বিষয়ভিত্তিক কুরআন > তাসবীহ পাঠ করা
আল্লাহর তাসবীহ পাঠের নির্দেশ:
আল-হিজর, ১৫:৯৮ ⋮
فَسَبِّحْ بِحَمْدِ رَبِّكَ وَكُنْ مِنَ السَّاجِدِينَ ﴿٩٨﴾
কাজেই প্রশংসা সহকারে তুমি তোমার প্রতিপালকের পবিত্রতা ঘোষণা কর, আর সাজদাহকারীদের দলভুক্ত হও। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-আ'লা, ৮৭:১ ⋮
سَبِّحِ اسْمَ رَبِّكَ الْأَعْلَى ﴿١﴾
তোমার মহান প্রতিপালকের নামের পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা কর। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-ওয়াকিয়া, ৫৬:৭৪ ⋮
فَسَبِّحْ بِاسْمِ رَبِّكَ الْعَظِيمِ ﴿٧٤﴾
কাজেই (হে নবী!) তুমি তোমার মহান প্রতিপালকের মহিমা ও গৌরব ঘোষণা কর। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-হাক্কাহ, ৬৯:৫২ ⋮
فَسَبِّحْ بِاسْمِ رَبِّكَ الْعَظِيمِ ﴿٥٢﴾
অতএব তুমি তোমার মহান প্রতিপালকের নামের পবিত্রতা ও মহিমা বর্ণনা কর। [তাইসিরুল কুরআন]
সকাল-সন্ধ্যায় তাসবীহ পাঠের নির্দেশ:
আলে-ইমরান, ৩:৪১ ⋮
قَالَ رَبِّ اجْعَلْ لِي آيَةً قَالَ آيَتُكَ أَلَّا تُكَلِّمَ النَّاسَ ثَلَاثَةَ أَيَّامٍ إِلَّا رَمْزًا وَاذْكُرْ رَبَّكَ كَثِيرًا وَسَبِّحْ بِالْعَشِيِّ وَالْإِبْكَارِ ﴿٤١﴾
সে বলল, ‘হে আমার প্রতিপালক! আমার জন্য কোন নিদর্শন দাও’। তিনি বললেন, ‘তোমার জন্য নিদর্শন এই যে, তিনদিন তুমি ইশারা ছাড়া লোকের সঙ্গে কথা বলতে পারবে না এবং তোমার প্রতিপালককে অধিক স্মরণ করবে এবং সকালে ও সন্ধ্যায় তাঁর পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করবে’। [তাইসিরুল কুরআন]
গাফির, ৪০:৫৫ ⋮
فَاصْبِرْ إِنَّ وَعْدَ اللَّهِ حَقٌّ وَاسْتَغْفِرْ لِذَنْبِكَ وَسَبِّحْ بِحَمْدِ رَبِّكَ بِالْعَشِيِّ وَالْإِبْكَارِ ﴿٥٥﴾
কাজেই তুমি ধৈর্য ধারণ কর, (তুমি দেখতে পাবে) আল্লাহর ও‘য়াদা সত্য। তুমি তোমার ভুল-ভ্রান্তির জন্য ক্ষমা প্রার্থনা কর আর সকাল-সন্ধ্যা তোমার প্রতিপালকের প্রশংসা সহকারে পবিত্রতা বর্ণনা কর। [তাইসিরুল কুরআন]
সালাতের শেষে তাসবীহ পাঠের আদেশ:
কাফ, ৫০:৪০ ⋮
وَمِنَ اللَّيْلِ فَسَبِّحْهُ وَأَدْبَارَ السُّجُودِ ﴿٤٠﴾
আর তাঁর প্রশংসা ঘোষণা কর রাত্রির একাংশে আর নামাযের পরে। [তাইসিরুল কুরআন]
ঘুম থেকে উঠার পর তাসবীহ পাঠের আদেশ:
আত-তূর, ৫২:৪৮ ⋮
وَاصْبِرْ لِحُكْمِ رَبِّكَ فَإِنَّكَ بِأَعْيُنِنَا وَسَبِّحْ بِحَمْدِ رَبِّكَ حِينَ تَقُومُ ﴿٤٨﴾
তুমি ধৈর্য ধরে তোমার প্রতিপালকের হুকুমের অপেক্ষায় থাক, কারণ তুমি আমার চোখের সামনেই আছ। আর তুমি তোমার প্রতিপালকের প্রশংসা ঘোষণা কর যখন তুমি উঠ (মাজলিস শেষে, অথবা বিছানা ছেড়ে কিংবা নামাযের জন্য)। [তাইসিরুল কুরআন]
ফেরেশতারা আল্লাহর তাসবীহ পাঠ করে:
আশ-শূরা, ৪২:৫ ⋮
تَكَادُ السَّمَاوَاتُ يَتَفَطَّرْنَ مِنْ فَوْقِهِنَّ وَالْمَلَائِكَةُ يُسَبِّحُونَ بِحَمْدِ رَبِّهِمْ وَيَسْتَغْفِرُونَ لِمَنْ فِي الْأَرْضِ أَلَا إِنَّ اللَّهَ هُوَ الْغَفُورُ الرَّحِيمُ ﴿٥﴾
আকাশ উপর থেকে ফেটে পড়ার উপক্রম হয় (সুমহান আল্লাহর প্রতি শ্রদ্ধাপূর্ণ ভয়ভীতিতে) আর ফেরেশতারা তাদের প্রতিপালকের প্রশংসা ও মহিমা ঘোষণা করে এবং যারা পৃথিবীতে আছে তাদের জন্য (আল্লাহর নিকট) ক্ষমা প্রার্থনা করে। জেনে রেখ, আল্লাহ, তিনি বড়ই ক্ষমাশীল, অতি দয়ালু। [তাইসিরুল কুরআন]
তারা তাসবীহ পাঠে কোন ত্রুটি করে না এবং ক্লান্তও হয় না:
আল-আম্বিয়া, ২১:২০ ⋮
يُسَبِّحُونَ اللَّيْلَ وَالنَّهَارَ لَا يَفْتُرُونَ ﴿٢٠﴾
তারা রাত-দিন তাঁর পবিত্রতা ঘোষণা করতে থাকে, তারা কক্ষনো শিথিলতা করে না বা আগ্রহ হারায় না। [তাইসিরুল কুরআন]
দাউদ (আঃ) এর সাথে পাহাড় ও পাখীরাও তাসবীহ পাঠ করত:
আল-আম্বিয়া, ২১:৭৯ ⋮
فَفَهَّمْنَاهَا سُلَيْمَانَ وَكُلًّا آتَيْنَا حُكْمًا وَعِلْمًا وَسَخَّرْنَا مَعَ دَاوُدَ الْجِبَالَ يُسَبِّحْنَ وَالطَّيْرَ وَكُنَّا فَاعِلِينَ ﴿٧٩﴾
আমি সুলায়মানকে এ বিষয়ের (সঠিক) বুঝ দিয়েছিলাম আর (তাদের) প্রত্যেককে আমি দিয়েছিলাম বিচারশক্তি ও জ্ঞান। আমি পর্বত ও পাখীদেরকে দাঊদের অধীন ক’রে দিয়েছিলাম, তারা দাঊদের সাথে আমার মাহাত্ম্য ও পবিত্রতা ঘোষণা করত। (এসব) আমিই করতাম। [তাইসিরুল কুরআন]
বজ্রধ্বনিও আল্লাহর তাসবীহ পাঠ করে:
আর-রাদ, ১৩:১৩ ⋮
وَيُسَبِّحُ الرَّعْدُ بِحَمْدِهِ وَالْمَلَائِكَةُ مِنْ خِيفَتِهِ وَيُرْسِلُ الصَّوَاعِقَ فَيُصِيبُ بِهَا مَنْ يَشَاءُ وَهُمْ يُجَادِلُونَ فِي اللَّهِ وَهُوَ شَدِيدُ الْمِحَالِ ﴿١٣﴾
বজ্রনাদ তাঁরই ভয়ে তাঁর প্রশংসা বর্ণনা করে আর ফেরেশতারাও। তিনি গর্জনকারী বজ্র প্রেরণ করেন আর তা দিয়ে যাকে ইচ্ছে আঘাত করেন, আর তারা আল্লাহ সম্পর্কে বিতন্ডায় লিপ্ত হয়। অথচ তিনি বড়ই শক্তিশালী। [তাইসিরুল কুরআন]
আকাশ ও পৃথিবীর সবকিছুই আল্লাহর তাসবীহ পাঠ করে:
আল-জুমু'আ, ৬২:১ ⋮
يُسَبِّحُ لِلَّهِ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَمَا فِي الْأَرْضِ الْمَلِكِ الْقُدُّوسِ الْعَزِيزِ الْحَكِيمِ ﴿١﴾
যা কিছু আসমানে আছে আর যা কিছু যমীনে আছে সব কিছুই প্রশংসা ও মহিমা ঘোষণা করে আল্লাহর যিনি সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী, অতি পবিত্র, মহাপরাক্রান্ত, মহাবিজ্ঞানী। [তাইসিরুল কুরআন]
আত-তাগাবুন, ৬৪:১ ⋮
يُسَبِّحُ لِلَّهِ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَمَا فِي الْأَرْضِ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ ﴿١﴾
যা কিছু আসমানে আছে আর যা কিছু যমীনে আছে সবই আল্লাহর প্রশংসা ও মহিমা ঘোষণা করছে। রাজত্ব তাঁরই, প্রশংসা তাঁরই, আর তিনি সব কিছুর উপর ক্ষমতাবান। [তাইসিরুল কুরআন]
সকলেই নিজ নিজ তাসবীহের ধরণ বুঝতে পারে:
আন-নূর, ২৪:৪১ ⋮
أَلَمْ تَرَ أَنَّ اللَّهَ يُسَبِّحُ لَهُ مَنْ فِي السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ وَالطَّيْرُ صَافَّاتٍ كُلٌّ قَدْ عَلِمَ صَلَاتَهُ وَتَسْبِيحَهُ وَاللَّهُ عَلِيمٌ بِمَا يَفْعَلُونَ ﴿٤١﴾
তুমি কি দেখ না, তিনি হলেন আল্লাহ, আসমান ও যমীনে যারা আছে সকলেই যাঁর প্রশংসা গীতি উচ্চারণ করে আর (উড়ন্ত) পাখীরাও তাদের ডানা বিস্তার ক’রে? তাদের প্রত্যেকেই তাদের ‘ইবাদাত ও প্রশংসাগীতির পদ্ধতি জানে, তারা যা করে আল্লাহ সে সম্পর্কে খুবই অবগত। [তাইসিরুল কুরআন]
মানুষ তাদের তাসবীহ বুঝতে পারে না:
আল-ইসরা, ১৭:৪৪ ⋮
تُسَبِّحُ لَهُ السَّمَاوَاتُ السَّبْعُ وَالْأَرْضُ وَمَنْ فِيهِنَّ وَإِنْ مِنْ شَيْءٍ إِلَّا يُسَبِّحُ بِحَمْدِهِ وَلَكِنْ لَا تَفْقَهُونَ تَسْبِيحَهُمْ إِنَّهُ كَانَ حَلِيمًا غَفُورًا ﴿٤٤﴾
সাত আসমান, যমীন আর এগুলোর মাঝে যা আছে সব কিছুই তাঁর মহিমা ঘোষণা করে। এমন কোন জিনিসই নেই যা তাঁর প্রশংসাসহ পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করে না। কিন্তু তোমরা বুঝতে পার না কীভাবে তারা তাঁর মহিমা ঘোষণা করে। তিনি পরম সহিষ্ণু, বড়ই ক্ষমাপরায়ণ। [তাইসিরুল কুরআন]
মুমিন ব্যক্তির বৈশিষ্ট্য হলো তাসবীহ পাঠ করা:
আস-সাজদাহ, ৩২:১৫ ⋮
إِنَّمَا يُؤْمِنُ بِآيَاتِنَا الَّذِينَ إِذَا ذُكِّرُوا بِهَا خَرُّوا سُجَّدًا وَسَبَّحُوا بِحَمْدِ رَبِّهِمْ وَهُمْ لَا يَسْتَكْبِرُونَ ﴿١٥﴾
আমার নিদর্শনাবলীতে কেবল তারাই বিশ্বাস করে যাদেরকে এর দ্বারা উপদেশ দেয়া হলে সিজদায় লুটিয়ে পড়ে আর তাদের প্রতিপালকের প্রশংসা সহকারে তাঁর পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করে আর তারা অহংকার করে না।[সাজদাহ] [তাইসিরুল কুরআন]
তাসবীহ পাঠ বিপদ থেকে মুক্তি লাভের উপায়:
আল-আম্বিয়া, ২১:৮৭ ⋮
وَذَا النُّونِ إِذْ ذَهَبَ مُغَاضِبًا فَظَنَّ أَنْ لَنْ نَقْدِرَ عَلَيْهِ فَنَادَى فِي الظُّلُمَاتِ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ سُبْحَانَكَ إِنِّي كُنْتُ مِنَ الظَّالِمِينَ ﴿٨٧﴾
স্মরণ কর যুন্-নুন এর কথা- যখন সে গোস্বাভরে চলে গিয়েছিল, আর ভেবেছিল যে তার উপর আমার কোন ক্ষমতা খাটবে না। অতঃপর সে (সমুদ্রের) গভীর অন্ধকার থেকে ডেকেছিল যে, তুমি ছাড়া সত্যিকারের কোন ইলাহ নেই, তোমারই পবিত্রতা, মহিমা ঘোষণা করছি; বাড়াবাড়ি আমিই করেছি। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-আম্বিয়া, ২১:৮৮ ⋮
فَاسْتَجَبْنَا لَهُ وَنَجَّيْنَاهُ مِنَ الْغَمِّ وَكَذَلِكَ نُنْجِي الْمُؤْمِنِينَ ﴿٨٨﴾
আমি তখন তার ডাকে সাড়া দিয়েছিলাম, আর দুঃশ্চিন্তা থেকে তাকে মুক্ত করেছিলাম। মু’মিনদেরকে আমি এভাবেই উদ্ধার করি। [তাইসিরুল কুরআন]
যানবাহনে সওয়ার হওয়ার তাসবীহ:
আয-যুখরুফ, ৪৩:১৩ ⋮
لِتَسْتَوُوا عَلَى ظُهُورِهِ ثُمَّ تَذْكُرُوا نِعْمَةَ رَبِّكُمْ إِذَا اسْتَوَيْتُمْ عَلَيْهِ وَتَقُولُوا سُبْحَانَ الَّذِي سَخَّرَ لَنَا هَذَا وَمَا كُنَّا لَهُ مُقْرِنِينَ ﴿١٣﴾
যাতে তোমরা যখন তাদের পিঠে স্থির হয়ে বস, তখন যেন তোমাদের প্রতিপালকের অনুগ্রহের কথা স্মরণ কর আর বল- মহান ও পবিত্র তিনি যিনি, এগুলোকে আমাদের (ব্যবহারের জন্য) বশীভূত করে দিয়েছেন, আমরা এগুলোকে বশীভূত করতে সক্ষম ছিলাম না। [তাইসিরুল কুরআন]
তাসবীহ পাঠের কয়েকটি বাক্য:
ইয়াসীন, ৩৬:৮৩ ⋮
فَسُبْحَانَ الَّذِي بِيَدِهِ مَلَكُوتُ كُلِّ شَيْءٍ وَإِلَيْهِ تُرْجَعُونَ ﴿٨٣﴾
কাজেই পবিত্র ও মহান তিনি যাঁর হাতে সব কিছুর সর্বময় কর্তৃত্ব, আর তাঁর কাছেই তোমাদের (সকলকে) ফিরিয়ে আনা হবে। [তাইসিরুল কুরআন]
আন-নামাল, ২৭:৮ ⋮
فَلَمَّا جَاءَهَا نُودِيَ أَنْ بُورِكَ مَنْ فِي النَّارِ وَمَنْ حَوْلَهَا وَسُبْحَانَ اللَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ ﴿٨﴾
অতঃপর সে যখন আগুনের কাছে আসল তখন আওয়াজ হল- ‘ধন্য, যারা আছে এই আলোর মধ্যে আর তার আশেপাশে, বিশ্বজাহানের প্রতিপালক পবিত্র, মহিমান্বিত। [তাইসিরুল কুরআন]
আস-সাফফাত, ৩৭:১৮০ ⋮
سُبْحَانَ رَبِّكَ رَبِّ الْعِزَّةِ عَمَّا يَصِفُونَ ﴿١٨٠﴾
সকল সম্মান ও ক্ষমতার রব্ব, তোমার প্রতিপালক পবিত্র ও মহান সে সকল কথাবার্তা হতে যা তারা আরোপ করে। [তাইসিরুল কুরআন]
আস-সাফফাত, ৩৭:১৮১ ⋮
وَسَلَامٌ عَلَى الْمُرْسَلِينَ ﴿١٨١﴾
শান্তি বর্ষিত হোক রসূলদের প্রতি। [তাইসিরুল কুরআন]
আস-সাফফাত, ৩৭:১৮২ ⋮
وَالْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ ﴿١٨٢﴾
আর যাবতীয় প্রশংসা বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহর জন্যই। [তাইসিরুল কুরআন]
হে মু'মিনগণ, তোমরা সকাল ও সন্ধ্যায় আল্লাহর পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করো।
আল-আহযাব, ৩৩:৪২ ⋮
وَسَبِّحُوهُ بُكْرَةً وَأَصِيلًا ﴿٤٢﴾
আর সকাল-সন্ধ্যায় তাঁর পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা কর। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ তাঁর নবীকে (ﷺ) সূর্যোদয়ের পূর্বে প্রতিপালকের প্রশংসাসহ তাসবিহ পাঠের নির্দেশ দিয়েছেন।
কাফ, ৫০:৩৯ ⋮
فَاصْبِرْ عَلَى مَا يَقُولُونَ وَسَبِّحْ بِحَمْدِ رَبِّكَ قَبْلَ طُلُوعِ الشَّمْسِ وَقَبْلَ الْغُرُوبِ ﴿٣٩﴾
কাজেই তারা (মিথ্যা, উপহাসপূর্ণ ও অপমানজনক কথা) যা বলে তাতে তুমি ধৈর্য ধারণ কর আর সূর্যোদয়ের পূর্বে আর সূর্যাস্তের পূর্বে তোমার প্রতিপালকের মহিমা ও প্রশংসা ঘোষণা কর। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ তাঁর নবীকে (ﷺ) সূর্যাস্তের পূর্বে প্রতিপালকের প্রশংসাসহ তাসবিহ পাঠের নির্দেশ দিয়েছেন।
কাফ, ৫০:৩৯ ⋮
فَاصْبِرْ عَلَى مَا يَقُولُونَ وَسَبِّحْ بِحَمْدِ رَبِّكَ قَبْلَ طُلُوعِ الشَّمْسِ وَقَبْلَ الْغُرُوبِ ﴿٣٩﴾
কাজেই তারা (মিথ্যা, উপহাসপূর্ণ ও অপমানজনক কথা) যা বলে তাতে তুমি ধৈর্য ধারণ কর আর সূর্যোদয়ের পূর্বে আর সূর্যাস্তের পূর্বে তোমার প্রতিপালকের মহিমা ও প্রশংসা ঘোষণা কর। [তাইসিরুল কুরআন]
রাত্রির কিছু অংশে আল্লাহর পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করুন।
আত-তূর, ৫২:৪৯ ⋮
وَمِنَ اللَّيْلِ فَسَبِّحْهُ وَإِدْبَارَ النُّجُومِ ﴿٤٩﴾
আর রাত্রিকালে তাঁর প্রশংসা ও মহিমা ঘোষণা কর আর (রাতের শেষভাগে যখন) তারকারাজি অস্তমিত হয়ে যায়। [তাইসিরুল কুরআন]
তারকা অস্তগমনের সময় আল্লাহর পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করুন।
আত-তূর, ৫২:৪৯ ⋮
وَمِنَ اللَّيْلِ فَسَبِّحْهُ وَإِدْبَارَ النُّجُومِ ﴿٤٩﴾
আর রাত্রিকালে তাঁর প্রশংসা ও মহিমা ঘোষণা কর আর (রাতের শেষভাগে যখন) তারকারাজি অস্তমিত হয়ে যায়। [তাইসিরুল কুরআন]
অতএব, আপনি আপনার মহান প্রতিপালকের নামের তাসবিহ পাঠ করুন।
আল-ওয়াকিয়া, ৫৬:৯৬ ⋮
فَسَبِّحْ بِاسْمِ رَبِّكَ الْعَظِيمِ ﴿٩٦﴾
কাজেই তুমি তোমার মহান প্রতিপালকের গৌরব ও মহিমা ঘোষণা কর। [তাইসিরুল কুরআন]
আসমানসমূহ ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে, তা আল্লাহর পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করে।
আল-হাদীদ, ৫৭:১ ⋮
سَبَّحَ لِلَّهِ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ وَهُوَ الْعَزِيزُ الْحَكِيمُ ﴿١﴾
আসমান ও যমীনে যা কিছু আছে সবই আল্লাহর গৌরব ও মহিমা ঘোষণা করে, তিনি প্রবল পরাক্রান্ত, মহা প্রজ্ঞাবান। [তাইসিরুল কুরআন]
আকাশসমূহে এবং পৃথিবীতে যা কিছু আছে, তার সবই আল্লাহর পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করে।
আল-হাশর, ৫৯:১ ⋮
سَبَّحَ لِلَّهِ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَمَا فِي الْأَرْضِ وَهُوَ الْعَزِيزُ الْحَكِيمُ ﴿١﴾
আসমান ও যমীনে যা কিছু আছে সবই আল্লাহর গৌরব ও মহিমা ঘোষণা করে। আর তিনি (আল্লাহ) পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়। [তাইসিরুল কুরআন]
আসমানসমূহ ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে, তার সবই আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা করে।
আস-সাফ, ৬১:১ ⋮
سَبَّحَ لِلَّهِ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَمَا فِي الْأَرْضِ وَهُوَ الْعَزِيزُ الْحَكِيمُ ﴿١﴾
আসমানে যা কিছু আছে আর যমীনে যা কিছু আছে (সবই) আল্লাহর প্রশংসা ও মহিমা ঘোষণা করে; তিনি মহাপরাক্রান্ত মহাবিজ্ঞানী। [তাইসিরুল কুরআন]