বিষয়ভিত্তিক কুরআন > কুরআন সম্পর্কে নানা অভিযোগের জবাব
এ কুরআন রাসুল এর বানানো- এ কথার জবাব
আল-আহকাফ, ৪৬:৮ ⋮
أَمْ يَقُولُونَ افْتَرَاهُ قُلْ إِنِ افْتَرَيْتُهُ فَلَا تَمْلِكُونَ لِي مِنَ اللَّهِ شَيْئًا هُوَ أَعْلَمُ بِمَا تُفِيضُونَ فِيهِ كَفَى بِهِ شَهِيدًا بَيْنِي وَبَيْنَكُمْ وَهُوَ الْغَفُورُ الرَّحِيمُ ﴿٨﴾
তারা কি বলতে চায় যে, রসূল নিজেই তা রচনা করেছে? বল, তা যদি আমি রচনা করে থাকি তাহলে তোমরা আল্লাহর শাস্তি হতে আমাকে কিছুতেই বাঁচাতে পারবে না। আল্লাহ ভাল করেই জানেন যে বিষয়ে তোমরা মত্ত আছ। আমার আর তোমাদের মধ্যে সাক্ষী হিসেবে তিনিই যথেষ্ট, আর তিনি বড়ই ক্ষমাশীল, বড়ই দয়ালু। [তাইসিরুল কুরআন]
আশ-শূরা, ৪২:২৪ ⋮
أَمْ يَقُولُونَ افْتَرَى عَلَى اللَّهِ كَذِبًا فَإِنْ يَشَأِ اللَّهُ يَخْتِمْ عَلَى قَلْبِكَ وَيَمْحُ اللَّهُ الْبَاطِلَ وَيُحِقُّ الْحَقَّ بِكَلِمَاتِهِ إِنَّهُ عَلِيمٌ بِذَاتِ الصُّدُورِ ﴿٢٤﴾
তারা কি বলে যে, এ লোক আল্লাহর নামে মিথ্যা রচনা করেছে? আল্লাহ চাইলে তোমার হৃদয়ে মোহর মেরে দিতেন। বস্তুতঃ তিনি মিথ্যাকে মিটিয়ে দেন এবং নিজ বাক্য দ্বারা সত্যকে প্রতিষ্ঠিত করেন। তিনি (সকলের) অন্তরে নিহিত বিষয় সম্পর্কে খুবই অবগত। [তাইসিরুল কুরআন]
হূদ, ১১:৩৫ ⋮
أَمْ يَقُولُونَ افْتَرَاهُ قُلْ إِنِ افْتَرَيْتُهُ فَعَلَيَّ إِجْرَامِي وَأَنَا بَرِيءٌ مِمَّا تُجْرِمُونَ ﴿٣٥﴾
তারা কি বলে যে, এ লোকই এ সব রচনা করেছে? বল, আমি যদি তা রচনা করে থাকি, তাহলে আমার অপরাধের দায়িত্ব আমার উপর। তোমরা যে অপরাধ করেছ তাত্থেকে আমি মুক্ত। [তাইসিরুল কুরআন]
নবী কে কেউ এটা শিখিয়ে দেয়- এ কথার জবাব
আন-নাহাল, ১৬:১০৩ ⋮
وَلَقَدْ نَعْلَمُ أَنَّهُمْ يَقُولُونَ إِنَّمَا يُعَلِّمُهُ بَشَرٌ لِسَانُ الَّذِي يُلْحِدُونَ إِلَيْهِ أَعْجَمِيٌّ وَهَذَا لِسَانٌ عَرَبِيٌّ مُبِينٌ ﴿١٠٣﴾
আমি জানি, তারা বলে, ‘এক মানুষ তাকে [অর্থাৎ মুহাম্মাদ (সা.)-কে] শিখিয়ে দেয়।’ অথচ দুষ্টবুদ্ধি প্রণোদিত হয়ে তারা যে লোকটির কথা বলছে তার ভাষা তো অনারব, অপরপক্ষে কুরআনের ভাষা হল স্পষ্ট আরবী। [তাইসিরুল কুরআন]
আন-নাহাল, ১৬:১০৪ ⋮
إِنَّ الَّذِينَ لَا يُؤْمِنُونَ بِآيَاتِ اللَّهِ لَا يَهْدِيهِمُ اللَّهُ وَلَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌ ﴿١٠٤﴾
যারা আল্লাহর নিদর্শনাবলীতে বিশ্বাস করে না, আল্লাহ তাদেরকে সঠিক পথে পরিচালিত করেন না, আর তাদের জন্য আছে ভয়ানক শাস্তি। [তাইসিরুল কুরআন]
কুরআন কবির কাব্য- এ কথার জবাব
হা-মীম আস-সাজদা, ৪১:২৫ ⋮
وَقَيَّضْنَا لَهُمْ قُرَنَاءَ فَزَيَّنُوا لَهُمْ مَا بَيْنَ أَيْدِيهِمْ وَمَا خَلْفَهُمْ وَحَقَّ عَلَيْهِمُ الْقَوْلُ فِي أُمَمٍ قَدْ خَلَتْ مِنْ قَبْلِهِمْ مِنَ الْجِنِّ وَالْإِنْسِ إِنَّهُمْ كَانُوا خَاسِرِينَ ﴿٢٥﴾
আমি তাদেরকে প্রাণের বন্ধু জুটিয়ে দিয়েছিলাম, যারা তাদেরকে তাদের সামনের আর পিছনের প্রত্যেকটি জিনিসকে চাকচিক্যময় করে দেখাচ্ছিল। শেষ পর্যন্ত তাদের উপরও তেমনি ‘আযাবের ফয়সালা কার্যকর হল, যা তাদের পূর্ববর্তী জ্বিন ও মানব দলের উপর কার্যকর হয়েছিল। বাস্তবিকই তারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে গেল। [তাইসিরুল কুরআন]
আয-যুখরুফ, ৪৩:৩১ ⋮
وَقَالُوا لَوْلَا نُزِّلَ هَذَا الْقُرْآنُ عَلَى رَجُلٍ مِنَ الْقَرْيَتَيْنِ عَظِيمٍ ﴿٣١﴾
তারা বলল- এ কুরআন (মক্কা ও তায়েফ এ) দু’ জনপদের কোন গণ্যমান্য ব্যক্তির উপর কেন অবতীর্ণ হল না? [তাইসিরুল কুরআন]
আল-ইসরা, ১৭:১০৬ ⋮
وَقُرْآنًا فَرَقْنَاهُ لِتَقْرَأَهُ عَلَى النَّاسِ عَلَى مُكْثٍ وَنَزَّلْنَاهُ تَنْزِيلًا ﴿١٠٦﴾
আমি এ কুরআনকে ভাগে ভাগে বিভক্ত করেছি যাতে তুমি থেমে থেমে মানুষকে তা পাঠ করে শুনাতে পার, কাজেই আমি তা ক্রমশঃ নাযিল করেছি। [তাইসিরুল কুরআন]
ইয়াসীন, ৩৬:৬৯ ⋮
وَمَا عَلَّمْنَاهُ الشِّعْرَ وَمَا يَنْبَغِي لَهُ إِنْ هُوَ إِلَّا ذِكْرٌ وَقُرْآنٌ مُبِينٌ ﴿٦٩﴾
[কাফিররা রসূল (সা.)-কে উদ্দেশ্য করে বলে, লোকটা একটা কবি। কিন্তু) আমি রসূলকে কবিতা শিখাইনি, আর তা তার জন্য শোভনীয়ও নয়। তাতো এক উপদেশ ও স্পষ্ট কুরআন ব্যতীত অন্য কিছু নয়। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-হাক্কাহ, ৬৯:৪১ ⋮
وَمَا هُوَ بِقَوْلِ شَاعِرٍ قَلِيلًا مَا تُؤْمِنُونَ ﴿٤١﴾
তা কোন কবির কথা নয়, (কবির কথা তো) তোমরা বিশ্বাস করো না, [তাইসিরুল কুরআন]
কুরআন গণকের কথা- এ কথার জবাব
আল-হাক্কাহ, ৬৯:৪২ ⋮
وَلَا بِقَوْلِ كَاهِنٍ قَلِيلًا مَا تَذَكَّرُونَ ﴿٤٢﴾
এটা কোন গণকের কথাও নয়, (গণকের কথায় তো) তোমরা নসীহত লাভ করো না। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-হাক্কাহ, ৬৯:৪৩ ⋮
تَنْزِيلٌ مِنْ رَبِّ الْعَالَمِينَ ﴿٤٣﴾
এটা বিশ্ব জগতের প্রতিপালকের নিকট থেকে অবতীর্ণ, [তাইসিরুল কুরআন]
কুরআন পাগলের কথা- এ কথার জবাব
আত-তাকবীর, ৮১:১৯ ⋮
إِنَّهُ لَقَوْلُ رَسُولٍ كَرِيمٍ ﴿١٩﴾
এ কুরআন নিশ্চয়ই সম্মানিত রসূলের (অর্থাৎ জিবরাঈলের) আনীত বাণী। [তাইসিরুল কুরআন]
আত-তাকবীর, ৮১:২০ ⋮
ذِي قُوَّةٍ عِنْدَ ذِي الْعَرْشِ مَكِينٍ ﴿٢٠﴾
যে শক্তিশালী, ‘আরশের মালিক (আল্লাহ)’র নিকট মর্যাদাশীল। [তাইসিরুল কুরআন]
আত-তাকবীর, ৮১:২১ ⋮
مُطَاعٍ ثَمَّ أَمِينٍ ﴿٢١﴾
সেখানে মান্য ও বিশ্বস্ত। [তাইসিরুল কুরআন]
আত-তাকবীর, ৮১:২২ ⋮
وَمَا صَاحِبُكُمْ بِمَجْنُونٍ ﴿٢٢﴾
(ওহে মাক্কাবাসী!) তোমাদের সঙ্গী (মুহাম্মাদ) পাগল নয়। [তাইসিরুল কুরআন]
কুরআন শয়তানের শেখানো কথা- এ কথার জবাব
আত-তাকবীর, ৮১:২৫ ⋮
وَمَا هُوَ بِقَوْلِ شَيْطَانٍ رَجِيمٍ ﴿٢٥﴾
আর তা কোন অভিশপ্ত শয়ত্বানের বাণী নয়। [তাইসিরুল কুরআন]
আশ-শুআ'রা, ২৬:২১০ ⋮
وَمَا تَنَزَّلَتْ بِهِ الشَّيَاطِينُ ﴿٢١٠﴾
শয়ত্বানরা তা (অর্থাৎ কুরআন) নিয়ে অবতরণ করেনি। [তাইসিরুল কুরআন]
আশ-শুআ'রা, ২৬:২১১ ⋮
وَمَا يَنْبَغِي لَهُمْ وَمَا يَسْتَطِيعُونَ ﴿٢١١﴾
তারা এ কাজের যোগ্য নয় আর তারা এর সামর্থ্যও রাখে না। [তাইসিরুল কুরআন]
আশ-শুআ'রা, ২৬:২১২ ⋮
إِنَّهُمْ عَنِ السَّمْعِ لَمَعْزُولُونَ ﴿٢١٢﴾
তাদেরকে এটা শোনা থেকে অবশ্যই দূরে রাখা হয়েছে। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ কিছুই নাযিল করেননি- এ কথার জবাব
আল-আন'আম, ৬:৯১ ⋮
وَمَا قَدَرُوا اللَّهَ حَقَ قَدْرِهِ إِذْ قَالُوا مَا أَنْزَلَ اللَّهُ عَلَى بَشَرٍ مِنْ شَيْءٍ قُلْ مَنْ أَنْزَلَ الْكِتَابَ الَّذِي جَاءَ بِهِ مُوسَى نُورًا وَهُدًى لِلنَّاسِ تَجْعَلُونَهُ قَرَاطِيسَ تُبْدُونَهَا وَتُخْفُونَ كَثِيرًا وَعُلِّمْتُمْ مَا لَمْ تَعْلَمُوا أَنْتُمْ وَلَا آبَاؤُكُمْ قُلِ اللَّهُ ثُمَّ ذَرْهُمْ فِي خَوْضِهِمْ يَلْعَبُونَ ﴿٩١﴾
তারা আল্লাহকে যথাযথ মর্যাদা দিতে পারেনি যখন তারা এ কথা বলেছে যে, আল্লাহ কোন মানুষের কাছে কোন কিছুই অবতীর্ণ করেননি। বল, তাহলে ঐ কিতাব কে অবতীর্ণ করেছিলেন যা নিয়ে এসেছিলেন মূসা, যা ছিল মানুষের জন্য আলোকবর্তিকা ও সঠিক পথের দিকদিশারী, কাগজের পৃষ্ঠায় যা তোমরা প্রকাশ কর আর বেশির ভাগই গোপন কর, যার সাহায্যে তোমাদেরকে জানিয়ে দেয়া হয়েছে যা তোমরাও জানতে না, তোমাদের বাপ-দাদারাও জানত না? বল, (মূসার প্রতি ঐ কিতাব) আল্লাহ্ই (নাযিল করেছিলেন), অতঃপর তাদেরকে তাদের নিরর্থক আলোচনায় মত্ত হয়ে থাকতে দাও। [তাইসিরুল কুরআন]
এটা ধনী লোকের উপর অবতীর্ণ হলো না কেন- এ কথার জবাব
আয-যুখরুফ, ৪৩:৩১ ⋮
وَقَالُوا لَوْلَا نُزِّلَ هَذَا الْقُرْآنُ عَلَى رَجُلٍ مِنَ الْقَرْيَتَيْنِ عَظِيمٍ ﴿٣١﴾
তারা বলল- এ কুরআন (মক্কা ও তায়েফ এ) দু’ জনপদের কোন গণ্যমান্য ব্যক্তির উপর কেন অবতীর্ণ হল না? [তাইসিরুল কুরআন]
আয-যুখরুফ, ৪৩:৩২ ⋮
أَهُمْ يَقْسِمُونَ رَحْمَةَ رَبِّكَ نَحْنُ قَسَمْنَا بَيْنَهُمْ مَعِيشَتَهُمْ فِي الْحَيَاةِ الدُّنْيَا وَرَفَعْنَا بَعْضَهُمْ فَوْقَ بَعْضٍ دَرَجَاتٍ لِيَتَّخِذَ بَعْضُهُمْ بَعْضًا سُخْرِيًّا وَرَحْمَةُ رَبِّكَ خَيْرٌ مِمَّا يَجْمَعُونَ ﴿٣٢﴾
তোমার প্রতিপালকের রহমত কি তারা বণ্টন করে (যে তাদের মর্জিমত কুরআন নাযিল করতে হবে)? তাদের মাঝে তাদের জীবিকা আমিই বণ্টন করেছি পার্থিব জীবনে এবং মর্যাদায় এককে অন্যের উপর উন্নত করি যাতে একে অপরের সহায়তায় গ্রহণ করতে পারে। তারা যা সঞ্চয় করে, তোমার প্রতিপালকের রহমত তাত্থেকে উত্তম [তাইসিরুল কুরআন]
কুরআন অন্য কোন ভাষায় নাযিল হলো না কেন- এ কথার জবাব
হা-মীম আস-সাজদা, ৪১:৪৪ ⋮
وَلَوْ جَعَلْنَاهُ قُرْآنًا أَعْجَمِيًّا لَقَالُوا لَوْلَا فُصِّلَتْ آيَاتُهُ أَأَعْجَمِيٌّ وَعَرَبِيٌّ قُلْ هُوَ لِلَّذِينَ آمَنُوا هُدًى وَشِفَاءٌ وَالَّذِينَ لَا يُؤْمِنُونَ فِي آذَانِهِمْ وَقْرٌ وَهُوَ عَلَيْهِمْ عَمًى أُولَئِكَ يُنَادَوْنَ مِنْ مَكَانٍ بَعِيدٍ ﴿٤٤﴾
আমি যদি একে অনারব ভাষায় (অবতীর্ণ) কুরআন করতাম তাহলে তারা অবশ্যই বলত- এর আয়াতগুলো সুস্পষ্টভাবে বর্ণনা করা হল না কেন? আশ্চর্য ব্যাপার! কিতাব হল অনারব দেশীয় আর শ্রোতারা হল আরবীভাষী। বল- যারা ঈমান আনে তাদের জন্য এ কুরআন সঠিক পথের দিশারী ও আরোগ্য (লাভের উপায়)। যারা ঈমান আনে না তাদের কানে আছে বধিরতা, আর এ কুরআন তাদের জন্য অন্ধত্ব। (যেন) বহু দূর থেকে তাদেরকে ডাকা হচ্ছে। [তাইসিরুল কুরআন]
কুরআন এক সাথে নাযিল হলো না কেন- এর প্রশ্নের জবাব
আল-ইসরা, ১৭:১০৬ ⋮
وَقُرْآنًا فَرَقْنَاهُ لِتَقْرَأَهُ عَلَى النَّاسِ عَلَى مُكْثٍ وَنَزَّلْنَاهُ تَنْزِيلًا ﴿١٠٦﴾
আমি এ কুরআনকে ভাগে ভাগে বিভক্ত করেছি যাতে তুমি থেমে থেমে মানুষকে তা পাঠ করে শুনাতে পার, কাজেই আমি তা ক্রমশঃ নাযিল করেছি। [তাইসিরুল কুরআন]
কাফিররা রাসূল (ﷺ)-এর কাছে কোনো যুক্তি বা উপমা উপস্থাপন করলেই আল্লাহ তার জবাবে সত্য অবতীর্ণ করেন।
আল-ফুরকান, ২৫:৩৩ ⋮
وَلَا يَأْتُونَكَ بِمَثَلٍ إِلَّا جِئْنَاكَ بِالْحَقِّ وَأَحْسَنَ تَفْسِيرًا ﴿٣٣﴾
তোমার কাছে তারা এমন কোন সমস্যাই নিয়ে আসে না যার সঠিক সমাধান ও সুন্দর ব্যাখ্যা আমি তোমাকে দান করিনি। [তাইসিরুল কুরআন]
নবী মুহাম্মদ (ﷺ) বানোয়াট উদ্ভাবনকারী বা ভানকারীদের অন্তর্ভুক্ত নন।
সোয়াদ, ৩৮:৮৬ ⋮
قُلْ مَا أَسْأَلُكُمْ عَلَيْهِ مِنْ أَجْرٍ وَمَا أَنَا مِنَ الْمُتَكَلِّفِينَ ﴿٨٦﴾
বল- আমি এর (অর্থাৎ সত্য-সঠিক পথের দিকে ডাকার) জন্য তোমাদের কাছে পারিশ্রমিক চাই না, আর আমি কোন ধোঁকাবাজ নই। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহর আয়াতকে পূর্ববর্তীদের কল্পকাহিনী বলার কাফিরদের দাবিটি সম্পূর্ণ মিথ্যা।
আল-মুতাফফিফীন, ৮৩:১৪ ⋮
كَلَّا بَلْ رَانَ عَلَى قُلُوبِهِمْ مَا كَانُوا يَكْسِبُونَ ﴿١٤﴾
কক্ষনো না, বরং তাদের কৃতকর্মই তাদের অন্তরে জং ধরিয়ে দিয়েছে। [তাইসিরুল কুরআন]
আপনার দাবিকৃত পারিশ্রমিকের কারণে কাফিররা কি ঋণের বোঝায় ভারাক্রান্ত?
আল-ক্বলাম, ৬৮:৪৬ ⋮
أَمْ تَسْأَلُهُمْ أَجْرًا فَهُمْ مِنْ مَغْرَمٍ مُثْقَلُونَ ﴿٤٦﴾
তুমি কি তাদের কাছে কোন পারিশ্রমিক চাচ্ছ যে, দেনার দায়ভার বহন করা তাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে? [তাইসিরুল কুরআন]