📘 যদি আল্লাহর সন্তুষ্টি পেতে চাও > 📄 একটি পরিসংখ্যান

📄 একটি পরিসংখ্যান


আমি ডক্টর রাগেব আস সারজানির করা একটি পরিসংখ্যান দেখলাম। যেটিতে তিনি মুসলিম শহিদ ও কাফের মৃতের সংখ্যা নিয়ে কাজ করেছেন। পরিসংখ্যানটি এমন-
রাসুল -র ৬৩ বছরের জীবনে মুসলমানরা সর্বমোট ৬৫টি যুদ্ধে অবতীর্ণ হন। এরমধ্যে ২৭টিতে রাসুল নিজে উপস্থিত ছিলেন। আর ২৮টিতে রাসুল উপস্থিত ছিলেন না। এ ৬৫টি যুদ্ধে মুসলমান শহীদের সংখ্যা ২৬২ জন। আর কাফেরদের মৃতের সংখ্যা ১০২২ জন। এই অনুপাতে মুসলিমদের ১"%" লোক শহীদ হয়েছেন। আর অমুসলিমদের ১.৫"%" লোক নিহত হয়েছে।
৬৫টি যুদ্ধের উপরিউক্ত পরিসংখ্যান থেকে একটি বিষয় স্পষ্ট হয়ে যায় যে, ইসলাম কখনও হত্যাযজ্ঞ কামনা করে না।
পক্ষান্তরে, আমরা যদি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের দিকে তাকাই তাহলে দেখতে পাই, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী সৈন্যসংখ্যা ছিল ১৫ মিলিয়ন ৬ লাখ। আর এই যুদ্ধে নিহতের সংখ্যা ছিল ৪৫ মিলিয়ন ৮ লাখ! তার মানে মোট সৈন্যসংখ্যা থেকেও নিহতের সংখ্যা অনেক বেশি। কারণ, এই নিহতদের অধিকাংশই ছিল বেসামরিক লোক।
এ যুদ্ধে এক দেশের সৈন্যরা অন্য দেশে প্রবেশ করে সেখানকার নারী, শিশু, বৃদ্ধ ও সাধারণ জনগণকে নির্বিচারে গুলি করে ও বোমা মেরে হত্যা করেছে। সেজন্যেই নিহতের সংখ্যা যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী সৈন্যসংখ্যা হতে এতো বেশি হয়েছে। কিন্তু ইসলামের যুদ্ধগুলো কখনোই এমন ছিল না।
রাসুল যখন কোনো অঞ্চলে সৈন্যদল পাঠাতেন, তখন তিনি বলে দিতেন, তোমরা কোনো মহিলা, শিশু ও বৃদ্ধকে হত্যা করবে না। হত্যা করবে না কোনো আহত ব্যক্তিকেও।

📘 যদি আল্লাহর সন্তুষ্টি পেতে চাও > 📄 যুদ্ধবন্দিদের প্রতি আচরণ

📄 যুদ্ধবন্দিদের প্রতি আচরণ


বদরের যুদ্ধে কাফের শ্রেণি পরাজিত হল। বহু সংখ্যক মুসলমানদের হাতে বন্দি হল। রাসুল তাদের সাথে অত্যন্ত সৌহার্দপূর্ণ আচরণ করলেন। তিনি বন্দিদেরকে উত্তম আপ্যায়নের নির্দেশ দিলেন।
মুসয়াব বিন উমাইর বলেন, আমরা বন্দিদের পাহারার দায়িত্বে ছিলাম। আমরা তাদেরকে খেজুর খেতে দিয়ে নিজেরা শুকনো রুটি পানিতে ভিজিয়ে খেতাম। তারা আমাদেরকে বলতো তোমরাও খেজুর নাও।
আমরা বলতাম, না। রাসুল আমাদেরকে তোমাদের প্রতি ইহসান করার নির্দেশ দিয়েছেন।
পবিত্র কোরআনে আল্লাহ সাহাবায়ে কেরামের বদান্যতার প্রতি ইঙ্গিত করে ইরশাদ করেন- وَ يُطْعِمُونَ الطَّعَامَ عَلَى حُبِّهِ مِسْكِينًا وَيَتِيمًا وَأَسِيرًا
তারা আল্লাহর প্রেমে অভাবগ্রস্ত, এতীম ও বন্দিকে আহার্য দান করে। [সূরা দাহর, আয়াত: ৮]
ইসলাম যদি তরবারীর মাধ্যমে প্রসার লাভ করত, তাহলে অন্তত যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে কাফেরদের সাথে প্রতিটি বিষয়ের ফয়সালা তরবারীর মাধ্যমেই করার কথা ছিল। তাই নয় কি? অথচ বাস্তবতা ছিল এর সম্পূর্ণ বিপরীত।

📘 যদি আল্লাহর সন্তুষ্টি পেতে চাও > 📄 কমিউনিজম প্রতিষ্ঠা

📄 কমিউনিজম প্রতিষ্ঠা


৭৩ বছর ধরে রাশিয়াতে কমিউনিজমের জয়জয়কার চলেছে। কমিউনিজম প্রতিষ্ঠা পেয়েছিল অস্ত্রের মাধ্যমে। আর এ কথা আমাদের সকলেরই জানা যে, কমিউনিজমের প্রসার লাভ মানে ধর্মহীনতাকে উসকে দেওয়া ও বস্তুবাদের প্রসার ঘটানো।
সেই কমিউনিজম আজ ধ্বংসের দ্বার প্রান্তে দাঁড়িয়ে। কারণ, এটি ইসলাম ও খ্রিষ্ট ধর্মের বিরোধিতা করেছিল। সুতরাং, জোরজবরদস্তি ও শক্তি প্রয়োগ কখনও কল্যাণ বয়ে আনেনি।
ইসলাম প্রসার লাভ করেছে মানুষের পরিতুষ্টি ও গ্রহণযেগ্যতার উপর নির্ভর করে। কারণ, আল্লাহ আদেশ দিয়েছেন- ﴿ادْعُ إِلَى سَبِيلِ رَبِّكَ بِالْحِكْمَةِ وَالْمَوْعِظَةِ الْحَسَنَةِ ﴾ আপন পালনকর্তার পথের প্রতি আহ্বান করুন জ্ঞানের কথা বুঝিয়ে ও উত্তমরূপে উপদেশ শুনিয়ে। [সূরা নাহল, আয়াত: ১২৫]

📘 যদি আল্লাহর সন্তুষ্টি পেতে চাও > 📄 ইন্দোনেশিয়ায় ইসলাম প্রচার

📄 ইন্দোনেশিয়ায় ইসলাম প্রচার


ইন্দোনেশিয়া। যেটি মুসলিম বিশ্বের একতৃতীয়াংশ। জনসংখ্যা ২৩০ মিলিয়ন। যাদের সবাই মুসলমান। অথচ সেখানে কোনো অস্ত্রধারী প্রবেশ করেনি। মুসলিম বণিকদের মাধ্যমে সেখানে ইসলামের বিকাশ ঘটে। সে দেশের দীন প্রচারকগণ আলেম ছিলেন না। ছিলেন ব্যবসায়ী। কিন্তু তাদের সততা ও ন্যায়নিষ্ঠা দেখে সেখানকার অধিবাসীরা ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট হয়। তারা মসজিদ নির্মাণ করে। জনগণ সালাত আদায় করা শুরু করে। ক্রমান্বয়ে বাড়তে থাকে মুসলমানদের সংখ্যা। বাড়তে থাকে মসজিদ। এভাবেই ইন্দোনেশিয়ার আনাচে কানাচে ছড়িয়ে পড়ে ইসলাম।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00