বিষয়ভিত্তিক কুরআন > কুরআনের পরিচয়

কুরআনের মূল উৎস হচ্ছে লাওহে মাহফুজ

আল-বুরুজ, ৮৫:২১
بَلْ هُوَ قُرْآنٌ مَجِيدٌ ﴿٢١﴾
(কাফিররা অমান্য করলেও এ কুরআনের কোনই ক্ষতি হবে না) বস্তুতঃ এটা সম্মানিত কুরআন, [তাইসিরুল কুরআন]
আল-বুরুজ, ৮৫:২২
فِي لَوْحٍ مَحْفُوظٍ ﴿٢٢﴾
সুরক্ষিত ফলকে লিপিবদ্ধ। [তাইসিরুল কুরআন]

সূরা যুখরুফে এটাকে উম্মুল কিতাব বলা হয়েছে

আয-যুখরুফ, ৪৩:৪
وَإِنَّهُ فِي أُمِّ الْكِتَابِ لَدَيْنَا لَعَلِيٌّ حَكِيمٌ ﴿٤﴾
আমার কাছে তা উম্মুল কিতাবে (লাওহে মাহফুজে) সংরক্ষিত আছে, আর তা হল অতি উচ্চ মর্যাদাসম্পন্ন জ্ঞান-বিজ্ঞানে পূর্ণ। [তাইসিরুল কুরআন]

সূরা ওয়াকিয়ায় একে কিতাবুম মাকনূন বলা হয়েছে

আল-ওয়াকিয়া, ৫৬:৭৭
إِنَّهُ لَقُرْآنٌ كَرِيمٌ ﴿٧٧﴾
অবশ্যই তা সম্মানিত কুরআন, [তাইসিরুল কুরআন]
আল-ওয়াকিয়া, ৫৬:৭৮
فِي كِتَابٍ مَكْنُونٍ ﴿٧٨﴾
(যা লিখিত আছে) সুরক্ষিত কিতাবে, [তাইসিরুল কুরআন]

ফেরেশতা ছাড়া কেউ এর সংস্পর্শে যেতে পারে না

আল-ওয়াকিয়া, ৫৬:৭৯
لَا يَمَسُّهُ إِلَّا الْمُطَهَّرُونَ ﴿٧٩﴾
পূত-পবিত্র (ফেরেশতা) ছাড়া (শয়ত্বানেরা) তা স্পর্শ করতে পারে না, [তাইসিরুল কুরআন]

ফেরেশতারা এর লেখা-লেখির কাজ করে থাকে

আবাসা, ৮০:১১
كَلَّا إِنَّهَا تَذْكِرَةٌ ﴿١١﴾
না, এটা মোটেই ঠিক নয়, এটা তো উপদেশ বাণী, [তাইসিরুল কুরআন]
আবাসা, ৮০:১২
فَمَنْ شَاءَ ذَكَرَهُ ﴿١٢﴾
কাজেই যার ইচ্ছে তা স্মরণে রাখবে, [তাইসিরুল কুরআন]
আবাসা, ৮০:১৩
فِي صُحُفٍ مُكَرَّمَةٍ ﴿١٣﴾
(এটা লিপিবদ্ধ আছে) মর্যাদাসম্পন্ন কিতাবসমূহে [তাইসিরুল কুরআন]
আবাসা, ৮০:১৪
مَرْفُوعَةٍ مُطَهَّرَةٍ ﴿١٤﴾
সমুন্নত, পবিত্র। [তাইসিরুল কুরআন]
আবাসা, ৮০:১৫
بِأَيْدِي سَفَرَةٍ ﴿١٥﴾
(এমন) লেখকদের হাতে [তাইসিরুল কুরআন]
আবাসা, ৮০:১৬
كِرَامٍ بَرَرَةٍ ﴿١٦﴾
(যারা) মহা সম্মানিত পূত-পবিত্র। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহর নিকট থেকে কুরআন অবতীর্ণ।

কোনো আয়াত নেই।

এই সূরাটি 'হা-মীম' নামক বিচ্ছিন্ন অক্ষরসমূহ দ্বারা আরম্ভ হয়েছে।

আল-জাসিয়া, ৪৫:১
حم ﴿١﴾
হা-মীম। [তাইসিরুল কুরআন]

'হা-মীম' অক্ষরগুলো আল্লাহর পক্ষ থেকে অবতীর্ণ।

আল-আহকাফ, ৪৬:১
حم ﴿١﴾
হা-মীম। [তাইসিরুল কুরআন]

এই কিতাব (আল-কুরআন) আল্লাহর পক্ষ থেকে অবতীর্ণ।

আল-আহকাফ, ৪৬:২
تَنْزِيلُ الْكِتَابِ مِنَ اللَّهِ الْعَزِيزِ الْحَكِيمِ ﴿٢﴾
কিতাব অবতীর্ণ হয়েছে মহা পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময় আল্লাহর নিকট হতে। [তাইসিরুল কুরআন]

আলিফ-লাম-মীম-এর প্রকৃত অর্থ আল্লাহই জানেন।

আল-বাকারা, ২:১
الم ﴿١﴾
আলিফ, লাম, মীম। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ তাঁর আয়াতসমূহ (বিধান) মানুষের জন্য এভাবেই সুস্পষ্টভাবে বর্ণনা করেন।

আল-বাকারা, ২:২৪২
كَذَلِكَ يُبَيِّنُ اللَّهُ لَكُمْ آيَاتِهِ لَعَلَّكُمْ تَعْقِلُونَ ﴿٢٤٢﴾
তোমাদের জন্য আল্লাহ নিজের আহকাম এমনভাবে ব্যাখ্যা করে বর্ণনা করছেন, যাতে তোমরা বুঝতে পার। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ তাঁর আয়াতসমূহ নবী মুহাম্মাদ (ﷺ) এর নিকট যথাযথভাবে তিলাওয়াত করেন।

আল-বাকারা, ২:২৫২
تِلْكَ آيَاتُ اللَّهِ نَتْلُوهَا عَلَيْكَ بِالْحَقِّ وَإِنَّكَ لَمِنَ الْمُرْسَلِينَ ﴿٢٥٢﴾
এসব আল্লাহরই আয়াত, যা আমি সঠিকভাবে তোমাকে পড়িয়ে শুনাচ্ছি এবং নিশ্চয়ই তুমি রসূলদের অন্তর্ভুক্ত। [তাইসিরুল কুরআন]

এই তিলাওয়াতকৃত বিষয়গুলো হলো প্রজ্ঞাপূর্ণ উপদেশ (কুরআন)।

আলে-ইমরান, ৩:৫৮
ذَلِكَ نَتْلُوهُ عَلَيْكَ مِنَ الْآيَاتِ وَالذِّكْرِ الْحَكِيمِ ﴿٥٨﴾
এসব আমি তোমাকে পড়ে শুনাচ্ছি আয়াতসমষ্টি ও জ্ঞানগর্ভ বাণী হতে। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহর প্রদত্ত এই কিতাবটি সৎকর্মশীলদের জন্য ছিল একটি পরিপূর্ণ নিয়ামত।

আল-আন'আম, ৬:১৫৪
ثُمَّ آتَيْنَا مُوسَى الْكِتَابَ تَمَامًا عَلَى الَّذِي أَحْسَنَ وَتَفْصِيلًا لِكُلِّ شَيْءٍ وَهُدًى وَرَحْمَةً لَعَلَّهُمْ بِلِقَاءِ رَبِّهِمْ يُؤْمِنُونَ ﴿١٥٤﴾
অতঃপর (তোমরা অবগত হও যে) আমি মূসাকে কিতাব দিয়েছিলাম যার মাধ্যমে আমি আমার নি‘য়ামাত পূর্ণ করে দিয়েছিলাম তাদের জন্য যারা উত্তম কাজ করে, তাতে ছিল যাবতীয় বিষয়ের বিশদ বিবরণ, (তা ছিল) সঠিক পথের দিশারী ও দয়া স্বরূপ যাতে তারা তাদের প্রতিপালকের সঙ্গে সাক্ষাতের ব্যাপারে বিশ্বাস স্থাপন করে। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহর প্রদত্ত এই কিতাবটি ছিল সকল বিষয়ের বিস্তারিত বিবরণ।

আল-আন'আম, ৬:১৫৪
ثُمَّ آتَيْنَا مُوسَى الْكِتَابَ تَمَامًا عَلَى الَّذِي أَحْسَنَ وَتَفْصِيلًا لِكُلِّ شَيْءٍ وَهُدًى وَرَحْمَةً لَعَلَّهُمْ بِلِقَاءِ رَبِّهِمْ يُؤْمِنُونَ ﴿١٥٤﴾
অতঃপর (তোমরা অবগত হও যে) আমি মূসাকে কিতাব দিয়েছিলাম যার মাধ্যমে আমি আমার নি‘য়ামাত পূর্ণ করে দিয়েছিলাম তাদের জন্য যারা উত্তম কাজ করে, তাতে ছিল যাবতীয় বিষয়ের বিশদ বিবরণ, (তা ছিল) সঠিক পথের দিশারী ও দয়া স্বরূপ যাতে তারা তাদের প্রতিপালকের সঙ্গে সাক্ষাতের ব্যাপারে বিশ্বাস স্থাপন করে। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহর প্রদত্ত এই কিতাবটি ছিল একটি হিদায়াত।

আল-আন'আম, ৬:১৫৪
ثُمَّ آتَيْنَا مُوسَى الْكِتَابَ تَمَامًا عَلَى الَّذِي أَحْسَنَ وَتَفْصِيلًا لِكُلِّ شَيْءٍ وَهُدًى وَرَحْمَةً لَعَلَّهُمْ بِلِقَاءِ رَبِّهِمْ يُؤْمِنُونَ ﴿١٥٤﴾
অতঃপর (তোমরা অবগত হও যে) আমি মূসাকে কিতাব দিয়েছিলাম যার মাধ্যমে আমি আমার নি‘য়ামাত পূর্ণ করে দিয়েছিলাম তাদের জন্য যারা উত্তম কাজ করে, তাতে ছিল যাবতীয় বিষয়ের বিশদ বিবরণ, (তা ছিল) সঠিক পথের দিশারী ও দয়া স্বরূপ যাতে তারা তাদের প্রতিপালকের সঙ্গে সাক্ষাতের ব্যাপারে বিশ্বাস স্থাপন করে। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহর বাণী: আলিফ-লাম-মীম।

আল-আ'রাফ, ৭:১
المص ﴿١﴾
আলিফ, লাম, মীম, সাদ। [তাইসিরুল কুরআন]

আলিফ-লাম-রা।

ইউসুফ, ১২:১
الر تِلْكَ آيَاتُ الْكِتَابِ الْمُبِينِ ﴿١﴾
আলিফ, লাম-রা, এগুলো সুস্পষ্ট কিতাবের আয়াতসমূহ। [তাইসিরুল কুরআন]

এইগুলো সুস্পষ্ট কিতাবের আয়াত।

ইউসুফ, ১২:১
الر تِلْكَ آيَاتُ الْكِتَابِ الْمُبِينِ ﴿١﴾
আলিফ, লাম-রা, এগুলো সুস্পষ্ট কিতাবের আয়াতসমূহ। [তাইসিরুল কুরআন]

এই কুরআন সমগ্র বিশ্বজগতের জন্য একটি উপদেশবাণী ছাড়া আর কিছুই নয়।

ইউসুফ, ১২:১০৪
وَمَا تَسْأَلُهُمْ عَلَيْهِ مِنْ أَجْرٍ إِنْ هُوَ إِلَّا ذِكْرٌ لِلْعَالَمِينَ ﴿١٠٤﴾
তুমি তার জন্য তাদের কাছে কোন পারিশ্রমিক চাচ্ছ না, এটা তো বিশ্বজগতের সকলের জন্য উপদেশ মাত্র। [তাইসিরুল কুরআন]

আলিফ-লাম-মীম-রা হলো আল্লাহর পক্ষ থেকে নাযিলকৃত বর্ণমালা।

আর-রাদ, ১৩:১
المر تِلْكَ آيَاتُ الْكِتَابِ وَالَّذِي أُنْزِلَ إِلَيْكَ مِنْ رَبِّكَ الْحَقُّ وَلَكِنَّ أَكْثَرَ النَّاسِ لَا يُؤْمِنُونَ ﴿١﴾
আলিফ-লাম-মীম-র, এগুলো কিতাবের আয়াতসমূহ, আর তোমার প্রতিপালকের নিকট থেকে তোমার প্রতি যা অবতীর্ণ হয়েছে তা প্রকৃত সত্য, কিন্তু অধিকাংশ মানুষই ঈমান আনে না। [তাইসিরুল কুরআন]

এই আয়াতসমূহ হলো মহাগ্রন্থ আল-কিতাবের (কুরআনের) অংশ।

আর-রাদ, ১৩:১
المر تِلْكَ آيَاتُ الْكِتَابِ وَالَّذِي أُنْزِلَ إِلَيْكَ مِنْ رَبِّكَ الْحَقُّ وَلَكِنَّ أَكْثَرَ النَّاسِ لَا يُؤْمِنُونَ ﴿١﴾
আলিফ-লাম-মীম-র, এগুলো কিতাবের আয়াতসমূহ, আর তোমার প্রতিপালকের নিকট থেকে তোমার প্রতি যা অবতীর্ণ হয়েছে তা প্রকৃত সত্য, কিন্তু অধিকাংশ মানুষই ঈমান আনে না। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহই 'আলিফ-লাম-রা'-এর প্রকৃত অর্থ সম্পর্কে সর্বাধিক অবগত।

আল-হিজর, ১৫:১
الر تِلْكَ آيَاتُ الْكِتَابِ وَقُرْآنٍ مُبِينٍ ﴿١﴾
আলিফ-লাম-র, এগুলো কিতাবের এবং সুস্পষ্ট কুরআনে আয়াতসমূহ। [তাইসিরুল কুরআন]

এই আয়াতসমূহ হলো আল্লাহর কিতাবের অংশ।

আল-হিজর, ১৫:১
الر تِلْكَ آيَاتُ الْكِتَابِ وَقُرْآنٍ مُبِينٍ ﴿١﴾
আলিফ-লাম-র, এগুলো কিতাবের এবং সুস্পষ্ট কুরআনে আয়াতসমূহ। [তাইসিরুল কুরআন]

এই কিতাবটি হলো এক সুস্পষ্ট কুরআন।

আল-হিজর, ১৫:১
الر تِلْكَ آيَاتُ الْكِتَابِ وَقُرْآنٍ مُبِينٍ ﴿١﴾
আলিফ-লাম-র, এগুলো কিতাবের এবং সুস্পষ্ট কুরআনে আয়াতসমূহ। [তাইসিরুল কুরআন]

আলিফ-লাম-রা হলো কুরআন মাজিদের অন্তর্ভুক্ত হরফসমূহ।

ইউনুস, ১০:১
الر تِلْكَ آيَاتُ الْكِتَابِ الْحَكِيمِ ﴿١﴾
আলিফ-লাম-র, এগুলো মহা বিজ্ঞানময় গ্রন্থের আয়াতসমূহ। [তাইসিরুল কুরআন]

এইগুলো প্রজ্ঞাপূর্ণ কিতাবের (কুরআনের) আয়াতসমূহ।

ইউনুস, ১০:১
الر تِلْكَ آيَاتُ الْكِتَابِ الْحَكِيمِ ﴿١﴾
আলিফ-লাম-র, এগুলো মহা বিজ্ঞানময় গ্রন্থের আয়াতসমূহ। [তাইসিরুল কুরআন]

হে মানবজাতি, তোমাদের প্রতিপালকের পক্ষ থেকে তোমাদের কাছে সত্য এসে গেছে।

ইউনুস, ১০:১০৮
قُلْ يَا أَيُّهَا النَّاسُ قَدْ جَاءَكُمُ الْحَقُّ مِنْ رَبِّكُمْ فَمَنِ اهْتَدَى فَإِنَّمَا يَهْتَدِي لِنَفْسِهِ وَمَنْ ضَلَّ فَإِنَّمَا يَضِلُّ عَلَيْهَا وَمَا أَنَا عَلَيْكُمْ بِوَكِيلٍ ﴿١٠٨﴾
বল, ‘‘হে মানুষ! তোমাদের প্রতিপালকের নিকট হতে তোমাদের কাছে প্রকৃত সত্য এসে পৌঁছেছে। অতঃপর যে সঠিক পথ অবলম্বন করবে, সে নিজের কল্যাণের জন্যই সঠিক পথ ধরবে। আর যারা পথভ্রষ্ট হবে তারা পথভ্রষ্ট হবে নিজেদেরই ক্ষতি করার জন্য, আমি তোমাদের হয়ে কাজ উদ্ধার করে দেয়ার কেউ নেই। [তাইসিরুল কুরআন]

এইগুলো সুস্পষ্ট কিতাবের (আল-কুরআনের) আয়াত।

আশ-শুআ'রা, ২৬:২
تِلْكَ آيَاتُ الْكِتَابِ الْمُبِينِ ﴿٢﴾
এগুলো সুস্পষ্ট (বা সুস্পষ্টকারী) কিতাবের আয়াত। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ যখন এক আয়াতের পরিবর্তে অন্য আয়াত অবতীর্ণ করেন,

আন-নাহাল, ১৬:১০১
وَإِذَا بَدَّلْنَا آيَةً مَكَانَ آيَةٍ وَاللَّهُ أَعْلَمُ بِمَا يُنَزِّلُ قَالُوا إِنَّمَا أَنْتَ مُفْتَرٍ بَلْ أَكْثَرُهُمْ لَا يَعْلَمُونَ ﴿١٠١﴾
আমি যখন এক আয়াতের বদলে অন্য আয়াত নাযিল করি- আর আল্লাহ ভালভাবেই জানেন, যা তিনি নাযিল করেন- তখন এই লোকেরা বলে, ‘তুমি তো মিথ্যা রচনাকারী।’ প্রকৃত ব্যাপার এই যে, এ সম্পর্কে তাদের অধিকাংশেরই কোন জ্ঞান নেই। [তাইসিরুল কুরআন]

পবিত্র আত্মা (জিবরীল) নবীর রবের পক্ষ থেকে সত্যসহ এই কুরআন নাযিল করেছেন।

আন-নাহাল, ১৬:১০২
قُلْ نَزَّلَهُ رُوحُ الْقُدُسِ مِنْ رَبِّكَ بِالْحَقِّ لِيُثَبِّتَ الَّذِينَ آمَنُوا وَهُدًى وَبُشْرَى لِلْمُسْلِمِينَ ﴿١٠٢﴾
বল, ‘এ কুরআন তোমার প্রতিপালকের পক্ষ থেকে রুহুল কুদূস (জিবরীল) ঠিক ঠিকভাবে নাযিল করেছেন ঈমানদারদেরকে দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত রাখার জন্য এবং মুসলিমদের হিদায়াত ও সুসংবাদ দানের জন্য।’ [তাইসিরুল কুরআন]

এই ঐশী বাণী সমগ্র বিশ্বজগতের জন্য একটি উপদেশ মাত্র।

আশ-শুআ'রা, ২৬:১১৫
إِنْ أَنَا إِلَّا نَذِيرٌ مُبِينٌ ﴿١١٥﴾
আমি তো শুধু একজন সুস্পষ্ট সতর্ককারী।’ [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ মানুষকে উপদেশ প্রদানের জন্য এই কুরআনে বিভিন্নভাবে বিষয়সমূহ বিশদভাবে বর্ণনা করেছেন।

আল-ইসরা, ১৭:৪১
وَلَقَدْ صَرَّفْنَا فِي هَذَا الْقُرْآنِ لِيَذَّكَّرُوا وَمَا يَزِيدُهُمْ إِلَّا نُفُورًا ﴿٤١﴾
আমি এ কুরআনে নানাভাবে (বিষয়াবলী) ব্যাখ্যা করেছি যাতে তারা উপদেশ গ্রহণ করে, কিন্তু তা তাদের (সত্য হতে) পলায়নের মনোবৃত্তিই বৃদ্ধি করেছে। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ সত্যসহ কুরআন নাযিল করেছেন।

আল-ইসরা, ১৭:১০৫
وَبِالْحَقِّ أَنْزَلْنَاهُ وَبِالْحَقِّ نَزَلَ وَمَا أَرْسَلْنَاكَ إِلَّا مُبَشِّرًا وَنَذِيرًا ﴿١٠٥﴾
এ কুরআনকে আমি সত্যতা সহকারে নাযিল করেছি আর সত্যতা সহকারেই তা নাযিল হয়েছে। আমি তোমাকে শুধু সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারী হিসেবে পাঠিয়েছি। [তাইসিরুল কুরআন]

এই আয়াতগুলো হলো আল-কুরআনের।

আন-নামাল, ২৭:১
طس تِلْكَ آيَاتُ الْقُرْآنِ وَكِتَابٍ مُبِينٍ ﴿١﴾
তা-সীন, এগুলো কুরআনের আয়াত ও সুস্পষ্ট কিতাবের; [তাইসিরুল কুরআন]

এবং কুরআন মুমিনদের জন্য একটি সুসংবাদ।

আন-নামাল, ২৭:২
هُدًى وَبُشْرَى لِلْمُؤْمِنِينَ ﴿٢﴾
মু’মিনদের জন্য পথের দিশা ও সুসংবাদ [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহর পক্ষ থেকে নাযিলকৃত বিচ্ছিন্ন অক্ষরমালা: কাফ-হা-ইয়া-আইন-সাদ।

মারইয়াম, ১৯:১
كهيعص ﴿١﴾
কাফ্-হা-ইয়্যা-‘আইন-সাদ। [তাইসিরুল কুরআন]

'ত্বা-সীন-মীম' হলো আল্লাহর পক্ষ থেকে অবতীর্ণ বিচ্ছিন্ন অক্ষরসমূহ।

আল-কাসাস, ২৮:১
طسم ﴿١﴾
তা-সীন-মীম, [তাইসিরুল কুরআন]

এই আয়াতসমূহ সুস্পষ্ট কিতাবের।

আল-কাসাস, ২৮:২
تِلْكَ آيَاتُ الْكِتَابِ الْمُبِينِ ﴿٢﴾
এগুলো সুস্পষ্ট কিতাবের আয়াত। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ মানুষের জন্য তাঁর বাণী (কুরআন) ধারাবাহিকভাবে পৌঁছে দিয়েছেন।

আল-কাসাস, ২৮:৫১
وَلَقَدْ وَصَّلْنَا لَهُمُ الْقَوْلَ لَعَلَّهُمْ يَتَذَكَّرُونَ ﴿٥١﴾
আমি তাদের কাছে ক্রমাগত বাণী পৌঁছে দিয়েছি যাতে তারা উপদেশ গ্রহণ করে। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহর বাণী: ত্বা-হা।

ত্ব-হা, ২০:১
طه ﴿١﴾
ত্ব-হা-। [তাইসিরুল কুরআন]

নিশ্চয়ই আল্লাহ, যিনি আপনার (মুহাম্মদ ﷺ) উপর কুরআনকে বিধানরূপে দিয়েছেন, তিনি আপনাকে অবশ্যই প্রত্যাবর্তনস্থলে ফিরিয়ে আনবেন।

আল-কাসাস, ২৮:৮৫
إِنَّ الَّذِي فَرَضَ عَلَيْكَ الْقُرْآنَ لَرَادُّكَ إِلَى مَعَادٍ قُلْ رَبِّي أَعْلَمُ مَنْ جَاءَ بِالْهُدَى وَمَنْ هُوَ فِي ضَلَالٍ مُبِينٍ ﴿٨٥﴾
যিনি তোমার প্রতি কুরআন বিধিবদ্ধ করেছেন তিনি অবশ্যই তোমাকে মূলভূমিতে (মাক্কায়) ফিরিয়ে আনবেন। বল, আমার প্রতিপালক ভাল করেই জানেন কে সৎপথের নির্দেশ নিয়ে এসেছে আর কে আছে সুস্পষ্ট গুমরাহীতে। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহর বাণী: আলিফ, লাম, মীম।

আল-আনকাবূত, ২৯:১
الم ﴿١﴾
আলিফ-লাম-মীম [তাইসিরুল কুরআন]

বরং এই কুরআন হলো সুস্পষ্ট আয়াত, যা জ্ঞানপ্রাপ্তদের অন্তরে সংরক্ষিত।

আল-আনকাবূত, ২৯:৪৯
بَلْ هُوَ آيَاتٌ بَيِّنَاتٌ فِي صُدُورِ الَّذِينَ أُوتُوا الْعِلْمَ وَمَا يَجْحَدُ بِآيَاتِنَا إِلَّا الظَّالِمُونَ ﴿٤٩﴾
বরং যাদেরকে জ্ঞান দেয়া হয়েছে তাদের অন্তরে তা (কুরআন) এক সুস্পষ্ট নিদর্শন। অন্যায়কারীরা ছাড়া আমার নিদর্শনাবলীকে কেউ অস্বীকার করে না [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ এই সূরাতে সুস্পষ্ট আয়াতসমূহ নাযিল করেছেন।

আন-নূর, ২৪:১
سُورَةٌ أَنْزَلْنَاهَا وَفَرَضْنَاهَا وَأَنْزَلْنَا فِيهَا آيَاتٍ بَيِّنَاتٍ لَعَلَّكُمْ تَذَكَّرُونَ ﴿١﴾
একটি সূরাহ যা আমি নাযিল করেছি আর তা ফরয করে দিয়েছি, আর তার ভেতরে আমি সুস্পষ্ট আয়াত নাযিল করেছি, যাতে তোমরা উপদেশ গ্রহণ কর। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ তোমাদের প্রতি সুস্পষ্ট আয়াতসমূহ নাযিল করেছেন।

আন-নূর, ২৪:৩৪
وَلَقَدْ أَنْزَلْنَا إِلَيْكُمْ آيَاتٍ مُبَيِّنَاتٍ وَمَثَلًا مِنَ الَّذِينَ خَلَوْا مِنْ قَبْلِكُمْ وَمَوْعِظَةً لِلْمُتَّقِينَ ﴿٣٤﴾
তোমাদের নিকট অবতীর্ণ করেছি সুস্পষ্ট আয়াত আর তোমাদের পূর্বে যারা অতীত হয়ে গেছে তাদের দৃষ্টান্ত ও মুত্তাকীদের জন্য দিয়েছি উপদেশ। [তাইসিরুল কুরআন]

এবং আল্লাহ কুরআনকে সুস্পষ্টভাবে ও পর্যায়ক্রমে বিন্যস্ত করে অবতীর্ণ করেছেন।

আল-ফুরকান, ২৫:৩২
وَقَالَ الَّذِينَ كَفَرُوا لَوْلَا نُزِّلَ عَلَيْهِ الْقُرْآنُ جُمْلَةً وَاحِدَةً كَذَلِكَ لِنُثَبِّتَ بِهِ فُؤَادَكَ وَرَتَّلْنَاهُ تَرْتِيلًا ﴿٣٢﴾
কাফিররা বলে- তার কাছে পুরো কুরআন এক সাথে অবতীর্ণ করা হল না কেন? আমি এভাবেই অবতীর্ণ করেছি। তোমার হৃদয়কে তা দ্বারা সুদৃঢ় করার জন্য আমি তোমার কাছে তা ধীরে ধীরে পরিকল্পিত স্তরে ক্রমশঃ আবৃত্তি করিয়েছি। [তাইসিরুল কুরআন]

এবং এই কিতাব (কুরআন) বিশ্বাসী সম্প্রদায়ের জন্য একটি উপদেশ।

আল-আনকাবূত, ২৯:৫১
أَوَلَمْ يَكْفِهِمْ أَنَّا أَنْزَلْنَا عَلَيْكَ الْكِتَابَ يُتْلَى عَلَيْهِمْ إِنَّ فِي ذَلِكَ لَرَحْمَةً وَذِكْرَى لِقَوْمٍ يُؤْمِنُونَ ﴿٥١﴾
এটা কি তাদের জন্য যথেষ্ট (নিদর্শন) নয় যে, আমি তোমার প্রতি কিতাব নাযিল করেছি যা তাদের সম্মুখে পাঠ করা হয়, বিশ্বাসী সম্প্রদায়ের জন্য অবশ্যই এতে অনুগ্রহ ও উপদেশ রয়েছে। [তাইসিরুল কুরআন]

'আলিফ-লাম-মীম' - এর প্রকৃত অর্থ একমাত্র আল্লাহই জানেন।

আর-রুম, ৩০:১
الم ﴿١﴾
আলিম-লাম-মীম। [তাইসিরুল কুরআন]

আলিফ-লাম-মীম।

লুকমান, ৩১:১
الم ﴿١﴾
আলিফ-লাম-মীম। [তাইসিরুল কুরআন]

এই প্রজ্ঞাময় কিতাব (কুরআন) সৎকর্মশীলদের জন্য একটি পথনির্দেশ।

লুকমান, ৩১:৩
هُدًى وَرَحْمَةً لِلْمُحْسِنِينَ ﴿٣﴾
সৎকর্মশীলদের জন্য পথ নির্দেশ ও রহমত। [তাইসিরুল কুরআন]

এই প্রজ্ঞাময় কিতাব (কুরআন) সৎকর্মশীলদের জন্য একটি রহমত।

লুকমান, ৩১:৩
هُدًى وَرَحْمَةً لِلْمُحْسِنِينَ ﴿٣﴾
সৎকর্মশীলদের জন্য পথ নির্দেশ ও রহমত। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ এই সূরাটি 'সাদ' অক্ষর দিয়ে শুরু করেছেন।

সোয়াদ, ৩৮:১
ص وَالْقُرْآنِ ذِي الذِّكْرِ ﴿١﴾
স্ব-দ, উপদেশপূর্ণ কুরআনের শপথ- (এটা সত্য)। [তাইসিরুল কুরআন]

এই কিতাব (আল-কুরআন) আল্লাহর পক্ষ থেকে অবতীর্ণ।

আয-যুমার, ৩৯:১
تَنْزِيلُ الْكِتَابِ مِنَ اللَّهِ الْعَزِيزِ الْحَكِيمِ ﴿١﴾
এ কিতাব নাযিল হয়েছে মহাপরাক্রমশালী মহাবিজ্ঞানী আল্লাহর নিকট হতে। [তাইসিরুল কুরআন]

মুহাম্মাদ (ﷺ)-এর উপর যা অবতীর্ণ হয়েছে, তা তাদের প্রতিপালকের পক্ষ থেকে আগত মহাসত্য।

মুহাম্মাদ, ৪৭:২
وَالَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ وَآمَنُوا بِمَا نُزِّلَ عَلَى مُحَمَّدٍ وَهُوَ الْحَقُّ مِنْ رَبِّهِمْ كَفَّرَ عَنْهُمْ سَيِّئَاتِهِمْ وَأَصْلَحَ بَالَهُمْ ﴿٢﴾
আর যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে আর মুহাম্মাদের প্রতি যা অবতীর্ণ হয়েছে তাতে বিশ্বাস স্থাপন করে- কারণ তা তাদের প্রতিপালকের প্রেরিত সত্য- তিনি তাদের মন্দ কাজগুলো মুছে দেবেন, আর তাদের অবস্থার উন্নতি ঘটাবেন। [তাইসিরুল কুরআন]

হা-মীম।

হা-মীম আস-সাজদা, ৪১:১
حم ﴿١﴾
হা-মীম। [তাইসিরুল কুরআন]

এটি এমন এক কিতাব যার আয়াতসমূহ বিশদভাবে বিবৃত হয়েছে।

হা-মীম আস-সাজদা, ৪১:৩
كِتَابٌ فُصِّلَتْ آيَاتُهُ قُرْآنًا عَرَبِيًّا لِقَوْمٍ يَعْلَمُونَ ﴿٣﴾
এক কিতাব, যার আয়াতগুলো বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যাকৃত, আরবী ভাষার কুরআন, জ্ঞানসম্পন্ন মানুষদের জন্য। [তাইসিরুল কুরআন]

এই কিতাবটি (কুরআন) আরবী ভাষায় অবতীর্ণ।

হা-মীম আস-সাজদা, ৪১:৩
كِتَابٌ فُصِّلَتْ آيَاتُهُ قُرْآنًا عَرَبِيًّا لِقَوْمٍ يَعْلَمُونَ ﴿٣﴾
এক কিতাব, যার আয়াতগুলো বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যাকৃত, আরবী ভাষার কুরআন, জ্ঞানসম্পন্ন মানুষদের জন্য। [তাইসিরুল কুরআন]

এই আরবী কুরআনটি জ্ঞানী সম্প্রদায়ের জন্য নাযিল হয়েছে।

হা-মীম আস-সাজদা, ৪১:৩
كِتَابٌ فُصِّلَتْ آيَاتُهُ قُرْآنًا عَرَبِيًّا لِقَوْمٍ يَعْلَمُونَ ﴿٣﴾
এক কিতাব, যার আয়াতগুলো বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যাকৃত, আরবী ভাষার কুরআন, জ্ঞানসম্পন্ন মানুষদের জন্য। [তাইসিরুল কুরআন]

এই কুরআন হলো সুসংবাদদাতা।

হা-মীম আস-সাজদা, ৪১:৪
بَشِيرًا وَنَذِيرًا فَأَعْرَضَ أَكْثَرُهُمْ فَهُمْ لَا يَسْمَعُونَ ﴿٤﴾
সুসংবাদবাহী ও সাবধানকারী। কিন্তু ওদের অধিকাংশই (এ কুরআন থেকে) মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে, কাজেই ওরা শুনবে না। [তাইসিরুল কুরআন]

এবং এই কুরআন হলো সতর্ককারী।

হা-মীম আস-সাজদা, ৪১:৪
بَشِيرًا وَنَذِيرًا فَأَعْرَضَ أَكْثَرُهُمْ فَهُمْ لَا يَسْمَعُونَ ﴿٤﴾
সুসংবাদবাহী ও সাবধানকারী। কিন্তু ওদের অধিকাংশই (এ কুরআন থেকে) মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে, কাজেই ওরা শুনবে না। [তাইসিরুল কুরআন]

এই শপথকৃত কিতাবটি উন্মুক্ত চামড়ার পাতায় লিপিবদ্ধ।

আত-তূর, ৫২:৩
فِي رَقٍّ مَنْشُورٍ ﴿٣﴾
খোলা পৃষ্ঠায়, [তাইসিরুল কুরআন]

এই কুরআন এক পরম প্রশংসিত সত্তার পক্ষ থেকে নাযিলকৃত।

হা-মীম আস-সাজদা, ৪১:৪২
لَا يَأْتِيهِ الْبَاطِلُ مِنْ بَيْنِ يَدَيْهِ وَلَا مِنْ خَلْفِهِ تَنْزِيلٌ مِنْ حَكِيمٍ حَمِيدٍ ﴿٤٢﴾
মিথ্যা এর কাছে না এর সামনে দিয়ে আসতে পারে, না এর পিছন দিয়ে। এটা অবতীর্ণ হয়েছে মহাজ্ঞানী, সকল প্রশংসার যোগ্য (আল্লাহ)’র পক্ষ হতে। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহর পক্ষ থেকে অবতীর্ণ বিচ্ছিন্ন বর্ণমালা: হা-মীম।

আশ-শূরা, ৪২:১
حم ﴿١﴾
হা-মীম। [তাইসিরুল কুরআন]

এই আয়াতটি হলো বিচ্ছিন্ন বর্ণমালা 'আয়িন, সীন, ক্বাফ'।

আশ-শূরা, ৪২:২
عسق ﴿٢﴾
‘আইন-সীন-ক্বাফ। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহর পক্ষ থেকে অবতীর্ণ অক্ষর: হা-মীম।

আয-যুখরুফ, ৪৩:১
حم ﴿١﴾
হা-মীম। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ সুস্পষ্ট কিতাবের শপথ করছেন।

আয-যুখরুফ, ৪৩:২
وَالْكِتَابِ الْمُبِينِ ﴿٢﴾
শপথ সুস্পষ্ট কিতাবের। [তাইসিরুল কুরআন]

অবশেষে তাদের নিকট সত্য তথা কুরআন এসে পৌঁছায়।

আয-যুখরুফ, ৪৩:২৯
بَلْ مَتَّعْتُ هَؤُلَاءِ وَآبَاءَهُمْ حَتَّى جَاءَهُمُ الْحَقُّ وَرَسُولٌ مُبِينٌ ﴿٢٩﴾
হ্যাঁ, আমিই তাদেরকে আর তাদের পূর্বপুরুষকে ভোগের সামগ্রী দিয়েছিলাম। অবশেষে তাদের কাছে আসলো সত্য এবং সবকিছু স্পষ্টকারী রসূল। [তাইসিরুল কুরআন]

এই কুরআন বিশ্বজগতের প্রতিপালকের পক্ষ থেকে অবতীর্ণ।

আল-ওয়াকিয়া, ৫৬:৮০
تَنْزِيلٌ مِنْ رَبِّ الْعَالَمِينَ ﴿٨٠﴾
জগৎ সমূহের প্রতিপালকের নিকট থেকে অবতীর্ণ, [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ মু'মিনদের প্রতি উপদেশ (কুরআন) অবতীর্ণ করেছেন।

আত-ত্বলাক্ব, ৬৫:১০
أَعَدَّ اللَّهُ لَهُمْ عَذَابًا شَدِيدًا فَاتَّقُوا اللَّهَ يَاأُولِي الْأَلْبَابِ الَّذِينَ آمَنُوا قَدْ أَنْزَلَ اللَّهُ إِلَيْكُمْ ذِكْرًا ﴿١٠﴾
আল্লাহ তাদের জন্য কঠিন শাস্তি প্রস্তুত করে রেখেছেন। অতএব হে জ্ঞানবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষেরা! যারা ঈমান এনেছ তোমরা আল্লাহকে ভয় কর। আল্লাহ তোমাদের প্রতি অবতীর্ণ করেছেন উপদেশ। [তাইসিরুল কুরআন]

নিশ্চয়ই এই কুরআন হলো সত্য ও মিথ্যার মধ্যে চূড়ান্ত ফয়সালাকারী বাণী।

আত-তারিক, ৮৬:১৩
إِنَّهُ لَقَوْلٌ فَصْلٌ ﴿١٣﴾
কুরআন (সত্য-মিথ্যার পার্থক্যকারী) চূড়ান্ত সিদ্ধান্তকারী বাণী, [তাইসিরুল কুরআন]

নিশ্চয় এই কুরআন একটি উপদেশ।

আল-মুযযাম্মিল, ৭৩:১৯
إِنَّ هَذِهِ تَذْكِرَةٌ فَمَنْ شَاءَ اتَّخَذَ إِلَى رَبِّهِ سَبِيلًا ﴿١٩﴾
এটা উপদেশ। কাজেই যার মন চায় সে তার প্রতিপালকের দিকে পথ ধরুক। [তাইসিরুল কুরআন]

নিশ্চয়ই এই কুরআন একটি উপদেশ।

আল-মুদ্দাসসির, ৭৪:৫৪
كَلَّا إِنَّهُ تَذْكِرَةٌ ﴿٥٤﴾
না, তা হতে পারে না, এটা (অর্থাৎ কুরআন সকলের জন্য) উপদেশবাণী। [তাইসিরুল কুরআন]

নিশ্চয়ই আমিই (আল্লাহ) আপনার (মুহাম্মাদ ﷺ) উপর পর্যায়ক্রমে এই কুরআন নাযিল করেছি।

আল-ইনসান, ৭৬:২৩
إِنَّا نَحْنُ نَزَّلْنَا عَلَيْكَ الْقُرْآنَ تَنْزِيلًا ﴿٢٣﴾
(হে নবী!) আমি তোমার কাছে কুরআন অবতীর্ণ করেছি ক্রমে ক্রমে (অল্প অল্প করে)। [তাইসিরুল কুরআন]

নিশ্চয়ই এই কুরআন একটি উপদেশ।

আল-ইনসান, ৭৬:২৯
إِنَّ هَذِهِ تَذْكِرَةٌ فَمَنْ شَاءَ اتَّخَذَ إِلَى رَبِّهِ سَبِيلًا ﴿٢٩﴾
এটা এক উপদেশ, কাজেই যার ইচ্ছে সে (এ উপদেশ মান্য ক’রে) তার প্রতিপালকের পথ ধরুক। [তাইসিরুল কুরআন]

এই কিতাব (কুরআন) বিশ্বজগতের প্রতিপালকের পক্ষ থেকে নাযিলকৃত।

আস-সাজদাহ, ৩২:২
تَنْزِيلُ الْكِتَابِ لَا رَيْبَ فِيهِ مِنْ رَبِّ الْعَالَمِينَ ﴿٢﴾
এ কিতাব বিশ্বজগতের পালনকর্তার নিকট হতে অবতীর্ণ, এতে কোন সন্দেহ নেই। [তাইসিরুল কুরআন]
ফন্ট সাইজ
15px
17px