📄 ঘুমন্ত অস্থিরতাকে জাগিয়ে তোলা অনুচিত
আমি প্রাক্তণ প্রধানমন্ত্রী মিসেস ইন্দিরা গান্ধীকে লিখিত এক পত্রে বলেছিলাম: ইতিহাসের চাকাকে উল্টো দিকে ঘুরাতে গেলে অপ্রয়োজনীয় সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। এটা একটি ঘুমন্ত বাঘ, তাকে জাগানো বুদ্ধিমানের কাজ নয়। বিভিন্ন ধর্মের উপাসনালয় গুলোর বিষয়ে ইতিহাসের ধ্বংসস্তূপ থেকে সত্য-মিথ্যা তথ্যাদি বের করে পুরণো অবয়বে ফিরে নেয়ার দাবী- একটি বড় ধরনের উত্তেজনার জন্ম দেবে এবং এর ধারাবাহিকতা শেষ হবার নয়। আমি প্রথম এ পরামর্শই দিয়েছি। অতঃপর প্রাক্তণ প্রধানমন্ত্রী রাজীবগান্ধীকেও বলেছি যে, সরকার প্রকাশ্যে ঘোষণা করুক যে, প্রতিটি সম্প্রদায়ের উপাসনালয়গুলো ১৯৪৭ সালে ১৫ আগষ্টের পূর্ববর্তী অবস্থায় থাকবে। কোন সম্প্রদায়ের অপর সম্প্রদায়ের উপাসনালয় দখল করার অথবা কল্পিত পুরণো অবয়বে ফিরে নেয়ার অনুমতি দেয়া যাবেনা।
বর্তমান সরকার ও প্রশাসনের প্রতি আমার আন্তরিক পরামর্শ তাঁরা যেন উপাসনালয় ও পবিত্র স্থান সমূহের পরিবর্তন ও পরিবর্দ্ধন করার বা আধিপত্য বিস্তারের অনুমতি না দেন। ইতিহাসকে পেছনের দিকে নেয়ার পরিবর্তে সামনে দিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা উচিৎ কারণ- জীবন চলমান ও প্রবাহমান। পৃথিবী দ্রুততর সাথে উন্নতির পথে ধাবিত হচ্ছে। আমাদের দেশ বিশেষভাবে অত্যন্ত স্পর্শকাতর সমস্যায় জর্জরিত। কল্যানকামিতা, মানবতা, শান্তিপ্রিয়তা ও নৈতিকতার পরাকাষ্ঠা দেখিয়ে এদেশকে পৃথিবীর নৈতিক নেতৃত্বের আসনে সমাসীন হতে হবে। এটা আমাদের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের স্বাভাবিকতা। পৃথিবীর বৃহত্তর শক্তিগুলো এ ক্ষেত্রে ব্যর্থ হয়েছে এবং দুর্নামের ভাগী হয়েছে অনেকাংশে।
আমি প্রাক্তণ প্রধানমন্ত্রী মিসেস ইন্দিরা গান্ধীকে লিখিত এক পত্রে বলেছিলাম: ইতিহাসের চাকাকে উল্টো দিকে ঘুরাতে গেলে অপ্রয়োজনীয় সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। এটা একটি ঘুমন্ত বাঘ, তাকে জাগানো বুদ্ধিমানের কাজ নয়। বিভিন্ন ধর্মের উপাসনালয় গুলোর বিষয়ে ইতিহাসের ধ্বংসস্তূপ থেকে সত্য-মিথ্যা তথ্যাদি বের করে পুরণো অবয়বে ফিরে নেয়ার দাবী- একটি বড় ধরনের উত্তেজনার জন্ম দেবে এবং এর ধারাবাহিকতা শেষ হবার নয়। আমি প্রথম এ পরামর্শই দিয়েছি। অতঃপর প্রাক্তণ প্রধানমন্ত্রী রাজীবগান্ধীকেও বলেছি যে, সরকার প্রকাশ্যে ঘোষণা করুক যে, প্রতিটি সম্প্রদায়ের উপাসনালয়গুলো ১৯৪৭ সালে ১৫ আগষ্টের পূর্ববর্তী অবস্থায় থাকবে। কোন সম্প্রদায়ের অপর সম্প্রদায়ের উপাসনালয় দখল করার অথবা কল্পিত পুরণো অবয়বে ফিরে নেয়ার অনুমতি দেয়া যাবেনা।
বর্তমান সরকার ও প্রশাসনের প্রতি আমার আন্তরিক পরামর্শ তাঁরা যেন উপাসনালয় ও পবিত্র স্থান সমূহের পরিবর্তন ও পরিবর্দ্ধন করার বা আধিপত্য বিস্তারের অনুমতি না দেন। ইতিহাসকে পেছনের দিকে নেয়ার পরিবর্তে সামনে দিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা উচিৎ কারণ- জীবন চলমান ও প্রবাহমান। পৃথিবী দ্রুততর সাথে উন্নতির পথে ধাবিত হচ্ছে। আমাদের দেশ বিশেষভাবে অত্যন্ত স্পর্শকাতর সমস্যায় জর্জরিত। কল্যানকামিতা, মানবতা, শান্তিপ্রিয়তা ও নৈতিকতার পরাকাষ্ঠা দেখিয়ে এদেশকে পৃথিবীর নৈতিক নেতৃত্বের আসনে সমাসীন হতে হবে। এটা আমাদের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের স্বাভাবিকতা। পৃথিবীর বৃহত্তর শক্তিগুলো এ ক্ষেত্রে ব্যর্থ হয়েছে এবং দুর্নামের ভাগী হয়েছে অনেকাংশে।