📘 ভারতর্বর্ষে মুসলমানদের অবদান 📄 দারুত তারজুমাহ্ মরহুম

📄 দারুত তারজুমাহ্ মরহুম


উসমানিয়া বিশ্ববিদ্যালয় হায়দ্রাবাদ কর্তৃক যখন উর্দু ভাষাকে শিক্ষার মাধ্যম হিসেবে গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়, তখন ১৩৩৫ হিজরী মুতাবিক ১৯১৭ খ্রিষ্টাব্দে দারুত তারজুমাহ'র ভিত্তি স্থাপিত হয়। এ প্রতিষ্ঠান ৩৫৮টি গ্রন্থের অনুবাদ প্রকাশ করেছে। এসব গ্রন্থাবলীর মধ্যে ইতিহাস, ভূগোল, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, সমাজ বিজ্ঞান, আইন শাস্ত্র, জীবদিয়া, দর্শন, মানতিক, মনস্তত্ত্ব, প্রকৃতি, নৈতিকতা, হিসাব বিজ্ঞান, জীব বিজ্ঞান, রসায়ন, চিকিৎসা বিজ্ঞান এবং ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ক গ্রন্থ রয়েছে। দারুত তারজুমাহ'র গুরুত্বপূর্ণ অবদান সমূহের অন্যতম হল, শিক্ষার পরিভাষা সমূহের ব্যাপক প্রচলন ও উর্দুতে তা ভাষান্তরের খিদমত আঞ্জাম দেয়া; যার মাধ্যমে ভারতবর্ষের শিক্ষা ও সাহিত্যের প্রতিটি ফোরাম উপকৃত হয়েছে। ভারতবর্ষের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিক্ষাবিদ, লেখক-গবেষক এ প্রতিষ্ঠানের সাথে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত ছিলেন। এদের মধ্যে ডা. মাওলানা আবদুল হক, মাওলানা আবদুল মাজেদ দরিয়াবাদী, মাওলানা আবদুল্লাহ্ আল-ইমাদী, মাওলানা ওয়াহিদুদ্দীন সলিম পাণিপথী, মাওলানা ইনায়েতুল্লাহ্ দেহলভী, মাওলানা মাসউদ আলী মাহভী এবং কাজী তিলমীয হোসাইন গোরকপুরী সবিশেষ প্রণিধানযোগ্য। দারুত তারজুমাহর বার্ষিক বাজেট ছিল ২,৬১,৪১৫ রুপি। ১৯৪৮ খ্রিষ্টাব্দে হায়দ্রাবাদের পতনের পর এই প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়া হয়। অগ্নিসংযোগে গ্রন্থাগার ভস্মীভূত হয়। ফলে কোটি কোটি টাকার পুঁজির এই বিশাল প্রতিষ্ঠান ধ্বংস হয়ে যায়।

📘 ভারতর্বর্ষে মুসলমানদের অবদান 📄 জামায়াতে ইসলামী র পাঠ্যক্রম ও মুসলিম সন্তানদের চাহিদা

📄 জামায়াতে ইসলামী র পাঠ্যক্রম ও মুসলিম সন্তানদের চাহিদা


ইসলামী সাহিত্যের প্রসারে ভারতীয় জামায়াতে ইসলামী উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেছে। উর্দু এবং হিন্দি ভাষায় বলিষ্ঠ ইসলামী সিলেবাস ও পাঠ্যসূচীর গ্রন্থাবলী রচনা ও বিন্যাসকর্মে মুসলিম সন্তানদের প্রয়োজন পূরণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে জামায়াতে ইসলামী ভারত। এই সব পাঠ্যক্রম বিশেষভাবে সমাদৃত হয়েছে এবং যুগচাহিদার প্রেক্ষিতে প্রাথমিক, মাধ্যমিক স্তরের বেশ কিছু বিদ্যালয়ও প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে।

ফন্ট সাইজ
15px
17px