বিষয়ভিত্তিক কুরআন > কুফরের তাৎপর্য
কুফরী করার কোন যৌক্তিকতা নেই:
আল-বাকারা, ২:২৮ ⋮
كَيْفَ تَكْفُرُونَ بِاللَّهِ وَكُنْتُمْ أَمْوَاتًا فَأَحْيَاكُمْ ثُمَّ يُمِيتُكُمْ ثُمَّ يُحْيِيكُمْ ثُمَّ إِلَيْهِ تُرْجَعُونَ ﴿٢٨﴾
তোমরা আল্লাহকে কীভাবে অস্বীকার করছ? অথচ তোমরা ছিলে মৃত, অতঃপর তিনি তোমাদেরকে জীবন্ত করেছেন, আবার তোমাদের মৃত্যু ঘটাবেন, তারপর আবার জীবিত করবেন, তারপর তাঁর দিকেই তোমরা ফিরে যাবে। [তাইসিরুল কুরআন]
আলে-ইমরান, ৩:১০১ ⋮
وَكَيْفَ تَكْفُرُونَ وَأَنْتُمْ تُتْلَى عَلَيْكُمْ آيَاتُ اللَّهِ وَفِيكُمْ رَسُولُهُ وَمَنْ يَعْتَصِمْ بِاللَّهِ فَقَدْ هُدِيَ إِلَى صِرَاطٍ مُسْتَقِيمٍ ﴿١٠١﴾
আর তোমরা কেমন করে কুফরী করতে পার যখন তোমাদেরকে আল্লাহর আয়াতসমূহ পড়ে শুনানো হচ্ছে এবং তোমাদের মাঝে তাঁর রসূলও মওজুদ আছেন? যে ব্যক্তি আল্লাহকে সুদৃঢ়ভাবে গ্রহণ করে, নিশ্চয়ই সে সরল পথের দিকে পরিচালিত হবে। [তাইসিরুল কুরআন]
কুফরী কালিমা নিম্নমানের:
আত-তাওবা, ৯:৪০ ⋮
إِلَّا تَنْصُرُوهُ فَقَدْ نَصَرَهُ اللَّهُ إِذْ أَخْرَجَهُ الَّذِينَ كَفَرُوا ثَانِيَ اثْنَيْنِ إِذْ هُمَا فِي الْغَارِ إِذْ يَقُولُ لِصَاحِبِهِ لَا تَحْزَنْ إِنَّ اللَّهَ مَعَنَا فَأَنْزَلَ اللَّهُ سَكِينَتَهُ عَلَيْهِ وَأَيَّدَهُ بِجُنُودٍ لَمْ تَرَوْهَا وَجَعَلَ كَلِمَةَ الَّذِينَ كَفَرُوا السُّفْلَى وَكَلِمَةُ اللَّهِ هِيَ الْعُلْيَا وَاللَّهُ عَزِيزٌ حَكِيمٌ ﴿٤٠﴾
যদি তোমরা তাকে [অর্থাৎ রসূল (সা.)-কে] সাহায্য না কর (তাতে কোনই পরোয়া নেই) কারণ আল্লাহ তো তাকে সেই সময় সাহায্য করেছেন যখন কাফিররা তাকে বের করে দিয়েছিল, সে ছিল দু’জনের দ্বিতীয়জন যখন তারা দু’জন গুহার মধ্যে ছিল, যখন সে তার সঙ্গীকে বলছিল, ‘চিন্তা করো না, আল্লাহ আমাদের সঙ্গে আছেন’। তখন আল্লাহ তার প্রতি তাঁর প্রশান্তি বর্ষণ করলেন আর তাকে এমন সেনাবাহিনী দিয়ে শক্তিশালী করলেন তোমরা যা দেখতে পাওনি, আর তিনি কাফিরদের মুখের বুলিকে গভীর নীচে ফেলে দিলেন। আর আল্লাহর বাণীই রয়েছে সর্বোচ্চ। আল্লাহ হলেন প্রবল পরাক্রান্ত, মহাবিজ্ঞানী। [তাইসিরুল কুরআন]
কুফরী কালিমার স্থায়িত্ব নেই:
ইবরাহীম, ১৪:২৬ ⋮
وَمَثَلُ كَلِمَةٍ خَبِيثَةٍ كَشَجَرَةٍ خَبِيثَةٍ اجْتُثَّتْ مِنْ فَوْقِ الْأَرْضِ مَا لَهَا مِنْ قَرَارٍ ﴿٢٦﴾
মন্দ বাক্য মন্দ বৃক্ষের সঙ্গে তুলনীয়, ভূপৃষ্ঠের উপরিভাগেই যাকে মূল থেকে উপড়ে ফেলা হয়েছে, যার কোন স্থায়িত্ব নেই। [তাইসিরুল কুরআন]
কুফরী দুনিয়া ও আখিরাতের জন্য ক্ষতিকর:
আলে-ইমরান, ৩:৫৬ ⋮
فَأَمَّا الَّذِينَ كَفَرُوا فَأُعَذِّبُهُمْ عَذَابًا شَدِيدًا فِي الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ وَمَا لَهُمْ مِنْ نَاصِرِينَ ﴿٥٦﴾
অতঃপর যারা অবিশ্বাসী, তাদেরকে দুনিয়া ও আখেরাতে কঠোর শাস্তি দেব এবং কেউই তাদের সাহায্যকারী নেই। [তাইসিরুল কুরআন]
কুফরীর কারণে অন্তরে মরিচা পড়ে যায়:
আল-আ'রাফ, ৭:১০১ ⋮
تِلْكَ الْقُرَى نَقُصُّ عَلَيْكَ مِنْ أَنْبَائِهَا وَلَقَدْ جَاءَتْهُمْ رُسُلُهُمْ بِالْبَيِّنَاتِ فَمَا كَانُوا لِيُؤْمِنُوا بِمَا كَذَّبُوا مِنْ قَبْلُ كَذَلِكَ يَطْبَعُ اللَّهُ عَلَى قُلُوبِ الْكَافِرِينَ ﴿١٠١﴾
এসব জনপদের কিছু বিবরণ তোমাকে জানালাম। তাদের কাছে তো তাদের রসূলগণ স্পষ্ট প্রমাণ নিয়ে এসেছিল, কিন্তু যেহেতু তারা আগেভাগেই প্রত্যাখ্যান করে দিয়েছিল এজন্য আর ঈমান আনতে প্রস্তুত ছিল না। এভাবে আল্লাহ কাফিরদের অন্তরে সীল লাগিয়ে দেন। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-বাকারা, ২:৭ ⋮
خَتَمَ اللَّهُ عَلَى قُلُوبِهِمْ وَعَلَى سَمْعِهِمْ وَعَلَى أَبْصَارِهِمْ غِشَاوَةٌ وَلَهُمْ عَذَابٌ عَظِيمٌ ﴿٧﴾
আল্লাহ তাদের অন্তর ও কানের উপর মোহর করে দিয়েছেন, আর তাদের চোখে আছে আবরণ আর তাদের জন্য আছে মহা শাস্তি। [তাইসিরুল কুরআন]
কুফর বিতর্কে টিকতে পারে না:
আল-বাকারা, ২:২৫৮ ⋮
أَلَمْ تَرَ إِلَى الَّذِي حَاجَّ إِبْرَاهِيمَ فِي رَبِّهِ أَنْ آتَاهُ اللَّهُ الْمُلْكَ إِذْ قَالَ إِبْرَاهِيمُ رَبِّيَ الَّذِي يُحْيِي وَيُمِيتُ قَالَ أَنَا أُحْيِي وَأُمِيتُ قَالَ إِبْرَاهِيمُ فَإِنَّ اللَّهَ يَأْتِي بِالشَّمْسِ مِنَ الْمَشْرِقِ فَأْتِ بِهَا مِنَ الْمَغْرِبِ فَبُهِتَ الَّذِي كَفَرَ وَاللَّهُ لَا يَهْدِي الْقَوْمَ الظَّالِمِينَ ﴿٢٥٨﴾
তুমি কি সেই ব্যক্তির ঘটনা সম্পর্কে চিন্তা কর নি, যে ইবরাহীমের সঙ্গে তার প্রতিপালক সম্বন্ধে তর্ক করেছিল, যেহেতু আল্লাহ তাকে রাজত্ব দান করেছিলেন। ইবরাহীম তাকে যখন বলল, ‘আমার প্রতিপালক তিনিই, যিনি জীবিত করেন এবং মৃত্যু ঘটান’। সে বলল, ‘আমিও জীবিত করি এবং মৃত্যু ঘটাই’। ইবরাহীম বলল, ‘আল্লাহ সূর্যকে পূর্ব দিক থেকে উদিত করেন, তুমি তাকে পশ্চিম দিক থেকে উদিত কর’। তখন সেই কাফিরটি হতভম্ব হয়ে গেল। বস্তুতঃ আল্লাহ যালিমদেরকে সুপথ দেখান না। [তাইসিরুল কুরআন]
কুফরী করলে আল্লাহর কোন ক্ষতি হয় না:
মুহাম্মাদ, ৪৭:৩২ ⋮
إِنَّ الَّذِينَ كَفَرُوا وَصَدُّوا عَنْ سَبِيلِ اللَّهِ وَشَاقُّوا الرَّسُولَ مِنْ بَعْدِ مَا تَبَيَّنَ لَهُمُ الْهُدَى لَنْ يَضُرُّوا اللَّهَ شَيْئًا وَسَيُحْبِطُ أَعْمَالَهُمْ ﴿٣٢﴾
যারা কুফুরী করে আর আল্লাহর পথে চলতে বাধা সৃষ্টি করে, আর তাদের নিকট সত্য পথ স্পষ্ট হয়ে যাওয়ার পরও রসূলের বিরোধিতা করে, তারা আল্লাহর কোনই ক্ষতি করতে পারবে না। আল্লাহ তাদের যাবতীয় ‘আমাল নষ্ট করে দিবেন। [তাইসিরুল কুরআন]
কুফরী নিজের ক্ষতি ডেকে আনে:
আর-রুম, ৩০:৪৪ ⋮
مَنْ كَفَرَ فَعَلَيْهِ كُفْرُهُ وَمَنْ عَمِلَ صَالِحًا فَلِأَنْفُسِهِمْ يَمْهَدُونَ ﴿٤٤﴾
যে কুফুরী করে সেই তার কুফুরীর শাস্তি ভোগ করবে, আর যারা সৎকর্ম করে তারা নিজেদেরই সুখ সরঞ্জাম সংগ্রহ করছে। [তাইসিরুল কুরআন]
কুফরী মূলত শয়তানের কাজ:
আল-বাকারা, ২:১০২ ⋮
وَاتَّبَعُوا مَا تَتْلُو الشَّيَاطِينُ عَلَى مُلْكِ سُلَيْمَانَ وَمَا كَفَرَ سُلَيْمَانُ وَلَكِنَّ الشَّيَاطِينَ كَفَرُوا يُعَلِّمُونَ النَّاسَ السِّحْرَ وَمَا أُنْزِلَ عَلَى الْمَلَكَيْنِ بِبَابِلَ هَارُوتَ وَمَارُوتَ وَمَا يُعَلِّمَانِ مِنْ أَحَدٍ حَتَّى يَقُولَا إِنَّمَا نَحْنُ فِتْنَةٌ فَلَا تَكْفُرْ فَيَتَعَلَّمُونَ مِنْهُمَا مَا يُفَرِّقُونَ بِهِ بَيْنَ الْمَرْءِ وَزَوْجِهِ وَمَا هُمْ بِضَارِّينَ بِهِ مِنْ أَحَدٍ إِلَّا بِإِذْنِ اللَّهِ وَيَتَعَلَّمُونَ مَا يَضُرُّهُمْ وَلَا يَنْفَعُهُمْ وَلَقَدْ عَلِمُوا لَمَنِ اشْتَرَاهُ مَا لَهُ فِي الْآخِرَةِ مِنْ خَلَاقٍ وَلَبِئْسَ مَا شَرَوْا بِهِ أَنْفُسَهُمْ لَوْ كَانُوا يَعْلَمُونَ ﴿١٠٢﴾
এবং সুলায়মানের রাজত্বকালে শয়ত্বানরা যা পাঠ করত, তারা তা অনুসরণ করত, মূলতঃ সুলায়মান কুফরী করেনি বরং শয়ত্বানরাই কুফুরী করেছিল, তারা মানুষকে যাদু শিক্ষা দিত এবং যা বাবিলের দু’জন ফেরেশতা হারূত ও মারূতের উপর পৌঁছানো হয়েছিল এবং ফেরেশতাদ্বয় কাউকেও (তা) শিখাতো না যে পর্যন্ত না বলত, আমরা পরীক্ষা স্বরূপ, কাজেই তুমি কুফরী কর না,এতদসত্ত্বেও তারা উভয়ের নিকট হতে এমন জিনিস শিক্ষা করতো, যদ্বারা তারা স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিচ্ছেদ সৃষ্টি করতো, মূলতঃ তারা তাদের এ কাজ দ্বারা আল্লাহর বিনা হুকুমে কারও ক্ষতি করতে পারত না, বস্তুতঃ এরা এমন বিদ্যা শিখত, যদ্দ্বারা তাদের ক্ষতি সাধিত হত আর এদের কোন উপকার হত না এবং অবশ্যই তারা জানত যে, যে ব্যক্তি ঐ কাজ অবলম্বন করবে পরকালে তার কোনই অংশ থাকবে না, আর যার পরিবর্তে তারা স্বীয় আত্মাগুলোকে বিক্রয় করেছে, তা কতই না জঘন্য, যদি তারা জানত! [তাইসিরুল কুরআন]
শয়তান মানুষকে কুফরীর দিকে আকৃষ্ট করে:
মারইয়াম, ১৯:৮৩ ⋮
أَلَمْ تَرَ أَنَّا أَرْسَلْنَا الشَّيَاطِينَ عَلَى الْكَافِرِينَ تَؤُزُّهُمْ أَزًّا ﴿٨٣﴾
তুমি কি লক্ষ্য কর না যে, আমি কাফিরদের জন্য শয়ত্বানকে ছেড়ে রেখেছি তাদেরকে মন্দ কর্ম করতে প্ররোচিত করার জন্য। [তাইসিরুল কুরআন]
ঈমানের বিনিময়ে কুফরকে ক্রয়কারীদের জন্য যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি রয়েছে।
আলে-ইমরান, ৩:১৭৭ ⋮
إِنَّ الَّذِينَ اشْتَرَوُا الْكُفْرَ بِالْإِيمَانِ لَنْ يَضُرُّوا اللَّهَ شَيْئًا وَلَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌ ﴿١٧٧﴾
যারা ঈমানের বিনিময়ে কুফরী ক্রয় করেছে, তারা কক্ষনো আল্লাহর কিছুমাত্র অনিষ্ট করতে পারবে না, তাদের জন্য আছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি। [তাইসিরুল কুরআন]
অবিশ্বাসীরা এই কুরআনের প্রতি ঈমান স্থাপন করে না।
আল-হিজর, ১৫:১৩ ⋮
لَا يُؤْمِنُونَ بِهِ وَقَدْ خَلَتْ سُنَّةُ الْأَوَّلِينَ ﴿١٣﴾
তারা এর প্রতি ঈমান আনবে না, পূর্ববর্তী লোকেদেরও এ নিয়ম-নীতি চলে এসেছে। [তাইসিরুল কুরআন]
কাফিররা বলত, 'আমাদের দৃষ্টিকে কেবল মোহাচ্ছন্ন করা হয়েছে'।
আল-হিজর, ১৫:১৫ ⋮
لَقَالُوا إِنَّمَا سُكِّرَتْ أَبْصَارُنَا بَلْ نَحْنُ قَوْمٌ مَسْحُورُونَ ﴿١٥﴾
তারা অবশ্যই বলত, ‘আমাদের চোখকে বাঁধিয়ে দেয়া হয়েছে, বরং আমাদের উপর যাদু করা হয়েছে।’ [তাইসিরুল কুরআন]
অবিশ্বাসীরা সত্যকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছে।
আশ-শুআ'রা, ২৬:৬ ⋮
فَقَدْ كَذَّبُوا فَسَيَأْتِيهِمْ أَنْبَاءُ مَا كَانُوا بِهِ يَسْتَهْزِئُونَ ﴿٦﴾
তারা (আল্লাহর বাণীকে) অস্বীকারই করেছে, শীঘ্রই তাদের কাছে তার সত্য উদঘাটিত হবে যা নিয়ে তারা ঠাট্টা-বিদ্রূপ করত। [তাইসিরুল কুরআন]
তবে কি কাফিররা আল্লাহর শাস্তি নিয়েই তাড়াহুড়ো করছে?
আশ-শুআ'রা, ২৬:২০৪ ⋮
أَفَبِعَذَابِنَا يَسْتَعْجِلُونَ ﴿٢٠٤﴾
তারা কি আমার শাস্তি দ্রুত কামনা করে? [তাইসিরুল কুরআন]
কথোপকথনকালে মু'মিন সঙ্গী তার কাফির সঙ্গীকে তার সৃষ্টিকর্তাকে অস্বীকার করার বিষয়ে প্রশ্ন করল।
আল-কাহফ, ১৮:৩৭ ⋮
قَالَ لَهُ صَاحِبُهُ وَهُوَ يُحَاوِرُهُ أَكَفَرْتَ بِالَّذِي خَلَقَكَ مِنْ تُرَابٍ ثُمَّ مِنْ نُطْفَةٍ ثُمَّ سَوَّاكَ رَجُلًا ﴿٣٧﴾
কথার প্রসঙ্গ টেনে তার সাথী বলল, ‘তুমি কি তাঁকে অস্বীকার করছ যিনি তোমাকে মাটি থেকে সৃষ্টি করেছেন, অতঃপর শুক্র-কীট হতে, অতঃপর তোমাকে পূর্ণাঙ্গ দেহসম্পন্ন মানুষ বানিয়ে দিয়েছেন? [তাইসিরুল কুরআন]
অথচ ফেরাউন ও তার সম্প্রদায়ের অন্তর নিদর্শনগুলোর সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত ছিল।
আন-নামাল, ২৭:১৪ ⋮
وَجَحَدُوا بِهَا وَاسْتَيْقَنَتْهَا أَنْفُسُهُمْ ظُلْمًا وَعُلُوًّا فَانْظُرْ كَيْفَ كَانَ عَاقِبَةُ الْمُفْسِدِينَ ﴿١٤﴾
তারা অন্যায় ঔদ্ধত্যভরে নিদর্শনগুলোকে প্রত্যাখ্যান করল যদিও তাদের অন্তর এগুলোকে সত্য বলে বিশ্বাস করেছিল। অতএব দেখ, ফাসাদ সৃষ্টিকারীদের পরিণতি কেমন হয়েছিল! [তাইসিরুল কুরআন]
এবং কাফিররা ঘোষণা করেছিল যে, তারা মূসা (আঃ) ও মুহাম্মদ (ﷺ) উভয়ের আনীত সবকিছুকেই প্রত্যাখ্যানকারী।
আল-কাসাস, ২৮:৪৮ ⋮
فَلَمَّا جَاءَهُمُ الْحَقُّ مِنْ عِنْدِنَا قَالُوا لَوْلَا أُوتِيَ مِثْلَ مَا أُوتِيَ مُوسَى أَوَلَمْ يَكْفُرُوا بِمَا أُوتِيَ مُوسَى مِنْ قَبْلُ قَالُوا سِحْرَانِ تَظَاهَرَا وَقَالُوا إِنَّا بِكُلٍّ كَافِرُونَ ﴿٤٨﴾
অতঃপর আমার নিকট থেকে তাদের কাছে যখন সত্য আসল তখন তারা বলল- ‘মূসাকে যা দেয়া হয়েছিল তাকে কেন সেরূপ দেয়া হল না? ইতোপূর্বে মূসাকে যা দেয়া হয়েছিল তারা কি তা অস্বীকার করেনি?’ তারা বলেছিল- ‘দু’টোই যাদু, একটা আরেকটার সহায়তাকারী। আর তারা বলেছিল আমরা (তাওরাত ও কুরআন) সবই প্রত্যাখ্যান করি।’ [তাইসিরুল কুরআন]
এবং ফিরআউন (ঈমান আনতে) অস্বীকৃতি জানালো।
ত্ব-হা, ২০:৫৬ ⋮
وَلَقَدْ أَرَيْنَاهُ آيَاتِنَا كُلَّهَا فَكَذَّبَ وَأَبَى ﴿٥٦﴾
আমি তাকে (অর্থাৎ ফেরাউনকে) আমার যাবতীয় নিদর্শন দেখিয়েছিলাম কিন্তু সে মিথ্যে মনে ক’রে প্রত্যাখ্যান করেছে ও অমান্য করেছে। [তাইসিরুল কুরআন]
ইবরাহিম (আঃ) তার সম্প্রদায়কে বললেন যে, তারা সুস্পষ্ট পথভ্রষ্টতায় লিপ্ত রয়েছে।
আল-আম্বিয়া, ২১:৫৪ ⋮
قَالَ لَقَدْ كُنْتُمْ أَنْتُمْ وَآبَاؤُكُمْ فِي ضَلَالٍ مُبِينٍ ﴿٥٤﴾
সে বলল, ‘তোমরা রয়েছ স্পষ্ট গুমরাহীতে, তোমরা আর তোমাদের পিতৃপুরুষরাও।’ [তাইসিরুল কুরআন]
অতঃপর আল্লাহ (অস্বীকারকারী) কাফিরদেরকে অবকাশ দিয়েছিলেন।
আল-হজ্জ, ২২:৪৪ ⋮
وَأَصْحَابُ مَدْيَنَ وَكُذِّبَ مُوسَى فَأَمْلَيْتُ لِلْكَافِرِينَ ثُمَّ أَخَذْتُهُمْ فَكَيْفَ كَانَ نَكِيرِ ﴿٤٤﴾
আর মাদইয়ানবাসীরাও [অস্বীকার করেছিল যারা ছিল শু‘আয়ব (আঃ)-এর সম্প্রদায়], আর মূসাকেও অস্বীকার করা হয়েছিল। আমি অস্বীকারকারীদেরকে সময়- সুযোগ দিয়েছিলাম, অতঃপর তাদেরকে পাকড়াও করেছিলাম। কত ভীষণ ছিল আমাকে অস্বীকার করার পরিণতি! [তাইসিরুল কুরআন]
কাফিররা তাদেরকে দেওয়া পুনরুত্থানের প্রতিশ্রুতিকে এক অসম্ভব ও সুদূরপরাহত বিষয় বলে ঘোষণা করে।
আল-মুমিনুন, ২৩:৩৬ ⋮
هَيْهَاتَ هَيْهَاتَ لِمَا تُوعَدُونَ ﴿٣٦﴾
দূরে ওটা, বহু দূরে যার ওয়া‘দা তোমাদেরকে দেয়া হচ্ছে। [তাইসিরুল কুরআন]
কাফিরদের বিশ্বাস, এই পার্থিব জীবনই একমাত্র জীবন।
আল-মুমিনুন, ২৩:৩৭ ⋮
إِنْ هِيَ إِلَّا حَيَاتُنَا الدُّنْيَا نَمُوتُ وَنَحْيَا وَمَا نَحْنُ بِمَبْعُوثِينَ ﴿٣٧﴾
আমাদের এ দুনিয়ার জীবন ছাড়া কিছুই নেই, এখানেই আমরা মরি বাঁচি, আমাদেরকে কক্ষনো আবার উঠানো হবে না। [তাইসিরুল কুরআন]
কাফিরদের বিশ্বাস, তারা (এই পৃথিবীতেই) মৃত্যুবরণ করে।
আল-মুমিনুন, ২৩:৩৭ ⋮
إِنْ هِيَ إِلَّا حَيَاتُنَا الدُّنْيَا نَمُوتُ وَنَحْيَا وَمَا نَحْنُ بِمَبْعُوثِينَ ﴿٣٧﴾
আমাদের এ দুনিয়ার জীবন ছাড়া কিছুই নেই, এখানেই আমরা মরি বাঁচি, আমাদেরকে কক্ষনো আবার উঠানো হবে না। [তাইসিরুল কুরআন]
কাফিরদের বিশ্বাস, তারা (এই পৃথিবীতেই) জীবন ধারণ করে।
আল-মুমিনুন, ২৩:৩৭ ⋮
إِنْ هِيَ إِلَّا حَيَاتُنَا الدُّنْيَا نَمُوتُ وَنَحْيَا وَمَا نَحْنُ بِمَبْعُوثِينَ ﴿٣٧﴾
আমাদের এ দুনিয়ার জীবন ছাড়া কিছুই নেই, এখানেই আমরা মরি বাঁচি, আমাদেরকে কক্ষনো আবার উঠানো হবে না। [তাইসিরুল কুরআন]
ফেরাউন ও তার সম্প্রদায় মূসা ও হারুন (আঃ)-কে মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছিল।
আল-মুমিনুন, ২৩:৪৮ ⋮
فَكَذَّبُوهُمَا فَكَانُوا مِنَ الْمُهْلَكِينَ ﴿٤٨﴾
তারা তাদের দু’জনকে মিথ্যে বলে প্রত্যাখ্যান করল, ফলে তারা ধ্বংসপ্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে গেল। [তাইসিরুল কুরআন]
কাফির ব্যক্তি তার প্রতিপালকের বিরুদ্ধে (অসত্যের) পৃষ্ঠপোষকতা করে।
আল-ফুরকান, ২৫:৫৫ ⋮
وَيَعْبُدُونَ مِنْ دُونِ اللَّهِ مَا لَا يَنْفَعُهُمْ وَلَا يَضُرُّهُمْ وَكَانَ الْكَافِرُ عَلَى رَبِّهِ ظَهِيرًا ﴿٥٥﴾
তারা আল্লাহকে বাদ দিয়ে এমন কিছুর ‘ইবাদাত করে যা না পারে তাদের কোন উপকার করতে, আর না পারে কোন ক্ষতি করতে, আর কাফির হচ্ছে তার প্রতিপালকের বিরুদ্ধে সাহায্যকারী। [তাইসিরুল কুরআন]
বস্তুত, তোমরা (অবিশ্বাসীরা) সত্যকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছ।
আল-ফুরকান, ২৫:৭৭ ⋮
قُلْ مَا يَعْبَأُ بِكُمْ رَبِّي لَوْلَا دُعَاؤُكُمْ فَقَدْ كَذَّبْتُمْ فَسَوْفَ يَكُونُ لِزَامًا ﴿٧٧﴾
(কাফিরদেরকে) বল : ‘তোমাদের ব্যাপারে আমার প্রতিপালকের কী প্রয়োজন পড়েছে তোমরা যদি তাঁকে না ডাকো? তোমরা তো তাঁকে অস্বীকার করেছ, কাজেই শীঘ্রই তোমাদের উপর এসে পড়বে অপ্রতিরোধ্য (শাস্তি)। [তাইসিরুল কুরআন]
বস্তুত, এই কাফিররা তাদের প্রতিপালকের সাথে সাক্ষাতের বিষয়টিই অস্বীকার করে।
আস-সাজদাহ, ৩২:১০ ⋮
وَقَالُوا أَئِذَا ضَلَلْنَا فِي الْأَرْضِ أَئِنَّا لَفِي خَلْقٍ جَدِيدٍ بَلْ هُمْ بِلِقَاءِ رَبِّهِمْ كَافِرُونَ ﴿١٠﴾
তারা বলে, কী! আমরা মাটিতে মিশিয়ে গেলেও কি আমাদেরকে আবার নতুন ক’রে সৃষ্টি করা হবে? বরং তারা তাদের প্রতিপালকের সাক্ষাৎকে অস্বীকার করে। [তাইসিরুল কুরআন]
কাফিররা মু'মিনদেরকে বলে, 'তোমরা যদি (তোমাদের দাবীতে) সত্যবাদী হও'।
আস-সাজদাহ, ৩২:২৮ ⋮
وَيَقُولُونَ مَتَى هَذَا الْفَتْحُ إِنْ كُنْتُمْ صَادِقِينَ ﴿٢٨﴾
আর তারা বলেঃ তোমরা যদি সত্যবাদী হও তাহলে বল, এ ফয়সালা কখন হবে? [তাইসিরুল কুরআন]
কাফিররা বলে, 'তোমরা যদি সত্যবাদী হও, তবে এই প্রতিশ্রুতি কবে বাস্তবায়িত হবে?'
সাবা, ৩৪:২৯ ⋮
وَيَقُولُونَ مَتَى هَذَا الْوَعْدُ إِنْ كُنْتُمْ صَادِقِينَ ﴿٢٩﴾
তারা বলে- তুমি যদি সত্যবাদী হও তাহলে বল, (তোমার শুনানো) ও‘য়াদা কখন বাস্তবায়িত হবে? [তাইসিরুল কুরআন]
কিন্তু পূর্ববর্তী জাতিগুলো (আল্লাহর প্রেরিত প্রমাণাদি) অস্বীকার করেছিল।
গাফির, ৪০:২২ ⋮
ذَلِكَ بِأَنَّهُمْ كَانَتْ تَأْتِيهِمْ رُسُلُهُمْ بِالْبَيِّنَاتِ فَكَفَرُوا فَأَخَذَهُمُ اللَّهُ إِنَّهُ قَوِيٌّ شَدِيدُ الْعِقَابِ ﴿٢٢﴾
এটা এজন্য যে, রসূলগণ তাদের কাছে স্পষ্ট (নিদর্শন) নিয়ে এসেছিল। কিন্তু তারা তাদেরকে প্রত্যাখ্যান করেছিল। তখন আল্লাহ তাদেরকে পাকড়াও করেছিলেন। তিনি প্রবল শক্তিধর, শাস্তিদানে কঠোর। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহর সাথে অন্য উপাস্য স্থির করা হলো অবাধ্য কাফিরের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।
কাফ, ৫০:২৬ ⋮
الَّذِي جَعَلَ مَعَ اللَّهِ إِلَهًا آخَرَ فَأَلْقِيَاهُ فِي الْعَذَابِ الشَّدِيدِ ﴿٢٦﴾
যে আল্লাহর সঙ্গে অন্যকে ইলাহ্ বানিয়ে নিয়েছিল। কাজেই তোমরা উভয়ে তাকে কঠিন ‘আযাবে নিক্ষেপ কর। [তাইসিরুল কুরআন]
কাফিররা তাদের প্রতিপালকের সাথে সাক্ষাতের বিষয়ে সন্দেহে রয়েছে।
হা-মীম আস-সাজদা, ৪১:৫৪ ⋮
أَلَا إِنَّهُمْ فِي مِرْيَةٍ مِنْ لِقَاءِ رَبِّهِمْ أَلَا إِنَّهُ بِكُلِّ شَيْءٍ مُحِيطٌ ﴿٥٤﴾
শুনে রাখ, এরা তাদের প্রতিপালকের সঙ্গে সাক্ষাতের ব্যাপারে সন্দেহে পড়ে আছে। শুনে রাখ, তিনি সব কিছুকেই বেষ্টন করে আছেন। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহর আহ্বানে সাড়া দেওয়ার পর যারা তাঁর সম্পর্কে বিতর্ক করে, তাদের যুক্তি-তর্ক তাদের প্রতিপালকের নিকট বাতিল।
আশ-শূরা, ৪২:১৬ ⋮
وَالَّذِينَ يُحَاجُّونَ فِي اللَّهِ مِنْ بَعْدِ مَا اسْتُجِيبَ لَهُ حُجَّتُهُمْ دَاحِضَةٌ عِنْدَ رَبِّهِمْ وَعَلَيْهِمْ غَضَبٌ وَلَهُمْ عَذَابٌ شَدِيدٌ ﴿١٦﴾
আল্লাহর আহবানে সাড়া দেয়ার পর সে সম্পর্কে যারা বিতর্কে লিপ্ত হয়, তাদের দলীল প্রমাণ তাদের রব্ব-এর কাছে বাতিল। তাদের প্রতি (আল্লাহর) গযব আর তাদের জন্য আছে কঠিন শাস্তি। [তাইসিরুল কুরআন]
অবশ্যই কাফিরদের কাছে এমন সব সংবাদ এসেছে, যাতে তাদের জন্য (অন্যায় থেকে) বিরত থাকার মতো যথেষ্ট ভীতিপ্রদর্শন রয়েছে।
আল-কামার, ৫৪:৪ ⋮
وَلَقَدْ جَاءَهُمْ مِنَ الْأَنْبَاءِ مَا فِيهِ مُزْدَجَرٌ ﴿٤﴾
এই লোকেদের কাছে তো (অতীতের জাতিগুলোর) সংবাদ এসেছে যাতে আছে সাবধান বাণী। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ কর্তৃক সৃষ্ট হওয়ার পরেও তোমরা কেন সত্যকে বিশ্বাস কর না?
আল-ওয়াকিয়া, ৫৬:৫৭ ⋮
نَحْنُ خَلَقْنَاكُمْ فَلَوْلَا تُصَدِّقُونَ ﴿٥٧﴾
আমিই তো তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছি, তাহলে তোমরা সত্যকে বিশ্বাস করবে না কেন? [তাইসিরুল কুরআন]
বরং কাফিররা সত্যকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করার মাঝেই নিমগ্ন রয়েছে।
আল-বুরুজ, ৮৫:১৯ ⋮
بَلِ الَّذِينَ كَفَرُوا فِي تَكْذِيبٍ ﴿١٩﴾
তবুও কাফিররা সত্য প্রত্যাখ্যান করেই চলেছে। [তাইসিরুল কুরআন]
কৃপণ ও অমুখাপেক্ষী ব্যক্তি সর্বোত্তম বিষয়কে মিথ্যা প্রতিপন্ন করে।
আল-লাইল, ৯২:৯ ⋮
وَكَذَّبَ بِالْحُسْنَى ﴿٩﴾
আর যা উত্তম তা অমান্য করে, [তাইসিরুল কুরআন]
নামাজে বাধাদানকারী ব্যক্তি সত্যকে অস্বীকার করে।
আল-আলাক, ৯৬:১৩ ⋮
أَرَأَيْتَ إِنْ كَذَّبَ وَتَوَلَّى ﴿١٣﴾
তোমার কী ধারণা যদি সে (অর্থাৎ নিষেধকারী ব্যক্তি) সত্যকে অস্বীকার করে আর মুখ ফিরিয়ে নেয় (তাহলে তার এ কাজ কেমন মনে কর?) [তাইসিরুল কুরআন]
নূহ (আঃ) আল্লাহকে আরও বললেন যে, এই কাফিররা পাপাচারী ও ঘোর অবিশ্বাসী ছাড়া অন্য কারো জন্ম দেবে না।
নূহ, ৭১:২৭ ⋮
إِنَّكَ إِنْ تَذَرْهُمْ يُضِلُّوا عِبَادَكَ وَلَا يَلِدُوا إِلَّا فَاجِرًا كَفَّارًا ﴿٢٧﴾
তুমি যদি তাদেরকে রেহাই দাও, তাহলে তারা তোমার বান্দাহদেরকে গুমরাহ করে দেবে আর কেবল পাপাচারী কাফির জন্ম দিতে থাকবে। [তাইসিরুল কুরআন]
আহলে কিতাব ও মুশরিক কাফিররা সুস্পষ্ট প্রমাণ না আসা পর্যন্ত তাদের কুফরী থেকে নিবৃত্ত হওয়ার ছিল না।
আল-বায়্যিনাহ, ৯৮:১ ⋮
لَمْ يَكُنِ الَّذِينَ كَفَرُوا مِنْ أَهْلِ الْكِتَابِ وَالْمُشْرِكِينَ مُنْفَكِّينَ حَتَّى تَأْتِيَهُمُ الْبَيِّنَةُ ﴿١﴾
কিতাবধারীদের মধ্যে যারা কাফির ছিল তারা আর মুশরিকরা (তাদের ভ্রান্ত মত ও পথ হতে) সরে আসত না যতক্ষণ না তাদের কাছে আসত সুস্পষ্ট প্রমাণ। [তাইসিরুল কুরআন]
নিশ্চয়ই যাদের বিরুদ্ধে আল্লাহর (শাস্তির) বিধান অবধারিত হয়ে গেছে, তারা ঈমান আনবে না।
ইউনুস, ১০:৯৬ ⋮
إِنَّ الَّذِينَ حَقَّتْ عَلَيْهِمْ كَلِمَةُ رَبِّكَ لَا يُؤْمِنُونَ ﴿٩٦﴾
তাদের সম্পর্কে তোমার প্রতিপালকের বাক্য সত্য প্রমাণিত হয়েছে যে, তারা ঈমান আনবে না, [তাইসিরুল কুরআন]
কাফিররা আরও বলত যে, রাসূল প্রেরণ করা হলে তারা আল্লাহর আয়াতসমূহ অনুসরণ করত।
আল-কাসাস, ২৮:৪৭ ⋮
وَلَوْلَا أَنْ تُصِيبَهُمْ مُصِيبَةٌ بِمَا قَدَّمَتْ أَيْدِيهُمْ فَيَقُولُوا رَبَّنَا لَوْلَا أَرْسَلْتَ إِلَيْنَا رَسُولًا فَنَتَّبِعَ آيَاتِكَ وَنَكُونَ مِنَ الْمُؤْمِنِينَ ﴿٤٧﴾
রসূল না পাঠালে তাদের কৃতকর্মের কারণে কোন বিপদ হলে তারা বলত- ‘হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের কাছে রসূল পাঠালে না কেন, পাঠালে তোমার আয়াতসমূহের অনুসরণ করতাম আর আমরা মু’মিন হয়ে যেতাম।’ [তাইসিরুল কুরআন]
কাফিররা এও বলত যে, তারা তখন মু'মিনদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যেত।
আল-কাসাস, ২৮:৪৭ ⋮
وَلَوْلَا أَنْ تُصِيبَهُمْ مُصِيبَةٌ بِمَا قَدَّمَتْ أَيْدِيهُمْ فَيَقُولُوا رَبَّنَا لَوْلَا أَرْسَلْتَ إِلَيْنَا رَسُولًا فَنَتَّبِعَ آيَاتِكَ وَنَكُونَ مِنَ الْمُؤْمِنِينَ ﴿٤٧﴾
রসূল না পাঠালে তাদের কৃতকর্মের কারণে কোন বিপদ হলে তারা বলত- ‘হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের কাছে রসূল পাঠালে না কেন, পাঠালে তোমার আয়াতসমূহের অনুসরণ করতাম আর আমরা মু’মিন হয়ে যেতাম।’ [তাইসিরুল কুরআন]
কাফিররা বিদ্রূপ করে বলে, 'হে আমাদের প্রতিপালক, হিসাব দিবসের পূর্বেই আমাদের প্রাপ্য অংশ (শাস্তি) আমাদেরকে তাড়াতাড়ি দিয়ে দাও।'
সোয়াদ, ৩৮:১৬ ⋮
وَقَالُوا رَبَّنَا عَجِّلْ لَنَا قِطَّنَا قَبْلَ يَوْمِ الْحِسَابِ ﴿١٦﴾
এরা বলে, হে আমাদের প্রতিপালক! হিসাবের দিনের আগেই আমাদের প্রাপ্য (শাস্তি) আমাদেরকে তাড়াতাড়ি দিয়ে দিন। [তাইসিরুল কুরআন]