বিষয়ভিত্তিক কুরআন > আল্লাহ সৃষ্টিকর্তা ও মহাপরিচালক
আল্লাহ সবকিছুর সৃষ্টিকর্তা
আল-আন'আম, ৬:১০২ ⋮
ذَلِكُمُ اللَّهُ رَبُّكُمْ لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ خَالِقُ كُلِّ شَيْءٍ فَاعْبُدُوهُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ وَكِيلٌ ﴿١٠٢﴾
এই হলেন তোমাদের প্রতিপালক, তিনি ছাড়া সত্যিকারের কোন ইলাহ নেই, সব কিছুর স্রষ্টা; কাজেই তোমরা তাঁরই ‘ইবাদাত কর, তিনি সমস্ত বিষয়ের র্কমবিধায়ক। [তাইসিরুল কুরআন]
আয-যুমার, ৩৯:৬২ ⋮
اللَّهُ خَالِقُ كُلِّ شَيْءٍ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ وَكِيلٌ ﴿٦٢﴾
আল্লাহ সব কিছুর স্রষ্টা আর তিনি সব কিছুর অভিভাবক এবং কর্ম সম্পাদনকারী। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ যা ইচ্ছা সৃষ্টি করেন
আল-কাসাস, ২৮:৬৮ ⋮
وَرَبُّكَ يَخْلُقُ مَا يَشَاءُ وَيَخْتَارُ مَا كَانَ لَهُمُ الْخِيَرَةُ سُبْحَانَ اللَّهِ وَتَعَالَى عَمَّا يُشْرِكُونَ ﴿٦٨﴾
তোমার প্রতিপালক যা ইচ্ছে সৃষ্টি করেন আর যাকে ইচ্ছে মনোনীত করেন। এতে তাদের কোন এখতিয়ার নেই, আল্লাহ পবিত্র, মহান। তারা যাকে শরীক করে তাত্থেকে তিনি বহু ঊর্ধ্বে। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহর সকল সৃষ্টিই সুন্দর
আস-সাজদাহ, ৩২:৭ ⋮
الَّذِي أَحْسَنَ كُلَّ شَيْءٍ خَلَقَهُ وَبَدَأَ خَلْقَ الْإِنْسَانِ مِنْ طِينٍ ﴿٧﴾
যিনি সব কিছুকে উত্তমরূপে সৃষ্টি করেছেন, আর মানুষ সৃষ্টির সূচনা করেছেন মাটি থেকে। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ সুন্দরভাবে আকৃতি গঠন করেন
আলে-ইমরান, ৩:৬ ⋮
هُوَ الَّذِي يُصَوِّرُكُمْ فِي الْأَرْحَامِ كَيْفَ يَشَاءُ لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ الْعَزِيزُ الْحَكِيمُ ﴿٦﴾
তিনিই তোমাদেরকে মায়ের পেটে যেভাবে ইচ্ছে আকৃতি দেন, তিনি ছাড়া সত্যিকারের কোন ইলাহ নেই, তিনি মহাশক্তিমান ও প্রজ্ঞাশীল। [তাইসিরুল কুরআন]
আত-তাগাবুন, ৬৪:৩ ⋮
خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ بِالْحَقِّ وَصَوَّرَكُمْ فَأَحْسَنَ صُوَرَكُمْ وَإِلَيْهِ الْمَصِيرُ ﴿٣﴾
তিনি (বিশেষ উদ্দেশে) সত্যিকারভাবে আসমান ও যমীন সৃষ্টি করেছেন, তিনি তোমাদেরকে আকৃতি দিয়েছেন, অতঃপর তোমাদের আকৃতি সুন্দর করেছেন আর (সব্বাইকে) ফিরে যেতে হবে তাঁরই দিকে। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ সবকিছু পরিমাণ অনুযায়ী সৃষ্টি করেন
আল-কামার, ৫৪:৪৯ ⋮
إِنَّا كُلَّ شَيْءٍ خَلَقْنَاهُ بِقَدَرٍ ﴿٤٩﴾
আমি সব কিছু সৃষ্টি করেছি নির্ধারিত পরিমাপে। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহর সৃষ্টির মধ্যে কোন খুঁত নেই
আল-মুলক, ৬৭:৪ ⋮
ثُمَّ ارْجِعِ الْبَصَرَ كَرَّتَيْنِ يَنْقَلِبْ إِلَيْكَ الْبَصَرُ خَاسِئًا وَهُوَ حَسِيرٌ ﴿٤﴾
অতঃপর তোমরা বারবার দৃষ্টি ফিরিয়ে দেখ; ক্লান্ত, শ্রান্ত ও ব্যর্থ হয়ে দৃষ্টি তোমার দিকে ফিরে আসবে। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-মুলক, ৬৭:৩ ⋮
الَّذِي خَلَقَ سَبْعَ سَمَاوَاتٍ طِبَاقًا مَا تَرَى فِي خَلْقِ الرَّحْمَنِ مِنْ تَفَاوُتٍ فَارْجِعِ الْبَصَرَ هَلْ تَرَى مِنْ فُطُورٍ ﴿٣﴾
যিনি সৃষ্টি করেছেন সাত আসমান- একটির উপর আরেকটি। তোমরা মহা দয়াময়ের সৃষ্টিকার্যে কোনরূপ অসামঞ্জস্য দেখতে পাবে না। তোমরা আবার দৃষ্টি ফিরিয়ে দেখ, কোন দোষ-ত্রুটি দেখতে পাও কি? [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ প্রতিটি জিনিস জোড়ায় জোড়ায় সৃষ্টি করেছেন
ইয়াসীন, ৩৬:৩৬ ⋮
سُبْحَانَ الَّذِي خَلَقَ الْأَزْوَاجَ كُلَّهَا مِمَّا تُنْبِتُ الْأَرْضُ وَمِنْ أَنْفُسِهِمْ وَمِمَّا لَا يَعْلَمُونَ ﴿٣٦﴾
পূত পবিত্র সেই সত্তা যিনি জোড়া সৃষ্টি করেছেন প্রত্যেকটির যা উৎপন্ন করে যমীন, আর তাদের নিজেদের ভিতরেও আর সে সবেও যা তারা জানে না। [তাইসিরুল কুরআন]
আয-যারিয়াত, ৫১:৪৯ ⋮
وَمِنْ كُلِّ شَيْءٍ خَلَقْنَا زَوْجَيْنِ لَعَلَّكُمْ تَذَكَّرُونَ ﴿٤٩﴾
আমি প্রত্যেকটি বস্তু সৃষ্টি করেছি জোড়ায় জোড়ায়, যাতে তোমরা শিক্ষা গ্রহণ কর। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ সৃষ্টির মধ্যে যা ইচ্ছা বৃদ্ধি করেন
ফাতির, ৩৫:১ ⋮
الْحَمْدُ لِلَّهِ فَاطِرِ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ جَاعِلِ الْمَلَائِكَةِ رُسُلًا أُولِي أَجْنِحَةٍ مَثْنَى وَثُلَاثَ وَرُبَاعَ يَزِيدُ فِي الْخَلْقِ مَا يَشَاءُ إِنَّ اللَّهَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ ﴿١﴾
যাবতীয় প্রশংসা আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর জন্য। তিনি দূত মনোনীত করেন ফেরেশতামন্ডলীকে, যারা দুই দুই বা তিন তিন বা চার চার ডানা বিশিষ্ট। তিনি সৃষ্টিতে যা ইচ্ছে বৃদ্ধি করেন। আল্লাহ সকল বিষয়ের উপর সর্বশক্তিমান। [তাইসিরুল কুরআন]
তিনি পৃথিবীর কোনকিছুই অনর্থক সৃষ্টি করেননি
সোয়াদ, ৩৮:২৭ ⋮
وَمَا خَلَقْنَا السَّمَاءَ وَالْأَرْضَ وَمَا بَيْنَهُمَا بَاطِلًا ذَلِكَ ظَنُّ الَّذِينَ كَفَرُوا فَوَيْلٌ لِلَّذِينَ كَفَرُوا مِنَ النَّارِ ﴿٢٧﴾
আমি আকাশ, পৃথিবী ও এ দু’ এর মাঝে যা আছে তা অনর্থক সৃষ্টি করিনি। এ রকম ধারণা তো কাফিররা করে, কাজেই কাফিরদের জন্য আছে আগুনের দুর্ভোগ। [তাইসিরুল কুরআন]
সকল সৃষ্টিই একেকটি নিয়মে চলছে
আয-যুমার, ৩৯:৫ ⋮
خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ بِالْحَقِّ يُكَوِّرُ اللَّيْلَ عَلَى النَّهَارِ وَيُكَوِّرُ النَّهَارَ عَلَى اللَّيْلِ وَسَخَّرَ الشَّمْسَ وَالْقَمَرَ كُلٌّ يَجْرِي لِأَجَلٍ مُسَمًّى أَلَا هُوَ الْعَزِيزُ الْغَفَّارُ ﴿٥﴾
তিনি আকাশ ও পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন যথাযথভাবে। রাত দিনকে ঢেকে নেয়, আর দিন ঢেকে নেয় রাতকে। তিনিই নিয়ন্ত্রণ করেন সুরুজ আর চাঁদকে, প্রত্যেকেই চলছে নির্দিষ্ট সময় অনুসারে। জেনে রেখ, তিনি মহাপরাক্রমশালী, পরম ক্ষমাশীল (মহাশক্তিধর হওয়া সত্ত্বেও বার বার ক্ষমা করেন)। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ তাঁর সৃষ্টিকে দেখার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন
আল-আ'রাফ, ৭:১৮৫ ⋮
أَوَلَمْ يَنْظُرُوا فِي مَلَكُوتِ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ وَمَا خَلَقَ اللَّهُ مِنْ شَيْءٍ وَأَنْ عَسَى أَنْ يَكُونَ قَدِ اقْتَرَبَ أَجَلُهُمْ فَبِأَيِ حَدِيثٍ بَعْدَهُ يُؤْمِنُونَ ﴿١٨٥﴾
তারা কি আসমান-যমীনের রাজত্বে আর আল্লাহ যে সব বস্তু সৃষ্টি করেছেন তাতে কিছুই দেখে না? তারা কি চিন্তা করে না যে হয়ত তাদের জীবনের মেয়াদ নিকটেই এসে গেছে? এরপর তারা কোন বাণীর উপর ঈমান আনবে? [তাইসিরুল কুরআন]
আল-আনকাবূত, ২৯:২০ ⋮
قُلْ سِيرُوا فِي الْأَرْضِ فَانْظُرُوا كَيْفَ بَدَأَ الْخَلْقَ ثُمَّ اللَّهُ يُنْشِئُ النَّشْأَةَ الْآخِرَةَ إِنَّ اللَّهَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ ﴿٢٠﴾
বল- ‘তোমরা পৃথিবীতে ভ্রমণ কর, অতঃপর লক্ষ্য কর কীভাবে আল্লাহ সৃষ্টির সূচনা করেছেন, অতঃপর আল্লাহ সৃষ্টি করবেন পরবর্তী সৃষ্টি, আল্লাহ সকল বিষয়ের উপর ক্ষমতাবান। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহর অনেক সৃষ্টি সম্পর্কে মানুষ জানে না
আন-নাহাল, ১৬:৮ ⋮
وَالْخَيْلَ وَالْبِغَالَ وَالْحَمِيرَ لِتَرْكَبُوهَا وَزِينَةً وَيَخْلُقُ مَا لَا تَعْلَمُونَ ﴿٨﴾
তিনি ঘোড়া, খচ্চর ও গর্দভ সৃষ্টি করেছেন যাতে তোমরা ওগুলোতে আরোহণ করতে পার আর শোভা-সৌন্দর্যের জন্যও; তিনি পয়দা করেন অনেক কিছু যা তোমাদের জানা নেই। [তাইসিরুল কুরআন]
এ বিশাল আকাশ ও পৃথিবী আল্লাহই সৃষ্টি করেছেন
আল-আন'আম, ৬:১ ⋮
الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي خَلَقَ السَّمَوَاتِ وَالْأَرْضَ وَجَعَلَ الظُّلُمَاتِ وَالنُّورَ ثُمَّ الَّذِينَ كَفَرُوا بِرَبِّهِمْ يَعْدِلُونَ ﴿١﴾
সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য যিনি আসমানসমূহ ও যমীন সৃষ্টি করেছেন আর সৃষ্টি করেছেন অন্ধকার ও আলো, এতদসত্ত্বেও যারা কুফরী করেছে তারা (অন্যকে) তাদের প্রতিপালকের সমকক্ষ দাঁড় করিয়েছে। [তাইসিরুল কুরআন]
তিনি আকাশ ও জমিনকে স্তরে স্তরে সৃষ্টি করেছেন
আল-মুলক, ৬৭:৩ ⋮
الَّذِي خَلَقَ سَبْعَ سَمَاوَاتٍ طِبَاقًا مَا تَرَى فِي خَلْقِ الرَّحْمَنِ مِنْ تَفَاوُتٍ فَارْجِعِ الْبَصَرَ هَلْ تَرَى مِنْ فُطُورٍ ﴿٣﴾
যিনি সৃষ্টি করেছেন সাত আসমান- একটির উপর আরেকটি। তোমরা মহা দয়াময়ের সৃষ্টিকার্যে কোনরূপ অসামঞ্জস্য দেখতে পাবে না। তোমরা আবার দৃষ্টি ফিরিয়ে দেখ, কোন দোষ-ত্রুটি দেখতে পাও কি? [তাইসিরুল কুরআন]
আত-ত্বলাক্ব, ৬৫:১২ ⋮
اللَّهُ الَّذِي خَلَقَ سَبْعَ سَمَاوَاتٍ وَمِنَ الْأَرْضِ مِثْلَهُنَّ يَتَنَزَّلُ الْأَمْرُ بَيْنَهُنَّ لِتَعْلَمُوا أَنَّ اللَّهَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ وَأَنَّ اللَّهَ قَدْ أَحَاطَ بِكُلِّ شَيْءٍ عِلْمًا ﴿١٢﴾
আল্লাহই সাত আসমান বানিয়েছেন আর ওগুলোর মত পৃথিবীও, সবগুলোর মাঝে (অর্থাৎ সকল আসমানে আর সকল যমীনে) নেমে আসে আল্লাহর নির্দেশ যাতে তোমরা জানতে পার যে, আল্লাহ সব কিছুর উপর ক্ষমতাবান আর আল্লাহ (স্বীয়) জ্ঞানে সব কিছুকে ঘিরে রেখেছেন। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ আকাশকে সুসজ্জিত করেছেন
আস-সাফফাত, ৩৭:৬ ⋮
إِنَّا زَيَّنَّا السَّمَاءَ الدُّنْيَا بِزِينَةٍ الْكَوَاكِبِ ﴿٦﴾
আমি নিকটবর্তী আসমানকে তারকারাজির সৌন্দর্য দ্বারা সুশোভিত করেছি, [তাইসিরুল কুরআন]
আল-হিজর, ১৫:১৬ ⋮
وَلَقَدْ جَعَلْنَا فِي السَّمَاءِ بُرُوجًا وَزَيَّنَّاهَا لِلنَّاظِرِينَ ﴿١٦﴾
আমি আকাশে গ্রহ-নক্ষত্র সৃষ্টি করেছি আর দর্শকদের জন্য তা সুসজ্জিত করে দিয়েছি। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ এ আকাশ ও পৃথিবী ছয় দিনে সৃষ্টি করেছেন
হূদ, ১১:৭ ⋮
وَهُوَ الَّذِي خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ فِي سِتَّةِ أَيَّامٍ وَكَانَ عَرْشُهُ عَلَى الْمَاءِ لِيَبْلُوَكُمْ أَيُّكُمْ أَحْسَنُ عَمَلًا وَلَئِنْ قُلْتَ إِنَّكُمْ مَبْعُوثُونَ مِنْ بَعْدِ الْمَوْتِ لَيَقُولَنَّ الَّذِينَ كَفَرُوا إِنْ هَذَا إِلَّا سِحْرٌ مُبِينٌ ﴿٧﴾
আর তিনিই আসমানসমূহ আর যমীনকে ছ’দিনে সৃষ্টি করেছেন। ইতোপূর্বে তাঁর আরশ ছিল পানির উপর। (সৃষ্টি করেছেন) তোমাদেরকে পরীক্ষা করার উদ্দেশে যে, তোমাদের মধ্যে ‘আমালের ক্ষেত্রে কারা শ্রেষ্ঠ। তুমি যদি বল, ‘‘মৃত্যুর পর তোমাদেরকে অবশ্য অবশ্যই আবার উঠানো হবে, তাহলে কাফিররা অবশ্যই বলবে যে, এতো সুস্পষ্ট যাদু। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-ফুরকান, ২৫:৫৯ ⋮
الَّذِي خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ وَمَا بَيْنَهُمَا فِي سِتَّةِ أَيَّامٍ ثُمَّ اسْتَوَى عَلَى الْعَرْشِ الرَّحْمَنُ فَاسْأَلْ بِهِ خَبِيرًا ﴿٥٩﴾
তিনি আসমান, যমীন আর এ দু’য়ের ভিতরে যা আছে তা ছ’দিনে (ছ’টি সময় স্তরে) সৃষ্টি করেছেন, অতঃপর আরশে সমুন্নত হয়েছেন। তিনিই রাহমান, কাজেই তাঁর সম্পর্কে তাকে জিজ্ঞেস কর যে এ সম্পর্কিত জ্ঞান রাখে। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ সৃষ্টির কাজে ক্লান্ত হন না
কাফ, ৫০:৩৮ ⋮
وَلَقَدْ خَلَقْنَا السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ وَمَا بَيْنَهُمَا فِي سِتَّةِ أَيَّامٍ وَمَا مَسَّنَا مِنْ لُغُوبٍ ﴿٣٨﴾
আকাশ, যমীন আর এ দু’য়ের মাঝে যা আছে তা আমি ছ’ দিনে সৃষ্টি করেছি; ক্লান্তি আমাকে স্পর্শ করেনি। (আমি সকল মানুষকে বিচারের জন্য হাজির করবই)। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ বিভিন্ন আকৃতির প্রাণী সৃষ্টি করেছেন
আন-নূর, ২৪:৪৫ ⋮
وَاللَّهُ خَلَقَ كُلَّ دَابَّةٍ مِنْ مَاءٍ فَمِنْهُمْ مَنْ يَمْشِي عَلَى بَطْنِهِ وَمِنْهُمْ مَنْ يَمْشِي عَلَى رِجْلَيْنِ وَمِنْهُمْ مَنْ يَمْشِي عَلَى أَرْبَعٍ يَخْلُقُ اللَّهُ مَا يَشَاءُ إِنَّ اللَّهَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ ﴿٤٥﴾
আল্লাহ পানি হতে সমস্ত জীবন সৃষ্টি করেছেন। তাদের কতক পেটের ভরে চলে, কতক দু’পায়ের উপর চলে, আর কতক চার পায়ের উপর চলে। আল্লাহ যা চান তাই সৃষ্টি করেন। আল্লাহ সর্ববিষয়ের উপর সর্বোচ্চ ক্ষমতার অধিকারী। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ মানুষকে সুন্দরভাবে সৃষ্টি করেছেন
আত-তীন, ৯৫:৪ ⋮
لَقَدْ خَلَقْنَا الْإِنْسَانَ فِي أَحْسَنِ تَقْوِيمٍ ﴿٤﴾
আমি মানুষকে সৃষ্টি করেছি অতি উত্তম আকার আকৃতি দিয়ে, (এবং জ্ঞান ও যোগ্যতা দিয়ে যার সুন্দরতম নমুনা হল নবী রসূলগণ)। [তাইসিরুল কুরআন]
মানুষের মধ্যে আত্মীয়তা সৃষ্টি করেছেন
আল-ফুরকান, ২৫:৫৪ ⋮
وَهُوَ الَّذِي خَلَقَ مِنَ الْمَاءِ بَشَرًا فَجَعَلَهُ نَسَبًا وَصِهْرًا وَكَانَ رَبُّكَ قَدِيرًا ﴿٥٤﴾
তিনিই পানি থেকে সৃষ্টি করেছেন মানুষ, অতঃপর মানুষকে করেছেন বংশ সম্পর্কীয় ও বিবাহ সম্পর্কীয়, তোমার প্রতিপালক সব কিছু করতে সক্ষম। [তাইসিরুল কুরআন]
প্রশান্তির জন্য জোড়া সৃষ্টি করেছেন
আল-আ'রাফ, ৭:১৮৯ ⋮
هُوَ الَّذِي خَلَقَكُمْ مِنْ نَفْسٍ وَاحِدَةٍ وَجَعَلَ مِنْهَا زَوْجَهَا لِيَسْكُنَ إِلَيْهَا فَلَمَّا تَغَشَّاهَا حَمَلَتْ حَمْلًا خَفِيفًا فَمَرَّتْ بِهِ فَلَمَّا أَثْقَلَتْ دَعَوَا اللَّهَ رَبَّهُمَا لَئِنْ آتَيْتَنَا صَالِحًا لَنَكُونَنَّ مِنَ الشَّاكِرِينَ ﴿١٨٩﴾
তিনিই তোমাদেরকে এক ব্যক্তি হতে সৃষ্টি করেছেন আর তাত্থেকে তার জোড়া সৃষ্টি করেছেন যাতে সে তার কাছে শান্তি পায়। যখন সে স্ত্রীর সাথে সঙ্গত হয় তখন সে লঘু গর্ভধারণ করে আর তা নিয়ে চলাফেরা করে। গর্ভ যখন ভারী হয়ে যায় তখন উভয়ে তাদের প্রতিপালক আল্লাহকে ডেকে বলে, ‘যদি তুমি আমাদেরকে (গঠন ও স্বভাবে) ভাল সন্তান দান কর তাহলে আমরা কৃতজ্ঞ থাকব।’ [তাইসিরুল কুরআন]
প্রশান্তির জন্য জোড়া সৃষ্টি করেছেন
কোনো আয়াত নেই।
আল্লাহ রাত ও দিনের আবর্তন ঘটান
ফাতির, ৩৫:১৩ ⋮
يُولِجُ اللَّيْلَ فِي النَّهَارِ وَيُولِجُ النَّهَارَ فِي اللَّيْلِ وَسَخَّرَ الشَّمْسَ وَالْقَمَرَ كُلٌّ يَجْرِي لِأَجَلٍ مُسَمًّى ذَلِكُمُ اللَّهُ رَبُّكُمْ لَهُ الْمُلْكُ وَالَّذِينَ تَدْعُونَ مِنْ دُونِهِ مَا يَمْلِكُونَ مِنْ قِطْمِيرٍ ﴿١٣﴾
তিনি রাতকে দিনে ঢুকিয়ে দেন, আর দিনকে রাতে ঢুকিয়ে দেন। তিনি সূর্য ও চন্দ্রকে তাঁর নিয়ন্ত্রণের অধীনে (কাজে নিয়োজিত) রেখেছেন। প্রত্যেকেই নির্ধারিত সময় অনুসারে গতিশীল আছে। এই হলেন আল্লাহ, তোমাদের প্রতিপালক। রাজত্ব তাঁরই। তোমরা তাঁর পরিবর্তে যাদেরকে ডাক তারা তো খেজুরের অাঁটি সংলগ্ন (অত্যন্ত পাতলা ও দুর্বল) আবরণেরও মালিক নয়। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-কাসাস, ২৮:৭১ ⋮
قُلْ أَرَأَيْتُمْ إِنْ جَعَلَ اللَّهُ عَلَيْكُمُ اللَّيْلَ سَرْمَدًا إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ مَنْ إِلَهٌ غَيْرُ اللَّهِ يَأْتِيكُمْ بِضِيَاءٍ أَفَلَا تَسْمَعُونَ ﴿٧١﴾
তোমরা কি ভেবে দেখেছ আল্লাহ যদি তোমাদের উপর রাতকে ক্বিয়ামতের দিন পর্যন্ত স্থায়ী করতেন তাহলে আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ্ আছে কি যে তোমাদেরকে আলো এনে দিত? তবুও কি তোমরা কর্ণপাত করবে না? [তাইসিরুল কুরআন]
আল-কাসাস, ২৮:৭২ ⋮
قُلْ أَرَأَيْتُمْ إِنْ جَعَلَ اللَّهُ عَلَيْكُمُ النَّهَارَ سَرْمَدًا إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ مَنْ إِلَهٌ غَيْرُ اللَّهِ يَأْتِيكُمْ بِلَيْلٍ تَسْكُنُونَ فِيهِ أَفَلَا تُبْصِرُونَ ﴿٧٢﴾
তোমরা কি ভেবে দেখেছ আল্লাহ যদি তোমাদের উপর দিনকে ক্বিয়ামতের দিন পর্যন্ত স্থায়ী করতেন তাহলে আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ্ আছে কি যে তোমাদের জন্য রাত্রি এনে দিত যাতে তোমরা আরাম করতে? তোমরা কি চিন্তা করে দেখবে না? [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ জীবিত থেকে মৃত ও মৃত থেকে জীবিতকে বের করেন
আর-রুম, ৩০:১৯ ⋮
يُخْرِجُ الْحَيَّ مِنَ الْمَيِّتِ وَيُخْرِجُ الْمَيِّتَ مِنَ الْحَيِّ وَيُحْيِي الْأَرْضَ بَعْدَ مَوْتِهَا وَكَذَلِكَ تُخْرَجُونَ ﴿١٩﴾
তিনিই জীবন্তকে বের করেন মৃত থেকে আর মৃতকে বের করেন জীবন্ত থেকে। যমীনকে তিনিই পুনরায় জীবিত করেন তার মৃত্যুর পর, এভাবেই তোমাদেরকে বের করা হবে। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ দুর্বলকে সবল করেন, সবলকে দুর্বল করেন।
আর-রুম, ৩০:৫৪ ⋮
اللَّهُ الَّذِي خَلَقَكُمْ مِنْ ضَعْفٍ ثُمَّ جَعَلَ مِنْ بَعْدِ ضَعْفٍ قُوَّةً ثُمَّ جَعَلَ مِنْ بَعْدِ قُوَّةٍ ضَعْفًا وَشَيْبَةً يَخْلُقُ مَا يَشَاءُ وَهُوَ الْعَلِيمُ الْقَدِيرُ ﴿٥٤﴾
তিনি আল্লাহ যিনি তোমাদেরকে (অসহায়) দুর্বল অবস্থায় সৃষ্টি করেছেন, দুর্বলতার পর দিয়েছেন শক্তি, শক্তির পর আবার দিয়েছেন দুর্বলতা ও বার্ধক্য। তিনি যা ইচ্ছে করেন সৃষ্টি করেন। তিনি সর্বশ্রেষ্ঠ জ্ঞানী, সবচেয়ে শক্তিধর। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ হাসান এবং কাঁদান
আন-নাজম, ৫৩:৪৩ ⋮
وَأَنَّهُ هُوَ أَضْحَكَ وَأَبْكَى ﴿٤٣﴾
আর এই যে, তিনিই হাসান, তিনিই কাঁদান। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহই মারেন এবং বাঁচান
আন-নাজম, ৫৩:৪৪ ⋮
وَأَنَّهُ هُوَ أَمَاتَ وَأَحْيَا ﴿٤٤﴾
আর এই যে, তিনিই মারেন, তিনিই বাঁচান। [তাইসিরুল কুরআন]
তিনিই সম্পদ দান করেন
আন-নাজম, ৫৩:৪৮ ⋮
وَأَنَّهُ هُوَ أَغْنَى وَأَقْنَى ﴿٤٨﴾
আর এই যে, তিনিই অভাবমুক্ত করেন আর সম্পদ দেন, [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ মানুষের অন্তর পরিবর্তন করেন
আল-আন'আম, ৬:১১০ ⋮
وَنُقَلِّبُ أَفْئِدَتَهُمْ وَأَبْصَارَهُمْ كَمَا لَمْ يُؤْمِنُوا بِهِ أَوَّلَ مَرَّةٍ وَنَذَرُهُمْ فِي طُغْيَانِهِمْ يَعْمَهُونَ ﴿١١٠﴾
আর আমিও এদের অন্তর ও দৃষ্টিসমূহকে (অন্য দিকে) ফিরিয়ে দেব, আর তাদেরকে তাদের অবাধ্যতার ঘূর্ণিপাকে অন্ধের মত ঘুরে মরার সুযোগ দেব। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ ঘুম দেন ও জাগ্রত করেন
আল-আন'আম, ৬:৬০ ⋮
وَهُوَ الَّذِي يَتَوَفَّاكُمْ بِاللَّيْلِ وَيَعْلَمُ مَا جَرَحْتُمْ بِالنَّهَارِ ثُمَّ يَبْعَثُكُمْ فِيهِ لِيُقْضَى أَجَلٌ مُسَمًّى ثُمَّ إِلَيْهِ مَرْجِعُكُمْ ثُمَّ يُنَبِّئُكُمْ بِمَا كُنْتُمْ تَعْمَلُونَ ﴿٦٠﴾
তিনিই রাত্রিকালে তোমাদের আত্মাকে নিয়ে নেন, আর দিনের বেলা যা তোমরা কর তা তিনি জানেন। অতঃপর দিনের বেলা তিনি তোমাদের জাগিয়ে দেন, যাতে জীবনের নির্দিষ্টকাল পূর্ণ হয়। অতঃপর তাঁর পানেই তোমাদের প্রত্যাবর্তন, অতঃপর তিনি তোমাদের নিকট বর্ণনা করে দেবেন যা তোমরা করছিলে। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ বিদ্যুৎ চমকান
আর-রাদ, ১৩:১২ ⋮
هُوَ الَّذِي يُرِيكُمُ الْبَرْقَ خَوْفًا وَطَمَعًا وَيُنْشِئُ السَّحَابَ الثِّقَالَ ﴿١٢﴾
তিনিই তোমাদেরকে দেখান বিদ্যুৎ ভীতিকর ও আশা সঞ্চারক। তিনিই উত্তোলিত করেন মেঘ, (প্রবৃদ্ধির) বৃষ্টিতে ভারাক্রান্ত। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ আকাশ থেকে বজ্রপাত করেন
আর-রাদ, ১৩:১৩ ⋮
وَيُسَبِّحُ الرَّعْدُ بِحَمْدِهِ وَالْمَلَائِكَةُ مِنْ خِيفَتِهِ وَيُرْسِلُ الصَّوَاعِقَ فَيُصِيبُ بِهَا مَنْ يَشَاءُ وَهُمْ يُجَادِلُونَ فِي اللَّهِ وَهُوَ شَدِيدُ الْمِحَالِ ﴿١٣﴾
বজ্রনাদ তাঁরই ভয়ে তাঁর প্রশংসা বর্ণনা করে আর ফেরেশতারাও। তিনি গর্জনকারী বজ্র প্রেরণ করেন আর তা দিয়ে যাকে ইচ্ছে আঘাত করেন, আর তারা আল্লাহ সম্পর্কে বিতন্ডায় লিপ্ত হয়। অথচ তিনি বড়ই শক্তিশালী। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ বৃষ্টি তৈরি করেন
আর-রুম, ৩০:৪৮ ⋮
اللَّهُ الَّذِي يُرْسِلُ الرِّيَاحَ فَتُثِيرُ سَحَابًا فَيَبْسُطُهُ فِي السَّمَاءِ كَيْفَ يَشَاءُ وَيَجْعَلُهُ كِسَفًا فَتَرَى الْوَدْقَ يَخْرُجُ مِنْ خِلَالِهِ فَإِذَا أَصَابَ بِهِ مَنْ يَشَاءُ مِنْ عِبَادِهِ إِذَا هُمْ يَسْتَبْشِرُونَ ﴿٤٨﴾
আল্লাহ যিনি বায়ু প্রেরণ করেন, অতঃপর তা মেঘমালার সঞ্চার করে, অতঃপর তিনি তা আকাশে ছড়িয়ে দেন যেভাবে ইচ্ছে করেন, অতঃপর তাকে খন্ড বিখন্ড করে দেন, তারপর তুমি দেখতে পাও তার মাঝ থেকে বৃষ্টি-ফোঁটা নির্গত হচ্ছে, অতঃপর তিনি তাঁর বান্দাহদের মধ্যে যাদের নিকট তিনি ইচ্ছে করেন তাদের কাছে যখন তা পৌঁছে দেন তখন তারা হয় আনন্দিত। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ মৃত জমিনকে জীবিত করেন
আল-হাদীদ, ৫৭:১৭ ⋮
اعْلَمُوا أَنَّ اللَّهَ يُحْيِي الْأَرْضَ بَعْدَ مَوْتِهَا قَدْ بَيَّنَّا لَكُمُ الْآيَاتِ لَعَلَّكُمْ تَعْقِلُونَ ﴿١٧﴾
জেনে রেখ, আল্লাহই যমীনকে তার মৃত্যুর পর আবার জীবিত করেন। আমি তোমাদের কাছে সুস্পষ্টভাবে নিদর্শন বর্ণনা করেছি যাতে তোমরা বুঝতে পার। [তাইসিরুল কুরআন]
আন-নাহাল, ১৬:৬৫ ⋮
وَاللَّهُ أَنْزَلَ مِنَ السَّمَاءِ مَاءً فَأَحْيَا بِهِ الْأَرْضَ بَعْدَ مَوْتِهَا إِنَّ فِي ذَلِكَ لَآيَةً لِقَوْمٍ يَسْمَعُونَ ﴿٦٥﴾
আল্লাহ আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করেন, অতঃপর তার দ্বারা যমীনকে তার মৃত্যুর পর পুনরায় জীবিত করেন। এতে ঐ সম্প্রদায়ের জন্য বহু নিদর্শন আছে যারা লক্ষ্য করে শুনে। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ বিশ্বের ভারসাম্য ঠিক রাখেন
ফাতির, ৩৫:৪১ ⋮
إِنَّ اللَّهَ يُمْسِكُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ أَنْ تَزُولَا وَلَئِنْ زَالَتَا إِنْ أَمْسَكَهُمَا مِنْ أَحَدٍ مِنْ بَعْدِهِ إِنَّهُ كَانَ حَلِيمًا غَفُورًا ﴿٤١﴾
আল্লাহই আসমান ও যমীনকে স্থির রাখেন যাতে ও দু’টো টলে না যায়। ও দু’টো যদি টলে যায় তাহলে তিনি ছাড়া কে ও দু’টোকে স্থির রাখবে? তিনি পরম সহিষ্ণু, পরম ক্ষমাশীল। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ সর্বদা কর্মতৎপর
আর-রাহমান, ৫৫:২৯ ⋮
يَسْأَلُهُ مَنْ فِي السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ كُلَّ يَوْمٍ هُوَ فِي شَأْنٍ ﴿٢٩﴾
আকাশ আর পৃথিবীতে যারা আছে তারা (নিজেদের প্রয়োজন মেটানোর জন্য যা কিছু দরকার) তাঁর কাছেই চায়, প্রতি মুহূর্ত তিনি নতুন নতুন গুরুত্বপূর্ণ কাজে নিয়োজিত (কাউকেও বাঁচাচ্ছেন, কাউকেও মারছেন, কাউকেও সম্মানিত ক’রে ঊর্ধ্বে উঠাচ্ছেন, কাউকেও অপমানিত ক’রে নামিয়ে দিচ্ছেন ইত্যাদি)। [তাইসিরুল কুরআন]
তিনি রাত দিন ও চন্দ্র সূর্য সৃষ্টি করেছেন ।
আল-আম্বিয়া, ২১:৩৩ ⋮
وَهُوَ الَّذِي خَلَقَ اللَّيْلَ وَالنَّهَارَ وَالشَّمْسَ وَالْقَمَرَ كُلٌّ فِي فَلَكٍ يَسْبَحُونَ ﴿٣٣﴾
তিনিই সৃষ্টি করেছেন রাত ও দিন, সূর্য আর চন্দ্র, প্রত্যেকেই তার চক্রাকার পথে সাঁতার কাটছে। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ জিন জাতিকে আগুন দিয়ে সৃষ্টি করেছেন ।
আর-রাহমান, ৫৫:১৫ ⋮
وَخَلَقَ الْجَانَّ مِنْ مَارِجٍ مِنْ نَارٍ ﴿١٥﴾
আর জ্বিনকে সৃষ্টি করেছেন ধোঁয়াবিহীন আগুন হতে। [তাইসিরুল কুরআন]
মানুষের মেয়াদ নির্দিষ্ট করে দিয়েছেন ।
আল-আন'আম, ৬:২ ⋮
هُوَ الَّذِي خَلَقَكُمْ مِنْ طِينٍ ثُمَّ قَضَى أَجَلًا وَأَجَلٌ مُسَمًّى عِنْدَهُ ثُمَّ أَنْتُمْ تَمْتَرُونَ ﴿٢﴾
যিনি মাটি থেকে তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন অতঃপর (তোমাদের জীবনের জন্য) একটি নির্দিষ্ট মেয়াদ নির্ধারিত করেছেন, এছাড়া আরেকটি নির্ধারিত মেয়াদ আছে (যে সম্পর্কিত জ্ঞান আছে) তাঁর কাছে, কিন্তু তোমরা সন্দেহই করে চলেছ। [তাইসিরুল কুরআন]
স্বামী স্ত্রীর মধ্যে ভালোবাসা সৃষ্টি করেছেন ।
আর-রুম, ৩০:২১ ⋮
وَمِنْ آيَاتِهِ أَنْ خَلَقَ لَكُمْ مِنْ أَنْفُسِكُمْ أَزْوَاجًا لِتَسْكُنُوا إِلَيْهَا وَجَعَلَ بَيْنَكُمْ مَوَدَّةً وَرَحْمَةً إِنَّ فِي ذَلِكَ لَآيَاتٍ لِقَوْمٍ يَتَفَكَّرُونَ ﴿٢١﴾
তাঁর নিদর্শনের মধ্যে হল এই যে, তিনি তোমাদের জন্য তোমাদের মধ্য হতেই তোমাদের সঙ্গিণী সৃষ্টি করেছেন যাতে তোমরা তার কাছে শান্তি লাভ করতে পার আর তিনি তোমাদের মধ্যে পারস্পরিক ভালবাসা ও দয়া সৃষ্টি করেছেন। এর মাঝে অবশ্যই বহু নিদর্শন আছে সেই সম্প্রদায়ের জন্য যারা চিন্তা করে। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ বিশ্বজগৎ পরিচালনা করেন ।
আস-সাজদাহ, ৩২:৫ ⋮
يُدَبِّرُ الْأَمْرَ مِنَ السَّمَاءِ إِلَى الْأَرْضِ ثُمَّ يَعْرُجُ إِلَيْهِ فِي يَوْمٍ كَانَ مِقْدَارُهُ أَلْفَ سَنَةٍ مِمَّا تَعُدُّونَ ﴿٥﴾
তিনি আকাশ হতে পৃথিবী পর্যন্ত কার্য পরিচালনা করেন, অতঃপর সকল বিষয়াদি তাঁরই কাছে একদিন উত্থিত হবে যার পরিমাপ তোমাদের গণনা অনুযায়ী হাজার বছর। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ হলে বিজ্ঞ স্রষ্টা ।
আল-মুমিনুন, ২৩:১৪ ⋮
ثُمَّ خَلَقْنَا النُّطْفَةَ عَلَقَةً فَخَلَقْنَا الْعَلَقَةَ مُضْغَةً فَخَلَقْنَا الْمُضْغَةَ عِظَامًا فَكَسَوْنَا الْعِظَامَ لَحْمًا ثُمَّ أَنْشَأْنَاهُ خَلْقًا آخَرَ فَتَبَارَكَ اللَّهُ أَحْسَنُ الْخَالِقِينَ ﴿١٤﴾
পরে আমি শুক্রবিন্দুকে পরিণত করি জমাট বাঁধা রক্তে, অতঃপর মাংসপিন্ডকে পরিণত করি হাড্ডিতে, অতঃপর হাড্ডিকে আবৃত করি মাংস দিয়ে, অতঃপর তাকে এক নতুন সৃষ্টিতে উন্নীত করি। কাজেই সর্বোত্তম স্রষ্টা আল্লাহ কতই না মহান! [তাইসিরুল কুরআন]
আল-হিজর, ১৫:৮৬ ⋮
إِنَّ رَبَّكَ هُوَ الْخَلَّاقُ الْعَلِيمُ ﴿٨٦﴾
নিশ্চয় তোমার প্রতিপালক তিনি সর্বস্রষ্টা, সর্বজ্ঞ। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ আসমানসমূহ, জমিন এবং এ দুয়ের মধ্যবর্তী সবকিছুকে যথাযথ উদ্দেশ্যসহ সৃষ্টি করেছেন।
আল-আহকাফ, ৪৬:৩ ⋮
مَا خَلَقْنَا السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ وَمَا بَيْنَهُمَا إِلَّا بِالْحَقِّ وَأَجَلٍ مُسَمًّى وَالَّذِينَ كَفَرُوا عَمَّا أُنْذِرُوا مُعْرِضُونَ ﴿٣﴾
আমি আকাশ, যমীন ও এ দু’য়ের মাঝে যা আছে তা প্রকৃত উদ্দেশে একটা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য সৃষ্টি করেছি। কিন্তু কাফিরগণ, যে বিষয়ে তাদেরকে সতর্ক করা হয় তাত্থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ এই সৃষ্টিজগতকে একটি নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য সৃষ্টি করেছেন।
আল-আহকাফ, ৪৬:৩ ⋮
مَا خَلَقْنَا السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ وَمَا بَيْنَهُمَا إِلَّا بِالْحَقِّ وَأَجَلٍ مُسَمًّى وَالَّذِينَ كَفَرُوا عَمَّا أُنْذِرُوا مُعْرِضُونَ ﴿٣﴾
আমি আকাশ, যমীন ও এ দু’য়ের মাঝে যা আছে তা প্রকৃত উদ্দেশে একটা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য সৃষ্টি করেছি। কিন্তু কাফিরগণ, যে বিষয়ে তাদেরকে সতর্ক করা হয় তাত্থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়। [তাইসিরুল কুরআন]
পূর্ব ও পশ্চিম আল্লাহরই।
আল-বাকারা, ২:১১৫ ⋮
وَلِلَّهِ الْمَشْرِقُ وَالْمَغْرِبُ فَأَيْنَمَا تُوَلُّوا فَثَمَّ وَجْهُ اللَّهِ إِنَّ اللَّهَ وَاسِعٌ عَلِيمٌ ﴿١١٥﴾
পূর্ব পশ্চিম আল্লাহরই, সুতরাং তোমরা যে দিকেই মুখ কর না কেন, সেদিকেই আছে আল্লাহর চেহারা, আল্লাহ সুবিস্তৃত, সর্বজ্ঞ। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ আসমানসমূহ ও পৃথিবীর দৃষ্টান্তবিহীন স্রষ্টা।
আল-বাকারা, ২:১১৭ ⋮
بَدِيعُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ وَإِذَا قَضَى أَمْرًا فَإِنَّمَا يَقُولُ لَهُ كُنْ فَيَكُونُ ﴿١١٧﴾
আল্লাহ আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর সৃজনকারী, যখন কোন কাজ করতে মনস্থ করেন, তখন তার জন্য শুধু বলেন, হয়ে যাও, তক্ষুনি তা হয়ে যায়। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ আমাদের প্রতিপালক এবং তিনি তোমাদেরও প্রতিপালক।
আল-বাকারা, ২:১৩৯ ⋮
قُلْ أَتُحَاجُّونَنَا فِي اللَّهِ وَهُوَ رَبُّنَا وَرَبُّكُمْ وَلَنَا أَعْمَالُنَا وَلَكُمْ أَعْمَالُكُمْ وَنَحْنُ لَهُ مُخْلِصُونَ ﴿١٣٩﴾
বল, ‘তোমরা কি আল্লাহর সম্বন্ধে আমাদের সাথে ঝগড়া করছ? অথচ তিনি আমাদেরও প্রতিপালক এবং তোমাদেরও প্রতিপালক এবং আমাদের জন্য আমাদের কৃতকর্ম এবং তোমাদের জন্য তোমাদের কৃতকর্ম এবং আমরা তাঁর প্রতি একনিষ্ঠ।’ [তাইসিরুল কুরআন]
পূর্ব এবং পশ্চিমের একচ্ছত্র মালিকানা আল্লাহর।
আল-বাকারা, ২:১৪২ ⋮
سَيَقُولُ السُّفَهَاءُ مِنَ النَّاسِ مَا وَلَّاهُمْ عَنْ قِبْلَتِهِمُ الَّتِي كَانُوا عَلَيْهَا قُلْ لِلَّهِ الْمَشْرِقُ وَالْمَغْرِبُ يَهْدِي مَنْ يَشَاءُ إِلَى صِرَاطٍ مُسْتَقِيمٍ ﴿١٤٢﴾
শীঘ্রই এ নির্বোধেরা বলবে, কিসে তাদেরকে ফিরিয়ে দিল তাদের সেই ক্বিবলা হতে যা তারা অনুসরণ করে আসছিল। বল, পূর্ব এবং পশ্চিম আল্লাহরই, তিনি যাকে ইচ্ছে সরল পথ প্রদর্শন করেন। [তাইসিরুল কুরআন]
এবং সকল বিষয় একমাত্র আল্লাহরই নিকট ফিরিয়ে নেওয়া হয়।
আল-বাকারা, ২:২১০ ⋮
هَلْ يَنْظُرُونَ إِلَّا أَنْ يَأْتِيَهُمُ اللَّهُ فِي ظُلَلٍ مِنَ الْغَمَامِ وَالْمَلَائِكَةُ وَقُضِيَ الْأَمْرُ وَإِلَى اللَّهِ تُرْجَعُ الْأُمُورُ ﴿٢١٠﴾
এরা কি এজন্য অপেক্ষা করছে যে, মেঘমালার ছত্র লাগিয়ে ফেরেশতাদের সঙ্গে নিয়ে আল্লাহ তাদের কাছে আগমন করবেন, অতঃপর সবকিছুর মীমাংসা হয়ে যাবে? বস্তুতঃ সকল কার্য আল্লাহর নিকটেই ফিরে যায় (চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য)। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ মৃত থেকে জীবন্তকে বের করেন।
আলে-ইমরান, ৩:২৭ ⋮
تُولِجُ اللَّيْلَ فِي النَّهَارِ وَتُولِجُ النَّهَارَ فِي اللَّيْلِ وَتُخْرِجُ الْحَيَّ مِنَ الْمَيِّتِ وَتُخْرِجُ الْمَيِّتَ مِنَ الْحَيِّ وَتَرْزُقُ مَنْ تَشَاءُ بِغَيْرِ حِسَابٍ ﴿٢٧﴾
তুমিই রাতকে দিনের ভিতর আর দিনকে রাতের ভিতর ঢুকিয়ে দাও, তুমিই জীবিতকে মৃত হতে বের কর এবং মৃতকে জীবিত হতে বের কর আর যাকে ইচ্ছে বেহিসাব রিয্ক্ব দান কর। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ জীবন্ত থেকে মৃতকে বের করেন।
আলে-ইমরান, ৩:২৭ ⋮
تُولِجُ اللَّيْلَ فِي النَّهَارِ وَتُولِجُ النَّهَارَ فِي اللَّيْلِ وَتُخْرِجُ الْحَيَّ مِنَ الْمَيِّتِ وَتُخْرِجُ الْمَيِّتَ مِنَ الْحَيِّ وَتَرْزُقُ مَنْ تَشَاءُ بِغَيْرِ حِسَابٍ ﴿٢٧﴾
তুমিই রাতকে দিনের ভিতর আর দিনকে রাতের ভিতর ঢুকিয়ে দাও, তুমিই জীবিতকে মৃত হতে বের কর এবং মৃতকে জীবিত হতে বের কর আর যাকে ইচ্ছে বেহিসাব রিয্ক্ব দান কর। [তাইসিরুল কুরআন]
আসমানসমূহ ও যমীনে যা কিছু আছে, তার সবই আল্লাহর মালিকানাধীন।
আলে-ইমরান, ৩:১০৯ ⋮
وَلِلَّهِ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَمَا فِي الْأَرْضِ وَإِلَى اللَّهِ تُرْجَعُ الْأُمُورُ ﴿١٠٩﴾
যা কিছু আসমানে আছে আর যমীনে আছে সব আল্লাহরই এবং যাবতীয় বিষয়াদি আল্লাহর দিকেই ফিরে যাবে। [তাইসিরুল কুরআন]
কর্মবিধায়ক হিসেবে আল্লাহই যথেষ্ট।
আন-নিসা, ৪:৮১ ⋮
وَيَقُولُونَ طَاعَةٌ فَإِذَا بَرَزُوا مِنْ عِنْدِكَ بَيَّتَ طَائِفَةٌ مِنْهُمْ غَيْرَ الَّذِي تَقُولُ وَاللَّهُ يَكْتُبُ مَا يُبَيِّتُونَ فَأَعْرِضْ عَنْهُمْ وَتَوَكَّلْ عَلَى اللَّهِ وَكَفَى بِاللَّهِ وَكِيلًا ﴿٨١﴾
তারা মুখেই আনুগত্য করে, কিন্তু যখন তোমার নিকট থেকে চলে যায়, তখন তাদের মধ্যে একটা দল রাত্রিবেলা একত্রিত হয়ে তোমার কথার বিরুদ্ধে সলা পরামর্শ করে, আল্লাহ তাদের রাত্রিকালীন মন্ত্রণাগুলো লিখে রাখছেন, কাজেই তাদের প্রতি ভ্রুক্ষেপ করো না, আল্লাহর উপর ভরসা কর এবং আল্লাহ্ই কর্মবিধায়ক হিসেবে যথেষ্ট। [তাইসিরুল কুরআন]
আসমানসমূহ ও যমীনে যা কিছু আছে, তার সবকিছুই আল্লাহর মালিকানাধীন।
আন-নিসা, ৪:১৩১ ⋮
وَلِلَّهِ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَمَا فِي الْأَرْضِ وَلَقَدْ وَصَّيْنَا الَّذِينَ أُوتُوا الْكِتَابَ مِنْ قَبْلِكُمْ وَإِيَّاكُمْ أَنِ اتَّقُوا اللَّهَ وَإِنْ تَكْفُرُوا فَإِنَّ لِلَّهِ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَمَا فِي الْأَرْضِ وَكَانَ اللَّهُ غَنِيًّا حَمِيدًا ﴿١٣١﴾
যা কিছু আকাশসমূহে ও ভূমন্ডলে আছে সমস্ত আল্লাহরই এবং অবশ্যই আমি তোমাদের আগে যাদেরকে কিতাব দেয়া হয়েছিল তাদেরকে আর তোমাদেরকেও আদেশ দিয়েছি যে, আল্লাহকে ভয় কর আর যদি অমান্য কর তবে আকাশসমূহে যা আছে ও ভূমন্ডলে যা আছে তা আল্লাহরই। আল্লাহ অভাবমুক্ত, অতিশয় প্রশংসিত। [তাইসিরুল কুরআন]
আসমানসমূহে ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে, তার সবই আল্লাহর।
আন-নিসা, ৪:১৩২ ⋮
وَلِلَّهِ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَمَا فِي الْأَرْضِ وَكَفَى بِاللَّهِ وَكِيلًا ﴿١٣٢﴾
আসমানে যা আছে আর যমীনে যা আছে সব আল্লাহরই, কার্যনির্বাহক হিসেবে আল্লাহ্ই যথেষ্ট। [তাইসিরুল কুরআন]
যে ব্যক্তি দুনিয়ার পুরস্কার চায়, তার জন্য আল্লাহর কাছে দুনিয়া ও আখিরাত উভয়েরই পুরস্কার রয়েছে।
আন-নিসা, ৪:১৩৪ ⋮
مَنْ كَانَ يُرِيدُ ثَوَابَ الدُّنْيَا فَعِنْدَ اللَّهِ ثَوَابُ الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ وَكَانَ اللَّهُ سَمِيعًا بَصِيرًا ﴿١٣٤﴾
যে ব্যক্তি পার্থিব পুরস্কার কামনা করে সে জেনে রাখুক যে আল্লাহর নিকট ইহলৌকিক ও পারলৌকিক পুরস্কার আছে। আল্লাহ সর্বশ্রোতা, সর্বদ্রষ্টা। [তাইসিরুল কুরআন]
আর যদি মানবজাতি কুফরি করে, তবে আসমান ও যমীনে যা কিছু আছে, তার সবই আল্লাহর।
আন-নিসা, ৪:১৭০ ⋮
يَا أَيُّهَا النَّاسُ قَدْ جَاءَكُمُ الرَّسُولُ بِالْحَقِّ مِنْ رَبِّكُمْ فَآمِنُوا خَيْرًا لَكُمْ وَإِنْ تَكْفُرُوا فَإِنَّ لِلَّهِ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ وَكَانَ اللَّهُ عَلِيمًا حَكِيمًا ﴿١٧٠﴾
হে মানুষ! রসূল তোমাদের কাছে তোমাদের প্রতিপালকের নিকট হতে সত্য বিধান নিয়ে এসেছে, কাজেই তোমরা ঈমান আন, এটা তোমাদের জন্য কল্যাণকর হবে, আর যদি কুফরী কর (তাহলে জেনে রেখ) আকাশসমূহে আর যমীনে যা কিছু আছে সবই আল্লাহর আর আল্লাহ হলেন সর্বজ্ঞ, মহা কুশলী। [তাইসিরুল কুরআন]
এবং আল্লাহ সেই ধ্বংসপ্রাপ্ত জাতিগুলোর পরে অন্য নতুন প্রজন্ম সৃষ্টি করেছেন।
আল-আন'আম, ৬:৬ ⋮
أَلَمْ يَرَوْا كَمْ أَهْلَكْنَا مِنْ قَبْلِهِمْ مِنْ قَرْنٍ مَكَّنَّاهُمْ فِي الْأَرْضِ مَا لَمْ نُمَكِّنْ لَكُمْ وَأَرْسَلْنَا السَّمَاءَ عَلَيْهِمْ مِدْرَارًا وَجَعَلْنَا الْأَنْهَارَ تَجْرِي مِنْ تَحْتِهِمْ فَأَهْلَكْنَاهُمْ بِذُنُوبِهِمْ وَأَنْشَأْنَا مِنْ بَعْدِهِمْ قَرْنًا آخَرِينَ ﴿٦﴾
তারা কি লক্ষ্য করে না তাদের পূর্বে আমি কত জনগোষ্ঠীকে ধ্বংস করে দিয়েছি, তাদেরকে দুনিয়ায় (এমনভাবে) প্রতিষ্ঠিত করেছিলাম যে শক্তি-প্রতিষ্ঠা তোমাদেরকে দেয়া হয়নি, তাদের জন্য প্রচুর বৃষ্টিপাত ঘটিয়েছিলাম, তৈরি করেছিলাম নদী যা তাদের নিম্নদেশ দিয়ে প্রবাহিত হত, অতঃপর তাদের পাপের কারণে তাদেরকে ধ্বংস করে দিয়েছি আর তাদের পরে নতুন জনগোষ্ঠীর উত্থান ঘটালাম। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহই মানুষের জন্য নক্ষত্ররাজি সৃষ্টি করেছেন।
আল-আন'আম, ৬:৯৭ ⋮
وَهُوَ الَّذِي جَعَلَ لَكُمُ النُّجُومَ لِتَهْتَدُوا بِهَا فِي ظُلُمَاتِ الْبَرِّ وَالْبَحْرِ قَدْ فَصَّلْنَا الْآيَاتِ لِقَوْمٍ يَعْلَمُونَ ﴿٩٧﴾
তিনি তোমাদের জন্য নক্ষত্ররাজি সৃষ্টি করেছেন যাতে তোমরা সেগুলোর সাহায্যে জলে স্থলে অন্ধকারে পথের দিশা লাভ করতে পার। আমি আমার নিদর্শনগুলোকে জ্ঞানীদের জন্য বিশদভাবে বর্ণনা করে দিয়েছি। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ তোমাদের পরে যাকে ইচ্ছা তাকে স্থলাভিষিক্ত করতে পারেন।
আল-আন'আম, ৬:১৩৩ ⋮
وَرَبُّكَ الْغَنِيُّ ذُو الرَّحْمَةِ إِنْ يَشَأْ يُذْهِبْكُمْ وَيَسْتَخْلِفْ مِنْ بَعْدِكُمْ مَا يَشَاءُ كَمَا أَنْشَأَكُمْ مِنْ ذُرِّيَّةِ قَوْمٍ آخَرِينَ ﴿١٣٣﴾
তোমার প্রতিপালক অমুখাপেক্ষী, অত্যন্ত দয়াশীল। তিনি ইচ্ছে করলে তোমাদেরকে অপসারিত করবেন এবং যাকে ইচ্ছে তোমাদের স্থলাভিষিক্ত করবেন যেমন তিনি তোমাদেরকে অন্য সম্প্রদায়ের বংশ হতে সৃষ্টি করেছেন। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ চতুষ্পদ জন্তুর মধ্যে আট প্রকার সৃষ্টি করেছেন: যার মধ্যে ভেড়া থেকে এক জোড়া (নর ও নারী) রয়েছে।
আল-আন'আম, ৬:১৪৩ ⋮
ثَمَانِيَةَ أَزْوَاجٍ مِنَ الضَّأْنِ اثْنَيْنِ وَمِنَ الْمَعْزِ اثْنَيْنِ قُلْ آلذَّكَرَيْنِ حَرَّمَ أَمِ الْأُنْثَيَيْنِ أَمَّا اشْتَمَلَتْ عَلَيْهِ أَرْحَامُ الْأُنْثَيَيْنِ نَبِّئُونِي بِعِلْمٍ إِنْ كُنْتُمْ صَادِقِينَ ﴿١٤٣﴾
(নর-মাদী চার) জোড়ায় আট প্রকার, মেষের দু’টি, ছাগলের দু’টি। বল, তিনি কি নর দু’টি হারাম করেছেন, না মাদী দু’টি কিংবা মাদী দু’টির গর্ভে যা আছে তা? এ সম্পর্কিত জ্ঞানের ভিত্তিতে জবাব দাও যদি তোমরা সত্যবাদী হয়ে থাক। [তাইসিরুল কুরআন]
এবং আল্লাহ ছাগল থেকেও এক জোড়া (নর ও নারী) সৃষ্টি করেছেন।
আল-আন'আম, ৬:১৪৩ ⋮
ثَمَانِيَةَ أَزْوَاجٍ مِنَ الضَّأْنِ اثْنَيْنِ وَمِنَ الْمَعْزِ اثْنَيْنِ قُلْ آلذَّكَرَيْنِ حَرَّمَ أَمِ الْأُنْثَيَيْنِ أَمَّا اشْتَمَلَتْ عَلَيْهِ أَرْحَامُ الْأُنْثَيَيْنِ نَبِّئُونِي بِعِلْمٍ إِنْ كُنْتُمْ صَادِقِينَ ﴿١٤٣﴾
(নর-মাদী চার) জোড়ায় আট প্রকার, মেষের দু’টি, ছাগলের দু’টি। বল, তিনি কি নর দু’টি হারাম করেছেন, না মাদী দু’টি কিংবা মাদী দু’টির গর্ভে যা আছে তা? এ সম্পর্কিত জ্ঞানের ভিত্তিতে জবাব দাও যদি তোমরা সত্যবাদী হয়ে থাক। [তাইসিরুল কুরআন]
নিশ্চয়ই আল্লাহ মানবজাতিকে সৃষ্টি করেছেন।
আল-আ'রাফ, ৭:১১ ⋮
وَلَقَدْ خَلَقْنَاكُمْ ثُمَّ صَوَّرْنَاكُمْ ثُمَّ قُلْنَا لِلْمَلَائِكَةِ اسْجُدُوا لِآدَمَ فَسَجَدُوا إِلَّا إِبْلِيسَ لَمْ يَكُنْ مِنَ السَّاجِدِينَ ﴿١١﴾
আমি তো তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছি, অতঃপর তোমাদের আকৃতি দিয়েছি, অতঃপর ফেরেশতাদের নির্দেশ দিলাম আদামকে সাজদাহ করার জন্য। তখন ইবলিস ছাড়া সবাই সিজদা করল। সে সিজদাকারীদের অন্তর্ভুক্ত হল না। [তাইসিরুল কুরআন]
অতঃপর আল্লাহ মানবজাতিকে আকৃতি দান করেছেন।
আল-আ'রাফ, ৭:১১ ⋮
وَلَقَدْ خَلَقْنَاكُمْ ثُمَّ صَوَّرْنَاكُمْ ثُمَّ قُلْنَا لِلْمَلَائِكَةِ اسْجُدُوا لِآدَمَ فَسَجَدُوا إِلَّا إِبْلِيسَ لَمْ يَكُنْ مِنَ السَّاجِدِينَ ﴿١١﴾
আমি তো তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছি, অতঃপর তোমাদের আকৃতি দিয়েছি, অতঃপর ফেরেশতাদের নির্দেশ দিলাম আদামকে সাজদাহ করার জন্য। তখন ইবলিস ছাড়া সবাই সিজদা করল। সে সিজদাকারীদের অন্তর্ভুক্ত হল না। [তাইসিরুল কুরআন]
উর্বর জমিন থেকে তার রবের অনুমতিক্রমেই ফসল উৎপন্ন হয়।
আল-আ'রাফ, ৭:৫৮ ⋮
وَالْبَلَدُ الطَّيِّبُ يَخْرُجُ نَبَاتُهُ بِإِذْنِ رَبِّهِ وَالَّذِي خَبُثَ لَا يَخْرُجُ إِلَّا نَكِدًا كَذَلِكَ نُصَرِّفُ الْآيَاتِ لِقَوْمٍ يَشْكُرُونَ ﴿٥٨﴾
উৎকৃষ্ট ভূমি তার প্রতিপালকের নির্দেশে বৃক্ষলতা উৎপাদন করে, আর নিকৃষ্ট যমীন থেকে কঠিন পরিশ্রম না করলে কিছুই উৎপন্ন হয় না। এভাবেই আমি আয়াতগুলো বারবার বিবৃত করি কৃতজ্ঞ সম্প্রদায়ের জন্য। [তাইসিরুল কুরআন]
পক্ষান্তরে, অনুর্বর জমিন থেকে কষ্টসাধ্য ও স্বল্প পরিমাণ ছাড়া ফসল উৎপন্ন হয় না।
আল-আ'রাফ, ৭:৫৮ ⋮
وَالْبَلَدُ الطَّيِّبُ يَخْرُجُ نَبَاتُهُ بِإِذْنِ رَبِّهِ وَالَّذِي خَبُثَ لَا يَخْرُجُ إِلَّا نَكِدًا كَذَلِكَ نُصَرِّفُ الْآيَاتِ لِقَوْمٍ يَشْكُرُونَ ﴿٥٨﴾
উৎকৃষ্ট ভূমি তার প্রতিপালকের নির্দেশে বৃক্ষলতা উৎপাদন করে, আর নিকৃষ্ট যমীন থেকে কঠিন পরিশ্রম না করলে কিছুই উৎপন্ন হয় না। এভাবেই আমি আয়াতগুলো বারবার বিবৃত করি কৃতজ্ঞ সম্প্রদায়ের জন্য। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ কিয়ামত দিবসকে শুধুমাত্র একটি নির্ধারিত ও গণনাকৃত মেয়াদের জন্যই বিলম্বিত করেন।
হূদ, ১১:১০৪ ⋮
وَمَا نُؤَخِّرُهُ إِلَّا لِأَجَلٍ مَعْدُودٍ ﴿١٠٤﴾
আমি একটা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য তাকে বিলম্বিত করি মাত্র। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি পূর্বনির্ধারিত সিদ্ধান্ত না থাকলে, মতভেদকারীদের বিষয়ে তাৎক্ষণিক ফয়সালা করে দেওয়া হতো।
হূদ, ১১:১১০ ⋮
وَلَقَدْ آتَيْنَا مُوسَى الْكِتَابَ فَاخْتُلِفَ فِيهِ وَلَوْلَا كَلِمَةٌ سَبَقَتْ مِنْ رَبِّكَ لَقُضِيَ بَيْنَهُمْ وَإِنَّهُمْ لَفِي شَكٍّ مِنْهُ مُرِيبٍ ﴿١١٠﴾
ইতোপূর্বে আমি মূসাকেও কিতাব দিয়েছিলাম, কিন্তু তাতেও মতবিরোধ করা হয়েছিল। তোমার প্রতিপালকের পক্ষ থেকে একটি কথা যদি আগেই বলে দেয়া না হত, তাহলে তাদের মাঝে অবশ্যই ফায়সালাই ক’রে দেয়া হত, এ ব্যাপারে তারা অবশ্য সন্দেহপূর্ণ সংশয়ে পড়ে আছে। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ বনী ইসরাইলকে বারোটি স্বতন্ত্র গোত্রে বিভক্ত করেছিলেন।
আল-আ'রাফ, ৭:১৬০ ⋮
وَقَطَّعْنَاهُمُ اثْنَتَيْ عَشْرَةَ أَسْبَاطًا أُمَمًا وَأَوْحَيْنَا إِلَى مُوسَى إِذِ اسْتَسْقَاهُ قَوْمُهُ أَنِ اضْرِبْ بِعَصَاكَ الْحَجَرَ فَانْبَجَسَتْ مِنْهُ اثْنَتَا عَشْرَةَ عَيْنًا قَدْ عَلِمَ كُلُّ أُنَاسٍ مَشْرَبَهُمْ وَظَلَّلْنَا عَلَيْهِمُ الْغَمَامَ وَأَنْزَلْنَا عَلَيْهِمُ الْمَنَّ وَالسَّلْوَى كُلُوا مِنْ طَيِّبَاتِ مَا رَزَقْنَاكُمْ وَمَا ظَلَمُونَا وَلَكِنْ كَانُوا أَنْفُسَهُمْ يَظْلِمُونَ ﴿١٦٠﴾
আমি তাদেরকে বারটি গোত্রে বা জাতিতে বিভক্ত করেছিলাম। মূসার জাতির লোকেরা যখন তার কাছে পানি চাইল তখন আমি মূসার প্রতি ওয়াহী অবতীর্ণ করলাম যে, তোমার লাঠি দিয়ে পাথরে আঘাত কর। এর ফলে তাত্থেকে বারটি ঝর্ণা উৎসারিত হল। প্রত্যেক গোত্র তাদের পানি পানের স্থান চিনে নিল, তাদেরকে মেঘের ছায়ায় আশ্রয় দিলাম, তাদের উপর আমি মান্না ও সালওয়া অবতীর্ণ করলাম আর বললাম, ‘তোমাদেরকে আমি যে জীবিকা দিয়েছি তাত্থেকে পবিত্র বস্তুগুলো আহার কর।’ (কিন্তু তারা আমার নির্দেশ অমান্য করে) আমার প্রতি কোন যুলম করেনি, প্রকৃতপক্ষে তারা নিজেদের উপরই যুলম করছিল। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহর নির্দেশে পাথরটি থেকে বারোটি ঝর্ণা প্রবাহিত হয়েছিল।
আল-আ'রাফ, ৭:১৬০ ⋮
وَقَطَّعْنَاهُمُ اثْنَتَيْ عَشْرَةَ أَسْبَاطًا أُمَمًا وَأَوْحَيْنَا إِلَى مُوسَى إِذِ اسْتَسْقَاهُ قَوْمُهُ أَنِ اضْرِبْ بِعَصَاكَ الْحَجَرَ فَانْبَجَسَتْ مِنْهُ اثْنَتَا عَشْرَةَ عَيْنًا قَدْ عَلِمَ كُلُّ أُنَاسٍ مَشْرَبَهُمْ وَظَلَّلْنَا عَلَيْهِمُ الْغَمَامَ وَأَنْزَلْنَا عَلَيْهِمُ الْمَنَّ وَالسَّلْوَى كُلُوا مِنْ طَيِّبَاتِ مَا رَزَقْنَاكُمْ وَمَا ظَلَمُونَا وَلَكِنْ كَانُوا أَنْفُسَهُمْ يَظْلِمُونَ ﴿١٦٠﴾
আমি তাদেরকে বারটি গোত্রে বা জাতিতে বিভক্ত করেছিলাম। মূসার জাতির লোকেরা যখন তার কাছে পানি চাইল তখন আমি মূসার প্রতি ওয়াহী অবতীর্ণ করলাম যে, তোমার লাঠি দিয়ে পাথরে আঘাত কর। এর ফলে তাত্থেকে বারটি ঝর্ণা উৎসারিত হল। প্রত্যেক গোত্র তাদের পানি পানের স্থান চিনে নিল, তাদেরকে মেঘের ছায়ায় আশ্রয় দিলাম, তাদের উপর আমি মান্না ও সালওয়া অবতীর্ণ করলাম আর বললাম, ‘তোমাদেরকে আমি যে জীবিকা দিয়েছি তাত্থেকে পবিত্র বস্তুগুলো আহার কর।’ (কিন্তু তারা আমার নির্দেশ অমান্য করে) আমার প্রতি কোন যুলম করেনি, প্রকৃতপক্ষে তারা নিজেদের উপরই যুলম করছিল। [তাইসিরুল কুরআন]
প্রত্যেক গোত্র নিজ নিজ পানি পানের স্থান চিনে নিয়েছিল।
আল-আ'রাফ, ৭:১৬০ ⋮
وَقَطَّعْنَاهُمُ اثْنَتَيْ عَشْرَةَ أَسْبَاطًا أُمَمًا وَأَوْحَيْنَا إِلَى مُوسَى إِذِ اسْتَسْقَاهُ قَوْمُهُ أَنِ اضْرِبْ بِعَصَاكَ الْحَجَرَ فَانْبَجَسَتْ مِنْهُ اثْنَتَا عَشْرَةَ عَيْنًا قَدْ عَلِمَ كُلُّ أُنَاسٍ مَشْرَبَهُمْ وَظَلَّلْنَا عَلَيْهِمُ الْغَمَامَ وَأَنْزَلْنَا عَلَيْهِمُ الْمَنَّ وَالسَّلْوَى كُلُوا مِنْ طَيِّبَاتِ مَا رَزَقْنَاكُمْ وَمَا ظَلَمُونَا وَلَكِنْ كَانُوا أَنْفُسَهُمْ يَظْلِمُونَ ﴿١٦٠﴾
আমি তাদেরকে বারটি গোত্রে বা জাতিতে বিভক্ত করেছিলাম। মূসার জাতির লোকেরা যখন তার কাছে পানি চাইল তখন আমি মূসার প্রতি ওয়াহী অবতীর্ণ করলাম যে, তোমার লাঠি দিয়ে পাথরে আঘাত কর। এর ফলে তাত্থেকে বারটি ঝর্ণা উৎসারিত হল। প্রত্যেক গোত্র তাদের পানি পানের স্থান চিনে নিল, তাদেরকে মেঘের ছায়ায় আশ্রয় দিলাম, তাদের উপর আমি মান্না ও সালওয়া অবতীর্ণ করলাম আর বললাম, ‘তোমাদেরকে আমি যে জীবিকা দিয়েছি তাত্থেকে পবিত্র বস্তুগুলো আহার কর।’ (কিন্তু তারা আমার নির্দেশ অমান্য করে) আমার প্রতি কোন যুলম করেনি, প্রকৃতপক্ষে তারা নিজেদের উপরই যুলম করছিল। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহই হলেন আসমানসমূহ ও যমীনের প্রতিপালক।
আর-রাদ, ১৩:১৬ ⋮
قُلْ مَنْ رَبُّ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ قُلِ اللَّهُ قُلْ أَفَاتَّخَذْتُمْ مِنْ دُونِهِ أَوْلِيَاءَ لَا يَمْلِكُونَ لِأَنْفُسِهِمْ نَفْعًا وَلَا ضَرًّا قُلْ هَلْ يَسْتَوِي الْأَعْمَى وَالْبَصِيرُ أَمْ هَلْ تَسْتَوِي الظُّلُمَاتُ وَالنُّورُ أَمْ جَعَلُوا لِلَّهِ شُرَكَاءَ خَلَقُوا كَخَلْقِهِ فَتَشَابَهَ الْخَلْقُ عَلَيْهِمْ قُلِ اللَّهُ خَالِقُ كُلِّ شَيْءٍ وَهُوَ الْوَاحِدُ الْقَهَّارُ ﴿١٦﴾
বল, আকাশ ও যমীনের প্রতিপালক কে? বল, আল্লাহ। বল, তোমরা কি তাঁকে বাদ দিয়ে এমন অভিভাবক গ্রহণ করেছ যাদের নিজেদের কোন লাভ-লোকসান করার ক্ষমতা নেই। বল, অন্ধ ও চক্ষুষ্মান কি সমান? কিংবা অন্ধকার আর আলো কি সমান? কিংবা তারা কি আল্লাহর অংশীদার বানিয়েছে তাদেরকে যারা তাঁর সৃষ্টির মত সৃষ্টি করেছে, যে কারণে সৃষ্টি তাদের কাছে সমান মনে হয়েছে? বল, আল্লাহ সবকিছুর সৃষ্টিকর্তা, তিনি এক, মহা প্রতাপশালী। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহই সকল কিছুর একমাত্র স্রষ্টা।
আর-রাদ, ১৩:১৬ ⋮
قُلْ مَنْ رَبُّ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ قُلِ اللَّهُ قُلْ أَفَاتَّخَذْتُمْ مِنْ دُونِهِ أَوْلِيَاءَ لَا يَمْلِكُونَ لِأَنْفُسِهِمْ نَفْعًا وَلَا ضَرًّا قُلْ هَلْ يَسْتَوِي الْأَعْمَى وَالْبَصِيرُ أَمْ هَلْ تَسْتَوِي الظُّلُمَاتُ وَالنُّورُ أَمْ جَعَلُوا لِلَّهِ شُرَكَاءَ خَلَقُوا كَخَلْقِهِ فَتَشَابَهَ الْخَلْقُ عَلَيْهِمْ قُلِ اللَّهُ خَالِقُ كُلِّ شَيْءٍ وَهُوَ الْوَاحِدُ الْقَهَّارُ ﴿١٦﴾
বল, আকাশ ও যমীনের প্রতিপালক কে? বল, আল্লাহ। বল, তোমরা কি তাঁকে বাদ দিয়ে এমন অভিভাবক গ্রহণ করেছ যাদের নিজেদের কোন লাভ-লোকসান করার ক্ষমতা নেই। বল, অন্ধ ও চক্ষুষ্মান কি সমান? কিংবা অন্ধকার আর আলো কি সমান? কিংবা তারা কি আল্লাহর অংশীদার বানিয়েছে তাদেরকে যারা তাঁর সৃষ্টির মত সৃষ্টি করেছে, যে কারণে সৃষ্টি তাদের কাছে সমান মনে হয়েছে? বল, আল্লাহ সবকিছুর সৃষ্টিকর্তা, তিনি এক, মহা প্রতাপশালী। [তাইসিরুল কুরআন]
নিশ্চয়ই আল্লাহই জীবন দান করেন।
আল-হিজর, ১৫:২৩ ⋮
وَإِنَّا لَنَحْنُ نُحْيِي وَنُمِيتُ وَنَحْنُ الْوَارِثُونَ ﴿٢٣﴾
আমিই জীবন দেই আর মৃত্যু ঘটাই আর আমিই চূড়ান্ত উত্তরাধিকারী। [তাইসিরুল কুরআন]
এবং আল্লাহই মৃত্যু ঘটান।
আল-হিজর, ১৫:২৩ ⋮
وَإِنَّا لَنَحْنُ نُحْيِي وَنُمِيتُ وَنَحْنُ الْوَارِثُونَ ﴿٢٣﴾
আমিই জীবন দেই আর মৃত্যু ঘটাই আর আমিই চূড়ান্ত উত্তরাধিকারী। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ লূতের স্ত্রীর ভাগ্য নির্ধারণ করেছেন।
আল-হিজর, ১৫:৬০ ⋮
إِلَّا امْرَأَتَهُ قَدَّرْنَا إِنَّهَا لَمِنَ الْغَابِرِينَ ﴿٦٠﴾
তবে তার স্ত্রীকে নয়, আমরা (আল্লাহর নির্দেশক্রমে) তার জন্য নির্ধারিত করে দিয়েছি যে, সে পেছনে থেকে যাওয়া লোকেদের মধ্যে শামিল থাকবে।’ [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহই জীবন দান করেন।
আত-তাওবা, ৯:১১৬ ⋮
إِنَّ اللَّهَ لَهُ مُلْكُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ يُحْيِي وَيُمِيتُ وَمَا لَكُمْ مِنْ دُونِ اللَّهِ مِنْ وَلِيٍّ وَلَا نَصِيرٍ ﴿١١٦﴾
আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর রাজত্ব আল্লাহরই, তিনিই জীবন দান করেন আর তিনিই মৃত্যু ঘটান। আল্লাহ ছাড়া তোমাদের নেই কোন অভিভাবক, নেই কোন সাহায্যকারী। [তাইসিরুল কুরআন]
নিশ্চয়ই আল্লাহই হলেন তোমাদের প্রতিপালক।
ইউনুস, ১০:৩ ⋮
إِنَّ رَبَّكُمُ اللَّهُ الَّذِي خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ فِي سِتَّةِ أَيَّامٍ ثُمَّ اسْتَوَى عَلَى الْعَرْشِ يُدَبِّرُ الْأَمْرَ مَا مِنْ شَفِيعٍ إِلَّا مِنْ بَعْدِ إِذْنِهِ ذَلِكُمُ اللَّهُ رَبُّكُمْ فَاعْبُدُوهُ أَفَلَا تَذَكَّرُونَ ﴿٣﴾
নিশ্চয়ই তোমাদের প্রতিপালক হলেন আল্লাহ যিনি আকাশমন্ডলী আর পৃথিবীকে ছয় দিনে সৃষ্টি করেছেন। অতঃপর তিনি আরশে সমুন্নত হয়েছেন। তিনি যাবতীয় বিষয়াদি পরিচালনা করেন। তাঁর অনুমতি প্রাপ্তি ছাড়া সুপারিশ করার কেউ নেই। ইনিই হলেন আল্লাহ, তোমাদের প্রতিপালক। কাজেই তোমরা তাঁরই ‘ইবাদাত কর, তোমরা কি উপদেশ গ্রহণ করবে না? [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ আকাশসমূহ ও পৃথিবী ছয় দিনে সৃষ্টি করেছেন।
ইউনুস, ১০:৩ ⋮
إِنَّ رَبَّكُمُ اللَّهُ الَّذِي خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ فِي سِتَّةِ أَيَّامٍ ثُمَّ اسْتَوَى عَلَى الْعَرْشِ يُدَبِّرُ الْأَمْرَ مَا مِنْ شَفِيعٍ إِلَّا مِنْ بَعْدِ إِذْنِهِ ذَلِكُمُ اللَّهُ رَبُّكُمْ فَاعْبُدُوهُ أَفَلَا تَذَكَّرُونَ ﴿٣﴾
নিশ্চয়ই তোমাদের প্রতিপালক হলেন আল্লাহ যিনি আকাশমন্ডলী আর পৃথিবীকে ছয় দিনে সৃষ্টি করেছেন। অতঃপর তিনি আরশে সমুন্নত হয়েছেন। তিনি যাবতীয় বিষয়াদি পরিচালনা করেন। তাঁর অনুমতি প্রাপ্তি ছাড়া সুপারিশ করার কেউ নেই। ইনিই হলেন আল্লাহ, তোমাদের প্রতিপালক। কাজেই তোমরা তাঁরই ‘ইবাদাত কর, তোমরা কি উপদেশ গ্রহণ করবে না? [তাইসিরুল কুরআন]
অতঃপর আল্লাহ আরশের উপর সমুন্নত হয়েছেন।
ইউনুস, ১০:৩ ⋮
إِنَّ رَبَّكُمُ اللَّهُ الَّذِي خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ فِي سِتَّةِ أَيَّامٍ ثُمَّ اسْتَوَى عَلَى الْعَرْشِ يُدَبِّرُ الْأَمْرَ مَا مِنْ شَفِيعٍ إِلَّا مِنْ بَعْدِ إِذْنِهِ ذَلِكُمُ اللَّهُ رَبُّكُمْ فَاعْبُدُوهُ أَفَلَا تَذَكَّرُونَ ﴿٣﴾
নিশ্চয়ই তোমাদের প্রতিপালক হলেন আল্লাহ যিনি আকাশমন্ডলী আর পৃথিবীকে ছয় দিনে সৃষ্টি করেছেন। অতঃপর তিনি আরশে সমুন্নত হয়েছেন। তিনি যাবতীয় বিষয়াদি পরিচালনা করেন। তাঁর অনুমতি প্রাপ্তি ছাড়া সুপারিশ করার কেউ নেই। ইনিই হলেন আল্লাহ, তোমাদের প্রতিপালক। কাজেই তোমরা তাঁরই ‘ইবাদাত কর, তোমরা কি উপদেশ গ্রহণ করবে না? [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহই সকল বিষয় পরিচালনা করেন।
ইউনুস, ১০:৩ ⋮
إِنَّ رَبَّكُمُ اللَّهُ الَّذِي خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ فِي سِتَّةِ أَيَّامٍ ثُمَّ اسْتَوَى عَلَى الْعَرْشِ يُدَبِّرُ الْأَمْرَ مَا مِنْ شَفِيعٍ إِلَّا مِنْ بَعْدِ إِذْنِهِ ذَلِكُمُ اللَّهُ رَبُّكُمْ فَاعْبُدُوهُ أَفَلَا تَذَكَّرُونَ ﴿٣﴾
নিশ্চয়ই তোমাদের প্রতিপালক হলেন আল্লাহ যিনি আকাশমন্ডলী আর পৃথিবীকে ছয় দিনে সৃষ্টি করেছেন। অতঃপর তিনি আরশে সমুন্নত হয়েছেন। তিনি যাবতীয় বিষয়াদি পরিচালনা করেন। তাঁর অনুমতি প্রাপ্তি ছাড়া সুপারিশ করার কেউ নেই। ইনিই হলেন আল্লাহ, তোমাদের প্রতিপালক। কাজেই তোমরা তাঁরই ‘ইবাদাত কর, তোমরা কি উপদেশ গ্রহণ করবে না? [তাইসিরুল কুরআন]
তিনিই আল্লাহ, তোমাদের প্রতিপালক।
ইউনুস, ১০:৩ ⋮
إِنَّ رَبَّكُمُ اللَّهُ الَّذِي خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ فِي سِتَّةِ أَيَّامٍ ثُمَّ اسْتَوَى عَلَى الْعَرْشِ يُدَبِّرُ الْأَمْرَ مَا مِنْ شَفِيعٍ إِلَّا مِنْ بَعْدِ إِذْنِهِ ذَلِكُمُ اللَّهُ رَبُّكُمْ فَاعْبُدُوهُ أَفَلَا تَذَكَّرُونَ ﴿٣﴾
নিশ্চয়ই তোমাদের প্রতিপালক হলেন আল্লাহ যিনি আকাশমন্ডলী আর পৃথিবীকে ছয় দিনে সৃষ্টি করেছেন। অতঃপর তিনি আরশে সমুন্নত হয়েছেন। তিনি যাবতীয় বিষয়াদি পরিচালনা করেন। তাঁর অনুমতি প্রাপ্তি ছাড়া সুপারিশ করার কেউ নেই। ইনিই হলেন আল্লাহ, তোমাদের প্রতিপালক। কাজেই তোমরা তাঁরই ‘ইবাদাত কর, তোমরা কি উপদেশ গ্রহণ করবে না? [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহই জীবন দান করেন।
ইউনুস, ১০:৫৬ ⋮
هُوَ يُحْيِي وَيُمِيتُ وَإِلَيْهِ تُرْجَعُونَ ﴿٥٦﴾
তিনি জীবন দান করেন, তিনিই মৃত্যু দেন, আর তাঁর দিকেই তোমরা ফিরে যাবে। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহই তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন।
আন-নাহাল, ১৬:৭০ ⋮
وَاللَّهُ خَلَقَكُمْ ثُمَّ يَتَوَفَّاكُمْ وَمِنْكُمْ مَنْ يُرَدُّ إِلَى أَرْذَلِ الْعُمُرِ لِكَيْ لَا يَعْلَمَ بَعْدَ عِلْمٍ شَيْئًا إِنَّ اللَّهَ عَلِيمٌ قَدِيرٌ ﴿٧٠﴾
আল্লাহ্ই তোমাদেরকে পয়দা করেছেন, অতঃপর তিনি তোমাদের মৃত্যু ঘটাবেন। তোমাদের কাউকে অকর্মণ্য বয়সে ফিরিয়ে দেয়া হয়, যাতে জ্ঞান লাভ করার পরেও আর কোন কিছুর জ্ঞান থাকে না। আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ জ্ঞানী, সর্বাপেক্ষা শক্তিমান। [তাইসিরুল কুরআন]
আর আল্লাহ ঐ বাগান দুটির মাঝ দিয়ে একটি নদী প্রবাহিত করেছিলেন।
আল-কাহফ, ১৮:৩৩ ⋮
كِلْتَا الْجَنَّتَيْنِ آتَتْ أُكُلَهَا وَلَمْ تَظْلِمْ مِنْهُ شَيْئًا وَفَجَّرْنَا خِلَالَهُمَا نَهَرًا ﴿٣٣﴾
দু’টো বাগানই ফল দিত, এতে এতটুকু ত্রুটি করত না। এ দু’য়ের মাঝে আমি ঝর্ণাধারা প্রবাহিত করেছিলাম। [তাইসিরুল কুরআন]
আমার বিশ্বাস হলো, আল্লাহই আমার প্রতিপালক।
আল-কাহফ, ১৮:৩৮ ⋮
لَكِنَّا هُوَ اللَّهُ رَبِّي وَلَا أُشْرِكُ بِرَبِّي أَحَدًا ﴿٣٨﴾
(আর আমার ব্যাপারে কথা হল) সেই আল্লাহই আমার প্রতিপালক, আমি কাউকে আমার প্রতিপালকের শরীক করব না। [তাইসিরুল কুরআন]
বরং আল্লাহ (মূসার পর) বহু প্রজন্ম সৃষ্টি করেছিলেন এবং তাদের উপর দীর্ঘকাল অতিবাহিত হয়েছিল।
আল-কাসাস, ২৮:৪৫ ⋮
وَلَكِنَّا أَنْشَأْنَا قُرُونًا فَتَطَاوَلَ عَلَيْهِمُ الْعُمُرُ وَمَا كُنْتَ ثَاوِيًا فِي أَهْلِ مَدْيَنَ تَتْلُو عَلَيْهِمْ آيَاتِنَا وَلَكِنَّا كُنَّا مُرْسِلِينَ ﴿٤٥﴾
কিন্তু আমি অনেক মানবগোষ্ঠী সৃষ্টি করেছিলাম, অতঃপর তাদের অনেক যুগ গত হয়ে গেছে। তুমি মাদইয়ানবাসীদের মধ্যে বিদ্যমান ছিলে না তাদের কাছে আমার আয়াত আবৃত্তি করার জন্য, কিন্তু (তাদের মাঝে) রসূল প্রেরণকারী আমিই ছিলাম। [তাইসিরুল কুরআন]
বরং আল্লাহই (ওহীসহ) রাসূলদের প্রেরণকারী।
আল-কাসাস, ২৮:৪৫ ⋮
وَلَكِنَّا أَنْشَأْنَا قُرُونًا فَتَطَاوَلَ عَلَيْهِمُ الْعُمُرُ وَمَا كُنْتَ ثَاوِيًا فِي أَهْلِ مَدْيَنَ تَتْلُو عَلَيْهِمْ آيَاتِنَا وَلَكِنَّا كُنَّا مُرْسِلِينَ ﴿٤٥﴾
কিন্তু আমি অনেক মানবগোষ্ঠী সৃষ্টি করেছিলাম, অতঃপর তাদের অনেক যুগ গত হয়ে গেছে। তুমি মাদইয়ানবাসীদের মধ্যে বিদ্যমান ছিলে না তাদের কাছে আমার আয়াত আবৃত্তি করার জন্য, কিন্তু (তাদের মাঝে) রসূল প্রেরণকারী আমিই ছিলাম। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ আসমানসমূহ ও জমিনকে যথাযথভাবে সৃষ্টি করেছেন।
আল-আনকাবূত, ২৯:৪৪ ⋮
خَلَقَ اللَّهُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ بِالْحَقِّ إِنَّ فِي ذَلِكَ لَآيَةً لِلْمُؤْمِنِينَ ﴿٤٤﴾
আসমানসমূহ আর পৃথিবীকে আল্লাহ উদ্দেশ্য সাধনের উপযোগী ক’রে সৃষ্টি করেছেন, এতে বিশ্বাসীদের জন্য অবশ্যই নিদর্শন আছে। [তাইসিরুল কুরআন]
ইবরাহিম (আঃ) বললেন, 'বরং তোমাদের প্রতিপালক হলেন আসমানসমূহ ও জমিনের প্রতিপালক'।
আল-আম্বিয়া, ২১:৫৬ ⋮
قَالَ بَل رَبُّكُمْ رَبُّ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ الَّذِي فَطَرَهُنَّ وَأَنَا عَلَى ذَلِكُمْ مِنَ الشَّاهِدِينَ ﴿٥٦﴾
সে বলল, ‘বরং, তোমাদের প্রতিপালক হলেন আকাশ ও পৃথিবীর প্রতিপালক যিনি ওগুলোকে সৃষ্টি করেছেন, আর এ বিষয়ে আমি একজন সাক্ষ্যদাতা। [তাইসিরুল কুরআন]
তিনিই (আল্লাহ) সেই সত্তা যিনি আসমানসমূহ ও জমিনকে সৃষ্টি করেছেন।
আল-আম্বিয়া, ২১:৫৬ ⋮
قَالَ بَل رَبُّكُمْ رَبُّ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ الَّذِي فَطَرَهُنَّ وَأَنَا عَلَى ذَلِكُمْ مِنَ الشَّاهِدِينَ ﴿٥٦﴾
সে বলল, ‘বরং, তোমাদের প্রতিপালক হলেন আকাশ ও পৃথিবীর প্রতিপালক যিনি ওগুলোকে সৃষ্টি করেছেন, আর এ বিষয়ে আমি একজন সাক্ষ্যদাতা। [তাইসিরুল কুরআন]
এবং আল্লাহই হলেন তোমাদের প্রতিপালক।
আল-আম্বিয়া, ২১:৯২ ⋮
إِنَّ هَذِهِ أُمَّتُكُمْ أُمَّةً وَاحِدَةً وَأَنَا رَبُّكُمْ فَاعْبُدُونِ ﴿٩٢﴾
তোমাদের এ সব জাতিগুলো একই জাতি, আর আমি তোমাদের প্রতিপালক, কাজেই আমারই ‘ইবাদাত কর। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহই মৃতকে জীবন দান করেন।
আল-হজ্জ, ২২:৬ ⋮
ذَلِكَ بِأَنَّ اللَّهَ هُوَ الْحَقُّ وَأَنَّهُ يُحْيِي الْمَوْتَى وَأَنَّهُ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ ﴿٦﴾
এ রকম হয় এজন্য যে, আল্লাহ হলেন সত্য সঠিক, আর তিনিই মৃতকে জীবিত করেন, আর তিনি সকল বিষয়ে ক্ষমতাবান। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ রাতকে দিনের মধ্যে প্রবেশ করান।
আল-হজ্জ, ২২:৬১ ⋮
ذَلِكَ بِأَنَّ اللَّهَ يُولِجُ اللَّيْلَ فِي النَّهَارِ وَيُولِجُ النَّهَارَ فِي اللَّيْلِ وَأَنَّ اللَّهَ سَمِيعٌ بَصِيرٌ ﴿٦١﴾
এটা এজন্য যে, আল্লাহ রাতকে ঢুকিয়ে দেন দিনে, আর দিনকে ঢুকিয়ে দেন রাতে (দুঃখ বেদনার অন্ধকার দূর করে আনন্দের আলো এনে দেন আর আনন্দিত জনকে দুঃখের অাঁধারে ডুবিয়ে দেন)। আর আল্লাহ তো সব কিছু শোনেন, সব কিছু দেখেন। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ দিনকে রাতের মধ্যে প্রবেশ করান।
আল-হজ্জ, ২২:৬১ ⋮
ذَلِكَ بِأَنَّ اللَّهَ يُولِجُ اللَّيْلَ فِي النَّهَارِ وَيُولِجُ النَّهَارَ فِي اللَّيْلِ وَأَنَّ اللَّهَ سَمِيعٌ بَصِيرٌ ﴿٦١﴾
এটা এজন্য যে, আল্লাহ রাতকে ঢুকিয়ে দেন দিনে, আর দিনকে ঢুকিয়ে দেন রাতে (দুঃখ বেদনার অন্ধকার দূর করে আনন্দের আলো এনে দেন আর আনন্দিত জনকে দুঃখের অাঁধারে ডুবিয়ে দেন)। আর আল্লাহ তো সব কিছু শোনেন, সব কিছু দেখেন। [তাইসিরুল কুরআন]
আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে, তার সবই আল্লাহর মালিকানাধীন।
আল-হজ্জ, ২২:৬৪ ⋮
لَهُ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَمَا فِي الْأَرْضِ وَإِنَّ اللَّهَ لَهُوَ الْغَنِيُّ الْحَمِيدُ ﴿٦٤﴾
আকাশ ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে সবই তাঁর, আর আল্লাহ, তিনি যাবতীয় অভাব থেকে মুক্ত, যাবতীয় প্রশংসার অধিকারী। [তাইসিরুল কুরআন]
অতঃপর আল্লাহ নূহের (আঃ) সম্প্রদায়ের পরে অন্য এক প্রজন্ম সৃষ্টি করেছিলেন।
আল-মুমিনুন, ২৩:৩১ ⋮
ثُمَّ أَنْشَأْنَا مِنْ بَعْدِهِمْ قَرْنًا آخَرِينَ ﴿٣١﴾
অতঃপর তাদের পর আরেক মানব বংশ (‘আদ সম্প্রদায়কে) সৃষ্টি করেছিলাম। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহই তোমাদেরকে পৃথিবীতে সৃষ্টি করে ছড়িয়ে দিয়েছেন।
আল-মুমিনুন, ২৩:৭৯ ⋮
وَهُوَ الَّذِي ذَرَأَكُمْ فِي الْأَرْضِ وَإِلَيْهِ تُحْشَرُونَ ﴿٧٩﴾
তিনিই তোমাদেরকে পৃথিবীতে ছড়িয়ে দিয়েছেন আর তাঁর কাছেই তোমাদেরকে একত্রিত করা হবে। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহই জীবন দান করেন।
আল-মুমিনুন, ২৩:৮০ ⋮
وَهُوَ الَّذِي يُحْيِي وَيُمِيتُ وَلَهُ اخْتِلَافُ اللَّيْلِ وَالنَّهَارِ أَفَلَا تَعْقِلُونَ ﴿٨٠﴾
তিনিই জীবন দেন ও মৃত্যু ঘটান আর দিন-রাতের পরিবর্তন তাঁর দ্বারাই হয়, তবুও কি তোমরা বুঝবে না? [তাইসিরুল কুরআন]
এবং আল্লাহই মৃত্যু ঘটান।
আল-মুমিনুন, ২৩:৮০ ⋮
وَهُوَ الَّذِي يُحْيِي وَيُمِيتُ وَلَهُ اخْتِلَافُ اللَّيْلِ وَالنَّهَارِ أَفَلَا تَعْقِلُونَ ﴿٨٠﴾
তিনিই জীবন দেন ও মৃত্যু ঘটান আর দিন-রাতের পরিবর্তন তাঁর দ্বারাই হয়, তবুও কি তোমরা বুঝবে না? [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ মানুষের উপদেশ গ্রহণের জন্য তাদের মধ্যে বৃষ্টিপাতকে বিভিন্নভাবে বিতরণ করেন।
আল-ফুরকান, ২৫:৫০ ⋮
وَلَقَدْ صَرَّفْنَاهُ بَيْنَهُمْ لِيَذَّكَّرُوا فَأَبَى أَكْثَرُ النَّاسِ إِلَّا كُفُورًا ﴿٥٠﴾
আমি পানিকে (সকলের প্রয়োজন মেটানোর জন্য) তাদের মাঝে বণ্টন করি যাতে তারা (আল্লাহর অনুগ্রহের কথা) স্মরণ করে, কিন্তু মানুষদের অধিকাংশই ঈমান গ্রহণ করতে অস্বীকার ক’রে কেবল কুফরিই করল। [তাইসিরুল কুরআন]
আপনি যদি মুশরিকদেরকে জিজ্ঞেস করেন কে আসমানসমূহ ও যমীন সৃষ্টি করেছেন এবং সূর্য ও চন্দ্রকে নিয়ন্ত্রণাধীন করেছেন, তারা অবশ্যই বলবে 'আল্লাহ'।
আল-আনকাবূত, ২৯:৬১ ⋮
وَلَئِنْ سَأَلْتَهُمْ مَنْ خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ وَسَخَّرَ الشَّمْسَ وَالْقَمَرَ لَيَقُولُنَّ اللَّهُ فَأَنَّى يُؤْفَكُونَ ﴿٦١﴾
তুমি যদি তাদেরকে জিজ্ঞেস কর- কে আসমানসমূহ ও যমীন সৃষ্টি করেছেন, আর সূর্য ও চন্দ্রকে নিয়ন্ত্রণ করেছেন? তারা অবশ্য অবশ্যই বলবে- আল্লাহ। তাহলে তারা কোথায় ঘুরে বেড়াচ্ছে? [তাইসিরুল কুরআন]
পূর্বাপর সকল বিষয়ের কর্তৃত্ব একমাত্র আল্লাহরই।
আর-রুম, ৩০:৪ ⋮
فِي بِضْعِ سِنِينَ لِلَّهِ الْأَمْرُ مِنْ قَبْلُ وَمِنْ بَعْدُ وَيَوْمَئِذٍ يَفْرَحُ الْمُؤْمِنُونَ ﴿٤﴾
কয়েক (তিন থেকে নয়) বছরের মধ্যেই; (কোন্ কাজ হবে) আগে ও (কোন্ কাজ হবে) পরে সে ফয়সালা আল্লাহরই। সেদিন মু’মিনরা আনন্দ করবে। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ যাকে ইচ্ছা তাকেই সাহায্য করেন।
আর-রুম, ৩০:৫ ⋮
بِنَصْرِ اللَّهِ يَنْصُرُ مَنْ يَشَاءُ وَهُوَ الْعَزِيزُ الرَّحِيمُ ﴿٥﴾
(সে বিজয় অর্জিত হবে) আল্লাহর সাহায্যে। যাকে ইচ্ছে তিনি সাহায্য করেন, তিনি মহাপরাক্রমশালী, বড়ই দয়ালু। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহই সৃষ্টির সূচনা করেন।
আর-রুম, ৩০:১১ ⋮
اللَّهُ يَبْدَأُ الْخَلْقَ ثُمَّ يُعِيدُهُ ثُمَّ إِلَيْهِ تُرْجَعُونَ ﴿١١﴾
আল্লাহ সৃষ্টির সূচনা করেন, অতঃপর তিনি তার পুনরাবৃত্তি করবেন, অতঃপর তাঁর দিকেই তোমাদেরকে ফিরিয়ে আনা হবে। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ আকাশ থেকে বৃষ্টি বর্ষণ করেন।
আর-রুম, ৩০:২৪ ⋮
وَمِنْ آيَاتِهِ يُرِيكُمُ الْبَرْقَ خَوْفًا وَطَمَعًا وَيُنَزِّلُ مِنَ السَّمَاءِ مَاءً فَيُحْيِي بِهِ الْأَرْضَ بَعْدَ مَوْتِهَا إِنَّ فِي ذَلِكَ لَآيَاتٍ لِقَوْمٍ يَعْقِلُونَ ﴿٢٤﴾
তাঁর নিদর্শনের মধ্যে হল এই যে, তিনি তোমাদেরকে দেখান বিদ্যুৎ ভীতি ও ভরসা সঞ্চারীরূপে, আর তিনি আকাশ হতে পানি বর্ষণ করেন যা দিয়ে যমীনকে তার মৃত্যুর পর আবার জীবিত করেন, জ্ঞানবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষদের জন্য অবশ্যই এতে বহু নিদর্শন আছে। [তাইসিরুল কুরআন]
অতঃপর আল্লাহ সেই বৃষ্টির পানি দ্বারা মৃত পৃথিবীকে পুনর্জীবিত করেন।
আর-রুম, ৩০:২৪ ⋮
وَمِنْ آيَاتِهِ يُرِيكُمُ الْبَرْقَ خَوْفًا وَطَمَعًا وَيُنَزِّلُ مِنَ السَّمَاءِ مَاءً فَيُحْيِي بِهِ الْأَرْضَ بَعْدَ مَوْتِهَا إِنَّ فِي ذَلِكَ لَآيَاتٍ لِقَوْمٍ يَعْقِلُونَ ﴿٢٤﴾
তাঁর নিদর্শনের মধ্যে হল এই যে, তিনি তোমাদেরকে দেখান বিদ্যুৎ ভীতি ও ভরসা সঞ্চারীরূপে, আর তিনি আকাশ হতে পানি বর্ষণ করেন যা দিয়ে যমীনকে তার মৃত্যুর পর আবার জীবিত করেন, জ্ঞানবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষদের জন্য অবশ্যই এতে বহু নিদর্শন আছে। [তাইসিরুল কুরআন]
এই দৃশ্যমান জগৎ আল্লাহরই সৃষ্টি।
লুকমান, ৩১:১১ ⋮
هَذَا خَلْقُ اللَّهِ فَأَرُونِي مَاذَا خَلَقَ الَّذِينَ مِنْ دُونِهِ بَلِ الظَّالِمُونَ فِي ضَلَالٍ مُبِينٍ ﴿١١﴾
এগুলো আল্লাহর সৃষ্টি। কাজেই আমাকে দেখাও তিনি ছাড়া অন্যেরা কী সৃষ্টি করেছে। বরং যালিমরা সুস্পষ্ট গুমরাহীতে ডুবে আছে। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ সূর্য ও চন্দ্রকে নিয়ন্ত্রণাধীন করেছেন।
লুকমান, ৩১:২৯ ⋮
أَلَمْ تَرَ أَنَّ اللَّهَ يُولِجُ اللَّيْلَ فِي النَّهَارِ وَيُولِجُ النَّهَارَ فِي اللَّيْلِ وَسَخَّرَ الشَّمْسَ وَالْقَمَرَ كُلٌّ يَجْرِي إِلَى أَجَلٍ مُسَمًّى وَأَنَّ اللَّهَ بِمَا تَعْمَلُونَ خَبِيرٌ ﴿٢٩﴾
তুমি কি দেখ না যে, আল্লাহ রাত্রিকে দিনে এবং দিনকে রাত্রিতে প্রবিষ্ট করেন এবং সূর্য ও চন্দ্রকে নিয়ন্ত্রণ করেন, প্রত্যেকেই বিচরণ করছে নির্দিষ্টকৃত সময় অনুযায়ী, তোমরা যা কিছু কর আল্লাহ সে সম্পর্কে পূর্ণরূপে অবহিত। [তাইসিরুল কুরআন]
সূর্য ও চন্দ্র প্রত্যেকেই একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত আবর্তন করে।
লুকমান, ৩১:২৯ ⋮
أَلَمْ تَرَ أَنَّ اللَّهَ يُولِجُ اللَّيْلَ فِي النَّهَارِ وَيُولِجُ النَّهَارَ فِي اللَّيْلِ وَسَخَّرَ الشَّمْسَ وَالْقَمَرَ كُلٌّ يَجْرِي إِلَى أَجَلٍ مُسَمًّى وَأَنَّ اللَّهَ بِمَا تَعْمَلُونَ خَبِيرٌ ﴿٢٩﴾
তুমি কি দেখ না যে, আল্লাহ রাত্রিকে দিনে এবং দিনকে রাত্রিতে প্রবিষ্ট করেন এবং সূর্য ও চন্দ্রকে নিয়ন্ত্রণ করেন, প্রত্যেকেই বিচরণ করছে নির্দিষ্টকৃত সময় অনুযায়ী, তোমরা যা কিছু কর আল্লাহ সে সম্পর্কে পূর্ণরূপে অবহিত। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহই আসমানসমূহ, জমিন এবং উভয়ের মধ্যবর্তী সবকিছু ছয় দিনে সৃষ্টি করেছেন।
আস-সাজদাহ, ৩২:৪ ⋮
اللَّهُ الَّذِي خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ وَمَا بَيْنَهُمَا فِي سِتَّةِ أَيَّامٍ ثُمَّ اسْتَوَى عَلَى الْعَرْشِ مَا لَكُمْ مِنْ دُونِهِ مِنْ وَلِيٍّ وَلَا شَفِيعٍ أَفَلَا تَتَذَكَّرُونَ ﴿٤﴾
আল্লাহ যিনি আকাশমন্ডলী ও পৃথিবী এবং এ দু’এর মাঝে যা কিছু আছে ছয় দিনে সৃষ্টি করেছেন- অতঃপর তিনি ‘আরশে সমুন্নত হন। তিনি ব্যতীত তোমাদের জন্য কোন অভিভাবক নেই, সুপারিশকারীও নেই। তবুও কি তোমরা উপদেশ গ্রহণ করবে না? [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ রাত থেকে দিনকে অপসারিত করেন।
ইয়াসীন, ৩৬:৩৭ ⋮
وَآيَةٌ لَهُمُ اللَّيْلُ نَسْلَخُ مِنْهُ النَّهَارَ فَإِذَا هُمْ مُظْلِمُونَ ﴿٣٧﴾
তাদের জন্য একটি নিদর্শন হচ্ছে রাত, তাত্থেকে আমি দিনকে সরিয়ে নেই, ফলে তখনই তারা অন্ধকারে ডুবে যায়। [তাইসিরুল কুরআন]
সূর্যের এই গতিপথ পরাক্রমশালী, সর্বজ্ঞ আল্লাহরই নির্ধারণ।
ইয়াসীন, ৩৬:৩৮ ⋮
وَالشَّمْسُ تَجْرِي لِمُسْتَقَرٍّ لَهَا ذَلِكَ تَقْدِيرُ الْعَزِيزِ الْعَلِيمِ ﴿٣٨﴾
আর সূর্য তার জন্যে নির্দিষ্ট ক’রে দেয়া জায়গায় গতিশীল, এটা মহা পরাক্রমশালী সর্বজ্ঞের সুনিরূপিত নির্ধারণ। [তাইসিরুল কুরআন]
আসমানসমূহ ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে, তার সবই আল্লাহর মালিকানাধীন।
সাবা, ৩৪:১ ⋮
الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي لَهُ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَمَا فِي الْأَرْضِ وَلَهُ الْحَمْدُ فِي الْآخِرَةِ وَهُوَ الْحَكِيمُ الْخَبِيرُ ﴿١﴾
যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহর যিনি আকাশ ও পৃথিবীতে যা আছে সব কিছুর মালিক। আখিরাতেও প্রশংসা তাঁরই; তিনি মহা প্রজ্ঞাশীল, সকল বিষয়ে অবহিত। [তাইসিরুল কুরআন]
নিশ্চয়ই আল্লাহর এই সৃষ্টি ও ক্ষমতার মধ্যে প্রত্যেক প্রত্যাবর্তনকারী বান্দার জন্য নিদর্শন রয়েছে।
সাবা, ৩৪:৯ ⋮
أَفَلَمْ يَرَوْا إِلَى مَا بَيْنَ أَيْدِيهِمْ وَمَا خَلْفَهُمْ مِنَ السَّمَاءِ وَالْأَرْضِ إِنْ نَشَأْ نَخْسِفْ بِهِمُ الْأَرْضَ أَوْ نُسْقِطْ عَلَيْهِمْ كِسَفًا مِنَ السَّمَاءِ إِنَّ فِي ذَلِكَ لَآيَةً لِكُلِّ عَبْدٍ مُنِيبٍ ﴿٩﴾
তারা কি আকাশ ও পৃথিবীতে তাদের সামনে ও পেছনে লক্ষ্য করে না? আমি ইচ্ছে করলে তাদেরকেসহ ভূমি ধ্বসিয়ে দেব অথবা আকাশের এক টুকরো তাদের উপর ফেলে দেব। প্রতিটি আল্লাহ অভিমুখী বান্দাহর জন্য এতে নিদর্শন রয়েছে। [তাইসিরুল কুরআন]
নাকি আকাশমন্ডলী, পৃথিবী এবং উভয়ের মধ্যবর্তী সবকিছুর উপর কাফিরদের মালিকানা রয়েছে?
সোয়াদ, ৩৮:১০ ⋮
أَمْ لَهُمْ مُلْكُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ وَمَا بَيْنَهُمَا فَلْيَرْتَقُوا فِي الْأَسْبَابِ ﴿١٠﴾
কিংবা আকাশ ও পৃথিবী- এ দু’ এর মাঝে যা আছে তার সর্বময় ক্ষমতা কি তাদের আছে? তাহলে তারা বিশ্ব পরিচালনার উচ্চস্থানে উঠে পড়ুক। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ আকাশসমূহ, পৃথিবী এবং উভয়ের মধ্যবর্তী সবকিছুর প্রতিপালক।
সোয়াদ, ৩৮:৬৬ ⋮
رَبُّ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ وَمَا بَيْنَهُمَا الْعَزِيزُ الْغَفَّارُ ﴿٦٦﴾
যিনি আকাশ ও পৃথিবী এবং এ দু’এর মাঝে যা আছে সব কিছুর প্রতিপালক- যিনি মহা পরাক্রমশালী, বড়ই ক্ষমাশীল। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ যদি সন্তান গ্রহণ করতে চাইতেন, তবে তিনি তাঁর সৃষ্টি থেকেই কাউকে মনোনীত করতেন।
আয-যুমার, ৩৯:৪ ⋮
لَوْ أَرَادَ اللَّهُ أَنْ يَتَّخِذَ وَلَدًا لَاصْطَفَى مِمَّا يَخْلُقُ مَا يَشَاءُ سُبْحَانَهُ هُوَ اللَّهُ الْوَاحِدُ الْقَهَّارُ ﴿٤﴾
আল্লাহ সন্তান গ্রহণ করার ইচ্ছে করলে তিনি তার সৃষ্টিকুল থেকে নিজ পছন্দ মত বেছে নিতেন। এসব থেকে তিনি পবিত্র। অপ্রতিরোধ্য ক্ষমতার অধিকারী তিনি এক ও একক আল্লাহ। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ আসমানসমূহ, যমীন ও এ দু'য়ের মধ্যবর্তী সবকিছুর প্রতিপালক।
আদ-দুখান, ৪৪:৭ ⋮
رَبُّ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ وَمَا بَيْنَهُمَا إِنْ كُنْتُمْ مُوقِنِينَ ﴿٧﴾
আকাশ ও পৃথিবী এবং এ দু’য়ের মাঝে যা কিছু আছে সব কিছুর যিনি প্রতিপালক, (তাঁর মর্যাদা যে কত মহান এ কথা উপলব্ধি করে নাও) যদি তোমরা সত্যিকারই বিশ্বাসী হয়ে থাক। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহই জীবন দান করেন।
আদ-দুখান, ৪৪:৮ ⋮
لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ يُحْيِي وَيُمِيتُ رَبُّكُمْ وَرَبُّ آبَائِكُمُ الْأَوَّلِينَ ﴿٨﴾
তিনি ছাড়া সত্যিকারের কোন ইলাহ নেই, তিনিই জীবিত করেন ও মৃত্যু ঘটান। তিনিই তোমাদের প্রতিপালক এবং তোমাদের পূর্ববর্তী তোমাদের পিতৃপুরুষদেরও প্রতিপালক। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহই মৃত্যু ঘটান।
আদ-দুখান, ৪৪:৮ ⋮
لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ يُحْيِي وَيُمِيتُ رَبُّكُمْ وَرَبُّ آبَائِكُمُ الْأَوَّلِينَ ﴿٨﴾
তিনি ছাড়া সত্যিকারের কোন ইলাহ নেই, তিনিই জীবিত করেন ও মৃত্যু ঘটান। তিনিই তোমাদের প্রতিপালক এবং তোমাদের পূর্ববর্তী তোমাদের পিতৃপুরুষদেরও প্রতিপালক। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহই তোমাদের প্রতিপালক।
আদ-দুখান, ৪৪:৮ ⋮
لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ يُحْيِي وَيُمِيتُ رَبُّكُمْ وَرَبُّ آبَائِكُمُ الْأَوَّلِينَ ﴿٨﴾
তিনি ছাড়া সত্যিকারের কোন ইলাহ নেই, তিনিই জীবিত করেন ও মৃত্যু ঘটান। তিনিই তোমাদের প্রতিপালক এবং তোমাদের পূর্ববর্তী তোমাদের পিতৃপুরুষদেরও প্রতিপালক। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ ফেরাউনের সম্প্রদায়ের পরিত্যক্ত সম্পদ অন্য এক জাতিকে উত্তরাধিকার হিসেবে দান করেন।
আদ-দুখান, ৪৪:২৮ ⋮
كَذَلِكَ وَأَوْرَثْنَاهَا قَوْمًا آخَرِينَ ﴿٢٨﴾
এমনটাই হয়েছিল, অতঃপর আমি অন্য জাতির লোকদেরকে সে সবের উত্তরাধিকারী করে দিয়েছিলাম। [তাইসিরুল কুরআন]
হে নবী, আপনি বলুন: হে আল্লাহ, আপনিই আসমানসমূহ ও পৃথিবীর স্রষ্টা।
আয-যুমার, ৩৯:৪৬ ⋮
قُلِ اللَّهُمَّ فَاطِرَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ عَالِمَ الْغَيْبِ وَالشَّهَادَةِ أَنْتَ تَحْكُمُ بَيْنَ عِبَادِكَ فِي مَا كَانُوا فِيهِ يَخْتَلِفُونَ ﴿٤٦﴾
বল- হে আল্লাহ! আকাশ ও পৃথিবীর স্রষ্টা, দৃশ্য ও অদৃশ্যের জ্ঞানের অধিকারী, তুমি তোমার বান্দাহদের মাঝে মীমাংসা করে দেবে যে বিষয়ে তারা মতভেদ করছে. [তাইসিরুল কুরআন]
তিনিই আল্লাহ, তোমাদের প্রতিপালক।
গাফির, ৪০:৬২ ⋮
ذَلِكُمُ اللَّهُ رَبُّكُمْ خَالِقُ كُلِّ شَيْءٍ لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ فَأَنَّى تُؤْفَكُونَ ﴿٦٢﴾
এ হলেন আল্লাহ, তোমাদের প্রতিপালক, সব কিছুর সৃষ্টিকর্তা। তিনি ছাড়া সত্যিকারের কোন ইলাহ নেই; এমতাবস্থায় তোমাদেরকে সত্য থেকে কীভাবে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে? [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহই সকল কিছুর স্রষ্টা।
গাফির, ৪০:৬২ ⋮
ذَلِكُمُ اللَّهُ رَبُّكُمْ خَالِقُ كُلِّ شَيْءٍ لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ فَأَنَّى تُؤْفَكُونَ ﴿٦٢﴾
এ হলেন আল্লাহ, তোমাদের প্রতিপালক, সব কিছুর সৃষ্টিকর্তা। তিনি ছাড়া সত্যিকারের কোন ইলাহ নেই; এমতাবস্থায় তোমাদেরকে সত্য থেকে কীভাবে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে? [তাইসিরুল কুরআন]
কাফিররা সেই আল্লাহকে অস্বীকার করে যিনি দুই দিনে পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন।
হা-মীম আস-সাজদা, ৪১:৯ ⋮
قُلْ أَئِنَّكُمْ لَتَكْفُرُونَ بِالَّذِي خَلَقَ الْأَرْضَ فِي يَوْمَيْنِ وَتَجْعَلُونَ لَهُ أَنْدَادًا ذَلِكَ رَبُّ الْعَالَمِينَ ﴿٩﴾
বল- তোমরা কি তাঁকে অস্বীকারই করছ যিনি যমীনকে সৃষ্টি করেছেন দু’দিনে আর তাঁর সমকক্ষ বানাচ্ছ? তিনিই তো বিশ্বজগতের রব্ব। [তাইসিরুল কুরআন]
যিনি পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন, তিনিই জগতসমূহের প্রতিপালক।
হা-মীম আস-সাজদা, ৪১:৯ ⋮
قُلْ أَئِنَّكُمْ لَتَكْفُرُونَ بِالَّذِي خَلَقَ الْأَرْضَ فِي يَوْمَيْنِ وَتَجْعَلُونَ لَهُ أَنْدَادًا ذَلِكَ رَبُّ الْعَالَمِينَ ﴿٩﴾
বল- তোমরা কি তাঁকে অস্বীকারই করছ যিনি যমীনকে সৃষ্টি করেছেন দু’দিনে আর তাঁর সমকক্ষ বানাচ্ছ? তিনিই তো বিশ্বজগতের রব্ব। [তাইসিরুল কুরআন]
এই মহাবিশ্বের সকল ব্যবস্থাপনা মহাপরাক্রমশালী সত্তারই নির্ধারণ।
হা-মীম আস-সাজদা, ৪১:১২ ⋮
فَقَضَاهُنَّ سَبْعَ سَمَاوَاتٍ فِي يَوْمَيْنِ وَأَوْحَى فِي كُلِّ سَمَاءٍ أَمْرَهَا وَزَيَّنَّا السَّمَاءَ الدُّنْيَا بِمَصَابِيحَ وَحِفْظًا ذَلِكَ تَقْدِيرُ الْعَزِيزِ الْعَلِيمِ ﴿١٢﴾
অতঃপর তিনি আকাশমন্ডলীকে সাত আকাশে বিন্যস্ত করলেন দু’দিনে আর প্রত্যেক আকাশকে তার বিধি-ব্যবস্থা ওয়াহীর মাধ্যমে প্রদান করলেন। আমি আলোকমালার সাহায্যে দুনিয়ার আকাশের শোভাবর্ধন করলাম আর সুরক্ষার (ও ব্যবস্থা করলাম)। এ হল মহা পরাক্রমশালী সর্বজ্ঞ আল্লাহর সুনির্ধারিত (ব্যবস্থাপনা)। [তাইসিরুল কুরআন]
এই মহাবিশ্বের সকল ব্যবস্থাপনা সর্বজ্ঞ সত্তারই নির্ধারণ।
হা-মীম আস-সাজদা, ৪১:১২ ⋮
فَقَضَاهُنَّ سَبْعَ سَمَاوَاتٍ فِي يَوْمَيْنِ وَأَوْحَى فِي كُلِّ سَمَاءٍ أَمْرَهَا وَزَيَّنَّا السَّمَاءَ الدُّنْيَا بِمَصَابِيحَ وَحِفْظًا ذَلِكَ تَقْدِيرُ الْعَزِيزِ الْعَلِيمِ ﴿١٢﴾
অতঃপর তিনি আকাশমন্ডলীকে সাত আকাশে বিন্যস্ত করলেন দু’দিনে আর প্রত্যেক আকাশকে তার বিধি-ব্যবস্থা ওয়াহীর মাধ্যমে প্রদান করলেন। আমি আলোকমালার সাহায্যে দুনিয়ার আকাশের শোভাবর্ধন করলাম আর সুরক্ষার (ও ব্যবস্থা করলাম)। এ হল মহা পরাক্রমশালী সর্বজ্ঞ আল্লাহর সুনির্ধারিত (ব্যবস্থাপনা)। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহই মৃতকে জীবন দান করেন।
আশ-শূরা, ৪২:৯ ⋮
أَمِ اتَّخَذُوا مِنْ دُونِهِ أَوْلِيَاءَ فَاللَّهُ هُوَ الْوَلِيُّ وَهُوَ يُحْيِي الْمَوْتَى وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ ﴿٩﴾
কী! তারা কি আল্লাহর পরিবর্তে অন্যদেরকে অভিভাবক গ্রহণ করে নিয়েছে? আল্লাহই তো একমাত্র অভিভাবক, তিনিই মৃতকে জীবিত করেন আর তিনি সব কিছুর উপর ক্ষমতাবান। [তাইসিরুল কুরআন]
সেই আল্লাহই আমার প্রতিপালক।
আশ-শূরা, ৪২:১০ ⋮
وَمَا اخْتَلَفْتُمْ فِيهِ مِنْ شَيْءٍ فَحُكْمُهُ إِلَى اللَّهِ ذَلِكُمُ اللَّهُ رَبِّي عَلَيْهِ تَوَكَّلْتُ وَإِلَيْهِ أُنِيبُ ﴿١٠﴾
তোমরা যে সব বিষয়ে মতভেদ কর তার মীমাংসা আল্লাহর উপর সোপর্দ. সেই আল্লাহই আমার প্রতিপালক, আমি তাঁর উপরই নির্ভর করি, আর তাঁরই অভিমুখী হই। [তাইসিরুল কুরআন]
এবং ইহকালের মালিকানাও একমাত্র আল্লাহরই।
আন-নাজম, ৫৩:২৫ ⋮
فَلِلَّهِ الْآخِرَةُ وَالْأُولَى ﴿٢٥﴾
কেননা আল্লাহই পরকাল আর ইহকালের মালিক। [তাইসিরুল কুরআন]
আপনি (নবী) যদি মুশরিকদেরকে জিজ্ঞেস করেন কে আসমান ও যমীন সৃষ্টি করেছেন, তারা অবশ্যই স্বীকার করে যে মহাপরাক্রমশালী সত্তাই তা সৃষ্টি করেছেন।
আয-যুখরুফ, ৪৩:৯ ⋮
وَلَئِنْ سَأَلْتَهُمْ مَنْ خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ لَيَقُولُنَّ خَلَقَهُنَّ الْعَزِيزُ الْعَلِيمُ ﴿٩﴾
তুমি যদি তাদেরকে জিজ্ঞেস কর- আকাশ ও যমীন কে সৃষ্টি করেছে? তারা অবশ্য অবশ্যই বলবে- ওগুলো প্রবল পরাক্রমশালী মহাজ্ঞানী আল্লাহ সৃষ্টি করেছেন, [তাইসিরুল কুরআন]
মুশরিকরা আরও স্বীকার করে যে আসমান ও যমীনের সেই সৃষ্টিকর্তা সর্বজ্ঞ।
আয-যুখরুফ, ৪৩:৯ ⋮
وَلَئِنْ سَأَلْتَهُمْ مَنْ خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ لَيَقُولُنَّ خَلَقَهُنَّ الْعَزِيزُ الْعَلِيمُ ﴿٩﴾
তুমি যদি তাদেরকে জিজ্ঞেস কর- আকাশ ও যমীন কে সৃষ্টি করেছে? তারা অবশ্য অবশ্যই বলবে- ওগুলো প্রবল পরাক্রমশালী মহাজ্ঞানী আল্লাহ সৃষ্টি করেছেন, [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ ইচ্ছা করলে পৃথিবীতে মানবজাতির পরিবর্তে স্থলাভিষিক্ত হিসেবে ফেরেশতাদেরকে সৃষ্টি করতে পারতেন।
আয-যুখরুফ, ৪৩:৬০ ⋮
وَلَوْ نَشَاءُ لَجَعَلْنَا مِنْكُمْ مَلَائِكَةً فِي الْأَرْضِ يَخْلُفُونَ ﴿٦٠﴾
আমি ইচ্ছে করলে তোমাদের মধ্য হতে ফেরেশতা পয়দা করতে পারি যারা পর পর উত্তরাধিকারী হবে। [তাইসিরুল কুরআন]
সূর্য একটি সুনির্দিষ্ট হিসাব অনুযায়ী চলে।
আর-রাহমান, ৫৫:৫ ⋮
الشَّمْسُ وَالْقَمَرُ بِحُسْبَانٍ ﴿٥﴾
সূর্য ও চন্দ্র আবর্তন করে সুনির্দিষ্ট হিসাব অনুযায়ী। [তাইসিরুল কুরআন]
চন্দ্র একটি সুনির্দিষ্ট হিসাব অনুযায়ী চলে।
আর-রাহমান, ৫৫:৫ ⋮
الشَّمْسُ وَالْقَمَرُ بِحُسْبَانٍ ﴿٥﴾
সূর্য ও চন্দ্র আবর্তন করে সুনির্দিষ্ট হিসাব অনুযায়ী। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহই দুই উদয়াচলের অধিপতি।
আর-রাহমান, ৫৫:১৭ ⋮
رَبُّ الْمَشْرِقَيْنِ وَرَبُّ الْمَغْرِبَيْنِ ﴿١٧﴾
তিনিই দু’টি উদয় স্থান ও দু’টি অস্তাচলের নিয়ন্ত্রক, [তাইসিরুল কুরআন]
এবং আল্লাহই দুই অস্তাচলের অধিপতি।
আর-রাহমান, ৫৫:১৭ ⋮
رَبُّ الْمَشْرِقَيْنِ وَرَبُّ الْمَغْرِبَيْنِ ﴿١٧﴾
তিনিই দু’টি উদয় স্থান ও দু’টি অস্তাচলের নিয়ন্ত্রক, [তাইসিরুল কুরআন]
সমুদ্রে চলমান পর্বতসদৃশ জাহাজসমূহ আল্লাহরই নিয়ন্ত্রণাধীন।
আর-রাহমান, ৫৫:২৪ ⋮
وَلَهُ الْجَوَارِي الْمُنْشَآتُ فِي الْبَحْرِ كَالْأَعْلَامِ ﴿٢٤﴾
পর্বত সম জাহাজসমূহ তাঁরই, যা দরিয়ার বুকে শান্তভাবে চলাচল করে। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহই তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন।
আল-ওয়াকিয়া, ৫৬:৫৭ ⋮
نَحْنُ خَلَقْنَاكُمْ فَلَوْلَا تُصَدِّقُونَ ﴿٥٧﴾
আমিই তো তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছি, তাহলে তোমরা সত্যকে বিশ্বাস করবে না কেন? [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহর প্রশ্ন: তোমরা কি নির্গত শুক্র থেকে মানুষ সৃষ্টি কর?
আল-ওয়াকিয়া, ৫৬:৫৯ ⋮
أَأَنْتُمْ تَخْلُقُونَهُ أَمْ نَحْنُ الْخَالِقُونَ ﴿٥٩﴾
তা কি তোমরা সৃষ্টি কর, না তার সৃষ্টিকর্তা আমিই। [তাইসিরুল কুরআন]
নাকি আল্লাহই হলেন প্রকৃত স্রষ্টা?
আল-ওয়াকিয়া, ৫৬:৫৯ ⋮
أَأَنْتُمْ تَخْلُقُونَهُ أَمْ نَحْنُ الْخَالِقُونَ ﴿٥٩﴾
তা কি তোমরা সৃষ্টি কর, না তার সৃষ্টিকর্তা আমিই। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ আগুনকে মরুচারী ও ভ্রমণকারীদের জন্য একটি উপকারী বস্তু বানিয়েছেন।
আল-ওয়াকিয়া, ৫৬:৭৩ ⋮
نَحْنُ جَعَلْنَاهَا تَذْكِرَةً وَمَتَاعًا لِلْمُقْوِينَ ﴿٧٣﴾
আমি তাকে (অর্থাৎ আগুনকে) করেছি স্মারক (যা জাহান্নামের আগুনের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়) আর মরুর অধিবাসীদের জন্য দরকারী ও আরামের বস্তু। [তাইসিরুল কুরআন]
আসমানসমূহ ও পৃথিবীর সার্বভৌমত্ব একমাত্র আল্লাহর।
আল-হাদীদ, ৫৭:২ ⋮
لَهُ مُلْكُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ يُحْيِي وَيُمِيتُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ ﴿٢﴾
আসমান ও যমীনের রাজত্ব তাঁরই, তিনিই জীবন দেন, আর তিনিই মৃত্যু দেন, তিনি সব কিছুর উপর ক্ষমতাবান। [তাইসিরুল কুরআন]
আসমানসমূহ ও পৃথিবীর সার্বভৌমত্ব একমাত্র আল্লাহর।
আল-হাদীদ, ৫৭:৫ ⋮
لَهُ مُلْكُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ وَإِلَى اللَّهِ تُرْجَعُ الْأُمُورُ ﴿٥﴾
আসমান ও যমীনের রাজত্ব তাঁরই, যাবতীয় বিষয় তাঁরই দিকে ফিরে যায় (চূড়ান্ত ফয়সালার জন্য)। [তাইসিরুল কুরআন]
পৃথিবীতে বা তোমাদের নিজেদের উপর কোনো বিপদ আসার পূর্বেই আল্লাহ তা একটি কিতাবে লিপিবদ্ধ করে রাখেন।
আল-হাদীদ, ৫৭:২২ ⋮
مَا أَصَابَ مِنْ مُصِيبَةٍ فِي الْأَرْضِ وَلَا فِي أَنْفُسِكُمْ إِلَّا فِي كِتَابٍ مِنْ قَبْلِ أَنْ نَبْرَأَهَا إِنَّ ذَلِكَ عَلَى اللَّهِ يَسِيرٌ ﴿٢٢﴾
পৃথিবীতে অথবা তোমাদের নিজেদের উপর এমন কোন মুসীবত আসে না যা আমি সংঘটিত করার পূর্বে কিতাবে লিপিবদ্ধ রাখি না। এটা (করা) আল্লাহর জন্য খুবই সহজ। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ হলেন সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী অধিপতি।
আল-হাশর, ৫৯:২৩ ⋮
هُوَ اللَّهُ الَّذِي لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ الْمَلِكُ الْقُدُّوسُ السَّلَامُ الْمُؤْمِنُ الْمُهَيْمِنُ الْعَزِيزُ الْجَبَّارُ الْمُتَكَبِّرُ سُبْحَانَ اللَّهِ عَمَّا يُشْرِكُونَ ﴿٢٣﴾
তিনিই আল্লাহ যিনি ছাড়া সত্যিকারের কোন ইলাহ নেই, তিনিই বাদশাহ, অতি পবিত্র, পূর্ণ শান্তিময়, নিরাপত্তা দানকারী, প্রতাপশালী, পর্যবেক্ষক, মহা পরাক্রমশালী, অপ্রতিরোধ্য, প্রকৃত গর্বের অধিকারী। তারা যাকে (তাঁর) শরীক করে তাত্থেকে তিনি পবিত্র, মহান। [তাইসিরুল কুরআন]
জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহ ইচ্ছা না করলে তোমরা কোনো কিছুই ইচ্ছা করতে পারো না।
আত-তাকবীর, ৮১:২৯ ⋮
وَمَا تَشَاءُونَ إِلَّا أَنْ يَشَاءَ اللَّهُ رَبُّ الْعَالَمِينَ ﴿٢٩﴾
তোমরা ইচ্ছে কর না যদি বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহ ইচ্ছে না করেন। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহই আসমানসমূহ ও পৃথিবীর রাজত্বের অধিকারী।
আল-বুরুজ, ৮৫:৯ ⋮
الَّذِي لَهُ مُلْكُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ وَاللَّهُ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ شَهِيدٌ ﴿٩﴾
আসমান ও যমীনের রাজ্বত্ব যাঁর, আর সেই আল্লাহ সব কিছুর প্রত্যক্ষদর্শী। [তাইসিরুল কুরআন]
নিশ্চয়ই আল্লাহই সৃষ্টির সূচনা করেন।
আল-বুরুজ, ৮৫:১৩ ⋮
إِنَّهُ هُوَ يُبْدِئُ وَيُعِيدُ ﴿١٣﴾
তিনিই প্রথমবার সৃষ্টি করেন অতঃপর সৃষ্টির আবর্তন ঘটান। [তাইসিরুল কুরআন]
আর আল্লাহ কাফিরদেরকে পেছন দিক থেকে পরিবেষ্টন করে আছেন।
আল-বুরুজ, ৮৫:২০ ⋮
وَاللَّهُ مِنْ وَرَائِهِمْ مُحِيطٌ ﴿٢٠﴾
আর আল্লাহ আড়াল থেকে ওদেরকে ঘিরে রেখেছেন। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহই (সবকিছু) সৃষ্টি করেছেন।
আল-আ'লা, ৮৭:২ ⋮
الَّذِي خَلَقَ فَسَوَّى ﴿٢﴾
যিনি সৃষ্টি করেছেন অতঃপর করেছেন (দেহের প্রতিটি অঙ্গকে) সামঞ্জস্যপূর্ণ। [তাইসিরুল কুরআন]
অতঃপর আল্লাহই সৃষ্টিকে সুবিন্যস্ত করেছেন।
আল-আ'লা, ৮৭:২ ⋮
الَّذِي خَلَقَ فَسَوَّى ﴿٢﴾
যিনি সৃষ্টি করেছেন অতঃপর করেছেন (দেহের প্রতিটি অঙ্গকে) সামঞ্জস্যপূর্ণ। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহই প্রতিটি সৃষ্টির জন্য তাকদির নির্ধারণ করেছেন।
আল-আ'লা, ৮৭:৩ ⋮
وَالَّذِي قَدَّرَ فَهَدَى ﴿٣﴾
যিনি সকল বস্তুকে পরিমাণ মত সৃষ্টি করেছেন, অতঃপর (জীবনে চলার) পথনির্দেশ করেছেন। [তাইসিরুল কুরআন]
অতঃপর আল্লাহ চারণভূমির তৃণলতাকে কালচে ও শুকনো আবর্জনায় পরিণত করেন।
আল-আ'লা, ৮৭:৫ ⋮
فَجَعَلَهُ غُثَاءً أَحْوَى ﴿٥﴾
অতঃপর তাকে কাল আবর্জনায় পরিণত করেছেন। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ সেই সত্তার শপথ করেছেন যিনি আকাশ নির্মাণ করেছেন।
আশ-শামস, ৯১:৫ ⋮
وَالسَّمَاءِ وَمَا بَنَاهَا ﴿٥﴾
শপথ আসমানের আর সেটা যিনি বানিয়েছেন তাঁর, [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ সেই সত্তার শপথ করেছেন যিনি পৃথিবীকে বিস্তৃত করেছেন।
আশ-শামস, ৯১:৬ ⋮
وَالْأَرْضِ وَمَا طَحَاهَا ﴿٦﴾
শপথ যমীনের আর সেটা যিনি বিছিয়েছেন তাঁর, [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ সেই সত্তার শপথ করেছেন যিনি আত্মাকে সুবিন্যস্ত করেছেন।
আশ-শামস, ৯১:৭ ⋮
وَنَفْسٍ وَمَا سَوَّاهَا ﴿٧﴾
শপথ প্রাণের আর তাঁর যিনি তা সামঞ্জস্যপূর্ণ করেছেন, [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ নর ও নারী সৃষ্টিকারী সত্তার শপথ করেছেন।
আল-লাইল, ৯২:৩ ⋮
وَمَا خَلَقَ الذَّكَرَ وَالْأُنْثَى ﴿٣﴾
আর শপথ তাঁর যিনি সৃষ্টি করেছেন পুরুষ ও নারী, [তাইসিরুল কুরআন]
নিশ্চয়ই পরকাল আল্লাহরই অধিকারে।
আল-লাইল, ৯২:১৩ ⋮
وَإِنَّ لَنَا لَلْآخِرَةَ وَالْأُولَى ﴿١٣﴾
আর পরকাল ও ইহকালের একমাত্র মালিক আমি। [তাইসিরুল কুরআন]
এবং ইহকালও আল্লাহরই অধিকারে।
আল-লাইল, ৯২:১৩ ⋮
وَإِنَّ لَنَا لَلْآخِرَةَ وَالْأُولَى ﴿١٣﴾
আর পরকাল ও ইহকালের একমাত্র মালিক আমি। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ বলেন, 'আমি যাকে সৃষ্টি করেছি, তার বিষয়টি আমার উপর ছেড়ে দাও'।
আল-মুদ্দাসসির, ৭৪:১১ ⋮
ذَرْنِي وَمَنْ خَلَقْتُ وَحِيدًا ﴿١١﴾
ছেড়ে দাও আমাকে (তার সঙ্গে বুঝাপড়া করার জন্য) যাকে আমি এককভাবে সৃষ্টি করেছি। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহই মানুষকে সৃষ্টি করেছেন।
আল-ইনসান, ৭৬:২৮ ⋮
نَحْنُ خَلَقْنَاهُمْ وَشَدَدْنَا أَسْرَهُمْ وَإِذَا شِئْنَا بَدَّلْنَا أَمْثَالَهُمْ تَبْدِيلًا ﴿٢٨﴾
আমিই তাদেরকে সৃষ্টি করেছি আর তাদের গঠন মজবুত করেছি। আমি যখন চাইব তখন তাদের স্থলে তাদের মত অন্য লোক আনব। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ হলেন আসমানসমূহ, পৃথিবী এবং এ দু'য়ের মধ্যবর্তী সবকিছুর প্রতিপালক।
আন-নাবা, ৭৮:৩৭ ⋮
رَبِّ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ وَمَا بَيْنَهُمَا الرَّحْمَنِ لَا يَمْلِكُونَ مِنْهُ خِطَابًا ﴿٣٧﴾
যিনি আকাশ, পৃথিবী আর এগুলোর মাঝে যা কিছু আছে সব কিছুর প্রতিপালক, তিনি অতি দয়াময়, তাঁর সম্মুখে কথা বলার সাহস কারো হবে না। [তাইসিরুল কুরআন]
হে মানুষ, তোমাদেরকে সৃষ্টি করা অধিক কঠিন, নাকি আসমানকে সৃষ্টি করা?
আন-নাযি'আত, ৭৯:২৭ ⋮
أَأَنْتُمْ أَشَدُّ خَلْقًا أَمِ السَّمَاءُ بَنَاهَا ﴿٢٧﴾
তোমাদের সৃষ্টি বেশি কঠিন না আকাশের? তিনি তো সেটা সৃষ্টি করেছেন। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ আসমানকে নির্মাণ করেছেন।
আন-নাযি'আত, ৭৯:২৭ ⋮
أَأَنْتُمْ أَشَدُّ خَلْقًا أَمِ السَّمَاءُ بَنَاهَا ﴿٢٧﴾
তোমাদের সৃষ্টি বেশি কঠিন না আকাশের? তিনি তো সেটা সৃষ্টি করেছেন। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ আসমানের ছাদকে সুউচ্চ করেছেন।
আন-নাযি'আত, ৭৯:২৮ ⋮
رَفَعَ سَمْكَهَا فَسَوَّاهَا ﴿٢٨﴾
তার ছাদ অনেক উচ্চে তুলেছেন, অতঃপর তাকে ভারসাম্যপূর্ণ করেছেন। [তাইসিরুল কুরআন]
অতঃপর আল্লাহ আসমানকে সুবিন্যস্ত করেছেন।
আন-নাযি'আত, ৭৯:২৮ ⋮
رَفَعَ سَمْكَهَا فَسَوَّاهَا ﴿٢٨﴾
তার ছাদ অনেক উচ্চে তুলেছেন, অতঃপর তাকে ভারসাম্যপূর্ণ করেছেন। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ রাত্রিকে অন্ধকারাচ্ছন্ন করেছেন।
আন-নাযি'আত, ৭৯:২৯ ⋮
وَأَغْطَشَ لَيْلَهَا وَأَخْرَجَ ضُحَاهَا ﴿٢٩﴾
তিনি তার রাতকে আঁধারে ঢেকে দিয়েছেন, আর তার দিবালোক প্রকাশ করেছেন। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ দিনের আলো প্রকাশ করেছেন।
আন-নাযি'আত, ৭৯:২৯ ⋮
وَأَغْطَشَ لَيْلَهَا وَأَخْرَجَ ضُحَاهَا ﴿٢٩﴾
তিনি তার রাতকে আঁধারে ঢেকে দিয়েছেন, আর তার দিবালোক প্রকাশ করেছেন। [তাইসিরুল কুরআন]
আকাশমণ্ডলী নির্মাণের পর আল্লাহ পৃথিবীকে বিস্তৃত করেছেন।
আন-নাযি'আত, ৭৯:৩০ ⋮
وَالْأَرْضَ بَعْدَ ذَلِكَ دَحَاهَا ﴿٣٠﴾
অতঃপর তিনি যমীনকে বিস্তীর্ণ করেছেন। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ নিজ শক্তিবলে আকাশমণ্ডল নির্মাণ করেছেন।
আয-যারিয়াত, ৫১:৪৭ ⋮
وَالسَّمَاءَ بَنَيْنَاهَا بِأَيْدٍ وَإِنَّا لَمُوسِعُونَ ﴿٤٧﴾
আমি নিজ হাত দ্বারা আসমান সৃষ্টি করেছি আর আমি অবশ্যই মহা প্রশস্তকারী। [তাইসিরুল কুরআন]
নিশ্চয়ই আল্লাহ আকাশমণ্ডলের সম্প্রসারণকারী।
আয-যারিয়াত, ৫১:৪৭ ⋮
وَالسَّمَاءَ بَنَيْنَاهَا بِأَيْدٍ وَإِنَّا لَمُوسِعُونَ ﴿٤٧﴾
আমি নিজ হাত দ্বারা আসমান সৃষ্টি করেছি আর আমি অবশ্যই মহা প্রশস্তকারী। [তাইসিরুল কুরআন]
নূহের (আঃ) কিশতিটি আল্লাহর প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে চলছিল।
আল-কামার, ৫৪:১৪ ⋮
تَجْرِي بِأَعْيُنِنَا جَزَاءً لِمَنْ كَانَ كُفِرَ ﴿١٤﴾
যা আমার চোখের সামনে (ও আমার তত্ত্বাবধানে) ভেসে চলল সেই ব্যক্তির পক্ষে প্রতিশোধ হিসেবে যাকে অমান্য ও অস্বীকার করা হয়েছিল। [তাইসিরুল কুরআন]