📄 সহৃদয় পদক্ষেপ - বিবাহ সম্পর্কিত অধিকার
মুসলিম মিল্লাত অন্যান্য উম্মতের মধ্যে মধ্যপন্থী ও শ্রেষ্ঠ জাতি। আল্লাহ বলেন, ‘তোমরাই উত্তম জাতি, মানবতার কল্যাণের জন্যই তোমাদের আবির্ভাব ঘটানো হয়েছে। তোমরা মানুষকে সৎ কাজের আদেশ কর, অসৎ কাজ থেকে বাঁধা প্রদান কর এবং আল্লাহ্র প্রতি বিশ্বাস স্থাপন কর’ (আলে-ইমরান ১১০)।
শ্রেষ্ঠত্বের কতিপয় দিক নিম্নরূপ:
১. আল্লাহর উপর ঈমান আনয়ন: এই উম্মত পৃথিবীতে আল্লাহ প্রেরিত সকল নবী-রাসূল এবং সমস্ত ইলাহী গ্রন্থের উপর বিশ্বাস স্থাপন করে।
২. সৎ কাজের নির্দেশ ও অসৎ কাজ থেকে বাধা প্রদান: এটাই সকল উম্মতের মধ্যে তাদের শ্রেষ্ঠত্বের মূল কারণ। ওমর (রাঃ) বলেন, 'হে লোকসকল! যে ব্যক্তি এ উম্মতের অন্তর্ভুক্ত হয়ে খুশি হ'তে চায়, সে যেন আল্লাহ্র ঐ শর্ত পূর্ণ করে'।
৩. মানুষের জন্য মঙ্গলকামী: এ উম্মত মানুষকে মানুষের উপাসনা থেকে আল্লাহ্র ইবাদতের দিকে এবং দুনিয়ার সংকীর্ণতা থেকে প্রশস্ততার দিকে বের করে আনে।
৪. নবীদের আহ্বানে অধিক সাড়া দানকারী: রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, ‘কিয়ামতের দিন নবীদের মধ্যে অনুসারীর সংখ্যা সর্বাধিক হবে’।
৫. ভ্রষ্টতার উপর সমবেত না হওয়া: আল্লাহ এই উম্মতকে গোমরাহীর উপর সমবেত হওয়া থেকে রক্ষা করেছেন। হকের উপর প্রতিষ্ঠিত একটি দল কিয়ামত পর্যন্ত বিদ্যমান থাকবে।
৬. শ্রেষ্ঠ কিতাব: আল-কুরআন সমস্ত আসমানী গ্রন্থের চেয়ে শ্রেষ্ঠ। আল্লাহ নিজেই এর সংরক্ষক।
৭. শ্রেষ্ঠ নবী: মুহাম্মাদ (ছাঃ) সমগ্র সৃষ্টির মধ্যে শ্রেষ্ঠ এবং তাঁর রিসালাত সমগ্র মানব জাতির জন্য ব্যাপক।
৮. হাশরে ও জান্নাতে অগ্রগামী: সর্বশেষ উম্মত হওয়া সত্ত্বেও এই জাতি সবার আগে জান্নাতে প্রবেশ করবে।
৯. অধিক জান্নাতবাসী: রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) আশা প্রকাশ করেছেন যে, জান্নাতীদের অর্ধেক হবে উম্মতে মুহাম্মাদী।
টিকাঃ
১০২. মুসলিম, 'ঈমান' অধ্যায়; মিশকাত, মুকাদ্দামা, হা/১।
১০৩. বুখারী, 'জুম'আ' অধ্যায়, হা/৮৭৬।
১০৪. ইবনু মাজাহ, হা/৪২৮৭, হাদীছ ছহীহ।
১০৫. ইবনু মাজাহ, ঐ, হা/৪২৮৭, হাদীছ ছহীহ।
১০৬. মুসলিম, 'ঈমান' অধ্যায়, হা/৪৯।
১০৭. মুসলিম শরহে নববী সহ, ২য় খণ্ড, পৃঃ ২২-২৩।
১০৮. তাফসীরে তাবারী, ৭ম খণ্ড, পৃঃ ১০২।
১০৯. তাফসীরে তাবারী, ৭ম খণ্ড, পৃঃ ১০৫।
১১০. তারীখুল উমাম ওয়াল মুলুক ৩/৫২০; আল-বিদায়াহ ওয়ান নিহায়াহ ৭/৪০।
১১১. তাফসীর তাবারী ৭/১০৩।
১১২. মুসলিম, 'ঈমান' অধ্যায় হা/১৯৬।
১১৩. মুসলিম, 'ঈমান' অধ্যায় হা/১৯৬।
১১৪. মুত্তাফাক্ব আলাইহ, বঙ্গানুবাদ মিশকাত হা/৫৫০০।
১১৫. বুখারী, 'চিকিৎসা' অধ্যায় হা/৫৭০৫।
১১৬. সিলসিলা ছহীহাহ হা/১৩৩১।
১১৭. বুখারী, হা/৭৩১১; ইবনু মাজাহ হা/১০।
১১৮. তদেব।
১১৯. তাফসীরুল কুরআনিল আযীম, ৭/৮৪ পৃঃ।
১২০. আবুল হাসান নদভী, কিতাবুন নবুওয়াত ওয়াল আম্বিয়া, পৃঃ ২১৩।
১২১. তাফসীর তাবারী ১০/৩৭৭-৭৮।
১২২. তাফসীর ইবনু কাছীর ৫/৮৫।
১২৩. মুসলিম, ‘ঈমান’ অধ্যায়, হা/১৯৪।
১২৪. মুসলিম, ‘মর্যাদা’ অধ্যায়, হা/২২৭৮।
১২৫. ইবনু মাজাহ, হা/৪৩0৮, হাদীছ ছহীহ।
১২৬. ফাতহুল বারী, ৬/৪৪৪।
১২৭. বুখারী, হা/৩৩৯৫।
১২৮. ফাতহুল বারী, ৬/৪৪৬।
১২৯. বুখারী হা/৩৩৫; মিশকাত হা/৫৭৪৭।
১৩০. মুসলিম হা/৫২৩, মিশকাত হা/৫৭৪৮।
১৩১. তাফসীর ইবনে কাছীর ২/২৮৬।
১৩২. বুখারী, হা/৩৫৩৫।
১৩৩. তাফসীর ইবনে কাছীর ২/৭৮।
১৩৪. বুখারী, হা/৮৭৬।
১৩৫. মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/১৩৫৪।
১৩৬. ফতহুল বারী ২/৩৫৪।
১৩৭. মুসলিম, 'জুম'আ' অধ্যায়, হা/৮৫৫।
১৩৮. মুসলিম হা/১৯৭, মিশকাত হা/৫৭৪৩।
১৩৯. বুখারী, হা/৬৫২৮।
মুসলিম মিল্লাত অন্যান্য উম্মতের মধ্যে মধ্যপন্থী ও শ্রেষ্ঠ জাতি। আল্লাহ বলেন, ‘তোমরাই উত্তম জাতি, মানবতার কল্যাণের জন্যই তোমাদের আবির্ভাব ঘটানো হয়েছে। তোমরা মানুষকে সৎ কাজের আদেশ কর, অসৎ কাজ থেকে বাঁধা প্রদান কর এবং আল্লাহ্র প্রতি বিশ্বাস স্থাপন কর’ (আলে-ইমরান ১১০)।
শ্রেষ্ঠত্বের কতিপয় দিক নিম্নরূপ:
১. আল্লাহর উপর ঈমান আনয়ন: এই উম্মত পৃথিবীতে আল্লাহ প্রেরিত সকল নবী-রাসূল এবং সমস্ত ইলাহী গ্রন্থের উপর বিশ্বাস স্থাপন করে।
২. সৎ কাজের নির্দেশ ও অসৎ কাজ থেকে বাধা প্রদান: এটাই সকল উম্মতের মধ্যে তাদের শ্রেষ্ঠত্বের মূল কারণ। ওমর (রাঃ) বলেন, 'হে লোকসকল! যে ব্যক্তি এ উম্মতের অন্তর্ভুক্ত হয়ে খুশি হ'তে চায়, সে যেন আল্লাহ্র ঐ শর্ত পূর্ণ করে'।
৩. মানুষের জন্য মঙ্গলকামী: এ উম্মত মানুষকে মানুষের উপাসনা থেকে আল্লাহ্র ইবাদতের দিকে এবং দুনিয়ার সংকীর্ণতা থেকে প্রশস্ততার দিকে বের করে আনে।
৪. নবীদের আহ্বানে অধিক সাড়া দানকারী: রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, ‘কিয়ামতের দিন নবীদের মধ্যে অনুসারীর সংখ্যা সর্বাধিক হবে’।
৫. ভ্রষ্টতার উপর সমবেত না হওয়া: আল্লাহ এই উম্মতকে গোমরাহীর উপর সমবেত হওয়া থেকে রক্ষা করেছেন। হকের উপর প্রতিষ্ঠিত একটি দল কিয়ামত পর্যন্ত বিদ্যমান থাকবে।
৬. শ্রেষ্ঠ কিতাব: আল-কুরআন সমস্ত আসমানী গ্রন্থের চেয়ে শ্রেষ্ঠ। আল্লাহ নিজেই এর সংরক্ষক।
৭. শ্রেষ্ঠ নবী: মুহাম্মাদ (ছাঃ) সমগ্র সৃষ্টির মধ্যে শ্রেষ্ঠ এবং তাঁর রিসালাত সমগ্র মানব জাতির জন্য ব্যাপক।
৮. হাশরে ও জান্নাতে অগ্রগামী: সর্বশেষ উম্মত হওয়া সত্ত্বেও এই জাতি সবার আগে জান্নাতে প্রবেশ করবে।
৯. অধিক জান্নাতবাসী: রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) আশা প্রকাশ করেছেন যে, জান্নাতীদের অর্ধেক হবে উম্মতে মুহাম্মাদী।
টিকাঃ
১০২. মুসলিম, 'ঈমান' অধ্যায়; মিশকাত, মুকাদ্দামা, হা/১।
১০৩. বুখারী, 'জুম'আ' অধ্যায়, হা/৮৭৬।
১০৪. ইবনু মাজাহ, হা/৪২৮৭, হাদীছ ছহীহ।
১০৫. ইবনু মাজাহ, ঐ, হা/৪২৮৭, হাদীছ ছহীহ।
১০৬. মুসলিম, 'ঈমান' অধ্যায়, হা/৪৯।
১০৭. মুসলিম শরহে নববী সহ, ২য় খণ্ড, পৃঃ ২২-২৩।
১০৮. তাফসীরে তাবারী, ৭ম খণ্ড, পৃঃ ১০২।
১০৯. তাফসীরে তাবারী, ৭ম খণ্ড, পৃঃ ১০৫।
১১০. তারীখুল উমাম ওয়াল মুলুক ৩/৫২০; আল-বিদায়াহ ওয়ান নিহায়াহ ৭/৪০।
১১১. তাফসীর তাবারী ৭/১০৩।
১১২. মুসলিম, 'ঈমান' অধ্যায় হা/১৯৬।
১১৩. মুসলিম, 'ঈমান' অধ্যায় হা/১৯৬।
১১৪. মুত্তাফাক্ব আলাইহ, বঙ্গানুবাদ মিশকাত হা/৫৫০০।
১১৫. বুখারী, 'চিকিৎসা' অধ্যায় হা/৫৭০৫।
১১৬. সিলসিলা ছহীহাহ হা/১৩৩১।
১১৭. বুখারী, হা/৭৩১১; ইবনু মাজাহ হা/১০।
১১৮. তদেব।
১১৯. তাফসীরুল কুরআনিল আযীম, ৭/৮৪ পৃঃ।
১২০. আবুল হাসান নদভী, কিতাবুন নবুওয়াত ওয়াল আম্বিয়া, পৃঃ ২১৩।
১২১. তাফসীর তাবারী ১০/৩৭৭-৭৮।
১২২. তাফসীর ইবনু কাছীর ৫/৮৫।
১২৩. মুসলিম, ‘ঈমান’ অধ্যায়, হা/১৯৪।
১২৪. মুসলিম, ‘মর্যাদা’ অধ্যায়, হা/২২৭৮।
১২৫. ইবনু মাজাহ, হা/৪৩0৮, হাদীছ ছহীহ।
১২৬. ফাতহুল বারী, ৬/৪৪৪।
১২৭. বুখারী, হা/৩৩৯৫।
১২৮. ফাতহুল বারী, ৬/৪৪৬।
১২৯. বুখারী হা/৩৩৫; মিশকাত হা/৫৭৪৭।
১৩০. মুসলিম হা/৫২৩, মিশকাত হা/৫৭৪৮।
১৩১. তাফসীর ইবনে কাছীর ২/২৮৬।
১৩২. বুখারী, হা/৩৫৩৫।
১৩৩. তাফসীর ইবনে কাছীর ২/৭৮।
১৩৪. বুখারী, হা/৮৭৬।
১৩৫. মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/১৩৫৪।
১৩৬. ফতহুল বারী ২/৩৫৪।
১৩৭. মুসলিম, 'জুম'আ' অধ্যায়, হা/৮৫৫।
১৩৮. মুসলিম হা/১৯৭, মিশকাত হা/৫৭৪৩।
১৩৯. বুখারী, হা/৬৫২৮।
মুসলিম মিল্লাত অন্যান্য উম্মতের মধ্যে মধ্যপন্থী ও শ্রেষ্ঠ জাতি। আল্লাহ বলেন, ‘তোমরাই উত্তম জাতি, মানবতার কল্যাণের জন্যই তোমাদের আবির্ভাব ঘটানো হয়েছে। তোমরা মানুষকে সৎ কাজের আদেশ কর, অসৎ কাজ থেকে বাঁধা প্রদান কর এবং আল্লাহ্র প্রতি বিশ্বাস স্থাপন কর’ (আলে-ইমরান ১১০)।
শ্রেষ্ঠত্বের কতিপয় দিক নিম্নরূপ:
১. আল্লাহর উপর ঈমান আনয়ন: এই উম্মত পৃথিবীতে আল্লাহ প্রেরিত সকল নবী-রাসূল এবং সমস্ত ইলাহী গ্রন্থের উপর বিশ্বাস স্থাপন করে।
২. সৎ কাজের নির্দেশ ও অসৎ কাজ থেকে বাধা প্রদান: এটাই সকল উম্মতের মধ্যে তাদের শ্রেষ্ঠত্বের মূল কারণ। ওমর (রাঃ) বলেন, 'হে লোকসকল! যে ব্যক্তি এ উম্মতের অন্তর্ভুক্ত হয়ে খুশি হ'তে চায়, সে যেন আল্লাহ্র ঐ শর্ত পূর্ণ করে'।
৩. মানুষের জন্য মঙ্গলকামী: এ উম্মত মানুষকে মানুষের উপাসনা থেকে আল্লাহ্র ইবাদতের দিকে এবং দুনিয়ার সংকীর্ণতা থেকে প্রশস্ততার দিকে বের করে আনে।
৪. নবীদের আহ্বানে অধিক সাড়া দানকারী: রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, ‘কিয়ামতের দিন নবীদের মধ্যে অনুসারীর সংখ্যা সর্বাধিক হবে’।
৫. ভ্রষ্টতার উপর সমবেত না হওয়া: আল্লাহ এই উম্মতকে গোমরাহীর উপর সমবেত হওয়া থেকে রক্ষা করেছেন। হকের উপর প্রতিষ্ঠিত একটি দল কিয়ামত পর্যন্ত বিদ্যমান থাকবে।
৬. শ্রেষ্ঠ কিতাব: আল-কুরআন সমস্ত আসমানী গ্রন্থের চেয়ে শ্রেষ্ঠ। আল্লাহ নিজেই এর সংরক্ষক।
৭. শ্রেষ্ঠ নবী: মুহাম্মাদ (ছাঃ) সমগ্র সৃষ্টির মধ্যে শ্রেষ্ঠ এবং তাঁর রিসালাত সমগ্র মানব জাতির জন্য ব্যাপক।
৮. হাশরে ও জান্নাতে অগ্রগামী: সর্বশেষ উম্মত হওয়া সত্ত্বেও এই জাতি সবার আগে জান্নাতে প্রবেশ করবে।
৯. অধিক জান্নাতবাসী: রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) আশা প্রকাশ করেছেন যে, জান্নাতীদের অর্ধেক হবে উম্মতে মুহাম্মাদী।
টিকাঃ
১০২. মুসলিম, 'ঈমান' অধ্যায়; মিশকাত, মুকাদ্দামা, হা/১।
১০৩. বুখারী, 'জুম'আ' অধ্যায়, হা/৮৭৬।
১০৪. ইবনু মাজাহ, হা/৪২৮৭, হাদীছ ছহীহ।
১০৫. ইবনু মাজাহ, ঐ, হা/৪২৮৭, হাদীছ ছহীহ।
১০৬. মুসলিম, 'ঈমান' অধ্যায়, হা/৪৯।
১০৭. মুসলিম শরহে নববী সহ, ২য় খণ্ড, পৃঃ ২২-২৩।
১০৮. তাফসীরে তাবারী, ৭ম খণ্ড, পৃঃ ১০২।
১০৯. তাফসীরে তাবারী, ৭ম খণ্ড, পৃঃ ১০৫।
১১০. তারীখুল উমাম ওয়াল মুলুক ৩/৫২০; আল-বিদায়াহ ওয়ান নিহায়াহ ৭/৪০।
১১১. তাফসীর তাবারী ৭/১০৩।
১১২. মুসলিম, 'ঈমান' অধ্যায় হা/১৯৬।
১১৩. মুসলিম, 'ঈমান' অধ্যায় হা/১৯৬।
১১৪. মুত্তাফাক্ব আলাইহ, বঙ্গানুবাদ মিশকাত হা/৫৫০০।
১১৫. বুখারী, 'চিকিৎসা' অধ্যায় হা/৫৭০৫।
১১৬. সিলসিলা ছহীহাহ হা/১৩৩১।
১১৭. বুখারী, হা/৭৩১১; ইবনু মাজাহ হা/১০।
১১৮. তদেব।
১১৯. তাফসীরুল কুরআনিল আযীম, ৭/৮৪ পৃঃ।
১২০. আবুল হাসান নদভী, কিতাবুন নবুওয়াত ওয়াল আম্বিয়া, পৃঃ ২১৩।
১২১. তাফসীর তাবারী ১০/৩৭৭-৭৮।
১২২. তাফসীর ইবনু কাছীর ৫/৮৫।
১২৩. মুসলিম, ‘ঈমান’ অধ্যায়, হা/১৯৪।
১২৪. মুসলিম, ‘মর্যাদা’ অধ্যায়, হা/২২৭৮।
১২৫. ইবনু মাজাহ, হা/৪৩0৮, হাদীছ ছহীহ।
১২৬. ফাতহুল বারী, ৬/৪৪৪।
১২৭. বুখারী, হা/৩৩৯৫।
১২৮. ফাতহুল বারী, ৬/৪৪৬।
১২৯. বুখারী হা/৩৩৫; মিশকাত হা/৫৭৪৭।
১৩০. মুসলিম হা/৫২৩, মিশকাত হা/৫৭৪৮।
১৩১. তাফসীর ইবনে কাছীর ২/২৮৬।
১৩২. বুখারী, হা/৩৫৩৫।
১৩৩. তাফসীর ইবনে কাছীর ২/৭৮।
১৩৪. বুখারী, হা/৮৭৬।
১৩৫. মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/১৩৫৪।
১৩৬. ফতহুল বারী ২/৩৫৪।
১৩৭. মুসলিম, 'জুম'আ' অধ্যায়, হা/৮৫৫।
১৩৮. মুসলিম হা/১৯৭, মিশকাত হা/৫৭৪৩।
১৩৯. বুখারী, হা/৬৫২৮।
স্ত্রীদের অধিকার এবং তাঁদের মধ্যে সমতা বিধানের বিষয়ে ইসলাম অত্যন্ত গুরুত্বারোপ করেছে। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) তাঁর স্ত্রীদের মধ্যে পালার দিন বণ্টনের ক্ষেত্রে পূর্ণ ইনসাফ করতেন। তবে আন্তরিক ভালবাসা বা হৃদয়ের টানের ক্ষেত্রে সমতা রক্ষা করা মানুষের সাধ্যাতীত, তাই এ ক্ষেত্রে আল্লাহ ছাড় দিয়েছেন। সাওদা বিনতু যাম’আহ (রাঃ) বার্ধক্যে উপনীত হয়ে যখন অনুভব করলেন যে তাঁর দাম্পত্য সম্পর্ক হুমকির মুখে পড়তে পারে, তখন তিনি স্বেচ্ছায় তাঁর পালার দিনটি আয়েশা (রাঃ)-কে ছেড়ে দিয়ে একটি সহৃদয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) তাঁর এই ত্যাগ গ্রহণ করেন এবং তাঁদের মধ্যকার সম্পর্ক বজায় থাকে। এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ বলেন, ‘যদি কোন নারী তার স্বামীর তরফ থেকে নিষ্ঠুরতা কিংবা উপেক্ষিত হবার আশংকা করে... তবে তারা আপোষ-নিষ্পত্তি করলে তাদের কোন গোনাহ নেই’ (নিসা ৪/১২৮)।
টিকাঃ
৯০. আবুদাউদ হা/২১৩৫, সনদ হাসান ছহীহ।
স্ত্রীদের অধিকার এবং তাঁদের মধ্যে সমতা বিধানের বিষয়ে ইসলাম অত্যন্ত গুরুত্বারোপ করেছে। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) তাঁর স্ত্রীদের মধ্যে পালার দিন বণ্টনের ক্ষেত্রে পূর্ণ ইনসাফ করতেন। তবে আন্তরিক ভালবাসা বা হৃদয়ের টানের ক্ষেত্রে সমতা রক্ষা করা মানুষের সাধ্যাতীত, তাই এ ক্ষেত্রে আল্লাহ ছাড় দিয়েছেন। সাওদা বিনতু যাম’আহ (রাঃ) বার্ধক্যে উপনীত হয়ে যখন অনুভব করলেন যে তাঁর দাম্পত্য সম্পর্ক হুমকির মুখে পড়তে পারে, তখন তিনি স্বেচ্ছায় তাঁর পালার দিনটি আয়েশা (রাঃ)-কে ছেড়ে দিয়ে একটি সহৃদয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) তাঁর এই ত্যাগ গ্রহণ করেন এবং তাঁদের মধ্যকার সম্পর্ক বজায় থাকে। এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ বলেন, ‘যদি কোন নারী তার স্বামীর তরফ থেকে নিষ্ঠুরতা কিংবা উপেক্ষিত হবার আশংকা করে... তবে তারা আপোষ-নিষ্পত্তি করলে তাদের কোন গোনাহ নেই’ (নিসা ৪/১২৮)।
টিকাঃ
৯০. আবুদাউদ হা/২১৩৫, সনদ হাসান ছহীহ।
স্ত্রীদের অধিকার এবং তাঁদের মধ্যে সমতা বিধানের বিষয়ে ইসলাম অত্যন্ত গুরুত্বারোপ করেছে। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) তাঁর স্ত্রীদের মধ্যে পালার দিন বণ্টনের ক্ষেত্রে পূর্ণ ইনসাফ করতেন। তবে আন্তরিক ভালবাসা বা হৃদয়ের টানের ক্ষেত্রে সমতা রক্ষা করা মানুষের সাধ্যাতীত, তাই এ ক্ষেত্রে আল্লাহ ছাড় দিয়েছেন। সাওদা বিনতু যাম’আহ (রাঃ) বার্ধক্যে উপনীত হয়ে যখন অনুভব করলেন যে তাঁর দাম্পত্য সম্পর্ক হুমকির মুখে পড়তে পারে, তখন তিনি স্বেচ্ছায় তাঁর পালার দিনটি আয়েশা (রাঃ)-কে ছেড়ে দিয়ে একটি সহৃদয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) তাঁর এই ত্যাগ গ্রহণ করেন এবং তাঁদের মধ্যকার সম্পর্ক বজায় থাকে। এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ বলেন, ‘যদি কোন নারী তার স্বামীর তরফ থেকে নিষ্ঠুরতা কিংবা উপেক্ষিত হবার আশংকা করে... তবে তারা আপোষ-নিষ্পত্তি করলে তাদের কোন গোনাহ নেই’ (নিসা ৪/১২৮)।
টিকাঃ
৯০. আবুদাউদ হা/২১৩৫, সনদ হাসান ছহীহ।