বিষয়ভিত্তিক কুরআন > আল্লাহ মুজাহিদদেরকে সাহায্য করেন।
মুমিনদেরকে সাহায্য করা আল্লাহর কর্তব্য:
আর-রুম, ৩০:৪৭ ⋮
وَلَقَدْ أَرْسَلْنَا مِنْ قَبْلِكَ رُسُلًا إِلَى قَوْمِهِمْ فَجَاءُوهُمْ بِالْبَيِّنَاتِ فَانْتَقَمْنَا مِنَ الَّذِينَ أَجْرَمُوا وَكَانَ حَقًّا عَلَيْنَا نَصْرُ الْمُؤْمِنِينَ ﴿٤٧﴾
তোমার পূর্বে আমি রসূলগণকে পাঠিয়েছিলাম তাদের নিজ নিজ জাতির নিকট। তারা তাদের কাছে সুস্পষ্ট নিদর্শন নিয়ে এসেছিল। অতঃপর যারা অন্যায় করেছিল আমি তাদেরকে শাস্তি দিয়েছিলাম। মু’মিনদের সাহায্য করা আমার দায়িত্ব। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ মুসা ও হারুন (আঃ) কে সাহায্য করেছেন:
আস-সাফফাত, ৩৭:১১৪ ⋮
وَلَقَدْ مَنَنَّا عَلَى مُوسَى وَهَارُونَ ﴿١١٤﴾
আমি মূসা ও হারূনের প্রতি অনুগ্রহ করেছিলাম। [তাইসিরুল কুরআন]
আস-সাফফাত, ৩৭:১১৫ ⋮
وَنَجَّيْنَاهُمَا وَقَوْمَهُمَا مِنَ الْكَرْبِ الْعَظِيمِ ﴿١١٥﴾
আর তাদের দু’জনকে এবং তাদের জাতিকে মহা বিপদ থেকে রক্ষা করেছিলাম। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ ঈসা (আঃ) এর সাথিদেরকে সাহায্য করেছেন:
আস-সাফফাত, ৩৭:১৪ ⋮
وَإِذَا رَأَوْا آيَةً يَسْتَسْخِرُونَ ﴿١٤﴾
তারা আল্লাহর কোন নিদর্শন দেখলে ঠাট্টা করে। [তাইসিরুল কুরআন]
বদরের যুদ্ধে আল্লাহর সাহায্যের দৃষ্টান্ত:
আলে-ইমরান, ৩:১২৩ ⋮
وَلَقَدْ نَصَرَكُمُ اللَّهُ بِبَدْرٍ وَأَنْتُمْ أَذِلَّةٌ فَاتَّقُوا اللَّهَ لَعَلَّكُمْ تَشْكُرُونَ ﴿١٢٣﴾
এবং আল্লাহ তোমাদের হীন অবস্থায় বাদর যুদ্ধক্ষেত্রে তোমাদের সাহায্য করেছেন, সুতরাং আল্লাহকে ভয় করে চল, যেন তোমরা শোকরগুজার হতে পার। [তাইসিরুল কুরআন]
আলে-ইমরান, ৩:১২৪ ⋮
إِذْ تَقُولُ لِلْمُؤْمِنِينَ أَلَنْ يَكْفِيَكُمْ أَنْ يُمِدَّكُمْ رَبُّكُمْ بِثَلَاثَةِ آلَافٍ مِنَ الْمَلَائِكَةِ مُنْزَلِينَ ﴿١٢٤﴾
(স্মরণ কর) যখন তুমি মু’মিনদেরকে বলছিলে, ‘তোমাদের জন্য কি এটা যথেষ্ট নয় যে, তোমাদের প্রতিপালক তিন সহস্র ফেরেশতা অবতরণপূর্বক তোমাদের সাহায্য করবেন?’ [তাইসিরুল কুরআন]
আলে-ইমরান, ৩:১২৫ ⋮
بَلَى إِنْ تَصْبِرُوا وَتَتَّقُوا وَيَأْتُوكُمْ مِنْ فَوْرِهِمْ هَذَا يُمْدِدْكُمْ رَبُّكُمْ بِخَمْسَةِ آلَافٍ مِنَ الْمَلَائِكَةِ مُسَوِّمِينَ ﴿١٢٥﴾
হ্যাঁ, যদি তোমরা ধৈর্যধারণ কর এবং তাকওয়া অবলম্বন কর এবং তারা (অর্থাৎ শত্রুরা) মুহূর্তের মধ্যে এখানে তোমাদের উপর এসে পড়ে, তাহলে তোমাদের প্রতিপালক বিশেষভাবে চিহ্নিত পাঁচ সহস্র ফেরেশতা দ্বারা তোমাদেরকে সাহায্য করবেন। [তাইসিরুল কুরআন]
আহযাবের যুদ্ধে আল্লাহর সাহায্যের দৃষ্টান্ত:
আল-আহযাব, ৩৩:৯ ⋮
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اذْكُرُوا نِعْمَةَ اللَّهِ عَلَيْكُمْ إِذْ جَاءَتْكُمْ جُنُودٌ فَأَرْسَلْنَا عَلَيْهِمْ رِيحًا وَجُنُودًا لَمْ تَرَوْهَا وَكَانَ اللَّهُ بِمَا تَعْمَلُونَ بَصِيرًا ﴿٩﴾
হে মু’মিনগণ! তোমরা তোমাদের প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহের কথা স্মরণ কর যখন সৈন্যবাহিনী তোমাদের বিরুদ্ধে নিকটবর্তী হয়েছিল, অতঃপর আমি তাদের বিরুদ্ধে পাঠিয়েছিলাম ঝড়ো হাওয়া এবং এক (ফেরেশতারূপী) সৈন্যবাহিনী যা তোমরা দেখনি। তোমরা যা কর আল্লাহ তা প্রত্যক্ষকারী। [তাইসিরুল কুরআন]
হুনাইনের যুদ্ধে আল্লাহর সাহায্যের দৃষ্টান্ত:
আত-তাওবা, ৯:২৫ ⋮
لَقَدْ نَصَرَكُمُ اللَّهُ فِي مَوَاطِنَ كَثِيرَةٍ وَيَوْمَ حُنَيْنٍ إِذْ أَعْجَبَتْكُمْ كَثْرَتُكُمْ فَلَمْ تُغْنِ عَنْكُمْ شَيْئًا وَضَاقَتْ عَلَيْكُمُ الْأَرْضُ بِمَا رَحُبَتْ ثُمَّ وَلَّيْتُمْ مُدْبِرِينَ ﴿٢٥﴾
বস্তুতঃ আল্লাহ তোমাদেরকে বহু যুদ্ধ ক্ষেত্রে সাহায্য করেছেন আর হুনায়নের যুদ্ধের দিন, তোমাদের সংখ্যার আধিক্য তোমাদেরকে গর্বে মাতোয়ারা করে দিয়েছিল, কিন্তু তা তোমাদের কোন কাজে আসেনি, যমীন সুপ্রশস্ত হওয়া সত্বেও তা তোমাদের নিকট সংকীর্ণই হয়ে গিয়েছিল, আর তোমরা পিছন ফিরে পালিয়ে গিয়েছিলে। [তাইসিরুল কুরআন]
আত-তাওবা, ৯:২৬ ⋮
ثُمَّ أَنْزَلَ اللَّهُ سَكِينَتَهُ عَلَى رَسُولِهِ وَعَلَى الْمُؤْمِنِينَ وَأَنْزَلَ جُنُودًا لَمْ تَرَوْهَا وَعَذَّبَ الَّذِينَ كَفَرُوا وَذَلِكَ جَزَاءُ الْكَافِرِينَ ﴿٢٦﴾
তারপর আল্লাহ তাঁর রসূলের উপর, আর মু’মিনদের উপর তাঁর প্রশান্তির অমিয়ধারা বর্ষণ করলেন, আর পাঠালেন এমন এক সেনাবাহিনী যা তোমরা দেখতে পাওনি, আর তিনি কাফিরদেরকে শাস্তি প্রদান করলেন। এভাবেই আল্লাহ কাফিরদেরকে প্রতিফল দিয়ে থাকেন। [তাইসিরুল কুরআন]
ছোট দলও বড় দলের উপর বিজয়ী হতে পারে:
আল-বাকারা, ২:২৪৯ ⋮
فَلَمَّا فَصَلَ طَالُوتُ بِالْجُنُودِ قَالَ إِنَّ اللَّهَ مُبْتَلِيكُمْ بِنَهَرٍ فَمَنْ شَرِبَ مِنْهُ فَلَيْسَ مِنِّي وَمَنْ لَمْ يَطْعَمْهُ فَإِنَّهُ مِنِّي إِلَّا مَنِ اغْتَرَفَ غُرْفَةً بِيَدِهِ فَشَرِبُوا مِنْهُ إِلَّا قَلِيلًا مِنْهُمْ فَلَمَّا جَاوَزَهُ هُوَ وَالَّذِينَ آمَنُوا مَعَهُ قَالُوا لَا طَاقَةَ لَنَا الْيَوْمَ بِجَالُوتَ وَجُنُودِهِ قَالَ الَّذِينَ يَظُنُّونَ أَنَّهُمْ مُلَاقُو اللَّهِ كَمْ مِنْ فِئَةٍ قَلِيلَةٍ غَلَبَتْ فِئَةً كَثِيرَةً بِإِذْنِ اللَّهِ وَاللَّهُ مَعَ الصَّابِرِينَ ﴿٢٤٩﴾
অতঃপর যখন তালুত সৈন্যসহ রওয়ানা হল, বলল, ‘আল্লাহ একটা নদী দ্বারা তোমাদের পরীক্ষা করবেন, মূলতঃ যে কেউ ওটার পানি পান করবে সে ব্যক্তি আমার দলভুক্ত নয় আর যে তা খাবে না, সে নিশ্চয়ই আমার দলভুক্ত হবে, কিন্তু যে এক অঞ্জলি পানি নিবে সেও (আমার দলভুক্ত)’। অতঃপর অতি অল্প সংখ্যক ছাড়া তারা সকলেই তাত্থেকে পান করল। এরপর তালুত এবং তার সাথী মু’মিনগণ নদী পার হয়ে বলল, ‘আজ জ্বালুত ও তার সৈন্যদের সাথে যুদ্ধ করার শক্তি আমাদের নেই। কিন্তু যাদের এ ধারণা ছিল যে, তাদেরকে আল্লাহর সামনে হাজির হতে হবে তারা বলল, ‘আল্লাহর হুকুমে বহু ক্ষেত্রে ক্ষুদ্র দল বৃহৎ দলের উপর জয়যুক্ত হয়েছে’। আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সঙ্গে আছেন। [তাইসিরুল কুরআন]
সত্যিকার একজন মুমিন দশজন কাফিরকে পরাজিত করতে পারে:
আল-আনফাল, ৮:৬৫ ⋮
يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ حَرِّضِ الْمُؤْمِنِينَ عَلَى الْقِتَالِ إِنْ يَكُنْ مِنْكُمْ عِشْرُونَ صَابِرُونَ يَغْلِبُوا مِائَتَيْنِ وَإِنْ يَكُنْ مِنْكُمْ مِائَةٌ يَغْلِبُوا أَلْفًا مِنَ الَّذِينَ كَفَرُوا بِأَنَّهُمْ قَوْمٌ لَا يَفْقَهُونَ ﴿٦٥﴾
হে নাবী! যুদ্ধের ব্যাপারে মু’মিনদেরকে উদ্বুদ্ধ কর। তোমাদের মধ্যে বিশজন ধৈর্যশীল থাকলে তারা দু’শ জনের উপর জয়ী হবে এবং তোমাদের মধ্যে (ঐরূপ) একশ’ জন থাকলে তারা একহাজার কাফিরের উপর বিজয়ী হবে। কেননা তারা হচ্ছে এমন লোক যারা (ন্যায়-অন্যায় সম্পর্কে) কোন বোধ রাখে না। [তাইসিরুল কুরআন]
শেষ পর্যন্ত ইসলামপন্থীরাই বিজয়ী হবে:
আল-মুজাদালা, ৫৮:২১ ⋮
كَتَبَ اللَّهُ لَأَغْلِبَنَّ أَنَا وَرُسُلِي إِنَّ اللَّهَ قَوِيٌّ عَزِيزٌ ﴿٢١﴾
আল্লাহ লিখে দিয়েছেন যে, অবশ্য অবশ্যই আমি ও আমার রসূলগণ বিজয়ী থাকব। আল্লাহ মহা শক্তিমান ও পরাক্রমশালী। [তাইসিরুল কুরআন]
আস-সাফফাত, ৩৭:১৭১ ⋮
وَلَقَدْ سَبَقَتْ كَلِمَتُنَا لِعِبَادِنَا الْمُرْسَلِينَ ﴿١٧١﴾
আমার প্রেরিত বান্দাহ্দের সম্পর্কে আমার এ কথা আগেই বলা আছে যে, [তাইসিরুল কুরআন]
আস-সাফফাত, ৩৭:১৭২ ⋮
إِنَّهُمْ لَهُمُ الْمَنْصُورُونَ ﴿١٧٢﴾
তাদেরকে অবশ্যই সাহায্য করা হবে। [তাইসিরুল কুরআন]
আস-সাফফাত, ৩৭:১৭৩ ⋮
وَإِنَّ جُنْدَنَا لَهُمُ الْغَالِبُونَ ﴿١٧٣﴾
আর আমার সৈন্যরাই বিজয়ী হবে [তাইসিরুল কুরআন]
মুজাহিদদের সাহায্য করার ক্ষেত্রে আল্লাহর ওয়াদা ।
মুহাম্মাদ, ৪৭:৭ ⋮
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا إِنْ تَنْصُرُوا اللَّهَ يَنْصُرْكُمْ وَيُثَبِّتْ أَقْدَامَكُمْ ﴿٧﴾
হে ঈমানদারগণ! তোমরা যদি আল্লাহকে সাহায্য কর, তিনি তোমাদেরকে সাহায্য করবেন আর তোমাদের পাগুলোকে দৃঢ়প্রতিষ্ঠ করবেন। [তাইসিরুল কুরআন]
অতঃপর বিশ্বাসীরা আল্লাহর পক্ষ থেকে নেয়ামত ও অনুগ্রহসহ ফিরে এসেছিলেন।
আলে-ইমরান, ৩:১৭৪ ⋮
فَانْقَلَبُوا بِنِعْمَةٍ مِنَ اللَّهِ وَفَضْلٍ لَمْ يَمْسَسْهُمْ سُوءٌ وَاتَّبَعُوا رِضْوَانَ اللَّهِ وَاللَّهُ ذُو فَضْلٍ عَظِيمٍ ﴿١٧٤﴾
অতঃপর তারা আল্লাহর নি‘মাত ও অনুগ্রহসহ ফিরে আসল, কোনও প্রকার অনিষ্ট তাদেরকে স্পর্শ করেনি, তারা আল্লাহর সন্তুষ্টির অনুসরণ করেছিল এবং আল্লাহ মহাকল্যাণময়। [তাইসিরুল কুরআন]
কোনো প্রকার অকল্যাণ সেই বিশ্বাসীদের স্পর্শ করেনি।
আলে-ইমরান, ৩:১৭৪ ⋮
فَانْقَلَبُوا بِنِعْمَةٍ مِنَ اللَّهِ وَفَضْلٍ لَمْ يَمْسَسْهُمْ سُوءٌ وَاتَّبَعُوا رِضْوَانَ اللَّهِ وَاللَّهُ ذُو فَضْلٍ عَظِيمٍ ﴿١٧٤﴾
অতঃপর তারা আল্লাহর নি‘মাত ও অনুগ্রহসহ ফিরে আসল, কোনও প্রকার অনিষ্ট তাদেরকে স্পর্শ করেনি, তারা আল্লাহর সন্তুষ্টির অনুসরণ করেছিল এবং আল্লাহ মহাকল্যাণময়। [তাইসিরুল কুরআন]
নিশ্চয়ই আল্লাহর দলই বিজয়ী হয়।
আল-মায়েদা, ৫:৫৬ ⋮
وَمَنْ يَتَوَلَّ اللَّهَ وَرَسُولَهُ وَالَّذِينَ آمَنُوا فَإِنَّ حِزْبَ اللَّهِ هُمُ الْغَالِبُونَ ﴿٥٦﴾
যে কেউ আল্লাহ ও তাঁর রসূল এবং ঈমানদারগণকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করবে (সে দেখতে পাবে যে) আল্লাহর দলই বিজয়ী হবে। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ বনী ইসরাইলকে ফেরাউনের অনুসারীদের কবল থেকে উদ্ধার করেছিলেন।
আল-আ'রাফ, ৭:১৪১ ⋮
وَإِذْ أَنْجَيْنَاكُمْ مِنَ آلِ فِرْعَوْنَ يَسُومُونَكُمْ سُوءَ الْعَذَابِ يُقَتِّلُونَ أَبْنَاءَكُمْ وَيَسْتَحْيُونَ نِسَاءَكُمْ وَفِي ذَلِكُمْ بَلَاءٌ مِنْ رَبِّكُمْ عَظِيمٌ ﴿١٤١﴾
স্মরণ কর, আমি তোমাদেরকে ফির‘আওনী গোষ্ঠী থেকে রক্ষা করেছি যারা তোমাদেরকে কঠিন আযাবে ডুবিয়ে রেখেছিল, যারা তোমাদের ছেলে সন্তানগুলোকে হত্যা করছিল আর তোমাদের নারীদেরকে জীবিত রাখছিল, এতে তোমাদের জন্য ছিল তোমাদের রবেবর পক্ষ হতে এক কঠিন পরীক্ষা। [তাইসিরুল কুরআন]
বদরের এই বিজয় আল্লাহরই পক্ষ থেকে প্রদত্ত।
আল-আনফাল, ৮:১৮ ⋮
ذَلِكُمْ وَأَنَّ اللَّهَ مُوهِنُ كَيْدِ الْكَافِرِينَ ﴿١٨﴾
আমার এ ব্যবস্থা তোমাদের জন্য, (আর কাফিরদের সম্পর্কে কথা এই যে) আল্লাহ কাফিরদের ষড়যন্ত্রকে অকেজো করে দেন। [তাইসিরুল কুরআন]
তখন রাসূলগণের কাছে আল্লাহর সাহায্য এসে পৌঁছাল।
ইউসুফ, ১২:১১০ ⋮
حَتَّى إِذَا اسْتَيْئَسَ الرُّسُلُ وَظَنُّوا أَنَّهُمْ قَدْ كُذِبُوا جَاءَهُمْ نَصْرُنَا فَنُجِّيَ مَنْ نَشَاءُ وَلَا يُرَدُّ بَأْسُنَا عَنِ الْقَوْمِ الْمُجْرِمِينَ ﴿١١٠﴾
(হে নাবী! তোমার পূর্বেও এমন ঘটেছে যে,) শেষ পর্যন্ত রসূলগণ নিরাশ হয়েছে, আর লোকেরা মনে করেছে যে, তাদেরকে মিথ্যে কথা বলা হয়েছে, তখন তাদের (রাসূলদের) কাছে আমার সাহায্য এসে পৌঁছেছে, এভাবেই আমি যাকে ইচ্ছে রক্ষা করি। অপরাধী সম্প্রদায় থেকে আমার শাস্তি কক্ষনো ফিরিয়ে নেয়া হয় না। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ মুমিনদের অন্তর থেকে ক্রোধ দূর করে দেবেন।
আত-তাওবা, ৯:১৫ ⋮
وَيُذْهِبْ غَيْظَ قُلُوبِهِمْ وَيَتُوبُ اللَّهُ عَلَى مَنْ يَشَاءُ وَاللَّهُ عَلِيمٌ حَكِيمٌ ﴿١٥﴾
তিনি তাদের মনের জ্বালা নিভিয়ে দিবেন, আল্লাহ যাকে চাইবেন তাওবাহ করার তাওফীক দিবেন, আর আল্লাহ হলেন সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়। [তাইসিরুল কুরআন]
অবশেষে আল্লাহর পক্ষ থেকে সত্য (বিজয় ও সাহায্য) আগমন করল।
আত-তাওবা, ৯:৪৮ ⋮
لَقَدِ ابْتَغَوُا الْفِتْنَةَ مِنْ قَبْلُ وَقَلَّبُوا لَكَ الْأُمُورَ حَتَّى جَاءَ الْحَقُّ وَظَهَرَ أَمْرُ اللَّهِ وَهُمْ كَارِهُونَ ﴿٤٨﴾
আগেও তারা ফিতনা সৃষ্টি করতে চেয়েছে আর তোমার অনেক কাজ নষ্ট করেছে যতক্ষণ না প্রকৃত সত্য এসে হাজির হল আর আল্লাহর বিধান প্রকাশিত হয়ে গেল যদিও এতে তারা ছিল নাখোশ। [তাইসিরুল কুরআন]
নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁর নবীর (ﷺ) জন্য বিদ্রূপকারীদের বিরুদ্ধে যথেষ্ট।
আল-হিজর, ১৫:৯৫ ⋮
إِنَّا كَفَيْنَاكَ الْمُسْتَهْزِئِينَ ﴿٩٥﴾
(সেই) ঠাট্টা-বিদ্রূপকারীদের বিরুদ্ধে তোমার জন্য আমিই যথেষ্ট [তাইসিরুল কুরআন]
হে নবী, আপনার ধৈর্য ধারণ করা কেবল আল্লাহর সাহায্যেই সম্ভব।
আন-নাহাল, ১৬:১২৭ ⋮
وَاصْبِرْ وَمَا صَبْرُكَ إِلَّا بِاللَّهِ وَلَا تَحْزَنْ عَلَيْهِمْ وَلَا تَكُ فِي ضَيْقٍ مِمَّا يَمْكُرُونَ ﴿١٢٧﴾
তুমি ধৈর্য ধারণ কর, তোমার ধৈর্য তো কেবল আল্লাহ ব্যতীত নয়, ওদের কার্যকলাপে তুমি দুঃখিত হয়ো না, আর ওদের ষড়যন্ত্র করার কারণে অন্তরে কুণ্ঠাবোধ করো না। [তাইসিরুল কুরআন]
অতঃপর আল্লাহ বনী ইসরাইলকে তাদের শত্রুদের উপর পুনরায় বিজয় দান করলেন।
আল-ইসরা, ১৭:৬ ⋮
ثُمَّ رَدَدْنَا لَكُمُ الْكَرَّةَ عَلَيْهِمْ وَأَمْدَدْنَاكُمْ بِأَمْوَالٍ وَبَنِينَ وَجَعَلْنَاكُمْ أَكْثَرَ نَفِيرًا ﴿٦﴾
অতঃপর আমি তোমাদেরকে তাদের উপর বিজয় দান করলাম আর তোমাদেরকে ধন-সম্পদ আর সন্তানাদি দিয়ে সাহায্য করলাম, তোমাদেরকে জনবলে বহুগুণ বাড়িয়ে দিলাম। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ লুত (আঃ) ও তাঁর পরিবারকে (শাস্তি থেকে) উদ্ধার করেছিলেন।
আন-নামাল, ২৭:৫৭ ⋮
فَأَنْجَيْنَاهُ وَأَهْلَهُ إِلَّا امْرَأَتَهُ قَدَّرْنَاهَا مِنَ الْغَابِرِينَ ﴿٥٧﴾
অতঃপর আমি তাকে ও তার পরিবারবর্গকে রক্ষা করলাম, তার স্ত্রী ব্যতীত। আমি তার ভাগ্য ধ্বংসপ্রাপ্তদের মধ্যে নির্ধারণ করেছিলাম। [তাইসিরুল কুরআন]
ফেরেশতারা লূত (আঃ) ও তাঁর পরিবারকে অবশ্যই রক্ষা করার প্রতিশ্রুতি দিলেন।
আল-আনকাবূত, ২৯:৩২ ⋮
قَالَ إِنَّ فِيهَا لُوطًا قَالُوا نَحْنُ أَعْلَمُ بِمَنْ فِيهَا لَنُنَجِّيَنَّهُ وَأَهْلَهُ إِلَّا امْرَأَتَهُ كَانَتْ مِنَ الْغَابِرِينَ ﴿٣٢﴾
ইবরাহীম বলল- ওখানে তো লূত আছে। তারা বলল- ওখানে কারা আছে আমরা তা ভাল করেই জানি, আমরা তাকে আর তার পরিবারবর্গকে অবশ্য অবশ্যই রক্ষা করব তার স্ত্রীকে ছাড়া, সে ধ্বংসপ্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ তাঁর রাসূলদেরকে এবং যাদেরকে তিনি ইচ্ছা করেছিলেন, তাদেরকে রক্ষা করেছিলেন।
আল-আম্বিয়া, ২১:৯ ⋮
ثُمَّ صَدَقْنَاهُمُ الْوَعْدَ فَأَنْجَيْنَاهُمْ وَمَنْ نَشَاءُ وَأَهْلَكْنَا الْمُسْرِفِينَ ﴿٩﴾
অতঃপর আমি তাদেরকে দেয়া আমার ওয়া‘দা সত্যে পরিণত করলাম। ফলতঃ আমি তাদেরকে এবং আরো যাদেরকে চাইলাম রক্ষা করলাম আর সীমালঙ্ঘনকারীদেরকে ধ্বংস করে দিলাম। [তাইসিরুল কুরআন]
যে ব্যক্তি ধারণা করে যে আল্লাহ দুনিয়া ও আখিরাতে তাঁর রাসূলকে (ﷺ) সাহায্য করবেন না, তার প্রতি একটি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেওয়া হয়েছে।
আল-হজ্জ, ২২:১৫ ⋮
مَنْ كَانَ يَظُنُّ أَنْ لَنْ يَنْصُرَهُ اللَّهُ فِي الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ فَلْيَمْدُدْ بِسَبَبٍ إِلَى السَّمَاءِ ثُمَّ لْيَقْطَعْ فَلْيَنْظُرْ هَلْ يُذْهِبَنَّ كَيْدُهُ مَا يَغِيظُ ﴿١٥﴾
যে কেউ ধারণা করে যে আল্লাহ তাকে (অর্থাৎ তাঁর রসূলকে) কক্ষনো দুনিয়া ও আখিরাতে সাহায্য করবেন না, তাহলে সে আকাশ পর্যন্ত একটা দড়ি ঝুলিয়ে নিক, অতঃপর তা কেটে দিক, অতঃপর সে দেখুক তার কলা-কৌশল তার রাগের কারণ দূর করে কিনা। (রসূলের দুশমন নিজের ঝুলানো দড়িটাই কাটুক, কেননা সে তো রসূলের প্রতি আল্লাহর সাহায্যের দড়িটা কক্ষনো কাটতে পারবে না।) [তাইসিরুল কুরআন]
যে ব্যক্তি নির্যাতিত হওয়ার পর সমপরিমাণ প্রতিশোধ গ্রহণ করে এবং অতঃপর পুনরায় তার উপর জুলুম করা হয়, আল্লাহ অবশ্যই তাকে সাহায্য করবেন।
আল-হজ্জ, ২২:৬০ ⋮
ذَلِكَ وَمَنْ عَاقَبَ بِمِثْلِ مَا عُوقِبَ بِهِ ثُمَّ بُغِيَ عَلَيْهِ لَيَنْصُرَنَّهُ اللَّهُ إِنَّ اللَّهَ لَعَفُوٌّ غَفُورٌ ﴿٦٠﴾
এতো হল তাদের অবস্থা, আর যে ব্যক্তি আঘাতপ্রাপ্ত হলে সমপরিমাণ প্রতিশোধ গ্রহণ করে, অতঃপর আবার সে নিপীড়িত হয়, আল্লাহ তাকে অবশ্য অবশ্যই সাহায্য করবেন, আল্লাহ অবশ্যই মাফকারী ক্ষমাশীল। [তাইসিরুল কুরআন]