📘 জুযউল কিরআত > 📄 অনুচ্ছেদ : ইমামের পিছনে উচ্চৈঃস্বরে কিরাআত না হওয়া প্রসঙ্গে

📄 অনুচ্ছেদ : ইমামের পিছনে উচ্চৈঃস্বরে কিরাআত না হওয়া প্রসঙ্গে


٢٥٤. حدثنا محمود قال البخاري قال حدثنا محمد بن مقاتل قال حدثنا النضر قال انبأنا يونس عن أبي اسحق عن ابي الأحوص عن عيد الله قال قال النبي ﷺ لقوم كانوا يقرؤون القرآن فيجهرون به «خلطتم على القرآن وكنا نسلم في الصلاة فقيل لنا ان في الصلاة لشغلا ...
২৫৪। মাহমূদ ...... 'আবদুল্লাহ হতে বর্ণিত। তিনি বলেন: নাবী উচ্চৈঃস্বরে কুরআন পাঠকারী কওম সম্পর্কে বলেছেন: (তোমরা কুরআনের উপর তালগোল পাকিয়ে দিলে)। তাছাড়া আমরা সলাতের মধ্যে সালাম করতাম। আমাদেরকে বলা হলো, সলাত হলো ধ্যান বা মগ্নতা।

২৫৫. হাদ্দাসানা মাহমুদ ক্বালা হাদ্দাসানাল বুখারী ক্বালা হাদ্দাসানা ইয়াহইয়া ইবনু ইউসুফ ক্বালা আনবানা আব্দুল্লাহি আন আইয়ুব আন আবী কিলাবা আন্‌ আনাসিন রাদীয়াল্লাহু আনহু আন্না আন্‌ নাবীয়্যু সাল্লা বিআসহা-বিহী ফাল্লামা ক্বাদা সালাতাহু আকবালা আলাইহিম বিওয়াজহিহী ফাক্বা-লা : আতাকরাউনা ফী সালাতিকুম ওয়ালইমামু ইয়াকরাউ, ফাসকাতু ফাক্বালাহা সালাসা মাররাতিন, ফাক্বা-লা ক্বা-ইলুন আও ক্বা-ইলুনা ইন্না লানাফআলু ক্বালা: ফালা তাফআলু ওয়ালিয়াকরা আহাদুকুম বিফাতিحاتিল কিতাবি ফী নাফসিহী।
২৫৫। মাহমূদ ...... আনাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, নাবী তাঁর সহাবীদেরকে সলাত পড়ালেন। তিনি যখন সলাত শেষ করলেন। তাঁর চেহারা তাঁদের দিকে করলেন, অতঃপর বললেন: (ইমামের পাঠ করা অবস্থায় তোমাদের সলাতে কি তোমরা পাঠ করেছ?) তাঁরা সকলে চুপ থাকল। নাবী কথাটা তিনবার বললেন। তারা বললেন: অবশ্যই আমরা করেছি। নাবী বললেন: তোমরা এরূপ করো না। তবে ফাতিহাতুল কিতাব যেন মনে মনে পড়ে।

২৫৬. হাদ্দাসানা মাহমুদ ক্বালা হাদ্দাসানাল বুখারী ক্বালা হাদ্দাসানা মুসা ক্বালা হাদ্দাসানা হাম্মাদ বিন আইয়ুব আন আবী কিলাবা আনিন নাবীয়্যু লিয়ুকরা বিফাতিহাতি আল কিতাব» ।
২৫৬। মাহমূদ ...... আবূ কিলাবাহ হতে বর্ণিত। তিনি নাবী থেকে বর্ণনা করেন। ফাতিহাতুল কিতাব যেন পড়া হয়।

২৫৭. হাদ্দাসানা মাহমুদ ক্বালা হাদ্দাসানাল বুখারী ক্বালা হাদ্দাসানা কুতাইবা ক্বালা হাদ্দাসানা মুহাম্মাদ বিন আবী আদী আন মুহাম্মাদ বিন ইসহাক্ব আন মাকহুল আন মাহমুদ بْنِ الرَّبِيعِ عَنْ عُبَادَةَ بْنِ الصَّامِتِ قَالَ : صَلَّى بِنَا رَسُولُ اللَّهِ ﷺ صَلَاةَ الْغَدَاةِ قَالَ فَثَقُلَتْ عَلَيْهِ الْقِرَاءَةُ فَقَالَ : « إِنِّي لَأَرَاكُمْ تَقْرَؤُنَ خَلْفَ إِمَامَكُمْ؟» قَالَ : قُلْنَا أَجَلْ يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ : « فَلَا تَفْعَلُوا إِلَّا بِأُمِّ الْقُرْآنِ فَإِنَّهُ لَا صَلَاةَ لِمَنْ يَقْرَأُبِهَا » .
২৫৭। মাহমূদ ...... 'উবাদাহ বিন সামিত (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন: রসূলুল্লাহ আমাদেরকে ফাজরের সলাত পড়ালেন। তাঁর উপর কিরাআত পড়া ভারী হয়ে গেল। তিনি বললেন: আমি মনে করেছি, তোমরা তোমাদের ইমামের পিছনে পাঠ কর। রাবী বললেন: আমরা বললাম, হাঁ, আল্লাহর রসূল! আমরা পাঠ করেছি। রসূল বললেন: উম্মুল কুরআন ব্যতীত কিছুই পাঠ করনা। কেননা যে ব্যক্তি ওটা পড়ে না, তার সলাত হয় না।

২৫৮. হাদ্দাসানা মাহমুদুন কাল হাদ্দাসানা আল বুখারী কাল হাদ্দাসানা ইসহাক কাল হাদ্দাসানা আবদাহ কাল হাদ্দাসানা মুহাম্মাদুন আন মাকহুলিন আন মাহমুদ ইবন আর রাবিঈ الأَنْصَارِيُّ عَنْ عُبَادَةَ ابْنِ الصَّامِتِ قَالَ صَلَّى رَسُولُ اللَّهِ ﷺ صَلَاةَ الصُّبْحِ فَثَقُلَتْ عَلَيْهِ الْقِرَاءَةُ فَلَمَّا انْصَرَفَ قَالَ : «إِنِّي أَرَاكُمْ تَقْرَؤُنَ أَرَاءَ إِمَامَكُمْ» قُلْنَا أَي وَاللَّهِ يَا رَسُولَ اللَّهِ هَذَا قَالَ : « فَلَا تَفْعَلُوا إِلَّا بِأُمِّ الْقُرْآنِ فَإِنَّهُ لَا صَلَاةَ إِلَّا بِهَا » .
২৫৮। মাহমূদ ...... 'উবাদাহ বিন সাবিত হতে বর্ণিত। তিনি বলেন: রসূলুল্লাহ ফজরের সলাত পড়ালেন। তাঁর উপর কিরাআত পড়া ভারী হয়ে গেল। যখন তিনি সালাম ফিরালেন তখন বললেন: আমার মনে-হয় তোমরা তোমাদের ইমামের পিছনে পাঠ কর।
আমরা বললামঃ হাঁ আল্লাহর শপথ! হে আল্লাহর রসূল! এটা আমরা করি। রসূলুল্লাহ বললেন: উম্মুল কুরআন ব্যতীত আর কিছুই পড় না। কেননা, সূরা ফাতিহা ব্যতীত সলাত হয় না।

٢٥٩. حدثنا محمود قال حدثنا البخاري قال حدثنا حفص بن عمر قال حدثنا همام عن قتادة عن زرارة عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ أَنَّ النَّبِيِّ ﷺ صَلَّى الظَّهْرَ فَلَمَّا قَضَى قَالَ : «أَيُّكُمْ قَرَاَ » قَالَ رَجُلٌ أَنَا قَالَ : « لَقَدْ عَلِمْتُ أَنَّ رَجُلًا قَدْ خَالِجَنِيهَا » .
২৫৯। মাহমূদ .... 'ইমরান বিন হুসাইন (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, নাবী যোহরের সলাত পড়ালেন। অতঃপর যখন সালাম ফিরালেন তখন বললেন : তোমাদের মধ্যে কে পাঠ করেছে? এক ব্যক্তি বলল, আমি। নাবী ﷺ বললেন : নিশ্চয় আমি জানতে পেরেছি যে কোন ব্যক্তি এর মাধ্যমে আমাকে সংশয়ের মধ্যে ফেলেছে।

٢٦٠. حدثنا محمود قال حدثنا البخاري قال حدثنا موسى قال حدثنا حماد عن قتادة عن زرارة عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ قَالَ صَلَّى النَّبِيُّ ﷺ احدى صَلَاتَيْ الْعِشَى فَقَالَ : « أَيُّكُمْ قَرَأَ بِسَبِّحْ؟ » قَالَ رَجُلًا أَنَا قَالَ : « قَدْ عَرَفْتُ أَنَّ رَجُلًا خَالِجَنِيْهَا » .
২৬০। মাহমূদ ...... 'ইমরান বিন হুসাইন (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন: নাবী ﷺ দু'এশার কোন এক এশার সলাত পড়ালেন। অতঃপর তিনি বললেন: তোমাদের মধ্যে কে সাব্বীহ বা সূরা আলা পাঠ করেছ? এক ব্যক্তি বলল আমি। নাবী ﷺ বললেন: আমি বুঝতে পেরেছি যে, কোন ব্যক্তি এর মাধ্যমে আমাকে সংশয়ের মধ্যে ফেলেছে।

٢٦١. حدثنا محمود قال حدثنا البخاري قال حدثنا عمرو بن علي قال حدثنا ابن أبي عدي عن شعبة عن العلاء بن عبد الرحمن عن أبيه عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ : « كُلُّ صَلَاةٍ لَا يَقْرَأُ فِيهَا فَهِيَ خدَاجٌ غَيْرُ تَمَامٍ، فَقَالَ أَبِي لِأَبِي هُرَيْرَةَ فَإِذَا كُنْتُ خَلْفَ الْإِمَامِ ۚ فَأَخَذَ بِيَدَيَّ وَقَالَ يَا فَارِسِي أَوْ قَالَ يَا ابْنُ الْفَارِسِي إِقْرَأْ فِي نَفْسِكَ .
২৬১। মাহমূদ...... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন: রসূলুল্লাহ বলেছেন: প্রত্যেক সলাত যাতে পাঠ করা হয় না, সেটা খেদাজ অসম্পূর্ণ। রাবী আলা বিন 'আবদুর রহমান বলেন: আমার পিতা আবু হুরাইরাহকে বলল: যখন আমি ইমামের পিছনে থাকি? আবূ হুরাইরাহ আমার হাত ধরে বললেন, হে ফারিসী! অথবা বলল, হে ইবনু ফারেসী! তুমি মনে মনে পড়।

📘 জুযউল কিরআত > 📄 অনুচ্ছেদ : যে ইমামের উচ্চৈঃস্বরে কিরাআত নিয়ে টানা হেঁচড়া করে তাকে পুনরায় সলাত পড়ার নির্দেশ দেয়া হয়নি

📄 অনুচ্ছেদ : যে ইমামের উচ্চৈঃস্বরে কিরাআত নিয়ে টানা হেঁচড়া করে তাকে পুনরায় সলাত পড়ার নির্দেশ দেয়া হয়নি


٢٦٢. حدثنا محمود قال حدثنا البخاري قال حدثنا قتيبة عن مالك عن ابن شهاب عن ابن اكيمة الليثي عن أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ انْصَرَفَ مِنْ صَلَاةِ جَهَرَ فِيهَا بِالْقِرَاءَةِ فَقَالَ : هَلْ قَرَا أَحَدٌ مِنْكُمْ مَعِى آنفًا؟» فَقَالَ رَجُلٌ نَعَمْ يَا رَسُولَ اللَّهِ فَقَالَ : «إِنِّي أَقُولُ مَالِي أَنَازِعُ القرآن».
২৬২। মাহমূদ ...... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ উচ্চৈঃস্বরে কিরাআত পড়া সলাত থেকে সালাম ফিরিয়ে বললেন: তোমাদের মধ্যে কেউ কি এ মাত্র আমার সাথে পড়েছে? এক ব্যক্তি বলল, হ্যাঁ, হে আল্লাহ্ রসূল! অতঃপর রসূল বললেন, তাইতো আমি বলি, আমার কি হলো আমি কুরআনের সাথে ঝগড়া করছি।

۲۹۴۳. (قال البخاري) وروى سليمان التيمي وعمر بن عامر عن قتادة عن يونس بن جبير عن عطاء عن موسى في حديثه الطويل عن النبي ﷺ اذا قرأ فانصتوا ، ولم يذكر سليمان في هذه الزيادة سماعا من قتادة ولا قتادة من يونس بن جبير .
২৬৩। ইমাম বুখারী বলেছেন: সুলাইমান আত্-তাইমী ও 'উমার বিন আমের বর্ণনা করেন। এক ব্যক্তি বলল, হ্যাঁ, আল্লাহর রসূল! অতঃপর রসূল (সা) বললেন, তাইতো আমি বলি, আমার কি হলো আমি কুরআনের সাথে ঝগড়া করছি। তাঁরা ক্বাতাদাহ হতে, তিনি ইউনুস বিন জুবাইর হতে, তিনি আতা হতে, তিনি মুসার দীর্ঘ হাদীস হতে, তিনি নাবী হতে বর্ণনা করেন (যখন পড়া হয়, তখন চুপ থাকো) সুলাইমান এ অতিরিক্ত ক্বাতাদাহ হতে শুনার কথা উল্লেখ করেননি এবং ক্বাতাদাহ ইউনুস বিন জুবাইর হতে উল্লেখ করেন নাই।

٢٦٤. وروى هشام وسعيد وهمام وأبو عوانة وأبان بن يزيد وعبيدة عن قتادة ولم يذكر وا اذا قرأ فانصتوا ولو صح لكان يحتمل سوى فاتحة الكتاب وان يقرأ فيما يسكت الامام وأما في ترك فاتحة الكتاب فلم يتبين في هذا الحديث .
২৬৪। হিশাম, সাঈদ, হুমাম, আবূ আওয়ানাহ, 'আব্বাস বিন ইয়াযীদ ও 'উবাইদাহ বর্ণনা করেন। তাঁরা ক্বাতাদাহ হতে বর্ণনা করেন, তাঁরা اذا قرأ فانصتوا ]যখন পড়া হয় তখন চুপ থাকো। উল্লেখ করেননি। ওটা যদি সহীহও হয়, তাহলে ফাতিহাতুল কিতাব ব্যতীত বুঝাবে। আর পড়তে হবে, ইমাম যে সাকতা করবে তার মধ্যে। ফাতিহাতুল কিতাব ছেড়ে দেয়ার কথা এ হাদীসের মধ্যে বর্ণনা করা হয়নি।

٢٦٥. وروى ابو خالد الأحمر عن ابن عجلان عن زيد بن أسلم او غيره عن أبي صالح عن ابي هريرة عن النبي ﷺ : «إِنَّمَا جُعِلَ الْإِمَامُ لِيُؤْتَمَّ بِهِ» زَادَ فِيْهِ «وَإِذَا قَرَا فَانْصِتُوا »
২৬৫। আবূ খালিদ আহ্মার বর্ণনা করেন, তিনি আজলান হতে, তিনি যায়দ বিন আসলাম বা অন্যদের থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে। তিনি আবূ হুরাইরাহ থেকে বর্ণিত। তিনি নাবী হতে বর্ণনা করেন। (ইমাম বানানো হয় সম্পন্ন করার জন্য।) এর অতিরিক্ত বর্ণনায় আছে। যখন পড়া হয়, তখন তোমরা চুপ থাকো।

٢٦٦. وروى عبد الله عن الليث عن ابن عجلان عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة وعن ابن عجلان عن مصعب بن محمد والقعقاع وزيد ابن أسلم عن أبي هريرة عن النبي ﷺ
২৬৬। 'আবদুল্লাহ বর্ণনা করেন, তিনি লাইস হতে, তিনি ইবনু আজলান হতে, তিনি আবু যিনাদ হতে, তিনি আ'রাজ হতে, তিনি আবূ হুরাইরাহ হতে এবং ইবনু 'আজলান মুস'আব বিন মুহাম্মাদ, ক্বা'ক্বা' ও যায়দ বিন আসলাম হতে, তাঁরা আবু হুরাইরাহ হতে, তিনি নাবী হতে বর্ণনা করেন।

٢٦٧. حدثنا محمود قال حدثنا البخاري قال حدثنا عثمان قال حدثنا بكر عن ابن عجلان عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة عن النبي ﷺ ولم يذكر وا «فَانْصِتُوا ، ولا يعرف هذا من صحيح حديث ابن خالد الأحمر قال احمد اراه كان يدلس .
২৬৭। মাহমূদ....... আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি নাবী হতে বর্ণনা করেন। তাঁরা )فَانْصَتُوا তোমরা চুপ থাক) উল্লেখ করেননি। আর এটা ইবনু খালিদ আহমারের সহীহ হাদীস কিনা জানা যায় না। আহমাদ বলেছেন: আমি মনে করি সে تدلیس বা গোপন করত।*

٢٦٨. قال ابو السائب عن أبي هريرة اقرأها في نفسك .
২৬৮। আবূ সায়েব বলেন: তিনি আবূ হুরাইরাহ হতে বর্ণনা করেন (আবূ হুরাইরাহ বলেছেন) ওটা তুমি মনে মনে পড়।

২৭৯. وقال عاصم عن ابي صالح عن أبي هريرة اقرأ فيما يجهر .
২৬৯। আসেম বলেন, তিনি সালেহ হতে, তিনি আবূ হুরাইরাহ হতে বর্ণনা করেন, যে সময় উচ্চৈঃস্বরে পাঠ করা হয়, তখন তুমি পাঠ কর।

۲۷۰. وقال أبو هريرة (كان النبي ﷺ يسكت بين التكبير والقراءة فاذا قرأ في سكتة الامام لم يكن مخالفا لحديث ابي خالد لانه يقرأ في سكتات الامام فاذا قرأ أنصت .
২৭০। আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) বলেন: নবী তাকবীর এবং কিরাআতের মধ্যে সাকতা করতেন। যখন ইমামের সাকতার সময় পড়া হবে তখন এটা হাদীসের বিপরীত হবে না।) আবূ খালিদের হাদীস। কেননা ইমামের সাকতার সময় পড়া হবে। আর যখন তিনি পড়বেন তখন চুপ থাকা।

۲۷۱. وروى سهيل عن أبيه عن أبي هريرة عن النبي ﷺ ولم يقل مازاد ابو خالد وكذالك .
২৭১। সুহাইল তার পিতা হতে বর্ণনা করেন, তিনি আবু হুরাইরাহ হতে, তিনি নাবী হতে, আবূ খালেদ যা বৃদ্ধি করেছেন তা তিনি বলেননি এবং এমনিভাবেই।

২৭২. روى ابو سلمة وهمام وابو يونس وغير واحد عن ابي هريرة عن النبي ﷺ ولم يتابع ابو خالد في زيادته .
২৭২। আবূ সালামাহ, হুমাম, আবূ ইউনুস এবং আরও অনেকে আবূ হুরাইরাহ হতে বর্ণনা করেন। তিনি নাবী হতে, আবু খালিদ তার অতিরিক্ত অনুগামী হননি।

টিকাঃ
* মুদাল্লিস ঐ হাদীসকে বলে, যার রাবী নিজের উস্তাদকে বাদ দিয়ে তার উপরের রাবী থেকে বর্ণনা করে, যার সাথে সাক্ষাৎ হয়েছে। কিন্তু তার থেকে হাদীস শুনে নাই এবং এমন শব্দ ব্যবহার করে যাতে সন্দেহ সৃষ্টি হয় যে, সে তার থেকে হাদীস শুনেছে। এ কাজকে তাদলীস বলে, আর যে এ কাজটি করে তাকে মুদাল্লিস বলে।

📘 জুযউল কিরআত > 📄 অনুচ্ছেদ : যে ব্যক্তি ইমামের সাকতার সময় পাঠ করবে। আর তা হল তাকবীরের সময় এবং যখন সে রুকূ’ করার ইচ্ছা করবে

📄 অনুচ্ছেদ : যে ব্যক্তি ইমামের সাকতার সময় পাঠ করবে। আর তা হল তাকবীরের সময় এবং যখন সে রুকূ’ করার ইচ্ছা করবে


۲۷۳. حدثنا محمود قال حدثنا البخاری قال حدثنا صدقة قال اخبرنا عبد الله بن رجاء عن عبد الله بن عثمان بن خيثم قال قلت لسعيد بن جبير أقرأ خلف الامام؟ قال نعم وان سمعت قرنها ته انهم قد احدثوا مالم يكونوا يصنعون ان السلف كان إذا ام احدهم الناس كبر ثم أنصت حتى يظن ان من خلفه قد قرأ فاتحة الكتاب ثم قرأ (وأنصتوا ) وقال الحكم بن عتيبة ابدره واقرأه .
২৭৩. মাহমূদ ...... 'আবদুল্লাহ বিন 'উসমান বিন খাইশাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেন: আমি সাঈদ বিন জুবাইরকে বললাম: ইমামের পিছনে পাঠ করব কি? তিনি বললেন, হাঁ যদিও তুমি তার কিরাআত শুনতে পাও।
কেননা তারা (যুক্তি পেশকারীরা) এমন কতগুলি কথা তৈরি করেছে যা তারা করেননি। নিশ্চয় সালাফগণ যখন লোকদের ইমামত করতেন, তাকবীর বলতেন। অতঃপর চুপ থাকতেন, ততক্ষণ পর্যন্ত যতক্ষণ তিনি ধারণা করতেন, যে তার পিছনে রয়েছে সে ফাতিহাতুল কিতাব পড়ে ফেলেছে।
( وأنصتوا এবং তোমরা চুপ থাক) হাকাম বিন অতঃপর পাঠ করতেন উতাইবা বলেছেন দ্রুত কর এবং দ্রুত পড়।

٢٧٤. حدثنا محمود قال حدثنا البخاري قال حدثنا موسى قال حدثنا حماد عن محمد بن عمرو عَنْ أَبِي سَلَمَةَ قَالَ لِلْإِمَامِ سَكْتَتَانِ فَاغْتَنِمُوا الْقِرَاءَةَ فِيهِمَا بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ .
২৭৪। মাহমূদ ...... আবূ সালামাহ হতে বর্ণিত। তিনি বলেন: ইমামের জন্য দু'টি সাকতা রয়েছে। ফাতিহাতুল কিতাবকে দু'সাকতার মধ্যে তোমরা গণিমত মনে করো।

২৭৫. ওয়াদা হারুন হাদ্দাসানা আবূ সাঈদ মওলা বানি হাশিম কালি হাদ্দাসানা হাম্মাদ আন মুহাম্মাদ বিন আমর আন আবি সালামা আন আবি হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু ।
২৭৫। হারূন অতিরিক্ত করেছেন ...... আবূ হুরাইরাহ হতে আবূ সালামাহ বর্ণনা করেন।

২৭৬. হাদ্দাসানা মাহমুদ কালি হাদ্দাসানা আল বুখারী কালি হাদ্দাসানা মুসা কালি হাদ্দাসানা হাম্মাদ আন হিশাম ইন আবিহি কাল ইয়া বুনাইয়া ইকরউ ফিমা ইয়াসকুতুল ইমাম ওয়াসকুনু ফিমা জাহারা ওয়ালা তাসিম সালাতা লা ইয়াকরউ ফিহা বিফাতিহাতিল কিতাবি ফাসায়েদান মাকতুবাতুন ও মুস্তাহাব্বাহ।
২৭৬। মাহমূদ ...... হিশাম হতে বর্ণিত। তিনি তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন। তিনি বলেনঃ হে আমার ছেলে! যে সময় ইমাম চুপ থাকে পাঠ করো এবং চুপ থাকো যে সময় ইমাম উচ্চৈঃস্বরে পড়ে। যে ফরয ও নফল সলাতে ফাতিহাতুল কিতাব পাঠ হয় না, সে সলাত পূর্ণ হয় না।

২৭৭ হাদ্দাসানা মাহমুদ কাল হাদ্দাসানা আল বুখারী কাল হাদ্দাসানা মুসাদ্দাদ কাল হাদ্দাসানা ইয়াজিদ বিন জরাই কাল হাদ্দাসানা সাঈদ আন কাতাদা আনিল হাসান কালি তাযাক্কার সামুরাতু ওয়া ইমরান ফাহাদাথ সামুরাতু আন্নাহু হাফিজা আনিন নাবিয়্যু সাকতাতাইন: সাকতাতুন ইজা কাব্বারা ওয়া সাকতাতুন ইজা ফারাগা মিন কিরাতিহি ফানকারা ইমরান ফাকাতাবা ইলা আবী বিন কাবিন ওয়াকানা ফি কিতাবি আও ফি রাদ্দে ইলাইহিমা হাফিজা সামুরাতু ।
২৭৭। মাহমূদ ...... হাসান হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: সামুরাহ ও 'ইমরান (রাযিঃ) আলোচনা করছিলেন। সামুরাহ বলছিলেন, তিনি নাবী থেকে দু'টি সাকতার কথা মুখস্থ করে রেখেছেন। যখন তাকবীর বলতেন তখন একটি সাকতা এবং যখন কিরাআত থেকে অবসর নিতেন তখন একটি সাকতা।
অতঃপর ‘ইমরান অস্বীকার করলেন এবং তাঁরা উভয়েই উবাই বিন কা'ব এর নিকট পত্র লিখলেন, তাঁর পত্রে লেখা ছিল অথবা তিনি তাদের নিকট উত্তর পাঠালেন- “সামুরাহ মুখস্থ করেছে”।

۲۷۸. حدثنا محمود قال حدثنا البخاري قال حدثنا ابو الوليد وموسى قالا حدثنا حماد بن سلمة عن حميد عن الحسن عَنْ سَمُرَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ كَانَ لِلنَّبِيِّ ﷺ سَكْتَتَانِ سَكْتَةً حِيْنَ يُكَبِّرُ وَسَكْتَةً حِيْنَ يُفْرَغُ مِنْ قِرَاءَتِهِ زَادَ مُوسَى فَانْكَرَ عِمْرَانُ بْنُ حُصَيْنٍ فَكَتَبُوا إِلَى أُبَيِّ بْنِ كَعْب فَكَتَبَ أَنَّ صَدَقَ سَمُرَةٌ .
২৭৮। মাহমুদ ....... সামুরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন: নাবী -এর দু'টি সাকতা ছিল। যখন তাকবীর বলতেন, তখন একটি সাকতা ছিল। আর যখন কিরাআত থেকে ফারেগ হতেন, তখন একটি সাকতা ছিল। মুছা অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন, 'ইমরান বিন হুসাইন অস্বীকার করলেন। অতঃপর তাঁরা উবাই বিন কা'ব এর নিকট পত্র লিখলেন। উবাই বিন কা'ব উত্তরে লিখলেন, সামুরাহ সত্য বলেছে।

۲۷۹. حدثنا محمود قال البخاري قال حدثنا أبو عاصم قال انبأنا ابن أبي ذئب عن سعيد بن سمعان عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ثَلَاثَ قَدْ تَرَكَّهُنَّ النَّاسُ مَا فَعَلَهُنَّ رَسُولُ اللهِ ﷺ : كَانَ يُكَبِّرُ إِذَا قَامَ إِلَى الصَّلَاةِ وَيَسْكُتُ بَيْنَ التَّكْبِيرِ وَالْقِرَاءَةِ وَيَسْأَلُ اللهَ مِنْ فَضْلِهِ وَكَانَ يُكَبِّرُ فِي خَفْضٍ وَرَفْعِ
২৭৯। মাহমূদ .... আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনটি বিষয় যা মানুষ বিশুদ্ধরূপে করে, যা রসূলুল্লাহ করেছেন: (১) রসূলুল্লাহ যখন সলাতে দাঁড়াতেন তাকবীর বলতেন। (২) তাকবীর ও কিরাআতের মাঝে সাকতা করতেন। (৩) এবং আল্লাহর নিকট অনুগ্রহ চাইতেন এবং তিনি উঁচু ও নিচু হওয়ার সময় তাকবীর দিতেন।

২৮০. হাদ্দাসানা মাহমুদুন কাল হাদ্দাসানাল বুখারী কাল হাদ্দাসানা মুহাম্মাদুন কাল আখবারানা আব্দুল্লাহ কাল হাদ্দাসানা সুফিয়ান আন ইমারাতা বিনিল কাকা আন আবি যুরাআ আন আবি হুরাইরাতা আন্নান নাবিয়া ﷺ কানা ইয়াসকুতু ইসকাতেহু আন তাকবীরাতিন তুফতাতাহুস সালাত।
২৮০। মাহমুদ....... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, নাবী সলাত শুরুর তাকবীর দিয়ে কিছু সময় সাকতা করতেন।

২৮১. হাদ্দাসানা মাহমুদুন কাল হাদ্দাসানাল বুখারী কাল হাদ্দাসানা মুহাম্মাদ বিন বিশার কাল হাদ্দাসানা গুন্দার কাল হাদ্দাসানা শু’বা আন মুহাম্মাদিন বিন আব্দুর রহমানি কাল: সামিতু আব্দার রাহমানিল আ’রাজ কাল: সাল্লাইতু মা’আ আবি হুরাইরাতা ফাল্লামা কা ব্বারা সাকাতা সা’আতান সুম্মা কাল আলহামদু লিল্লাহি রাব্বিল আলামিন।
২৮১। মাহমূদ ....... মুহাম্মদ বিন 'আবদুর রহমান হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি 'আবদুর রহমান আ'রাজকে বলতে শুনেছি যে, আমি আবূ হুরাইরাহ্র সাথে সলাত পড়েছি। যখন তিনি তাকবীর দিতেন কিছু সময় চুপ থাকতেন, অতঃপর বলতেন الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ ,icon আল্লাহর জন্য, যিনি সমগ্র বিশ্বের মালিক।

২৮২. কাল আল বুখারী তাবিআহু মুআজ ওয়া আবু দাউদ আন শু’বা।
২৮২। ইমাম বুখারী বলেছেন: মুয়ায ও আবূ দাউদ তার অনুগামী হয়েছেন, তিনি শোবা হতে বর্ণনা করেন।

২৮৩. হাদ্দাসানা মাহমুদুন কাল হাদ্দাসানাল বুখারী কাল মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ কাল হাদ্দাসানা ইবনু আবি হাযিম আন আল আ’লা আন আবিহি আন আবি হুরাইরাতা কাল: ইযা ক্বরা আল ইমামু বিয়াম্মিল কুরআনি ফাক্বরা বিহা ওয়াসবিকহু ফাইন্নাল ইমামা ইযা ক্বদ্বাস সুরাতা কলা গাইরি ﴿ المَقْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلَا الضَّالِّينَ ﴾ قَالَتِ الْمَلَائِكَةُ آمِينَ فَإِذَا وَافَقَ قَوْلُكَ قضاء الإمامِ أُمِّ الْقُرْآنِ كَانَ قَمْنَا أَنْ يَسْتَجَابَ .
২৮৩। মাহমুদ........ আবূ হুরাইরাহ হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ যখন ইমাম উম্মুল কুরআন পাঠ করে, তখন তুমি তা পাঠ কর এবং তুমি তাঁর অগ্রবর্তী হও, কেননা, ইমাম যখন সূরা শেষ করে বলে غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلَا ﴾الضَّالِّينَ ফেরেশতাগণ বলেন আমীন। যখন তোমার কথা ইমামের শেষ করার সাথে বা কুরআন শেষ করার সাথে সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে (তোমার আমীন) কবুল করা হবে।

٢٨٤ حدثنا محمود قال حدثنا البخاري قال حدثنا معقل بن مالك قال حدثنا أبو عوانة عن محمد بن اسحق عن عبد الرحمن الأعرج عن أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ : إِذَا أَدْرَكْتَ الْقَوْمَ رَكُوعًا لَمْ تَعْتَدُ بِتِلْكَ الرَّكْعَةَ .
২৮৪। মাহমুদ...... আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন : যখন লোকেরা রুকূ' পায়, ঐ রাক'আতকে তখন গণনা করা হবে না।

📘 জুযউল কিরআত > 📄 অনুচ্ছেদ : যোহরের চার রাক‘আতের সব রাক‘আতেই কিরাআত পাঠ

📄 অনুচ্ছেদ : যোহরের চার রাক‘আতের সব রাক‘আতেই কিরাআত পাঠ


۲۸۵ حدثنا محمود قال حدثنا البخاري قال وقال اسمعيل حدثني مالك بن انس عَنْ أَبِي نَعِيمٍ وَهَبِ بْنِ كَيْسَانَ أَنَّهُ سَمِعَ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ يَقُولُ : مَنْ صَلَّى رَكْعَةً لَمْ يَقْرَأْ فِيهَا بِأَمِّ الْقُرْآنِ فَلَمْ يُصَلِّ إِلَّا وَرَاءَ الْإِمَامِ.
২৮৫। মাহমূদ আবু নাঈম ওয়াহব বিন কাইসান হতে বর্ণিত যে, তিনি জাবির বিন 'আবদুল্লাহকে বলতে শুনেছেন: যে ব্যক্তি এক রাক'আত সলাত পড়ল তাতে উম্মুল কুরআন পাঠ করল না, তার সলাত হল না, তবে ইমামের পিছনে থাকলে স্বতন্ত্র ব্যাপার।

২৮৬. حدثنا محمود قال حدثنا البخاري قال حدثنا أبو عاصم عن الأوزاعي قال حدثنا يحي بن ابي كثير عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي قَتَادَةَ عَنْ أَبِيهِ عَنِ النَّبِيِّ ﷺ «كَانَ يَقْرَأُ فِي الظُّهْرِ فِي الرَّكْعَتَيْنِ بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ وَسُورَةٌ وَفِي الْعَصْرِ مِثْلَ ذَلِكَ»
২৮৬। মাহমূদ ...... 'আবদুল্লাহ বিন আবূ ক্বাতাদাহ হতে বর্ণিত। তিনি তাঁর পিতা হতে, তিনি নাবী হতে বর্ণনা করেন। নাবী যহুরের দু'রাক'আতে ফাতিহাতুল কিতাব ও একটি সূরা পাঠ করতেন এবং আসরও এভাবে পড়তেন।

۲۸۷ حدثنا محمود قال حدثنا البخاري قال حدثنا ابو نعيم قال حدثنا مسعر عَنْ يَزِيدَ الْفَقِيرِ قَالَ سَمِعْتُ جَابِرِ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ يَقُولُ يَقْرَا فِي الرَّكْعَتَيْنِ الْأَوَّلَيَيْنِ بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ وَسُورَةٌ سُورَةٌ وَفِي الْآخِرَيَيْنِ بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ وَكُنَّا نَتَحَدَّثُ أَنَّهُ لَا تَجْزِى صَلَاةَ إِلَّا بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ .
২৮৭। মাহমূদ ...... ইয়াযীদ আল-ফাকীর হতে বর্ণিত। তিনি বলেন: আমি জাবির বিন 'আবদুল্লাহকে বলতে শুনেছি, প্রথম দু' রাক'আতে তিনি ফাতিহাতুল কিতাব ও সূরা পাঠ করতেন এবং শেষ দু' রাক'আতে ফাতিহাতুল কিতাব পড়তেন। আর আমরা বর্ণনা করতাম ফাতিহাতুল কিতাব ব্যতীত সলাত যথেষ্ট হবে না।

۲۸۸ حدثنا محمود قال حدثنا البخاري قال حدثنا موسى قال حدثنا همام عن يحي عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي قَتَادَةَ عَنْ أَبِيهِ : (أَنَّ النَّبِيَّ كَانَ يَقْرَأُ فِي الظُّهْرِ فِي الْأَوَّلَيَيْنِ بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ وَسُوَرَتَيْنِ وَفِي الرَّكْعَتَيْنِ الْآخِرَبَيْنِ بِأَمِّ الْكِتَابِ وَيَسْمَعُنَا الْآيَةَ وَيَطُولُ فِي الرَّكْعَةِ الْأُولَى مَالًا يُطِيلُ فِي الرَّكْعَةِ الثَّانِيَةِ وَهُكَذَا فِي العَصْرِ وَهُكَذَا فِي الصُّبْحِ) .
২৮৮। মাহমূদ ...... 'আবদুল্লাহ বিন আবূ ক্বাতাদাহ হতে বর্ণিত। তিনি তার পিতা হতে বর্ণনা করেন যে, নাবী যুহরের প্রথম দু'রাক'আতে ফাতিহাতুল কিতাব ও দু'টি সূরা পাঠ করতেন এবং শেষ দু' রাক'আতে উম্মুল কিতাব পাঠ করতেন এবং আমাদেরকে আয়াত শুনাতেন এবং প্রথম রাক'আত যত দীর্ঘ করতেন, দ্বিতীয় রাক'আত তত দীর্ঘ করতেন না। এমনিভাবে তিনি আসরেও করতেন। এমনিভাবে তিনি ফজরেও করতেন।

۲۸۹. حدثنا محمود قال حدثنا البخاري قال حدثنا ابراهيم بن عبيد عَنْ أَنَسٍ أَنَّ موسى عن عباد بن العوام عن سعيد بن جبير عن أبي . النبي ﷺ قَرَا فِي الظُّهْرِ بِسَبِّحِ اسْمَ .
২৮৯। মাহমূদ ..... আনাস (রাযিঃ) কর্তৃক বর্ণিত যে, নাবী যুহরে يسبح اسم সূরা আলা পাঠ করতেন।

۲۹۰ حدثنا محمود قال حدثنا البخاري قال حدثنا محمد قال حدثنا عفان قال حدثنا مسكين بن عبد الغزيز قال حدثنا المثني الأحمر قال حدثني عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ قَيْسٍ قَالَ أَتَيْنَا أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ فَسَأَلْنَاهُ عَنْ مِقْدَارِ صَلَاةِ رَسُولِ اللَّهِ ﷺ فَأَمَرَ نَضَرَ بْنَ أَنَسٍ أَوْ أَحَدًا بَنِيهِ نُصَلِّي بِنَا الظهرَ أَوِ الْعَصْرَ فَقَرَا وَالْمُرْسَلَاتِ وَعَمَّ يَتَسَاءَلُونَ
২৯০। মাহমূদ ...... 'আবদুল 'আযীয বিন কাইস বলেন: আমরা আনাস বিন মালিকের নিকট আসলাম। তাঁকে রসূলুল্লাহ -এর সলাতের পরিমাণ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম।
অতঃপর নযর বিন আনাস অথবা তাঁর কোন ছেলেকে তিনি নির্দেশ দিলেন আমাদেরকে যুহর বা 'আসরের সলাত পড়াতে। তিনি সূরা মুরসলাত ও আম্মা ইয়াতাসা আলুন (সূরা নাবা) পাঠ করলেন।

২৯১. হাদ্দাসানা মাহমুদুন ক্বালা হাদ্দাসানাল বুখারী ক্বালা হাদ্দাসানা সাঈদ বিন সুলাইমান ক্বালা হাদ্দাসানা 'আব্বাদ বিন আল 'আওয়্যাম 'আন সাঈদ বিন জুবাইর ক্বালা হাদ্দাসানী আবূ 'আওয়ানাতা 'আন আনাসিন আন্নান্নাবিয়্যা ﷺ : "ক্বারায়ীজ জুহরি বিসাব্বিহিস্মা রব্বিকাল আ'লা।"
২৯১। মাহমূদ ...... আনাস হতে বর্ণিত যে, নাবী যুহরের সলাতে (সাব্বিহিস্মা রব্বিকাল আ'লা) সূরা আ'লা পাঠ করেছেন।

২৯২. হাদ্দাসানা মাহমুদুন ক্বালা হাদ্দাসানাল বুখারী ক্বালা হাদ্দাসানা 'আলী ক্বালা হাদ্দাসানা আবূ বকরিল হানাফী ক্বালা হাদ্দাসানা কাসীর বিন যায়দ 'আনিল মুত্তালিব 'আন খারিজাতি বিন যায়দ ক্বালা হাদ্দাসানী যায়দুবনু ছাবিতিন ক্বালা : কানান্নাবিয়্যু ﷺ ইয়াক্বরাউ ইয়ুতীলুল ক্বিরাআতা ফিজ্জুহরি ওয়া ইউহার্রিকু শাফাতাইহি ফাক্বাদ আ'লামু আন্নাহু লা ইউহাররিকু শাফাতাইহি ইল্লা ওয়াহুয়া ইয়াক্বরাউ।
২৯২। মাহমূদ ..... যায়দ বিন সাবিত বলেন: নাবী যুহরে কিরাআত পাঠ করা দীর্ঘ করতেন এবং তাঁর দু'ঠোঁটকে নাড়াতেন। আমি অধিক অবগত যে, তিনি তাঁর দু'ঠোঁটকে পাঠ করা ব্যতীত নাড়াতেন না।

২৯৩. হাদ্দাসানা মাহমুদুন ক্বালা হাদ্দাসানাল বুখারী ক্বালা হাদ্দাসানা মুসাদ্দাদ ক্বালা হাদ্দাসানা হুশাইমুন 'আন মানসুর বিন যাযান 'আন আবীস সিদ্দীক্বিন নাজী 'আন সাঈদিল খুদরী ক্বালা : হাযারনা ক্বিয়ামা রাসুলিল্লাহি ﷺ ফিজ জুহরি ওয়াল 'আসরি ফির রিক'য়াতাইনিল আউয়ালিয়াইনি মিনাজ্জুহরি ক্বাদ সালাসিনা আয়াতান ওয়াক্বিয়ামাতান ফিল আখিরাবায়নি 'আলা নিসফি মিন যালিকা ওয়াহাযারনা ক্বিয়ামাহু ফিল 'আসরি ফির রিক'য়াতাইনিল আউয়ালিয়াইনি 'আলা ক্বাদরিল আখিরাবায়নি মিনাজ্জুহরি ওয়াল আখিরাবায়নি মিনাল 'আসরি 'আলান নিসফি মিন যালিকা।
২৯৩। মাহমুদ ..... আবূ সাঈদ খুদরী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমরা রসূল ﷺ-এর যুহরের ও 'আসরের কিয়াম অনুমান করেছি। যুহরের প্রথম দু' রাক'আতে কিয়ামের পরিমাণ ছিল ত্রিশ আয়াত পাঠ করার সমান। এবং যুহরের শেষ দু' রাক'আতের কিয়াম ছিল ওটার অর্ধেক এবং 'আসরের প্রথম দু' রাক'আতের কিয়ামের পরিমাণ, আমরা অনুমান করেছি, তা ছিল যুহরের শেষ দু' রাক'আতের পরিমাণ এবং আসরের শেষ দু' রাক'আতের পরিমাণ ছিল ওটার অর্ধেক।

٢٩٤. حدثنا محمود قال حدثنا البخاري قال حدثنا علي بن عبد الله قال حدثنا زيد بن حباب قال حدثنا معاوية قال أنبأنا ابو الزاهرية قال حَدَّثَنِي كَثِيرُ بْنُ مُرَّةَ أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا الدَّرْدَاةِ يَقُولُ : سُئِلُ النَّبِيُّ ﷺ أَفِي كُلِّ صَلَاةِ قِرَاءَةً؟ قَالَ نَعَمْ .
২৯৪। মাহমুদ......... কাসীর বিন মুররাহ আবুদ দারদাকে বলতে শুনেছেন : নাবী-কে জিজ্ঞেস করা হলো প্রত্যেক সালাতেই কি কিরাআত আছে? তিনি বললেন: হ্যাঁ।

٢٩٥. حدثنا محمود قال حدثنا البخاري قال حدثنا عمر بن حفص قال حدثنا ابي قال حدثنا الأعمش قال حدثنا عمارة عَنْ أَبِي مَعْمَرَ قَالَ سَأَلَنَا خبابًا : (أَكَانَ رَسُولُ اللهِ ﷺ يَقْرَأُ فِي الظُّهْرِ وَالْعَصْرِ؟ قَالَ نَعَمْ قُلْنَا بِأَيِّ شَيْءٍ كُنتُمْ تَعْرِفُونَ؟ قَالَ بِاضْطِرَابِ الْحِبَتِهِ)
২৯৫। মাহমূদ......... আবূ মা'মার কর্তৃক বর্ণিত। তিনি বলেন: আমরা খাববাব-কে জিজ্ঞেস করেছি, রসূলুল্লাহ ﷺ কি যুহরে ও 'আসরে পাঠ করতেন? তিনি বললেন: হ্যাঁ। আমরা বললাম কোন্ জিনিসের মাধ্যমে আপনারা জানতেন? তিনি বললেন: তাঁর দাঁড়ি নড়াচড়ার মাধ্যমে।

٢٩٦. حدثنا محمود قال حدثنا البخاري قال حدثنا حماد عن سماك عَنْ جَابِرِ بْنِ سَمُرَةَ قَالَ : (كَانَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ يَقْرَأُ فِي الظُّهْرِ وَالْعَصْرِ بِالسَّمَاءِ وَالطَّارِقِ وَالسَّمَاءِ ذَاتِ الْبُرُوجِ وَنَحْوِهِمَا مِنَ السُّورِ) .
২৯৬। মাহমুদ........ জাবির বিন সামুরাহ হতে বর্ণিত; তিনি বলেন: রসূলুল্লাহ ﷺ যুহরে ও 'আসরে সূরা তারেক, সূরা বুরুজ এবং এ ধরনের সূরাসমূহ পাঠ করতেন।

২৯৭. হাদ্দাসানা মাহমুদুং ক্বালা হাদ্দাসানাল বুখারী ক্বালা হাদ্দাসানা আলী ক্বালা হাদ্দাসানা আবু বকরিল হানাফী ক্বালা হাদ্দাসানা কাসীরু বিন যায়দিল মুত্তালিবী আন খারিজাতা বিন যায়দ ক্বালা হাদ্দাসানী যায়দুবনু সাবিতিন ক্বালা : (কানান্নাবীয়্যু ﷺ ইয়াক্বরাউ ইয়ুতীলুল ক্বিরাআতা ফিজ জুহরি ওয়াল আসরি ওয়া ইউহাররিকু শাফাতাইহি ফাক্বাদ আ'লামু আন্নাহু লা ইউহাররিকু শাফাতাইহি ইল্লা ওয়া হুয়া ইয়াক্বরাউ)।
২৯৭। মাহমূদ ...... যায়দ বিন সাবিত বলেন: নাবী ﷺ যুহরে ও আসরে কিরাআত পড়া দীর্ঘ করতেন এবং তাঁর দু' ঠোঁট নাড়াতেন। অবশ্য আমি অধিক অবগত যে, তিনি কিরাআত পড়া ব্যতীত তাঁর দু' ঠোঁট নাড়াতেন না।

২৯৮. হাদ্দাসানা মাহমুদুং ক্বালা হাদ্দাসানাল বুখারী ক্বালা হাদ্দাসানা আলী বিন হিশাম ক্বালা হাদ্দাসানী আইয়ুব বিন জাবিরিন আন হিলাল বিনিল মুনযিরি আন আদী বিন হাতিম : (সাল্লা লানাজ্জুহরা ফাক্বারা বিননাজমি ওয়াস সামায়ি ওয়াত্তারিকে সুম্মা ক্বালা : মা আলো আন উসাল্লিয়া বিকুম সালাতান্নাবিয়্যি ﷺ ওয়া আশহাদু আন্না হাজা কায্যাবুন সালাসা মাররাতীন ইয়া'নিল মুখতার সুম্মা বা'দা জালিকা বি সালাসাতি আইয়্যাম)।
২৯৮। মাহমূদ ...... হেলাল বিন মুনযির হতে বর্ণিত। তিনি আদী বিন হাতেম হতে বর্ণনা করেন। 'আদী আমাদের যুহরের সলাত পড়ালেন, তিনি সলাতে 'সূরা নাজম, সূরা তারেক পড়লেন। অতঃপর বললেন: আমি তোমাদেরকে নিয়ে যে সলাত আদায় করলাম, নাবী ﷺ-এর সলাতের সঙ্গে এর চেয়ে বেশি সাদৃশ্য হতে পারে না। আর আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, এ ব্যক্তি অর্থাৎ মুখতার কায্যাব (মিথ্যাবাদী), তিনবার বললেন। অতঃপর তিনি এ ঘটনার তিনদিন পর মৃত্যুবরণ করেন।

২৯৯. হাদ্দাসানা মাহমুদ ক্বালা হাদ্দাসানাল বুখারী ক্বালা হাদ্দাসানা কুতায়বা ক্বালা হাদ্দাসানা সুফিয়ান আন আয যুহরী আন মাহমুদ ইবনুর রবী’ই ‘আন ‘উবাদাতা বিনুস সামিত ইউবাল্লিগু বিহিন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামা ক্বালা: লা সালাতা লিমান লা ইয়াক্বরাউ বিফাতিحاتিল কিতাব।
২৯৯। মাহমূদ ……… ‘উবাদাহ বিন সামিত (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। নাবী তাঁর দ্বারা পৌঁছিয়ে বলেছেন : যে ব্যক্তি ফাতিহাতুল কিতাব পাঠ করল না, তার সালাত হলো না।

৩০০. হাদ্দাসানা মাহমুদ ক্বালা হাদ্দাসানাল বুখারী ক্বালা হাদ্দাসানা কুতায়বা ক্বালা হাদ্দাসানা সুফিয়ান আন জা’ফার বিন ‘আলী বাইয়্যাউল আনমাত ‘আন আবী ‘উসমান ‘আন আবী হুরাইরাহ ক্বালা : আমারানিন নাবিয়্যু সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামা আন উনাদিয়া লা সালাতা ইল্লা বি ক্বিরাআতি ফাতিহা (আল কিতাব)।
৩০০। মাহমূদ আমাদেরকে হাদীস বর্ণনা করে বলেন: ইমাম বুখারী আমাদেরকে হাদীস বর্ণনা করেন ……… আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন: আমাকে নাবী নির্দেশ দিয়েছেন যে, আমি যেন ডেকে বলি, ফাতিহাতুল কিতাব ব্যতীত সলাত হয় না।

সর্বশেষ আল্লাহর জন্য সকল প্রশংসা এবং নবী এর উপর শত-কোটি দরূদ ও সালাম

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00