বিষয়ভিত্তিক কুরআন > আল্লাহ যাদেরকে হেদায়াত করেন না

যারা আল্লাহর আয়াতকে বিশ্বাস করে না:

আন-নাহাল, ১৬:১০৪
إِنَّ الَّذِينَ لَا يُؤْمِنُونَ بِآيَاتِ اللَّهِ لَا يَهْدِيهِمُ اللَّهُ وَلَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌ ﴿١٠٤﴾
যারা আল্লাহর নিদর্শনাবলীতে বিশ্বাস করে না, আল্লাহ তাদেরকে সঠিক পথে পরিচালিত করেন না, আর তাদের জন্য আছে ভয়ানক শাস্তি। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-আ'রাফ, ৭:১০১
تِلْكَ الْقُرَى نَقُصُّ عَلَيْكَ مِنْ أَنْبَائِهَا وَلَقَدْ جَاءَتْهُمْ رُسُلُهُمْ بِالْبَيِّنَاتِ فَمَا كَانُوا لِيُؤْمِنُوا بِمَا كَذَّبُوا مِنْ قَبْلُ كَذَلِكَ يَطْبَعُ اللَّهُ عَلَى قُلُوبِ الْكَافِرِينَ ﴿١٠١﴾
এসব জনপদের কিছু বিবরণ তোমাকে জানালাম। তাদের কাছে তো তাদের রসূলগণ স্পষ্ট প্রমাণ নিয়ে এসেছিল, কিন্তু যেহেতু তারা আগেভাগেই প্রত্যাখ্যান করে দিয়েছিল এজন্য আর ঈমান আনতে প্রস্তুত ছিল না। এভাবে আল্লাহ কাফিরদের অন্তরে সীল লাগিয়ে দেন। [তাইসিরুল কুরআন]

যারা ঈমান আনার পর আবার কুফরী করে:

আলে-ইমরান, ৩:৮৬
كَيْفَ يَهْدِي اللَّهُ قَوْمًا كَفَرُوا بَعْدَ إِيمَانِهِمْ وَشَهِدُوا أَنَّ الرَّسُولَ حَقٌّ وَجَاءَهُمُ الْبَيِّنَاتُ وَاللَّهُ لَا يَهْدِي الْقَوْمَ الظَّالِمِينَ ﴿٨٦﴾
আল্লাহ কীরূপে সেই সম্প্রদায়কে সুপথ দেখাবেন যারা ঈমান আনার পর, এ রসূলকে সত্য বলে স্বীকার করার পর এবং তাদের নিকট সুস্পষ্ট দলীল আসার পর কুফরী করে? বস্তুতঃ আল্লাহ যালিম কওমকে পথ দেখান না। [তাইসিরুল কুরআন]

যারা কাফির:

আল-বাকারা, ২:২৬৪
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تُبْطِلُوا صَدَقَاتِكُمْ بِالْمَنِّ وَالْأَذَى كَالَّذِي يُنْفِقُ مَالَهُ رِئَاءَ النَّاسِ وَلَا يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ فَمَثَلُهُ كَمَثَلِ صَفْوَانٍ عَلَيْهِ تُرَابٌ فَأَصَابَهُ وَابِلٌ فَتَرَكَهُ صَلْدًا لَا يَقْدِرُونَ عَلَى شَيْءٍ مِمَّا كَسَبُوا وَاللَّهُ لَا يَهْدِي الْقَوْمَ الْكَافِرِينَ ﴿٢٦٤﴾
হে ঈমানদারগণ! দানের কথা মনে করিয়ে দিয়ে ও কষ্ট দিয়ে তোমরা নিজেদের দান-খয়রাতকে সে ব্যক্তির ন্যায় ব্যর্থ করে দিও না যে নিজের ধন লোক দেখানোর জন্য ব্যয় করে থাকে, অথচ সে আল্লাহ ও পরকালে বিশ্বাসী নয়। তার তুলনা সেই মসৃণ পাথরের মত, যাতে সামান্য কিছু মাটি আছে, অতঃপর প্রবল বৃষ্টিপাত তাকে পরিষ্কার করে ফেলে। তারা স্বীয় কৃত কার্যের ফল কিছুই পাবে না; আল্লাহ কাফিরদেরকে পথপ্রদর্শন করেন না। [তাইসিরুল কুরআন]
আন-নিসা, ৪:১৩৭
إِنَّ الَّذِينَ آمَنُوا ثُمَّ كَفَرُوا ثُمَّ آمَنُوا ثُمَّ كَفَرُوا ثُمَّ ازْدَادُوا كُفْرًا لَمْ يَكُنِ اللَّهُ لِيَغْفِرَ لَهُمْ وَلَا لِيَهْدِيَهُمْ سَبِيلًا ﴿١٣٧﴾
যারা ঈমান আনল, অতঃপর কুফরী করল আবার ঈমান আনল আবার কুফরী করল, অতঃপর কুফরীতে অগ্রসর হতে থাকল, আল্লাহ তাদেরকে ক্ষমা করবেন না এবং পথপ্রদর্শন করবেন না। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-বাকারা, ২:৬
إِنَّ الَّذِينَ كَفَرُوا سَوَاءٌ عَلَيْهِمْ أَأَنْذَرْتَهُمْ أَمْ لَمْ تُنْذِرْهُمْ لَا يُؤْمِنُونَ ﴿٦﴾
নিশ্চয় যারা কুফরী করেছে তাদেরকে তুমি ভয় দেখাও আর না দেখাও উভয়টাই তাদের জন্য সমান, তারা ঈমান আনবে না। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-বাকারা, ২:৭
خَتَمَ اللَّهُ عَلَى قُلُوبِهِمْ وَعَلَى سَمْعِهِمْ وَعَلَى أَبْصَارِهِمْ غِشَاوَةٌ وَلَهُمْ عَذَابٌ عَظِيمٌ ﴿٧﴾
আল্লাহ তাদের অন্তর ও কানের উপর মোহর করে দিয়েছেন, আর তাদের চোখে আছে আবরণ আর তাদের জন্য আছে মহা শাস্তি। [তাইসিরুল কুরআন]

যারা যালিম:

আস-সাফ, ৬১:৭
وَمَنْ أَظْلَمُ مِمَّنِ افْتَرَى عَلَى اللَّهِ الْكَذِبَ وَهُوَ يُدْعَى إِلَى الْإِسْلَامِ وَاللَّهُ لَا يَهْدِي الْقَوْمَ الظَّالِمِينَ ﴿٧﴾
তার চেয়ে অধিক যালিম আর কে যে আল্লাহ সম্বন্ধে মিথ্যে রচনা করে- অথচ তাকে ইসলামের পথ অবলম্বন করার জন্য আহবান জানানো হয়। (এ রকম) যালিম সম্প্রদায়কে আল্লাহ সঠিক পথে চালিত করেন না। [তাইসিরুল কুরআন]

যারা মিথ্যুক :

আয-যুমার, ৩৯:৩
أَلَا لِلَّهِ الدِّينُ الْخَالِصُ وَالَّذِينَ اتَّخَذُوا مِنْ دُونِهِ أَوْلِيَاءَ مَا نَعْبُدُهُمْ إِلَّا لِيُقَرِّبُونَا إِلَى اللَّهِ زُلْفَى إِنَّ اللَّهَ يَحْكُمُ بَيْنَهُمْ فِي مَا هُمْ فِيهِ يَخْتَلِفُونَ إِنَّ اللَّهَ لَا يَهْدِي مَنْ هُوَ كَاذِبٌ كَفَّارٌ ﴿٣﴾
জেনে রেখ, খালেস দ্বীন কেবল আল্লাহরই জন্য। যারা তাঁকে বাদ দিয়ে অন্যদেরকে অভিভাবক বানিয়ে নিয়েছে তারা বলে- আমরা তাদের ‘ইবাদাত একমাত্র এ উদ্দেশেই করি যে, তারা আমাদেরকে আল্লাহর নৈকট্যে পৌঁছে দেবে। (সত্য পথ থেকে সরে গিয়ে মিথ্যে পথ ও মতের জন্ম দিয়ে) তারা যে মতভেদ করছে, আল্লাহ তার চূড়ান্ত ফয়সালা করে দেবেন। যে মিথ্যেবাদী ও কাফির আল্লাহ তাকে সঠিক পথ দেখান না। [তাইসিরুল কুরআন]

যারা ফাসিক:

আল-মুনাফিকূন, ৬৩:৬
سَوَاءٌ عَلَيْهِمْ أَأَسْتَغْفَرْتَ لَهُمْ أَمْ لَمْ تَسْتَغْفِرْ لَهُمْ لَنْ يَغْفِرَ اللَّهُ لَهُمْ إِنَّ اللَّهَ لَا يَهْدِي الْقَوْمَ الْفَاسِقِينَ ﴿٦﴾
তুমি তাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা কর আর না কর, উভয়ই তাদের জন্য সমান। আল্লাহ তাদেরকে কক্ষনো ক্ষমা করবেন না। আল্লাহ পাপাচারী জাতিকে কক্ষনো সঠিক পথে পরিচালিত করেন না। [তাইসিরুল কুরআন]
আস-সাফ, ৬১:৫
وَإِذْ قَالَ مُوسَى لِقَوْمِهِ يَا قَوْمِ لِمَ تُؤْذُونَنِي وَقَدْ تَعْلَمُونَ أَنِّي رَسُولُ اللَّهِ إِلَيْكُمْ فَلَمَّا زَاغُوا أَزَاغَ اللَّهُ قُلُوبَهُمْ وَاللَّهُ لَا يَهْدِي الْقَوْمَ الْفَاسِقِينَ ﴿٥﴾
স্মরণ কর, যখন মূসা তার সম্প্রদায়কে বলেছিল, ‘হে আমার সম্প্রদায়! তোমরা আমাকে কেন কষ্ট দিচ্ছ, তোমরা তো জানই যে, আমি তোমাদের নিকট আল্লাহর রসূল!’ অতঃপর তারা যখন বাঁকা পথ ধরল, আল্লাহ তাদের হৃদয়কে বাঁকা করে দিলেন। আল্লাহ পাপাচারীদেরকে সঠিক পথে পরিচালিত করেন না। [তাইসিরুল কুরআন]

যারা সীমালঙ্ঘন করে:

গাফির, ৪০:২৮
وَقَالَ رَجُلٌ مُؤْمِنٌ مِنْ آلِ فِرْعَوْنَ يَكْتُمُ إِيمَانَهُ أَتَقْتُلُونَ رَجُلًا أَنْ يَقُولَ رَبِّيَ اللَّهُ وَقَدْ جَاءَكُمْ بِالْبَيِّنَاتِ مِنْ رَبِّكُمْ وَإِنْ يَكُ كَاذِبًا فَعَلَيْهِ كَذِبُهُ وَإِنْ يَكُ صَادِقًا يُصِبْكُمْ بَعْضُ الَّذِي يَعِدُكُمْ إِنَّ اللَّهَ لَا يَهْدِي مَنْ هُوَ مُسْرِفٌ كَذَّابٌ ﴿٢٨﴾
ফেরাউনের দলের এক মু’মিন ব্যক্তি- যে তার ঈমানকে গোপন রেখেছিল- বলল, তোমরা একজন লোককে শুধু কি এজন্য মেরে ফেলবে যে, সে বলে, আল্লাহ আমার প্রতিপালক। অথচ সে তোমাদের কাছে তোমাদের প্রতিপালকের পক্ষ হতে সুস্পষ্ট প্রমাণ নিয়ে এসেছে। সে যদি মিথ্যাবাদী হয় তাহলে তার মিথ্যা বলার পরিণাম সে নিজেই ভুগবে। আর সে যদি সত্যবাদী হয়, তাহলে সে তোমাদেরকে যে শাস্তির ভয় দেখাচ্ছে তার কিছু না কিছু তোমাদের উপর পড়বেই। যে সীমালঙ্ঘন করে আর মিথ্যে বলে আল্লাহ তাকে সঠিক পথ দেখান না। [তাইসিরুল কুরআন]

যারা গোমরাহীর অন্ধকারে ডুবে থাকে:

আর-রুম, ৩০:৫৩
وَمَا أَنْتَ بِهَادِي الْعُمْيِ عَنْ ضَلَالَتِهِمْ إِنْ تُسْمِعُ إِلَّا مَنْ يُؤْمِنُ بِآيَاتِنَا فَهُمْ مُسْلِمُونَ ﴿٥٣﴾
তুমি অন্ধদেরকেও তাদের পথভ্রষ্টতা থেকে ফিরিয়ে পথে আনতে পারবে না। যারা আমার নিদর্শনাবলীতে বিশ্বাস করে তুমি কেবল তাদেরকেই শুনাতে পারবে, কারণ তারা (আল্লাহর প্রতি) আত্মসমর্পণকারী। [তাইসিরুল কুরআন]

যারা সন্তান হত্যা করে:

আল-আন'আম, ৬:১৪১
وَهُوَ الَّذِي أَنْشَأَ جَنَّاتٍ مَعْرُوشَاتٍ وَغَيْرَ مَعْرُوشَاتٍ وَالنَّخْلَ وَالزَّرْعَ مُخْتَلِفًا أُكُلُهُ وَالزَّيْتُونَ وَالرُّمَّانَ مُتَشَابِهًا وَغَيْرَ مُتَشَابِهٍ كُلُوا مِنْ ثَمَرِهِ إِذَا أَثْمَرَ وَآتُوا حَقَّهُ يَوْمَ حَصَادِهِ وَلَا تُسْرِفُوا إِنَّهُ لَا يُحِبُّ الْمُسْرِفِينَ ﴿١٤١﴾
আর তিনি (আল্লাহ) যিনি লতাগুল্ম বিশিষ্ট আর লতা-বিশিষ্ট নয় এমন উদ্যানরাজি, খেজুর গাছ ও বিভিন্ন স্বাদের খাদ্যশস্য, একই ধরনের ও আলাদা ধরনের যায়তুন ও ডালিম সৃষ্টি করেছেন। যখন ফল ধরে তখন ফল খাও, আর ফসল তোলার দিন (নির্ধারিত ওশর ও অনির্ধারিত দানের মাধ্যমে) হক আদায় কর, অপচয় করো না, নিশ্চয় তিনি অপচয়কারীদের পছন্দ করেন না। [তাইসিরুল কুরআন]

যারা আল্লাহর সাথে সাক্ষাতকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করে:

ইউনুস, ১০:৪৫
وَيَوْمَ يَحْشُرُهُمْ كَأَنْ لَمْ يَلْبَثُوا إِلَّا سَاعَةً مِنَ النَّهَارِ يَتَعَارَفُونَ بَيْنَهُمْ قَدْ خَسِرَ الَّذِينَ كَذَّبُوا بِلِقَاءِ اللَّهِ وَمَا كَانُوا مُهْتَدِينَ ﴿٤٥﴾
যে দিন তাদেরকে একত্রিত করা হবে (সেদিন তারা মনে করবে যে) দিনের এক মুহূর্তের বেশি তারা (দুনিয়াতে) অবস্থান করেনি। তারা পরস্পরকে চিনতে পারবে। যারা আল্লাহর সাক্ষাৎকে অস্বীকার করে তারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আর তারা কখনই সঠিক পথপ্রাপ্ত ছিল না। [তাইসিরুল কুরআন]

যারা প্রবৃত্তির অনুসরণ করে:

আল-কাসাস, ২৮:৫০
فَإِنْ لَمْ يَسْتَجِيبُوا لَكَ فَاعْلَمْ أَنَّمَا يَتَّبِعُونَ أَهْوَاءَهُمْ وَمَنْ أَضَلُّ مِمَّنَ اتَّبَعَ هَوَاهُ بِغَيْرِ هُدًى مِنَ اللَّهِ إِنَّ اللَّهَ لَا يَهْدِي الْقَوْمَ الظَّالِمِينَ ﴿٥٠﴾
অতঃপর তারা যদি তোমার কথায় সাড়া না দেয় তাহলে জেনে রেখ, তারা শুধু তাদের প্রবৃত্তির অনুসরণ করে। আল্লাহর পথ নির্দেশ ছাড়াই যে নিজের প্রবৃত্তির অনুসরণ করে, তার চেয়ে অধিক পথভ্রষ্ট আর কে আছে? আল্লাহ যালিম সম্প্রদায়কে সঠিক পথে পরিচালিত করেন না। [তাইসিরুল কুরআন]

কোন মূর্তি বা দেবতা মানুষকে সৎপথ দেখাতে পারে না:

ইউনুস, ১০:৩৫
قُلْ هَلْ مِنْ شُرَكَائِكُمْ مَنْ يَهْدِي إِلَى الْحَقِّ قُلِ اللَّهُ يَهْدِي لِلْحَقِّ أَفَمَنْ يَهْدِي إِلَى الْحَقِّ أَحَقُّ أَنْ يُتَّبَعَ أَمَّنْ لَا يَهِدِّي إِلَّا أَنْ يُهْدَى فَمَا لَكُمْ كَيْفَ تَحْكُمُونَ وَمَا ﴿٣٥﴾
বল ‘‘তোমরা যাদেরকে শরীক কর তাদের কেউ কি সত্যের পথ দেখাতে পারে?’’ বল, ‘আল্লাহই সত্যের পথ দেখান।’ তবে যিনি সত্য পথে পরিচালিত করেন আনুগত্য লাভের তিনিই বেশি হাকদার, না কি সেই যাকে পথ না দেখালে পথ পায় না? তোমাদের হয়েছে কী? তোমরা কীভাবে সিদ্ধান্ত নিচ্ছ? [তাইসিরুল কুরআন]

অনেকে বিপথগামী হয়েও নিজেকে সৎপন্থী মনে করে:

আল-আ'রাফ, ৭:৩০
فَرِيقًا هَدَى وَفَرِيقًا حَقَّ عَلَيْهِمُ الضَّلَالَةُ إِنَّهُمُ اتَّخَذُوا الشَّيَاطِينَ أَوْلِيَاءَ مِنْ دُونِ اللَّهِ وَيَحْسَبُونَ أَنَّهُمْ مُهْتَدُونَ ﴿٣٠﴾
একদলকে তিনি সঠিক পথ দেখিয়েছেন, আর অন্য দলের প্রতি গোমরাহী নির্ধারিত হয়েছে, তারা আল্লাহকে বাদ দিয়ে শয়ত্বানদেরকে তাদের অভিভাবক করে নিয়েছে আর মনে করছে যে তারা সঠিক পথে আছে। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ মুনাফিকদেরকে তাদের নিজেদের কৃতকর্মের কারণেই কুফরির দিকে ফিরিয়ে দিয়েছেন।

আন-নিসা, ৪:৮৮
فَمَا لَكُمْ فِي الْمُنَافِقِينَ فِئَتَيْنِ وَاللَّهُ أَرْكَسَهُمْ بِمَا كَسَبُوا أَتُرِيدُونَ أَنْ تَهْدُوا مَنْ أَضَلَّ اللَّهُ وَمَنْ يُضْلِلِ اللَّهُ فَلَنْ تَجِدَ لَهُ سَبِيلًا ﴿٨٨﴾
তোমাদের কী হল যে, মুনাফিকদের ব্যাপারে (কী নীতি অবলম্বন করা হবে সে বিষয়ে) তোমরা দু’ দলে বিভক্ত হয়ে গেলে? বস্তুতঃ আল্লাহ তাদের এ কার্যকলাপের কারণে তাদেরকে উল্টা মুখে ফিরিয়ে দিয়েছেন (ইসলাম থেকে আবার কুফরের দিকে)। আল্লাহ যাকে পথভ্রষ্ট করেছেন, তোমরা কি তাকে সুপথ দেখাতে চাও? বস্তুতঃ আল্লাহ যাকে পথভ্রষ্ট করেন, তার জন্য কক্ষনো পথ খুঁজে পাবে না। [তাইসিরুল কুরআন]

বরং তাদের কুফরীর কারণেই আল্লাহ বনী ইসরাইলের হৃদয় মোহরাঙ্কিত করে দিয়েছেন।

আন-নিসা, ৪:১৫৫
فَبِمَا نَقْضِهِمْ مِيثَاقَهُمْ وَكُفْرِهِمْ بِآيَاتِ اللَّهِ وَقَتْلِهِمُ الْأَنْبِيَاءَ بِغَيْرِ حَقٍّ وَقَوْلِهِمْ قُلُوبُنَا غُلْفٌ بَلْ طَبَعَ اللَّهُ عَلَيْهَا بِكُفْرِهِمْ فَلَا يُؤْمِنُونَ إِلَّا قَلِيلًا ﴿١٥٥﴾
(তাদের প্রতি আল্লাহর অসন্তোষ নেমে এসেছে) তাদের ওয়া‘দা ভঙ্গের কারণে, আর আল্লাহর নিদর্শনসমূহকে অস্বীকার করার কারণে, অন্যায়ভাবে নাবীগণকে তাদের হত্যা করার কারণে, আর ‘আমাদের হৃদয়গুলো আচ্ছাদিত’ তাদের এ কথা বলার কারণে- বরং তাদের অস্বীকৃতির কারণে আল্লাহ তাদের হৃদয়গুলোতে মোহর মেরে দিয়েছেন। যে কারণে তাদের অল্পসংখ্যক ছাড়া ঈমান আনে না। [তাইসিরুল কুরআন]

এর ফলস্বরূপ তারা (সত্যের ব্যাপারে) অন্ধ ও বধির হয়ে গিয়েছিল।

আল-মায়েদা, ৫:৭১
وَحَسِبُوا أَلَّا تَكُونَ فِتْنَةٌ فَعَمُوا وَصَمُّوا ثُمَّ تَابَ اللَّهُ عَلَيْهِمْ ثُمَّ عَمُوا وَصَمُّوا كَثِيرٌ مِنْهُمْ وَاللَّهُ بَصِيرٌ بِمَا يَعْمَلُونَ ﴿٧١﴾
তারা ভেবেছিল তাদের কোন বিপর্যয় হবে না এজন্য তারা অন্ধ ও বধির হয়ে গিয়েছিল। অতঃপর আল্লাহ তাদের প্রতি ক্ষমা দৃষ্টি করলেন। তারপর তাদের অনেকেই পুনরায় অন্ধ ও বধির হয়ে গেল। তারা যা করে আল্লাহ তার সম্যক দ্রষ্টা। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহর ক্ষমা লাভের পরও তাদের অনেকেই পুনরায় অন্ধ ও বধির হয়ে গিয়েছিল।

আল-মায়েদা, ৫:৭১
وَحَسِبُوا أَلَّا تَكُونَ فِتْنَةٌ فَعَمُوا وَصَمُّوا ثُمَّ تَابَ اللَّهُ عَلَيْهِمْ ثُمَّ عَمُوا وَصَمُّوا كَثِيرٌ مِنْهُمْ وَاللَّهُ بَصِيرٌ بِمَا يَعْمَلُونَ ﴿٧١﴾
তারা ভেবেছিল তাদের কোন বিপর্যয় হবে না এজন্য তারা অন্ধ ও বধির হয়ে গিয়েছিল। অতঃপর আল্লাহ তাদের প্রতি ক্ষমা দৃষ্টি করলেন। তারপর তাদের অনেকেই পুনরায় অন্ধ ও বধির হয়ে গেল। তারা যা করে আল্লাহ তার সম্যক দ্রষ্টা। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ যাকে পথভ্রষ্ট করার ইচ্ছা করেন, তার বক্ষকে চরমভাবে সংকীর্ণ করে দেন।

আল-আন'আম, ৬:১২৫
فَمَنْ يُرِدِ اللَّهُ أَنْ يَهْدِيَهُ يَشْرَحْ صَدْرَهُ لِلْإِسْلَامِ وَمَنْ يُرِدْ أَنْ يُضِلَّهُ يَجْعَلْ صَدْرَهُ ضَيِّقًا حَرَجًا كَأَنَّمَا يَصَّعَّدُ فِي السَّمَاءِ كَذَلِكَ يَجْعَلُ اللَّهُ الرِّجْسَ عَلَى الَّذِينَ لَا يُؤْمِنُونَ ﴿١٢٥﴾
আল্লাহ যাকে সৎপথ দেখাতে চান, তার অন্তরকে ইসলামের জন্য খুলে দেন, আর যাকে পথভ্রষ্ট করতে চান তার অন্তরকে সংকীর্ণ সংকুচিত করে দেন, (তার জন্য ইসলাম মান্য করা এমনি কঠিন) যেন সে আকাশে আরোহণ করছে। যারা ঈমান আনে না তাদের উপর আল্লাহ এভাবে লাঞ্ছনা চাপিয়ে দেন। [তাইসিরুল কুরআন]

পথভ্রষ্ট ব্যক্তির বক্ষের সংকীর্ণতা আকাশে আরোহণের চেষ্টার মতই কষ্টদায়ক।

আল-আন'আম, ৬:১২৫
فَمَنْ يُرِدِ اللَّهُ أَنْ يَهْدِيَهُ يَشْرَحْ صَدْرَهُ لِلْإِسْلَامِ وَمَنْ يُرِدْ أَنْ يُضِلَّهُ يَجْعَلْ صَدْرَهُ ضَيِّقًا حَرَجًا كَأَنَّمَا يَصَّعَّدُ فِي السَّمَاءِ كَذَلِكَ يَجْعَلُ اللَّهُ الرِّجْسَ عَلَى الَّذِينَ لَا يُؤْمِنُونَ ﴿١٢٥﴾
আল্লাহ যাকে সৎপথ দেখাতে চান, তার অন্তরকে ইসলামের জন্য খুলে দেন, আর যাকে পথভ্রষ্ট করতে চান তার অন্তরকে সংকীর্ণ সংকুচিত করে দেন, (তার জন্য ইসলাম মান্য করা এমনি কঠিন) যেন সে আকাশে আরোহণ করছে। যারা ঈমান আনে না তাদের উপর আল্লাহ এভাবে লাঞ্ছনা চাপিয়ে দেন। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ (সত্যবিমুখদের) অন্তরে মোহর মেরে দেন।

আল-আ'রাফ, ৭:১০০
أَوَلَمْ يَهْدِ لِلَّذِينَ يَرِثُونَ الْأَرْضَ مِنْ بَعْدِ أَهْلِهَا أَنْ لَوْ نَشَاءُ أَصَبْنَاهُمْ بِذُنُوبِهِمْ وَنَطْبَعُ عَلَى قُلُوبِهِمْ فَهُمْ لَا يَسْمَعُونَ ﴿١٠٠﴾
যারা কোন দেশের উত্তরাধিকার লাভ করেছে সেখানকার (আগের) অধিবাসীদের পর, তারা কি এ শিক্ষা লাভ করে না যে, আমি তাদেরকে তাদের পাপের কারণে পাকড়াও করতে পারি আর তদের অন্তরে সীল লাগিয়ে দিতে পারি যাতে তারা কিছুই শুনবে না? [তাইসিরুল কুরআন]

যাদের অন্তরে মোহর মেরে দেওয়া হয়, তারা সত্য শুনতে পায় না।

আল-আ'রাফ, ৭:১০০
أَوَلَمْ يَهْدِ لِلَّذِينَ يَرِثُونَ الْأَرْضَ مِنْ بَعْدِ أَهْلِهَا أَنْ لَوْ نَشَاءُ أَصَبْنَاهُمْ بِذُنُوبِهِمْ وَنَطْبَعُ عَلَى قُلُوبِهِمْ فَهُمْ لَا يَسْمَعُونَ ﴿١٠٠﴾
যারা কোন দেশের উত্তরাধিকার লাভ করেছে সেখানকার (আগের) অধিবাসীদের পর, তারা কি এ শিক্ষা লাভ করে না যে, আমি তাদেরকে তাদের পাপের কারণে পাকড়াও করতে পারি আর তদের অন্তরে সীল লাগিয়ে দিতে পারি যাতে তারা কিছুই শুনবে না? [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ যদি সত্যবিমুখ কাফিরদেরকে শুনিয়েও দিতেন, তবুও তারা উপেক্ষাভরে মুখ ফিরিয়ে নিত।

আল-আনফাল, ৮:২৩
وَلَوْ عَلِمَ اللَّهُ فِيهِمْ خَيْرًا لَأَسْمَعَهُمْ وَلَوْ أَسْمَعَهُمْ لَتَوَلَّوْا وَهُمْ مُعْرِضُونَ ﴿٢٣﴾
আল্লাহ যদি দেখতেন যে, তাদের মধ্যে কোন ভাল গুণ নিহিত আছে তবে তিনি তাদেরকে শুনবার তাওফীক দিতেন। আর (গুণ না থাকা অবস্থায়) তিনি যদি তাদেরকে শুনতে দিতেন তাহলে তারা উপেক্ষা করে মুখ ফিরিয়ে নিত। [তাইসিরুল কুরআন]

এই কাফিররাই চরম বিভ্রান্তিতে নিমজ্জিত।

ইবরাহীম, ১৪:৩
الَّذِينَ يَسْتَحِبُّونَ الْحَيَاةَ الدُّنْيَا عَلَى الْآخِرَةِ وَيَصُدُّونَ عَنْ سَبِيلِ اللَّهِ وَيَبْغُونَهَا عِوَجًا أُولَئِكَ فِي ضَلَالٍ بَعِيدٍ ﴿٣﴾
যারা আখেরাতের তুলনায় দুনিয়ার জিন্দিগীকে শ্রেয় জ্ঞান করে, যারা আল্লাহর পথ থেকে (লোকদেরকে) বিরত রাখে আর তাতে বক্রতা আনার আকাঙ্ক্ষা পোষণ করে। এরা গোমরাহীতে বহু দূরে চলে গেছে। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ এভাবেই অপরাধীদের অন্তরে (সত্যের প্রতি) উপহাসকে প্রবেশ করিয়ে দেন।

আল-হিজর, ১৫:১২
كَذَلِكَ نَسْلُكُهُ فِي قُلُوبِ الْمُجْرِمِينَ ﴿١٢﴾
এভাবে আমি এ রকম আচরণ পাপীদের অন্তরে বদ্ধমূল করে দেই। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ পাপাচারী সম্প্রদায়কে সৎপথে পরিচালিত করেন না।

আত-তাওবা, ৯:৮০
اسْتَغْفِرْ لَهُمْ أَوْ لَا تَسْتَغْفِرْ لَهُمْ إِنْ تَسْتَغْفِرْ لَهُمْ سَبْعِينَ مَرَّةً فَلَنْ يَغْفِرَ اللَّهُ لَهُمْ ذَلِكَ بِأَنَّهُمْ كَفَرُوا بِاللَّهِ وَرَسُولِهِ وَاللَّهُ لَا يَهْدِي الْقَوْمَ الْفَاسِقِينَ ﴿٨٠﴾
তুমি তাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা কর বা না কর (উভয়ই সমান), তুমি তাদের জন্য সত্তর বার ক্ষমা প্রার্থনা করলেও আল্লাহ কক্ষনো তাদেরকে ক্ষমা করবেন না। এটা এজন্য যে, তারা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের সাথে কুফুরী করেছে। আর আল্লাহ ফাসিক লোকদেরকে সঠিক পথ প্রদর্শন করেন না। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ সেই সম্পদশালী অব্যাহতি প্রার্থীদের অন্তরে মোহর মেরে দিয়েছেন।

আত-তাওবা, ৯:৯৩
إِنَّمَا السَّبِيلُ عَلَى الَّذِينَ يَسْتَأْذِنُونَكَ وَهُمْ أَغْنِيَاءُ رَضُوا بِأَنْ يَكُونُوا مَعَ الْخَوَالِفِ وَطَبَعَ اللَّهُ عَلَى قُلُوبِهِمْ فَهُمْ لَا يَعْلَمُونَ ﴿٩٣﴾
অভিযোগ তো তাদের বিরুদ্ধে যারা সম্পদশালী হওয়া সত্ত্বেও (যুদ্ধে যাওয়া হতে) তোমার কাছে অব্যাহতি প্রার্থনা করেছিল, যারা ঘরে বসা থাকা (স্ত্রী লোকদের) সঙ্গে থাকতেই পছন্দ করেছিল, আল্লাহ তাদের হৃদয়কে সীল করে দিয়েছেন আর এজন্য (কিসে নিজেদের কল্যাণ আছে আর কিসে অকল্যাণ) তা তারা জানে না। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ অন্তরে মোহর মেরে দেওয়ার কারণে সেই সম্পদশালী অব্যাহতি প্রার্থীরা কিছুই জানতে পারে না।

আত-তাওবা, ৯:৯৩
إِنَّمَا السَّبِيلُ عَلَى الَّذِينَ يَسْتَأْذِنُونَكَ وَهُمْ أَغْنِيَاءُ رَضُوا بِأَنْ يَكُونُوا مَعَ الْخَوَالِفِ وَطَبَعَ اللَّهُ عَلَى قُلُوبِهِمْ فَهُمْ لَا يَعْلَمُونَ ﴿٩٣﴾
অভিযোগ তো তাদের বিরুদ্ধে যারা সম্পদশালী হওয়া সত্ত্বেও (যুদ্ধে যাওয়া হতে) তোমার কাছে অব্যাহতি প্রার্থনা করেছিল, যারা ঘরে বসা থাকা (স্ত্রী লোকদের) সঙ্গে থাকতেই পছন্দ করেছিল, আল্লাহ তাদের হৃদয়কে সীল করে দিয়েছেন আর এজন্য (কিসে নিজেদের কল্যাণ আছে আর কিসে অকল্যাণ) তা তারা জানে না। [তাইসিরুল কুরআন]

যাদেরকে আল্লাহ পথভ্রষ্ট করেন, তাদের জন্য কোনো সাহায্যকারী নেই।

আন-নাহাল, ১৬:৩৭
إِنْ تَحْرِصْ عَلَى هُدَاهُمْ فَإِنَّ اللَّهَ لَا يَهْدِي مَنْ يُضِلُّ وَمَا لَهُمْ مِنْ نَاصِرِينَ ﴿٣٧﴾
তুমি যদি তাদের হিদায়াতের জন্য লালায়িত হও তবে (জেনে রেখে যে) আল্লাহ তাকে সৎপথ দেখান না যাকে তিনি বিপথগামী হতে ছেড়ে দেন আর তাদের কোন সাহায্যকারী নেই। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ সত্য প্রত্যাখ্যানকারীদের অন্তর, কান ও চোখের উপর মোহর মেরে দিয়েছেন।

আন-নাহাল, ১৬:১০৮
أُولَئِكَ الَّذِينَ طَبَعَ اللَّهُ عَلَى قُلُوبِهِمْ وَسَمْعِهِمْ وَأَبْصَارِهِمْ وَأُولَئِكَ هُمُ الْغَافِلُونَ ﴿١٠٨﴾
এরা ঐ সব লোক আল্লাহ যাদের অন্তর, কান আর চোখে মোহর মেরে দিয়েছেন আর তারা বে-খেয়াল, উদাসীন। [তাইসিরুল কুরআন]

সুতরাং পথভ্রষ্ট কাফিররা কোনো সঠিক পথ খুঁজে পেতে সক্ষম নয়।

আল-ইসরা, ১৭:৪৮
انْظُرْ كَيْفَ ضَرَبُوا لَكَ الْأَمْثَالَ فَضَلُّوا فَلَا يَسْتَطِيعُونَ سَبِيلًا ﴿٤٨﴾
লক্ষ্য কর, তারা তোমার সম্পর্কে কেমন সব উদাহরণ দিচ্ছে! যার ফলে তারা পথহারা হয়ে গেছে আর তারা কক্ষনো পথ পাবে না। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ পথভ্রষ্টকারীদেরকে কখনো সাহায্যকারী হিসেবে গ্রহণ করেন না।

আল-কাহফ, ১৮:৫১
مَا أَشْهَدْتُهُمْ خَلْقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ وَلَا خَلْقَ أَنْفُسِهِمْ وَمَا كُنْتُ مُتَّخِذَ الْمُضِلِّينَ عَضُدًا ﴿٥١﴾
আসমান যমীনের সৃষ্টিকালে আমি তাদেরকে সাক্ষী রাখিনি, আর তাদের নিজেদের সৃষ্টি (প্রত্যক্ষ করার জন্য)ও না, পথভ্রষ্টকারীদেরকে সাহায্যকারী গ্রহণ করা আমার কাজ নয়। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ সম্পর্কে বিতর্ককারী ব্যক্তির কোনো সঠিক পথনির্দেশনাও থাকে না।

আল-হজ্জ, ২২:৮
وَمِنَ النَّاسِ مَنْ يُجَادِلُ فِي اللَّهِ بِغَيْرِ عِلْمٍ وَلَا هُدًى وَلَا كِتَابٍ مُنِيرٍ ﴿٨﴾
তবুও মানুষের মধ্যে এমন আছে যারা জ্ঞান, পথের দিশা ও কোন আলোকপ্রদানকারী কিতাব ছাড়াই আল্লাহ সম্পর্কে বিতর্ক করে। [তাইসিরুল কুরআন]

বিভ্রান্তিকর উপমা পেশ করার ফলে কাফিররা পথভ্রষ্ট হয়ে গেছে।

আল-ফুরকান, ২৫:৯
انْظُرْ كَيْفَ ضَرَبُوا لَكَ الْأَمْثَالَ فَضَلُّوا فَلَا يَسْتَطِيعُونَ سَبِيلًا ﴿٩﴾
দেখ, তারা তোমার ব্যাপারে কেমন সব উপমা পেশ করছে! যার ফলে তারা পথভ্রষ্ট হয়ে গেছে, অতএব তারা কোন ক্রমেই পথ পাবে না। [তাইসিরুল কুরআন]

পথভ্রষ্ট হওয়ার ফলে কাফিররা হিদায়াতের পথ খুঁজে পেতে অক্ষম।

আল-ফুরকান, ২৫:৯
انْظُرْ كَيْفَ ضَرَبُوا لَكَ الْأَمْثَالَ فَضَلُّوا فَلَا يَسْتَطِيعُونَ سَبِيلًا ﴿٩﴾
দেখ, তারা তোমার ব্যাপারে কেমন সব উপমা পেশ করছে! যার ফলে তারা পথভ্রষ্ট হয়ে গেছে, অতএব তারা কোন ক্রমেই পথ পাবে না। [তাইসিরুল কুরআন]

এবং জাহান্নামে মুখের উপর ভর দিয়ে একত্রিত ব্যক্তিরাই পথের দিক থেকে সর্বাধিক বিভ্রান্ত।

আল-ফুরকান, ২৫:৩৪
الَّذِينَ يُحْشَرُونَ عَلَى وُجُوهِهِمْ إِلَى جَهَنَّمَ أُولَئِكَ شَرٌّ مَكَانًا وَأَضَلُّ سَبِيلًا ﴿٣٤﴾
যাদেরকে মুখের ভরে জাহান্নামের পানে একত্রিত করা হবে, তারা মর্যাদার ক্ষেত্রে সবচেয়ে নিকৃষ্ট আর পথের দিক থেকে সবচেয়ে গুমরাহ্। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ জ্ঞানহীনদের অন্তরে এভাবেই মোহর মেরে দেন।

আর-রুম, ৩০:৫৯
كَذَلِكَ يَطْبَعُ اللَّهُ عَلَى قُلُوبِ الَّذِينَ لَا يَعْلَمُونَ ﴿٥٩﴾
যাদের জ্ঞান নেই এভাবেই আল্লাহ তাদের হৃদয় মোহরাঙ্কিত করে দেন। [তাইসিরুল কুরআন]

বস্তুত, মুশরিক জালিমরা এক সুস্পষ্ট পথভ্রষ্টতার মধ্যে রয়েছে।

লুকমান, ৩১:১১
هَذَا خَلْقُ اللَّهِ فَأَرُونِي مَاذَا خَلَقَ الَّذِينَ مِنْ دُونِهِ بَلِ الظَّالِمُونَ فِي ضَلَالٍ مُبِينٍ ﴿١١﴾
এগুলো আল্লাহর সৃষ্টি। কাজেই আমাকে দেখাও তিনি ছাড়া অন্যেরা কী সৃষ্টি করেছে। বরং যালিমরা সুস্পষ্ট গুমরাহীতে ডুবে আছে। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ সত্য অস্বীকারকারীদের সামনে একটি প্রাচীর স্থাপন করেছেন।

ইয়াসীন, ৩৬:৯
وَجَعَلْنَا مِنْ بَيْنِ أَيْدِيهِمْ سَدًّا وَمِنْ خَلْفِهِمْ سَدًّا فَأَغْشَيْنَاهُمْ فَهُمْ لَا يُبْصِرُونَ ﴿٩﴾
তাদের সামনে আমি একটা (বাধার) প্রাচীর দাঁড় করিয়ে দিয়েছি, আর পেছনে একটা প্রাচীর, উপরন্তু তাদেরকে ঢেকে দিয়েছি; কাজেই তারা দেখতে পায় না। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ সত্য অস্বীকারকারীদের পেছনে একটি প্রাচীর স্থাপন করেছেন।

ইয়াসীন, ৩৬:৯
وَجَعَلْنَا مِنْ بَيْنِ أَيْدِيهِمْ سَدًّا وَمِنْ خَلْفِهِمْ سَدًّا فَأَغْشَيْنَاهُمْ فَهُمْ لَا يُبْصِرُونَ ﴿٩﴾
তাদের সামনে আমি একটা (বাধার) প্রাচীর দাঁড় করিয়ে দিয়েছি, আর পেছনে একটা প্রাচীর, উপরন্তু তাদেরকে ঢেকে দিয়েছি; কাজেই তারা দেখতে পায় না। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ সত্য অস্বীকারকারীদের দৃষ্টিকে আচ্ছন্ন করে দিয়েছেন।

ইয়াসীন, ৩৬:৯
وَجَعَلْنَا مِنْ بَيْنِ أَيْدِيهِمْ سَدًّا وَمِنْ خَلْفِهِمْ سَدًّا فَأَغْشَيْنَاهُمْ فَهُمْ لَا يُبْصِرُونَ ﴿٩﴾
তাদের সামনে আমি একটা (বাধার) প্রাচীর দাঁড় করিয়ে দিয়েছি, আর পেছনে একটা প্রাচীর, উপরন্তু তাদেরকে ঢেকে দিয়েছি; কাজেই তারা দেখতে পায় না। [তাইসিরুল কুরআন]

ফলস্বরূপ, সত্য অস্বীকারকারীরা কিছুই দেখতে পায় না।

ইয়াসীন, ৩৬:৯
وَجَعَلْنَا مِنْ بَيْنِ أَيْدِيهِمْ سَدًّا وَمِنْ خَلْفِهِمْ سَدًّا فَأَغْشَيْنَاهُمْ فَهُمْ لَا يُبْصِرُونَ ﴿٩﴾
তাদের সামনে আমি একটা (বাধার) প্রাচীর দাঁড় করিয়ে দিয়েছি, আর পেছনে একটা প্রাচীর, উপরন্তু তাদেরকে ঢেকে দিয়েছি; কাজেই তারা দেখতে পায় না। [তাইসিরুল কুরআন]

সুতরাং, তোমাদেরকে সত্য থেকে কোথায় ফিরিয়ে নেওয়া হচ্ছে?

গাফির, ৪০:৬২
ذَلِكُمُ اللَّهُ رَبُّكُمْ خَالِقُ كُلِّ شَيْءٍ لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ فَأَنَّى تُؤْفَكُونَ ﴿٦٢﴾
এ হলেন আল্লাহ, তোমাদের প্রতিপালক, সব কিছুর সৃষ্টিকর্তা। তিনি ছাড়া সত্যিকারের কোন ইলাহ নেই; এমতাবস্থায় তোমাদেরকে সত্য থেকে কীভাবে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে? [তাইসিরুল কুরআন]

যারা আল্লাহর নিদর্শনসমূহকে অস্বীকার করত, তাদেরকে এভাবেই সত্য থেকে বিমুখ করা হয়।

গাফির, ৪০:৬৩
كَذَلِكَ يُؤْفَكُ الَّذِينَ كَانُوا بِآيَاتِ اللَّهِ يَجْحَدُونَ ﴿٦٣﴾
বিভ্রান্ত এভাবেই করা হয় তাদেরকে যারা আল্লাহর আয়াতকে অস্বীকার করে। [তাইসিরুল কুরআন]

তথাপি সতর্কবাণীসমূহ অবিশ্বাসীদের কোনো উপকারে আসে না।

আল-কামার, ৫৪:৫
حِكْمَةٌ بَالِغَةٌ فَمَا تُغْنِ النُّذُرُ ﴿٥﴾
তা (হল) সুদূর প্রসারী জ্ঞান, কিন্তু সেই সতর্কবাণী কোন কাজে আসেনি। [তাইসিরুল কুরআন]

নিশ্চয়ই অপরাধীরা পথভ্রষ্টতায় নিমজ্জিত রয়েছে।

আল-কামার, ৫৪:৪৭
إِنَّ الْمُجْرِمِينَ فِي ضَلَالٍ وَسُعُرٍ ﴿٤٧﴾
পাপীরা আছে গুমরাহী আর পাগলামির মধ্যে। [তাইসিরুল কুরআন]

মুনাফিকদের এই অবস্থার কারণ হলো, তারা এমন এক সম্প্রদায় যারা উপলব্ধি করে না।

আল-হাশর, ৫৯:১৩
لَأَنْتُمْ أَشَدُّ رَهْبَةً فِي صُدُورِهِمْ مِنَ اللَّهِ ذَلِكَ بِأَنَّهُمْ قَوْمٌ لَا يَفْقَهُونَ ﴿١٣﴾
তাদের অন্তরে আল্লাহর চেয়ে তোমাদের ভয়ই বেশি প্রবল। এর কারণ এই যে, তারা এক বিবেক-বুদ্ধিহীন সম্প্রদায়। [তাইসিরুল কুরআন]

অতঃপর তারা সত্যকে অস্বীকার করেছিল এবং মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিল।

আত-তাগাবুন, ৬৪:৬
ذَلِكَ بِأَنَّهُ كَانَتْ تَأْتِيهِمْ رُسُلُهُمْ بِالْبَيِّنَاتِ فَقَالُوا أَبَشَرٌ يَهْدُونَنَا فَكَفَرُوا وَتَوَلَّوْا وَاسْتَغْنَى اللَّهُ وَاللَّهُ غَنِيٌّ حَمِيدٌ ﴿٦﴾
এর কারণ এই যে, তাদের কাছে তাদের রসূলগণ স্পষ্ট নিদর্শনসহ এসেছিল, তখন তারা বলেছিল, ‘(আমাদের মতই) মানুষ কি আমাদেরকে সঠিক পথ দেখাবে?’ কাজেই তারা অস্বীকার করল আর মুখ ফিরিয়ে নিল। তখন আল্লাহও তাদের ব্যাপারে বেপরোয়া হয়ে গেলেন, আল্লাহ অমুখাপেক্ষী, প্রশংসিত। [তাইসিরুল কুরআন]

যে ব্যক্তি মুখে ভর দিয়ে উপুড় হয়ে চলে, সে কি অধিক হিদায়াতপ্রাপ্ত?

আল-মুলক, ৬৭:২২
أَفَمَنْ يَمْشِي مُكِبًّا عَلَى وَجْهِهِ أَهْدَى أَمْ مَنْ يَمْشِي سَوِيًّا عَلَى صِرَاطٍ مُسْتَقِيمٍ ﴿٢٢﴾
যে লোক উপুড় হয়ে মুখের ভরে চলে সেই কি অধিক সৎপথপ্রাপ্ত, না সেই লোক যে সোজা হয়ে সরল সঠিক পথে চলে? [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ কৃপণ ও সত্য অস্বীকারকারীর জন্য কঠিন পরিণতির পথ সহজ করে দেবেন।

আল-লাইল, ৯২:১০
فَسَنُيَسِّرُهُ لِلْعُسْرَى ﴿١٠﴾
আমি তার জন্য কঠিন পথ (অর্থাৎ অন্যায়, অসত্য, হিংসা ও হানাহানির পথ) সহজ করে দিব। [তাইসিরুল কুরআন]

নূহ (আঃ) দোয়া করেন যেন আল্লাহ জালিমদের পথভ্রষ্টতা আরও বাড়িয়ে দেন।

নূহ, ৭১:২৪
وَقَدْ أَضَلُّوا كَثِيرًا وَلَا تَزِدِ الظَّالِمِينَ إِلَّا ضَلَالًا ﴿٢٤﴾
তারা গুমরাহ করেছে অনেককে, তুমি যালিমদের গুমরাহী ছাড়া আর কিছুই বৃদ্ধি করো না। [তাইসিরুল কুরআন]

মানবজাতির মধ্যে যে ব্যক্তি সৎপথ থেকে পিছিয়ে থাকতে চায়, জাহান্নামের এই সতর্কবার্তা তার জন্যও।

আল-মুদ্দাসসির, ৭৪:৩৭
لِمَنْ شَاءَ مِنْكُمْ أَنْ يَتَقَدَّمَ أَوْ يَتَأَخَّرَ ﴿٣٧﴾
তোমাদের মধ্যে যে (কল্যাণের পথে) এগিয়ে যেতে চায় অথবা পেছনে পড়ে থাকতে চায় তার জন্য [তাইসিরুল কুরআন]

সত্য (কুরআন) থেকে কেবল সেই ব্যক্তিকেই ফিরিয়ে রাখা হয়, যে পূর্ব থেকেই বিপথগামী।

আয-যারিয়াত, ৫১:৯
يُؤْفَكُ عَنْهُ مَنْ أُفِكَ ﴿٩﴾
যারা সেই (সত্য) মানতে ভুল করে তারাই গুমরাহ। [তাইসিরুল কুরআন]
ফন্ট সাইজ
15px
17px