📄 অনুচ্ছেদ : ইমাম ও মুক্তাদির জন্য কিরাআত ওয়াজিব এবং কিরাআত পাঠের সর্বনিম্ন পরিমাণ
۱۸. (قال البخاري) قال الله عز وجل (فَاقْرَؤُوا مَا تَيَسَّرَ مِنْهُ ) (قال) ( وَقُرْآنَ الْفَجْرِ إِنَّ قُرْآنَ الْفَجْرِ كَانَ مَشْهُودًا ﴾ ﴿وَإِذَا قُرِيءَ الْقُرْآنُ فَاسْتَمِعُوا لَهُ وَأَنْصِتُوا ) (وَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ) هَذِهِ فِي الْمَكْتُوبَةِ وَالْخُطْبَةِ وَقَالَ أَبُوا دَارْدَاءِ سَأَلَ رَجُلٌ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ أَفِي كُلِّ صَلَاةٍ قِرَاءَةٌ قَالَ : نَعَمْ» قَالَ رَجُلٌ مِنَ الْأَنْصَارِ وَجَبَتْ .
১৮। (বুখারী (রহঃ) বলেছেন) মহান সম্মানিত আল্লাহ বলেন: "কুরআন হতে যা সহজ তা তোমরা পড়।” (সূরা মুযযাম্মিল ২০) "(তিনি বলেছেন) ফজরে কুরআন পাঠ কর। নিশ্চয় ফজরের কুরআন পাঠ উপস্থিতির সময়।” (সূরা বানী ইসরাঈল ৭৮) "আর যখন কুরআন পাঠ করা হয়, তখন তোমরা কান লাগিয়ে শুন এবং তোমরা নিশ্চুপ থাক।" (সূরা আ'রাফ ২০৪)
ইবনু 'আব্বাস (রাযিঃ) বলেন: এ আয়াত ফরজ সলাত ও খুৎবার ব্যাপারে। আবুদ দারদা (রাযিঃ) বলেন- এক, ব্যক্তি রসূল -কে জিজ্ঞেস করেছেন প্রত্যেক সলাতেই কি কিরাআত? তিনি বললেনঃ (হ্যাঁ) আনছারী এক ব্যক্তি বললেন কিরাআত ওয়াজিব হয়ে গেল।
১৯. (قال البخاري) وتواتر الخبر عن رسول الله ﷺ لَا صَلَاةَ إِلَّا بقراءة أم الْقُرْآنِ» (وقال بعض الناس يجيزيه آية آية في الركعتين الأوليين بالفارسية ولا يقرأ في الأخريين وقال ابوقتادة) كان النبي ﷺ يقرأ في الأربع وقال بعضهم إن لم يقرأ في الأربع جازت صلاته وهذا خلاف قول النبي ﷺ لَا صَلَاةَ إِلَّا بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ .
১৯। বুখারী (রহঃ) বলেছেন: হাদীসে রসূলুল্লাহ হতে মুতাওয়াতির* সূত্রে বর্ণিত হয়েছে উম্মুল কুরআনের কিরাআত ব্যতীত সলাত হবে না।
কতিপয় (হানাফী) লোক বলেছে- ফারসী ভাষায় প্রথম দু' রাক'আতে এক আয়াত এক আয়াত করে পড়লেও সলাত যথেষ্ট হবে এবং শেষ দু' রাক'আতে পড়তে হবে না।
[আবূ ক্বাতাদাহ (রাযিঃ) বলেছেন] নাবী চার রাক'আতেই কিরাআত করতেন। তাঁদের কেউ কেউ (হানাফীদের) বলেছেন : যদি চার রাক'আতে পাঠ না করে তবুও সলাত যথেষ্ট হবে। আর এটা নাবী (সঃ)-এর এ হাদীসটির বিপরীত "উম্মুল কিতাব ছাড়া সলাত হবে না"।
২০. فان احتج وقال : قال النبى ﷺ لَا صَلَاةَ وَلَمْ يَقُلْ لَا يَجْزِى قيل له إن الخبر اذا جاء عن البنى ﷺ فحكمه على اسمه وعلى الجملة حتي يجى بيانه عن النبي ﷺ قال جابر بن عبد الله : لَا يَجْزِيهِ إِلَّا بِام الْقُرْآنِ .
২০। তারা (মুকাল্লিদগণ) যদি যুক্তি পেশ করে বলেন : নবী বলেছেন : )لاصلاة( সলাত হবে না। তিনি বলেন নাই )لا يجزي( যথেষ্ট হবে না। তাদেরকে জওয়াব দেয়া হয় যে, খবর যখন নাবী থেকে আসে, তখন তার হুকুম তার নামের উপর এবং সমুদয় লোকের উপর বুঝাবে। এমনকি তার ব্যাখ্যা নাবী থেকে আসবে। জাবির বিন 'আবদুল্লাহ (রাযিঃ) বলেছেন : ১ لَا يَجْزِيهِ إِلَّا بِأَمِّ الْقُرْآنِ উম্মুল কুরআন ব্যতীত সলাত হবে না।
২১. فان احتج فقال اذا أدرك الركوع جازت فكما أجزأته في الركعة كذلك تجزيه في الركعات قيل له انما اجاز زيد بن ثابت و ابن عمر والذين لم يروا القرءة خلف الامام فأما من رأى القراءة فقد قَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ لَا يَجْزِيْهِ حَتَّى يُدْرِكَ الْإِمَامُ قَائِمًا ، قَالَ أَبُو سَعِيدٍ وَعَائِشَةَ رَضِي اللهُ عَنْهُمَا لَا يَرْكَعُ أَحَدُكُمْ حَتَّى يَقْرَأَ بِامِّ الْقُرْآنِ وان كان ذلك اجماعا لكان هذا المدرك للركوع مستثنى من الجملة مع انه لا إجماع فيه . واحتج بعض هؤلاء فقال : لا يقرأ خلف الامام لقول الله تعالى فَاسْتَمِعُوا لَهُ وَانْصِتُوا ) فقيل له فيثني على الله والامام يقرأ قال نعم قيل له فلم جعلت عليه الثناء والثناء عندك تطوع تتم الصلاة بغيره والقراءة في الأصل واجبة أسقطت الواجب بحال الامام لقول الله تعالى فَاسْتَمِعُوا ) وأمرته ان لا يستمع عند الثناء، ولم تسقط عنه الثناء وجعلت الفريضة أهون حالا من التطوع وزعمت انه اذا جاء والإمام في الفجر فإنه يصلى ركعتين لا يستمع ولا ينصت لقراءة الامام وهذا خلاف ما قاله النبي ﷺ . قال : «إِذَا أُقِيمَتِ الصَّلَاةُ فَلَا صَلَاةَ إِلَّا المكتوبة».
২১। তারা (মুকাল্লিদগণ) যুক্তি পেশ করে বলে রুকূ' পাওয়া গেলে (সালাত) আদায় হয়ে যাবে অর্থাৎ ফাতিহা পড়া লাগবে না অতঃপর যেরূপভাবে এক রাক'আত যথেষ্ট হলো তেমনিভাবে সকল রাক'আতই যথেষ্ট হবে। তাদেরকে বলা হবে, যায়দ বিন সাবিত, ইবনু 'উমার প্রমুখ যাঁরা ইমামের পিছনে কিরাআত পড়ার অভিমত পোষণ করেননি তারা জায়েয বলেছেন। অতঃপর যাঁরা কিরাআতের পক্ষে রায় দিয়েছেন, যেমন আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) বলেছেন: ইমামকে দাঁড়ানো অবস্থায় না পাওয়া পর্যন্ত সলাত জায়িয হবে না।
আবূ সা'ঈদ খুদরী ও 'আয়িশাহ (রাযিঃ) বলেছেন: উম্মুল কুরআন না পড়া পর্যন্ত তোমাদের কেউ যেন রুকু' না করে। এ ব্যাপারে যদি ইজমা বা ঐকমত্য হয় তাহলে ইজমাটা হবে রুকূ'র জন্য স্বতন্ত্র ব্যাপার। তবে এ কথা সত্য এ ব্যপারে কোন ঐকমত্য নেই। তাদের অনেকে যুক্তি পেশ করে বলে, ইমামের পিছনে কিরাআত পড়া যাবে না, কেননা আল্লাহ বলেছেন: তোমরা কান লাগিয়ে কুরআন শুন ও চুপ থাক। তাদেরকে যদি বলা হয় ইমামের কিরাআত পড়া অবস্থায় আল্লাহর প্রতি সানা পড়া হয়। তারা বলবে, হ্যাঁ পড়া হয়। তখন তাদেরকে (হানাফী) বলা হবে, তাহলে কেন তোমরা মুক্তাদির প্রতি সানা পাঠ করা ওয়াজিব বা আবশ্যক করে দিয়েছ? অথচ সানা পাঠ করা তোমাদের নিকট নফল। আর সানা ছাড়া তো সালাত পূর্ণ হয়ে যাবে। অথচ কিরাআততো ওয়াজিব। তোমরা আল্লাহর এ কথা (তোমরা শুন) এর উপর ভিত্তি করে ইমামের পিছে (জামা'আতে) কিরাআতকে ছেড়ে দিচ্ছ। আর মুক্তাদিকে সানা পড়ার সময় মুক্তাদিকে কিরাআত না শুনার নির্দেশ দিচ্ছ। এমনকি তোমরা ইমামের পাঠ করা অবস্থায়ও সানা পড়া বর্জন করছ না। আর তোমরা ফরযকে নফলের চেয়ে তুচ্ছ জ্ঞান করছ।
আর তোমরা তো ধারণা কর যে, ইমাম ফজরের সলাতের অবস্থায় কেউ আসলে সে দু' রাক'আত (সুন্নাত) পড়ে নিবে। সে ইমামের কিরাআত শুনতে পারবে না এবং চুপও থাকতে পারবে না। অথচ এটা নাবী-এর হাদীসের বিপরীত। কেননা নাবী বলেছেন: যখন সলাতের ইক্বামাত দেয়া হয় তখন ফরয সলাত ব্যতীত কোন সলাত নেই।
٢٢. فقال ان النبي ﷺ قال : « مَنْ كَانَ لَهُ إِمَامٌ فَقِرَاءَةُ الْإِمَامِ لَهُ قراءة ، فقيل له هذا خبر لم يثبت عند أهل العلم من أهل الحجاز وأهل العراق وغيرهم لإرساله (۱) وانقطاعه رواها بن شداد عن النبي ﷺ
২২। তারা এটাও বলে যে, নাবী বলেছেন: যার ইমাম রয়েছে ইমামের কিরাআতই তার কিরাআত। তাদেরকে উত্তর দেয়া হবে, এ হাদীসটি হিজায তথা মাক্কাহ, মাদীনাহ, ইরাক ও অন্যান্য স্থানের মুহাদ্দিসগণের নিকট প্রমাণিত হয়নি। কারণ উক্ত হাদীস মুরসাল ১ এবং মুনকাতে '২। ইবনু সাদ্দাদ হাদীসটি নাবী থেকে বর্ণনা করেছেন।
۲۳. (قال البخاري ) وروى الحسن بن صالح عن جابر عن أبي الزبير عن النبى الله، ولا يدرى اسمع جابر من أبي الزبير وذكر عن عبادة بن الصامت وعبدا بن عمرو صلى النبي الله صلاة الفجر فقرأ رجل خلفه فقال : « لَا يَقْرَأَنَّ أَحَدُ كُمْ وَالْإِمَامُ يَقْرَأُ إِلَّا بِأَمِّ الْقُرْآنِ ». فلوثبت الخبران كلاهما لكان هذا مستثنى من الأول لقوله « لَا يَقْرَأَنَّ إِلَّا بِأَمِّ الكتاب » وقوله : « مَنْ كَانَ لَهُ إِمَامٌ فِقَراءَةُ الْإِمَمِ لَهُ قِرَاءَةٌ ». وقوله « بِامِّ الْقُرْآنِ » مستثنى من الجملة كقول النبي ﷺ «جُعِلَتِ لِي الْأَرْضُ مَسْجِدًا وَطَهُورًا ، ثم قال في أحاديث آخر : « إِلَّا الْمَقْبُرَة ، وما استشناه من الأرض والمستثنى خارج من الجملة وكذلك فاتحة الكتاب خارج من قوله « مَنْ كَانَ لَهُ إِمَامٌ فَقِرَاءَةُ الإِمَامِ لَهُ قِرَاءَةٌ » مع انقطاعه. وقيل له : اتفق أهل العلم وانتم أنه لا يحتمل الإمام فرضا عن القوم ثم قلتم القرأة فريضة ويحتمل الإمام هذا الفرض عن القوم فيما جهر الإمام أو لم يجهر ولا يحتمل الإمام شيئا من السنن نحو الثناء والتسبيح والتحميد فجعلتم الفرض أهون من التطوع والقياس عندك أن لا يقاس الفرض بالتطوع وإلا يجعل الفرض أهون من التطوع وان يقاس الفرض او الفرع بالفرض اذا كان من نحوه، فلوقست القراءة بالركوع والسجود والتشهد اذا كانت هذه كلها فرضا ثم اختلفوا في فرض منها كان أولى عند من يرى القياس أن يقيسوا الفرض أو الفرع بالفرض .
২৩। (ইমাম বুখারী (রহঃ) বলেছেনঃ) হাসান বিন সালেহ 'উবাদাহ বিন সামিত ও 'আবদুল্লাহ বিন 'আম্র থেকে বর্ণিত। নাবী ফাজরের সলাত পড়ালেন। তাঁর পিছনে এক ব্যক্তি কিরাআত পাঠ করল।
নাবী বললেন: তোমাদের কেউ যেন ইমামের কিরাআত পাঠ করা অবস্থায় উম্মুল কুরআন ব্যতীত কিরাআত পাঠ না করে।
যদি উভয় হাদীসই সাব্যস্ত হয় তাহলে এটা প্রথমটি হতে মুসতাসনা বা (স্বতন্ত্র) হবে। কেননা নাবী -এর হাদীস ( لَا يَقْرَأَنَّ إِلَّا بِأُمِّ الْقُرْآنِ) ]
উম্মুল কুরআন ব্যতীত অবশ্যই যেন কিরাআত না পড়ে। এবং (مَنْ كَانَ لَهُ إِمَامٌ) (فَقِرَاءَةُ الْإِمَامِ لَهُ قِرَاءَةٌ) جملة ] যার ইমাম রয়েছে, ইমামের কিরাআতই তার কিরাআত | হাদীস দু'টিকে (لَا يَقْرَأَنَّ إِلَّا بِأُمِّ الْقُرْآنِ) [ কিন্তু উম্মুল কুরআন ব্যতীত। হাদীস দ্বারা মুসতাসনা বা স্বতন্ত্র করা হয়েছে।
যেমন নাবী -এর কথা (جُعِلَتْ لِيَ الْأَرْضُ مَسْجِدًا وَطَهُورًا) [সমস্ত পৃথিবীকে আমার জন্য মাসজিদ ও পবিত্র করে দেয়া হয়েছে।
অতঃপর নাবী অনেক হাদীসে বলেছেন (إِلَّا الْمَقْبَرَةَ) [ কবরস্থান ব্যতীত। সমস্ত পৃথিবী থেকে কবরকে মুস্তাস্স্না বা স্বতন্ত্র করা হয়েছে। আর মুসতাসনা বাক্য থেকে স্বতন্ত্র।
তেমনি ফাতিহাতুল কিতাব পাঠ সম্পর্কিত হাদীসটি (مَنْ كَانَ لَهُ إِمَامٌ) [যার ইমাম রয়েছে ইমামের কিরাআতই তার (فَقِرَاءَةُ الْإِمَامِ لَهُ قِرَاءَةٌ) কিরাআত। হাদীসটি থেকে স্বতন্ত্র। যদিও এটি মুনকাতে' হাদীস।
তাদেরকে (আহনাফদেরকে) বলা হবে, আহলে ইলম বা মুহাদ্দিসগণ ও তোমরা তো একমত হয়েছ যে, ইমাম মুসল্লীদের ফরযের ভার গ্রহণ করতে পারেনা। অতঃপর তোমরা বলেছ, কিরাআত হলো ফরয এবং ইমাম মুসল্লীদের হতে এ ফরযের দায়িত্ব ভার গ্রহণ করতে পারে। যদিও তা জেহরী উচ্চৈস্বঃরে কিরাআত হোক অথবা অনুচ্চস্বঃরে কিরাআত। আর ইমাম সুন্নাত থেকে কোন দায়িত্বভার গ্রহণ করতে পারেনা। যেমন সানা, তসবীহ, তাহমীদ। সুতরাং তোমরা ফার্যকে নফল হতে হালকা করেছ।
কিয়াসইতো তোমাদের মূল ব্যাপার। এক্ষেত্রে ফারকে নফলের সাথে কিয়াস করা হয়নি, বরং ফারফ্রে গুরুত্বকে নফল হতে অনেক কমিয়ে দেয়া হয়েছে। এটা তখনই হবে যখন ফারকে কিয়াস করা হয় অথবা শাখাকে কিয়াস করা হয় ফারব্রে সাথে।
যেমন কিরাআতকে রুকূ'র সাথে, সাজদাহ্র সাথে, তাশাহুদের সাথে কিয়াস করা, কেননা এগুলো সবই ফারম্। অতঃপর এ ফরয সম্পর্কেও তোমরা মতভেদ করেছ। যারা কিয়াস করে তাদের নিকট উত্তম হল ফারকে অথবা ফারা (শাখা)-কে ফারফ্রে সাথে কিয়াস করবে।
٢٤ - (وقال أأبو هريرة وعائشة رضي الله عنهما قال رسول الله ﷺ : «مَنْ صَلَّى صَلَاةٌ لَمْ يَقْرَأُ فِيهَا بِأَمِّ الْقُرْآنِ فَهِيَ خِدَاجٌ » .
২৪। আবূ হুরাইরাহ ও 'আয়িশাহ (রাযিঃ) বলেন- রসূলুল্লাহ বলেছেন- যে ব্যক্তি সলাত পড়ল কিন্তু তাতে উম্মুল কুরআন পাঠ করল না তা অসম্পূর্ণ বা ত্রুটিযুক্ত।
٢٥ - (وقال عمر بن الخطاب اقْرَأْ خَلْفَ الْإِمَامِ قُلْتُ وَإِنْ قَرَأْتَ قَالَ نَعَمْ وَإِنْ قَرَأْتُ - وكذلك قال أبي بن كعب وحذيفة بن اليمان وعبادة رضي الله تعالى عنهم ويذكر عن علي بن أبي طالب وعبد الله بن عمرو وأبي سعيد الخدري وعدة من أصحاب النبي ﷺ نحو ذلك .
২৫। 'উমার ইবনুল খাত্তাব (রাযিঃ) বলেছেন: ইমামের পিছনে পড়। (রাবী বলেন) আমি বললাম যদি আপনি পাঠ করেন, তিনি বললেন- হ্যাঁ যদিও আমি পাঠ করি।
এমনিভাবে উবাই ইবনু কা'ব, হুযাইফাহ ইবনুল ইয়ামান, 'উবাদাহ (রাযিঃ), 'আলী বিন আবূ ত্বলিব, 'আবদুল্লাহ বিন 'আম্র এবং আবূ সাঈদ খুদরী (রাযিঃ) এবং অনেক সংখ্যক সাহাবা থেকে এরূপ হাদীস বর্ণিত রয়েছে।
٢٦ - وقال القاسم بن محمد : كَانَ رِجَالُ أَئِمَّةِ يَقْرَؤُونَ خَلْفَ الْإِمَامِ .
২৬। ক্বাসিম বিন মুহাম্মাদ বলেছেন: আয়িম্মাগণ ইমামের পিছনে কিরাআত পাঠ করতেন।
۲۷ - وقال أبو مريم : سَمِعْتُ ابْنَ مَسْعُودٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ يَقْرَا خَلْفَ الْإِمَامِ .
২৭। আবূ মারইয়াম বলেছেন: আমি ইবনু মাস'উদ (রাযিঃ)-কে ইমামের পিছনে কিরাআত পাঠ করতে শুনেছি।
۲۸ - وقال ابو وائل عن ابن مسعود انصت للإمام .
২৮। আবূ ওয়ায়িল ইবনু মাস'উদ (রাযিঃ) হতে বর্ণনা করে বলেছেন: ইমামের জন্য চুপ থাকো।
۲۹ - وقال ابن المبارك دل ان هذا في الجهر وانما يقرأ خلف الإمام فيما سكت الإمام .
২৯। 'আবদুল্লাহ ইবনু মুবারক বলেছেন: এ 'আমালটি জাহরী সলাতের সাথে সম্পৃক্ত। নিশ্চয় ইমামের পিছনে তিনি সাকতার* সময় পাঠ করতেন।
৩০ - وقال الحسن وسعيد بن جبير وميمون بن مهران ومالا احصى من التابعين واهل العلم انه يقرأ خلف الإمام وإن جهر . وكانت عائشة رضي الله عنها تأمر بالقراءة خلف الإمام .
৩০। হাসান বাসরী, সা'ঈদ বিন জুবাইর, মায়মুন বিন মিহরান এবং অসংখ্য তাবিয়ী যাদের সংখ্যা গণনা করা অসম্ভব এবং আহলে ইল্ম তথা মুহাদ্দিসগণ সবাই বলেছেন: ইমামের পিছনে পড়তে হবে যদিও জাহরী সালাত হয়। 'আয়িশাহ (রাযিঃ) ইমামের পিছনে কিরাআত পড়ার জন্য নির্দেশ দিতেন।
৩১ - (وَقَالَ خِلَالٌ) حَدَّثَنَا حَنْظَلَةُ بْنُ أَبِي الْمُغِيرَةَ قَالَ سَأَلْتُ حَمَّادًا عَنِ الْقِرَاءَةِ خَلْفَ الْإِمَامِ فِي الْأُولَى وَالعَصْرِ فَقَالَ : كَانَ سَعِيدُ بْنُ جُبَيْرٍ يقرأ فَقُلْتُ أَيُّ ذَلِكَ أَحَبُّ إِلَيْكَ ؟ فَقَالَ أَنْ تَقْرَأ .
৩১। খিলাল বলেছেন: আমাদেরকে হাদীস শুনিয়েছেন হানযালাহ বিন আবূ মুগীরাহ। তিনি বলেন: আমি হাম্মাদকে জিজ্ঞেস করেছি প্রথম (ওয়াক্ত) অর্থাৎ যুহুর এবং আসর সলাতে ইমামের পিছনে কিরাআত সম্পর্কে। তিনি বলেছেন: সাঈদ বিন যুবায়র ইমামের পিছনে পড়তেন। অতঃপর আমি বললাম এ ব্যাপারে কোন্ট আপনার নিকট প্রিয়? তিনি বললেন: পড়াটাই আমার নিকট প্রিয়।
৩২ - (وقال مجاهد ) إِذَا لَمْ يُقْرَأَ خَلْفَ الْإِمَامِ أَعَادَ الصَّلَاةَ وكذلك قال عبد الله بن الزبير وقيل له احتجاجك بقول الله تعالى « إِذَا قُرِى الْقُرْآنِ فَاسْتَمِعُوا لَهُ وَأَنْصِتُوا ، أرأيت اذا لم يجهر الإمام يقرأ من خلفه؟ فإن قال لا بطل دعواه لأن الله تعالى قال « فَاسْتَمِعُوا لَهُ وَأَنْصِتُوا » وإنما يستمع لما يجهر مع انا نستعمل قول الله تعالى « فَاسْتَمِعُوا لَهُ » نقول يقرأ خلف الإمام عند السكتات .
৩২। প্রসিদ্ধ তাবিয়ী মুজাহিদ বলেছেন: যখন ইমামের পিছনে কিরাআত পড়া হবে না, তখন সলাত পুনরায় পড়তে হবে। এমনিভাবে আবদুল্লাহ বিন যুবাইরও বলেছেন।
যদি কেউ তোমাকে যুক্তি পেশ করে বলে, মহান আল্লাহর বাণীঃ "যখন কুরআন পাঠ করা হয় তখন শোন ও চুপ থাকো"। তখন বলা হবে, যদি ইমাম প্রকাশ্যে বা উচ্চৈঃস্বরে পড়ে না, তখন যে তার পিছনে পড়ে তার ব্যাপারে তোমার অভিমত কী? যদি সে বলে তার দাবী বাতিল নয়, কেননা মহান আল্লাহ বলেছেন: "তোমরা শোন ও চুপ থাকো।" সে শোনে যা উচ্চৈস্বঃরে পাঠ করা হয়। তাহলে আমরাও তো 'আমাল করি আল্লাহর এ বাণী )فَاسْتَمِعُوا( [তোমরা শুন]। আমরা বলব, সাকতাসমূহের সময় ইমামের পিছনে পড়া হবে।
৩৩ - (قال سمرة رضي الله عنه) كان للنبي ﷺ سكتتان سكتة حين يكبر وسكتة حين يفرغ من قراءته
৩৩। সামুরাহ বিন জুনদুব (রাযিঃ) বলেছেন: নাবী দু'টি সাকতা করেছেন। যখন তাকবীর বলতেন তখন একটি সাকতা করতেন এবং যখন কিরাআত থেকে অবসর নিতেন তখন একটি সাকতা করতেন।
৩৪ - (وقال ابن خيثم) قلت لسعيد بن جبير اقرأ خلف الإمام قال نعم وإن كنت تسمع قراءته فإنهم قد احدثوا ما لم يكونوا يصنعونه إن السلف كان إذا أم احدهم الناس كبر ثم انصت حتى يظن ان من خلفه قرأ بفاتحة الكتاب ثم قرأ وأنصتوا।
৩৪। ইবনু খাইসাম বলেছেন: আমি সাইদ বিন যুবায়রকে বললাম ইমামের পিছনে পড়ব কি? তিনি বললেন: হ্যাঁ, যদিও তুমি ইমামের কিরাআত শুনতে পাও। কেননা তাঁরা (যুক্তি পেশকারীরা) কতগুলো কথা তৈরী করেছে যা সালাফগণ করেননি। নিশ্চয়ই সালাফগণ যখন লোকদের ইমামত করতেন তাকবীর বলতেন। অতঃপর চুপ থাকতেন, যতক্ষণ সে ধারণা না করত যে মুক্তাদীরা ফাতিহাতুল কিতাব পাঠ করেছেন। অতঃপর কিরাআত পাঠ করতেন এবং তাঁরা (মুক্তাগণ) চুপ থাকতেন।
৩৫ - ( وقال ابو هريرة رضي الله عنه ) : كَانَ النَّبِيُّ ﷺ إِذَا أَرَادَ أَنْ يَقْرَأَ سَكَتَ سَكْتَةً
৩৫। আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) বলেন: নাবী যখন কিরাআত পাঠ করার ইচ্ছা করতেন তখন একটি সাক্তা করতেন।
৩৬ - وكان أبو سلمة بن عبد الرحمن وميمون بن مهران وغيرهم وسعيد بن جبير يرون القراءة عند سكوت الإمام إلى نون نعبد لقول النبي ﷺ « لَا صَلَاةَ إِلَّا بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ ، فتكون قراءته فإذا قرأ الإمام أنصت حتى يكون متبعا لقول الله تعالى ﴿مَنْ يُطِعِ الرَّسُولَ فَقَدْ أَطَاعَ اللهُ ) وقوله وَمَنْ يُشَاقِقِ الرَّسُولَ مِنْ بَعْدِ مَا تَبَيَّn لَهُ الْهُدَى وَيَتَّبِعْ غَيْرَ سَبِيلِ الْمُؤْمِنِينَ نُوَ لَهِ مَا تَوَلَّى وَنُصْلِهِ جَهَنَّمَ وَسَاءَتْ مَصِيرًا ) وَإِذَا تَرَكَ الْإِمَامُ شَيْئًا مِّنَ الصَّلَاةِ فَحَقَّ عَلَى مَنْ خَلْفَهُ أَنْ يُتِمُّوا قَالَ عَلْقَمَةُ إِنْ لَمْ يَتِمَّ الْإِمَامُ أَتْمَمْنَا .
৩৬। আবূ সালামাহ বিন 'আবদুর রহমান, মায়মুন বিন মিহরান, এছাড়া আরো অনেকে এবং সাঈদ বিন জুবাইর, তাঁরা ইমামের إِيَّاكَ نَعْبُدُ وَإِيَّاكَ نستعين এর নূনের পর সাকতার সময় কিরাআত পড়ার অভিমত পোষণ করতেন। এজন্য যে নাবী-এর কথা ফাতিহাতুল কিতাব ব্যতীত সলাত হবে না। এ সময় তার (মুক্তাদীর) কিরাআত পাঠ হয়ে যেত। যখন ইমাম কিরাআত পাঠ করতেন তখন তিনি (মুক্তাদী) চুপ থাকতেন। এর ফলে আল্লাহ্র নির্দেশের অনুসরণ হয়। কেননা তিনি বলেছেন: "যে ব্যক্তি রসূলের আনুগত্য করে সে যেন আল্লাহরই আনুগত্য করে"- (সূরা আন-নিসা ৮০)। তিনি আরো বলেছেন: "যে কেউ রসূলের বিরুদ্ধাচারণ করে, তার নিকট হুদা (সরল পথ) প্রকাশিত হওয়ার পর এবং মুমিনদের পথের বিরুদ্ধে চলে, আমি তাকে ঐ দিকেই ফিরিয়ে দিব যেদিক সে অবলম্বন করেছে এবং তাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করব। আর তা নিকৃষ্টতর গন্তব্যস্থান"- (সূরা আন-নিসা ১১৫)।
ইমাম যখন সলাতের কোন কিছু ছেড়ে দিবে, এখন মুক্তাদীর কর্তব্য হলো, তা পূর্ণ করে নেয়া। আলকামা বলেছেন: যদি ইমাম পূর্ণ করে না নিত, আমরা পূর্ণ করে নিতাম।
৩৭ - (وقال الحسن وسعيد بن جبير وحميد بن هلال) اقرأ بالحمد يوم الجمعة وقال الآخرون من هؤلاء يجزيه ان يقرأ بالفارسية ويجزيه ان يقرأ باية ينقض اخرهم على أولهم بغير كتاب ولا سنة ، وقيل له من أباح لك الثناء والإمام يقرأ بخبر او بقياس وحظر على غيرك الفرض وهو القراءة، ولا خبر عندك ولا اتفاق لأن عدة من اهل المدينة لم يروا الثناء للإمام ولا لغيره ويكبرون ثم يقرؤون فتحير عندهم فهم في ربهم يترددون مع ان هذا صنعه في اشياء من الفرض وجعل الواجب اهون من التطوع زعمت انه إذا لم يقرأ في الركعتين من الظهر أو العصر او العشاء يجزيه واذا لم يقرأ في ركعة من أربع من التطوع لم يجزه قلت وإذا لم يقرأ في ركعة من المغرب اجزاه وإذا لم يقرأ في ركعة من الوتر لم يجزه وكأنه مولع ان يجمع بين ما فرق رسول الله ﷺ او يفرق بين ما جمع رسول الله ﷺ
৩৭। হাসান বাসরী, সা'ঈদ বিন জুবাইর এবং হামীদ বিন হিলাল বলেছেন : জুমু'আর দিন আলহামদু সহকারে পড়। এদের অন্য এক দল বলেছেন: ফারসী ভাষায় কিরাআত পাঠ করলে যথেষ্ট হবে এবং এক আয়াত পড়াও জায়িয। কুরআন ও সুন্নাতের দলীল ব্যতীতই তাদের পরবর্তীরা পূর্ববর্তীদের বিপরীত করেছেন। তাদেরকে (হানাফীদেরকে) বলা হবে, খবর কিংবা কিয়াস দ্বারা কে তোমাদেরকে ইমামের কিরাআত পড়া অবস্থায় সানা পড়া বৈধ করেছে? তুমি পড়তে পারলে অথচ অন্যের উপর ফারয তথা কিরাআত পড়া নিষেধ হয়ে গেল। অথচ তোমার নিকট এ ব্যাপারে কোন দলীল নেই এবং কোন ঐকমত্যও নেই। কেননা অনেক মাদীনাবাসী ইমামও অন্যের সানা পড়ারও মতপোষণ করেন নি। তাঁরা তাকবীর দিয়ে সালাত শুরু করতেন। অতঃপর কিরাআত পাঠ করতেন। তাঁদের (মাদীনাবাসীদের) উদ্বেগের কারণ হচ্ছে যে, তারা (হানাফীরা) ফারসমূহে সানা পড়া সত্ত্বেও তাদের প্রভুর ব্যাপারে সন্দিহান। তারা ওয়াজিবকে নফল হতে তুচ্ছ করে দিয়েছে। তারা ধারণা করে যুহর, 'আসর ও 'ইশার দু' রাক'আতে না পাঠ করলেও সলাত জায়িয হবে। কিন্তু চার রাক'আত বিশিষ্ট নফলের এক রাক'আতে পাঠ না করলে মোটেই জায়িয হবে না এবং মাগরিবের এক রাক'আতে পাঠ না করলে যথেষ্ট হবে কিন্তু বিতরের এক রাক'আতে পাঠ না করলে যথেষ্ট হবে না। যেন তারা রসূল-এর পার্থক্য করা বিষয়কে একত্রিত করে দিয়েছে অথবা রসূলা-এর একত্রিত করা বিষয়কে পার্থক্য করে দিয়েছে।
۳۸ - (وقال البخاري) وروى علي بن صالح عن الأصبهاني عن المختار بن عبد الله بن أبي ليلي عن أبيه رضي الله عنه من قرأ خلف الإمام فقد أخطأ الفطرة وهذا لا يصح لأنه لا يعرف المختار ولا يدري أنه سمعه من أبيه ام لا وأبوه من على ولا يحتج أهل الحديث بمثله وحديث الزهري عن عبد الله بن أبي رافع عن أبيه أدل وأصح .
৩৮। ইমাম বুখারী বলেছেন: 'আলী বিন সালিহ বর্ণনা করেন, তিনি আছবাহানী থেকে, তিনি মুখতার বিন 'আবদুল্লাহ বিন আবূ লায়লা থেকে, তিনি তার পিতা হতে (রাযিঃ) বর্ণনা করেন, যে ব্যক্তি ইমামের পিছনে পাঠ করে সে স্বভাবগতভাবে ভুল করল। এটা সহীহ নয়। কেননা, মুখতারকে চিনা যায়নি অর্থাৎ সে অপরিচিত। এটাও জানা যায়নি যে, সে তার পিতা থেকে শুনেছে কিনা এবং তার পিতা 'আলী থেকে শুনেছেন কিনা। এ কারণে মুহাদ্দিসগণ এটা দ্বারা অনুরূপ দলীল গ্রহণ করেননি। যুহরীর হাদীস, যা তিনি 'আবদুল্লাহ বিন আবূ রাফি' থেকে, তিনি তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন, সেটা অধিক প্রমাণিত ও অধিক সহীহ।
۳۹ وروی داود بن قيس عن ابن نجاد رجل من ولد سعد عن سعد وددت ان الذي يقرأ خلف الإمام في فيه جمرة وهذا مرسل وابن نجاد لم يعرف ولا سمى ولا يَجُوزُ الأَحَدٍ أَنْ يَقُولَ فِي الْقَارِئ خَلْفَ الْإِمَامِ جَمْرَةٌ مِنْ عَذَابِ اللَّهِ .
৩৯। দাউদ বিন কাইস বর্ণনা করেন ইবনু নাজ্জাদ থেকে, তিনি সাদ এর সন্তানের অন্তর্ভুক্ত। তিনি সা'দ থেকে, সাদ বলেনঃ যে ইমামের পিছনে পাঠ করে তার মুখে জ্বলন্ত অঙ্গার প্রবেশ করানোকে আমি পছন্দ করি।
এটা মুরসাল ইবনু নাজজাদ অপরিচিত। তার কোন নাম নেই।
কারও জন্য বৈধ নয় যে, সে বলে ইমামের পিছনে পাঠকারী আল্লাহর আযাবের জ্বলন্ত অঙ্গার।
٤٠ - وقال النبي ﷺ : « لَا تُعَذِّبُوا بِعَذَابِ اللَّهِ » ولا ينبغي لأحد ان يتوهم ذلك على سعد مع ارساله وضعفه .
৪০। নাবী বলেছেন: (আল্লাহর আযাব দ্বারা তোমরা শাস্তি দিওনা)। তাই কারও জন্য উচিত হবে না এ ব্যাপারে সাদ-এর উপর দোষারোপ করা, যদিও হাদীস মুরসাল ও যঈফ।
٤١ - وروى ابو حباب عن سلمة بن كهيل عن إبراهيم قال في نسخة عبد الله وددت ان الذي يقرأ خلف الإمام ملئ فوه نتنا وهذا مرسل লা ইয়াহ্তাজ্জু বিহী ওয়া খালাফাহু ইবনু আউন আন ইবরাহীম আল আসওয়াদ ওয়া কালা রিদফান ওয়ালাইসা হাজা মিন কালামি আহলিল ইলমি বিবুজুহিন আম্মা আহাদুহা।
৪১। আবূ হুবাব বর্ণনা করেছেন সালামাহ বিন কুহাইর হতে, তিনি ইবরাহীম হতে, তিনি 'আবদুল্লাহ্ নুসখার মধ্যে বর্ণনা করে বলেছেন: যে ইমামের পিছনে পাঠ করে, তার মুখ দুর্গন্ধ পচায় পরিপূর্ণ হওয়াকে আমি পছন্দ করি। এটাও মুরসাল, এটা দ্বারা দলীল গ্রহণ করা যায় না।
ইবনু 'আওন তার বিপরীত করেছেন। তিনি ইব্রাহীম আল-আসওয়াদ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: উত্তপ্ত পাথর। আর এটা আহলে ইলম মুহাদ্দিসগণের কথা নয়। এ পদ্ধতির কোন একটিও নয়।
৪২ - কালান্নাবীয় ﷺ : "লা তুলা'য়েনু বিলান্'আতিল্লাহি ওয়ালা বিন্ নার ওয়ালা তু'আজ্জিবু বি আজাবিল্লাহ"। ওয়াল ওয়াজহুল আখিরু আন্নাহু লা ইয়াম্বাগি লিআহাদিন আঁইয়্যাতামান্না আঁইয়্যামলায়া আফওয়াহা আসহাবান্ নাবীয়ি ﷺ মাসলা উমার বিন খাত্তাব ওয়া ইবনি আবী কা'ব ওয়া হুজাইফা ওয়া মান জাকারনা রিদফান ওয়ালা নাতান ওয়ালা তুরাবা ওয়াল ওয়াজহুস সালিসু ইজা সাবাতাল খবরু আনিন্ নাবীয়ি ﷺ ওয়া আসহাবিহি ফালাইসা ফিল আসওয়াদি ওয়া নাহবিহী হুজ্জাতুন।
৪২। নাবী ﷺ বলেছেন: (তোমরা পরস্পরে আল্লাহর লা'নত দ্বারা দোষারোপ কর না এবং আগুন দ্বারা এবং আল্লাহর শাস্তি দ্বারা শাস্তি দিও না)।
তাছাড়া কারো জন্য এটা আশা করা উচিত নয় যে, সহাবা তথা 'উমার বিন খাত্তাব, ইবনু আবূ কা'ব, হুযাইফাহ প্রমুখের মুখ উক্ত উত্তপ্ত পাথর, দুর্গন্ধময় বস্তু এবং মাটি দ্বারা পূর্ণ হোক। তৃতীয় দিক হলো: যখন নাবী ﷺ ও তাঁর সহাবা থেকে খবর সাব্যস্ত হয় তখন আসওয়াদ এবং অনুরূপ কারো থেকে দলীল প্রতিষ্ঠিত হবে না।
৪৩- কালা ইবনু আব্বাসিন ওয়া মুজাহিদুন লাইসা আহাদুম বাদান্ নাবীয়ি ﷺ ইল্লা ইয়ুখাজু মিন কাউলিহি ওয়া ইউত্রাকু ইল্লান্নাবীয়ু ﷺ
৪৩। ইবনু 'আব্বাস এবং মুজাহিদ বলেছেন: নাবী ﷺ -এর পরে এমন কোন ব্যক্তি নেই যার কথায় গ্রহণ বা বর্জন করা যায়- নাবী ﷺ -এর কথা ব্যতীত।
٤٤ - وقال حماد وددت ان الذي يقرأ خلف الإمام وليئ فوه سكرا .
৪৪। হাম্মাদ বলেছেন: যে ব্যক্তি ইমামের পিছনে পাঠ করে, তার মুখ দুর্গন্ধ মদে পরিপূর্ণ হওয়াকে আমি পছন্দ করি।
٤٥ - (قال البخاري) وروى عمرو بن موسى بن سعد عن زيد بن ثابت قال من قرأ خلف الإمام فلا صلاة له ولا يعرف لهذا الاسناد سماع بعضهم من بعض ولا يصح مثله .
৪৫। ইমাম বুখারী বলেছেন: আমর বিন মূছা বিন সাদ হতে বর্ণিত তিনি যায়দ বিন সাবেত থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: যে ব্যক্তি ইমামের পিছনে পাঠ করে তার কোন সলাত নেই। এর ইসনাদ* সম্পর্কে কিছুই জানা যায় না তাদের কেউ কেউ কারো কাছ থেকে শুনেছে। এ ধরনের কোন কিছুই সহীহ বা সঠিক নয়।
٤٦ - وكان سعيد بن المسيب وعروة والشعبي وعبيد الله بن عبد الله ونافع بن جبير وأبو المليح والقاسم بن محمد وأبو مجلز ومكحول ومالك بن عون وسعيد بن أبي عروبة يرون القراءة وكان أنس وعبد الله بن يزيد الأنصاري يسبحان خلف الإمام .
৪৬। সাঈদ বিন মুসাইয়িব, 'উরওয়াহ, শাবী, 'উবাইদুল্লাহ বিন 'আবদুল্লাহ, নাফি' বিন জুবাইর, আবূ মালীহ, ক্বাসিম বিন মুহাম্মাদ, আবূ মুজাল্লিয, মাকহুল, মালেক বিন 'আওন এবং সা'ঈদ বিন আবূ আরুবাহ এরা সকলেই কিরাআত পাঠ করার পক্ষে অভিমত পোষণ করতেন। আনাস এবং 'আবদুল্লাহ বিন ইয়াযিদ আল-আনসারী, উভয়ই ইমামের পিছনে তাসবীহ পাঠ করতেন।
٤٧ - وَرَوي سُفْيَانُ بْنُ حُسَيْنٍ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ مُوْلًى جَابِرِينَ عَبْدٍ اللَّهِ قَالَ لِي جَابِرُ بْنُ عَبْدِ اللهِ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ اقْرَأْ فِي وَالْعَصْرِ خَلْفَ الإمام وروي سفيان بن حسين وقال ابن الزبير مثله.
৪৭। সুফইয়ান বিন হুসাইন বর্ণনা করেন যুহরী হতে, তিনি জাবির বিন 'আবদুল্লাহ্ আযাদকৃত গোলাম হতে, তিনি বলেন: জাবির বিন 'আবদুল্লাহ (রাযিঃ) আমাকে বলেছেন: যুহর এবং 'আসরে ইমামের পিছনে পাঠ কর। সুফইয়ান বিন হুসাইন বর্ণনা করেন ইবনু জুবাইরও অনুরূপ বলেছেন।
৪৮ - وَقَالَ لَنَا أَبُو نَعِيمٍ حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ أَبِي الْحَسَنَاءِ حَدَّثَنَا أَبُو الْعَالِيَةِ فَسَأَلْتُ ابْنُ عُمَرَ بِمَكَّةَ أَقْرَأْ فِي الصَّلَاةِ ؟ قَالَ إِنِّي لَأَسْتَحِي مِنْ رَّبِّ هذه البنية أنْ أُصَلِّي صَلَاةَ لَا أَقْرَأْ فِيهَا بِأَمِّ الْكِتَابِ .
৪৮। আমাদেরকে আবু নাঈম বলেছেন, তিনি বলেন: আমাদেরকে হাসান বিন আবুল হাস্না হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদেরকে আবুল আলিয়া হাদীস বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আমি ইবনু 'উমারকে মাক্কাহয় জিজ্ঞেস করেছি সলাতে কিরাআত করব কি? তিনি বলেছেন: আমার প্রভুর নিকট এ স্বভাবের ব্যাপারে অধিক লজ্জা বোধ করি যে, আমি সলাত আদায় করব অথচ তাতে কিরাআত করব না, বিশেষ করে যদি তা উম্মুল কিতাব হয়।
٤٩ - (وَقَالَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَعْدِ الرَّازِي أَخْبَرْنَا أَبُو جَعْفَر عَنْ يَحْيَى الْبُكَاءِ سُئِلَ بْنُ عُمَرَ عَنِ الْقِرَاءَةِ خَلْفَ الْإِمَامِ فَقَالَ : مَا كَانُوا يَرَوْنَ بَأْسًا أَنْ يَقْرَأْ بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ فِي نَفْسِهِ .
৪৯। 'আবদুর রহমান বিন 'আবদুল্লাহ... ইয়াইইয়া আল বুকা বর্ণনা করেন: ইবনু 'উমারকে ইমামের পিছনে কিরাআত পাঠ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন: তাঁরা মনে মনে ফাতিহাতুল কিতাব পড়াকে দূষণীয় মনে করতেন না।
৫০ - ( وقال الزهري عن سالم بن عبد الله بن عمر ينصت للإمام فيها جهر .
৫০। যুহুরী সালিম বিন 'আবদুল্লাহ বিন 'উমার থেকে বর্ণনা করে বলেন: সালেম জেহরী (সলাত) অবস্থায় ইমামের জন্য চুপ থাকতেন।
٥١ - حدثنا محمود حدثنا البخاري قال : وقال لنا محمد بن يوسف حدثنا سفيان عن سليمان الشيباني عن جواب التميمي عن يَزِيدَ بْنِ شَرِيكَ قَالَ سَأَلَتُ عُمَرَ بْنَ الْخَطَابِ أَقْرَأْ خَلْفَ الْإِمَامِ قَالَ نَعَمْ قُلْتُ وَإِنْ قَرَأْتَ يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ قَالَ وَإِنْ قَرَأْتُ .
৫১। মাহমূদ ইয়াযিদ বিন শরীক বর্ণনা করে বলেন: আমি 'উমার বিন খাত্তাবকে জিজ্ঞেস করলাম ইমামের পিছনে পড়ব কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ পড়বে। আমি বললাম, হে আমীরুল মু'মিনীন! আপনি যদি পাঠ করেন (ইমাম অবস্থায়)? তিনি বললেন: যদিও আমি পাঠ করি তবুও পড়তে হবে।
٥٢ - حَدَّثَنَا مَحْمُودٌ حَدَّثَنَا الْبُخَارِيُّ قَالَ : حَدَّثَنَا مَالِكُ bْنُ إِسْمَعِيلَ قَالَ حَدَّثَنَا زِيَادُ الْبُكَانِي عَنْ أَبِي فَرْوَةَ عَنْ أَبِي الْمُغْيْرَةَ عَنْ أَبَيِّ بْنِ كَعْبٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ أَنَّهُ يَقْرَأَ خَلْفَ الْإِمَامِ .
৫২। মাহমূদ আবূ মুগীরাহ উবাই বিন কা'ব (রাযিঃ) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি (উবাই বিন কা'ব) ইমামের পিছনে কিরাআত পড়তেন।
٥٣ - حَدَّثَنَا مَحْمُودٌ قَالَ قَالَ الْبُخَارِيُّ وَقَالَ لِي عُبَيْدُ اللَّهِ حَدَّثَنَا إِسْحَقُ بْنُ سُلَيْمَانَ عَنْ أَبِي سِنَانٍ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْهُذَيْلِ قَالَ قُلْتُ لِأَبَيَّ بْنَ كَعْبٍ أَقْرَأْ خَلْفَ الْإِمَامِ قَالَ نَعَمْ .
৫৩। মাহমূদ আবূ সিনান 'আবদুল্লাহ বিন হুযাইল থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন: আমি উবাই বিন কা'বকে বললাম ইমামের পিছনে পাঠ করব কি? তিনি বললেন: হ্যাঁ, পাঠ কর।
٥٤ - حدثنا محمود قال حدثنا البخاري قال : وقال لنا ادم حدثنا شعبة حدثنا سفيان بن حسين سمعت الزهري عن ابن ابي رافع عَنْ عَلي بنِ طَالِبٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ أَنَّهُ كَانَ يَأْمُرُ وَيُحِبُّ أَنْ يَقْرَأُ خَلْفَ الْإِمَامِ فِي الظَّهْرِ وَالْعَصْرِ بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ وَسُوْرَةٌ سُوْرَةٌ وَفِي الْآخِرِيْنِ بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ .
৫৪। মাহমূদ ....... 'আলী বিন আবূ তালিব (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি যহুরে এবং আসরে ইমামের পিছনে ফাতিহাতুল কিতাবও একটি সূরা পড়তে নির্দেশ দিতেন এবং পছন্দ করতেন আর শেষ দু' রাক'আতে শুধু ফাতিহাতুল কিতাব পড়তে নির্দেশ দিতেন ও পছন্দ করতেন।
٥٥ - حَدَّثَنَا مَحْمُودٌ قَالَ حَدَّثَنَا الْبُخَارِيُّ قَالَ : وَقَالَ لَنَا اسْمَعِيلُ بْنُ آبَانَ حَدَّثَنَا شَرِيكَ عَنْ أَشْعَثِ بْنِ أَبِي الشَّعَشَنَاءِ عَنْ أَبِي مَرْيَمَ سَمِعْتُ ابْنَ مَسْعُودٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ يَقْرَأَ خَلْفَ الْإِمَامِ .
৫৫। মাহমূদ ....... আবূ মারইয়াম হতে বর্ণিত। তিনি বলেন: আমি ইবনু মাস'উদকে ইমামের পিছনে কিরাআত পাঠ করতে শুনেছি।
٥٦ - حَدَّثَنَا مَحْمُودٌ قَالَ حَدَّثَنَا قَالَ حَدَّثَنَا الْبُخَارِيُّ قَالَ : وَقَالَ لَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ عَنْ سُفْيَانَ وَقَالَ حُذَيْفَةٌ يَقْرَأ
৫৬। মাহমূদ ....... সুফিয়ান হতে বর্ণিত। হুযায়ফা বলেন: তিনি ইমামের পিছনে পাঠ করতেন।
٥٧ - حَدَّثَنَا مَحَمُودٌ قَالَ : حَدَّثَنَا الْبُخَارِيُّ قَالَ : وَقَالَ لَنَا مُسَدَّدٌ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ عَنِ الْعَوَّامِ بْنِ حَمْزَةَ الْمَازَنِي حَدَّثَنَا أَبُو نَضْرَةَ قَالَ : سَأَلَتُ أَبَا سَعِيدٍ عَنِ الْقِرَاءَةِ خَلْفَ الإِمَا فَقَالَ فَاتِحَةِ الْكِتَابِ .
৫৭। মাহমূদ ....... আবু নাফ্রা হাদীস বর্ণনা করে বলেন: আমি আবূ সা'ঈদ খুদরীকে ইমামের পিছনে পাঠ করা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম, তিনি বললেন: ফাতিহাতুল কিতাব পড়তে হবে।
٥٨ - (وَقَالَ ابْنُ عُلَيْةَ) عَنْ لَيْثٍ عَنْ مُجَاهِدٍ إِذَا نُسِيَ فَاتِحَةُ الْكِتَابِ لَا تَعْدُ تِلْكَ الرَّكْعَةَ .
৫৮। ইবনু ইলাইয়া বলেন: লাইস মুজাহিদ হতে বর্ণনা করেছেন, যখন ফাতিহাতুল কিতাব পড়তে ভুলে যাবে তখন ঐ রাক'আত পুনরায় পড়বে না।
٥٩ - حدثنا محمود قال البخاري قال حدثنا عبد الله بن منير سمع یزید ابن هرون قال حدثنا زياد وهو الجصاص قال حدثنا الحسن قال حدثني عمران ابن حصين قال : لَا تُرْكُو صَلَاةَ مُسْلِمٍ إِلَّا بِطَهُورٍ وَرُكُوعِ وَسُجُودِ وَرَاءَ الْإِمَامِ وَإِنْ كَانَ وَحْدَهُ بُفَاتِحَةِ الْكِتَابِ وَآيَتَيْنِ وَثَلَاثَ .
৫৯। মাহমূদ ........... "ইমরান বিন হুসাইন হাদীস বর্ণনা করে বলেন: পবিত্রতা ব্যতীত ইমামের পিছনে কোন মুসলিমের সলাত, রুকূ', সাজদাহ বিশুদ্ধ হবে না। আর যদি সে একা হয়, তাহলে ফাতিহাতুল কিতাব এবং দু' কিংবা তিন আয়াত ব্যতীত সলাত বিশুদ্ধ হবে না।
٦٠ - حَدَّثَنَا مَحْمُودٌ قَالَ حَدَّثَنَا الْبُخَارِيُّ قَالَ : وَقَالَ لَنَا ابْنُ سَيَفْ حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ قَالَ حَدَّثَنَا حُصَيْنُ عَنْ مُجَاهِدٍ سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو يَقْرَأُ خَلْفَ الْإِمَامِ .
৬০। মাহমূদ ........... মুজাহিদ হতে বর্ণিত। আমি 'আবদুল্লাহ বিন আমরকে ইমামের পিছনে কিরাআত পাঠ করতে শুনেছি।
٦١ - ( وقال حجاج) حدثنا حماد عن يحيى بن أبي اسحق عن عمر ابن أبي سجيم البهزي عن عبد الله بن مغفل انه كان يقرأ في الظهر والعصر خلف الإمام في الأوليي بفاتحة الكتاب وسورتين وفي الأخريين بفاتحة الكتاب .
৬১। হাজ্জাজ বলেছেন.......... 'আবদুল্লাহ বিন মুগাফ্ফাল থেকে বর্ণিত। তিনি যুহর ও 'আসরে ইমামের পিছনে প্রথম দু' রাক'আতে ফাতিহাতুল কিতাব এবং দু'টি সূরা পাঠ করতেন। শেষের দু' রাক'আতে শুধু ফাতিহাতুল কিতাব পাঠ করতেন।
٦٢ - حدثنا محمود قال حدثنا البخاري قال حدثنا عبد الله بن منير سمع يزيد بن هرون حدثنا محمد بن اسحق عن يحي بن عباد بن عبد الله بن زبير عن أبيه عن عائشة رضي الله عنها قالت سمعت رسول الله ﷺ يقول : «مَنْ صَلاةَ لَمْ يَقْرَأُ فِيهَا بِأَمِّ الْقُرْآنِ فَهِيَ خِدَاجٌ ثُمَّ هي خداج »
৬২। মাহমূদ 'আয়িশাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন: আমি রসূলুল্লাহ -কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি সলাত পড়ল অথচ তাতে উম্মুল কুরআন পাঠ করল না, তার ঐ সলাত ত্রুটিপূর্ণ (অসম্পূর্ণ) অতঃপর অসম্পূর্ণ।
٦٣ - حدثنا محمود قال حدثنا البخاري قال حدثنا شجاع بن الوليد قال حدثنا النضر قال حدثنا عكرمة قال حدثني عمرو بن سعد عن عمرو بن شعيب عن أبيه عن جده قال قال رسول الله ﷺ : « تقرؤون خَلْفِي ؟» قَالُوا : نَعَمْ إِنَّا لَنَهْدُ هُذَا قَالَ : « فَلَا تَفْعَلُوا إِلَّا بِأَمِّ الْقُرْآنِ» .
৬৩। মাহমুদ... আমর বিন শু'আইব হতে বর্ণিত। তিনি তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন: তিনি তাঁর দাদা হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রসূলুল্লাহ বলেছেন: তোমরা কি আমার পিছনে কিরাআত পাঠ কর? সহাবাগণ বললেন: হ্যাঁ, আমরা খুব তাড়াহুড়া করে পাঠ করে থাকি, অতঃপর নাবী বললেন: তোমরা উম্মুল কুরআন পাঠ করা ব্যতীত কিছুই কর না।
٦٤ - حدثنا محمود قال حدثنا البخاري قال حدثنا احمد بن خالد قال حدثنا محمد بن اسحق عن مكحول عن محمود بن الربيع عن عبادة بن الصامت رضي الله عنه قال : صلَّى النَّبِيُّ ﷺ صَلَاةٌ جَهَرَ فِيهَا فَقَرَا رَجُلٌ خَلْفَهُ فَقَالَ لَا يَقْرَأَنَّ أَحَدُكُمْ وَالْإِمَامُ يَقْرَأَ إِلَّا بِأَمِّ الْقُرْآنِ .
৬৪। মাহমূদ 'উবাদাহ বিন সামিত (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন: নাবী সলাত আদায় করালেন, তাতে তিনি কিরাআত জোরে পাঠ করলেন। আর তাঁর পিছনে এক ব্যক্তি কিরাআত পাঠ করল। অতঃপর নাবী বললেন: তোমাদের মধ্যে কেউ যেন ইমাম কিরাআত করা অবস্থায় উম্মুল কুরআন ব্যতীত অন্য কোন কিরাআত না করে।
٦٥ - حدثنا محمود قال : حدثنا البخاري قال : حدثنا صدقة بن خالد حدثنا زيد بن واقد عن حزام بن حكيم ومكحول عن ربيعة الأنصاري عَنْ عُبَادَةَ بْنِ الصَّامِتِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ ، وَكَانَ عَلَى إِبْلِيَاءِ فَأَبْطَا عُبَدَةَ عَنْ صَلَاةِ الصُّبْحِ فَأَقَامَ أَبُوا نُعِيمَ الصَّلَاةَ وَكَانَ أَوَّلُ مَنْ أَذَنَّ بِبَيْتِ الْمَقْدَسِ فَجِئْتُ مَعَ عُبَادَةَ حَتَّى صَفَّ النَّاسُ ، وَأَبُو نُعِيمٍ يَجْهَرُ بِالْقِرَاءَةَ فَقَرَا عِبَادَةُ بِأَمِّ الْقُرْآنِ حَتَّى فَهِمْتُهَا مِنْهُ فَلَمَّا انْصَرَفَ قُلْتُ سَمِعْتُكَ تَقْرَأُ بِأَمِّ الْقُرْآنِ فَقَالَ نَعَمْ ، صَلَّى بِنَا النَّبِيُّ ﷺ بَعْضَ الصَّلَوَاتِ الَّتِي يَجْهَرُ فِيهَا بِالْقُرْآنِ فَقَالَ : «لَا يَقْرَأَنَّ أَحَدُكُمْ إِذَا جَهَرَ بِالْقِرَاءَةِ إِلَّا الْقُرْآنِ» .
৬৫। মাহমূদ .......... 'উবাদাহ বিন সামিত হতে বর্ণিত। তিনি তখন ইলইয়া নামক স্থানে ছিলেন।
'উবাদাহ ফজরের সলাতে যেতে বিলম্ব করেন। আবূ নাঈম সলাত পড়াতে দাঁড়ালেন। তিনি বাইতুল মুক্কাদাসে প্রথম আযান দিয়েছিলেন। (রাবী রবীয়া আল-আনসারী বলেন) আমি 'উবাদাহ বিন সামিত এর সাথে গেলাম, এমন কি লোকেরা কাতারবন্দী হলো। আবু নাঈম উচ্চৈঃস্বরে কিরাআত পড়ছিলেন। 'উবাদাহ উম্মুল কুরআন পড়তে ছিলেন আমি তা বুঝতে পারছিলাম। যখন সালাম ফিরালেন, তখন আমি তাঁকে বললাম আপনাকে আমি উম্মুল কুরআন পাঠ করতে শুনলাম, তিনি বললেন: হ্যাঁ আমি উম্মুল কুরআন পাঠ করেছি।
আমাদেরকে নাবী কোন সলাত পড়ালেন যে সলাতে তিনি উচ্চৈঃস্বরে কুরআন পাঠ করলেন। অতঃপর বললেনঃ তোমাদের কেউ যেন (ইমামের) উচ্চৈঃস্বরে কিরাআত পাঠ অবস্থায় উম্মুল কুরআন ব্যতীত কোন কিরাআত না করে।
٦٦ - حدثنا محمود قال حدثنا البخاري قال حدثنا عتبة بن سعيد عن إسمعيل عن الأوزاعي عن عمرو بن شعيب عن أبيه عن جده عن عبادة بن الصامت رضي الله عنه قال قال النبي ﷺ لأصحابه : تَقْرَؤُونَ الْقُرْآنَ إِذَا كُنْتُمْ مَعِي فِي الصَّلَاةِ؟» قَالُوا نَعَمْ يَا رَسُولَ اللَّهِ نَهْدُ هذا قَالَ : « فَلَا تَفْعَلُوا بِأَمِّ الْقُرْآنِ » .
৬৬। মাহমূদ .......... 'উবাদাহ বিন সামিত (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন: নাবী তাঁর সহাবাদেরকে বলেছেন: তোমরা যখন আমার সাথে সলাতে থাকো, তখন কি তোমরা কুরআন পাঠ করে থাকো? সহাবাগণ বললেন : হ্যাঁ, হে আল্লাহর রসূল! আমরা তা তাড়াহুড়া করে পড়ে থাকি, নাবী বললেন: তোমরা উম্মুল কুরআন (ফাতিহা) পাঠ করা ব্যতীত কিছুই পড়ো না।
٦٧ - حدثنا البخاري قال حدثنا عبدان قال : حدثنا يزيد بن زريع قال : حدثنا خالد عن أبي قلابة عن محمد بن أبي عائشة عمن شهد ذلك قال : صلى النبي الله فما قضى صلاته قال : «أَتَقْرَؤُونَ وَالْإِمَامُ يَقْرَأُ » قَالُوا إِنَّا لَنَفْعَلُ قَالَ : « فَلَا تَفْعَلُوا إِلَّا أَنْ يُقْرَأَ أَحَدُكُمْ بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ فِي نَفْسِهِ» .
৬৭। ইমাম বুখারী হাদীস বর্ণনা করেন মুহাম্মাদ বিন আবূ 'আয়িশাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। যিনি ঐ ব্যাপারে উপস্থিত ছিলেন, তিনি তার থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: নাবী সলাত পড়ালেন, যখন তাঁর সলাত পূর্ণ করলেন তখন বললেন: তোমরা কি ইমাম কিরাআত করা অবস্থায় কিছু পাঠ করে থাকো? সহাবাগণ (রাযিঃ) বললেন: হ্যাঁ আমরা করে থাকি। নাবী বললেন: তোমাদের কেউ ফাতিহাতুল কিতাব মনে মনে পড়া ব্যতীত অন্য কিছু করবে না।
٦٨ - حدثنا محمود قال : حدثنا البخاري قال حدثنا يحي بن صالح قال حدثنا فليح عن هلال عن عطاء بن يسار عن معاوية بن الحكم السلمى رضي الله عنه قال : دَعَانِي النَّبِيُّ ﷺ فَقَالَ : «إِنَّمَا الصَّلَاةَ لقِرَاءَةِ الْقُرْآنِ وَلِذِكْرِ اللهِ وَلِحَاجَةِ الْمَرْءِ إِلَى رَبِّهِ فَإِذَا كنت فيها فليكن ذلك شأنك » .
৬৮। মাহমূদ মু'আবিয়াহ বিন হাকাম আস-সালামী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন: আমাকে নাবী ডেকে বললেন: সলাত হলো কুরআন তিলাওয়াত করার জন্য এবং আল্লাহর স্মরণের জন্য এবং মানুষের প্রয়োজন তার প্রভুর নিকট পেশ করার জন্য। তুমি যখন সলাত অবস্থায় থাকবে তখন ওটাই হবে তোমার কাজ।
٦٩ - حدثنا محمود قال حدثنا البخاري قال حدثنا موسى قال حدثنا ابان قال حدثنا يحي بن هلال بن ابي ميمون حدثه ان عطاء بن يسار حدثه أن معاوية بن الحكم حدثه قال صليت مع النبي ﷺ فقال : «إن هذه الصَّلَاةَ لَا يَصْلِحُ فِيهَا شَيْءٌ مِّنْ كَلَامِ النَّاسِ إِنَّمَا هِيَ التَّكْبِيرُ وَالتَّسْبِيحُ وَالتَّحْمِيدُ وَقِرَاءَةُ الْقُرْآنِ ، أَوْ كَمَا قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ
৬৯। মাহমূদ 'আত্বা বিন ইয়াসার হাদীস বর্ণনা করেন মু'আবিয়াহ বিন হাকাম হতে, তিনি বলেন: আমি নাবী-এর সাথে সলাত আদায় করেছি, তিনি বলেছেন: সলাতের মধ্যে মানুষের কথা সলাতকে বিশুদ্ধ করবে না বরং সলাত হলো তাকবীর, তাসবীহ, তাহমীদ এবং কুরআন পাঠ। অথবা নাবী যেরূপ বলেছেন।
۷۰ - حدثنا محمود قال حدثنا البخاري قال حدثنا مسدد قال حدثنا يحي عن الحجاج الصواف قال : حدثنا يحي بن هلال عن عطاء بن يسار عن معاوية بن الحكم رضي الله عنه قال : صَلَّيْتُ مَعَ النَّبِيِّ ﷺ فَعَطَسَ رَجُلٌ فَقُلْتُ يَرْحَمُكَ اللهُ فَرَمَانِي الْقَوْمُ بِأَبْصَارِهِمْ فَقُلْتُ وَانْكَلَ أَمَّاهُ مَا شَأْنِي ؟ فَجَعَلُوا يَضْرِبُونَ بِأَيْدِيهِمْ عَلَى أَفْخَاذِهِمْ فَعَرَفْتُ أَنَّهُمْ يَصْمُتُونِي فَلَمَّا صَلَّى بِأَبِي وَأَمِّي مَا ضَرَبَنِي وَلَا كَهْرَنِي وَلَا سَبَّنِي فَقَالَ : «إِنَّ الصَّلَاةَ لَا يَحِلُّ فِيهَا شَيْءٌ مِنْ كَلَامِ النَّاسِ إِنَّمَا هِيَ التَّسْبِيحُ والتَّكْبِيرُ وَقِراءَةُ الْقُرْآنِ» . وكما قال : قلت : أنا حديث عهد بجاهلية ومنا قوم يأتون الكهان قال : فلا تأتوها » قلت : ويتطيرون قال : « ذاك شيء يجدونه في صدورهم فلا يصدونهم» ، قلت ويخطون قال : «كان نبي يخط فمن وافق فاذا خطه فذاك قلت : جارية ترعى غنما لي قبل احد والجوانية اذا طلعت فاذا الذئب قد ذهب بشاة وأنا رجل من بني ادم اسف كما يأسفون صككتها صكة ، فعظم على النبي ﷺ فقلت ألا أعتقها ؟ فقال «اءتني بها » فجئت بها فقال : «اين الله؟» قالت في السماء ، قال : « من أنا؟ » قالت انت رسول الله ، قال «أعتقها فإنها مؤمنة».
৭০। মাহমূদ মু'আবিয়াহ বিন হাকাম (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন: আমি নাবী-এর সাথে সালাত পড়েছি। এক ব্যক্তি হাঁচি দিল আর আমি বললাম (يَرْحَمُكَ الله) | আল্লাহ তোমার প্রতি অনুগ্রহ করুন]। আর লোকেরা তাঁদের চোখ দ্বারা আমার প্রতি দৃষ্টি নিক্ষেপ করল। আমি বললামঃ তার মা, সন্তান হারা হোক! আমার কী হয়েছে?
অতঃপর তাঁরা তাঁদের হাত দ্বারা তাঁদের রানের উপর মারতে লাগল। আর আমি তখন বুঝতে পারলাম যে, তাঁরা আমাকে চুপ করাতে চাচ্ছে। অতঃপর যখন তিনি (নাবী) আমার পিতা ও মাতার সাথে সলাত পড়ালেন, আমাকে তিনি প্রহার করলেন না। আমার প্রতি ঠাট্টা ও বিদ্রূপও করলেন না আমাকে গালিও দিলেন না। তিনি (নাবী) বললেন: নিশ্চয় সলাত এমন ইবাদত, যার মধ্যে লোকদের কোন কথা বার্তা বৈধ নয়। সালাত হলো তাসবীহ, তাকবীর ও কুরআন তিলাওয়াতের জন্য। অথবা তিনি যেমন বলেছেন। আমি বললাম: আমি জাহিলী যুগের নিকটবর্তী ছিলাম অর্থাৎ নব মুসলিম ছিলাম। আর আমাদের মধ্যে এমন ব্যক্তিরা আছে, যারা গণকের নিকট যায়। নাবী বললেন: (তোমরা গণকের নিকট যেও না)
আমি বললাম: তাঁরা পাখী উড়ায় (ভাল-মন্দ নিরীক্ষণের জন্য)। তিনি বললেন: এটা এমন বিষয় যা তারা তাদের অন্তরের মধ্যে বদ্ধমূল করে নিয়েছে। ফলে তা থেকে বিরত থাকে না। আমি বললামঃ এবং তারা রেখা বা দাগ টানে। তিনি বললেন: নাবীরাও রেখা টানতেন যার রেখা তাঁদের রেখার অনুযায়ী হবে, তবে তার দাগ টানা ওটার মতই হলো। আমি বললাম: একটি দাসী উহুদ ও জায়ানিয়ার পার্শ্বে আমার বকরী চরাত। হঠাৎ করে বাঘ এসে একটি বকরী নিয়ে চলে গেল। আর আমি বানী আদমের একজন আফসোসকারী ব্যক্তি। যেমন তারা আফসুস করে। আমি তাকে (দাসীকে) একটি চড় মারলাম। এটা নাবী -এর নিকট বড় অপরাধ বলে গণ্য হলো। অতঃপর আমি বললামঃ তবে কি আমি তাকে আযাদ করে দিব? তিনি বললেন: তাকে নিয়ে আস। আমি তাকে নিয়ে আসলাম। নাবী দাসীকে বললেন: আল্লাহ কোথায়? সে বলল আসমানে। নাবী বললেন: আমি কে? সে বলল আপনি আল্লাহর রসূল। নাবী বললেন: তাকে আযাদ করে দাও। কেননা, সে মু'মিনাহ।
۷۱ - حدثنا محمود حدثنا البخاري قال حدثنا علي قال حدثنا سفيان قال حدثنا العلاء بن عبد الرحمن بن يعقوب الحرقي عن ابيه عن أبي هريرة رضي الله عنه عن النبي ﷺ قال : «أَيُّمَا صَلَاةِ لَا يُقْرَأُ فِيهَا بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ فَهِيَ خِدَاجٌ فَهِيَ خِدَاةٌ فَهِيَ خِدَاجٍ ، قَالَ اللَّهُ تَعَالَى : قَسَمْتُ الصَّلَاةَ بَيْنِي وَبَيْنَ عَبْدِي وَلِعَبْدِي مَا سَأَلَنِي فَإِذَا قَالَ الْعَبْدُ الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ ﴾ قَالَ حَمَدَنِي عَبْدِي وَإِذَا قَالَ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ قَالَ مَجَّدَنِي عَبْدِي أَوْ أَثْنِي عَلَى عَبْدِي . ( قال سفيان انا أشك) وإذا قال مَالِكِ يَوْمِ الدِّينِ ) قال فوض إلى عبدي وإذا قال وإِيَّاكَ نَعْبُدُ وَإِيَّاكَ نَسْتَعِينَ ) قال فهذه بيني وبين عبدي فاذا قال اهدنا الصِّرَاطَ الْمُسْتَقِيمِ - صِرَاطَ الَّذِينَ أَنْعَمْتَ عَلَيْهِمْ غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلا الضَّالِّينَ ﴾ قَالَ : هَذِهِ لِعَبْدِي وَلِعَبْدِي مَا سَأَلَ» . قال سفيان ذهبت الى المدينة سنة سبع وعشرين فكان هذا الحديث من اهم الاحاديث إلى فرحا بأنه الحسن بن عمارة عن العلاء فقدمت مكة في الموسم فجعلت اسأل عنه فأتيت سوق العلف فإذا انا بشيخ يعلف جملا له نوى، فقلت يرحمك الله تعرف العلاء بن عبد الرحمن قال هو أبي وهو مريض ، فلم القه حتى مررت بالمدينة فسألت عنه فقال هو في البيت مريض ، فدخلت عليه فسألته عن هذا الحديث قال علي : أرى العلاء مات سنة ثنتين وثلاثين .
৭১। মাহমূদ ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি নাবী থেকে বলেছেন: যে সলাতে ফাতিহাতুল কিতাব পাঠ করা হয় না, সেটা অসম্পূর্ণ, সেটা অসম্পূর্ণ, সেটা অসম্পূর্ণ।
মহান আল্লাহ বলেছেন: আমি সলাতকে আমার এবং আমার বান্দার মধ্যে ভাগ করে দিয়েছি। আর বান্দার জন্য হলো তাই যা সে আমার নিকটে চায়। বান্দা যখন বলে ﴾ الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ﴿ আল্লাহ বলেন: আমার বান্দা আমার প্রশংসা করল। বান্দা যখন বলে ﴾الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِ﴿ আল্লাহ বলেন: আমার বান্দা আমার মহিমা বর্ণনা করল, অথবা আমার বান্দা আমার গুণগান করল। [সুফিয়ান বলেন আমি সন্দেহ করছি]। বান্দা যখন বলে ﴿مٰلِكِ يَوْمِ الدِّيْنِ﴾ আল্লাহ বলেন: আমার বান্দা আমার নিকট সবকিছু ন্যস্ত করল। বান্দা যখন বলে ﴿اِيَّاكَ نَعْبُدُ وَاِيَّاكَ نَسْتَعِيْنُ﴾ আল্লাহ বলেন: এটা হলো আমার এবং আমার বান্দার মাঝে সমান সমান। বান্দা যখন বলে ﴿اِهْدِنَا الصِّرَاطَ﴾ ﴿وَلَا الضَّالِّيْنَ﴾ আল্লাহ বলেন: এটা হলো আমার বান্দার জন্য। আর আমার বান্দা যা চায় তা তার জন্য।
সুফ্ইয়ান বলেন: ২৭ হিজরী সালে আমি মাদীনাহয় গেলাম। অতঃপর এ হাদীসটি আমার কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও আনন্দের হলো। কেননা, হাসান বিন আম্মারা, আ’লা হতে এ হাদীস বর্ণনা করেন। অতঃপর আমি মৌসুমের সময় মক্কায় গেলাম এবং তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম। অতঃপর আমি পশু খাদ্যের বাজারে আসলাম। হঠাৎ এক বৃদ্ধের সাথে সাক্ষাৎ হলো, তিনি দূরত্বে থেকে তাঁর উটকে খাদ্য খাওয়াচ্ছিলেন। আমি বললাম আল্লাহ আপনাকে রহম করুন। আ’লা বিন ‘আবদুর রহমানকে চিনেন? তিনি বললেন: তিনি হলেন আমার পিতা, তিনি অসুস্থ। আমি তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করতে পারিনি। এমনকি আমি মাদীনাহয় আসলাম। অতঃপর তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন: তিনি বাড়ীতে অসুস্থ। আমি তাঁর বাড়ীতে প্রবেশ করলাম এবং এ হাদীস সম্পর্কে তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম। ‘আলী বলেছেন: আমার মতে আ’লাআ ৩২ সালে মৃত্যুবরণ করেন।
۷۲ - حدثنا محمود قال حدثنا البخارى قال حدثنا عبد الله بن مسلمة عن مالك عن العلاء بن عبد الرحمن انه سمع ابا السائب مولى هشام بن زهرة يقول : سمعت أبا هريرة رضي الله عنه يقول قال رسول الله ﷺ : « مَنْ صَلَّى صَلَاةً لَمْ يَقْرَأْ فِيهَا بِأُمِّ الْقُرْآنِ فَهِيَ خِدَاجٌ فَهِيَ خِدَاجٌ غَيْرُ تمام فقلت يا أبا هريرة فإنى أكون احيانا وراء الامام قال فغمز ذراعي ثم قال : اقرأ بها يا فارسي في نفسك فاني سمعت رسول الله ﷺ يقول : « قَالَ اللهُ تَعَالَى قَسَمْتُ الصَّلَاةَ بَيْنِي وَبَيْنَ عَبْدِي نِصْفَيْنِ فَنِصْفُهَا لِعَبْدِي وَلِعَبْدِي مَا سَأَلَ قَالَ رَسُولُ اللَّهُ ﷺ أَقْرَؤُوا يَقُولُ الْعَبْدُ الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ ﴾ يَقُولُ اللَّهُ حَمِدَنِي عَبْدِي يَقُولُ الْعَبْدُ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ ﴾ يَقُولُ اللَّهُ اثْنَى عَلَيَّ عَبْدِي يَقُولُ الْعَبْدُ مَالِكِ يَوْمِ الدِّينِ ﴾ يَقُولُ اللَّهُ مَجَدَنِي عَبْدِي يَقُولُ الْعَبْدُ وَإِيَّاكَ نَعْبُدُ وَإِيَّاكَ نَسْتَعِينَ فَهَذِهِ الْآيَةُ بَيْنِي وَبَيْنَ عَبْدِي وَلِعَبْدِي مَا سَأَلَ يَقُولُ الْعَبْدُ اهْدِنَا الصِّرَاطَ الْمُسْتَقِيم - صِرَاطَ الَّذِينَ أَنْعَمْتَ عَلَيْهِمْ غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلَا الضَّالِّينَ ﴾ فَهُوَ لَا لِعَبْدِي وَلِعَبْدِي مَا سَأَلَ .
৭২। মাহমূদ আলা বিন 'আবদুর রহমান হতে বর্ণিত। তিনি হিশাম বিন যাত্রার মাওলা আবূ সায়েব থেকে শুনেছেন। তিনি বলেন: আমি আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ)-কে বলতে শুনেছি। রসূলুল্লাহ বলেছেন: যে ব্যক্তি সলাত পড়ল অথচ তাতে উম্মুল কুরআন পাঠ করল না, তা হলো খিদাজ, তা হলো খিদাজ, অসম্পূর্ণ। আমি বললাম, হে আবূ হুরাইরাহ! আমি তো কখনো ইমামের পিছনে থাকি। রাবী বলেন: আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) তাঁর দু'বাহুকে প্রকাশিত করলেন। অতঃপর বললেন: হে ফারিসী! উম্মুল কুরআন মনে মনে পাঠ কর, কেননা আমি রসূল -কে বলতে শুনেছি। আল্লাহ বলেন: আমি সলাত-কে আমার এবং আমার বান্দার মধ্যে দু'ভাগ করেছি। অর্ধেক আমার এবং অর্ধেক আমার বান্দার জন্য এবং বান্দা যা চায় তা তার জন্য।"
রসূলুল্লাহ বলেন: তোমরা বেশী বেশী পাঠ কর, বান্দা বলে ﴾ الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ ﴿ আল্লাহ বলেন: আমার বান্দা আমার প্রশংসা করেছে। বান্দা বলে الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ ﴾ আল্লাহ বলেন: বান্দা আমার মহত্ব বর্ণনা করল। বান্দা যখন বলে مَالِكِ يَوْمِ الدِّينِ ﴾ আল্লাহ বলেন : বান্দা আমার বড়ত্ব প্রকাশ করল। বান্দা যখন বলে ﴾إِيَّاكَ نَعْبُدُ وَإِيَّاكَ نَسْتَعِينَ আল্লাহ বলেন: এ আয়াত আমার এবং বান্দার মধ্যে সমভাগ, আর বান্দা যা চায় তা তাঁর জন্য।
বান্দা যখন বলে اهْدِنَا الصِّرَاطَ .........﴿ وَلَا الضَّالِّينَ আল্লাহ বলেনঃ এগুলো হলো আমার বান্দার জন্য এবং বান্দা যা চায় তা তার জন্য।
۷۳- حدثنا محمود قال حدثنا البخاري قال حدثنا العباس قال حدثنا عبد الاعلى قال حدثنا محمد بن إسحق قال حدثنا العلاء بن عبد الرحمن بن يعقوب الحرقي عن أبي السائب مولي بني زهرة عن ابي هريرة رضى الله عنه قال قال النبي ﷺ : « م صَلَّى صَلَاةً لَا يَقْرَأُ فِيهَا بِأَمِّ الْكِتَابِ فَهِيَ خِدَاجٌ ثُمَّ هِيَ خِدَاجٌ غَيْرُ تَمَامٍ، ثَلَاثًا قُلْتُ يَا أَبَا هُرَيْرَةَ كَيْفَ أَصْنَعُ إِذَا كُنْتُ مَعَ الْإِمَامِ وَهُوَ يَجْهَرُ بِالْقِرَاءَةِ قَالَ وَيْلَكَ يَا فَارِسِي اقْرَابِهَا فِي نَفْسِكَ فَإِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ يَقُولُ : «إِنَّ اللَّهَ تَعَالَى قَالَ قَسَمْتُ الصَّلَاةَ بَيْنِي وَبَيْنَ عَبْدِي وَلِعَبْدِي مَا سَأَلَ ثُمَّ يَقُولُ أَبُو هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ : اقْرَؤُوا فَإِذَا قَالَ الْعَبْدُ الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ قال حمدني عبدي واذا قال الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ ﴾ قَالَ أَثنى علي عبدي وإذا قال مَالِكِ يَوْمِ الدِّينِ ) قال مجدني عبدي وإذا قال إِيَّاكَ نَعْبُدُ وَإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ - اهْدِنَا الصِّرَاطَ الْمُسْتَقِيمَ - صِرَاطَ الَّذِينَ أَنْعَمْتَ عَلَيْهِمْ غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلَا الضَّالِّينَ ﴾ فَهِيَ لَهُ .
৭১। মাহমুদ আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন: নাবী বলেছেন : যে ব্যক্তি সলাত পড়ল অথচ তাতে উম্মুল কিতাব পাঠ করল না, সেটা খেদাজ, সেটা খেদাজ, অসম্পূর্ণ, তিনবার বললেন।
(রাবী বলেন) আমি আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ)-কে বললাম: হে আবু হুরাইরাহ! যখন ইমামের উচ্চৈঃস্বরে কিরাআত পাঠ অবস্থায় থাকি তখন কী করব? তিনি বললেন! হে ফারিসী! তোমার খারাবী হোক। তুমি ফাতিহা মনে মনে পড়। কেননা, আমি রসূল -কে বলতে শুনেছিঃ “মহান আল্লাহ বলেছেন: আমি সলাতকে আমার এবং বান্দার মধ্যে ভাগ করেছি এবং আমার বান্দা যা চায় তা তার জন্য।”
অতঃপর আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) বলেনঃ তোমরা তা বেশী বেশী পড়। যখন বান্দা বলে: الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ আল্লাহ বলেন: আমার বান্দা আমার প্রশংসা করেছে। যখন বান্দা বলেন : ﴾ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ আল্লাহ বলেন : আমার বান্দা আমার মহিমা বর্ণনা করল।
যখন বান্দা বলে ﴾ مَالِكِ يَوْمِ الدِّينِ ﴿ আল্লাহ বলেন : আমার বান্দা আমার মহত্ত্ব বর্ণনা করল। যখন বান্দা বলেন : ﴾ إِيَّاكَ نَعْبُدُ وَلَا الضَّالِّينَ ﴿ এগুলো হলো বান্দার জন্য।
৭৪- হাদ্দাসানা মাহমূদ কাল হাদ্দাসানা আল বুখারী কাল হাদ্দাসানা মুহাম্মদ বিন আবি উবাইদ কাল হাদ্দাসানা ইবনু আবি হাযিম আন আল আলা বিন আব্দুর রহমান আন আবীহি আন আবি হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু কাল : (মান সাল্লা সালাতান লাম ইয়াকরা ফিহা বিউম্মিল কুরআন ফাহী খুদাজ) গাইরু তামাম ফাকুলতু ইয়া আবা হুরাইরা ইন্নি আকুন আহ ইয়ানা ওয়ারা আল ইমাম ফাগামাজ আবু হুরাইরা জিরায়ী ওয়াকাল ইয়া ইবনুল ফারিসি ইকরা বিহা ফি নাফসিকা ফান্নি সামিয়াতু রাসুলুল্লাহ ﷺ ইয়াকুল : « কাল আল্লাহু তায়ালা কাসামতু সালাতা বাইনি ওয়া বাইনা আবদী নিসফাইনি ফানিসফুহা লি ওয়া নিসফুহা ליআবদি ওয়া লিআবদি মা সাআল, কাল কাল রাসুলুল্লাহ ইকরাউ : ইয়াকুলুল আব্দ আলহামদু লিল্লাহি রাব্বিল আলামিন ﴾ ইয়াকুলুল আল্লাহু হামাদানি আবদি ওয়া লিআবদি মা সাআল ওয়া ইয়াকুল : ﴾ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ ﴿ ফায়াকুলু আছনা আলাইয়া আবদি ওয়া লিআবদি মা সাআল ওয়া ইয়াকুল মালীকি ইয়াউমিদ্দিন ﴾ ইয়াকুলুল আল্লাহু মাজ্দানি আবদি ওয়া ইয়াকুল : ﴾ إِيَّاكَ نَعْبُدُ وَإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ ﴿ হাজিহিল আয়াতু বাইনি ওয়া বাইনা আবদি নিসফাইনি ওয়া ইয়াকুল ইহদিনা সিরাতাল মুস্তাকিম - সিরাতাল্লাজিনা আন আমতা আলাইহিম গাইরিল মাগদুবি আলাইহিম ওয়ালাদ্দাললিন ﴾ ফাহাজি লিআবদি ওয়া লিআবদি মা সাআল।
৭৪। মাহমূদ........ আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন: যে ব্যক্তি সালাত পড়ল অথচ তাতে উম্মুল কুরআন পাঠ করল না তা খেদাজ, অসম্পূর্ণ। (রাবী বলেন) আমি বললাম, হে আবু হুরাইরাহ! আমি তো কখনও ইমামের পিছনে থাকি। আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) তাঁর দু'বাহুকে প্রকাশিত করেন এবং বলেনঃ হে ইবনু ফারেসী, তুমি ফাতিহা মনে মনে পাঠ কর। কেননা আমি রসূল-কে বলতে শুনেছি- মহান আল্লাহ বলেন : “আমি সলাতকে আমার এবং আমার বান্দার মধ্যে দু'ভাগে ভাগ করেছি। অর্ধেক আমার জন্য এবং অর্ধেক আমার বান্দার জন্য এবং বান্দা যা চায় তা তার জন্য।”
আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) বলেনঃ রসূল বলেছেনঃ তোমরা পড়। الْحَمْدُ للهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ বান্দা যখন বলে আল্লাহ বলেন : আমার বান্দা আমার প্রশংসা করল, বান্দা যা চায় তা তার জন্য। বান্দা যখন বলে : الرَّحْمٰنِ الرَّحِيمِ আল্লাহ বলেন: আমার বান্দা আমার মহিমা বর্ণনা করল। বান্দা যা চায় তা তার জন্য। বান্দা যখন বলে مَالِكِ يَوْمِ الدِّين আল্লাহ বলেন: আমার বান্দা আমার মহত্ব বর্ণনা করল, বান্দা যখন বলে إِيَّاكَ نَعْبُدُ وَإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ আল্লাহ বলেন: এ আয়াত আমার এবং আমার বান্দার জন্য সমভাগে। বান্দা যখন বলেঃ اهْدِنَا الصِّرَاطَ وَلَا الضَّالِّينَ আল্লাহ বলেন: এগুলো হলো আমার বান্দার জন্য এবং বান্দা যা চায় তা তার জন্য।
٧٥- حدثنا محمود قال حدثنا البخاري قال حدثنا عبد الرازق قال حدثنا ابن جريج قال اخبرني العلاء قال اخبرني ابو السائب مولى عبد الله بن هشام بن زهرة عن أبي هريرة رضي الله عنه بهذا
৭৫। মাহমূদ হাদীস বর্ণনা করে বলেন: ইমাম বুখারী (রহঃ) বলেনঃ আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে এরূপ হাদীস বর্ণিত আছে।
٧٦. حدثنا محمود قال حدثنا البخاري قال حدثنا قتيبة قال حدثنا إسمعيل عن العلاء عن أبيه عن النبي ﷺ قال : «مَنْ صَلَّى صَلَاةً لَمْ يَقْرَأْ فِيهَا بِأَمِّ الْقُرْآنِ فَهِيَ خِدَاجٌ فَهِيَ خِدَاجٌ غَيْرُ تَمَامٍ » .
৭৬। মাহমূদ 'আলা হতে বর্ণিত। তিনি তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন, তার পিতা নাবী হতে বর্ণনা করেন, নাবী বলেন: যে ব্যক্তি সলাত পড়ল অথচ তাতে উম্মুল কুরআন পাঠ করল না সেটা খেদাজ, সেটা খেদাজ অসম্পূর্ণ।
۷۷. حدثنا محمود قال حدثنا البخاري قال حدثنا أمية قال حدثنا يزيد ابن زريع عن روح بن القاسم عن العلاء عن أبيه عن ابي هريرة عن النبي ﷺ نحوه .
৭৭। মাহমূদ .................. আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি নাবী থেকে এরূপ হাদীসই বর্ণনা করেন।
۷۸. حدثنا محمود قال حدثنا البخاري قال حدثنا عبد العزيز بن عبد الله قال حدثنا الدراوردي عن العلاء عن أبيه عن أبي هريرة ان رسول الله ﷺ قال «مَنْ صَلَّى صَلَاةً لَمْ يَقْرَأُ فِيهَا بِأُمِّ الْقُرْآنِ فَهِيَ خِدَاجٌ فَهِيَ خِدَاجٌ غَيْرُ تَمَامٍ» فقلت لأبي هريرة : إني أكون احيانا وراء الامام فقال اقرأ بها يا فارسي في نفسك فاني سمعت رسول الله ﷺ يقول : قَالَ اللهُ تَعَالَى قَسَمْتُ الصَّلَاةَ بَيْنِي وَبَيْنَ عَبْدِي فَنِصْفُهَا لِي وَنِصْفُهَا لِعَبْدِي وَلِعَبْدِي مَا سَأَلَ» ويقرأ عبدِي الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ ) فيقول الله حمدني عبدي فيقول الرّحمنِ الرَّحِيمِ) فيقول الله أثنى علي عبدي فيقول مَالِكِ يَوْمِ الدِّينِ ) فيقول الله مجدني عبدي وهذه الآية بني وبين عبدي إِيَّاكَ نَعْبُدُ ... الى آخر السورة .
৭৮। মাহমূদ .................. আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত; রসূলুল্লাহ বলেছেন: যে ব্যক্তি সলাত পড়ল অথচ তাতে উম্মুল কুরআন পাঠ করল না সেটা অসম্পূর্ণ, সেটা অসম্পূর্ণ, অসম্পূর্ণ। ঊর্ধ্বতন রাবী বলেন: আমি আবু হুরাইরাহকে বললাম আমি তো কখনও ইমামের পিছনে থাকি।
অতঃপর আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) বলেনঃ হে ফারেসী! তখন মনে মনে তা পাঠ কর। কেননা, আমি রসূল-কে বলতে শুনেছি। মহান আল্লাহ বলেন: সলাতকে আমার এবং আমার বান্দার মধ্যে সমভাগ করেছি। অর্ধেক আমার জন্য এবং অর্ধেক আমার বান্দার জন্য এবং বান্দা যা চায় তা তার জন্য।
বান্দা যখন পড়ে ﴾الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ﴿ আল্লাহ বলেন: আমার বান্দা আমার প্রশংসা করল। বান্দা যখন বলে الرحمن الرحيم আল্লাহ বলেন: আমার বান্দা আমার মহিমা বর্ণনা করল। বান্দা যখন বলে: مالِكِ يَوْمِ الدِّين আল্লাহ বলেন : আমার বান্দা আমার মহত্ত্ব বর্ণনা করল এবং এ আয়াত আমার এবং আমার বান্দার মধ্যে... إياك نعبد সূরার শেষ পর্যন্ত।
۷۹ . حدثنا محمود قال حدثنا البخاري قال حدثنا عبد الله قال حدثنا سفيان عن العلاء، عن ابيه أو عمن سمع أبا هريرة قال النبي ﷺ : قَالَ اللهُ تَعَالَى قَسَمْتُ الصَّلَاةَ بَيْنِي وَبَيْنَ عَبْدِي... نحوه .
৭৯। মাহমূদ আলা হতে বর্ণিত। তিনি তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন। অথবা যিনি আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে শুনেছেন। নাবী বলেছেন: আল্লাহ তা'আলা বলেছেন সলাতকে আমার এবং আমার বান্দার মধ্যে ভাগ করে দিয়েছি..........।" শেষ পর্যন্ত অনুরূপ।
۸۰ . حدثنا محمود قال حدثنا البخاري قال عن العلاء عمن حدثه عن ابي هريرة ان النبي ﷺ قال : «أَيُّمَا صَلَاةٍ لَمْ يَقْرَأُ فِيهَا بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ فَهِيَ خِدَاجٌ » .
৮০। মাহমূদ আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। নাবী বলেছেন: যে কোন সলাত যাতে ফাতিহাতুল কিতাব পাঠ করা হয় না, তা অসম্পূর্ণ।
۸۱ . حدثنا محمود قال حدثنا البخاري قال حدثنا ابو نعيم سمع ابن عيينة عن الزهري عن محمود عن عبادة بن الصامت رضي الله عنه عن النبي ﷺ قال: «لا صَلَاةَ إِلَّا بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ» .
৮১। মাহমূদ 'উবাদাহ বিন সামিত (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি নাবী হতে বর্ণনা করেন, নাবী বলেছেন: ফাতিহাতুল কিতাব ব্যতীত কোন সলাত হয় না।
۸۲ . حدثنا محمود قال حدثنا البخاري قال حدثنا عمرو بن مرزوق قال حدثنا شعبة عن قتادة عن زرارة عن عمران حصين رضي الله عنه أَنَّ النَّبِيِّ ﷺ صَلَّى الظَّهْرَ بِأَصْحَابِهِ فَقَالَ : «أَيُّكُمْ قَرَأَ سَبِّحِ اسْمَ رَبِّكَ الْأَعْلَى : فَقَالَ رَجُلٌ أَنَا فَقَالَ رَسُولُ الله ﷺ : « قَدْ عَرَفْتُ أَنَّ رَجُلًا خَالَجَنِيهَا » : قَالَ شُعْبَةُ فَقُلْتُ لِقَتَادَةَ كَأَنَّهُ كَرِهَهُ؟ فَقَالَ لو كَرِهَهُ لَنَهَانَا عنه .
৮২। মাহমূদ ‘ইমরান বিন হুসাইন (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। নাবী তাঁর সহাবীদের নিয়ে যুহরের সলাত পড়লেন। অতঃপর বললেন : কে তোমাদের মধ্যে )سَبِّحِ اسْمَ رَبِّكَ الْأَعْلَى ( পাঠ করেছে? এক ব্যক্তি বলল আমি। রসূলুল্লাহ বললেন : আমি অবহিত যে এক ব্যক্তি ওটা দ্বারা আমাকে সংশয়ের মধ্যে ফেলে দিয়েছে। শু'বাহ বলেছেন: আমি ক্বাতাদাহকে বললাম ওটাতে কি তিনি অসন্তুষ্ট হয়েছেন? তিনি বললেন: যদি তিনি তাতে অসন্তুষ্ট হতেন, তাহলে তা হতে তিনি আমাদের নিষেধ করতেন।
٨٣. حدثنا محمود قال حدثنا البخاري قال حدثنا عبد الله بن يزيد عن بشر بن السري قال : حدثني معاوية عن أبي الزاهرية عن كثير بن مرة عن أبِي الدَّرْدَاءِ قَالَ قَامَ رَجُلٌ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَفِي كُلِّ صَلَاةٍ قِرَاءَةٌ؟ قَالَ « نَعَمْ» فَقَالَ رَجُلٌ مِنَ الْأَنْصَارِ : وَجَبَتْ .
৮৩। মাহমূদ আবুদ দারদা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন: এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বলল: হে আল্লাহর রসূল প্রত্যেক সলাতেই কি কিরাআত আছে? তিনি বললেন: হ্যাঁ, প্রত্যেক সলাতেই কিরাআত আছে। আনসারীদের এক ব্যক্তি বলল: ওয়াজিব হয়ে গেছে।
۱۸۳. حدثنا محمود قال حدثنا البخاري قال حدثنا عبد الله بن يوسف قال انبأنا مالك عن العلاء بن عبد الرحمن عن أبيه وعن إسحق بن عبد الله انهما اخبراه انهما سمعا أبا هريرة رضي الله عنه قال قال النبي ﷺ : « فَمَا أَدْرَكْتُمْ فَصَلُّوا وَمَا فَاتَكُمْ فَاقْضُوا » .
৮৩। (মূসা বিন উয়াইন বলেন) আমাকে মা'মার সংবাদ দিয়েছেন, তিনি যুহরী হতে, তিনি আবু সালামাহ হতে এককভাবে বর্ণনা করেন।
٨٤. حدثنا محمود قال حدثنا البخاري قال حدثنا قبيصة قال حدثنا سفيان عن جعفر ابي علي بياع الانماط عن أبي عثمان عَنْ أَبِي هُرَيْرَةً قَالَ أَمَرَنِي رَسُولُ اللهِ ﷺ أَنْ أُنَادِي : «لَا صَلَاةَ إِلَّا بِقِرَاءَةِ فَاتِحَةِ الْكِتَابِ فَمَا زَادَ » .
৮৪। মাহমূদ আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন: রসূলুল্লাহ আমাকে নির্দেশ দিয়েছেন যে, আমি যেন এ আহ্বান করি ফাতিহাতুল কিতাব কিরাআত পাঠ করা ব্যতীত সলাত হবে না। এরপর অতিরিক্ত যা কিছু।
৮৫. হাদ্দাসানা মাহমুদুন ক্বালা হাদ্দাসানাল বুখারী ক্বালা হাদ্দাসানা আমরু বিন আলী ক্বালা হাদ্দাসানা মুহাম্মাদ বিন আবি উদীয়্যিন আন মুহাম্মাদ বিন উমার আন আবদিল মালিক বিন আল মুগীরাহ আন আবী হুরাইরাতা রাদিয়াল্লাহু আনহু ক্বালা ক্বালা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুল্লু সালাতিন লা ইয়াকরাউ ফিহা বিউম্মিল কুরআনি ফাহিয়া খিদাজুন।
৮৫। মাহমূদ আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত; তিনি বলেন: রসূলুল্লাহ বলেছেন: প্রত্যেক সলাত যাতে উম্মুল কুরআন পাঠ করা হয় না, সে সলাত অসম্পূর্ণ।
৮৬. হাদ্দাসানা মাহমুদ ক্বালা হাদ্দাসানাল বুখারী ক্বালা হাদ্দাসানা মুসা বিন ইসমাঈল ক্বালা হাদ্দাসানা হাম্মাদ ক্বালা হাদ্দাসানা মুহাম্মাদ বিন উমর আন আবী সালামাতা আন আবী হুরাইরা ক্বওলাহু।
৮৬। মাহমূদ বলেন: আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তাঁর অনুরূপ কথা।
৮৭. হাদ্দাসানা মাহমুদ ক্বালা হাদ্দাসানাল বুখারী ক্বালা হাদ্দাসানা আবদান আন আবী হামযা আন আল আ'মাশ আন আবী সালিহ আন আবী হুরাইরাতা রাদিয়াল্লাহু আনহু ক্বালা ক্বালা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম: হাল ইয়ুহিব্বু আহাদুকুম ইযা আতা আহলাহু আই ইয়াজিদু ইন্দাহুম সালাসা খিলফাতিন ইযামান সিম্মানান, কুলনা নাআম ইয়া রাসুলাল্লাহ ক্বালা ফাসালাসু আয়াতিন ইয়াকরাউ বিহিন।
৮৭। মাহমুদ আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন: রসূলুল্লাহ বলেছেন: তোমাদের মধ্যে কেউ পছন্দ করবে কি যখন সে তার পরিবারের নিকট আসবে, তখন সে তাদের নিকট তিনটি মোটা হাড্ডি বিশিষ্ট গর্ভবতী উট পাবে?
আমরা বললাম, হ্যাঁ পছন্দ করব, হে আল্লাহর রসূল! রসূলুল্লাহ বললেন: তবে তিন আয়াত তাঁদের সাথে সে পড়বে।
টিকাঃ
* মুতাওয়াতির: যে সব হাদীসের সানাদে বর্ণনাকারীর সংখ্যা এত অধিক যে, তারা সকলে একযোগে কোন মিথ্যার উপর একমত হওয়া অসম্ভব। আর এ সংখ্যাধিক্যতা যদি সর্বস্তরে থাকে তবে তাকে মুতাওয়াতির হাদীস বলে।
১। মুরসাল: যে হাদীসের সনদের মধ্যে তাবেঈর পর বর্ণনা কারীর নাম বাদ পড়ে তাকে মুরসাল হাদীস বলে।
২। মুনকাতে': যে হাদীসের ধারাবাহিকতা রক্ষিত হয়নি মাঝখানের কোন একস্তরে কোন বর্ণনাকারীর নাম বাদ পড়েছে, তাকে মুনকাতে হাদীস বলে।
* সাক্তা: চুপ থাকাকে সাক্তা বলা হয়।
* হাদীসের সনদ উল্লেখ করাকে ইসনাদ বলে। হাদীস বর্ণনাকারীদের ধারাবাহিকতাকে সনদ বলে।
📄 অনুচ্ছেদ : ইমামের পিছনে ফাতিহাতুল কিতাব বা সূরা ফাতিহার অধিক পড়া যাবে কিনা
৮৮. حدثنا محمود قال حدثنا البخاري قال حدثنا سليمان بن حرب قال حدثنا شعبة عن قتادة عن زرارة بن أبي أوفي عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ أَنَّ رَجُلًا صَلَّى خَلْفَ رَسُولُ اللهِ ﷺ قَرَأَ سَبِّحِ اسْمَ رَبِّكَ الْأَعْلَى ﴾ فَلَمَّا فَرَغَ قَالَ: «أَيُّكُمُ الْقَادِي بِسَبِّحُ؟» فَقَالَ رَجُلٌ مِنَ الْقَوْمِ أَنَا فَقَالَ: «قَدْ عَرَفْتُ أَنْ بَعْضَكُمْ خَالَجَنِيهَا» .
৮৮। মাহমূদ 'ইমরান বিন হুসাইন (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ -এর পিছনে সলাত পড়লেন। তিনি রসূলুল্লাহ -এর পিছনে ﴾ سَبِّحِ اسْمَ رَبِّكَ الْأَعْلَى সূরা আ'লা পাঠ করলেন। রসূল সলাত শেষ করে বললেন: তোমাদের মধ্যে সাব্বিহ (সূরা আলা) পাঠকারী কে? তাদের এক ব্যক্তি বলল, আমি। রসূল বললেন: আমি জানতে পেরেছি তোমাদের মধ্যে কেউ ওটা দ্বারা আমাকে সংশয়ের মধ্যে ফেলে দিয়েছে।
۸۹ حدثنا محمود قال حدثنا البخاري قال حدثنا مسددة قال حدثنا أبو عوانة عن قتادة عن زرارة قال رأيت عمران بن حصين يلبس الخز
৮৯। মাহমূদ যুরারা হতে বর্ণিত; তিনি বলেন: আমি 'ইমরান বিন হুসাইনকে খায্য রেশমের কাপড় পরিধান করতে দেখেছি।
۹۰ حدثنا محمود قال حدثنا البخاري قال حدثنا موسى بن إسمعيل قال حدثنا قتادة عن زرارة عنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ قَالَ صَلَّى النبي ﷺ : «أَحْدَى صَلَاتِي الْعِشَاءِ فَقَالَ : أَيُّكُمْ قَرَا بِسَبِّحْ ، فَقَالَ رَجُلٌ أَنَا قَالَ : «قَدْ عَرَفْتُ أَنْ رَجُلًا خَالَجَنِيهَا» .
৯০। মাহমূদ ....... 'ইমরান বিন হুসাইন (রাযিঃ) হতে বর্ণিত; তিনি বলেন: রসূলুল্লাহ দু'ইশা সলাতের কোন এশা সলাত পড়লেন।
অতঃপর বললেন: কে তোমাদের মধ্যে সাব্বিহ (সূরা আলা) পাঠ করেছে? এক ব্যক্তি বললে: আমি হে আল্লাহর রসূল! রসূল বললেন: আমি বুঝতে পেরেছি, কোন ব্যক্তি ওটা দ্বারা আমাকে সংশয়ের মধ্যে ফেলে দিয়েছে।
৯১. হাদ্দাসানা মাহমুদ কাল হাদ্দাসানা আল বুখারী কাল হাদ্দাসানা আবু নুয়াইম কাল হাদ্দাসানা আবু আওয়ানাতা আন কাতাদা আন যুরারা বিন আবি আওফা আন ইমরান বিন হুসাইন রাদিয়াল্লাহু আনহু আন্না আন নাবীয়্যা সাল্লা আজ জুহরা আও আল আসরা ফাল্লামা ইনসারাফা ওয়াকাদা আস সালাতা কাল আইয়্যুকুম কারাব্বিসিহ ইসমা রব্বিকাল আলা? কালা ফুলান কাল কাদা জানানতু আন্না বা'দুকুম খালজান্নিহা।
৯১। মাহমূদ ....... 'ইমরান বিন হুসাইন (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। নাবী যুহর অথবা আসরের সলাত পড়ালেন, অতঃপর যখন সালাম ফিরিয়ে সলাত পূর্ণ করলেন। তখন তিনি বললেনঃ তোমাদের মধ্যে কে পাঠ করেছে? ফুলান (অমুক ব্যক্তি) বলল, আমি। নাবী বললেন: আমি ধারণা করেছি যে, তোমাদের মধ্যে কেউ ওটার মাধ্যমে আমাকে সংশয়ের মধ্যে ফেলে দিয়েছে।
৯২. হাদ্দাসানা মাহমুদ কাল হাদ্দাসানা আল বুখারী কাল হাদ্দাসানা আবু আল ওয়ালিদ কাল হাদ্দাসানা সু'বা আন কাতাদা আন যুরারা বিন আবি আওফা আন ইমরান বিন হুসাইন রাদিয়াল্লাহু আনহু আন্না আন্নাবীয়্যা সাল্লা ফাজায়া রাজুলুন ফাকারা বিসাব্বিহিসমি রাব্বিকাল আ'লা ফাযাকারা নাহুহু।
৯২। মাহমূদ ....... 'ইমরান বিন হুসাইন (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, নাবী সলাত পড়লেন। অতঃপর এক ব্যক্তি এসে সলাতে পাঠ করলেন। অতঃপর নাবী অনুরূপ বললেন।
৯৩. حدثنا محمود قال حدثنا البخاري قال حدثنا مسدد عن يحي عن شعبة عن قتادة عن زرارة بن ابي اوفى عن عمران بن حصين ان النبي ﷺ بهم الظهر فقرأ رجل بسبح فلما فرغ قال: «ايكم القارى؟» قال رجل انا قال ك «قد ظننت ان احدكم خالجنيها».
৯৩। মাহমূদ ........ 'ইমরান বিন হুসাইন (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, নাবী তাঁদেরকে যুহরের সলাত পড়ালেন। এক ব্যক্তি সাব্বিহ (সূরা আলা) পাঠ করল, নাবী সলাত থেকে অবসর নিয়ে বললেনঃ তোমাদের মধ্যে কে পাঠ করেছে? এক ব্যক্তি বললঃ আমি হে আল্লাহর রসূল! রসূলুল্লাহ বললেনঃ আমি ধারণা করেছি যে তোমাদের মধ্যে কেউ আমাকে ওটা দ্বারা সংশয়ের মধ্যে ফেলে দিয়েছে।
৯৪. حدثنا محمود قال حدثنا البخاري قال حدثنا خليفة قال حدثنا يزيد بن زريع قال حدثنا سعيد عن قتادة عن زرارة بن ابي أوفى عن عمران بن حصين رضي الله عنه ان النبي ﷺ صلى بهم الظهر فلما انقتل اقبل على القوم فقال : «ايكم قرأ بسبح اسم ربك الأعلى؟» فقال رجل انا فقال : «قد عرفت ان بعضكم خالجنيها».
৯৪। মাহমূদ ... 'ইমরান বিন হুসাইন (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, নাবী তাঁদেরকে যুহরের সলাত পড়ালেন। যখন নাবী সলাত থেকে অবসর নিলেন, তখন লোকেদের দিকে ফিরে বসলেন।
অতঃপর বললেনঃ তোমাদের মধ্যে কে ( سبح اسم ربك الأعلى ) পাঠ করেছো? এক ব্যক্তি বলল আমি হে আল্লাহর রসূল! রসূলুল্লাহ বললেনঃ আমি বুঝতে পেরেছি যে, তোমাদের মধ্যে কেউ ওটার মাধ্যমে আমাকে সংশয়ের মধ্যে ফেলে দিয়েছে।
৯৫. حدثنا محمود قال حدثنا البخاري قال حدثنا اسميعل قال حدثنا مالك عن ابن شهاب عن ابن اكيمة الليثي عن أبي هريرة رضى الله عنه ان رسول الله ﷺ انصرف من صلاة يجهر فيها بالقراءة فقال: «هل قرأ معي احد منكم انفا ؟ فقال رجل انا فقال : «اني اقول ما لي أنازع القرآن ؟ »
৯৫। মাহমূদ আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সলাত শেষ করে সালাম ফিরালেন, যে সলাতে তিনি উচ্চৈঃস্বরে কিরাআত পাঠ করেছিলেন।
অতঃপর তিনি বললেন: তোমাদের মধ্যে কি কেউ আমার সাথে কিরাআত পাঠ করেছে? এক ব্যক্তি বলল: আমি পাঠ করেছি। নাবী বললেন: তাইতো আমি বলি, আমার কি হলো কুরআনের সাথে আমি ঝগড়া করছি?
٩٦. حدثنا محمود قال حدثنا البخاري قال حدثنا عبد الله بن محمد قال حدثنا الليث قال حدثني يونس عن ابن شهاب سمعت ابن اكيمة الليثي يحدث سعيد بن المسيب يقول سمعت أبا هريرة رضى الله عنه يقول صلى لنا رسول الله ﷺ صلاة جهر فيها بالقراءة ولا أعلم الا انه قال صلاة الفجر فلما فرغ رسول الله ﷺ اقبل على الناس فقال: «هل قرأ معي احد منكم؟ قلنا نعم قال «الااني اقول ما لي أنا زع القرآن ؟ قال فانتهى الناس عن القراءة فيما جهر فيه الإمام وقرؤ وا في أنفسهم سرا فيما لا يجهر فيه الامام .
( قال البخاري) وقوله فانتهى الناس من كلام الزهري وقد بينه لي الحسن بن صباح قال حدثنا مبشر عن الاوزاعي قال الزهري فاتعظ المسلمون بذلك فلم يكونوا يقرؤون فيما جهر .
৯৬। মাহমূদ সা'ঈদ বিন মুসাইয়িব বলেন: আমি আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) বলতে শুনেছি: রসূলুল্লাহ আমাদেরকে সলাত পড়ালেন, যাতে তিনি উচ্চৈঃস্বরে কিরাআত করলেন।
রাবী বলেন: আমি এ কথা ছাড়া অধিক জানি না যে, তিনি বলেছেন ফজরের সলাত পড়ালেন। রসূলুল্লাহ সলাত শেষ করে লোকেদের দিকে মুখমুখী হয়ে বসলেন। অতঃপর বললেন: তোমাদের মধ্যে কি কেউ আমার সাথে কিরাআত করেছ? আমরা বললাম: হ্যাঁ। রসূল বললেন: সাবধান!
আমি বলি, আমার কী হলো, আমি কুরআনের সাথে ঝগড়া করছি? রাবী বলেন: অতঃপর যে সালাতে ইমাম উচ্চৈঃস্বরে কিরাআত পাঠ করত লোকেরা সে সলাতে কিরাআত পাঠ থেকে বিরত থাকল। যে সলাতে ইমাম উচ্চৈঃস্বরে পাঠ করেনা, সে সলাতে তাঁরা নিজেরা চুপে চুপে পাঠ করতে লাগল।
ইমাম বুখারী বলেন: লোকেরা কিরাআত পাঠ করা থেকে বিরত থাকল এ কথাটা ইমাম যুহরীর। কেননা, আমার নিকট হাসান বিন সাব্বাহ বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আমাদেরকে হাদীস বর্ণনা করেছেন মুবাশির। তিনি আওযায়ী হতে বর্ণনা করেন।
যুহরী বলেছেন: মুসলিমরা শিক্ষা গ্রহণ করেছে এ ব্যাপারে। যেখানে উচ্চৈঃস্বরে পাঠ করা হয় সেখানে তারা পাঠ করেছে এমন হয়নি।
۹۷ وقال مالك قال ربيعة للزهري اذا حدثت فبين كلامك من كلام النبي ﷺ
৯৭। মালিক বলেছেন: রবী'আহ যুহরীকে বলেছেন: যখন তুমি হাদীস বর্ণনা করবে, তখন তোমার কথাকে নাবী-এর কথা থেকে স্পষ্ট করে দিবে।
۹۸ حدثنا محمود قال حدثنا البخاري قال حدثنا ابو الوليد قال حدثنا الليث عن الزهري عن ابن اكيمة عن أبي هريرة رضي الله عنه قال صلى النبي ﷺ صلاة جهر فيها فلما قضي صلاته قال : « من قرأ معي» قال رجل انا قال: «إِنِّي أَقُولُ مَا لِي أَنَازِعُ الْقُرْآنَ؟»
৯৮। মাহমূদ আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত; তিনি বলেনঃ নাবী সলাত পড়ালেন, যাতে তিনি উচ্চৈঃস্বরে কিরাআত পাঠ করলেন। অতঃপর যখন তিনি সলাত শেষ করলেন, তখন বললেন: কে আমার সাথে পাঠ করেছে? এক ব্যক্তি বলল আমি। নাবী বললেন: তাইতো বলি আমার কি হলো, আমি কুরআনের সাথে ঝগড়া করছি?
۹۹. حدثنا محمود قال حدثنا البخاري قال حدثنا إسحق سمع عيسي ابن يونس عن جعفر بن ميمون قال : أَبُو عُثْمَانَ النَّهْدِى قَالَ سَمِعْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ يَقُولُ : قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ : «أَخْرِجْ فَنَادِ فِي الْمَدِينَةِ أَنْ لَّا صَلَاةَ إِلَّا بِقُرْآنٍ وَلَوْ بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ فَمَازَادَ»
৯৯। মাহমূদ আবূ উসমান আন্-নাহ্দী বলেছেন: আমি আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ)-কে বলতে শুনেছি। রসূলুল্লাহ বলেছেন: তুমি বের হও, অতঃপর মাদীনায় আহ্বান কর যে, কুরআন ব্যতীত সলাত হবে না, আর তা হল ফাতিহাতুল কিতাব বা সূরা ফাতিহা। অতঃপর যা অতিরিক্ত পড়ে।
১০০. হাদ্দাসানা মাহমুদ ক্বালা হাদ্দাসানাল বুখারী ক্বালা হাদ্দাসানা আবুন নু'মান ওয়া মুসাদ্দাদ ক্বালা হাদ্দাসানা আবূ আওয়ানাহ আন ক্বাতাদাহ আন যারারাহ বিন আবী আওফা আন ইমরান বিন হুসাইন (রাঃ) ক্বালা ক্বারা রাজুলুন খালফান নাবিয়্যি ফিয্ যুহরি ওয়াল আসরি ফালাম্মা ক্বাযা সালাতাহু ক্বালা: আইয়ুকুম ক্বারা খালফি? ক্বালা রাজুলুন আনা ক্বালাঃ ক্বাদ আরফতু আন্না বা'যাকুম খালাজানিহা ।
১০০। মাহমূদ 'ইমরান বিন হুসাইন (রাযিঃ) হতে বর্ণিত; তিনি বলেন: যুহরে এবং 'আসরে এক ব্যক্তি নাবী -এর পিছনে কিরাআত পাঠ করল। অতঃপর যখন নাবী সলাত শেষ করলেন, তখন বললেন: তোমাদের মধ্যে কে আমার পিছনে কিরাআত পাঠ করেছে? এক ব্যক্তি বলল: আমি। নাবী বললেন: আমি জানতে পেরেছি তোমাদের মধ্যে কেউ ওটা দ্বারা আমাকে সংশয়ের মধ্যে ফেলে দিয়েছে।
১০১. হাদ্দাসানা মাহমুদ ক্বালা হাদ্দাসানাল বুখারী ক্বালা হাদ্দাসানা ইয়াহইয়া বিন বুকাইর ক্বালা হাদ্দাসানা আব্দুল্লাহ বিন সুওয়াইদ আন আইয়াশ আন বকর বিন আব্দুল্লাহ আন আলী বিন ইয়াহইয়া আন আবীস্ সাঈব রাজুলুম মিন আসহাবিন নাবিয়্যি রাজুলুওঁ ওয়ান নাবিয়্যু ইয়ানজুর ইলাইহি ফালাম্মা ক্বাযা সালাতাহু ক্বালা: ইরজী ফাসাল ফাইন্নাকা লাম তুসাল। সালাসান ফাক্বামার রাজুলু ফালাম্মা ক্বাযা সালাতাহু ক্বாலான নাবিয়্যু: ইরজী ফাসাল সালাসা, ক্বালা ফাখালাফা লাহু কাইফা আজতাহাদতু ফাক্বালা লাহু: ইবদা ফাকাব্বির ওয়া তাহমাদাল্লাহা ওয়া তাকরা বিআম্মি الْقُرْآنَ ثُمَّ تُرْكَعُ حَتَّى يَطْمَئِنَّ صُلْبَكَ ثُمَّ تَرْفَعُ رَأْسَكَ حَتَّى يَسْتَقِيمَ صُلْبَاكَ فَمَا انْتَقَصْتَ مِنْ هَذَا فَقَدْ نَقَصْتَ مِنْ صَلَاتِكَ» .
১০১। মাহমূদ নাবী -এর সহাবী আবু সায়েব হতে বর্ণিত। এক ব্যক্তি সলাত পড়ছিল এবং নাবী তাঁর দিকে দেখছিলেন। যখন তিনি সলাত শেষ করলেন, নাবী বললেন: তুমি ফিরে যেয়ে আবার সলাত পড়, কেননা তুমি সলাত পড়নি। তিন বার বললেন ঐ লোক পুনরায় সলাতে দাঁড়াল এবং যখন সলাত শেষ করল, নাবী বললেন: ফিরে যাও আবার সলাত পড়। তিনবার বল: লোকটি নাবী-কে অনুরোধ করে বললেন: কিভাবে চেষ্টা করব অর্থাৎ কিভাবে সলাত পড়ব। নাবী তাঁকে বললেন: সলাত তাকবীর দিয়ে শুরু কর এবং আল্লাহর প্রশংসা কর, তারপর উম্মুল কুরআন পড়। অতঃপর এমনভাবে রুকূ' কর যে তোমার পিঠ সোজা স্থির হয়। অতঃপর তোমার মাথা এমনভাবে উঁচু কর যে, তোমার পিঠ বরাবর সোজা হয়ে যায়। অতঃপর এর থেকে কম করবে না। যদি এর চেয়ে কম কর তাহলে তুমি তোমার সলাতকে কম করলে।
۱۰۲. حدثنا محمود قال حدثنا البخاري قال حدثنا ابراهيم بن حمزة عن حاتم بن اسمعيل عن ابن عجلان عن علي بن يحي ابن خلاد بن رافع قال اخبرني ابي عن عمه وكان بدريا قال كنا جلوسا مع النبي بهذا وقال: «كَررَ ثُمَّ أَقْرَأَ ثُمَّ ارْكَعْ » .
১০২। মাহমূদ 'আলী বিন ইয়াহইয়া বিন খাল্লাদ বিন রাফি' হতে বর্ণিত। তিনি বলেন: আমাকে আমার পিতা সংবাদ দিয়েছেন, তিনি তাঁর চাচা হতে বর্ণনা করেন- যিনি বাদ্রী* সহাবী ছিলেন। তিনি বলেন: আমরা নাবী-এর সাথে এ স্থানে বসেছিলাম এবং নাবী বললেন: তাকবীর বলবে অতঃপর পাঠ করবে অতঃপর রুকূ' করবে।
۱۰۳. حدثنا محمود قال حدثنا البخاري قال حدثنا اسمعيل قال حدثني اخي عن سلمان عن ابن عجلان وحدثنا الحسن بن الربيع قال حَدَّثَنَا ابْنُ ادْرِيسَ عَنِ ابْنِ عَجْلَانَ عَنْ عَلِيِّ بْنِ خِلَادِ بْنِ السَّائِبِ الْانْصَارِيِّ عَنْ ابِيهِ عَنْ عَمِّ ابِيهِ قَالَ النَّبِيُّ ﷺ بِهَذَا وَقَالَ: «كَرَّرْ ثُمَّ أَقْرَأَ ثُمَّ ارْكَعْ » .
১০৩। মাহমূদ 'আলী বিন খাল্লাদ বিন সায়িব আনসারী হতে বর্ণিত। তিনি তার পিতা হতে, তার পিতা তার বাবার চাচা হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: নাবী এ স্থানে বসে বলেছেন: প্রথমে তাকবীর দিবে; অতঃপর কিরাআত করবে, তারপর রুকূ' করবে।
١٠٤. حَدَّثَنَا مَحْمُودٌ قَالَ حَدَّثَنَا الْبُخَارِيُّ قَالَ حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ قَالَ حَدَّثَنَا اللَّيْثُ عَنِ ابْنِ عَجْلَانَ عَنْ عَلِيِّ بْنِ يَحْيَى مِنَ ال رِفَاعَةَ بْنِ رَافِعٍ عَنْ ابِيهِ عَنْ عَمٍّ لَهُ بَدْرِيٌّ انَّهُ حَدَّثَهُ عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ : «كَبِّرْ ثُمَّ أَقْرَأْ ثُمَّ ارْكَعْ» .
১০৪। মাহমূদ রিফায়াহ বিন রাফি' গোত্রীয় লোক, 'আলী বিন ইয়াহইয়া হতে বর্ণিত। তিনি তাঁর পিতা হতে, তার পিতা তার চাচা হতে বর্ণনা করেন, যিনি বাদ্রী সহাবী ছিলেন। তিনি নাবী থেকে হাদীস বর্ণনা করেন যে, নাবী বলেছেন: প্রথমে তাকবীর দিবে, তারপর কিরাআত করবে, তারপর রুকু' করবে।
١٠٥. (قال البخاري) روى همام عن قتادة عَنْ أَبِي نَضْرَةً عَنْ أَبِي سَعِيدٍ رَضِيَ اللهُ أَمَرَنَا نَبِيِّنَا أَنْ نَقْرًا بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ وَمَا تَيَسَّرَ وَلَمْ يَذْكُرُ فَتَادَةٌ سِمَاعًا مِّنْ أَبِي نَضْرَةً فِي هَذَا
১০৫। (ইমাম বুখারী বলেছেন): হাম্মام বর্ণনা করেন, ক্বাতাদাহ হতে, তিনি আবু নাযরাহ হতে, তিনি আবু সাঈদ খুদরী (রাযিঃ) হতে বর্ণনা করেন। [আবূ সাঈদ (রাযিঃ) বলেছেন। আমাদের নাবী আমাদেরকে নির্দেশ দিয়েছেন যে, আমরা যেন (সলাতে) ফাতিহাতুল কিতাব (সূরা ফাতিহা) পাঠ করি এবং যা কিছু সহজ হয় (কুরআন থেকে)। এ স্থানে কাতাদা আবু নাযরাহ থেকে শুনার কথা উল্লেখ করেননি।
١٠٦. حَدَّثَنَا مَحْمُودٌ قَالَ حَدَّثَنَا الْبُخَارِيُّ قَالَ حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ قَالَ حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنِ الْعَوَّامِ بْنِ حَمْزَةَ الْمَازِنِيِّ قَالَ حَدَّثَنَا أَبُو نَضْرَةَ قَالَ سَأَلْتُ ابا سَعِيدِ الْخُدْرِي عَنِ الْقِرَاءَةِ خَلْفَ الْإِمَامِ فَقَالَ بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ .
১০৬। মাহমুদ ...... আবু নাযরাহ্ বলেছেন : আমি আবু সাঈদ খুদরী (রাযিঃ)-কে ইমামের পিছনে কিরাআত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছি। তিনি বলেছেন ফাতেহাতুল কিতাব বা সূরা ফাতিহা পড়তে হবে।
১০৭। (কাল বুখারী) ওহ্দা ওসোল ও তাবেয়ে য়াহ্ইয়া ইব্ন বুকাইর কাল হাদ্দাসনা লাইস আন জাফের বিন রবীয়া আন আব্দুল রহমান বিন হুরমুজ আন আবা সাঈদ আল খুদরী রাদিয়াল্লাহু আনহু কাল কানার রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম।
১০৯। (ইমাম বুখারী বলেছেন) : এ বিষয়ে একমত হয়েছেন ইয়াহইয়া বিন বুকাইর, তিনি বলেছেন, আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন লাইস, তিনি জাফর বিন রবীয়া হতে, তিনি ‘আবদুর রহমান বিন হুরমুয হতে বর্ণনা করেছেন যে, আবু সাঈদ খুদরী (রাযিঃ) বলতেন : তোমাদের মধ্যে অবশ্যই কেউ যেন ফাতিহাতুল কিতাব পাঠ না করা পর্যন্ত রুকু’ না করে। তিনি বলেন : ‘আয়িশাহ্ (রাযিঃ) এমনই বলতেন।
১০৮. (ওয়াকাল আব্দুর রায্যাক) আন জুরাইজ আন আতা কানাল ইমাম ইয়াহহার বিল কিরাআতি ফাল ইয়াক্বরা’ উম্মুল কোরআন আল ইউবগরাবাদান মায়াস্কুত ফায়ালিসমা কানাকাল আল্লাহু আজ্জা ওয়াজাল।
১০৯। (আবদুর রায্যাক বলেছেন) : ইব্নু জুরাইজ আতা হতে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন : ইমাম যখন উচ্চৈঃস্বরে পাঠ করে, তখন সে যেন উম্মুল কুরআন দ্রুত পড়ে নেয়। অথবা ইমাম সাকতা করার পর পড়ে নেয়। অতঃপর ইমাম যখন পড়ে, তখন যেন সে চুপ থাকে। যেভাবে মহান আল্লাহ্ বলেছেন।
১১০. হাদ্দাসনা মাহমুদ কাল হাদ্দাসনা আল বুখারী কাল হাদ্দাসনা আবু নুআইম কাল হাদ্দাসনা দাউদ বিন কায়িস বিন ইয়াহইয়া বিন খালাদ কাল হাদ্দাসানী আবি আন উবাদা বিন সামিত আন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম : ইযা আরাদ্দাতা আন তুসাল্লিয়া ফাউজুআ ফাউহাসসিনা আল উযুআ সুম্মা আসতাকবিলা আল কিবলা ফুকাব্বির সুম্মা ইক্বরা সুম্মা এরকাও হাত্তা তাতমাইন্না রাকিআ।
ارْفَعْ حَتَّى تَعْتَدِلَ قَائِمًا ثُمَّ اسْجُدْ حَتَّى تَطْمَئِنَّ سَاجِدًا ثُمَّ ارْفَعْ حَتَّى تَطْمَئِنَّ جَالِسًا ثُمَّ اثْبُتَ ثُمَّ اسْجُدْ حَتَّى تَطْمَئِنَّ سَاجِدًا ثُمَّ ارْفَعَ فَإِنَّكَ أَنْ اتْمَمْتَ صَلَاتَكَ عَلَى هَذَا فَقَدْ أَتْمَمْتَ وَمَنْ انْتَقَصَ مِنْ هَذَا فَإِنَّمَا يَنْقُصُ من صلاته .
১০৯। মাহমূদ ........... ‘আলী বিন ইয়াহ্ইয়া বিন খাল্লাদ হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আমার পিতা, তিনি তাঁর চাচা হতে বর্ণনা করেন, যিনি বদরী সহাবী ছিলেন। তিনি নাবী -এর সাথে ছিলেন। নবী বলেছেন: যখন তুমি সলাত পড়ার ইচ্ছা করবে, উত্তমভাবে উযু করবে। অতঃপর কিবলামুখী হয়ে আল্লাহ আকবার বলবে। তারপর কিরাআত পাঠ করবে। অতঃপর স্থিরভাবে রুকূ' করবে, এরপর সোজা বরাবর হয়ে দাঁড়াবে। অতঃপর স্থিরভাবে সাজদাহ করবে। অতঃপর স্থিরভাবে বসবে এবং প্রতিষ্ঠিত থাকবে। অতঃপর স্থিরভাবে সাজদাহ করবে। এরপর দাঁড়াবে, এমনিভাবে যদি তোমার সলাতকে পূর্ণ কর, তাহলেই সলাত পরিপূর্ণ করলে। আর যে ব্যক্তি এর থেকে কম করবে, সে যেন তার সলাতকে কম করল।
۱۱۰. حدثنا محمود قال حدثنا البخاري قال حدثنا محمد قال حدثنا عبد الله قال حدثنا داود بن قيس قال حدثنا علي بن خلاد بن رافع بن مالك الانصاري قال حدثني أبي عن عم له بدري قال داود وبلغنا انه رفاعة بن رافع رضي الله عنه قال كنت مع رسول الله ﷺ بهذا وقال كَبِّرُ ثُمَّ أَقْرَأْ ثُمَّ ارْكَعْ) *
১১০। মাহমূদ .......... ‘আলী বিন খাল্লাد বিন রাফি' বিন মালিক আনসারী হাদীস বর্ণনা করে বলেন: আমাকে হাদীস বর্ণনা করেছেন আমার পিতা, তিনি তাঁর চাচা বাদ্রী সহাবী হতে, [দাউদ বলেন: আমাদের নিকট এ সংবাদ পৌঁছেছে যে, তিনি হলেন রিফায়াহ বিন রাফি' (রাযিঃ)]। তিনি বলেন: আমি রসূলুল্লাহ-এর সাথে এ স্থানে ছিলাম এবং তিনি বলেছেন: তাকবীর বলবে, অতঃপর কিরাআত করবে, এরপর রুকূ' করবে।
۱۱۱. حدثنا محمود قال حدثنا البخاري قال حدثنا حجاج بن منهال قال حدثنا همام عن اسحق بن عبد الله بن ابي طلحة عن علي بن يحي بن خلاد عن ابيه عن عمه رفاعة بن رافع قال كنت جالسا عند النبي ﷺ بهذا وقال: «كَبِّرُ ثُمَّ اقْرَأْ مَا تَيَسَّرَ مِنَ الْقُرْآنِ ثُمَّ ارْكَعْ» .
১১১। মাহমূদ ..... 'আলী বিন ইয়াহইয়া বিন খাল্লাদ হতে বর্ণিত। তিনি তার পিতা হতে, তিনি তার চাচা রিফায়াহ বিন রাফি' হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি নাবী-এর নিকট এ স্থানে বসা ছিলাম। নাবী বললেন : প্রথমে আল্লাহ আকবার বলবে, তারপর কুরআন থেকে যা সহজ তা পাঠ করবে। অতঃপর রুকু' করবে।
۱۱۲. حدثنا محمود قال حدثنا البخاري قال حدثنا مسدد قال حدثنا يحي عن محمد ابن عجلان قال حدثني علي بن يحي بن خلاد عن ابيه عن عمه وكان بدريا قال كنا مع النبي الله بهذا وقال : «كبر ثم أقرأ ثُمَّ اربع » .
১১২। (ক) মাহমূদ 'আলী বিন ইয়াহ্ইয়া বিন খাল্লাদ তার পিতা হতে হাদীস বর্ণনা করেন: তিনি তার চাচা হতে, যিনি বদরী সহাবী ছিলেন, তিনি বলেন: আমরা নাবী-এর সাথে এ স্থানে ছিলাম। আর নাবী বললেন: প্রথমে আল্লাহ আকবার বলবে, এরপর কিরাআত পাঠ করবে, অতঃপর রুকূ' করবে।
۱۱۲. حدثنا محمود قال حدثنا البخباري قال حدثنا بكير عن ابن عجلان عن علي بن يحي الزرقي عن عمه وكان بدريا انه كان رسول الله بهذا وقال « كَبِرُ ثُمَّ أَقْرَأَ ثُمَّ ارْكَعْ» *
১১২। (খ) মাহমূদ 'আলী বিন ইয়াহইয়া যারকী হতে বর্ণিত। তিনি তার চাচা হতে বর্ণনা করেন, যিনি বাদ্রী সহাবী ছিলেন। তিনি রসূলুল্লাহ -এর সাথে ছিলেন এবং নাবী বলেছেন: প্রথমে আল্লাহু আকবার বলে তাকবীর বলবে। তারপর কিরাআত পাঠ করবে, অতঃপর রুকূ' করবে।
۱۱۳. حدثنا محمود قال حدثنا البخاري قال حدثنا مسدد قال حدثنا يحي بن سعيد عن عبيد الله قال حدثني سعيد المقبري عن أبيه عن أبي هريرة رضي الله عنه عن النبي ﷺ : «إِذَا أُقِيمَتِ الصَّلَاةُ فَكَبِّرْ ثُمَّ اقْرَأْ ثُمَّ ارْكَعْ
১১৩। মাহমূদ ...... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি নাবী হতে বর্ণনা করেন। যখন সলাতের ইকামাত হয়, তাকবীর বলবে। অতঃপর কিরাআত পাঠ করবে, তারপর রুকূ' করবে।
١١٤. حدثنا محمود قال حدثنا البخاري قال حدثنا اسحق قال حدثنا أبو أسامة قال حدثنا عبيد الله بن عمر عن سعيد عَنْ أَبِي هُرَيْرَةً رَضِيَ اللهُ عَنْهُ عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ : «كَبِّرُ ثُمَّ اقْرَأْمَا تَيَسَّرَ مَعَكَ مِنَ الْقُرْآنِ ثُمَّ ارْكَع » .
১১৪। মাহমূদ ...... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি নাবী থেকে বর্ণনা করেন, নাবী বলেছেন: তাকবীর বল এবং তোমার সাথে কুরআন থেকে যা সহজ তা পাঠ কর। অতঃপর রুকূ' কর।
١١٥. حدثنا محمود قال حدثنا البخاري قال حدثنا اسحق قال حدثنا عبد الله بن نمير قال حدثنا عبيد الله عن سعيد ابن ابي سعيد المقبري عن ابي هريرة رضي الله عنه عن النبي ﷺ قال: «كبر ثم اقْرَأْمَا تَيَسَّرَ مَعَكَ مِنَ الْقُرْآنِ ثُمَّ ارْكَعْ» .
১১৫। মাহমূদ ...... আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি নাবী থেকে বর্ণনা করেন, নাবী বলেছেন: তাকবীর বল অতঃপর তোমার সাথে কুরআন থেকে যা সহজ পাঠ কর। তারপর রুকূ' কর।
١١٦. حدثنا محمود قال حدثنا البخاري قال حدثنا محمد بن سلام قال حدثنا يزيد بن هرون عن الجريري عن قيس بن عباية الحنفي عن ابْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُغَفَّلٍ قَالَ لِي أَبِي صَلَّيْتُ خَلْفَ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ وَأَبِي بَكْرٍ وَعُمَرَ وَعُثْمَانَ وَكَانُوا يَقْرَؤُونَ الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ .
১১৬। মাহমূদ ...... ইবনু 'আবদুল্লাহ বিন মুগাফ্ফাল হতে বর্ণিত। তিনি বলেন: আমাকে আমার পিতা বলেছেন: আমি রসূলুল্লাহ, আবু বাকর, 'উমার, 'উসমান (রাযিঃ)-এর এদের পিছনে সলাত পড়েছি। তাঁরা সকলে 'আলহামদু লিল্লাহি রব্বিল আলামীন' অর্থাৎ সূরা ফাতিহা পাঠ করতেন।
۱۱۷ . حدثنا محمود قال حدثنا البخاري قال حدثنا حفص بن غياث قال حدثنا شعبة عن قتادة عن انس رضي الله عنه أن النبي ﷺ وأبا بكر وعمر كَانُوا يَفْتَتِحُونَ الصَّلَاةَ بِالْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّهِ الْعَالَمِينَ .
১১৭। মাহমূদ ...... আনাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, নাবী, আবু বাকর, 'উমার (রাযিঃ) 'আলহামদু লিল্লাহি রব্বিল আলামীন' দ্বারা সলাত শুরু করতেন।
۱۱۸ . حدثنا محمود قال حدثنا البخاري قال حدثنا عمرو بن مرزوق قال حدثنا شعبة عن قتادة عَنْ أَنَسٍ قَالَ صَلَّيْتَ خَلْفَ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ وَابِي بَكْرٍ وَعُثْمَانَ وَكَانُوا يَفْتَتِحُونَ الصَّلَاةَ بِالْحَمْدِ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ .
১১৮। মাহমূদ ...... আনাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন: আমি রসূল ﷺ, আবূ বাকর, 'উমার, 'উসমান (রাযিঃ) এদের পিছনে সলাত পড়েছি। তাঁরা 'আলহামদু লিল্লাহি রব্বিল আলামীন' দ্বারা সলাত শুরু করতেন।
۱۱۹ . حدثنا محمود قال حدثنا البخاري قال حدثنا محمد بن يوسف قال حدثنا الأوزاعي قال كتب الي قتادة قال حدثني انس يعني بن مالك قال صليت خلف النبي ﷺ وأبي بكر وعمر وعثمان وكانوا يَفْتَتِحُونَ بِالْحَمْدِ اللَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ .
১১৯। মাহমূদ ...... আনাস অর্থাৎ ইবনু মালিক (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন: আমি নাবী ﷺ, আবু বাকর, 'উমার, 'উসমান (রাযিঃ)-এর পিছনে সলাত পড়েছি। তাঁরা সকলেই 'আলহামদু লিল্লাহি রব্বিল আলামীন' দ্বারা সলাত শুরু করতেন।
১২০. হাদ্দাসানা মাহমুদুন ক্বালা হাদ্দাসানাল বুখারী ক্বালা হাদ্দাসানা মুহাম্মাদ বিন মিহরান ক্বালা হাদ্দাসানাল ওয়ালীদু ক্বালা হাদ্দাসানাল আওযায়ী মিছলিহি ওয়া আনিল আওযায়ী আনি ইসহাক বিন আব্দুল্লাহ আন্নাহু আখবারাহু আন্নাহু সামিয়া আনাসা মিছলিহি .
১২০। মাহমূদ ইসহাক বিন 'আবদুল্লাহ হতে বর্ণিত। তিনি সংবাদ দিয়েছেন যে, তিনি আনাস থেকে অনুরূপই শুনেছেন।
১২১. হাদ্দাসানা মাহমুদুন ক্বালা হাদ্দাসানাল বুখারী ক্বালা হাদ্দাসানা আবূ আসিমিন আন সাঈদ বিন আবী 'আরুবা আন ক্বাতাদাতা আন্না আনসা হাদ্দাসাহুম আন্নান নাবীয়্যা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামা ওয়া আবা বাক্রিন ওয়া 'উমার ওয়া 'উসমান ক্বানু ইয়াফতাহুনাছ ছালাতা বিল হামদুলিল্লাহি রব্বিল 'আলামীন .
১২১। মাহমূদ ক্বাতাদাহ হতে বর্ণিত। আনাস (রাযিঃ) তাদেরকে হাদীস বর্ণনা করেছেন: নাবী , আবূ বাক্স, 'উমার, 'উসমান (রাযিঃ) 'আলহামদু লিল্লাহি রব্বিল আলামীন' দ্বারা সলাত শুরু করতেন।
১২২. হাদ্দাসানা মাহমুদুন ক্বালা হাদ্দাসানাল বুখারী ক্বালা হাদ্দাসানা মূসা ক্বালা হাদ্দাসানা হাম্মাদুন আন ক্বাতাদাতা ওয়া ছাবিত আন আনাসিন আন্নান নাবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামা ওয়া আবা বাক্রিন ওয়া 'উমার ক্বানু ইয়াস্তাফতিহুনাল কুরআন বিল হামদুলিল্লাহি রব্বিল 'আলামীন .
১২২। মাহমূদ আনাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, নাবী আবূ বাক্স, 'উমার (রাযিঃ) 'আলহামদু লিল্লাহি রব্বিল আলামীন' দ্বারা কুরআন শুরু করতেন।
১২৩. হাদ্দাসানা মাহমুদুন ক্বালা হাদ্দাসানাল বুখারী ক্বালা হাজ্জাজ ক্বালা হাদ্দাসানা হাম্মাদ ওয়া আনিল হাজ্জাজ ক্বালা : হাদ্দাসানা হাম্মামুন আন ক্বাতাদাতা আন আনাসিন রাদিয়াল্লাহু আনহু মিছলিহি .
১২৩। মাহমূদ আনাস (রাযিঃ) হতে অনুরূপ বর্ণিত আছে।
১২৪. হাদ্দাসানা মাহমুদুন হাদ্দাসানাল বুখারী ক্বালা হাদ্দাসানা কুতাইবাহ ক্বালা হাদ্দাসানা আবূ 'আওয়ানাতা আন ক্বাতাদাতা আন আনাসিন রাদিয়াল্লাহু আনহু কানা আন্নাবিয়্যু ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামা ওয়া আবূ বাক্রিন ওয়া 'উমার ওয়া 'উসমান ইয়াফতাহুনাল ক্বিরাআতা বিল হামদুলিল্লাহি রব্বিল 'আলামীন .
১২৪। মাহমূদ ...... আনাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত; নাবী, আবু বকর, 'উমার, উসমান (রাযিঃ) 'আলহামদু লিল্লাহি রব্বিল আলামীন' দ্বারা কিরাআত শুরু করতেন।
১২৫. হাদ্দাসানা মাহমুদুন কাল হাদ্দাসানাল বুখারী কাল হাদ্দাসানা মুসলিম কাল হাদ্দাসানা হিশাম কাল হাদ্দাসানা কাতাদা আন আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু আনিন নাবিয়্যি ﷺ ওয়া আবি বকর ওয়া উমর কানূ ইয়াফতাহুনাল কিরাআতা বিলহামদিল্লাহি রাব্বিল আলামীন।
১২৫। মাহমুদ ...... আনাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি নাবী থেকে বর্ণনা করেন: আবূ বাক্স, 'উমার (রাযিঃ) 'আলহামদু লিল্লাহি রব্বিল আলামীন' দ্বারা কিরাআত শুরু করতেন।
১২৬. হাদ্দাসানা মাহমুদুন কাল হাদ্দাসানাল বুখারী কাল হাদ্দাসানা আলী কাল হাদ্দাসানা সুফিয়ান কাল হাদ্দাসানা হুমাইদুত তাওয়িল আন আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু কাল সাল্লাইতু মাআ' নাবিয়্যি ﷺ ওয়া আবি বকর ওয়া উমর কানূ ইয়াফতাহুনা বিলহামদ।
১২৬। মাহমুদ ...... আনাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত; তিনি বলেন: আমি নাবী, আবূ বাক্স এবং 'উমারের সাথে সলাত পড়েছি। তাঁরা আলহামদু দ্বারা সলাত শুরু করতেন।
১২৭. হাদ্দাসানা মাহমুদুন কাল হাদ্দাসানাল বুখারী কাল হাদ্দাসানা আলী কাল হাদ্দাসানা সুফিয়ান কাল হাদ্দাসানা আইয়ুব আন কাতাদা আন আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু সাল্লাইতু মাআ' নাবিয়্যি ﷺ ওয়া আবি বকর ওয়া উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুমা মিসলিহি।
১২৭। মাহমূদ ...... আনাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত; আমি নাবী, আবু বাক্স ও 'উমারের সাথে সলাত পড়েছি। অনুরূপই বর্ণিত।
১২৮. হাদ্দাসানা মাহমুদুন কাল হাদ্দাসানাল বুখারী কাল হাদ্দাসানাল হাসান ইবনু রাবী কাল হাদ্দাসানা আবু ইসহাক ইবনু হুসাইন আন মালিক ইবনু দিনার আন নানাস ইবনু মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু কাল: সাল্লাইতু খালফান নাবিয়্যি ﷺ ওয়া আবি বকর ওয়া উমর ওয়া উসমান রাদিয়াল্লাহু আনহুম ফাকানূ ইয়াস্তাফতিহুনাস সালাতা বিলহামদিল্লাহি রাব্বিল আলামীন ওয়া ইয়াকরাউনা মালিকিদ্দিন।
(قال البخاري) وقولهم يفتتحون القراءة بالحمد أبين .
১২৮। মাহমূদ আনাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন: আমি নাবী, আবু বাক্স, 'উমার ও 'উসমান (রাযিঃ) প্রমুখের পিছনে সলাত পড়েছি। তাঁরা 'আলহামদু লিল্লাহি রব্বিল আলামীন' দ্বারা সলাত শুরু করতেন এবং তাঁরা মা-লিকি ইয়াওমিদ্দীন পাঠ করতেন। ইমাম বুখারী বলেন: তাঁদের কথা, তাঁরা আলহামদু দ্বারা কিরাআত শুরু করতেন। সুস্পষ্ট করে দিয়েছি।
১২৯. (قال البخاري) ويروى عن ابي هريرة رضى الله عنه عن النبي ﷺ نحوه .
১২৯। ইমাম বুখারী (রাযিঃ) বলেন: আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি নাবী থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেন।
১৩১. حدثنا محمود قال حدثنا البخاري قال انبأنا عفان قال حدثنا وهيب قال حدثنا الجرير عن قيس بن عباية قال حدثني ابن عبد الله بن مغفل قال سمعت ابي فقال صليت خلف النبي ﷺ وابي بكر وعمر وعثمان رضي الله عنهم فَكَانُوا يَسْتَفْتَحُونَ الْقِرَاءَةِ بِالْحَمْدِ اللَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ .
১৩০। মাহমূদ ইবনু 'আবদুল্লাহ বিন মুগাফ্ফাল, তিনি বলেন: আমি আমার পিতার নিকট শুনেছি। তিনি বলেনঃ আমি নাবী, আবু বাক্স, 'উমার, 'উসমান (রাযিঃ)-এর পিছনে সলাত পড়েছি, তাঁরা সকলেই 'আলহামদু লিল্লাহি রাব্বিল আলামীন' দ্বারা কিরাআত শুরু করতেন।
১৩১. حدثنا محمود قال حدثنا البخاري قال حدثنا مسدد وموسى بن اسمعيل ومعقل بن مالك قالوا حدثنا أبو عوانة عن محمد بن اسحق عن الاعرج عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ لَا يَجْزِنَكَ إِلَّا أَنْ تُدْرِكَ الْإِمَامَ قَائِمًا .
১৩১। মাহমূদ আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত; তিনি বলেন: ইমামকে দাঁড়ানো অবস্থায় পাওয়া ব্যতীত তোমার (সলাত) যথেষ্ট হবে না।
১৩২. হাদ্দানা মাহমুদুন কালা হাদ্দানা আল বুখারী কালা হাদ্দানা ওবাইদ বিন ইয়াইশ। কালা হাদ্দানা ইউনুস কালা হাদ্দানা ইসহাক কালা কালা আখবারানী আল আ’রাজু কালা সামি’তু আবা হুরাইরা (রাঃ) আনহু ইয়াকুলু লা ইউযযিউকা ইল্লা আন তুদরিকা আল ইমামু ক্বায়িমান ফানযকা।
১৩২। মাহমুদ ....... আল আ’রাজ বলেন: আমি আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ)-কে বলতে শুনেছি - রুকু’র পূর্বে ইমামকে দাঁড়ানো অবস্থায় পাওয়া ব্যতীত তোমার (সালাত) যথেষ্ট হবে না।
১৩৩. হাদ্দানা মাহমুদুন কালা হাদ্দানা আল বুখারী কালা হাদ্দানা আব্দুল্লাহ বিন সালিহ কালা হাদ্দানী আল লাইস কালা হাদ্দানী জাফর বিন রাবীয়া আন আব্দুর রহমান বিন হুরমুজ কালা কালা আবু সাঈদ (রাঃ) আনহুঃ লা ইয়ারকাউ আহাদুকুম হাত্তা ইয়াকরাআ বিউম্মিল কুরআন।
১৩৩। মাহমুদ ....... ‘আব্দুর রহমান বিন হুরমুয হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আবু সাঈদ খুদরী (রাযিঃ) বলেছেনঃ তোমাদের মধ্যে এ উম্মুল কুরআন না পড়া পর্যন্ত কেউ যেন রুকু’ না করে।
১৩৪. (কালা আল বুখারী) ওকানাত আয়েশা তাকুলু জালিকা ওয়া কালা আলী বিন আবদিল্লাহি আজাযা ইদরাকার রুকুয়ে মিন আসহাবুন্নবী (ﷺ) আল্লাযীনা লাম ইয়ারাউ আল কিরাআতা খালাফাল ইমামি মিনহুম ইবনু মাসউদ ওয়া যাইদ বিন সাবেত ওয়াবনু ওমার ফামা মিন রায়ি আল কিরাআতি ফান আবা হুরাইরা (রাঃ) আনহু কালা ইকরা বিহা ফী নাফসিকা ইয়া ফারসীউ ওয়া লা তা’তাদ্দু বিহা হাত্তা তুদ্রিকাল ইমামা ক্বায়িমা।
১৩৪। (ইমাম বুখারী বলেছেন): ‘আয়িশাহ (রাযিঃ)-ও ওটা বলতেন। ‘আলী বিন ‘আবদুল্লাহ বলেছেন: নবী ﷺ-এর সাহাবীদের মধ্যে যাঁরা রুকু’ পাওয়া যথেষ্ট মনে করতেন, তাঁরা ইমামের পিছনে কিরাআত পড়ার (পক্ষে) রায় দেননি। তাঁদের মধ্যে ইবনু মাস’উদ, যায়েদ বিন সাবেত ও ইবনু ‘উমার (রাযিঃ)।
আর যারা কিরাআত পড়ার অভিমত পোষণ করতেন, তাঁদের মধ্যে নিশ্চয় আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) বলতেন : হে ফারাসী! সূরা ফাতিহাকে মনে মনে পড় এবং তিনি বলতেন ইমামকে দাঁড়ানো অবস্থায় পাওয়া ছাড়া উক্ত রাক‘আত গণনা কর না।
১৩৫. (وقال موسى ) হাদ্দাসনা হাম্মام আন আ‘লাম ওহু যায়দ আনিল হাসান عَنْ أَبِي بَكْرَةَ أَنَّهُ انْتَهى إِلَى النَّبِيِّ ﷺ وَهُوَ رَاكِعُ فَرَكَعَ قَبْلَ أَنْ يَصِلَ إِلَى الصَّفِّ فَذَكَرَ ذَلِكَ لِلنَّبِيِّ ﷺ فَقَالَ : «زَادَكَ اللهُ حِرْصًا وَلَا تَعُدْ» .
১৩৫। মূসা ...... আবূ বাকরাহ্ হতে বর্ণিত। তিনি নাবী -এর রুকু অবস্থায় তাঁর নিকট পৌঁছলেন, তিনি কাতারে পৌঁছুবার পূর্বেই রুকু করলেন। আর এটা তিনি সালাত শেষ হওয়ার পর নাবী -এর নিকট উল্লেখ করলেন। নাবী বললেন : আল্লাহ্ তোমার আগ্রহকে বাড়িয়ে দিন এবং তুমি পুনরায় (এমনটা) করো না।
১৩৬. (قال البخاری ) ফালায়সা লিআহাদ আন ইয়াউদ লাম্মা নাহা আনিন নবী ﷺ কিতাবুন্নবী ﷺ আন্নাহু এ'তেদ বিল রুকু এয়ানিল কিয়ামু ফারজুন ফি কিতাবুন্নবী ﷺ ওয়াস সুন্নাতু কাল আল্লাহু তা'য়ালা( وَقُوْمُوْا لِلّٰهِ قَانِتِیْنَ) ওয়াকাল (إِذَا قُمْتُمْ إِلَى الصَّلٰوةِ )
১৩৬। ইমাম বুখারী বলেছেন : কারও জন্য বৈধ নয় যে, যা থেকে নাবী নিষেধ করেছেন তা পুনরায় করে। আর এর মধ্যে কোন উত্তর নেই যে, রুকুকে গণনা করবে কিয়াম ব্যতীত, কিয়াম ফরজ করা হয়েছে কিতাব (কুরআন) সুন্নাহ (হাদীস)-এর দ্বারা। মহান আল্লাহ বলেন : (وَقُوْمُوْا لِلّٰهِ قَانِتِیْنَ) “আল্লাহর জন্য বিনয় সহকারে দাঁড়িয়ে যাও”- (সূরা বাকারা ২৩৮)। আল্লাহ্ আরও বলেন : (إِذَا قُمْتُمْ إِلَى الصَّلٰوةِ )“(যখন তোমরা সালাতের জন্য দাঁড়াও ”-(সূরা মায়িদাহ ৬)।
১৩৭. وقال النبي صلى الله عليه وسلم : « صَلِّ قَائِمًا فَإِنْ لَّمْ تَسْتَطِعْ فَقَاعِدًا ».
১৩৭। নাবী বলেছেন: দাঁড়িয়ে সলাত পড়, যদি সক্ষম না হও তাহলে বসে।
১৩৮. (وقال ابراهيم ) عن عبد الرحمن بن اسحق عن المقبري عن ابي هريرة رضي الله عنه معارضا لما روى الأعرج عن ابي هريرة وليس هذا ممن يعتد على حفظه اذا خالف من ليس بدونه وكان عبد الرحمن ممن يحتمل في بعض ।
১৩৮। ইবরাহীম বলেছেন: তিনি 'আবদুর রহমান বিন ইসহাক হতে, তিনি মাকবারী হতে, তিনি আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বিপরীত বর্ণনা করেছেন। আ'রাজ যা আবু হুরাইরাহ হতে বর্ণনা করেছেন মাকবুরী যখন আ'রাজের বিপরীত বর্ণনা করেন এ ব্যাপারে যারা আ'রাজের স্মরণ শক্তির উপর বাড়া-বাড়ি করে থাকেন, এখানে সে ব্যাপারটি নয়। আর 'আবদুর রহমান কারো কারো ব্যাপারে সন্দেহ করতেন।
১৩৯. (وقال اسمعيل بن ابراهيم ) سألت اهل المدينة عن عبد الرحمن فلم يحمد مع انه لا يعرف له بالمدينة تلميذ الا ان موسى الزمعي روى عنه اشياء في عدة منها الاضطراب وروى عن عبد الرحمن عن الزهري عن سالم عن أبيه قال: لما قدم النبي ﷺ المدينة وهممه للاذان بطوله ।
وروى هذا عدة من اصحاب الزهري : منهم يونس وابن اسحق عن سعيد عن عبد الله بن زيد وهذا هو الصحيح وان كان مرسلا ।
১৩৯। ইসমাইল বিন ইবরাহীম বলেছেন: আমি মাদীনাবাসীদেরকে 'আবদুর রহমান সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছি। তাঁর প্রশংসা করা হয়নি এবং মুসা যাময়ী' ব্যতীত মাদীনায় তার ছাত্র আছে বলে জানা যায়নি। তার থেকে কিছু বিষয় বর্ণিত আছে, যার মধ্যে (ইয্তিরাব) দোষ রয়েছে। 'আবদুর রহমান থেকে বর্ণিত আছে। তিনি যুহরী হতে, তিনি সালেম হতে, তিনি তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করে বলেন: নাবী যখন মাদীনায় আসলেন তখন তিনি তাঁকে আযান দীর্ঘ করে দেয়ার জন্য উৎসাহিত করেছেন।
এটা যুহরীর অনেক ছাত্র থেকে বর্ণিত আছে: তাঁদের মধ্যে ইউনুস ও ইবনু ইসহাক, সাঈদ হতে, তিনি 'আবদুল্লাহ বিন যায়দ হতে বর্ণনা করেন। আর এটাই সহীহ। যদিও তিনি মুরসাল।
১৪০. وقال ابن جريج اخبرني نافع عن ابن عمر رضي الله عنه كان المسلمون حين قدموا المدينة يجتمعون يتحينون الصلاة فقال بعضهم اتخذوا ناقوسا وقال بعضهم بل بوقا فقال عمر اولا تبعثون رجلا ينادي بالصلاة فقال النبي ﷺ يا بلال قم فناد بالصلاة) وهذا خلاف ما ذكر عبد الرحمن عن الزهري عن سالم عن ابن عمر وروى ايضا عبد الرحمن عن الزهري عن سعيد عن ابي هريرة رضي الله عنه عن النبي صلي الله عليه وسلم: «اذا سمعتم المؤذن فقولوا مثل ما يقول وهذا مستفيض عن مالك ومعمر ويونس وغيرهم عن الزهري عن عطاء بن يزيد عن ابي سعيد عن النبي ﷺ
১৪০। ইবনু জুরাইজ বলেছেন: নাফি' আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি ইবনু 'উমার (রাযিঃ) থেকে বর্ণনা করেন, যখন মুসলিমগণ মাদীনায় আগমন করেন তাঁরা সলাত আদায়ের জন্য একত্রিত হন। তাঁদের থেকে কেউ বললেনঃ ناقوس বাজাও। আবার কেউ বললেন : বরং বাঁশি বাজাও।
'উমার (রাযিঃ) বললেন : তোমরা কি এক ব্যক্তিকে পাঠাতে পার না- যে সলাতের জন্য ডাকবে?
নাবী বললেন : হে বেলাল! উঠ, সলাতের জন্য আহ্বান কর। আর এটা এ কথার বিপরীত যা 'আবদুর রহমান যহুরী হতে বর্ণনা করেন, তিনি সালেম হতে, তিনি ইবনু 'উমার হতে। 'আবদুর রহমান থেকে এটাও বর্ণিত আছে, তিনি যহুরী হতে, তিনি সাঈদ হতে, তিনি আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে, তিনি নাবী থেকে বর্ণনা করেন- যখন তোমরা মুয়াযযিন-এর আযান শুনবে, তখন মুয়াযযিন যা বলে তোমরাও তা বল। আর এটা مستفيض মুস্তাফীয।* মালিক, মা'মার, ইউনুস তাঁদের আরও অনেকে বর্ণনা করেন যহুরী হতে, তিনি 'আত্বা বিন ইয়াযীদ হতে, তিনি আবূ সাঈদ থেকে, তিনি নাবী থেকে বর্ণনা করেন।
١٤١ . وروى خالد عن عبد الرحمن عن الزهرى حديثا في قتل الوزغ .
১৪১। খালেদ থেকে বর্ণিত আছে। তিনি 'আবদুর রহমান থেকে, তিনি যহুরী হতে ওযগ টিকটিকি হত্যার ব্যাপারে হাদীস বর্ণনা করেন।
١٤٢. (وقال ابو الهيشم) عن عبد الرحمن عن عمر بن سعيد عن الزهري . ( قال البخاري) وغير معلوم صحيح حديثه إلا بخبربين . ( قال البخاري) رأيت علي بن عبد الله يحتج بحديث ابن اسحق وقال علي عن ابن عيينة ما رأيت احدا يتهم ابن اسحق .
১৪২। আবুল হাইসাম বলেন: তিনি 'আবদুর রহমান থেকে, তিনি 'উমার বিন সাঈদ থেকে, তিনি যুহরী থেকে বর্ণনা করেন।
ইমাম বুখারী বলেছেন: তার হাদীস সহীহ বলে জানা যায় না। কিন্তু স্পষ্ট বর্ণনা থাকলে ভিন্ন কথা। ইমাম বুখারী বলেছেন: 'আলী বিন 'আবদুল্লাহকে ইবনু ইসহাক-এর হাদীস দ্বারা দলীল গ্রহণ করতে দেখেছি। ইবনু 'উয়াইনাহ থেকে 'আলী বর্ণনা করে বলেন: আমি কাউকে ইবনু ইসহাকের প্রতি দোষারোপ করতে দেখিনি।
١٤٣. حدثنا محمود قال حدثنا البخاري قال قال لي ابراهيم بن المنذر حدثنا عمر بن عثمان ان الزهري كان يتلقف المغفازي من ابن اسحق المدني فيما يحدثه عن عاصم بن عمر عن ابن قتادة والذي يذكر عن مالك في ابن اسحق لا يكاد يبين وكان إسمعيل ابن أبي أويس من اتبع من رأينا مالكا اخرج لي كتب ابن اسحق عن أبيه عن المغازي وغير هما فانتخبت منها كثيرا
১৪৩। মাহমুদ 'উমার বিন 'উসমান হাদীস বর্ণনা করে বলেন যে, যুহরী ইবনু ইসহাক মাদানী হতে ইতিহাস সম্পর্কিত বিষয় গ্রহণ করেছেন। যা তিনি আছেম বিন 'উমার হতে, তিনি ইবনু ক্বাতাদাহ হতে বর্ণনা করেছেন। ইমাম মালিক হতে ইবনু ইসহাক সম্পর্কে যা উল্লেখ করা হত, তা বর্ণনা করার মত নয়। ইসমাঈল বিন আবূ ওয়াঈস, যিনি আমাদের মতের ব্যাপারে ইমাম মালিকের অনুসরণ করতেন। (ইমাম যহুরী বলেন) ইমাম মালিক আমাকে ইবনু ইসহাকের কিছু ইতিহাস সম্বন্ধীয় রেসালা সম্পর্কে বর্ণনা করেন, যা তিনি তার পিতা হতে বর্ণনা করেছেন এবং এ দুজন ব্যতীত অন্যদের রিসালা সম্পর্কে বর্ণনা করেন। আমি তা হতে অনেক বাছাই করেছি।
১৪৪. (وقال لي ابراهيم بن حمزة) كان عند ابراهيم بن سعد عن محمد بن اسحق نحو من سبعة عشر الف حديثا في الاحكام سوى المغازي وابراهيم بن سعد من اكثر اهل المدينة حديث في زمانه ولو صح عن مالك تناوله من ان اسحق فلربما تكلم الانسان فيرمي صاحبه بشيء واحد ولا يتهمه في الأمور كلها ।
১৪৪। ইবরাহীম বিন হামযাহ আমাকে বলেছেন: ইবরাহীম বিন সায়াদের নিকট ইতিহাস ব্যতীত প্রায় ১৭ হাজার আহকাম সম্পর্কীয় হাদীস রয়েছে, যা তিনি মুহাম্মাদ বিন ইসহাক থেকে বর্ণনা করেছেন।
ইবরাহীম বিন সায়াদ তাঁর যুগে মাদীনার অনেক বড় মুহাদ্দিস ছিলেন। মালিক ইসহাক থেকে হাদীস গ্রহণ করেছেন এ কথা যদি সঠিকও হয়, তবে একথাও সত্য যে, লোকেরা কখনও কখনও তাঁর দোষারোপ করত। তাঁর সাথীরা তাঁর কথাকে প্রত্যাখ্যান করত। তাঁর সকল বিষয়ে দোষারোপ করা হত না।
১৪৫. وقال ابراهيم بن المذر عن محمد بن فليح نهاني مالك عن شيخين من قريش وقد أكثر عنهما في الموطأ وهما مما يحتج بحديثهما ولم ينج كثير من الناس من كلام بعض الناس فيهم نحو ما يذكر عن إبراهيم من كلامه في الشعبي وكلام الشعبي في عكرمة وفيمن كان قبلهم وتأويل بعضهم في العرض والنفس ولم يلتفت اهل العلم في هذا النحو الاببيان وحجة ولم يسقط عدالتهم الاببرهان ثابت وحجة والكلام في هذا كثير ।
১৪৫। ইবরাহীম বিন মুনযির বলেন: তিনি মুহাম্মাদ বিন ফালীহ হতে বর্ণনা করেন, ইমাম মালিক আমাকে দু' কুরাইশ শায়খ হতে বর্ণনা করতে নিষেধ করেছেন। অথচ মুয়াত্তার মধ্যে তাঁদের থেকে অধিকাংশ বর্ণনাই রয়েছে। তিনি তাঁদের হাদীসের মুখাপেক্ষী। অনেক লোক তাদের কথা থেকে মুক্তি পেতে পারে না। তাদের কতক লোক ইবরাহীমের কথা শাবীর কথার মধ্যে এবং শাবীর কথা ইকরিমাহ্র কথার মধ্যে ও তাঁদের পূর্ববর্তীদের পরস্পর পরস্পরের কথার মধ্যে উল্লেখ করেছেন কতকের এবং তাদের ব্যাখ্যা মর্যাদা ও ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে। হাদীস বিশারদগণ এ ব্যাপারে স্পষ্ট বর্ণনা ও দলীল ব্যতীত ভ্রুক্ষেপ করেননি। আর হাদীস বিশারদগণ স্পষ্ট দলীল প্রমাণ ছাড়া তাদের (আদালাত) ন্যায়পরায়ণতাকে বাতিল করেননি। এ ব্যাপারে অনেক কথা আছে।
١٤٦. (وقال عبيد بن يعيش حدثنا يونس بن بكير قال سمعت شعبة يقول محمد بن اسحق امير المحدثين لحفظه وروى عنه الثوري و ابن ادريس وحماد بن زيد ويزيد بن زريع وابن علية وعبد الوارث وابن المبارك وكذالك احتمله احمد ويحي بن معين وعامه اهل العلم .
১৪৬। 'উবাইদ বিন উয়াঈশ বলেন: ইউনুস বিন বুকাইর আমাদেরকে হাদীস বর্ণনা করে বলেন: আমি শু'বাহকে বলতে শুনেছি- মুহাম্মাদ বিন ইসহাক তাঁর স্মরণ শক্তিতে ছিলেন মুহাদ্দিসদের আমীর। তাঁর থেকে সাওরী, ইবনু ইদ্রীস, হাম্মাদ বিন যায়দ, ইয়াযীদ বিন যুরাই', ইবনু ইলয়্যা, 'আবদুল ওয়ারেস, ইবনু মোবারক বর্ণনা করেন। এমনিভাবে আহমাদ, ইয়াহ্ইয়া বিন মুয়ীন ও সাধারণ জ্ঞানীগণ তাঁর কথাকে গ্রহণ করেছেন।
١٤٧ . وقال لي علي بن عبد الله ( نظرت في كتاب ابن اسحق فما وجدت عليه الافي حديثين ويمكن ان يكونا صحيحين.
১৪৭। ইমাম বুখারী বলেন: 'আলী বিন 'আবদুল্লাহ আমাকে বলেছেন: আমি ইবনু ইসহাকের কিতাবে দেখেছি সেখানে দু'টি হাদীস পেয়েছি। আর সম্ভবত তা সহীহ।
١٤٨. وقال بعض اهل المدينة ان الذي يذكر عن هشام بن عروة قال : كيف يدخل ابن اسحق على امرأتي لو صح عن هشام جازان تكتب اليه فان اهل المدينة يرون الكتاب جائزا لان النبي ﷺ كتب لامير السرية كبابا وقال: «لا تقرأه حتى تبلغ مكان كذا وكذا ، فلما بلغ فتح الكتاب واخبرهم بما قال النبي الله وحكم بذلك كذالك الخلفاء والائمة يقضون كتاب بهضهم الى بعض وجائز أن يكون سع منها وبينهما حجاب وهشام لم يشهد.
১৪৮। (মাদীনাবাসীর অনেকে বলেছেন:) যিনি হিশাম বিন 'উরওয়াহ হতে উল্লেখ করেছেন, তিনি বলেন: কিভাবে ইবনু ইসহাক আমার স্ত্রীর নিকট আসল? যদি হিশাম হতে বর্ণনা করা সহীহ হয়, তাহলে তার নিকট লেখাও জায়িয হবে। কেননা, মাদীনাবাসী পত্র লেখাকে জায়িয মনে করতেন। কেননা, নাবী ছোট সৈন্য দলের আমীরের নিকট পত্র লিখেছিলেন এবং তিনি বলেছিলেন: তুমি পত্রকে অমুক অমুক স্থানে না পৌঁছা পর্যন্ত পাঠ কর না। যখন তিনি সে স্থানে পৌঁছলেন, পত্র খুললেন এবং সৈন্যদেরকে নাবী পত্রে যা বলেছেন, সে সংবাদ দিলেন। এভাবে তিনি ফয়সালা করলেন।
এমনিভাবে খুলাফা রাশেদা ও উলামাগণের কেউ কেউ অন্যের নিকট পত্র লিখে ফয়সালা দিতেন। তাঁর ব্যাপারে সুযোগ রাখা উচিত যে, তাঁদের মাঝে পর্দা ছিল এবং সেখানে উপস্থিত ছিল না বা হিশাম এ ব্যাপারে সাক্ষ্য দেয়নি।
১৪৯. حدثنا محمود قال حدثنا البخاري قال حدثنا آدم قال حدثنا ابن ابي ذئب قال حدثنا سعيد المقبري عن ابي هريرة رضى الله عنه عن النبي ﷺ قال : « أُمُّ الْقُرْآنِ هِيَ السَّبْعُ الْمَثَانِي وَالْقُرْآنُ الْعَظِيمُ ».
১৪৯। মাহমূদ আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) নাবী হতে বর্ণনা করেন, নাবী বলেছেন: উম্মুল কুরআনই হলো সাবউল মাসানী বা বার বার পঠিত সূরা এবং আল-কুরআন আল-'আযীম।
১৫০. وقال البخاري والذي زاد مكحول وحزام بن معاوية ورجاء بن حيوه عن محمود بن الربيع عن عبادة فهو تبع لما روى الزهري لأن الزهري قال: حدثنا محمود ان عبادة رضي الله عنه أخبره عن النبي ﷺ وهؤلاء لم يذكروا انهم سمعوا من محمود فان احتج محتج فقال: إن الذي تكلم ان لا يعتد بالركوع الابعد قراءة فيزعم أن هؤلاء ليسوا من اهل النظر قيل له : ان بعض مدعي الاجماع جعلوا اتفاقهم مع من زعم أن الرضاع الى حولين ونصف وهذا خلاف نص كلام الله عز وجل قال الله تعالى (حَوْلَيْنِ كَامِلَيْنِ) لمن أراد ان يتم الرضاعة ويزعم ان الخنزير البري لا بأس به ويرى السيف على الأمة ويزعم ان امر الله من قبل ومن بعد مخلوق فلا يرى الصلاة دينا فجعلتم هذا وأشباهه اتفاقا والذي يعتمد على قَوْلِ الرَّسُولِ ﷺ وَهُوَ أَنْ لَا صَلَاةَ إِلَّا بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ .
১৫০। ইমাম বুখারী বলেছেন: মাকহুল ও হাযাম বিন মুয়াবিয়্যাহ এবং রজাআ বিন হাইয়্যা যা বৃদ্ধি করেছেন, তা মাহমূদ বিন রবী হতে বর্ণনা করেছেন। তিনি 'উবাদাহ হতে, আর সেটা যুহরী যা বর্ণনা করেছেন তার অনুগামী। কেননা, যুহরী বলেছেন: আমাদেরকে মাহমূদ হাদীস বর্ণনা করে বলেছেন যে, 'উবাদাহ (রাযিঃ) তাঁকে সংবাদ দিয়েছেন নাবী হতে।
আর তারা সকলে মাহমুদ থেকে )فإن احتج محتج( বাক্যটি শুনেছেন একথা উল্লেখ করেননি। অতঃপর ইমাম বুখারী বলেছেন, যারা দোষারোপ করেছেন এ কথার যে, কিরাআতের পর ব্যতীত রুকূ'কে গণনা করো না। তারা ধারণা করে এরা জ্ঞানীদের অন্তর্ভুক্ত নয়।
যদি তাদের বলা হয় কিছু সংখ্যক ইজমার দাবীদাররা একমত হয়েছে যে, তারা ধারণা করে রযায়াত বা দুধ পান করার সময় হলো আড়াই বছর। অথচ এটা মহান আল্লাহর কালাম বাণী : )حَوْلَيْنِ كَامِلَيْنِ( ] রযায়াত হলো পূর্ণ দু' বছর। এ দলীলের বিপরীত। যে ইচ্ছা করবে রাযায়াত পূর্ণ করবে। এবং তারা ধারণা করে স্থলের শুকর ভোগ করলে দোষ নেই এবং উম্মাতের উপর তরবারী চালানো বৈধ এবং ধারণা করে বলে আল্লাহর আমর বা কাজ তাঁর পূর্বে ছিল এবং মাখলুক সৃষ্টির পরেও ছিল এবং তারা সলাত বা নামায-কে দ্বীন মনে করেনা। এগুলি ও এধরনের অনেক বিষয়ে তোমরা একমত হয়েছ।
আর নির্ভরযোগ্য কথা হলো রসূল-এর এ কথা ফাতিহাতুল কিতাব ব্যতীত সলাত হবে না।
١٥١ . وما فسر ابو هريرة وابو سعيد لا يركعن احدكم حتى يقرأ فاتحة الكتاب واهل الصلاة مجتمعون في بلاد المسلمين في يومهم وليلتهم على قراءة ام الكتاب وقال الله تعالى (فَاقْرَؤُوا مَا تَيَسَّرَ مِنْهُ) فهؤلاء أولى بالاثبات ممن أباحوا اعراضكم والانفس والأموال وغيرها فلينصف المستحسن المدعي العلم خرافة اذا نسوهم في اجماعهم بانفرادهم وينفي المشتهرين بالذنب عن العلوم باستقباحه وقيل : أنه يُكَبِّرُ إِذَا جَاءَ إِلى الإِمَامِ وَهُوَ يَقْرَأُ ولا يلتفت إِلَى قَرَاءَةِ الْإِمَامِ لأَنَّهُ فرض فَكَذلك فرض القراءة لا يتبع بحال الامام وَإِنْ نَسِيَ صَلَاةَ الْعَصْرِ أَوْ غَيْرَهَا حَتَّى غُرِبَتِ الشَّمْسُ ثُمَّ صَلَّى وَالْإِمَامُ فِي قِرَاءَةِ الْمَغْرِبِ يَسْمَعُ إِلَى قِرَاءَةِ الْإِمَامُ فَقَدْ تَمَّتْ صَلَاتَهُ
১৫১। আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) ও আবূ সাঈদ (রাযিঃ) যা ব্যাখ্যা করেছেন, তা হলো তোমাদের মধ্যে কেউ যেন ফাতিহাতুল কিতাব পাঠ করা ব্যতীত রুকূ' না করে। বিভিন্ন মুসলিম দেশে সলাত আদায়কারীরা রাত্রে ও দিনে উম্মুল কিতাব পাঠ করার উপর এক মত। মহান আল্লাহ বলেন : )فَاقْرَؤُوا مَا تَيَسْرَ مِنْهُ( [কুরআন থেকে যা সহজ তা পাঠ কর।] এ সমস্ত লোক উম্মুল কুরআন প্রমাণ করার দিক দিয়ে ঐ সমস্ত লোক হতে অতি উত্তম যারা তোমাদের সম্মান, ব্যক্তিত্ব এবং সম্পদ ইত্যাদি লুণ্ঠন করা বৈধ করে নিয়েছে। উত্তম 'ইলমের দাবীদারদের প্রতি অনুগ্রহ করা উচিত, যখন তারা নিজেদের অনৈক্যের কারণে তাদের ঐক্যকে ভুলে গিয়ে কু সংস্কারের মধ্যে নিমজ্জিত হয়। তাদের নিকৃষ্ট 'ইলমের দ্বারা অর্জিত প্রসিদ্ধি গুনাহের কারণে বাতিল হয়ে যায়। তাদেরকে বলা হবে যে, ইমামের পাঠ করা অবস্থায় যখন কোন ব্যক্তি আসবে, তখন সে প্রথমে তাকবীর দিবে। ইমামের কিরাআতের প্রতি সে ভ্রুক্ষেপ করবে না, কেননা তাকবীর বলা ফরয। এমনিভাবে ফরয কিরাআতের সময়ও সে ইমামের অবস্থার প্রতি ভ্রুক্ষেপ করবে না, যদিও আসরের অথবা অন্য সলাতের কথা ভুলে যায়। এমনকি সূর্য ডুবে যায় অতঃপর ইমাম মাগরিবের কিরাআত পাঠ করা অবস্থায় সে সলাত আদায় করে। আর সে ইমামের কিরাআত শুনেনি, তবুও তার সলাত পূর্ণভাবে আদায় হয়ে যাবে।
١٥٢. لقول النبي ﷺ : « من نسي صلاة او نام عنها فليصل اذا ذكرها »
১৫২। নাবী-এর বাণী: যে ব্যক্তি সলাত পড়ার কথা ভুলে যাবে অথবা ঘুমে থাকবে, যখন স্মরণ হয় তখনই সে যেন সলাত পড়ে।
١٥٣. وقال النبي الله «لَا صَلَاةَ إِلَّا بِقِراءَة» فأوجب الامرين في كليهما لا يدع الفرد يحال الاستماع .
১৫৩। নাবী বলেছেন: কিরাআত ব্যতীত কোন সলাত নেই। অতঃপর উভয় হুকুমের উপর আমল করা ওয়াজিব। শুনার অবস্থায় একটাকে পরিহার করতে হবে না।
١٥٤ - فان احتج فقال قال الله تعالى (فَاسْتَمِعُوا لَهُ) فليس لاحد ان يقرأ خلف الامام ونفي سكتات الامام فيل له ذكر عن ابن عباس وسعيد بن جبير إِنَّ هَذَا فِي الصَّلَاةِ إِذَا خَطَبَ الْإِمَامُ يَوْمُ الْجُمُعَةِ .
১৫৪। যদি তারা যুক্তি (দলীল) পেশ করে বলে, মহান আল্লাহ বলেছেন: তোমরা কুরআন পড়া শুন। অতএব, কারও জন্য ইমামের পিছনে কিরাআত পড়া উচিত হবে না আর ইমামের সাকতা করাও নিষেধ হয়ে গেল। তাদেরকে জওয়াবে বলা হবে, ইবনু 'আব্বাস এবং সাঈদ বিন জুবাইর হতে উল্লেখ রয়েছে যে, জুমুআর দিন ইমাম যখন সলাতের জন্য খুৎবাহ দেয় এটা সে ব্যাপারে।
١٥٥ . وقد قال النبي ﷺ : «لا صَلَاةَ إِلَّا بِقِرَاءَةِ وَنَهَى عَنِ الكلام» .
১৫৫। অবশ্যই নাবী বলেছেন: কিরাআত ব্যতীত সলাত হবে না এবং তিনি কথাবার্তা বলা হতে নিষেধ করেছেন।
١٥٦ . وقال : «إِذَا قُلْت لصاحبكَ أَنْصِتْ وَالْإِمَامُ يَخْطُبُ فَقَدْ لغوت ثُمَّ أَمَرَ مَنْ جَاءَ وَالْإِمَامُ يَخْطُبُ أَنْ يُصَلِّي رَكْعَتَيْنِ وَلِذَلِكَ لَمْ يَخْطِئ أَن الكتاب يُقْرَأَ فَاتِحَةِ الْكِتَابِ .
১৫৬। এবং নাবী বলেছেন: ইমাম খুৎবাহ দেয়া অবস্থায় তুমি যদি তোমার সাথীকে বল চুপ থাকো, তাহলে তুমিও অনর্থক কথা বললে। অতঃপর নাবী নির্দেশ দিয়েছেন: ইমাম খুৎবাহ দেয়া অবস্থায় যে আসবে সে যেন দু' রাক'আত সলাত পড়ে এবং এ কারণেই ফাতিহাতুল কিতাব পড়ায় ক্ষতি নেই।
١٥٧ . ثم أمر النبي الله وهو يخطب سليكا الغطفاني حينَ جَاءَ أَن يُصَلِّي رَكْعَتَيْنِ .
১৫৭। অতঃপর নাবী সালীক গাতফানীকে খুৎবা দেয়া অবস্থায় নির্দেশ দিয়েছিলেন, দু' রাক'আত পড়ে নেয়ার জন্য, যখন সে এসেছিল।
١٥٨ . وقال : «إِذَا جَاءَ أَحَدُكُمْ وَالْإِمَامُ يَخْطُبُ فَلْيُصَلِّ رَكْعَتَيْنِ» وقد فعل : ذلك الحسن والإمام يخطب
১৫৮। নাবী বলেছেন: ইমাম খুৎবাহ দেয়া অবস্থায় তোমাদের কেউ আসলে সে যেন দু' রাক'আত পড়ে নেয়। আর হাসান বসরী ইমাম খুৎবাহ দেয়া কালীন দু' রাক'আত পড়েছেন।
১৫৯ . حدثنا محمود قال حدثنا البخاري قال حدثنا موسى ابن إسمعيل قال حدثنا يزيد بن ابراهيم عن ابي الزبير عن جابر رضي الله عنه قال : جَاءَ وَالْإِمَامُ يَخْطُبُ قَالَ أَصَلَّيْتَ قَالَ : لَا قَالَ صَلِّ وَكَانَ جابر يعجبه إِذَا جَاءَ يَوْمَ الْجُمُعَةِ أَن يُصَلِّيهِمَا فِي الْمَسْجِدِ .
১৫৯। মাহমূদ ...... জাবির (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন: এক ব্যক্তি ইমাম খুৎবাহ দেয়া অবস্থায় আসলে তিনি বললেন: সলাত পড়েছ? লোকটি বলল- না। তিনি বললেন: সলাত পড়। জাবির (রাযিঃ) জুমু'আর দিন মাসজিদে এসে দু' রাক'আত পড়তে পছন্দ করতেন।
١٦٠ - حدثنا محمود قال حدثنا البخاري قال حدثنا ابو النعمان قال حدثنا حماد بن زيد عن عمرو بن دينار عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ : جَاءَ رَجُلٌ وَالنَّبِيُّ ﷺ يَخْطُبُ النَّاسَ يَوْمَ الْجُمُعَةِ فَقَالَ : أَصَلَّيْتَ يَا فُلَانُ قَالَ : لَا قَالَ : قُمْ فَارْكَعْ .
১৬০। মাহমূদ ...... জাবির বিন 'আবদুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন: নাবী জুমু'আর দিন খুৎবা দিতেছিলেন এ অবস্থায় এক ব্যক্তি আসলে নাবী বললেন : হে অমুক, সলাত পড়েছ? লোকটি বলল- না। নাবী বললেন : রুকূ' কর অর্থাৎ সলাত পড়।
١٦١ . حدثنا محمود قال حدثنا البخاري قال حدثنا عمر بن حفص قال حدثنا ابي قال حدثنا الأعمش قال سمعت ابا صالح يذكر حديث سليك الغطفاني ثم سمعت أبا سعيان بعد يقول سمعت حابرا يقول جاء سليك الغطفاني يوم الجمعة والنبي ﷺ يخطب فجلس فقال النبي ﷺ : يَا سَلِيكَ قُمْ فَصَلِّ رَكْعَتَيْنِ خَفِيفَتَيْنِ تَجَوَّزَ فِيهِمَا » ثُمَّ قَالَ : «إِذَا جَاءَ أحَدُكُمْ وَالْإِمَامُ يَخْطُبُ فَلْيُصَلِّ رَكْعَتَيْنِ خَفِيفَتَيْنِ يَتَجَوَّزَ فِيهِمَا » .
১৬১। মাহমুদ ....... আ'মাশ বলেন: আমি আবূ সালিহের নিকট শুনেছি। তিনি সালীক গাতফানীর হাদীস বর্ণনা করেছেন। অতঃপর আমি আবূ সুফ্য়ানের নিকট শুনেছি। এরপর তিনি বলেন: আমি জাবির (রাযিঃ)-কে বলতে শুনেছি।
সালীক গাতফানী জুমু'আর দিন নাবী -এর খুৎবা দেয়া কালীন এসে বসে গেলে নাবী বললেনঃ হে সালীক! দাঁড়াও, তারপর সংক্ষিপ্তভাবে দু' রাক'আত পড়ে লও। অতঃপর নাবী বললেন: ইমাম খুৎবাহ দেয়া অবস্থায় তোমাদের কেউ যদি আসে সে যেন সংক্ষিপ্তভাবে দু' রাক'আত পড়ে নেয়।
١٦٢. حدثنا محمود قال حدثنا البخاري قال حدثنا عبد الله بن محمد قال حدثنا سفيان قال حدثنا ابن عجلان سمع عياض بن عبد الله ان ابا سعيد رضي الله عنه دخل ومروان يخطب فجاء الاحراس ليجلسوه فأبى حتى صلى فقلنا له فقال ما كنت لا دعهما بعد شيئ رأيته من رسول الله ﷺ كان يخطب فجاء رجل فأمره فصلى ركعتين والنبي ﷺ يخطب ثم جاء جمعة اخرى والنبي ﷺ يخطب فأمر النبي ﷺ ان يصدقوا عليه وان يصلى ركعتين
১৬২। মাহমূদ ....... ইয়ায বিন 'আবদুল্লাহ্র নিকট ইবনু আজলান শুনেছেন যে, আবূ সা'ঈদ খুদরী (রাযিঃ) (মাসজিদে) প্রবেশ করলে আর মারওয়ান খুৎবাহ দিতেছিল। অতঃপর আহ্হ্রাস আসলেন তাঁরা তার নিকট বসলেন।
আর তিনি (আবু সাঈদ) বসতে অস্বীকার করলেন, এমনকি সলাত পড়লেন। আমরা তাঁকে কিছু বললাম, তিনি বললেন: এ ব্যাপারের পরেও আমি একে (দু' রাক'আতকে) পরিহার করব না।
আমি রসূলুল্লাহ -কে খুৎবাহ দিতে দেখেছি, অতঃপর এক ব্যক্তি আসলেন তিনি তাঁকে নির্দেশ দিলেন। আর তিনি দু' রাক'আত সলাত পড়লেন, তখনও নাবী খুৎবাহ দিচ্ছিলেন।
অতঃপর অন্য জুমু'আহ্ দিন সে ব্যক্তি আসল, আর নাবী খুৎবাহ দিচ্ছিলেন। নাবী নির্দেশ দিলেন তাঁরা যেন তাঁকে সদাকাহ দেয় এবং সে যেন দু' রাক'আত সলাত পড়ে।
١٦٣ - حدثنا محمود قال حدثنا البخاري قال حدثنا وهب قال حدثنا عبد الله عن الاوزاعي قال حدثني المطلب بن حنطب قال حدثني من سمع النبي ﷺ يخطب (صل ركعتين).
১৬৩। মাহমূদ মুত্তালিব বিন হানতাব বলেন : এক ব্যক্তি নাবী থেকে শুনে আমাকে হাদীস বর্ণনা করেছেন যে, জুমু'আর দিন নাবী-এর খুৎবাহ দেয়ার সময় এক ব্যক্তি প্রবেশ করলে তিনি তাকে বললেন : দু' রাক'আত সলাত পড়।
١٦٤. ( قال البخاري) وقال : عدة من اهل العلم : إن كل مأموم يقضي فرض نفسه والقيام والقراءة والركوع والسجود عندهم فرض فلا يسقط الركوع والسجود عن المأموم وكذالك القراءة فرض فلا يزول فرض عن احد الا بكتاب أو سنة وقال ابو قتادة وانس وابو هريرة رضي الله عنهم عن النبي ﷺ : «إِذَا أَتَيْتُمُ الصَّلَاةَ فَمَا أَدْرَكْتُمْ فَصَلُّوا وَمَا فَاتَكُمْ فَاتِمُوا فَمَنْ فَاتَهُ فَرْضَ الْقِرَاءَةِ وَالْقِيَامِ فَعَلَيْهِ إِثْمَامِهِ» كَمَا أَمَرَ النَّبِيُّ ﷺ.
১৬৪। ইমাম বুখারী বলেন : আহলে ইল্ম তথা জ্ঞানীদের কিছু সংখ্যক বলেন- যদি প্রত্যেক মুক্তাদীদের ফরয নিজেদের আদায় করতে হয়, যেমন কিয়াম, কিরাআত, রুকূ', সাজদায় যা তাদের নিকট ফরয, তাহলে যেমনিভাবে মুক্তাদী রুকু' সাজদাহ পরিহার করতে পারবে না, তেমনিভাবে কিরাআতও ফরয। অতএব কেউ এ ফরযকে পরিহার করে চলতে পারে না কিতাব অথবা সুন্নাহ ব্যতীত। আবূ ক্বাতাদাহ বলেন: আনাস, আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) নাবী হতে বর্ণনা করেন, যখন তোমরা সলাতে আসবে তখন যা পাবে তা পড়ে নিবে এবং যা ছুটে যাবে তা পূর্ণ করে নিবে। অতঃপর যার থেকে ফরয কিরাআত কিয়াম ছুটে গেল, তাঁর ওয়াজিব হলো তা পূর্ণ করে নেয়া। যেমনভাবে নাবী নির্দেশ করেছেন।
١٦٥. حدثنا محمود قال حدثنا البخاري قال حدثنا ابو نعيم قال حدثنا شيبان عن يحي عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي قَتَادَةَ عَنْ أَبِيهِ أَنَّ النَّبِيُّ ﷺ قَالَ : « فَمَا أَدْرَكْتُمْ فَصَلُّوا وَمَا فَاتَكُمْ فَأَتِمُوا ».
১৬৫। মাহমূদ 'আবদুল্লাহ বিন আবূ ক্বাতাদাহ হতে বর্ণিত; তিনি তার পিতা হতে বর্ণনা করেন যে, নাবী বলেছেন: "তোমরা সলাত যা পাবে পড়ে নিবে এবং যা ছুটে যাবে তা পূর্ণ করে নিবে।
১৬৬. হাদ্দানা মাহমুদ ক্বালা হাদ্দানা আল বুখারী ক্বালা হাদ্দানা কুতাইবা ক্বালা হাদ্দানা ইসমাঈল বিন জা'ফর আন হুমাইদ আন আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু আন আননবী « فليصل ما ادرك وليقض ما سبقه »
১৬৬। মাহমূদ আনাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত; তিনি নাবী থেকে বর্ণনা করেন, সলাত যা পাওয়া যাবে, সে যেন তা পড়ে নেয় এবং যা গত হয়ে গেছে তা যেন সে আদায় করে নেয়।
১৬৭. হাদ্দানা মাহমুদ ক্বালা হাদ্দানা আল বুখারী ক্বালা আব্দুল্লাহ বিন সালেহ ক্বালা হাদ্দানা আব্দুল আযীয বিন আবী সালামা আন হুমাইদ আত্ তাওয়ীল আন আনাস বিন মালিক আন النبي ﷺ : « مَا أَدْرَكْتُمْ فَصَلُّوا وَمَا فَاتَكُمْ فَأَتِمُّوا » .
১৬৭। মাহমূদ আনাস বিন মালেক হতে বর্ণিত; তিনি নাবী হতে বর্ণনা করেন: সলাতের যা তোমরা পাবে তা পড়ে নিবে এবং যা তোমাদের ছুটবে তা পূর্ণ করে নিবে।
১৬৮. হাদ্দানা মাহমুদ ক্বালা হাদ্দানা আল বুখারী ক্বালা হাদ্দানা মূসা ক্বালা হাদ্দানা হাম্মাদ বি হাজা
১৬৮। মাহমুদ বলেন হাম্মাদ হাদীস বর্ণনা করেন অনুরূপই।
১৬৯. হাদ্দানা মাহমুদ ক্বালা হাদ্দানা আল বুখারী ক্বালা হাদ্দানা আল ইয়ামান ক্বালা হাদ্দানা শোয়াইব আন আজ জুহরী ক্বালা আখবারানী আবু সালামাতা ইবনু আবদির রাহমানি আন্না আবা হুরাইরাতা রাদিয়াল্লাহু আনহু ক্বালা সামিতু রাসুল্লাল্লাহি ﷺ ইয়াকুলু : « ইজা উকিমাতিস সালাতু ফালা তা'তুহা তাস্য়াউনা ওয়া'তুহা তাম্শুনা ওয়া আলাইকুমুস সাকিনাতা ফামা আদরাকতুম ফাসাল্লু ওয়া মা ফাতাকুম ফা আতিম্মু»
১৬৯। মাহমুদ ...... যুহরী হতে বর্ণিত। তিনি বলেন: আবূ সালামাহ্ বিন 'আব্দুর রহমান আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) বলেছেন: আমি রসূলুল্লাহ্ -কে বলতে শুনেছি- যখন সালাতের ইকামাত হয় তখন তোমরা দৌঁড়ে আসবে না, বরং তোমরা হেঁটে আসবে। তোমাদের উপর ফরয হলো স্থিরতা। যা তোমরা পাবে তা পড়ে নিবে। এবং যা তোমাদের ছুটে যাবে তা তোমরা পূর্ণ করে নিবে।
১৭০. হাদ্দাসানা মাহমুদ কাল হাদ্দাসানা বুখারী কাল হাদ্দাসানি আখি আন ইয়াহইয়া ইবনু সালেমান আন ইবনি শিহাব আখনী আবু সালমা আন আব্বা হুরীরা রাদি আল্লাহু আনহু কাল সামিআতু রাসূল আল্লাহ ।
১৭০। মাহমুদ ...... ইবনু শিহাব হতে বর্ণিত। তিনি বলেন: আমাকে আবূ সালামাহ্ সংবাদ দিয়েছেন যে, আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) বলেছেন: আমি রসূলুল্লাহ্ -কে এরূপই বলতে শুনেছি।
১৭১. হাদ্দাসানা মাহমুদ কাল হাদ্দাসানা আব্দুল্লাহ কাল আল লাইস কাল হাদ্দানী ইয়াযিদ বিন আলহাদ আন ইবনি শিহাব আন আবী হুরীরা রাদি আল্লাহু আনহু সামিআতু রাসূল আল্লাহ বলেন: مَا أَدْرَكْتُمْ فَصَلُّوا وَمَا فَاتَكُمْ فَأَتِمُّوا
১৭১। মাহমুদ ...... আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন: আমি রসূলুল্লাহ্ -কে বলতে শুনেছি, (সালাতের) যা তোমরা পাবে তা পড়ে নিবে এবং যা তোমাদের ছুটে যাবে তা তোমরা পূর্ণ করে নিবে।
১৭২. হাদ্দাসানা মাহমুদ কাল হাদ্দাসানা বুখারী কাল হাদ্দাসানা আব্দুল্লাহ বিন মাসলামা কাল হাদ্দাসানা লাইস কাল হাদ্দানী আকীল আন ইবনি শিহাব আখবারনি আবু সালমা ইবনু আব্দুর রহমান আন্নাহু সামেআ আব্বা হুরীরা রাদি আল্লাহু আনহু কাল কাল রাসূল আল্লাহ : مَا أَدْرَكْتُمْ فَصَلُّوا وَمَا فَاتَكُمْ فَأَتِمُّوا
১৭২। মাহমুদ ...... আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) বলেন: রসূলুল্লাহ্ বলেছেন : (সালাতের) যা তোমরা পাবে পড়ে নিবে এবং যা তোমাদের ছুটে যাবে তা পূর্ণ করে নিবে।
۱۷۳. حَدَّثَنَا مَحْمُودٌ قَالَ حَدَّثَنَا الْبُخَارِيُّ قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنِ صَالِحٍ قَالَ حَدَّثَنِي اللَّيْثُ قَالَ : حَدَّثَنِي عُقَيْلٌ بِهَذَا .
১৭৩। মাহমূদ লাইস বলেন ‘আকীল আমাকে এরূপ হাদীসই বর্ণনা করেছেন।
۱۷٤. حَدَّثَنَا مَحْمُودٌ قَالَ حَدَّثَنَا الْبُخَارِيُّ قَالَ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ بُكَيْرٍ قَالَ حَدَّثَنَا اللَّيْثُ عَنْ عُقَيْلٍ بِهَذَا .
১৭৪। মাহমুদ ‘আকীল হতে এরূপই বর্ণিত আছে।
۱۷۵. حَدَّثَنَا مَحْمُودٌ قَالَ حَدَّثَنَا الْبُخَارِيُّ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ قَالَ اخبرنا سليمان عن الزهري عن أبي سلمة عن أبي هريرة رضي الله عنه قَالَ قَالَ النَّبِيُّ ﷺ: « صَلُّوا مَا أَدْرَكْتُمْ وَاقْضُوا مَا سَبَقْتُمْ ».
১৭৫। মাহমূদ আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন: নাবী বলেছেন: (সালাতের) যা তোমরা পাবে পড়ে নাও এবং যা তোমাদের গত হয়েছে তা আদায় করে নাও।
١٧٦. حَدَّثَنَا مَحْمُودٌ قَالَ حَدَّثَنَا الْبُخَارِيُّ قَالَ حَدَّثَنَا آدَمُ قَالَ حَدَّثَنَا ابن ابي ذئب عن الزهري عن أبي سلمة وسعيد بن المسيب عن أبي هريرة رضي الله عنه عن النبي ﷺ « مَا أَدْرَكْتُمْ فَصَلُّوا وَمَا فَاتَكُمْ فَاقْضُوا ) .
১৭৬। মাহমূদ ...... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত তিনি নাবী হতে বর্ণনা করেন। (সলাতের) যা তোমরা পাও পড়ে নিও আর তোমাদের যা ছুটে যাবে তা আদায় করে নিও।
۱۷۷. حَدَّثَنَا مَحْمُودٌ قَالَ حَدَّثَنَا الْبُخَارِيُّ قَالَ حَدَّثَنَا ابو نعيم قال انبأنا ابن عيينة عن الزهري عن سعيد بن المسيب عن ابي هريرة رضي الله عنه عن النبي ﷺ « مَا أَدْرَكْتُمْ فَصَلُّوا وَمَا فَاتَكُمْ فَاقْضُوا ».
১৭৭। মাহমূদ আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি নাবী হতে বর্ণনা করেন। (সলাতের) যা তোমরা পাও তা পড়ে নিও এবং যা তোমাদের ছুটে যায় তা পূর্ণ করে নিও।
১৭৮. হাদ্দাসানা মাহমূদ ক্বালা হাদ্দাসানাল বুখারী ক্বালা হাদ্দাসানা আলী ক্বালা হাদ্দাসানা সুফিয়ান ক্বালা হাদ্দাসানা আয-যুহরী আন সাঈদ ইবনুল মুসায়্যাব আন আবী হুরাইরাতা রাদিয়াল্লাহু আনহু আনিন নাবী ﷺ: «فَمَا أَدْرَكْتُمْ فَصَلُّوا وَمَا فَاتَكُمْ فَاقْضُوا».
১৭৮। মাহমূদ হাদীস আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি নাবী হতে বর্ণনা করেন। তোমরা (সলাতের) যা পাও তা পড়ে নিও এবং যা তোমাদের ছুটে যায় তা পূর্ণ করে নিও।
১৭৯. হাদ্দাসানা মাহমূদ ক্বালা হাদ্দাসানাল বুখারী ক্বালা হাদ্দাসানা উবায়দুল্লাহ ক্বালা হাদ্দাসানাল লাইস ক্বালা হাদ্দাসানী ইউনুস আন ইব্নি শিহাব আন আবী সালামাহ আন আবী হুরাইরা ক্বালা সামি'তুন নাবীয় ﷺ বি হাজা।
১৭৯। মাহমূদ আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন: আমি নাবী থেকে এরূপ শুনেছি।
১৮০. (ওয়াক্বালা ইবরাহীম বিন সা'দ আন আয-যুহরী আন সাঈদ ওয়া আবী সালামাহ
১৮০। (ইবরাহীম বিন সাদ বলেন) তিনি যুহরী হতে তিনি সাঈদ এবং আবূ সালামাহ হতে বর্ণনা করেন।
১৮১. (ওয়াক্বালা 'আব্দুর রায্যাক্ব) আন মা'মার আন আয-যুহরী আন সাঈদ।
১৮১। ('আবদুর রায্যাক বলেন) তিনি মা'মার হতে, তিনি যহুরী হতে, তিনি সাঈদ হতে বর্ণনা করেন।
১৮২. (ওয়াক্বালা মূসা বিন আ'ঈন) আখবারনী মা'মার আন আয-যুহরী আন আবী সালামাহ ওয়াহদাহ।
১৮২। মাহমূদ আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) বলেন, নাবী বলেছেন : তোমরা (সলাতের) যা পাবে তা পড়ে নিও এবং যা তোমাদের ছুটে যায় তা পূর্ণ করে নিও।
১৮৪. হাদ্দাসানা মাহমূদ ক্বালা হাদ্দাসানাল বুখারী ক্বালা হাদ্দাসানা ইসমাঈল ক্বালা ক্বালা হাদ্দাসানা মালিকুন মিসলুহু।
১৮৪। মাহমূদ ইসমাঈল বলেন: মালিক অনুরূপ হাদীস আমাদেরকে বর্ণনা করেছেন।
১৮৫. হাদ্দাসানা মাহমুদুন কালা হাদ্দাসানাল বুখারী কালা হাদ্দাসানা কুতাইবাতু আন আবদিল আযীযি বিন মুহাম্মাদিন আনিল আলা ইবনি আবদির রাহমানি আন আবীহি আন আবী হুরাইরাতা রাদিয়াল্লাহু আনহু কালা কালা আন নাবিয়্যু সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম: «মা আদরাকতুম ফাসাল্লু ওয়া মা ফাতাকুম ফাতিম্মু»।
১৮৫। মাহমুদ আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নাবী বলেছেন: তোমরা (সলাতে ইমামের সাথে) যা পাও তা পড়ে নিও। অতঃপর তোমাদের থেকে যা ছুটে যাবে তা পূর্ণ করে নিও।
১৮৬. হাদ্দাসানা মাহমুদুন কালা হাদ্দাসানাল বুখারী কালা হাদ্দাসানা আমরুবিন মানসুর কালা হাদ্দাসানা আবু হিলালিন আন মুহাম্মাদিন বিন সিরিন আবী হুরাইরাতা রাদিয়াল্লাহু আনহু আন্না আন নাবিয়্যু সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কালা: «সাল্লি মা আদরাকতা ওয়া আকদি মা ফাতাকা»।
১৮৬। মাহমূদ আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে নাবী বলেছেন: তুমি যা (সলাতে ইমামের সাথে) পাও পড়ে নাও এবং যা তোমার ছুটে যায় পূর্ণ করে নাও।
১৮৭. হাদ্দাসানা মাহমুদুন কালা হাদ্দাসানাল বুখারী কালা হাদ্দাসানা ইসহাকু কালা হাদ্দাসানা হুশাইমুন আন ইউনুসা ওয়া ফী নুস্খাতিহা সামাউশ শাইখি বাদালা হুশাইমিন ইবরাহীমু আন ইউনুসা ওয়া হিশামুন আন মুহাম্মাদিন আন আবী হুরাইরাতা রাদিয়াল্লাহু আনহু আনিন নাবিয়্যু সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম: «ফালইয়ুসাল্লি মা আদরাকা ওয়ালইয়াকদি মা সাবাকা বিহি»।
১৮৭। মাহমুদ..... আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি নাবী হতে বর্ণনা করেন। সে যেন সলাত পড়ে নেয় যা সে ইমামের সাথে পায় এবং যা গত হয়ে যায় তা সে যেন পূর্ণ করে নেয়।
১৮৮. হাদ্দাসানা মাহমুদুন কালা হাদ্দাসানাল বুখারী কালা হাদ্দাসানা মুসা কালা হাদ্দাসানা হাম্মাদুন আন আইয়ুব আন মুহাম্মাদিন আবী হুরাইরাতা রাদিয়াল্লাহু আনহু আনিন নাবিয়্যু সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম: «ফালইয়ুসাল্লি মা আদরাকা ফালইয়াকদি মা ফাতাহু»।
১৮৮। মাহমূদ ..... মুহাম্মাদ আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি নাবী হতে বর্ণনা করেন। যা সে (ইমামের সাথে) পায় তা সে যেন পড়ে নেয় এবং সে যেন আদায় করে নেয় যা তার ছুটে যায় তা।
১৮৯. حدثنا محمود قال حدثنا البخاري قال حدثنا فضيل بن عياض عن هشام عن ابن سيرين عن أبي هريرة رضي الله عنه قال قال رسول الله ﷺ « فَمَا أَدْرَكَ فَلْيُصَلِّ وَمَا سَبَقَهُ فَلْيَقْضِ» .
১৮৯। মাহমূদ আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ বলেছেন: (সলাতে) যা সে পায় তা যেন ইমামের সাথে পড়ে নেয় এবং যা পায়নি তা যেন সে পূর্ণ করে নেয়।
১৯০. ورواه سعيد عن قتادة عن ابي رافع عن ابي هريرة عن النبي « فَمَا أَدْرَكَ فَلْيُصَلِّ وَمَا سَبَقَهُ فَلْيَقْضِ» .
১৯০। সাঈদ বর্ণনা করেন ক্বাতাদাহ হতে, তিনি আবু রাফি' হতে, তিনি আবূ হুরাইরাহ হতে, তিনি নাবী হতে বর্ণনা করেন (সলাতের যা সে ইমামের সাথে) পায় যেন সে পড়ে নেয় এবং যা পায়নি তা যেন সে পূর্ণ করে নেয়।
১৯১. قال البخاري واحتج سليمان بن حرب بحديث ابي في القراءة ولم يرابن نعمر بالفتح على الإمام بأسا.
১৯১। (ইমাম বুখারী বলেছেন) সুলাইমান বিন হাব কিরাআতের ব্যাপারে উবাইয়ের হাদীসকে সমর্থন করেছেন। আর ইবনু 'উমার ফাতিহার ব্যাপারে ইমামের উপর কোন অসুবিধা মনে করেননি।
۱۹۲. حدثنا محمود قال حدثنا البخاري قال حدثنا موسى قال حدثنا حماد عن ثابت عن الجارود بن ابي سبرة عن ابي بن كعب قال : صلى النبي ﷺ بالناس فترك اية فلما قضى صلاته قال: « أيكم اخذ على شيئا من قراءتي؟ قال ابي انا تركت اية كذا وكذا فقال : «قد عَلِمْتُ إِنْ كَانَ أَخَذَهَا أَحَدٌ عَلَيَّ كَانَ هَوَ» .
১৯২। মাহমূদ ...... উবাই বিন কা'ব হতে বর্ণিত। তিনি বলেন: নাবী লোকদেরকে সলাত পড়ালেন। তিনি কোন আয়াত ছেড়ে দিলেন। অতঃপর তিনি সলাত পূর্ণ করে বললেন: (তোমাদের মধ্য থেকে কে আমার থেকে কিরাআতের কিছু গ্রহণ করেছে?) উবাই বলল: আমি, আপনি অমুক অমুক আয়াত ছেড়ে দিয়েছেন। অতঃপর নাবী বললেন: নিশ্চয় আমি জেনেছি আমার থেকে কেউ যদি কিছু গ্রহণ করে সে সেই ব্যক্তি হবে।
১৯৩. হাদ্দাসানা মাহমুদুন কালা হাদ্দাসানাল বুখারী কালা হাদ্দাসানা আবু নুয়াইম কালা হাদ্দাসানা সুফিয়ান আন সালামাতা আন জারইন আন আবনি আবযী আন আবীহি কালা : সাল্লান নাবিয়্যু ফাতারাকা আয়াতান ফাকালা : «আফিল্লাওমি আবী? ফাকালা ইয়া রাসূল আল্লাহি নাম আনাসিখাত আয়াথুন কাজা ওয়াকাজা আম নাসীতাহা? ফাদাহিকা ফাকালা : বাল নাসীতুহা » .
১৯৩। মাহমূদ ...... ইবনু আবযী হতে বর্ণিত। তিনি তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: নাবী সলাত পড়ালেন। আর কোন আয়াতকে ছেড়ে দিলেন। অতঃপর নাবী বললেন: তোমাদের মধ্যে উবাই আছে কি? উবাই বললেন: হাঁ, হে আল্লাহর রসূল! অমুক অমুক আয়াত কি রহিত করে দেয়া হয়েছে, না আপনি ভুলে গেছেন? নাবী হেসে দিলেন এবং বললেন, বরং আমি তা ভুলে গিয়েছিলাম।
১৯৪. হাদ্দাসানা মাহমুদুন কালা হাদ্দাসানাল বুখারী কালা হাদ্দাসানা আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল ওয়াহহাব কালা আখবারানী মারওয়ান বিন মুয়াবিয়া কালা আখবারানী ইয়াহইয়া বিন কাসীর আল কাহেলী কালা আখবারানী মানসুর বিন ইয়াযীদ আল কাহেলী আল আসাদী রাদিয়াল্লাহু আনহু শাহিদতুন নাবিয়্যা ﷺ ফাতারাকা আয়াতান মিনাল কুরআন ইয়াকরাউহা ফাক্বিলা লাহু আয়াতুন কাজা ওয়াকাজা তারাকতাহা ফাকালা : « ফালা যাকার তুমুনিয়া ইজা ».
১৯৪। মাহমূদ ...... মানসূর বিন ইয়াযীদ আল-কাহেলী আল-আসদী (রাযিঃ) হাদীস বর্ণনা করেন। (তিনি বলেন) আমি নাবী -এর (সলাতে) উপস্থিত ছিলাম। তিনি কুরআনের কোন আয়াত ছেড়ে দিলেন, যা তাঁরা পাঠ করতেন। নাবী -কে বলা হলো অমুক অমুক আয়াত ছেড়ে দিয়েছেন। নাবী বললেন: কেন তোমরা সে ক্ষেত্রে আমাকে স্মরণ করে দিলে না।
১৯৫. হাদ্দাসনা মাহমূদ কাল হাদ্দাসনা আল বুখারী কাল হাদ্দাসনা মুহাম্মাদ বিন মারদাস আবু আব্দুল্লাহ আল আনসারী কাল হাদ্দাসনা আব্দুল্লাহ বিন ঈসা আবু খালফ আল খাযযার আন ইউনুস আন আল হাসান আন আবী বাকরাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু আন্না আন্নাবীয়ু ﷺ সালাতাল কুবহি ফাসামিআ নাফসান শাদিদান আও বাহরান মিন খালফিহি ফালাম্মা কাদা রাসুলুল্লাহ আস্সালাতা কালা: লিআবীয় বাকরাহ: আনতা সাহিবু হাযয়ান নাফস। কালা: নাম জাআলানীয়াল্লাহু ফিদাকা খাসিতু আন তাফুতানি রাকআতান মাআকা ফা আসরাআতুল মাশয়ী ফাকালা রাসুলুল্লাহ ﷺ: যাদাাকাল্লাহু হারসান ওয়ালা তাউদ সাল্লি মা আদ্রাকতা ওয়াকদ্বি মা সাবাহ
১৯৫। মাহমূদ ...... আবু বাক্রাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। নাবী ﷺ ফজরের সলাত পড়ালেন। তিনি তাঁর পিছন থেকে কঠিন শ্বাস-প্রশ্বাসের অথবা শ্বাস প্রশ্বাসের রুদ্ধতা শুনতে পেলেন। যখন সলাত শেষ করলেন তিনি আবু বাক্রাহকে বললেন : তুমি এ শ্বাস প্রশ্বাসকারী? আবূ বাক্রাহ বললেন, হাঁ আল্লাহ আমাকে আপনার জন্য উৎসর্গ করুন। আমি ভয় করেছিলাম আপনার সাথে আমার এক রাক'আত ছুটে যায়। তাই আমি দ্রুত হেঁটে এসেছি। নবী ﷺ বললেন: আল্লাহ তোমার উৎসাহকে বৃদ্ধি করে দিন। পুনরায় কর না, সলাত পড় যা পাও। এবং পূর্ণ কর যা ছুটে গেছে।
১৯৬. হাদ্দাসনা মাহমূদ হাদ্দাসনা আল বুখারী কাল হাদ্দাসনা মুসাদ্দাদ কাল হাদ্দাসনা ইসমাঈল কাল আনবানা আইয়ুব আন আমরুবনি ওয়াহবিস সাকাফীয় কালা: কুন্না ইন্দা আল মুগীরা ফা কিলা হাল আম্মান নাবীয়ু ﷺ আহাদুন গাইরা আবী বাকার? কালা কুন্না মাআন নাবীয়ি ﷺ ফি সাফারিন সুম্মা রাকিবনা ফাআদরকান্নান্নাসা ওয়াক্বাদ উকীমাত ফাতাক্বাদ্দামা আব্দুর রাহমান ইবনু আউফিন ওয়াসল্লি বিহিম রাকআতাও ওয়াহুম ফিস সানিয়াতি ফাযাহাবতু ওযিনাহু ফানাহানি ফাসাল্লাইন্না রাকআতা আল্লাতী আদ্রাকনা ওয়াক্বাদায়নাল রাকআতাল্লাতী সাবাহনা
১৯৬। মাহমূদ ....... 'আম্র বিন ওহাব সাক্বাফী হতে বর্ণিত। তিনি বলেন- আমরা মুগীরাহ্র নিকট ছিলাম। অতঃপর বলা হলো আবূ বাক্স ব্যতীত কি কেউ নাবী -এর ইমামত করেছে? মুগীরাহ বললেন: আমরা নাবী -এর সাথে এক সফরে ছিলাম। অতঃপর আমরা আরোহণ করলাম এবং লোকদেরকে পেলাম ইক্বামাতের অবস্থায়। তখন 'আবদুর রহমান বিন 'আওফ সামনে গেলেন এবং তাদের এক রাক'আত পড়ালেন। যখন তারা দ্বিতীয় রাক'আতে ছিল।
এ অবস্থায় আমি গেলাম। তাঁকে ইঙ্গিত দেয়া হলো। তিনি (নাবী) আমাকে নিষেধ করলেন। অতঃপর আমরা এক রাক'আত সলাত পড়লাম যা আমরা পেলাম এবং এক রাক'আত পূর্ণ করলাম যা আমাদের ছুটে গিয়েছিল।
১৯৭. حدثنا محمود قال حدثنا البخاري قال حدثنا محمد قال حدثنا عبد الله قال انبأنا محمد بن أبي حفصة عن الزهري عن أبي سلمة عن أبي هريرة رضي الله عنه أن رسول الله ﷺ قال : « مَنْ أَدْرَكَ رَكْعَةً مِنْ صَلَاةِ الْغَدَاةِ قَبْلَ أَنْ تَطَلَعَ الشَّمْسَ فَقَدْ فَأَدْرَكَهَا وَمَنْ أَدْرَكَ رَكْعَةً مِنْ صَلَاةِ الْعَصْرِ قَبْلَ أَنْ تَغْرُبَ الشَّمْسَ فَقَدْ أَدْرَكَهَا » .
১৯৭। মাহমূদ ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ বলেছেন: যে ব্যক্তি সূর্য উঠার পূর্বে ফাজরের এক রাক'আত পেল। সে ফাজরের সলাত পূর্ণই পেল। যে ব্যক্তি সূর্য ডুবার পূর্বে আসরের এক রাক'আত পেল সে আসরের পূর্ণ সলাতই পেল।
۱۹۸. قال البخاري تابعه معمر عن نالزهري ورواه عطاء بن يسار وكثير بن سعيد وابو صالح والاعرج وابو رافع ومحمد بن إبراهيم وابن عباس عن أبي هريرة عن النبي ﷺ
১৯৮। (ইমাম বুখারী বলেছেন:) তিনি অনুসরণ করেছেন মা'মারের, তিনি যুহুরী হতে ....... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) নাবী হতে বর্ণনা করেছেন।
১৯৯. حدثنا محمود قال حدثنا البخاري قال حدثنا ابو نعيم قال حدثنا شيبان عن يحيى عن سلمة عن أبي هريرة قال قال رسول الله ﷺ : مَنْ أَدْرَكَ رَكْعَةً مِّنْ صَلَاةِ الْعَصْرِ قَبْلَ أَنْ تَغْرُبَ الشَّمْسُ فَلْيُتِمَّ صَلَاتَهُ :
১৯৯। মাহমূদ ...... আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ বলেছেন: যে ব্যক্তি সূর্য ডুবার পূর্বে আসরের সালাতের এক রাক’আতও পেল সে যেন তার সালাতকে পূর্ণ করে নেয়।
২০০. হাদ্দাসানা মাহমূদ কাল হাদ্দাসানা বুখারী কাল বীরয়ী অন অলক্বামা ওয়ান নাহুউ ইন ক্বারা ফি অল আখিরীনা ওলাম ইয়া ক্বারা ফি আল আওয়ালীনা আজযাঈহিম আইদান আনহুম মায়াহুউ ফাতেহা আল কিতাবা মিন আল মুসহাফ হাদা ওয়া লা ইখতিলাফা বায়না আহলি আস সালাত আন ফাতেহা আল কিতাবা মিন কিতাব আল্লাহু ওয়া সুন্নাতে রসূল আল্লাহু হাক্কু আন তাত্তাবি ওয়া কাল আন নবী ফাতেহা আল কিতাবু হিয়া আসসাবউ আল মাসানিউ ।
২০০। মাহমূদ ...... ‘আলক্বামাহ্ হতে বর্ণিত। অনুরূপই যদি শেষ দু’ রাক’আতে পড়ে এবং প্রথম দু’ রাক’আতে না পড়ে তাহলে জায়েয হবে। তাদের থেকে এটাও বর্ণনা আছে যে, তারা ফাতিহাতুল কিতাবকে পৃথক থেকে বিলুপ্ত করেছে।
এ ব্যাপারে সালাত সম্পাদনকারীদের মধ্যে কোন মতবিরোধ নেই যে ফাতিহাতুল কিতাব আল্লাহর কিতাব এবং রসূল -এর সুন্নাত দ্বারা প্রমাণিত। এর অনুসরণ অধিকার প্রাপ্তির যোগ্য। কেননা নবী বলেছেন : ফাতিহাতুল কিতাব। এটা বারবার পঠিত সাতটি আয়াত।
২০১. (কাল বুখারী) : আন ইয়া’তাবিল মাতিল ফাকাল : ইন্না কালা আল নবী : لاَ صَلَاةَ اِلاَّ بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ وَلَمْ يَقُلْ فِيْ كُلِّ رَكْعَةٍ قِيْلَ لَهُ : قَدْ بَيَّنَ حِيْنَ قَالَ: اِقْرَاْ ثُمَّ ارْكَعْ فَانَّكَ اِذَا اَتْمَمْتَ صَلَاتَكَ عَلَى هَذَا فَقَدْ تَمَّتْ وَاِلَّا كَانَتْمَّا تَنُقِّصُ مِنْ صَلَاتِكَ», ফাবিন লাহু আন্নবী ইন্না ফি কুল্লি রাকাত ক্বিরাআতা ওয়ারুকুয়া ওয়া সুজুদআ ওয়া আম্রাহু আন ইয়াতিম সালাতাহু আলা মা বায়না লাহু ফি আররাকআতুল উওলা।
২০১। ইমাম বুখারী বলেছেন: অজুহাত পেশকারীরা অজুহাত পেশ করে বলে নাবী বলেছেন (ফাতিহাতুল কিতাব ব্যতীত সলাত হবে না) এবং তিনি প্রত্যেক রাক'আতের কথা বলেননি।
তাদেরকে বলা হবে: যেখানে তিনি স্পষ্টভাবে বলে দিয়েছেন। (তুমি পড় অতঃপর রুকূ' কর, তারপর সাজদাহ কর অতঃপর তুমি (মাথা) উঁচু কর অর্থাৎ দাঁড়াও। যদি তুমি এভাবে তোমার সলাতকে পূর্ণ করতে পার তাহলেই তোমার সলাত পূর্ণ হলো। না হলে তোমার সলাত যেন ত্রুটিপূর্ণ থেকে গেল।
অতঃপর নাবী বর্ণনা করে দিলেন যে, প্রত্যেক রাক'আতে কিরাআত, রুকু', সাজদাহ রয়েছে এবং তিনি নির্দেশ দিলেন যে তার সলাতকে সে পূর্ণ করবে। যেভাবে প্রথম রাক'আতের বর্ণনা দেয়া হয়েছে।
٢٠٢. وقال أبو قتادة كان النبي ﷺ يقرأ في الأربع كلها.
২০২। আবু ক্বাতাদাহ বলেন: নাবী চার রাক'আতের প্রত্যেক রাক'আতেই কিরাআত পাঠ করতেন।
۲۰۳. فإن احتج بحديث عمر رضي الله عنه انه نسي القراءة في ركعة فقرأ في الثانية فاتحة الكتاب مرتين قيل له حديث النبي ﷺ أفسر حين قال : «اقرأ ثُمَّ اركع فجعل النبي ﷺ القراءة قبل الركوع وليس لأحد ان يجعل القراءة بعد الركوع والسجود خلاف رسول الله
২০৩। যদি তারা 'উমারের হাদীস দ্বারা যুক্তি পেশ করে তিনি প্রথম রাক'আতে কিরাআত ভুলে গিয়েছিলেন। অতঃপর তিনি দ্বিতীয় রাক'আতে ফাতিহাতুল কিতাব দু'বার পড়েছেন। তাদের বলা হবে নাবী -এর হাদীস স্পষ্ট ব্যাখ্যা রাখে যেখানে নাবী বলেছেন: (পড় অতঃপর রুকূ' কর) অতএব নাবী কিরাআত পড়েছেন রুকূ'র পূর্বে এবং কারও জন্য ঠিক হবে না যে নাবী -এর বিপরীত রুকূ' ও সাজদাহ্র পরে কিরাআত পড়বে।
٢٠٤. وكان عمر يترك قوله لقول النبي الله فمن اقتدى با النبي كان مقتديا بالنبي الله ومتبعاً لعمر وان كان عند عمر رضي الله عنه فيما ذكر عنه سنة من النبي ﷺ فلم يظهر لنا وبان لنا ان النبي ﷺ امر بالقراءة قبل الركوع فعلينا الاتباع كما ظهر قال الله تعالى (وَإِنْ تُطِيعُوهُ تَهْتَدُوا ) فلا يكون سجود قبل الركوع ولا ركوع قبل به . القراءة قال النبي ﷺ : « نَبْدَأُ بِمَا بَدَا الله ـ
২০৪। 'উমার (রাযিঃ) তাঁর কথাকে পরিত্যাগ করেছেন নাবী ﷺ-এর কথার কারণে। আর যে ব্যক্তি নাবী ﷺ-এর সাথে ইক্তিদা বা অনুসরণ করল সে নাবী ﷺ-এর মুক্তাদী বা অনুসারী হলো এবং 'উমারেরও অনুগামী হলো। যদি 'উমার (রাযিঃ)-এর নিকট তাঁর ব্যাপারে যা উল্লেখ করা হলো নাবী ﷺ থেকে সুন্নাত হতে পারে। কিন্তু সেটা আমাদের জন্য প্রকাশ্য নয়। আমাদের জন্য প্রকাশ্য হলো যে, নাবী ﷺ রুকূ'র পূর্বে কিরাআতের নির্দেশ দিয়েছেন। অতএব আমাদের জন্য অনুসরণ করা হলো ফরয যেভাবে প্রকাশ্য আছে। মহান আল্লাহ বলেন: وان تطيعوه تهتدوا তোমরা যদি তার আনুগত্য কর তবে সৎপথ পাবে।
অতএব রুকূ'র পূর্বে সাজদাহ হবে না আর কিরাআতের পূর্বে রুকূ'ও হবে না। নাবী (সা) বলেছেন: আমরা শুরু করব সেটা দ্বারা যেটা দ্বারা আল্লাহ শুরু করেছেন।
٢٠٥ حدثنا محمود قال حدثنا البخاري قال حدثنا يحي بن فزعة قال حدثنا مالك عن ابن شهاب عن أبي سلمة بن عبد الرحمن عن أبي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللهِ ﷺ قَالَ : « مَنْ أَدْرَكَ رَكْعَةً مِنَ الصَّلَاةِ فَقَدْ أَدْرَكَ الصلاة » .
২০৫. মাহমুদ..... আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: যে ব্যক্তি এক রাক'আত সলাত পেল সে অবশ্যই সলাতই পেল।
٢٠٦. حدثنا محمود قال حدثنا البخاري قال حدثنا عبد الله بن يوسف قال : انبانا مالك قال ابن شهاب وهي السنقل قال مالك وعلي ذلك ادركت اهل العلم ببلدنا
২০৬. মাহমুদ ...... ইবনু শিহাব বলেছেন: সেটা সুন্নাত। মালিক বলেছেন, আমাদের শহরে আহলে ইল্যুদেরকে ওটার উপরই পেয়েছি।
۲۰۸. (قال البخاري): وزاد ابن وهب عن يحي بن حميد عن قرة عن ابن شهاب عن أبي سلمة عن أبي هريرة عن النبي ﷺ فقد أدركها قبل ان يقيم الإمام صلبه وأما يحي بن حميد فمجهول لا يعتمد علي حديثه غير معروف بصحة خبره مرفوع وليس هذا مما يحتج به اهل العلم.
২০৮. (ইমাম বুখারী বলেছেন:) ইবনু ওয়াহাব অতিরিক্ত করেছেন। তিনি ইয়াহইয়া বিন হুমায়দ হতে, তিনি কুররা হতে, তিনি ইবনু শিহাব হতে, তিনি আবূ সালামাহ হতে, তিনি আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে তিনি নাবী হতে বর্ণনা করেছেন, "অবশ্য ইমাম তাঁর পিঠকে দাঁড় করানোর পূর্বে পেলে সে সলাত পেল"। কিন্তু ইয়াহইয়া বিন হুমায়দ অপরিচিত। অপরিচিতের হাদীসের উপর সহীহ নির্ভর করা যায় না। খবর মারফু* আহলে ইলমরা যেটা দ্বারা দলীল গ্রহণ করেননি।
۲۰۹. وقد تابع ملك في حديثه عبيد الله بن عمر ويحي بن سعيد وابن الهاد ويونس ومعمر وابن عيينة وشعيب وابن جريج وكذالك قال عراك ابن مالك عن ابي هريرة عن النبي ﷺ، فلوكان من هؤلاء واحد لم يحكم بخلاف يحي بن حميد اوثر ثلاثة عليه فكيف باتفاق من ذكر نا عن أبي سلمة وعراك عن ابي هريرة عن النبي ﷺ وهو خبر مستفيض عند اهل العلم بالحجاز وغيرها وقوله : قبل ان يقيم الامام صلبه لا معنى ولا وجه لزيادته
২০৯। আর অবশ্য মালিক তাঁর হাদীসের অনুগামী হয়েছেন, 'উবায়দুল্লাহ বিন 'উমার, ইয়াহইয়া বিন সাঈদ, ইবনু হাদ, ইউনুস, মা'মার ইবনু 'উয়াইনাহ, শু'আয়ব এবং ইবনু জুরাইজ। এমনিভাবে ইরাক ইবনু মালিক তিনি আবূ হুরাইরাহ হতে, তিনি নাবী হতে বর্ণনা করেছেন।
যদিও এদের মধ্যে কেউ ইয়াহইয়া বিন হুমাইদ এর বিপরীত ফয়সালা না দেয় তবুও তার উপর তিনজনকে প্রাধান্য দেয়া হবে। তাহলে আমাদের আলোচনার মধ্যে কিভাবে একমত হলো। আবূ সালামাহও ইরাক থেকে বর্ণিত। তারা আবূ হুরাইরাহ হতে, তিনি নাবী হতে বর্ণনা করেছেন।
আর এটা হলো খবরে মুস্তাফীয ইরাকের ও অন্যান্য স্থানের আহলে ইলমদের নিকট। আর তার কথা ইমাম তাঁর পিঠকে দাঁড় করাবে। ওর কোন অর্থ নেই। তার অতিরিক্ত বর্ণনার জন্য কোন ব্যাখ্যাও নেই।
২১০. হাদ্দাসানা মাহমুদুং কাল হাদ্দাসানাল বুখারী কাল হাদ্দাসানা আবুল ইয়ামানিল হাকামু বিন নাফিঈ কাল আখবারানা শুয়াইবুন আনিজ যুহরী কাল : আখবারানী আবু সালামাতা বিন আবদির রহমানি আন্না আবা হুরাইরাতা কালা : কালা রাসুলুল্লাহ ﷺ : মান আদরাকা মিনাস সালাতি রাকাআতান ফাকাদ আদরাকাস সালাহ।
২১০। মাহমূদ যুহরী হতে বর্ণিত। তিনি বলেন: আমাকে আবূ সালামাহ বিন 'আবদুর রহমান সংবাদ দিয়েছেন যে, আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) বলেছেন: রসূলুল্লাহ বলেছেন: যে ব্যক্তি এক রাক'আত সলাত পেল অবশ্যই সে সলাত পেল।
২১১. হাদ্দাসানা মাহমুদুং কাল হাদ্দাসানাল বুখারী কাল হাদ্দাসানা আইয়ুব বিন সুলাইমান ইবনু বিলাল কাল হাদ্দাসানী আবু বকরিন আন সুলাইমানা কাল আখবারানী উবায়দুল্লাহ বিন 'উমার ওয়া ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ ওয়া ইউনুস আন ইবনি শিহাবিন আন আবি সালামাতা আন আবি হুরাইরাতা আন্না রাসুলুল্লাহ ﷺ কালা : মান আদরাকা মিনাস সালাতি রাকাআতান ফাকাদ আদরাকা ইল্লা আই ইয়াকদিয়া মা ফাতাহু।
২১১। মাহমূদ ....... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ বলেছেন: যে ব্যক্তি এক রাক'আত সলাত পেল অবশ্যই সে (পূর্ণ সলাত) পেল, কিন্তু যা তার ছুটে গেছে তা সে পূর্ণ করবে।
২১২. حَدَّثَنَا مَحْمُودٌ قَالَ حَدَّثَنَا الْبُخَارِيُّ قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ قَالَ حَدَّثَنَا اللَّيْثُ قَالَ حَدَّثَنِي يَزِيدُ بْنُ الْهَادِ عَنِ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ ﷺ قَالَ : « مَنْ أَدْرَكَ مِنَ الصَّلَاةِ رَكْعَةً فَقَدْ أَدْرَكَ الصَّلَاةَ .
২১২। মাহমূদ ....... আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন : আমি রসূলুল্লাহ ﷺ -কে বলতে শুনেছি। যে ব্যক্তি এক রাক'আত সলাত পেল অবশ্যই সে সলাত পেল।
২১৩. حَدَّثَنَا مَحْمُودٌ قَالَ حَدَّثَنَا الْبُخَارِيُّ قَالَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُقَاتِل قَالَ أَنْبَأَنَا عَبْدُ اللهِ قَالَ أَخْبَرَنَا يُونُسُ عَنِ الزُّهْرِيِّ قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو سَلَمَةَ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ أَنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ ﷺ يَقُولُ : «مَنْ أَدْرَكَ مِنَ الصَّلَاةِ رَكْعَةٌ وَاحِدَةً فَقَدْ أَدْرَكَهَا » .
২১৩। মাহমূদ ...... যুহরী হতে বর্ণিত। তিনি বলেন: আমাদেরকে আবু সালামাহ বিন 'আবদুর রহমান সংবাদ দিয়েছেন যে আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) বলেছেন: আমি রসূলুল্লাহ ﷺ-কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি এক রাক'আত সলাত পেল অবশ্যই সে সলাত পেল।
٢١٤. (قَالَ مُحَمَّدُ الزُّهْرِيُّ) ونرى لما بلغنا عن رسول الله ﷺ أنه مَنْ أَدْرَكَ مِنَ الْجُمُعَةِ رَكْعَةً وَاحِدَةً فَقَدْ أَدْرَكَ .
২১৪। (মুহাম্মাদ যুহরী বলেছেন) যেহেতু আমরা লক্ষ্য করেছি আমাদের নিকট রসূলুল্লাহ ﷺ থেকে পৌঁছেছে যে, যে ব্যক্তি জুমু'আর সলাতে এক রাক'আত পেল অবশ্যই সে জুমু'আ পেল।
٢١٥ حَدَّثَنَا مَحْمُودٌ قَالَ حَدَّثَنَا الْBُخَارِيُّ قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ محمد قال حدثنا عثمان بن عمر قال حدثنا يونس عن الزهري عن ابي سلمة عن ابي هريرة علي النبي ﷺ مثله .
২১৫। মাহমূদ আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি নাবী থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন।
২১৬. হাদ্দানা মাহমুদ কাল হাদ্দানা আল বুখারী কাল হাদ্দানা মাহমুদ কাল হাদ্দানা আব্দুর রাজ্জাক কাল হাদ্দানা ইবনু জুরাইজ কাল হাদ্দানি ইবনু শিহাব আন আবি সালামাহ আন আবি হুরায়রা আন আন নাবিয়্যু সাল্লাল্লাহু তা'আলা আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিহি হাজা ওয়া মুয়াম্মার আন আজ-জুহরী।
২১৬। মাহমূদ আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত, তিনি নাবী থেকে এটা বর্ণনা করেছেন এবং মা'মার যুহরী হতে বর্ণনা করেছেন।
২১৭. হাদ্দাসানা মাহমুদ কাল হাদ্দাসানা আল বুখারী কাল হাদ্দাসানা আব্দুল্লাহ বিন সালেহ কাল হাদ্দানী আল লাইসু কাল হাদ্দানী ইউনুস আন ইবনু শিহাব কাল আখবারনি আবু সালামাতা আন্না আবা হুরায়রা আখবারাহু কাল সামিয়াতু রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইয়াকুলু মান আদরাকা মিনা সালাতি রাকাতান ফাকাদ আদরাক।
২১৭। মাহমূদ ...... ইবনু শিহাব হতে বর্ণিত। তিনি বলেন: আমাকে আবু সালামাহ সংবাদ দিয়েছে যে, আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) তাঁকে সংবাদ দিয়ে বলেছেন: আমি রসূলুল্লাহ-কে বলতে শুনেছি। যে ব্যক্তি এক রাক'আত সলাত পেল সে অবশ্যই সলাত পেল।
২১৮ হাদ্দাসানা মাহমুদ কাল হাদ্দাসানা আল বুখারী কাল হাদ্দাসানা মুহাম্মাদ বিন উবায়েদ কাল হাদ্দাসানা মুহাম্মাদ বিন সালামা আন মুহাম্মাদ বিন ইসহাক আন ইয়াজিদ বিন আবি হাবিব আন উরাক ইবনু মালিক আন আবি হুরায়রা কাল কাল আন নাবিয়্যু সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মান আদরাকা মিনা সালাতি রাকাতান ফাকাদ আদরাকাহা।
২১৮। মাহমূদ আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন: নাবী বলেছেন: যে ব্যক্তি এক রাক'আত সলাত পেল অবশ্যই সে সলাত পেল।
۲۱۹. (قال البخاري) مع ان الأصول في هذا عن الرسول ﷺ مستغنية عن مذاهب الناس قال الخليل بن احمد : يكثر الكلام ليفهم ويقلل ليحفظ .
২১৯। (ইমাম বুখারী বলেছেন:) রসূলুল্লাহ থেকে এবিষয়ে যে রীতিনীতি রয়েছে তা মানুষের তৈরী মাযহাব থেকে মুখাপেক্ষীহীন করে দেয়। খলীল বিন আহমাদ বলেছেন: অধিক কথা বলা হয় বুঝাবার জন্য এবং কম বলা হয় সংরক্ষণের কারণে।
۲۲۰. وَقَالَ النَّبِيُّ ﷺ : « مَنْ أَدْرَكَ مِنَ الصَّلَاةِ رَكْعَةً فَقَدْ أَدْرَكَ الصَّلَاةَ ، وَلَمْ يَقُلْ مَنْ أَدْرَكَ الرُّكُوعَ أَوِ السُّجُودَ أَوِ التَّشَهدَ.
২২০। তবে নাবী বলেছেন: যে ব্যক্তি এক রাক'আত সলাত পেল সে অবশ্যই সলাত পেল। তিনি বলেননি, যে ব্যক্তি রুকূ' পেল সাজদাহ পেল, তাশাহ্হুদ পেল।
۲۲۱ - وَمِمَّا يَدِلُّ عَلَيْهِ قَوْلَ ابْنَ عَبَّاسٍ فَرَضَ اللَّهُ عَلَى لِسَانِ نَبِيِّكُمْ صَلَاةَ الْخَوْفِ رَكْعَةً .
২২১। এবং এর উপর ভিত্তি করে ইবনু 'আব্বাসের বর্ণনায় প্রমাণ করে যে, তিনি বলেছেন, আল্লাহ এক রাক'আত ভীতির সলাত ফারয করেছেন তোমাদের নাবীর যবানীতে।
۲۲۲. وَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ صَلَّى النَّبِيُّ ﷺ فِي الْخَوْفِ بِهَؤُلَاءِ رَكْعَةً وَبِهُؤُلاء رَكْعَةً فَالَّذِي يدرك الركوع والسجود من صلاة الخوف وهي ركعة لم يقم قائما في صلاته أجمع ولم يدرك شيئا من القراءة .
২২২। ইবনু 'আব্বাস বলেছেন: নাবী ভীতির সলাত পড়ালেন এগুলি দ্বারা এক রাক'আত এবং এগুলো দ্বারা এক রাক'আত।
অতএব যে ব্যক্তি ভীতির সলাতের রুকূ' এবং সাজদাহ পেল সেটাই এক রাক'আত। সে তার সলাতে একত্রভাবে দাঁড়িয়ে কিয়াম করতে পারেনি এবং কিরাআতেরও কিছু পায়নি।
২২৩. وَقَالَ النَّبِيُّ ﷺ : « كُلُّ صَلَاةٍ لَا يَقْرَأُ فِيهَا بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ فَهِيَ خِدَاجٌ وَلَمْ يَخْصُ صَلَاةَ دُونَ صَلَاةٍ »
২২৩। নাবী বলেছেন: প্রত্যেক ঐ সলাত যাতে ফাতিহাতুল কিতাব পাঠ করা হয় না তা অসম্পূর্ণ। সলাত ব্যতীত সলাতকে খাছ করা হয়নি।
٢٢٤. وقال ابو عبيد يقال اخدجت الناقة اذا اسقطت والسقط ميت لا ينتفع به
২২৪। আবু উবাইদ বলেছেন: যখন উটনী অসম্পূর্ণ বাচ্চা প্রসব করে আর অসম্পূর্ণ বাচ্চার মৃত্যু হয়, তা কোন উপকারে আসে না, তখন বলা হয় উটনী অসম্পূর্ণ বাচ্চা প্রসব করল।
٢٢٥ حدثنا محمود قال حدثنا البخاري قال حدثنا عبد الله بن يوسف قال أنبأنا مالك عن ابن شهاب عن أبي سلمة عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللهِ ﷺ قَالَ : «مَنْ أَدْرَكَ رَكْعَةً مِنَ الصَّلَاةِ فَقَدْ أَدْرَكَ الصَّلَاةِ» وَعَنْ مَالِكٍ سَمِعَ أَنَّهُ يَقُولُ : « مَنْ أَدْرَكَ مِنْ صَلَاةِ الْجُمُعَةِ رَكْعَةً فَلْيُصَلِّ إِلَيْهَا أُخْرَى وَقَالَ ابْنُ شِهَابٍ وَهِيَ السُّنَّةُ .
২২৫। মাহমূদ ......... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। যে রসূলুল্লাহ বলেছেন: যে ব্যক্তি এক রাক'আত সলাত পেল সে সলাতই পেল এবং মালিক হতে বর্ণিত তিনি শুনেছেন যে, তিনি বলতেন: যে ব্যক্তি জুমু'আহ্ এক রাক'আত পেল, সে যেন অন্য রাক'আত পড়ে নেয়।
ইবনু শিহাব বলেন, এটা সুন্নাত।
٢٢٦. حدثنا محمود قال حدثنا البخاري قال حدثنا أبو نعيم قال حدثنا أبو عوانة قال حدثنا بكير بن الأخنس عن مجاهد عن ابن عباس قال فرض الله الصلاة عن لسان نبيكم في الحضر اربعا وفي السفر ركعتين وفي الخوف ركعة
২২৬। মাহমূদ ...... ইবনু 'আব্বাস হতে বর্ণিত। তিনি বলেন: আল্লাহ তোমাদের নাবীর জবানীতে সলাতকে ফরয করে দিয়েছেন (মুকীম) এলাকায় থাকা অবস্থায় চার রাক'আত এবং সফর অবস্থায় দু' রাক'আত এবং ভীতি অবস্থায় এক রাক'আত।
۲۲۷. حدثنا محمود قال حدثنا البخاري قال حدثنا حيوة بن شريح قال: حدثنا ابن حرب عن لزبيدي عن الزهري عن ابن عبد الله بن عبد الله ابن عتبة عن ابن عباس : ( قام النبي ﷺ وقام الناس معه وكبروا معه وركع وركع ناس منهم ثم سجد وسجدوا معه ثم قام الثانية فقام الذين سجدوا معه وحرسوا اخوانهم واتت الطائفة الأخرى فركعوا وسجدوا معه والناس كلهم في صلاة ولكن يحرس بعضهم بعضا).
২২৭। মাহমুদ ...... ইবনু 'আব্বাস হতে বর্ণিত। (নবী সাঃ) সলাতে দাঁড়ালেন এবং তাঁর সাথে লোকেরাও দাঁড়াল। তাঁরা নাবী ﷺ-এর সাথে তাকবীর বললেন। নাবী ﷺ রুকু' করলেন। তাঁদের মধ্যে কিছু লোক রুকু' করলেন।
অতঃপর নাবী ﷺ সাজদাহ করলেন এবং তাঁরাও তাঁর সাথে সাজদাহ করলেন। তারপর নাবী ﷺ দ্বিতীয় রাক'আতের জন্য দাঁড়ালেন এবং যারা তাঁর সাথে সাজদাহ করেছিলেন তাঁরাও দাঁড়ালেন এবং তাঁরা তাদের ভাইদের পাহারা দিতে লাগলেন। এবং অন্য একটি দল আসল। অতঃপর তাঁরা তাঁর সাথে রুকু ও সাজদাহ করলেন। সকল লোকই সলাতের অবস্থায় ছিল কিন্তু তাঁরা একে অপরকে পাহারা দিলেন।
২২৮. (قال البخاري) وكذلك يروى حذيفة وزيد بن ثابت وغير هم ان النبي ﷺ صلي بهؤلاء ركعة وبهؤلاء ركعة
২২৮। (ইমাম বুখারী বলেছেন:) এমনিভাবে হুযাইফাহ, যায়দ বিন সাবিত এবং অন্যান্যদের থেকে বর্ণিত আছে যে, নাবী সলাত পড়ালেন এবং এগুলি দ্বারা এক রাক'আত এবং ওগুলো দ্বারা এক রাক'আত।
۲۲۹. حدثنا محمود قال حدثنا البخاري قال حدثنا قتيبة قال حدثنا سفيان عن أبي سلمة عن أبي الجهم عن عبيد الله بن عبد الله عن ابن عباس عن النبي ﷺ بمثله
২২৯। মাহমূদ ...... ইবনু 'আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি নাবী থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন।
۲۳۰. (قَالَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْبُخَارِيُّ) وَقَدْ أَمَرَ النَّبِيُّ ﷺ الْوِتْرَ رَكْعَةً .
২৩০। (আবূ 'আবদুল্লাহ ইমাম বুখারী বলেন:) নিশ্চয় নাবী এক রাক'আত বিতরের নির্দেশ দিয়েছেন।
۲۳۱. حدثنا محمود قال حدثنا البخاري قال حدثنيه يحي بن سليمان قال أخبرني ابن وهب قال اخبرني عمرو بن الحرث عن عبد الرحمن بن القاسم عن ابيه عن ابن عمر ان النبي ﷺ قال : « صَلَاةُ ه اللَّيْلِ مَثْنِي مَثْنِي فَإِذَا أَرَادَ أَنْ يَنْصَرِفَ فَلْيُوتِرُ بِرَكْعَةٍ».
২৩১। মাহমূদ ...... 'আবদুল্লাহ ইবনু 'উমার হতে বর্ণিত। নাবী বলেছেন: রাত্রের সলাত দু' রাক'আত দু' রাক'আত করে। অতঃপর যখন সলাত শেষ করার ইচ্ছে করে, সে যেন বিতর এক রাক'আত পড়ে।
۲۳۲. (قال البخاري) وهو فعل اهل المدينة فالذي لا يدرك القيام والقراءة في الوتر صارت صلاته بغير قراءة وقال النبي ﷺ : «لا صلاة إِلَّا بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ» .
২৩২। (ইমাম বুখারী বলেছেন ৪) সেটা মাদীনাবাসীর কাজ। আর যে ব্যক্তি বিতরের ক্বিয়াম, কিরাআত পেল না, তার সলাত কিরাআতবিহীন হলো। অথচ নাবী বলেছেন: (ফাতিহাতুল কিতাব ব্যতীত সলাত হয় না)।
২৩৩. হাদ্দাসানা মাহমুদ ক্বালা হাদ্দাসানাল বুখারী ক্বালা হাদ্দাসানী ইসমাইল ক্বালা হাদ্দাসানী মালিকুন আন সম্মীয়্যু মাওলা আবী বকরিন আন আবী সালিহিস সাম্মান আন আবী হুরায়রাতা আন্না রাসুলুল্লাহ ﷺ ক্বালা: "ইজা ক্বালা ইমামু গাইরিল মাগদুবি আলাইহিম ওয়ালাদ্দাল্লিন ফাকুলু আমিন" ওয়া ইয়ুরওয়া আন সাঈদিল মাকবারী আন আবী হুরায়রাতা আনিন নাবী ﷺ নাহু।
২৩৩। মাহমূদ ...... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ বলেছেন: (যখন ইমাম غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلَا الضَّالِّينَ বলে তখন তোমরা আমীন বলো।) এমনিভাবে সাঈদ আল-মাকবারী, তিনি আবূ হুরাইরাহ হতে, তিনি নাবী হতে বর্ণনা করেছেন।
২৩৪. হাদ্দাসানা মাহমুদ ক্বালা হাদ্দাসানাল বুখারী ক্বালা হাদ্দাসানা আব্দুল্লাহ ইবনু ইউসুফ ক্বালা হাদ্দাসানা সুফিয়ান আন সালামাতা ইবনু কুহাইলিন আন ইবনু হুজরিন আন আনবাসিন আন ওয়ায়েল ইবনু হুজর ক্বালা: (সামীতুন নাবীয়্যু ﷺ ইয়ামুদ্দু বিহা সাউতাহু আমিন ইজা ক্বালা গাইরিল মাগদুবি আলাইহিম ওয়ালাদ্দাল্লিন)।
২৩৪। মাহমূদ ...... ওয়ায়েল বিন হুজর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন: আমি নাবী-কে উচ্চৈঃস্বরে আমীন বলতে শুনেছি যখন তিনি الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلَا الضَّالِّينَ বলেছেন।
২৩৫. হাদ্দাসানা মাহমুদ ক্বালা হাদ্দাসানাল বুখারী ক্বালা হাদ্দাসানা মুহাম্মাদ বিন কাসির ওয়াক্ববিসাতা ক্বালা হাদ্দাসানা সুফিয়ান আন সালামাতা আন হুজরিন আন ওয়ায়েল ইবনু হুজরিন আনিন নাবী ﷺ নাহুহু ওয়াক্বালা ইবনু কাসিরিন রাফা বিহা সাউতাহু।
২৩৫। মাহমূদ ..... ওয়েল বিন হুজর নাবী হতে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। ইবনু কাসীর বলেছেন رَفَعَ بِهَا صَوْنَهُ অর্থাৎ উচ্চৈঃস্বরে আমীন বলেছেন।
২৩৬. হাদ্দাসানা মাহমুদ ক্বালা হাদ্দাসানাল বুখারী ক্বালা হাদ্দাসানা মাহমুদ ক্বালা আনবানা আবূ দাউদ ক্বালা আনবানা শু’বা আন ইয়া’লা ইবনু ‘আতা’ ক্বালা সামি’তু আবা ‘আলক্বামা আন্ আবী হুরাইরাতা (রাঃ) আন্নাবিয়্যু ﷺ : “ইজা ক্বালাল ইমামু ওয়ালাদ দ্বোয়াল্লীন ফাক্বুলু আমীন”।
২৩৬। মাহমুদ ...... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি নাবী হতে বর্ণনা করেন, ইমাম যখন وَلَا الضَّالِّينَ বলে, তখন তোমরা আমীন বলো।
২৩৭. হাদ্দাসানা মাহমুদ ক্বালা হাদ্দাসানাল বুখারী ক্বালা ওয়া হাদ্দাসানিহি মুহাম্মাদ বিন ‘উবায়দুল্লাহ ক্বালা হাদ্দাসানা ইবনু আবী হাতিম আнил ‘আলা আন আবীহি আন্ আবী হুরাইরাতা ক্বালা : “ইজা ক্বরা আল ইমামু বিউম্মিল কুরআন ফাক্বরা বিহা ওয়াস্বাক্বাহু ফাইন্নাহু ইজা ক্বালা ওয়ালাদ দ্বোয়াল্লীন ক্বালাতিল মালায়িকাতু আমীন মান ওয়াফাকা জালিকা ক্বিম্না আই ইউস্তাজাবা লাহুম”।
২৩৭। মাহমূদ ...... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন: ইমাম যখন উম্মুল কুরআন পাঠ করে, তুমিও তখন তা পাঠ কর বরং তুমি তার পূর্বে পাঠ কর। কেননা ইমাম যখন وَلَا الضَّالِّينَ বলে, (মালায়িকাহ) বা ফেরেশতারা তখন আমীন বলে। যার আমীন (ঐ) ফিরিশতাদের সামঞ্জস্যপূর্ণ (মুয়াফিক) হবে, তাদের (আমীন) কবুল করা হবে।
২৩৮. হাদ্দাসানা মাহমুদ ক্বালা হাদ্দাসানাল বুখারী ক্বালা হাদ্দাসানা আবান বিন ইয়াযিদ ওয়াহাম্মাম বিন ইয়াহইয়া বিন শাদ্দাদ আন ইয়াহইয়া বিন আবী কাসীর আন ‘আবদিল্লাহি বিন আবী ক্বাতাদাতা আন্ আবীহি ক্বালা : (কানা রাসূলুল্লাহ ﷺ ইয়াক্বরাউ ফিয যুহরি ওয়াল আসরি ফি الرَّكْعَتَيْنِ الْأَوَّلَيَيْنِ بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ وَسُورَةً وَفِي الْأَخِرَيَيْنِ بِأَمِّ الْكِتَابِ فَكَانَ يَسْمَعُنَا الْآيَةَ)
২৩৮। মাহমূদ ..... 'আবদুল্লাহ বিন আবূ ক্বাতাদাহ হতে বর্ণিত। তিনি তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন। তিনি (তাঁর পিতা) বলেন: রসূলুল্লাহ যুহরে এবং 'আসরের প্রথম দু' রাক'আতে ফাতিহাতুল কিতাব এবং একটি সূরা পাঠ করতেন এবং শেষ দু' রাক'আতে উম্মুল কিতাব পাঠ করতেন। আমাদেরকে আয়াত শুনাতেন।
২৩৯. হাদ্দাসানা মাহমুদ কাল হাদ্দাসানা আল বুখারী কাল হাদ্দাসানা মুসা কাল হাদ্দাসানা হাম্মাম বি হাজা কাল আল বুখারী ওয়া রাওয়া নাফে বিন রাইদ কাল হাদ্দাসানি ইয়াহিয়া বিন সুলাইমান আল মাদানী আন যায়দ বিন আবি আতাব ওয়া ইবনুল মাকবুরী আন আবি হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু রাফাহু: ইজা জিতুম ইলাস সালাতি ওয়া নাহনু সুজুদুন ফাসজুদু ওয়া লা তাদ্দুহা শাইআন ওয়া ইয়াহিয়া মুনকারুল হাদীস রাওয়া আনহু আবু সাঈদ মাওলা বানি হাশিম ওয়া আবদ আল্লাহ বিন রাজাআল বাসরি মানাকির ওয়া লাম ইয়াতাবিন সামাআহু মিন যায়দ ওয়া লামিন ইবনুল মাকবুরী ওয়া লা তাকুম বি আল হুজাহ।
২৩৯। মাহমূদ ..... মুসা বলেছেন: আমাদেরকে হাম্মাম এভাবে হাদীস শুনাতেন।
(ইমাম বুখারী বলেছেন:) নাফি' বিন যায়দ ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি মারফু' সূত্রে বর্ণনা করেছেন- (আমাদের সাজদাহ অবস্থায় তোমরা যখন সলাতে আসবে, তখন তোমরাও সাজদাহ করো এবং ওটা কিছুই গণনা করো না) ইয়াহইয়া মুনকারুল হাদীস* তার থকে বানী হাশিমের মাওলা, আবু সাঈদ এবং আবদুল্লাহ বিন রজায়া বাসরী বর্ণনা করেছেন, এরা সকলে মুনকার। যায়দ থেকে সে স্পষ্ট শুনে বর্ণনা করেনি এবং ইবনু মাকবার থেকেও নয়। এটা দ্বারা দলীল প্রতিষ্ঠিত হয় না।
٢٤٠. حدثنا محمود قال حدثنا البخاري قال حدثنا بشر بن الحكم قال حدثنا موسى بن عبد العزيز قال حدثنا الحكم بن أبان قال حدثني عكرمة عن ابن عباس أن رسول الله ﷺ قال للعباس بن عبد المطلب: ألا أعطيك اذا انت فعلت ذلك غفر لك ذنبك قال تصلي اربع ركعات تقرأ في ركعة فاتحة الكتاب وسورة فذكر صلاة التسبيح .
২৪০। মাহমূদ ...... ইবনু 'আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ 'আব্বাস বিন 'আবদুল মুত্তালিবকে বলেছেন: আমি কি আপনাকে (এমন বিষয়) দান করব না। যখন আপনি সে অনুযায়ী কাজ করবেন, আপনার গুনাহসমূহকে ক্ষমা করে দেয়া হবে। তিনি বললেন: চার রাক'আত সলাত পড়বেন, এক রাক'আতে ফাতিহাতুল কিতাব ও একটি সূরা পাঠ করবেন। অতঃপর নাবী সলাতুত তাসবীহ এর কথা পূর্ণ উল্লেখ করলেন।
٢٤١. حدثنا محمود قال حدثنا البخاري قال حدثنا مسدد قال حدثنا يحي عن اسمعيل بن أبي خالد عن الحرث بن شبيل عن ابي عمرو الشيباني عن زيد بن ارقم قال كنا نتكلم في الصلاة يكلم اهدنا اخاه في حاجته حتى نزلت هذه الآية ﴿حَافِظُوا عَلَى الصَّلَوَاتِ وَالصَّلَاةِ الْوُسْطَى وَقُومُوا لِلَّهِ قَانِتِينَ﴾ فأمرنا بالسكوت .
২৪১। মাহমূদ ...... যায়দ বিন আরকাম (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন : আমরা সলাতের মধ্যে কথা বলতাম, আমাদের কেউ তাঁর ভাইয়ের প্রয়োজনে কথা বলত। এ আয়াত অবতীর্ণ না হওয়া পর্যন্ত। ﴿حَافِظُوا عَلَى الصَّلَوَاتِ والصلاة الوسطى وَقُومُوا لِلَّهِ قَانِتِينَ﴾ ”তোমরা সমস্ত সালাতের প্রতি যত্নবান হও, বিশেষ করে মধ্যবর্তী সলাত। আর আল্লাহর সামনে আদবের সাথে দাঁড়াও” (সূরা বাকারা ২৩৮)। নাবী আমাদেরকে চুপ থাকার নির্দেশ দিয়েছেন।
٢٤٢. حدثنا محمود قال حدثنا البخاري قال حدثنا ابراهيم بن موسى قال عيسى عن اسمعيل عن الحرث بن شيبل عن أبي عمرو الشيباني قال لي زيد بن ارقم وقال البخاري وقال البرء : ألا أصلي بكم صلاة رسول الله ﷺ فقرأ في صلاة وروى ابو اسحق عن الحرث سئل علي رضي الله عنه عمن لم يقرأ فقال اتم الركوع والسجود وقضيت صلاتك وقال شعبة لم يسمع ابو اسحق من الحرس الا اربعة ليس هذا فيه ولا تقوم به الحجة
২৪২। মাহমূদ ...... আবূ 'আম্র আশ-শায়বানী হতে বর্ণিত। তিনি বলেন : যায়দ বিন আরকাম আমাকে বলেছেন। এবং ইমাম বুখারী বলেছেন: আর বারাআ বলেছেন: জেনে রাখ! আমি তোমাদেরকে রসূলুল্লাহ -এর সলাত পড়াচ্ছি। অতঃপর তিনি তাঁর সলাতে কিরাআত পাঠ করলেন।
আবু ইসহাক হারস হতে বর্ণনা করেন, যে ব্যক্তি কিরাআত পাঠ করে না, তার সম্পর্কে 'আলী (রাযিঃ)-কে জিজ্ঞেস করা হলো, তিনি বললেন: রুকূ', সাজদাহ পূর্ণ কর, তাহলেই তুমি তোমার সলাত পূর্ণ করলে।
শু'বাহ বলেছেন: আবু ইসহাক হারস থেকে শুনেননি। চারটি হাদীস ব্যতীত, আর এটা তার অন্তর্ভুক্ত নয়, আর এটা দ্বারা দলীল প্রতিষ্ঠিত হয় না।
٢٤٣. ويروى عن أبي سلمة صلى عمر رضى الله عنه ولم يقرأ فلم يعده وهو منقطع لا يثبت .
২৪৩। আবূ সালামাহ হতে বর্ণিত আছে। 'উমার (রাযিঃ) সলাত পড়লেন, তাতে পাঠ করেননি। আর তা পুনরায়ও পড়েননি। হাদীসটি মুনকাতে* এবং এর কোন প্রমাণ নেই।
٢٤٤. ويروى عن الأشعرى عن عمر انه اعاد ويروى عن عبد الله بن حnظلة عن عمر انه نسي القراءة في ركعة من المغرب فقرأ في الثانية مرتين .
২৪৪। আল-আশ'আরী হতে বর্ণিত। তিনি 'উমার হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি পুনরায় পড়েছিলেন এবং 'আবদুল্লাহ বিন হানযালাহ হতে বর্ণিত। তিনি 'উমার হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি মাগরিবের এক রাক'আতে কিরাআত ভুলে গিয়েছিলেন। অতঃপর তিনি দ্বিতীয় রাক'আতে দু'বার পড়েছেন।
৩৪৫. وحديث أبي قتادة عن النبي ﷺ اشبه انه قرأ في الأربع كلها ولم يدع فاتحة الكتابة .
২৪৫। আবূ ক্বাতাদাহ্ হাদীস অধিক সাদৃশ্যপূর্ণ। নাবী থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি চার রাক'আতেই পাঠ করেছেন এবং ফাতিহাতুল কিতাবকেও ছাড়েননি।
৩৪৬. وَقَالَ النَّبِيُّ ﷺ : «إِنَّكُمْ مَا اخْتَلَفْتُمْ فِي شَيْءٍ فَحُكْمُهُ إِلَى اللهِ وَإِلَى مُحَمَّةٍ » .
২৪৬। নাবী বলেছেন: নিশ্চয় তোমরা কোন ব্যাপারে যা কিছু মতভেদ কর তার ফয়সালা হলো আল্লাহর নিকট এবং মুহাম্মদ -এর নিকট।
۲۴۷. حدثنا محمود قال حدثنا البخاري قال حدثني ابراهيم بن المنذر قال حدثنا اسحق بن عفر بن محمد قال حدثني كثير بن عبد الله بن عمرو عن أبيه عن جده عن النبي صلى الله عليه وسلم بهذا وقال الأعجر عن ابي امامة بن سهل : رأيت زيد بن ثابت يركع وهو بالبلاط لغير القبلة حتى دخل في الصف وقال وهؤلاء اذا ركع لغير القبلة لم يجزه وقال ابو سعيد كان النبي ﷺ يطيل في الركعة الأولى وقال بعضهم ليدرك الناس الركعة الأولى ولم يقل يطيل الركوع وليس في الانتظار في الركوع سنة .
২৪৭। মাহমূদ কাসীর বিন 'আবদুল্লাহ বিন আমর হাদীস বর্ণনা করেন, তিনি তাঁর পিতা হতে, তাঁর পিতা তাঁর দাদা হতে, তিনি নাবী হতে এভাবেই বর্ণনা করেন।
আ'জার বলেছেন, তিনি উমামাহ বিন সাহল থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: আমি যায়দ বিন সাবিতকে কিবলা ব্যতীত রুকূ' করতে দেখেছি। সে সময় তিনি প্রস্তর ফলকের মেঝেতে ছিলেন। এমনকি তিনি সারিতে প্রবেশ করলেন।
এরা সকলে বলেন, কিবলাহ ছাড়া রুকূ' করা হয় তা বৈধ হবে না।
আবু সাঈদ বলেছেন: নাবী প্রথম রাক'আত দীর্ঘ করতেন। তাঁদের অনেকে বলেন: লোকদের প্রথম রাক'আত পাওয়ার জন্য দীর্ঘ করতেন। তিনি রুকূ' দীর্ঘ করার কথা বলেননি। রুকূ'তে অপেক্ষা করা সুন্নাত নয়।
٢٤٨. حدثنا محمود قال حدثنا البخاري قال حدثنيه عبد الله بن محمد قال حدثنا بشر بن السري قال حدثنا معاوية بن ربيعة عن يزيد عن فزعة قال اتيت أبا سعيد الخدري فقال ان صلاة الأولى كانت تقام مع رسول ﷺ فيخرج احدنا الى البقيع فيقضي حاجته ثم يأتي منزله فيتوضأ ثم يجئ الى المسجد فيجد رسول الله ﷺ قائما في الركعة الأولى .
২৪৮। মাহমূদ ফাযা'আহ হতে বর্ণিত। তিনি বলেন: আমি আবু সা'ঈদ খুদরীর নিকট আসলাম। অতঃপর তিনি বললেন, প্রথম সলাতে রসূলুল্লাহ -এর সাথে দাঁড়ানো হত, আমাদের কেউ বাকী নামক স্থানে চলে যেত।
অতঃপর তিনি তাঁর হাজত পূরণ করতেন। তারপর তিনি তার বাড়ীতে আসতেন এবং অযু করতেন। অতঃপর তিনি মাসজিদে আসতেন। তারপরও তিনি রসূলুল্লাহ-কে প্রথম রাক'আতে দাঁড়ানো অবস্থায় পেতেন।
২৪৯. হাদ্দাসানা মাহমুদ ক্বালা হাদ্দাসানা আল বুখারী ক্বালা হাদ্দাসানা আবূ আল ইয়ামান ক্বালা হাদ্দাসানা শু'আইব আন আয যুহরী ক্বালা হাদ্দাসানা সাঈদ বিন আল মুসায়্যিব ওয়া আবূ সালামাহ বিন আবদির রহমান আন আবা হুরাইরা ক্বালা : সামি'তু রাসুল আল্লাহ ﷺ ইয়াকুলু ইউফাদ্দিলু সালাত আল জামি'ই বিখামসিন ওয়া ইশরিন জাযাউন ওয়া ইয়াজতামিউ মালাকাতুল লাইলি ওয়া মালাকাতু আন্নাহারি ফি সালাত আল ফাজরি সুম্মা ইয়াকুলু আবূ হুরাইরা ইকরুউ ইন্ শিতুম ﴿ وَقُرْآنَ الْفَجْرِ إِنَّ قُرْآنَ الْفَجْرِ كَانَ مَشْهُودًا ﴾
২৪৯। মাহমূদ .... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) বলেছেন : আমি রসূলুল্লাহ -কে বলতে শুনেছি, জামা'আতে সলাত পঁচিশ গুণ বিনিময়ের মর্যাদা রাখে। রাত্রের ও দিনের (মালায়িকাহ) ফেরেশতাগণ ফজরের সলাতের সময় একত্রিত হয়।
অতঃপর আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) বলেন: তোমরা ইচ্ছে করলে পাঠ করো ﴿وَقُرْآنَ الْفَجْرِ إِنَّ قُرْآنَ الْفَجْرِ كَانَ مَشْهُودًا﴾ "ফজরে কুরআন পাঠ কর। নিশ্চয়ই ফজরের কুরআন পাঠ উপস্থিতির সময়"- (সূরা বানী ইসরাঈল ৭৮)।
২৫০. ওতা'বিয়াহু মা'মার আন আযযুহরী আন আবী সালামাহ ওয়াবন আল মুসাইয়্যিব আন আবি হুরাইরা আন আন নাবী ﷺ
২৫০। তার অনুগামী হয়েছেন মা'মার। তিনি যুহরী হতে, তিনি আবু সালামাহ ও মুসাইয়্যিব হতে, তিনি আবু হুরাইরাহ হতে, তিনি নাবী ﷺ হতে বর্ণনা করেন।
২৫১. হাদ্দাসানা মাহমুদ ক্বালা হাদ্দাসানা আল বুখারী ক্বালা হাদ্দাসানা আব্দুল্লাহ বিন আসবাট ক্বালা হাদ্দাসানা আবী ক্বালা হাদ্দাসানা আল আ'মাশ আন আবী সালিহ আন আবী হুরাইরা আন আন নাবী ﷺ ফি ক্বাওলিহি : ﴿وَقُرْآنَ الْفَجْرِ إِنَّ قُرْآنَ الْفَجْرِ كَانَ مَشْهُودًا﴾ ক্বালা ইয়াশহাদুহু মালাকাতুল লাইলি ওয়া মালাকাতু আন্নাহার।
২৫১। মাহমূদ ...... আবূ হুরাইরাহ হতে বর্ণিত। তিনি নাবী হতে বর্ণনা করেন আল্লাহর এ বাণী সম্পর্কে فَإِنَّ الْفَجْرِ كَانَ قُرْآنَ الْفَجْرِ مَشْهُودًا )ফাজরে কুরআন পাঠ কর, নিশ্চয়ই ফাজরের কুরআন পাঠ উপস্থিতির সময়) নাবী বলেন: তাঁর জন্য রাত্রের মালাইকাহ এবং দিনের মালায়িকাহ বা ফেরেশতাগণ সাক্ষ্য দান করবেন।
২৫২ . وروى شعبة عن سليمان عن ذكوان عن أبي هريرة قوله.
২৫২। শু'বাহ বর্ণনা করেন, সুলাইমান হতে, তিনি যাকওয়ান হতে, তিনি আবূ হুরাইরাহ হতে তাঁর কথাকে বর্ণনা করেন।
٢٥٣. وقال علي بن مسهر وحفص والقاسم بن يحي عن الأعمش عن أبي صالح عن أبي سعيد وأبي هريرة عن النبي ﷺ.
২৫৩। 'আলী বিন মুসহার, হাফস্ ও কাসেম বিন ইয়াহ্ইয়া বলেছেন: এরা আ'মাশ হতে, তিনি আবু সালেহ হতে, তিনি আবু সাঈদ ও আবূ হুরাইরাহ হতে, তাঁরা নাবী হতে বর্ণনা করেছেন।
টিকাঃ
* বাদ্রী: যারা বদর যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন তাঁদেরকে বাদ্রী সহাবী বলে।
* মুস্তাফীয- যে হাদীসের সনদের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত দুয়ের অধিক রাবী থাকে তাকে মুস্তাফীয বলে।
* মারফু : যে হাদীসের বর্ণনা পরম্পরা রসূল থেকে হাদীস গ্রন্থ সংকলনকারী পর্যন্ত সুরক্ষিত আছে এবং মাঝখান থেকে কোন বর্ণনাকারীর নাম বাদ পড়েনি তাকে মারফু হাদীস বলে।
* মুনকার: যে হাদীসের বর্ণনাকারী যঈফ বা দুর্বল। যঈফ বা দুর্বল রাবী যদি সিকাহ বা বলিষ্ঠ রাবীর বিপরীত বর্ণনা করে, তাকে মুনকার হাদীস বলে।
* যে হাদীসের রাবীদের ধারাবাহিকতা রক্ষিত হয়নি বরং কোন স্তরে এক বা একাধিক রাবী বাদ পড়েছে, তাকে মুনকাতে হাদীস বলে।
📄 অনুচ্ছেদ : ইমামের পিছনে উচ্চৈঃস্বরে কিরাআত না হওয়া প্রসঙ্গে
٢٥٤. حدثنا محمود قال البخاري قال حدثنا محمد بن مقاتل قال حدثنا النضر قال انبأنا يونس عن أبي اسحق عن ابي الأحوص عن عيد الله قال قال النبي ﷺ لقوم كانوا يقرؤون القرآن فيجهرون به «خلطتم على القرآن وكنا نسلم في الصلاة فقيل لنا ان في الصلاة لشغلا ...
২৫৪। মাহমূদ ...... 'আবদুল্লাহ হতে বর্ণিত। তিনি বলেন: নাবী উচ্চৈঃস্বরে কুরআন পাঠকারী কওম সম্পর্কে বলেছেন: (তোমরা কুরআনের উপর তালগোল পাকিয়ে দিলে)। তাছাড়া আমরা সলাতের মধ্যে সালাম করতাম। আমাদেরকে বলা হলো, সলাত হলো ধ্যান বা মগ্নতা।
২৫৫. হাদ্দাসানা মাহমুদ ক্বালা হাদ্দাসানাল বুখারী ক্বালা হাদ্দাসানা ইয়াহইয়া ইবনু ইউসুফ ক্বালা আনবানা আব্দুল্লাহি আন আইয়ুব আন আবী কিলাবা আন্ আনাসিন রাদীয়াল্লাহু আনহু আন্না আন্ নাবীয়্যু সাল্লা বিআসহা-বিহী ফাল্লামা ক্বাদা সালাতাহু আকবালা আলাইহিম বিওয়াজহিহী ফাক্বা-লা : আতাকরাউনা ফী সালাতিকুম ওয়ালইমামু ইয়াকরাউ, ফাসকাতু ফাক্বালাহা সালাসা মাররাতিন, ফাক্বা-লা ক্বা-ইলুন আও ক্বা-ইলুনা ইন্না লানাফআলু ক্বালা: ফালা তাফআলু ওয়ালিয়াকরা আহাদুকুম বিফাতিحاتিল কিতাবি ফী নাফসিহী।
২৫৫। মাহমূদ ...... আনাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, নাবী তাঁর সহাবীদেরকে সলাত পড়ালেন। তিনি যখন সলাত শেষ করলেন। তাঁর চেহারা তাঁদের দিকে করলেন, অতঃপর বললেন: (ইমামের পাঠ করা অবস্থায় তোমাদের সলাতে কি তোমরা পাঠ করেছ?) তাঁরা সকলে চুপ থাকল। নাবী কথাটা তিনবার বললেন। তারা বললেন: অবশ্যই আমরা করেছি। নাবী বললেন: তোমরা এরূপ করো না। তবে ফাতিহাতুল কিতাব যেন মনে মনে পড়ে।
২৫৬. হাদ্দাসানা মাহমুদ ক্বালা হাদ্দাসানাল বুখারী ক্বালা হাদ্দাসানা মুসা ক্বালা হাদ্দাসানা হাম্মাদ বিন আইয়ুব আন আবী কিলাবা আনিন নাবীয়্যু লিয়ুকরা বিফাতিহাতি আল কিতাব» ।
২৫৬। মাহমূদ ...... আবূ কিলাবাহ হতে বর্ণিত। তিনি নাবী থেকে বর্ণনা করেন। ফাতিহাতুল কিতাব যেন পড়া হয়।
২৫৭. হাদ্দাসানা মাহমুদ ক্বালা হাদ্দাসানাল বুখারী ক্বালা হাদ্দাসানা কুতাইবা ক্বালা হাদ্দাসানা মুহাম্মাদ বিন আবী আদী আন মুহাম্মাদ বিন ইসহাক্ব আন মাকহুল আন মাহমুদ بْنِ الرَّبِيعِ عَنْ عُبَادَةَ بْنِ الصَّامِتِ قَالَ : صَلَّى بِنَا رَسُولُ اللَّهِ ﷺ صَلَاةَ الْغَدَاةِ قَالَ فَثَقُلَتْ عَلَيْهِ الْقِرَاءَةُ فَقَالَ : « إِنِّي لَأَرَاكُمْ تَقْرَؤُنَ خَلْفَ إِمَامَكُمْ؟» قَالَ : قُلْنَا أَجَلْ يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ : « فَلَا تَفْعَلُوا إِلَّا بِأُمِّ الْقُرْآنِ فَإِنَّهُ لَا صَلَاةَ لِمَنْ يَقْرَأُبِهَا » .
২৫৭। মাহমূদ ...... 'উবাদাহ বিন সামিত (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন: রসূলুল্লাহ আমাদেরকে ফাজরের সলাত পড়ালেন। তাঁর উপর কিরাআত পড়া ভারী হয়ে গেল। তিনি বললেন: আমি মনে করেছি, তোমরা তোমাদের ইমামের পিছনে পাঠ কর। রাবী বললেন: আমরা বললাম, হাঁ, আল্লাহর রসূল! আমরা পাঠ করেছি। রসূল বললেন: উম্মুল কুরআন ব্যতীত কিছুই পাঠ করনা। কেননা যে ব্যক্তি ওটা পড়ে না, তার সলাত হয় না।
২৫৮. হাদ্দাসানা মাহমুদুন কাল হাদ্দাসানা আল বুখারী কাল হাদ্দাসানা ইসহাক কাল হাদ্দাসানা আবদাহ কাল হাদ্দাসানা মুহাম্মাদুন আন মাকহুলিন আন মাহমুদ ইবন আর রাবিঈ الأَنْصَارِيُّ عَنْ عُبَادَةَ ابْنِ الصَّامِتِ قَالَ صَلَّى رَسُولُ اللَّهِ ﷺ صَلَاةَ الصُّبْحِ فَثَقُلَتْ عَلَيْهِ الْقِرَاءَةُ فَلَمَّا انْصَرَفَ قَالَ : «إِنِّي أَرَاكُمْ تَقْرَؤُنَ أَرَاءَ إِمَامَكُمْ» قُلْنَا أَي وَاللَّهِ يَا رَسُولَ اللَّهِ هَذَا قَالَ : « فَلَا تَفْعَلُوا إِلَّا بِأُمِّ الْقُرْآنِ فَإِنَّهُ لَا صَلَاةَ إِلَّا بِهَا » .
২৫৮। মাহমূদ ...... 'উবাদাহ বিন সাবিত হতে বর্ণিত। তিনি বলেন: রসূলুল্লাহ ফজরের সলাত পড়ালেন। তাঁর উপর কিরাআত পড়া ভারী হয়ে গেল। যখন তিনি সালাম ফিরালেন তখন বললেন: আমার মনে-হয় তোমরা তোমাদের ইমামের পিছনে পাঠ কর।
আমরা বললামঃ হাঁ আল্লাহর শপথ! হে আল্লাহর রসূল! এটা আমরা করি। রসূলুল্লাহ বললেন: উম্মুল কুরআন ব্যতীত আর কিছুই পড় না। কেননা, সূরা ফাতিহা ব্যতীত সলাত হয় না।
٢٥٩. حدثنا محمود قال حدثنا البخاري قال حدثنا حفص بن عمر قال حدثنا همام عن قتادة عن زرارة عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ أَنَّ النَّبِيِّ ﷺ صَلَّى الظَّهْرَ فَلَمَّا قَضَى قَالَ : «أَيُّكُمْ قَرَاَ » قَالَ رَجُلٌ أَنَا قَالَ : « لَقَدْ عَلِمْتُ أَنَّ رَجُلًا قَدْ خَالِجَنِيهَا » .
২৫৯। মাহমূদ .... 'ইমরান বিন হুসাইন (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, নাবী যোহরের সলাত পড়ালেন। অতঃপর যখন সালাম ফিরালেন তখন বললেন : তোমাদের মধ্যে কে পাঠ করেছে? এক ব্যক্তি বলল, আমি। নাবী ﷺ বললেন : নিশ্চয় আমি জানতে পেরেছি যে কোন ব্যক্তি এর মাধ্যমে আমাকে সংশয়ের মধ্যে ফেলেছে।
٢٦٠. حدثنا محمود قال حدثنا البخاري قال حدثنا موسى قال حدثنا حماد عن قتادة عن زرارة عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ قَالَ صَلَّى النَّبِيُّ ﷺ احدى صَلَاتَيْ الْعِشَى فَقَالَ : « أَيُّكُمْ قَرَأَ بِسَبِّحْ؟ » قَالَ رَجُلًا أَنَا قَالَ : « قَدْ عَرَفْتُ أَنَّ رَجُلًا خَالِجَنِيْهَا » .
২৬০। মাহমূদ ...... 'ইমরান বিন হুসাইন (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন: নাবী ﷺ দু'এশার কোন এক এশার সলাত পড়ালেন। অতঃপর তিনি বললেন: তোমাদের মধ্যে কে সাব্বীহ বা সূরা আলা পাঠ করেছ? এক ব্যক্তি বলল আমি। নাবী ﷺ বললেন: আমি বুঝতে পেরেছি যে, কোন ব্যক্তি এর মাধ্যমে আমাকে সংশয়ের মধ্যে ফেলেছে।
٢٦١. حدثنا محمود قال حدثنا البخاري قال حدثنا عمرو بن علي قال حدثنا ابن أبي عدي عن شعبة عن العلاء بن عبد الرحمن عن أبيه عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ : « كُلُّ صَلَاةٍ لَا يَقْرَأُ فِيهَا فَهِيَ خدَاجٌ غَيْرُ تَمَامٍ، فَقَالَ أَبِي لِأَبِي هُرَيْرَةَ فَإِذَا كُنْتُ خَلْفَ الْإِمَامِ ۚ فَأَخَذَ بِيَدَيَّ وَقَالَ يَا فَارِسِي أَوْ قَالَ يَا ابْنُ الْفَارِسِي إِقْرَأْ فِي نَفْسِكَ .
২৬১। মাহমূদ...... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন: রসূলুল্লাহ বলেছেন: প্রত্যেক সলাত যাতে পাঠ করা হয় না, সেটা খেদাজ অসম্পূর্ণ। রাবী আলা বিন 'আবদুর রহমান বলেন: আমার পিতা আবু হুরাইরাহকে বলল: যখন আমি ইমামের পিছনে থাকি? আবূ হুরাইরাহ আমার হাত ধরে বললেন, হে ফারিসী! অথবা বলল, হে ইবনু ফারেসী! তুমি মনে মনে পড়।
📄 অনুচ্ছেদ : যে ইমামের উচ্চৈঃস্বরে কিরাআত নিয়ে টানা হেঁচড়া করে তাকে পুনরায় সলাত পড়ার নির্দেশ দেয়া হয়নি
٢٦٢. حدثنا محمود قال حدثنا البخاري قال حدثنا قتيبة عن مالك عن ابن شهاب عن ابن اكيمة الليثي عن أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ انْصَرَفَ مِنْ صَلَاةِ جَهَرَ فِيهَا بِالْقِرَاءَةِ فَقَالَ : هَلْ قَرَا أَحَدٌ مِنْكُمْ مَعِى آنفًا؟» فَقَالَ رَجُلٌ نَعَمْ يَا رَسُولَ اللَّهِ فَقَالَ : «إِنِّي أَقُولُ مَالِي أَنَازِعُ القرآن».
২৬২। মাহমূদ ...... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ উচ্চৈঃস্বরে কিরাআত পড়া সলাত থেকে সালাম ফিরিয়ে বললেন: তোমাদের মধ্যে কেউ কি এ মাত্র আমার সাথে পড়েছে? এক ব্যক্তি বলল, হ্যাঁ, হে আল্লাহ্ রসূল! অতঃপর রসূল বললেন, তাইতো আমি বলি, আমার কি হলো আমি কুরআনের সাথে ঝগড়া করছি।
۲۹۴۳. (قال البخاري) وروى سليمان التيمي وعمر بن عامر عن قتادة عن يونس بن جبير عن عطاء عن موسى في حديثه الطويل عن النبي ﷺ اذا قرأ فانصتوا ، ولم يذكر سليمان في هذه الزيادة سماعا من قتادة ولا قتادة من يونس بن جبير .
২৬৩। ইমাম বুখারী বলেছেন: সুলাইমান আত্-তাইমী ও 'উমার বিন আমের বর্ণনা করেন। এক ব্যক্তি বলল, হ্যাঁ, আল্লাহর রসূল! অতঃপর রসূল (সা) বললেন, তাইতো আমি বলি, আমার কি হলো আমি কুরআনের সাথে ঝগড়া করছি। তাঁরা ক্বাতাদাহ হতে, তিনি ইউনুস বিন জুবাইর হতে, তিনি আতা হতে, তিনি মুসার দীর্ঘ হাদীস হতে, তিনি নাবী হতে বর্ণনা করেন (যখন পড়া হয়, তখন চুপ থাকো) সুলাইমান এ অতিরিক্ত ক্বাতাদাহ হতে শুনার কথা উল্লেখ করেননি এবং ক্বাতাদাহ ইউনুস বিন জুবাইর হতে উল্লেখ করেন নাই।
٢٦٤. وروى هشام وسعيد وهمام وأبو عوانة وأبان بن يزيد وعبيدة عن قتادة ولم يذكر وا اذا قرأ فانصتوا ولو صح لكان يحتمل سوى فاتحة الكتاب وان يقرأ فيما يسكت الامام وأما في ترك فاتحة الكتاب فلم يتبين في هذا الحديث .
২৬৪। হিশাম, সাঈদ, হুমাম, আবূ আওয়ানাহ, 'আব্বাস বিন ইয়াযীদ ও 'উবাইদাহ বর্ণনা করেন। তাঁরা ক্বাতাদাহ হতে বর্ণনা করেন, তাঁরা اذا قرأ فانصتوا ]যখন পড়া হয় তখন চুপ থাকো। উল্লেখ করেননি। ওটা যদি সহীহও হয়, তাহলে ফাতিহাতুল কিতাব ব্যতীত বুঝাবে। আর পড়তে হবে, ইমাম যে সাকতা করবে তার মধ্যে। ফাতিহাতুল কিতাব ছেড়ে দেয়ার কথা এ হাদীসের মধ্যে বর্ণনা করা হয়নি।
٢٦٥. وروى ابو خالد الأحمر عن ابن عجلان عن زيد بن أسلم او غيره عن أبي صالح عن ابي هريرة عن النبي ﷺ : «إِنَّمَا جُعِلَ الْإِمَامُ لِيُؤْتَمَّ بِهِ» زَادَ فِيْهِ «وَإِذَا قَرَا فَانْصِتُوا »
২৬৫। আবূ খালিদ আহ্মার বর্ণনা করেন, তিনি আজলান হতে, তিনি যায়দ বিন আসলাম বা অন্যদের থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে। তিনি আবূ হুরাইরাহ থেকে বর্ণিত। তিনি নাবী হতে বর্ণনা করেন। (ইমাম বানানো হয় সম্পন্ন করার জন্য।) এর অতিরিক্ত বর্ণনায় আছে। যখন পড়া হয়, তখন তোমরা চুপ থাকো।
٢٦٦. وروى عبد الله عن الليث عن ابن عجلان عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة وعن ابن عجلان عن مصعب بن محمد والقعقاع وزيد ابن أسلم عن أبي هريرة عن النبي ﷺ
২৬৬। 'আবদুল্লাহ বর্ণনা করেন, তিনি লাইস হতে, তিনি ইবনু আজলান হতে, তিনি আবু যিনাদ হতে, তিনি আ'রাজ হতে, তিনি আবূ হুরাইরাহ হতে এবং ইবনু 'আজলান মুস'আব বিন মুহাম্মাদ, ক্বা'ক্বা' ও যায়দ বিন আসলাম হতে, তাঁরা আবু হুরাইরাহ হতে, তিনি নাবী হতে বর্ণনা করেন।
٢٦٧. حدثنا محمود قال حدثنا البخاري قال حدثنا عثمان قال حدثنا بكر عن ابن عجلان عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة عن النبي ﷺ ولم يذكر وا «فَانْصِتُوا ، ولا يعرف هذا من صحيح حديث ابن خالد الأحمر قال احمد اراه كان يدلس .
২৬৭। মাহমূদ....... আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি নাবী হতে বর্ণনা করেন। তাঁরা )فَانْصَتُوا তোমরা চুপ থাক) উল্লেখ করেননি। আর এটা ইবনু খালিদ আহমারের সহীহ হাদীস কিনা জানা যায় না। আহমাদ বলেছেন: আমি মনে করি সে تدلیس বা গোপন করত।*
٢٦٨. قال ابو السائب عن أبي هريرة اقرأها في نفسك .
২৬৮। আবূ সায়েব বলেন: তিনি আবূ হুরাইরাহ হতে বর্ণনা করেন (আবূ হুরাইরাহ বলেছেন) ওটা তুমি মনে মনে পড়।
২৭৯. وقال عاصم عن ابي صالح عن أبي هريرة اقرأ فيما يجهر .
২৬৯। আসেম বলেন, তিনি সালেহ হতে, তিনি আবূ হুরাইরাহ হতে বর্ণনা করেন, যে সময় উচ্চৈঃস্বরে পাঠ করা হয়, তখন তুমি পাঠ কর।
۲۷۰. وقال أبو هريرة (كان النبي ﷺ يسكت بين التكبير والقراءة فاذا قرأ في سكتة الامام لم يكن مخالفا لحديث ابي خالد لانه يقرأ في سكتات الامام فاذا قرأ أنصت .
২৭০। আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) বলেন: নবী তাকবীর এবং কিরাআতের মধ্যে সাকতা করতেন। যখন ইমামের সাকতার সময় পড়া হবে তখন এটা হাদীসের বিপরীত হবে না।) আবূ খালিদের হাদীস। কেননা ইমামের সাকতার সময় পড়া হবে। আর যখন তিনি পড়বেন তখন চুপ থাকা।
۲۷۱. وروى سهيل عن أبيه عن أبي هريرة عن النبي ﷺ ولم يقل مازاد ابو خالد وكذالك .
২৭১। সুহাইল তার পিতা হতে বর্ণনা করেন, তিনি আবু হুরাইরাহ হতে, তিনি নাবী হতে, আবূ খালেদ যা বৃদ্ধি করেছেন তা তিনি বলেননি এবং এমনিভাবেই।
২৭২. روى ابو سلمة وهمام وابو يونس وغير واحد عن ابي هريرة عن النبي ﷺ ولم يتابع ابو خالد في زيادته .
২৭২। আবূ সালামাহ, হুমাম, আবূ ইউনুস এবং আরও অনেকে আবূ হুরাইরাহ হতে বর্ণনা করেন। তিনি নাবী হতে, আবু খালিদ তার অতিরিক্ত অনুগামী হননি।
টিকাঃ
* মুদাল্লিস ঐ হাদীসকে বলে, যার রাবী নিজের উস্তাদকে বাদ দিয়ে তার উপরের রাবী থেকে বর্ণনা করে, যার সাথে সাক্ষাৎ হয়েছে। কিন্তু তার থেকে হাদীস শুনে নাই এবং এমন শব্দ ব্যবহার করে যাতে সন্দেহ সৃষ্টি হয় যে, সে তার থেকে হাদীস শুনেছে। এ কাজকে তাদলীস বলে, আর যে এ কাজটি করে তাকে মুদাল্লিস বলে।