনসমূহকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করে, তারাই জাহান্নামের অধিবাসী।

আল-মায়েদা, ৫:১০
وَالَّذِينَ كَفَرُوا وَكَذَّبُوا بِآيَاتِنَا أُولَئِكَ أَصْحَابُ الْجَحِيمِ ﴿١٠﴾
যারা কুফরী করে, আর আমার নিদর্শনাবলীকে অস্বীকার করে তারা হল জাহান্নামের অধিবাসী। [তাইসিরুল কুরআন]

এই লোকেরা (যারা কাফিরদের সাথে বন্ধুত্ব করে) শাস্তির মধ্যে চিরকাল থাকবে।

আল-মায়েদা, ৫:৮০
تَرَى كَثِيرًا مِنْهُمْ يَتَوَلَّوْنَ الَّذِينَ كَفَرُوا لَبِئْسَ مَا قَدَّمَتْ لَهُمْ أَنْفُسُهُمْ أَنْ سَخِطَ اللَّهُ عَلَيْهِمْ وَفِي الْعَذَابِ هُمْ خَالِدُونَ ﴿٨٠﴾
তাদের অনেককে তুমি এমন লোকেদের সঙ্গে বন্ধুত্ব করতে দেখবে যারা কুফরী করে। তাদের আত্মা তাদের জন্য আগে যা পাঠিয়েছে তা কতই না নিকৃষ্ট যার জন্য আল্লাহর গোস্বা তাদের উপর পতিত হয়েছে আর তারা চিরস্থায়ী ‘আযাবে নিমজ্জিত হবে। [তাইসিরুল কুরআন]

যারা কুফরী করেছে, তারাই জাহান্নামের অধিবাসী।

আল-মায়েদা, ৫:৮৬
وَالَّذِينَ كَفَرُوا وَكَذَّبُوا بِآيَاتِنَا أُولَئِكَ أَصْحَابُ الْجَحِيمِ ﴿٨٦﴾
আর যারা আমার আয়াতগুলোকে প্রত্যাখ্যান করবে ও মিথ্যা জানবে, তারা হবে জাহান্নামের অধিবাসী। [তাইসিরুল কুরআন]

যারা আল্লাহর নিদর্শনসমূহকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছে, তারাই জাহান্নামের অধিবাসী।

আল-মায়েদা, ৫:৮৬
وَالَّذِينَ كَفَرُوا وَكَذَّبُوا بِآيَاتِنَا أُولَئِكَ أَصْحَابُ الْجَحِيمِ ﴿٨٦﴾
আর যারা আমার আয়াতগুলোকে প্রত্যাখ্যান করবে ও মিথ্যা জানবে, তারা হবে জাহান্নামের অধিবাসী। [তাইসিরুল কুরআন]

অতঃপর সেই জিজ্ঞাসিত বিষয়গুলোর কারণেই প্রশ্নকারী সম্প্রদায়টি অবিশ্বাসী হয়ে গিয়েছিল।

আল-মায়েদা, ৫:১০২
قَدْ سَأَلَهَا قَوْمٌ مِنْ قَبْلِكُمْ ثُمَّ أَصْبَحُوا بِهَا كَافِرِينَ ﴿١٠٢﴾
তোমাদের পূর্বে এক সম্প্রদায় (অর্থাৎ ইয়াহূদীরা) তা জিজ্ঞেস করেছিল অত:পর (তা অমান্য করে) তারা কাফিরে পরিণত হয়েছিল। [তাইসিরুল কুরআন]

এভাবেই আল্লাহ অবিশ্বাসীদের উপর অপবিত্রতা বা শাস্তি চাপিয়ে দেন।

আল-আন'আম, ৬:১২৫
فَمَنْ يُرِدِ اللَّهُ أَنْ يَهْدِيَهُ يَشْرَحْ صَدْرَهُ لِلْإِسْلَامِ وَمَنْ يُرِدْ أَنْ يُضِلَّهُ يَجْعَلْ صَدْرَهُ ضَيِّقًا حَرَجًا كَأَنَّمَا يَصَّعَّدُ فِي السَّمَاءِ كَذَلِكَ يَجْعَلُ اللَّهُ الرِّجْسَ عَلَى الَّذِينَ لَا يُؤْمِنُونَ ﴿١٢٥﴾
আল্লাহ যাকে সৎপথ দেখাতে চান, তার অন্তরকে ইসলামের জন্য খুলে দেন, আর যাকে পথভ্রষ্ট করতে চান তার অন্তরকে সংকীর্ণ সংকুচিত করে দেন, (তার জন্য ইসলাম মান্য করা এমনি কঠিন) যেন সে আকাশে আরোহণ করছে। যারা ঈমান আনে না তাদের উপর আল্লাহ এভাবে লাঞ্ছনা চাপিয়ে দেন। [তাইসিরুল কুরআন]

জেনে রেখো, যেদিন কাফিরদের উপর আল্লাহর আযাব এসে পড়বে, সেদিন তা তাদের থেকে প্রতিহত করা হবে না।

হূদ, ১১:৮
وَلَئِنْ أَخَّرْنَا عَنْهُمُ الْعَذَابَ إِلَى أُمَّةٍ مَعْدُودَةٍ لَيَقُولُنَّ مَا يَحْبِسُهُ أَلَا يَوْمَ يَأْتِيهِمْ لَيْسَ مَصْرُوفًا عَنْهُمْ وَحَاقَ بِهِمْ مَا كَانُوا بِهِ يَسْتَهْزِئُونَ ﴿٨﴾
আমি যদি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য তাদের থেকে শাস্তি বিলম্বিত করি, তাহলে তারা অবশ্য অবশ্যই বলবে যে, ‘কিসে ওটাকে আটকে রাখল? সাবধান! এমন দিন তাদের কাছে আসবে যা তাদের থেকে কেউ ফিরিয়ে দিতে পারবে না, আর যা নিয়ে তারা ঠাট্টা বিদ্রূপ করছিল তাই তাদেরকে ঘিরে ফেলবে। [তাইসিরুল কুরআন]

কাফিররা যে আযাব নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্রূপ করত, তা-ই তাদেরকে পরিবেষ্টন করে ফেলবে।

হূদ, ১১:৮
وَلَئِنْ أَخَّرْنَا عَنْهُمُ الْعَذَابَ إِلَى أُمَّةٍ مَعْدُودَةٍ لَيَقُولُنَّ مَا يَحْبِسُهُ أَلَا يَوْمَ يَأْتِيهِمْ لَيْسَ مَصْرُوفًا عَنْهُمْ وَحَاقَ بِهِمْ مَا كَانُوا بِهِ يَسْتَهْزِئُونَ ﴿٨﴾
আমি যদি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য তাদের থেকে শাস্তি বিলম্বিত করি, তাহলে তারা অবশ্য অবশ্যই বলবে যে, ‘কিসে ওটাকে আটকে রাখল? সাবধান! এমন দিন তাদের কাছে আসবে যা তাদের থেকে কেউ ফিরিয়ে দিতে পারবে না, আর যা নিয়ে তারা ঠাট্টা বিদ্রূপ করছিল তাই তাদেরকে ঘিরে ফেলবে। [তাইসিরুল কুরআন]

অবিশ্বাসীরা শীঘ্রই জানতে পারবে কার উপর লাঞ্ছনাকর শাস্তি আপতিত হবে।

হূদ, ১১:৯৩
وَيَا قَوْمِ اعْمَلُوا عَلَى مَكَانَتِكُمْ إِنِّي عَامِلٌ سَوْفَ تَعْلَمُونَ مَنْ يَأْتِيهِ عَذَابٌ يُخْزِيهِ وَمَنْ هُوَ كَاذِبٌ وَارْتَقِبُوا إِنِّي مَعَكُمْ رَقِيبٌ ﴿٩٣﴾
হে আমার সম্প্রদায়! ‘তোমরা নিজ নিজ অবস্থানে থেকে কাজ করতে থাক, আমিও আমার কাজ করতে থাকি, তোমরা অচিরেই জানতে পারবে কার উপর আসবে লাঞ্ছনাদায়ক শাস্তি আর কে মিথ্যেবাদী। কাজেই তোমরা অপেক্ষায় থাক, আমিও তোমাদের সাথে অপেক্ষায় থাকলাম।’ [তাইসিরুল কুরআন]

কাফিরদেরকে তাদের প্রাপ্য শাস্তি আস্বাদন করতে বলা হলো।

আল-আনফাল, ৮:১৪
ذَلِكُمْ فَذُوقُوهُ وَأَنَّ لِلْكَافِرِينَ عَذَابَ النَّارِ ﴿١٤﴾
এটাই তোমাদের শাস্তি, অতএব তার স্বাদ গ্রহণ কর, কাফিরদের জন্য আছে আগুনের (জাহান্নামের) শাস্তি। [তাইসিরুল কুরআন]

আর কাফিররা যদি পুনরায় কুফরিতে ফিরে আসে, তবে তাদের উপর পূর্ববর্তী জাতিসমূহের ব্যাপারে আল্লাহর প্রতিষ্ঠিত নীতিই কার্যকর হবে।

আল-আনফাল, ৮:৩৮
قُلْ لِلَّذِينَ كَفَرُوا إِنْ يَنْتَهُوا يُغْفَرْ لَهُمْ مَا قَدْ سَلَفَ وَإِنْ يَعُودُوا فَقَدْ مَضَتْ سُنَّةُ الْأَوَّلِينَ ﴿٣٨﴾
যারা কুফরী করে তাদেরকে বল, ‘তারা যদি নিবৃত্ত হয় তাহলে তারা পূর্বে যা করেছে তা ক্ষমা করা হবে, আর যদি (কুফরীর) পুনরাবৃত্তি করে, তাহলে আগের লোকেদের (প্রতি অনুসৃত) নীতির দৃষ্টান্ত তো অতীতের পাতাতেই আছে।’ [তাইসিরুল কুরআন]

কাফিরদের উপর আপতিত শাস্তি তাদের নিজেদেরই কৃতকর্মের ফল।

আল-আনফাল, ৮:৫১
ذَلِكَ بِمَا قَدَّمَتْ أَيْدِيكُمْ وَأَنَّ اللَّهَ لَيْسَ بِظَلَّامٍ لِلْعَبِيدِ ﴿٥١﴾
এটা হল তাই যা তোমাদের হস্তগুলো (অর্জন করে) আগে পাঠিয়েছে কেননা আল্লাহ তো তাঁর বান্দাহদের প্রতি অত্যাচারী নন। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ অবশ্যই কাফিরদেরকে লাঞ্ছিত ও অপদস্থ করবেন।

আত-তাওবা, ৯:২
فَسِيحُوا فِي الْأَرْضِ أَرْبَعَةَ أَشْهُرٍ وَاعْلَمُوا أَنَّكُمْ غَيْرُ مُعْجِزِي اللَّهِ وَأَنَّ اللَّهَ مُخْزِي الْكَافِرِينَ ﴿٢﴾
অতঃপর (হে কাফিরগণ!) চার মাস তোমরা যমীনে (ইচ্ছে মত) চলাফেরা করে নাও; আর জেনে রেখ যে, তোমরা আল্লাহকে নত করতে পারবে না, আল্লাহ্ই সত্য প্রত্যাখ্যানকারীদেরকে লাঞ্ছিত করবেন। [তাইসিরুল কুরআন]

কাফিরদের জন্য রয়েছে এক কঠিন আযাবের দুর্ভোগ।

ইবরাহীম, ১৪:২
اللَّهِ الَّذِي لَهُ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَمَا فِي الْأَرْضِ وَوَيْلٌ لِلْكَافِرِينَ مِنْ عَذَابٍ شَدِيدٍ ﴿٢﴾
আল্লাহ- আসমানসমূহে যা কিছু আছে আর পৃথিবীতে যা কিছু আছে, সবই তাঁর মালিকানাধীন। কিন্তু কাফিরদের জন্য আছে কঠিন শাস্তির দুর্ভোগ। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহর অনুগ্রহকে কুফরিতে পরিবর্তনকারীরা তাদের সম্প্রদায়কে ধ্বংসের আবাসে নামিয়ে এনেছে।

ইবরাহীম, ১৪:২৮
أَلَمْ تَرَ إِلَى الَّذِينَ بَدَّلُوا نِعْمَةَ اللَّهِ كُفْرًا وَأَحَلُّوا قَوْمَهُمْ دَارَ الْبَوَارِ ﴿٢٨﴾
তুমি কি তাদের ব্যাপারে চিন্তা কর না যারা আল্লাহর অনুগ্রহের বিনিময়ে অকৃতজ্ঞতার নীতি অবলম্বন করে আর তাদের জাতিকে ধ্বংসের ঘরে নামিয়ে আনে। [তাইসিরুল কুরআন]

নিশ্চয়ই কাফিরদের চূড়ান্ত প্রত্যাবর্তনস্থল হলো জাহান্নামের আগুন।

ইবরাহীম, ১৪:৩০
وَجَعَلُوا لِلَّهِ أَنْدَادًا لِيُضِلُّوا عَنْ سَبِيلِهِ قُلْ تَمَتَّعُوا فَإِنَّ مَصِيرَكُمْ إِلَى النَّارِ ﴿٣٠﴾
আর তারা (অন্যকে) আল্লাহর সমকক্ষ স্থির করে তাঁর পথ থেকে বিপথগামী করার উদ্দেশে। বল, ‘ভোগ করে নাও, শেষ পর্যন্ত জাহান্নামেই তোমাদেরকে ফিরে যেতে হবে। [তাইসিরুল কুরআন]

যারা কুফরি করেছে, তারা অচিরেই আকাঙ্ক্ষা করবে যে, তারা যদি মুসলিম হতো।

আল-হিজর, ১৫:২
رُبَمَا يَوَدُّ الَّذِينَ كَفَرُوا لَوْ كَانُوا مُسْلِمِينَ ﴿٢﴾
এমন একটা সময় আসবে যখন কাফিরগণ আক্ষেপ করে বলবে, ‘হায়, আমরা যদি মুসলিম হয়ে যেতাম!’ [তাইসিরুল কুরআন]

অচিরেই কাফিররা তাদের কর্মের পরিণতি জানতে পারবে।

আল-হিজর, ১৫:৩
ذَرْهُمْ يَأْكُلُوا وَيَتَمَتَّعُوا وَيُلْهِهِمُ الْأَمَلُ فَسَوْفَ يَعْلَمُونَ ﴿٣﴾
ছেড়ে দাও ওদেরকে, ওরা খেতে থাক আর ভোগ করতে থাক, আর (মিথ্যে) আশা ওদেরকে উদাসীনতায় ডুবিয়ে রাখুক, শীঘ্রই ওরা (ওদের ‘আমালের পরিণতি) জানতে পারবে। [তাইসিরুল কুরআন]

যুদ্ধ থেকে বিরত থাকা এই বেদুঈনদের মধ্যে যারা কুফরি করেছে, তাদের উপর অচিরেই এক যন্ত্রণাদায়ক আযাব আপতিত হবে।

আত-তাওবা, ৯:৯০
وَجَاءَ الْمُعَذِّرُونَ مِنَ الْأَعْرَابِ لِيُؤْذَنَ لَهُمْ وَقَعَدَ الَّذِينَ كَذَبُوا اللَّهَ وَرَسُولَهُ سَيُصِيبُ الَّذِينَ كَفَرُوا مِنْهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌ ﴿٩٠﴾
বেদুইনদের মধ্যেও ওজর-আপত্তি পেশকারীরা এসে অব্যাহতির আবেদন জানালো। যারা (নিজেদের ঈমান থাকার ব্যাপারে) আল্লাহ ও তাঁর রসূলের নিকট মিথ্যা বলেছিল তারাও পিছনে রয়ে গেল। তাদের (অর্থাৎ বেদুইনদের) মধ্যে যারা কুফুরী করেছে শীঘ্রই এক ভয়ঙ্কর ‘আযাব তাদেরকে পাকড়াও করবে। [তাইসিরুল কুরআন]

এরপর আল্লাহ মিথ্যা আরোপকারীদেরকে কঠিন শাস্তি আস্বাদন করাবেন।

ইউনুস, ১০:৭০
مَتَاعٌ فِي الدُّنْيَا ثُمَّ إِلَيْنَا مَرْجِعُهُمْ ثُمَّ نُذِيقُهُمُ الْعَذَابَ الشَّدِيدَ بِمَا كَانُوا يَكْفُرُونَ ﴿٧٠﴾
দুনিয়াতে আছে তাদের জন্য সামান্য ভোগ্যবস্তু, অতঃপর আমার কাছেই হবে তাদের প্রত্যাবর্তন, তখন তাদের কুফুরীর কারণে তাদেরকে আমি কঠিন ‘আযাব আস্বাদন করাব। [তাইসিরুল কুরআন]

কুফরি করার কারণেই মিথ্যা আরোপকারীরা এই কঠিন শাস্তি প্রাপ্ত হবে।

ইউনুস, ১০:৭০
مَتَاعٌ فِي الدُّنْيَا ثُمَّ إِلَيْنَا مَرْجِعُهُمْ ثُمَّ نُذِيقُهُمُ الْعَذَابَ الشَّدِيدَ بِمَا كَانُوا يَكْفُرُونَ ﴿٧٠﴾
দুনিয়াতে আছে তাদের জন্য সামান্য ভোগ্যবস্তু, অতঃপর আমার কাছেই হবে তাদের প্রত্যাবর্তন, তখন তাদের কুফুরীর কারণে তাদেরকে আমি কঠিন ‘আযাব আস্বাদন করাব। [তাইসিরুল কুরআন]

কিংবা কাফিররা তাদের প্রতিপালকের (শাস্তির) নির্দেশ আসার অপেক্ষা করছে।

আন-নাহাল, ১৬:৩৩
هَلْ يَنْظُرُونَ إِلَّا أَنْ تَأْتِيَهُمُ الْمَلَائِكَةُ أَوْ يَأْتِيَ أَمْرُ رَبِّكَ كَذَلِكَ فَعَلَ الَّذِينَ مِنْ قَبْلِهِمْ وَمَا ظَلَمَهُمُ اللَّهُ وَلَكِنْ كَانُوا أَنْفُسَهُمْ يَظْلِمُونَ ﴿٣٣﴾
তারা কি এই অপেক্ষায় আছে যে, ফেরেশতারা তাদের কাছে আসবে কিংবা তোমার প্রতিপালকের ফায়সালা এসে পড়বে? তাদের পূর্ববর্তীরাও এ রকমই করত। আল্লাহ তাদের প্রতি কোন যুলম করেননি বরং তারা নিজেরাই নিজেদের প্রতি যুলম করত। [তাইসিরুল কুরআন]

অবিশ্বাসীরা তাদের পূর্ববর্তী জাতিগুলোর উপর আপতিত শাস্তির দিনের মতোই কোনো দিনের অপেক্ষা করছে।

ইউনুস, ১০:১০২
فَهَلْ يَنْتَظِرُونَ إِلَّا مِثْلَ أَيَّامِ الَّذِينَ خَلَوْا مِنْ قَبْلِهِمْ قُلْ فَانْتَظِرُوا إِنِّي مَعَكُمْ مِنَ الْمُنْتَظِرِينَ ﴿١٠٢﴾
তবে তারা কি তাদের পূর্বে যে সব দিনগুলো ঘটে গেছে সে রকম ঘটা ছাড়া অন্য কিছুর অপেক্ষা করছে? বল, ‘‘তাহলে অপেক্ষা কর, আমিও তোমাদের সাথে অপেক্ষমান থাকলাম।’’ [তাইসিরুল কুরআন]

এবং কাফিরদেরকে আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার সুযোগও দেওয়া হবে না।

আন-নাহাল, ১৬:৮৪
وَيَوْمَ نَبْعَثُ مِنْ كُلِّ أُمَّةٍ شَهِيدًا ثُمَّ لَا يُؤْذَنُ لِلَّذِينَ كَفَرُوا وَلَا هُمْ يُسْتَعْتَبُونَ ﴿٨٤﴾
(সেদিন কী অবস্থা হবে) যেদিন আমি প্রত্যেক সম্প্রদায় থেকে একজন সাক্ষী দাঁড় করাব আর কাফিরদেরকে (কোন অযুহাত পেশ করার) অনুমতি দেয়া হবে না, আর ক্ষমা প্রার্থনা করারও সুযোগ দেয়া হবে না। [তাইসিরুল কুরআন]

জালেমদেরকে কোনো অবকাশ দেওয়া হবে না।

আন-নাহাল, ১৬:৮৫
وَإِذَا رَأَى الَّذِينَ ظَلَمُوا الْعَذَابَ فَلَا يُخَفَّفُ عَنْهُمْ وَلَا هُمْ يُنْظَرُونَ ﴿٨٥﴾
সীমালঙ্ঘনকারীরা যখন ‘আযাব প্রত্যক্ষ করবে তাদের থেকে তখন তা কমানো হবে না, আর তাদেরকে সময়-সুযোগও দেয়া হবে না। [তাইসিরুল কুরআন]

অতঃপর কাফিররা বলবে, 'আমাদেরকে কি কোনো অবকাশ দেওয়া হবে?'

আশ-শুআ'রা, ২৬:২০৩
فَيَقُولُوا هَلْ نَحْنُ مُنْظَرُونَ ﴿٢٠٣﴾
তারা তখন বলবে- ‘আমাদেরকে কি অবকাশ দেয়া হবে?’ [তাইসিরুল কুরআন]

অতঃপর অস্বীকারকারীদের উপর তাদের প্রতিশ্রুত আযাব এসে পড়ে।

আশ-শুআ'রা, ২৬:২০৬
ثُمَّ جَاءَهُمْ مَا كَانُوا يُوعَدُونَ ﴿٢٠٦﴾
অতঃপর তাদেরকে যে বিষয়ের ও‘য়াদা দেয়া হত তা তাদের কাছে এসে পড়ে। [তাইসিরুল কুরআন]

অতএব, কাফিরদেরকেও সেই চূড়ান্ত ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করতে বলা হয়েছে।

ত্ব-হা, ২০:১৩৫
قُلْ كُلٌّ مُتَرَبِّصٌ فَتَرَبَّصُوا فَسَتَعْلَمُونَ مَنْ أَصْحَابُ الصِّرَاطِ السَّوِيِّ وَمَنِ اهْتَدَى ﴿١٣٥﴾
বল, (ইসলামের অনুসারীদের পরিণতি দেখার জন্য চারপাশের) সবাই অপেক্ষা করছে, কাজেই তোমরাও অপেক্ষা কর, তাহলেই তোমরা জানতে পারবে যে, কারা সরল পথের পথিক আর কারা সঠিক পথপ্রাপ্ত। [তাইসিরুল কুরআন]

প্রতিপালকের শাস্তির সামান্য ছোঁয়া পেলেই কাফিররা আর্তনাদ করে বলবে, 'হায় আমাদের দুর্ভাগ্য!'

আল-আম্বিয়া, ২১:৪৬
وَلَئِنْ مَسَّتْهُمْ نَفْحَةٌ مِنْ عَذَابِ رَبِّكَ لَيَقُولُنَّ يَاوَيْلَنَا إِنَّا كُنَّا ظَالِمِينَ ﴿٤٦﴾
তোমার প্রতিপালকের গযবের একটা নিঃশ্বাস যদি তাদের উপর পতিত হয় তবে তারা অবশ্য অবশ্যই বলে উঠবে, ‘হায় আমাদের দুর্ভাগ্য! আমরাই তো ছিলাম অপরাধী।’ [তাইসিরুল কুরআন]

শাস্তিপ্রাপ্ত কাফিররা স্বীকার করে বলবে, 'নিশ্চয়ই আমরা জালিম ছিলাম।'

আল-আম্বিয়া, ২১:৪৬
وَلَئِنْ مَسَّتْهُمْ نَفْحَةٌ مِنْ عَذَابِ رَبِّكَ لَيَقُولُنَّ يَاوَيْلَنَا إِنَّا كُنَّا ظَالِمِينَ ﴿٤٦﴾
তোমার প্রতিপালকের গযবের একটা নিঃশ্বাস যদি তাদের উপর পতিত হয় তবে তারা অবশ্য অবশ্যই বলে উঠবে, ‘হায় আমাদের দুর্ভাগ্য! আমরাই তো ছিলাম অপরাধী।’ [তাইসিরুল কুরআন]

যারা কুফরি করেছে, তাদের জন্য অপমানজনক শাস্তি নির্ধারিত রয়েছে।

আল-হজ্জ, ২২:৫৭
وَالَّذِينَ كَفَرُوا وَكَذَّبُوا بِآيَاتِنَا فَأُولَئِكَ لَهُمْ عَذَابٌ مُهِينٌ ﴿٥٧﴾
আর যারা কুফুরী করে আর আমার আয়াতসমূহকে মিথ্যে জেনে প্রত্যাখ্যান করে তাদের জন্য আছে অপমানজনক শাস্তি। [তাইসিরুল কুরআন]

যারা আল্লাহর আয়াতসমূহকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছে, তাদের জন্য অপমানজনক শাস্তি নির্ধারিত রয়েছে।

আল-হজ্জ, ২২:৫৭
وَالَّذِينَ كَفَرُوا وَكَذَّبُوا بِآيَاتِنَا فَأُولَئِكَ لَهُمْ عَذَابٌ مُهِينٌ ﴿٥٧﴾
আর যারা কুফুরী করে আর আমার আয়াতসমূহকে মিথ্যে জেনে প্রত্যাখ্যান করে তাদের জন্য আছে অপমানজনক শাস্তি। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ বললেন যে, অস্বীকারকারীরা অচিরেই অনুতপ্ত হবে।

আল-মুমিনুন, ২৩:৪০
قَالَ عَمَّا قَلِيلٍ لَيُصْبِحُنَّ نَادِمِينَ ﴿٤٠﴾
আল্লাহ বললেন, ‘অল্প সময়ের মধ্যেই তারা অনুতপ্ত হবে।’ [তাইসিরুল কুরআন]

ফলে ফেরাউন ও তার সম্প্রদায় ধ্বংসপ্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল।

আল-মুমিনুন, ২৩:৪৮
فَكَذَّبُوهُمَا فَكَانُوا مِنَ الْمُهْلَكِينَ ﴿٤٨﴾
তারা তাদের দু’জনকে মিথ্যে বলে প্রত্যাখ্যান করল, ফলে তারা ধ্বংসপ্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে গেল। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ নবীকে (ﷺ) নির্দেশ দিয়েছেন তিনি যেন কাফিরদেরকে একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত তাদের অবস্থায় ছেড়ে দেন।

আল-মুমিনুন, ২৩:৫৪
فَذَرْهُمْ فِي غَمْرَتِهِمْ حَتَّى حِينٍ ﴿٥٤﴾
কাজেই তাদেরকে কিছুকাল তাদের অজ্ঞানতাপ্রসূত বিভ্রান্তিতে থাকতে দাও। [তাইসিরুল কুরআন]

তখন সেই বিলাসী কাফিররা সাহায্যের জন্য আর্তনাদ করে।

আল-মুমিনুন, ২৩:৬৪
حَتَّى إِذَا أَخَذْنَا مُتْرَفِيهِمْ بِالْعَذَابِ إِذَا هُمْ يَجْأَرُونَ ﴿٦٤﴾
অবশেষে আমি যখন তাদের (অর্থাৎ কাফিরদের) মধ্যে বিত্ত সম্পদশালীদেরকে শাস্তি দ্বারা পাকড়াও করব, তখন তারা চিৎকার জুড়ে দেবে। [তাইসিরুল কুরআন]

অবশেষে আল্লাহ কাফিরদের উপর এক কঠিন শাস্তির দ্বার উন্মুক্ত করবেন।

আল-মুমিনুন, ২৩:৭৭
حَتَّى إِذَا فَتَحْنَا عَلَيْهِمْ بَابًا ذَا عَذَابٍ شَدِيدٍ إِذَا هُمْ فِيهِ مُبْلِسُونَ ﴿٧٧﴾
অবশেষে আমি তাদের জন্য কঠিন শাস্তির দরজা খুলে দেব, তখন তারা তাতে হতাশ হয়ে পড়বে। [তাইসিরুল কুরআন]

কাফিররা কঠিন শাস্তির মধ্যে পতিত হয়ে সম্পূর্ণরূপে হতাশ হয়ে পড়বে।

আল-মুমিনুন, ২৩:৭৭
حَتَّى إِذَا فَتَحْنَا عَلَيْهِمْ بَابًا ذَا عَذَابٍ شَدِيدٍ إِذَا هُمْ فِيهِ مُبْلِسُونَ ﴿٧٧﴾
অবশেষে আমি তাদের জন্য কঠিন শাস্তির দরজা খুলে দেব, তখন তারা তাতে হতাশ হয়ে পড়বে। [তাইসিরুল কুরআন]

কাফিররা যখন আযাব প্রত্যক্ষ করবে, তখন তারা জানতে পারবে যে কে সর্বাধিক পথভ্রষ্ট ছিল।

আল-ফুরকান, ২৫:৪২
إِنْ كَادَ لَيُضِلُّنَا عَنْ آلِهَتِنَا لَوْلَا أَنْ صَبَرْنَا عَلَيْهَا وَسَوْفَ يَعْلَمُونَ حِينَ يَرَوْنَ الْعَذَابَ مَنْ أَضَلُّ سَبِيلًا ﴿٤٢﴾
সে তো আমাদেরকে আমাদের ইলাহদের থেকে অবশ্যই সরিয়ে দিত যদি আমরা তাদের প্রতি দৃঢ়চিত্ত না থাকতাম। যখন তারা শাস্তি দেখবে তখন জানবে যে পথের ক্ষেত্রে কারা অধিক ভ্রষ্ট ছিল। [তাইসিরুল কুরআন]

অতএব, সত্যকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করার শাস্তি অচিরেই অপরিহার্য হবে।

আল-ফুরকান, ২৫:৭৭
قُلْ مَا يَعْبَأُ بِكُمْ رَبِّي لَوْلَا دُعَاؤُكُمْ فَقَدْ كَذَّبْتُمْ فَسَوْفَ يَكُونُ لِزَامًا ﴿٧٧﴾
(কাফিরদেরকে) বল : ‘তোমাদের ব্যাপারে আমার প্রতিপালকের কী প্রয়োজন পড়েছে তোমরা যদি তাঁকে না ডাকো? তোমরা তো তাঁকে অস্বীকার করেছ, কাজেই শীঘ্রই তোমাদের উপর এসে পড়বে অপ্রতিরোধ্য (শাস্তি)। [তাইসিরুল কুরআন]

অচিরেই এই কাফিররা তাদের কর্মের পরিণতি জানতে পারবে।

আল-আনকাবূত, ২৯:৬৬
لِيَكْفُرُوا بِمَا آتَيْنَاهُمْ وَلِيَتَمَتَّعُوا فَسَوْفَ يَعْلَمُونَ ﴿٦٦﴾
যার ফলে তাদের প্রতি আমার দানকে তারা অস্বীকার করে আর ভোগ বিলাসে ডুবে থাকে। শীঘ্রই তারা জানতে পারবে! [তাইসিরুল কুরআন]

অচিরেই কাফিররা তাদের কৃতকর্মের পরিণাম জানতে পারবে।

আর-রুম, ৩০:৩৪
لِيَكْفُرُوا بِمَا آتَيْنَاهُمْ فَتَمَتَّعُوا فَسَوْفَ تَعْلَمُونَ ﴿٣٤﴾
আমি তাদের প্রতি যে অনুগ্রহ করেছি তা অস্বীকার করার জন্য। তাহলে ভোগ করে নাও, শীঘ্রই তোমরা জানতে পারবে! [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ যখন ধ্বংসাত্মক বাতাস প্রেরণ করেন, তখন কাফিররা তাদের শস্যকে হলুদ ও বিবর্ণ হতে দেখে।

আর-রুম, ৩০:৫১
وَلَئِنْ أَرْسَلْنَا رِيحًا فَرَأَوْهُ مُصْفَرًّا لَظَلُّوا مِنْ بَعْدِهِ يَكْفُرُونَ ﴿٥١﴾
আমি যদি এমন বায়ু প্রেরণ করি যার ফলে তারা দেখে শস্য হলদে হয়ে গেছে, তখন তারা অবশ্যই অকৃতজ্ঞ হয়ে যায়। [তাইসিরুল কুরআন]

নিশ্চয়ই কাফিরদের অধিকাংশের উপর আল্লাহর শাস্তির বিধান সাব্যস্ত হয়েছে।

ইয়াসীন, ৩৬:৭
لَقَدْ حَقَّ الْقَوْلُ عَلَى أَكْثَرِهِمْ فَهُمْ لَا يُؤْمِنُونَ ﴿٧﴾
(জেনে বুঝে আল্লাহর অবাধ্য হওয়ার কারণে) তাদের অধিকাংশের উপর (তাদের অন্তঃকরণে সীল লাগিয়ে দেয়ার) বাণী অবধারিত হয়ে গেছে, কাজেই তারা ঈমান আনবে না। [তাইসিরুল কুরআন]

কাফিরদেরকে তাদের সম্মুখস্থ ও পশ্চাতের (পার্থিব ও পারলৌকিক) শাস্তি সম্পর্কে সতর্ক থাকতে বলা হয়।

ইয়াসীন, ৩৬:৪৫
وَإِذَا قِيلَ لَهُمُ اتَّقُوا مَا بَيْنَ أَيْدِيكُمْ وَمَا خَلْفَكُمْ لَعَلَّكُمْ تُرْحَمُونَ ﴿٤٥﴾
তাদেরকে যখন বলা হয় ‘‘তোমাদের সামনে যে পরিণাম আসছে তাত্থেকে আর তোমাদের পেছনের (অতীত জাতিগুলোর উপর ঘটে গেছে সে রকম) ‘আযাব থেকে নিজেদেরকে রক্ষা কর যাতে তোমাদের উপর রহম করা হয় (তখন তারা মুখ ফিরিয়ে নেয়)।’’ [তাইসিরুল কুরআন]

এবং কাফিরদেরকে কোনো অবকাশও দেওয়া হবে না।

আস-সাজদাহ, ৩২:২৯
قُلْ يَوْمَ الْفَتْحِ لَا يَنْفَعُ الَّذِينَ كَفَرُوا إِيمَانُهُمْ وَلَا هُمْ يُنْظَرُونَ ﴿٢٩﴾
বল, ফয়সালার দিনে (সব কিছু দেখার পর) কাফিরদের ঈমান আনয়ন তাদের কোন উপকার দিবে না, আর তাদেরকে কোন সময়ও দেয়া হবে না। [তাইসিরুল কুরআন]

এবং কাফিরদের উপর আল্লাহর শাস্তির বাণী অবধারিত হয়ে যায়।

ইয়াসীন, ৩৬:৭০
لِيُنْذِرَ مَنْ كَانَ حَيًّا وَيَحِقَّ الْقَوْلُ عَلَى الْكَافِرِينَ ﴿٧٠﴾
যাতে সে (আত্মিকভাবে) জীবিতকে সতর্ক করতে পারে আর কাফিরদের বিরুদ্ধে অকাট্য দলীল হতে পারে। [তাইসিরুল কুরআন]

কিন্তু কাফিরদের উপর শাস্তির বাণী বাস্তবায়িত হয়েছে।

আস-সাফফাত, ৩৭:১৮
قُلْ نَعَمْ وَأَنْتُمْ دَاخِرُونَ ﴿١٨﴾
তাদেরকে বল, ‘হাঁ, এবং তোমরা হবে লাঞ্ছিত।’ [তাইসিরুল কুরআন]

নিশ্চয়ই কাফিররা যন্ত্রণাদায়ক আযাব আস্বাদন করবে।

আস-সাফফাত, ৩৭:৩৮
إِنَّكُمْ لَذَائِقُو الْعَذَابِ الْأَلِيمِ ﴿٣٨﴾
(এখন তাদেরকে বলা হবে) ‘তোমরা অবশ্যই মর্মান্তিক শাস্তির স্বাদ ভোগ করবে, [তাইসিরুল কুরআন]

কাফিররা জাহান্নামে চিরস্থায়ীভাবে বসবাস করবে।

আল-আহযাব, ৩৩:৬৫
خَالِدِينَ فِيهَا أَبَدًا لَا يَجِدُونَ وَلِيًّا وَلَا نَصِيرًا ﴿٦٥﴾
তাতে তারা চিরকাল থাকবে, তারা না পাবে কোন অভিভাবক, আর না পাবে কোন সাহায্যকারী। [তাইসিরুল কুরআন]

কাফিররা (সেখানে) কোনো অভিভাবক বা রক্ষাকর্তা পাবে না।

আল-আহযাব, ৩৩:৬৫
خَالِدِينَ فِيهَا أَبَدًا لَا يَجِدُونَ وَلِيًّا وَلَا نَصِيرًا ﴿٦٥﴾
তাতে তারা চিরকাল থাকবে, তারা না পাবে কোন অভিভাবক, আর না পাবে কোন সাহায্যকারী। [তাইসিরুল কুরআন]

কাফিররা (সেখানে) কোনো সাহায্যকারীও পাবে না।

আল-আহযাব, ৩৩:৬৫
خَالِدِينَ فِيهَا أَبَدًا لَا يَجِدُونَ وَلِيًّا وَلَا نَصِيرًا ﴿٦٥﴾
তাতে তারা চিরকাল থাকবে, তারা না পাবে কোন অভিভাবক, আর না পাবে কোন সাহায্যকারী। [তাইসিরুল কুরআন]

কাফিরদের জন্য একটি প্রতিশ্রুত দিবস নির্ধারিত রয়েছে।

সাবা, ৩৪:৩০
قُلْ لَكُمْ مِيعَادُ يَوْمٍ لَا تَسْتَأْخِرُونَ عَنْهُ سَاعَةً وَلَا تَسْتَقْدِمُونَ ﴿٣٠﴾
বল- তোমাদের জন্য আছে এক নির্ধারিত দিন যা তোমরা এক মুহূর্তকালের জন্য বিলম্বিত করতে পারবে না, আর ত্বরান্বিত করতেও পারবে না। [তাইসিরুল কুরআন]

অতঃপর আল্লাহ কাফিরদেরকে পাকড়াও করেছিলেন।

ফাতির, ৩৫:২৬
ثُمَّ أَخَذْتُ الَّذِينَ كَفَرُوا فَكَيْفَ كَانَ نَكِيرِ ﴿٢٦﴾
যারা কুফরী করেছিল, অতঃপর আমি তাদেরকে পাকড়াও করেছিলাম। কী (ভয়ংকর) ছিল আমার শাস্তি! [তাইসিরুল কুরআন]

সুতরাং, এই অস্বীকারকারীরা শীঘ্রই তাদের কর্মের পরিণতি জানতে পারবে।

আস-সাফফাত, ৩৭:১৭০
فَكَفَرُوا بِهِ فَسَوْفَ يَعْلَمُونَ ﴿١٧٠﴾
কিন্তু (এখন কুরআন আসার পর) তারা সেটা অমান্য ও অস্বীকার করল। তারা শীঘ্রই জানতে পারবে (এর পরিণাম)। [তাইসিরুল কুরআন]

অচিরেই কাফিররা তাদের কৃতকর্মের পরিণতি দেখতে পাবে।

আস-সাফফাত, ৩৭:১৭৫
وَأَبْصِرْهُمْ فَسَوْفَ يُبْصِرُونَ ﴿١٧٥﴾
আর তাদেরকে দেখতে থাক, তারা শীঘ্রই দেখতে পাবে (ঈমান ও কুফুরীর পরিণাম)। [তাইসিরুল কুরআন]

অচিরেই কাফিররাও তাদের কৃতকর্মের অবশ্যম্ভাবী ফল দেখতে পাবে।

আস-সাফফাত, ৩৭:১৭৯
وَأَبْصِرْ فَسَوْفَ يُبْصِرُونَ ﴿١٧٩﴾
আর দেখতে থাক, শীঘ্রই তারা দেখতে পাবে (ঈমান ও কুফুরীর পরিণাম)। [তাইসিরুল কুরআন]

জাহান্নামের কাফিরকে বলা হবে, 'তুমি শাস্তির স্বাদ গ্রহণ কর'।

আদ-দুখান, ৪৪:৪৯
ذُقْ إِنَّكَ أَنْتَ الْعَزِيزُ الْكَرِيمُ ﴿٤٩﴾
(বলা হবে) গ্রহণ কর স্বাদ-তুমি তো ছিলে ক্ষমতাশালী, সম্মানী। [তাইসিরুল কুরআন]

নিশ্চয়ই কাফিররাও তাদের পরিণতির জন্য অপেক্ষমাণ রয়েছে।

আদ-দুখান, ৪৪:৫৯
فَارْتَقِبْ إِنَّهُمْ مُرْتَقِبُونَ ﴿٥٩﴾
কাজেই তুমি অপেক্ষা কর (তাদের পরিণতি দেখার জন্য) তারাও অপেক্ষা করছে (তোমাদের পরিণতি দেখার জন্য)। [তাইসিরুল কুরআন]

কাফিরদের উপর আপনার প্রতিপালকের শাস্তির বিধান এভাবেই অবধারিত হয়েছে।

গাফির, ৪০:৬
وَكَذَلِكَ حَقَّتْ كَلِمَةُ رَبِّكَ عَلَى الَّذِينَ كَفَرُوا أَنَّهُمْ أَصْحَابُ النَّارِ ﴿٦﴾
এভাবে কাফিরদের ব্যাপারে তোমার প্রতিপালকের বাণী সত্য প্রমাণিত হল যে, তারা জাহান্নামের অধিবাসী। [তাইসিরুল কুরআন]

নিশ্চয়ই কাফিররা জাহান্নামের অধিবাসী হবে।

গাফির, ৪০:৬
وَكَذَلِكَ حَقَّتْ كَلِمَةُ رَبِّكَ عَلَى الَّذِينَ كَفَرُوا أَنَّهُمْ أَصْحَابُ النَّارِ ﴿٦﴾
এভাবে কাফিরদের ব্যাপারে তোমার প্রতিপালকের বাণী সত্য প্রমাণিত হল যে, তারা জাহান্নামের অধিবাসী। [তাইসিরুল কুরআন]

কাফিররা জাহান্নামের শাস্তি সহ্য করলেও আগুনই হবে তাদের বাসস্থান।

হা-মীম আস-সাজদা, ৪১:২৪
فَإِنْ يَصْبِرُوا فَالنَّارُ مَثْوًى لَهُمْ وَإِنْ يَسْتَعْتِبُوا فَمَا هُمْ مِنَ الْمُعْتَبِينَ ﴿٢٤﴾
এখন যদি তারা ধৈর্য ধারণ করে তবুও জাহান্নামই হবে তাদের আবাস, আর যদি তারা ক্ষমা প্রার্থনা করে তবুও তারা ক্ষমাপ্রাপ্ত হবে না। [তাইসিরুল কুরআন]

কাফিররা আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আবেদন করলেও তাদের সেই সুযোগ দেওয়া হবে না।

হা-মীম আস-সাজদা, ৪১:২৪
فَإِنْ يَصْبِرُوا فَالنَّارُ مَثْوًى لَهُمْ وَإِنْ يَسْتَعْتِبُوا فَمَا هُمْ مِنَ الْمُعْتَبِينَ ﴿٢٤﴾
এখন যদি তারা ধৈর্য ধারণ করে তবুও জাহান্নামই হবে তাদের আবাস, আর যদি তারা ক্ষমা প্রার্থনা করে তবুও তারা ক্ষমাপ্রাপ্ত হবে না। [তাইসিরুল কুরআন]

কাফিরদেরকে জাহান্নামে প্রবেশ করতে বলা হবে।

আত-তূর, ৫২:১৬
اصْلَوْهَا فَاصْبِرُوا أَوْ لَا تَصْبِرُوا سَوَاءٌ عَلَيْكُمْ إِنَّمَا تُجْزَوْنَ مَا كُنْتُمْ تَعْمَلُونَ ﴿١٦﴾
এখন এর ভিতর জ্বলতে থাক, অতঃপর ধৈর্য ধর কিংবা ধৈর্য না ধর, তোমাদের জন্য দুই-ই সমান। তোমাদেরকে সেই প্রতিফলই দেয়া হবে যা তোমরা ‘আমাল করতে। [তাইসিরুল কুরআন]

জাহান্নামে কাফিরদের ধৈর্য ধারণ করা বা না করা উভয়ই সমান হবে।

আত-তূর, ৫২:১৬
اصْلَوْهَا فَاصْبِرُوا أَوْ لَا تَصْبِرُوا سَوَاءٌ عَلَيْكُمْ إِنَّمَا تُجْزَوْنَ مَا كُنْتُمْ تَعْمَلُونَ ﴿١٦﴾
এখন এর ভিতর জ্বলতে থাক, অতঃপর ধৈর্য ধর কিংবা ধৈর্য না ধর, তোমাদের জন্য দুই-ই সমান। তোমাদেরকে সেই প্রতিফলই দেয়া হবে যা তোমরা ‘আমাল করতে। [তাইসিরুল কুরআন]

কাফিরদেরকে কেবল তাদের কৃতকর্মেরই প্রতিদান দেওয়া হবে।

আত-তূর, ৫২:১৬
اصْلَوْهَا فَاصْبِرُوا أَوْ لَا تَصْبِرُوا سَوَاءٌ عَلَيْكُمْ إِنَّمَا تُجْزَوْنَ مَا كُنْتُمْ تَعْمَلُونَ ﴿١٦﴾
এখন এর ভিতর জ্বলতে থাক, অতঃপর ধৈর্য ধর কিংবা ধৈর্য না ধর, তোমাদের জন্য দুই-ই সমান। তোমাদেরকে সেই প্রতিফলই দেয়া হবে যা তোমরা ‘আমাল করতে। [তাইসিরুল কুরআন]

যারা আল্লাহর আহ্বানে সাড়া দেওয়ার পর তাঁর সম্পর্কে বিতর্ক করে, তাদের উপর আল্লাহর গযব রয়েছে।

আশ-শূরা, ৪২:১৬
وَالَّذِينَ يُحَاجُّونَ فِي اللَّهِ مِنْ بَعْدِ مَا اسْتُجِيبَ لَهُ حُجَّتُهُمْ دَاحِضَةٌ عِنْدَ رَبِّهِمْ وَعَلَيْهِمْ غَضَبٌ وَلَهُمْ عَذَابٌ شَدِيدٌ ﴿١٦﴾
আল্লাহর আহবানে সাড়া দেয়ার পর সে সম্পর্কে যারা বিতর্কে লিপ্ত হয়, তাদের দলীল প্রমাণ তাদের রব্ব-এর কাছে বাতিল। তাদের প্রতি (আল্লাহর) গযব আর তাদের জন্য আছে কঠিন শাস্তি। [তাইসিরুল কুরআন]

যারা আল্লাহর আহ্বানে সাড়া দেওয়ার পর তাঁর সম্পর্কে বিতর্ক করে, তাদের জন্য রয়েছে কঠিন শাস্তি।

আশ-শূরা, ৪২:১৬
وَالَّذِينَ يُحَاجُّونَ فِي اللَّهِ مِنْ بَعْدِ مَا اسْتُجِيبَ لَهُ حُجَّتُهُمْ دَاحِضَةٌ عِنْدَ رَبِّهِمْ وَعَلَيْهِمْ غَضَبٌ وَلَهُمْ عَذَابٌ شَدِيدٌ ﴿١٦﴾
আল্লাহর আহবানে সাড়া দেয়ার পর সে সম্পর্কে যারা বিতর্কে লিপ্ত হয়, তাদের দলীল প্রমাণ তাদের রব্ব-এর কাছে বাতিল। তাদের প্রতি (আল্লাহর) গযব আর তাদের জন্য আছে কঠিন শাস্তি। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহর প্রতি আরোপ করা কন্যাসন্তানের সংবাদে কাফিরদের মুখমণ্ডল কালো হয়ে যায়।

আয-যুখরুফ, ৪৩:১৭
وَإِذَا بُشِّرَ أَحَدُهُمْ بِمَا ضَرَبَ لِلرَّحْمَنِ مَثَلًا ظَلَّ وَجْهُهُ مُسْوَدًّا وَهُوَ كَظِيمٌ ﴿١٧﴾
তাদের কাউকে যখন সংবাদ দেয়া হয় সেই সন্তানের যা তারা দয়াময় আল্লাহর প্রতি আরোপ করে, তখন তার মুখ মন্ডলে কালিমা ছেয়ে যায়, আর মন দুঃখ বেদনায় ভরে যায়। [তাইসিরুল কুরআন]

অতঃপর আল্লাহ (পূর্ববর্তী) সত্য অস্বীকারকারীদের থেকে প্রতিশোধ গ্রহণ করেছিলেন।

আয-যুখরুফ, ৪৩:২৫
فَانْتَقَمْنَا مِنْهُمْ فَانْظُرْ كَيْفَ كَانَ عَاقِبَةُ الْمُكَذِّبِينَ ﴿٢٥﴾
অতঃপর আমি তাদের উপর প্রতিশোধ গ্রহণ করলাম, এখন দেখ, মিথ্যুকদের পরিণতি কী হয়েছিল। [তাইসিরুল কুরআন]

অতএব, আপনি লক্ষ্য করুন, সত্য অস্বীকারকারীদের শেষ পরিণতি কেমন হয়েছিল।

আয-যুখরুফ, ৪৩:২৫
فَانْتَقَمْنَا مِنْهُمْ فَانْظُرْ كَيْفَ كَانَ عَاقِبَةُ الْمُكَذِّبِينَ ﴿٢٥﴾
অতঃপর আমি তাদের উপর প্রতিশোধ গ্রহণ করলাম, এখন দেখ, মিথ্যুকদের পরিণতি কী হয়েছিল। [তাইসিরুল কুরআন]

হে কাফিররা, তোমরা কি তোমাদের পূর্ববর্তী ধ্বংসপ্রাপ্ত জাতিগুলো থেকে উত্তম?

আল-কামার, ৫৪:৪৩
أَكُفَّارُكُمْ خَيْرٌ مِنْ أُولَئِكُمْ أَمْ لَكُمْ بَرَاءَةٌ فِي الزُّبُرِ ﴿٤٣﴾
তোমাদের (মক্কাবাসী) কাফিররা কি এ লোকেদের চেয়ে ভাল? নাকি (আসমানী) গ্রন্থাদিতে তোমাদেরকে ক্ষমা করে দেয়ার কথা লেখা আছে? [তাইসিরুল কুরআন]

অবশেষে কাফিররা তাদের সেই প্রতিশ্রুত দিবসের সম্মুখীন হবে।

আয-যুখরুফ, ৪৩:৮৩
فَذَرْهُمْ يَخُوضُوا وَيَلْعَبُوا حَتَّى يُلَاقُوا يَوْمَهُمُ الَّذِي يُوعَدُونَ ﴿٨٣﴾
কাজেই তাদেরকে বাক-চতুরতা ও ক্রীড়া-কৌতুক করতে দাও সে দিনের সাক্ষাৎ পর্যন্ত যে দিনের ও‘য়াদা তাদেরকে দেয়া হয়েছে। [তাইসিরুল কুরআন]

সেদিন (কিয়ামত দিবসে) সত্য অস্বীকারকারীদের জন্য রয়েছে মহাদুর্ভোগ।

আল-মুতাফফিফীন, ৮৩:১০
وَيْلٌ يَوْمَئِذٍ لِلْمُكَذِّبِينَ ﴿١٠﴾
সেদিন দুর্ভোগ হবে অস্বীকারকারীদের, [তাইসিরুল কুরআন]

কাফিররা তাদের কৃতকর্মের প্রতিফল পেয়েছে।

আল-মুতাফফিফীন, ৮৩:৩৬
هَلْ ثُوِّبَ الْكُفَّارُ مَا كَانُوا يَفْعَلُونَ ﴿٣٦﴾
কাফিররা যা করত তার ‘সওয়াব’ পেল তো? [তাইসিরুল কুরআন]

অস্বীকারকারীদের প্রতি আল্লাহর শাস্তি ছিল অত্যন্ত কঠোর।

আল-মুলক, ৬৭:১৮
وَلَقَدْ كَذَّبَ الَّذِينَ مِنْ قَبْلِهِمْ فَكَيْفَ كَانَ نَكِيرِ ﴿١٨﴾
তাদের আগের লোকেরাও (আমার সতর্কবাণী) প্রত্যাখ্যান করেছিল, ফলে কেমন (কঠোর) হয়েছিল আমার শাস্তি! [তাইসিরুল কুরআন]

তখন কাফিরদেরকে বলা হবে, 'এটাই তো সেই শাস্তি যা তোমরা (দুনিয়াতে) দাবি করতে'।

আল-মুলক, ৬৭:২৭
فَلَمَّا رَأَوْهُ زُلْفَةً سِيئَتْ وُجُوهُ الَّذِينَ كَفَرُوا وَقِيلَ هَذَا الَّذِي كُنْتُمْ بِهِ تَدَّعُونَ ﴿٢٧﴾
অতঃপর যখন তারা তাকে (অর্থাৎ ক্বিয়ামতকে) নিকটে উপস্থিত দেখতে পাবে, তখন কাফিরদের মুখ মলিন হয়ে যাবে, আর (তাদেরকে) বলা হবে, ‘এই তো (ও‘য়াদা বাস্তবায়িত হয়েছে) যা তোমরা চাচ্ছিলে।’ [তাইসিরুল কুরআন]

কাফিরদের জান্নাতে প্রবেশের আকাঙ্ক্ষা কখনোই পূরণ হবে না।

আল-মা'আরিজ, ৭০:৩৯
كَلَّا إِنَّا خَلَقْنَاهُمْ مِمَّا يَعْلَمُونَ ﴿٣٩﴾
কক্ষনো না, আমি তাদেরকে কী থেকে সৃষ্টি করেছি তা তারা জানে (এমন নগণ্য বস্তু থেকে সৃষ্ট মানুষ কেবল মানুষ হয়ে জন্ম নেয়ার কারণেই জান্নাতে চলে যাবে এ রকম লোভ করা বড়ই অবিবেচনাপ্রসূত ব্যাপার)। [তাইসিরুল কুরআন]

কাফিররা তাদের প্রতিশ্রুত বিষয়কে অবশেষে প্রত্যক্ষ করবে।

আল-জিন, ৭২:২৪
حَتَّى إِذَا رَأَوْا مَا يُوعَدُونَ فَسَيَعْلَمُونَ مَنْ أَضْعَفُ نَاصِرًا وَأَقَلُّ عَدَدًا ﴿٢٤﴾
অবশেষে তারা যখন প্রতিশ্রুত শাস্তি দেখতে পাবে, তখন তারা জানতে পারবে যে, সাহায্যকারী হিসেবে কে সবচেয়ে দুর্বল, আর সংখ্যায় কারা সবচেয়ে কম। [তাইসিরুল কুরআন]

তখন কাফিররা জানতে পারবে, সাহায্যকারীর দিক থেকে কারা অধিক দুর্বল।

আল-জিন, ৭২:২৪
حَتَّى إِذَا رَأَوْا مَا يُوعَدُونَ فَسَيَعْلَمُونَ مَنْ أَضْعَفُ نَاصِرًا وَأَقَلُّ عَدَدًا ﴿٢٤﴾
অবশেষে তারা যখন প্রতিশ্রুত শাস্তি দেখতে পাবে, তখন তারা জানতে পারবে যে, সাহায্যকারী হিসেবে কে সবচেয়ে দুর্বল, আর সংখ্যায় কারা সবচেয়ে কম। [তাইসিরুল কুরআন]

এবং কাফিররা আরও জানতে পারবে, সংখ্যার দিক থেকে কারা অধিক নগণ্য।

আল-জিন, ৭২:২৪
حَتَّى إِذَا رَأَوْا مَا يُوعَدُونَ فَسَيَعْلَمُونَ مَنْ أَضْعَفُ نَاصِرًا وَأَقَلُّ عَدَدًا ﴿٢٤﴾
অবশেষে তারা যখন প্রতিশ্রুত শাস্তি দেখতে পাবে, তখন তারা জানতে পারবে যে, সাহায্যকারী হিসেবে কে সবচেয়ে দুর্বল, আর সংখ্যায় কারা সবচেয়ে কম। [তাইসিরুল কুরআন]

অতঃপর পুনরায়, সেই অবিশ্বাসী ব্যক্তির জন্য ধ্বংস ও দুর্ভোগ।

আল-ক্বিয়ামাহ, ৭৫:৩৫
ثُمَّ أَوْلَى لَكَ فَأَوْلَى ﴿٣٥﴾
অতঃপর তোমার জন্য দুর্ভোগের উপর দুর্ভোগ। [তাইসিরুল কুরআন]

চূড়ান্ত ফয়সালার জন্য বিচার দিবসকে নির্দিষ্ট করা হয়েছে।

আল-মুরসালাত, ৭৭:১৩
لِيَوْمِ الْفَصْلِ ﴿١٣﴾
চূড়ান্ত ফয়সালার দিনের জন্য। [তাইসিরুল কুরআন]

কিয়ামত দিবসে সত্য প্রত্যাখ্যানকারীদের জন্য মহাদুর্ভোগ।

আল-মুরসালাত, ৭৭:১৯
وَيْلٌ يَوْمَئِذٍ لِلْمُكَذِّبِينَ ﴿١٩﴾
সে দিন দুর্ভোগ সত্য প্রত্যাখ্যানকারীদের জন্য। [তাইসিরুল কুরআন]

কিয়ামতের দিন সত্য প্রত্যাখ্যানকারীদের জন্য দুর্ভোগ রয়েছে।

আল-মুরসালাত, ৭৭:৪৫
وَيْلٌ يَوْمَئِذٍ لِلْمُكَذِّبِينَ ﴿٤٥﴾
সেদিন দুর্ভোগ সত্য প্রত্যাখ্যানকারীদের জন্য। [তাইসিরুল কুরআন]

কিয়ামতের দিন মিথ্যারোপকারীদের জন্য মহাদুর্ভোগ।

আল-মুরসালাত, ৭৭:৪৭
وَيْلٌ يَوْمَئِذٍ لِلْمُكَذِّبِينَ ﴿٤٧﴾
সেদিন দুর্ভোগ সত্য প্রত্যাখ্যানকারীদের জন্য। [তাইসিরুল কুরআন]

কাফিরদের জন্য নির্ধারিত প্রতিদান তাদের কর্মের সম্পূর্ণ উপযুক্ত।

আন-নাবা, ৭৮:২৬
جَزَاءً وِفَاقًا ﴿٢٦﴾
উপযুক্ত প্রতিফল। [তাইসিরুল কুরআন]

কাফিরদেরকে বলা হবে, 'তোমরা (তোমাদের কর্মফল) আস্বাদন করো'।

আন-নাবা, ৭৮:৩০
فَذُوقُوا فَلَنْ نَزِيدَكُمْ إِلَّا عَذَابًا ﴿٣٠﴾
অতএব এখন স্বাদ গ্রহণ কর, আমি তোমাদের জন্য কেবল শাস্তিই বৃদ্ধি করব (অন্য আর কিছু নয়)। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ কাফিরদের জন্য শাস্তি ছাড়া আর কিছুই বৃদ্ধি করবেন না।

আন-নাবা, ৭৮:৩০
فَذُوقُوا فَلَنْ نَزِيدَكُمْ إِلَّا عَذَابًا ﴿٣٠﴾
অতএব এখন স্বাদ গ্রহণ কর, আমি তোমাদের জন্য কেবল শাস্তিই বৃদ্ধি করব (অন্য আর কিছু নয়)। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ কাফিরদের জন্য যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি প্রস্তুত করে রেখেছেন।

আল-আহযাব, ৩৩:৮
لِيَسْأَلَ الصَّادِقِينَ عَنْ صِدْقِهِمْ وَأَعَدَّ لِلْكَافِرِينَ عَذَابًا أَلِيمًا ﴿٨﴾
সত্যবাদীদেরকে (অর্থাৎ নবীদেরকে) তাদের সত্যবাদিতা (অর্থাৎ আল্লাহর বাণী পৌঁছে দেয়ার কাজ) সম্পর্কে জিজ্ঞেস করার জন্য। তিনি কাফিরদের জন্য প্রস্তুত করে রেখেছেন ভয়াবহ শাস্তি। [তাইসিরুল কুরআন]

সেদিন (কিয়ামত দিবসে) সত্য অস্বীকারকারীদের জন্য রয়েছে মহাদুর্ভোগ।

আল-মুরসালাত, ৭৭:২৮
وَيْلٌ يَوْمَئِذٍ لِلْمُكَذِّبِينَ ﴿٢٨﴾
সেদিন দুর্ভোগ সত্য প্রত্যাখ্যানকারীদের জন্য। [তাইসিরুল কুরআন]
ফন্ট সাইজ
15px
17px