বিষয়ভিত্তিক কুরআন > কুরআন থেকে বিমুখ হওয়ার পরিণতি

তারা কিয়ামতের দিন বিপদে পড়বে

ত্ব-হা, ২০:৯৯
كَذَلِكَ نَقُصُّ عَلَيْكَ مِنْ أَنْبَاءِ مَا قَدْ سَبَقَ وَقَدْ آتَيْنَاكَ مِنْ لَدُنَّا ذِكْرًا ﴿٩٩﴾
এভাবে পূর্বে যা ঘটে গেছে তার কিছু সংবাদ আমি তোমার কাছে বর্ণনা করছি, আর আমি আমার নিকট থেকে তোমাকে দান করেছি উপদেশ (বা কুরআন)। [তাইসিরুল কুরআন]
ত্ব-হা, ২০:১০০
مَنْ أَعْرَضَ عَنْهُ فَإِنَّهُ يَحْمِلُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وِزْرًا ﴿١٠٠﴾
যে তাত্থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে, কিয়ামাতের দিন সে (পাপের) বোঝা বহন করবে। [তাইসিরুল কুরআন]
ত্ব-হা, ২০:১০১
خَالِدِينَ فِيهِ وَسَاءَ لَهُمْ يَوْمَ الْقِيَامَةِ حِمْلًا ﴿١٠١﴾
তারা এ অবস্থাতেই স্থায়ীভাবে থাকবে, কিয়ামাতের দিন এ বোঝা তাদের জন্য কতই না মন্দ হবে! [তাইসিরুল কুরআন]

তাদের হাশর হবে অন্ধ অবস্থায়

ত্ব-হা, ২০:১২৪
وَمَنْ أَعْرَضَ عَنْ ذِكْرِي فَإِنَّ لَهُ مَعِيشَةً ضَنْكًا وَنَحْشُرُهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ أَعْمَى ﴿١٢٤﴾
আর যে আমার স্মরণ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে, তার জীবিকা হবে সংকীর্ণ আর তাকে কিয়ামাতের দিন উত্থিত করব অন্ধ অবস্থায়।’ [তাইসিরুল কুরআন]
ত্ব-হা, ২০:১২৫
قَالَ رَبِّ لِمَ حَشَرْتَنِي أَعْمَى وَقَدْ كُنْتُ بَصِيرًا ﴿١٢٥﴾
সে বলবে, ‘হে আমার প্রতিপালক! কেন আমাকে অন্ধ ক’রে উঠালে? আমি তো চক্ষুষ্মান ছিলাম।’ [তাইসিরুল কুরআন]
ত্ব-হা, ২০:১২৬
قَالَ كَذَلِكَ أَتَتْكَ آيَاتُنَا فَنَسِيتَهَا وَكَذَلِكَ الْيَوْمَ تُنْسَى ﴿١٢٦﴾
আল্লাহ বলবেন, ‘এভাবেই তো আমার নিদর্শনসমূহ যখন তোমার কাছে এসেছিল তখন তুমি তা ভুলে গিয়েছিলে। আজকের দিনে সেভাবেই তোমাকে ভুলে যাওয়া হচ্ছে। [তাইসিরুল কুরআন]
ত্ব-হা, ২০:১২৭
وَكَذَلِكَ نَجْزِي مَنْ أَسْرَفَ وَلَمْ يُؤْمِنْ بِآيَاتِ رَبِّهِ وَلَعَذَابُ الْآخِرَةِ أَشَدُّ وَأَبْقَى ﴿١٢٧﴾
আমি এভাবেই প্রতিফল দেই তাদেরকে যারা সীমালঙ্ঘন করে এবং তার প্রতিপালকের নিদর্শনে বিশ্বাস করে না। আর আখিরাতের ‘আযাব অবশ্যই সবচেয়ে বেশী কঠিন ও সবচেয়ে বেশী স্থায়ী। [তাইসিরুল কুরআন]

তারা কোন মুক্তির পথ খুঁজে পাবে না

আল-ইসরা, ১৭:৫২
يَوْمَ يَدْعُوكُمْ فَتَسْتَجِيبُونَ بِحَمْدِهِ وَتَظُنُّونَ إِنْ لَبِثْتُمْ إِلَّا قَلِيلًا ﴿٥٢﴾
যে দিন তিনি তোমাদেরকে ডাকবেন আর তোমরা তাঁর প্রশংসা করতে করতে তাঁর ডাকে সাড়া দিবে আর তোমরা ধারণা করবে যে, তোমরা খুব অল্প সময়ই অবস্থান করেছিলে। [তাইসিরুল কুরআন]

কুরআনবিমুখ লোকদের প্রতি আল্লাহর প্রশ্ন

আল-মুদ্দাসসির, ৭৪:৪৯
فَمَا لَهُمْ عَنِ التَّذْكِرَةِ مُعْرِضِينَ ﴿٤٩﴾
তাদের হয়েছে কী যে তারা উপদেশ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে? [তাইসিরুল কুরআন]
আন-নাজম, ৫৩:৫৯
أَفَمِنْ هَذَا الْحَدِيثِ تَعْجَبُونَ ﴿٥٩﴾
তোমরা কি এ কথায় বিস্মিত হচ্ছ? [তাইসিরুল কুরআন]
আন-নাজম, ৫৩:৬০
وَتَضْحَكُونَ وَلَا تَبْكُونَ ﴿٦٠﴾
আর হাসছ, কাঁদছ না? [তাইসিরুল কুরআন]
আন-নাজম, ৫৩:৬১
وَأَنْتُمْ سَامِدُونَ ﴿٦١﴾
বৃথা খেল-তামাশায় সময় ক্ষেপন করছ, [তাইসিরুল কুরআন]
আল-ইনশিকাক, ৮৪:২০
فَمَا لَهُمْ لَا يُؤْمِنُونَ ﴿٢٠﴾
অতএব তাদের কী হল যে তারা ঈমান আনে না? [তাইসিরুল কুরআন]
আল-ইনশিকাক, ৮৪:২১
وَإِذَا قُرِئَ عَلَيْهِمُ الْقُرْآنُ لَا يَسْجُدُونَ ﴿٢١﴾
আর তাদের কাছে যখন কুরআন পাঠ করা হয় তখন সাজদাহ করে না?[সাজদাহ] [তাইসিরুল কুরআন]
আত-তাকবীর, ৮১:২৫
وَمَا هُوَ بِقَوْلِ شَيْطَانٍ رَجِيمٍ ﴿٢٥﴾
আর তা কোন অভিশপ্ত শয়ত্বানের বাণী নয়। [তাইসিরুল কুরআন]
আত-তাকবীর, ৮১:২৬
فَأَيْنَ تَذْهَبُونَ ﴿٢٦﴾
কাজেই তোমরা (সত্যকে প্রত্যাখ্যান করে) কোথায় চলেছ? [তাইসিরুল কুরআন]
আল-ইসরা, ১৭:৭২
وَمَنْ كَانَ فِي هَذِهِ أَعْمَى فَهُوَ فِي الْآخِرَةِ أَعْمَى وَأَضَلُّ سَبِيلًا ﴿٧٢﴾
যে ব্যক্তি এখানে (সত্য পথ দেখার ব্যাপারে) অন্ধ, সে আখেরাতেও হবে অন্ধ, আর সঠিক পথ থেকে অধিক বিচ্যুত। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-আম্বিয়া, ২১:৫০
وَهَذَا ذِكْرٌ مُبَارَكٌ أَنْزَلْنَاهُ أَفَأَنْتُمْ لَهُ مُنْكِرُونَ ﴿٥٠﴾
এ হচ্ছে কল্যাণময় উপদেশ বাণী, আমি তা নাযিল করেছি: তবুও কি তা তোমরা প্রত্যাখ্যান করবে? [তাইসিরুল কুরআন]
আল-ওয়াকিয়া, ৫৬:৮১
أَفَبِهَذَا الْحَدِيثِ أَنْتُمْ مُدْهِنُونَ ﴿٨١﴾
তবুও কি তোমরা এ বাণীকে তুচ্ছ মনে করছ? [তাইসিরুল কুরআন]

শয়তান এসব লোকের সঙ্গি হয়ে যায়।

আয-যুখরুফ, ৪৩:৩৬
وَمَنْ يَعْشُ عَنْ ذِكْرِ الرَّحْمَنِ نُقَيِّضْ لَهُ شَيْطَانًا فَهُوَ لَهُ قَرِينٌ ﴿٣٦﴾
যে ব্যক্তি দয়াময় আল্লাহর স্মরণ থেকে নিজেকে ফিরিয়ে নেয়, আমি তার জন্য শয়ত্বানকে নিয়োজিত করি, অতঃপর সে হয় তার ঘনিষ্ঠ সহচর। [তাইসিরুল কুরআন]

তাদের তুলনা গাধার সাথে ।

আল-মুদ্দাসসির, ৭৪:৫০
كَأَنَّهُمْ حُمُرٌ مُسْتَنْفِرَةٌ ﴿٥٠﴾
তারা যেন ভয়ে সন্ত্রস্ত গাধা, [তাইসিরুল কুরআন]
আল-মুদ্দাসসির, ৭৪:৫১
فَرَّتْ مِنْ قَسْوَرَةٍ ﴿٥١﴾
সিংহের সামনে থেকে পালাচ্ছে। [তাইসিরুল কুরআন]
ফন্ট সাইজ
15px
17px