📄 প্রশ্নের মাঝেই রয়েছে অজ্ঞতা থেকে মুক্তি
একবার সাহাবায়ে কেরাম কোনো এক যুদ্ধ থেকে ফিরছিলেন। তাদের একজন প্রচন্ড আহত ছিলেন। তিনি মাথায় আঘাত পেয়েছিলেন। সেই আহত সাহাবি ঘুমিয়ে পড়লে তার ওপর জানাবাতের গোসল ফরয হয়ে যায়। ঘুম থেকে উঠে তিনি সাথীদেরকে জিজ্ঞেস করলেন, আমি তো আহত। আমার জন্য গোসল ছাড়া সালাত আদায়ের কোনো সুযোগ আছে কি?
সাথীরা বলল, না, এ অবস্থায় গোসল ছাড়া সালাত আদায়ের কোনো সুযোগ নেই।
তিনি বললেন, কিন্তু আমি তো মাথায় আঘাত পেয়েছি। সেখানে পানি লাগলে ক্ষতি হতে পারে। সাথীর বলল, না, আমরা তোমার গোসল না করে সালাত আদায়ের কোনো উপায় দেখছি না। অগত্যা সে গোসল করে সালাত আদায় করল। এতে তার অসুস্থতা বেড়ে গেল। অবশেষে সে মারা গেল।
রাসুল ﷺ এ ঘটনা শোনার পর বললেন, সে যদি গোসল করার কারণে মৃত্যুবরণ করে থাকে, তাহলে তারা তাকে হত্যা করেছে। আল্লাহ যেন তাদেরকেও হত্যা করেন। তারা কেন এ ব্যাপারে যারা জানে তাদের কাছে জিজ্ঞেস করল না? কারণ, অজ্ঞতার প্রতিকারই হচ্ছে জানতে চাওয়া। অতঃপর রাসুল ﷺ বললেন, দু হাত দ্বারা পবিত্র মাটিতে আঘাত করে উভয় হাত মাসেহ ও সমস্ত মুখমন্ডল মাসেহ করলেই তার জন্য যথেষ্ট হতো। আর জখমের ওপর ব্যান্ডেজ বেঁধে তার ওপর মাসেহ করে নিলেই হতো। [বোখারী]
উযির ইবনে হুবাইরা একজন মন্ত্রী ছিলেন। ছিলেন সম্পদশালী ও সম্মানিত। তার বাড়িতে প্রায়ই ধর্মীয় বিষয়ে আলেমদের বিতর্কমজলিস হতো।
একদিন আসরের পর তিনি আলেমদের সাথে বসে আছেন। সেখানে মালেকি মাযহাবের একজন ফকিহ ছিলেন। একটি মাসআলা নিয়ে উপস্থিত আলেমগণ এই সিদ্ধান্তে পৌঁছল যে, মাসআলাটি এমন হবে; তবে উত্তম হল এটি।
কিন্তু মালেকি মাযহাবেরর ফকিহ বললেন, না, এক্ষেত্রে উত্তম হল ওটি। সকল আলেমের মতের বিপরীতে তার মত দেখে উযির ইবনে হুবাইরাহ অবাক হলেন। তিনি বিষয়টি নিয়ে তার সাথে অনেক আলাপ-আলোচনা করলেন। তাকে বোঝালেন, ভাই সকল আলেমের মতের বিপরীতে আপনি মত দিচ্ছেন। কিন্তু তিনি তার মতের উপর অটল থাকলেন। বললেন, আমার মতটিই সঠিক।
ইবনে হুবাইরাহ রেগে গিয়ে বলরেন, আপনি কি গাধা?
একথা শুনে মালেকি মাযহাবের সেই ফকিহ চুপ হয়ে গেলেন। সবাই চলে যাওয়ার পর ইবনে হুবাইরাহ তার কথার জন্য ভীষণ অনুতপ্ত হলেন। একজন আলেমকে আমি গাধা বললাম- এই ভেবে অত্যন্ত মর্মাহত হলেন। দুশ্চিন্তায় সে রাতে তিনি ঘুমাতে পারলেন না।
বস্তুত আলেমগণ ইলম অন্বেষণে তাদের হাঁটু গেঁড়ে বসেছেন। পবিত্র কোরআন মুখস্ত করেছেন। সুন্নতে নববী সংকলন, লিখন ও সংরক্ষণে নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছেন। এই সৌভাগ্যবান লোকগুলোর মাধ্যমে আল্লাহ তাঁর দীন সংরক্ষণ করে থাকেন। তাই, এরা সম্মান পাওয়ার দাবিদার। অথচ বর্তমানে বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় তাদের চরিত্রকে বিকৃতরূপে উপস্থাপন করা হচ্ছে। আসলে যারা এমনটি করছে, তারা মূলত দীনেরই ক্ষতি করছে।
ইবনে হুবাইরাহ'র সারাটি রাত বিষণ্ণতা, উদ্বেগ ও পেরেশানির মধ্য দিয়ে কাটল। পরদিন সকালে যখন আবার আলেমগণ তার বাড়িতে সমবেত হলেন, তখন তিনি দাঁড়িয়ে সেই আলেমকে সম্মান জানালেন। তার মাথায় চুমু খেলেন। অতঃপর সকলকে লক্ষ্য করে বললেন, উপস্থিত সম্মানিত ওলামায়ে কেরাম! গতকাল আমার মুখ ফসকে একটি মন্দ কথা বেরিয়ে পড়েছিল। আল্লাহর কসম, এটি আমাকে এতোটাই পীড়া দিয়েছিল যে, অনুশোচনার আগুনে জ্বলে আমি সারা রাতঘুমাতে পারিনি।
হে ভাই, আপনি আমাকে ক্ষমা করে দাও।
আলেম লোকটি বলল, আমি আপনাকে ক্ষমা করে দিলাম।
না, দয়া করে আমাকে ক্ষমা করুন।
সত্যিই ক্ষমা করে দিয়েছি।
ভাই, আপনার কোনো প্রয়োজন থাকলে বলুন।
না, আমার কোনো প্রয়োজন নেই।
আমি আপনাকে আল্লাহর নামে শপথ দিয়ে জিজ্ঞেস করছি, সত্যি করে বলুন আপনার কোনো ঋণ আছে কি না?
যেহেতু আপনি আল্লাহর শপথ দিয়ে জিজ্ঞেস করেছেন তাই বলছি, হ্যাঁ, আমার ঋণ আছে।
কত?
আমাকে মাফ করুন।
আল্লাহর ওয়াস্তে বলুন, আপনার ঋণ কতো?
একশ দিনার।
এই নিন একশ দিনার। আমার ব্যক্তিগত সম্পদ থেকে এটা আপনার ঋণ পরিশোধের জন্য দিলাম। আর এ নিন আরো একশ দিনার। এটা হল গতরাতের কটুকথার বিনিময়ে।
দেখো, ইনি একজন মন্ত্রী ছিলেন। সৎকাজের আদেশ ও অসৎ কাজে বাঁধা দিতেন। তিনি চাইলে ওই ফকিহকে হত্যার হুকুমও দিতে পারতেন। কিন্তু তার অন্তরে ওলামায়ে কেরামের প্রতি সম্মান ও মর্যাদাবোধ জাগ্রত ছিল。
📄 আলেমের আত্মমর্যাদাবোধ
শায়খ সাঈদ হালাবি নামের এক বড় আলেম ছিলেন। মানুষ তাকে অনেক শ্রদ্ধা করত। তিনি তার যুগের খলিফার চাটুকারী ছিলেন না। ছিলেন না মুখাপেক্ষিও। কারণ, কোনো আলেম যদি শাসকের প্রতি মুখাপেক্ষি হন, শাসকের কাছ থেকে উপহার-উপঢৌকন গ্রহণ করেন, শাসকশ্রেণির সাথে তার দহরম মহরম সম্পর্ক থাকে, তাহলে শাসকের অন্যায়-অত্যাচারের বিরুদ্ধে তিনি কথা বলতে পারবেন না। উল্টো তার পক্ষপাতিত্ব করবেন। কিন্তু কোনো আলেম যদি শাসকশ্রেণি থেকে পুরোপুরি অমুখাপেক্ষি থাকেন, তাহলে তার প্রতিটি বক্তব্য ও ফতোয়া এক আল্লাহর জন্য হবে।
সাঈদ হালাবি ছিলেন এমনই শাসক বিমুখ একজন আলেম। বিচারকের দায়িত্বে থাকাকালীন সময়ে একবার খলিফা তার জন্য কিছু হাদিয়া পাঠালেন। তিনি তা গ্রহণ করলেন না। বললেন, مسلمانوں বাইতুল মাল থেকে নির্ধারিত বেতন ব্যতিত আমি কিছুই গ্রহণ করব না।
খলিফা বললেন, এটা হাদিয়া হিসেবে এটা গ্রহণ করুন।
তিনি বললেন, আপনি যদি আমাকে হাদিয়া দিতে চান, তাহলে বিচারকের দায়িত্ব থেকে আমাকে অব্যহতি দিন।
খলিফা বললেন, না; আমি আমার হাদিয়া ফেরত নিচ্ছি। তবুও আপনি বিচারকের দায়িত্ব পালন করুন।
সাঈদ হালাবি অত্যন্ত আত্মমর্যাদাবোধ সম্পন্ন আলেম ছিলেন। পরিশ্রম করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। একদিনের কথা। তিনি মসজিদে বসে ছাত্রদের কাছে হাদিস বর্ণনা করছিলেন। বার্ধক্যজনিত কারণে তার দুপায়ে কিছুটা ব্যথা ছিল। তাই তিনি পা দুটি বিছিয়ে দিয়েই ছাত্রদেরকে পড়াচ্ছিলেন। এসময় ইবরাহিম পাশা ইবনে মুহাম্মাদ আলি মসজিদ প্রদর্শনে এলেন। তিনি ছিলেন অত্যন্ত কঠোর ও প্রচন্ড প্রতাপশালী ব্যক্তি। তাই সবাই তার সম্মানে দাঁড়িয়ে গেল। এগিয়ে গিয়ে মুসাফাহা করল। কপালে চুমু খেল। দরসের কাছাকাছি আসার পরও সাঈদ হালাবি তার দিকে ফিরেও তাকালেন না। কয়েকজন ছাত্র তাকে দাঁড়িয়ে সম্মান জানাল। কিন্তু সাঈদ হালাবি আগের মতোই দু পা প্রসারিত করে হাদিস বর্ণনা করে যাচ্ছিলেন। তিনি খলিফার জন্য হাদিস বর্ণনা বন্ধ করে দাঁড়ালেন না। লোকটিও সাঈদ হালাবির সাথে সালাম কিংবা কুশল বিনিময় করলেন না। মসজিদ প্রদর্শন শেষে ইবরাহিম পাশা মসজিদ থেকে বেরিয়ে এলেন। লোকদেরকে জিজ্ঞেস করলেন, পা প্রসারিত করে বসে থাকা এই শায়খ কে?
উপস্থিত সবাই বলল, আমরা তাকে চিনি না।
তখন ইবরাহিম পাশা এক লোকের হাতে এক হাজার দিনার দিয়ে বললেন, এ দিনারগুলো শায়খকে দিয়ে আসুন।
লোকটি সাঈদ হালাবির কাছে গিয়ে বলল, আসসালামু আলাইকুম, শায়খ! এই এক হাজার দিনার আপনার জন্য হাদিয়া।
তখনকার সময় এ পরিমাণ টাকার দিয়ে অনায়াসে কোনো ব্যক্তির প্রায় বিশ বছরের ভরণ পোষণ চলে যেত।
তিনি জিজ্ঞেস করলেন, এ হাদিয়া কে দিয়েছে?
লোকটি বলল, ইবরাহিম পাশা।
তিনি বললেন, যাও, তার হাদিয়া তাকে ফেরত দিয়ে বল, যে তার দু পা প্রসারিত করেছেন, সে তার দু হাত প্রসারিত করবে না।
এর কারণ হল, মূলত যারা কারো কাছে হাত বিছায়, তাদের পা বিছানোর ক্ষমতা থাকে না। যে আত্মমর্যাদাবোধ নিয়ে তিনি জীবন যাপন করছেন, কারো অনুগ্রহ গ্রহণ করলে তা আর থাকবে না।
যেমন বলা হয়, মানুষের প্রতি অনুগ্রহ কর। তাহলে তাদের অন্তর তোমার প্রতি ঝুঁকে যাবে। অনুগ্রহ কত মানুষকে দাস বানিয়েছে তার ইয়ত্তা নেই。
📄 ইলম সবার কাছে নেই
বাদশাহ হারুনুর রশিদ। জগদ্বিখ্যাত শাসক। একবার তিনি হজে গেলেন। সেখানে তার হজ সংক্রান্ত একটি মাসআলা জানার প্রয়োজন পড়ল। তিনি কয়েকজন আলেমকে সেটি জিজ্ঞেস করলেন। তারা কেউ সমাধান দিতে পারল না। সবাই বলল, আতা ইবনে আবি রাবাহ ব্যতিত এই মাসআলার সমাধান কেউ দিতে পারবে না।
বাদশাহ তাকে ডেকে আনতে লোক পাঠালেন। আতা ইবনে আবি রাবাহ ছিলেন এক নিগ্রো গোলাম। গায়ের রঙ ছিল কুচকুচে কালো। নাক ছিল চেপ্টা। হাঁটতেন খুঁড়িয়ে। বাদশাহর দূত তার কাছে পৌঁছল। তিনি তখন একটি ইলমের মজলিশে বসা। যেখানে উপস্থিত সবাই বিভিন্ন মাসআলা-মাসায়েলের সমাধানের জন্য দূর-দূরান্ত থেকে এসে হাজির হয়েছিলেন। তাদের কেউ কাজিখিস্তান থেকে, কেউ আফ্রিকা থেকে, কেউ ইয়েমেন থেকে, কেউ ইরাক থেকে, কেউ সিরিয়া থেকে এসে এখানে জড়ো হয়েছিলেন। তাই তিনি বাদশাহর দূতকে বললেন, এতগুলো মানুষকে এখানে রেখে আমি খলিফার কাছে কিভাবে যাই? তাছাড়া তারা অনেক দূর-দূরান্ত থেকে এসেছে। আমি চলে গেলে তাদের প্রশ্নের জবাব কে দেবে? তাই আপনি খলিফাকে গিয়ে বলুন, আমি ব্যস্ত আছি। আর এটাও বলবেন যে, ইলম এমন এক সম্পদ যার কাছে সবাই যায়। সে কারো কাছে যায় না। ইলমের অন্বেষণকারী ইলমকে খুঁজে বেড়ায়। ইলম নিজে কাউকে খোঁজে না।
দূত গিয়ে খলিফাকে তার কথাগুলো শোনাল। খলিফা তার দুই সন্তান- আমিন ও মামুন কে নিয়ে আতা ইবনে আবি রাবাহের কাছে গেলেন। খলিফাকে দেখে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকা লোকগুলো ভয়ে জায়গা করে দিল। এ দৃশ্য দেখে আতা ইবনে আবি রাবাহ ভীষণ রেগে গেলেন। তিনি বললেন, সবাই আমরা এখানে হজের মাসআলা জানতে এসেছি। আল্লাহ -র কাছে আমরা সবাই সমান।
খলিফা এসে সালাম দিয়ে বললেন, শায়খ, আমার একটি মাসআলা জানার ছিল। আতা ইবনে আবি রাবাহ খলিফাকে বললেন, দয়া করে লাইনে দাঁড়ান। আল্লাহ -র কাছে আমরা সবাই সমান।
খলিফা তার দু সন্তানকে নিয়ে লাইনে দাঁড়ালেন। যথাসময়ে তার পালা এলে তিনি তার প্রশ্ন বললেন। আতা ইবনে আবি রাবাহ উত্তর দিলেন এবং তার সাথে সৌজন্যমূলক আচরণ করলেন।
খলিফা তাকে ধন্যবাদ জানিয়ে ফেরার সময় সন্তানদেরকে বললেন, প্রিয় বৎস, ইলম অর্জন কর। আল্লাহর কসম, এই নিগ্রো গোলাম ব্যতিত আমি জীবনে কোনো জায়গায় অপমানিত ও লজ্জিত হইনি। আজ তার নিকট আমার লজ্জিত হওয়ার কারণ হল, তার কাছে এমন জিনিস আছে, যা আর কারো কাছে নেই। অথচ দেখো, আমার কাছে আছে কেবল পদবি ও সম্পদ। সম্পদ তো অনেকের কাছেই আছে। কিন্তু ইলম সবার কাছে নেই。
📄 দুর্ভাগারাই আলেমদের নিয়ে কটুক্তি করে
তারা আলেমদেরকে মর্যাদা বুঝতেন। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে, বর্তমানে কিছু দুর্ভাগা শ্রেণি আলেমদের নিয়ে নানা রকমের ঠাট্টা বিদ্রূপ ও হাসি ঠাট্টা করে থাকে। কিছু হলুদ মিডিয়া প্রায়ই আলেমদেরকে ব্যঙ্গাত্মকভাবে উপস্থাপন করে। শুধু তাই নয় যারাই দীনের প্রতিনিধিত্ব করে, তাদের নিয়ে তারা উপহাস করার স্পর্ধা দেখায়। তাদের দেয়া ফতোয়া নিয়ে তামাশা করে। ইন্টারনেটে কিছু ব্লগ ও ওয়েবসাইট প্রতিনিয়ত আলেমদের বিশোদাগারে ব্যস্ত থাকে। কিছু টিভি চ্যানেলও একই কাজ করে।
অথচ এ ঘৃণ্য কাজগুলো শরয়িত ও রাষ্ট্র উভয় আইনেই অবৈধ। আলেমগণ নবীদের উত্তরসূরী। তাদের নিয়ে বিদ্রূপ-উপহাস কোনোভাবেই কাম্য নয়। বিশেষ করে কোনো মুসলমান এমন কাজ কখনও করতে পারে না।
হ্যাঁ, আলেম থেকে যদি কোনো বিচ্যুতি প্রকাশ পায় তাহলে পূর্ণ আদব বজায় রেখে ভদ্র ভাষায় তাকে সরাসরি সেকথা বলা যেতে পারে। জানানো যেতে পারে চিঠির মাধমেও। কিংবা চাইলে তাদের সংশোধনের উদ্দেশ্যে যথাযথ সম্মান বজায় রেখে শালীন ভাষায় পত্র-পত্রিকায় লেখা যেতে পারে। কিন্তু এমন কিছু লেখা যাবে না, যা আলেমদের সম্মানে আঘাত হানে কিংবা দীনকে ছোট করে দেয়। আল্লাহ স্বয়ং আলেমের মর্যাদা সমুন্নত করেছেন। সেই মর্যাদাকে হেয় করার অধিকার কারও নেই।
আল্লাহর নিকট প্রার্থনা, তিনি আমাদেরকে আলেমদের প্রতি যথাযথ মর্যাদা পোষণ করার তাওফিক দান করুন। একই সাথে আমাদেরকেও প্রকৃত আলেম হিসেবে কবুল করুন。