📘 ভারতর্বর্ষে মুসলমানদের অবদান 📄 নিষ্ঠা ও ত্যাগ

📄 নিষ্ঠা ও ত্যাগ


নিষ্ঠা ও ত্যাগ ছিল প্রাচীন যুগের শিক্ষকদের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। যেহেতু শিক্ষা দান ও শিক্ষা অর্জনের পরকালীন সওয়াব এবং শিক্ষকদের ধর্মীয় মর্যাদা তাদের মন-মেজাযে মিশে ছিল, তাঁদের বিশ্বাস ও ঈমানের অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত হয়েছিল সেহেতু তাদের সবাই না হলেও এমন লোকের সংখ্যা মোটেও কম ছিলনা, যারা শুধু মাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন ও পরকালীন পূণ্যলাভের আশায় পঠন পাঠনে লিপ্ত ছিলেন এবং এটাকেই সবচেয়ে বড় ইবাদত ও সৌভাগ্য মনে করতেন। অনেক শিক্ষক চরম দারিদ্র্য ও অভাব-অনটনে দিনাতিপাত করতেন। ভারতীয় উলামাদের জীবনী মূলক প্রাচীন গ্রন্থগুলোতে যেসব মহান শিক্ষকদের দুনিয়া বিমুখতা, ত্যাগ তিতিক্ষা, দারিদ্র্য ও অসহায়ত্বের মর্মস্পর্শী বিবরণ পাওয়া যায়। সেরকম একটি ঘটনা নিম্নে উদ্ধৃত করছি। প্রখ্যাত ভারতীয় ইতিহাসবেত্তা মাওলানা গোলাম আলী আযাদ তার 'মা'আছিরুল কিরাম' শীর্ষক গ্রন্থে বিলগ্রামের প্রসিদ্ধ মুহাদ্দিস মীর সৈয়দ মুবারক (মৃ. ১১১৫হি.) জীবনের একটি ঘটনা স্বীয় উস্তাদ তুফাইল মুহাম্মদ বিলগ্রামীর জবানীতে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন:

“একদিন আমি মীর সৈয়দ মুবারকের খেদমতে হাযির হলাম। তিনি অযু করতে দাঁড়িয়ে হঠাৎ মাথা ঘুরে পড়ে গেলেন। কিছুক্ষণ পর হুঁশ ফিরে আসলে আমি এর কারণ জানতে চাইলাম। অনেকক্ষণ পীড়াপীড়ির পর হুযুর বললেন, তিনদিন ধরে একটি দানাও মুখে দিইনি। অথচ এসময়ে তিনি কারো কাছে তাঁর অভাবের কথাও প্রকাশ করেননি, কিছু গ্রহণও করেননি। একথাশুনে আমার খুবই করুনা হল। আমি তাড়াতাড়ি বাড়ি ফিরে গেলাম এবং হুযুরের পছন্দনীয় খাবার তৈরী করে নিয়ে এলাম। প্রথমে তিনি খুব হাসিখুশি ও মুহাব্বত দেখালেন এবং আমার জন্য দোয়া করলেন। এর পর বললেন, যদি কিছু মনে না কর একটি কথা বলব? আমি বললাম, অবশ্যই। এধরনের খাবারকে সূফীদের পরিভাষায় 'তা'আমে ইশরাফ' (যে খাবারের প্রতি অন্তর লালায়িত থাকে) বলা হয়। ফের দৃষ্টিতে যদিও এমন খাবার হালাল তদুপরি তিনদিন অনাহারে থাকার পর তো শরীয়তে মৃত খাওয়াও হালাল। কিন্তু তাসাউফের নীতি অনুসারে 'তা'আমে ইশরাফ' জায়েয নয়।

একথা শুনার পর আমি আর কিছু না বলে মজলিস থেকে উঠে গেলাম। খাবারগুলোও বাইরে নিয়ে গেলাম। কিছুক্ষণ দরজার বাইরে দাড়িয়ে আমি খাবারগুলো নিয়ে আমি আবার ভেতরে ঢুকলাম এবং বললাম খাবারগুলো নিয়ে যখন আমি বাইরে চলে গেলাম তখন কি আপনার মনে খাবারগুলো পুনরায় ফিরে আসার কোন আশা ছিল? তিনি বললেন, না। এবার আমি সবিনয়ে আরয করলাম, তবে তো এ খাবার আপনার কামনা ছাড়াই এসেছে। সুতরাং এ গুলো খাওয়াতে আশা করি আপনার কোন আপত্তি নেই। কারণ এগুলো 'তা'আমে আশরাফ' নয়। আমার এই ব্যাখ্যাটি হুযুরের খুবই ভাল লাগল। বললেন, তুমি খুব চালাকি করেছো এর পর তিনি আগ্রহ ভরে সে খাবার গ্রহন করলেন।

এঘটনাটি অস্বাভাবিক ও অদ্ভুত মনে হলেও ভারতের ধর্মীয় ইতিহাসে শিক্ষকদের ত্যাগ-তিতিক্ষা, নিষ্ঠা, নির্মোহতা ও সীমাহীন অভাব-অনটনের প্রমাণবহ এরকম অসংখ্য ঘটনা পাওয়া যায়। যা ছিল সে শিক্ষা ব্যবস্থার অবিচ্ছেদ্য অংশ। শিক্ষকদের নিষ্ঠা ও ত্যাগের আরেকটি ঘটনা যা এক শতাব্দী পরের তাও কম বিস্ময়কর নয়:

"মাওলানা আবদুর রহীম (মৃ. ১২৩৪হি.) রামপুরে এক মাদ্রাসায় পড়াতেন। রোহিলা খন্ডের ইংরেজ গভর্ণর মিষ্টার হকিংস তাকে মাসিক আড়াইশ রুপি বেতনে ব্রেলী কলেজে অধ্যাপনার প্রস্তাব দিলেন এবং প্রতিশ্রুতি দিলেন যে, কিছু দিনের মধ্যে বেতন আরো বাড়ানো হবে, পদোন্নতিও হবে। তিনি অপরাগতা প্রকাশ করে বললেন, 'রিয়াসত' থেকে আমি যে দশ রূপী করে পাই তা বন্ধ হয়ে যাবে। হকিংস বললেন আমি তো আপনাকে এর চেয়ে বহুগুন বেশী দিচ্ছি। এর তুলনায় ঐ সামান্য বেতনের কী মূল্য আছে? এবার তিনি অপরাগত প্রকাশ করে বললেন, আমার বাড়িতে একটি কুল গাছ আছে যার ফল খুবই মিষ্ট এবং আমার প্রিয়। ব্রেলীতে আমি তা খেতে পারবনা। ইংরেজ সাহেব এবারও মাওলানার মনের কথা বুঝতে ব্যর্থ হলেন। বললেন, রামপুর থেকে নিয়ে আসার ব্যবস্থা করা হবে। আপনি ব্রেলীতে বসেই ঘরের গাছের কুল খেতে পারবেন। এবারও মাওলানা বললেন, আরেকটি সমস্যা আছে, তা হলো আমার যে ছাত্রটি রামপুরে আছে তার পড়ালেখা বন্ধ হয়ে যাবে। আর আমি সেবা থেকে বঞ্চিত হয়ে যাব। ইংরেজ সাহেব এবারও হার মানলেন না। বললেন, তার ভরণ পোষণের ব্যবস্থা করবো ব্রেলীতে সে আপনার কাছে পড়বে এবং নিজেকে গড়ে তুলবে। অবশেষে মাওলানা তাঁর তৃনীরের শেষ তীরটি নিক্ষেপ করলেন যার কোন জবাব ছিলনা ইংরেজ সাহেবের কাছে। বললেন, আপনার সব কথাই সত্য কিন্তু শিক্ষাদান করে বিনিময় গ্রহণ করা সম্পর্কে কী জবাব দিব আল্লাহর কাছে?"

📘 ভারতর্বর্ষে মুসলমানদের অবদান 📄 ছাত্রদের সাথে সম্পর্ক

📄 ছাত্রদের সাথে সম্পর্ক


ছাত্রদের সাথে শিক্ষকদের এমন গভীর সম্পর্ক থাকতো যে, বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় যার দৃষ্টান্ত বিরল। শিক্ষকরা ছাত্রদেরকে আপন সন্তানতুল্য স্নেহ করতেন। অধিকাংশ সময় তাদের পড়ালেখার খরচ বহন করতেন। সম্রাট আকবরের আমলের রাজ চিকিৎসক এবং বিখ্যাত শিক্ষক হাকীম আলা গিলানী সম্পর্কে "তাযকিরায়ে ওলামায়ে হিন্দ” এর গ্রন্থকার লিখেছেনঃ 'তিনি সর্বক্ষণই দরসে লিপ্ত থাকতেন ছাত্রদের ছাড়া খাবার গ্রহন করতেন না।' মৌলানা আফযাল জৌনপুরীর সাথে ছাত্রদের এমন সম্পর্ক ছিল যে, তাঁর অন্যতম ছাত্র মোল্লা মুহাম্মদ জৌনপুরীর ইন্তেকাল হলে তিনি যার পর নাই শোকে মুহ্যমান হয়ে পড়েন। মৌলানা গোলাম আলী আযাদ বিলগ্রামী লিখেছেন, ৪০ দিন পর্যন্ত তাঁকে কেউ হাসতে দেখেননি। ৪০ দিন পর পর তিনি তাঁর প্রিয় ছাত্রের সাথে একত্রিত হয় পরপারে পাড়ি জমালেন। আলেমকুল শিরোমনি মৌলানা আবদুল আলী বাহরুল উলূমকে মুন্সী সদরুদ্দীন যখন বিহার আসতে বললেন এবং আকর্ষণীয় বেতনের প্রস্তাব দিলেন তখন তিনি বললেন, আমার সাথে একশ' ছাত্র আছে, যতক্ষণ না তাদের খাবার ও আবাসনের ব্যবস্থা করা হবে আমার পক্ষে আসা সম্ভব নয়। যখন মুন্সী সাহেব সব ছাত্রদের দায়িত্ব গ্রহন করতে সম্মত হলেন-তিনি তাশরীফ আনলেন। মাদ্রাজের নবাব সাহেব মাওলানা সাহেবের জন্য মাসিক এক হাজার রূপী নির্ধারণ করেছিলেন যার সবটাই তিনি ছাত্রদের জন্য ব্যয় করতেন। লাখনৌর ফিরিঙ্গী মহল্লায় বসবাসরত তার পরিবার-পরিজনের কাছে এর কোন অংশ পৌঁছতোনা। এ ব্যাপারে কথা বলার জন্য তার ছেলে মাওলানা আবদুন নাফে' মাদ্রাজে গেলেন এবং পিতার সাথে এ ব্যাপারে আলাপ করলেন কিন্তু মাওলানা তার নিয়মের ব্যত্যয় ঘটালেন না। ফলে সাহেবজাদা ব্যর্থ- মনোরথ হয়ে লাখনৌ ফিরে আসেন।

📘 ভারতর্বর্ষে মুসলমানদের অবদান 📄 শিক্ষকদের সাথে ছাত্রদের সম্পর্ক

📄 শিক্ষকদের সাথে ছাত্রদের সম্পর্ক


শিক্ষকদের সাথে ছাত্রদেরও এমন সম্পর্ক ছিল যা সৌহার্দ্য- সম্প্রীতি ও আন্তরিকতার চূড়ান্ত রূপ। এ ক্ষেত্রে নিম্নোক্ত ঘটনাটি ইতিহাসের পাতায় অম্লান হয়ে থাকবে। একবার মোল্লা নিজামুদ্দীন ফিরিঙ্গী মহল্লীর মৃত্যুর সংবাদ রটে গেল। এখবর শুনে সৈয়দ যারীফ আযিমাবাদী নামের তার এক ছাত্র কাঁদতে কাঁদতে অন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছিল। সৈয়দ কামালুদ্দীন আযিমাবাদী নামক অন্য এক ছাত্র এ শোক সহ্য করতে না পেরে মৃত্যু বরণ করেন। পরে জানা গেল এ খবর ভুল ছিল। এধরণের ঘটনা বিরল কিন্তু তা সেকালের ছাত্রদের আত্মত্যাগ ও বিশ্বস্ততা, শিক্ষকদের প্রতি তাদের অকৃত্রিম ভালবাসা ও শ্রদ্ধার প্রমান বহন করে। সেকালের ওলামায়ে কেরাম নিজেদের রচিত গ্রন্থে শিক্ষকদের যে বর্ণনা দিয়েছেন তা থেকেই তাঁদের সম্পর্কের গভীরতা আঁচ করা যায়।

📘 ভারতর্বর্ষে মুসলমানদের অবদান 📄 সমকালীন রাজা-বাদশাহ ও ক্ষমতাশীলদের মূল্যায়ন

📄 সমকালীন রাজা-বাদশাহ ও ক্ষমতাশীলদের মূল্যায়ন


প্রাচীন শিক্ষাব্যবস্থার অন্যতম একটি বৈশিষ্ট্য ছিল যে, সমকালীন রাজা-বাদশাহ, আমির-ওমারাহ ও নামি দামী ব্যক্তিবর্গ, বড় বড় আলেমদের সেবা ও তাদের আরামের ব্যবস্থা করতে পারাকে নিজের জন্য পরম সৌভাগ্য ও সাফল্য মনে করতেন। ভারতবর্ষে ইসলামী শাসনামলের ইতিহাস এসব রাজা-বাদশাহ ও আমির-ওমারাহদের সম্মান প্রদর্শনের ঘটনায় ভরপুর। "তারিখে ফিরিশতা” এর লেখক মুহাম্মদ কাছেম বিজাপুরী লিখেছেনঃ

"একবার আলেমকুল শিরোমণি কাজী শিহাবুদ্দীন দৌলতাবাদী অসুস্থ হয়ে পড়লে সুলতান ইব্রাহীম শরকী তাঁকে দেখতে গেলেন। কুশল জিজ্ঞাসা ও প্রয়োজনীয় কথাবার্তা শেষ করার পর চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে নির্দেশ দিলেন। এর পর এক গ্লাস পানি চাইলেন পানির গ্লাসটি মাওলানার মাথার উপর থেকে ঘুরিয়ে নিয়ে পানিটুকু নিজে পান করলেন। বললেন, হে আল্লাহ্! কাজী সাহেবের রোগটি আমাকে দিন এবং তাঁকে সুস্থ করে দিন।"

আমীর ফতহুল্লাহ্ শিরাজীর মৃত্যুতে শোকবাণী দিতে গিয়ে সম্রাট আকবর লিখেছিলেন: “যদি ইংরেজরা তাঁকে বন্দী করে মুক্তিপণ স্বরূপ আমার পুরো রাজকোষ দাবী করে বলতো তবুও আমি এ সওদা বড় সস্তা ও লাভজনক মনে করতাম। এ মহামূল্যবান কুহিনুরের সামনে অন্য সব কিছুকে আমি তুচ্ছ জ্ঞান করতাম।"

সম্রাট শাহজাহান মোল্লা আবদুল হাকীম শিয়ালকুটীকে দুইবার রৌপ্যের সাথে আর কাজী মুহাম্মদ আসলাম হারভী (আল্লামা মীর জাহিদের পিতা) কে একবার স্বর্ণের সাথে পরিমাপ করেছেন। এটা ছিল প্রাচীন রাজা-বাদশাহ কর্তৃক যোগ্য লোকদের স্বীকৃতির একটি পন্থা। 'আগসানে আরবায়া' এর লেখক মাওলানা ওয়ালিউল্লাহ ফিরিঙ্গী মহল্লী মাওলানা বাহুরুল উলূমকে মাদ্রাজে দেয়া রাজকীয় সম্বর্ধনার চিত্রায়ন করেছেন এভাবে:

"....মাওলানা সাহেবকে বহনকারী পাল্কী যখন রাজপ্রাসাদের কাছে পৌঁছল তিনি নামতে চাইলেন নবাব ওয়ালাজাহ্ ইশারায় বললেন, জনাব তাশরীফ রাখুন, এর পর নিজে এগিয়ে এসে পাল্কীতে কাঁধ লাগিয়ে প্রাসাদে নিয়ে গেলেন। সিংহাসনের উপর নিজের জায়গায় তাঁকে বসালেন। এর পর মাওলানার পদচুম্বন করে বললেন, আমার কী সৌভাগ্য যে, আমার বাড়িতে আপনার পবিত্র পদধূলি পড়েছে! সত্যি আপনি আজ আমার বাড়ি আলোকিত করেছেন।"

সমকালীন রাজা-বাদশাহ ও প্রতাপশালী নৃপতিগণ ছাড়াও বড় বড় জমিদারগন মাদ্রাসার সব খরচ বহন করা ও ছাত্র-শিক্ষকদের খিদমত করার সুযোগ পাওয়াকে নিজেদের জন্য বড় সৌভাগ্যের বিষয় মনে করতেন। তাদের আন্তরিক সহযোগিতা ও উৎসাহের ফলে দেশের আনাচে কানাচে অসংখ্য মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। মাওলানা গোলাম আলী আযাদ বিলগ্রামী নিজের এলাকা অযোধ্যার তৎকালীন অবস্থার বিবরণ দিতে গিয়ে লিখেছেন:

"সমগ্র অযোধ্যা ও এলাহাবাদ অঞ্চলের প্রতি ৫০/১০ ক্রোশ অন্তর অন্তর সরকারী বৃত্তি ও জায়গীর প্রাপ্ত উচ্চ বংশীয় অভিজাত শ্রেণীর লোকজন বসবাস করতেন। তাঁরা মসজিদ' মাদ্রাসা ও খানকাহ গুলো আবাদ করে রাখতেন। আর শিক্ষকরা সর্বত্র জ্ঞানের আলো বিতরণে ব্যস্ত থাকতেন। এভাবে তাঁরা সবখানে জ্ঞান অর্জনের প্রতি মানুষের মনে গভীর আগ্রহ- উদ্দীপনা সৃষ্টি করতেন। জ্ঞান পিপাসু ছাত্ররা দলে দলে এক শহর থেকে অন্য শহরে সফর করতেন। যেখানেই ইলম অর্জনের সুযোগ পেতেন লুফে নিতেন। প্রত্যেক এলাকার জনগণ এসব ছাত্রদের খাওয়া-দাওয়া অন্যান্য প্রয়োজন পূরণ এবং এই মোবারক জামা'য়াতের খিদমতের জন্য দু'পায়ে খাড়া থাকতেন। এটাকে পরম সৌভাগ্য মনে করতেন।"

টিকাঃ
১. তারীখে ফেরেস্তা, ৪খ.পৃ. ৬৭৭

ফন্ট সাইজ
15px
17px