বিষয়ভিত্তিক কুরআন > ইবাদাত পাওয়ার উপযুক্ত একমাত্র আল্লাহ

আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ্ নেই

আল-আন'আম, ৬:১০২
ذَلِكُمُ اللَّهُ رَبُّكُمْ لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ خَالِقُ كُلِّ شَيْءٍ فَاعْبُدُوهُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ وَكِيلٌ ﴿١٠٢﴾
এই হলেন তোমাদের প্রতিপালক, তিনি ছাড়া সত্যিকারের কোন ইলাহ নেই, সব কিছুর স্রষ্টা; কাজেই তোমরা তাঁরই ‘ইবাদাত কর, তিনি সমস্ত বিষয়ের র্কমবিধায়ক। [তাইসিরুল কুরআন]
ত্ব-হা, ২০:৯৮
إِنَّمَا إِلَهُكُمُ اللَّهُ الَّذِي لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ وَسِعَ كُلَّ شَيْءٍ عِلْمًا ﴿٩٨﴾
তোমাদের ইলাহ একমাত্র আল্লাহ, যিনি ছাড়া সত্যিকারের কোন ইলাহ নেই। যাবতীয় বিষয়ে তাঁর জ্ঞান পরিব্যাপ্ত। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-কাসাস, ২৮:৭০
وَهُوَ اللَّهُ لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ لَهُ الْحَمْدُ فِي الْأُولَى وَالْآخِرَةِ وَلَهُ الْحُكْمُ وَإِلَيْهِ تُرْجَعُونَ ﴿٧٠﴾
আর তিনিই আল্লাহ, তিনি ছাড়া সত্যিকারের কোন ইলাহ্ নেই, সমস্ত প্রশংসা তাঁরই- প্রথমেও আর শেষেও, বিধান তাঁরই, আর তোমাদেরকে তাঁর দিকেই ফিরিয়ে নেয়া হবে। [তাইসিরুল কুরআন]
আলে-ইমরান, ৩:৬২
إِنَّ هَذَا لَهُوَ الْقَصَصُ الْحَقُّ وَمَا مِنْ إِلَهٍ إِلَّا اللَّهُ وَإِنَّ اللَّهَ لَهُوَ الْعَزِيزُ الْحَكِيمُ ﴿٦٢﴾
নিশ্চয়ই এটা প্রকৃত ঘটনা। আল্লাহ ছাড়া অন্য সত্য ইলাহ নেই। আর নিশ্চয়ই আল্লাহ মহাপরাক্রান্ত, প্রজ্ঞাময়। [তাইসিরুল কুরআন]

আসমান ও জমিনে একই উপাস্য

আয-যুখরুফ, ৪৩:৮৪
وَهُوَ الَّذِي فِي السَّمَاءِ إِلَهٌ وَفِي الْأَرْضِ إِلَهٌ وَهُوَ الْحَكِيمُ الْعَلِيمُ ﴿٨٤﴾
আকাশমন্ডলে তিনিই ইলাহ, যমীনে তিনিই ইলাহ, তিনি মহাবিজ্ঞ, সর্বজ্ঞ। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ ছাড়া অন্য সব উপাস্যই মিথ্যা

আল-হজ্জ, ২২:৬২
ذَلِكَ بِأَنَّ اللَّهَ هُوَ الْحَقُّ وَأَنَّ مَا يَدْعُونَ مِنْ دُونِهِ هُوَ الْبَاطِلُ وَأَنَّ اللَّهَ هُوَ الْعَلِيُّ الْكَبِيرُ ﴿٦٢﴾
এজন্য যে, আল্লাহ- তিনিই সত্য, আর তাঁকে বাদ দিয়ে তারা অন্য যাকে ডাকে তা অলীক, অসত্য, আর আল্লাহ, তিনি তো সর্বোচ্চ, সুমহান। [তাইসিরুল কুরআন]

তাওহীদের ব্যাপারে আল্লাহর শপথ

আস-সাফফাত, ৩৭:১
وَالصَّافَّاتِ صَفًّا ﴿١﴾
শপথ তাদের যারা সারিবদ্ধভাবে দাঁড়ানো, [তাইসিরুল কুরআন]
আস-সাফফাত, ৩৭:২
فَالزَّاجِرَاتِ زَجْرًا ﴿٢﴾
অতঃপর যারা ধমক দিয়ে তিরস্কার করে তাদের শপথ, [তাইসিরুল কুরআন]
আস-সাফফাত, ৩৭:৩
فَالتَّالِيَاتِ ذِكْرًا ﴿٣﴾
আর যারা (আল্লাহর) যিকর আবৃত্তিতে লিপ্ত, [তাইসিরুল কুরআন]
আস-সাফফাত, ৩৭:৪
إِنَّ إِلَهَكُمْ لَوَاحِدٌ ﴿٤﴾
তোমাদের প্রকৃত ইলাহ অবশ্য একজন। [তাইসিরুল কুরআন]

তাওহীদের ব্যাপারে আল্লাহর সাক্ষ্য হচ্ছে সবচেয়ে বড়

আল-আন'আম, ৬:১৯
قُلْ أَيُّ شَيْءٍ أَكْبَرُ شَهَادَةً قُلِ اللَّهُ شَهِيدٌ بَيْنِي وَبَيْنَكُمْ وَأُوحِيَ إِلَيَّ هَذَا الْقُرْآنُ لِأُنْذِرَكُمْ بِهِ وَمَنْ بَلَغَ أَئِنَّكُمْ لَتَشْهَدُونَ أَنَّ مَعَ اللَّهِ آلِهَةً أُخْرَى قُلْ لَا أَشْهَدُ قُلْ إِنَّمَا هُوَ إِلَهٌ وَاحِدٌ وَإِنَّنِي بَرِيءٌ مِمَّا تُشْرِكُونَ ﴿١٩﴾
বল, সাক্ষ্যে সবচেয়ে বড় বিষয় কোনটি? বল, আল্লাহ আমার ও তোমাদের মধ্যে সাক্ষী। আর এ কুরআন আমার প্রতি নাযিল করা হয়েছে যাতে আমি তার সাহায্যে তোমাদেরকে আর যাদের কাছে তা পৌঁছবে তাদেরকে সতর্ক করি। তোমরা কি এমন সাক্ষ্য দিতে পার যে, আল্লাহর সঙ্গে অন্য ইলাহও আছে? বল, আমি এমন সাক্ষ্য দেই না, বল তিনি তো এক ইলাহ আর তোমরা যে তাঁর অংশীদার স্থাপন কর, তা থেকে আমি সম্পূর্ণ মুক্ত। [তাইসিরুল কুরআন]

তাওহীদের ব্যাপারে আল্লাহর সাক্ষ্য হচ্ছে সবচেয়ে বড়

কোনো আয়াত নেই।

ফেরেশতা ও জ্ঞানীদের সাক্ষ্য

আলে-ইমরান, ৩:১৮
شَهِدَ اللَّهُ أَنَّهُ لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ وَالْمَلَائِكَةُ وَأُولُو الْعِلْمِ قَائِمًا بِالْقِسْطِ لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ الْعَزِيزُ الْحَكِيمُ ﴿١٨﴾
আল্লাহ সাক্ষ্য দেন যে, তিনি ছাড়া সত্যিকার কোন ইলাহ নেই এবং ফেরেশতাগণ ও ন্যায়নীতিতে প্রতিষ্ঠিত জ্ঞানীগণও (সাক্ষ্য দিচ্ছে যে,) তিনি ছাড়া সত্যিকার কোন ইলাহ নেই, তিনি মহাপরাক্রান্ত, মহাজ্ঞানী। [তাইসিরুল কুরআন]

তাওহীদের পক্ষে ওহীর বাণী

আল-কাহফ, ১৮:১১০
قُلْ إِنَّمَا أَنَا بَشَرٌ مِثْلُكُمْ يُوحَى إِلَيَّ أَنَّمَا إِلَهُكُمْ إِلَهٌ وَاحِدٌ فَمَنْ كَانَ يَرْجُو لِقَاءَ رَبِّهِ فَلْيَعْمَلْ عَمَلًا صَالِحًا وَلَا يُشْرِكْ بِعِبَادَةِ رَبِّهِ أَحَدًا ﴿١١٠﴾
বল, ‘আমি তোমাদেরই মত একজন মানুষ, আমার নিকট ওয়াহী করা হয় যে, তোমাদের ইলাহ কেবল এক ইলাহ। কাজেই যে ব্যক্তি তার প্রতিপালকের সঙ্গে সাক্ষাতের আশা করে, সে যেন সৎ ‘আমাল করে আর তার প্রতিপালকের ‘ইবাদাতে কাউকে শরীক না করে।’ [তাইসিরুল কুরআন]
আল-আম্বিয়া, ২১:১০৮
قُلْ إِنَّمَا يُوحَى إِلَيَّ أَنَّمَا إِلَهُكُمْ إِلَهٌ وَاحِدٌ فَهَلْ أَنْتُمْ مُسْلِمُونَ ﴿١٠٨﴾
বল- আমার প্রতি এ ওয়াহীই করা হয়েছে যে, তোমাদের ইলাহ একমাত্র ইলাহ, কাজেই তোমরা কি তাঁর নির্দেশের প্রতি মাথা নত করবে? [তাইসিরুল কুরআন]

একটি উদ্দেশ্য হচ্ছে তাওহীদের জ্ঞান দেয়া

হূদ, ১১:১
الر كِتَابٌ أُحْكِمَتْ آيَاتُهُ ثُمَّ فُصِّلَتْ مِنْ لَدُنْ حَكِيمٍ خَبِيرٍ ﴿١﴾
আলিফ, লাম, রা; এটা এমন একটা গ্রন্থ, এর আয়াতগুলো সুদৃঢ়, অতঃপর সবিস্তারে ব্যাখ্যাকৃত মহাজ্ঞানী, সর্বজ্ঞের নিকট হতে। [তাইসিরুল কুরআন]
হূদ, ১১:২
أَلَّا تَعْبُدُوا إِلَّا اللَّهَ إِنَّنِي لَكُمْ مِنْهُ نَذِيرٌ وَبَشِيرٌ ﴿٢﴾
(এটা শিক্ষা দেয়) যে, তোমরা আল্লাহ ছাড়া কারো ‘ইবাদাত করবে না, আমি অবশ্যই তাঁর পক্ষ হতে তোমাদের জন্য ভয় প্রদর্শনকারী ও সুসংবাদদাতা। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ আদমসন্তান থেকে তাওহীদের সাক্ষ্য নিয়েছেন

আল-আ'রাফ, ৭:১৭২
وَإِذْ أَخَذَ رَبُّكَ مِنْ بَنِي آدَمَ مِنْ ظُهُورِهِمْ ذُرِّيَّتَهُمْ وَأَشْهَدَهُمْ عَلَى أَنْفُسِهِمْ أَلَسْتُ بِرَبِّكُمْ قَالُوا بَلَى شَهِدْنَا أَنْ تَقُولُوا يَوْمَ الْقِيَامَةِ إِنَّا كُنَّا عَنْ هَذَا غَافِلِينَ ﴿١٧٢﴾
স্মরণ কর, যখন তোমার প্রতিপালক আদম সন্তানদের পৃষ্ঠ হতে তাদের বংশধরদের বের করলেন আর তাদেরকেই সাক্ষী বানিয়ে জিজ্ঞেস করলেন, ‘আমি কি তোমাদের প্রতিপালক নই?’ তারা বলল, ‘হ্যাঁ; এ ব্যাপারে আমরা সাক্ষ্য দিচ্ছি।’ (এটা এজন্য করা হয়েছিল) যাতে তোমরা ক্বিয়ামাতের দিন না বল যে, ‘এ সম্পর্কে আমরা একেবারেই বে-খবর ছিলাম’। [তাইসিরুল কুরআন]

তাওহীদ গ্রহণের জন্য বনী ইসরাঈল থেকে অঙ্গীকার গ্রহণ

আল-বাকারা, ২:৮৩
وَإِذْ أَخَذْنَا مِيثَاقَ بَنِي إِسْرَائِيلَ لَا تَعْبُدُونَ إِلَّا اللَّهَ وَبِالْوَالِدَيْنِ إِحْسَانًا وَذِي الْقُرْبَى وَالْيَتَامَى وَالْمَسَاكِينِ وَقُولُوا لِلنَّاسِ حُسْنًا وَأَقِيمُوا الصَّلَاةَ وَآتُوا الزَّكَاةَ ثُمَّ تَوَلَّيْتُمْ إِلَّا قَلِيلًا مِنْكُمْ وَأَنْتُمْ مُعْرِضُونَ ﴿٨٣﴾
আর স্মরণ কর, যখন বানী ইসরাঈলের শপথ নিয়েছিলাম যে, তোমরা আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো ‘ইবাদাত করবে না, মাতা-পিতা, আত্মীয়-স্বজন, অনাথ ও দরিদ্রদের প্রতি সদয় ব্যবহার করবে এবং মানুষের সাথে সদালাপ করবে, নামায কায়িম করবে এবং যাকাত দিবে। কিন্তু অল্প সংখ্যক লোক ছাড়া তোমরা অগ্রাহ্যকারী হয়ে মুখ ফিরিয়ে নিলে। [তাইসিরুল কুরআন]

এক আল্লাহর ইবাদাত করাই জিন ও মানুষ সৃষ্টির উদ্দেশ্য

আয-যারিয়াত, ৫১:৫৬
وَمَا خَلَقْتُ الْجِنَّ وَالْإِنْسَ إِلَّا لِيَعْبُدُونِ ﴿٥٦﴾
আমি জ্বিন ও মানবকে সৃষ্টি করেছি একমাত্র এ কারণে যে, তারা আমারই ‘ইবাদাত করবে।। [তাইসিরুল কুরআন]

তাওহীদের ঘোষণা দেয়ার নির্দেশ

আল-ইসরা, ১৭:১১১
وَقُلِ الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي لَمْ يَتَّخِذْ وَلَدًا وَلَمْ يَكُنْ لَهُ شَرِيكٌ فِي الْمُلْكِ وَلَمْ يَكُنْ لَهُ وَلِيٌّ مِنَ الذُّلِّ وَكَبِّرْهُ تَكْبِيرًا ﴿١١١﴾
বল, ‘সকল প্রশংসাই আল্লাহর যিনি সন্তান গ্রহণ করেন না, যাঁর শাসন-কর্তৃত্বে কোন অংশীদার নেই, দুর্দশাগ্রস্ত হওয়া থেকে বাঁচার জন্য যাঁর কোন অভিভাবকের প্রয়োজন হয় না। অতএব পূর্ণ শ্রেষ্ঠত্বে তাঁর শ্রেষ্ঠত্ব ঘোষণা কর। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহর সাথে অন্য কোনো উপাস্য নির্ধারণ করার উপর নিষেধাজ্ঞা।

আয-যারিয়াত, ৫১:৫১
وَلَا تَجْعَلُوا مَعَ اللَّهِ إِلَهًا آخَرَ إِنِّي لَكُمْ مِنْهُ نَذِيرٌ مُبِينٌ ﴿٥١﴾
তোমরা আল্লাহর সঙ্গে কোন ইলাহ স্থির করো না, আমি তাঁর পক্ষ থেকে তোমাদের জন্য স্পষ্ট সতর্ককারী। [তাইসিরুল কুরআন]

মুমিনগণ কেবল এক আল্লাহরই ইবাদতকারী।

আল-বাকারা, ২:১৩৮
صِبْغَةَ اللَّهِ وَمَنْ أَحْسَنُ مِنَ اللَّهِ صِبْغَةً وَنَحْنُ لَهُ عَابِدُونَ ﴿١٣٨﴾
(আমাদের দ্বীন) আল্লাহর রঙে রঞ্জিত এবং আল্লাহর রঙ অপেক্ষা আর কার রঙ উত্তম হবে? এবং আমরা তাঁরই ‘ইবাদাতকারী। [তাইসিরুল কুরআন]

এবং জেনে রাখো যে, আল্লাহ ছাড়া অন্য কোনো সত্য উপাস্য নেই।

হূদ, ১১:১৪
فَإِنْ لَمْ يَسْتَجِيبُوا لَكُمْ فَاعْلَمُوا أَنَّمَا أُنْزِلَ بِعِلْمِ اللَّهِ وَأَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ فَهَلْ أَنْتُمْ مُسْلِمُونَ ﴿١٤﴾
তারা যদি তোমাদের ডাকে সাড়া না দেয় তাহলে জেনে নাও যে, আল্লাহর জ্ঞান অনুসারেই তা অবতীর্ণ হয়েছে। আরো জেনে রাখ যে, তিনি ছাড়া সত্যিকারের কোন ইলাহ নেই। তাহলে এখন কি তোমরা আত্মসমর্পণ করবে? [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহর প্রতি আনুগত্যকে একনিষ্ঠ রেখে কেবল তাঁকেই ডাকার জন্য তিনি নির্দেশ দিয়েছেন।

আল-আ'রাফ, ৭:২৯
قُلْ أَمَرَ رَبِّي بِالْقِسْطِ وَأَقِيمُوا وُجُوهَكُمْ عِنْدَ كُلِّ مَسْجِدٍ وَادْعُوهُ مُخْلِصِينَ لَهُ الدِّينَ كَمَا بَدَأَكُمْ تَعُودُونَ ﴿٢٩﴾
বল, ‘আমার প্রতিপালক ন্যায়পরায়ণতার নির্দেশ দিয়েছেন’, আর প্রত্যেক সলাতে তোমাদের লক্ষ্য ও মনোযোগকে (তাঁর প্রতি) নিবদ্ধ কর, তাঁর আনুগত্যে বিশুদ্ধ-চিত্ত হয়ে তাঁকে ডাক। যেভাবে তোমাদেরকে প্রথমে সৃষ্টি করা হয়েছে (তোমাদের মৃত্যুর পর আবার জীবিত হয়ে) সেভাবেই তোমরা ফিরে আসবে। [তাইসিরুল কুরআন]

মানুষ যেন জানতে পারে যে, আল্লাহই একমাত্র উপাস্য।

ইবরাহীম, ১৪:৫২
هَذَا بَلَاغٌ لِلنَّاسِ وَلِيُنْذَرُوا بِهِ وَلِيَعْلَمُوا أَنَّمَا هُوَ إِلَهٌ وَاحِدٌ وَلِيَذَّكَّرَ أُولُو الْأَلْبَابِ ﴿٥٢﴾
এটা মানুষদের জন্য একটা বার্তা যার দ্বারা তাদেরকে সতর্ক করা হচ্ছে আর যাতে তারা জানতে পারে যে, তিনি এক ইলাহ আর যাতে বুদ্ধিমান মানুষেরা উপদেশ লাভ করে। [তাইসিরুল কুরআন]

অথচ আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই মুনাফিকদের সন্তুষ্টি লাভের অধিক হকদার।

আত-তাওবা, ৯:৬২
يَحْلِفُونَ بِاللَّهِ لَكُمْ لِيُرْضُوكُمْ وَاللَّهُ وَرَسُولُهُ أَحَقُّ أَنْ يُرْضُوهُ إِنْ كَانُوا مُؤْمِنِينَ ﴿٦٢﴾
তোমাদেরকে খুশি করার জন্য তারা তোমাদের সামনে আল্লাহর নামে কসম করে। তারা যদি মু’মিন হয়ে থাকে তবে কাউকে খুশি করতে চাইলে আল্লাহ ও তাঁর রসূলই এর সবচেয়ে বেশি হকদার। [তাইসিরুল কুরআন]

সুতরাং, তোমরা কেবল আল্লাহরই ইবাদত করো।

ইউনুস, ১০:৩
إِنَّ رَبَّكُمُ اللَّهُ الَّذِي خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ فِي سِتَّةِ أَيَّامٍ ثُمَّ اسْتَوَى عَلَى الْعَرْشِ يُدَبِّرُ الْأَمْرَ مَا مِنْ شَفِيعٍ إِلَّا مِنْ بَعْدِ إِذْنِهِ ذَلِكُمُ اللَّهُ رَبُّكُمْ فَاعْبُدُوهُ أَفَلَا تَذَكَّرُونَ ﴿٣﴾
নিশ্চয়ই তোমাদের প্রতিপালক হলেন আল্লাহ যিনি আকাশমন্ডলী আর পৃথিবীকে ছয় দিনে সৃষ্টি করেছেন। অতঃপর তিনি আরশে সমুন্নত হয়েছেন। তিনি যাবতীয় বিষয়াদি পরিচালনা করেন। তাঁর অনুমতি প্রাপ্তি ছাড়া সুপারিশ করার কেউ নেই। ইনিই হলেন আল্লাহ, তোমাদের প্রতিপালক। কাজেই তোমরা তাঁরই ‘ইবাদাত কর, তোমরা কি উপদেশ গ্রহণ করবে না? [তাইসিরুল কুরআন]

নবী (ﷺ) তাঁর দ্বীন সম্পর্কে সন্দিহানদের জানিয়ে দেন যে, তিনি আল্লাহ ব্যতীত তাদের উপাস্যদের ইবাদত করেন না।

ইউনুস, ১০:১০৪
قُلْ يَا أَيُّهَا النَّاسُ إِنْ كُنْتُمْ فِي شَكٍّ مِنْ دِينِي فَلَا أَعْبُدُ الَّذِينَ تَعْبُدُونَ مِنْ دُونِ اللَّهِ وَلَكِنْ أَعْبُدُ اللَّهَ الَّذِي يَتَوَفَّاكُمْ وَأُمِرْتُ أَنْ أَكُونَ مِنَ الْمُؤْمِنِينَ ﴿١٠٤﴾
বল, ‘‘হে মানুষ! আমার দ্বীন সম্পর্কে যদি তোমাদের কোন সন্দেহ থাকে তাহলে জেনে রেখ, তোমরা আল্লাহকে বাদ দিয়ে যার ‘ইবাদাত কর, আমি তাদের ‘ইবাদাত করি না, বরং আমি আল্লাহর ‘ইবাদাত করি যিনি তোমাদের মৃত্যু ঘটান, আর আমি আদিষ্ট হয়েছি মু’মিনদের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার জন্য। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ ছাড়া এমন কাউকে ডাকা নিষিদ্ধ, যে কোনো উপকার বা ক্ষতি করার ক্ষমতা রাখে না।

ইউনুস, ১০:১০৬
وَلَا تَدْعُ مِنْ دُونِ اللَّهِ مَا لَا يَنْفَعُكَ وَلَا يَضُرُّكَ فَإِنْ فَعَلْتَ فَإِنَّكَ إِذًا مِنَ الظَّالِمِينَ ﴿١٠٦﴾
আর আল্লাহকে বাদ দিয়ে আহবান করো না এমন কিছুকে যা না পারে তোমার কোন উপকার করতে, আর না পারে ক্ষতি করতে; যদি তুমি তা কর তাহলে তুমি যালিমদের মধ্যে শামিল হয়ে যাবে। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহর সাথে অন্য কোনো উপাস্যকে আহ্বান করা যাবে না।

আশ-শুআ'রা, ২৬:২১৩
فَلَا تَدْعُ مَعَ اللَّهِ إِلَهًا آخَرَ فَتَكُونَ مِنَ الْمُعَذَّبِينَ ﴿٢١٣﴾
কাজেই তুমি অন্য কোন ইলাহ্কে আল্লাহর সঙ্গে ডেক না। ডাকলে তুমি শাস্তিপ্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবে। [তাইসিরুল কুরআন]

অতএব, তোমরা কেবল আল্লাহরই ইবাদত কর।

আল-আম্বিয়া, ২১:৯২
إِنَّ هَذِهِ أُمَّتُكُمْ أُمَّةً وَاحِدَةً وَأَنَا رَبُّكُمْ فَاعْبُدُونِ ﴿٩٢﴾
তোমাদের এ সব জাতিগুলো একই জাতি, আর আমি তোমাদের প্রতিপালক, কাজেই আমারই ‘ইবাদাত কর। [তাইসিরুল কুরআন]

রাসূলের দাওয়াতের মূল বার্তা ছিল: তোমরা কেবল আল্লাহর ইবাদত করো।

আল-মুমিনুন, ২৩:৩২
فَأَرْسَلْنَا فِيهِمْ رَسُولًا مِنْهُمْ أَنِ اعْبُدُوا اللَّهَ مَا لَكُمْ مِنْ إِلَهٍ غَيْرُهُ أَفَلَا تَتَّقُونَ ﴿٣٢﴾
আর তাদের মাঝে তাদেরই একজনকে রসূল করে পাঠিয়েছিলাম এই ব’লে যে, তোমরা আল্লাহর ‘ইবাদাত কর, তিনি ছাড়া তোমাদের কোন ইলাহ নেই, তবুও কি তোমরা (তাঁকে) ভয় করবে না? [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহই একমাত্র সত্তা যিনি সকলকে আশ্রয় দান করেন।

আল-মুমিনুন, ২৩:৮৮
قُلْ مَنْ بِيَدِهِ مَلَكُوتُ كُلِّ شَيْءٍ وَهُوَ يُجِيرُ وَلَا يُجَارُ عَلَيْهِ إِنْ كُنْتُمْ تَعْلَمُونَ ﴿٨٨﴾
বলঃ সব কিছুর একচ্ছত্র কর্তৃত্ব কার হাতে? তিনি (সকলকে) আশ্রয় দেন, তাঁর উপর কোন আশ্রয় দাতা নেই, (বল) তোমরা যদি জান। [তাইসিরুল কুরআন]

কাফিররা আল্লাহকে বাদ দিয়ে এমন উপাস্যের ইবাদত করে, যা তাদের কোনো উপকার বা ক্ষতি করতে পারে না।

আল-ফুরকান, ২৫:৫৫
وَيَعْبُدُونَ مِنْ دُونِ اللَّهِ مَا لَا يَنْفَعُهُمْ وَلَا يَضُرُّهُمْ وَكَانَ الْكَافِرُ عَلَى رَبِّهِ ظَهِيرًا ﴿٥٥﴾
তারা আল্লাহকে বাদ দিয়ে এমন কিছুর ‘ইবাদাত করে যা না পারে তাদের কোন উপকার করতে, আর না পারে কোন ক্ষতি করতে, আর কাফির হচ্ছে তার প্রতিপালকের বিরুদ্ধে সাহায্যকারী। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ ব্যতীত অন্য সকল উপাস্যই বাতিল।

লুকমান, ৩১:৩০
ذَلِكَ بِأَنَّ اللَّهَ هُوَ الْحَقُّ وَأَنَّ مَا يَدْعُونَ مِنْ دُونِهِ الْبَاطِلُ وَأَنَّ اللَّهَ هُوَ الْعَلِيُّ الْكَبِيرُ ﴿٣٠﴾
এসব প্রমাণ করে যে, আল্লাহ্ই সত্য এবং তাঁর পরিবর্তে তারা যাকে ডাকে তা মিথ্যে। আল্লাহ, তিনি তো হলেন সর্বোচ্চ, সুমহান। [তাইসিরুল কুরআন]

ইবরাহিম (আঃ) তাঁর জাতিকে প্রশ্ন করেন যে তারা কি আল্লাহর পরিবর্তে মিথ্যা উপাস্যদের কামনা করে।

আস-সাফফাত, ৩৭:৮৬
أَئِفْكًا آلِهَةً دُونَ اللَّهِ تُرِيدُونَ ﴿٨٦﴾
তোমরা কি আল্লাহকে বাদ দিয়ে মিথ্যে মা’বুদ পেতে চাও? [তাইসিরুল কুরআন]

হে নবী, আপনি মুশরিকদের বলুন, আল্লাহ ছাড়া যাদেরকে তোমরা উপাস্য মনে কর, তাদেরকে ডাকো।

সাবা, ৩৪:২২
قُلِ ادْعُوا الَّذِينَ زَعَمْتُمْ مِنْ دُونِ اللَّهِ لَا يَمْلِكُونَ مِثْقَالَ ذَرَّةٍ فِي السَّمَاوَاتِ وَلَا فِي الْأَرْضِ وَمَا لَهُمْ فِيهِمَا مِنْ شِرْكٍ وَمَا لَهُ مِنْهُمْ مِنْ ظَهِيرٍ ﴿٢٢﴾
বল, আল্লাহর পরিবর্তে তোমরা যাদেরকে (ইলাহ) মনে করতে তাদেরকে ডাক। তারা আসমান ও যমীনে অণু পরিমাণও কোন কিছুর মালিক নয়। এ দু’য়ে তাদের এতটুকু অংশ নেই, আর তাদের কেউ আল্লাহর সাহায্যকারীও নয়। [তাইসিরুল কুরআন]

এবং এক আল্লাহ ছাড়া অন্য কোনো সত্য উপাস্য নেই।

সোয়াদ, ৩৮:৬৫
قُلْ إِنَّمَا أَنَا مُنْذِرٌ وَمَا مِنْ إِلَهٍ إِلَّا اللَّهُ الْوَاحِدُ الْقَهَّارُ ﴿٦٥﴾
বল- আমি তো কেবল একজন সতর্ককারী, সার্বভৌম অপ্রতিরোধ্য এক ও একক আল্লাহ ছাড়া সত্য কোন ইলাহ নেই। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই।

আদ-দুখান, ৪৪:৮
لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ يُحْيِي وَيُمِيتُ رَبُّكُمْ وَرَبُّ آبَائِكُمُ الْأَوَّلِينَ ﴿٨﴾
তিনি ছাড়া সত্যিকারের কোন ইলাহ নেই, তিনিই জীবিত করেন ও মৃত্যু ঘটান। তিনিই তোমাদের প্রতিপালক এবং তোমাদের পূর্ববর্তী তোমাদের পিতৃপুরুষদেরও প্রতিপালক। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ তাঁর নবীকে (ﷺ) এই ঘোষণা দিতে নির্দেশ দিয়েছেন যে, তিনি একমাত্র আল্লাহরই ইবাদত করেন।

আয-যুমার, ৩৯:১৪
قُلِ اللَّهَ أَعْبُدُ مُخْلِصًا لَهُ دِينِي ﴿١٤﴾
বল- আমি ‘ইবাদাত করি আল্লাহর বিশুদ্ধভাবে তাঁর প্রতি আমার আনুগত্যের মাধ্যমে। [তাইসিরুল কুরআন]

হে নবী (ﷺ), আপনি মুশরিকদেরকে জিজ্ঞেস করুন, তারা কি আপনাকে আল্লাহ ছাড়া অন্যের উপাসনা করতে আদেশ করে?

আয-যুমার, ৩৯:৬৪
قُلْ أَفَغَيْرَ اللَّهِ تَأْمُرُونِّي أَعْبُدُ أَيُّهَا الْجَاهِلُونَ ﴿٦٤﴾
বল, ওহে অজ্ঞরা! তোমরা কি আমাকে আল্লাহ ছাড়া অন্যের ‘ইবাদাত করার আদেশ করছ? [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ ব্যতীত কোনো সত্য উপাস্য নেই।

গাফির, ৪০:৬২
ذَلِكُمُ اللَّهُ رَبُّكُمْ خَالِقُ كُلِّ شَيْءٍ لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ فَأَنَّى تُؤْفَكُونَ ﴿٦٢﴾
এ হলেন আল্লাহ, তোমাদের প্রতিপালক, সব কিছুর সৃষ্টিকর্তা। তিনি ছাড়া সত্যিকারের কোন ইলাহ নেই; এমতাবস্থায় তোমাদেরকে সত্য থেকে কীভাবে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে? [তাইসিরুল কুরআন]

নবী (ﷺ)-কে আল্লাহ ব্যতীত অন্যদের উপাসনা করতে নিষেধ করা হয়েছে।

গাফির, ৪০:৬৬
قُلْ إِنِّي نُهِيتُ أَنْ أَعْبُدَ الَّذِينَ تَدْعُونَ مِنْ دُونِ اللَّهِ لَمَّا جَاءَنِيَ الْبَيِّنَاتُ مِنْ رَبِّي وَأُمِرْتُ أَنْ أُسْلِمَ لِرَبِّ الْعَالَمِينَ ﴿٦٦﴾
বল, আমার প্রতিপালকের কাছ থেকে আমার কাছে সুস্পষ্ট প্রমাণ এসেছে, এমতাবস্থায় আমাকে তাদের ‘ইবাদাত করতে নিষেধ করা হয়েছে আল্লাহকে বাদ দিয়ে যাদেরকে তোমরা আহবান কর। আর আমাকে আদেশ দেয়া হয়েছে বিশ্বজগতের প্রতিপালকের নিকট আত্মসমর্পণ করার জন্য। [তাইসিরুল কুরআন]

এবং তোমরা কেবল আল্লাহরই ইবাদত করো।

আন-নাজম, ৫৩:৬২
فَاسْجُدُوا لِلَّهِ وَاعْبُدُوا ﴿٦٢﴾
তাই, আল্লাহর উদ্দেশে সাজদায় পতিত হও আর তাঁর বন্দেগী কর।[সাজদাহ] [তাইসিরুল কুরআন]

অতএব, তোমরা কেবল আল্লাহরই ইবাদত করো।

আয-যুখরুফ, ৪৩:৬৪
إِنَّ اللَّهَ هُوَ رَبِّي وَرَبُّكُمْ فَاعْبُدُوهُ هَذَا صِرَاطٌ مُسْتَقِيمٌ ﴿٦٤﴾
আল্লাহ তিনি তো আমারও রবব আর তোমাদেরও রবব, কাজেই তোমরা তাঁরই ‘ইবাদাত কর, এটাই সরল সঠিক পথ। [তাইসিরুল কুরআন]

নবীকে (ﷺ) এই ঘোষণা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, দয়াময় আল্লাহর কোনো সন্তান থাকলে তিনিই হতেন তার প্রথম ইবাদতকারী।

আয-যুখরুফ, ৪৩:৮১
قُلْ إِنْ كَانَ لِلرَّحْمَنِ وَلَدٌ فَأَنَا أَوَّلُ الْعَابِدِينَ ﴿٨١﴾
বল- দয়াময়ের কোন সন্তান থাকলে আমিই তার সর্বপ্রথম ‘ইবাদাতকারী হতাম। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহই তিনি, যিনি ব্যতীত অন্য কোনো উপাস্য নেই।

আল-হাশর, ৫৯:২২
هُوَ اللَّهُ الَّذِي لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ عَالِمُ الْغَيْبِ وَالشَّهَادَةِ هُوَ الرَّحْمَنُ الرَّحِيمُ ﴿٢٢﴾
তিনিই আল্লাহ, যিনি ছাড়া সত্যিকারের কোন ইলাহ নেই, অদৃশ্য ও দৃশের জ্ঞানের অধিকারী, পরম দয়াময়, পরম দয়ালু। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ ছাড়া আর কোনো সত্য উপাস্য নেই।

আত-তাগাবুন, ৬৪:১৩
اللَّهُ لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ وَعَلَى اللَّهِ فَلْيَتَوَكَّلِ الْمُؤْمِنُونَ ﴿١٣﴾
আল্লাহ তিনি ছাড়া সত্যিকারের কোন ইলাহ নেই। কাজেই মু’মিনরা আল্লাহরই উপর নির্ভর করুক। [তাইসিরুল কুরআন]

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কেবল তাঁর প্রতিপালককেই ডাকেন।

আল-জিন, ৭২:২০
قُلْ إِنَّمَا أَدْعُو رَبِّي وَلَا أُشْرِكُ بِهِ أَحَدًا ﴿٢٠﴾
বল: আমি শুধু আমার প্রতিপালককেই ডাকি, আর অন্য কাউকে তাঁর অংশীদার গণ্য করি না। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহই হলেন তাকওয়া (ভয় ও আনুগত্য) লাভের একমাত্র যোগ্য।

আল-মুদ্দাসসির, ৭৪:৫৬
وَمَا يَذْكُرُونَ إِلَّا أَنْ يَشَاءَ اللَّهُ هُوَ أَهْلُ التَّقْوَى وَأَهْلُ الْمَغْفِرَةِ ﴿٥٦﴾
আল্লাহর ইচ্ছে ব্যতীত কেউ উপদেশ গ্রহণ করবে না, তিনিই ভয়ের যোগ্য, তিনিই ক্ষমা করার অধিকারী। [তাইসিরুল কুরআন]
ফন্ট সাইজ
15px
17px