বিষয়ভিত্তিক কুরআন > আল্লাহর গুণাবলি

আল্লাহর গুণাবলি লিখে শেষ করা যায় না

লুকমান, ৩১:২৭
وَلَوْ أَنَّمَا فِي الْأَرْضِ مِنْ شَجَرَةٍ أَقْلَامٌ وَالْبَحْرُ يَمُدُّهُ مِنْ بَعْدِهِ سَبْعَةُ أَبْحُرٍ مَا نَفِدَتْ كَلِمَاتُ اللَّهِ إِنَّ اللَّهَ عَزِيزٌ حَكِيمٌ ﴿٢٧﴾
দুনিয়ার সব গাছ যদি কলম হয় আর সমুদ্র (কালি হয়) আর তার সাথে আরো সাত সমুদ্র যুক্ত হয়, তবুও আল্লাহর (প্রশংসার) কথা (লেখা) শেষ হবে না। আল্লাহ মহাপরাক্রমশালী, মহাপ্রজ্ঞার অধিকারী। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-কাহফ, ১৮:১০৯
قُلْ لَوْ كَانَ الْبَحْرُ مِدَادًا لِكَلِمَاتِ رَبِّي لَنَفِدَ الْبَحْرُ قَبْلَ أَنْ تَنْفَدَ كَلِمَاتُ رَبِّي وَلَوْ جِئْنَا بِمِثْلِهِ مَدَدًا ﴿١٠٩﴾
বল, ‘সমুদ্রগুলো যদি আমার প্রতিপালকের কথা লেখার জন্য কালি হয়ে যায়, তবে আমার প্রতিপালকের কথা লেখা শেষ হওয়ার আগেই সমুদ্র অবশ্যই নিঃশেষ হয়ে যাবে, আমি যদি এর সাহায্যের জন্য আরো অনুরূপ পরিমাণ সমুদ্র নিয়ে আসি তবুও।’ [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহই প্রথম ও শেষ, প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য

আল-হাদীদ, ৫৭:৩
هُوَ الْأَوَّلُ وَالْآخِرُ وَالظَّاهِرُ وَالْبَاطِنُ وَهُوَ بِكُلِّ شَيْءٍ عَلِيمٌ ﴿٣﴾
তিনিই প্রথম, তিনিই শেষ, তিনি প্রকাশিত আবার গুপ্ত, তিনি সকল বিষয় পূর্ণরূপে জ্ঞাত। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ কখনো ধ্বংস হবেন না

আল-কাসাস, ২৮:৮৮
وَلَا تَدْعُ مَعَ اللَّهِ إِلَهًا آخَرَ لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ كُلُّ شَيْءٍ هَالِكٌ إِلَّا وَجْهَهُ لَهُ الْحُكْمُ وَإِلَيْهِ تُرْجَعُونَ ﴿٨٨﴾
আল্লাহর সঙ্গে অন্য কোন ইলাহকে ডেকো না, তিনি ছাড়া সত্যিকারের কোন ইলাহ নেই, তাঁর (সত্তা) ছাড়া সকল কিছুই ধ্বংসশীল। বিধান তাঁরই, আর তাঁর কাছেই তোমাদেরকে ফিরিয়ে আনা হবে। [তাইসিরুল কুরআন]

কেউ তাঁকে দেখে না কিন্তু তিনি সবাইকে দেখেন

আল-আন'আম, ৬:১০৩
لَا تُدْرِكُهُ الْأَبْصَارُ وَهُوَ يُدْرِكُ الْأَبْصَارَ وَهُوَ اللَّطِيفُ الْخَبِيرُ ﴿١٠٣﴾
দৃষ্টি তার নাগাল পায় না বরং তিনিই সকল দৃষ্টি নাগালে রাখেন, তিনি অতিশয় সূক্ষ্ণদর্শী, সব বিষয়ে ওয়াকিফহাল। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-আ'রাফ, ৭:১৪৩
وَلَمَّا جَاءَ مُوسَى لِمِيقَاتِنَا وَكَلَّمَهُ رَبُّهُ قَالَ رَبِّ أَرِنِي أَنْظُرْ إِلَيْكَ قَالَ لَنْ تَرَانِي وَلَكِنِ انْظُرْ إِلَى الْجَبَلِ فَإِنِ اسْتَقَرَّ مَكَانَهُ فَسَوْفَ تَرَانِي فَلَمَّا تَجَلَّى رَبُّهُ لِلْجَبَلِ جَعَلَهُ دَكًّا وَخَرَّ مُوسَى صَعِقًا فَلَمَّا أَفَاقَ قَالَ سُبْحَانَكَ تُبْتُ إِلَيْكَ وَأَنَا أَوَّلُ الْمُؤْمِنِينَ ﴿١٤٣﴾
মূসা যখন আমার নির্ধারিত সময়ে আসল, আর তার রবব তার সঙ্গে কথা বললেন, তখন সে বলল, ‘হে আমার প্রতিপালক! আমাকে দেখা দাও, আমি তোমাকে দেখব’। তিনি বললেন, ‘তুমি আমাকে কক্ষনো দেখতে পাবে না, বরং তুমি পাহাড়ের দিকে তাকাও, যদি তা নিজ স্থানে স্থির থাকতে পারে তাহলে তুমি আমাকে দেখতে পাবে।’ অতঃপর তার প্রতিপালক যখন পাহাড়ে নিজ জ্যোতি বিচ্ছুরিত করলেন, তখন তা পাহাড়কে চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দিল আর মূসা চৈতন্য হারিয়ে পড়ে গেল। যখন চেতনা ফিরে পেল, তখন সে বলল, ‘পবিত্র তোমার সত্ত্বা, আমি অনুশোচনা ভরে তোমার পানেই ফিরে এলাম, আর আমি প্রথম ঈমান আনছি।’ [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ্ আহার করান, তাঁকে কেউ আহার করায় না

আল-আন'আম, ৬:১৪
قُلْ أَغَيْرَ اللَّهِ أَتَّخِذُ وَلِيًّا فَاطِرِ السَّمَوَاتِ وَالْأَرْضِ وَهُوَ يُطْعِمُ وَلَا يُطْعَمُ قُلْ إِنِّي أُمِرْتُ أَنْ أَكُونَ أَوَّلَ مَنْ أَسْلَمَ وَلَا تَكُونَنَّ مِنَ الْمُشْرِكِينَ ﴿١٤﴾
বল, আমি কি আসমান যমীনের সৃষ্টিকর্তা আল্লাহকে বাদ দিয়ে অন্যকে অভিভাবক বানিয়ে নেব, অথচ তিনিই খাওয়ান, তাঁকে খাওয়ানো হয় না, বল আমাকে আদেশ করা হয়েছে আমি যেন আত্মসমর্পণকারীদের প্রথম হই, আর তুমি কিছুতেই মুশরিকদের মধ্যে শামিল হবে না। [তাইসিরুল কুরআন]
আয-যারিয়াত, ৫১:৫৭
مَا أُرِيدُ مِنْهُمْ مِنْ رِزْقٍ وَمَا أُرِيدُ أَنْ يُطْعِمُونِ ﴿٥٧﴾
আমি তাদের থেকে রিযক চাই না, আর আমি এও চাই না যে, তারা আমাকে খাওয়াবে। [তাইসিরুল কুরআন]
আয-যারিয়াত, ৫১:৫৮
إِنَّ اللَّهَ هُوَ الرَّزَّاقُ ذُو الْقُوَّةِ الْمَتِينُ ﴿٥٨﴾
আল্লাহই তো রিযকদাতা, মহা শক্তিধর, প্রবল পরাক্রান্ত। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহর মর্যাদা সর্বশ্রেষ্ঠ

আর-রুম, ৩০:২৭
وَهُوَ الَّذِي يَبْدَأُ الْخَلْقَ ثُمَّ يُعِيدُهُ وَهُوَ أَهْوَنُ عَلَيْهِ وَلَهُ الْمَثَلُ الْأَعْلَى فِي السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ وَهُوَ الْعَزِيزُ الْحَكِيمُ ﴿٢٧﴾
তিনিই সৃষ্টির সূচনা করেন, অতঃপর তার পুনরাবৃত্তি করবেন আর তা তার জন্য খুবই সহজ। আকাশ ও পৃথিবীতে সর্বোচ্চ দৃষ্টান্ত তাঁর জন্যই, তিনিই মহাপরাক্রমশালী, বড়ই হিকমতওয়ালা। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ আরশের মালিক

আল-মুমিনুন, ২৩:১১৬
فَتَعَالَى اللَّهُ الْمَلِكُ الْحَقُّ لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ رَبُّ الْعَرْشِ الْكَرِيمِ ﴿١١٦﴾
সুউচ্চ মহান আল্লাহ যিনি প্রকৃত মালিক, তিনি ছাড়া সত্যিকারের কোন ইলাহ নেই, সম্মানিত আরশের অধিপতি। [তাইসিরুল কুরআন]
আন-নামাল, ২৭:২৬
اللَّهُ لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ رَبُّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ ﴿٢٦﴾
আল্লাহ, তিনি ছাড়া সত্যিকারের কোন ইলাহ্ নেই, (তিনি) মহান ‘আরশের অধিপতি।’[সাজদাহ] [তাইসিরুল কুরআন]
আত-তাওবা, ৯:১২৯
فَإِنْ تَوَلَّوْا فَقُلْ حَسْبِيَ اللَّهُ لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ عَلَيْهِ تَوَكَّلْتُ وَهُوَ رَبُّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ ﴿١٢٩﴾
এ সত্ত্বেও যদি তারা মুখ ফিরিয়ে নেয় তাহলে বলে দাও- আল্লাহ্ই আমার জন্য যথেষ্ট, তিনি ছাড়া সত্যিকারের কোন ইলাহ নেই, তাঁর উপরই আমি ভরসা করি, তিনি হলেন মহান আরশের মালিক। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ আরশের উপর সমাসীন

ত্ব-হা, ২০:৫
الرَّحْمَنُ عَلَى الْعَرْشِ اسْتَوَى ﴿٥﴾
‘আরশে দয়াময় সমুন্নত আছেন। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-হাদীদ, ৫৭:৪
هُوَ الَّذِي خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ فِي سِتَّةِ أَيَّامٍ ثُمَّ اسْتَوَى عَلَى الْعَرْشِ يَعْلَمُ مَا يَلِجُ فِي الْأَرْضِ وَمَا يَخْرُجُ مِنْهَا وَمَا يَنْزِلُ مِنَ السَّمَاءِ وَمَا يَعْرُجُ فِيهَا وَهُوَ مَعَكُمْ أَيْنَ مَا كُنْتُمْ وَاللَّهُ بِمَا تَعْمَلُونَ بَصِيرٌ ﴿٤﴾
তিনি আসমান ও যমীনকে ছয় দিনে সৃষ্টি করেছেন অতঃপর আরশে সমুন্নত হয়েছেন। তিনি জানেন যা যমীনে প্রবেশ করে, আর যা তাত্থেকে বের হয়, আর যা আকাশ থেকে অবতীর্ণ হয়, আর যা তাতে উঠে যায়, তোমরা যেখানেই থাক তিনি তোমাদের সঙ্গে আছেন, তোমরা যে কাজই কর না কেন, আল্লাহ তা দেখেন। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ আসমান ও জমিনের নূর

আন-নূর, ২৪:৩৫
اللَّهُ نُورُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ مَثَلُ نُورِهِ كَمِشْكَاةٍ فِيهَا مِصْبَاحٌ الْمِصْبَاحُ فِي زُجَاجَةٍ الزُّجَاجَةُ كَأَنَّهَا كَوْكَبٌ دُرِّيٌّ يُوقَدُ مِنْ شَجَرَةٍ مُبَارَكَةٍ زَيْتُونَةٍ لَا شَرْقِيَّةٍ وَلَا غَرْبِيَّةٍ يَكَادُ زَيْتُهَا يُضِيءُ وَلَوْ لَمْ تَمْسَسْهُ نَارٌ نُورٌ عَلَى نُورٍ يَهْدِي اللَّهُ لِنُورِهِ مَنْ يَشَاءُ وَيَضْرِبُ اللَّهُ الْأَمْثَالَ لِلنَّاسِ وَاللَّهُ بِكُلِّ شَيْءٍ عَلِيمٌ ﴿٣٥﴾
আল্লাহ আসমান ও যমীনের আলো, তাঁর আলোর দৃষ্টান্ত হল যেন একটি তাক- যার ভিতরে আছে একটি প্রদীপ, প্রদীপটি হচ্ছে কাঁচের ভিতরে, কাঁচটি যেন একটি উজ্জ্বল নক্ষত্র, যা প্রজ্জ্বলিত করা হয় বরকতময় যায়তুন গাছের তেল দ্বারা যা পূর্বদেশীয়ও নয়, আর পশ্চিমদেশীয়ও নয়। আগুন তাকে স্পর্শ না করলেও তার তেল যেন উজ্জ্বলের বেশ নিকটবর্তী, আলোর উপরে আলো। আল্লাহ যাকে ইচ্ছে করেন স্বীয় আলোর দিকে পথ দেখান। আল্লাহ মানুষের জন্য দৃষ্টান্ত পেশ করেন, আল্লাহ সর্ববিষয়ে অধিক জ্ঞাত। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহর নূরের উদাহরণ

আন-নূর, ২৪:৩৫
اللَّهُ نُورُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ مَثَلُ نُورِهِ كَمِشْكَاةٍ فِيهَا مِصْبَاحٌ الْمِصْبَاحُ فِي زُجَاجَةٍ الزُّجَاجَةُ كَأَنَّهَا كَوْكَبٌ دُرِّيٌّ يُوقَدُ مِنْ شَجَرَةٍ مُبَارَكَةٍ زَيْتُونَةٍ لَا شَرْقِيَّةٍ وَلَا غَرْبِيَّةٍ يَكَادُ زَيْتُهَا يُضِيءُ وَلَوْ لَمْ تَمْسَسْهُ نَارٌ نُورٌ عَلَى نُورٍ يَهْدِي اللَّهُ لِنُورِهِ مَنْ يَشَاءُ وَيَضْرِبُ اللَّهُ الْأَمْثَالَ لِلنَّاسِ وَاللَّهُ بِكُلِّ شَيْءٍ عَلِيمٌ ﴿٣٥﴾
আল্লাহ আসমান ও যমীনের আলো, তাঁর আলোর দৃষ্টান্ত হল যেন একটি তাক- যার ভিতরে আছে একটি প্রদীপ, প্রদীপটি হচ্ছে কাঁচের ভিতরে, কাঁচটি যেন একটি উজ্জ্বল নক্ষত্র, যা প্রজ্জ্বলিত করা হয় বরকতময় যায়তুন গাছের তেল দ্বারা যা পূর্বদেশীয়ও নয়, আর পশ্চিমদেশীয়ও নয়। আগুন তাকে স্পর্শ না করলেও তার তেল যেন উজ্জ্বলের বেশ নিকটবর্তী, আলোর উপরে আলো। আল্লাহ যাকে ইচ্ছে করেন স্বীয় আলোর দিকে পথ দেখান। আল্লাহ মানুষের জন্য দৃষ্টান্ত পেশ করেন, আল্লাহ সর্ববিষয়ে অধিক জ্ঞাত। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহর নূর ছাড়া অন্য কোন নূর নেই

আন-নূর, ২৪:৪০
أَوْ كَظُلُمَاتٍ فِي بَحْرٍ لُجِّيٍّ يَغْشَاهُ مَوْجٌ مِنْ فَوْقِهِ مَوْجٌ مِنْ فَوْقِهِ سَحَابٌ ظُلُمَاتٌ بَعْضُهَا فَوْقَ بَعْضٍ إِذَا أَخْرَجَ يَدَهُ لَمْ يَكَدْ يَرَاهَا وَمَنْ لَمْ يَجْعَلِ اللَّهُ لَهُ نُورًا فَمَا لَهُ مِنْ نُورٍ ﴿٤٠﴾
অথবা (কাফিরদের অবস্থা) বিশাল গভীর সমুদ্রে গভীর অন্ধকারের ন্যায়, যাকে আচ্ছন্ন করে রেখেছে ঢেউয়ের উপরে ঢেউ, তার উপরে মেঘ, একের পর এক অন্ধকারের স্তর, কেউ হাত বের করলে সে তা একেবারেই দেখতে পায় না। আল্লাহ যাকে আলো দান করেন না, তার জন্য কোন আলো নেই। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহর নূর হাশরের মাঠকে আলোকিত করবে

আয-যুমার, ৩৯:৬৯
وَأَشْرَقَتِ الْأَرْضُ بِنُورِ رَبِّهَا وَوُضِعَ الْكِتَابُ وَجِيءَ بِالنَّبِيِّينَ وَالشُّهَدَاءِ وَقُضِيَ بَيْنَهُمْ بِالْحَقِّ وَهُمْ لَا يُظْلَمُونَ ﴿٦٩﴾
পৃথিবী তার প্রতিপালকের জ্যোতিতে ঝলমল করে উঠবে, আর ‘আমালনামা সামনে আনা হবে। নবীগণ ও সাক্ষীগণকে উপস্থিত করা হবে। সকলের মাঝে ন্যায়পরায়ণতার সাথে বিচার করা হবে, তাদের প্রতি যুলম করা হবে না। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ অহীর মাধ্যম ছাড়া মানুষের সাথে কথা বলেন না ।

আশ-শূরা, ৪২:৫১
وَمَا كَانَ لِبَشَرٍ أَنْ يُكَلِّمَهُ اللَّهُ إِلَّا وَحْيًا أَوْ مِنْ وَرَاءِ حِجَابٍ أَوْ يُرْسِلَ رَسُولًا فَيُوحِيَ بِإِذْنِهِ مَا يَشَاءُ إِنَّهُ عَلِيٌّ حَكِيمٌ ﴿٥١﴾
কোন মানুষের এ মর্যাদা নেই যে, আল্লাহ তার সাথে (সরাসরি) কথা বলবেন ওয়াহীর মাধ্যম বা পর্দার আড়াল বা কোন দূত প্রেরণ ছাড়া। অতঃপর আল্লাহর অনুমতিক্রমে সে (মনোনীত মানুষের কাছে) ওয়াহী করে যা তিনি (আল্লাহ) চান। তিনি সুমহান ও মহাবিজ্ঞানী। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ কিছুই ভূলেন না ।

ত্ব-হা, ২০:৫২
قَالَ عِلْمُهَا عِنْدَ رَبِّي فِي كِتَابٍ لَا يَضِلُّ رَبِّي وَلَا يَنْسَى ﴿٥٢﴾
মূসা বলল, ‘তার জ্ঞান আমার প্রতিপালকের কাছে (রক্ষিত) কিতাবে আছে, আমার প্রতিপালক ভুল করেন না, ভুলেও যান না।’ [তাইসিরুল কুরআন]

সকল বড়ত্ব আল্লাহর

আল-জাসিয়া, ৪৫:৩৭
وَلَهُ الْكِبْرِيَاءُ فِي السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ وَهُوَ الْعَزِيزُ الْحَكِيمُ ﴿٣٧﴾
আকাশ ও যমীনে তাঁরই শ্রেষ্ঠত্ব ও প্রাধান্য, আর তিনি মহাপরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহর সাদৃশ্য কিছুই নেই ।

আশ-শূরা, ৪২:১১
فَاطِرُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ جَعَلَ لَكُمْ مِنْ أَنْفُسِكُمْ أَزْوَاجًا وَمِنَ الْأَنْعَامِ أَزْوَاجًا يَذْرَؤُكُمْ فِيهِ لَيْسَ كَمِثْلِهِ شَيْءٌ وَهُوَ السَّمِيعُ الْبَصِيرُ ﴿١١﴾
আকাশসমূহ ও যমীনের স্রষ্টা। তিনি তোমাদের জন্য তোমাদের মধ্য হতে যুগল সৃষ্টি করেছেন, চতুস্পদ জন্তুদের মধ্যেও সৃষ্টি করেছেন জোড়া, এভাবেই তিনি তোমাদের বংশধারা বিস্তৃত করেন, কোন কিছুই তাঁর সদৃশ নয়, তিনি সব শোনেন, সব দেখেন। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-ইখলাস, ১১২:৪
وَلَمْ يَكُنْ لَهُ كُفُوًا أَحَدٌ ﴿٤﴾
তাঁর সমকক্ষ কেউ নয়। [তাইসিরুল কুরআন]

তার মতো গুনাবলিসম্পন্ন কেউ নেই ।

মারইয়াম, ১৯:৬৫
رَبُّ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ وَمَا بَيْنَهُمَا فَاعْبُدْهُ وَاصْطَبِرْ لِعِبَادَتِهِ هَلْ تَعْلَمُ لَهُ سَمِيًّا ﴿٦٥﴾
তিনি আকাশ, যমীন আর এ দু’য়ের মাঝে যা আছে তার প্রতিপালক, কাজেই তুমি তাঁর ‘ইবাদাত কর, আর তাঁর ‘ইবাদাতে নিয়মিত ও দৃঢ় থাক। তুমি কি তাঁর নামের গুণসম্পন্ন অন্য আর কেউ আছে বলে জান? [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ হলেন পরম প্রজ্ঞাময়।

আল-আহকাফ, ৪৬:২
تَنْزِيلُ الْكِتَابِ مِنَ اللَّهِ الْعَزِيزِ الْحَكِيمِ ﴿٢﴾
কিতাব অবতীর্ণ হয়েছে মহা পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময় আল্লাহর নিকট হতে। [তাইসিরুল কুরআন]

এবং আল্লাহ হলেন পরম প্রজ্ঞাময়।

আল-বাকারা, ২:২০৯
فَإِنْ زَلَلْتُمْ مِنْ بَعْدِ مَا جَاءَتْكُمُ الْبَيِّنَاتُ فَاعْلَمُوا أَنَّ اللَّهَ عَزِيزٌ حَكِيمٌ ﴿٢٠٩﴾
তোমাদের নিকট সুস্পষ্ট হুকুম পৌঁছার পরেও যদি তোমাদের পদস্খলন ঘটে তবে জেনে রেখ, নিশ্চয়ই আল্লাহ মহাপরাক্রান্ত, প্রজ্ঞাময়। [তাইসিরুল কুরআন]

মানুষ যা কিছু করে, আল্লাহ তার সম্যক দ্রষ্টা।

আলে-ইমরান, ৩:১৬৩
هُمْ دَرَجَاتٌ عِنْدَ اللَّهِ وَاللَّهُ بَصِيرٌ بِمَا يَعْمَلُونَ ﴿١٦٣﴾
আল্লাহর নিকট তাদের বিভিন্ন মর্যাদা রয়েছে, বস্তুতঃ তারা যা কিছুই করছে, আল্লাহ তার সম্যক দ্রষ্টা। [তাইসিরুল কুরআন]

যদি তোমরা কুফরি করো, তবে জেনে রেখো যে, আসমানসমূহ ও যমীনে যা কিছু আছে তা আল্লাহরই।

আন-নিসা, ৪:১৩১
وَلِلَّهِ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَمَا فِي الْأَرْضِ وَلَقَدْ وَصَّيْنَا الَّذِينَ أُوتُوا الْكِتَابَ مِنْ قَبْلِكُمْ وَإِيَّاكُمْ أَنِ اتَّقُوا اللَّهَ وَإِنْ تَكْفُرُوا فَإِنَّ لِلَّهِ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَمَا فِي الْأَرْضِ وَكَانَ اللَّهُ غَنِيًّا حَمِيدًا ﴿١٣١﴾
যা কিছু আকাশসমূহে ও ভূমন্ডলে আছে সমস্ত আল্লাহরই এবং অবশ্যই আমি তোমাদের আগে যাদেরকে কিতাব দেয়া হয়েছিল তাদেরকে আর তোমাদেরকেও আদেশ দিয়েছি যে, আল্লাহকে ভয় কর আর যদি অমান্য কর তবে আকাশসমূহে যা আছে ও ভূমন্ডলে যা আছে তা আল্লাহরই। আল্লাহ অভাবমুক্ত, অতিশয় প্রশংসিত। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ সর্বতোভাবে অমুখাপেক্ষী।

আন-নিসা, ৪:১৩১
وَلِلَّهِ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَمَا فِي الْأَرْضِ وَلَقَدْ وَصَّيْنَا الَّذِينَ أُوتُوا الْكِتَابَ مِنْ قَبْلِكُمْ وَإِيَّاكُمْ أَنِ اتَّقُوا اللَّهَ وَإِنْ تَكْفُرُوا فَإِنَّ لِلَّهِ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَمَا فِي الْأَرْضِ وَكَانَ اللَّهُ غَنِيًّا حَمِيدًا ﴿١٣١﴾
যা কিছু আকাশসমূহে ও ভূমন্ডলে আছে সমস্ত আল্লাহরই এবং অবশ্যই আমি তোমাদের আগে যাদেরকে কিতাব দেয়া হয়েছিল তাদেরকে আর তোমাদেরকেও আদেশ দিয়েছি যে, আল্লাহকে ভয় কর আর যদি অমান্য কর তবে আকাশসমূহে যা আছে ও ভূমন্ডলে যা আছে তা আল্লাহরই। আল্লাহ অভাবমুক্ত, অতিশয় প্রশংসিত। [তাইসিরুল কুরআন]

হে আল্লাহ, আপনি যদি তাদের শাস্তি দেন, তবে তারা তো আপনারই বান্দা।

আল-মায়েদা, ৫:১১৮
إِنْ تُعَذِّبْهُمْ فَإِنَّهُمْ عِبَادُكَ وَإِنْ تَغْفِرْ لَهُمْ فَإِنَّكَ أَنْتَ الْعَزِيزُ الْحَكِيمُ ﴿١١٨﴾
তুমি যদি তাদেরকে শাস্তি দাও তবে তারা তো তোমারই বান্দাহ আর যদি তাদেরকে ক্ষমা কর তুমি তো মহাপরাক্রান্ত মহাপ্রজ্ঞার অধিকারী।’ [তাইসিরুল কুরআন]

তবে ইবরাহিমের (আঃ) রব আল্লাহ কোনো কিছুর ইচ্ছা করলে তা স্বতন্ত্র বিষয়।

আল-আন'আম, ৬:৮০
وَحَاجَّهُ قَوْمُهُ قَالَ أَتُحَاجُّونِّي فِي اللَّهِ وَقَدْ هَدَانِ وَلَا أَخَافُ مَا تُشْرِكُونَ بِهِ إِلَّا أَنْ يَشَاءَ رَبِّي شَيْئًا وَسِعَ رَبِّي كُلَّ شَيْءٍ عِلْمًا أَفَلَا تَتَذَكَّرُونَ ﴿٨٠﴾
তার জাতি তার সাথে বাদানুবাদ করল। সে বলল, তোমরা আল্লাহর ব্যাপারে আমার সাথে বাদানুবাদ করছ অথচ তিনি আমাকে সৎপথ দেখিয়েছেন। তোমরা যাদেরকে তার অংশীদার স্থির কর আমি তাদেরকে ভয় করি না। অবশ্য আল্লাহ যদি কিছু ইচ্ছে করেন (তবে সে কথা আলাদা)। প্রতিটি বস্তু সম্পর্কে আমার প্রতিপালকের জ্ঞান পরিব্যাপ্ত, তোমরা কি তা বুঝবে না? [তাইসিরুল কুরআন]

আপনার প্রতিপালক হলেন অমুখাপেক্ষী।

আল-আন'আম, ৬:১৩৩
وَرَبُّكَ الْغَنِيُّ ذُو الرَّحْمَةِ إِنْ يَشَأْ يُذْهِبْكُمْ وَيَسْتَخْلِفْ مِنْ بَعْدِكُمْ مَا يَشَاءُ كَمَا أَنْشَأَكُمْ مِنْ ذُرِّيَّةِ قَوْمٍ آخَرِينَ ﴿١٣٣﴾
তোমার প্রতিপালক অমুখাপেক্ষী, অত্যন্ত দয়াশীল। তিনি ইচ্ছে করলে তোমাদেরকে অপসারিত করবেন এবং যাকে ইচ্ছে তোমাদের স্থলাভিষিক্ত করবেন যেমন তিনি তোমাদেরকে অন্য সম্প্রদায়ের বংশ হতে সৃষ্টি করেছেন। [তাইসিরুল কুরআন]

বনী ইসরাইল তাদের অবাধ্যতার দ্বারা আল্লাহর কোনো ক্ষতি করতে পারেনি।

আল-আ'রাফ, ৭:১৬০
وَقَطَّعْنَاهُمُ اثْنَتَيْ عَشْرَةَ أَسْبَاطًا أُمَمًا وَأَوْحَيْنَا إِلَى مُوسَى إِذِ اسْتَسْقَاهُ قَوْمُهُ أَنِ اضْرِبْ بِعَصَاكَ الْحَجَرَ فَانْبَجَسَتْ مِنْهُ اثْنَتَا عَشْرَةَ عَيْنًا قَدْ عَلِمَ كُلُّ أُنَاسٍ مَشْرَبَهُمْ وَظَلَّلْنَا عَلَيْهِمُ الْغَمَامَ وَأَنْزَلْنَا عَلَيْهِمُ الْمَنَّ وَالسَّلْوَى كُلُوا مِنْ طَيِّبَاتِ مَا رَزَقْنَاكُمْ وَمَا ظَلَمُونَا وَلَكِنْ كَانُوا أَنْفُسَهُمْ يَظْلِمُونَ ﴿١٦٠﴾
আমি তাদেরকে বারটি গোত্রে বা জাতিতে বিভক্ত করেছিলাম। মূসার জাতির লোকেরা যখন তার কাছে পানি চাইল তখন আমি মূসার প্রতি ওয়াহী অবতীর্ণ করলাম যে, তোমার লাঠি দিয়ে পাথরে আঘাত কর। এর ফলে তাত্থেকে বারটি ঝর্ণা উৎসারিত হল। প্রত্যেক গোত্র তাদের পানি পানের স্থান চিনে নিল, তাদেরকে মেঘের ছায়ায় আশ্রয় দিলাম, তাদের উপর আমি মান্না ও সালওয়া অবতীর্ণ করলাম আর বললাম, ‘তোমাদেরকে আমি যে জীবিকা দিয়েছি তাত্থেকে পবিত্র বস্তুগুলো আহার কর।’ (কিন্তু তারা আমার নির্দেশ অমান্য করে) আমার প্রতি কোন যুলম করেনি, প্রকৃতপক্ষে তারা নিজেদের উপরই যুলম করছিল। [তাইসিরুল কুরআন]

মূসা (আঃ) বলেন, পৃথিবীর সকল মানুষ অকৃতজ্ঞ হলেও আল্লাহ সম্পূর্ণ অমুখাপেক্ষী।

ইবরাহীম, ১৪:৮
وَقَالَ مُوسَى إِنْ تَكْفُرُوا أَنْتُمْ وَمَنْ فِي الْأَرْضِ جَمِيعًا فَإِنَّ اللَّهَ لَغَنِيٌّ حَمِيدٌ ﴿٨﴾
মূসা বলেছিল, তোমরা আর দুনিয়ার সকল লোক যদি অকৃতজ্ঞ হও (তাতে কিছুই যায় আসে না) কারণ আল্লাহ অমুখাপেক্ষী, প্রশংসিত। [তাইসিরুল কুরআন]

এবং আল্লাহই সবকিছুর চূড়ান্ত উত্তরাধিকারী।

আল-হিজর, ১৫:২৩
وَإِنَّا لَنَحْنُ نُحْيِي وَنُمِيتُ وَنَحْنُ الْوَارِثُونَ ﴿٢٣﴾
আমিই জীবন দেই আর মৃত্যু ঘটাই আর আমিই চূড়ান্ত উত্তরাধিকারী। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ হলেন প্রজ্ঞাময়।

আত-তাওবা, ৯:১১০
لَا يَزَالُ بُنْيَانُهُمُ الَّذِي بَنَوْا رِيبَةً فِي قُلُوبِهِمْ إِلَّا أَنْ تَقَطَّعَ قُلُوبُهُمْ وَاللَّهُ عَلِيمٌ حَكِيمٌ ﴿١١٠﴾
তাদের তৈরি ঘরটি তাদের অন্তরে সদা-সর্বদা সন্দেহের উদ্রেক করে যাবে যে পর্যন্ত না তাদের হৃদয়গুলো ছিন্ন ভিন্ন হয়ে যায়। আল্লাহ সর্বজ্ঞ, মহা প্রজ্ঞাময়। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ তাঁর নবীর (ﷺ) প্রতিপালকের কসম করে ঘোষণা করেছেন যে, তিনি অবশ্যই সকলকে জিজ্ঞাসাবাদ করবেন।

আল-হিজর, ১৫:৯২
فَوَرَبِّكَ لَنَسْأَلَنَّهُمْ أَجْمَعِينَ ﴿٩٢﴾
অতএব শপথ তোমার রব্বের! তাদের সববাইকে অবশ্য অবশ্যই আমি জিজ্ঞেস করব । [তাইসিরুল কুরআন]

নিশ্চয়ই আল্লাহ মানুষের প্রতি পরম অনুগ্রহশীল।

ইউনুস, ১০:৬০
وَمَا ظَنُّ الَّذِينَ يَفْتَرُونَ عَلَى اللَّهِ الْكَذِبَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ إِنَّ اللَّهَ لَذُو فَضْلٍ عَلَى النَّاسِ وَلَكِنَّ أَكْثَرَهُمْ لَا يَشْكُرُونَ ﴿٦٠﴾
যারা আল্লাহর প্রতি মিথ্যোরোপ করে, কিয়ামাতের দিন (আল্লাহ তাদের সঙ্গে যে ব্যবহার করবেন সে) সম্পর্কে তাদের কী ধারণা? আল্লাহ তো মানুষদের উপর বড়ই অনুগ্রহশীল, কিন্তু তাদের অধিকাংশই আল্লাহর শোকর করে না। [তাইসিরুল কুরআন]

আর আল্লাহর জন্যই রয়েছে সর্বোত্তম উদাহরণ।

আন-নাহাল, ১৬:৬০
لِلَّذِينَ لَا يُؤْمِنُونَ بِالْآخِرَةِ مَثَلُ السَّوْءِ وَلِلَّهِ الْمَثَلُ الْأَعْلَى وَهُوَ الْعَزِيزُ الْحَكِيمُ ﴿٦٠﴾
যারা আখেরাতে বিশ্বাস করে না, খারাপ উপমা তাদের জন্য। মহোত্তম উপমা সব আল্লাহর জন্য, তিনি হলেন প্রতাপান্বিত, প্রজ্ঞাময়। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহর জন্য কোনো উপমা বা সাদৃশ্য নির্ধারণ করা নিষিদ্ধ।

আন-নাহাল, ১৬:৭৪
فَلَا تَضْرِبُوا لِلَّهِ الْأَمْثَالَ إِنَّ اللَّهَ يَعْلَمُ وَأَنْتُمْ لَا تَعْلَمُونَ ﴿٧٤﴾
কাজেই কারো সাথে আল্লাহর তুলনা দিও না। আল্লাহ জানেন, আর তোমরা জান না। [তাইসিরুল কুরআন]

নিশ্চয়ই আপনার প্রতিপালক হলেন মহাপরাক্রমশালী।

আশ-শুআ'রা, ২৬:৯
وَإِنَّ رَبَّكَ لَهُوَ الْعَزِيزُ الرَّحِيمُ ﴿٩﴾
নিশ্চয় তোমার প্রতিপালক মহা পরাক্রমশালী, অতি দয়ালু। [তাইসিরুল কুরআন]

এবং আপনার প্রতিপালকই হলেন পরম দয়ালু।

আশ-শুআ'রা, ২৬:৯
وَإِنَّ رَبَّكَ لَهُوَ الْعَزِيزُ الرَّحِيمُ ﴿٩﴾
নিশ্চয় তোমার প্রতিপালক মহা পরাক্রমশালী, অতি দয়ালু। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ সম্পূর্ণরূপে পবিত্র ও সকল প্রকার ত্রুটি থেকে মুক্ত।

আল-ইসরা, ১৭:৪৩
سُبْحَانَهُ وَتَعَالَى عَمَّا يَقُولُونَ عُلُوًّا كَبِيرًا ﴿٤٣﴾
তিনি পবিত্র ও অতি উচ্চ, তারা যা বলে তাত্থেকে অনেক অনেক ঊর্ধ্বে। [তাইসিরুল কুরআন]

মুশরিকরা আল্লাহর প্রতি যা কিছু আরোপ করে, তিনি তা থেকে বহু ঊর্ধ্বে ও অতিশয় মহান।

আল-ইসরা, ১৭:৪৩
سُبْحَانَهُ وَتَعَالَى عَمَّا يَقُولُونَ عُلُوًّا كَبِيرًا ﴿٤٣﴾
তিনি পবিত্র ও অতি উচ্চ, তারা যা বলে তাত্থেকে অনেক অনেক ঊর্ধ্বে। [তাইসিরুল কুরআন]

নিশ্চয়ই আপনি (মুহাম্মাদ ﷺ) এক প্রজ্ঞাময় সত্তার পক্ষ থেকে কুরআন প্রাপ্ত হচ্ছেন।

আন-নামাল, ২৭:৬
وَإِنَّكَ لَتُلَقَّى الْقُرْآنَ مِنْ لَدُنْ حَكِيمٍ عَلِيمٍ ﴿٦﴾
নিশ্চয় তোমাকে কুরআন দেয়া হয়েছে মহাবিজ্ঞ সর্বজ্ঞের নিকট হতে। [তাইসিরুল কুরআন]

এবং সেই প্রজ্ঞাময় সত্তাই হলেন সর্বজ্ঞ।

আন-নামাল, ২৭:৬
وَإِنَّكَ لَتُلَقَّى الْقُرْآنَ مِنْ لَدُنْ حَكِيمٍ عَلِيمٍ ﴿٦﴾
নিশ্চয় তোমাকে কুরআন দেয়া হয়েছে মহাবিজ্ঞ সর্বজ্ঞের নিকট হতে। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ পুরস্কার প্রদানে সর্বশ্রেষ্ঠ।

আল-কাহফ, ১৮:৪৪
هُنَالِكَ الْوَلَايَةُ لِلَّهِ الْحَقِّ هُوَ خَيْرٌ ثَوَابًا وَخَيْرٌ عُقْبًا ﴿٤٤﴾
এ ব্যাপারে যাবতীয় কর্তৃত্ব ক্ষমতা সেই সত্যিকার আল্লাহর জন্যই নির্দিষ্ট। পুরস্কার দানে তিনিই উৎকৃষ্ট, আর সফল পরিণাম দানে তিনিই শ্রেষ্ঠ। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ, যিনি প্রকৃত অধিপতি, তিনি সুমহান।

ত্ব-হা, ২০:১১৪
فَتَعَالَى اللَّهُ الْمَلِكُ الْحَقُّ وَلَا تَعْجَلْ بِالْقُرْآنِ مِنْ قَبْلِ أَنْ يُقْضَى إِلَيْكَ وَحْيُهُ وَقُلْ رَبِّ زِدْنِي عِلْمًا ﴿١١٤﴾
আল্লাহ সর্বোচ্চ, প্রকৃত অধিপতি, তোমার প্রতি (আল্লাহর) ওয়াহী সম্পূর্ণ হওয়ার পূর্বে তুমি কুরআন বক্ষে ধারণের ব্যাপারে তাড়াহুড়ো করো না। আর বল, ‘হে আমার প্রতিপালক! জ্ঞানে আমায় সমৃদ্ধি দান করুন।’ [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ যদি কোনো ক্রীড়া-উপকরণ গ্রহণ করতে চাইতেন, তবে তিনি তা তাঁর নিকট থেকেই গ্রহণ করতেন।

আল-আম্বিয়া, ২১:১৭
لَوْ أَرَدْنَا أَنْ نَتَّخِذَ لَهْوًا لَاتَّخَذْنَاهُ مِنْ لَدُنَّا إِنْ كُنَّا فَاعِلِينَ ﴿١٧﴾
আমি যদি খেলাধূলার বস্তু বানাতে চাইতাম তাহলে আমার কাছে যা আছে তা নিয়েই তা করতাম, যদি আমাকে করতে হত! [তাইসিরুল কুরআন]

মূলত আল্লাহ এ ধরনের (ক্রীড়ামূলক) কাজ সম্পাদনকারী নন।

আল-আম্বিয়া, ২১:১৭
لَوْ أَرَدْنَا أَنْ نَتَّخِذَ لَهْوًا لَاتَّخَذْنَاهُ مِنْ لَدُنَّا إِنْ كُنَّا فَاعِلِينَ ﴿١٧﴾
আমি যদি খেলাধূলার বস্তু বানাতে চাইতাম তাহলে আমার কাছে যা আছে তা নিয়েই তা করতাম, যদি আমাকে করতে হত! [তাইসিরুল কুরআন]

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কাফিরদের শাস্তির বিলম্বে আল্লাহর হিকমত সম্পর্কে তাঁর অজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

আল-আম্বিয়া, ২১:১১১
وَإِنْ أَدْرِي لَعَلَّهُ فِتْنَةٌ لَكُمْ وَمَتَاعٌ إِلَى حِينٍ ﴿١١١﴾
আমি জানি না সম্ভবতঃ বিলম্বের মধ্যে তোমাদের জন্য রয়েছে পরীক্ষা আর কিছু কালের জন্য সুখভোগের সুযোগ। [তাইসিরুল কুরআন]

আমাদের প্রতিপালক হলেন পরম দয়াময়।

আল-আম্বিয়া, ২১:১১২
‎ قَالَ رَبِّ احْكُمْ بِالْحَقِّ وَرَبُّنَا الرَّحْمَنُ الْمُسْتَعَانُ عَلَى مَا تَصِفُونَ ﴿١١٢﴾
রসূল বলেছিল- হে আমার প্রতিপালক! তুমি ন্যায্য মীমাংসা করে দাও, আর আমাদের প্রতিপালক তো দয়ার আধার। তোমরা (তাঁর বিরুদ্ধে) যে সব কথা বলছ সে বিষয়ে তিনিই একমাত্র আশ্রয়স্থল। [তাইসিরুল কুরআন]

নিশ্চয়ই আল্লাহ যা ইচ্ছা করেন, তা-ই করেন।

আল-হজ্জ, ২২:১৪
إِنَّ اللَّهَ يُدْخِلُ الَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ جَنَّاتٍ تَجْرِي مِنْ تَحْتِهَا الْأَنْهَارُ إِنَّ اللَّهَ يَفْعَلُ مَا يُرِيدُ ﴿١٤﴾
যারা ঈমান আনে ও সৎ কাজ করে আল্লাহ তাদেরকে দাখিল করবেন জান্নাতে যার নিম্নদেশ দিয়ে ঝর্ণাধারা প্রবাহিত, আল্লাহ যা করতে চান, তাই করেন। [তাইসিরুল কুরআন]

নিশ্চয়ই আল্লাহ সবকিছুর উপর সাক্ষী।

আল-হজ্জ, ২২:১৭
إِنَّ الَّذِينَ آمَنُوا وَالَّذِينَ هَادُوا وَالصَّابِئِينَ وَالنَّصَارَى وَالْمَجُوسَ وَالَّذِينَ أَشْرَكُوا إِنَّ اللَّهَ يَفْصِلُ بَيْنَهُمْ يَوْمَ الْقِيَامَةِ إِنَّ اللَّهَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ شَهِيدٌ ﴿١٧﴾
যারা ঈমান এনেছে আর যারা ইয়াহূদী হয়েছে, আর যারা সাবিয়ী, নাসারা, অগ্নিপূজক ও মুশরিক, আল্লাহ কিয়ামাতের দিন এদের মধ্যে ফয়সালা করে দেবেন (যে কারা সঠিক পথে আছে), কারণ আল্লাহ সব কিছুর প্রত্যক্ষদর্শী। [তাইসিরুল কুরআন]

নিশ্চয়ই আল্লাহর নিকট একদিন মানুষের গণনার হাজার বছরের সমান।

আল-হজ্জ, ২২:৪৭
وَيَسْتَعْجِلُونَكَ بِالْعَذَابِ وَلَنْ يُخْلِفَ اللَّهُ وَعْدَهُ وَإِنَّ يَوْمًا عِنْدَ رَبِّكَ كَأَلْفِ سَنَةٍ مِمَّا تَعُدُّونَ ﴿٤٧﴾
তারা তোমাকে তাড়াতাড়ি শাস্তি নিয়ে আসতে বলে (কিন্তু শাস্তি তো আসবে আল্লাহর ও‘য়াদা অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ে), কেননা আল্লাহ কক্ষনো তাঁর ওয়া‘দা খেলাফ করেন না, তোমার প্রতিপালকের একদিন হল তোমাদের গণনায় এক হাজার বছরের সমান। [তাইসিরুল কুরআন]

নিশ্চয়ই আল্লাহ হলেন প্রকৃত অভাবমুক্ত।

আল-হজ্জ, ২২:৬৪
لَهُ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَمَا فِي الْأَرْضِ وَإِنَّ اللَّهَ لَهُوَ الْغَنِيُّ الْحَمِيدُ ﴿٦٤﴾
আকাশ ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে সবই তাঁর, আর আল্লাহ, তিনি যাবতীয় অভাব থেকে মুক্ত, যাবতীয় প্রশংসার অধিকারী। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ সকল প্রকার অপবাদ ও দোষত্রুটি থেকে পবিত্র ও মহান।

আন-নূর, ২৪:১৬
وَلَوْلَا إِذْ سَمِعْتُمُوهُ قُلْتُمْ مَا يَكُونُ لَنَا أَنْ نَتَكَلَّمَ بِهَذَا سُبْحَانَكَ هَذَا بُهْتَانٌ عَظِيمٌ ﴿١٦﴾
তোমরা যখন এটা শুনলে তখন তোমরা কেন বললে না যে, এ ব্যাপারে আমাদের কথা বলা ঠিক নয়। আল্লাহ পবিত্র ও মহান, এটা তো এক গুরুতর অপবাদ! [তাইসিরুল কুরআন]

আসমানসমূহ ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে, তার সবই আল্লাহর মালিকানাধীন।

লুকমান, ৩১:২৬
لِلَّهِ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ إِنَّ اللَّهَ هُوَ الْغَنِيُّ الْحَمِيدُ ﴿٢٦﴾
আকাশমন্ডলী আর যমীনে যা আছে সব আল্লাহরই, নিশ্চয়ই আল্লাহ, তিনি সকল অভাব-মুক্ত, সকল প্রশংসার অধিকারী। [তাইসিরুল কুরআন]

নিশ্চয়ই আল্লাহ হলেন অমুখাপেক্ষী।

লুকমান, ৩১:২৬
لِلَّهِ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ إِنَّ اللَّهَ هُوَ الْغَنِيُّ الْحَمِيدُ ﴿٢٦﴾
আকাশমন্ডলী আর যমীনে যা আছে সব আল্লাহরই, নিশ্চয়ই আল্লাহ, তিনি সকল অভাব-মুক্ত, সকল প্রশংসার অধিকারী। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ সন্তান গ্রহণের ধারণা থেকে পবিত্র ও মহিমান্বিত।

আয-যুমার, ৩৯:৪
لَوْ أَرَادَ اللَّهُ أَنْ يَتَّخِذَ وَلَدًا لَاصْطَفَى مِمَّا يَخْلُقُ مَا يَشَاءُ سُبْحَانَهُ هُوَ اللَّهُ الْوَاحِدُ الْقَهَّارُ ﴿٤﴾
আল্লাহ সন্তান গ্রহণ করার ইচ্ছে করলে তিনি তার সৃষ্টিকুল থেকে নিজ পছন্দ মত বেছে নিতেন। এসব থেকে তিনি পবিত্র। অপ্রতিরোধ্য ক্ষমতার অধিকারী তিনি এক ও একক আল্লাহ। [তাইসিরুল কুরআন]

নিশ্চয়ই আল্লাহই হলেন সর্বশ্রোতা।

আদ-দুখান, ৪৪:৬
رَحْمَةً مِنْ رَبِّكَ إِنَّهُ هُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ ﴿٦﴾
তোমার প্রতিপালকের অনুগ্রহ স্বরূপ তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ। [তাইসিরুল কুরআন]

সুতরাং, চূড়ান্ত ফয়সালা ও বিধান একমাত্র আল্লাহর।

গাফির, ৪০:১২
ذَلِكُمْ بِأَنَّهُ إِذَا دُعِيَ اللَّهُ وَحْدَهُ كَفَرْتُمْ وَإِنْ يُشْرَكْ بِهِ تُؤْمِنُوا فَالْحُكْمُ لِلَّهِ الْعَلِيِّ الْكَبِيرِ ﴿١٢﴾
(তখন তাদেরকে উত্তর দেয়া হবে) তোমাদের এ শাস্তির কারণ এই যে, যখন এক আল্লাহকে ডাকা হত, তখন তোমরা তা মেনে নিতে অস্বীকার করতে। আর যখন অন্যদেরকে তাঁর অংশীদার গণ্য করা হত, তখন তোমরা তাতে বিশ্বাস স্থাপন করতে। হুকুম দেয়ার মালিক আল্লাহ- যিনি সর্বোচ্চ, সর্বশ্রেষ্ঠ। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ হলেন কঠিন শাস্তিদাতা।

গাফির, ৪০:২২
ذَلِكَ بِأَنَّهُمْ كَانَتْ تَأْتِيهِمْ رُسُلُهُمْ بِالْبَيِّنَاتِ فَكَفَرُوا فَأَخَذَهُمُ اللَّهُ إِنَّهُ قَوِيٌّ شَدِيدُ الْعِقَابِ ﴿٢٢﴾
এটা এজন্য যে, রসূলগণ তাদের কাছে স্পষ্ট (নিদর্শন) নিয়ে এসেছিল। কিন্তু তারা তাদেরকে প্রত্যাখ্যান করেছিল। তখন আল্লাহ তাদেরকে পাকড়াও করেছিলেন। তিনি প্রবল শক্তিধর, শাস্তিদানে কঠোর। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি পূর্ব সিদ্ধান্ত থাকার কারণেই কিতাব নিয়ে মতভেদকারীদের মধ্যে তাৎক্ষণিক ফয়সালা করা হয়নি।

হা-মীম আস-সাজদা, ৪১:৪৫
وَلَقَدْ آتَيْنَا مُوسَى الْكِتَابَ فَاخْتُلِفَ فِيهِ وَلَوْلَا كَلِمَةٌ سَبَقَتْ مِنْ رَبِّكَ لَقُضِيَ بَيْنَهُمْ وَإِنَّهُمْ لَفِي شَكٍّ مِنْهُ مُرِيبٍ ﴿٤٥﴾
(ইতোপূর্বে) মূসাকে আমি কিতাব দিয়েছিলাম, কিন্তু তাতে মতভেদ করা হয়েছিল। তোমার প্রতিপালক যদি পূর্বেই একটি কথা ঘোষণা করে না দিতেন, তাহলে তাদের মধ্যে (মতভেদের ব্যাপারে) ফয়সালা করেই দিতেন। তারা এ ব্যাপারে এক অস্থিরতাপূর্ণ সন্দেহে লিপ্ত। [তাইসিরুল কুরআন]

(হে নবী,) আপনার প্রতিপালকই কি সাক্ষী হিসেবে যথেষ্ট নন?

হা-মীম আস-সাজদা, ৪১:৫৩
سَنُرِيهِمْ آيَاتِنَا فِي الْآفَاقِ وَفِي أَنْفُسِهِمْ حَتَّى يَتَبَيَّنَ لَهُمْ أَنَّهُ الْحَقُّ أَوَلَمْ يَكْفِ بِرَبِّكَ أَنَّهُ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ شَهِيدٌ ﴿٥٣﴾
আমি তাদেরকে আমার নিদর্শনাবলী দেখাব দূর দিগন্তে (অর্থাৎ দূর পর্যন্ত ইসলামের আলো বিচ্ছুরিত হবে) আর তাদের নিজেদের মধ্যেও (অর্থাৎ কাফিররা নতজানু হয়ে ইসলাম কবূল করবে) যখন তাদের কাছে স্পষ্ট হয়ে যাবে যে, এ কুরআন সত্য। এটা কি যথেষ্ট নয় যে, তোমার প্রতিপালক সব কিছুরই সাক্ষী। [তাইসিরুল কুরআন]

নিশ্চয়ই আল্লাহ সবকিছুর উপর সাক্ষী।

হা-মীম আস-সাজদা, ৪১:৫৩
سَنُرِيهِمْ آيَاتِنَا فِي الْآفَاقِ وَفِي أَنْفُسِهِمْ حَتَّى يَتَبَيَّنَ لَهُمْ أَنَّهُ الْحَقُّ أَوَلَمْ يَكْفِ بِرَبِّكَ أَنَّهُ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ شَهِيدٌ ﴿٥٣﴾
আমি তাদেরকে আমার নিদর্শনাবলী দেখাব দূর দিগন্তে (অর্থাৎ দূর পর্যন্ত ইসলামের আলো বিচ্ছুরিত হবে) আর তাদের নিজেদের মধ্যেও (অর্থাৎ কাফিররা নতজানু হয়ে ইসলাম কবূল করবে) যখন তাদের কাছে স্পষ্ট হয়ে যাবে যে, এ কুরআন সত্য। এটা কি যথেষ্ট নয় যে, তোমার প্রতিপালক সব কিছুরই সাক্ষী। [তাইসিরুল কুরআন]

নিশ্চয়ই আল্লাহ সবকিছুকে পরিবেষ্টন করে আছেন।

হা-মীম আস-সাজদা, ৪১:৫৪
أَلَا إِنَّهُمْ فِي مِرْيَةٍ مِنْ لِقَاءِ رَبِّهِمْ أَلَا إِنَّهُ بِكُلِّ شَيْءٍ مُحِيطٌ ﴿٥٤﴾
শুনে রাখ, এরা তাদের প্রতিপালকের সঙ্গে সাক্ষাতের ব্যাপারে সন্দেহে পড়ে আছে। শুনে রাখ, তিনি সব কিছুকেই বেষ্টন করে আছেন। [তাইসিরুল কুরআন]

আসমানসমূহ ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে, তার সবই আল্লাহর মালিকানাধীন।

আন-নাজম, ৫৩:৩১
وَلِلَّهِ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَمَا فِي الْأَرْضِ لِيَجْزِيَ الَّذِينَ أَسَاءُوا بِمَا عَمِلُوا وَيَجْزِيَ الَّذِينَ أَحْسَنُوا بِالْحُسْنَى ﴿٣١﴾
যা আছে আকাশে আর যা আছে যমীনে সব আল্লাহরই- যাতে তিনি যারা মন্দ কাজ করে তাদেরকে তাদের কাজের প্রতিফল দেন আর যারা সৎকর্ম করে তাদেরকে দেন শুভ প্রতিফল। [তাইসিরুল কুরআন]

নিশ্চয়ই আল্লাহ আমার এবং তোমাদের উভয়ের প্রতিপালক।

আয-যুখরুফ, ৪৩:৬৪
إِنَّ اللَّهَ هُوَ رَبِّي وَرَبُّكُمْ فَاعْبُدُوهُ هَذَا صِرَاطٌ مُسْتَقِيمٌ ﴿٦٤﴾
আল্লাহ তিনি তো আমারও রবব আর তোমাদেরও রবব, কাজেই তোমরা তাঁরই ‘ইবাদাত কর, এটাই সরল সঠিক পথ। [তাইসিরুল কুরআন]

এবং আল্লাহ হলেন মহাপ্রজ্ঞাময়।

আল-হাদীদ, ৫৭:১
سَبَّحَ لِلَّهِ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ وَهُوَ الْعَزِيزُ الْحَكِيمُ ﴿١﴾
আসমান ও যমীনে যা কিছু আছে সবই আল্লাহর গৌরব ও মহিমা ঘোষণা করে, তিনি প্রবল পরাক্রান্ত, মহা প্রজ্ঞাবান। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ হলেন সকল প্রকার ত্রুটি থেকে মুক্ত ও মহাপবিত্র।

আল-হাশর, ৫৯:২৩
هُوَ اللَّهُ الَّذِي لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ الْمَلِكُ الْقُدُّوسُ السَّلَامُ الْمُؤْمِنُ الْمُهَيْمِنُ الْعَزِيزُ الْجَبَّارُ الْمُتَكَبِّرُ سُبْحَانَ اللَّهِ عَمَّا يُشْرِكُونَ ﴿٢٣﴾
তিনিই আল্লাহ যিনি ছাড়া সত্যিকারের কোন ইলাহ নেই, তিনিই বাদশাহ, অতি পবিত্র, পূর্ণ শান্তিময়, নিরাপত্তা দানকারী, প্রতাপশালী, পর্যবেক্ষক, মহা পরাক্রমশালী, অপ্রতিরোধ্য, প্রকৃত গর্বের অধিকারী। তারা যাকে (তাঁর) শরীক করে তাত্থেকে তিনি পবিত্র, মহান। [তাইসিরুল কুরআন]

আর যে ব্যক্তি ঈমান থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়, তবে নিশ্চয়ই আল্লাহ হলেন অমুখাপেক্ষী।

আল-মুমতাহিনা, ৬০:৬
لَقَدْ كَانَ لَكُمْ فِيهِمْ أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ لِمَنْ كَانَ يَرْجُو اللَّهَ وَالْيَوْمَ الْآخِرَ وَمَنْ يَتَوَلَّ فَإِنَّ اللَّهَ هُوَ الْغَنِيُّ الْحَمِيدُ ﴿٦﴾
তোমরা যারা আল্লাহ (’র রহমত) ও শেষ দিবসের (সাফল্যের) প্রত্যাশী তাদের জন্য উত্তম আদর্শ রয়েছে তাদের [অর্থাৎ ইবরাহীম (আঃ) তাঁর অনুসারীদের] মধ্যে। আর কেউ মুখ ফিরিয়ে নিলে (সে জেনে রাখুক) আল্লাহ অমুখাপেক্ষী, প্রশংসিত। [তাইসিরুল কুরআন]

আর আল্লাহ তাদের আনুগত্যের ব্যাপারে সম্পূর্ণ অমুখাপেক্ষী ছিলেন।

আত-তাগাবুন, ৬৪:৬
ذَلِكَ بِأَنَّهُ كَانَتْ تَأْتِيهِمْ رُسُلُهُمْ بِالْبَيِّنَاتِ فَقَالُوا أَبَشَرٌ يَهْدُونَنَا فَكَفَرُوا وَتَوَلَّوْا وَاسْتَغْنَى اللَّهُ وَاللَّهُ غَنِيٌّ حَمِيدٌ ﴿٦﴾
এর কারণ এই যে, তাদের কাছে তাদের রসূলগণ স্পষ্ট নিদর্শনসহ এসেছিল, তখন তারা বলেছিল, ‘(আমাদের মতই) মানুষ কি আমাদেরকে সঠিক পথ দেখাবে?’ কাজেই তারা অস্বীকার করল আর মুখ ফিরিয়ে নিল। তখন আল্লাহও তাদের ব্যাপারে বেপরোয়া হয়ে গেলেন, আল্লাহ অমুখাপেক্ষী, প্রশংসিত। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ হলেন পরম অমুখাপেক্ষী।

আত-তাগাবুন, ৬৪:৬
ذَلِكَ بِأَنَّهُ كَانَتْ تَأْتِيهِمْ رُسُلُهُمْ بِالْبَيِّنَاتِ فَقَالُوا أَبَشَرٌ يَهْدُونَنَا فَكَفَرُوا وَتَوَلَّوْا وَاسْتَغْنَى اللَّهُ وَاللَّهُ غَنِيٌّ حَمِيدٌ ﴿٦﴾
এর কারণ এই যে, তাদের কাছে তাদের রসূলগণ স্পষ্ট নিদর্শনসহ এসেছিল, তখন তারা বলেছিল, ‘(আমাদের মতই) মানুষ কি আমাদেরকে সঠিক পথ দেখাবে?’ কাজেই তারা অস্বীকার করল আর মুখ ফিরিয়ে নিল। তখন আল্লাহও তাদের ব্যাপারে বেপরোয়া হয়ে গেলেন, আল্লাহ অমুখাপেক্ষী, প্রশংসিত। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ মহাপ্রজ্ঞাময়।

আত-তাগাবুন, ৬৪:১৮
عَالِمُ الْغَيْبِ وَالشَّهَادَةِ الْعَزِيزُ الْحَكِيمُ ﴿١٨﴾
তিনি অদৃশ্য ও দৃশ্যের জ্ঞানের অধিকারী, মহাপরাক্রান্ত, মহাবিজ্ঞানী। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ আরশের অধিপতি।

আল-বুরুজ, ৮৫:১৫
ذُو الْعَرْشِ الْمَجِيدُ ﴿١٥﴾
‘আরশের অধিপতি, মহা সম্মানিত। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহই হলেন ঊর্ধ্বারোহণের সোপানসমূহের অধিপতি।

আল-মা'আরিজ, ৭০:৩
مِنَ اللَّهِ ذِي الْمَعَارِجِ ﴿٣﴾
(যে শাস্তি আসবে) আল্লাহর নিকট হতে যিনি আসমানে উঠার সিঁড়িগুলোর মালিক, [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ উদয়াচল ও অস্তাচলসমূহের প্রতিপালকের শপথ করছেন।

আল-মা'আরিজ, ৭০:৪০
فَلَا أُقْسِمُ بِرَبِّ الْمَشَارِقِ وَالْمَغَارِبِ إِنَّا لَقَادِرُونَ ﴿٤٠﴾
আমি শপথ করছি উদয়স্থানসমূহের ও অস্তাচলসমূহের রবেবর-আমি অবশ্যই সক্ষম, [তাইসিরুল কুরআন]

যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহরই প্রাপ্য।

আল-ফাতিহা, ১:২
الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ ﴿٢﴾
যাবতীয় প্রশংসা জগৎসমূহের প্রতিপালক আল্লাহরই জন্য। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ সকল সৃষ্টিজগতের প্রতিপালক।

আল-ফাতিহা, ১:২
الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ ﴿٢﴾
যাবতীয় প্রশংসা জগৎসমূহের প্রতিপালক আল্লাহরই জন্য। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ হলেন পরম করুণাময়।

আল-ফাতিহা, ১:৩
الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ ﴿٣﴾
যিনি পরম করুণাময় অতি দয়ালু। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ হলেন অতি দয়ালু।

আল-ফাতিহা, ১:৩
الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ ﴿٣﴾
যিনি পরম করুণাময় অতি দয়ালু। [তাইসিরুল কুরআন]

হে মানবজাতি, তোমরা আল্লাহর প্রতি মুখাপেক্ষী।

ফাতির, ৩৫:১৫
يَا أَيُّهَا النَّاسُ أَنْتُمُ الْفُقَرَاءُ إِلَى اللَّهِ وَاللَّهُ هُوَ الْغَنِيُّ الْحَمِيدُ ﴿١٥﴾
হে মানুষ! তোমরাই আল্লাহর মুখাপেক্ষী, আর আল্লাহ তিনি তো অভাবহীন, প্রশংসিত। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহই হলেন পরম অভাবমুক্ত।

ফাতির, ৩৫:১৫
يَا أَيُّهَا النَّاسُ أَنْتُمُ الْفُقَرَاءُ إِلَى اللَّهِ وَاللَّهُ هُوَ الْغَنِيُّ الْحَمِيدُ ﴿١٥﴾
হে মানুষ! তোমরাই আল্লাহর মুখাপেক্ষী, আর আল্লাহ তিনি তো অভাবহীন, প্রশংসিত। [তাইসিরুল কুরআন]

আসমানসমূহ, যমীন ও আরশের প্রতিপালক পবিত্র ও মহিমান্বিত।

আয-যুখরুফ, ৪৩:৮২
سُبْحَانَ رَبِّ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ رَبِّ الْعَرْشِ عَمَّا يَصِفُونَ ﴿٨٢﴾
তারা যা (তাঁর প্রতি) আরোপ করে তা হতে আকাশ ও পৃথিবীর প্রতিপালক ‘আরশের পালনকর্তা মহান, পবিত্র। [তাইসিরুল কুরআন]
ফন্ট সাইজ
15px
17px