বিষয়ভিত্তিক কুরআন > আল্লাহ নিয়ামতদাতা

সকল নিয়ামত আল্লাহর পক্ষ থেকেই আসে

আন-নাহাল, ১৬:৫৩
وَمَا بِكُمْ مِنْ نِعْمَةٍ فَمِنَ اللَّهِ ثُمَّ إِذَا مَسَّكُمُ الضُّرُّ فَإِلَيْهِ تَجْأَرُونَ ﴿٥٣﴾
যে নি‘মাতই তোমরা পেয়েছ তাতো আল্লাহর নিকট হতেই। আর যখন দুঃখ-কষ্ট তোমাদেরকে স্পর্শ করে, তখন তাঁর কাছেই তোমরা আকুল আবেদন জানাতে থাক। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহর নিয়ামত গুণে শেষ করা যাবে না

আন-নাহাল, ১৬:১৮
وَإِنْ تَعُدُّوا نِعْمَةَ اللَّهِ لَا تُحْصُوهَا إِنَّ اللَّهَ لَغَفُورٌ رَحِيمٌ ﴿١٨﴾
তোমরা আল্লাহর নি‘মাতসমূহকে গণনা করলে তার সংখ্যা নির্ণয় করতে পারবে না; আল্লাহ অবশ্যই বড়ই ক্ষমাশীল, বড়ই দয়ালু। [তাইসিরুল কুরআন]
ইবরাহীম, ১৪:৩৪
وَآتَاكُمْ مِنْ كُلِّ مَا سَأَلْتُمُوهُ وَإِنْ تَعُدُّوا نِعْمَةَ اللَّهِ لَا تُحْصُوهَا إِنَّ الْإِنْسَانَ لَظَلُومٌ كَفَّارٌ ﴿٣٤﴾
তিনি তোমাদেরকে সে সব কিছুই দিয়েছেন যা তোমরা চেয়েছ (তোমরা তোমাদের প্রয়োজনীয় সব কিছুই পেয়েছ) আর তোমরা আল্লাহর অনুগ্রহ গণনা করতে চাইলে কক্ষনো তার সংখ্যা নির্ধারণ করতে পারবে না। মানুষ অবশ্যই বড়ই যালিম, বড়ই অকৃতজ্ঞ। [তাইসিরুল কুরআন]

মানুষের প্রয়োজনীয় সবই তিনি দিয়েছেন

ইবরাহীম, ১৪:৩৪
وَآتَاكُمْ مِنْ كُلِّ مَا سَأَلْتُمُوهُ وَإِنْ تَعُدُّوا نِعْمَةَ اللَّهِ لَا تُحْصُوهَا إِنَّ الْإِنْسَانَ لَظَلُومٌ كَفَّارٌ ﴿٣٤﴾
তিনি তোমাদেরকে সে সব কিছুই দিয়েছেন যা তোমরা চেয়েছ (তোমরা তোমাদের প্রয়োজনীয় সব কিছুই পেয়েছ) আর তোমরা আল্লাহর অনুগ্রহ গণনা করতে চাইলে কক্ষনো তার সংখ্যা নির্ধারণ করতে পারবে না। মানুষ অবশ্যই বড়ই যালিম, বড়ই অকৃতজ্ঞ। [তাইসিরুল কুরআন]

মানুষের জন্য নিয়ামত পূর্ণ করে দিয়েছেন

লুকমান, ৩১:২০
أَلَمْ تَرَوْا أَنَّ اللَّهَ سَخَّرَ لَكُمْ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَمَا فِي الْأَرْضِ وَأَسْبَغَ عَلَيْكُمْ نِعَمَهُ ظَاهِرَةً وَبَاطِنَةً وَمِنَ النَّاسِ مَنْ يُجَادِلُ فِي اللَّهِ بِغَيْرِ عِلْمٍ وَلَا هُدًى وَلَا كِتَابٍ مُنِيرٍ ﴿٢٠﴾
তোমরা কি লক্ষ্য কর না যে, যা কিছু আসমানসমূহে আর যমীনে আছে, আল্লাহ সমস্তই তোমাদের কল্যাণে নিয়োজিত করেছেন এবং তোমাদের প্রতি তাঁর প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য নি‘য়ামাতসমূহ পরিপূর্ণ করে দিয়েছেন? কতক মানুষ জ্ঞান ছাড়াই আল্লাহ সম্বন্ধে বাক-বিতন্ডা করে, তাদের না আছে সঠিক পথের দিশা, আর না আছে কোন আলোপ্রদ কিতাব। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ আকাশকে বানিয়েছেন ছাদস্বরূপ

আল-আম্বিয়া, ২১:৩২
وَجَعَلْنَا السَّمَاءَ سَقْفًا مَحْفُوظًا وَهُمْ عَنْ آيَاتِهَا مُعْرِضُونَ ﴿٣٢﴾
আর আমি আকাশকে করেছি সুরক্ষিত ছাদ, কিন্তু এ সবের নিদর্শন থেকে তারা মুখ ফিরিয়ে নেয়। [তাইসিরুল কুরআন]

তিনি আকাশকে আটকিয়ে রাখেন

আল-হজ্জ, ২২:৬৫
أَلَمْ تَرَ أَنَّ اللَّهَ سَخَّرَ لَكُمْ مَا فِي الْأَرْضِ وَالْفُلْكَ تَجْرِي فِي الْبَحْرِ بِأَمْرِهِ وَيُمْسِكُ السَّمَاءَ أَنْ تَقَعَ عَلَى الْأَرْضِ إِلَّا بِإِذْنِهِ إِنَّ اللَّهَ بِالنَّاسِ لَرَءُوفٌ رَحِيمٌ ﴿٦٥﴾
তুমি কি লক্ষ্য কর না যে, পৃথিবীতে যা কিছু আছে সব তিনি তোমাদের কল্যাণ-কাজে লাগিয়ে রেখেছেন। আর নৌযানগুলো সমুদ্রে চলাচল করে তাঁর হুকুমেই? তিনিই আকাশকে স্থির রাখেন যাতে তা পৃথিবীতে পতিত না হয় তাঁর অনুমতি ছাড়া। আল্লাহ মানুষের প্রতি নিশ্চিতই বড়ই করুণাশীল, বড়ই দয়াবান। [তাইসিরুল কুরআন]

চন্দ্র ও সূর্যকে বানিয়েছেন সময় গণনার মাধ্যম

আল-আন'আম, ৬:৯৬
فَالِقُ الْإِصْبَاحِ وَجَعَلَ اللَّيْلَ سَكَنًا وَالشَّمْسَ وَالْقَمَرَ حُسْبَانًا ذَلِكَ تَقْدِيرُ الْعَزِيزِ الْعَلِيمِ ﴿٩٦﴾
তিনি ঊষার উন্মেষ ঘটান, তিনি রাত সৃষ্টি করেছেন শান্তি ও আরামের জন্য, সূর্য ও চন্দ্র বানিয়েছেন গণনার জন্য। এসব মহাপরাক্রমশালী সর্বজ্ঞাতা কর্তৃক নির্ধারিত। [তাইসিরুল কুরআন]

পৃথিবীকে বানিয়েছেন বিছানাস্বরূপ

আয-যুখরুফ, ৪৩:১০
الَّذِي جَعَلَ لَكُمُ الْأَرْضَ مَهْدًا وَجَعَلَ لَكُمْ فِيهَا سُبُلًا لَعَلَّكُمْ تَهْتَدُونَ ﴿١٠﴾
যিনি তোমাদের জন্য যমীনকে করেছেন বিস্তৃত, আর তাতে তোমাদের জন্য বানিয়েছেন চলার পথ- যাতে তোমরা সঠিক পথ পেতে পার। [তাইসিরুল কুরআন]

মানুষের বসবাসের জায়গা করে দিয়েছেন

আল-আন'আম, ৬:৯৮
وَهُوَ الَّذِي أَنْشَأَكُمْ مِنْ نَفْسٍ وَاحِدَةٍ فَمُسْتَقَرٌّ وَمُسْتَوْدَعٌ قَدْ فَصَّلْنَا الْآيَاتِ لِقَوْمٍ يَفْقَهُونَ ﴿٩٨﴾
তিনি তোমাদেরকে একটি প্রাণ হতে সৃষ্টি করেছেন, তারপর প্রত্যেকের জন্য একটা অবস্থান স্থল আছে আর একটি আছে তাকে গচ্ছিত রাখার জায়গা। জ্ঞান-বুদ্ধি সম্পন্ন লোকেদের জন্য আমি আমার আয়াতগুলোকে বিশদভাবে বর্ণনা করে দিয়েছি। [তাইসিরুল কুরআন]

পৃথিবীকে স্থির রাখতে পাহাড় স্থাপন করেছেন

আল-আম্বিয়া, ২১:৩১
وَجَعَلْنَا فِي الْأَرْضِ رَوَاسِيَ أَنْ تَمِيدَ بِهِمْ وَجَعَلْنَا فِيهَا فِجَاجًا سُبُلًا لَعَلَّهُمْ يَهْتَدُونَ ﴿٣١﴾
আর পৃথিবীতে আমি স্থাপন করেছি সুদৃঢ় পর্বত যাতে পৃথিবী তাদেরকে নিয়ে নড়াচড়া না করে। আর তাতে সৃষ্টি করেছি প্রশস্ত পথ যাতে তারা পথ পেতে পারে। [তাইসিরুল কুরআন]

পৃথিবীতে রাস্তা তৈরি করেছেন

আন-নাহাল, ১৬:১৫
وَأَلْقَى فِي الْأَرْضِ رَوَاسِيَ أَنْ تَمِيدَ بِكُمْ وَأَنْهَارًا وَسُبُلًا لَعَلَّكُمْ تَهْتَدُونَ ﴿١٥﴾
তিনি যমীনে সুদৃঢ় পর্বত সংস্থাপিত করেছেন যাতে যমীন তোমাদেরকে নিয়ে আন্দোলিত না হয়, আর সংস্থাপিত করেছেন নদী নির্ঝরিণী আর পথ যাতে তোমরা পথের সন্ধান পেতে পার। [তাইসিরুল কুরআন]
নূহ, ৭১:১৯
وَاللَّهُ جَعَلَ لَكُمُ الْأَرْضَ بِسَاطًا ﴿١٩﴾
আল্লাহ তোমাদের জন্য যমীনকে করেছেন সম্প্রসারিত, [তাইসিরুল কুরআন]
নূহ, ৭১:২০
لِتَسْلُكُوا مِنْهَا سُبُلًا فِجَاجًا ﴿٢٠﴾
যাতে তোমরা তার প্রশস্ত পথ-ঘাট দিয়ে চলাচল করতে পার।’ [তাইসিরুল কুরআন]

জমিনে মানুষের চলাফেরা করার ব্যবস্থা করেছেন

আল-মুলক, ৬৭:১৫
هُوَ الَّذِي جَعَلَ لَكُمُ الْأَرْضَ ذَلُولًا فَامْشُوا فِي مَنَاكِبِهَا وَكُلُوا مِنْ رِزْقِهِ وَإِلَيْهِ النُّشُورُ ﴿١٥﴾
তিনি তোমাদের জন্য যমীনকে (তোমাদের ইচ্ছার) অধীন করে দিয়েছেন, কাজেই তোমরা তার বুকের উপর দিয়ে চলাচল কর, আর আল্লাহর দেয়া রিযক হতে আহার কর, পুনরায় জীবিত হয়ে তাঁর কাছেই যেতে হবে। [তাইসিরুল কুরআন]
ইউনুস, ১০:২২
هُوَ الَّذِي يُسَيِّرُكُمْ فِي الْبَرِّ وَالْبَحْرِ حَتَّى إِذَا كُنْتُمْ فِي الْفُلْكِ وَجَرَيْنَ بِهِمْ بِرِيحٍ طَيِّبَةٍ وَفَرِحُوا بِهَا جَاءَتْهَا رِيحٌ عَاصِفٌ وَجَاءَهُمُ الْمَوْجُ مِنْ كُلِّ مَكَانٍ وَظَنُّوا أَنَّهُمْ أُحِيطَ بِهِمْ دَعَوُا اللَّهَ مُخْلِصِينَ لَهُ الدِّينَ لَئِنْ أَنْجَيْتَنَا مِنْ هَذِهِ لَنَكُونَنَّ مِنَ الشَّاكِرِينَ ﴿٢٢﴾
তিনি তোমাদেরকে জলে ও স্থলে ভ্রমণ করান। এমনকি যখন তোমরা নৌকায় আরোহণ করে অনুকূল হাওয়ার তালে আমোদ আহলাদে সফর করতে থাক, তখন ঝড়ো হাওয়া আঘাত হানে আর চারদিক থেকে তরঙ্গ ধেয়ে আসে, আর তারা মনে করে যে, তারা তরঙ্গমালায় পরিবেষ্টিত হয়ে পড়েছে। তখন তারা বিশুদ্ধ আনুগত্যে আল্লাহকে ডেকে বলে, ‘তুমি যদি এত্থেকে আমাদেরকে পরিত্রাণ দাও তাহলে অবশ্য অবশ্যই আমরা শুকরগুজার বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাব।’ [তাইসিরুল কুরআন]

পথ চেনার জন্য চিহ্ন ও তারকা বানিয়েছেন

আন-নাহাল, ১৬:১৬
وَعَلَامَاتٍ وَبِالنَّجْمِ هُمْ يَهْتَدُونَ ﴿١٦﴾
আর দিক-দিশা প্রদানকারী চিহ্নসমূহ; আর তারকারাজির সাহায্যেও তারা পথনির্দেশ লাভ করে। [তাইসিরুল কুরআন]

সর্বত্র মানুষকে ছড়িয়ে দিয়েছেন

আল-মুলক, ৬৭:২৪
قُلْ هُوَ الَّذِي ذَرَأَكُمْ فِي الْأَرْضِ وَإِلَيْهِ تُحْشَرُونَ ﴿٢٤﴾
বলে দাও, ‘তিনিই তোমাদেরকে যমীনে ছড়িয়ে দিয়েছেন আর তাঁর কাছেই তোমাদেরকে সমবেত করা হবে। [তাইসিরুল কুরআন]

মানুষের সফরের জন্য সওয়ারীর ব্যবস্থা করেছেন

আন-নাহাল, ১৬:৮
وَالْخَيْلَ وَالْبِغَالَ وَالْحَمِيرَ لِتَرْكَبُوهَا وَزِينَةً وَيَخْلُقُ مَا لَا تَعْلَمُونَ ﴿٨﴾
তিনি ঘোড়া, খচ্চর ও গর্দভ সৃষ্টি করেছেন যাতে তোমরা ওগুলোতে আরোহণ করতে পার আর শোভা-সৌন্দর্যের জন্যও; তিনি পয়দা করেন অনেক কিছু যা তোমাদের জানা নেই। [তাইসিরুল কুরআন]
আয-যুখরুফ, ৪৩:১২
وَالَّذِي خَلَقَ الْأَزْوَاجَ كُلَّهَا وَجَعَلَ لَكُمْ مِنَ الْفُلْكِ وَالْأَنْعَامِ مَا تَرْكَبُونَ ﴿١٢﴾
তিনি সব কিছুকে জোড়া জোড়া সৃষ্টি করেছেন, আর তোমাদের জন্য নৌযান ও গবাদি পশু সৃষ্টি করেছেন যাতে তোমরা আরোহণ কর, [তাইসিরুল কুরআন]
আয-যুখরুফ, ৪৩:১৩
لِتَسْتَوُوا عَلَى ظُهُورِهِ ثُمَّ تَذْكُرُوا نِعْمَةَ رَبِّكُمْ إِذَا اسْتَوَيْتُمْ عَلَيْهِ وَتَقُولُوا سُبْحَانَ الَّذِي سَخَّرَ لَنَا هَذَا وَمَا كُنَّا لَهُ مُقْرِنِينَ ﴿١٣﴾
যাতে তোমরা যখন তাদের পিঠে স্থির হয়ে বস, তখন যেন তোমাদের প্রতিপালকের অনুগ্রহের কথা স্মরণ কর আর বল- মহান ও পবিত্র তিনি যিনি, এগুলোকে আমাদের (ব্যবহারের জন্য) বশীভূত করে দিয়েছেন, আমরা এগুলোকে বশীভূত করতে সক্ষম ছিলাম না। [তাইসিরুল কুরআন]

মানুষের ঘরবাড়ি তৈরির ব্যবস্থা করেছেন

আন-নাহাল, ১৬:৮০
وَاللَّهُ جَعَلَ لَكُمْ مِنْ بُيُوتِكُمْ سَكَنًا وَجَعَلَ لَكُمْ مِنْ جُلُودِ الْأَنْعَامِ بُيُوتًا تَسْتَخِفُّونَهَا يَوْمَ ظَعْنِكُمْ وَيَوْمَ إِقَامَتِكُمْ وَمِنْ أَصْوَافِهَا وَأَوْبَارِهَا وَأَشْعَارِهَا أَثَاثًا وَمَتَاعًا إِلَى حِينٍ ﴿٨٠﴾
আল্লাহ তোমাদের গৃহগুলোকে তোমাদের আরাম শান্তির জায়গা বানিয়ে দিয়েছেন। তিনি পশুর চামড়া থেকে তোমাদের জন্য এমন গৃহের ব্যবস্থা করেছেন যা তোমরা হালকাবোধ কর তোমাদের ভ্রমণকালে কিংবা অবস্থানকালে। তিনি ওগুলোর পশম, লোম আর চুল থেকে তোমাদের পরিধেয় ও ব্যবহার্য সামগ্রীর ব্যবস্থা করেছেন যা তোমরা কিছুকাল পর্যন্ত কাজে লাগাও। [তাইসিরুল কুরআন]

পোশাক দিয়েছেন

আন-নাহাল, ১৬:৮১
وَاللَّهُ جَعَلَ لَكُمْ مِمَّا خَلَقَ ظِلَالًا وَجَعَلَ لَكُمْ مِنَ الْجِبَالِ أَكْنَانًا وَجَعَلَ لَكُمْ سَرَابِيلَ تَقِيكُمُ الْحَرَّ وَسَرَابِيلَ تَقِيكُمْ بَأْسَكُمْ كَذَلِكَ يُتِمُّ نِعْمَتَهُ عَلَيْكُمْ لَعَلَّكُمْ تُسْلِمُونَ ﴿٨١﴾
আল্লাহ যা সৃষ্টি করেছেন তাত্থেকে তোমাদের জন্য ছায়ার ব্যবস্থা করেছেন, পাহাড়-পর্বতে তোমাদের আত্মগোপনের জায়গা বানিয়েছেন। তিনি তোমাদের জন্য পোশাক দিয়েছেন যা তোমাদেরকে তাপ থেকে রক্ষা করে। আর দিয়েছেন এমন পোশাক যা তোমাদেরকে সংঘাতের সময় রক্ষা করে। এভাবে তিনি তোমাদের জন্য তাঁর নি‘মাতসমূহ পূর্ণ করেন যাতে তোমরা তাঁর প্রতি আত্মসমর্পণ কর। [তাইসিরুল কুরআন]

পাহাড়েও আশ্রয়ের ব্যবস্থা করেছেন

আন-নাহাল, ১৬:৮১
وَاللَّهُ جَعَلَ لَكُمْ مِمَّا خَلَقَ ظِلَالًا وَجَعَلَ لَكُمْ مِنَ الْجِبَالِ أَكْنَانًا وَجَعَلَ لَكُمْ سَرَابِيلَ تَقِيكُمُ الْحَرَّ وَسَرَابِيلَ تَقِيكُمْ بَأْسَكُمْ كَذَلِكَ يُتِمُّ نِعْمَتَهُ عَلَيْكُمْ لَعَلَّكُمْ تُسْلِمُونَ ﴿٨١﴾
আল্লাহ যা সৃষ্টি করেছেন তাত্থেকে তোমাদের জন্য ছায়ার ব্যবস্থা করেছেন, পাহাড়-পর্বতে তোমাদের আত্মগোপনের জায়গা বানিয়েছেন। তিনি তোমাদের জন্য পোশাক দিয়েছেন যা তোমাদেরকে তাপ থেকে রক্ষা করে। আর দিয়েছেন এমন পোশাক যা তোমাদেরকে সংঘাতের সময় রক্ষা করে। এভাবে তিনি তোমাদের জন্য তাঁর নি‘মাতসমূহ পূর্ণ করেন যাতে তোমরা তাঁর প্রতি আত্মসমর্পণ কর। [তাইসিরুল কুরআন]

মানুষকে বিভিন্নভাবে রোজগারের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন

আয-যুখরুফ, ৪৩:৩২
أَهُمْ يَقْسِمُونَ رَحْمَةَ رَبِّكَ نَحْنُ قَسَمْنَا بَيْنَهُمْ مَعِيشَتَهُمْ فِي الْحَيَاةِ الدُّنْيَا وَرَفَعْنَا بَعْضَهُمْ فَوْقَ بَعْضٍ دَرَجَاتٍ لِيَتَّخِذَ بَعْضُهُمْ بَعْضًا سُخْرِيًّا وَرَحْمَةُ رَبِّكَ خَيْرٌ مِمَّا يَجْمَعُونَ ﴿٣٢﴾
তোমার প্রতিপালকের রহমত কি তারা বণ্টন করে (যে তাদের মর্জিমত কুরআন নাযিল করতে হবে)? তাদের মাঝে তাদের জীবিকা আমিই বণ্টন করেছি পার্থিব জীবনে এবং মর্যাদায় এককে অন্যের উপর উন্নত করি যাতে একে অপরের সহায়তায় গ্রহণ করতে পারে। তারা যা সঞ্চয় করে, তোমার প্রতিপালকের রহমত তাত্থেকে উত্তম [তাইসিরুল কুরআন]

মালামাল পরিবহনের ব্যবস্থা করেছেন।

আন-নাহাল, ১৬:৭
وَتَحْمِلُ أَثْقَالَكُمْ إِلَى بَلَدٍ لَمْ تَكُونُوا بَالِغِيهِ إِلَّا بِشِقِّ الْأَنْفُسِ إِنَّ رَبَّكُمْ لَرَءُوفٌ رَحِيمٌ ﴿٧﴾
আর এগুলো তোমাদের ভার বোঝা বহন ক’রে এমন স্থান পর্যন্ত নিয়ে যায়, প্রাণান্তকর ক্লেশ ছাড়া যেখানে তোমরা পৌঁছতে পারতে না, তোমাদের প্রতিপালক অবশ্যই বড়ই দয়ার্দ্র, বড়ই দয়ালু। [তাইসিরুল কুরআন]

সমুদ্রে নৌকা চলার ব্যবস্থা করেছেন

ইবরাহীম, ১৪:৩২
اللَّهُ الَّذِي خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ وَأَنْزَلَ مِنَ السَّمَاءِ مَاءً فَأَخْرَجَ بِهِ مِنَ الثَّمَرَاتِ رِزْقًا لَكُمْ وَسَخَّرَ لَكُمُ الْفُلْكَ لِتَجْرِيَ فِي الْبَحْرِ بِأَمْرِهِ وَسَخَّرَ لَكُمُ الْأَنْهَارَ ﴿٣٢﴾
তিনিই আল্লাহ যিনি আসমানসমূহ ও যমীন সৃষ্টি করেছেন, তিনি আকাশ হতে পানি বর্ষণ করেন যা দিয়ে নানা প্রকার ফলফলাদি জন্মে তোমাদের জীবিকার জন্য। তিনি নৌযানগুলোকে তোমাদের নিয়ন্ত্রণাধীন করে দিয়েছেন, যাতে সেগুলো তাঁর নির্দেশে সমুদ্রে চলাচল করে আর তিনি নদীগুলোকে তোমাদের অধীন করে দিয়েছেন। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ রিযিক তালাশের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন

আল-ইসরা, ১৭:৬৬
رَبُّكُمُ الَّذِي يُزْجِي لَكُمُ الْفُلْكَ فِي الْبَحْرِ لِتَبْتَغُوا مِنْ فَضْلِهِ إِنَّهُ كَانَ بِكُمْ رَحِيمًا ﴿٦٦﴾
তোমাদের (প্রকৃত) প্রতিপালক তো তিনিই, যিনি সমুদ্রে তোমাদের জন্য সুস্থিরভাবে নৌযান পরিচালনা করেন, যাতে তোমরা তাঁর অনুগ্রহ সন্ধান করতে পার, তিনি তোমাদের প্রতি বড়ই দয়ালু। [তাইসিরুল কুরআন]

রাতে বিশ্রাম ও দিনে রিযিক তালাশের সুযোগ করে দিয়েছেন :

আল-কাসাস, ২৮:৭৩
وَمِنْ رَحْمَتِهِ جَعَلَ لَكُمُ اللَّيْلَ وَالنَّهَارَ لِتَسْكُنُوا فِيهِ وَلِتَبْتَغُوا مِنْ فَضْلِهِ وَلَعَلَّكُمْ تَشْكُرُونَ ﴿٧٣﴾
তিনিই স্বীয় রহমতে তোমাদের জন্য রাত ও দিন করেছেন যাতে তোমরা তাতে আরাম করতে পার আর তাঁর অনুগ্রহ সন্ধান করতে পার এবং যাতে তোমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর। [তাইসিরুল কুরআন]

উত্তম রিযিক দান করেছেন

আল-ইসরা, ১৭:৭০
وَلَقَدْ كَرَّمْنَا بَنِي آدَمَ وَحَمَلْنَاهُمْ فِي الْبَرِّ وَالْبَحْرِ وَرَزَقْنَاهُمْ مِنَ الطَّيِّبَاتِ وَفَضَّلْنَاهُمْ عَلَى كَثِيرٍ مِمَّنْ خَلَقْنَا تَفْضِيلًا ﴿٧٠﴾
আমি আদাম সন্তানকে সম্মানিত করেছি, তাদের জন্য জলে স্থলে যানবাহনের ব্যবস্থা করেছি, তাদেরকে পবিত্র রিযক দিয়েছি আর আমি তাদেরকে আমার অধিকাংশ সৃষ্টির উপর মর্যাদায় শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছি। [তাইসিরুল কুরআন]

আগুন জ্বালানোর ব্যবস্থা করে দিয়েছেন :

ইয়াসীন, ৩৬:৮০
الَّذِي جَعَلَ لَكُمْ مِنَ الشَّجَرِ الْأَخْضَرِ نَارًا فَإِذَا أَنْتُمْ مِنْهُ تُوقِدُونَ ﴿٨٠﴾
যিনি তোমাদের জন্য সবুজ গাছ হতে আগুন তৈরি করেছেন, অতঃপর তোমরা তাত্থেকে আগুন জ্বালাও। [তাইসিরুল কুরআন]

পৃথিবীর সবকিছু মানুষের অধীন করে দিয়েছেন

আল-হজ্জ, ২২:৬৫
أَلَمْ تَرَ أَنَّ اللَّهَ سَخَّرَ لَكُمْ مَا فِي الْأَرْضِ وَالْفُلْكَ تَجْرِي فِي الْبَحْرِ بِأَمْرِهِ وَيُمْسِكُ السَّمَاءَ أَنْ تَقَعَ عَلَى الْأَرْضِ إِلَّا بِإِذْنِهِ إِنَّ اللَّهَ بِالنَّاسِ لَرَءُوفٌ رَحِيمٌ ﴿٦٥﴾
তুমি কি লক্ষ্য কর না যে, পৃথিবীতে যা কিছু আছে সব তিনি তোমাদের কল্যাণ-কাজে লাগিয়ে রেখেছেন। আর নৌযানগুলো সমুদ্রে চলাচল করে তাঁর হুকুমেই? তিনিই আকাশকে স্থির রাখেন যাতে তা পৃথিবীতে পতিত না হয় তাঁর অনুমতি ছাড়া। আল্লাহ মানুষের প্রতি নিশ্চিতই বড়ই করুণাশীল, বড়ই দয়াবান। [তাইসিরুল কুরআন]
ইবরাহীম, ১৪:৩৩
وَسَخَّرَ لَكُمُ الشَّمْسَ وَالْقَمَرَ دَائِبَيْنِ وَسَخَّرَ لَكُمُ اللَّيْلَ وَالنَّهَارَ ﴿٣٣﴾
তিনি সূর্য ও চন্দ্রকে তোমাদের কাজে লাগিয়ে রেখেছেন, তারা অনুগত হয়ে নিজ পথে চলছে। আর তিনি রাত ও দিনকে তোমাদের কাজে লাগিয়ে রেখেছেন। [তাইসিরুল কুরআন]
লুকমান, ৩১:২০
أَلَمْ تَرَوْا أَنَّ اللَّهَ سَخَّرَ لَكُمْ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَمَا فِي الْأَرْضِ وَأَسْبَغَ عَلَيْكُمْ نِعَمَهُ ظَاهِرَةً وَبَاطِنَةً وَمِنَ النَّاسِ مَنْ يُجَادِلُ فِي اللَّهِ بِغَيْرِ عِلْمٍ وَلَا هُدًى وَلَا كِتَابٍ مُنِيرٍ ﴿٢٠﴾
তোমরা কি লক্ষ্য কর না যে, যা কিছু আসমানসমূহে আর যমীনে আছে, আল্লাহ সমস্তই তোমাদের কল্যাণে নিয়োজিত করেছেন এবং তোমাদের প্রতি তাঁর প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য নি‘য়ামাতসমূহ পরিপূর্ণ করে দিয়েছেন? কতক মানুষ জ্ঞান ছাড়াই আল্লাহ সম্বন্ধে বাক-বিতন্ডা করে, তাদের না আছে সঠিক পথের দিশা, আর না আছে কোন আলোপ্রদ কিতাব। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-জাসিয়া, ৪৫:১৩
وَسَخَّرَ لَكُمْ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَمَا فِي الْأَرْضِ جَمِيعًا مِنْهُ إِنَّ فِي ذَلِكَ لَآيَاتٍ لِقَوْمٍ يَتَفَكَّرُونَ ﴿١٣﴾
আর তিনি তোমাদের কল্যাণে নিয়োজিত রেখেছেন যা আছে আকাশে আর যা আছে যমীনে সেগুলোর সব কিছুকে। এতে চিন্তাশীল মানুষদের জন্য অবশ্যই অনেক নিদর্শন আছে। [তাইসিরুল কুরআন]

তিনি মানুষের জীবিকা উৎপন্ন করেন

আন-নাহাল, ১৬:১১
يُنْبِتُ لَكُمْ بِهِ الزَّرْعَ وَالزَّيْتُونَ وَالنَّخِيلَ وَالْأَعْنَابَ وَمِنْ كُلِّ الثَّمَرَاتِ إِنَّ فِي ذَلِكَ لَآيَةً لِقَوْمٍ يَتَفَكَّرُونَ ﴿١١﴾
তিনি তা দিয়ে তোমাদের জন্য জন্মান শস্য, যায়তূন, খেজুর, আঙ্গুর এবং সর্বপ্রকার ফল। এতে চিন্তাশীল মানুষদের জন্য নিদর্শন রয়েছে। [তাইসিরুল কুরআন]
আয-যারিয়াত, ৫১:৩১
قَالَ فَمَا خَطْبُكُمْ أَيُّهَا الْمُرْسَلُونَ ﴿٣١﴾
ইবরাহীম বলল- ‘ওহে আল্লাহর দূতগণ (ফেরেশতারা)! তোমাদের কাজ কী (এখন)?’ [তাইসিরুল কুরআন]

পালনের মধ্যে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দিয়েছেন

আন-নাহাল, ১৬:৬
وَلَكُمْ فِيهَا جَمَالٌ حِينَ تُرِيحُونَ وَحِينَ تَسْرَحُونَ ﴿٦﴾
তোমরা গর্বভরে সৌন্দর্য অনুভব কর যখন তোমরা সন্ধ্যাবেলা সেগুলোকে বাড়ীর পানে হাঁকিয়ে আন আর সকাল বেলা বিচরণের জন্য পাঠাও। [তাইসিরুল কুরআন]

চামড়ার উপকরণ ও গোশত দিয়েছেন

আন-নাহাল, ১৬:৫
وَالْأَنْعَامَ خَلَقَهَا لَكُمْ فِيهَا دِفْءٌ وَمَنَافِعُ وَمِنْهَا تَأْكُلُونَ ﴿٥﴾
তিনি চতুস্পদ জন্তু সৃষ্টি করেছেন এবং তাতে তোমাদের জন্য আছে (শীত) নিবারক আর বহু উপকারিতাও, আর সেগুলো থেকে তোমরা আহার কর। [তাইসিরুল কুরআন]

পশুর পশমকেও উপকারী করেছেন

আন-নাহাল, ১৬:৮০
وَاللَّهُ جَعَلَ لَكُمْ مِنْ بُيُوتِكُمْ سَكَنًا وَجَعَلَ لَكُمْ مِنْ جُلُودِ الْأَنْعَامِ بُيُوتًا تَسْتَخِفُّونَهَا يَوْمَ ظَعْنِكُمْ وَيَوْمَ إِقَامَتِكُمْ وَمِنْ أَصْوَافِهَا وَأَوْبَارِهَا وَأَشْعَارِهَا أَثَاثًا وَمَتَاعًا إِلَى حِينٍ ﴿٨٠﴾
আল্লাহ তোমাদের গৃহগুলোকে তোমাদের আরাম শান্তির জায়গা বানিয়ে দিয়েছেন। তিনি পশুর চামড়া থেকে তোমাদের জন্য এমন গৃহের ব্যবস্থা করেছেন যা তোমরা হালকাবোধ কর তোমাদের ভ্রমণকালে কিংবা অবস্থানকালে। তিনি ওগুলোর পশম, লোম আর চুল থেকে তোমাদের পরিধেয় ও ব্যবহার্য সামগ্রীর ব্যবস্থা করেছেন যা তোমরা কিছুকাল পর্যন্ত কাজে লাগাও। [তাইসিরুল কুরআন]

মেঘ বহনকারী বাতাস প্রেরণ করেন

ফাতির, ৩৫:৯
وَاللَّهُ الَّذِي أَرْسَلَ الرِّيَاحَ فَتُثِيرُ سَحَابًا فَسُقْنَاهُ إِلَى بَلَدٍ مَيِّتٍ فَأَحْيَيْنَا بِهِ الْأَرْضَ بَعْدَ مَوْتِهَا كَذَلِكَ النُّشُورُ ﴿٩﴾
আল্লাহ, যিনি বায়ু প্রেরণ করেন, অতঃপর তা মেঘ সঞ্চার করে, অতঃপর আমি তা নির্জীব ভূখন্ডের দিকে পরিচালিত করি। অতঃপর আমি তা দিয়ে মৃত্তিকাকে তার মৃত্যুর পর আবার সঞ্জীবিত করি। এভাবেই (ঘটবে) পুনরুত্থান। [তাইসিরুল কুরআন]

মেঘ বহনকারী বাতাস প্রেরণ করেন

কোনো আয়াত নেই।

আল্লাহ আকাশ হতে বৃষ্টি বর্ষণ করেন

আল-বাকারা, ২:২২
الَّذِي جَعَلَ لَكُمُ الْأَرْضَ فِرَاشًا وَالسَّمَاءَ بِنَاءً وَأَنْزَلَ مِنَ السَّمَاءِ مَاءً فَأَخْرَجَ بِهِ مِنَ الثَّمَرَاتِ رِزْقًا لَكُمْ فَلَا تَجْعَلُوا لِلَّهِ أَنْدَادًا وَأَنْتُمْ تَعْلَمُونَ ﴿٢٢﴾
যিনি তোমাদের জন্য পৃথিবীকে বিছানা ও আকাশকে ছাদ করেছেন এবং আকাশ হতে পানি বর্ষণ ক’রে তদ্বারা তোমাদের জীবিকার জন্য ফলমূল উৎপাদন করেন, কাজেই জেনে বুঝে কাউকেও আল্লাহর সমকক্ষ দাঁড় করো না। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-ফুরকান, ২৫:৪৮
وَهُوَ الَّذِي أَرْسَلَ الرِّيَاحَ بُشْرًا بَيْنَ يَدَيْ رَحْمَتِهِ وَأَنْزَلْنَا مِنَ السَّمَاءِ مَاءً طَهُورًا ﴿٤٨﴾
তিনিই তার (বৃষ্টিরূপী) অনুগ্রহের পূর্বে সুসংবাদ হিসেবে বায়ু পাঠিয়ে দেন আর আমি আকাশ থেকে বিশুদ্ধ পানি বর্ষণ করি। [তাইসিরুল কুরআন]

প্রাণীকুলের পিপাসা নিবারণ করেন

আল-ফুরকান, ২৫:৪৯
لِنُحْيِيَ بِهِ بَلْدَةً مَيْتًا وَنُسْقِيَهُ مِمَّا خَلَقْنَا أَنْعَامًا وَأَنَاسِيَّ كَثِيرًا ﴿٤٩﴾
যা দিয়ে আমি মৃত যমীনকে জীবিত করে তুলি এবং তৃষ্ণা নিবারণ করি আমার সৃষ্টির অন্তর্গত অনেক জীবজন্তুর ও মানুষের। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-হিজর, ১৫:২২
وَأَرْسَلْنَا الرِّيَاحَ لَوَاقِحَ فَأَنْزَلْنَا مِنَ السَّمَاءِ مَاءً فَأَسْقَيْنَاكُمُوهُ وَمَا أَنْتُمْ لَهُ بِخَازِنِينَ ﴿٢٢﴾
আমি বৃষ্টি-সঞ্চারী বাতাস প্রেরণ করি, অতঃপর আসমান থেকে পানি বর্ষণ করি আর তা তোমাদের পান করাই, তোমরা তার স্টোর কীপার নও। [তাইসিরুল কুরআন]

প্রাণীকুলের পিপাসা নিবারণ করেন

কোনো আয়াত নেই।

পানি দ্বারা ফসল উৎপাদন করেন

আল-মুমিনুন, ২৩:১৯
فَأَنْشَأْنَا لَكُمْ بِهِ جَنَّاتٍ مِنْ نَخِيلٍ وَأَعْنَابٍ لَكُمْ فِيهَا فَوَاكِهُ كَثِيرَةٌ وَمِنْهَا تَأْكُلُونَ ﴿١٩﴾
অতঃপর আমি তা দিয়ে তোমাদের জন্য খেজুর ও আঙ্গুরের বাগান সৃষ্টি করি, ওতে তোমাদের জন্য আছে পর্যাপ্ত ফল, যাথেকে তোমরা খাও (আর সুখভোগ কর)। [তাইসিরুল কুরআন]

পৃথিবীর পানিকে সংরক্ষণ করেন

আল-মুমিনুন, ২৩:১৮
وَأَنْزَلْنَا مِنَ السَّمَاءِ مَاءً بِقَدَرٍ فَأَسْكَنَّاهُ فِي الْأَرْضِ وَإِنَّا عَلَى ذَهَابٍ بِهِ لَقَادِرُونَ ﴿١٨﴾
আমি আকাশ থেকে পরিমিত বৃষ্টি বর্ষণ করি, অতঃপর আমি তা যমীনে সংরক্ষণ করি আর আমি পানিকে সরিয়ে দিতে অবশ্যই সক্ষম। [তাইসিরুল কুরআন]

দুই সাগরের মধ্যখানে পর্দা সৃষ্টি করেছেন

আল-ফুরকান, ২৫:৫৩
وَهُوَ الَّذِي مَرَجَ الْبَحْرَيْنِ هَذَا عَذْبٌ فُرَاتٌ وَهَذَا مِلْحٌ أُجَاجٌ وَجَعَلَ بَيْنَهُمَا بَرْزَخًا وَحِجْرًا مَحْجُورًا ﴿٥٣﴾
তিনিই সমুদ্রকে দু’ ধারায় প্রবাহিত করেছেন- একটি সুপেয় সুস্বাদু আরেকটি লবণাক্ত কটু, উভয়ের মাঝে টেনে দিয়েছেন এক আবরণ- এক অনতিক্রম্য বিভক্তি-প্রাচীর। [তাইসিরুল কুরআন]
আর-রাহমান, ৫৫:১৯
مَرَجَ الْبَحْرَيْنِ يَلْتَقِيَانِ ﴿١٩﴾
দু’টি সমুদ্রকে তিনিই প্রবাহিত করেন যারা পরস্পর মিলিত হয়, [তাইসিরুল কুরআন]
আর-রাহমান, ৫৫:২০
بَيْنَهُمَا بَرْزَخٌ لَا يَبْغِيَانِ ﴿٢٠﴾
(কিন্তু তা সত্ত্বেও) উভয়ের মাঝে আছে এক আড়াল যা তারা অতিক্রম করতে পারে না। [তাইসিরুল কুরআন]

দুই সাগরের মধ্যখানে পর্দা সৃষ্টি করেছেন

কোনো আয়াত নেই।

সমুদ্রে মাছ ও অলঙ্কার দিয়েছেন

ফাতির, ৩৫:১২
وَمَا يَسْتَوِي الْبَحْرَانِ هَذَا عَذْبٌ فُرَاتٌ سَائِغٌ شَرَابُهُ وَهَذَا مِلْحٌ أُجَاجٌ وَمِنْ كُلٍّ تَأْكُلُونَ لَحْمًا طَرِيًّا وَتَسْتَخْرِجُونَ حِلْيَةً تَلْبَسُونَهَا وَتَرَى الْفُلْكَ فِيهِ مَوَاخِرَ لِتَبْتَغُوا مِنْ فَضْلِهِ وَلَعَلَّكُمْ تَشْكُرُونَ ﴿١٢﴾
দু’টি দরিয়াও এক রকম নয়। একটি সুমিষ্ট, সুস্বাদু, সুপেয়; অন্যটি লবণাক্ত, বিস্বাদ। তথাপি তোমরা সকল (প্রকার পানি) থেকে তাজা গোশত আহার কর আর বের কর অলংকার- পরিধান করার জন্যে। তোমরা দেখতে পাও নৌযানগুলো ঢেউয়ের বুক চিরে চলাচল করে যাতে তোমরা তাঁর অনুগ্রহ খোঁজ করতে পার, আর যাতে তোমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর। [তাইসিরুল কুরআন]
আর-রাহমান, ৫৫:২২
يَخْرُجُ مِنْهُمَا اللُّؤْلُؤُ وَالْمَرْجَانُ ﴿٢٢﴾
এ সব দরিয়া হতে বের হয় মুক্তা ও প্রবাল, [তাইসিরুল কুরআন]
আন-নাহাল, ১৬:১৪
وَهُوَ الَّذِي سَخَّرَ الْبَحْرَ لِتَأْكُلُوا مِنْهُ لَحْمًا طَرِيًّا وَتَسْتَخْرِجُوا مِنْهُ حِلْيَةً تَلْبَسُونَهَا وَتَرَى الْفُلْكَ مَوَاخِرَ فِيهِ وَلِتَبْتَغُوا مِنْ فَضْلِهِ وَلَعَلَّكُمْ تَشْكُرُونَ ﴿١٤﴾
তিনিই সমুদ্রকে কল্যাণে নিয়োজিত রেখেছেন যাতে তোমরা তাত্থেকে তাজা গোশত খেতে পার, আর তাত্থেকে তোমরা রত্নরাজি সংগ্রহ করতে পার যা তোমরা অলংকার হিসেবে পরিধান কর। আর নৌযানগুলোকে তোমরা দেখতে পাও ঢেউয়ের বুক চিরে তাতে চলাচল করে, যাতে তোমরা তাঁর অনুগ্রহ তালাশ করতে পার আর শোকর আদায় করতে পার। [তাইসিরুল কুরআন]

তিনি বৃষ্টি দ্বারা মৃত জমিনকে ফসলের উপযোগী করেন :

আল-হজ্জ, ২২:৬৩
أَلَمْ تَرَ أَنَّ اللَّهَ أَنْزَلَ مِنَ السَّمَاءِ مَاءً فَتُصْبِحُ الْأَرْضُ مُخْضَرَّةً إِنَّ اللَّهَ لَطِيفٌ خَبِيرٌ ﴿٦٣﴾
তুমি কি লক্ষ্য কর না যে, আল্লাহ আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করেন, যার ফলে পৃথিবী সবুজে আচ্ছাদিত হয়ে যায়, নিশ্চয় আল্লাহ সূক্ষ্ণদর্শী, সর্ববিষয়ে ওয়াকিফহাল। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-আ'রাফ, ৭:৫৭
وَهُوَ الَّذِي يُرْسِلُ الرِّيَاحَ بُشْرًا بَيْنَ يَدَيْ رَحْمَتِهِ حَتَّى إِذَا أَقَلَّتْ سَحَابًا ثِقَالًا سُقْنَاهُ لِبَلَدٍ مَيِّتٍ فَأَنْزَلْنَا بِهِ الْمَاءَ فَأَخْرَجْنَا بِهِ مِنْ كُلِّ الثَّمَرَاتِ كَذَلِكَ نُخْرِجُ الْمَوْتَى لَعَلَّكُمْ تَذَكَّرُونَ ﴿٥٧﴾
তিনি তাঁর রহমতের পূর্বে সুসংবাদের ঘোষক হিসেবে বায়ু প্রেরণ করেন, অতঃপর যখন তা মেঘের ভারী বোঝা বহন করে, তখন আমি তাকে মৃত ভূখন্ডের দিকে তাড়িয়ে নিয়ে যাই, যাত্থেকে আমি পানি বর্ষণ করি, অতঃপর তাত্থেকে আমি সর্বপ্রকার ফল উৎপন্ন করি। এভাবেই আমি মৃতকে জীবিত করি যাতে তোমরা শিক্ষা গ্রহণ কর। [তাইসিরুল কুরআন]

তেল উৎপাদনের জন্য গাছ সৃষ্টি করেছেন

আল-মুমিনুন, ২৩:২০
وَشَجَرَةً تَخْرُجُ مِنْ طُورٍ سَيْنَاءَ تَنْبُتُ بِالدُّهْنِ وَصِبْغٍ لِلْآكِلِينَ ﴿٢٠﴾
আর (আমি সৃষ্টি করি) এক বৃক্ষ যা সিনাই পর্বতে জন্মে, যাথেকে তেল উৎপন্ন হয়, আর ভক্ষণকারীদের জন্য রসনা তৃপ্তিকর। [তাইসিরুল কুরআন]

বীজ থেকে গাছ বের করেন

আল-আন'আম, ৬:৯৫
إِنَّ اللَّهَ فَالِقُ الْحَبِّ وَالنَّوَى يُخْرِجُ الْحَيَّ مِنَ الْمَيِّتِ وَمُخْرِجُ الْمَيِّتِ مِنَ الْحَيِّ ذَلِكُمُ اللَّهُ فَأَنَّى تُؤْفَكُونَ ﴿٩٥﴾
আল্লাহই হচ্ছেন শস্য দানা ও বীজ বিদীর্ণকারী, তিনি মৃত থেকে জীবন্তকে বের করেন এবং জীবন্ত থেকে মৃতকে। এই হচ্ছেন আল্লাহ; সৎপথ থেকে তোমরা কোথায় চলে যাচ্ছ? [তাইসিরুল কুরআন]

বিভিন্ন স্বাদবিশিষ্ট ফল ও বাগান বানিয়েছেন

আল-আন'আম, ৬:১৪১
وَهُوَ الَّذِي أَنْشَأَ جَنَّاتٍ مَعْرُوشَاتٍ وَغَيْرَ مَعْرُوشَاتٍ وَالنَّخْلَ وَالزَّرْعَ مُخْتَلِفًا أُكُلُهُ وَالزَّيْتُونَ وَالرُّمَّانَ مُتَشَابِهًا وَغَيْرَ مُتَشَابِهٍ كُلُوا مِنْ ثَمَرِهِ إِذَا أَثْمَرَ وَآتُوا حَقَّهُ يَوْمَ حَصَادِهِ وَلَا تُسْرِفُوا إِنَّهُ لَا يُحِبُّ الْمُسْرِفِينَ ﴿١٤١﴾
আর তিনি (আল্লাহ) যিনি লতাগুল্ম বিশিষ্ট আর লতা-বিশিষ্ট নয় এমন উদ্যানরাজি, খেজুর গাছ ও বিভিন্ন স্বাদের খাদ্যশস্য, একই ধরনের ও আলাদা ধরনের যায়তুন ও ডালিম সৃষ্টি করেছেন। যখন ফল ধরে তখন ফল খাও, আর ফসল তোলার দিন (নির্ধারিত ওশর ও অনির্ধারিত দানের মাধ্যমে) হক আদায় কর, অপচয় করো না, নিশ্চয় তিনি অপচয়কারীদের পছন্দ করেন না। [তাইসিরুল কুরআন]

সবকিছুই পরিমাণ মতো উৎপাদন করেন

আল-হিজর, ১৫:১৯
وَالْأَرْضَ مَدَدْنَاهَا وَأَلْقَيْنَا فِيهَا رَوَاسِيَ وَأَنْبَتْنَا فِيهَا مِنْ كُلِّ شَيْءٍ مَوْزُونٍ ﴿١٩﴾
আর পৃথিবী, আমি সেটাকে বিছিয়ে দিয়েছি আর তাতে পর্বতরাজি সংস্থাপিত করেছি আর তাতে সকল বস্তু উদগত করেছি যথাযথ পরিমাণে। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ পরিমাণের মধ্যে কমবেশি করেন না

আল-হিজর, ১৫:২১
وَإِنْ مِنْ شَيْءٍ إِلَّا عِنْدَنَا خَزَائِنُهُ وَمَا نُنَزِّلُهُ إِلَّا بِقَدَرٍ مَعْلُومٍ ﴿٢١﴾
এমন কোন জিনিসই নেই যার ভান্ডার আমার কাছে নেই, কিন্তু আমি সেগুলো আমার জ্ঞান মোতাবেক নির্দিষ্ট পরিমাণে সরবরাহ করে থাকি। [তাইসিরুল কুরআন]

সকল প্রাণীর জীবিকার ব্যবস্থা করেন

আল-হিজর, ১৫:২০
وَجَعَلْنَا لَكُمْ فِيهَا مَعَايِشَ وَمَنْ لَسْتُمْ لَهُ بِرَازِقِينَ ﴿٢٠﴾
আর তাতে তোমাদের জীবন ধারণের ব্যবস্থা করেছি আর তাদেরও যাদের রিযকদাতা তোমরা নও। [তাইসিরুল কুরআন]

প্রতিটি জিনিসকে পথনির্দেশ করেছেন

ত্ব-হা, ২০:৫০
قَالَ رَبُّنَا الَّذِي أَعْطَى كُلَّ شَيْءٍ خَلْقَهُ ثُمَّ هَدَى ﴿٥٠﴾
মূসা বলল, ‘আমাদের প্রতিপালক তিনি যিনি সকল (সৃষ্ট) বস্তুকে আকৃতি দান করেছেন, অতঃপর পথ প্রদর্শন করেছেন।’ [তাইসিরুল কুরআন]

মানুষকে কান, চোখ ও বোধশক্তি দিয়েছেন

আন-নাহাল, ১৬:৭৮
وَاللَّهُ أَخْرَجَكُمْ مِنْ بُطُونِ أُمَّهَاتِكُمْ لَا تَعْلَمُونَ شَيْئًا وَجَعَلَ لَكُمُ السَّمْعَ وَالْأَبْصَارَ وَالْأَفْئِدَةَ لَعَلَّكُمْ تَشْكُرُونَ ﴿٧٨﴾
আল্লাহ তোমাদেরকে তোমাদের মায়ের পেট থেকে বের করেন, তোমরা কিছুই জানতে না। তিনি তোমাদেরকে শোনার শক্তি, দেখার শক্তি আর অন্তর দান করেছেন যাতে তোমরা শোকর আদায় করতে পার। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-মুমিনুন, ২৩:৭৮
وَهُوَ الَّذِي أَنْشَأَ لَكُمُ السَّمْعَ وَالْأَبْصَارَ وَالْأَفْئِدَةَ قَلِيلًا مَا تَشْكُرُونَ ﴿٧٨﴾
তিনিই তোমাদের জন্য সৃষ্টি করেছেন কান, চোখ ও অন্তর; তোমরা কৃতজ্ঞতা অল্পই করে থাক। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-মুলক, ৬৭:২৩
قُلْ هُوَ الَّذِي أَنْشَأَكُمْ وَجَعَلَ لَكُمُ السَّمْعَ وَالْأَبْصَارَ وَالْأَفْئِدَةَ قَلِيلًا مَا تَشْكُرُونَ ﴿٢٣﴾
বলে দাও, ‘তিনিই তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন আর তোমাদেরকে দিয়েছেন শোনার ও দেখার শক্তি আর অন্তঃকরণ; তোমরা শোকর আদায় খুব অল্পই করে থাক।’ [তাইসিরুল কুরআন]

স্ত্রী ও সন্তান দান করেছেন

আন-নাহাল, ১৬:৭২
وَاللَّهُ جَعَلَ لَكُمْ مِنْ أَنْفُسِكُمْ أَزْوَاجًا وَجَعَلَ لَكُمْ مِنْ أَزْوَاجِكُمْ بَنِينَ وَحَفَدَةً وَرَزَقَكُمْ مِنَ الطَّيِّبَاتِ أَفَبِالْبَاطِلِ يُؤْمِنُونَ وَبِنِعْمَةِ اللَّهِ هُمْ يَكْفُرُونَ ﴿٧٢﴾
আল্লাহ তোমাদের স্বজাতির মধ্য হতেই তোমাদের জোড়া সৃষ্টি করেছেন আর তোমাদের জন্য তোমাদের জোড়া থেকে পুত্র-পৌত্রাদি বানিয়েছেন আর তোমাদেরকে উৎকৃষ্ট রিযক দিয়েছেন। তবুও কি তারা ভিত্তিহীন বাতিল জিনিসের উপর ঈমান পোষণ করবে আর আল্লাহর অনুগ্রহকে তারা অস্বীকার করবে? [তাইসিরুল কুরআন]

মানুষকে জ্ঞান শিক্ষা দিয়েছেন

আল-আলাক, ৯৬:৪
الَّذِي عَلَّمَ بِالْقَلَمِ ﴿٤﴾
যিনি শিক্ষা দিয়েছেন কলম দিয়ে, [তাইসিরুল কুরআন]
আল-আলাক, ৯৬:৫
عَلَّمَ الْإِنْسَانَ مَا لَمْ يَعْلَمْ ﴿٥﴾
শিক্ষা দিয়েছেন মানুষকে যা সে জানত না, [তাইসিরুল কুরআন]

কথা বলা শিখিয়েছেন

আর-রাহমান, ৫৫:৩
خَلَقَ الْإِنْسَانَ ﴿٣﴾
তিনিই মানুষ সৃষ্টি করেছেন, [তাইসিরুল কুরআন]
আর-রাহমান, ৫৫:৪
عَلَّمَهُ الْبَيَانَ ﴿٤﴾
তিনিই শিখিয়েছেন মনের কথা প্রকাশ করতে, [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ কুরআন শিক্ষা দিয়েছেন

আর-রাহমান, ৫৫:১
الرَّحْمَنُ ﴿١﴾
পরম দয়ালু (আল্লাহ), [তাইসিরুল কুরআন]
আর-রাহমান, ৫৫:২
عَلَّمَ الْقُرْآنَ ﴿٢﴾
তিনিই শিক্ষা দিয়েছেন কুরআন, [তাইসিরুল কুরআন]

নক্ষত্ররাজির মাধ্যমে মানুষ স্থলে ও সমুদ্রে অন্ধকারে পথ খুঁজে পায়।

আল-আন'আম, ৬:৯৭
وَهُوَ الَّذِي جَعَلَ لَكُمُ النُّجُومَ لِتَهْتَدُوا بِهَا فِي ظُلُمَاتِ الْبَرِّ وَالْبَحْرِ قَدْ فَصَّلْنَا الْآيَاتِ لِقَوْمٍ يَعْلَمُونَ ﴿٩٧﴾
তিনি তোমাদের জন্য নক্ষত্ররাজি সৃষ্টি করেছেন যাতে তোমরা সেগুলোর সাহায্যে জলে স্থলে অন্ধকারে পথের দিশা লাভ করতে পার। আমি আমার নিদর্শনগুলোকে জ্ঞানীদের জন্য বিশদভাবে বর্ণনা করে দিয়েছি। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ বনী ইসরাইলের উপর মেঘ দ্বারা ছায়ার ব্যবস্থা করেছিলেন।

আল-আ'রাফ, ৭:১৬০
وَقَطَّعْنَاهُمُ اثْنَتَيْ عَشْرَةَ أَسْبَاطًا أُمَمًا وَأَوْحَيْنَا إِلَى مُوسَى إِذِ اسْتَسْقَاهُ قَوْمُهُ أَنِ اضْرِبْ بِعَصَاكَ الْحَجَرَ فَانْبَجَسَتْ مِنْهُ اثْنَتَا عَشْرَةَ عَيْنًا قَدْ عَلِمَ كُلُّ أُنَاسٍ مَشْرَبَهُمْ وَظَلَّلْنَا عَلَيْهِمُ الْغَمَامَ وَأَنْزَلْنَا عَلَيْهِمُ الْمَنَّ وَالسَّلْوَى كُلُوا مِنْ طَيِّبَاتِ مَا رَزَقْنَاكُمْ وَمَا ظَلَمُونَا وَلَكِنْ كَانُوا أَنْفُسَهُمْ يَظْلِمُونَ ﴿١٦٠﴾
আমি তাদেরকে বারটি গোত্রে বা জাতিতে বিভক্ত করেছিলাম। মূসার জাতির লোকেরা যখন তার কাছে পানি চাইল তখন আমি মূসার প্রতি ওয়াহী অবতীর্ণ করলাম যে, তোমার লাঠি দিয়ে পাথরে আঘাত কর। এর ফলে তাত্থেকে বারটি ঝর্ণা উৎসারিত হল। প্রত্যেক গোত্র তাদের পানি পানের স্থান চিনে নিল, তাদেরকে মেঘের ছায়ায় আশ্রয় দিলাম, তাদের উপর আমি মান্না ও সালওয়া অবতীর্ণ করলাম আর বললাম, ‘তোমাদেরকে আমি যে জীবিকা দিয়েছি তাত্থেকে পবিত্র বস্তুগুলো আহার কর।’ (কিন্তু তারা আমার নির্দেশ অমান্য করে) আমার প্রতি কোন যুলম করেনি, প্রকৃতপক্ষে তারা নিজেদের উপরই যুলম করছিল। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ বনী ইসরাইলকে জনবলে সংখ্যাধিক করে দিলেন।

আল-ইসরা, ১৭:৬
ثُمَّ رَدَدْنَا لَكُمُ الْكَرَّةَ عَلَيْهِمْ وَأَمْدَدْنَاكُمْ بِأَمْوَالٍ وَبَنِينَ وَجَعَلْنَاكُمْ أَكْثَرَ نَفِيرًا ﴿٦﴾
অতঃপর আমি তোমাদেরকে তাদের উপর বিজয় দান করলাম আর তোমাদেরকে ধন-সম্পদ আর সন্তানাদি দিয়ে সাহায্য করলাম, তোমাদেরকে জনবলে বহুগুণ বাড়িয়ে দিলাম। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ তাঁর দান দ্বারা দুনিয়াকামী ও পরকালকামী উভয় দলকেই সাহায্য করেন।

আল-ইসরা, ১৭:২০
كُلًّا نُمِدُّ هَؤُلَاءِ وَهَؤُلَاءِ مِنْ عَطَاءِ رَبِّكَ وَمَا كَانَ عَطَاءُ رَبِّكَ مَحْظُورًا ﴿٢٠﴾
তোমার প্রতিপালকের দান থেকে আমি এদেরকে আর ওদেরকে সকলকেই সাহায্য করে থাকি, তোমার প্রতিপালকের দান তো বন্ধ হওয়ার নয়। [তাইসিরুল কুরআন]

ঐ দুটি বাগানের প্রত্যেকটিই তার ফল দান করেছিল।

আল-কাহফ, ১৮:৩৩
كِلْتَا الْجَنَّتَيْنِ آتَتْ أُكُلَهَا وَلَمْ تَظْلِمْ مِنْهُ شَيْئًا وَفَجَّرْنَا خِلَالَهُمَا نَهَرًا ﴿٣٣﴾
দু’টো বাগানই ফল দিত, এতে এতটুকু ত্রুটি করত না। এ দু’য়ের মাঝে আমি ঝর্ণাধারা প্রবাহিত করেছিলাম। [তাইসিরুল কুরআন]

বাগান দুটি ফলদানে কোনো কমতি করেনি।

আল-কাহফ, ১৮:৩৩
كِلْتَا الْجَنَّتَيْنِ آتَتْ أُكُلَهَا وَلَمْ تَظْلِمْ مِنْهُ شَيْئًا وَفَجَّرْنَا خِلَالَهُمَا نَهَرًا ﴿٣٣﴾
দু’টো বাগানই ফল দিত, এতে এতটুকু ত্রুটি করত না। এ দু’য়ের মাঝে আমি ঝর্ণাধারা প্রবাহিত করেছিলাম। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ ইবরাহিমকে (আঃ) পুত্র ইসহাক ও পৌত্র ইয়াকুবকে দান করেছিলেন।

আল-আনকাবূত, ২৯:২৭
وَوَهَبْنَا لَهُ إِسْحَاقَ وَيَعْقُوبَ وَجَعَلْنَا فِي ذُرِّيَّتِهِ النُّبُوَّةَ وَالْكِتَابَ وَآتَيْنَاهُ أَجْرَهُ فِي الدُّنْيَا وَإِنَّهُ فِي الْآخِرَةِ لَمِنَ الصَّالِحِينَ ﴿٢٧﴾
আমি তাকে দান করেছিলাম ইসহাক্ব ও ইয়া‘কুব, তার বংশধরদের জন্য স্থির করেছিলাম নবূওয়াত ও কিতাব, আর তাকে প্রতিদান দিয়েছিলাম দুনিয়াতে, এবং আখিরাতেও অবশ্যই সে সৎকর্মশীলদের অন্তর্ভুক্ত। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ ইবরাহিমকে (আঃ) দুনিয়াতে তাঁর পুরস্কার প্রদান করেছিলেন।

আল-আনকাবূত, ২৯:২৭
وَوَهَبْنَا لَهُ إِسْحَاقَ وَيَعْقُوبَ وَجَعَلْنَا فِي ذُرِّيَّتِهِ النُّبُوَّةَ وَالْكِتَابَ وَآتَيْنَاهُ أَجْرَهُ فِي الدُّنْيَا وَإِنَّهُ فِي الْآخِرَةِ لَمِنَ الصَّالِحِينَ ﴿٢٧﴾
আমি তাকে দান করেছিলাম ইসহাক্ব ও ইয়া‘কুব, তার বংশধরদের জন্য স্থির করেছিলাম নবূওয়াত ও কিতাব, আর তাকে প্রতিদান দিয়েছিলাম দুনিয়াতে, এবং আখিরাতেও অবশ্যই সে সৎকর্মশীলদের অন্তর্ভুক্ত। [তাইসিরুল কুরআন]

এবং আল্লাহ হলেন মহান দাতা।

সোয়াদ, ৩৮:৯
أَمْ عِنْدَهُمْ خَزَائِنُ رَحْمَةِ رَبِّكَ الْعَزِيزِ الْوَهَّابِ ﴿٩﴾
(রহমতের ভান্ডার আছে আমার কাছে, তাত্থেকে যাকে যতখানি ইচ্ছে আমি দেই) তাদের কাছে কি তোমার প্রতিপালকের রহমতের ভান্ডার আছে যিনি মহা প্রতাপশালী, অসীম দাতা? [তাইসিরুল কুরআন]

মুমিনদের সঠিক পথপ্রাপ্ত হওয়া আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি অনুগ্রহ ও নিয়ামত।

আল-হুজুরাত, ৪৯:৮
فَضْلًا مِنَ اللَّهِ وَنِعْمَةً وَاللَّهُ عَلِيمٌ حَكِيمٌ ﴿٨﴾
(যা) আল্লাহর করুণা ও অনুগ্রহ। আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়। [তাইসিরুল কুরআন]

সুতরাং, হে মানুষ ও জিন, তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন কোন নিয়ামতকে অস্বীকার করবে?

আর-রাহমান, ৫৫:১৩
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿١٣﴾
অতএব (হে জ্বিন ও মানুষ!) তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ কোন্ নিয়ামতকে অস্বীকার করবে? [তাইসিরুল কুরআন]

সুতরাং, হে জিন ও মানব, তোমরা তোমাদের রবের কোন কোন অনুগ্রহ অস্বীকার করবে?

আর-রাহমান, ৫৫:১৬
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿١٦﴾
অতএব (হে জ্বিন ও মানুষ!) তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ কোন্ নি‘মাতকে অস্বীকার করবে? [তাইসিরুল কুরআন]

অতএব, হে জিন ও মানব, তোমরা তোমাদের রবের কোন কোন অনুগ্রহ অস্বীকার করবে?

আর-রাহমান, ৫৫:১৮
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿١٨﴾
অতএব (হে জ্বিন ও মানুষ!) তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ কোন্ নি‘মাতকে অস্বীকার করবে? [তাইসিরুল কুরআন]

সুতরাং, হে জিন ও মানবজাতি, তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন কোন অনুগ্রহ অস্বীকার করবে?

আর-রাহমান, ৫৫:২৫
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٢٥﴾
অতএব (হে জ্বিন ও মানুষ!) তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ কোন্ নি‘মাতকে অস্বীকার করবে? [তাইসিরুল কুরআন]

হে জিন ও মানব, তোমরা তোমাদের রবের কোন কোন অনুগ্রহকে অস্বীকার করবে?

আর-রাহমান, ৫৫:২৮
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٢٨﴾
অতএব (হে জ্বিন ও মানুষ!) তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ কোন্ নি‘মাতকে অস্বীকার করবে? [তাইসিরুল কুরআন]

হে জিন ও মানবজাতি, তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন কোন অনুগ্রহকে অস্বীকার করবে?

আর-রাহমান, ৫৫:৩০
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٣٠﴾
অতএব (হে জ্বিন ও মানুষ!) তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ কোন্ নি‘মাতকে অস্বীকার করবে? [তাইসিরুল কুরআন]

হে মানব ও জ্বিন, তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন কোন অনুগ্রহ অস্বীকার করবে?

আর-রাহমান, ৫৫:৩২
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٣٢﴾
অতএব (হে জ্বিন ও মানুষ!) তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ কোন্ নি‘মাতকে অস্বীকার করবে? [তাইসিরুল কুরআন]

সুতরাং, হে জিন ও মানবজাতি, তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন কোন অনুগ্রহ অস্বীকার করবে?

আর-রাহমান, ৫৫:৩৪
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٣٤﴾
অতএব (হে জ্বিন ও মানুষ!) তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ কোন্ নি‘মাতকে অস্বীকার করবে? [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ জিন ও মানবজাতিকে প্রশ্ন করেন যে তারা তাদের প্রতিপালকের কোন অনুগ্রহকে অস্বীকার করবে।

আর-রাহমান, ৫৫:৩৬
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٣٦﴾
অতএব (হে জ্বিন ও মানুষ!) তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ কোন্ নি‘মাতকে অস্বীকার করবে? [তাইসিরুল কুরআন]

হে জ্বিন ও মানবজাতি, তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ কোন্ অনুগ্রহ অস্বীকার করবে?

আর-রাহমান, ৫৫:৩৮
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٣٨﴾
অতএব (হে জ্বিন ও মানুষ!) তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ কোন্ নি‘মাতকে অস্বীকার করবে? [তাইসিরুল কুরআন]

অতএব, হে মানুষ ও জিন, তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন কোন অনুগ্রহকে অস্বীকার করবে?

আর-রাহমান, ৫৫:৪৫
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٤٥﴾
অতএব (হে জ্বিন ও মানুষ!) তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ কোন্ নি‘মাতকে অস্বীকার করবে? [তাইসিরুল কুরআন]

অতএব, হে মানুষ ও জিন, তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন কোন অনুগ্রহ অস্বীকার করবে?

আর-রাহমান, ৫৫:৪৯
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٤٩﴾
অতএব (হে জ্বিন ও মানুষ!) তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ কোন্ নি‘মাতকে অস্বীকার করবে? [তাইসিরুল কুরআন]

অতএব, হে জিন ও মানবজাতি, তোমরা তোমাদের রবের কোন কোন অনুগ্রহকে অস্বীকার করবে?

আর-রাহমান, ৫৫:৫১
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٥١﴾
অতএব (হে জ্বিন ও মানুষ!) তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ কোন্ নি‘মাতকে অস্বীকার করবে? [তাইসিরুল কুরআন]

অতএব, হে জিন ও মানব, তোমরা তোমাদের রবের কোন কোন অনুগ্রহ অস্বীকার করবে?

আর-রাহমান, ৫৫:৫৩
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٥٣﴾
অতএব (হে জ্বিন ও মানুষ!) তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ কোন্ নি‘মাতকে অস্বীকার করবে? [তাইসিরুল কুরআন]

অতএব, হে জিন ও মানব, তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন কোন অনুগ্রহকে অস্বীকার করবে?

আর-রাহমান, ৫৫:৫৫
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٥٥﴾
অতএব (হে জ্বিন ও মানুষ!) তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ কোন্ নি‘মাতকে অস্বীকার করবে? [তাইসিরুল কুরআন]

অতএব, হে জ্বিন ও মানবজাতি, তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন কোন অনুগ্রহকে অস্বীকার করবে?

আর-রাহমান, ৫৫:৫৭
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٥٧﴾
অতএব (হে জ্বিন ও মানুষ!) তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ কোন্ নি‘মাতকে অস্বীকার করবে? [তাইসিরুল কুরআন]

হে মানুষ ও জ্বিন, তোমরা তোমাদের রবের কোন কোন নিয়ামতকে অস্বীকার করবে?

আর-রাহমান, ৫৫:৫৯
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٥٩﴾
অতএব (হে জ্বিন ও মানুষ!) তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ কোন্ নি‘মাতকে অস্বীকার করবে? [তাইসিরুল কুরআন]

অতএব, তোমরা উভয়ে (মানুষ ও জিন) তোমাদের প্রতিপালকের কোন কোন অনুগ্রহকে অস্বীকার করবে?

আর-রাহমান, ৫৫:৬১
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٦١﴾
অতএব (হে জ্বিন ও মানুষ!) তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ কোন্ নি‘মাতকে অস্বীকার করবে? [তাইসিরুল কুরআন]

হে মানুষ ও জিন, তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন অনুগ্রহকে অস্বীকার করবে?

আর-রাহমান, ৫৫:৬৩
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٦٣﴾
অতএব (হে জ্বিন ও মানুষ!) তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ কোন্ নি‘মাতকে অস্বীকার করবে? [তাইসিরুল কুরআন]

অতএব, হে জিন ও মানবজাতি, তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন কোন অনুগ্রহকে অস্বীকার করবে?

আর-রাহমান, ৫৫:৬৫
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٦٥﴾
অতএব (হে জ্বিন ও মানুষ!) তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ কোন্ নি‘মাতকে অস্বীকার করবে? [তাইসিরুল কুরআন]

সুতরাং, হে জিন ও মানবজাতি, তোমরা তোমাদের রবের কোন কোন নিয়ামতকে অস্বীকার করবে?

আর-রাহমান, ৫৫:৬৭
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٦٧﴾
অতএব (হে জ্বিন ও মানুষ!) তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ কোন্ নি‘মাতকে অস্বীকার করবে? [তাইসিরুল কুরআন]

হে মানুষ ও জিন, তোমরা তোমাদের রবের কোন কোন নিয়ামতকে অস্বীকার করবে?

আর-রাহমান, ৫৫:৬৯
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٦٩﴾
অতএব (হে জ্বিন ও মানুষ!) তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ কোন্ নি‘মাতকে অস্বীকার করবে? [তাইসিরুল কুরআন]

অতএব, হে জিন ও মানবজাতি, তোমরা তোমাদের রবের কোন কোন নিয়ামতকে অস্বীকার করবে?

আর-রাহমান, ৫৫:৭১
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٧١﴾
অতএব (হে জ্বিন ও মানুষ!) তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ কোন্ নি‘মাতকে অস্বীকার করবে? [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ জিন ও মানব উভয়কে প্রশ্ন করেন, তারা তাদের প্রতিপালকের কোন কোন অনুগ্রহকে অস্বীকার করবে।

আর-রাহমান, ৫৫:৭৩
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٧٣﴾
অতএব (হে জ্বিন ও মানুষ!) তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ কোন্ নি‘মাতকে অস্বীকার করবে? [তাইসিরুল কুরআন]

হে জিন ও মানব, তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন কোন অনুগ্রহকে অস্বীকার করবে?

আর-রাহমান, ৫৫:৭৫
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٧٥﴾
অতএব (হে জ্বিন ও মানুষ!) তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ কোন্ নি‘মাতকে অস্বীকার করবে? [তাইসিরুল কুরআন]

এবং সকল অনুগ্রহ সম্পূর্ণরূপে আল্লাহরই হাতে।

আল-হাদীদ, ৫৭:২৯
لِئَلَّا يَعْلَمَ أَهْلُ الْكِتَابِ أَلَّا يَقْدِرُونَ عَلَى شَيْءٍ مِنْ فَضْلِ اللَّهِ وَأَنَّ الْفَضْلَ بِيَدِ اللَّهِ يُؤْتِيهِ مَنْ يَشَاءُ وَاللَّهُ ذُو الْفَضْلِ الْعَظِيمِ ﴿٢٩﴾
(আমি আহলে কিতাব ছাড়া অন্যত্র নুবুওয়াত দিলাম) এ জন্য যে, আহলে কিতাবগণ যেন জেনে নিতে পারে যে, আল্লাহর অনুগ্রহের কোন কিছুকেই তাদের নিয়ন্ত্রণ করার কোন ক্ষমতা নেই, আর (তারা যেন আরো জেনে নিতে পারে যে) অনুগ্রহ একমাত্র আল্লাহর হাতেই, যাকে ইচ্ছে তিনিই তা দেন। আল্লাহ বিশাল অনুগ্রহের অধিকারী। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ কুরাইশকে শীতকালীন যাত্রায় অভ্যস্ত করেছেন।

আল-কুরাইশ, ১০৬:২
إِيْلَافِهِمْ رِحْلَةَ الشِّتَاءِ وَالصَّيْفِ ﴿٢﴾
(অর্থাৎ) শীত ও গ্রীষ্মে তাদের বিদেশ সফরে অভ্যস্ত হওয়ার (কারণে) [তাইসিরুল কুরআন]

এবং আল্লাহ কুরাইশকে গ্রীষ্মকালীন যাত্রায়ও অভ্যস্ত করেছেন।

আল-কুরাইশ, ১০৬:২
إِيْلَافِهِمْ رِحْلَةَ الشِّتَاءِ وَالصَّيْفِ ﴿٢﴾
(অর্থাৎ) শীত ও গ্রীষ্মে তাদের বিদেশ সফরে অভ্যস্ত হওয়ার (কারণে) [তাইসিরুল কুরআন]
ফন্ট সাইজ
15px
17px