বিষয়ভিত্তিক কুরআন > আল্লাহর নিদর্শনাবলি

ঘর আল্লাহর একটি নিদর্শন

আলে-ইমরান, ৩:৯৬
إِنَّ أَوَّلَ بَيْتٍ وُضِعَ لِلنَّاسِ لَلَّذِي بِبَكَّةَ مُبَارَكًا وَهُدًى لِلْعَالَمِينَ ﴿٩٦﴾
নিঃসন্দেহে প্রথম ঘর যা মানুষের জন্য স্থাপন করা হয়েছিল, তাতো মক্কা্য়, যা বরকতমন্ডিত এবং সারা জাহানের জন্য পথপ্রদর্শক। [তাইসিরুল কুরআন]
আলে-ইমরান, ৩:৯৭
فِيهِ آيَاتٌ بَيِّنَاتٌ مَقَامُ إِبْرَاهِيمَ وَمَنْ دَخَلَهُ كَانَ آمِنًا وَلِلَّهِ عَلَى النَّاسِ حِجُّ الْبَيْتِ مَنِ اسْتَطَاعَ إِلَيْهِ سَبِيلًا وَمَنْ كَفَرَ فَإِنَّ اللَّهَ غَنِيٌّ عَنِ الْعَالَمِينَ ﴿٩٧﴾
তাতে সুস্পষ্ট নিদর্শনাবলী রয়েছে (যেমন) মাক্বামে ইবরাহীম(ইবরাহীমের দাঁড়ানোর জায়গা)। যে কেউ তাতে প্রবেশ করবে নিরাপদ হবে। আল্লাহর জন্য উক্ত ঘরের হাজ্জ করা লোকেদের উপর আবশ্যক যার সে পর্যন্ত পৌঁছার সামর্থ্য আছে এবং যে ব্যক্তি অস্বীকার করবে, (সে জেনে রাখুক) নিঃসন্দেহে আল্লাহ বিশ্ব জাহানের মুখাপেক্ষী নন। [তাইসিরুল কুরআন]

রাত ও দিন আল্লাহর নিদর্শন

আন-নামাল, ২৭:৮৬
أَلَمْ يَرَوْا أَنَّا جَعَلْنَا اللَّيْلَ لِيَسْكُنُوا فِيهِ وَالنَّهَارَ مُبْصِرًا إِنَّ فِي ذَلِكَ لَآيَاتٍ لِقَوْمٍ يُؤْمِنُونَ ﴿٨٦﴾
তারা কি লক্ষ্য করে না যে, আমি রাত বানিয়েছি যাতে তারা তাতে আরাম করতে পারে আর দিনকে করেছি আলো দানকারী? বিশ্বাসী সম্প্রদায়ের জন্য অবশ্যই এতে নিদর্শন আছে। [তাইসিরুল কুরআন]

দিন ও রাতের আবর্তন আল্লাহর নিদর্শন

আলে-ইমরান, ৩:১৯০
إِنَّ فِي خَلْقِ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ وَاخْتِلَافِ اللَّيْلِ وَالنَّهَارِ لَآيَاتٍ لِأُولِي الْأَلْبَابِ ﴿١٩٠﴾
নিশ্চয়ই আসমানসমূহ ও যমীনের সৃষ্টিতে এবং রাত্র ও দিনের আবর্তনে জ্ঞানবানদের জন্য বহু নিদর্শন আছে। [তাইসিরুল কুরআন]

চাঁদের পরিভ্রমণ ও হ্রাস-বৃদ্ধি আল্লাহর নিদর্শন

ইয়াসীন, ৩৬:৩৯
وَالْقَمَرَ قَدَّرْنَاهُ مَنَازِلَ حَتَّى عَادَ كَالْعُرْجُونِ الْقَدِيمِ ﴿٣٩﴾
আর চাঁদ-তার জন্য আমি নির্দিষ্ট করেছি বিভিন্ন মান্যিল (যা সে অতিক্রম করে), এমনকি শেষ পর্যন্ত সেটি খেজুরের কাঁদির পুরানো শুকনো দন্ডের মত হয়ে ফিরে আসে। [তাইসিরুল কুরআন]
ইয়াসীন, ৩৬:৪০
لَا الشَّمْسُ يَنْبَغِي لَهَا أَنْ تُدْرِكَ الْقَمَرَ وَلَا اللَّيْلُ سَابِقُ النَّهَارِ وَكُلٌّ فِي فَلَكٍ يَسْبَحُونَ ﴿٤٠﴾
সূর্যের পক্ষে সম্ভব নয় চাঁদকে ধরে ফেলা, আর রাতের পক্ষে সম্ভব নয় দিনকে ছাড়িয়ে আগে বেড়ে যাওয়া, প্রত্যেকেই নিজ নিজ কক্ষ পথে সাঁতার কাটছে। [তাইসিরুল কুরআন]

আকাশে বিচরণকারী পাখি আল্লাহর নিদর্শন

আন-নাহাল, ১৬:৭৯
أَلَمْ يَرَوْا إِلَى الطَّيْرِ مُسَخَّرَاتٍ فِي جَوِّ السَّمَاءِ مَا يُمْسِكُهُنَّ إِلَّا اللَّهُ إِنَّ فِي ذَلِكَ لَآيَاتٍ لِقَوْمٍ يُؤْمِنُونَ ﴿٧٩﴾
আকাশের শূন্যলোকে নিয়ন্ত্রিত পাখীগুলোর প্রতি কি তারা লক্ষ্য করে না? আল্লাহ ছাড়া কেউ তাদেরকে স্থির রাখে না, এতে মু’মিন সম্প্রদায়ের জন্য অবশ্যই বহু নিদর্শন রয়েছে। [তাইসিরুল কুরআন]

বিস্তৃত জমিন, পাহাড় ও নদ-নদী আল্লাহর নিদর্শন

আর-রাদ, ১৩:৩
وَهُوَ الَّذِي مَدَّ الْأَرْضَ وَجَعَلَ فِيهَا رَوَاسِيَ وَأَنْهَارًا وَمِنْ كُلِّ الثَّمَرَاتِ جَعَلَ فِيهَا زَوْجَيْنِ اثْنَيْنِ يُغْشِي اللَّيْلَ النَّهَارَ إِنَّ فِي ذَلِكَ لَآيَاتٍ لِقَوْمٍ يَتَفَكَّرُونَ ﴿٣﴾
তিনিই যমীনকে বিছিয়ে দিয়েছেন আর তাতে পর্বত ও নদীনালা সংস্থাপিত করেছেন, আর তাতে সকল প্রকারের ফল জোড়ায় জোড়ায় সৃষ্টি করেছেন। তিনি দিবসের উপর রাতের আবরণ টেনে দেন। চিন্তাশীল সম্প্রদায়ের জন্য এতে অবশ্যই নিদর্শনাবলী রয়েছে। [তাইসিরুল কুরআন]

বাতাসের গতির পরিবর্তন আল্লাহর নিদর্শন

আল-জাসিয়া, ৪৫:৫
وَاخْتِلَافِ اللَّيْلِ وَالنَّهَارِ وَمَا أَنْزَلَ اللَّهُ مِنَ السَّمَاءِ مِنْ رِزْقٍ فَأَحْيَا بِهِ الْأَرْضَ بَعْدَ مَوْتِهَا وَتَصْرِيفِ الرِّيَاحِ آيَاتٌ لِقَوْمٍ يَعْقِلُونَ ﴿٥﴾
রাত ও দিনের আবর্তনে, আর আল্লাহ আকাশ থেকে যে বৃষ্টি বর্ষণ করেন তা দিয়ে যমীনকে তার মৃত্যুর পর আবার জীবিত করেন আর বায়ুর পরিবর্তনে জ্ঞানী সম্প্রদায়ের জন্য নিদর্শন রয়েছে। [তাইসিরুল কুরআন]

সমুদ্রে জাহাজ চলাচল আল্লাহর নিদর্শন

আর-রুম, ৩০:৪৬
وَمِنْ آيَاتِهِ أَنْ يُرْسِلَ الرِّيَاحَ مُبَشِّرَاتٍ وَلِيُذِيقَكُمْ مِنْ رَحْمَتِهِ وَلِتَجْرِيَ الْفُلْكُ بِأَمْرِهِ وَلِتَبْتَغُوا مِنْ فَضْلِهِ وَلَعَلَّكُمْ تَشْكُرُونَ ﴿٤٦﴾
তাঁর নিদর্শনের মধ্যে হল এই যে, তিনি বায়ু প্রেরণ করেন সুসংবাদ দানের জন্য ও তোমাদেরকে তাঁর অনুগ্রহ আস্বাদন করানোর জন্য। তাঁর নির্দেশে নৌযান চলে যাতে তোমরা তাঁর অনুগ্রহ অনুসন্ধান করতে পার আর তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে পার। [তাইসিরুল কুরআন]

নৌকা ও অন্যান্য যানবাহন আল্লাহর নিদর্শন

ইয়াসীন, ৩৬:৪১
وَآيَةٌ لَهُمْ أَنَّا حَمَلْنَا ذُرِّيَّتَهُمْ فِي الْفُلْكِ الْمَشْحُونِ ﴿٤١﴾
তাদের জন্য (আমার কুদরাতের) আরো একটি নিদর্শন এই যে, আমি তাদের বংশধরদেরকে (মহা প্লাবণের সময়) ভরা নৌকায় আরোহণ করিয়েছি। [তাইসিরুল কুরআন]
ইয়াসীন, ৩৬:৪২
وَخَلَقْنَا لَهُمْ مِنْ مِثْلِهِ مَا يَرْكَبُونَ ﴿٤٢﴾
আর তাদের জন্য ঐ ধরনের আরো যানবাহন তৈরি করেছি যাতে তারা আরোহণ করে থাকে। [তাইসিরুল কুরআন]

সমুদ্রে চলমান জাহাজ আল্লাহর নিদর্শন

আশ-শূরা, ৪২:৩২
وَمِنْ آيَاتِهِ الْجَوَارِي فِي الْبَحْرِ كَالْأَعْلَامِ ﴿٣٢﴾
তাঁর নিদর্শনসমূহের মধ্যে হল সমুদ্রে নির্বিঘ্নে চলমান জাহাজ- পাহাড়ের মত। [তাইসিরুল কুরআন]

বৃষ্টি তৈরি করা আল্লাহর নিদর্শন

আন-নূর, ২৪:৪৩
أَلَمْ تَرَ أَنَّ اللَّهَ يُزْجِي سَحَابًا ثُمَّ يُؤَلِّفُ بَيْنَهُ ثُمَّ يَجْعَلُهُ رُكَامًا فَتَرَى الْوَدْقَ يَخْرُجُ مِنْ خِلَالِهِ وَيُنَزِّلُ مِنَ السَّمَاءِ مِنْ جِبَالٍ فِيهَا مِنْ بَرَدٍ فَيُصِيبُ بِهِ مَنْ يَشَاءُ وَيَصْرِفُهُ عَنْ مَنْ يَشَاءُ يَكَادُ سَنَا بَرْقِهِ يَذْهَبُ بِالْأَبْصَارِ ﴿٤٣﴾
তুমি কি দেখ না আল্লাহ মেঘমালাকে চালিত করেন, অতঃপর সেগুলোকে একত্রে জুড়ে দেন, অতঃপর সেগুলোকে স্তুপীকৃত করেন, অতঃপর তুমি তার মধ্য থেকে পানির ধারা বের হতে দেখতে পাও, অতঃপর তিনি আকাশে স্থিত মেঘমালার পাহাড় থেকে শিলা বর্ষণ করেন, অতঃপর তিনি যাকে ইচ্ছে তা দিয়ে আঘাত করেন আর যার কাছ থেকে ইচ্ছে তা সরিয়ে নেন। তার বিদ্যুতের চমক দৃষ্টিশক্তি প্রায় কেড়ে নেয়। [তাইসিরুল কুরআন]

মৃত জমিনকে জীবিতকরণ আল্লাহর নিদর্শন

আন-নাহাল, ১৬:৬৫
وَاللَّهُ أَنْزَلَ مِنَ السَّمَاءِ مَاءً فَأَحْيَا بِهِ الْأَرْضَ بَعْدَ مَوْتِهَا إِنَّ فِي ذَلِكَ لَآيَةً لِقَوْمٍ يَسْمَعُونَ ﴿٦٥﴾
আল্লাহ আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করেন, অতঃপর তার দ্বারা যমীনকে তার মৃত্যুর পর পুনরায় জীবিত করেন। এতে ঐ সম্প্রদায়ের জন্য বহু নিদর্শন আছে যারা লক্ষ্য করে শুনে। [তাইসিরুল কুরআন]

উদ্ভিদ ও বাগান আল্লাহর নিদর্শন

ইয়াসীন, ৩৬:৩৩
وَآيَةٌ لَهُمُ الْأَرْضُ الْمَيْتَةُ أَحْيَيْنَاهَا وَأَخْرَجْنَا مِنْهَا حَبًّا فَمِنْهُ يَأْكُلُونَ ﴿٣٣﴾
মৃত যমীন তাদের জন্য একটা নিদর্শন। তাকে আমি জীবিত করি আর তা থেকে আমি উৎপন্ন করি শস্য যা থেকে তারা খায়। [তাইসিরুল কুরআন]
ইয়াসীন, ৩৬:৩৪
وَجَعَلْنَا فِيهَا جَنَّاتٍ مِنْ نَخِيلٍ وَأَعْنَابٍ وَفَجَّرْنَا فِيهَا مِنَ الْعُيُونِ ﴿٣٤﴾
আর আমি তাতে খেজুর ও আঙ্গুরের বাগান তৈরি করি, আর তাতে প্রবাহিত করি ঝর্ণাধারা। [তাইসিরুল কুরআন]
ইয়াসীন, ৩৬:৩৫
لِيَأْكُلُوا مِنْ ثَمَرِهِ وَمَا عَمِلَتْهُ أَيْدِيهِمْ أَفَلَا يَشْكُرُونَ ﴿٣٥﴾
যাতে তারা তার ফল খেতে পারে- যা তারা তাদের হাত দিয়ে বানায়নি। তাহলে কেন তারা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে না? [তাইসিরুল কুরআন]

বিভিন্ন স্বাদের ফলমূল আল্লাহর নিদর্শন

আর-রাদ, ১৩:৪
وَفِي الْأَرْضِ قِطَعٌ مُتَجَاوِرَاتٌ وَجَنَّاتٌ مِنْ أَعْنَابٍ وَزَرْعٌ وَنَخِيلٌ صِنْوَانٌ وَغَيْرُ صِنْوَانٍ يُسْقَى بِمَاءٍ وَاحِدٍ وَنُفَضِّلُ بَعْضَهَا عَلَى بَعْضٍ فِي الْأُكُلِ إِنَّ فِي ذَلِكَ لَآيَاتٍ لِقَوْمٍ يَعْقِلُونَ ﴿٤﴾
যমীনে আছে বিভিন্ন ভূখন্ড যা পরস্পর সংলগ্ন, আছে আঙ্গুরের বাগান, শস্য ক্ষেত, খেজুর গাছ- একই মূল হতে উদ্গত আর একই মূল থেকে উদগত নয়- যদিও একই পানিতে সিক্ত। খাওয়ার স্বাদে এদের কতককে কতকের উপর শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছি। জ্ঞানী সম্প্রদায়ের জন্য এতে অবশ্যই নিদর্শনাবলী রয়েছে। [তাইসিরুল কুরআন]

জমিনে ছড়িয়ে থাকা প্রাণীকুল আল্লাহর নিদর্শন

আশ-শূরা, ৪২:২৯
وَمِنْ آيَاتِهِ خَلْقُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ وَمَا بَثَّ فِيهِمَا مِنْ دَابَّةٍ وَهُوَ عَلَى جَمْعِهِمْ إِذَا يَشَاءُ قَدِيرٌ ﴿٢٩﴾
তাঁর নিদর্শনসমূহের অন্তর্গত হল আসমান ও যমীনের সৃষ্টি, আর এ দু’য়ের ভিতর যে প্রাণীকুল ছড়িয়ে দিয়েছেন তিনি। আর যখন ইচ্ছে তিনি তাদেরকে একত্রিত করতে সক্ষম। [তাইসিরুল কুরআন]

পশুর ভেতরে সুস্বাদু দুধ তৈরি করা আল্লাহর নিদর্শন

আন-নাহাল, ১৬:৬৬
وَإِنَّ لَكُمْ فِي الْأَنْعَامِ لَعِبْرَةً نُسْقِيكُمْ مِمَّا فِي بُطُونِهِ مِنْ بَيْنِ فَرْثٍ وَدَمٍ لَبَنًا خَالِصًا سَائِغًا لِلشَّارِبِينَ ﴿٦٦﴾
তোমাদের জন্য গবাদি পশুতেও অবশ্যই শিক্ষা নিহিত আছে। তোমাদেরকে পান করাই ওদের পেটের গোবর আর রক্তের মাঝ থেকে বিশুদ্ধ দুগ্ধ যা পানকারীদের জন্য খুবই উপাদেয়। [তাইসিরুল কুরআন]

চতুষ্পদ জন্তুর বিভিন্ন উপকারিতা আল্লাহর নিদর্শন

আল-মুমিনুন, ২৩:২১
وَإِنَّ لَكُمْ فِي الْأَنْعَامِ لَعِبْرَةً نُسْقِيكُمْ مِمَّا فِي بُطُونِهَا وَلَكُمْ فِيهَا مَنَافِعُ كَثِيرَةٌ وَمِنْهَا تَأْكُلُونَ ﴿٢١﴾
আর গবাদি পশুর ভিতরে তোমাদের জন্য আছে অবশ্যই শিক্ষণীয় দৃষ্টান্ত। তাদের পেটে যা আছে তাত্থেকে আমি তোমাদেরকে পান করাই (দুধ) আর ওতে তোমাদের জন্য আছে বহুবিধ উপকার। তোমরা তাথেকে খাও (গোশত)। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-মুমিনুন, ২৩:২২
وَعَلَيْهَا وَعَلَى الْفُلْكِ تُحْمَلُونَ ﴿٢٢﴾
আর ওতে আর নৌযানে তোমরা আরোহণ কর। [তাইসিরুল কুরআন]

মৌমাছি কর্তৃক মধু তৈরি করা আল্লাহর নিদর্শন

আন-নাহাল, ১৬:৬৮
وَأَوْحَى رَبُّكَ إِلَى النَّحْلِ أَنِ اتَّخِذِي مِنَ الْجِبَالِ بُيُوتًا وَمِنَ الشَّجَرِ وَمِمَّا يَعْرِشُونَ ﴿٦٨﴾
তোমার প্রতিপালক মৌমাছির প্রতি এলহাম করেছেন যে, পাহাড়ে, বৃক্ষে আর উঁচু চালে বাসা তৈরি কর। [তাইসিরুল কুরআন]
আন-নাহাল, ১৬:৬৯
ثُمَّ كُلِي مِنْ كُلِّ الثَّمَرَاتِ فَاسْلُكِي سُبُلَ رَبِّكِ ذُلُلًا يَخْرُجُ مِنْ بُطُونِهَا شَرَابٌ مُخْتَلِفٌ أَلْوَانُهُ فِيهِ شِفَاءٌ لِلنَّاسِ إِنَّ فِي ذَلِكَ لَآيَةً لِقَوْمٍ يَتَفَكَّرُونَ ﴿٦٩﴾
অতঃপর প্রত্যেক ফল থেকে আহার কর, অতঃপর তোমার প্রতিপালকের (শিখানো) সহজ পদ্ধতি অনুসরণ কর। এর পেট থেকে রং-বেরং এর পানীয় বের হয়। এতে মানুষের জন্য আছে আরোগ্য। চিন্তাশীল মানুষের জন্য এতে অবশ্যই নিদর্শন আছে। [তাইসিরুল কুরআন]

বান্দাদের মধ্যে রিযিকের তারতম্য আল্লাহর নিদর্শন

আর-রুম, ৩০:৩৭
أَوَلَمْ يَرَوْا أَنَّ اللَّهَ يَبْسُطُ الرِّزْقَ لِمَنْ يَشَاءُ وَيَقْدِرُ إِنَّ فِي ذَلِكَ لَآيَاتٍ لِقَوْمٍ يُؤْمِنُونَ ﴿٣٧﴾
তারা কি লক্ষ্য করে না যে, আল্লাহ যার জন্যে ইচ্ছে করেন রিযক প্রশস্ত করেন আর (যার জন্য ইচ্ছে) সীমাবদ্ধ করেন? বিশ্বাসী লোকেদের জন্য অবশ্যই এতে বহু নিদর্শন আছে। [তাইসিরুল কুরআন]

অতীত জাতির ধ্বংসের কাহিনীতে আল্লাহর নিদর্শন রয়েছে

কাফ, ৫০:৩৬
وَكَمْ أَهْلَكْنَا قَبْلَهُمْ مِنْ قَرْنٍ هُمْ أَشَدُّ مِنْهُمْ بَطْشًا فَنَقَّبُوا فِي الْبِلَادِ هَلْ مِنْ مَحِيصٍ ﴿٣٦﴾
তাদের পূর্বে আমি কত জাতিকে ধ্বংস করে দিয়েছি যারা শক্তিতে ছিল তাদের চেয়ে প্রবল, যার ফলে তারা দুনিয়া চষে বেড়াত; তারা পালানোর কোন জায়গা পেয়েছিল কি? [তাইসিরুল কুরআন]
কাফ, ৫০:৩৭
إِنَّ فِي ذَلِكَ لَذِكْرَى لِمَنْ كَانَ لَهُ قَلْبٌ أَوْ أَلْقَى السَّمْعَ وَهُوَ شَهِيدٌ ﴿٣٧﴾
এতে অবশ্যই উপদেশ রয়েছে তার জন্য যার আছে (বোধশক্তিসম্পন্ন) অন্তর কিংবা যে খুব মন দিয়ে কথা শুনে। [তাইসিরুল কুরআন]

মানুষের ভাষা ও বর্ণের ভিন্নতা আল্লাহর নিদর্শন

আর-রুম, ৩০:২২
وَمِنْ آيَاتِهِ خَلْقُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ وَاخْتِلَافُ أَلْسِنَتِكُمْ وَأَلْوَانِكُمْ إِنَّ فِي ذَلِكَ لَآيَاتٍ لِلْعَالِمِينَ ﴿٢٢﴾
তাঁর নিদর্শনের মধ্যে হল, আসমানসমূহ ও যমীনের সৃষ্টি এবং তোমাদের ভাষা ও বর্ণের বিভিন্নতা। জ্ঞানীদের জন্য অবশ্যই এতে আছে বহু নিদর্শন। [তাইসিরুল কুরআন]

গোটা পৃথিবী আল্লাহর নিদর্শন

আয-যারিয়াত, ৫১:২০
وَفِي الْأَرْضِ آيَاتٌ لِلْمُوقِنِينَ ﴿٢٠﴾
নিশ্চিত বিশ্বাসীদের জন্য পৃথিবীতে আছে নিদর্শন, [তাইসিরুল কুরআন]

মানুষের গোটা দেহ আল্লাহর নিদর্শন

আত-তারিক, ৮৬:৫
فَلْيَنْظُرِ الْإِنْسَانُ مِمَّ خُلِقَ ﴿٥﴾
অতঃপর মানুষ চিন্তা করে দেখুক কোন জিনিস থেকে তাকে সৃষ্টি করা হয়েছে। [তাইসিরুল কুরআন]
আত-তারিক, ৮৬:৬
خُلِقَ مِنْ مَاءٍ دَافِقٍ ﴿٦﴾
তাকে সৃষ্টি করা হয়েছে সবেগে বের হয়ে আসা পানি থেকে। [তাইসিরুল কুরআন]
আত-তারিক, ৮৬:৭
يَخْرُجُ مِنْ بَيْنِ الصُّلْبِ وَالتَّرَائِبِ ﴿٧﴾
যা বের হয় শিরদাঁড়া ও পাঁজরের মাঝখান থেকে। [তাইসিরুল কুরআন]
আয-যারিয়াত, ৫১:২১
وَفِي أَنْفُسِكُمْ أَفَلَا تُبْصِرُونَ ﴿٢١﴾
আর (নিদর্শন আছে) তোমাদের মাঝেও, তোমরা কি দেখ না? [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ ধ্বংসপ্রাপ্ত জনপদে পরবর্তী মানুষের জন্য একটি নিদর্শন রেখে দিয়েছেন।

আয-যারিয়াত, ৫১:৩৭
وَتَرَكْنَا فِيهَا آيَةً لِلَّذِينَ يَخَافُونَ الْعَذَابَ الْأَلِيمَ ﴿٣٧﴾
আর তাদের জন্য সেখানে একটা নিদর্শন রেখে দিলাম যারা অত্যন্ত পীড়াদায়ক ‘আযাবের ভয় করে। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহর রেখে যাওয়া নিদর্শনটি কেবল যন্ত্রণাদায়ক শাস্তিকে ভয়কারী ব্যক্তিদের জন্যই শিক্ষণীয়।

আয-যারিয়াত, ৫১:৩৭
وَتَرَكْنَا فِيهَا آيَةً لِلَّذِينَ يَخَافُونَ الْعَذَابَ الْأَلِيمَ ﴿٣٧﴾
আর তাদের জন্য সেখানে একটা নিদর্শন রেখে দিলাম যারা অত্যন্ত পীড়াদায়ক ‘আযাবের ভয় করে। [তাইসিরুল কুরআন]

কাফিরদের নিকট আল্লাহর সুস্পষ্ট আয়াতসমূহ পাঠ করা হয়।

আল-জাসিয়া, ৪৫:২৫
وَإِذَا تُتْلَى عَلَيْهِمْ آيَاتُنَا بَيِّنَاتٍ مَا كَانَ حُجَّتَهُمْ إِلَّا أَنْ قَالُوا ائْتُوا بِآبَائِنَا إِنْ كُنْتُمْ صَادِقِينَ ﴿٢٥﴾
তাদের সামনে যখন আমার সুস্পষ্ট আয়াতগুলো পাঠ করা হয়, তখন তাদের কাছে এ কথা বলা ছাড়া আর কোন যুক্তি থাকে না যে, তোমরা যদি সত্যবাদীই হয়ে থাক, তাহলে আমাদের পূর্বপুরুষদেরকে হাজির কর। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ বনী ইসরাঈলের কাছ থেকে অঙ্গীকার গ্রহণের জন্য তাদের উপর তূর পর্বতকে উত্তোলন করেছিলেন।

আন-নিসা, ৪:১৫৪
وَرَفَعْنَا فَوْقَهُمُ الطُّورَ بِمِيثَاقِهِمْ وَقُلْنَا لَهُمُ ادْخُلُوا الْبَابَ سُجَّدًا وَقُلْنَا لَهُمْ لَا تَعْدُوَا فِي السَّبْتِ وَأَخَذْنَا مِنْهُمْ مِيثَاقًا غَلِيظًا ﴿١٥٤﴾
তাদের নিকট হতে অঙ্গীকার গ্রহণের জন্য আমি তূর পাহাড়কে তাদের ঊর্ধ্বে তুলে ধরেছিলাম, আর তাদেরকে বলেছিলাম- অবনত মস্তকে (নগর) দ্বারে প্রবেশ কর আর তাদেরকে বলেছিলাম শনিবারের আইন ভঙ্গ করো না, আর তাদের নিকট থেকে নিয়েছিলাম পাকা প্রতিশ্রুতি। [তাইসিরুল কুরআন]

তোমাদের প্রতিপালকের পক্ষ থেকে তোমাদের কাছে সুস্পষ্ট প্রমাণসমূহ এসেছে।

আল-আন'আম, ৬:১০৪
قَدْ جَاءَكُمْ بَصَائِرُ مِنْ رَبِّكُمْ فَمَنْ أَبْصَرَ فَلِنَفْسِهِ وَمَنْ عَمِيَ فَعَلَيْهَا وَمَا أَنَا عَلَيْكُمْ بِحَفِيظٍ ﴿١٠٤﴾
তোমাদের কাছে তোমাদের প্রতিপালকের নিকট থেকে (অন্তরের) আলো এসে পৌঁছেছে, যে লোক (এই আলো দিয়ে) দেখবে তাতে তার নিজেরই কল্যাণ হবে, আর যে অন্ধ থাকবে, তার অকল্যাণ তার ঘাড়েই পড়বে। (বাণী পৌঁছে দেয়ার দায়িত্ব দিয়ে আমাকে পাঠানো হয়েছে) আমি তোমাদেরকে পাহারা দেয়ার জন্য দায়িত্বপাপ্ত হইনি। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ কৃতজ্ঞ সম্প্রদায়ের জন্য এভাবেই তাঁর নিদর্শনসমূহ বিভিন্নভাবে বর্ণনা করেন।

আল-আ'রাফ, ৭:৫৮
وَالْبَلَدُ الطَّيِّبُ يَخْرُجُ نَبَاتُهُ بِإِذْنِ رَبِّهِ وَالَّذِي خَبُثَ لَا يَخْرُجُ إِلَّا نَكِدًا كَذَلِكَ نُصَرِّفُ الْآيَاتِ لِقَوْمٍ يَشْكُرُونَ ﴿٥٨﴾
উৎকৃষ্ট ভূমি তার প্রতিপালকের নির্দেশে বৃক্ষলতা উৎপাদন করে, আর নিকৃষ্ট যমীন থেকে কঠিন পরিশ্রম না করলে কিছুই উৎপন্ন হয় না। এভাবেই আমি আয়াতগুলো বারবার বিবৃত করি কৃতজ্ঞ সম্প্রদায়ের জন্য। [তাইসিরুল কুরআন]

তৎক্ষণাৎ সেই লাঠি এক সুস্পষ্ট অজগরে পরিণত হলো।

আল-আ'রাফ, ৭:১০৭
فَأَلْقَى عَصَاهُ فَإِذَا هِيَ ثُعْبَانٌ مُبِينٌ ﴿١٠٧﴾
সে তার লাঠি নিক্ষেপ করল আর তখন তা একটা প্রকাশ্য অজগর হয়ে গেল। [তাইসিরুল কুরআন]

আর তৎক্ষণাৎ মূসা (আঃ)-এর হাতটি দর্শকদের দৃষ্টিতে শুভ্র-উজ্জ্বল হয়ে গেল।

আল-আ'রাফ, ৭:১০৮
وَنَزَعَ يَدَهُ فَإِذَا هِيَ بَيْضَاءُ لِلنَّاظِرِينَ ﴿١٠٨﴾
আর সে তার হাত (বগল থেকে) টেনে বের করল, তখন তা দর্শকদের দৃষ্টিতে সাদা উজ্জ্বল হয়ে দেখা দিল। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ বনী ইসরাঈলের উপর পর্বতকে মেঘের ছায়ার ন্যায় তুলে ধরেছিলেন।

আল-আ'রাফ, ৭:১৭১
وَإِذْ نَتَقْنَا الْجَبَلَ فَوْقَهُمْ كَأَنَّهُ ظُلَّةٌ وَظَنُّوا أَنَّهُ وَاقِعٌ بِهِمْ خُذُوا مَا آتَيْنَاكُمْ بِقُوَّةٍ وَاذْكُرُوا مَا فِيهِ لَعَلَّكُمْ تَتَّقُونَ ﴿١٧١﴾
স্মরণ কর, আমি যখন পাহাড়কে বানী ইসরাঈলদের উপর তুলে ধরলাম তা যেন একটা সামিয়ানা। তারা ভাবল, ওটা তাদের উপর বুঝি পতিত হবে। (এমত অবস্থায় তাদেরকে বললাম) ‘তোমাদেরকে যা দিলাম তা শক্তভাবে ধারণ কর আর তাতে যা আছে তা মনে রেখ, যাতে তোমরা তাক্বওয়া লাভ করতে পার’। [তাইসিরুল কুরআন]

এভাবেই আল্লাহ উপমা দিয়ে থাকেন।

আর-রাদ, ১৩:১৭
أَنْزَلَ مِنَ السَّمَاءِ مَاءً فَسَالَتْ أَوْدِيَةٌ بِقَدَرِهَا فَاحْتَمَلَ السَّيْلُ زَبَدًا رَابِيًا وَمِمَّا يُوقِدُونَ عَلَيْهِ فِي النَّارِ ابْتِغَاءَ حِلْيَةٍ أَوْ مَتَاعٍ زَبَدٌ مِثْلُهُ كَذَلِكَ يَضْرِبُ اللَّهُ الْحَقَّ وَالْبَاطِلَ فَأَمَّا الزَّبَدُ فَيَذْهَبُ جُفَاءً وَأَمَّا مَا يَنْفَعُ النَّاسَ فَيَمْكُثُ فِي الْأَرْضِ كَذَلِكَ يَضْرِبُ اللَّهُ الْأَمْثَالَ ﴿١٧﴾
তিনি আকাশ থেকে বৃষ্টি বর্ষণ করেন যার ফলে উপত্যকাগুলো পরিমিতভাবে প্লাবিত হয়, প্লাবণে উপরিভাগে ফেনা জমে উঠে, আর এ রকম ফেনা জমে উঠে যখন অলঙ্কার ও তৈজসপত্র বানানোর জন্য সেগুলো আগুনে গলানো হয়। এভাবে আল্লাহ প্রকৃত সত্য ও মিথ্যার দৃষ্টান্ত বর্ণনা করে থাকেন। ফেনা খড়কুটোর মত উড়ে যায়, আর যা মানুষের জন্য উপকারী তা যমীনে স্থিতিশীল হয়। এভাবে আল্লাহ দৃষ্টান্ত দিয়ে (মানুষকে বুঝিয়ে) থাকেন। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ তোমাদের জন্য বহু দৃষ্টান্ত ও উদাহরণ উপস্থাপন করেছিলেন।

ইবরাহীম, ১৪:৪৫
وَسَكَنْتُمْ فِي مَسَاكِنِ الَّذِينَ ظَلَمُوا أَنْفُسَهُمْ وَتَبَيَّنَ لَكُمْ كَيْفَ فَعَلْنَا بِهِمْ وَضَرَبْنَا لَكُمُ الْأَمْثَالَ ﴿٤٥﴾
অথচ তোমরা সেই লোকগুলোর বাসভূমিতে বসবাস করছিলে যারা নিজেদের প্রতি যুলম করেছিল আর তোমাদেরকে স্পষ্ট করে দেখিয়ে দেয়া হয়েছিল আমি তাদের সঙ্গে কেমন ব্যবহার করেছিলাম। আর আমি বহু উদাহরণ টেনে তোমাদেরকে বুঝিয়েও দিয়েছিলাম। [তাইসিরুল কুরআন]

অতঃপর তারা যদি সেই দরজা দিয়ে অবিরত উপরে আরোহণ করতে থাকে।

আল-হিজর, ১৫:১৪
وَلَوْ فَتَحْنَا عَلَيْهِمْ بَابًا مِنَ السَّمَاءِ فَظَلُّوا فِيهِ يَعْرُجُونَ ﴿١٤﴾
যদি তাদের জন্য আকাশের দরজা খুলে দেয়া হত, আর তারা তাতে উঠতে থাকত, [তাইসিরুল কুরআন]

নিশ্চয়ই রাত ও দিনের এই ব্যবস্থাপনায় শ্রবণকারী সম্প্রদায়ের জন্য বহু নিদর্শন রয়েছে।

ইউনুস, ১০:৬৭
هُوَ الَّذِي جَعَلَ لَكُمُ اللَّيْلَ لِتَسْكُنُوا فِيهِ وَالنَّهَارَ مُبْصِرًا إِنَّ فِي ذَلِكَ لَآيَاتٍ لِقَوْمٍ يَسْمَعُونَ ﴿٦٧﴾
তিনিই তোমাদের জন্য রাত বানিয়েছেন যেন তোমরা তাতে শান্তি লাভ করতে পার, আর দিন সৃষ্টি করেছেন (সব কিছু) দেখার জন্য। অবশ্যই এতে নিদর্শন আছে ঐ সম্প্রদায়ের জন্য যারা (মনোযোগ দিয়ে) শোনে। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ পৃথিবীতে প্রতিটি উত্তম শ্রেণীর উদ্ভিদ সৃষ্টি করেছেন, যার মধ্যে একটি সুস্পষ্ট নিদর্শন রয়েছে।

আশ-শুআ'রা, ২৬:৮
إِنَّ فِي ذَلِكَ لَآيَةً وَمَا كَانَ أَكْثَرُهُمْ مُؤْمِنِينَ ﴿٨﴾
অবশ্যই এতে নিদর্শন আছে (আল্লাহ সম্পর্কে চিন্তা ক’রে ঈমান আনার জন্য), কিন্তু তাদের অধিকাংশই ঈমান আনে না। [তাইসিরুল কুরআন]

নিশ্চয়ই লূত (আঃ)-এর জাতির ঘটনায় একটি নিদর্শন রয়েছে।

আশ-শুআ'রা, ২৬:১৭৫
وَإِنَّ رَبَّكَ لَهُوَ الْعَزِيزُ الرَّحِيمُ (﴿١٧٥﴾
তোমার প্রতিপালক, তিনি মহা প্রতাপশালী, বড়ই দয়ালু। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ অচিরেই তোমাদেরকে তাঁর নিদর্শনসমূহ দেখাবেন।

আন-নামাল, ২৭:৯৩
وَقُلِ الْحَمْدُ لِلَّهِ سَيُرِيكُمْ آيَاتِهِ فَتَعْرِفُونَهَا وَمَا رَبُّكَ بِغَافِلٍ عَمَّا تَعْمَلُونَ ﴿٩٣﴾
আর বল, যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহরই। তিনি শীঘ্রই তোমাদেরকে তাঁর নিদর্শনগুলো দেখাবেন আর তা তোমরা চিনতে পারবে। তোমরা যা কর সে সম্পর্কে তোমার পালনকর্তা অমনোযোগী নন। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ অবশ্যই ফিরআউনকে তাঁর সকল নিদর্শন দেখিয়েছিলেন।

ত্ব-হা, ২০:৫৬
وَلَقَدْ أَرَيْنَاهُ آيَاتِنَا كُلَّهَا فَكَذَّبَ وَأَبَى ﴿٥٦﴾
আমি তাকে (অর্থাৎ ফেরাউনকে) আমার যাবতীয় নিদর্শন দেখিয়েছিলাম কিন্তু সে মিথ্যে মনে ক’রে প্রত্যাখ্যান করেছে ও অমান্য করেছে। [তাইসিরুল কুরআন]

নিশ্চয়ই পূর্ববর্তী জাতিদের ধ্বংসের ঘটনায় বিবেকবানদের জন্য বহু নিদর্শন রয়েছে।

ত্ব-হা, ২০:১২৮
أَفَلَمْ يَهْدِ لَهُمْ كَمْ أَهْلَكْنَا قَبْلَهُمْ مِنَ الْقُرُونِ يَمْشُونَ فِي مَسَاكِنِهِمْ إِنَّ فِي ذَلِكَ لِآيَاتٍ لِأُولِي النُّهَى ﴿١٢٨﴾
এটাও কি তাদেরকে সঠিক পথ প্রদর্শন করল না যে, আমি তাদের আগে কত মানব বংশকে ধ্বংস করে দিয়েছি যাদের বাসস্থানের ভিতর দিয়ে এরা চলাচল করে। বুদ্ধিমানদের জন্য অবশ্যই এতে নিদর্শন রয়েছে। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ প্রশ্ন করেন, তবে কি তারা সেই ধ্বংসপ্রাপ্ত জনপদটি দেখেনি?

আল-ফুরকান, ২৫:৪০
وَلَقَدْ أَتَوْا عَلَى الْقَرْيَةِ الَّتِي أُمْطِرَتْ مَطَرَ السَّوْءِ أَفَلَمْ يَكُونُوا يَرَوْنَهَا بَلْ كَانُوا لَا يَرْجُونَ نُشُورًا ﴿٤٠﴾
তারা (অর্থাৎ কাফিররা) তো সে জনপদ দিয়েই অতিক্রম করে যার উপর বর্ষিত হয়েছিল অকল্যাণের বৃষ্টি, তারা কি তা দেখে না? আসলে তারা পুনরুত্থানের কথা চিন্তা করে না। [তাইসিরুল কুরআন]

নিদর্শন প্রত্যাশীদের জন্য আল্লাহর নাযিলকৃত এই কিতাবই যথেষ্ট, যা তাদের নিকট পাঠ করা হয়।

আল-আনকাবূত, ২৯:৫১
أَوَلَمْ يَكْفِهِمْ أَنَّا أَنْزَلْنَا عَلَيْكَ الْكِتَابَ يُتْلَى عَلَيْهِمْ إِنَّ فِي ذَلِكَ لَرَحْمَةً وَذِكْرَى لِقَوْمٍ يُؤْمِنُونَ ﴿٥١﴾
এটা কি তাদের জন্য যথেষ্ট (নিদর্শন) নয় যে, আমি তোমার প্রতি কিতাব নাযিল করেছি যা তাদের সম্মুখে পাঠ করা হয়, বিশ্বাসী সম্প্রদায়ের জন্য অবশ্যই এতে অনুগ্রহ ও উপদেশ রয়েছে। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহর অন্যতম নিদর্শন হলো তিনি তোমাদেরকে বিদ্যুৎ প্রদর্শন করেন, যা ভয় ও আশার সঞ্চার করে।

আর-রুম, ৩০:২৪
وَمِنْ آيَاتِهِ يُرِيكُمُ الْبَرْقَ خَوْفًا وَطَمَعًا وَيُنَزِّلُ مِنَ السَّمَاءِ مَاءً فَيُحْيِي بِهِ الْأَرْضَ بَعْدَ مَوْتِهَا إِنَّ فِي ذَلِكَ لَآيَاتٍ لِقَوْمٍ يَعْقِلُونَ ﴿٢٤﴾
তাঁর নিদর্শনের মধ্যে হল এই যে, তিনি তোমাদেরকে দেখান বিদ্যুৎ ভীতি ও ভরসা সঞ্চারীরূপে, আর তিনি আকাশ হতে পানি বর্ষণ করেন যা দিয়ে যমীনকে তার মৃত্যুর পর আবার জীবিত করেন, জ্ঞানবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষদের জন্য অবশ্যই এতে বহু নিদর্শন আছে। [তাইসিরুল কুরআন]

নিশ্চয়ই বিদ্যুৎ প্রদর্শন, বৃষ্টি বর্ষণ এবং মৃত পৃথিবীকে পুনরুজ্জীবিত করার মধ্যে বোধশক্তিসম্পন্ন সম্প্রদায়ের জন্য বহু নিদর্শন রয়েছে।

আর-রুম, ৩০:২৪
وَمِنْ آيَاتِهِ يُرِيكُمُ الْبَرْقَ خَوْفًا وَطَمَعًا وَيُنَزِّلُ مِنَ السَّمَاءِ مَاءً فَيُحْيِي بِهِ الْأَرْضَ بَعْدَ مَوْتِهَا إِنَّ فِي ذَلِكَ لَآيَاتٍ لِقَوْمٍ يَعْقِلُونَ ﴿٢٤﴾
তাঁর নিদর্শনের মধ্যে হল এই যে, তিনি তোমাদেরকে দেখান বিদ্যুৎ ভীতি ও ভরসা সঞ্চারীরূপে, আর তিনি আকাশ হতে পানি বর্ষণ করেন যা দিয়ে যমীনকে তার মৃত্যুর পর আবার জীবিত করেন, জ্ঞানবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষদের জন্য অবশ্যই এতে বহু নিদর্শন আছে। [তাইসিরুল কুরআন]

মানুষকে যখন মেঘের ছায়ার মতো তরঙ্গ আচ্ছন্ন করে, তখন তারা একনিষ্ঠভাবে আল্লাহকে ডাকে।

লুকমান, ৩১:৩২
وَإِذَا غَشِيَهُمْ مَوْجٌ كَالظُّلَلِ دَعَوُا اللَّهَ مُخْلِصِينَ لَهُ الدِّينَ فَلَمَّا نَجَّاهُمْ إِلَى الْبَرِّ فَمِنْهُمْ مُقْتَصِدٌ وَمَا يَجْحَدُ بِآيَاتِنَا إِلَّا كُلُّ خَتَّارٍ كَفُورٍ ﴿٣٢﴾
ঢেউ যখন তাদেরকে (মেঘের) ছায়ার মত ঢেকে নেয়, তখন তারা আল্লাহকে ডাকতে থাকে তাঁর প্রতি একনিষ্ঠ আনুগত্যে। অতঃপর আমি যখন তাদেরকে উদ্ধার ক’রে স্থলে এনে দেই, তখন তাদের কতক ন্যায়পূর্ণ আচরণ করে। কেবল মিথ্যাচারী অকৃতজ্ঞ ব্যক্তিই আমার নিদর্শনাবলী অস্বীকার করে। [তাইসিরুল কুরআন]

তবে কি তোমরা উপদেশ গ্রহণ করবে না?

আস-সাজদাহ, ৩২:৪
اللَّهُ الَّذِي خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ وَمَا بَيْنَهُمَا فِي سِتَّةِ أَيَّامٍ ثُمَّ اسْتَوَى عَلَى الْعَرْشِ مَا لَكُمْ مِنْ دُونِهِ مِنْ وَلِيٍّ وَلَا شَفِيعٍ أَفَلَا تَتَذَكَّرُونَ ﴿٤﴾
আল্লাহ যিনি আকাশমন্ডলী ও পৃথিবী এবং এ দু’এর মাঝে যা কিছু আছে ছয় দিনে সৃষ্টি করেছেন- অতঃপর তিনি ‘আরশে সমুন্নত হন। তিনি ব্যতীত তোমাদের জন্য কোন অভিভাবক নেই, সুপারিশকারীও নেই। তবুও কি তোমরা উপদেশ গ্রহণ করবে না? [তাইসিরুল কুরআন]

মানুষের জন্য রাত আল্লাহর একটি নিদর্শন।

ইয়াসীন, ৩৬:৩৭
وَآيَةٌ لَهُمُ اللَّيْلُ نَسْلَخُ مِنْهُ النَّهَارَ فَإِذَا هُمْ مُظْلِمُونَ ﴿٣٧﴾
তাদের জন্য একটি নিদর্শন হচ্ছে রাত, তাত্থেকে আমি দিনকে সরিয়ে নেই, ফলে তখনই তারা অন্ধকারে ডুবে যায়। [তাইসিরুল কুরআন]

দিন অপসারিত হওয়ার পর মানুষ অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে পড়ে।

ইয়াসীন, ৩৬:৩৭
وَآيَةٌ لَهُمُ اللَّيْلُ نَسْلَخُ مِنْهُ النَّهَارَ فَإِذَا هُمْ مُظْلِمُونَ ﴿٣٧﴾
তাদের জন্য একটি নিদর্শন হচ্ছে রাত, তাত্থেকে আমি দিনকে সরিয়ে নেই, ফলে তখনই তারা অন্ধকারে ডুবে যায়। [তাইসিরুল কুরআন]

কাফিররা কি তাদের সামনে ও পেছনের আসমান ও যমীনের দিকে তাকিয়ে দেখে না?

সাবা, ৩৪:৯
أَفَلَمْ يَرَوْا إِلَى مَا بَيْنَ أَيْدِيهِمْ وَمَا خَلْفَهُمْ مِنَ السَّمَاءِ وَالْأَرْضِ إِنْ نَشَأْ نَخْسِفْ بِهِمُ الْأَرْضَ أَوْ نُسْقِطْ عَلَيْهِمْ كِسَفًا مِنَ السَّمَاءِ إِنَّ فِي ذَلِكَ لَآيَةً لِكُلِّ عَبْدٍ مُنِيبٍ ﴿٩﴾
তারা কি আকাশ ও পৃথিবীতে তাদের সামনে ও পেছনে লক্ষ্য করে না? আমি ইচ্ছে করলে তাদেরকেসহ ভূমি ধ্বসিয়ে দেব অথবা আকাশের এক টুকরো তাদের উপর ফেলে দেব। প্রতিটি আল্লাহ অভিমুখী বান্দাহর জন্য এতে নিদর্শন রয়েছে। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ তোমাদেরকে তাঁর নিদর্শনাবলী দেখান।

গাফির, ৪০:৮১
وَيُرِيكُمْ آيَاتِهِ فَأَيَّ آيَاتِ اللَّهِ تُنْكِرُونَ ﴿٨١﴾
তিনি তোমাদেরকে তাঁর নিদর্শন দেখান। কাজেই আল্লাহর কোন্ নিদর্শনকে তোমরা অস্বীকার কর। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ তূর পর্বতের শপথ করেছেন।

আত-তূর, ৫২:১
وَالطُّورِ ﴿١﴾
শপথ তূর (পর্বত) এর, [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ লিপিবদ্ধ কিতাবের শপথ করেছেন।

আত-তূর, ৫২:২
وَكِتَابٍ مَسْطُورٍ ﴿٢﴾
শপথ কিতাবের যা লিখিত [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ আল-বাইতুল মা'মূর (সদা আবাদ ঘর)-এর শপথ করেছেন।

আত-তূর, ৫২:৪
وَالْبَيْتِ الْمَعْمُورِ ﴿٤﴾
শপথ বেশি বেশি আবাদকৃত ঘরের, [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ সুউচ্চ ছাদের শপথ করেছেন।

আত-তূর, ৫২:৫
وَالسَّقْفِ الْمَرْفُوعِ ﴿٥﴾
শপথ সুউচ্চ ছাদের, [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ অগ্নি-উত্তাল সমুদ্রের শপথ করেন।

আত-তূর, ৫২:৬
وَالْبَحْرِ الْمَسْجُورِ ﴿٦﴾
শপথ তরঙ্গায়িত সমুদ্রের, [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ অচিরেই বিশ্বজগতে তাঁর নিদর্শনসমূহ প্রদর্শন করবেন।

হা-মীম আস-সাজদা, ৪১:৫৩
سَنُرِيهِمْ آيَاتِنَا فِي الْآفَاقِ وَفِي أَنْفُسِهِمْ حَتَّى يَتَبَيَّنَ لَهُمْ أَنَّهُ الْحَقُّ أَوَلَمْ يَكْفِ بِرَبِّكَ أَنَّهُ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ شَهِيدٌ ﴿٥٣﴾
আমি তাদেরকে আমার নিদর্শনাবলী দেখাব দূর দিগন্তে (অর্থাৎ দূর পর্যন্ত ইসলামের আলো বিচ্ছুরিত হবে) আর তাদের নিজেদের মধ্যেও (অর্থাৎ কাফিররা নতজানু হয়ে ইসলাম কবূল করবে) যখন তাদের কাছে স্পষ্ট হয়ে যাবে যে, এ কুরআন সত্য। এটা কি যথেষ্ট নয় যে, তোমার প্রতিপালক সব কিছুরই সাক্ষী। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ মানুষের নিজেদের সত্তার মাঝেও তাঁর নিদর্শনসমূহ প্রদর্শন করবেন।

হা-মীম আস-সাজদা, ৪১:৫৩
سَنُرِيهِمْ آيَاتِنَا فِي الْآفَاقِ وَفِي أَنْفُسِهِمْ حَتَّى يَتَبَيَّنَ لَهُمْ أَنَّهُ الْحَقُّ أَوَلَمْ يَكْفِ بِرَبِّكَ أَنَّهُ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ شَهِيدٌ ﴿٥٣﴾
আমি তাদেরকে আমার নিদর্শনাবলী দেখাব দূর দিগন্তে (অর্থাৎ দূর পর্যন্ত ইসলামের আলো বিচ্ছুরিত হবে) আর তাদের নিজেদের মধ্যেও (অর্থাৎ কাফিররা নতজানু হয়ে ইসলাম কবূল করবে) যখন তাদের কাছে স্পষ্ট হয়ে যাবে যে, এ কুরআন সত্য। এটা কি যথেষ্ট নয় যে, তোমার প্রতিপালক সব কিছুরই সাক্ষী। [তাইসিরুল কুরআন]

চাঁদ বিদীর্ণ হয়েছে।

আল-কামার, ৫৪:১
اقْتَرَبَتِ السَّاعَةُ وَانْشَقَّ الْقَمَرُ ﴿١﴾
ক্বিয়ামত নিকটবর্তী হয়েছে এবং চন্দ্র খন্ডিত হয়েছে, [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ নক্ষত্ররাজির অস্তাচল বা অবস্থানের শপথ করছেন।

আল-ওয়াকিয়া, ৫৬:৭৫
فَلَا أُقْسِمُ بِمَوَاقِعِ النُّجُومِ ﴿٧٥﴾
উপরন্তু আমি শপথ করছি তারকারাজির অস্তাচলের। [তাইসিরুল কুরআন]

নিশ্চয়ই নক্ষত্ররাজির অস্তাচল বিষয়ে আল্লাহর শপথ একটি অতি মহান শপথ।

আল-ওয়াকিয়া, ৫৬:৭৬
وَإِنَّهُ لَقَسَمٌ لَوْ تَعْلَمُونَ عَظِيمٌ ﴿٧٦﴾
তা অবশ্যই অতি বড় শপথ যদি তোমরা জানতে! [তাইসিরুল কুরআন]

মানুষ যদি এই শপথের প্রকৃত মাহাত্ম্য সম্পর্কে জানত, তবে তারা এর গুরুত্ব উপলব্ধি করত।

আল-ওয়াকিয়া, ৫৬:৭৬
وَإِنَّهُ لَقَسَمٌ لَوْ تَعْلَمُونَ عَظِيمٌ ﴿٧٦﴾
তা অবশ্যই অতি বড় শপথ যদি তোমরা জানতে! [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ পশ্চাদপসরণকারী তারকাদের শপথ করছেন।

আত-তাকবীর, ৮১:১৫
فَلَا أُقْسِمُ بِالْخُنَّسِ ﴿١٥﴾
আমি শপথ করছি (গ্রহের) যা পেছনে সরে যায়, [তাইসিরুল কুরআন]

শপথের অন্তর্ভুক্ত নক্ষত্রসমূহ আপন কক্ষপথে চলমান।

আত-তাকবীর, ৮১:১৬
الْجَوَارِ الْكُنَّسِ ﴿١٦﴾
চলে ও লুকিয়ে যায়, [তাইসিরুল কুরআন]

শপথের অন্তর্ভুক্ত নক্ষত্রসমূহ অস্ত গিয়ে অদৃশ্য হয়ে যায়।

আত-তাকবীর, ৮১:১৬
الْجَوَارِ الْكُنَّسِ ﴿١٦﴾
চলে ও লুকিয়ে যায়, [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ বিদায়োন্মুখ রাতের শপথ করেছেন।

আত-তাকবীর, ৮১:১৭
وَاللَّيْلِ إِذَا عَسْعَسَ ﴿١٧﴾
শপথ রাতের যখন তা বিদায় নেয় [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ শপথ করেছেন প্রভাতকালের, যখন তা শ্বাস গ্রহণ করে।

আত-তাকবীর, ৮১:১৮
وَالصُّبْحِ إِذَا تَنَفَّسَ ﴿١٨﴾
আর ঊষার যখন তা নিঃশ্বাস ফেলে অন্ধকারকে বের করে দেয়, [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ রাতের শপথ করেন।

আল-ইনশিকাক, ৮৪:১৭
وَاللَّيْلِ وَمَا وَسَقَ ﴿١٧﴾
আর রাতের এবং তা যা কিছুর সমাবেশ ঘটায় তার, [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ সেই সবকিছুরও শপথ করেন যা রাত একত্রিত করে।

আল-ইনশিকাক, ৮৪:১৭
وَاللَّيْلِ وَمَا وَسَقَ ﴿١٧﴾
আর রাতের এবং তা যা কিছুর সমাবেশ ঘটায় তার, [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ পূর্ণিমার চাঁদের শপথ করেছেন।

আল-ইনশিকাক, ৮৪:১৮
وَالْقَمَرِ إِذَا اتَّسَقَ ﴿١٨﴾
আর চাঁদের যখন তা পূর্ণ চাঁদে পরিণত হয়, [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ তারকারাজিখচিত মহাকাশের শপথ করছেন।

আল-বুরুজ, ৮৫:১
وَالسَّمَاءِ ذَاتِ الْبُرُوجِ ﴿١﴾
শপথ গ্রহ-নক্ষত্র শোভিত আকাশের [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ সাক্ষীর শপথ করেন।

আল-বুরুজ, ৮৫:৩
وَشَاهِدٍ وَمَشْهُودٍ ﴿٣﴾
আর যে দেখে আর যা দেখা যায় তার শপথ [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ প্রত্যক্ষকৃত বিষয়ের শপথ করেন।

আল-বুরুজ, ৮৫:৩
وَشَاهِدٍ وَمَشْهُودٍ ﴿٣﴾
আর যে দেখে আর যা দেখা যায় তার শপথ [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ আসমানের শপথ করেছেন।

আত-তারিক, ৮৬:১
وَالسَّمَاءِ وَالطَّارِقِ ﴿١﴾
শপথ আসমানের আর যা রাতে আসে তার, [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ রাতে আগমনকারী সত্তা 'ত্বারিক'-এর শপথ করেছেন।

আত-তারিক, ৮৬:১
وَالسَّمَاءِ وَالطَّارِقِ ﴿١﴾
শপথ আসমানের আর যা রাতে আসে তার, [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ কর্তৃক জিজ্ঞাসিত 'ত্বারিক' হলো এক উজ্জ্বল জ্যোতিষ্ক।

আত-তারিক, ৮৬:৩
النَّجْمُ الثَّاقِبُ ﴿٣﴾
উজ্জ্বল নক্ষত্র। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ প্রত্যাবর্তনশীল আকাশের শপথ করেন।

আত-তারিক, ৮৬:১১
وَالسَّمَاءِ ذَاتِ الرَّجْعِ ﴿١١﴾
ঘুরে ঘুরে আসা বৃষ্টিবাহী আকাশের শপথ, [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ বিদীর্ণ হওয়া যমীনের শপথ করেন।

আত-তারিক, ৮৬:১২
وَالْأَرْضِ ذَاتِ الصَّدْعِ ﴿١٢﴾
এবং গাছপালার চারা গজানোর সময় বক্ষ দীর্ণকারী যমীনের শপথ, (বৃষ্টিপাতের মাধ্যমে বৃক্ষলতার উৎপাদন যেমন অকাট্য সত্য, তেমনি কুরআন যা ঘোষণা করে তাও অকাট্য সত্য) [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ ঊষাকালের শপথ করেছেন।

আল-ফাজর, ৮৯:১
وَالْفَجْرِ ﴿١﴾
ঊষার শপথ, [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ দশ রজনীর শপথ করেন।

আল-ফাজর, ৮৯:২
وَلَيَالٍ عَشْرٍ ﴿٢﴾
(জিলহাজ্জ মাসের প্রথম) দশ রাতের শপথ, [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ জোড় (সৃষ্টি বা সংখ্যা) দ্বারা শপথ করেন।

আল-ফাজর, ৮৯:৩
وَالشَّفْعِ وَالْوَتْرِ ﴿٣﴾
জোড় ও বেজোড়ের শপথ, [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ বিজোড় (সৃষ্টি বা সংখ্যা) দ্বারা শপথ করেন।

আল-ফাজর, ৮৯:৩
وَالشَّفْعِ وَالْوَتْرِ ﴿٣﴾
জোড় ও বেজোড়ের শপথ, [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ শপথ করেন রাতের, যখন তা বিদায় নেয়।

আল-ফাজর, ৮৯:৪
وَاللَّيْلِ إِذَا يَسْرِ ﴿٤﴾
আর রাতের শপথ যখন তা গত হতে থাকে, [তাইসিরুল কুরআন]

নিশ্চয়ই বিবেকবান ব্যক্তির জন্য আল্লাহর শপথের মধ্যে যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে।

আল-ফাজর, ৮৯:৫
هَلْ فِي ذَلِكَ قَسَمٌ لِذِي حِجْرٍ ﴿٥﴾
অবশ্যই এতে জ্ঞানী ব্যক্তির জন্য শপথ আছে। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ শপথ করেছেন জন্মদাতার।

আল-বালাদ, ৯০:৩
وَوَالِدٍ وَمَا وَلَدَ ﴿٣﴾
শপথ জন্মদাতা (আদম)-এর আর যা সে জন্ম দিয়েছে (সেই সমস্ত মানুষের), [তাইসিরুল কুরআন]

এবং আল্লাহ শপথ করেছেন জাতকের।

আল-বালাদ, ৯০:৩
وَوَالِدٍ وَمَا وَلَدَ ﴿٣﴾
শপথ জন্মদাতা (আদম)-এর আর যা সে জন্ম দিয়েছে (সেই সমস্ত মানুষের), [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ যা কিছু তোমরা দেখতে পাও, তার শপথ করছেন।

আল-হাক্কাহ, ৬৯:৩৮
فَلَا أُقْسِمُ بِمَا تُبْصِرُونَ ﴿٣٨﴾
আমি কসম করছি সে সব জিনিসের যা তোমরা দেখতে পাও, [তাইসিরুল কুরআন]

এবং তোমরা যা দেখতে পাও না, আল্লাহ তারও শপথ করেন।

আল-হাক্কাহ, ৬৯:৩৯
وَمَا لَا تُبْصِرُونَ ﴿٣٩﴾
আর (সে সব জিনিসেরও) যা তোমরা দেখতে পাও না [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ আকাশের শপথ করেছেন।

আশ-শামস, ৯১:৫
وَالسَّمَاءِ وَمَا بَنَاهَا ﴿٥﴾
শপথ আসমানের আর সেটা যিনি বানিয়েছেন তাঁর, [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ পৃথিবীর শপথ করেছেন।

আশ-শামস, ৯১:৬
وَالْأَرْضِ وَمَا طَحَاهَا ﴿٦﴾
শপথ যমীনের আর সেটা যিনি বিছিয়েছেন তাঁর, [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ আত্মার শপথ করেছেন।

আশ-শামস, ৯১:৭
وَنَفْسٍ وَمَا سَوَّاهَا ﴿٧﴾
শপথ প্রাণের আর তাঁর যিনি তা সামঞ্জস্যপূর্ণ করেছেন, [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ রাতের শপথ করেছেন, যখন তা (তার অন্ধকার দিয়ে) আচ্ছন্ন করে।

আল-লাইল, ৯২:১
وَاللَّيْلِ إِذَا يَغْشَى ﴿١﴾
শপথ রাতের যখন তা (আলোকে) ঢেকে দেয়, [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ শপথ করেছেন দিনের, যখন তা উজ্জ্বলরূপে উদ্ভাসিত হয়।

আল-লাইল, ৯২:২
وَالنَّهَارِ إِذَا تَجَلَّى ﴿٢﴾
শপথ দিনের যখন তা উদ্ভাসিত হয়ে উঠে। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ ডুমুর (তীন) ফলের শপথ করেছেন।

আত-তীন, ৯৫:১
وَالتِّينِ وَالزَّيْتُونِ ﴿١﴾
শপথ তীন ও যায়তূন-এর (যা জন্মে সিরিয়া ও ফিলিস্তিন এলাকায় যে স্থান বহু পুণ্যময় নবী ও রসূলের স্মৃতিতে ধন্য)। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ জয়তুন (যাইতুন) ফলের শপথ করেছেন।

আত-তীন, ৯৫:১
وَالتِّينِ وَالزَّيْتُونِ ﴿١﴾
শপথ তীন ও যায়তূন-এর (যা জন্মে সিরিয়া ও ফিলিস্তিন এলাকায় যে স্থান বহু পুণ্যময় নবী ও রসূলের স্মৃতিতে ধন্য)। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ ঊর্ধ্বশ্বাসে ধাবমান অশ্বরাজির শপথ করেন।

আদিয়াত, ১০০:১
وَالْعَادِيَاتِ ضَبْحًا ﴿١﴾
শপথ সেই (ঘোড়া) গুলোর যারা ঊর্ধ্বশ্বাসে দৌড়ায়, [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ শপথ করেছেন সেইসব অশ্বের, যারা ক্ষুরাঘাতে অগ্নিস্ফুলিঙ্গ সৃষ্টি করে।

আদিয়াত, ১০০:২
فَالْمُورِيَاتِ قَدْحًا ﴿٢﴾
অতঃপর (নিজের ক্ষুরের) ঘর্ষণে আগুন ছুটায়, [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ ভোরবেলায় অতর্কিত আক্রমণকারী অশ্ববাহিনীর শপথ করেছেন।

আদিয়াত, ১০০:৩
فَالْمُغِيرَاتِ صُبْحًا ﴿٣﴾
অতঃপর সকালে হঠাৎ আক্রমণ চালায়, [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ চাঁদের শপথ করছেন।

আল-মুদ্দাসসির, ৭৪:৩২
كَلَّا وَالْقَمَرِ ﴿٣٢﴾
(এটা) কক্ষনো (ভিত্তিহীন) না, চাঁদের কসম, [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ শপথ করছেন রাতের, যখন তা বিদায় নেয়।

আল-মুদ্দাসসির, ৭৪:৩৩
وَاللَّيْلِ إِذْ أَدْبَرَ ﴿٣٣﴾
রাতের কসম যখন তার অবসান হয়, [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ শপথ করেছেন সেই ভোরের, যখন তা আলোকিত হয়ে ওঠে।

আল-মুদ্দাসসির, ৭৪:৩৪
وَالصُّبْحِ إِذَا أَسْفَرَ ﴿٣٤﴾
প্রভাতের কসম- যখন তা উজ্জ্বল হয়ে ওঠে, [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ শপথ করছেন দ্রুতগতিতে সন্তরণকারী সত্তাসমূহের।

আন-নাযি'আত, ৭৯:৩
وَالسَّابِحَاتِ سَبْحًا ﴿٣﴾
শপথ সেই ফেরেশতাদের যারা দ্রুতগতিতে সাঁতার কাটে, [তাইসিরুল কুরআন]

অতঃপর শপথ সেই সত্তাদের, যারা তীব্র বেগে অগ্রগামী হয়।

আন-নাযি'আত, ৭৯:৪
فَالسَّابِقَاتِ سَبْقًا ﴿٤﴾
আর (আল্লাহর নির্দেশ পালনের জন্য) ক্ষিপ্র গতিতে এগিয়ে যায়, [তাইসিরুল কুরআন]

অতঃপর মুসা (আঃ) ফেরাউনকে মহা নিদর্শন দেখালেন।

আন-নাযি'আত, ৭৯:২০
فَأَرَاهُ الْآيَةَ الْكُبْرَى ﴿٢٠﴾
অতঃপর মূসা তাকে বিরাট নিদর্শন দেখাল। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ শফক বা সন্ধ্যাকালীন লালিমার শপথ করছেন।

আল-ইনশিকাক, ৮৪:১৬
فَلَا أُقْسِمُ بِالشَّفَقِ ﴿١٦﴾
আমি শপথ করি সন্ধ্যাকালীন লালিমার, [তাইসিরুল কুরআন]

হে মানুষ, আল্লাহর সৃষ্টি ও প্রতিদান ব্যবস্থার সুস্পষ্ট প্রমাণের পর তোমার জন্য কর্মফল দিবসকে অস্বীকার করার কোনো অবকাশ নেই।

আত-তীন, ৯৫:৭
فَمَا يُكَذِّبُكَ بَعْدُ بِالدِّينِ ﴿٧﴾
(ভাল কাজের পুরস্কার দেয়া আর অন্যায় কাজের শাস্তি দেয়াই ইনসাফপূর্ণ কথা) কাজেই শেষ বিচারের দিনকে অস্বীকার করতে কিসে তোমাদেরকে উদ্বুদ্ধ করছে? [তাইসিরুল কুরআন]
ফন্ট সাইজ
15px
17px