বিষয়ভিত্তিক কুরআন > কিছু নিদর্শনের প্রতি বিশেষভাবে দৃষ্টি আকর্ষণ
আল্লাহর কুদরতের দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ
আল-মুরসালাত, ৭৭:২০ ⋮
أَلَمْ نَخْلُقْكُمْ مِنْ مَاءٍ مَهِينٍ ﴿٢٠﴾
আমি কি নগণ্য পানি থেকে তোমাদেরকে সৃষ্টি করিনি? [তাইসিরুল কুরআন]
আন-নাবা, ৭৮:৭ ⋮
وَالْجِبَالَ أَوْتَادًا ﴿٧﴾
আর পর্বতগুলোকে কীলক (বানাইনি)? [তাইসিরুল কুরআন]
আন-নাবা, ৭৮:৮ ⋮
وَخَلَقْنَاكُمْ أَزْوَاجًا ﴿٨﴾
আর আমি তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছি জোড়ায় জোড়ায়। [তাইসিরুল কুরআন]
আন-নাবা, ৭৮:৯ ⋮
وَجَعَلْنَا نَوْمَكُمْ سُبَاتًا ﴿٩﴾
আর তোমাদের নিদ্রাকে করেছি বিশ্রামদায়ী। [তাইসিরুল কুরআন]
আন-নাবা, ৭৮:১০ ⋮
وَجَعَلْنَا اللَّيْلَ لِبَاسًا ﴿١٠﴾
রাতকে করেছি আবরণ, [তাইসিরুল কুরআন]
আন-নাবা, ৭৮:১১ ⋮
وَجَعَلْنَا النَّهَارَ مَعَاشًا ﴿١١﴾
আর দিনকে করেছি জীবিকা সংগ্রহের মাধ্যম। [তাইসিরুল কুরআন]
আন-নাবা, ৭৮:১২ ⋮
وَبَنَيْنَا فَوْقَكُمْ سَبْعًا شِدَادًا ﴿١٢﴾
আর তোমাদের উর্ধ্বদেশে বানিয়েছি সাতটি সুদৃঢ় আকাশ। [তাইসিরুল কুরআন]
আন-নাবা, ৭৮:১৩ ⋮
وَجَعَلْنَا سِرَاجًا وَهَّاجًا ﴿١٣﴾
এবং সৃষ্টি করেছি উজ্জ্বল প্রদীপ। [তাইসিরুল কুরআন]
আন-নাবা, ৭৮:১৪ ⋮
وَأَنْزَلْنَا مِنَ الْمُعْصِرَاتِ مَاءً ثَجَّاجًا ﴿١٤﴾
আর আমি বর্ষণ করি বৃষ্টিবাহী মেঘমালা থেকে প্রচুর পানি, [তাইসিরুল কুরআন]
আন-নাবা, ৭৮:১৫ ⋮
لِنُخْرِجَ بِهِ حَبًّا وَنَبَاتًا ﴿١٥﴾
যাতে আমি তা দিয়ে উৎপন্ন করি শস্য ও উদ্ভিদ, [তাইসিরুল কুরআন]
আন-নাবা, ৭৮:১৬ ⋮
وَجَنَّاتٍ أَلْفَافًا ﴿١٦﴾
আর ঘন উদ্যান। [তাইসিরুল কুরআন]
আন-নাবা, ৭৮:৬ ⋮
أَلَمْ نَجْعَلِ الْأَرْضَ مِهَادًا ﴿٦﴾
(আমি যে সব কিছুকে দ্বিতীয়বার সৃষ্টি করতে সক্ষম তা তোমরা অস্বীকার করছ কীভাবে) আমি কি যমীনকে (তোমাদের জন্য) শয্যা বানাইনি? [তাইসিরুল কুরআন]
আল-মুরসালাত, ৭৭:২১ ⋮
فَجَعَلْنَاهُ فِي قَرَارٍ مَكِينٍ ﴿٢١﴾
অতঃপর আমি তা রেখেছি এক সুসংরক্ষিত স্থানে। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-মুরসালাত, ৭৭:২২ ⋮
إِلَى قَدَرٍ مَعْلُومٍ ﴿٢٢﴾
একটা নির্ধারিত সময় পর্যন্ত, [তাইসিরুল কুরআন]
আল-মুরসালাত, ৭৭:২৩ ⋮
فَقَدَرْنَا فَنِعْمَ الْقَادِرُونَ ﴿٢٣﴾
অতঃপর আমি তাকে গঠন করেছি সুসামঞ্জস্যপূর্ণরূপে, আমি কতই না উত্তম ক্ষমতার অধিকারী! [তাইসিরুল কুরআন]
আল-মুরসালাত, ৭৭:২৪ ⋮
وَيْلٌ يَوْمَئِذٍ لِلْمُكَذِّبِينَ ﴿٢٤﴾
সে দিন দুর্ভোগ সত্য প্রত্যাখ্যানকারীদের জন্য। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-মুরসালাত, ৭৭:২৫ ⋮
أَلَمْ نَجْعَلِ الْأَرْضَ كِفَاتًا ﴿٢٥﴾
আমি কি পৃথিবীকে (সব কিছুকে টেনে গুটিয়ে) ধারণকারীরূপে সৃষ্টি করিনি? [তাইসিরুল কুরআন]
আল-মুরসালাত, ৭৭:২৬ ⋮
أَحْيَاءً وَأَمْوَاتًا ﴿٢٦﴾
জীবিত ও মৃতদেরকে (ভাল আর মন্দকে নেককার আর পাপাচারীকে)। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-মুরসালাত, ৭৭:২৭ ⋮
وَجَعَلْنَا فِيهَا رَوَاسِيَ شَامِخَاتٍ وَأَسْقَيْنَاكُمْ مَاءً فُرَاتًا ﴿٢٧﴾
আর আমি তাতে স্থাপন করেছি অনড় সুউচ্চ পবর্তমালা আর তোমাদেরকে পান করিয়েছি সুমিষ্ট সুপেয় পানি। [তাইসিরুল কুরআন]
বিশেষ চারটি জিনিসের দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ
আল-গাশিয়া, ৮৮:১৭ ⋮
أَفَلَا يَنْظُرُونَ إِلَى الْإِبِلِ كَيْفَ خُلِقَتْ ﴿١٧﴾
(ক্বিয়ামত হবে একথা যারা অমান্য করে) তারা কি উটের প্রতি লক্ষ্য করে না, (সৃষ্টি কুশলতায় ভরপুর ক’রে) কী ভাবে তা সৃষ্টি করা হয়েছে? [তাইসিরুল কুরআন]
আল-গাশিয়া, ৮৮:১৮ ⋮
وَإِلَى السَّمَاءِ كَيْفَ رُفِعَتْ ﴿١٨﴾
এবং আসমানের দিকে, কীভাবে তা ঊর্ধ্বে উঠানো হয়েছে? [তাইসিরুল কুরআন]
আল-গাশিয়া, ৮৮:১৯ ⋮
وَإِلَى الْجِبَالِ كَيْفَ نُصِبَتْ ﴿١٩﴾
এবং পর্বতমালার দিকে, কী রকম দৃঢ়ভাবে তাকে প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছে? [তাইসিরুল কুরআন]
আল-গাশিয়া, ৮৮:২০ ⋮
وَإِلَى الْأَرْضِ كَيْفَ سُطِحَتْ ﴿٢٠﴾
আর যমীনের দিকে, কীভাবে তাকে বিছিয়ে দেয়া হয়েছে? [তাইসিরুল কুরআন]
মানুষ ও পশুর খাবারের দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ
আস-সাজদাহ, ৩২:২৭ ⋮
أَوَلَمْ يَرَوْا أَنَّا نَسُوقُ الْمَاءَ إِلَى الْأَرْضِ الْجُرُزِ فَنُخْرِجُ بِهِ زَرْعًا تَأْكُلُ مِنْهُ أَنْعَامُهُمْ وَأَنْفُسُهُمْ أَفَلَا يُبْصِرُونَ ﴿٢٧﴾
তারা কি লক্ষ্য করে না যে, আমি উষর ভূমিতে পানি প্রবাহিত ক’রে তা দিয়ে শষ্য উদগত করি যাথেকে তাদের গবাদি পশু ও তারা নিজেরা খাদ্য গ্রহণ করে, তবুও কি তারা লক্ষ্য করবে না? [তাইসিরুল কুরআন]
আবাসা, ৮০:২৪ ⋮
فَلْيَنْظُرِ الْإِنْسَانُ إِلَى طَعَامِهِ ﴿٢٤﴾
মানুষ তার খাদ্যের ব্যপারটাই ভেবে দেখুক না কেন। [তাইসিরুল কুরআন]
আবাসা, ৮০:২৫ ⋮
أَنَّا صَبَبْنَا الْمَاءَ صَبًّا ﴿٢٥﴾
আমি প্রচুর পানি ঢালি, [তাইসিরুল কুরআন]
আবাসা, ৮০:২৬ ⋮
ثُمَّ شَقَقْنَا الْأَرْضَ شَقًّا ﴿٢٦﴾
তারপর যমীনকে বিদীর্ণ করে দেই, [তাইসিরুল কুরআন]
আবাসা, ৮০:২৭ ⋮
فَأَنْبَتْنَا فِيهَا حَبًّا ﴿٢٧﴾
অতঃপর তাতে আমি উৎপন্ন করি-শস্য, [তাইসিরুল কুরআন]
আবাসা, ৮০:২৮ ⋮
وَعِنَبًا وَقَضْبًا ﴿٢٨﴾
আঙ্গুর, তাজা শাক-শব্জী, [তাইসিরুল কুরআন]
আবাসা, ৮০:২৯ ⋮
وَزَيْتُونًا وَنَخْلًا ﴿٢٩﴾
যয়তূন, খেজুর, [তাইসিরুল কুরআন]
আবাসা, ৮০:৩০ ⋮
وَحَدَائِقَ غُلْبًا ﴿٣٠﴾
আর ঘন বৃক্ষ পরিপূর্ণ বাগবাগিচা, [তাইসিরুল কুরআন]
আবাসা, ৮০:৩১ ⋮
وَفَاكِهَةً وَأَبًّا ﴿٣١﴾
আর নানান জাতের ফল আর ঘাস-লতাপাতা। [তাইসিরুল কুরআন]
আবাসা, ৮০:৩২ ⋮
مَتَاعًا لَكُمْ وَلِأَنْعَامِكُمْ ﴿٣٢﴾
তোমাদের আর তোমাদের গৃহপালিত পশুগুলোর ভোগের জন্য। [তাইসিরুল কুরআন]
মানুষের আয়ত্তাধীন পশুর দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ
ইয়াসীন, ৩৬:৭১ ⋮
أَوَلَمْ يَرَوْا أَنَّا خَلَقْنَا لَهُمْ مِمَّا عَمِلَتْ أَيْدِينَا أَنْعَامًا فَهُمْ لَهَا مَالِكُونَ ﴿٧١﴾
তারা কি দেখে না যে আমার হাতে তৈরি জিনিসগুলোর মধ্যে আমি তাদের জন্য সৃষ্টি করেছি গৃহপালিত পশু আর এখন তারা এগুলোর মালিক! [তাইসিরুল কুরআন]
ইয়াসীন, ৩৬:৭২ ⋮
وَذَلَّلْنَاهَا لَهُمْ فَمِنْهَا رَكُوبُهُمْ وَمِنْهَا يَأْكُلُونَ ﴿٧٢﴾
আমি এগুলোকে তাদের বশীভূত করে দিয়েছি, ফলে এগুলোর কতক তাদের বাহন, আর এদের কতকগুলো তারা খায়। [তাইসিরুল কুরআন]
ইয়াসীন, ৩৬:৭৩ ⋮
وَلَهُمْ فِيهَا مَنَافِعُ وَمَشَارِبُ أَفَلَا يَشْكُرُونَ ﴿٧٣﴾
তাদের জন্য এগুলোতে আছে বহু উপকার আর পানীয় দ্রব্য। তবুও তারা কেন শুকরিয়া আদায় করে না? [তাইসিরুল কুরআন]
নানা রঙ্গের পাহাড়, মানুষ ও পশুপাখির দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ
ফাতির, ৩৫:২৭ ⋮
أَلَمْ تَرَ أَنَّ اللَّهَ أَنْزَلَ مِنَ السَّمَاءِ مَاءً فَأَخْرَجْنَا بِهِ ثَمَرَاتٍ مُخْتَلِفًا أَلْوَانُهَا وَمِنَ الْجِبَالِ جُدَدٌ بِيضٌ وَحُمْرٌ مُخْتَلِفٌ أَلْوَانُهَا وَغَرَابِيبُ سُودٌ ﴿٢٧﴾
তুমি কি দেখ না যে, আল্লাহ আকাশ হতে পানি বর্ষণ করেন, অতঃপর আমি তা দিয়ে রং বেরংয়ের ফলমূল উদগত করি। পাহাড়ের মধ্যে আছে বিভিন্ন বর্ণের গিরিপথ- সাদা, লাল আর নিকষ কালো। [তাইসিরুল কুরআন]
ফাতির, ৩৫:২৮ ⋮
وَمِنَ النَّاسِ وَالدَّوَابِّ وَالْأَنْعَامِ مُخْتَلِفٌ أَلْوَانُهُ كَذَلِكَ إِنَّمَا يَخْشَى اللَّهَ مِنْ عِبَادِهِ الْعُلَمَاءُ إِنَّ اللَّهَ عَزِيزٌ غَفُورٌ ﴿٢٨﴾
তেমনিভাবে মানুষ, জীব-জন্তু আর গৃহপালিত পশুদের মধ্যেও রয়েছে তাদের বিভিন্ন রং। আল্লাহর বান্দাহদের মধ্যে তারাই তাঁকে ভয় করে যারা জ্ঞানী। আল্লাহ মহা ক্ষমতাশালী, পরম দয়ালু। [তাইসিরুল কুরআন]
সুপেয় পানির দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ
আল-ওয়াকিয়া, ৫৬:৬৮ ⋮
أَفَرَأَيْتُمُ الْمَاءَ الَّذِي تَشْرَبُونَ ﴿٦٨﴾
তোমরা কি পানি সম্পর্কে চিন্তা করে দেখেছ যা তোমরা পান কর? [তাইসিরুল কুরআন]
আল-ওয়াকিয়া, ৫৬:৬৯ ⋮
أَأَنْتُمْ أَنْزَلْتُمُوهُ مِنَ الْمُزْنِ أَمْ نَحْنُ الْمُنْزِلُونَ ﴿٦٩﴾
তা কি তোমরাই মেঘ থেকে বর্ষণ কর, নাকি তার বষর্ণকারী আমিই? [তাইসিরুল কুরআন]
আল-ওয়াকিয়া, ৫৬:৭০ ⋮
لَوْ نَشَاءُ جَعَلْنَاهُ أُجَاجًا فَلَوْلَا تَشْكُرُونَ ﴿٧٠﴾
আমি ইচ্ছে করলে তাকে লবণাক্ত করে দিতে পারি, তাহলে কেন তোমরা শোকর আদায় কর না? [তাইসিরুল কুরআন]
আগুনের দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ
আল-ওয়াকিয়া, ৫৬:৭১ ⋮
أَفَرَأَيْتُمُ النَّارَ الَّتِي تُورُونَ ﴿٧١﴾
তোমরা যে আগুন জ্বালাও সে সম্পর্কে কি তোমরা চিন্তা করে দেখেছ? [তাইসিরুল কুরআন]
আল-ওয়াকিয়া, ৫৬:৭২ ⋮
أَأَنْتُمْ أَنْشَأْتُمْ شَجَرَتَهَا أَمْ نَحْنُ الْمُنْشِئُونَ ﴿٧٢﴾
তার (জ্বালানোর) গাছ (অর্থাৎ কাঠ) কি তোমরাই বানিয়েছ, নাকি আমিই বানিয়েছি? [তাইসিরুল কুরআন]
ফসল উৎপাদনের দিকে দৃষ্টি আকর্ষন ।
আল-ওয়াকিয়া, ৫৬:৬৩ ⋮
أَفَرَأَيْتُمْ مَا تَحْرُثُونَ ﴿٦٣﴾
তোমরা কি ভেবে দেখেছ তোমরা যে বীজ বপন কর সে সম্পর্কে? [তাইসিরুল কুরআন]
আল-ওয়াকিয়া, ৫৬:৬৪ ⋮
أَأَنْتُمْ تَزْرَعُونَهُ أَمْ نَحْنُ الزَّارِعُونَ ﴿٦٤﴾
তোমরাই কি তা উৎপন্ন কর, না আমিই উৎপন্নকারী? [তাইসিরুল কুরআন]
আল-ওয়াকিয়া, ৫৬:৬৫ ⋮
لَوْ نَشَاءُ لَجَعَلْنَاهُ حُطَامًا فَظَلْتُمْ تَفَكَّهُونَ ﴿٦٥﴾
আমি ইচ্ছে করলে তাকে অবশ্যই খড়কুটা করে দিতে পারি, তখন তোমরা হয়ে যাবে বিস্ময়ে হতবাক। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-ওয়াকিয়া, ৫৬:৬৬ ⋮
إِنَّا لَمُغْرَمُونَ ﴿٦٦﴾
(আর বলবে যে) ‘আমরা তো দায়গ্রস্ত হয়ে পড়লাম, [তাইসিরুল কুরআন]
আল-ওয়াকিয়া, ৫৬:৬৭ ⋮
بَلْ نَحْنُ مَحْرُومُونَ ﴿٦٧﴾
বরং আমরা বঞ্চিত হয়ে গেলাম। [তাইসিরুল কুরআন]
সুন্দর আকাশের দিকে দৃষ্টি আকর্ষন ।
কাফ, ৫০:৬ ⋮
أَفَلَمْ يَنْظُرُوا إِلَى السَّمَاءِ فَوْقَهُمْ كَيْفَ بَنَيْنَاهَا وَزَيَّنَّاهَا وَمَا لَهَا مِنْ فُرُوجٍ ﴿٦﴾
তারা কি তাদের উপরে অবস্থিত আকাশের দিকে তাকায় না, কীভাবে আমি তাকে বানিয়েছি, তাকে সুশোভিত করেছি আর তাতে নেই কোন ফাটল? [তাইসিরুল কুরআন]